Friday, April 13, 2012
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরঃ বাংলাদেশের প্রাপ্তি নেই by শওকত মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরঃ বাংলাদেশের প্রাপ্তি নেই by শওকত মাহমুদ
প্রতিটি মানুষ, আমার বিশ্বাস, তার অন্তঃপ্রদেশে স্বাধীন, সার্বভৌম, স্বয়ম্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারণায় সুস্থিত; বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা, স্বাতন্ত্র্য ও সংস্কৃতি বোধের অসতর্কতার বিরুদ্ধে যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মরিয়া প্রহরায় বিনিদ্র আছেন।
এখানে প্রশ্ন উঠতেই পারে, বাংলাদেশের সকল নাগরিকেরই তো এই রাষ্ট্রের স্বার্থানুগ হওয়ার কথা। বিশ্বায়নের শোরগোলে জাতীয়তার মধ্যে আন্তর্জাতিকতার পরিপূরণকে ক’টি লোকই বা মুখ্য মনে করে? বাঙালি বুদ্ধিজীবীর মননে আন্তর্জাতিকতাবোধ আলোচনা করতে গিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক দীপেন্দু চক্রবর্তী ১৯৯৯ সালে এক প্রবন্ধে বলেছিলেন, “কথিত আছে যে আমাদের নবজাগরণের প্রধান নায়ক রামমোহন রায় ইংল্যান্ডে যাত্রার সময় ফরাসি জাহাজে ফ্রান্সের বিপ্লবী তেরঙ্গা পতাকাকে সশ্রদ্ধ সেলাম জানানোর জন্য তড়িঘড়ি তাঁর জাহাজের সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে আঘাত পান এবং বাকি জীবন খোঁড়া হয়ে থাকেন। রামমোহনের উত্তরাধিকারী আমরাও আন্তর্জাতিক হওয়ার দ্রুততায় বারবার সিঁড়ি দিয়ে পড়ে গেছি এবং এখনও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে চলেছি।” কানেকটিভিটি নামক ধূম্রজালে বাংলাদেশের মান-মর্যাদা আর ঐতিহ্যকে সঁপে দেওয়ার মাধ্যাকর্ষণবিহীন ওই মানসিকতা ক্রমেই পেকে উঠছে এবং মিডিয়া মারফত আমাদের লিভিং স্পেসে দ্রুত ছড়াচ্ছে বলেই উপর্যুক্ত উদাহরণটা টানলাম।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের প্রাক্কালে বিপুল অর্থব্যয়ে ভারতের প্রধান প্রধান দৈনিকগুলোতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়। শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে প্রচারণা, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রয়োজনীয়তার নানা বয়ান ওই ক্রোড়পত্রে দেখা যায়। ‘ডিপ্লোমেটিস্ট’ নামের একটি অভিজাত ম্যাগাজিনের পুরো সংখ্যা ক্রোড়পত্র হিসেবে ছাপা হয়। যাতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ‘জয়বাংলা জয় হিন্দ’ স্লোগানের পাশাপাশি বাংলাদেশের অ-আওয়ামী শাসনকালকে অন্ধযুগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরই ক্রোড়পত্রে একটি অদ্ভুত নিবন্ধ দেখা যায়, বাংলাদেশের পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাইস চেয়ারম্যান ড. সাদিক আহমেদ যার রচয়িতা। ‘দি ইমপারেটিভ ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন’ শিরোনামের এই লেখায় ড. সাদিক সফর শুরুর আগে যা বলেছেন, তার অনেকটাই যৌথ ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। এতে বোঝা যায়, গোপনে গোপনে দুই সরকার জাতিকে না জানিয়ে লম্বা সময় ধরে এর খুঁটিনাটি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, The north-east sub-region of South Asia encompasses the four countries of India, Bhutan, Nepal and Bangladesh. Both Bhutan and Nepal are land locked, presently their main access to seaport in through Kolkata. ভারতের নয় বরং বাংলাদেশ সরকারের স্পন্সর করা ওই লেখায় উত্তর-পূর্ব সাব রিজিয়নে একক বিদ্যুত্ গ্রিড ও কানেকটিভিটির ওপর অত্যধিক গুরুত্ব দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, The range of cross-border transport project is large. The highest priority is the conversion of Chittagong, Mongla and Kolkata into modern international seaports to serve the needs for the reunite sub-region. The port traffic needs to be better connected through appropriate road-rail-inland water networks. Secondly give the pecularity of geopraphy, the north-east states of India can benefit tremendously through road-rail-inland waterway connections that link these states to the rest of India running through Bangladesh.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর দেশজুড়ে আলোচনা-উত্তাপ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে ফিরে জিয়া বিমানবন্দরে দলীয় সংবর্ধনা নিয়েছেন এবং বলে চলেছেন, তিনি এই সফরে শতভাগ জয়ী। এটা কি দেশের পরাজয়ের বিপরীতে তার ব্যক্তিগত জয়—এ প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
প্রথমেই একটি সীমাবদ্ধতার কথা না বলে পারছি না। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছে কতকগুলো শর্তে। এর একটি, বৈদেশিক সম্পর্ক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বিশ্বের মাত্র দুটি সংবিধানেই এমন শর্ত দেখা যায়। একটি হচ্ছে ভারত, অপরটি বাংলাদেশ। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু তার `Discovery of India` গ্রন্থে ভারতের ভূগোলকে মধ্যএশিয়া থেকে কম্বোডিয়া পর্যন্ত সংজ্ঞায়িত করে বলেছিলেন, ক্ষুদ্র জাতিগুলো অস্তিত্ব বজায় রাখার যোগ্য নয়, বড়জোর তারা সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। এ লক্ষ্যে তিনি এমন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন, যাতে স্বাধীনচেতা মিডিয়াও যেন খোলামেলা পর্যালোচনায় যেতে না পারে এবং ১৯৫১ সালে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে ওই বিষয়টি আনেন। যদিও ভারতের সংবিধানে ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ বলে কোনো শব্দ নেই। বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯৭২ সাল থেকেই এ শর্ত জুড়ে দেওয়া আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একমুখী করতে বা এ রাষ্ট্রকে ব্যর্থ, মৌলবাদী বলে ভারতীয় মিডিয়া ও রাজনৈতিক সমাজ আকছার গালাগাল দিলেও ভারতের সাংবিধানিক মহল ইচ্ছাকৃতভাবেই নিশ্চুপ। বাংলাদেশের অবস্থানটা ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত প্রেস কমিশনের রিপোর্টে স্পষ্ট। বর্ষীয়ান রাজনীতিক আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশনের পর্যবেক্ষণ ছিল এমন : `The restrictions on the Press in the interest of friendly relations have been opposed by many on the ground that the Press had displayed a keen and subtle perception of the susceptibilities involved in the foreign relations of Bangladesh.... stories critical of foreign states or certain aspects of the foreign policy of the National Government are found in newspapers of many countries. We are also of the view that the press should be free to express opinion and analyse development on relations with foreign state`.
হালের বাংলাদেশে শাসকদল ও সরকারের পরমতসহিষ্ণুতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সাংবাদিক-নির্যাতনের ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন বাতিলে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার নজিরবিহীন বিরোধিতা সর্বোপরি ২০১০-এর ১/১১তে দিল্লি বনিবনার মুক্ত মূল্যায়নকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে দেখার ঘটনায় অনেকেই আজ উদ্বিগ্ন যে, সাংবিধানিক খড়্গ নেমে আসে কিনা। ভারতের সঙ্গে সই করা সন্ত্রাসবাদ দমনের চুক্তিতে ‘মিলিট্যান্ট’ শব্দটির সংজ্ঞার আড়ালে ভিন্নমতাবলম্বীদের এক হাত নেওয়ায় সুযোগ করা হয়েছে কিনা—কে জানে।
এ সত্য শিরোধার্য যে, প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ অধ্যুষিত দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত বৃহত্তম দেশ এবং পড়শীদের সঙ্গে তার গড়পড়তা সম্পর্ক অবিশ্বাসের। বোধ করি বিশ্বের আর কোনো বৃহত্ দেশ প্রতিবেশীদের অমন মাত্রার সন্দেহের শিকার নয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ইতিহাসের নানা সময়জুড়ে অশান্ত থাকছে। গবেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় Inter and Intra state conflict মূলত ভারতেরই সৃষ্টি। শ্রীলংকায় এলটিটিই ও বাংলাদেশে ‘শান্তি বাহিনী’কে আশ্রয়, প্রশিক্ষণ ও গণহত্যায় ব্যবহার করতে ভারত ছিল সক্রিয়। তার ওপর কেন্দ্রের রক্ষচক্ষু শাসনের কারণে ভারতের নানা রাজ্যে সশস্ত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছে এবং ভারতকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বৈষম্য দরিদ্র রাজ্যগুলোতে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত সাংবাদিক সমিতি বা সাফমা’র মহাসচিব ইমতিয়াজ আলম এক প্রবন্ধে বলেছেন : `Most glaring aspect of poverty is that it is increasingly concentrated in the regions that have left behind in the course of an unequal development and growth. The phrase two India(s) exemplifies this difference in regional development outcomes. In 2002-2003, all India per-capita GDP was $ 480, the poorest seven states (accounting for 55 per cent of the population) had a per-capita GDP that was two thirds the national average, while in the richest seven states (33 per cent of the population) per-capita GDP was nearly double that of the poorest seven states`. মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান সংলগ্ন ভারতীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতে দারিদ্র্য এবং তত্সূত্রে সৃষ্ট জঙ্গি তত্পরতার মাত্রা তীব্র। এসব গেরিলা তত্পরতাকে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সৃষ্ট বা আন্তর্জাতিক মৌলবাদী জঙ্গি অপপ্রয়াস বলে দাবি করে এলেও স্বনির্ভর সশস্ত্র মাওবাদী তত্পরতা বিশ্বের চোখ খুলে দিয়েছে। সুলেখিকা অরুন্ধতী রায় তো পরিষ্কার বলেছেন, চরম গরিবির কারণে ঝাড়খণ্ড থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত মাওবাদীরা ঘরে ঘরে।
নিরাপত্তা চুক্তি
২০১০-এর ১/১১তে দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বৈঠকে অপরাধ দমনে পারস্পরিক আইনি সহায়তা, দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যর্পণ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘটিত অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার মোকাবিলা সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি তিনটির পূর্ণ বিবরণ সরকার এখন অব্দি প্রকাশ না করলেও জনমনে ধারণা, এসব ভারতের প্রয়োজন থেকেই হয়েছে। প্রয়োজনটা কী? দু’দেশের গোয়েন্দাদের নিয়ে যৌথ কমিটি হবে এবং গ্রেফতারকৃতদের তালিকা বিনিময় হবে। ১. বিচ্ছিন্নতাবাদী খোঁজার নামে বাংলাদেশের জন-শৃঙ্খলা, অপরাধবিষয়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভারত পুরো নজরদারিতে নিতে চায়। ২. সন্ত্রাসবাদ দমনে সার্কের সিদ্ধান্ত ও প্রটোকলগুলোর বাইরে ভারত বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান নিয়ে Cooperative Security System গড়তে চায়। জওয়াহেরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সি রাজা মোহনের মতে : `Cooperative security recognizes the reality of profound interdependence among South Asian Nations in both economic and security realms`.—বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ওই কৌশলে ধরা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির তরফে এ চুক্তি পর্যালোচনায় বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইসরাইল ও ভারত সন্ত্রাসবাদের যে সংজ্ঞা (মুসলিম দমন) নিরূপণ করেছে, আওয়ামী লীগ সরকার নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে টেনে আনল। ১৯৯৬ সাল থেকে একই চেষ্টা আওয়ামী লীগ করেছে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের সময়। এটা নির্ভেজালভাবেই সংকীর্ণ রাজনৈতিক কৌশল। অর্থাত্ বাংলাদেশের ব্যাপকসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে এক ধরনের উপজাতীয় অনুভূতিতে বিদীর্ণ করে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করা। এ তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক প্রামাণিকতার প্রয়োজন নেই এজন্য যে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পবিহীন বাংলাদেশে ক্রমাগত সাম্প্রদায়িকতার কথা বলে যাওয়ার রাজনীতিও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের খামোকা পশ্চাত্-মানসিকতায় নিক্ষেপ করে। আরেকটি জ্বলজ্যান্ত অভ্যন্তরীণ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নিরাপত্তাজালে বন্দি হয়েছেন। ‘আমাকে বুলেট তাড়া করে ফিরছে’— প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্বেগের পুরো ফায়দা তুলতে ব্যস্ত ভারত। প্রধানমন্ত্রী একরকম গৃহবাসী নজিরবিহীন নিরাপত্তাবেষ্টিত, রাজধানীর বাইরে না বেরুনো এবং অধিক বিদেশ সফরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা এক সরকারপ্রধানে পরিণত হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কি ঘরে বসে ভিডিও কনফারেন্সিং? বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তার নির্মম হত্যাকাণ্ডের তুলনায় সে সময়ে তার সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্রকে বড় করে দেখেছেন কিনা জানি না, তবে বিদ্রোহী হত্যাকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে একান্ত বৈঠক জনগণকে হতবাক করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ভারতকেন্দ্রিক মাইন্ডসেটের কথা অথবা জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে ফেলার দৃষ্টান্ত নতুন কিছু নয়। ২০০১ সালের নির্বাচনের গণরায় প্রত্যাখ্যান করে অক্টোবর মাসে এক দলীয় সভায় শেখ হাসিনা ভারতকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে কোনো বিদেশি প্রভুকে সন্তুষ্ট করার জন্য গ্যাস রফতানি করিনি। জানি না, এটাই আমাদের কাল হলো কিনা।’ তাহলে কি সেই আশঙ্কা থেকেই তিনি এখন ভারতের সব চাওয়া পূরণ করছেন?
ভারতের সঙ্গে চলো নীতি
১/১১-তে বাংলাদেশ-ভারতের দিল্লি সমঝোতাকে যদি সার্বিক মূল্যায়নে আনা হয়, তবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, অবকাঠামো, বিদ্যুত্ ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশকে রহঃবমত্ধঃব করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার সাব্যস্ত করেছে, এখন থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ হাঁটবে ভারতের পিছু পিছু, একটি উপগ্রহ রাষ্ট্রের মতো। বাংলাদেশকে ভারতের ‘আস্থা’ অর্জন করতে হয়েছে এই অপরিমেয় বিনিময় মূল্যে। অথচ ভারতের কাছ থেকে আমাদের কোনো নগদ প্রাপ্তি নেই। এই সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপনে, একতরফাভাবে, ক্যাবিনেট বা সংসদে আলোচনা ছাড়াই নিয়েছেন। এটি কতখানি যুক্তিসঙ্গত ও জাতীয় স্বার্থবাহী? সেজন্যই প্রশ্ন উঠেছে, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশ্চাত্যের বাজারি গণতন্ত্র ও অর্থনীতির প্রণোদনার মুখে চীন ও ভারতের মতো দুটি বিকাশমান অর্থনীতির মাঝে দাঁড়িয়ে বালাদেশের যেখানে ভারসাম্যমূলক অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা, সেখানে বাংলাদেশ একশ’ ভাগ ভারতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এটাই হয়তো শতভাগ সত্য। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পুনর্গঠনে ভারতকে আগাম সমর্থন জানিয়ে বসেছে, যেখানে চীন ভারতের প্রার্থিতাকে নাকচ করেছে। এই যুক্ত ইশতেহার পড়লে যে কোনো পর্যবেক্ষকের ধারণা হবে, চীনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে ব্যবহারের পথে চলেছে বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-উত্তর যে জাতি সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা এনেছে, তার নাম বাংলাদেশ। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, ভারতের লাগাতার পানি-পরিবেশ-বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক আগ্রাসনের মুখেও বাংলাদেশের মানুষ অনন্ত আয়ত্তির প্রেরণায় বিভোর, অর্থনীতিতে চমকপ্রদ সাফল্যের জন্য উন্মুখ, পরিশ্রমী, গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার ও উদার জাতি হিসেবে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে, তখন এ ধরনের সিদ্ধান্ত জাতীয় মনস্তত্ত্বে এক বিরূপ প্রভাব ফেলবে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অনেক দুর্বল হয়ে যাবে।
ভারত সফরের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি হবে। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে কোনো চুক্তি হচ্ছে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ সফরটি আস্থা অর্জনের। বড় কোনো চুক্তি হবে না। অথচ আড়ালে ভারতের সঙ্গে যে ব্যাপক ও একমুখী সমঝোতা পাকাপাকি হচ্ছে, সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা দেওয়া হয়নি। কেন এই গোপনীয়তা? বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যথার্থই বলেছেন, ‘ভারত সফরে যাওয়ার আগে জাতীয় স্বার্থ ও সব সংবেদনশীল বিষয়ে আলোচনা করে একটি জাতীয় ঐকমত্য স্থাপন করা প্রধানমন্ত্রীর কর্তব্য ছিল। আমরা সে আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তা করেননি। বরং জাতীয় অঙ্গনে প্রতিহিংসা ও বিভাজনের রাজনীতি এবং উত্তেজনাকেই তিনি উস্কে দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও আমরা একতরফাভাবে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও পরামর্শ তুলে ধরেছিলাম। তিনি সেসবও উপেক্ষা করেছেন।’ সাধারণত বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগে বিরোধী দলের মতামতকে সরকারপ্রধান বিদেশি সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় দরকষাকষিতে ব্যবহার করে থাকেন।
কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী দিল্লি যাওয়ার আগে বিরোধী নেত্রীর বক্তব্যকে পরিহাস করে নিজের দরকষাকষির শক্তিকে দুর্বল করে ফেলেছেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে আজ স্পষ্ট, তুলনামূলক বিচারে জননেত্রী শেখ হাসিনার চাইতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরাবর বাংলাদেশের স্বার্থকে ভারতের কাছে তুলে ধরেছেন। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে গণমানুষের অনুভূতিকে ধারণ করে বেগম জিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত প্রতিবাদ করেছেন। অথচ আমাদের সরকার প্রতিবাদ কেন, সামান্য আপত্তিও রুজু করতে পারেনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু যেন না হয়, তা তিনি দেখবেন। তার এ উপলব্ধির কৃতিত্ব অথবা ভারত যদি টিপাইমুখ প্রকল্প থেকে সরে আসার ঘোষণাও ভবিষ্যতে কখনও দেয়, সে সাফল্যের শতভাগ কৃতিত্ব হবে বেগম খালেদা জিয়ার। বরাকের ওপর জলাধার নির্মাণের ব্যাপারে ২৫-২৬ জুন, ১৯৭২ এবং ২৮-৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ যৌথ নদী কমিশনের যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৭২-৭৫ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ শাসন আমলে অনুষ্ঠিত প্রতিটি যৌথ নদী কমিশন মিটিংয়ে আলোচনা হয়। এ ব্যাপারে একটি যৌথ সমীক্ষা দল গঠনের কথা ছিল। তা কখনো হয়নি। পরবর্তীকালে যৌথ নদী কমিশনের কোনো মিটিংয়ে এ বিষয়ে আর আলোচনা হয়নি। বরং ১৯৮৭-৮৮ সালে উপর্যুপরি দু’বছর বাংলাদেশে প্রলয়ংকরী বন্যার পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বন্যা ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স দু’দেশের পানিসম্পদ সচিবদের নেতৃত্বে গঠিত হয়। ওই রিপোর্টে বাংলাদেশ সুস্পষ্টভাবে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিরোধিতা করে এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের সিলেট এলাকায় বন্যা প্রশমনে কোনো ভূমিকা রাখবে না।
২০০১-০৬ সালে চারদলীয় বিএনপি জোট সরকারের আমলে যৌথ নদী কমিশনের ৩৬তম সভায় বাংলাদশ।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের প্রাক্কালে বিপুল অর্থব্যয়ে ভারতের প্রধান প্রধান দৈনিকগুলোতে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়। শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে প্রচারণা, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রয়োজনীয়তার নানা বয়ান ওই ক্রোড়পত্রে দেখা যায়। ‘ডিপ্লোমেটিস্ট’ নামের একটি অভিজাত ম্যাগাজিনের পুরো সংখ্যা ক্রোড়পত্র হিসেবে ছাপা হয়। যাতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ‘জয়বাংলা জয় হিন্দ’ স্লোগানের পাশাপাশি বাংলাদেশের অ-আওয়ামী শাসনকালকে অন্ধযুগ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরই ক্রোড়পত্রে একটি অদ্ভুত নিবন্ধ দেখা যায়, বাংলাদেশের পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাইস চেয়ারম্যান ড. সাদিক আহমেদ যার রচয়িতা। ‘দি ইমপারেটিভ ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন’ শিরোনামের এই লেখায় ড. সাদিক সফর শুরুর আগে যা বলেছেন, তার অনেকটাই যৌথ ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। এতে বোঝা যায়, গোপনে গোপনে দুই সরকার জাতিকে না জানিয়ে লম্বা সময় ধরে এর খুঁটিনাটি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, The north-east sub-region of South Asia encompasses the four countries of India, Bhutan, Nepal and Bangladesh. Both Bhutan and Nepal are land locked, presently their main access to seaport in through Kolkata. ভারতের নয় বরং বাংলাদেশ সরকারের স্পন্সর করা ওই লেখায় উত্তর-পূর্ব সাব রিজিয়নে একক বিদ্যুত্ গ্রিড ও কানেকটিভিটির ওপর অত্যধিক গুরুত্ব দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, The range of cross-border transport project is large. The highest priority is the conversion of Chittagong, Mongla and Kolkata into modern international seaports to serve the needs for the reunite sub-region. The port traffic needs to be better connected through appropriate road-rail-inland water networks. Secondly give the pecularity of geopraphy, the north-east states of India can benefit tremendously through road-rail-inland waterway connections that link these states to the rest of India running through Bangladesh.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর দেশজুড়ে আলোচনা-উত্তাপ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে ফিরে জিয়া বিমানবন্দরে দলীয় সংবর্ধনা নিয়েছেন এবং বলে চলেছেন, তিনি এই সফরে শতভাগ জয়ী। এটা কি দেশের পরাজয়ের বিপরীতে তার ব্যক্তিগত জয়—এ প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
প্রথমেই একটি সীমাবদ্ধতার কথা না বলে পারছি না। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দিয়েছে কতকগুলো শর্তে। এর একটি, বৈদেশিক সম্পর্ক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বিশ্বের মাত্র দুটি সংবিধানেই এমন শর্ত দেখা যায়। একটি হচ্ছে ভারত, অপরটি বাংলাদেশ। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওয়াহেরলাল নেহরু তার `Discovery of India` গ্রন্থে ভারতের ভূগোলকে মধ্যএশিয়া থেকে কম্বোডিয়া পর্যন্ত সংজ্ঞায়িত করে বলেছিলেন, ক্ষুদ্র জাতিগুলো অস্তিত্ব বজায় রাখার যোগ্য নয়, বড়জোর তারা সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। এ লক্ষ্যে তিনি এমন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন, যাতে স্বাধীনচেতা মিডিয়াও যেন খোলামেলা পর্যালোচনায় যেতে না পারে এবং ১৯৫১ সালে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে ওই বিষয়টি আনেন। যদিও ভারতের সংবিধানে ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ বলে কোনো শব্দ নেই। বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯৭২ সাল থেকেই এ শর্ত জুড়ে দেওয়া আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একমুখী করতে বা এ রাষ্ট্রকে ব্যর্থ, মৌলবাদী বলে ভারতীয় মিডিয়া ও রাজনৈতিক সমাজ আকছার গালাগাল দিলেও ভারতের সাংবিধানিক মহল ইচ্ছাকৃতভাবেই নিশ্চুপ। বাংলাদেশের অবস্থানটা ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত প্রেস কমিশনের রিপোর্টে স্পষ্ট। বর্ষীয়ান রাজনীতিক আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশনের পর্যবেক্ষণ ছিল এমন : `The restrictions on the Press in the interest of friendly relations have been opposed by many on the ground that the Press had displayed a keen and subtle perception of the susceptibilities involved in the foreign relations of Bangladesh.... stories critical of foreign states or certain aspects of the foreign policy of the National Government are found in newspapers of many countries. We are also of the view that the press should be free to express opinion and analyse development on relations with foreign state`.
হালের বাংলাদেশে শাসকদল ও সরকারের পরমতসহিষ্ণুতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সাংবাদিক-নির্যাতনের ঘটনা যেভাবে বাড়ছে, ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন বাতিলে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার নজিরবিহীন বিরোধিতা সর্বোপরি ২০১০-এর ১/১১তে দিল্লি বনিবনার মুক্ত মূল্যায়নকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে দেখার ঘটনায় অনেকেই আজ উদ্বিগ্ন যে, সাংবিধানিক খড়্গ নেমে আসে কিনা। ভারতের সঙ্গে সই করা সন্ত্রাসবাদ দমনের চুক্তিতে ‘মিলিট্যান্ট’ শব্দটির সংজ্ঞার আড়ালে ভিন্নমতাবলম্বীদের এক হাত নেওয়ায় সুযোগ করা হয়েছে কিনা—কে জানে।
এ সত্য শিরোধার্য যে, প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ অধ্যুষিত দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত বৃহত্তম দেশ এবং পড়শীদের সঙ্গে তার গড়পড়তা সম্পর্ক অবিশ্বাসের। বোধ করি বিশ্বের আর কোনো বৃহত্ দেশ প্রতিবেশীদের অমন মাত্রার সন্দেহের শিকার নয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলংকার সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ইতিহাসের নানা সময়জুড়ে অশান্ত থাকছে। গবেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় Inter and Intra state conflict মূলত ভারতেরই সৃষ্টি। শ্রীলংকায় এলটিটিই ও বাংলাদেশে ‘শান্তি বাহিনী’কে আশ্রয়, প্রশিক্ষণ ও গণহত্যায় ব্যবহার করতে ভারত ছিল সক্রিয়। তার ওপর কেন্দ্রের রক্ষচক্ষু শাসনের কারণে ভারতের নানা রাজ্যে সশস্ত্র আন্দোলনের জন্ম হয়েছে এবং ভারতকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বৈষম্য দরিদ্র রাজ্যগুলোতে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত সাংবাদিক সমিতি বা সাফমা’র মহাসচিব ইমতিয়াজ আলম এক প্রবন্ধে বলেছেন : `Most glaring aspect of poverty is that it is increasingly concentrated in the regions that have left behind in the course of an unequal development and growth. The phrase two India(s) exemplifies this difference in regional development outcomes. In 2002-2003, all India per-capita GDP was $ 480, the poorest seven states (accounting for 55 per cent of the population) had a per-capita GDP that was two thirds the national average, while in the richest seven states (33 per cent of the population) per-capita GDP was nearly double that of the poorest seven states`. মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান সংলগ্ন ভারতীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতে দারিদ্র্য এবং তত্সূত্রে সৃষ্ট জঙ্গি তত্পরতার মাত্রা তীব্র। এসব গেরিলা তত্পরতাকে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সৃষ্ট বা আন্তর্জাতিক মৌলবাদী জঙ্গি অপপ্রয়াস বলে দাবি করে এলেও স্বনির্ভর সশস্ত্র মাওবাদী তত্পরতা বিশ্বের চোখ খুলে দিয়েছে। সুলেখিকা অরুন্ধতী রায় তো পরিষ্কার বলেছেন, চরম গরিবির কারণে ঝাড়খণ্ড থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত মাওবাদীরা ঘরে ঘরে।
নিরাপত্তা চুক্তি
২০১০-এর ১/১১তে দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বৈঠকে অপরাধ দমনে পারস্পরিক আইনি সহায়তা, দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যর্পণ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘটিত অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার মোকাবিলা সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি তিনটির পূর্ণ বিবরণ সরকার এখন অব্দি প্রকাশ না করলেও জনমনে ধারণা, এসব ভারতের প্রয়োজন থেকেই হয়েছে। প্রয়োজনটা কী? দু’দেশের গোয়েন্দাদের নিয়ে যৌথ কমিটি হবে এবং গ্রেফতারকৃতদের তালিকা বিনিময় হবে। ১. বিচ্ছিন্নতাবাদী খোঁজার নামে বাংলাদেশের জন-শৃঙ্খলা, অপরাধবিষয়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভারত পুরো নজরদারিতে নিতে চায়। ২. সন্ত্রাসবাদ দমনে সার্কের সিদ্ধান্ত ও প্রটোকলগুলোর বাইরে ভারত বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান নিয়ে Cooperative Security System গড়তে চায়। জওয়াহেরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সি রাজা মোহনের মতে : `Cooperative security recognizes the reality of profound interdependence among South Asian Nations in both economic and security realms`.—বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ওই কৌশলে ধরা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির তরফে এ চুক্তি পর্যালোচনায় বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইসরাইল ও ভারত সন্ত্রাসবাদের যে সংজ্ঞা (মুসলিম দমন) নিরূপণ করেছে, আওয়ামী লীগ সরকার নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে টেনে আনল। ১৯৯৬ সাল থেকে একই চেষ্টা আওয়ামী লীগ করেছে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের সময়। এটা নির্ভেজালভাবেই সংকীর্ণ রাজনৈতিক কৌশল। অর্থাত্ বাংলাদেশের ব্যাপকসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে এক ধরনের উপজাতীয় অনুভূতিতে বিদীর্ণ করে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করা। এ তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক প্রামাণিকতার প্রয়োজন নেই এজন্য যে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পবিহীন বাংলাদেশে ক্রমাগত সাম্প্রদায়িকতার কথা বলে যাওয়ার রাজনীতিও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের খামোকা পশ্চাত্-মানসিকতায় নিক্ষেপ করে। আরেকটি জ্বলজ্যান্ত অভ্যন্তরীণ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নিরাপত্তাজালে বন্দি হয়েছেন। ‘আমাকে বুলেট তাড়া করে ফিরছে’— প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্বেগের পুরো ফায়দা তুলতে ব্যস্ত ভারত। প্রধানমন্ত্রী একরকম গৃহবাসী নজিরবিহীন নিরাপত্তাবেষ্টিত, রাজধানীর বাইরে না বেরুনো এবং অধিক বিদেশ সফরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা এক সরকারপ্রধানে পরিণত হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কি ঘরে বসে ভিডিও কনফারেন্সিং? বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তার নির্মম হত্যাকাণ্ডের তুলনায় সে সময়ে তার সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্রকে বড় করে দেখেছেন কিনা জানি না, তবে বিদ্রোহী হত্যাকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে একান্ত বৈঠক জনগণকে হতবাক করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ভারতকেন্দ্রিক মাইন্ডসেটের কথা অথবা জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে ফেলার দৃষ্টান্ত নতুন কিছু নয়। ২০০১ সালের নির্বাচনের গণরায় প্রত্যাখ্যান করে অক্টোবর মাসে এক দলীয় সভায় শেখ হাসিনা ভারতকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে কোনো বিদেশি প্রভুকে সন্তুষ্ট করার জন্য গ্যাস রফতানি করিনি। জানি না, এটাই আমাদের কাল হলো কিনা।’ তাহলে কি সেই আশঙ্কা থেকেই তিনি এখন ভারতের সব চাওয়া পূরণ করছেন?
ভারতের সঙ্গে চলো নীতি
১/১১-তে বাংলাদেশ-ভারতের দিল্লি সমঝোতাকে যদি সার্বিক মূল্যায়নে আনা হয়, তবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, অবকাঠামো, বিদ্যুত্ ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশকে রহঃবমত্ধঃব করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার সাব্যস্ত করেছে, এখন থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ হাঁটবে ভারতের পিছু পিছু, একটি উপগ্রহ রাষ্ট্রের মতো। বাংলাদেশকে ভারতের ‘আস্থা’ অর্জন করতে হয়েছে এই অপরিমেয় বিনিময় মূল্যে। অথচ ভারতের কাছ থেকে আমাদের কোনো নগদ প্রাপ্তি নেই। এই সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপনে, একতরফাভাবে, ক্যাবিনেট বা সংসদে আলোচনা ছাড়াই নিয়েছেন। এটি কতখানি যুক্তিসঙ্গত ও জাতীয় স্বার্থবাহী? সেজন্যই প্রশ্ন উঠেছে, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশ্চাত্যের বাজারি গণতন্ত্র ও অর্থনীতির প্রণোদনার মুখে চীন ও ভারতের মতো দুটি বিকাশমান অর্থনীতির মাঝে দাঁড়িয়ে বালাদেশের যেখানে ভারসাম্যমূলক অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা, সেখানে বাংলাদেশ একশ’ ভাগ ভারতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এটাই হয়তো শতভাগ সত্য। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পুনর্গঠনে ভারতকে আগাম সমর্থন জানিয়ে বসেছে, যেখানে চীন ভারতের প্রার্থিতাকে নাকচ করেছে। এই যুক্ত ইশতেহার পড়লে যে কোনো পর্যবেক্ষকের ধারণা হবে, চীনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে ব্যবহারের পথে চলেছে বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-উত্তর যে জাতি সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা এনেছে, তার নাম বাংলাদেশ। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে, ভারতের লাগাতার পানি-পরিবেশ-বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক আগ্রাসনের মুখেও বাংলাদেশের মানুষ অনন্ত আয়ত্তির প্রেরণায় বিভোর, অর্থনীতিতে চমকপ্রদ সাফল্যের জন্য উন্মুখ, পরিশ্রমী, গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার ও উদার জাতি হিসেবে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে, তখন এ ধরনের সিদ্ধান্ত জাতীয় মনস্তত্ত্বে এক বিরূপ প্রভাব ফেলবে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ অনেক দুর্বল হয়ে যাবে।
ভারত সফরের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি হবে। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে কোনো চুক্তি হচ্ছে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ সফরটি আস্থা অর্জনের। বড় কোনো চুক্তি হবে না। অথচ আড়ালে ভারতের সঙ্গে যে ব্যাপক ও একমুখী সমঝোতা পাকাপাকি হচ্ছে, সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা দেওয়া হয়নি। কেন এই গোপনীয়তা? বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যথার্থই বলেছেন, ‘ভারত সফরে যাওয়ার আগে জাতীয় স্বার্থ ও সব সংবেদনশীল বিষয়ে আলোচনা করে একটি জাতীয় ঐকমত্য স্থাপন করা প্রধানমন্ত্রীর কর্তব্য ছিল। আমরা সে আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তা করেননি। বরং জাতীয় অঙ্গনে প্রতিহিংসা ও বিভাজনের রাজনীতি এবং উত্তেজনাকেই তিনি উস্কে দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও আমরা একতরফাভাবে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও পরামর্শ তুলে ধরেছিলাম। তিনি সেসবও উপেক্ষা করেছেন।’ সাধারণত বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগে বিরোধী দলের মতামতকে সরকারপ্রধান বিদেশি সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় দরকষাকষিতে ব্যবহার করে থাকেন।
কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী দিল্লি যাওয়ার আগে বিরোধী নেত্রীর বক্তব্যকে পরিহাস করে নিজের দরকষাকষির শক্তিকে দুর্বল করে ফেলেছেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে আজ স্পষ্ট, তুলনামূলক বিচারে জননেত্রী শেখ হাসিনার চাইতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরাবর বাংলাদেশের স্বার্থকে ভারতের কাছে তুলে ধরেছেন। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে গণমানুষের অনুভূতিকে ধারণ করে বেগম জিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত প্রতিবাদ করেছেন। অথচ আমাদের সরকার প্রতিবাদ কেন, সামান্য আপত্তিও রুজু করতে পারেনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু যেন না হয়, তা তিনি দেখবেন। তার এ উপলব্ধির কৃতিত্ব অথবা ভারত যদি টিপাইমুখ প্রকল্প থেকে সরে আসার ঘোষণাও ভবিষ্যতে কখনও দেয়, সে সাফল্যের শতভাগ কৃতিত্ব হবে বেগম খালেদা জিয়ার। বরাকের ওপর জলাধার নির্মাণের ব্যাপারে ২৫-২৬ জুন, ১৯৭২ এবং ২৮-৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ যৌথ নদী কমিশনের যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৭২-৭৫ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ শাসন আমলে অনুষ্ঠিত প্রতিটি যৌথ নদী কমিশন মিটিংয়ে আলোচনা হয়। এ ব্যাপারে একটি যৌথ সমীক্ষা দল গঠনের কথা ছিল। তা কখনো হয়নি। পরবর্তীকালে যৌথ নদী কমিশনের কোনো মিটিংয়ে এ বিষয়ে আর আলোচনা হয়নি। বরং ১৯৮৭-৮৮ সালে উপর্যুপরি দু’বছর বাংলাদেশে প্রলয়ংকরী বন্যার পর বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বন্যা ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স দু’দেশের পানিসম্পদ সচিবদের নেতৃত্বে গঠিত হয়। ওই রিপোর্টে বাংলাদেশ সুস্পষ্টভাবে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিরোধিতা করে এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের সিলেট এলাকায় বন্যা প্রশমনে কোনো ভূমিকা রাখবে না।
২০০১-০৬ সালে চারদলীয় বিএনপি জোট সরকারের আমলে যৌথ নদী কমিশনের ৩৬তম সভায় বাংলাদশ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 13
(100)
- চারদিক-দূরে নিঃশব্দে প্রাকৃতজন...by আজাদুর রহমান
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-শতবর্ষে ৮ মার্চের ডাক by মাল...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-আওয়ামী লীগের শিশুরা কবে বড় হব...
- কৃষি-তামাক নয়, খাদ্যফসলেই চাষির তুষ্টি by ফরিদা আখতার
- অরণ্যে রোদন-কিছু না পাওয়ার চেয়ে ভালোবেসে কষ্ট পাওয়...
- দুঃখজনক এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ভাঙচুর কাম্য নয়-বাসশ্...
- নারীর উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির পদক্ষেপ চাই-আন্তর্জ...
- ক্রিকেট বড় অনিশ্চয়তার খেলা by আশীফ এন্তাজ রবি
- বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলার পর-একজন দর্শকে...
- ক্রিকেটামৃত-গ্রন্থনা করেছেন আলিয়া রিফাত
- অহেতুক কৌতুক
- বিশ্বকাপের মাসকট হাতি কেন?-কর্তৃপক্ষ জবাব চাই
- এই দিনে-সাতই মার্চের স্মৃতি by শর্মিলা সিনড্রেলা
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-দেশে দ্রুত ফিরিয়ে ...
- প্রতিক্রিয়া-গণতন্ত্র, ক্রিকেট আর ক্রীড়া সংস্থায় গণ...
- অর্থনীতি-জবাবদিহির রাজনীতি, সুশাসনের অর্থনীতি by ম...
- সরল গরল-তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ! by মিজানুর রহমান খান
- ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা দূর করতে হবে-যক্ষ্মা নিয়ন্ত্...
- বিলম্বের খেসারত কে দেবে?-অসমাপ্ত স্বাধীনতাস্তম্ভ
- ফেসবুকের পাঁচ মিথ!
- পরিবহনে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করলো পুলিশ
- গেমস-দৈত্য দানোর খেলা by সুমন পাটওয়ারী
- উইকিমিডিয়ার সম্মেলনে
- আপনি কি জানেন-‘সুপারসনিক’ কনকর্ড
- বাজারে নতুন
- আমেন-রার অভিশাপ ও টাইটানিক
- যা নিয়ে আছি-রেওয়াজ নয়, ধ্যানস্থও থাকি
- ফুল বানাল হালুম
- মেলায় যাবে by মিতুল সাইফ
- হইচই by দন্ত্যস রওশন
- বৈশাখী মেয়ে by খালেক বিন জয়েনউদদীন
- শুভ হালখাতা by রফিকুর রশীদ
- ক বি তা-মৃত্যুকাচের দেয়াল by খোন্দকার আশরাফ হোসেন
- যে কথা বলতেই হবে’-গুন্টার গ্রাসের কবিতা নিয়ে কেন এ...
- সম্ভাবনার মানবিক শুভাগমন by জাফরিন গুলশান
- চারুশিল্প-শূন্যতায় পূর্ণতার আভাস by সিলভিয়া নাজনীন
- তুমি/আমি আর আম আঁটির ভেঁপু by আনিসুল হক
- উৎসব-ঢাকায় বিঝু উৎসব by মনিরুল আলম
- দেখার ভেতরে বাইরেঃ বিতর্ক চাই ঝগড়া নয় by মোহাম্মদ ...
- ইসরাইলের আগ্রাসী নীতির নেপথ্যে by আহমেদ জামিল
- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরঃ বাংলাদেশের প্রাপ্তি নেই b...
- প্রতিপক্ষঃ মার্কিন অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ওবামা by এ...
- ধর্ম-মানুষকে প্রতারিত করা যাবে না by মুহাম্মদ আবদু...
- সরকারি সংস্থার গাফিলতিই কি আসামির পলায়নের কারণ?-যু...
- শিক্ষকদের কর্মবিরতির অবসান ঘটুক-বুয়েটে এসব কী হচ্ছে
- নির্বাচন বন্ধে উকিল নোটিশ
- অনেকেই মানছেন না আচরণবিধি
- ঢাকা সিটি নির্বাচন-দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে বিএ...
- আইএমএফ-কঠিন পরীক্ষায় পাস, মিলেছে সেই ঋণ
- সম্পাদকের কলাম-দুই নেত্রী by ইমদাদুল হক মিলন
- ডাকাতরা বলে ২৪ লাখ জিএম বলেন ২ লাখ by ভূঁইয়া নজরুল
- সালিশি রায় আর ফতোয়া এক নয় by জুনাইদ আল হাবিব
- মরা মুরগির ব্যবসা-নৈতিকতাবিরোধী হারাম কাজ by মুফতি...
- জার্মানিতে ইসলাম by জহির উদ্দিন বাবর
- নিয়োগ বাণিজ্য ও তিনজনের সম্পদের তদন্ত করবে দুদক by...
- এপিএস ফারুক উধাও ড্রাইভার কোথায়?
- প্রধানমন্ত্রী ভীষণ ক্ষুব্ধ-পদত্যাগ মুহূর্তের ব্যাপ...
- জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বাঘশুমারি
- সর্বনাশের আশায় by সুভাষ সাহা
- শিক্ষা-পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে 'উচ্চশিক্ষা' কেমন চলছ...
- দুর্নীতি-কালনেমির লংকাভাগ কাণ্ড by ইনাম আহমেদ চৌধুরী
- স্কুল ছাত্রছাত্রী হত্যা-কোথায় চলেছে সমাজ?
- নারীর অগ্রযাত্রা-বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে
- সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ কর্তন
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকরা যা মনের ভেতর গোপন করে...
- মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি by প্রভাষ আমিন
- বঙ্গবন্ধুর গৃহ আক্রমণ ও গ্রেপ্তার-প্রক্রিয়া by ডা....
- যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় যুদ্ধ by তারেক শামসুর রেহমান
- স্মরণ-বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ : চিরস্মরণীয় ব্...
- রঙ্গব্যঙ্গ-মনমোহন-গিলানির কাল্পনিক গোলটেবিল by মোস...
- বৃত্তের ভেতর বৃত্ত-স্থানীয় সরকারব্যবস্থা : শুধু উচ...
- বৈদেশিক সাহায্য ব্যবহারে শ্লথগতি by এ এম এম শওকত আলী
- ইবাদত সম্পর্কে কোরআন by মাহফুজ আবেদ
- শাসকদের জন্য ঐশী দিকনির্দেশনা by আমীর মাহমুদ ভঁূইয়া
- দ্বীন প্রচারের নানা অবলম্বন by এএসএম আজিজুল্লাহ
- শান্তিময় সমাজ গঠনে ইসলামের বিধান by মুফতি এনায়েতুল...
- ক্যামেরার পেছনের মুখ by তারিক রহমান সৌরভ
- নাসরিন ট্র্যাজেডি-নিরাপদ নৌপথের নিশ্চয়তা চাই by শ...
- ধর নির্ভয় গান-স্বপ্নভঙ্গে যে বিষণ্নতা ... by আলী য...
- কাবিখায় অনিয়ম-মর্যাদাহানিকর বাঁশের মাচা
- হরতালে পুলিশি নিষ্ঠুরতা-অনভিপ্রেত, নিন্দনীয়
- রাজউকের সঠিক সিদ্ধান্ত-প্লট নয়, ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেও...
- শিশু নাঈম-জান্নাত হত্যাকাণ্ড-পৈশাচিক উন্মত্ততার শে...
- শিশু নাঈম-জান্নাত হত্যাকাণ্ড-পৈশাচিক উন্মত্ততার শে...
- চরাচর-নয়নাভিরাম মনপুরা by অনিকেত
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৭১)-কলকাতা শহরে by আলী য...
- বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- শেকড়ের ডাক-২০২০ সালের ঢাকা ও নানা আশঙ্কার কথা by ফ...
- বহে কাল নিরবধি-'এখনই অন্ধ বন্ধ করো না পাখা' by এম ...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার ...
- তুরস্কে শেখ হাসিনা-সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্...
- আইডিআরএ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এক মাসে ১০ মামলা! by...
- মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বই মোড়ক উন্মোচন আজ
- গুন্টার গ্রাস-যে কথা বলতেই হবে-অনুবাদ: সাজ্জাদ শরিফ
- টাইটানিক ট্র্যাজেডির শতবর্ষ by এম এ মোমেন
- বিদেশি বিমানের জিএসএ ব্যবসা চান এরশাদ! by টিপু সুলতান
- তিনজনই বলেন গাড়িটি মন্ত্রীর বাসায় যাচ্ছিল
- সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী-বিপদে আছি, এটা গণতন্ত্রে...
- সুরঞ্জিতের কালো বিড়াল কেলেঙ্কারি by সৈয়দ আবদাল আহমদ
- বিপদে মোরে রক্ষা করো…
-
▼
Apr 13
(100)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment