Wednesday, February 24, 2016
পিলখানা হত্যাকাণ্ড এবং বিভিন্ন তারিখ by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক)
পিলখানা হত্যাকাণ্ড এবং বিভিন্ন তারিখ by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক)
মনের অশান্তি
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু দ্বিমুখী। প্রথমে, পিলখানায় সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে লিখব। আজ বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সাত বছর আগে, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে ঢাকা মহানগরের পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস তথা বিডিআর সদর দফতরে একটি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। অনেকের কাছে এটা একটি বিছিন্ন ঘটনা, আবার অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যভাবে এই ঘটনার সাথে অতীতের যোগসূত্র আছে। তাই আমি প্রস্তাব করছি, পাঠক যেন নিজেই কষ্ট করে চিন্তা করেন। দেশ নিয়ে চিন্তা করলে দেশপ্রেম গভীর হয়। দ্বিতীয়ত, এই চিন্তায় সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্য থেকে কয়েকটি মাত্র গুরুত্বপূর্ণ তারিখের কথা পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করব। পিলখানার ঘটনা কতটুকু পরিকল্পিত অথবা কতটুকু কাকতালীয়, সেই প্রসঙ্গে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করার সপক্ষে দালিলিক প্রমাণ (ইংরেজি পরিভাষায় : ডকুমেন্টারি এভিডেন্স) আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকের হাতে মজুদ নেই; মজুদ থাকার কথাও নয়। কিন্তু আমার মতো সাধারণ লাখ লাখ নাগরিক মানসিক অশান্তি ও অস্বস্তিতে আছে এই মর্মে যে, পিলখানার ঘটনার পেছনে দেশের ভেতরে বা দেশের বাইরের কে বা কারা জড়িত বা জড়িত না, সেটা সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে জনগণের কাছে উপস্থাপিত হয়নি। জনগণের মনে আরো একটি অস্বস্তি কাজ করে এই মর্মে যে, ঘটনাটির তদন্ত আদৌ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কি না? বলে রাখা প্রয়োজন যে, কলামের দ্বিতীয় অংশে তারিখগুলো উপস্থাপন করতে গিয়ে আমি বাংলাদেশের অন্যতম সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং অন্যতম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান লিখিত বা সঙ্কলিত একটি বই যার নাম- ‘বাংলাদেশের তারিখ’ (প্রকাশ ১৯৯৮) থেকে নিবিড় সহায়তা নিয়েছি। আশা করি, সম্মানিত পাঠকদের মধ্যে যারা চিন্তাশীল তরুণ, তারা একটি তারিখের সাথে আরেকটি তারিখ মিলিয়ে মিলিয়ে নিজের মতো করে, নিজের মনের ভেতরে, উপসংহার টানবেন।
নৃশংসতায় ও সংখ্যায় অতুলনীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য হত্যাকাণ্ড। যুদ্ধের ময়দানে, এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর আক্রমণ পরিচালনা করে। এতে হতাহত হতে বাধ্য। ছোট, মাঝারি বা বড় অপারেশনে বিভিন্ন মাত্রার হতাহতের ঘটনা ঘটে। এখন থেকে আনুমানিক ১৫৫ বছর আগে ক্রিমিয়ার যুদ্ধে একটি অপারেশনে আক্রমণকারী ব্রিটিশ লাইট-ব্রিগেডের চার ভাগের তিন ভাগ হতাহত হয়েছিল। আমাদের মুক্তিযুদ্ধকালে কামালপুর যুদ্ধে বা সালদা নদীর যুদ্ধে বা আখাউড়ার যুদ্ধে উভয় পক্ষের হতাহতের সংখ্যা উচ্চ মাত্রায় ছিল। কিন্তু ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে নিষ্ঠুরতার সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে। পিলখানা কোনো যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না, কর্মকর্তারা নিরস্ত্র ছিলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে অথবা ১৯৭৭-এর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বগুড়া ও ঢাকায় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু দিনদুপুরে, প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে ৫৭ জন কর্মকর্তাকে হত্যা করার জন্য যেই কলঙ্কময় দুঃসাহস ওই দিনের পিলখানার বিডিয়ার সৈন্যরা প্রদর্শন করেছিল, সেটা অকল্পনীয়। তৎকালীণ সেনাবাহিনীর উচ্চতম কর্তৃপক্ষ অথবা বাংলাদেশের উচ্চতম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য (তথা বিদ্রোহ দমনের জন্য) সময়োচিত পদক্ষেপ নিয়েছিল কি না, সেটি একটি প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়। আমি কোনো জরিপের ফলাফল উদ্ধৃৃত করে বলতে পারব না, কিন্তু লাখ লাখ মানুষের মানসপটে প্রোথিত ধারণা হলো, সময়োচিত পদক্ষেপ কোনো মহলই নেয়নি। কেন করেনি তার জন্য কিছু ব্যাখ্যা এ দিকে-ও দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সম্প্রতি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম, ওই সময়ের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ নতুন করে বই লিখছেন, যেই বইয়ে তিনি ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারির নৃশংস ঘটনাবলির প্রসঙ্গে তার দায়ভার ব্যাখ্যা করবেন। আমি একজন সাবেক সেনাকর্মকর্তা হিসেবে ওই দিন বিদ্রোহীদের হাতে শহীদ হওয়া সব সেনাকর্মকর্তা ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারের রূহের মাগফেরাত কামনা করছি। ওই ৫৭ সেনাকর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজনই ছিল আমার হাতের ক্যাডেট।
উল্লেখ্য, আমি ১০ মে ১৯৯৩ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ১৯৯৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট ছিলাম। একজন কমান্ড্যান্টের কাছে তার হাতের ক্যাডেটরা অতি প্রিয় ও স্নেহভাজন হয়।
মোটিভ ছাড়া হত্যাকাণ্ড হয় কি?
পৃথিবীতে দেশে দেশে এবং যুগে যুগে ক্ষমতার জন্য, পিতা-পুত্র, মাতা-পুত্র, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-ভাই, এই বংশ বনাম ওই বংশ, বিভিন্ন মাত্রার যুদ্ধ করেছে বা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত কেউ বা ক্ষমতায় যেতে আগ্রহী কেউ তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপসারণ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে অথবা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিডিআরে কর্মরত কর্মকর্তারা কারো জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল কি না অথবা কারো জন্য হুমকি ছিল কি না সেটা তাৎক্ষণিক ও নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনে যেহেতু উদ্দেশ্য (মোটিভ) থাকতে বাধ্য, তাই পিলখান হত্যাকাণ্ডের পেছনে কার পক্ষ থেকে কী মোটিভ থাকতে পারে, সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। রাশিয়ার বিখ্যাত সাবেক স্বৈরশাসক জোসেফ স্টালিনের শাসনামলের একটি ঘটনা উল্লেখ করছি- ১৯১৮ সালে যখন কমিউনিস্ট বিপ্লব সফল হয় তখন সাবেক ‘জার’-এর সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা তুখাচেভসকি কমিউনিস্ট সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তুখাচেভসকি মেধাবী-কর্মঠ কর্মকর্তা ছিলেন এবং নিজ গুণে তরতর করে ওপরের দিকে প্রমোশন পান। ১৯৩৫ সালে তিনি ‘মার্শাল অব দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন’ র্যাংক-এ ঊন্নীত হন। কিন্তু জোসেফ স্টালিন মেধাবীদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ এবং বৈরী ছিলেন। কারণ স্টালিন মনে করতেন যে, মেধাবীরা তাদের মেধা ব্যবহার করে স্টালিনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। তাই স্টালিন একটি সাজানো তদন্ত করিয়ে মার্শাল মিখাইল তুখাচেভসকি এবং আরো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। অভিযোগ হলো যে, এরা সোভিয়েত রাশিয়ার স্বার্থ লঙ্ঘন করে জার্মানির অনুকূলে কিছু কাজ করছেন। এই কর্মকর্তাদের ধরে তাদের ওপর অত্যাচার করে, তাদের মুখ দিয়ে সাজানো স্বীকৃতি আদায় করে আরো হাজার হাজার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ফাঁসানো হয়। এরপর তাদের একাধিক নিয়মে রুশ সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর অর্ধেকর বেশির কোনো খোঁজখবর পৃথিবী পায়নি। একটি মুদ্রিত সূত্র মোতাবেক, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছিল তাদের সংখ্যা নিম্নরূপ : মোট পাঁচজন মার্শালের মধ্যে তিনজন, পনেরোজন আর্মি-কমান্ডারের মধ্যে ১৩ জন, ৯ জন অ্যাডমিরালের মধ্যে আটজন, মোট ৫৪ জন আর্মি কোর-কমান্ডারের মধ্যে ৫০ জন, ১৮৬ জন ডিভিশন-কমান্ডারের মধ্যে ১৫৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মুদ্রিত সূত্রের মূল্যায়ন মোতাবেক, জার্মানির হিটলার মনে করেছিল- এত জ্যেষ্ঠ, দক্ষ, মেধাবী কর্মকর্তা যখন গায়েব হয়ে গেছে, তাহলে নিশ্চই সোভিয়েত আর্মি দুর্বল হয়ে গেছে; অতএব, সোভিয়েত রাশিয়াকে আক্রমণ করা যেতেই পারে। হিটলার রাশিয়া আক্রমণ করেছিল। জুনিয়ররা জ্যেষ্ঠ হয়ে জার্মানিকে প্রতিরোধ করতে সময় দিয়েছিল।
১৯৭৪-এর কয়েকটি তারিখ
১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য ও বৈদেশিকমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান কর্তৃক মন্ত্রিপরিষদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র পেশ করেন এবং তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : বাণিজ্যমন্ত্রী পদে খন্দকার মোশতাক আহমেদ স্থলাভিষিক্ত। ২৩-২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কর্তৃক পকিস্তানের লাহোর মহানগরীতে ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ। ২৭ জুন ১৯৭৪ : তিন দিনের সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় আসেন। ২৫ সেপ্টম্বর ১৯৭৪ : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক, জাতিসঙ্ঘে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ দেন। ২৮ ডিসেম্বর ১৯৭৪ : সারা দেশে জরুরি অবস্থা জারি। ধর্মঘট-লকআউট ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা; মৌলিক অধিকার স্থগিত।
১৯৭৫-এর কয়েকটি তারিখ
২ জানুয়ারি ১৯৭৫ : পুলিশের সাথে এক সংঘর্ষে (?) পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি প্রধান সিরাজ সিকদার নিহত হন। ৩ জানুয়ারি ১৯৭৫ : সরকার চোরাচালানি-কালোবাজারিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার লক্ষ্যে জরুরি ক্ষমতা আইন ১৯৭৫ ঘোষণা করে। ৬ জানুয়ারি ১৯৭৫ : সরকারি জরুরি ক্ষমতা আইন ১৯৭৫-এর আদেশ বলে জনসভা, জনসমাগম ও সব ধর্মঘট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ২১ জানুয়ারি ১৯৭৫ : আওয়ামী লীগ সংসদীয় কমিটির সমাপনী সভায় জাতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়। ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ : জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতি ও একদলীয় বা একমাত্র রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত। সংশোধনী বলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট পদে আসীন। ২৬ জানুয়ারি ১৯৭৫ : মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু কর্তৃক নতুনভাবে বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের অন্যতম মন্ত্রী মনসুর আলী প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে দায়িত্বভার নেন। ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৫ : জাসদপন্থী দৈনিক ‘গণকণ্ঠ’-এর কার্যালয় পুলিশ ‘সিজ’ করে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫ : বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামে নতুন জাতীয় রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন; বঙ্গবন্ধু দলের চেয়ারম্যান। অন্য সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ঘোষণা। ১৬ জুন ১৯৭৫ : সংবাদপত্র অর্ডিনেন্স ঘোষিত। শুধু চারটি দৈনিক যথা : বাংলাদেশ অবজারভার, বাংলাদেশ টাইমস, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক বাংলা এবং সারা দেশে শুধু ১২২টি ম্যাগাজিনের প্রকাশনা অব্যাহত থাকবে; অন্য সব পত্রিকা ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা বন্ধ। ১২ আগস্ট ১৯৭৫ : প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলী যশোর ক্যান্টনমেন্টে দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সামরিক বাহিনীকে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ : অতি ভোরে সামরিক বাহিনীর একটি ক্ষুদ্র অংশ পরিচালিত ক্যু-দ্য-তার ফলে বঙ্গবন্ধু নিহত তথা শহীদ হন। বঙ্গবন্ধু ক্যাবিনেটের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন; দেশে সামরিক আইন জারি করেন; বিগত তথা বঙ্গবন্ধু সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ক্যাবিনেটের দশজন মন্ত্রী ও ছয়জন প্রতিমন্ত্রী পুনর্বহাল; খন্দকার মোশতাকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। ১৭ আগস্ট ১৯৭৫ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলীর সাথে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ। ২০ আগস্ট ১৯৭৫ : বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ। ২৪ আগস্ট ১৯৭৫ : মেজর জেনারেল সফিউল্লাহর স্থলে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান নতুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত। ১ সেপ্টম্বর ১৯৭৫ : বাকশাল পদ্ধতি রহিত। ৫ অক্টোবর ১৯৭৫ : জাতীয় রক্ষীবাহিনী তথা সংক্ষেপে জেআরবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একীভূত করার জন্য আদেশ জারি। ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ : অতি প্রত্যুষে, তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ বীর উত্তমের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশের ক্যু-দ্য-তা সংঘটিত; সেনাবাহিনীপ্রধান জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে গৃহবন্দী করা হয়; কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা নিহত। ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ : ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ সেনাবাহিনী প্রধান হন। ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ : প্রধান বিচারপতি এ এস এম সায়েম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : তারিখ শুরু হওয়ার সাথে সাথে জাসদপন্থী গোপন সৈনিক সংস্থার উদ্যোগে সৈনিক বিপ্লøব শুরু। রাতের অন্ধকারে ঢাকা সেনানিবাসের বিভিন্ন স্থানে বিপ্লবী সৈনিকদের হাতে বা জাসদপন্থী বিদ্রোহী সৈনিকদের হাতে মহিলা ডাক্তারসহ ১১ জন সেনাকর্মকর্তা নিহত। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : সৈনিক জনতার বিপ্লব; মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম আবার সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নেন।
১৯৭৬-এর কয়েকটি তারিখ
৩ মার্চ ১৯৭৬ : বাঙালি জাতীয়তার পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তা আখ্যায়িত করার নির্দেশ। ২২ মার্চ ১৯৭৬ : নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণের খসড়া প্রণীত। ২৮ মে ১৯৭৬ : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের পৃথকীকরণ প্রসঙ্গে আদেশ জারি। ২৮ জুন ১৯৭৬ : নির্বাচনী এলাকার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। ৩০ জুন ১৯৭৬ : সংবাদপত্র ডিক্লারেশন বাতিল আদেশ রহিত ঘোষণা। ২৮ জুলাই ১৯৭৬ : রাজনৈতিক বিধি জারি। ৩০ জুলাই ১৯৭৬ : ঘরোয়া রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু। ৪ আগস্ট ১৯৭৬ : রাজনৈতিক দল গঠনের বিস্তারিত নিতিমালা প্রকাশ। ১৩ সেপ্টম্বর ১৯৭৬ : ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে সরকারি শ্বেতপত্র প্রকাশ। ১ নভেম্বর ১৯৭৬ : যশোরে যদুনাথপুর বেতনা নদীতে স্বেচ্ছাশ্রমে, খাল খননকাজ উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। ৪ নভেম্বর ১৯৭৬ : রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের অনুমোদন লাভ। ২৯ নভেম্বর ১৯৭৬ : প্রেসিডেন্ট সায়েম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের বরাবরে হস্তান্তর করেন।
১৯৭৭-১৯৭৮-এর কয়েকটি তারিখ
২২ এপ্রিল ১৯৭৭ : জাতীর উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট জিয়ার ভাষণ। কয়েকটি ঘোষণা : ৩০ মে ১৯৭৭: গণভোট, ডিসেম্বর ১৯৭৮ নির্বাচন। ৩০ এপ্রিল ১৯৭৭ : জাতির উদ্দেশে জিয়াউর রহমান সমৃদ্ধির ১৯ দফা নীতি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২৫ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : দীর্ঘ ১৩ বছর পর ঢাকা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ২৮ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : ছিনতাই করা একটি জাপানি বিমানের ১৫৬ জন আরোহীসহ ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ। ২৯ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : নয়াদিল্লিতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি অনুস্বাক্ষরিত। ৩০ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : বগুড়া সেনানিবাসে সৈনিক বিদ্রোহ বা গোলযোগ। ১ অক্টোবর ১৯৭৭ : বিমান ছিনতাই ঘটনা : পারস্পরিকভাবে শর্ত পূরণ। ২ অক্টোবর ১৯৭৭ : ঢাকা সেনানিবাসে সৈন্যদের মধ্যে গুলিবিনিময়। ঢাকা মহানগরির বিভিন্ন এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ। ঢাকা বিমানবন্দরে কর্তব্যরত অবস্থায় বিমানবাহিনীর ১১ জন কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর ১০ ব্যক্তি নিহত। সেনাবাহিনীর ৪০ জন আহত। ২ অক্টোবর ১৯৭৭ : চিনতাই নাটকের অবসান। ১৭ অক্টোবর ১৯৭৭ : বগুড়া ও ঢাকার ঘটনা তদন্তে বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৭ : জাতির উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট জিয়ার ৯৫ মিনিটব্যাপী ভাষণ, নয়া রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত। ৯ এপ্রিল ১৯৭৮ : জিয়াউর রহমান নতুন রাজনৈতিক দলে যোগদানের কথা ঘোষণা করেন। ২২ এপ্রিল ১৯৭৮ : ১ মে থেকে রাজনৈতিক সভা করার অনুমতি দান। ১ মে ১৯৭৮ : জিয়াউর রহমানকে চেয়ারম্যান করে ৬-দলের জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠিত। ৩ জুন ১৯৭৮ : বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বিপুল ভোটে জিয়াউর রহমানের জয়লাভ। ১ সেপ্টম্বর ১৯৭৮ : প্রেসিডেন্ট জিয়া নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করেন।
১৯৭৯ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত কয়েকটি তারিখ
১৯ এপ্রিল ১৯৭৯ : চট্টগ্রাম মহানগরে প্রেসিডেন্ট বিপ্লব উদ্যান উদ্বোধন করেন। ২৭ নভেম্বর ১৯৭৯ : ১৯৭৪ সালে ঘোষিত জরুরি অবস্থার অবসান; স্থগিত মৌলিক অধিকার পুনর্বহাল। ২ জানুয়ারি ১৯৮০ : মন্ত্রিপরিষদ থেকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে অব্যাহতি দান। ১৭ মে ১৯৮১ : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কমবেশি ছয় বছর পর বাংলাদেশে ফেরত আসেন। ৩০ মে ১৯৮১ : চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে অতি প্রত্যুষে, বিদ্রোহী সেনাসদস্যদের গুলিতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হন তথা শাহাদতবরণ করেন। ১২ জুন ১৯৮১ : শেখ হাসিনার কাছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি হস্তান্তর। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ : রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার দুর্নীতিবাজ মন্ত্রিসভা বাতিল ঘোষণা। ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ : ১৮ সদস্যবিশিষ্ট নয়া মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ। ২৪ মার্চ ১৯৮২ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে, ক্যু-দ্য-তা সংঘটিত; নির্বাচিত সরকার অপসারিত; সারা দেশে সামরিক আইন জারি; রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ; জেনারেল এরশাদের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ। ২৭ মাচ ১৯৮২ : রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি এ এফ এম আহসানউদ্দিন চৌধুরীর শপথ গ্রহণ। ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৩ : প্রেসিডেন্ট আহসানউদ্দিন চৌধুরীর পদত্যাগ ও জেনারেল এরশাদ কর্তৃক প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ। ১ জানুয়ারি ১৯৮৬ : নয়া রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় পার্টি’ গঠিত। ৭ মে ১৯৮৬ : তৃতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ৪ সেপ্টম্বর ১৯৮৬ : সেনাবাহিনী থেকে প্রেসিডেন্ট এরশাদের অবসর গ্রহণ। ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ : দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা। সব সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ। সরাকারি আদেশ অমান্য করা শুরু ব্যাপকভাবে। ৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ : গণ-অভ্যুত্থান। ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ : রাষ্ট্রপতি এরশাদের পদত্যাগ; প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ১২ আগস্ট ১৯৯১ : সংবিধান সংশোধনী প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য ১৫ সেপ্টম্বর ১৯৯১ তারিখটি নির্ধারিত হয়। ১৫ সেপ্টম্বর ১৯৯১ : গণভোট অনুষ্ঠিত। হ্যাঁ ভোট=৮৪.৪২ ভাগ। অর্থাৎ ১৯৭৫-এর জানুয়ারি থেকে চলে আসা প্রেসিডেন্সিয়াল বা রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকারের বদলে পার্লামেন্টারি বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বহাল করার জন্য বাংলাদেশ সংবিধানে প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী দেশে গণভোট বা রেফারেন্ডাম অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল।
উপসংহার
এবারের কলামটিতে আমি আবেদন করেছি, চিন্তাশীল তরুণেরা যেন চিন্তা করেন। চিন্তা করা একটি কঠিন কাজ, যদি অভ্যাস না থাকে। নিজে চিন্তা করে কোনো উপসংহারে পৌঁছলে তা মানুষের মনে স্থিতিশীল হয় বেশি।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব.); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু দ্বিমুখী। প্রথমে, পিলখানায় সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে লিখব। আজ বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সাত বছর আগে, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে ঢাকা মহানগরের পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস তথা বিডিআর সদর দফতরে একটি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। অনেকের কাছে এটা একটি বিছিন্ন ঘটনা, আবার অনেকের কাছে অপ্রকাশ্যভাবে এই ঘটনার সাথে অতীতের যোগসূত্র আছে। তাই আমি প্রস্তাব করছি, পাঠক যেন নিজেই কষ্ট করে চিন্তা করেন। দেশ নিয়ে চিন্তা করলে দেশপ্রেম গভীর হয়। দ্বিতীয়ত, এই চিন্তায় সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তারিখের মধ্য থেকে কয়েকটি মাত্র গুরুত্বপূর্ণ তারিখের কথা পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করব। পিলখানার ঘটনা কতটুকু পরিকল্পিত অথবা কতটুকু কাকতালীয়, সেই প্রসঙ্গে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করার সপক্ষে দালিলিক প্রমাণ (ইংরেজি পরিভাষায় : ডকুমেন্টারি এভিডেন্স) আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকের হাতে মজুদ নেই; মজুদ থাকার কথাও নয়। কিন্তু আমার মতো সাধারণ লাখ লাখ নাগরিক মানসিক অশান্তি ও অস্বস্তিতে আছে এই মর্মে যে, পিলখানার ঘটনার পেছনে দেশের ভেতরে বা দেশের বাইরের কে বা কারা জড়িত বা জড়িত না, সেটা সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে জনগণের কাছে উপস্থাপিত হয়নি। জনগণের মনে আরো একটি অস্বস্তি কাজ করে এই মর্মে যে, ঘটনাটির তদন্ত আদৌ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কি না? বলে রাখা প্রয়োজন যে, কলামের দ্বিতীয় অংশে তারিখগুলো উপস্থাপন করতে গিয়ে আমি বাংলাদেশের অন্যতম সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং অন্যতম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান লিখিত বা সঙ্কলিত একটি বই যার নাম- ‘বাংলাদেশের তারিখ’ (প্রকাশ ১৯৯৮) থেকে নিবিড় সহায়তা নিয়েছি। আশা করি, সম্মানিত পাঠকদের মধ্যে যারা চিন্তাশীল তরুণ, তারা একটি তারিখের সাথে আরেকটি তারিখ মিলিয়ে মিলিয়ে নিজের মতো করে, নিজের মনের ভেতরে, উপসংহার টানবেন।
নৃশংসতায় ও সংখ্যায় অতুলনীয়
পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য হত্যাকাণ্ড। যুদ্ধের ময়দানে, এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর আক্রমণ পরিচালনা করে। এতে হতাহত হতে বাধ্য। ছোট, মাঝারি বা বড় অপারেশনে বিভিন্ন মাত্রার হতাহতের ঘটনা ঘটে। এখন থেকে আনুমানিক ১৫৫ বছর আগে ক্রিমিয়ার যুদ্ধে একটি অপারেশনে আক্রমণকারী ব্রিটিশ লাইট-ব্রিগেডের চার ভাগের তিন ভাগ হতাহত হয়েছিল। আমাদের মুক্তিযুদ্ধকালে কামালপুর যুদ্ধে বা সালদা নদীর যুদ্ধে বা আখাউড়ার যুদ্ধে উভয় পক্ষের হতাহতের সংখ্যা উচ্চ মাত্রায় ছিল। কিন্তু ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে নিষ্ঠুরতার সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে। পিলখানা কোনো যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না, কর্মকর্তারা নিরস্ত্র ছিলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ তারিখে অথবা ১৯৭৭-এর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বগুড়া ও ঢাকায় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু দিনদুপুরে, প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে ৫৭ জন কর্মকর্তাকে হত্যা করার জন্য যেই কলঙ্কময় দুঃসাহস ওই দিনের পিলখানার বিডিয়ার সৈন্যরা প্রদর্শন করেছিল, সেটা অকল্পনীয়। তৎকালীণ সেনাবাহিনীর উচ্চতম কর্তৃপক্ষ অথবা বাংলাদেশের উচ্চতম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য (তথা বিদ্রোহ দমনের জন্য) সময়োচিত পদক্ষেপ নিয়েছিল কি না, সেটি একটি প্রশ্নসাপেক্ষ বিষয়। আমি কোনো জরিপের ফলাফল উদ্ধৃৃত করে বলতে পারব না, কিন্তু লাখ লাখ মানুষের মানসপটে প্রোথিত ধারণা হলো, সময়োচিত পদক্ষেপ কোনো মহলই নেয়নি। কেন করেনি তার জন্য কিছু ব্যাখ্যা এ দিকে-ও দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সম্প্রতি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম, ওই সময়ের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ নতুন করে বই লিখছেন, যেই বইয়ে তিনি ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারির নৃশংস ঘটনাবলির প্রসঙ্গে তার দায়ভার ব্যাখ্যা করবেন। আমি একজন সাবেক সেনাকর্মকর্তা হিসেবে ওই দিন বিদ্রোহীদের হাতে শহীদ হওয়া সব সেনাকর্মকর্তা ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারের রূহের মাগফেরাত কামনা করছি। ওই ৫৭ সেনাকর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজনই ছিল আমার হাতের ক্যাডেট।
উল্লেখ্য, আমি ১০ মে ১৯৯৩ তারিখ থেকে ডিসেম্বর ১৯৯৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট ছিলাম। একজন কমান্ড্যান্টের কাছে তার হাতের ক্যাডেটরা অতি প্রিয় ও স্নেহভাজন হয়।
মোটিভ ছাড়া হত্যাকাণ্ড হয় কি?
পৃথিবীতে দেশে দেশে এবং যুগে যুগে ক্ষমতার জন্য, পিতা-পুত্র, মাতা-পুত্র, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-ভাই, এই বংশ বনাম ওই বংশ, বিভিন্ন মাত্রার যুদ্ধ করেছে বা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়েছে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত কেউ বা ক্ষমতায় যেতে আগ্রহী কেউ তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপসারণ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে অথবা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিডিআরে কর্মরত কর্মকর্তারা কারো জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল কি না অথবা কারো জন্য হুমকি ছিল কি না সেটা তাৎক্ষণিক ও নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু যেকোনো হত্যাকাণ্ডের পেছনে যেহেতু উদ্দেশ্য (মোটিভ) থাকতে বাধ্য, তাই পিলখান হত্যাকাণ্ডের পেছনে কার পক্ষ থেকে কী মোটিভ থাকতে পারে, সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। রাশিয়ার বিখ্যাত সাবেক স্বৈরশাসক জোসেফ স্টালিনের শাসনামলের একটি ঘটনা উল্লেখ করছি- ১৯১৮ সালে যখন কমিউনিস্ট বিপ্লব সফল হয় তখন সাবেক ‘জার’-এর সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা তুখাচেভসকি কমিউনিস্ট সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তুখাচেভসকি মেধাবী-কর্মঠ কর্মকর্তা ছিলেন এবং নিজ গুণে তরতর করে ওপরের দিকে প্রমোশন পান। ১৯৩৫ সালে তিনি ‘মার্শাল অব দ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন’ র্যাংক-এ ঊন্নীত হন। কিন্তু জোসেফ স্টালিন মেধাবীদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ এবং বৈরী ছিলেন। কারণ স্টালিন মনে করতেন যে, মেধাবীরা তাদের মেধা ব্যবহার করে স্টালিনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। তাই স্টালিন একটি সাজানো তদন্ত করিয়ে মার্শাল মিখাইল তুখাচেভসকি এবং আরো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। অভিযোগ হলো যে, এরা সোভিয়েত রাশিয়ার স্বার্থ লঙ্ঘন করে জার্মানির অনুকূলে কিছু কাজ করছেন। এই কর্মকর্তাদের ধরে তাদের ওপর অত্যাচার করে, তাদের মুখ দিয়ে সাজানো স্বীকৃতি আদায় করে আরো হাজার হাজার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ফাঁসানো হয়। এরপর তাদের একাধিক নিয়মে রুশ সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর অর্ধেকর বেশির কোনো খোঁজখবর পৃথিবী পায়নি। একটি মুদ্রিত সূত্র মোতাবেক, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছিল তাদের সংখ্যা নিম্নরূপ : মোট পাঁচজন মার্শালের মধ্যে তিনজন, পনেরোজন আর্মি-কমান্ডারের মধ্যে ১৩ জন, ৯ জন অ্যাডমিরালের মধ্যে আটজন, মোট ৫৪ জন আর্মি কোর-কমান্ডারের মধ্যে ৫০ জন, ১৮৬ জন ডিভিশন-কমান্ডারের মধ্যে ১৫৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মুদ্রিত সূত্রের মূল্যায়ন মোতাবেক, জার্মানির হিটলার মনে করেছিল- এত জ্যেষ্ঠ, দক্ষ, মেধাবী কর্মকর্তা যখন গায়েব হয়ে গেছে, তাহলে নিশ্চই সোভিয়েত আর্মি দুর্বল হয়ে গেছে; অতএব, সোভিয়েত রাশিয়াকে আক্রমণ করা যেতেই পারে। হিটলার রাশিয়া আক্রমণ করেছিল। জুনিয়ররা জ্যেষ্ঠ হয়ে জার্মানিকে প্রতিরোধ করতে সময় দিয়েছিল।
১৯৭৪-এর কয়েকটি তারিখ
১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য ও বৈদেশিকমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান কর্তৃক মন্ত্রিপরিষদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র পেশ করেন এবং তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : বাণিজ্যমন্ত্রী পদে খন্দকার মোশতাক আহমেদ স্থলাভিষিক্ত। ২৩-২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কর্তৃক পকিস্তানের লাহোর মহানগরীতে ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ। ২৭ জুন ১৯৭৪ : তিন দিনের সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় আসেন। ২৫ সেপ্টম্বর ১৯৭৪ : প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক, জাতিসঙ্ঘে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ দেন। ২৮ ডিসেম্বর ১৯৭৪ : সারা দেশে জরুরি অবস্থা জারি। ধর্মঘট-লকআউট ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা; মৌলিক অধিকার স্থগিত।
১৯৭৫-এর কয়েকটি তারিখ
২ জানুয়ারি ১৯৭৫ : পুলিশের সাথে এক সংঘর্ষে (?) পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি প্রধান সিরাজ সিকদার নিহত হন। ৩ জানুয়ারি ১৯৭৫ : সরকার চোরাচালানি-কালোবাজারিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার লক্ষ্যে জরুরি ক্ষমতা আইন ১৯৭৫ ঘোষণা করে। ৬ জানুয়ারি ১৯৭৫ : সরকারি জরুরি ক্ষমতা আইন ১৯৭৫-এর আদেশ বলে জনসভা, জনসমাগম ও সব ধর্মঘট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ২১ জানুয়ারি ১৯৭৫ : আওয়ামী লীগ সংসদীয় কমিটির সমাপনী সভায় জাতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়। ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ : জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতি ও একদলীয় বা একমাত্র রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত। সংশোধনী বলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট পদে আসীন। ২৬ জানুয়ারি ১৯৭৫ : মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু কর্তৃক নতুনভাবে বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের অন্যতম মন্ত্রী মনসুর আলী প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে দায়িত্বভার নেন। ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৫ : জাসদপন্থী দৈনিক ‘গণকণ্ঠ’-এর কার্যালয় পুলিশ ‘সিজ’ করে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫ : বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামে নতুন জাতীয় রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন; বঙ্গবন্ধু দলের চেয়ারম্যান। অন্য সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ঘোষণা। ১৬ জুন ১৯৭৫ : সংবাদপত্র অর্ডিনেন্স ঘোষিত। শুধু চারটি দৈনিক যথা : বাংলাদেশ অবজারভার, বাংলাদেশ টাইমস, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক বাংলা এবং সারা দেশে শুধু ১২২টি ম্যাগাজিনের প্রকাশনা অব্যাহত থাকবে; অন্য সব পত্রিকা ও ম্যাগাজিন প্রকাশনা বন্ধ। ১২ আগস্ট ১৯৭৫ : প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলী যশোর ক্যান্টনমেন্টে দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সামরিক বাহিনীকে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ : অতি ভোরে সামরিক বাহিনীর একটি ক্ষুদ্র অংশ পরিচালিত ক্যু-দ্য-তার ফলে বঙ্গবন্ধু নিহত তথা শহীদ হন। বঙ্গবন্ধু ক্যাবিনেটের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন; দেশে সামরিক আইন জারি করেন; বিগত তথা বঙ্গবন্ধু সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ক্যাবিনেটের দশজন মন্ত্রী ও ছয়জন প্রতিমন্ত্রী পুনর্বহাল; খন্দকার মোশতাকের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। ১৭ আগস্ট ১৯৭৫ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলীর সাথে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ। ২০ আগস্ট ১৯৭৫ : বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ। ২৪ আগস্ট ১৯৭৫ : মেজর জেনারেল সফিউল্লাহর স্থলে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান নতুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত। ১ সেপ্টম্বর ১৯৭৫ : বাকশাল পদ্ধতি রহিত। ৫ অক্টোবর ১৯৭৫ : জাতীয় রক্ষীবাহিনী তথা সংক্ষেপে জেআরবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একীভূত করার জন্য আদেশ জারি। ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ : অতি প্রত্যুষে, তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ বীর উত্তমের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশের ক্যু-দ্য-তা সংঘটিত; সেনাবাহিনীপ্রধান জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে গৃহবন্দী করা হয়; কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা নিহত। ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ : ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ সেনাবাহিনী প্রধান হন। ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ : প্রধান বিচারপতি এ এস এম সায়েম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : তারিখ শুরু হওয়ার সাথে সাথে জাসদপন্থী গোপন সৈনিক সংস্থার উদ্যোগে সৈনিক বিপ্লøব শুরু। রাতের অন্ধকারে ঢাকা সেনানিবাসের বিভিন্ন স্থানে বিপ্লবী সৈনিকদের হাতে বা জাসদপন্থী বিদ্রোহী সৈনিকদের হাতে মহিলা ডাক্তারসহ ১১ জন সেনাকর্মকর্তা নিহত। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ : সৈনিক জনতার বিপ্লব; মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম আবার সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নেন।
১৯৭৬-এর কয়েকটি তারিখ
৩ মার্চ ১৯৭৬ : বাঙালি জাতীয়তার পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তা আখ্যায়িত করার নির্দেশ। ২২ মার্চ ১৯৭৬ : নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণের খসড়া প্রণীত। ২৮ মে ১৯৭৬ : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের পৃথকীকরণ প্রসঙ্গে আদেশ জারি। ২৮ জুন ১৯৭৬ : নির্বাচনী এলাকার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। ৩০ জুন ১৯৭৬ : সংবাদপত্র ডিক্লারেশন বাতিল আদেশ রহিত ঘোষণা। ২৮ জুলাই ১৯৭৬ : রাজনৈতিক বিধি জারি। ৩০ জুলাই ১৯৭৬ : ঘরোয়া রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু। ৪ আগস্ট ১৯৭৬ : রাজনৈতিক দল গঠনের বিস্তারিত নিতিমালা প্রকাশ। ১৩ সেপ্টম্বর ১৯৭৬ : ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে সরকারি শ্বেতপত্র প্রকাশ। ১ নভেম্বর ১৯৭৬ : যশোরে যদুনাথপুর বেতনা নদীতে স্বেচ্ছাশ্রমে, খাল খননকাজ উদ্বোধন করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। ৪ নভেম্বর ১৯৭৬ : রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের অনুমোদন লাভ। ২৯ নভেম্বর ১৯৭৬ : প্রেসিডেন্ট সায়েম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের বরাবরে হস্তান্তর করেন।
১৯৭৭-১৯৭৮-এর কয়েকটি তারিখ
২২ এপ্রিল ১৯৭৭ : জাতীর উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট জিয়ার ভাষণ। কয়েকটি ঘোষণা : ৩০ মে ১৯৭৭: গণভোট, ডিসেম্বর ১৯৭৮ নির্বাচন। ৩০ এপ্রিল ১৯৭৭ : জাতির উদ্দেশে জিয়াউর রহমান সমৃদ্ধির ১৯ দফা নীতি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২৫ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : দীর্ঘ ১৩ বছর পর ঢাকা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ২৮ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : ছিনতাই করা একটি জাপানি বিমানের ১৫৬ জন আরোহীসহ ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ। ২৯ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : নয়াদিল্লিতে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি অনুস্বাক্ষরিত। ৩০ সেপ্টম্বর ১৯৭৭ : বগুড়া সেনানিবাসে সৈনিক বিদ্রোহ বা গোলযোগ। ১ অক্টোবর ১৯৭৭ : বিমান ছিনতাই ঘটনা : পারস্পরিকভাবে শর্ত পূরণ। ২ অক্টোবর ১৯৭৭ : ঢাকা সেনানিবাসে সৈন্যদের মধ্যে গুলিবিনিময়। ঢাকা মহানগরির বিভিন্ন এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গ। ঢাকা বিমানবন্দরে কর্তব্যরত অবস্থায় বিমানবাহিনীর ১১ জন কর্মকর্তা ও সেনাবাহিনীর ১০ ব্যক্তি নিহত। সেনাবাহিনীর ৪০ জন আহত। ২ অক্টোবর ১৯৭৭ : চিনতাই নাটকের অবসান। ১৭ অক্টোবর ১৯৭৭ : বগুড়া ও ঢাকার ঘটনা তদন্তে বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৭ : জাতির উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট জিয়ার ৯৫ মিনিটব্যাপী ভাষণ, নয়া রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত। ৯ এপ্রিল ১৯৭৮ : জিয়াউর রহমান নতুন রাজনৈতিক দলে যোগদানের কথা ঘোষণা করেন। ২২ এপ্রিল ১৯৭৮ : ১ মে থেকে রাজনৈতিক সভা করার অনুমতি দান। ১ মে ১৯৭৮ : জিয়াউর রহমানকে চেয়ারম্যান করে ৬-দলের জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠিত। ৩ জুন ১৯৭৮ : বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বিপুল ভোটে জিয়াউর রহমানের জয়লাভ। ১ সেপ্টম্বর ১৯৭৮ : প্রেসিডেন্ট জিয়া নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করেন।
১৯৭৯ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত কয়েকটি তারিখ
১৯ এপ্রিল ১৯৭৯ : চট্টগ্রাম মহানগরে প্রেসিডেন্ট বিপ্লব উদ্যান উদ্বোধন করেন। ২৭ নভেম্বর ১৯৭৯ : ১৯৭৪ সালে ঘোষিত জরুরি অবস্থার অবসান; স্থগিত মৌলিক অধিকার পুনর্বহাল। ২ জানুয়ারি ১৯৮০ : মন্ত্রিপরিষদ থেকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে অব্যাহতি দান। ১৭ মে ১৯৮১ : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কমবেশি ছয় বছর পর বাংলাদেশে ফেরত আসেন। ৩০ মে ১৯৮১ : চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে অতি প্রত্যুষে, বিদ্রোহী সেনাসদস্যদের গুলিতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হন তথা শাহাদতবরণ করেন। ১২ জুন ১৯৮১ : শেখ হাসিনার কাছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি হস্তান্তর। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ : রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার দুর্নীতিবাজ মন্ত্রিসভা বাতিল ঘোষণা। ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ : ১৮ সদস্যবিশিষ্ট নয়া মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ। ২৪ মার্চ ১৯৮২ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে, ক্যু-দ্য-তা সংঘটিত; নির্বাচিত সরকার অপসারিত; সারা দেশে সামরিক আইন জারি; রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ; জেনারেল এরশাদের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ। ২৭ মাচ ১৯৮২ : রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি এ এফ এম আহসানউদ্দিন চৌধুরীর শপথ গ্রহণ। ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৩ : প্রেসিডেন্ট আহসানউদ্দিন চৌধুরীর পদত্যাগ ও জেনারেল এরশাদ কর্তৃক প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ। ১ জানুয়ারি ১৯৮৬ : নয়া রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় পার্টি’ গঠিত। ৭ মে ১৯৮৬ : তৃতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ৪ সেপ্টম্বর ১৯৮৬ : সেনাবাহিনী থেকে প্রেসিডেন্ট এরশাদের অবসর গ্রহণ। ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ : দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা। সব সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ। সরাকারি আদেশ অমান্য করা শুরু ব্যাপকভাবে। ৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ : গণ-অভ্যুত্থান। ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ : রাষ্ট্রপতি এরশাদের পদত্যাগ; প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ১২ আগস্ট ১৯৯১ : সংবিধান সংশোধনী প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য ১৫ সেপ্টম্বর ১৯৯১ তারিখটি নির্ধারিত হয়। ১৫ সেপ্টম্বর ১৯৯১ : গণভোট অনুষ্ঠিত। হ্যাঁ ভোট=৮৪.৪২ ভাগ। অর্থাৎ ১৯৭৫-এর জানুয়ারি থেকে চলে আসা প্রেসিডেন্সিয়াল বা রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকারের বদলে পার্লামেন্টারি বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বহাল করার জন্য বাংলাদেশ সংবিধানে প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী দেশে গণভোট বা রেফারেন্ডাম অনুষ্ঠিত করা হয়েছিল।
উপসংহার
এবারের কলামটিতে আমি আবেদন করেছি, চিন্তাশীল তরুণেরা যেন চিন্তা করেন। চিন্তা করা একটি কঠিন কাজ, যদি অভ্যাস না থাকে। নিজে চিন্তা করে কোনো উপসংহারে পৌঁছলে তা মানুষের মনে স্থিতিশীল হয় বেশি।
লেখক : মেজর জেনারেল (অব.); চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ▼ 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment