Monday, February 20, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : মো. শাকিল রিজভী-শেয়ারবাজার আপন শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে
বিশেষ সাক্ষাৎকার : মো. শাকিল রিজভী-শেয়ারবাজার আপন শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাপকভাবে আলোচিত শেয়ারবাজার। ২০১০ সালের শেষার্ধ থেকে পতনের যে ধারা সেটা আর রোধ করা যায়নি। প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েও শেয়ারবাজারকে সঠিক ধারায় ফেরানো যায়নি। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী অনেকেরই পথে বসার জোগাড় হয়েছে। শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট মো. শাকিল রিজভী।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। বাজারের আজকের এই অবস্থার জন্য কাকে দায়ী করবেন।
মো. শাকিল রিজভী : বাজারে যে দরপতনের ধারা, এটা শুরু হয় ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে। এর আগে তিন বছর ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ পর্যন্ত বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ২০১০ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে সূচক ছিল ৫৩০০। যেটা ওই বছরই শেষের দিকে গিয়ে ৮৯০০ হয়। এই যে উত্থান, এটাই হলো পতনের প্রধান কারণ। অস্বাভাবিক উপরে উঠে গেলে বাজার পড়বেই। এটাই বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। সেই পতনটা কত সহনীয়ভাবে হতে পারে, সেটাই হচ্ছে বিবেচনার বিষয়। তার জন্য অনেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল সমস্যাটা ছিল বাজার অস্বাভাবিকভাবে উপরে উঠে যাওয়াটা। এর পেছনে অনেক ছোটখাটো কারণ থাকতে পারে। কিন্তু মৌলিক কারণ ছিল সুদের হার। ২০০৯ সালে এটাকে সিঙ্গেল ডিজিটে আনা হলো। সঞ্চয়পত্রে সুদ কমানো হলো। সুদের ওপর কর ধার্য করা হলো। এফডিআর ইন্টারেস্ট রেটকে সিঙ্গেল ডিজিট করা হলো। যখন এভাবে অর্থাৎ কম সুদের কারণে সঞ্চয়ের ওপর একটা চাপ এলো, তখন কিছু ফান্ড এদিকে এসেছে। শেয়ারবাজারে টাকা ঢুকলে শেয়ারের দাম বাড়ে। এটাই স্বাভাবিক। এটা হচ্ছে একটা কারণ। এবার আরেকটা কারণের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক। মার্চেন্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প ব্যবসার কোনো সুযোগ না পেয়ে এখানে অনেক টাকা বিনিয়োগ করল। অনেক ক্ষেত্রে সেটা নিয়মের বাইরে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, দুই জায়গা থেকে টাকা এসেছে বাজারে। একদিকে ব্যক্তিপর্যায়ের টাকা। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক টাকা। তো, বাজারে ওই সময়ে কিছু শেয়ার এলেও শেয়ারের সরবরাহ সেভাবে ছিল না। সে সময়ে অন্তত সরকারের কিছু শেয়ার ছাড়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকারের যেকোনো কাজের প্রক্রিয়া হতে একটু সময় লাগে। কিছু নিয়ম তো আছে। ফলে অনেকটা সময় চলে যায়। কিন্তু বাজার ক্রমাগত বাড়ার ফলে, সাধারণ মানুষ, যাঁরা এ ব্যবসার সঙ্গে কোনো দিন জড়িত ছিলেন না, এ পেশার সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত ছিলেন না_তাঁরা ভাবলেন, ট্রেনটা তাঁরা মিস করছেন। সবাই যখন টাকা বানাচ্ছে, তখন তাঁরা আর বসে থাকবেন কেন? তাঁরা ভাবলেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে অল্প সুদ পাওয়া যায়। শেয়ারবাজারে ১০ লাখ টাকা নিয়ে গেলে মাসে এক লাখ টাকা উঠে আসে। টাকা বানানোর একটা লোভ সবার মধ্যেই তৈরি হয়ে যায়। এভাবে চলতে থাকার ফলে আমাদের হাউসগুলো, অর্থাৎ ব্রোকারেজ হাউসগুলো ঠিকমতো স্থান সংকুলানও করতে পারেনি। এর ফলে আমাদের অনেক শাখাও করতে হয়েছে। বিনিয়োগকারীদেরও সে রকম দাবি ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রাঞ্চ কম এমন সমালোচনাও এসেছে বিভিন্ন মিডিয়ায়। মার্কেটিং ও টাকা ফুলে-ফেঁপে ওঠা সমানতালে হয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে শেয়ারের জোগান বা সরবরাহ হয়নি। এর সঙ্গে আরেকটা কারণ আছে, সেটা আরো ভয়ংকর। যেটা বিপজ্জনকভাবে বাজারকে বাড়াতে সাহায্য করেছে। এটা হচ্ছে বুক বিল্ডিং। যেমন একটা কম্পানির শেয়ারের দাম, কী পাবে প্রিমিয়াম, সেটা নির্ধারণ হবে অন্য আরেকটি লিস্টেড কম্পানির দামের ওপর। কিন্তু যেটার কোনো ডিভিডেন্ট নেই, সেটাকেও ওপরে ওঠানোর চেষ্টা হয়েছে এই বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে। কাজেই এটা স্পষ্ট যেসব কম্পানি বুক বিল্ডিংয়ের জন্য এসেছিল, তারা বাজারকে ওপরে তোলার জন্য প্রভাবিত করেছে। তাদের তথ্য-উপাত্ত তো আছে, সেগুলো দেখলেও স্পষ্ট হবে যে এর পেছনে একটি অশুভ চিন্তা কাজ করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে প্লেসমেন্ট শেয়ার বেচাকেনার বাজার তৈরি হয়েছিল কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে। যেখানে অতিমূল্যায়িত দামে নতুন কম্পানির প্লেসমেন্ট শেয়ার বেচাকেনা হতো। এতে এসইসির আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। এই প্লেসমেন্টের পেছনে বিনিয়োগকারীদের তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা আটকা পড়ে গেছে। এই চার-পাঁচটা প্রক্রিয়া যখন একসঙ্গে বাজারে কাজ করে, তখন বাজারে দাম বাড়বেই। সাধারণ মানুষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সাধারণ মানুষ তো আসবেই। লাভ করতে তো সবাই চায়। লোভ সবার মধ্যেই কাজ করে। আবার, প্রাতিষ্ঠানিক লোভও কাজ করেছে। নিয়ম ও নৈতিকতার বাইরে গেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। ৪৮টা কম্পানির বুক বিল্ডিংয়ের যে ব্যালান্স শিট তৈরি হয়েছিল, যে প্রসপেক্ট দেখানো হয়েছিল_তা কি আসলেই ঠিক ছিল? এমন অনেক অনিয়ম আছে। বাজারের আজকের যে অবস্থা এটার জন্য এসব কারণই হচ্ছে প্রধান। আবার ঢাকার বাইরে ব্রোকারেজ হাউস নিয়ে যাওয়াটাও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। এতে অনেকেই প্রলুব্ধ হয়েছেন। এটা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা। এটা সাধারণ মানুষের না। বেকারেরও না। যাঁর উদ্বৃত্ত অলস টাকা আছে, এ ব্যবসাটা তাঁর।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল, তদন্ত কমিটি একটি রিপোর্টও দিয়েছিল। সে অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
মো. শাকিল রিজভী : এসইসি রিপোর্ট অনুযায়ী অনেক ব্যবস্থা নিয়েছে। বেশ কয়েকটা মামলা বোধ হয় করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে যেটা করার সেটা এসইসি করেছে। স্টক একচেঞ্জের ডি-মিউচুয়ালাইজেশন, নতুন একটা করপোরেট ডিপার্টমেন্ট করা, সার্ভিলেন্স, মনিটরিং_এগুলোর জায়গা আরো শক্তিশালী হয়েছে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে। আমার মনে হয়, খুব অল্প সময়ে রিপোর্ট দেওয়াতে একটি দিক একেবারেই বাদ পড়েছে। এতে রিপোর্ট পূর্ণাঙ্গ হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তিনি যে রিপোর্ট দিয়েছেন, সেটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু কারণ অনুসন্ধানে ব্যাংকিং সেক্টরের অনিয়মগুলো একেবারেই বাদ দিয়ে গেছেন। রিপোর্ট নিয়ে যে সমালোচনা হয়, এ কারণেই সেটা হয়ে থাকে। ব্যাংকিং সেক্টরের অনিয়ম নিয়ে রিপোর্টে সেটা থাকলে সমালোচনার কোনো জায়গা থাকত না। রিপোর্টে প্লেসমেন্টের ব্যাপারে অনেকের নাম এসেছে। কিন্তু মূল কারসাজি যারা করেছেন, তাঁদের নাম আসেনি। হ্যাঁ, প্লেসমেন্ট কোনো অপরাধ নয়। দেখতে হবে অনিয়ম হয়েছে কি না। তবে আমার জানা মতে, তাঁর তদন্ত রিপোর্টে অনিয়মের ব্যাপারে স্টক একচেঞ্জ এন্ডে যে সুপারিশগুলো করা হয়েছিল, সেগুলো কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, কিছু প্রক্রিয়াধীন।
কালের কণ্ঠ : ছিয়ানব্বইয়ের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ১৫টি মামলার অধিকাংশই এখনো ঝুলে আছে বলে জানা যায়। মামলাগুলোর অবস্থা কী?
মো. শাকিল রিজভী : আমি যতটুকু জানি মামলাগুলো বিচারাধীন। এর বাইরে আমার এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।
কালের কণ্ঠ : বাজারে যে ২৬ সরকারি কম্পানির শেয়ার আসার কথা ছিল সেগুলো কী অবস্থায় আছে?
মো. শাকিল রিজভী : আমি যতটুকু জানি অনেক কম্পানি এখন বাজারে আসার জন্য তৈরি হয়েছে। কাগজে-কলমে বাজারে আসার জন্য তারা প্রস্তুত। আমার ধারণা কম্পানিগুলো উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় আছে। সময় হলেই তারা বাজারে আসবে। প্রশ্ন উঠতে পারে উপযুক্ত সময়টা কখন? একটু লেনদেন প্রক্রিয়া ভালো হলে, বাজার একটু স্থিতিশীল হলে তারা বাজারে আসবে বলে আমার ধারণা। বাজারের এখন যে অস্থিরতা, এটা কেটে গেলেই হয়তো বাজারে আসবে তারা। এখন আবার প্রশ্ন উঠতে পারে, অস্থিরতা কাটবে কবে? হ্যাঁ, যদি দেখা যায় যে টার্নওভার বাড়ছে, ওঠানামা খুব বেশি করছে না_তাহলে বাজার স্থিতিশীল বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে।
কালের কণ্ঠ : সূচক নিয়ে কথা বলা যাক। সূচকের এই যে ওঠানামা, যখন স্বাভাবিকতাকে ছাড়িয়ে যায়, তখন সেটা রোধ করা যায় কিভাবে?
মো. শাকিল রিজভী : এই বাজারকে অন্য বাজারের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না। শেয়ারবাজার এত গতিশীল যে, কোনো জায়গায় স্থির করে রাখা যায় না। কারণ, শেয়ারবাজারের সঙ্গে অন্য অনেক কিছু জড়িত। যদি অন্য বিষয়গুলো জড়িত না থাকত, তাহলে হয়তো বলে দেওয়া যেত সূচক কত হতে পারে। সুদের হার পরিবর্তনের প্রভাব পড়বেই স্টক মার্কেটে। ক্যাপ উঠিয়ে দিলে এক রকম প্রভাব পড়বে, ক্যাপ দিয়ে দিলে তার প্রভাব ভিন্ন হবে। আমাদের বিকাশমান অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। তার প্রভাব শেয়ারবাজারে পড়বেই। অর্থনীতি যদি পরিবর্তনের মধ্যে থাকে, তাহলে শেয়ারবাজার কেমন করে স্থিতিশীল হবে? সার্বিক অর্থনীতির একটা প্রভাব আছে না? তিন মাস আগে ডলারের যে দাম ছিল, সেটা তো এখন নেই। বাজারদর কি এক সপ্তাহ আগের জায়গায় আছে? আপনি শেয়ারবাজারকে এর বাইরে রাখবেন কেমন করে? আরেকটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অনেকে বলে থাকেন, সূচকটা পাঁচ হাজার বা ছয় হাজারে তুলে রেখে দেন। এটা তুলে রাখার কোনো সেলফ নেই। এটা রাখার জিনিসও নয়। ইনডেঙ্ আসে শেয়ারের দাম থেকে। এখানে কারো কোনো হাত নেই। প্রত্যেকটি কম্পানির পারফরম্যান্স যদি ভালো হয়, ডিভিডেন্ট হয়, আস্থা আসে, তাহলে মানুষ ওই শেয়ারটা কিনবে। তাহলে ইনডেঙ্ উঠবে। কম্পানির লাভের দিকে দেখতে হবে। সেটার ওপর নির্ভর করছে ইনডেঙ্। আবার, যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকে, ডলারের দাম বাড়ে, বিদ্যুৎ না থাকে, যদি উৎপাদন বিঘি্নত হয়, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল না থাকে_এর প্রভাব তো কম্পানির লাভের ওপর পড়বে। লাভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়া মানে সূচক পড়বে। হ্যাঁ, না হয় বাড়িয়ে দিলাম সূচক। সেটা তো স্থিতিশীল হবে না। নিচের দিকে আসবেই।
কালের কণ্ঠ : লাভের জায়গাটি নিয়ে কথা বলা যাক। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, ষান্মাসিক রিপোর্ট, যেটা অডিট করা হয় না, সেখানে অনেক লুকোছাপা করা হয়। এটা নিয়ন্ত্রণের কোনো সুযোগ কি আছে?
মো. শাকিল রিজভী : এই রিপোর্টটা তো অডিট ছাড়াই করা হয়, কাজেই এককথায় নিয়ন্ত্রণের কোনো সুযোগ নেই। তবে বিনিয়োগকারীকে বিষয়টি নিজে থেকে বুঝে নিতে হবে। তবে বিনিয়োগকারীর চোখ এড়িয়ে যেতে পারে এমন অনেক বিষয় আছে, সেগুলো আমাদের করপোরেট বিভাগ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে। বিনিয়োগকারীকে অনেক কিছু জানতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে।
কালের কণ্ঠ : মূল্যসূচক নিয়ে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। এক সময় সার্কিট ব্রেকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাজার চলে গেছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন কেন ঘটল?
মো. শাকিল রিজভী : যখন বাজারে বিনিয়োগকারী বেড়েছে, নতুন কিছু লোক ঢুকেছে বাজারে, তখন তো সার্কিট ব্রেকার দিয়েও ঠেকানো যায়নি। এটা কিন্তু স্বাভাবিক প্রবণতা। আবার বাজার থেকে যখন বিনিয়োগকারীরা বেরিয়ে গেছে, তখনও ঠিক সেই একই অবস্থা ঘটেছে। বাজারের পতন যাতে সহনীয় হয়, তার চেষ্টা করা হয়েছে। সার্কিট ব্রেকার দিয়ে এসইসি চেষ্টা করেছে সহনীয় করতে। ভুল যে একটা হয়েছে, এটা মেনে নিতে হবে। যে পতন আমরা এখন দেখছি এটা দুই বা তিন মাসেই শেষ হয়ে যেত। এটা এখন এক বছর ধরে হচ্ছে। সার্কিট ব্রেকার না থাকলে এটা দুই মাসেই হয়ে যেত। তবে বাজার আবার আপন শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে। কারণ, ভালো ভালো অনেক কম্পানি আছে। কম্পানিগুলোর সম্পদ আছে, আয় আছে, লাভও আছে। ব্যাংক আছে, ইনস্যুরেন্স কম্পানি আছে। বাজার ঘুরবেই।
কালের কণ্ঠ : অনেকে বলে থাকেন ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী পথে বসেছেন। বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এই অভিযোগের জবাবে কী বলবেন?
মো. শাকিল রিজভী : হ্যাঁ, ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী আমাদের আছে। কিন্তু সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারী ৩৩ লাখ নয়। এর মধ্যে ১০ লাখ আইপিও করেন। তাঁরা কিন্তু সত্যিকার অর্থে লোকসান করেননি। তাঁরা এই বাজার থেকে লাভ করেছেন। ধরুন বাজারে একটা শেয়ার এলো। ১০ টাকার শেয়ার। ১০ টাকার শেয়ারে ১০ টাকা প্রিমিয়াম পেল সেই কম্পানি। এই ১০ টাকা প্রিমিয়াম পাওয়ার ব্যাপারটি এসইসির কাছে গ্রহণযোগ্য করতে হয়েছে। কিন্তু সেটা যখন সেকেন্ডারি মার্কেটে এলো, দাম হয়ে গেল ১৫০ টাকা। আমরা যারা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে এটা কিনছি, তাঁরা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই না করেই কিনছি। আমি মনে করি এসইসি যা প্রিমিয়াম দেবে তার চেয়ে সহনীয় ঊর্ধ্বমূল্যে কিনলে তবেই আমি নিরাপদ। ধরা গেল বাজার ঊর্ধ্বমুখী, ঠিক আছে, আমি সেটা ২৫ টাকা দিয়ে কিনব। কিন্তু কিনছি ১৫০ টাকা। এই যে বেড়ে গেল, এ ক্ষেত্রে লোকসানের সম্ভাবনা থেকেই যায়। ২০১০-এর শেষের দিকে যাঁরা সেকেন্ডারি মার্কেটে এসেছেন, তাঁরাই বেশি লোকসান করেছেন।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে একগুচ্ছ ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেগুলো কি কার্যকর হয়েছে। ২১ দফা ঘোষণার বাস্তবায়ন তো এসইসির দায়িত্ব। তারা কতটুকু করতে পেরেছে?
মো. শাকিল রিজভী : এসইসি অনেকগুলোই বাস্তবায়ন করেছে। কিছু প্রক্রিয়াধীন আছে। ব্যাংক ও ইনস্যুরেন্স কম্পানিগুলোর প্রণোদনা প্যাকেজ কী অবস্থায় আছে সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। কিছু আছে সংস্কারের ব্যাপার। এটা সহজ নয়। সংস্কারের সুফল একসময় পাওয়া যাবে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। স্টক মার্কেটের সংস্কার খুব কঠিন কাজ। এতে শুরুতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আমার ধারণা, বাজারে যাতে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেদিকে খেয়াল রেখেই সংস্কারের কাজ করছে এসইসি। এসইসি অনেক কাজই দৃঢ়তার সঙ্গে করেছে। অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে।
কালের কণ্ঠ : সব দুর্নীতি-অনিয়মের বৈধতা দিয়েছে এসইসি_তদন্ত কমিটির এমন মন্তব্যের জবাবে কী বলবেন?
মো. শাকিল রিজভী : বলার অপেক্ষা রাখে না, আগের এসইসির বেশ কিছু ভুল আছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসইসিতে পরিবর্তনও হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান, নতুন সদস্য দেওয়া হয়েছে। কিছু অনিয়ম হয়েছে বলেই আমি মনে করি। এসইসি সেগুলো ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। এটা আগের এসইসির ব্যর্থতা। আমার কাছে মনে হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকও আগের এসইসিকে ঠিকমতো সহযোগিতা করেনি। আগের এসইসি কিন্তু রেগুলেটর ব্যাংকের কাছ থেকে সে রকম সহযোগিতা পায়নি। দুই রেগুলেটরি সংস্থা একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যে কাজ করবে, সেটা দেখা যায়নি। আরেকটা বিষয় হচ্ছে অনিয়ম, দুর্নীতি। অনিয়ম, দুর্নীতি যে হয়েছে, এ ব্যাপারে আমি একমত। অনিয়ম, দুর্নীতি না হলে চোখের সামনে কেন ডাইরেক্ট লিস্টিং, বুক বিল্ডিংয়ের এই অরাজকতা চলবে? নিজের অনেক কাজ ফেলে রেখে অন্যদিকে বেশি নজর দিয়েছে এসইসি। মার্জিন রেশিও কমানো-বাড়ানো, এটা এসইসির কাজ নয়। এটা মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো করবে। এসব করতে যাওয়া ভুল ছিল। তবে সব দোষ আগের এসইসিকে না দিয়ে অন্যদিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। অন্যদেরও কিছু ভুল ছিল। এসইসির ওপরও কিছু রেগুলেটর হয়ে গিয়েছিল। সুপার রেগুলেটর সেজে বসার একটা প্রবণতা তখন দেখা গেছে। এটা কাঙ্ক্ষিত নয়। ভবিষ্যতেও এটা হলে সেটাও হবে দুঃখজনক। এসইসিকে শক্তিশালী করতে হবে। কমিশনকে কমিশনের মতো সম্মান দিতে হবে। কারো কোনো বক্তব্য থাকলে সেটা এসইসির মাধ্যমে দিতে হবে। এমন কোনো ঘোষণা কেউ দিতে পারবেন না, যেটা বাজারে প্রভাব ফেলবে। সবারই উচিত এসইসিকে সাপোর্ট দেওয়া। এসইসি যত শক্তিশালী হবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তত বাড়বে। আবার বেশি দামে শেয়ার কিনে এসইসিকে দোষ দেওয়াটাও ঠিক নয়। বিনিয়োগকারীদেরও সচেতন হতে হবে।
কালের কণ্ঠ : এসইসিকে আরো শক্তিশালী করার ব্যবস্থা কী হতে পারে?
মো. শাকিল রিজভী : এই দায়িত্বটা সরকারের। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দায়িত্বটা এসইসিকে দিয়ে দিতে হবে। সোজা কথা, অর্থ মন্ত্রণালয় বলে দেবে, আমাদের কাছে এসে কোনো লাভ নেই। শেয়ারবাজারের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত এসইসি নেবে। এসইসি শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক। সব সিদ্ধান্ত, দায়-দায়িত্ব এসইসির।
কালের কণ্ঠ : কারসাজিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভুয়া নাম, ভুতুড়ে অমনিবাস অ্যাকাউন্ট। এই ভুতুড়ে অ্যাকাউন্টধারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা কি নেওয়া গেছে?
মো. শাকিল রিজভী : ভুতুড়ে অমনিবাস অ্যাকাউন্টধারীদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না সেটা আমার জানা নেই। এমন কোনো অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও আমার ধারণা নেই। যদি এমন অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, সেটা শক্ত হাতে দেখা উচিত।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এখন কী অবস্থায় আছে? মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে বিনিয়োগ করেছিল সেগুলোর এখন কী অবস্থা? ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে কিছু ফান্ড আসার কথা ছিল। সেগুলোর কী অবস্থায় আছে?
মো. শাকিল রিজভী : প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আছে। একসময় একসঙ্গে যেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ঢুকেছিল, সেভাবে নতুন কেউ ঢুকছে না। এখন যাদের কাছে শেয়ার আছে, তাদেরও বোধ হয় বেশি দামে কেনা আছে। ব্যাংকগুলো দুই বছরে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার মতো এই বাজার থেকে লাভ করেছে বলে শোনা যায়। সেটা তারা নিয়ে গেছে। তাদের অংশগ্রহণ এখন আর তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। অংশগ্রহণ সক্রিয় নয়। এখন নিয়ন্ত্রণ অনেক কঠিন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে জোর করারও সুযোগ বোধ হয় নেই। প্রণোদনা প্যাকেজে ব্যাংকগুলো অনেক সুযোগ নিয়েছিল। যারা লাভ করেছে, নৈতিক কারণেই তাদের কিছু দায়িত্ব কিন্তু থেকেই যায়। কারণ একদিকে যেমন ব্যাংকগুলো নিজের পোর্টফোলিও থেকে লাভ করেছে, অন্যদিকে ব্যাংকের পরিচালকরাও ভালো টাকা তুলে নিয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে এত বেশি চলে গেছে যে তাতে একধরনের অসাম্য দেখা দিয়েছে। ব্যাংকগুলো তখন সত্যিকার অর্থে অসুবিধায় ছিল। ওই সময়ে ছাড় না নিলে অসুবিধায় পড়ত। কিন্তু কমিটমেন্ট করে সেটা কতটুকু রক্ষা করা হয়েছে, তা এখন বিবেচনা করতে হবে। কমিটমেন্ট রক্ষিত না হলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বেই। বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। তবে ব্যাংকগুলোর উচিত কমিটমেন্ট রাখা। আমি আশাবাদী, তারা কমিটমেন্ট রক্ষা করবে। দৃশ্যমান কিছু দেখানো গেলে বাজারের আস্থা ফিরে আসবে।
কালের কণ্ঠ : কম্পানিগুলোর এজিএম, লভ্যাংশ ঘোষণা ইত্যাদি বিষয়ে কি যথার্থ মনিটরিং হয়েছে?
মো. শাকিল রিজভী : ২০১০ সালে অনেকগুলো মনিটরিং করে এসইসিকে দেওয়া হয়েছিল। এসইসি তখন কতটুকু সতর্কতার সঙ্গে কাজ করেছে সেটা দেখার ব্যাপার। হয়তো কিছু কম্পানি জালিয়াতি করতে পারে। অনেকেই তো ডিভিডেন্ট দেয়। অনেকে আবার শেয়ারবাজারের নিয়মকানুন জানেই না। এগুলো তাদের জানানো উচিত। তবে মনিটরিং হওয়া উচিত। শক্তভাবে দেখা উচিত। আবার কম্পানি যদি সত্যিকার অর্থে লোকসান করে সেটা শেয়ারহোল্ডারদের মানতে হবে। অনিয়ম যদি থাকে সেটা যেমন দেখতে হবে, তেমনি বিনিয়োগকারী হিসেবে লাভ-লোকসানও বিনিয়োগকারীদের দেখতে হবে। তবে কেউ বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখতে পারবেন না। তথ্য সঠিকভাবে দেওয়াটা জরুরি। ভুল তথ্য দিয়ে বিনিয়োগকারীকে বিভ্রান্ত করা বা প্রলুব্ধ করা যাবে না। এটা আইনের লঙ্ঘন।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে দরপতনের নেপথ্য কারণ হিসেবে অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করে থাকেন। আপনার মত কী?
মো. শাকিল রিজভী : সুদের হার কমালে তার প্রতিক্রিয়া কী হবে বা হতে পারে, এ নিয়ে কোনো দূরদর্শী চিন্তাভাবনা ছিল না। কিছু বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের আগেই দেখা উচিত ছিল। নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না সেটা দেখা উচিত ছিল। সচেতন করা উচিত ছিল। রেগুলেটর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কালের কণ্ঠ : বিভিন্ন কম্পানির পরিচালকদের শেয়ার কেনার কথা ছিল। সময়টা কেন ছয় মাস করা হলো? পরিচালকদের শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরির জন্যই বাজারে দরপতন ঘটানো হচ্ছে_এ অভিযোগের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?
মো. শাকিল রিজভী : এটা আগের আইনে ছিল না। প্রত্যিটি কম্পানির একটা আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডাম আছে। সেখানে বলা আছে, পরিচালকদের কতটা শেয়ার কিনতে হবে। আগের শেয়ার নিয়মের মধ্যেই আছে। এখন নতুন এসইসি একটা সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এখন তো একটা সুযোগ দিতে হবে। সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলেই চলবে না। আমার মনে হয় ছয় মাস সময় খুব বেশি সময় না। পরিবর্তন করলেই তো হলো না। টাকার ব্যবস্থা তো করতে হবে। অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণও কিন্তু বাজারের জন্য ভালো নয়। ছয় মাস যৌক্তিক সময় বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে।
কালের কণ্ঠ : আপনার কি মনে হয় এই বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে? বিকল্প কর্মসংস্থানের একটি জায়গা হবে? কেমন করে সেটা সম্ভব? সূচক ৮০০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল একসময়। এখন গড়ে ৪২০০। ঘুরে দাঁড়ানো বলতে অনেকে ৮০০০ পয়েন্টে পেঁৗছানোকে বোঝেন। আপনার কী মত?
মো. শাকিল রিজভী : আগেই বলেছি এই বাজার গতিশীল। ওঠানামার ভেতর দিয়ে নতুন বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করবে। ফ্রেশ বিনিয়োগকারী তো আসবেই বাজারে। এখন বাজারের পিই রেশিও ১১। বলা যায় এটা সহনীয়। এটা যদি ২০ থাকত, তাহলে বলা যেত সংশোধনের সময় এসেছে। আমি মনে করি নতুন বিনিয়োগকারী এলেই বাজার ভালো হবে। ঘুরে দাঁড়াবে। ব্যাংকে টাকা রাখার চেয়ে বাজার নিরাপদ হলেই বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করা যাবে। প্রতিদিনের বেচাকেনার লোক নয়, বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন সত্যিকার অর্থে বিনিয়োগকারী। শেয়ার ধরে রাখার মতো বিনিয়োগকারী দরকার। তবে এ বাজারে ঝুঁকি কিন্তু সব সময় থাকে। তবে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে পিই রেশিও অনুযায়ী এটাই বিনিয়োগের উৎকৃষ্ট সময়।
কালের কণ্ঠ : সব সময় দেখা গেছে, পুঁজিবাজারের সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, অর্থ মন্ত্রণালয়কে দায়ী করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। এটা কতটা যৌক্তিক? পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক এসইসিকে কি ইচ্ছে করেই আড়াল করা হচ্ছে?
মো. শাকিল রিজভী : কথায় কথায় পদত্যাগের দাবি তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। পলিসিগত কারণে কোনো সমস্যা হলে তার সমালোচনা করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে সমালোচনা করতে হবে। তবে বিনিয়োগকারীকে সচেতন হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। অধিক দামে শেয়ার কিনে সেটা বিক্রি করতে না পারলে কাউকে দায়ী করা যাবে না। এটাকে আপনার কর্মসংস্থানের জায়গা ভাবার কোনো কারণ নেই। এখানে বিনিয়োগ করতে হবে উদ্বৃত্ত অলস টাকা। হ্যাঁ, বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা দায়িত্ব তো আছেই। পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এসইসির সঙ্গে বসা উচিত। প্রতিক্রিয়া নিয়ে অন্তত ভাবা উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক সিকিউরিটিজ উইং করতে পারে। হ্যাঁ, স্টক মার্কেট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব চিন্তা থাকতে পারে। সেটা আগেই জনসমক্ষে চলে আসা উচিত নয়। একটা সমন্বয় থাকা উচিত। এখানে ঘাটতি থাকা উচিত নয়। গোপনীয়তা রক্ষা করা উচিত। সিদ্ধান্ত দেবে এসইসি। অন্য কেউ নয়। সবার চিন্তা এসইসির কাছ থেকে যাবে।
কালের কণ্ঠ : যেকোনো বিনিয়োগ সংরক্ষণের প্রাথমিক দায়িত্ব বিনিয়োগকারীর নিজের। শেয়ারবাজারের ক্ষেত্রে কি এর ব্যত্যয় ঘটেছে?
মো. শাকিল রিজভী : এখানে আমাদেরও কিছু ঘাটতি আছে। মার্কেটের ব্যাপারে যথাযথ উপদেশ বা পরামর্শ দেওয়ার কেউ নেই। বিদেশে উপদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডভাইজরি সার্ভিস আছে। আমাদের দেশে নেই। বিনিয়োগকারীকে তাই নিজেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে কিছু বিশেষজ্ঞ তৈরি করা দরকার। আমাদের বন্ড মার্কেট সক্রিয় নয়। আইন থাকলেও এখানে মার্কেট মেকার নেই। ফলে বিনিয়োগকারী অনেক ক্ষেত্রে নিজেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : পুঁজিবাজার পরিচালনাকারী ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো কি যথাযথ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন আপনি?
মো. শাকিল রিজভী : স্টক এক্সচেঞ্জের দায়িত্ব বেচাকেনা দেখা। সেটা নিশ্চিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। দাম কী হবে সেটা বাজারের ওপর নির্ভর করে। স্টক এক্সচেঞ্জ তার কাজ ঠিকমতোই করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জ সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিতে পারে। কিছু কার্যক্রম চলছে। স্টক এক্সচেঞ্জের একটা ট্রেনিং একাডেমী আছে। সেটা সক্রিয়। সরকার পিপিপির আওতায় একটি ট্রেনিং একাডেমী করেছে। সব মিলিয়ে যথাযথ ভূমিকা পালিত হচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসইসি, ভারতে সেবি (ঝঊইও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীকে মাথা ঘামাতে হয় না। এখানে ভিন্ন চিত্র কেন?
মো. শাকিল রিজভী : উন্নত বিশ্বে সরকারের নীতিনির্ধারকরা স্টক মার্কেট নিয়ে মাথা ঘামাতে যান না। এটা তাঁদের কাজও না। উন্নত বিশ্বে এসইসি বা সেবি স্বাধীন। সেখানেও কিন্তু শেয়ারের দাম ওঠানামা করে। দামের ব্যাপারে এসইসির কিছু করার নেই। এসইসির দায়িত্ব অনিয়ম দেখা। এসইসি শক্তিশালী হলে অনেক সমস্যা চলে যাবে। বাজারের অনিয়ম এসইসি দেখবে। এখানে ভিন্ন চিত্র যদি থেকেই থাকে, সেটা পাল্টাতে হবে।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে ধন্যবাদ।
মো. শাকিল রিজভী : আপনাকেও ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা কোনোভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। বাজারের আজকের এই অবস্থার জন্য কাকে দায়ী করবেন।
মো. শাকিল রিজভী : বাজারে যে দরপতনের ধারা, এটা শুরু হয় ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে। এর আগে তিন বছর ২০০৮, ২০০৯ ও ২০১০ পর্যন্ত বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ২০১০ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে সূচক ছিল ৫৩০০। যেটা ওই বছরই শেষের দিকে গিয়ে ৮৯০০ হয়। এই যে উত্থান, এটাই হলো পতনের প্রধান কারণ। অস্বাভাবিক উপরে উঠে গেলে বাজার পড়বেই। এটাই বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। সেই পতনটা কত সহনীয়ভাবে হতে পারে, সেটাই হচ্ছে বিবেচনার বিষয়। তার জন্য অনেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল সমস্যাটা ছিল বাজার অস্বাভাবিকভাবে উপরে উঠে যাওয়াটা। এর পেছনে অনেক ছোটখাটো কারণ থাকতে পারে। কিন্তু মৌলিক কারণ ছিল সুদের হার। ২০০৯ সালে এটাকে সিঙ্গেল ডিজিটে আনা হলো। সঞ্চয়পত্রে সুদ কমানো হলো। সুদের ওপর কর ধার্য করা হলো। এফডিআর ইন্টারেস্ট রেটকে সিঙ্গেল ডিজিট করা হলো। যখন এভাবে অর্থাৎ কম সুদের কারণে সঞ্চয়ের ওপর একটা চাপ এলো, তখন কিছু ফান্ড এদিকে এসেছে। শেয়ারবাজারে টাকা ঢুকলে শেয়ারের দাম বাড়ে। এটাই স্বাভাবিক। এটা হচ্ছে একটা কারণ। এবার আরেকটা কারণের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক। মার্চেন্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প ব্যবসার কোনো সুযোগ না পেয়ে এখানে অনেক টাকা বিনিয়োগ করল। অনেক ক্ষেত্রে সেটা নিয়মের বাইরে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, দুই জায়গা থেকে টাকা এসেছে বাজারে। একদিকে ব্যক্তিপর্যায়ের টাকা। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক টাকা। তো, বাজারে ওই সময়ে কিছু শেয়ার এলেও শেয়ারের সরবরাহ সেভাবে ছিল না। সে সময়ে অন্তত সরকারের কিছু শেয়ার ছাড়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকারের যেকোনো কাজের প্রক্রিয়া হতে একটু সময় লাগে। কিছু নিয়ম তো আছে। ফলে অনেকটা সময় চলে যায়। কিন্তু বাজার ক্রমাগত বাড়ার ফলে, সাধারণ মানুষ, যাঁরা এ ব্যবসার সঙ্গে কোনো দিন জড়িত ছিলেন না, এ পেশার সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত ছিলেন না_তাঁরা ভাবলেন, ট্রেনটা তাঁরা মিস করছেন। সবাই যখন টাকা বানাচ্ছে, তখন তাঁরা আর বসে থাকবেন কেন? তাঁরা ভাবলেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে অল্প সুদ পাওয়া যায়। শেয়ারবাজারে ১০ লাখ টাকা নিয়ে গেলে মাসে এক লাখ টাকা উঠে আসে। টাকা বানানোর একটা লোভ সবার মধ্যেই তৈরি হয়ে যায়। এভাবে চলতে থাকার ফলে আমাদের হাউসগুলো, অর্থাৎ ব্রোকারেজ হাউসগুলো ঠিকমতো স্থান সংকুলানও করতে পারেনি। এর ফলে আমাদের অনেক শাখাও করতে হয়েছে। বিনিয়োগকারীদেরও সে রকম দাবি ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রাঞ্চ কম এমন সমালোচনাও এসেছে বিভিন্ন মিডিয়ায়। মার্কেটিং ও টাকা ফুলে-ফেঁপে ওঠা সমানতালে হয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে শেয়ারের জোগান বা সরবরাহ হয়নি। এর সঙ্গে আরেকটা কারণ আছে, সেটা আরো ভয়ংকর। যেটা বিপজ্জনকভাবে বাজারকে বাড়াতে সাহায্য করেছে। এটা হচ্ছে বুক বিল্ডিং। যেমন একটা কম্পানির শেয়ারের দাম, কী পাবে প্রিমিয়াম, সেটা নির্ধারণ হবে অন্য আরেকটি লিস্টেড কম্পানির দামের ওপর। কিন্তু যেটার কোনো ডিভিডেন্ট নেই, সেটাকেও ওপরে ওঠানোর চেষ্টা হয়েছে এই বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে। কাজেই এটা স্পষ্ট যেসব কম্পানি বুক বিল্ডিংয়ের জন্য এসেছিল, তারা বাজারকে ওপরে তোলার জন্য প্রভাবিত করেছে। তাদের তথ্য-উপাত্ত তো আছে, সেগুলো দেখলেও স্পষ্ট হবে যে এর পেছনে একটি অশুভ চিন্তা কাজ করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে প্লেসমেন্ট শেয়ার বেচাকেনার বাজার তৈরি হয়েছিল কিছু ব্যক্তির মাধ্যমে। যেখানে অতিমূল্যায়িত দামে নতুন কম্পানির প্লেসমেন্ট শেয়ার বেচাকেনা হতো। এতে এসইসির আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। এই প্লেসমেন্টের পেছনে বিনিয়োগকারীদের তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা আটকা পড়ে গেছে। এই চার-পাঁচটা প্রক্রিয়া যখন একসঙ্গে বাজারে কাজ করে, তখন বাজারে দাম বাড়বেই। সাধারণ মানুষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সাধারণ মানুষ তো আসবেই। লাভ করতে তো সবাই চায়। লোভ সবার মধ্যেই কাজ করে। আবার, প্রাতিষ্ঠানিক লোভও কাজ করেছে। নিয়ম ও নৈতিকতার বাইরে গেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। ৪৮টা কম্পানির বুক বিল্ডিংয়ের যে ব্যালান্স শিট তৈরি হয়েছিল, যে প্রসপেক্ট দেখানো হয়েছিল_তা কি আসলেই ঠিক ছিল? এমন অনেক অনিয়ম আছে। বাজারের আজকের যে অবস্থা এটার জন্য এসব কারণই হচ্ছে প্রধান। আবার ঢাকার বাইরে ব্রোকারেজ হাউস নিয়ে যাওয়াটাও সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। এতে অনেকেই প্রলুব্ধ হয়েছেন। এটা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা। এটা সাধারণ মানুষের না। বেকারেরও না। যাঁর উদ্বৃত্ত অলস টাকা আছে, এ ব্যবসাটা তাঁর।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল, তদন্ত কমিটি একটি রিপোর্টও দিয়েছিল। সে অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
মো. শাকিল রিজভী : এসইসি রিপোর্ট অনুযায়ী অনেক ব্যবস্থা নিয়েছে। বেশ কয়েকটা মামলা বোধ হয় করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে যেটা করার সেটা এসইসি করেছে। স্টক একচেঞ্জের ডি-মিউচুয়ালাইজেশন, নতুন একটা করপোরেট ডিপার্টমেন্ট করা, সার্ভিলেন্স, মনিটরিং_এগুলোর জায়গা আরো শক্তিশালী হয়েছে ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে। আমার মনে হয়, খুব অল্প সময়ে রিপোর্ট দেওয়াতে একটি দিক একেবারেই বাদ পড়েছে। এতে রিপোর্ট পূর্ণাঙ্গ হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তিনি যে রিপোর্ট দিয়েছেন, সেটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু কারণ অনুসন্ধানে ব্যাংকিং সেক্টরের অনিয়মগুলো একেবারেই বাদ দিয়ে গেছেন। রিপোর্ট নিয়ে যে সমালোচনা হয়, এ কারণেই সেটা হয়ে থাকে। ব্যাংকিং সেক্টরের অনিয়ম নিয়ে রিপোর্টে সেটা থাকলে সমালোচনার কোনো জায়গা থাকত না। রিপোর্টে প্লেসমেন্টের ব্যাপারে অনেকের নাম এসেছে। কিন্তু মূল কারসাজি যারা করেছেন, তাঁদের নাম আসেনি। হ্যাঁ, প্লেসমেন্ট কোনো অপরাধ নয়। দেখতে হবে অনিয়ম হয়েছে কি না। তবে আমার জানা মতে, তাঁর তদন্ত রিপোর্টে অনিয়মের ব্যাপারে স্টক একচেঞ্জ এন্ডে যে সুপারিশগুলো করা হয়েছিল, সেগুলো কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে, কিছু প্রক্রিয়াধীন।
কালের কণ্ঠ : ছিয়ানব্বইয়ের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ১৫টি মামলার অধিকাংশই এখনো ঝুলে আছে বলে জানা যায়। মামলাগুলোর অবস্থা কী?
মো. শাকিল রিজভী : আমি যতটুকু জানি মামলাগুলো বিচারাধীন। এর বাইরে আমার এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।
কালের কণ্ঠ : বাজারে যে ২৬ সরকারি কম্পানির শেয়ার আসার কথা ছিল সেগুলো কী অবস্থায় আছে?
মো. শাকিল রিজভী : আমি যতটুকু জানি অনেক কম্পানি এখন বাজারে আসার জন্য তৈরি হয়েছে। কাগজে-কলমে বাজারে আসার জন্য তারা প্রস্তুত। আমার ধারণা কম্পানিগুলো উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় আছে। সময় হলেই তারা বাজারে আসবে। প্রশ্ন উঠতে পারে উপযুক্ত সময়টা কখন? একটু লেনদেন প্রক্রিয়া ভালো হলে, বাজার একটু স্থিতিশীল হলে তারা বাজারে আসবে বলে আমার ধারণা। বাজারের এখন যে অস্থিরতা, এটা কেটে গেলেই হয়তো বাজারে আসবে তারা। এখন আবার প্রশ্ন উঠতে পারে, অস্থিরতা কাটবে কবে? হ্যাঁ, যদি দেখা যায় যে টার্নওভার বাড়ছে, ওঠানামা খুব বেশি করছে না_তাহলে বাজার স্থিতিশীল বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে।
কালের কণ্ঠ : সূচক নিয়ে কথা বলা যাক। সূচকের এই যে ওঠানামা, যখন স্বাভাবিকতাকে ছাড়িয়ে যায়, তখন সেটা রোধ করা যায় কিভাবে?
মো. শাকিল রিজভী : এই বাজারকে অন্য বাজারের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না। শেয়ারবাজার এত গতিশীল যে, কোনো জায়গায় স্থির করে রাখা যায় না। কারণ, শেয়ারবাজারের সঙ্গে অন্য অনেক কিছু জড়িত। যদি অন্য বিষয়গুলো জড়িত না থাকত, তাহলে হয়তো বলে দেওয়া যেত সূচক কত হতে পারে। সুদের হার পরিবর্তনের প্রভাব পড়বেই স্টক মার্কেটে। ক্যাপ উঠিয়ে দিলে এক রকম প্রভাব পড়বে, ক্যাপ দিয়ে দিলে তার প্রভাব ভিন্ন হবে। আমাদের বিকাশমান অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। তার প্রভাব শেয়ারবাজারে পড়বেই। অর্থনীতি যদি পরিবর্তনের মধ্যে থাকে, তাহলে শেয়ারবাজার কেমন করে স্থিতিশীল হবে? সার্বিক অর্থনীতির একটা প্রভাব আছে না? তিন মাস আগে ডলারের যে দাম ছিল, সেটা তো এখন নেই। বাজারদর কি এক সপ্তাহ আগের জায়গায় আছে? আপনি শেয়ারবাজারকে এর বাইরে রাখবেন কেমন করে? আরেকটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অনেকে বলে থাকেন, সূচকটা পাঁচ হাজার বা ছয় হাজারে তুলে রেখে দেন। এটা তুলে রাখার কোনো সেলফ নেই। এটা রাখার জিনিসও নয়। ইনডেঙ্ আসে শেয়ারের দাম থেকে। এখানে কারো কোনো হাত নেই। প্রত্যেকটি কম্পানির পারফরম্যান্স যদি ভালো হয়, ডিভিডেন্ট হয়, আস্থা আসে, তাহলে মানুষ ওই শেয়ারটা কিনবে। তাহলে ইনডেঙ্ উঠবে। কম্পানির লাভের দিকে দেখতে হবে। সেটার ওপর নির্ভর করছে ইনডেঙ্। আবার, যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকে, ডলারের দাম বাড়ে, বিদ্যুৎ না থাকে, যদি উৎপাদন বিঘি্নত হয়, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল না থাকে_এর প্রভাব তো কম্পানির লাভের ওপর পড়বে। লাভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়া মানে সূচক পড়বে। হ্যাঁ, না হয় বাড়িয়ে দিলাম সূচক। সেটা তো স্থিতিশীল হবে না। নিচের দিকে আসবেই।
কালের কণ্ঠ : লাভের জায়গাটি নিয়ে কথা বলা যাক। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, ষান্মাসিক রিপোর্ট, যেটা অডিট করা হয় না, সেখানে অনেক লুকোছাপা করা হয়। এটা নিয়ন্ত্রণের কোনো সুযোগ কি আছে?
মো. শাকিল রিজভী : এই রিপোর্টটা তো অডিট ছাড়াই করা হয়, কাজেই এককথায় নিয়ন্ত্রণের কোনো সুযোগ নেই। তবে বিনিয়োগকারীকে বিষয়টি নিজে থেকে বুঝে নিতে হবে। তবে বিনিয়োগকারীর চোখ এড়িয়ে যেতে পারে এমন অনেক বিষয় আছে, সেগুলো আমাদের করপোরেট বিভাগ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে। বিনিয়োগকারীকে অনেক কিছু জানতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে।
কালের কণ্ঠ : মূল্যসূচক নিয়ে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। এক সময় সার্কিট ব্রেকার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাজার চলে গেছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমন কেন ঘটল?
মো. শাকিল রিজভী : যখন বাজারে বিনিয়োগকারী বেড়েছে, নতুন কিছু লোক ঢুকেছে বাজারে, তখন তো সার্কিট ব্রেকার দিয়েও ঠেকানো যায়নি। এটা কিন্তু স্বাভাবিক প্রবণতা। আবার বাজার থেকে যখন বিনিয়োগকারীরা বেরিয়ে গেছে, তখনও ঠিক সেই একই অবস্থা ঘটেছে। বাজারের পতন যাতে সহনীয় হয়, তার চেষ্টা করা হয়েছে। সার্কিট ব্রেকার দিয়ে এসইসি চেষ্টা করেছে সহনীয় করতে। ভুল যে একটা হয়েছে, এটা মেনে নিতে হবে। যে পতন আমরা এখন দেখছি এটা দুই বা তিন মাসেই শেষ হয়ে যেত। এটা এখন এক বছর ধরে হচ্ছে। সার্কিট ব্রেকার না থাকলে এটা দুই মাসেই হয়ে যেত। তবে বাজার আবার আপন শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে। কারণ, ভালো ভালো অনেক কম্পানি আছে। কম্পানিগুলোর সম্পদ আছে, আয় আছে, লাভও আছে। ব্যাংক আছে, ইনস্যুরেন্স কম্পানি আছে। বাজার ঘুরবেই।
কালের কণ্ঠ : অনেকে বলে থাকেন ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী পথে বসেছেন। বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এই অভিযোগের জবাবে কী বলবেন?
মো. শাকিল রিজভী : হ্যাঁ, ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী আমাদের আছে। কিন্তু সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারী ৩৩ লাখ নয়। এর মধ্যে ১০ লাখ আইপিও করেন। তাঁরা কিন্তু সত্যিকার অর্থে লোকসান করেননি। তাঁরা এই বাজার থেকে লাভ করেছেন। ধরুন বাজারে একটা শেয়ার এলো। ১০ টাকার শেয়ার। ১০ টাকার শেয়ারে ১০ টাকা প্রিমিয়াম পেল সেই কম্পানি। এই ১০ টাকা প্রিমিয়াম পাওয়ার ব্যাপারটি এসইসির কাছে গ্রহণযোগ্য করতে হয়েছে। কিন্তু সেটা যখন সেকেন্ডারি মার্কেটে এলো, দাম হয়ে গেল ১৫০ টাকা। আমরা যারা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে এটা কিনছি, তাঁরা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই না করেই কিনছি। আমি মনে করি এসইসি যা প্রিমিয়াম দেবে তার চেয়ে সহনীয় ঊর্ধ্বমূল্যে কিনলে তবেই আমি নিরাপদ। ধরা গেল বাজার ঊর্ধ্বমুখী, ঠিক আছে, আমি সেটা ২৫ টাকা দিয়ে কিনব। কিন্তু কিনছি ১৫০ টাকা। এই যে বেড়ে গেল, এ ক্ষেত্রে লোকসানের সম্ভাবনা থেকেই যায়। ২০১০-এর শেষের দিকে যাঁরা সেকেন্ডারি মার্কেটে এসেছেন, তাঁরাই বেশি লোকসান করেছেন।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে একগুচ্ছ ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেগুলো কি কার্যকর হয়েছে। ২১ দফা ঘোষণার বাস্তবায়ন তো এসইসির দায়িত্ব। তারা কতটুকু করতে পেরেছে?
মো. শাকিল রিজভী : এসইসি অনেকগুলোই বাস্তবায়ন করেছে। কিছু প্রক্রিয়াধীন আছে। ব্যাংক ও ইনস্যুরেন্স কম্পানিগুলোর প্রণোদনা প্যাকেজ কী অবস্থায় আছে সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। কিছু আছে সংস্কারের ব্যাপার। এটা সহজ নয়। সংস্কারের সুফল একসময় পাওয়া যাবে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। স্টক মার্কেটের সংস্কার খুব কঠিন কাজ। এতে শুরুতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আমার ধারণা, বাজারে যাতে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেদিকে খেয়াল রেখেই সংস্কারের কাজ করছে এসইসি। এসইসি অনেক কাজই দৃঢ়তার সঙ্গে করেছে। অনেক সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে।
কালের কণ্ঠ : সব দুর্নীতি-অনিয়মের বৈধতা দিয়েছে এসইসি_তদন্ত কমিটির এমন মন্তব্যের জবাবে কী বলবেন?
মো. শাকিল রিজভী : বলার অপেক্ষা রাখে না, আগের এসইসির বেশ কিছু ভুল আছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসইসিতে পরিবর্তনও হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান, নতুন সদস্য দেওয়া হয়েছে। কিছু অনিয়ম হয়েছে বলেই আমি মনে করি। এসইসি সেগুলো ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। এটা আগের এসইসির ব্যর্থতা। আমার কাছে মনে হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকও আগের এসইসিকে ঠিকমতো সহযোগিতা করেনি। আগের এসইসি কিন্তু রেগুলেটর ব্যাংকের কাছ থেকে সে রকম সহযোগিতা পায়নি। দুই রেগুলেটরি সংস্থা একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যে কাজ করবে, সেটা দেখা যায়নি। আরেকটা বিষয় হচ্ছে অনিয়ম, দুর্নীতি। অনিয়ম, দুর্নীতি যে হয়েছে, এ ব্যাপারে আমি একমত। অনিয়ম, দুর্নীতি না হলে চোখের সামনে কেন ডাইরেক্ট লিস্টিং, বুক বিল্ডিংয়ের এই অরাজকতা চলবে? নিজের অনেক কাজ ফেলে রেখে অন্যদিকে বেশি নজর দিয়েছে এসইসি। মার্জিন রেশিও কমানো-বাড়ানো, এটা এসইসির কাজ নয়। এটা মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো করবে। এসব করতে যাওয়া ভুল ছিল। তবে সব দোষ আগের এসইসিকে না দিয়ে অন্যদিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। অন্যদেরও কিছু ভুল ছিল। এসইসির ওপরও কিছু রেগুলেটর হয়ে গিয়েছিল। সুপার রেগুলেটর সেজে বসার একটা প্রবণতা তখন দেখা গেছে। এটা কাঙ্ক্ষিত নয়। ভবিষ্যতেও এটা হলে সেটাও হবে দুঃখজনক। এসইসিকে শক্তিশালী করতে হবে। কমিশনকে কমিশনের মতো সম্মান দিতে হবে। কারো কোনো বক্তব্য থাকলে সেটা এসইসির মাধ্যমে দিতে হবে। এমন কোনো ঘোষণা কেউ দিতে পারবেন না, যেটা বাজারে প্রভাব ফেলবে। সবারই উচিত এসইসিকে সাপোর্ট দেওয়া। এসইসি যত শক্তিশালী হবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তত বাড়বে। আবার বেশি দামে শেয়ার কিনে এসইসিকে দোষ দেওয়াটাও ঠিক নয়। বিনিয়োগকারীদেরও সচেতন হতে হবে।
কালের কণ্ঠ : এসইসিকে আরো শক্তিশালী করার ব্যবস্থা কী হতে পারে?
মো. শাকিল রিজভী : এই দায়িত্বটা সরকারের। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দায়িত্বটা এসইসিকে দিয়ে দিতে হবে। সোজা কথা, অর্থ মন্ত্রণালয় বলে দেবে, আমাদের কাছে এসে কোনো লাভ নেই। শেয়ারবাজারের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত এসইসি নেবে। এসইসি শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক। সব সিদ্ধান্ত, দায়-দায়িত্ব এসইসির।
কালের কণ্ঠ : কারসাজিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভুয়া নাম, ভুতুড়ে অমনিবাস অ্যাকাউন্ট। এই ভুতুড়ে অ্যাকাউন্টধারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা কি নেওয়া গেছে?
মো. শাকিল রিজভী : ভুতুড়ে অমনিবাস অ্যাকাউন্টধারীদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না সেটা আমার জানা নেই। এমন কোনো অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও আমার ধারণা নেই। যদি এমন অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, সেটা শক্ত হাতে দেখা উচিত।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এখন কী অবস্থায় আছে? মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে বিনিয়োগ করেছিল সেগুলোর এখন কী অবস্থা? ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে কিছু ফান্ড আসার কথা ছিল। সেগুলোর কী অবস্থায় আছে?
মো. শাকিল রিজভী : প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আছে। একসময় একসঙ্গে যেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ঢুকেছিল, সেভাবে নতুন কেউ ঢুকছে না। এখন যাদের কাছে শেয়ার আছে, তাদেরও বোধ হয় বেশি দামে কেনা আছে। ব্যাংকগুলো দুই বছরে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার মতো এই বাজার থেকে লাভ করেছে বলে শোনা যায়। সেটা তারা নিয়ে গেছে। তাদের অংশগ্রহণ এখন আর তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। অংশগ্রহণ সক্রিয় নয়। এখন নিয়ন্ত্রণ অনেক কঠিন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগে জোর করারও সুযোগ বোধ হয় নেই। প্রণোদনা প্যাকেজে ব্যাংকগুলো অনেক সুযোগ নিয়েছিল। যারা লাভ করেছে, নৈতিক কারণেই তাদের কিছু দায়িত্ব কিন্তু থেকেই যায়। কারণ একদিকে যেমন ব্যাংকগুলো নিজের পোর্টফোলিও থেকে লাভ করেছে, অন্যদিকে ব্যাংকের পরিচালকরাও ভালো টাকা তুলে নিয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে এত বেশি চলে গেছে যে তাতে একধরনের অসাম্য দেখা দিয়েছে। ব্যাংকগুলো তখন সত্যিকার অর্থে অসুবিধায় ছিল। ওই সময়ে ছাড় না নিলে অসুবিধায় পড়ত। কিন্তু কমিটমেন্ট করে সেটা কতটুকু রক্ষা করা হয়েছে, তা এখন বিবেচনা করতে হবে। কমিটমেন্ট রক্ষিত না হলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বেই। বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। তবে ব্যাংকগুলোর উচিত কমিটমেন্ট রাখা। আমি আশাবাদী, তারা কমিটমেন্ট রক্ষা করবে। দৃশ্যমান কিছু দেখানো গেলে বাজারের আস্থা ফিরে আসবে।
কালের কণ্ঠ : কম্পানিগুলোর এজিএম, লভ্যাংশ ঘোষণা ইত্যাদি বিষয়ে কি যথার্থ মনিটরিং হয়েছে?
মো. শাকিল রিজভী : ২০১০ সালে অনেকগুলো মনিটরিং করে এসইসিকে দেওয়া হয়েছিল। এসইসি তখন কতটুকু সতর্কতার সঙ্গে কাজ করেছে সেটা দেখার ব্যাপার। হয়তো কিছু কম্পানি জালিয়াতি করতে পারে। অনেকেই তো ডিভিডেন্ট দেয়। অনেকে আবার শেয়ারবাজারের নিয়মকানুন জানেই না। এগুলো তাদের জানানো উচিত। তবে মনিটরিং হওয়া উচিত। শক্তভাবে দেখা উচিত। আবার কম্পানি যদি সত্যিকার অর্থে লোকসান করে সেটা শেয়ারহোল্ডারদের মানতে হবে। অনিয়ম যদি থাকে সেটা যেমন দেখতে হবে, তেমনি বিনিয়োগকারী হিসেবে লাভ-লোকসানও বিনিয়োগকারীদের দেখতে হবে। তবে কেউ বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখতে পারবেন না। তথ্য সঠিকভাবে দেওয়াটা জরুরি। ভুল তথ্য দিয়ে বিনিয়োগকারীকে বিভ্রান্ত করা বা প্রলুব্ধ করা যাবে না। এটা আইনের লঙ্ঘন।
কালের কণ্ঠ : শেয়ারবাজারে দরপতনের নেপথ্য কারণ হিসেবে অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করে থাকেন। আপনার মত কী?
মো. শাকিল রিজভী : সুদের হার কমালে তার প্রতিক্রিয়া কী হবে বা হতে পারে, এ নিয়ে কোনো দূরদর্শী চিন্তাভাবনা ছিল না। কিছু বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের আগেই দেখা উচিত ছিল। নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না সেটা দেখা উচিত ছিল। সচেতন করা উচিত ছিল। রেগুলেটর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কালের কণ্ঠ : বিভিন্ন কম্পানির পরিচালকদের শেয়ার কেনার কথা ছিল। সময়টা কেন ছয় মাস করা হলো? পরিচালকদের শেয়ার কেনার সুযোগ তৈরির জন্যই বাজারে দরপতন ঘটানো হচ্ছে_এ অভিযোগের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?
মো. শাকিল রিজভী : এটা আগের আইনে ছিল না। প্রত্যিটি কম্পানির একটা আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডাম আছে। সেখানে বলা আছে, পরিচালকদের কতটা শেয়ার কিনতে হবে। আগের শেয়ার নিয়মের মধ্যেই আছে। এখন নতুন এসইসি একটা সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এখন তো একটা সুযোগ দিতে হবে। সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলেই চলবে না। আমার মনে হয় ছয় মাস সময় খুব বেশি সময় না। পরিবর্তন করলেই তো হলো না। টাকার ব্যবস্থা তো করতে হবে। অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণও কিন্তু বাজারের জন্য ভালো নয়। ছয় মাস যৌক্তিক সময় বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে।
কালের কণ্ঠ : আপনার কি মনে হয় এই বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে? বিকল্প কর্মসংস্থানের একটি জায়গা হবে? কেমন করে সেটা সম্ভব? সূচক ৮০০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল একসময়। এখন গড়ে ৪২০০। ঘুরে দাঁড়ানো বলতে অনেকে ৮০০০ পয়েন্টে পেঁৗছানোকে বোঝেন। আপনার কী মত?
মো. শাকিল রিজভী : আগেই বলেছি এই বাজার গতিশীল। ওঠানামার ভেতর দিয়ে নতুন বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করবে। ফ্রেশ বিনিয়োগকারী তো আসবেই বাজারে। এখন বাজারের পিই রেশিও ১১। বলা যায় এটা সহনীয়। এটা যদি ২০ থাকত, তাহলে বলা যেত সংশোধনের সময় এসেছে। আমি মনে করি নতুন বিনিয়োগকারী এলেই বাজার ভালো হবে। ঘুরে দাঁড়াবে। ব্যাংকে টাকা রাখার চেয়ে বাজার নিরাপদ হলেই বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করা যাবে। প্রতিদিনের বেচাকেনার লোক নয়, বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন সত্যিকার অর্থে বিনিয়োগকারী। শেয়ার ধরে রাখার মতো বিনিয়োগকারী দরকার। তবে এ বাজারে ঝুঁকি কিন্তু সব সময় থাকে। তবে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে পিই রেশিও অনুযায়ী এটাই বিনিয়োগের উৎকৃষ্ট সময়।
কালের কণ্ঠ : সব সময় দেখা গেছে, পুঁজিবাজারের সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, অর্থ মন্ত্রণালয়কে দায়ী করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। এটা কতটা যৌক্তিক? পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক এসইসিকে কি ইচ্ছে করেই আড়াল করা হচ্ছে?
মো. শাকিল রিজভী : কথায় কথায় পদত্যাগের দাবি তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। পলিসিগত কারণে কোনো সমস্যা হলে তার সমালোচনা করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে সমালোচনা করতে হবে। তবে বিনিয়োগকারীকে সচেতন হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। অধিক দামে শেয়ার কিনে সেটা বিক্রি করতে না পারলে কাউকে দায়ী করা যাবে না। এটাকে আপনার কর্মসংস্থানের জায়গা ভাবার কোনো কারণ নেই। এখানে বিনিয়োগ করতে হবে উদ্বৃত্ত অলস টাকা। হ্যাঁ, বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা দায়িত্ব তো আছেই। পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এসইসির সঙ্গে বসা উচিত। প্রতিক্রিয়া নিয়ে অন্তত ভাবা উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংক সিকিউরিটিজ উইং করতে পারে। হ্যাঁ, স্টক মার্কেট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব চিন্তা থাকতে পারে। সেটা আগেই জনসমক্ষে চলে আসা উচিত নয়। একটা সমন্বয় থাকা উচিত। এখানে ঘাটতি থাকা উচিত নয়। গোপনীয়তা রক্ষা করা উচিত। সিদ্ধান্ত দেবে এসইসি। অন্য কেউ নয়। সবার চিন্তা এসইসির কাছ থেকে যাবে।
কালের কণ্ঠ : যেকোনো বিনিয়োগ সংরক্ষণের প্রাথমিক দায়িত্ব বিনিয়োগকারীর নিজের। শেয়ারবাজারের ক্ষেত্রে কি এর ব্যত্যয় ঘটেছে?
মো. শাকিল রিজভী : এখানে আমাদেরও কিছু ঘাটতি আছে। মার্কেটের ব্যাপারে যথাযথ উপদেশ বা পরামর্শ দেওয়ার কেউ নেই। বিদেশে উপদেশ দেওয়ার জন্য অ্যাডভাইজরি সার্ভিস আছে। আমাদের দেশে নেই। বিনিয়োগকারীকে তাই নিজেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে কিছু বিশেষজ্ঞ তৈরি করা দরকার। আমাদের বন্ড মার্কেট সক্রিয় নয়। আইন থাকলেও এখানে মার্কেট মেকার নেই। ফলে বিনিয়োগকারী অনেক ক্ষেত্রে নিজেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : পুঁজিবাজার পরিচালনাকারী ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো কি যথাযথ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন আপনি?
মো. শাকিল রিজভী : স্টক এক্সচেঞ্জের দায়িত্ব বেচাকেনা দেখা। সেটা নিশ্চিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। দাম কী হবে সেটা বাজারের ওপর নির্ভর করে। স্টক এক্সচেঞ্জ তার কাজ ঠিকমতোই করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জ সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিতে পারে। কিছু কার্যক্রম চলছে। স্টক এক্সচেঞ্জের একটা ট্রেনিং একাডেমী আছে। সেটা সক্রিয়। সরকার পিপিপির আওতায় একটি ট্রেনিং একাডেমী করেছে। সব মিলিয়ে যথাযথ ভূমিকা পালিত হচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসইসি, ভারতে সেবি (ঝঊইও) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীকে মাথা ঘামাতে হয় না। এখানে ভিন্ন চিত্র কেন?
মো. শাকিল রিজভী : উন্নত বিশ্বে সরকারের নীতিনির্ধারকরা স্টক মার্কেট নিয়ে মাথা ঘামাতে যান না। এটা তাঁদের কাজও না। উন্নত বিশ্বে এসইসি বা সেবি স্বাধীন। সেখানেও কিন্তু শেয়ারের দাম ওঠানামা করে। দামের ব্যাপারে এসইসির কিছু করার নেই। এসইসির দায়িত্ব অনিয়ম দেখা। এসইসি শক্তিশালী হলে অনেক সমস্যা চলে যাবে। বাজারের অনিয়ম এসইসি দেখবে। এখানে ভিন্ন চিত্র যদি থেকেই থাকে, সেটা পাল্টাতে হবে।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে ধন্যবাদ।
মো. শাকিল রিজভী : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 20
(141)
- নদী-বুড়িগঙ্গা টেমস হলো না কেন? by আইরিন সুলতানা
- পর্যালোচনা-ফিরে দেখা তিন বছর by মাহবুবা নাসরীন
- গণিতের জন্য... by এম শামসুর রহমান
- প্রাথমিক শিক্ষা-কতজন ঝরে পড়ছে by মাহফুজুর রহমান মানিক
- সমসময়-তত্ত্বাবধায়ক :সাবেক রায় বহাল হোক by আতাউস সামাদ
- চার চিকিৎসক বরখাস্ত-অনুপস্থিতদের জন্য সতর্কবার্তা
- নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন-সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করুন
- সংবাদ বিশ্লেষণ-মালয়েশিয়ার প্রস্তাব আর্থিক দায় বাড়া...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভ...
- আন্তমন্ত্রণালয় সভা-মালয়েশিয়ার শর্ত সংশোধন করতে আলোচনা
- ১২ মার্চ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ-দুই দলেরই মাঠে থাকার...
- ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান-শতাধিক পরিচালকের ...
- বিস্মিত পিটারসেনও
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি ও সবচেয়...
- শীর্ষ তিনে খুলনাও by তারেক মাহমুদ
- আমার খুব আপন মানুষ আমাকে পিঠ দেখাচ্ছে, এটা থেকে আম...
- ইলিয়ভস্কি ফুটবলকে ঠকিয়ে গেছেন: বিপ্লব
- ঈশ্বরগঞ্জের মৃৎশিল্প বিপর্যয়ের মুখে by সোহরাব পাশা
- এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন-অসামঞ্জস্য দূর করা হোক
- ছয় জাতির জোটে বাংলাদেশ-বিপর্যয় রোধে আন্তর্জাতিক সহ...
- মেলার সমাপনীতে শিল্পমন্ত্রী-এ সরকারের মেয়াদেই প্লা...
- মূল্যসূচক নিম্নমুখী কমেছে লেনদেন
- নভো নরডিস্কের ভিকটোজা এখন বাংলাদেশের বাজারে
- টাকা নেই, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আটকে পড়েছে
- আর নয় একা
- আল-কায়েদার হাতে যেতে পারে গাদ্দাফির অস্ত্রভান্ডার!
- সিরিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ীর মন্তব্য-অবরোধে পঙ্গুত্বের ...
- না খেয়ে তুষারাচ্ছাদিত গাড়িতে দুই মাস!
- পাবনায় ৪৫ অবৈধ ইটভাটা
- এটাই সাঁওতালদের সবচেয়ে বড় উত্সব-সাঁওতাল গ্রামগুলোত...
- ৫৯ বছর পর...
- গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন
- তক্ষক বেচাকেনার অভিযোগে ছয়জনের কারাদণ্ড
- মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনার ঘিরে নিরাপত্তাবলয়
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্র...
- বিশ্ব বাঙালি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী-যুদ্ধাপরাধীদের...
- কাল ঢাকা ও চট্টগ্রামে বর্ণমেলা
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-ভারতে সব চ্যানেলই ...
- সংস্কৃতি-বিশ্ব সংস্কৃতি সম্মেলন ফলপ্রসূ হবে তো? by...
- ঋণসংকট-ইউরোপজুড়ে গণ-অসন্তোষ by পিটার কাস্টার্স
- যুক্তি তর্ক গল্প-ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গভীরতা ও ...
- আগে কিছু বিষয় নিশ্চিত করা জরুরি-বাধ্যতামূলক জাতীয় ...
- সব কাজে চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি-অর্থমন্ত্রীর স্বীক...
- চারদিক-সীমান্তের শেষ গাছ
- গণমাধ্যম-সাংস্কৃতিক যোগাযোগ by উম্মে মুসলিমা
- সুশাসন-মূল জায়গায় হাত দিতে হবে by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- চিকি ৎ সা-এটি একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখা by আশীষ কুম...
- দূরদেশ-নয়-এগারোর দশক: আত্মজিজ্ঞাসার সময় এখন by আলী...
- ১১ সেপ্টেম্বর হামলা-যে অংশীদারি আমাদের প্রয়োজন by ...
- এমন জনপ্রতিনিধি লইয়া জনগণ কী করিবে!’-জনগণের, না নি...
- মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অনুসমর্থন অপরিহার্য-সীমান্ত ...
- গন্তব্য ঢাকা-পরিবারের হাসিই তাঁর সবকিছু
- গ্যাস কেলেঙ্কারি-কানাডায় দণ্ডিত নাইকো, পেছনের কথা ...
- প্রযুক্তি বাজার-দ্রুত বড় হও, নইলে দ্রুত মারা যাও b...
- বিশেষ সাক্ষা ৎ কার-বাংলাদেশের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ by ...
- বিশেষ সাক্ষা ৎ কার-আমরা চাই সব বাধা উঠে যাক by মান...
- যেখানে চিকি ৎ সা প্রশাসনেরই চিকি ৎ সা দরকার-মেয়াদো...
- দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করুন-পুলিশের গাফিলতি
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে যিরার স্থ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মো. শাকিল রিজভী-শেয়ারবাজার আপন ...
- চরাচর-পর্যটনের বাংলাদেশ by আফতাব চৌধুরী
- আমাদের সব মাতৃভাষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে হবে by সৈ...
- পদ্মা সেতু দেশীয় অর্থায়নেও নির্মাণ করা সম্ভব by মো...
- নিত্যজাতম্-ঘর ভাগ করলে সে ঘর থাকে না by মহসীন হাবিব
- ভিন্নমত-সভরিন বন্ড ইস্যু করা এত সহজ হবে না by আবু ...
- বস্ত্র ও পোশাক খাত-শিল্পের প্রসারে দিতে হবে প্রণোদনা
- বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষনিধন-শুধু রোপণ নয়, রক্ষাও করতে হবে
- স্মরণ-গাজীউল হক by কাইউম পারভেজ
- আলোকের এই ধরনাধারায় (পর্ব-২৯)-হুইসেল দিয়ে ট্রেন চল...
- শেকড়ের ডাক-বড় বাজেট কি পারবে শিক্ষার ঐতিহ্য ফেরাতে...
- মৃদুকন্ঠ-গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র ও কল্যাণতন্ত্র by খোন্...
- 'শত্রু সম্পত্তি' আইন-মৃত আইনকে কেন ধরে রাখার চেষ্টা
- ঘুষ-দুর্নীতির শিক্ষা ভবন-দূর করতে হবে এই অনাচার
- পবিত্র কোরআনের আলো-এতিম মেয়েদের ন্যায্য অধিকার প্র...
- ই-ভোটিং : বিভ্রান্তি দূর করতে নির্বাচন কমিশনের উদ্...
- চালচিত্র-বিকল্পের সন্ধান ও হরতালের সাতকাহন by শুভ ...
- স্মরণ-আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় : জীবন ও কর্ম by ...
- রেহনুমা আহমেদের রক্ত রাজপথে by লুৎফর রহমান রনো
- সামাজিক অনাচার, শিক্ষাব্যবস্থা ও পারিবারিক বন্ধন b...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বিলকিস নাসিরউদ্দিনের প্রতি শ্রদ্ধা
- খোলা চোখে-ওবামা: এক দফার প্রেসিডেন্ট? by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-ইসলাম সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না by মু...
- আশা হারাইনি এখনো কাজ বাকি by আইনুন নিশাত
- ভারত অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে by মাহফুজ আনাম
- বিএনপির উচিত তার অবস্থান পরিষ্কার করা-খালেদার ইতিব...
- সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা চাই-অভিজ্ঞতা থেকে শি...
- সাদাকালো-তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংঘাতের অশুভ সূচন...
- রাঙামাটির ১০ নারীনেত্রী অপহৃত-অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির...
- এ কোন বর্বরতা!-দৃষ্টান্তমূলক, কঠোর শাস্তি হোক পাষণ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-বেহেশতপ্রাপ্তি খেয়াল-খুশির ব্যা...
- যেখানে আমাদের আশা-ভরসা by সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
- রস+আলো সম্পর্কে বিখ্যাতদের অভিযোগ
- দুই শ কিংবা দুই সতিন by রাজীব হাসান
- ইন্টারনেটে বিয়েতে প্রেম কতটা টেকসই? by আব্দুল কাইয়ুম
- অপ্রকাশিত বইগুলো
- জনস্বার্থে গ্যাস-কয়লা রপ্তানি নিষিদ্ধ আইন দরকার by...
- চরাচর-শোভা বাড়াত যে বড়শি by সাইফুল ইসলাম
- গেরিলা : চলচ্চিত্রে মহাকাব্য by হরিপদ দত্ত
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দুঃখগাথা by ড. তুহিন...
- রজার কোয়েন-পরমাণুবিহীন ইরান
- সময়ের প্রতিধ্বনি-তার পরও আলোচনার কোনো বিকল্প নেই b...
- রাজধানীতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন-ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ক...
- হরতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত-শাসনের আইন নয়, আইনের শাসন ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহর বদলে যারা শয়তানকে অভিভা...
- দূরের দূরবীনে-শক্তি নয় আদর্শ : তারই পানে প্রাণ মেল...
- সংশোধিত বাজেটে মঙ্গা দূর করার পরিকল্পনা চাই by এস ...
- জ্বালানি খাত-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রে অর্থায়ন b...
- সৌরবিদ্যুৎ-আঁধার থেকে আলোর পথে by এম ফাওজুল কবির খান
- পাকিস্তান-বাড়াবাড়ি ও ভুল হিসাব by নাজাম শেঠি
- জনপ্রশাসন-সাম্প্রতিক পদোন্নতি হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্...
- দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে-বিদেশে নতুন শ্র...
- খসড়ার ভিত্তিতেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হতে হবে-...
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-আশা করব, সব এমপির টনক নড়বে
- 'বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত' by মোঃ ইমাম হোসেন
- কণ্ঠস্বর-উইকিলিকস ও বাংলাদেশের রাজনীতি by রাহাত খান
- সিরাজগঞ্জের সেতুতে ত্রুটি-সেই একই ট্রাডিশন...
- গ্যাসের নতুন মজুদ-স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাসের নাম রশিদপুর
- সেই সময়ের নায়কদের জন্য by আসিফ আহমেদ
- আদিবাসী-নিজের ভাষা কেন খুন হয়ে যায়? by পাভেল পার্থ
- বহে কাল নিরবধি-প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের উদ্বেগ ও মা...
- চরাচর-মাগুরছড়া বিপর্যয়ের ১৪ বছর by দীপংকর ভট্টাচার...
- হাজরা মুমতাজ-সেই শাসকদের সঙ্গে পার্থক্য কী
- কল্পকথার গল্প-মন যখন পরশ্রীকাতর by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা-আমার বন্ধু ড. জেকিল-চরিত্রে আর ফির...
- প্রেরণা ভাষা ও সাহিত্য by হারুনুর রশিদ শাহীন
- স্বদেশ ভাবনা-শেয়ার-সীমান্ত-যোগাযোগ এবং আমাদের দায়ভ...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-দেশ চলবে কার কথায়? by আবু সাঈদ খান
-
▼
Feb 20
(141)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment