Monday, February 20, 2012
মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র ও কল্যাণতন্ত্র by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র ও কল্যাণতন্ত্র by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গণতন্ত্র একটি রাষ্ট্রশাসন প্রক্রিয়া। জনগণের ইচ্ছা অনুসারে, জনগণের জন্য, জনগণের প্রতিনিধিদের দ্বারা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। শাসনব্যবস্থায়ও প্রকারভেদ রয়েছে। কিন্তু সব ধরনের রাষ্ট্রশাসন ব্যবস্থার সঙ্গে অর্থনীতির প্রগাঢ় সম্পর্ক। অর্থনীতি-নিরপেক্ষ কোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার কথা আমাদের জানা নেই। বিশ্বে কোনো উদাহরণও নেই।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষের মৌলিক অধিকার চর্চার নিশ্চয়তা থাকে। মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার, বিশ্বাস ধারণ ও চর্চার অধিকার, আত্মরক্ষার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, আইনানুগ উপার্জনের অধিকার, মেধাচর্চার অধিকার_এ সবই গণতন্ত্রে স্বীকৃত। স্বৈরতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র, রাজতন্ত্র, গোষ্ঠীতন্ত্র প্রভৃতির সঙ্গে গণতন্ত্রের পার্থক্য এখানেই। কমিউনিস্ট শাসনকে 'জনগণতান্ত্রিক' বলা হলেও জনগণের ব্যক্তি-অধিকার নিশ্চিত নয় বলে এটা প্রথাগত গণতান্ত্রিক শাসন নয়। অর্থনৈতিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় থাকলেও গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগের নিশ্চয়তা নেই। কমিউনিস্ট শাসনে ভিন্ন দল গঠনের অধিকার নেই, ভিন্ন মত প্রকাশের অধিকার নেই, আন্দোলনের অধিকার নেই, সরকারি নীতির সমালোচনার অধিকার নেই; এমনকি ব্যক্তিগত অধিকারও খর্বিত। তাই কমিউনিস্ট শাসনকে গণতান্ত্রিক বলা হয় না।
গণতন্ত্র উন্মুক্ত। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অর্থনীতিকেও উন্মুক্ত হতে হবে। কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতির সঙ্গে গণতন্ত্র স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। উন্মুক্ততা বা মুক্তধারাকে চিহ্নিত করা যেতে পারে গণতন্ত্র ও অর্থনীতির সেতুবন্ধ হিসেবে। এখানেই সম্ভাবনা এবং এখানেই দুর্ভাবনা।
মুক্ত অর্থনীতি একটি কন্টিনিউয়াম বা চল-রেখা, যার মুক্ততম বা উলঙ্গ পর্যায় হলো বেপরোয়া পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্র। এর সঙ্গে জনস্বার্থ ও নৈতিকতার পোশাক যুক্ত হলে রূপান্তর ঘটে বাজারমুখী কল্যাণবাদে। দুটোই মুক্ত অর্থনীতি_একটি উলঙ্গ, অন্যটি পরিশীলিত পোশাকে সজ্জিত। একটি দৃষ্টিকটু, অন্যটি দৃষ্টিনন্দন। একটি শোষণের হাতিয়ার, অন্যটি কল্যাণের হাতিয়ার। একটি বল্গাহারা লোভের বহিঃপ্রকাশ, অন্যটি ন্যায়সংগত লাভের নির্দেশক।
কট্টর পুঁজিবাদী গণতন্ত্রের চেহারাটা কেমন? প্রথমে সেটাই বিশ্লেষণ করা যাক। এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অর্থনীতির রাশ টেনে ধরে না রাষ্ট্র। বাজার স্বাধীন, ধনিকরা স্বাধীন, লোভ সীমাহীন। 'সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট', অর্থাৎ যোগ্যতমেরই বাঁচার অধিকার। সেই যোগ্যতা অর্থসম্পদের জোরেই হোক, ক্ষমতার জোরেই হোক, নির্লজ্জ লুণ্ঠনের জোরেই হোক। লুণ্ঠন করার দক্ষতাও যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত।
উলঙ্গ ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধনসম্পদই চালিকাশক্তি। সম্পদ যার হাতে, ক্ষমতাও তার হাতে_রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক হলেও। প্রশ্ন উঠতে পারে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনা করেন, আর বিত্তশালীরা বিত্ত অর্জন করে বাণিজ্য বা লুণ্ঠন প্রক্রিয়ায়। দুটি তো ভিন্ন গোষ্ঠী। তাত্তি্বকভাবে এমনটাই। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। শিক্ষিত ও উন্নত গণতান্ত্রিক-ধনতান্ত্রিক একটি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একেকজন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ কত? কয়েক শ মিলিয়ন ডলার। আসে কোত্থেকে? দেশের বিত্তশালীরা চাঁদা দেয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাদাতা প্রভাবশালীরাই ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০৮ সালে মার্কিন অর্থনীতিতে যখন ধস নামল, শতবর্ষী প্রাচীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বালুর পাহাড়ের মতো ধসে পড়তে লাগল একের পর এক, বিত্তশালীরা যখন বিত্তহারা হতে লাগল, তখন সরকার জনগণের ট্যাঙ্রে অর্থ থেকে হাজার হাজার বিলিয়ন ডলারের সাপোর্ট প্যাকেজ ঘোষণা করল। জনগণের টাকা দিয়ে বিত্তশালীদের সাহায্য করল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যখন জনগণের কিছুটা সাহায্যের মানসিকতা নিয়ে স্বাস্থ্য বিল উত্থাপন করলেন, তখন বিত্তশালীরা কেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা নিশ্চয়ই স্মরণে রয়েছে। তাহলে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক কে? জনগণ, নাকি বিত্তবানরা? উলঙ্গ ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবিধানিক ক্ষমতায় থাকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা বিত্তবানদের হাতে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে অনেক মুখরোচক ঘটনা শোনা যায়। বর্তমান ঘটনাটি সম্ভবত প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে নিয়ে। কেনেডি নির্বাচিত হলেন। প্রথাগতভাবে নির্বাচনে আর্থিক সহায়তাকারী বড় বড় বিত্তবান অথবা তাদের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রীয় বড় বড় পদের জন্য মনোনীত হলেন। ভুলক্রমে একজন বাদ পড়ে গেলেন। ক্ষুব্ধ হয়ে সটান হাজির হলেন প্রেসিডেন্টের সামনে। বললেন, 'মি. প্রেসিডেন্ট, ভাগ-বাটোয়ারা তো শেষ করে ফেলেছেন। আমার স্থানটি কোথায়?' সপ্রতিভ কেনেডি বুকের ওপর হাত রেখে বললেন, 'আপনার স্থান এখানে। হৃদয়ের মাঝখানে!' কথায় চিঁড়া ভেজেনি। নির্বাচনী সহায়তা নেহাত কম ছিল না তাঁর। অগত্যা কিছু একটা করতে হয়েছিল তাঁর জন্য। কারণ ধনতন্ত্রে হৃদয়ের স্থান নেই। স্থান আছে শুধুই সম্পদের, শুধুই ক্ষমতার।
স্বল্পোন্নত এবং অনুন্নত 'গণতান্ত্রিক' রাষ্ট্রের অবস্থা আরো খারাপ। স্বল্পোন্নত বিধায় সুশাসন গড়ে ওঠে না, জনগণ ক্ষমতার উৎস হয়ে উঠতে পারে না। এমনকি জনপ্রতিনিধিরাও সত্যিকার অর্থে ক্ষমতাবান হন না। জনপ্রতিনিধিরা বিত্তবান এবং অনির্বাচিত ক্ষমতাবানদের অভিরুচি, এমনকি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন। বাইরে থেকে মনে হবে, নির্বাচিতরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। কিন্তু নিবিড়ভাবে পরখ করলে ফুটে উঠবে অন্য চিত্র। নাট্যমঞ্চে অভিনেতারা অভিনয়কালে যেসব ডায়লগ আওড়াতে থাকেন, তা মুখস্থ করে আসতে হয়। ভুলে গেলে উইংসের ওপাশ থেকে প্রম্পটার মনে করিয়ে দেন। অভিনেতা অভিনয় করে যান। নিজের পছন্দমাফিক কিছু করার ক্ষমতা তাঁর নেই। স্বল্পোন্নত দেশে গণতান্ত্রিক সরকারের নেতাদের অবস্থা ওইসব অভিনেতার মতো। নিজেদের চিন্তাচেতনা নিয়ে ক্ষমতা প্রয়োগ কঠিন হয়ে পড়ে। বিত্তবানদের ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত হয়ে কাজ করে থাকেন তাঁরা। তাই সর্বত্রই কম্প্রোমাইজ। এমনভাবে চলতে চলতে দেখা যায়, বিত্তহীনদের ক্ষমতা বলয়ে প্রবেশের অধিকার সীমিত হয়ে এসেছে। বিত্তবানরা নিজেরাই চেয়ারগুলো দখল করে ফেলছেন। আমাদের দেশেই দেখা যাক। ব্রিটিশ আমল থেকেই প্রাদেশিক বা কেন্দ্রীয় সংসদে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। বিত্তবানদের অবস্থান কখনো উল্লেখযোগ্য ছিল না। তবে মধ্যবিত্তের অবস্থান আগাগোড়াই শক্ত ছিল। মধ্যবিত্তসুলভ এক ধরনের নৈতিকতা নিয়ে তাঁরা জনসেবার কাজ করতেন। তাঁরা অনেকেই চিত্ত বা মননের প্রসারতার উদাহরণ রেখেছেন, যদিও মৃত্যুর পর তাঁদের বিত্তের তালিকা প্রসারিত ছিল না। কিন্তু বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের অবস্থা কি তেমন? চিত্ত-মননের প্রসারতা ক্ষয়িষ্ণু হলেও বিত্তের প্রসারতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যেও ব্যতিক্রম রয়েছেন। তাঁরা কত দিন টিকে থাকবেন? অর্থ না থাকলে নাকি নির্বাচনই করা যায় না। যে অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন বলে শোনা যায়, তা শুনলে হৃৎস্পন্দন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্বাচিত হলে অন্তত ওই পরিমাণ অর্থ আয় করে ফেলতে হয়। পরবর্তী নির্বাচনের জন্য অতিরিক্ত উপার্জনও প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিকে তখন 'জন'-এর চেয়ে 'ধন'-এর দিকেই নজর বেশি দিতে হয়। গণতন্ত্রের ঘাড়ে চেপে ধনতন্ত্রের উন্মুক্ততা তথা উন্মত্ততা বাড়তে থাকে। রাষ্ট্র ধাবিত হয় বল্গাহারা উলঙ্গ অর্থনীতির দিকে।
এমনটা যে ঘটতেই হবে, তা অবধারিত নয়। গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতায় আসতে হলে জনসমর্থন প্রয়োজন। মধ্যবিত্ত ও স্বল্পবিত্তরা যদি প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়, তাহলে বিত্তবানরা সংযত হতে বাধ্য হয়। সে ক্ষেত্রে শর্ত হলো_(ক) দেশের স্বল্প ও মধ্যবিত্ত মানুষকে অধিকার সচেতন হতে হবে, (খ) তারা বিত্তবাননির্ভর হবে না, (গ) বিত্তবানরা স্বল্পসংখ্যক হলেও ক্ষমতার পেছনের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবে না।
স্বল্পসংখ্যক বিত্তবান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত নির্বাচিতদের তখনই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যখন বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক নীরব থাকে। নীরব থাকে এ জন্য যে তারা অসংগঠিত। সংগঠিত না হলে সোচ্চার হওয়া যায় না। নাগরিক সংহতির সংগঠন হতে পারে রাজনৈতিক দল। সমস্যাটা এখানেই। স্বল্পবিত্ত-বিত্তহীন সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিঃস্বার্থ কমিটমেন্ট থাকলেই মাত্র রাজনৈতিক দল জনগণের প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে। যেমনটা আমরা দেখেছিলাম একাত্তরে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মানুষ। তাই বিত্তবানরা তাঁকে কিনতে পারেনি, বশীভূত করতে পারেনি, তাঁর ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারেনি। এমনটা বিরল! বিত্তবানরা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কিনে ফেলে। পুরো দলই তাদের অনুগত হয়ে যায়। জনগণের বিকল্প শক্তি থাকে না। দলের ভেতরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারলে ক্রয়কর্ম সহজ হয় না। কখনো আবার উল্টোটাও দেখা যায়। দলের অনেক নেতাকে কেনা যায়, কিন্তু শীর্ষ নেতা এতই নির্ভীক ও নির্লোভ যে, তাঁকে কেনা যায় না। যেমন বঙ্গবন্ধুকে কেনা যায়নি। এমন শীর্ষ নেতা থাকলে অন্য নেতাদের স্খলন দলের এবং জনগণের ক্ষতি করে না। বরং তারাই ঝরে পড়ে। তবে এমন নেতৃত্ব ব্যতিক্রম। সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চাই দলকে গণমুখী রাখতে সহায়ক।
শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য সংকোচনের মাধ্যমে গণমানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, যা কোটারি শক্তিকে পরাভূত করতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ নাগরিকরা মানবাধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, ইস্যুভিত্তিক সংগঠন প্রভৃতির মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে পারে। তারা সমাজের বিবেকের মতো কাজ করতে পারে। রাজনীতির শুভ অংশকে সমর্থন দিতে পারে। অশুভ অংশের স্বরূপ উদ্ঘাটন করতে পারে জনসমক্ষে। এভাবেই জনতার শক্তি সংহত হয়_সরকারে এবং বিরোধী দলে। ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ে বিত্তের দাসরা। সেই বিত্ত হতে পারে দেশের ভেতরের। বলবান হতে পারে বহিঃশক্তির সংযোগে। মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান এবং পশ্চিমা বিত্তের প্ররোচনা ও উন্মাদনায় বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থান এবং 'বিত্তের নির্বাচন' আমরা দেখেছি। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও বিকাশ সাধনে বিত্তের অমঙ্গল বার্তা অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে। ভোট নাগরিকের অধিকার। কিন্তু ভোট যখন কেনা হয়, তখন অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। নাগরিককে অপমান করা হয়।
দেশি-বিদেশি অর্থবিত্তের জিঞ্জির থেকে রাজনীতি তথা গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে পারলেই কল্যাণতন্ত্রের কথা চিন্তা করা যায়। কল্যাণতন্ত্রে বিত্তবানের বিত্ত কেড়ে নেওয়া হয় না। কেড়ে নেওয়া হয় অতিবিত্তের দুর্বৃত্তায়নকে। বিত্তবানদের কাছ থেকে কর আহরণ করে বিত্তহীন ও স্বল্পবিত্তের প্রয়োজনে তা ব্যয় করা হয়। বিত্তহীন ও স্বল্পবিত্ত নাগরিকদের ক্ষুদ্র পুঁজি গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়। ক্ষুদ্র পুঁজিই একদিন বিত্তহীনকে স্বল্পবিত্তে এবং স্বল্পবিত্তকে মধ্যবিত্তে রূপান্তর করে। সমাজে বৈষম্য হ্রাস পেতে থাকে। সবাই সমান হয় না সত্যি, হাতের পাঁচটি আঙুলও সমান নয়, কিন্তু পাশাপাশি অবস্থান করে থাকে নিজ নিজ মহিমায়। ছোট-বড় হওয়ার অনুপাত দৃষ্টিকটু হয় না। এমন সামাজিক অবস্থান সৃষ্টি করতে পারলেই কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পায়।
বাংলাদেশে দুঃসহ বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছিল। বাংলাদেশ যেন দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল_নগরদেশ ও গ্রামদেশ। জাতীয় আয়ের বেশির ভাগ ছিল নগরে। গ্রামবাংলায় জাতীয় আয়ের ভাগ ছিল অল্প পরিমাণ। ২০০৯ সালে নতুন সরকার এসে বৈষম্য কমিয়ে আনার কাজ শুরু করে। পাঁচ হাজার কোটি টাকা কৃষি ভর্তুকি দিয়ে সার, বীজ, সেচ তথা কৃষি উপাদানগুলো সহজলভ্য করে তোলে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ করে দুর্বলদের দুর্বলতা কমিয়ে আনার প্রয়াস পায়। গ্রামবাংলার চেহারা এখন কিছুটা হলেও পাল্টে গেছে। একসময় ক্ষেতে ফসল থাকতেই কৃষক অভাবের তাড়নায় নামমাত্র মূল্যে আগাম বিক্রি করে দিত। আজ সেই অবস্থা নেই। এখন ধান তোলার পরও কিছুদিন ধরে রাখার সক্ষমতা অনেক কৃষক অর্জন করেছে। কৃষকের ক্ষুদ্র পুঁজি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মাত্র। অকৃষিকর্মেও পল্লী অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে পল্লীপুঁজি গড়ে উঠলে গ্রামের লোক ঢাকায় আসবে না। বরং দুঃসহ শহুরে জীবন ছেড়ে গ্রামে ফেরার প্রবণতা সৃষ্টি হবে। এটা করতে হলে অর্থনীতির বর্তমান গতিধারাকে আরো অনেক দিন চালিয়ে নিতে হবে।
দেশি-বিদেশি বিত্তবানরা কি চেয়ে চেয়ে দেখবেন? কিছুই করবেন না? তেমন তো হয় না। তাঁরা অন্তর্ঘাত সৃষ্টি করবেন, হরতাল-অরাজকতা সৃষ্টি করবেন, অর্থবিত্ত ঢেলে মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার চালাবেন, অপরাজনীতিতে ফিন্যান্স করবেন, নির্লোভ-নির্ভীক রাজনীতিকদের হেনস্তা করবেন, এমনকি হত্যা করতেও দ্বিধা করবেন না। শহরে এক ধরনের মেরুদণ্ডহীন সুশীল সমাজ রয়েছে, তাদের বশে রাখবেন। গোলটেবিলে তালগোল পাকাবেন, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন।
গণতন্ত্রের পথ যেমন কুসামাস্তীর্ণ নয়, তেমনি কল্যাণতন্ত্রে উত্তরণও কণ্টকাকীর্ণ। ধনতন্ত্র থেকে কল্যাণতন্ত্রে উত্তরণ গণতন্ত্রের মাধ্যমেই সম্ভব। তবে শুধু গণতান্ত্রিক পথে নিশ্চিত নয়। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ়চিত্ত, নির্লোভ রাজনৈতিক নেতা-কর্মী তথা রাজনৈতিক দল। সেই সঙ্গে প্রয়োজন সদা সচেতন শিক্ষিত স্বাবলম্বী অতন্দ্র প্রহরী, অর্থাৎ নাগরিক সমাজ। জনগণই রাষ্ট্রের মালিক_সাংবিধানিক এই ধারণাটির উপলব্ধি ঘটাতে হবে প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে। তাহলেই ধীরে ধীরে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র।
লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও কলামিস্টগণতন্ত্র উন্মুক্ত। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অর্থনীতিকেও উন্মুক্ত হতে হবে। কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতির সঙ্গে গণতন্ত্র স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। উন্মুক্ততা বা মুক্তধারাকে চিহ্নিত করা যেতে পারে গণতন্ত্র ও অর্থনীতির সেতুবন্ধ হিসেবে। এখানেই সম্ভাবনা এবং এখানেই দুর্ভাবনা।
মুক্ত অর্থনীতি একটি কন্টিনিউয়াম বা চল-রেখা, যার মুক্ততম বা উলঙ্গ পর্যায় হলো বেপরোয়া পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্র। এর সঙ্গে জনস্বার্থ ও নৈতিকতার পোশাক যুক্ত হলে রূপান্তর ঘটে বাজারমুখী কল্যাণবাদে। দুটোই মুক্ত অর্থনীতি_একটি উলঙ্গ, অন্যটি পরিশীলিত পোশাকে সজ্জিত। একটি দৃষ্টিকটু, অন্যটি দৃষ্টিনন্দন। একটি শোষণের হাতিয়ার, অন্যটি কল্যাণের হাতিয়ার। একটি বল্গাহারা লোভের বহিঃপ্রকাশ, অন্যটি ন্যায়সংগত লাভের নির্দেশক।
কট্টর পুঁজিবাদী গণতন্ত্রের চেহারাটা কেমন? প্রথমে সেটাই বিশ্লেষণ করা যাক। এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অর্থনীতির রাশ টেনে ধরে না রাষ্ট্র। বাজার স্বাধীন, ধনিকরা স্বাধীন, লোভ সীমাহীন। 'সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট', অর্থাৎ যোগ্যতমেরই বাঁচার অধিকার। সেই যোগ্যতা অর্থসম্পদের জোরেই হোক, ক্ষমতার জোরেই হোক, নির্লজ্জ লুণ্ঠনের জোরেই হোক। লুণ্ঠন করার দক্ষতাও যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত।
উলঙ্গ ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধনসম্পদই চালিকাশক্তি। সম্পদ যার হাতে, ক্ষমতাও তার হাতে_রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক হলেও। প্রশ্ন উঠতে পারে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনা করেন, আর বিত্তশালীরা বিত্ত অর্জন করে বাণিজ্য বা লুণ্ঠন প্রক্রিয়ায়। দুটি তো ভিন্ন গোষ্ঠী। তাত্তি্বকভাবে এমনটাই। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। শিক্ষিত ও উন্নত গণতান্ত্রিক-ধনতান্ত্রিক একটি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একেকজন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ কত? কয়েক শ মিলিয়ন ডলার। আসে কোত্থেকে? দেশের বিত্তশালীরা চাঁদা দেয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর চাঁদাদাতা প্রভাবশালীরাই ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০৮ সালে মার্কিন অর্থনীতিতে যখন ধস নামল, শতবর্ষী প্রাচীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বালুর পাহাড়ের মতো ধসে পড়তে লাগল একের পর এক, বিত্তশালীরা যখন বিত্তহারা হতে লাগল, তখন সরকার জনগণের ট্যাঙ্রে অর্থ থেকে হাজার হাজার বিলিয়ন ডলারের সাপোর্ট প্যাকেজ ঘোষণা করল। জনগণের টাকা দিয়ে বিত্তশালীদের সাহায্য করল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যখন জনগণের কিছুটা সাহায্যের মানসিকতা নিয়ে স্বাস্থ্য বিল উত্থাপন করলেন, তখন বিত্তশালীরা কেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা নিশ্চয়ই স্মরণে রয়েছে। তাহলে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক কে? জনগণ, নাকি বিত্তবানরা? উলঙ্গ ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবিধানিক ক্ষমতায় থাকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা বিত্তবানদের হাতে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে অনেক মুখরোচক ঘটনা শোনা যায়। বর্তমান ঘটনাটি সম্ভবত প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে নিয়ে। কেনেডি নির্বাচিত হলেন। প্রথাগতভাবে নির্বাচনে আর্থিক সহায়তাকারী বড় বড় বিত্তবান অথবা তাদের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রীয় বড় বড় পদের জন্য মনোনীত হলেন। ভুলক্রমে একজন বাদ পড়ে গেলেন। ক্ষুব্ধ হয়ে সটান হাজির হলেন প্রেসিডেন্টের সামনে। বললেন, 'মি. প্রেসিডেন্ট, ভাগ-বাটোয়ারা তো শেষ করে ফেলেছেন। আমার স্থানটি কোথায়?' সপ্রতিভ কেনেডি বুকের ওপর হাত রেখে বললেন, 'আপনার স্থান এখানে। হৃদয়ের মাঝখানে!' কথায় চিঁড়া ভেজেনি। নির্বাচনী সহায়তা নেহাত কম ছিল না তাঁর। অগত্যা কিছু একটা করতে হয়েছিল তাঁর জন্য। কারণ ধনতন্ত্রে হৃদয়ের স্থান নেই। স্থান আছে শুধুই সম্পদের, শুধুই ক্ষমতার।
স্বল্পোন্নত এবং অনুন্নত 'গণতান্ত্রিক' রাষ্ট্রের অবস্থা আরো খারাপ। স্বল্পোন্নত বিধায় সুশাসন গড়ে ওঠে না, জনগণ ক্ষমতার উৎস হয়ে উঠতে পারে না। এমনকি জনপ্রতিনিধিরাও সত্যিকার অর্থে ক্ষমতাবান হন না। জনপ্রতিনিধিরা বিত্তবান এবং অনির্বাচিত ক্ষমতাবানদের অভিরুচি, এমনকি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন। বাইরে থেকে মনে হবে, নির্বাচিতরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। কিন্তু নিবিড়ভাবে পরখ করলে ফুটে উঠবে অন্য চিত্র। নাট্যমঞ্চে অভিনেতারা অভিনয়কালে যেসব ডায়লগ আওড়াতে থাকেন, তা মুখস্থ করে আসতে হয়। ভুলে গেলে উইংসের ওপাশ থেকে প্রম্পটার মনে করিয়ে দেন। অভিনেতা অভিনয় করে যান। নিজের পছন্দমাফিক কিছু করার ক্ষমতা তাঁর নেই। স্বল্পোন্নত দেশে গণতান্ত্রিক সরকারের নেতাদের অবস্থা ওইসব অভিনেতার মতো। নিজেদের চিন্তাচেতনা নিয়ে ক্ষমতা প্রয়োগ কঠিন হয়ে পড়ে। বিত্তবানদের ক্ষমতায় ক্ষমতায়িত হয়ে কাজ করে থাকেন তাঁরা। তাই সর্বত্রই কম্প্রোমাইজ। এমনভাবে চলতে চলতে দেখা যায়, বিত্তহীনদের ক্ষমতা বলয়ে প্রবেশের অধিকার সীমিত হয়ে এসেছে। বিত্তবানরা নিজেরাই চেয়ারগুলো দখল করে ফেলছেন। আমাদের দেশেই দেখা যাক। ব্রিটিশ আমল থেকেই প্রাদেশিক বা কেন্দ্রীয় সংসদে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। বিত্তবানদের অবস্থান কখনো উল্লেখযোগ্য ছিল না। তবে মধ্যবিত্তের অবস্থান আগাগোড়াই শক্ত ছিল। মধ্যবিত্তসুলভ এক ধরনের নৈতিকতা নিয়ে তাঁরা জনসেবার কাজ করতেন। তাঁরা অনেকেই চিত্ত বা মননের প্রসারতার উদাহরণ রেখেছেন, যদিও মৃত্যুর পর তাঁদের বিত্তের তালিকা প্রসারিত ছিল না। কিন্তু বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের অবস্থা কি তেমন? চিত্ত-মননের প্রসারতা ক্ষয়িষ্ণু হলেও বিত্তের প্রসারতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যেও ব্যতিক্রম রয়েছেন। তাঁরা কত দিন টিকে থাকবেন? অর্থ না থাকলে নাকি নির্বাচনই করা যায় না। যে অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন বলে শোনা যায়, তা শুনলে হৃৎস্পন্দন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্বাচিত হলে অন্তত ওই পরিমাণ অর্থ আয় করে ফেলতে হয়। পরবর্তী নির্বাচনের জন্য অতিরিক্ত উপার্জনও প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিকে তখন 'জন'-এর চেয়ে 'ধন'-এর দিকেই নজর বেশি দিতে হয়। গণতন্ত্রের ঘাড়ে চেপে ধনতন্ত্রের উন্মুক্ততা তথা উন্মত্ততা বাড়তে থাকে। রাষ্ট্র ধাবিত হয় বল্গাহারা উলঙ্গ অর্থনীতির দিকে।
এমনটা যে ঘটতেই হবে, তা অবধারিত নয়। গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতায় আসতে হলে জনসমর্থন প্রয়োজন। মধ্যবিত্ত ও স্বল্পবিত্তরা যদি প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়, তাহলে বিত্তবানরা সংযত হতে বাধ্য হয়। সে ক্ষেত্রে শর্ত হলো_(ক) দেশের স্বল্প ও মধ্যবিত্ত মানুষকে অধিকার সচেতন হতে হবে, (খ) তারা বিত্তবাননির্ভর হবে না, (গ) বিত্তবানরা স্বল্পসংখ্যক হলেও ক্ষমতার পেছনের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবে না।
স্বল্পসংখ্যক বিত্তবান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত নির্বাচিতদের তখনই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যখন বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক নীরব থাকে। নীরব থাকে এ জন্য যে তারা অসংগঠিত। সংগঠিত না হলে সোচ্চার হওয়া যায় না। নাগরিক সংহতির সংগঠন হতে পারে রাজনৈতিক দল। সমস্যাটা এখানেই। স্বল্পবিত্ত-বিত্তহীন সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিঃস্বার্থ কমিটমেন্ট থাকলেই মাত্র রাজনৈতিক দল জনগণের প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠে। যেমনটা আমরা দেখেছিলাম একাত্তরে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মানুষ। তাই বিত্তবানরা তাঁকে কিনতে পারেনি, বশীভূত করতে পারেনি, তাঁর ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারেনি। এমনটা বিরল! বিত্তবানরা রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কিনে ফেলে। পুরো দলই তাদের অনুগত হয়ে যায়। জনগণের বিকল্প শক্তি থাকে না। দলের ভেতরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারলে ক্রয়কর্ম সহজ হয় না। কখনো আবার উল্টোটাও দেখা যায়। দলের অনেক নেতাকে কেনা যায়, কিন্তু শীর্ষ নেতা এতই নির্ভীক ও নির্লোভ যে, তাঁকে কেনা যায় না। যেমন বঙ্গবন্ধুকে কেনা যায়নি। এমন শীর্ষ নেতা থাকলে অন্য নেতাদের স্খলন দলের এবং জনগণের ক্ষতি করে না। বরং তারাই ঝরে পড়ে। তবে এমন নেতৃত্ব ব্যতিক্রম। সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চাই দলকে গণমুখী রাখতে সহায়ক।
শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য সংকোচনের মাধ্যমে গণমানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, যা কোটারি শক্তিকে পরাভূত করতে পারে। এ ছাড়া সাধারণ নাগরিকরা মানবাধিকার সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, ইস্যুভিত্তিক সংগঠন প্রভৃতির মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে পারে। তারা সমাজের বিবেকের মতো কাজ করতে পারে। রাজনীতির শুভ অংশকে সমর্থন দিতে পারে। অশুভ অংশের স্বরূপ উদ্ঘাটন করতে পারে জনসমক্ষে। এভাবেই জনতার শক্তি সংহত হয়_সরকারে এবং বিরোধী দলে। ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ে বিত্তের দাসরা। সেই বিত্ত হতে পারে দেশের ভেতরের। বলবান হতে পারে বহিঃশক্তির সংযোগে। মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান এবং পশ্চিমা বিত্তের প্ররোচনা ও উন্মাদনায় বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থান এবং 'বিত্তের নির্বাচন' আমরা দেখেছি। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও বিকাশ সাধনে বিত্তের অমঙ্গল বার্তা অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে। ভোট নাগরিকের অধিকার। কিন্তু ভোট যখন কেনা হয়, তখন অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। নাগরিককে অপমান করা হয়।
দেশি-বিদেশি অর্থবিত্তের জিঞ্জির থেকে রাজনীতি তথা গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে পারলেই কল্যাণতন্ত্রের কথা চিন্তা করা যায়। কল্যাণতন্ত্রে বিত্তবানের বিত্ত কেড়ে নেওয়া হয় না। কেড়ে নেওয়া হয় অতিবিত্তের দুর্বৃত্তায়নকে। বিত্তবানদের কাছ থেকে কর আহরণ করে বিত্তহীন ও স্বল্পবিত্তের প্রয়োজনে তা ব্যয় করা হয়। বিত্তহীন ও স্বল্পবিত্ত নাগরিকদের ক্ষুদ্র পুঁজি গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়। ক্ষুদ্র পুঁজিই একদিন বিত্তহীনকে স্বল্পবিত্তে এবং স্বল্পবিত্তকে মধ্যবিত্তে রূপান্তর করে। সমাজে বৈষম্য হ্রাস পেতে থাকে। সবাই সমান হয় না সত্যি, হাতের পাঁচটি আঙুলও সমান নয়, কিন্তু পাশাপাশি অবস্থান করে থাকে নিজ নিজ মহিমায়। ছোট-বড় হওয়ার অনুপাত দৃষ্টিকটু হয় না। এমন সামাজিক অবস্থান সৃষ্টি করতে পারলেই কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পায়।
বাংলাদেশে দুঃসহ বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছিল। বাংলাদেশ যেন দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল_নগরদেশ ও গ্রামদেশ। জাতীয় আয়ের বেশির ভাগ ছিল নগরে। গ্রামবাংলায় জাতীয় আয়ের ভাগ ছিল অল্প পরিমাণ। ২০০৯ সালে নতুন সরকার এসে বৈষম্য কমিয়ে আনার কাজ শুরু করে। পাঁচ হাজার কোটি টাকা কৃষি ভর্তুকি দিয়ে সার, বীজ, সেচ তথা কৃষি উপাদানগুলো সহজলভ্য করে তোলে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ করে দুর্বলদের দুর্বলতা কমিয়ে আনার প্রয়াস পায়। গ্রামবাংলার চেহারা এখন কিছুটা হলেও পাল্টে গেছে। একসময় ক্ষেতে ফসল থাকতেই কৃষক অভাবের তাড়নায় নামমাত্র মূল্যে আগাম বিক্রি করে দিত। আজ সেই অবস্থা নেই। এখন ধান তোলার পরও কিছুদিন ধরে রাখার সক্ষমতা অনেক কৃষক অর্জন করেছে। কৃষকের ক্ষুদ্র পুঁজি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মাত্র। অকৃষিকর্মেও পল্লী অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে পল্লীপুঁজি গড়ে উঠলে গ্রামের লোক ঢাকায় আসবে না। বরং দুঃসহ শহুরে জীবন ছেড়ে গ্রামে ফেরার প্রবণতা সৃষ্টি হবে। এটা করতে হলে অর্থনীতির বর্তমান গতিধারাকে আরো অনেক দিন চালিয়ে নিতে হবে।
দেশি-বিদেশি বিত্তবানরা কি চেয়ে চেয়ে দেখবেন? কিছুই করবেন না? তেমন তো হয় না। তাঁরা অন্তর্ঘাত সৃষ্টি করবেন, হরতাল-অরাজকতা সৃষ্টি করবেন, অর্থবিত্ত ঢেলে মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার চালাবেন, অপরাজনীতিতে ফিন্যান্স করবেন, নির্লোভ-নির্ভীক রাজনীতিকদের হেনস্তা করবেন, এমনকি হত্যা করতেও দ্বিধা করবেন না। শহরে এক ধরনের মেরুদণ্ডহীন সুশীল সমাজ রয়েছে, তাদের বশে রাখবেন। গোলটেবিলে তালগোল পাকাবেন, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন।
গণতন্ত্রের পথ যেমন কুসামাস্তীর্ণ নয়, তেমনি কল্যাণতন্ত্রে উত্তরণও কণ্টকাকীর্ণ। ধনতন্ত্র থেকে কল্যাণতন্ত্রে উত্তরণ গণতন্ত্রের মাধ্যমেই সম্ভব। তবে শুধু গণতান্ত্রিক পথে নিশ্চিত নয়। এর জন্য প্রয়োজন দৃঢ়চিত্ত, নির্লোভ রাজনৈতিক নেতা-কর্মী তথা রাজনৈতিক দল। সেই সঙ্গে প্রয়োজন সদা সচেতন শিক্ষিত স্বাবলম্বী অতন্দ্র প্রহরী, অর্থাৎ নাগরিক সমাজ। জনগণই রাষ্ট্রের মালিক_সাংবিধানিক এই ধারণাটির উপলব্ধি ঘটাতে হবে প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে। তাহলেই ধীরে ধীরে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 20
(141)
- নদী-বুড়িগঙ্গা টেমস হলো না কেন? by আইরিন সুলতানা
- পর্যালোচনা-ফিরে দেখা তিন বছর by মাহবুবা নাসরীন
- গণিতের জন্য... by এম শামসুর রহমান
- প্রাথমিক শিক্ষা-কতজন ঝরে পড়ছে by মাহফুজুর রহমান মানিক
- সমসময়-তত্ত্বাবধায়ক :সাবেক রায় বহাল হোক by আতাউস সামাদ
- চার চিকিৎসক বরখাস্ত-অনুপস্থিতদের জন্য সতর্কবার্তা
- নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন-সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করুন
- সংবাদ বিশ্লেষণ-মালয়েশিয়ার প্রস্তাব আর্থিক দায় বাড়া...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভ...
- আন্তমন্ত্রণালয় সভা-মালয়েশিয়ার শর্ত সংশোধন করতে আলোচনা
- ১২ মার্চ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ-দুই দলেরই মাঠে থাকার...
- ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান-শতাধিক পরিচালকের ...
- বিস্মিত পিটারসেনও
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি ও সবচেয়...
- শীর্ষ তিনে খুলনাও by তারেক মাহমুদ
- আমার খুব আপন মানুষ আমাকে পিঠ দেখাচ্ছে, এটা থেকে আম...
- ইলিয়ভস্কি ফুটবলকে ঠকিয়ে গেছেন: বিপ্লব
- ঈশ্বরগঞ্জের মৃৎশিল্প বিপর্যয়ের মুখে by সোহরাব পাশা
- এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন-অসামঞ্জস্য দূর করা হোক
- ছয় জাতির জোটে বাংলাদেশ-বিপর্যয় রোধে আন্তর্জাতিক সহ...
- মেলার সমাপনীতে শিল্পমন্ত্রী-এ সরকারের মেয়াদেই প্লা...
- মূল্যসূচক নিম্নমুখী কমেছে লেনদেন
- নভো নরডিস্কের ভিকটোজা এখন বাংলাদেশের বাজারে
- টাকা নেই, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আটকে পড়েছে
- আর নয় একা
- আল-কায়েদার হাতে যেতে পারে গাদ্দাফির অস্ত্রভান্ডার!
- সিরিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ীর মন্তব্য-অবরোধে পঙ্গুত্বের ...
- না খেয়ে তুষারাচ্ছাদিত গাড়িতে দুই মাস!
- পাবনায় ৪৫ অবৈধ ইটভাটা
- এটাই সাঁওতালদের সবচেয়ে বড় উত্সব-সাঁওতাল গ্রামগুলোত...
- ৫৯ বছর পর...
- গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন
- তক্ষক বেচাকেনার অভিযোগে ছয়জনের কারাদণ্ড
- মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনার ঘিরে নিরাপত্তাবলয়
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্র...
- বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী-যুদ্ধাপরাধীদের...
- কাল ঢাকা ও চট্টগ্রামে বর্ণমেলা
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-ভারতে সব চ্যানেলই ...
- সংস্কৃতি-বিশ্ব সংস্কৃতি সম্মেলন ফলপ্রসূ হবে তো? by...
- ঋণসংকট-ইউরোপজুড়ে গণ-অসন্তোষ by পিটার কাস্টার্স
- যুক্তি তর্ক গল্প-ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গভীরতা ও ...
- আগে কিছু বিষয় নিশ্চিত করা জরুরি-বাধ্যতামূলক জাতীয় ...
- সব কাজে চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি-অর্থমন্ত্রীর স্বীক...
- চারদিক-সীমান্তের শেষ গাছ
- গণমাধ্যম-সাংস্কৃতিক যোগাযোগ by উম্মে মুসলিমা
- সুশাসন-মূল জায়গায় হাত দিতে হবে by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- চিকি ৎ সা-এটি একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখা by আশীষ কুম...
- দূরদেশ-নয়-এগারোর দশক: আত্মজিজ্ঞাসার সময় এখন by আলী...
- ১১ সেপ্টেম্বর হামলা-যে অংশীদারি আমাদের প্রয়োজন by ...
- এমন জনপ্রতিনিধি লইয়া জনগণ কী করিবে!’-জনগণের, না নি...
- মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অনুসমর্থন অপরিহার্য-সীমান্ত ...
- গন্তব্য ঢাকা-পরিবারের হাসিই তাঁর সবকিছু
- গ্যাস কেলেঙ্কারি-কানাডায় দণ্ডিত নাইকো, পেছনের কথা ...
- প্রযুক্তি বাজার-দ্রুত বড় হও, নইলে দ্রুত মারা যাও b...
- বিশেষ সাক্ষা ৎ কার-বাংলাদেশের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ by ...
- বিশেষ সাক্ষা ৎ কার-আমরা চাই সব বাধা উঠে যাক by মান...
- যেখানে চিকি ৎ সা প্রশাসনেরই চিকি ৎ সা দরকার-মেয়াদো...
- দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করুন-পুলিশের গাফিলতি
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে যিরার স্থ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মো. শাকিল রিজভী-শেয়ারবাজার আপন ...
- চরাচর-পর্যটনের বাংলাদেশ by আফতাব চৌধুরী
- আমাদের সব মাতৃভাষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে হবে by সৈ...
- পদ্মা সেতু দেশীয় অর্থায়নেও নির্মাণ করা সম্ভব by মো...
- নিত্যজাতম্-ঘর ভাগ করলে সে ঘর থাকে না by মহসীন হাবিব
- ভিন্নমত-সভরিন বন্ড ইস্যু করা এত সহজ হবে না by আবু ...
- বস্ত্র ও পোশাক খাত-শিল্পের প্রসারে দিতে হবে প্রণোদনা
- বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষনিধন-শুধু রোপণ নয়, রক্ষাও করতে হবে
- স্মরণ-গাজীউল হক by কাইউম পারভেজ
- আলোকের এই ধরনাধারায় (পর্ব-২৯)-হুইসেল দিয়ে ট্রেন চল...
- শেকড়ের ডাক-বড় বাজেট কি পারবে শিক্ষার ঐতিহ্য ফেরাতে...
- মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র ও কল্যাণতন্ত্র by খোন্...
- 'শত্রু সম্পত্তি' আইন-মৃত আইনকে কেন ধরে রাখার চেষ্টা
- ঘুষ-দুর্নীতির শিক্ষা ভবন-দূর করতে হবে এই অনাচার
- পবিত্র কোরআনের আলো-এতিম মেয়েদের ন্যায্য অধিকার প্র...
- ই-ভোটিং : বিভ্রান্তি দূর করতে নির্বাচন কমিশনের উদ্...
- চালচিত্র-বিকল্পের সন্ধান ও হরতালের সাতকাহন by শুভ ...
- স্মরণ-আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় : জীবন ও কর্ম by ...
- রেহনুমা আহমেদের রক্ত রাজপথে by লুৎফর রহমান রনো
- সামাজিক অনাচার, শিক্ষাব্যবস্থা ও পারিবারিক বন্ধন b...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বিলকিস নাসিরউদ্দিনের প্রতি শ্রদ্ধা
- খোলা চোখে-ওবামা: এক দফার প্রেসিডেন্ট? by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-ইসলাম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না by মু...
- আশা হারাইনি এখনো কাজ বাকি by আইনুন নিশাত
- ভারত অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে by মাহফুজ আনাম
- বিএনপির উচিত তার অবস্থান পরিষ্কার করা-খালেদার ইতিব...
- সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা চাই-অভিজ্ঞতা থেকে শি...
- সাদাকালো-তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংঘাতের অশুভ সূচন...
- রাঙামাটির ১০ নারীনেত্রী অপহৃত-অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির...
- এ কোন বর্বরতা!-দৃষ্টান্তমূলক, কঠোর শাস্তি হোক পাষণ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-বেহেশতপ্রাপ্তি খেয়াল-খুশির ব্যা...
- যেখানে আমাদের আশা-ভরসা by সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
- রস+আলো সম্পর্কে বিখ্যাতদের অভিযোগ
- দুই শ কিংবা দুই সতিন by রাজীব হাসান
- ইন্টারনেটে বিয়েতে প্রেম কতটা টেকসই? by আব্দুল কাইয়ুম
- অপ্রকাশিত বইগুলো
- জনস্বার্থে গ্যাস-কয়লা রপ্তানি নিষিদ্ধ আইন দরকার by...
- চরাচর-শোভা বাড়াত যে বড়শি by সাইফুল ইসলাম
- গেরিলা : চলচ্চিত্রে মহাকাব্য by হরিপদ দত্ত
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দুঃখগাথা by ড. তুহিন...
- রজার কোয়েন-পরমাণুবিহীন ইরান
- সময়ের প্রতিধ্বনি-তার পরও আলোচনার কোনো বিকল্প নেই b...
- রাজধানীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন-ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ক...
- হরতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত-শাসনের আইন নয়, আইনের শাসন ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহর বদলে যারা শয়তানকে অভিভা...
- দূরের দূরবীনে-শক্তি নয় আদর্শ : তারই পানে প্রাণ মেল...
- সংশোধিত বাজেটে মঙ্গা দূর করার পরিকল্পনা চাই by এস ...
- জ্বালানি খাত-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রে অর্থায়ন b...
- সৌরবিদ্যুৎ-আঁধার থেকে আলোর পথে by এম ফাওজুল কবির খান
- পাকিস্তান-বাড়াবাড়ি ও ভুল হিসাব by নাজাম শেঠি
- জনপ্রশাসন-সাম্প্রতিক পদোন্নতি হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্...
- দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে-বিদেশে নতুন শ্র...
- খসড়ার ভিত্তিতেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হতে হবে-...
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-আশা করব, সব এমপির টনক নড়বে
- 'বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত' by মোঃ ইমাম হোসেন
- কণ্ঠস্বর-উইকিলিকস ও বাংলাদেশের রাজনীতি by রাহাত খান
- সিরাজগঞ্জের সেতুতে ত্রুটি-সেই একই ট্রাডিশন...
- গ্যাসের নতুন মজুদ-স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাসের নাম রশিদপুর
- সেই সময়ের নায়কদের জন্য by আসিফ আহমেদ
- আদিবাসী-নিজের ভাষা কেন খুন হয়ে যায়? by পাভেল পার্থ
- বহে কাল নিরবধি-প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের উদ্বেগ ও মা...
- চরাচর-মাগুরছড়া বিপর্যয়ের ১৪ বছর by দীপংকর ভট্টাচার...
- হাজরা মুমতাজ-সেই শাসকদের সঙ্গে পার্থক্য কী
- কল্পকথার গল্প-মন যখন পরশ্রীকাতর by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা-আমার বন্ধু ড. জেকিল-চরিত্রে আর ফির...
- প্রেরণা ভাষা ও সাহিত্য by হারুনুর রশিদ শাহীন
- স্বদেশ ভাবনা-শেয়ার-সীমান্ত-যোগাযোগ এবং আমাদের দায়ভ...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-দেশ চলবে কার কথায়? by আবু সাঈদ খান
-
▼
Feb 20
(141)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment