Wednesday, May 30, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
সোনালি আঁশের দিনবদল হবে কি? সোনালি আঁশের দেশ বাংলাদেশ। অথচ সেই সোনালি আঁশ চলে গিয়েছিল বিলুপ্তির পথে—কিন্তু আমরা আবার স্বপ্ন দেখছি। বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাটের জিন-নকশা উন্মোচন করে উন্মুক্ত করেছেন স্বপ্নের দুয়ার। অর্জন করেছেন বিরাট সাফল্য।
তাঁর এই সাফল্য আজ পাটের সম্ভাবনা বিস্তৃতির মাধ্যমে হারানো গৌরব আবার ফিরে পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এ সবই আমাদের জন্য এক আনন্দ।
আমাদের দেশের জমি পাটের ফলনের উপযোগী। আর তাই পাটের ফলনের ওপর আমাদের অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পাটবিষয়ক যেকোনো উন্নয়নে তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিতান্ত জরুরি। কৃষিমন্ত্রী এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে মাকসুদুল আলমের গবেষণা এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছেন। আমরা এই প্রয়াস আর এই সাফল্যকে অভিবাদন জানাই।
পাটজাত পণ্য পরিবেশবান্ধব। পরিবেশ বিষয়ে যেখানে সারা বিশ্বের মানুষ সচেতন হচ্ছে, সেখানে পাট খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রচুর। এ জন্য পাটশিল্পের হূতগৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য এ শিল্প বিষয়ে সরকারের নীতির পরিবর্তন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
পণ্যের মোড়কে পাটের ব্যবহার বাধ্যতামূলক—এই উদ্যোগও অত্যন্ত কার্যকর ও প্রশংসনীয়। পাটজাত পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার বৃদ্ধি এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করবে নানাভাবে, বাড়াবে কৃষকের আয়, তৈরি হবে কর্মসংস্থান, আসবে বৈদেশিক মুদ্রা।
তাই শুধু পণ্যের মোড়কে নয়, অন্য যেসব ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার সম্ভব তার প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব দায়িত্ব সরকারের একার নয়, আমাদের সবার। সবার মধ্যে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর আগ্রহ তৈরি করতে হবে। তবেই ঘটবে পাটবিষয়ক সত্যিকার দিনবদল।
বন্দনা আমীর, উত্তরা, ঢাকা।
২.
পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের যুগান্তকারী কাজ সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের অভিবাদন জানাই। কলাকৌশল, মেধায় আমরা এগিয়ে থাকলেও অর্থনৈতিক জোগান এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আমাদের মেধা কাজে লাগানোর সুযোগ তেমন ঘটে না। ঐকান্তিকভাবে মোবারকবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে। পত্রিকা মারফত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীকে খুঁজে দেশে ফিরিয়ে আনার যে তাগিদ মতিয়া চৌধুরী অনুভব করেছেন, সেখানেই তাঁর দেশপ্রেম এবং মূল্যবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীও যে ব্যাপারটি সঠিকভাবে অনুধাবন এবং মূল্যায়ন করেছেন সেটাও গভীরভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। যুগপৎ এ ধরনের সহযোগিতা না পেলে বিজ্ঞানীদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো কতটা সম্ভব হতো তা প্রশ্নসাপেক্ষ। আমাদের রাষ্ট্রপরিচালকেরা যদি সর্বদা এ পথে চলেন, আমার বিশ্বাস, মেধা বিকাশের পথ আরও প্রশস্ত হবে নিঃসন্দেহে। আমাদের দেশে আরও অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, সেগুলোর ওপরেও এ ধরনের গবেষণা জরুরি।
স্বল্প কৃষিজমির ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য খাদ্য জোগান রীতিমতো চ্যালেঞ্জ রূপে আমাদের দ্বারে উপনীত। বর্তমানেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে হিমশিম খেতে হয়। আমাদের দেশে বর্তমানে উৎপাদিত ধানের প্রচলিত জাতগুলোর (উফশী বা স্থানীয়) জীবনচক্রের ব্যাপ্তি ১২০ থেকে ১৫০ দিন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, কৃষকের সক্ষমতা, প্রাকৃতিক পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনায় উৎপাদন আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি অকৃষি জমিতে পরিণত হচ্ছে রাস্তাঘাট, শিল্প-কারখানা আর অবকাঠামো নির্মাণে। এ অবস্থায় সত্যিই এক ভয়ঙ্কর খাদ্যসংকট অপেক্ষা করছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য।
তাই আমাদের অনুসন্ধান চালাতে হবে, উচ্চফলনশীল ধানগুলোর জীবনচক্রের ব্যাপ্তি ৯০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে আনা যায় কি না! তাহলে দেশের বৃহত্তর এলাকায় বছরে একই জমিতে ধানের পর পর তিনটি ফসল করা সম্ভব হবে। এটা করা সম্ভব হলে দেশে খাদ্যের মোট উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপ্ত তরুণ বিজ্ঞানীরা পাটের ক্ষেত্রে যেভাবে সফল হয়েছেন, ধানের ক্ষেত্রেও একইভাবে সফল হবেন নিঃসন্দেহে। পাট গবেষণায় আমাদের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা অন্য আরও বহু ক্ষেত্রে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, যেভাবে পাটের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করে অসাধ্য সাধ্য করতে সহায়তা করেছেন, তেমনিভাবে ধানের জীবনচক্রের ব্যাপ্তি কমিয়ে আনতেও বিজ্ঞানীদের পৃষ্ঠপোষকতা করবেন। এ লক্ষ্যে আমরা সফল হলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে তথা খাদ্য নিরাপত্তায় আর কোনো বাধাই থাকবে না।
মো. নজরুল ইসলাম খান
মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞানী।
nikhan5594@yahoo.com
মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধা!
২৬ জুন অনুষ্ঠেয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনের আগে একটি বিষয়ের ফয়সালা হওয়া উচিত। সেটি হলো, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এই নির্বাচন হবে, না ভুয়া তালিকার ভিত্তিতে।
মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধা বাদ দেওয়ার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও তা কার্যকর হয়নি। জোট সরকারের আমলে প্রকাশিত গেজেটে ৫০ হাজার অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার কিছু অনিয়মের কথা তুলে ধরছি। তালা উপজেলায় খসড়া তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২৬৫ জন। এর মাঝে ১৩৫ জনই অমুক্তিযোদ্ধা। এদের মাঝে তিনজন রাজাকারও আছেন। আশাশুনি উপজেলায় ৩৪২ জন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ১৬৫। মুক্তিযোদ্ধা হাজি আবুল হোসেন গত নভেম্বরে উপজেলার অমুক্তিযোদ্ধার তালিকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে জমা দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্বাধীনতার পর এ উপজেলার কয়েকজন রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২৬৪ জন। এর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ৫০ জন। তিনজন রাজাকারও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। শ্যামনগর থানায় তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১৯৬ জন। এর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৫ জন। দেবহাটা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা সংখ্যা ২৯৫ জন, যাঁর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ৫০ জন। কলারোয়া থানায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকারও প্রায় অর্ধেক অমুক্তিযোদ্ধা। এসব তথ্য কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়া দুঃখজনক। অমুক্তিযোদ্ধাদের ভোটে কোনো নির্বাচন হলে কি সেটি মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল হবে, না অন্য কিছু?
মো. খলিলুর রহমান
নৌ-কমান্ডো ও গবেষক, সাতক্ষীরা।
ঘটনা ক্ষুদ্র কিন্তু তুচ্ছ নয়
বিশ্বকাপ ফুটবলের জোয়ারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বন্যা বইছে। নিজেদের ফুটবল দল না থাকুক, ফেবারিট দলের স্বপক্ষে সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। আমাদের দেশে হয়তো একটিও গ্রাম পাওয়া যাবে না, যেখানে বিশ্বকাপ ফুটবলের সমর্থকগোষ্ঠীর দেশের পতাকা উড়ছে না।
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরুর পর আমাদের সমাজজীবনের অনেক চিত্রই বদলে গেছে। শিক্ষায়তনগুলোতে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজ উদ্যোগে আয়োজিত পরীক্ষাগুলো খেলার আগে বা পরে নির্ধারণ করা হয়েছে। খানিকটা হলেও বাজার-হাটে এর প্রভাব পড়ছে। দোকানপাট খেলার সূচি অনুসরণে খোলা-বন্ধ রাখার একটা অলিখিত সংস্কৃতি অনুসরণ করছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে রিকশাওয়ালা পর্যন্ত এই সীমানার মধ্যে আটকে যাবে।
কেউ কেউ কদাচিৎ কী মনে করে ঢাউস আকারের (কোথাও কোথাও এর আকার ৫০ গজেরও অধিক) বিদেশি দলের পতাকার ওপর ব্যাকরণ-বিহীন মাপের ছোট্ট একটি বাংলাদেশের পতাকা বসিয়ে দিয়েছে। এটা বিসদৃশ এবং বাংলাদেশের জন্য অপমানজনক। বাংলাদেশের পতাকার এই দুরবস্থা দেখে একজন বিদেশি পর্যটক বিষয়টি সম্পর্কে আমার কাছে জানতে চাইলেন। জন পল নামের এই ভদ্রলোক জার্মানির বাসিন্দা। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কূটনৈতিক মিশন ছাড়া ভিন দেশের পতাকা ওড়ানো তোমার দেশে নিয়মসিদ্ধ কি না? সরকারের কি এতে সম্মতি আছে? আমি জানি না। এ আমার অজ্ঞতাই বলব। তবে আমি সাধারণভাবে যতটা বুঝি তাতে এটি গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধ।
ভিন দেশের পতাকা ওড়ানোর এ সংস্কৃতি আমাদের পতাকার গৌরবকে যে ম্লান করছে, তা বলাই বাহুল্য। এ বছরের ২৩ মে মুসা ইব্রাহীমরা যখন পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষদেশে লাল-সবুজের সমীকরণে তৈরি বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেশকে খানিকটা হলেও গৌরবান্বিত করে তুলে ধরেছেন, সেই প্রিয় পতাকার এ ধরনের অমর্যাদা কারও কাছেই নিশ্চয় কোনো গ্রহণযোগ্য আবেদন নিয়ে আসবে না। নিজেদের স্বাতন্ত্র্য আর পরিচয়কে সমুন্নত করতে পারস্যের অ্যাকেনিয়ন শাসকেরা খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০ অব্দে এই পতাকা উড্ডীনের রীতি বিশ্বে সূচনা করে। এক টুকরো কাপড় দিয়ে তৈরি একটি জাতীয় পতাকা তো বস্ত্রখণ্ড মাত্র নয়। তা তো একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা আর অহংকারের প্রতীক। সবুজ জমিনের লাল সূর্যের ওই পতাকা দক্ষিণ এশিয়ার এই ছোট্ট দেশটির বড় পরিচয়ের স্মারক। গোটা জাতির এ তো পবিত্র আমানত। উত্তেজনাকর এই বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশও শরিক হোক। কিন্তু তাই বলে দেশের মানসম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিয়ে নয়।
স্বাধীনতার পর চার দশক সময় কেটে গেল। স্বাধীনতার অন্তর্নিহিত সত্যের কথা এখনো দেশের সাধারণ মানুষেরা জানে না, বোঝে না। দেশকে কী করে ভালোবাসা যায়, তা তাদের জানানো হয়নি। সে দায়িত্ব তো দেশের সমাজপতি, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী, সরকার, সবার। আমরা সে দায়িত্ব কেউই পালন করিনি। করছি না বলেই এ ধরনের অজ্ঞতাপ্রসূত ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনা ক্ষুদ্র হলেও তুচ্ছ নয়। ভিনদেশি পতাকা ওড়ানোর নিয়মনীতি কী তা জনগণকে জানাতে হবে। সরকার ও তার প্রশাসনযন্ত্র কখনোই এই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।
ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী
গবেষক; অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
pr_saif@yahoo.com
দুগ্ধশিল্প বাঁচাতে চাই সঠিক নীতি
দুগ্ধশিল্প বাংলাদেশের কৃষির অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি উপখাত। কিন্তু বিগত বছরগুলোর মতোই ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে দুগ্ধশিল্প অবহেলিত রয়ে গেছে। ২০০৯ সালের এপ্রিল-মে মাসে দুধ না বিক্রি করতে পেরে রাগে-ক্ষোভে খামারিরা রাস্তায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ করেছিলেন। কিন্তু গত এক বছরে দুধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি করেনি। কয়েক সপ্তাহ ধরে বাঘাবাড়ী ঘাটের খামারিরা গড়ে সপ্তাহে অন্তত এক দিন দুধ বিক্রি করতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে বাজেটে গুঁড়োদুধ আমদানির ওপর কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফল হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে, তারা দুধ ক্রয় আরও কমিয়ে দেবে এবং উৎপাদনকারীরা দুধ বিক্রি করতে পারবেন না। অর্থাৎ ভ্রান্তনীতি আর শিল্পের অদক্ষতার দায় চিরায়ত নিয়মে বহন করতে হবে গরিব ক্ষুদ্র খামারিদের।
চাহিদার মাত্র এক-চতুর্থাংশ দুধ আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়। অথচ এ দেশের খামারিদের দুধ বিক্রি না করতে পেরে তা রাস্তায় ঢেলে ক্ষোভ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এ ঘটনা আমাদের ব্যথিত করে। বিশেষ করে বর্তমান সরকার যেখানে দেশীয় শিল্প রক্ষার জন্য এবং কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের কথা বলছে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ডেইরি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদের পাঁচজন সদস্য দেশীয় দুগ্ধশিল্পের বিকাশকে সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছেন। সংশ্লিষ্ট খামারি, বিজ্ঞানী আর ব্যবসায়ী মহল আশা করেছিল, এবারের বাজেটে তার প্রতিফলন ঘটবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেট সবাইকে আশাহত করেছে।
চলতি বছরের ২৬-২৭ মে বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় সব বক্তাই এক সুরে বলেছেন, শুধু খাদ্যনিরাপত্তা নয়, সময় এসেছে পুষ্টিনিরাপত্তার পরিকল্পনা করার। পুষ্টিনিরাপত্তা মানেই হলো প্রাণিজ প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ। এর দুই সপ্তাহ পরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে বাজেট। দেশীয় দুগ্ধশিল্প বিকাশের কোনো প্রস্তাবনা আমরা তাতে দেখছি না।
প্রশ্ন হলো, গুঁড়োদুধ আমদানির ওপর কর হ্রাস করাই কি শিশুখাদ্য জোগানের একমাত্র পন্থা? আমদানিকৃত, অনেক ক্ষেত্রে বিষাক্ত মেলামিনযুক্ত গুঁড়োদুধ শিশুর পুষ্টি পূরণে কতটা সহায়ক হবে?
দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপিত বাংলাদেশ ডেইরি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলকে কার্যকর করা জরুরি। এ জন্য বর্তমান বাজেটে বরাদ্দ রাখা উচিত। ডেইরি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল নিয়মিত আন্তর্জাতিক দুগ্ধবাজারের ওপর নজর রেখে তার ওপর পরিমিত কর ধার্য করার জন্য সরকারকে পরামর্শ দিতে পারবে। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির একটি রোডম্যাপ তারা তৈরি করবে।
গোখাদ্যের ওপর ধার্যকৃত ৩৩ শতাংশ ট্যারিফ তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। দুগ্ধ খামারের মোট দৈনন্দিন ব্যয়ের শতকরা ৬০-৭০ ভাগ ব্যয় হয় গোখাদ্যের পেছনে। দুধ উৎপাদন খরচ কমাতে হলে গোখাদ্য আমদানির ওপর কর হ্রাস করতে হবে। শস্যচাষিরা সারের ওপর ভর্তুকি পেয়েছেন, তাঁরা শস্য উৎপাদনে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন। একই রূপ ভর্তুকি পেলে দুগ্ধখামারিরা দেশকে দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে পারবেন।
দুগ্ধশিল্পে ব্যবহূত বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয় শিল্প খাত হিসেবে। এসব মূল্য কৃষি খাত হিসেবে নির্ধারণ করা উচিত। প্রক্রিয়াজাত শিল্পগুলো বর্তমানে মূলত তরল আর গুঁড়োদুধ বাজারজাত করছে। শিল্প বিকাশে গবেষণা ও দুগ্ধজাত পণ্য বহুমুখীকরণে তাদের ভূমিকা চোখে পড়ার মতো নয়। তা ছাড়া বাজারজাত করা দ্রব্যের ওপর তারা ভারতীয় দুগ্ধশিল্পের তুলনায় অনেক বেশি লাভ করে থাকে। এসবের ফলে বাংলাদেশে ভোক্তার দেওয়া অর্থের মাত্র শতকরা ৪৬ ভাগ যায় উৎপাদনকারীর হাতে। অথচ ভারতীয় দুগ্ধশিল্প ভোক্তামূল্যের শতকরা ৭৪ ভাগ পৌঁছে দেয় উৎপাদনকারীর হাতে। বাংলাদেশে একদিকে মূল্য বেশি থাকায় ভোক্তারা প্রয়োজনের তুলনায় কম দুধ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে, অন্যদিকে খামারিরা উৎপাদিত দুধ না বিক্রি করতে পেরে বা সঠিক মূল্য না পেয়ে উৎপাদনবিমুখ হচ্ছেন। অর্থাৎ ভ্রান্তনীতির দুষ্টচক্রে আটকে যাচ্ছে উন্নয়ন।
নীতিনির্ধারকদের ভাবতে হবে বাংলাদেশকে তারা দুধ আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে দেখতে চান, নাকি দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এক দেশে পরিণত করতে চান। খামারির উৎসাহ ও পরিশ্রমের কোনো ঘাটতি নেই। প্রয়োজন সঠিক নীতিনির্ধারণ আর শিল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
মোহাম্মদ শামছুদ্দিন
চেয়ার, সিডিভিএফ।
m.shamsuddin@cdvf.org.bd
নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরকারের পিঠটান
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সাংসদদের সম্পদের বার্ষিক হিসাব গ্রহণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদের এক নিয়মিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদদের অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের লিপ্সা বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে দেশে দুর্নীতির প্রবণতা বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে যাওয়ায় সরকারের জনসমর্থন হ্রাস পাবে বলে আমি মনে করি।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস প্রতিবছর জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। দুর্নীতি রোধেও আওয়ামী লীগ কাজ করবে বলে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে উল্লেখ করে। অথচ সরকারের দেড় বছরের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত হতাশাব্যঞ্জক।
সম্পদের বিবরণ ও উৎস প্রকাশ করার মাধ্যমে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব। ব্যক্তিবিশেষের দুর্নীতি উদ্ঘাটনে এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর উপাদান। অথচ নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে আসার এমন ঘোষণা দুর্নীতি নির্মূলে সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে গাফিলতির মূল্য দিতে হতে পারে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য সতর্কসংকেত বলা যেতে পারে। সরকারের হাতে এখনো সময় আছে। সরকারের উচিত নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে আসার পরিবর্তে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মনোযোগী হওয়া। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে এবং টেকসই গণতন্ত্রের জন্য এটি জরুরি।
নূর-এ-জান্নাতুল ফেরদৌস
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
jannatulruhi@gmail.com
শ্রমিকের দক্ষতা বাড়ানোর ব্যবস্থা চাই
শ্রম ও শিল্প আইন ২০০৬ প্রণীত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়, যা সাতটি গ্রেড বা ধাপে ভাগ করা। সপ্তম গ্রেড হচ্ছে ১৬৬২.৫০ টাকা এবং প্রথম গ্রেড ৫,১৪০ টাকা। শ্রম ও শিল্প আইন অনুযায়ী তিন বছর পরপর তা পুনর্নির্ধারণ করার কথা। যতদূর জানি, আমাদের সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিকের প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছেন। অনেক বৈঠক করেছেন। আশা করি, খুব শিগগিরই একটি সমঝোতা হবে, নতুন নীতিমালা ঘোষণা করা হবে।
যদি সপ্তম গ্রেডের বর্তমান মজুরি ১,৬৬২.৫০ টাকার বদলে ২,৪০০ টাকা করা হয়, এভাবে ষষ্ঠ গ্রেডে ১,৮৫১ টাকার পরিবর্তে ২,৭০০ টাকা, পঞ্চম গ্রেডে ২,০৪৬ টাকার পরিবর্তে ৩,০০০ টাকা, চতুর্থ গ্রেডে ২,২৫০ টাকার পরিবর্তে ৩,৩০০ ও তৃতীয় গ্রেডে ২,৪৪৯ টাকার পরিবর্তে ৩,৬০০ টাকা করা হয়; তাতে ২৮৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন, এমন মাঝারি আকারের একটি কারখানায় শ্রমিকদের মজুরি বাবদ মাসে খরচ হবে প্রায় ৯০ লাখ টাকা। আর যদি দৈনিক দুই ঘণ্টা করে ওভারটাইম ধরা হয়, তবে ৩৫ শতাংশ হারে সাড়ে ৩১ লাখ টাকা খরচ হবে। বর্ধিত মজুরি ও ওভারটাইম মিলে দাঁড়ায় এক কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা। অর্থাৎ মোট মজুরি দাঁড়াবে বর্তমান ৯৯ লাখ ৫০ হাজারের পরিবর্তে এক কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা। বর্ধিত অন্য আনুষঙ্গিক খরচ ধরলে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বেশি। দেখা যাচ্ছে, আয়-ব্যয়ের হিসাবে কারখানার উৎপাদিত দ্রব্য ও প্রস্তাবিত ব্যয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মজুরি বাড়ানোর ব্যাপারে আমাদের দ্বিমত নেই। তবে বাস্তবসম্মত হারে তা বাড়ানো উচিত। এতে মালিকদের যে লোকসান হবে, তা তিনভাবে পুষিয়ে নেওয়া যেতে পারে—এক. ক্রেতাদের প্রতি কারখানার পক্ষ থেকে প্রতি ইউনিট মূল্য বাড়ানোর চাপ প্রয়োগ করা। বিদেশি ক্রেতাদের বোঝাতে হবে মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে। পাশাপাশি দক্ষ শ্রমিক দ্বারা পণ্য তৈরি করে পণ্যের মানও ধরে রাখতে হবে।
দুই. শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৮০ পিসের পরিবর্তে যদি আমরা আমাদের কার্যদক্ষতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে পারি, তবে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সুতরাং, প্রতিটি শ্রমিক যদি কাজে যোগদানের আগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে যেতে পারে তবে দক্ষ শ্রমশক্তি কাজে লাগিয়ে একটি কারখানার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে সরকারিভাবে প্রশিক্ষণশালা তৈরি করতে হবে বিভিন্ন জেলা শহরে। সঙ্গে সঙ্গে পোশাক তৈরি শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএকেও এগিয়ে আসতে হবে নতুন নতুন প্রশিক্ষণশালা স্থাপনে।
তিন. সরকারি ভর্তুকি। প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট তৈরিও এক ধরনের ভর্তুকি। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের সুদের হার কমাতে পারে সরকার। পারে বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস বিলে ভর্তুকি দিতে বা পারে মোট রপ্তানির ওপর ইনসেনটিভ দিতে।
মজুরি বৃদ্ধি যেমন সময়ের দাবি, তেমনি কারখানা যেন রুগ্ণ না হয় সে দিকেও সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।
বকুল আশরাফ, ঢাকা।
bakulashraf@yahoo.com
আপনি আছেন তো?
বিপাশা হায়াত
আমি শানু নামের এক অসহায় স্ত্রীকে ফোন করার জন্য মুঠোফোনটা হাতে নিলাম।
শানুর ফোন বাজল। ওদিকে শানুর গলার স্বর। শক্তিহীন। বিষাদময়। আর এদিকে আমি পুরোপুরি দিশেহারা। একজন মৃত্যুপথযাত্রীর স্ত্রীর সঙ্গে কী করে কথা বলব, জানি না। মাথার ভেতরে সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।
‘কেমন আছেন শানু?’
‘ভালো আছি, আপা।’ শানু কাঁদছে। ‘আপনি ফোন করেছেন, খুব খুশি হয়েছি।’ শানুর গলায় যেন একবিন্দু আশার ঝিলিক!
‘শানু, আপনার স্বামী কেমন আছেন?’
কথা আটকে যায় শানুর। স্বর যেন শোনাই যায় না। চার বছরের বিবাহিত সুন্দর স্বপ্নময় ছিল ওদের দুজনের জীবন। হঠাৎ ওর স্বামী মামুনের খুব ঘনঘন জ্বর শুরু হলো। তারপর শরীর ফ্যাকাশে হতে লাগল। যেন এক ফোঁটা রক্তও বইছে না শরীরে। সত্যিই তাই। শানুর জীবনের সবচেয়ে কাছের আর প্রিয়তম মানুষটির লিউকেমিয়া ধরা পড়েছে। অতি সাধারণ পরিবারের দুজন মানুষ। দুজনের ছোটখাটো চাকরিতে দিন চলে যায়। এত বড় অসুখ থেকে বেঁচে ওঠার খরচ বহন করা তো কল্পনাতীত। লিউকেমিয়ার একমাত্র চিকিৎসা বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন। আর সে জন্য মামুনকে বিদেশে নিয়ে যেতে হবে। চিকিৎসকের কথায় মামুনের চোখ ভেসে গিয়েছিল জলে। মাত্র ৩২ বছর তার জীবনকাল! আর কখনো তার এই অপরূপ পৃথিবীর ফুল, পাখি, নদী অথবা নক্ষত্র দেখা হবে না প্রিয়জনের হাত ধরে? অথবা সন্তানের স্পর্শ পাবে না কোনোদিন?
ছেড়ে কি যেতেই হবে এই দেহটাকে, কোটি কোটি জীবন্ত মানুষের ভিড়ে। কেউ কি তার পাশে এসে দাঁড়াবে না? এত বড় পৃথিবীতে এমন মানুষ কি নেই, যার মন অন্য এক অসহায় মানুষের বেদনায় হু হু করে ওঠে? এমন কেউ কি নেই, যে তার উদ্বৃত্ত থেকে কিছুটা দিয়ে মামুন ও তাঁর পরিবারকে এই অসহ্য যন্ত্রণায় একটু প্রশান্তির স্পর্শ দিতে পারে? তাঁকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে? আমার মনে হয় এমন মানুষের সংখ্যাই পৃথিবীতে বেশি। কারণ প্রতিটি মানুষের ভেতরেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে। তাই মানুষ অন্যের বেদনায় ব্যথিত হয়। অপরিচিতের যন্ত্রণায় সজল হয়। সাহায্যের হাত বাড়ায় তার দিকে।
মামুনকে শানু হঠাৎ করেই ফোনটা দিয়ে দেয়। আমি বললাম, ‘কেমন আছেন মামুন।’ আমার মন বলছে, মামুনকে পৃথিবী আটকে রাখবে। চলে যেতে দেবে না।
‘আপা, হায়াত আঙ্কেল, তৌকীর ভাই—আর সবাইকে বলবেন আমার জন্য দোয়া করতে। আমি ভালো আছি, আপা।’
এবার আমার চোখও ঝাপসা হয়ে উঠল। কী আশ্চর্য! ওরা কেউ একবারও বলল না, ওদের অনেক অনেক টাকার প্রয়োজন! হয়তো ওরা ধরেই নিয়েছে পৃথিবীর মানুষ এখন বদলে গেছে। কেউ কারও জন্য ব্যথিত হয় না! চিকিৎসার অভাবে মামুন চলে যাবে, তা কি হয়? আপনি আছেন তো ওর পাশে। আছেন না? আমিও আছি। আমরা সবাই অল্প অল্প করে পাশে থাকলেই মামুন জীবন ফিরে পাবে। ও আবার হয়তো কোনোদিন পূর্ণিমার রাতে শানুর হাত ধরে জোছনায় ভিজবে। হয়তো খুব বেশিক্ষণ ওদের জোছনা দেখা হবে না। কারণ ওদের ছোট্ট মেয়েটা হঠাৎ মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে বাবার কোলে ওঠার জন্য বায়না ধরেছে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: মো. শাহীনুল ইসলাম
এসবি এ/সি নং-১১৩২১০৪০০১২৩২৫, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, কারওয়ানবাজার শাখা।
বিপাশা হায়াত, নাট্যাভিনেত্রী।
আমাদের দেশের জমি পাটের ফলনের উপযোগী। আর তাই পাটের ফলনের ওপর আমাদের অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পাটবিষয়ক যেকোনো উন্নয়নে তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নিতান্ত জরুরি। কৃষিমন্ত্রী এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে মাকসুদুল আলমের গবেষণা এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছেন। আমরা এই প্রয়াস আর এই সাফল্যকে অভিবাদন জানাই।
পাটজাত পণ্য পরিবেশবান্ধব। পরিবেশ বিষয়ে যেখানে সারা বিশ্বের মানুষ সচেতন হচ্ছে, সেখানে পাট খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রচুর। এ জন্য পাটশিল্পের হূতগৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য এ শিল্প বিষয়ে সরকারের নীতির পরিবর্তন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
পণ্যের মোড়কে পাটের ব্যবহার বাধ্যতামূলক—এই উদ্যোগও অত্যন্ত কার্যকর ও প্রশংসনীয়। পাটজাত পণ্যের ব্যাপক ব্যবহার বৃদ্ধি এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করবে নানাভাবে, বাড়াবে কৃষকের আয়, তৈরি হবে কর্মসংস্থান, আসবে বৈদেশিক মুদ্রা।
তাই শুধু পণ্যের মোড়কে নয়, অন্য যেসব ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার সম্ভব তার প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব দায়িত্ব সরকারের একার নয়, আমাদের সবার। সবার মধ্যে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর আগ্রহ তৈরি করতে হবে। তবেই ঘটবে পাটবিষয়ক সত্যিকার দিনবদল।
বন্দনা আমীর, উত্তরা, ঢাকা।
২.
পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের যুগান্তকারী কাজ সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের অভিবাদন জানাই। কলাকৌশল, মেধায় আমরা এগিয়ে থাকলেও অর্থনৈতিক জোগান এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আমাদের মেধা কাজে লাগানোর সুযোগ তেমন ঘটে না। ঐকান্তিকভাবে মোবারকবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে। পত্রিকা মারফত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীকে খুঁজে দেশে ফিরিয়ে আনার যে তাগিদ মতিয়া চৌধুরী অনুভব করেছেন, সেখানেই তাঁর দেশপ্রেম এবং মূল্যবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীও যে ব্যাপারটি সঠিকভাবে অনুধাবন এবং মূল্যায়ন করেছেন সেটাও গভীরভাবে বিবেচনার দাবি রাখে। যুগপৎ এ ধরনের সহযোগিতা না পেলে বিজ্ঞানীদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো কতটা সম্ভব হতো তা প্রশ্নসাপেক্ষ। আমাদের রাষ্ট্রপরিচালকেরা যদি সর্বদা এ পথে চলেন, আমার বিশ্বাস, মেধা বিকাশের পথ আরও প্রশস্ত হবে নিঃসন্দেহে। আমাদের দেশে আরও অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, সেগুলোর ওপরেও এ ধরনের গবেষণা জরুরি।
স্বল্প কৃষিজমির ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য খাদ্য জোগান রীতিমতো চ্যালেঞ্জ রূপে আমাদের দ্বারে উপনীত। বর্তমানেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে হিমশিম খেতে হয়। আমাদের দেশে বর্তমানে উৎপাদিত ধানের প্রচলিত জাতগুলোর (উফশী বা স্থানীয়) জীবনচক্রের ব্যাপ্তি ১২০ থেকে ১৫০ দিন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, কৃষকের সক্ষমতা, প্রাকৃতিক পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনায় উৎপাদন আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি অকৃষি জমিতে পরিণত হচ্ছে রাস্তাঘাট, শিল্প-কারখানা আর অবকাঠামো নির্মাণে। এ অবস্থায় সত্যিই এক ভয়ঙ্কর খাদ্যসংকট অপেক্ষা করছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্মের জন্য।
তাই আমাদের অনুসন্ধান চালাতে হবে, উচ্চফলনশীল ধানগুলোর জীবনচক্রের ব্যাপ্তি ৯০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে আনা যায় কি না! তাহলে দেশের বৃহত্তর এলাকায় বছরে একই জমিতে ধানের পর পর তিনটি ফসল করা সম্ভব হবে। এটা করা সম্ভব হলে দেশে খাদ্যের মোট উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপ্ত তরুণ বিজ্ঞানীরা পাটের ক্ষেত্রে যেভাবে সফল হয়েছেন, ধানের ক্ষেত্রেও একইভাবে সফল হবেন নিঃসন্দেহে। পাট গবেষণায় আমাদের প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা অন্য আরও বহু ক্ষেত্রে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, যেভাবে পাটের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের সংগঠিত করে অসাধ্য সাধ্য করতে সহায়তা করেছেন, তেমনিভাবে ধানের জীবনচক্রের ব্যাপ্তি কমিয়ে আনতেও বিজ্ঞানীদের পৃষ্ঠপোষকতা করবেন। এ লক্ষ্যে আমরা সফল হলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে তথা খাদ্য নিরাপত্তায় আর কোনো বাধাই থাকবে না।
মো. নজরুল ইসলাম খান
মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞানী।
nikhan5594@yahoo.com
মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধা!
২৬ জুন অনুষ্ঠেয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনের আগে একটি বিষয়ের ফয়সালা হওয়া উচিত। সেটি হলো, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এই নির্বাচন হবে, না ভুয়া তালিকার ভিত্তিতে।
মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধা বাদ দেওয়ার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও তা কার্যকর হয়নি। জোট সরকারের আমলে প্রকাশিত গেজেটে ৫০ হাজার অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার কিছু অনিয়মের কথা তুলে ধরছি। তালা উপজেলায় খসড়া তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২৬৫ জন। এর মাঝে ১৩৫ জনই অমুক্তিযোদ্ধা। এদের মাঝে তিনজন রাজাকারও আছেন। আশাশুনি উপজেলায় ৩৪২ জন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ১৬৫। মুক্তিযোদ্ধা হাজি আবুল হোসেন গত নভেম্বরে উপজেলার অমুক্তিযোদ্ধার তালিকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে জমা দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্বাধীনতার পর এ উপজেলার কয়েকজন রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লিখিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২৬৪ জন। এর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ৫০ জন। তিনজন রাজাকারও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। শ্যামনগর থানায় তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১৯৬ জন। এর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৫ জন। দেবহাটা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা সংখ্যা ২৯৫ জন, যাঁর মাঝে অমুক্তিযোদ্ধা ৫০ জন। কলারোয়া থানায় মুক্তিযোদ্ধা তালিকারও প্রায় অর্ধেক অমুক্তিযোদ্ধা। এসব তথ্য কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়া দুঃখজনক। অমুক্তিযোদ্ধাদের ভোটে কোনো নির্বাচন হলে কি সেটি মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল হবে, না অন্য কিছু?
মো. খলিলুর রহমান
নৌ-কমান্ডো ও গবেষক, সাতক্ষীরা।
ঘটনা ক্ষুদ্র কিন্তু তুচ্ছ নয়
বিশ্বকাপ ফুটবলের জোয়ারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বন্যা বইছে। নিজেদের ফুটবল দল না থাকুক, ফেবারিট দলের স্বপক্ষে সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। আমাদের দেশে হয়তো একটিও গ্রাম পাওয়া যাবে না, যেখানে বিশ্বকাপ ফুটবলের সমর্থকগোষ্ঠীর দেশের পতাকা উড়ছে না।
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরুর পর আমাদের সমাজজীবনের অনেক চিত্রই বদলে গেছে। শিক্ষায়তনগুলোতে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজ উদ্যোগে আয়োজিত পরীক্ষাগুলো খেলার আগে বা পরে নির্ধারণ করা হয়েছে। খানিকটা হলেও বাজার-হাটে এর প্রভাব পড়ছে। দোকানপাট খেলার সূচি অনুসরণে খোলা-বন্ধ রাখার একটা অলিখিত সংস্কৃতি অনুসরণ করছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে রিকশাওয়ালা পর্যন্ত এই সীমানার মধ্যে আটকে যাবে।
কেউ কেউ কদাচিৎ কী মনে করে ঢাউস আকারের (কোথাও কোথাও এর আকার ৫০ গজেরও অধিক) বিদেশি দলের পতাকার ওপর ব্যাকরণ-বিহীন মাপের ছোট্ট একটি বাংলাদেশের পতাকা বসিয়ে দিয়েছে। এটা বিসদৃশ এবং বাংলাদেশের জন্য অপমানজনক। বাংলাদেশের পতাকার এই দুরবস্থা দেখে একজন বিদেশি পর্যটক বিষয়টি সম্পর্কে আমার কাছে জানতে চাইলেন। জন পল নামের এই ভদ্রলোক জার্মানির বাসিন্দা। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কূটনৈতিক মিশন ছাড়া ভিন দেশের পতাকা ওড়ানো তোমার দেশে নিয়মসিদ্ধ কি না? সরকারের কি এতে সম্মতি আছে? আমি জানি না। এ আমার অজ্ঞতাই বলব। তবে আমি সাধারণভাবে যতটা বুঝি তাতে এটি গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধ।
ভিন দেশের পতাকা ওড়ানোর এ সংস্কৃতি আমাদের পতাকার গৌরবকে যে ম্লান করছে, তা বলাই বাহুল্য। এ বছরের ২৩ মে মুসা ইব্রাহীমরা যখন পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের শীর্ষদেশে লাল-সবুজের সমীকরণে তৈরি বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে দেশকে খানিকটা হলেও গৌরবান্বিত করে তুলে ধরেছেন, সেই প্রিয় পতাকার এ ধরনের অমর্যাদা কারও কাছেই নিশ্চয় কোনো গ্রহণযোগ্য আবেদন নিয়ে আসবে না। নিজেদের স্বাতন্ত্র্য আর পরিচয়কে সমুন্নত করতে পারস্যের অ্যাকেনিয়ন শাসকেরা খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০ অব্দে এই পতাকা উড্ডীনের রীতি বিশ্বে সূচনা করে। এক টুকরো কাপড় দিয়ে তৈরি একটি জাতীয় পতাকা তো বস্ত্রখণ্ড মাত্র নয়। তা তো একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা আর অহংকারের প্রতীক। সবুজ জমিনের লাল সূর্যের ওই পতাকা দক্ষিণ এশিয়ার এই ছোট্ট দেশটির বড় পরিচয়ের স্মারক। গোটা জাতির এ তো পবিত্র আমানত। উত্তেজনাকর এই বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশও শরিক হোক। কিন্তু তাই বলে দেশের মানসম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিয়ে নয়।
স্বাধীনতার পর চার দশক সময় কেটে গেল। স্বাধীনতার অন্তর্নিহিত সত্যের কথা এখনো দেশের সাধারণ মানুষেরা জানে না, বোঝে না। দেশকে কী করে ভালোবাসা যায়, তা তাদের জানানো হয়নি। সে দায়িত্ব তো দেশের সমাজপতি, শিক্ষিত জনগোষ্ঠী, সরকার, সবার। আমরা সে দায়িত্ব কেউই পালন করিনি। করছি না বলেই এ ধরনের অজ্ঞতাপ্রসূত ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনা ক্ষুদ্র হলেও তুচ্ছ নয়। ভিনদেশি পতাকা ওড়ানোর নিয়মনীতি কী তা জনগণকে জানাতে হবে। সরকার ও তার প্রশাসনযন্ত্র কখনোই এই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।
ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী
গবেষক; অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
pr_saif@yahoo.com
দুগ্ধশিল্প বাঁচাতে চাই সঠিক নীতি
দুগ্ধশিল্প বাংলাদেশের কৃষির অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি উপখাত। কিন্তু বিগত বছরগুলোর মতোই ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে দুগ্ধশিল্প অবহেলিত রয়ে গেছে। ২০০৯ সালের এপ্রিল-মে মাসে দুধ না বিক্রি করতে পেরে রাগে-ক্ষোভে খামারিরা রাস্তায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ করেছিলেন। কিন্তু গত এক বছরে দুধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি করেনি। কয়েক সপ্তাহ ধরে বাঘাবাড়ী ঘাটের খামারিরা গড়ে সপ্তাহে অন্তত এক দিন দুধ বিক্রি করতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে বাজেটে গুঁড়োদুধ আমদানির ওপর কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফল হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে, তারা দুধ ক্রয় আরও কমিয়ে দেবে এবং উৎপাদনকারীরা দুধ বিক্রি করতে পারবেন না। অর্থাৎ ভ্রান্তনীতি আর শিল্পের অদক্ষতার দায় চিরায়ত নিয়মে বহন করতে হবে গরিব ক্ষুদ্র খামারিদের।
চাহিদার মাত্র এক-চতুর্থাংশ দুধ আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়। অথচ এ দেশের খামারিদের দুধ বিক্রি না করতে পেরে তা রাস্তায় ঢেলে ক্ষোভ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এ ঘটনা আমাদের ব্যথিত করে। বিশেষ করে বর্তমান সরকার যেখানে দেশীয় শিল্প রক্ষার জন্য এবং কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের কথা বলছে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ডেইরি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদের পাঁচজন সদস্য দেশীয় দুগ্ধশিল্পের বিকাশকে সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছেন। সংশ্লিষ্ট খামারি, বিজ্ঞানী আর ব্যবসায়ী মহল আশা করেছিল, এবারের বাজেটে তার প্রতিফলন ঘটবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেট সবাইকে আশাহত করেছে।
চলতি বছরের ২৬-২৭ মে বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় সব বক্তাই এক সুরে বলেছেন, শুধু খাদ্যনিরাপত্তা নয়, সময় এসেছে পুষ্টিনিরাপত্তার পরিকল্পনা করার। পুষ্টিনিরাপত্তা মানেই হলো প্রাণিজ প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ। এর দুই সপ্তাহ পরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে বাজেট। দেশীয় দুগ্ধশিল্প বিকাশের কোনো প্রস্তাবনা আমরা তাতে দেখছি না।
প্রশ্ন হলো, গুঁড়োদুধ আমদানির ওপর কর হ্রাস করাই কি শিশুখাদ্য জোগানের একমাত্র পন্থা? আমদানিকৃত, অনেক ক্ষেত্রে বিষাক্ত মেলামিনযুক্ত গুঁড়োদুধ শিশুর পুষ্টি পূরণে কতটা সহায়ক হবে?
দেশকে দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপিত বাংলাদেশ ডেইরি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলকে কার্যকর করা জরুরি। এ জন্য বর্তমান বাজেটে বরাদ্দ রাখা উচিত। ডেইরি ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল নিয়মিত আন্তর্জাতিক দুগ্ধবাজারের ওপর নজর রেখে তার ওপর পরিমিত কর ধার্য করার জন্য সরকারকে পরামর্শ দিতে পারবে। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির একটি রোডম্যাপ তারা তৈরি করবে।
গোখাদ্যের ওপর ধার্যকৃত ৩৩ শতাংশ ট্যারিফ তুলে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। দুগ্ধ খামারের মোট দৈনন্দিন ব্যয়ের শতকরা ৬০-৭০ ভাগ ব্যয় হয় গোখাদ্যের পেছনে। দুধ উৎপাদন খরচ কমাতে হলে গোখাদ্য আমদানির ওপর কর হ্রাস করতে হবে। শস্যচাষিরা সারের ওপর ভর্তুকি পেয়েছেন, তাঁরা শস্য উৎপাদনে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন। একই রূপ ভর্তুকি পেলে দুগ্ধখামারিরা দেশকে দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে পারবেন।
দুগ্ধশিল্পে ব্যবহূত বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয় শিল্প খাত হিসেবে। এসব মূল্য কৃষি খাত হিসেবে নির্ধারণ করা উচিত। প্রক্রিয়াজাত শিল্পগুলো বর্তমানে মূলত তরল আর গুঁড়োদুধ বাজারজাত করছে। শিল্প বিকাশে গবেষণা ও দুগ্ধজাত পণ্য বহুমুখীকরণে তাদের ভূমিকা চোখে পড়ার মতো নয়। তা ছাড়া বাজারজাত করা দ্রব্যের ওপর তারা ভারতীয় দুগ্ধশিল্পের তুলনায় অনেক বেশি লাভ করে থাকে। এসবের ফলে বাংলাদেশে ভোক্তার দেওয়া অর্থের মাত্র শতকরা ৪৬ ভাগ যায় উৎপাদনকারীর হাতে। অথচ ভারতীয় দুগ্ধশিল্প ভোক্তামূল্যের শতকরা ৭৪ ভাগ পৌঁছে দেয় উৎপাদনকারীর হাতে। বাংলাদেশে একদিকে মূল্য বেশি থাকায় ভোক্তারা প্রয়োজনের তুলনায় কম দুধ ক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে, অন্যদিকে খামারিরা উৎপাদিত দুধ না বিক্রি করতে পেরে বা সঠিক মূল্য না পেয়ে উৎপাদনবিমুখ হচ্ছেন। অর্থাৎ ভ্রান্তনীতির দুষ্টচক্রে আটকে যাচ্ছে উন্নয়ন।
নীতিনির্ধারকদের ভাবতে হবে বাংলাদেশকে তারা দুধ আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে দেখতে চান, নাকি দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এক দেশে পরিণত করতে চান। খামারির উৎসাহ ও পরিশ্রমের কোনো ঘাটতি নেই। প্রয়োজন সঠিক নীতিনির্ধারণ আর শিল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
মোহাম্মদ শামছুদ্দিন
চেয়ার, সিডিভিএফ।
m.shamsuddin@cdvf.org.bd
নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরকারের পিঠটান
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সাংসদদের সম্পদের বার্ষিক হিসাব গ্রহণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদের এক নিয়মিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদদের অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের লিপ্সা বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে দেশে দুর্নীতির প্রবণতা বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে যাওয়ায় সরকারের জনসমর্থন হ্রাস পাবে বলে আমি মনে করি।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস প্রতিবছর জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। দুর্নীতি রোধেও আওয়ামী লীগ কাজ করবে বলে তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে উল্লেখ করে। অথচ সরকারের দেড় বছরের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত হতাশাব্যঞ্জক।
সম্পদের বিবরণ ও উৎস প্রকাশ করার মাধ্যমে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব। ব্যক্তিবিশেষের দুর্নীতি উদ্ঘাটনে এটি দুর্নীতি দমন কমিশনের সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর উপাদান। অথচ নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে আসার এমন ঘোষণা দুর্নীতি নির্মূলে সরকারের সদিচ্ছাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে গাফিলতির মূল্য দিতে হতে পারে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জন্য সতর্কসংকেত বলা যেতে পারে। সরকারের হাতে এখনো সময় আছে। সরকারের উচিত নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে আসার পরিবর্তে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মনোযোগী হওয়া। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে এবং টেকসই গণতন্ত্রের জন্য এটি জরুরি।
নূর-এ-জান্নাতুল ফেরদৌস
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
jannatulruhi@gmail.com
শ্রমিকের দক্ষতা বাড়ানোর ব্যবস্থা চাই
শ্রম ও শিল্প আইন ২০০৬ প্রণীত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়, যা সাতটি গ্রেড বা ধাপে ভাগ করা। সপ্তম গ্রেড হচ্ছে ১৬৬২.৫০ টাকা এবং প্রথম গ্রেড ৫,১৪০ টাকা। শ্রম ও শিল্প আইন অনুযায়ী তিন বছর পরপর তা পুনর্নির্ধারণ করার কথা। যতদূর জানি, আমাদের সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিকের প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছেন। অনেক বৈঠক করেছেন। আশা করি, খুব শিগগিরই একটি সমঝোতা হবে, নতুন নীতিমালা ঘোষণা করা হবে।
যদি সপ্তম গ্রেডের বর্তমান মজুরি ১,৬৬২.৫০ টাকার বদলে ২,৪০০ টাকা করা হয়, এভাবে ষষ্ঠ গ্রেডে ১,৮৫১ টাকার পরিবর্তে ২,৭০০ টাকা, পঞ্চম গ্রেডে ২,০৪৬ টাকার পরিবর্তে ৩,০০০ টাকা, চতুর্থ গ্রেডে ২,২৫০ টাকার পরিবর্তে ৩,৩০০ ও তৃতীয় গ্রেডে ২,৪৪৯ টাকার পরিবর্তে ৩,৬০০ টাকা করা হয়; তাতে ২৮৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন, এমন মাঝারি আকারের একটি কারখানায় শ্রমিকদের মজুরি বাবদ মাসে খরচ হবে প্রায় ৯০ লাখ টাকা। আর যদি দৈনিক দুই ঘণ্টা করে ওভারটাইম ধরা হয়, তবে ৩৫ শতাংশ হারে সাড়ে ৩১ লাখ টাকা খরচ হবে। বর্ধিত মজুরি ও ওভারটাইম মিলে দাঁড়ায় এক কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা। অর্থাৎ মোট মজুরি দাঁড়াবে বর্তমান ৯৯ লাখ ৫০ হাজারের পরিবর্তে এক কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা। বর্ধিত অন্য আনুষঙ্গিক খরচ ধরলে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বেশি। দেখা যাচ্ছে, আয়-ব্যয়ের হিসাবে কারখানার উৎপাদিত দ্রব্য ও প্রস্তাবিত ব্যয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মজুরি বাড়ানোর ব্যাপারে আমাদের দ্বিমত নেই। তবে বাস্তবসম্মত হারে তা বাড়ানো উচিত। এতে মালিকদের যে লোকসান হবে, তা তিনভাবে পুষিয়ে নেওয়া যেতে পারে—এক. ক্রেতাদের প্রতি কারখানার পক্ষ থেকে প্রতি ইউনিট মূল্য বাড়ানোর চাপ প্রয়োগ করা। বিদেশি ক্রেতাদের বোঝাতে হবে মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে। পাশাপাশি দক্ষ শ্রমিক দ্বারা পণ্য তৈরি করে পণ্যের মানও ধরে রাখতে হবে।
দুই. শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৮০ পিসের পরিবর্তে যদি আমরা আমাদের কার্যদক্ষতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে পারি, তবে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সুতরাং, প্রতিটি শ্রমিক যদি কাজে যোগদানের আগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে যেতে পারে তবে দক্ষ শ্রমশক্তি কাজে লাগিয়ে একটি কারখানার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে সরকারিভাবে প্রশিক্ষণশালা তৈরি করতে হবে বিভিন্ন জেলা শহরে। সঙ্গে সঙ্গে পোশাক তৈরি শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএকেও এগিয়ে আসতে হবে নতুন নতুন প্রশিক্ষণশালা স্থাপনে।
তিন. সরকারি ভর্তুকি। প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট তৈরিও এক ধরনের ভর্তুকি। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের সুদের হার কমাতে পারে সরকার। পারে বিদ্যুৎ বিল ও গ্যাস বিলে ভর্তুকি দিতে বা পারে মোট রপ্তানির ওপর ইনসেনটিভ দিতে।
মজুরি বৃদ্ধি যেমন সময়ের দাবি, তেমনি কারখানা যেন রুগ্ণ না হয় সে দিকেও সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।
বকুল আশরাফ, ঢাকা।
bakulashraf@yahoo.com
আপনি আছেন তো?
বিপাশা হায়াত
আমি শানু নামের এক অসহায় স্ত্রীকে ফোন করার জন্য মুঠোফোনটা হাতে নিলাম।
শানুর ফোন বাজল। ওদিকে শানুর গলার স্বর। শক্তিহীন। বিষাদময়। আর এদিকে আমি পুরোপুরি দিশেহারা। একজন মৃত্যুপথযাত্রীর স্ত্রীর সঙ্গে কী করে কথা বলব, জানি না। মাথার ভেতরে সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।
‘কেমন আছেন শানু?’
‘ভালো আছি, আপা।’ শানু কাঁদছে। ‘আপনি ফোন করেছেন, খুব খুশি হয়েছি।’ শানুর গলায় যেন একবিন্দু আশার ঝিলিক!
‘শানু, আপনার স্বামী কেমন আছেন?’
কথা আটকে যায় শানুর। স্বর যেন শোনাই যায় না। চার বছরের বিবাহিত সুন্দর স্বপ্নময় ছিল ওদের দুজনের জীবন। হঠাৎ ওর স্বামী মামুনের খুব ঘনঘন জ্বর শুরু হলো। তারপর শরীর ফ্যাকাশে হতে লাগল। যেন এক ফোঁটা রক্তও বইছে না শরীরে। সত্যিই তাই। শানুর জীবনের সবচেয়ে কাছের আর প্রিয়তম মানুষটির লিউকেমিয়া ধরা পড়েছে। অতি সাধারণ পরিবারের দুজন মানুষ। দুজনের ছোটখাটো চাকরিতে দিন চলে যায়। এত বড় অসুখ থেকে বেঁচে ওঠার খরচ বহন করা তো কল্পনাতীত। লিউকেমিয়ার একমাত্র চিকিৎসা বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন। আর সে জন্য মামুনকে বিদেশে নিয়ে যেতে হবে। চিকিৎসকের কথায় মামুনের চোখ ভেসে গিয়েছিল জলে। মাত্র ৩২ বছর তার জীবনকাল! আর কখনো তার এই অপরূপ পৃথিবীর ফুল, পাখি, নদী অথবা নক্ষত্র দেখা হবে না প্রিয়জনের হাত ধরে? অথবা সন্তানের স্পর্শ পাবে না কোনোদিন?
ছেড়ে কি যেতেই হবে এই দেহটাকে, কোটি কোটি জীবন্ত মানুষের ভিড়ে। কেউ কি তার পাশে এসে দাঁড়াবে না? এত বড় পৃথিবীতে এমন মানুষ কি নেই, যার মন অন্য এক অসহায় মানুষের বেদনায় হু হু করে ওঠে? এমন কেউ কি নেই, যে তার উদ্বৃত্ত থেকে কিছুটা দিয়ে মামুন ও তাঁর পরিবারকে এই অসহ্য যন্ত্রণায় একটু প্রশান্তির স্পর্শ দিতে পারে? তাঁকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে? আমার মনে হয় এমন মানুষের সংখ্যাই পৃথিবীতে বেশি। কারণ প্রতিটি মানুষের ভেতরেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে। তাই মানুষ অন্যের বেদনায় ব্যথিত হয়। অপরিচিতের যন্ত্রণায় সজল হয়। সাহায্যের হাত বাড়ায় তার দিকে।
মামুনকে শানু হঠাৎ করেই ফোনটা দিয়ে দেয়। আমি বললাম, ‘কেমন আছেন মামুন।’ আমার মন বলছে, মামুনকে পৃথিবী আটকে রাখবে। চলে যেতে দেবে না।
‘আপা, হায়াত আঙ্কেল, তৌকীর ভাই—আর সবাইকে বলবেন আমার জন্য দোয়া করতে। আমি ভালো আছি, আপা।’
এবার আমার চোখও ঝাপসা হয়ে উঠল। কী আশ্চর্য! ওরা কেউ একবারও বলল না, ওদের অনেক অনেক টাকার প্রয়োজন! হয়তো ওরা ধরেই নিয়েছে পৃথিবীর মানুষ এখন বদলে গেছে। কেউ কারও জন্য ব্যথিত হয় না! চিকিৎসার অভাবে মামুন চলে যাবে, তা কি হয়? আপনি আছেন তো ওর পাশে। আছেন না? আমিও আছি। আমরা সবাই অল্প অল্প করে পাশে থাকলেই মামুন জীবন ফিরে পাবে। ও আবার হয়তো কোনোদিন পূর্ণিমার রাতে শানুর হাত ধরে জোছনায় ভিজবে। হয়তো খুব বেশিক্ষণ ওদের জোছনা দেখা হবে না। কারণ ওদের ছোট্ট মেয়েটা হঠাৎ মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে বাবার কোলে ওঠার জন্য বায়না ধরেছে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: মো. শাহীনুল ইসলাম
এসবি এ/সি নং-১১৩২১০৪০০১২৩২৫, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, কারওয়ানবাজার শাখা।
বিপাশা হায়াত, নাট্যাভিনেত্রী।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 30
(133)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-পাঁচ বছর পরে একদিন by ফিরোজ জামান চৌধুরী
- সপ্তাহের হালচাল-‘ভূমিদস্যু’ ঠেকাতে দল ঠিক রাখুন by...
- অভিমত ভিন্নমত
- হজ-প্রস্তুতি নিতে হবে এখনই by ফেরদৌস ফয়সাল
- যৌক্তিক ও মানবিক সমাধানের দায়িত্ব সরকারের-পোশাকশিল...
- সরকারকে গুরুত্বসহকারে বিষয়টি ভাবতে হবে-দুর্নীতি রো...
- চারদিক-বাঁশের বাঁশিই অন্নদাতা by আঞ্জুমান আরা
- বাজেট পর্যালোচনা-উন্নয়নদর্শন ও বরাদ্দের ফাঁকি by আ...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-দেশের ক্রীড়া উন্নয়...
- গদ্যকার্টুন-ফুটবল থেকে সাবধান by আনিসুল হক
- চিরকুট-ভরসা by শাহাদুজ্জামান
- সহজিয়া কড়চা-দিস টাইম ফর বাংলা—হতে পারল না by সৈয়দ ...
- আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই-সাংসদের...
- রুল সময়োপযোগী, সরকারের আন্তরিকতা কাম্য-বিচারক নিয়ো...
- চারদিক-বাবাকে নিয়ে কিছু কথাবার্তা by শারমিন নাহার
- সরল গরল-শেরাটনীয় বাজেট বিতর্কের আড়ালে by মিজানুর র...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-যেকোনো খেলাই বিশুদ...
- বাজেট-পেনশনভোগীদের সঞ্চয়পত্র ও সামাজিক নিরাপত্তাবে...
- যুক্তি তর্ক গল্প-কঠোর আইন ও শাস্তি কি ইভ টিজিং বন্...
- কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন উদাহরণ নেই-অতঃপর বুয়েট ...
- ঘটনার পেছনের ছক ও দায় উদ্ঘাটিত হোক-মা-সন্তানদের কর...
- একদিন অন্য জগতে by সুরাইয়া জাফর
- নারী-সমঅধিকারই সমাধান by ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আলোকের ঝর্ণাধারায় by কাজী সুফিয়া আখ্তার
- উপলব্ধি! by আসিফ আহমদ
- পরিবেশ-সুন্দরবন বনাম রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প by ...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-নেতিবাচক রাজনীতি আমাদের কোথায় ন...
- আচরণবিধি লঙ্ঘন-শেরপুরে অ-বিচার
- ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়-বাস-৪ বছর, ১৮ কারণ ও ৩৬ সুপারিশ
- কৃষি-ইউরিয়া সারের মূল্যবৃদ্ধি ও বিকল্প by রাজীব কা...
- আইন-তথ্য অধিকার ও দুর্নীতি দমন by সাদেকা হালিম
- রাজনীতি-গণতন্ত্রের প্রহরী হোন! by মমতাজ লতিফ
- জন্মদিন-অতুলনীয় সুফিয়া কামাল by কাজী সুফিয়া আখতার
- নগর উন্নয়ন-ঢাকাকে বাঁচাতে ড্যাপ বাস্তবায়নের নৈতিক দায়
- বিলেতের স্ন্যাপশট-বিলেতে বিশ্ব-বাঙালির মিলনমেলা by...
- বাজেট-দীর্ঘ বাজেট বত্তৃদ্ধতায় বলা হলো না অনেক কিছু...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-ভূ-রাজনৈতিক কারণে চীনের কাছে বাংল...
- মরণফাঁদ নয়, বহুতল ভবন নগরবাসীর জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য ...
- ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হোক-চট্টগ্রাম সিট...
- চারদিক-রানীরবন্দরে মৈত্রীর মিলনমেলা by এম আর আলম
- বিশ্বকাপ-ফুটবল কি ‘সবচেয়ে’ গণতান্ত্রিক খেলা? by এ ...
- গোধূলির ছায়াপথে-ভৌগোলিক বিজয় ও আধ্যাত্মিক যাত্রা b...
- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ-অতিরিক্ত জনসংখ্যা কি বোঝা নয়? b...
- সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০১০: চট্টগ্রাম-জনগণই রাজা ...
- কালের পুরাণ-জয়ী হয়েছে গণতন্ত্র, পরাস্ত অহমিকা by স...
- আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায় না-গণপিটুনি দিয়ে মান...
- চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাই একযোগে কাজ করুন-মেয়র ও কা...
- প্রস্তাবিত বাজেট-বাজেট ও ঋণ করে ঘি খাওয়ার গল্প by ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-মানুষকে ভালোবাসতেন তিনি by তৃপ্তি বালা
- ধর্ম-সন্তান প্রতিপালনে বাবা-মায়ের ভূমিকা by মুহাম্...
- শৈশব-কী করে পারলাম শিশুদের শৈশব কেড়ে নিতে? by মেহত...
- সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০১০: চট্টগ্রাম-জয়ী হয়েছে গ...
- সাদাসিধে কথা-পাট-জিনোমের স্বপ্নযাত্রা by মুহম্মদ জ...
- বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তটি বাতিল করা জরুরি-সঞ্চয়পত্রের...
- আবিষ্কারটি কাজে লাগিয়ে পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনুন-বাং...
- স্মরণ-লালনগীতির মকছেদ আলী সাঁই by ম. মনিরউজ্জামান
- পাটের জিন উন্মোচন-একটি স্বপ্নজয়ের পাদটীকা by নূহ-উ...
- তেলকূপ দুর্ঘটনা-বিপন্ন উপকূল, বিক্ষুব্ধ ওবামা by ব...
- পাহাড়ধস-উদাসীনতার খেসারত by মেহেদি আহমেদ আনসারি
- সময়ের প্রতিবিম্ব-অভাজনের বাজেট ভাবনা by এবিএম মূসা
- পাহাড়প্রমাণ গাফিলতির ফল পাহাড়প্রমাণ মৃত্যু-পাহাড়ধস...
- প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে হবে-চী...
- চারদিক-এক সোনা ফলের দেশ by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সিসিসি নির্বাচন-প্রার্থীরা নিজেদের সম্পর্কে যে তথ্...
- অভিমত ভিন্নমত
- গণমাধ্যম-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি
- মন্ত্রণালয়ের উচিত অভিযোগ আমলে নেওয়া-সমস্যা যখন চেয়...
- ভোট হোক অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ-চট্টগ্রাম সিটি ...
- উত্তরের পথে by মিথুন দাশ
- সোনা রঙের প্যাগোডা by আহমেদ হেলাল
- সফল আয়োজনের পেছনে যাঁরা by সাইফুল ইসলাম
- জন্ম হোক নতুন কাহিনির by ফিজার আহমেদ
- চাকরি @ নেট
- স প্তা হে র বা ছা ই চা ক রি
- চাকরি খুঁজছেন?
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই-ব্যবসা...
- সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে নিয়োগ হচ্ছে by জাহিদ হ...
- স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত নয়তো
- অনিয়মই কি নিয়ম!
- চরাচর-জয়দেবপুর সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস by তাপস রায়
- পড়তে চাইলে সমাজকর্ম by সুচিত্রা সরকার
- কমনওয়েলথ স্কাউট সম্মেলন-লন্ডনে রানি-দর্শন by সিদ্...
- এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম-স্বীকৃতির ...
- ১ জুন ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা-শেষ মুহূর্ত...
- এভারেস্ট: মুহিতের উত্তর দক্ষিণ বিজয় by তৌহিদা শি...
- হেলথ টিপস-চিনাবাদামের গুণাগুণ
- পরোক্ষ ধূমপান by সিদ্ধার্থ মজুমদার
- গলায় চাকা মানেই ক্যানসার নয় by তানজিনা হোসেন
- এক জীবনে দুই জীবন by আহমেদ হাসান
- ছায়ানীড়ের জন্য by নাজিয়া জাবীন
- ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস-আয়েশা-সাহানাদের নিরাপত্ত...
- পবিত্র কোরআনের আলো-কে ক্ষমা পাবে আর কে শাস্তি পাবে...
- ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নন by রাহাত খান
- স্মরণ-এ কষ্ট ভুলি কী করে? by আছিয়া খান
- অভিমত-ঋণের জামানত হোক সততা ও নৈতিকতা by চৌধুরী মনজ...
- জাতীয় বাজেট-পুলিশের বরাদ্দ কি বাড়ানো উচিত? by শেখ ...
- এসব সন্ত্রাসী হামলার বিচার হবে কি?-সাংবাদিকই যখন আ...
- দুর্নীতির খেসারত কি ভোক্তারাই দেবে?-দুধের দাম বেড়ে...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ইতিউতি-খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে যেমন দেখেছি by আতা...
- দেশ তাঁকে স্মরণে রাখবে
- প্রশংসনীয় উদ্যোগ
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-১৭)-'আমার সত্তায় রবীন্দ্...
- এমপি শামসুল কারাগারে-জামায়াত হরতাল ডেকেছে চট্টগ্রামে
- ডেসটিনির এমডিসহ চার পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ
- ৩১ মে: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-সেই আনন্দ পেতে দ্বিধা...
- এসএসসি ’১২ অদম্য মেধাবী-ওদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা
- মন্ত্রীর অনুষ্ঠান তাই ৩২৩ বিদ্যালয়ে ছুটি!
- মেয়ের শ্লীলতাহানি, মা-বাবাকে লাঠিপেটা-আদালত চত্বরে...
- পাল্লা দিয়ে কমছে সূচক, গতি নেই লেনদেনে
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড-ভিসেরা রিপোর্ট পেয়েছে র্যাব
- কুমিল্লায় ট্রেন লাইনচ্যুত-১৬ ঘণ্টা পর রেল চালু ঢাক...
- তিন পুলিশ কর্তাকে হাইকোর্টে তলব-বিডিনিউজে হামলায় গ...
- আসছে বাজেট-সব খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ by আব...
- ঝুলে গেছে সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট-প্রশাসনে রাজনৈতিক ...
- সাংবাদিকদের 'পুলিশ থেকে নিরাপদ দূরত্বে' থাকার পরাম...
- আবারও সাংবাদিক পেটাল পুলিশ আইনজীবীসহ আহত ৫-এক নারী...
- সাংবাদিকরা আক্রান্ত-সাড়ে তিন বছরে ১৩ খুন পাঁচ শতাধ...
- কর্মক্ষেত্রেও সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীন-দোষীদের বিরু...
- নিজামী-কাদের মোল্লার বিচার শুরু
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা আন্তরিক সৎ লোক ও শ্রমজীবীদ...
- নির্বাচন হতে হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে by নজর...
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার : আমাদের সংবিধানের নির্দেশন...
- চরাচর-কিংবদন্তির নারী সুহাসিনী দাস by তামান্না ইসল...
- সাক্ষাৎকার আবদুল জলিল-সব দল মিলে অন্তর্বর্তী বা নি...
- শুধু ভারতীয় সিনেমাই ১০০ পেরোল? by ইমরুল কায়েস
- পাকিস্তান শেষ কার্ডও খেলেছে by মোহাম্মদ তাকী
- স্মরণ-তিনিই পথ দেখাচ্ছেন by আবদুল্লাহ আল নোমান
-
▼
May 30
(133)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment