Saturday, May 12, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: আমাদের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন। কেউ কেউ বলছেন, আরও আগেই যাওয়া উচিত ছিল। স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়নি চীন। কিন্তু কূটনৈতিক ক্ষেত্রে স্থায়ী শত্রু-মিত্র বলে কিছু নেই।
১৯৭৫ সালের পর থেকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হতে থাকে। ১৯৭৭ সালে চীনের আমন্ত্রণে তত্কালীন সামরিক প্রশাসক জিয়াউর রহমান দেশটি সফর করেন। তখনই দুই দেশ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কারিগরি বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে। ১৯৭৮ সালের মার্চ মাসে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি জিয়ানিয়ান বাংলাদেশ সফর করেন। চীনের কোনো নেতার ওটাই ছিল প্রথম বাংলাদেশ সফর। তখন দুই দেশের মধ্যে আরও কিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবার চীন সফর করেন। পরবর্তীকালে জেনারেল এরশাদও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর বেশ জোর দেন। তিনি তাঁর নয় বছরের শাসনকালে পাঁচবার চীন সফর করেন। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর চীন সফর করেন। মোটের ওপর চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালোই এগিয়েছে। অবশ্য কিছু কারণে সামান্য মনোমালিন্যও হয়েছে। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৫ সালে তাইওয়ানকে বাংলাদেশে বাণিজ্য মিশন খোলার অনুমতি দিলে চীন ক্ষুব্ধ হয়। চীনের সঙ্গে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডেপ-১) সার প্রকল্প বাতিল করা এবং জাপানের সঙ্গে চুক্তি করার কারণেও চীন নাখোশ হয়।
গত বছর জুলাই মাসে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ২৮টি প্রকল্পের প্রস্তাব তুলে ধরে। চীন মাত্র পাঁচটিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর চীন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক চীন খুব ভালো চোখে দেখবে না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতকে বাংলাদেশের সমর্থন চীন খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না। আঞ্চলিক কর্তৃত্ব নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে। ভারতের সঙ্গে চীনের অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চীনসহ সীমান্ত-বিরোধ আছে। তিব্বতের দালাই লামাকে ভারতে আশ্রয়দানও চীনের অস্বস্তির একটি কারণ।
শুধু ভূখণ্ডগত নিরাপত্তা নয়, পানি, খাদ্য, জ্বালানি ও পরিবেশগত নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশকে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলতে হবে। ভারতকে কোনোভাবেই এড়ানো যাবে না, আবার চীনকেও অবহেলা করা যাবে না। বৈশ্বিক রাজনীতিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন একসময় যে ভূমিকা রেখেছিল, চীন এখন অনেকটা সে রকম ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চীনের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এ সময় চীন সফর খুবই প্রয়োজন ছিল।
পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে বন্দরসুবিধা স্থাপন এবং নেপাল ও তিব্বতের লাসার সঙ্গে সড়কপথ তৈরির পরিকল্পনা করছে চীন। মিয়ানমারের নৌঘাঁটিতে চীনের অবাধ প্রবেশ রয়েছে, তার একটি মনিটরিং স্টেশন রয়েছে কোকো দ্বীপে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। অবশ্য দুই দেশের বাণিজ্যঘাটতি ব্যাপক। বাণিজ্যঘাটতি কমানোর জন্য চীন বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সাহায্য বাড়িয়েছে। এশিয়া প্যাসিফিক মুক্তবাজার অর্থনৈতিক চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ চীনে ৯৮.৮ বিলিয়ন ডলারের মালামাল রপ্তানি করেছে এবং ৮৪টি মালের ওপর ট্যারিফ বাধা সরিয়ে নিয়েছে। ২০০৭ সালে চীনের সহকারী বাণিজ্যমন্ত্রী ৩৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন, যাঁরা উচ্চপর্যায়ের ক্রেতা। চীনের ৫০০টি বড় কোম্পানির ১০টি থেকে প্রতিনিধিরা এসেছিলেন এবং তাঁরা ৫০ মিলিয়ন ডলারের মালামাল ক্রয় করেছিলেন। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের এই সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই ভারত মেনে নিতে পারে না। তার পরও আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। গভীর বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনদের পরামর্শ নিতে হবে।
আমরা আশা করব, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। এ সফর যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে এবং প্রাপ্তির চেয়ে প্রচার যেন বেশি না হয়।
মুহম্মদ মাছুম বিল্লাহ
মহাখালী, ঢাকা।
পিতৃত্ব ছুটির বিধান চাই
পরিবারে মায়ের ভূমিকা যেমন মুখ্য তেমনি বাবার ভূমিকাও ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কিন্তু এদেশের কর্মক্ষেত্রে মাতৃত্ব ছুটি প্রচলন থাকলেও পিতৃত্ব ছুটির চল নেই। আফ্রিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা নামে পিতৃত্ব ছুটি স্বীকৃত। কোথাও প্যারেন্টাল ছুটি নামে, কোথাও পিতৃত্ব ছুটি হিসেবে। প্যারেন্টাল অর্থাত্ পিতৃত্ব-মাতৃত্ব ছুটি কানাডায় দশ সপ্তাহ থেকে পনের সপ্তাহ, যা পিতামাতা সুবিধাজনকভাবে নবজাতকের পরিচর্যার জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ভোগ করে। ব্রাজিলে পিতৃত্ব ছুটি পাঁচ দিন, কলোম্বিয়ায় চার থেকে আট দিন। গুয়াতেমালা ও প্যারাগুয়েতে দ’ুদিন। সুইডেনে প্রতিটি শিশুর জন্য সরকার ষোল মাস প্যারেন্টাল ছুটি অনুমোদন করেছে যা সন্তানের পিতামাতা সুবিধাজনকভাবে ভাগ করে নিতে পারে। যুক্তরাজ্যে পিতৃত্বছুটি বেতনসহ দুই সপ্তাহ, বেলজিয়ামে দশ দিন। ফ্রান্সে এ ছুটি তিন দিন, তবে প্রয়োজনে অতিরিক্ত এগার দিন পাওয়ার বিধান আছে। হাঙ্গেরিতে পাঁচ দিন, ইতালিতে তের সপ্তাহ। জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ছুটি চার সপ্তাহ। এমনকি আমাদের পাশের দেশ মিয়ানমারেও ছয় দিন পিতৃত্ব ছুটির বিধান আছে।
পিতৃত্ব ছুটির লক্ষ্য শুধু নবজাতক শিশুর মাকে হাসপাতাল থেকে প্রত্যাবর্তনের পর সাম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদানই এর বড় লক্ষ্য। শিশুর পরিচর্যায় পারস্পরিক অংশিদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশুর বাবার জন্য এ ছুটির লক্ষ্য হচ্ছে মায়ের বিশ্রাম নিশ্চিত করা। পিতৃত্ব ছুটি পারিবারিক জীবনে জেন্ডার বৈষম্য দূর করে শ্রম বাজারে জেন্ডার সমতার সুফল বয়ে আনতে পারে।
এক সময় অভিভাবকেরা নবজাতকসহ আমাদের দেখা শুনা করেছেন। এখন আগের মতো একান্নবর্তী পরিবারের সংখ্যা করে আসছে। তাছাড়া বেশির ভাগ অভিভাবকই কাজে ব্যস্ত থাকেন। একমাত্র পিতৃত্ব ছুটিই পারে অভিভাবকদের অভাব দূর করে নবজাতকের মাকে নিশ্চিন্ত বিশ্রাম উপভোগের সুযোগ করে দিতে। এখন সময় হয়েছে বাংলাদেশে পিতৃত্ব ছুটি চালু করার সময় হয়েছে। আশা করি সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন।
সালমা নাসরীন, ঢাকা।
ডিজিটাল বাংলাদেশ কী করে হবে
সরকার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: প্ল্যান অব কানেকটিং পিপল’ ধারণাপত্র প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নের মধ্যে এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদকে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে। লক্ষ্য প্রশাসনের তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুতগতির ইন্টরনেট ও টেলিযোগাযোগ-সুবিধা বিস্তৃত করা। এ ছাড়াও ইতিমধ্যে ই-হেলথ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে কম্পিউটার, ইন্টানেট সংযোগ ও ওয়েবক্যাম পাঠানো হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আরও নানান পদক্ষেপের কথা বলা হচ্ছে। সরকারের এসব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে উৎসাহব্যঞ্জক। তবে জনগণের বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে এসব পরিকল্পনা কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়েও একটু ভাবা প্রয়োজন।
প্রথমত, এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদকে অপটিক্যাল ফাইবারের আওতায় আনা কতটা জরুরি—যখন রাজধানীসহ সব বড় শহরেই স্বল্পমূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুবিধা অপর্যাপ্ত। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ওয়েবসাইট দেখলেই বোঝা যায় ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র। ইউনিয়ন পরিষদ এ ক্ষেত্রে কতটা দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে? দ্বিতীয়ত, যাদের জন্য এসব উদ্যোগ, তারা কতটা প্রস্তুত? এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুর্নীতির কথাও বাদ দেওয়া যায় না। সরকার বিদ্যুত্-সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উত্পাদনের সামর্থ্য বিবেচনা না করেই বহু নতুন এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছিল। এ কারণে তীব্র বিদ্যুত্ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যা আজও বর্তমান। আসলে বিদ্যুত্-সংযোগের পেছনে ছিল ব্যবসা। অনেক লোক হঠাত্ খাম্বা (বিদ্যুতের খুঁটি) বানিয়ে নিজেরাই খাম্বার চেয়ে বড় হয়ে গিয়েছিলেন। সময়ের আবর্তনে তাঁরা এখন কঠিন সত্যের মুখোমুখি। ডিজিটাল প্রকল্পের পেছনেও এ রকম সরকারি অর্থের অপচয় যে হবে না তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।
দেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে অগ্রসর হোক সঠিক সুচিন্তিত পদক্ষেপের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমত, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে উচ্চগতির ইন্টানেটের সংযোগ দেওয়া। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের খরচে তা করতে পারে, তাদের সে সামর্থ্য আছে। দ্বিতীয়ত, ঢাকার বাইরে বিশেষ প্রযুক্তিশহর গড়ে তোলা। এসব প্রযুক্তিশহর আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। তৃতীয়ত, প্রযুক্তির ওপর শুল্ক হ্রাস করা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ পদ্ধতিতে এগোনো বেশি ভালো।
সরকারি দল তার নেতা-কর্মীদের মূল্যায়নেও ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারে। যেমন, শত শত তোরণ, সোনা-রুপার উপহার নয়—নিজ এলাকায় তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ এবং ব্যবহারিক ক্ষেত্রে কে কতটা ভূমিকা রাখবে—পদ-পদবি ও মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সেটাই বিবেচনা করে দেখা হবে। তাহলে হয়তোবা অলিতে-গলিতে তোরণ আর ডিজিটাল ব্যানারে শুভেচ্ছাবার্তার বদলে তথ্যপ্রযুক্তির প্রকৃত সুবিধা ভোগ করা যাবে। আমরা ডিজিটাল মোহের মধ্যে থাকতে চাই না, চাই না শুধু ডিজিটাল ব্যানারের বাংলাদেশ—চাই তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ স্বাবলম্বী বাংলাদেশ।
মো. আজহারুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
যানবাহনের সংখ্যা কমান
ঢাকার যানজট কমাতে এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
১. একনাগাড়ে পাঁচ বছর নিয়মিত আয়কর পরিশোধ না করলে কেউ গাড়ি কিনতে পারবে না।
২. সিএনজির মূল্য বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে হবে। সিএনজির দাম খুব কম হওয়ায় যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে। তা ছাড়া একদিকে গ্যাসের অভাবে কলকারখানায় উত্পাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্য দিকে প্রায় পানির দামে সিএনজি বিক্রি হচ্ছে। এটা কি অর্থনৈতিক বিবেচনায় যুক্তিসংগত?
৫. তিন বছর নতুন সিএনজি স্টেশন স্থাপন বন্ধ রাখা উচিত। ঢাকার বাইরে একই এলাকায় প্রচুরসংখ্যক সিএনজি স্টেশন না রেখে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিলে যানজট কমবে। ৬. ব্যাংকগুলো আয়কর বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাড়ির কেনার জন্য লোন দিতে পারবে না।
এই কাজগুলো করলে আমার ধারণা ঢাকার রাস্তায় যানজট কমবে এবং শ্রম-নিবিড় কলকারখানাগুলো বন্ধের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
আসলাম পারভেজ
মিরপুর, ঢাকা।
রাজনীতিতে সমঝোতা কি সম্ভব
প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘রাজনীতিতে সমঝোতা কি আদৌ সম্ভব?’ লেখায় আনিসুল হক মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার মূল সমস্যাগুলো আগে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। দেশের বড় দুটি দলই তাদের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই সর্বপ্রথম তাদের নিজেদের সংশোধান করে নিতে হবে।
এক. বিএনপিকে জামায়াতের কবল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না এবং ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এ কথা বলে তাদের বিস্তারের সুযোগ দেওয়া চলবে না; উভয় দল মিলে এদের দমন করতে হবে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডসহ সব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যুতে উভয় দলকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে। নিজের দলের কেউ অভিযুক্ত হলেও তার পক্ষ নেওয়া যাবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ শুধু ভোটের রাজনীতির জন্য স্বৈরাচারী এরশাদের জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়েছে। তাদের এ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
দুই. যাঁর যতটুকু সম্মান ও মর্যাদা, তাঁকে তা দিতে হবে। ইতিহাস কখনোই মুছে ফেলা যাবে না। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমান দুজনেরই স্থান রয়েছে। যাঁর জায়গায় তাঁকে রাখতে হবে। হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাগ করতে হবে। রাজনীতিবিদেরা নিজেরা শিক্ষা গ্রহণের চেয়ে অন্যকে শিক্ষা দিতে বেশি আগ্রহী। এক দল ক্ষমতায় গেলে অন্য দলের প্রয়াত নেতার নাম মুছে ফেলা জনগণ মোটেও ভালোভাবে গ্রহণ করে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দ্বারা উভয় দলের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়।
তিন. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে হবে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকবে, তখন সেই দলের অনুগতরা সব রকম সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে, আর অন্য দলের হলে বঞ্চিত হবে—এই সংস্কৃতি বন্ধ করে সব ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দলীয় লোকদের দখলবাজি, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি বরদাশত করা চলবে না।
চার. শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করার মানসিকতা ছাড়তে হবে। উভয় দলকে পরমত সহিষ্ণু হতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ মানুষ শুনতে চায় না; বিরক্ত হয়। জনগণের বাস্তব সমস্যা সমাধানে বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। ব্যক্তি ও দলীয় ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে আন্তরিকভাবে প্রাধান্য দিতে পারলে সবাই মিলে অবশ্যই দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
কাজী জোবায়েদ শিপলু
কোমারপুর, আদমদীঘি, বগুড়া।
স্বাধীন দেশে কী পেয়েছি?
একদিন এক শুভলগ্নে প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরা উপশহর কাপ্তাইয়ে প্রবেশ করেছিলাম। গভীর উপলব্ধি নিয়ে সেই স্বর্গীয় সৌন্দর্যে স্বামী ও তিন সন্তানসহ ১৬টি বছর বেশ আনন্দেই কাটিয়েছিলাম। কিন্তু সেই নিরিবিলি সুখের জীবন ১৯৭১ সালে এলোমেলো করে দিল। তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণে কত মানুষ যে আত্মাহুতি দিল তার শেষ নেই।
আমার জীবনসঙ্গী বিদ্যুত্ প্রকৌশলী, কাপ্তাই বিদ্যুত্ প্রকল্পের ম্যানেজার আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দীন ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শাহাদাত্বরণ করেন। তারপর স্বাধীন বাংলাদেশে কেটে গেল অনেকগুলো বছর। প্রতিবছর মার্চ এলেই টেলিভিশনে দেখি নানা অনুষ্ঠান। পত্র-পত্রিকায় লেখা হয় অনেক কিছু। স্বাধীনতা দিবসে পালিত হয় নানা কর্মসূচি। সেদিন আমাদের বড় খুশির দিন। মার্চের প্রথম দিন থেকেই একটা রিনিঝিনি সুরে মনটা ছেয়ে যায়। তবে একই সঙ্গে মনটা কী এক বেদনায় কেঁদে ওঠে। যাঁরা স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন বুকে নিয়ে মাটির কোলে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাঁরা আজ কোথায়? স্বাধীন বাংলাদেশে কত গৌরবে ও শান্তিতে আমরা বাস করছি—এ স্বপ্ন নিয়ে মাটির বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন হয়তো।
তাই কি? সরকার কি আমাদের কথা চিন্তা করে? এই ৩৯ বছরের মধ্যে সরকার আমাদের কবে খোঁজ করেছে? খুবই সামান্য পেনশন ও কল্যাণ তহবিলের টাকা পেয়েছি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। তারপর ১৯৯৪ সাল থেকে নতুন নিয়মে সামান্য কিছু টাকা মাসোহারা পেয়েছি। আজ তা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০ টাকায়। মাত্র ৪২ বছর বয়সে শত্রুর গুলিতে নিরীহ মানুষটা মারা গেলেন—তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা কী অবস্থায় দিন কাটাল, দেশের কোনো সরকার তাঁর খোঁজ রেখেছে? কী প্রতিদান দিয়েছে, কীভাবে পুরস্কৃত করেছে তাঁকে?
আমি এখন বৃদ্ধ। মাঝে ১৭ বছর চাকরি করেছি। ভাড়া করা বাড়িতে ছেলের সংসারে থাকি। এ দুর্মূল্যের দিনে এখন জীবন চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। কাপ্তাই বিদ্যুত্ প্রকল্পের শহীদ ইঞ্জিনিয়ারের স্ত্রী হয়ে ৩৯ বছর ধরে প্রত্যেক মাসের পুরো বিদ্যুত্ বিল আমি পাই পাই করে শোধ করেছি। এক মাসের জন্যও মাফ পাইনি।
সাধারণ মানুষের কাছে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি। তাই তাদের যেন অমঙ্গল ও অকল্যাণ না হয়, আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করি। তারা যেন দেশের সব দুর্যোগ সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে, অশুভ চেতনাগুলোকে পদদলিত করে সম্মুখের পদযাত্রায় নির্দ্বিধায় অগ্রসর হতে পারে—এ কামনা করি।
মাহবুবা শামসুদ্দিন
ধানমন্ডি, ঢাকা।
সঠিক অবস্থানেই প্রথম আলো
‘শিবিরের পক্ষে লেখকের সাফাই’ শিরোনামে ৩ মার্চ প্রথম আলোয় প্রকাশিত রুবেল দাসের প্রতিক্রিয়াটি পড়লাম। সেটি ছিল সোহরাব হাসানের লেখা। তিনি তাঁর লেখায় লেখক সোহরাব হাসানকে কটাক্ষ করেছেন। কিন্তু এটা তো সত্য যে ছাত্রলীগ দেশব্যাপী যে হত্যা ও নিপীড়নের তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে, এর সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একের পর এক বন্ধ হতে চলেছে। টেন্ডারবাজিতে তারা অতীতের রেকর্ড ভেঙেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রদের ওপর নৃশংসতা চালাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘাতের কারণ আধিপত্য বিস্তার। ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে খোদ প্রধানমন্ত্রীও সংগঠনের সাংগঠনিক নেতৃত্বে ইস্তফা দিয়েছেন। তাতেও তাদের বোধোদয় হয়নি। ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পুলিশের সামনেই সন্ত্রাসী তত্পরতা চালাচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলো না হয় ক্ষমতার দাপটে প্রতিহিংসার বশে প্রতিপক্ষের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ কেন অন্ধ হবে? তিনি আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর দলের লোকদের নিরাপত্তা দিতে না পারেন, তাহলে অন্যদের নিরাপত্তা দেবেন কীভাবে? রুবেল দাসের অবগতির জন্য বলছি, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব শুধু দলের লোকদের নিরাপত্তা দেওয়া নয়, বরং দেশের প্রত্যেকটি মানুষের নিরাপত্তা দেওয়াই তাঁর দায়িত্ব।
প্রথম আলোকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই তাদের নিরপেক্ষ অবস্থানের জন্য। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার স্লোগানকে সামনে রেখে পত্রিকাটি জনগণের সঙ্গে সব সময়ই থেকেছে। আশা করি, ভবিষ্যতেও থাকবে।
এম এ ইসলাম রাজু
দোহার, ঢাকা।
তামাক চাষের মোচ্ছব বন্ধ করুন
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে তামাক চাষ চলছে। বিশেষ করে, কক্সবাজারের চকরিয়া, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বান্দরবানের লামা প্রভৃতি উপজেলায় তামাক চাষের মহোৎসব চলছে। উত্তরবঙ্গে তামাক চাষের ব্যাপকতা কমতে থাকলেও পার্বত্য অঞ্চলে তা বাড়ছে খুব দ্রুত। এর পেছনে কাজ করছে মুনাফালোভী তামাক উত্পাদনকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা। বিভিন্ন তামাক উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান কৃষকদের বেশি টাকার প্রলোভন দেখিয়ে, বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করে তামাক চাষে উৎসাহিত করছে। এটা শুধু পরিবেশই বিনষ্ট করছে না, জনস্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করছে।
বেশির ভাগ তামাক চাষ করা হচ্ছে সংরক্ষিত বনে। আর তামাকের চুল্লিতে ব্যবহূত হচ্ছে বনের কাঠ। এ কারণে বনের গাছ উজাড় হচ্ছে দ্রুত। শুধু বনেই নয়, তামাক চাষ হচ্ছে খরস্রোতা নদী মাতামুহুরীর তীর ও চরে। নদীটির মিঠাপানি হয়ে উঠছে বিষাক্ত। নদীর মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য। তামাক চাষের কারণে জমির উর্বরতা দ্রুত কমছে। ফলে স্বাভাবিক ফসলের উত্পাদনও কমে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ অঞ্চলের কৃষকেরা অনেকটা বিনা খরচেই তামাক চাষ করতে পারছেন। তাঁরা ধান কিংবা রবিশস্য ফলিয়ে যে লাভ করতেন, কম পরিশ্রমে এর চেয়ে বেশি লাভ করতে পারছেন তামাক চাষ করে। বন বিভাগ ও প্রশাসনের নমনীয় মনোভাব, কৃষি বিভাগের কার্যকর ভূমিকার অভাব স্থানীয় কৃষকদের তামাক চাষে বেশি উদ্বুদ্ধ করছে।
দেশের সামগ্রিক কৃষি যেখানে নানা সমস্যায় জর্জরিত, সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানকেই কৃষকদের এমন সহজ শর্তে টাকা-পয়সা, সার, বীজ সরবরাহ করতে দেখা যায় না। অথচ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছে। এটা বন্ধ করা উচিত।
যেসব মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থের বিষয়টি অগ্রাহ্য করে কৃষকদের তামাক চাষের ‘নেশা’য় ফেলেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে যদি কোনো আইন থাকে, তবে তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে—আইন না থাকলে আইন করতে হবে। আইন করে তামাকের চাষ নিষিদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি তামাক চাষের অপকারিতা বোঝাতে জোর প্রচারণা চালাতে হবে।
রানা আব্বাস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন
সম্প্রতি সংসদে ঘটে যাওয়া ফাইল ছোড়াছুড়ি, খিস্তিখেউড় দেখে মন খারাপ হলো। সাংসদদের আরও ভদ্র হওয়া উচিত। তাঁরা সংসদের গিয়ে বন্ধুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন। দুই দলই প্রতিপক্ষ নেতাকে অসম্মান করে কথা বলেন। এটা ঠিক নয়। আমরা চাই, সংসদ সদস্যরা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করে কথা বলুন। আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা তাঁদের মধ্যে দিয়ে প্রতিফলন হওয়ার কথা সংসদে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, হচ্ছে এর উল্টোটা।
আপনাদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে সংসদে গিয়ে মার্জিতভাবে কথা বলবেন। বিরোধিতা করতে হবে যুক্তিসংগতভাবে, মারমুখী হয়ে নয়। জাতীয় সংসদের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। সাংসদদের মনে রাখতে হবে, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
সুমন কোড়াইয়া
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইল: obhimot@prothom-alo.info
গত বছর জুলাই মাসে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ২৮টি প্রকল্পের প্রস্তাব তুলে ধরে। চীন মাত্র পাঁচটিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর চীন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক চীন খুব ভালো চোখে দেখবে না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতকে বাংলাদেশের সমর্থন চীন খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না। আঞ্চলিক কর্তৃত্ব নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে। ভারতের সঙ্গে চীনের অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চীনসহ সীমান্ত-বিরোধ আছে। তিব্বতের দালাই লামাকে ভারতে আশ্রয়দানও চীনের অস্বস্তির একটি কারণ।
শুধু ভূখণ্ডগত নিরাপত্তা নয়, পানি, খাদ্য, জ্বালানি ও পরিবেশগত নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশকে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলতে হবে। ভারতকে কোনোভাবেই এড়ানো যাবে না, আবার চীনকেও অবহেলা করা যাবে না। বৈশ্বিক রাজনীতিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন একসময় যে ভূমিকা রেখেছিল, চীন এখন অনেকটা সে রকম ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চীনের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর এ সময় চীন সফর খুবই প্রয়োজন ছিল।
পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারে বন্দরসুবিধা স্থাপন এবং নেপাল ও তিব্বতের লাসার সঙ্গে সড়কপথ তৈরির পরিকল্পনা করছে চীন। মিয়ানমারের নৌঘাঁটিতে চীনের অবাধ প্রবেশ রয়েছে, তার একটি মনিটরিং স্টেশন রয়েছে কোকো দ্বীপে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। অবশ্য দুই দেশের বাণিজ্যঘাটতি ব্যাপক। বাণিজ্যঘাটতি কমানোর জন্য চীন বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সাহায্য বাড়িয়েছে। এশিয়া প্যাসিফিক মুক্তবাজার অর্থনৈতিক চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ চীনে ৯৮.৮ বিলিয়ন ডলারের মালামাল রপ্তানি করেছে এবং ৮৪টি মালের ওপর ট্যারিফ বাধা সরিয়ে নিয়েছে। ২০০৭ সালে চীনের সহকারী বাণিজ্যমন্ত্রী ৩৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন, যাঁরা উচ্চপর্যায়ের ক্রেতা। চীনের ৫০০টি বড় কোম্পানির ১০টি থেকে প্রতিনিধিরা এসেছিলেন এবং তাঁরা ৫০ মিলিয়ন ডলারের মালামাল ক্রয় করেছিলেন। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের এই সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই ভারত মেনে নিতে পারে না। তার পরও আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। গভীর বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞজনদের পরামর্শ নিতে হবে।
আমরা আশা করব, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। এ সফর যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে এবং প্রাপ্তির চেয়ে প্রচার যেন বেশি না হয়।
মুহম্মদ মাছুম বিল্লাহ
মহাখালী, ঢাকা।
পিতৃত্ব ছুটির বিধান চাই
পরিবারে মায়ের ভূমিকা যেমন মুখ্য তেমনি বাবার ভূমিকাও ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কিন্তু এদেশের কর্মক্ষেত্রে মাতৃত্ব ছুটি প্রচলন থাকলেও পিতৃত্ব ছুটির চল নেই। আফ্রিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা নামে পিতৃত্ব ছুটি স্বীকৃত। কোথাও প্যারেন্টাল ছুটি নামে, কোথাও পিতৃত্ব ছুটি হিসেবে। প্যারেন্টাল অর্থাত্ পিতৃত্ব-মাতৃত্ব ছুটি কানাডায় দশ সপ্তাহ থেকে পনের সপ্তাহ, যা পিতামাতা সুবিধাজনকভাবে নবজাতকের পরিচর্যার জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ভোগ করে। ব্রাজিলে পিতৃত্ব ছুটি পাঁচ দিন, কলোম্বিয়ায় চার থেকে আট দিন। গুয়াতেমালা ও প্যারাগুয়েতে দ’ুদিন। সুইডেনে প্রতিটি শিশুর জন্য সরকার ষোল মাস প্যারেন্টাল ছুটি অনুমোদন করেছে যা সন্তানের পিতামাতা সুবিধাজনকভাবে ভাগ করে নিতে পারে। যুক্তরাজ্যে পিতৃত্বছুটি বেতনসহ দুই সপ্তাহ, বেলজিয়ামে দশ দিন। ফ্রান্সে এ ছুটি তিন দিন, তবে প্রয়োজনে অতিরিক্ত এগার দিন পাওয়ার বিধান আছে। হাঙ্গেরিতে পাঁচ দিন, ইতালিতে তের সপ্তাহ। জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ছুটি চার সপ্তাহ। এমনকি আমাদের পাশের দেশ মিয়ানমারেও ছয় দিন পিতৃত্ব ছুটির বিধান আছে।
পিতৃত্ব ছুটির লক্ষ্য শুধু নবজাতক শিশুর মাকে হাসপাতাল থেকে প্রত্যাবর্তনের পর সাম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদানই এর বড় লক্ষ্য। শিশুর পরিচর্যায় পারস্পরিক অংশিদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশুর বাবার জন্য এ ছুটির লক্ষ্য হচ্ছে মায়ের বিশ্রাম নিশ্চিত করা। পিতৃত্ব ছুটি পারিবারিক জীবনে জেন্ডার বৈষম্য দূর করে শ্রম বাজারে জেন্ডার সমতার সুফল বয়ে আনতে পারে।
এক সময় অভিভাবকেরা নবজাতকসহ আমাদের দেখা শুনা করেছেন। এখন আগের মতো একান্নবর্তী পরিবারের সংখ্যা করে আসছে। তাছাড়া বেশির ভাগ অভিভাবকই কাজে ব্যস্ত থাকেন। একমাত্র পিতৃত্ব ছুটিই পারে অভিভাবকদের অভাব দূর করে নবজাতকের মাকে নিশ্চিন্ত বিশ্রাম উপভোগের সুযোগ করে দিতে। এখন সময় হয়েছে বাংলাদেশে পিতৃত্ব ছুটি চালু করার সময় হয়েছে। আশা করি সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন।
সালমা নাসরীন, ঢাকা।
ডিজিটাল বাংলাদেশ কী করে হবে
সরকার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: প্ল্যান অব কানেকটিং পিপল’ ধারণাপত্র প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নের মধ্যে এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদকে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে। লক্ষ্য প্রশাসনের তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুতগতির ইন্টরনেট ও টেলিযোগাযোগ-সুবিধা বিস্তৃত করা। এ ছাড়াও ইতিমধ্যে ই-হেলথ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে কম্পিউটার, ইন্টানেট সংযোগ ও ওয়েবক্যাম পাঠানো হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আরও নানান পদক্ষেপের কথা বলা হচ্ছে। সরকারের এসব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে উৎসাহব্যঞ্জক। তবে জনগণের বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে এসব পরিকল্পনা কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়েও একটু ভাবা প্রয়োজন।
প্রথমত, এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদকে অপটিক্যাল ফাইবারের আওতায় আনা কতটা জরুরি—যখন রাজধানীসহ সব বড় শহরেই স্বল্পমূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেটের সুবিধা অপর্যাপ্ত। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ওয়েবসাইট দেখলেই বোঝা যায় ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র। ইউনিয়ন পরিষদ এ ক্ষেত্রে কতটা দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে? দ্বিতীয়ত, যাদের জন্য এসব উদ্যোগ, তারা কতটা প্রস্তুত? এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুর্নীতির কথাও বাদ দেওয়া যায় না। সরকার বিদ্যুত্-সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উত্পাদনের সামর্থ্য বিবেচনা না করেই বহু নতুন এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছিল। এ কারণে তীব্র বিদ্যুত্ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যা আজও বর্তমান। আসলে বিদ্যুত্-সংযোগের পেছনে ছিল ব্যবসা। অনেক লোক হঠাত্ খাম্বা (বিদ্যুতের খুঁটি) বানিয়ে নিজেরাই খাম্বার চেয়ে বড় হয়ে গিয়েছিলেন। সময়ের আবর্তনে তাঁরা এখন কঠিন সত্যের মুখোমুখি। ডিজিটাল প্রকল্পের পেছনেও এ রকম সরকারি অর্থের অপচয় যে হবে না তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।
দেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে অগ্রসর হোক সঠিক সুচিন্তিত পদক্ষেপের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমত, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে উচ্চগতির ইন্টানেটের সংযোগ দেওয়া। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের খরচে তা করতে পারে, তাদের সে সামর্থ্য আছে। দ্বিতীয়ত, ঢাকার বাইরে বিশেষ প্রযুক্তিশহর গড়ে তোলা। এসব প্রযুক্তিশহর আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। তৃতীয়ত, প্রযুক্তির ওপর শুল্ক হ্রাস করা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ পদ্ধতিতে এগোনো বেশি ভালো।
সরকারি দল তার নেতা-কর্মীদের মূল্যায়নেও ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারে। যেমন, শত শত তোরণ, সোনা-রুপার উপহার নয়—নিজ এলাকায় তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ এবং ব্যবহারিক ক্ষেত্রে কে কতটা ভূমিকা রাখবে—পদ-পদবি ও মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সেটাই বিবেচনা করে দেখা হবে। তাহলে হয়তোবা অলিতে-গলিতে তোরণ আর ডিজিটাল ব্যানারে শুভেচ্ছাবার্তার বদলে তথ্যপ্রযুক্তির প্রকৃত সুবিধা ভোগ করা যাবে। আমরা ডিজিটাল মোহের মধ্যে থাকতে চাই না, চাই না শুধু ডিজিটাল ব্যানারের বাংলাদেশ—চাই তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ স্বাবলম্বী বাংলাদেশ।
মো. আজহারুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
যানবাহনের সংখ্যা কমান
ঢাকার যানজট কমাতে এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
১. একনাগাড়ে পাঁচ বছর নিয়মিত আয়কর পরিশোধ না করলে কেউ গাড়ি কিনতে পারবে না।
২. সিএনজির মূল্য বাড়িয়ে দ্বিগুণ করতে হবে। সিএনজির দাম খুব কম হওয়ায় যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে। তা ছাড়া একদিকে গ্যাসের অভাবে কলকারখানায় উত্পাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্য দিকে প্রায় পানির দামে সিএনজি বিক্রি হচ্ছে। এটা কি অর্থনৈতিক বিবেচনায় যুক্তিসংগত?
৫. তিন বছর নতুন সিএনজি স্টেশন স্থাপন বন্ধ রাখা উচিত। ঢাকার বাইরে একই এলাকায় প্রচুরসংখ্যক সিএনজি স্টেশন না রেখে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিলে যানজট কমবে। ৬. ব্যাংকগুলো আয়কর বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাড়ির কেনার জন্য লোন দিতে পারবে না।
এই কাজগুলো করলে আমার ধারণা ঢাকার রাস্তায় যানজট কমবে এবং শ্রম-নিবিড় কলকারখানাগুলো বন্ধের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
আসলাম পারভেজ
মিরপুর, ঢাকা।
রাজনীতিতে সমঝোতা কি সম্ভব
প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘রাজনীতিতে সমঝোতা কি আদৌ সম্ভব?’ লেখায় আনিসুল হক মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতার মূল সমস্যাগুলো আগে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। দেশের বড় দুটি দলই তাদের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই সর্বপ্রথম তাদের নিজেদের সংশোধান করে নিতে হবে।
এক. বিএনপিকে জামায়াতের কবল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না এবং ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এ কথা বলে তাদের বিস্তারের সুযোগ দেওয়া চলবে না; উভয় দল মিলে এদের দমন করতে হবে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডসহ সব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যুতে উভয় দলকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে। নিজের দলের কেউ অভিযুক্ত হলেও তার পক্ষ নেওয়া যাবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ শুধু ভোটের রাজনীতির জন্য স্বৈরাচারী এরশাদের জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে নিয়েছে। তাদের এ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
দুই. যাঁর যতটুকু সম্মান ও মর্যাদা, তাঁকে তা দিতে হবে। ইতিহাস কখনোই মুছে ফেলা যাবে না। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমান দুজনেরই স্থান রয়েছে। যাঁর জায়গায় তাঁকে রাখতে হবে। হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিত্যাগ করতে হবে। রাজনীতিবিদেরা নিজেরা শিক্ষা গ্রহণের চেয়ে অন্যকে শিক্ষা দিতে বেশি আগ্রহী। এক দল ক্ষমতায় গেলে অন্য দলের প্রয়াত নেতার নাম মুছে ফেলা জনগণ মোটেও ভালোভাবে গ্রহণ করে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দ্বারা উভয় দলের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়।
তিন. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে হবে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকবে, তখন সেই দলের অনুগতরা সব রকম সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে, আর অন্য দলের হলে বঞ্চিত হবে—এই সংস্কৃতি বন্ধ করে সব ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দলীয় লোকদের দখলবাজি, টেন্ডারবাজি ইত্যাদি বরদাশত করা চলবে না।
চার. শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করার মানসিকতা ছাড়তে হবে। উভয় দলকে পরমত সহিষ্ণু হতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ মানুষ শুনতে চায় না; বিরক্ত হয়। জনগণের বাস্তব সমস্যা সমাধানে বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। ব্যক্তি ও দলীয় ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে আন্তরিকভাবে প্রাধান্য দিতে পারলে সবাই মিলে অবশ্যই দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
কাজী জোবায়েদ শিপলু
কোমারপুর, আদমদীঘি, বগুড়া।
স্বাধীন দেশে কী পেয়েছি?
একদিন এক শুভলগ্নে প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরা উপশহর কাপ্তাইয়ে প্রবেশ করেছিলাম। গভীর উপলব্ধি নিয়ে সেই স্বর্গীয় সৌন্দর্যে স্বামী ও তিন সন্তানসহ ১৬টি বছর বেশ আনন্দেই কাটিয়েছিলাম। কিন্তু সেই নিরিবিলি সুখের জীবন ১৯৭১ সালে এলোমেলো করে দিল। তখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণে কত মানুষ যে আত্মাহুতি দিল তার শেষ নেই।
আমার জীবনসঙ্গী বিদ্যুত্ প্রকৌশলী, কাপ্তাই বিদ্যুত্ প্রকল্পের ম্যানেজার আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দীন ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শাহাদাত্বরণ করেন। তারপর স্বাধীন বাংলাদেশে কেটে গেল অনেকগুলো বছর। প্রতিবছর মার্চ এলেই টেলিভিশনে দেখি নানা অনুষ্ঠান। পত্র-পত্রিকায় লেখা হয় অনেক কিছু। স্বাধীনতা দিবসে পালিত হয় নানা কর্মসূচি। সেদিন আমাদের বড় খুশির দিন। মার্চের প্রথম দিন থেকেই একটা রিনিঝিনি সুরে মনটা ছেয়ে যায়। তবে একই সঙ্গে মনটা কী এক বেদনায় কেঁদে ওঠে। যাঁরা স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন বুকে নিয়ে মাটির কোলে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাঁরা আজ কোথায়? স্বাধীন বাংলাদেশে কত গৌরবে ও শান্তিতে আমরা বাস করছি—এ স্বপ্ন নিয়ে মাটির বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন হয়তো।
তাই কি? সরকার কি আমাদের কথা চিন্তা করে? এই ৩৯ বছরের মধ্যে সরকার আমাদের কবে খোঁজ করেছে? খুবই সামান্য পেনশন ও কল্যাণ তহবিলের টাকা পেয়েছি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। তারপর ১৯৯৪ সাল থেকে নতুন নিয়মে সামান্য কিছু টাকা মাসোহারা পেয়েছি। আজ তা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০ টাকায়। মাত্র ৪২ বছর বয়সে শত্রুর গুলিতে নিরীহ মানুষটা মারা গেলেন—তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা কী অবস্থায় দিন কাটাল, দেশের কোনো সরকার তাঁর খোঁজ রেখেছে? কী প্রতিদান দিয়েছে, কীভাবে পুরস্কৃত করেছে তাঁকে?
আমি এখন বৃদ্ধ। মাঝে ১৭ বছর চাকরি করেছি। ভাড়া করা বাড়িতে ছেলের সংসারে থাকি। এ দুর্মূল্যের দিনে এখন জীবন চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। কাপ্তাই বিদ্যুত্ প্রকল্পের শহীদ ইঞ্জিনিয়ারের স্ত্রী হয়ে ৩৯ বছর ধরে প্রত্যেক মাসের পুরো বিদ্যুত্ বিল আমি পাই পাই করে শোধ করেছি। এক মাসের জন্যও মাফ পাইনি।
সাধারণ মানুষের কাছে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি। তাই তাদের যেন অমঙ্গল ও অকল্যাণ না হয়, আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করি। তারা যেন দেশের সব দুর্যোগ সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে, অশুভ চেতনাগুলোকে পদদলিত করে সম্মুখের পদযাত্রায় নির্দ্বিধায় অগ্রসর হতে পারে—এ কামনা করি।
মাহবুবা শামসুদ্দিন
ধানমন্ডি, ঢাকা।
সঠিক অবস্থানেই প্রথম আলো
‘শিবিরের পক্ষে লেখকের সাফাই’ শিরোনামে ৩ মার্চ প্রথম আলোয় প্রকাশিত রুবেল দাসের প্রতিক্রিয়াটি পড়লাম। সেটি ছিল সোহরাব হাসানের লেখা। তিনি তাঁর লেখায় লেখক সোহরাব হাসানকে কটাক্ষ করেছেন। কিন্তু এটা তো সত্য যে ছাত্রলীগ দেশব্যাপী যে হত্যা ও নিপীড়নের তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে, এর সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একের পর এক বন্ধ হতে চলেছে। টেন্ডারবাজিতে তারা অতীতের রেকর্ড ভেঙেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রদের ওপর নৃশংসতা চালাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘাতের কারণ আধিপত্য বিস্তার। ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে খোদ প্রধানমন্ত্রীও সংগঠনের সাংগঠনিক নেতৃত্বে ইস্তফা দিয়েছেন। তাতেও তাদের বোধোদয় হয়নি। ছাত্রলীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পুলিশের সামনেই সন্ত্রাসী তত্পরতা চালাচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলো না হয় ক্ষমতার দাপটে প্রতিহিংসার বশে প্রতিপক্ষের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ কেন অন্ধ হবে? তিনি আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর দলের লোকদের নিরাপত্তা দিতে না পারেন, তাহলে অন্যদের নিরাপত্তা দেবেন কীভাবে? রুবেল দাসের অবগতির জন্য বলছি, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব শুধু দলের লোকদের নিরাপত্তা দেওয়া নয়, বরং দেশের প্রত্যেকটি মানুষের নিরাপত্তা দেওয়াই তাঁর দায়িত্ব।
প্রথম আলোকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই তাদের নিরপেক্ষ অবস্থানের জন্য। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার স্লোগানকে সামনে রেখে পত্রিকাটি জনগণের সঙ্গে সব সময়ই থেকেছে। আশা করি, ভবিষ্যতেও থাকবে।
এম এ ইসলাম রাজু
দোহার, ঢাকা।
তামাক চাষের মোচ্ছব বন্ধ করুন
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে তামাক চাষ চলছে। বিশেষ করে, কক্সবাজারের চকরিয়া, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বান্দরবানের লামা প্রভৃতি উপজেলায় তামাক চাষের মহোৎসব চলছে। উত্তরবঙ্গে তামাক চাষের ব্যাপকতা কমতে থাকলেও পার্বত্য অঞ্চলে তা বাড়ছে খুব দ্রুত। এর পেছনে কাজ করছে মুনাফালোভী তামাক উত্পাদনকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা। বিভিন্ন তামাক উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান কৃষকদের বেশি টাকার প্রলোভন দেখিয়ে, বীজ, সার ও কীটনাশক সরবরাহ করে তামাক চাষে উৎসাহিত করছে। এটা শুধু পরিবেশই বিনষ্ট করছে না, জনস্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করছে।
বেশির ভাগ তামাক চাষ করা হচ্ছে সংরক্ষিত বনে। আর তামাকের চুল্লিতে ব্যবহূত হচ্ছে বনের কাঠ। এ কারণে বনের গাছ উজাড় হচ্ছে দ্রুত। শুধু বনেই নয়, তামাক চাষ হচ্ছে খরস্রোতা নদী মাতামুহুরীর তীর ও চরে। নদীটির মিঠাপানি হয়ে উঠছে বিষাক্ত। নদীর মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য। তামাক চাষের কারণে জমির উর্বরতা দ্রুত কমছে। ফলে স্বাভাবিক ফসলের উত্পাদনও কমে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এ অঞ্চলের কৃষকেরা অনেকটা বিনা খরচেই তামাক চাষ করতে পারছেন। তাঁরা ধান কিংবা রবিশস্য ফলিয়ে যে লাভ করতেন, কম পরিশ্রমে এর চেয়ে বেশি লাভ করতে পারছেন তামাক চাষ করে। বন বিভাগ ও প্রশাসনের নমনীয় মনোভাব, কৃষি বিভাগের কার্যকর ভূমিকার অভাব স্থানীয় কৃষকদের তামাক চাষে বেশি উদ্বুদ্ধ করছে।
দেশের সামগ্রিক কৃষি যেখানে নানা সমস্যায় জর্জরিত, সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানকেই কৃষকদের এমন সহজ শর্তে টাকা-পয়সা, সার, বীজ সরবরাহ করতে দেখা যায় না। অথচ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তামাক চাষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছে। এটা বন্ধ করা উচিত।
যেসব মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থের বিষয়টি অগ্রাহ্য করে কৃষকদের তামাক চাষের ‘নেশা’য় ফেলেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে যদি কোনো আইন থাকে, তবে তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে—আইন না থাকলে আইন করতে হবে। আইন করে তামাকের চাষ নিষিদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি তামাক চাষের অপকারিতা বোঝাতে জোর প্রচারণা চালাতে হবে।
রানা আব্বাস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন
সম্প্রতি সংসদে ঘটে যাওয়া ফাইল ছোড়াছুড়ি, খিস্তিখেউড় দেখে মন খারাপ হলো। সাংসদদের আরও ভদ্র হওয়া উচিত। তাঁরা সংসদের গিয়ে বন্ধুবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন। দুই দলই প্রতিপক্ষ নেতাকে অসম্মান করে কথা বলেন। এটা ঠিক নয়। আমরা চাই, সংসদ সদস্যরা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করে কথা বলুন। আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা তাঁদের মধ্যে দিয়ে প্রতিফলন হওয়ার কথা সংসদে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, হচ্ছে এর উল্টোটা।
আপনাদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে সংসদে গিয়ে মার্জিতভাবে কথা বলবেন। বিরোধিতা করতে হবে যুক্তিসংগতভাবে, মারমুখী হয়ে নয়। জাতীয় সংসদের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। সাংসদদের মনে রাখতে হবে, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
সুমন কোড়াইয়া
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইল: obhimot@prothom-alo.info
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 12
(150)
- শুভবোধ জাগ্রত হোক-আগুন দিয়ে গবাদিপশু হত্যা
- তালিকা প্রকাশ নয়, আইনকে নিজের পথে চলতে দিন-স্বরাষ্...
- স্মরণ-স্মৃতিতে অমর আবুল মনসুর আহমদ
- গ্রামীণ অর্থনীতি-সব মৌসুমে কাজের ব্যবস্থা করতে হবে...
- ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের অপরাধ ও তার দিনক্ষণ by ইউরি আভ...
- মানুষ মানুষের জন্য-আসুন বেদনা ভাগ করে নিই by আনিসু...
- খাবারে ভেজাল-অভিযানে লাভ কতটুকু by আবুল হাসনাত
- সময়ের প্রতিবিম্ব-আওয়ামী লীগে জয়ের যাত্রাধ্বনি by এ...
- এমন জনদুর্ভোগ গ্রহণযোগ্য নয়-নৌযান ধর্মঘট
- ইসলামী ঐক্যজোটের অবস্থান অগ্রহণযোগ্য-নারীর প্রতি দ...
- জন্মদিন-মানুষকে ভালোবাসতেন যিনি by জাহীদ রেজা নূর
- দ্রব্যমূল্য-বাজার সিন্ডিকেট অথবা হাওয়ার সঙ্গে যুদ্...
- অভিমত ভিন্নমত
- কপোতাক্ষ-মধুমতীর তীর থেকে-চিংড়ি চাষে বিপন্ন জীবন b...
- যত্রতত্র বিলবোর্ড, উদাসীন কেন সিটি করপোরেশন?-বিজ্ঞ...
- বিএসএফের আচরণ উসকানিমূলক-জৈন্তাপুর সীমান্তের ঘটনা
- চারদিক-হাতের মুঠোয় প্রাণ আর কত দিন! by নেয়ামতউল্যাহ
- মিডিয়া ভাবনা-চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য চাই সামগ্রিক নী...
- আদিবাসী বনাম উপজাতি-পরিচিতি নির্ধারণের রাজনীতি by ...
- গদ্যকার্টুন-শিক্ষাবিষয়ক কৌতুক by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-স্বাধীনতা ও মুক্তি: সংকল্পনা ও বাস্তবত...
- পথের বাধাগুলো সরিয়ে ফেলুন-দুর্নীতি দমন
- দলীয় সংস্কৃতি না বদলালে দেশ বদলাবে না-যশোরে দলীয় ক...
- চলতি পথে-একটি দৃশ্য অস্বীকারের প্রাণপণ চেষ্টা by দ...
- নিপীড়ন-‘ইভটিজিং’ স্পষ্টতই যৌন হয়রানি by শীপা হাফিজ...
- প্রত্নসম্পদ-প্রত্নঢিবি খনন এখনই জরুরি by সাইফুদ্দী...
- রাশিয়ায় গণতন্ত্র-পিরিস্ত্রোইকার ২৫ বছর by মিখাইল গ...
- জাতিগত সহিংসতা-আগুনে পোড়ে পাহাড়ি আর বাঙালি মানুষ b...
- অগ্রহণযোগ্য ও শিষ্টাচারবহির্ভূত-পানিসম্পদ প্রতিমন্...
- কার্যকর সংসদ ছাড়া গণতন্ত্র নিরাপদ হবে না-বিরোধীদলী...
- টেলি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন-৭৫ কোটি টাকা লোপাটের তোড়জোড় ...
- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
- অনলাইনে ১৯৫ কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে by অভিজিৎ ভট্টাচ...
- মাতৃভূমিতে হুমায়ূন আহমেদ
- 'ধান ক্যাটা ফ্যাসি গেছি বাবা' by লিমন বাসার
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-চলে গেলেন কে জি মুস্তাফা by জাহীদ রেজ...
- ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-দিনবদলের যাত্রা শুভ by মুনির...
- বিলুপ্ত ট্রুথ কমিশন-সব পক্ষ মিলেমিশে দুর্নীতি করে ...
- পদ্মা নদী-পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার দায়িত্ব কার...
- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-প্রস্তাবিত আইনের ব্যাপারে ক...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-দ্রুতগতিসম্পন্ন গণপরিবহন-ব্যবস্থ...
- হিমাগারের সংখ্যা বৃদ্ধি ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন...
- ডিসিসির অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন-ঢ...
- চোখের জলে ভেজা ধান by আশরাফুল হক রাজীব
- রাজধানীতে বাসচাপায় দুই সাংবাদিক নিহত
- চারদিক-যাদুকাটা তীরের পণতীর্থ by গোলাম সরোয়ার
- নিরাপদ কর্মক্ষেত্র-শ্রমিকের মৃত্যু ও আমাদের দায়বদ্...
- যানজট নিরসন-স্কুল-কলেজের ছুটির দিন পরিবর্তন প্রয়োজ...
- ভিন্নমত-‘আমাদের অতি প্রিয় বেগুনকে দূষিত করবেন না’ ...
- সরল গরল-জনসংখ্যার অনুপাতে বিচারকের সংখ্যা by মিজান...
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অগ্রহণযোগ্য-টিসিবির দু...
- উপজেলা-ব্যবস্থার কী হবে?-সাংসদদের হাতে ১৫ কোটি টাকা
- গার্মেন্ট শ্রমিকের স্বার্থে মালিকদের বাগড়া by আবুল...
- স্মরণ-সা'দত আলি আখন্দ স্মরণে by শামীম শমতাজ
- শ্রমবাজারে অশনি সংকেত-শনির দশা কাটাতে হবে
- পুলিশের রাজনৈতিক ব্যবহার-দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়
- তুরস্ক-সরকার-সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে টানাপোড়েন
- মোসাদের হত্যাকাণ্ড এখনো অব্যাহত? by রোকেয়া রহমান
- এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চায় ভারত by কাজী আলিম-উজ-জামান
- জলবায়ু পরিবর্তন-নানান প্রচার বিভ্রান্ত আমজনতা by ন...
- আল-কায়েদার জায়গা নিচ্ছে লস্কর-ই-তাইয়েবা? by আরিফ ম...
- কোনো বাধা মানবো না- গৃহপরিচারিকার কাজ করেও শ্যামলী...
- কুকুরের মমতা by পবন চক্রবর্তী
- বারমুডা ট্রায়াঙ্গল
- পাথর কেটে প্রাচীন বাড়ি
- বন্ধুত্বের চার দশক by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- শেকড়ের টান by তৈমুর রেজা
- জন্মদিন-অধ্যাপক রেহমান সোবহান: স্যারের প্রতি by এম...
- অপরাধ দমন-পুলিশের মিছিল! by এ কে এম জাকারিয়া
- ধর্ম-নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলাম by মুহাম্মদ আবদ...
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস-প্রতিবন্ধী নারী ও মেয়েশিশুদে...
- চিরকুট-চিকিৎসায় সংগীত, চিত্রকলা by শাহাদুজ্জামান
- সময়চিত্র-অনেক কিছু বলতে মানা by আসিফ নজরুল
- জেলা প্রশাসন একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না-বান্দরব...
- ভারতের আশ্বাস যেন কথার কথা না হয়-বিডিআর-বিএসএফ বৈঠক
- পবিত্র কোরআনের আলো-কোরআন নিয়ে বিতর্কের জবাবে একটি ...
- সদরে অন্দরে-তবু যেতে হবে অনেক দূর by মোস্তফা হোসেইন
- এশিয়া এনার্জি ও বিদ্যুৎ সংকট by ড. এম শামসুল আলম
- তিস্তা চুক্তিতে স্থবিরতা-সম্পর্কে ফাটল সৃষ্টি করতে...
- ইইউ রাষ্ট্রদূতদের পরামর্শ
- ছেলেখেলা নয়
- এইদিনে-প্রতিরোধের ভিত গড়ে দেয় যে ধর্মঘট by এম আর ম...
- কৃষির ভবিষ্যত্-খাদ্য জোগানের নতুন পথের সন্ধান by র...
- প্রতিক্রিয়া-স্থানীয় উন্নয়নের দায়িত্বে কেন আইনপ্রণে...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-সিটি করপোরেশন কি রিয়েল এস্টেট...
- ইরাক-নির্বাচনের তাৎপর্য by রবার্ট ফিস্ক
- কালের পুরাণ-নাম বদলে আমজনতার কী লাভ by সোহরাব হাসান
- অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে-নারী নির্যাতনের ...
- ঢাকা সিটি করপোরেশন কোথায়-রাজধানীতে মশককুলের অভিযান
- গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির অব্যাহতি
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুরতাদ জাতিকে আল্লাহ কিভাবে সঠি...
- ফখরে আলমের খোলা চিঠি-ড. ইউনূস, এবার জবাব দেবেন কি?
- চলতি পথে-রাজা হরিশ্চন্দ্রের প্রাসাদ-ঢিবি by দীপংকর...
- সপ্তাহের হালচাল-সাংসদেরা কি পথ হারাইয়াছেন? by আব্দ...
- অভিমত ভিন্নমত
- অধিকার-মাতৃভাষা, বাংলাদেশ এবং একজন ইরানি by হানিফ ...
- শিক্ষককে তালা-ছাত্রলীগের লাগাম টেনে ধরুন
- অদক্ষ নিয়ন্ত্রক ও কারসাজির চক্র বিপদ ঘটাতে পারে-শে...
- চারদিক-ছোটদের জন্যলিখে মিলল পুরস্কার by তানজিল রিমন
- নগরায়ণ-জীবন দিয়েই শুধু বোঝাতে হবে তাদের মূল্য কত? ...
- কৃষি খাত-যোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে এগিয়ে যাক by মামু...
- বাঘা তেঁতুল-ডিসেম্বর ২০০৮-এর আগে ও পরে by সৈয়দ আবু...
- অরণ্যে রোদন-রাজনীতিতে সমঝোতা কি আদৌ সম্ভব? by আনিস...
- জেনেশুনে পুলিশ আইন ভঙ্গ করছে-থানাহাজতে শিশুর নিরাপ...
- শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না-চরমপন...
- অমানবিক-মানুষ এত নিষ্ঠুর হয় কী করে! by মশিউল আলম
- দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-হিলারির ভ্রমণের পর রবীন্দ্রনাথে...
- যুক্তি তর্ক গল্প-স্বদেশে মর্যাদা পেলে বিদেশেও পাবে...
- ট্রাফিক আইন ভাঙার প্রবণতা ত্যাগ করুন-উল্টোপথে মন্ত...
- বিরোধী দলের উচিত সংসদে গিয়ে দাবি পেশ করা-বাজেট অধি...
- সত্যিই কি সেরার তালিকায় নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় by ...
- স্মরণ-মোহাম্মদ সাইদুর : শিকড়সন্ধানী মানুষ by স্বপ...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-১৫)-পাড়াটাই ছিল একটা বাড়...
- চারদিক-‘সাউ কালে অন্ধ হইছি’ by মনিরুল আলম
- ও মা-জোকার
- ও মা-মৌমাছি
- ও মা-আম্মুউ
- সত্যিকারের সবজান্তা-মা দিবস
- ও মা
- শেকড়ের ডাক-বাংলাদেশের জন্য আরেকটি দুঃসংবাদ by ফরহা...
- ঋণ আছে এবং থাকবে by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- জান্নাতের খোশ খবরি by মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার
- কাগতিয়া দরবারে যুগশ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক মনীষী by মোহা...
- প্রতারণা, সমাজ ও ইসলাম by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- মহাযোগী বাবা লোকনাথ by বিষ্ণুপদ ভৌমিক
- পানি ও জনজীবন-দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সংহতি by ফারহাত...
- পানি ও জনজীবন-দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সংহতি by ফারহাত...
- ধর নির্ভয় গান-জ্যৈষ্ঠের কিছু কথা, কিছু চিত্র! by আ...
-
▼
May 12
(150)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment