Friday, April 27, 2012
সহজিয়া কড়চা-পুরানো সেই দিনের কথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
সহজিয়া কড়চা-পুরানো সেই দিনের কথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
২৪ মার্চ, ১৯৮২-র সকাল। তখন বেলাবেলি উঠে গেছি। অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে বারান্দায় বেসিনের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাড়ি কামাচ্ছিলাম। আমার ফ্ল্যাটসংলগ্ন পাশের বাড়ির ভদ্রলোক, যাঁর সঙ্গে চোখাচোখি হলে সালাম বিনিময় ছাড়া কথাবার্তা হতো না; গলাখাঁকারি দিয়ে আমার মনোযোগ আকর্ষণ করলেন।
তাঁর বারান্দা থেকে আমার বারান্দার দূরত্ব ছয়-সাত ফুটের বেশি হবে না। আমি তাঁর দিকে তাকাতেই তিনি বললেন, ‘খবর শোনেন নাই? ক্যু হইয়া গেছে।’
বললাম, ‘ক্যু মানে? মার্শাল ল নাকি?’
তিনি বললেন, ‘সেনাবাহিনীপ্রধান ক্ষমতা নিয়া নিছেন। দ্যাশে সামরিক আইন জারি হইছে। রেডিও ধরেন।’
গালে সাবান মাখানো অবস্থায়ই রেডিও অন করি। ভদ্রলোকের কথা এক শ ভাগ সত্য। মধ্যরাতে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।
১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থী ছিলেন মোট ৩১ জন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তার এবং আওয়ামী লীগের ড. কামাল হোসেনের মধ্যে। আবদুস সাত্তার ১,৪২,৩৩,৯৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। কামাল হোসেন পেয়েছিলেন ৫৬,৩৬,১১৩ ভোট। সব দলই ওই নির্বাচন মেনে নিয়েছিল। কারচুপির অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু ফলাফলটা সেনাবাহিনীপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মনঃপূত হয়নি। তিনি প্রকাশ্যেই সাত্তার সরকারের সমালোচনা করা শুরু করেন।
যখন শুনলাম জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করেছেন, কিছুমাত্র বিস্মিত হইনি। কারণ, দু-আড়াই মাস যাবৎ অপরিচিত কোনো কোনো সাপ্তাহিক কাগজ বিরাট বিরাট হেডিং দিয়ে সন্ধ্যাবেলা প্রতিবেদন করছিল: দেশে সামরিক শাসন জারি হচ্ছে ইত্যাদি। আমাদের দেশে কখনো কখনো বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একেবারে চূড়ায় গিয়ে ঠেকে। যার যা খুশি বলতে পারে, যা খুশি তা-ই লিখতে পারে। কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। সেনাবাহিনীর প্রধানও এ-অনুষ্ঠান সে-অনুষ্ঠানে সরকারের সমালোচনা করে যাচ্ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। তাঁর সুরে সুর মেলানোর মতো নীতিবাগীশ রাজনীতিকও ছিলেন অনেকে। রাষ্ট্রপতির উচিত ছিল সেনাবাহিনীর প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া। তিনি তা পারেননি। কারণ, তত দিনে জেনারেল এরশাদের শেকড় সেঁধিয়ে গেছে মাটির অনেক নিচে। তাঁকে উপড়ানো বৃদ্ধ ও বন্ধুহীন বিচারপতি সাত্তারের শক্তিতে কুলাত না।
মধ্যরাতে বঙ্গভবনে কী নাটক হয়েছে, তা আমরা জানি না। কিন্তু ভোররাতে বাংলাদেশের মালিকানা বদলে যায়। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের যাবতীয় জীব ও জড় পদার্থের মালিক হয়ে যান জেনারেল এরশাদ। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করে ফরমান জারি করে বলেন:
‘যেহেতু দেশে এমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে যাতে অর্থনৈতিক জীবনে নেমে এসেছে অচলাবস্থা, বেসামরিক প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারছে না, সকল স্তরে যথেচ্ছ দুর্নীতি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ফলে জনগণ অসহনীয় দুর্দশায় পড়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিপজ্জনক অবনতি ঘটেছে, শান্তিস্থিতিশীলতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা মুশকিল হয়ে পড়েছে, রাষ্ট্রীয় কর্তব্যে অবহেলা করে ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা নিয়ে কাড়াকাড়ি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে।
‘যেহেতু দেশের জনগণ চরম নৈরাশ্য, হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে গেছে,
‘যেহেতু বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে এবং জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে কষ্টার্জিত দেশকে সামরিক আইনের অধীনে ন্যস্ত করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে এবং জনগণ ও দেশের প্রতি তাদের কর্তব্যের অংশ হিসেবে এ দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর উপর পড়েছে,
‘এখন অতএব আমি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাহায্য ও করুণায় এবং আমাদের মহান দেশপ্রেমিক জনগণের দোয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ বুধবার থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সকল ও পূর্ণ ক্ষমতা গ্রহণ করছি এবং ঘোষণা করছি যে গোটা বাংলাদেশ অবিলম্বে সামরিক আইনের আওতায় আসবে। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আমি বাংলাদেশের সকল সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করছি।
‘এ ব্যাপারে আমার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা বলে আমি, লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আরো ঘোষণা করছি যে:
(ক) ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ বুধবার থেকে আমি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করছি।
(খ) আমি যে-কোনো ব্যক্তিকে দেশের প্রেসিডেন্ট মনোনীত করতে পারি, যিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি অথবা আমার মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিচারপতির কাছে শপথ গ্রহণ করে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। আমি সময় সময়ে এ মনোনয়ন বাতিল বা রদ করতে পারি এবং আর এক ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধান হবেন এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রূপে আমার উপদেশ অনুসারে কাজ করবেন এবং আমি তাকে যেসব কাজের দায়িত্ব দেব তা পালন করবেন।’
এই ফরমানটির পুরো উদ্ধৃতির প্রয়োজন রয়েছে। লাখ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের এই ফরমানের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত হওয়া দরকার। যদিও জেনারেল বাংলাদেশকে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ বলেই সম্বোধন করেছিলেন, বস্তুত ওই দিন থেকে ১৯৯০-এর ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা হস্তান্তর করা পর্যন্ত এই ভূখণ্ডটি ছিল স্রেফ তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো। প্রতিটি নাগরিক পরিণত হয়েছিল তাঁর গোলামে। মানুষ যেমন গৃহভৃত্যের চাকরি দেয়, আবার তাড়িয়েও দেয়, সেইভাবে তিনি ‘যেকোনো ব্যক্তিকে দেশের প্রেসিডেন্ট মনোনীত’ করতে পারতেন এবং তাঁকে তাড়িয়েও দিতে পারতেন। এবং রাষ্ট্রপতিকে ‘যেসব কাজের দায়িত্ব’ দেবেন, তা যদি তিনি ঠিকঠাকভাবে পালন না করেন—সঙ্গে সঙ্গে চাকরি নট। বিধাতা যদি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতেন, তা হলে সেদিন এই জেনারেলকে বলতেন: তোমার ক্ষমতা তো দেখছি আমার চেয়ে কম নয় হে!
যিনি নতুন নতুন রাষ্ট্রপতিকে চাকরি দিতে পারেন, তিনি পুরোনো রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে যা খুশি তা-ই বলিয়েও নিতে পারেন। সাত্তারের অবস্থা তখন বাহাদুর শাহ জাফরের মতো। বিটিভির ক্যামেরা তাঁর সামনে নিয়ে একটি চোতা তাঁর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলা হয়েছিল, ছোটবেলায় স্কুলে যেমন বাংলা র্যাপিড রিডার পড়তেন, সেইভাবে পাঠ করুন। তিনি লক্ষ করেন যে স্টেনগান হাতে লোকজন এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করছে। সুতরাং বয়স যতই হোক, মৃত্যুর আগে কে মরতে চায়? তিনি কম্পিত কণ্ঠে পাঠ করেন:
‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, জাতীয় স্বার্থে সারা দেশে সামরিক আইন জারি করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সারা জীবন আমি ঐকান্তিকতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করেছি এবং সর্বদাই দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষের সার্বিক অবস্থার যাতে উন্নতি হয়, তাই কামনা করেছি। দেশের বর্তমান এই অবস্থায় দেশের জন্য রয়েছে আমার আন্তরিক মঙ্গল কামনা। আমি পরম করুণাময় আল্লাহতালার কাছে এই মোনাজাতই করি যে তাঁর অশেষ রহমতে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে শান্তি, ন্যায়বিচার, প্রগতি ও সমৃদ্ধির এক নবযুগের সূচনা হবে।
‘বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমার সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং আমাকে সব রকমভাবে সাহায্য করার জন্যে সকলকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।
‘আমাদের দেশবাসীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন সাধনের জন্য দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর এই মহান প্রচেষ্টার আমি সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। জাতির প্রয়োজনে দেশের জন্য আমি যেকোনো কর্তব্য পালনে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করব না। পরম করুণাময় আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’
পরম করুণাময় তাঁর প্রতি সদয় ও সহায় ছিলেন না, তবে যিনি তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন, তাঁর প্রতি খুবই প্রসন্ন ছিলেন। কী পরিস্থিতিতে সেদিন বিচারপতি ওই চোতা পাঠ করে জীবন রক্ষা করেছিলেন, তা মৃত্যুর আগে বর্ণনা করে গেছেন। যারা ৩২ নম্বরে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে জাতির মহানায়ককে সপরিবারে শেষ করতে পারে, তারা বঙ্গভবনে নিঃসন্তান বৃদ্ধকে খতম করতে এক সেকেন্ড চিন্তা করবে না—তা বোঝার মতো বুদ্ধি তাঁর ছিল। সাত্তার আরও জানতেন যে, তিনি মহানায়ক তো ননই, নায়কও নন—ইতিহাসের এক পার্শ্বচরিত্র।
যা হোক, জেনারেল এরশাদ আলেকজান্ডার বা চেঙ্গিস খাঁর মতো দিগ্বিজয়ী বীর ছিলেন না যে ১০ কোটি মানুষকে বুটের নিচে পিষতে পারেন। রাতবিরাতে ওসব ক্যু-কাজ একা কোনো পাগলও করে না। সেদিন এরশাদের পাশে তাঁর সহযোগী ছিলেন বহু। তাঁদের কারও কারও নাম অনেকেই জানে। অনেকেরই নাম অজানা। কয়েক মাস দামাদামি করে অনেক রাজনৈতিক নেতাকে কিনেছিলেন। কাউকে বেশি দামে, কাউকে কম দামে। সিনিয়র অনেক আমলাকে পেয়েছিলেন সঙ্গী। সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও এনজিওর মালিকদের পেয়েছিলেন। তাতেও কুলাত না, যদি বিদেশি দোস্ত না থাকত।
আমেরিকার সম্মতি ছাড়া পৃথিবীর কোনো সেনানিবাসের একটি পিঁপড়াও নড়াচড়া করতে পারে না। এরশাদ সে সম্মতিও পেয়েছিলেন। ভারতের নেতারা মনে করলেন, তিনি তাঁদের কবজাতেই থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিকেরা দেখলেন, তাঁর ‘বন্দুকের নলের ডগায় প্রজাপতি’ বসা। পাকিস্তানকে তিনি এমন ধারণা দিলেন যে ইসলাম ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না তিনি। রাষ্ট্রধর্ম করার বহু আগেই তিনি রেডিও-টেলিভিশনে আজানের দোয়া যোগ করলেন। সৌদি আরবসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য মনে করল: ইনি আমাদেরই লোক। চীনপন্থীদের সঙ্গে তিনি এমন মহব্বত শুরু করলেন যে তাঁরা ভাবলেন, এই নেতাকে ‘কমরেড’ সম্বোধন করলে ক্ষতি নেই। অর্থাৎ তিনি এমনই খেলোয়াড় যে সৌদিপন্থী, বাগদাদপন্থী, ভারতপন্থী, পাকিস্তানপন্থী ও চীনপন্থীদের বশ করে ফেললেন।
এরশাদের মতো ভাগ্যবান সামরিক শাসক দুনিয়ায় দ্বিতীয়টি নেই। সব দলের মধ্যেই তিনি বন্ধু পেয়েছিলেন। বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ছিল গোড়া থেকেই। ক্ষমতা দখলে তাঁরা তাঁকে সহায়তা করেন। আওয়ামী লীগের নেতাদের অনেকের সঙ্গে তাঁর গভীর প্রণয় হয়েছিল, তা অপ্রকাশ্য থাকেনি। বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোতে অন্তরের অন্তস্তল থেকে আওয়ামী লীগের আশীর্বাদ পান। চীনপন্থী বামদের একটি অংশ একপায়ে খাড়াই ছিল যেকোনো সামরিক শাসককে সমর্থন জানাতে। মাওলানা মান্নানের মাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষকদের আপন করে নেন। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সদস্যদের তিনি কিনে ফেলেন। একপর্যায়ে তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। শিক্ষাঙ্গন কলঙ্কিত করেন। ছাত্রনেতাদের বৈষয়িক ব্যাপারে কলুষিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠন করেন ‘জাতীয় ছাত্র পরিষদ’। ছাত্র পরিষদের প্রধান, যাঁর পদবি ছিল ‘সমন্বয়কারী’, তাঁকে নিয়োগ দেন তাঁর অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বা রাষ্ট্রপতির ‘ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা’। তাঁর পদমর্যাদা ছিল যুগ্ম সচিবের। ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে প্রথমে এরশাদের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন, তারপর হন শিক্ষা উপমন্ত্রী। ছাত্রদল, ছাত্রলীগ প্রভৃতির বহু নেতাকে কিনে ফেলেন। প্রথমবার ছাত্র পরিষদকে অনুদান দেন ৩৭ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বছরে ৮৬.৪৯ লাখ। এটা প্রকাশ্য অনুদান। অপ্রকাশ্যে কত টাকা বণ্টন করেছেন, তার হিসাব বিধাতা ছাড়া কেউ জানে না।
এরশাদ সাহেব ছিলেন পাকা খেলোয়াড় ও মনোবিশ্লেষক—ফ্রয়েড বা য়ুঙ তাঁর কাছে কিছু না। ক্ষমতা দখলের সোয়া দুই মাস পরে এল জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিন। তিনি ছুটলেন চন্দ্রিমা উদ্যানে। সপারিষদ ও ঘটা করে। দুই বছর তিনি চন্দ্রিমায় দৌড়ান। জিয়ার অগণিত অনুসারী ও সমর্থক ছিল সারা দেশে। তারা মনে করল, তিনি জিয়ার সহকর্মী নন, ভাই। সেনাবাহিনীতে জিয়ার ভক্তরা ভাবলেন, জিয়া হত্যাকাণ্ডে ইনি জড়িত থাকতেই পারেন না।
টুঙ্গিপাড়ায় তিনি প্রথম দিকে গেলেন না। আওয়ামী লীগের লোকদের বোঝালেন, আমি ঠিক অবস্থানেই আছি। যখন যা দরকার তা-ই করব। ওখানেও যাব, একটু পরে। গিয়েছিলেন ঠিকই। গিয়ে কাঁদো কাঁদোভাবে বলেছিলেন, আমার আসতে দেরি হয়ে গেল। এবার রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত বছর। তাই গাইতে ইচ্ছা করছে: পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়।
এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ১৫ দলীয় জোট থেকে শেখ হাসিনা এবং সাতদলীয় জোট থেকে খালেদা জিয়া উত্তাল আন্দোলন করেছেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দেশের ছাত্র-শিক্ষক-সংস্কৃতিসেবী, আইনজীবী, কৃষক, শ্রমিক, চিকিৎসক—সব শ্রেণীর মানুষ। পতনের পর ১০ বছর না যেতেই তিনি হন পুনর্বাসিত।
সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে এরশাদ তাঁর শাসনকে বৈধ করেছিলেন। গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্টের এক রায়ে সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে ১৩৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি। রায়ে বলা হয়েছে: ‘সামরিক শাসন জারির জন্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধ করেছেন। এ জন্য তাঁর বিচার হওয়া উচিত। এ বিষয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে কি না, সরকার তা খতিয়ে দেখতে পারে।’
এই রায় প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সরকার ব্যবস্থা নিতেন, যদি তিনি আজ থাকতেন খালেদা জিয়ার জোটে। ব্যবস্থার পরিবর্তে পক্ষকাল না পেরোতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘটা করে গেলেন রংপুরে। পোস্টারে পোস্টারে উত্তরবঙ্গ ছেয়ে গেল। হাসিনা-এরশাদ বোন ও ভাই। রংপুরের উন্নয়ন করতে চাইলে তা সেখানকার সুযোগ্য ‘ছাওয়াল’টিকে ছাড়াও করা যায়। ছাওয়ালের গঠিত জাতীয় পার্টি কোনো অভ্যুত্থান ঘটায়নি। তাদের নিয়েও করা যায়। জাতীয় পার্টির অন্য কোনো নেতার বিরুদ্ধে আদালতের রায় নেই।
এরশাদ যে অবৈধ ছিলেন, তা তিনি নিজেও অন্তত একদিন স্বীকার করেছেন। নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ আদালতে এরশাদ যে লিখিত জবানবন্দি দিয়েছিলেন, তা প্রকাশিত হয়নি। বর্তমান বিচারকদ্বয় সেই জবানবন্দি পাঠ করেছিলেন কি না জানি না, নিশ্চয়ই করে থাকবেন। তাতে তিনি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন—‘সেদিন আমার ক্ষমতা গ্রহণ সংবিধানসম্মত ছিল না।’
অবৈধ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা, নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়া একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অপরাধ। রাষ্ট্রদ্রোহ—বলেছেন মাননীয় বিচারপতিরা। আদালতের রায়ের বাইরেও অন্য দিক রয়েছে। জনগণ তাঁকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তাঁকে সসম্মানে স্বীকৃতি দেওয়া হলে জনগণকে অপমান করা হয়। জাতীয় পার্টির অন্য সদস্যদের নিয়ে সমস্যা নেই। তাঁরা জনগণের প্রতিনিধি। এরশাদ সাহেবও নির্বাচিত এবং তাঁর এলাকায় জনপ্রিয়। তা সত্ত্বেও আদালতের রায়ের পরে তাঁকে পাশে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করা দৃষ্টিকটু। দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে জানে টুঙ্গিপাড়ার শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে—লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ‘ভাই’ হিসেবে নয়। চির সামরিক শাসকবিরোধী বঙ্গবন্ধুর আত্মা ৮ জানুয়ারি প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছে।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
বললাম, ‘ক্যু মানে? মার্শাল ল নাকি?’
তিনি বললেন, ‘সেনাবাহিনীপ্রধান ক্ষমতা নিয়া নিছেন। দ্যাশে সামরিক আইন জারি হইছে। রেডিও ধরেন।’
গালে সাবান মাখানো অবস্থায়ই রেডিও অন করি। ভদ্রলোকের কথা এক শ ভাগ সত্য। মধ্যরাতে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।
১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থী ছিলেন মোট ৩১ জন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তার এবং আওয়ামী লীগের ড. কামাল হোসেনের মধ্যে। আবদুস সাত্তার ১,৪২,৩৩,৯৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। কামাল হোসেন পেয়েছিলেন ৫৬,৩৬,১১৩ ভোট। সব দলই ওই নির্বাচন মেনে নিয়েছিল। কারচুপির অভিযোগ ওঠেনি। কিন্তু ফলাফলটা সেনাবাহিনীপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মনঃপূত হয়নি। তিনি প্রকাশ্যেই সাত্তার সরকারের সমালোচনা করা শুরু করেন।
যখন শুনলাম জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করেছেন, কিছুমাত্র বিস্মিত হইনি। কারণ, দু-আড়াই মাস যাবৎ অপরিচিত কোনো কোনো সাপ্তাহিক কাগজ বিরাট বিরাট হেডিং দিয়ে সন্ধ্যাবেলা প্রতিবেদন করছিল: দেশে সামরিক শাসন জারি হচ্ছে ইত্যাদি। আমাদের দেশে কখনো কখনো বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একেবারে চূড়ায় গিয়ে ঠেকে। যার যা খুশি বলতে পারে, যা খুশি তা-ই লিখতে পারে। কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। সেনাবাহিনীর প্রধানও এ-অনুষ্ঠান সে-অনুষ্ঠানে সরকারের সমালোচনা করে যাচ্ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। তাঁর সুরে সুর মেলানোর মতো নীতিবাগীশ রাজনীতিকও ছিলেন অনেকে। রাষ্ট্রপতির উচিত ছিল সেনাবাহিনীর প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া। তিনি তা পারেননি। কারণ, তত দিনে জেনারেল এরশাদের শেকড় সেঁধিয়ে গেছে মাটির অনেক নিচে। তাঁকে উপড়ানো বৃদ্ধ ও বন্ধুহীন বিচারপতি সাত্তারের শক্তিতে কুলাত না।
মধ্যরাতে বঙ্গভবনে কী নাটক হয়েছে, তা আমরা জানি না। কিন্তু ভোররাতে বাংলাদেশের মালিকানা বদলে যায়। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের যাবতীয় জীব ও জড় পদার্থের মালিক হয়ে যান জেনারেল এরশাদ। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করে ফরমান জারি করে বলেন:
‘যেহেতু দেশে এমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে যাতে অর্থনৈতিক জীবনে নেমে এসেছে অচলাবস্থা, বেসামরিক প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারছে না, সকল স্তরে যথেচ্ছ দুর্নীতি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ফলে জনগণ অসহনীয় দুর্দশায় পড়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিপজ্জনক অবনতি ঘটেছে, শান্তিস্থিতিশীলতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা মুশকিল হয়ে পড়েছে, রাষ্ট্রীয় কর্তব্যে অবহেলা করে ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা নিয়ে কাড়াকাড়ি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে।
‘যেহেতু দেশের জনগণ চরম নৈরাশ্য, হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে গেছে,
‘যেহেতু বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে এবং জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে কষ্টার্জিত দেশকে সামরিক আইনের অধীনে ন্যস্ত করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে এবং জনগণ ও দেশের প্রতি তাদের কর্তব্যের অংশ হিসেবে এ দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর উপর পড়েছে,
‘এখন অতএব আমি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাহায্য ও করুণায় এবং আমাদের মহান দেশপ্রেমিক জনগণের দোয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ বুধবার থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সকল ও পূর্ণ ক্ষমতা গ্রহণ করছি এবং ঘোষণা করছি যে গোটা বাংলাদেশ অবিলম্বে সামরিক আইনের আওতায় আসবে। প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আমি বাংলাদেশের সকল সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করছি।
‘এ ব্যাপারে আমার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা বলে আমি, লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আরো ঘোষণা করছি যে:
(ক) ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ বুধবার থেকে আমি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করছি।
(খ) আমি যে-কোনো ব্যক্তিকে দেশের প্রেসিডেন্ট মনোনীত করতে পারি, যিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি অথবা আমার মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিচারপতির কাছে শপথ গ্রহণ করে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। আমি সময় সময়ে এ মনোনয়ন বাতিল বা রদ করতে পারি এবং আর এক ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধান হবেন এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রূপে আমার উপদেশ অনুসারে কাজ করবেন এবং আমি তাকে যেসব কাজের দায়িত্ব দেব তা পালন করবেন।’
এই ফরমানটির পুরো উদ্ধৃতির প্রয়োজন রয়েছে। লাখ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের এই ফরমানের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত হওয়া দরকার। যদিও জেনারেল বাংলাদেশকে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ বলেই সম্বোধন করেছিলেন, বস্তুত ওই দিন থেকে ১৯৯০-এর ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা হস্তান্তর করা পর্যন্ত এই ভূখণ্ডটি ছিল স্রেফ তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো। প্রতিটি নাগরিক পরিণত হয়েছিল তাঁর গোলামে। মানুষ যেমন গৃহভৃত্যের চাকরি দেয়, আবার তাড়িয়েও দেয়, সেইভাবে তিনি ‘যেকোনো ব্যক্তিকে দেশের প্রেসিডেন্ট মনোনীত’ করতে পারতেন এবং তাঁকে তাড়িয়েও দিতে পারতেন। এবং রাষ্ট্রপতিকে ‘যেসব কাজের দায়িত্ব’ দেবেন, তা যদি তিনি ঠিকঠাকভাবে পালন না করেন—সঙ্গে সঙ্গে চাকরি নট। বিধাতা যদি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতেন, তা হলে সেদিন এই জেনারেলকে বলতেন: তোমার ক্ষমতা তো দেখছি আমার চেয়ে কম নয় হে!
যিনি নতুন নতুন রাষ্ট্রপতিকে চাকরি দিতে পারেন, তিনি পুরোনো রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে যা খুশি তা-ই বলিয়েও নিতে পারেন। সাত্তারের অবস্থা তখন বাহাদুর শাহ জাফরের মতো। বিটিভির ক্যামেরা তাঁর সামনে নিয়ে একটি চোতা তাঁর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলা হয়েছিল, ছোটবেলায় স্কুলে যেমন বাংলা র্যাপিড রিডার পড়তেন, সেইভাবে পাঠ করুন। তিনি লক্ষ করেন যে স্টেনগান হাতে লোকজন এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করছে। সুতরাং বয়স যতই হোক, মৃত্যুর আগে কে মরতে চায়? তিনি কম্পিত কণ্ঠে পাঠ করেন:
‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, জাতীয় স্বার্থে সারা দেশে সামরিক আইন জারি করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সারা জীবন আমি ঐকান্তিকতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করেছি এবং সর্বদাই দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষের সার্বিক অবস্থার যাতে উন্নতি হয়, তাই কামনা করেছি। দেশের বর্তমান এই অবস্থায় দেশের জন্য রয়েছে আমার আন্তরিক মঙ্গল কামনা। আমি পরম করুণাময় আল্লাহতালার কাছে এই মোনাজাতই করি যে তাঁর অশেষ রহমতে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে শান্তি, ন্যায়বিচার, প্রগতি ও সমৃদ্ধির এক নবযুগের সূচনা হবে।
‘বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমার সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং আমাকে সব রকমভাবে সাহায্য করার জন্যে সকলকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।
‘আমাদের দেশবাসীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন সাধনের জন্য দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর এই মহান প্রচেষ্টার আমি সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি। জাতির প্রয়োজনে দেশের জন্য আমি যেকোনো কর্তব্য পালনে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করব না। পরম করুণাময় আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’
পরম করুণাময় তাঁর প্রতি সদয় ও সহায় ছিলেন না, তবে যিনি তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন, তাঁর প্রতি খুবই প্রসন্ন ছিলেন। কী পরিস্থিতিতে সেদিন বিচারপতি ওই চোতা পাঠ করে জীবন রক্ষা করেছিলেন, তা মৃত্যুর আগে বর্ণনা করে গেছেন। যারা ৩২ নম্বরে রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে জাতির মহানায়ককে সপরিবারে শেষ করতে পারে, তারা বঙ্গভবনে নিঃসন্তান বৃদ্ধকে খতম করতে এক সেকেন্ড চিন্তা করবে না—তা বোঝার মতো বুদ্ধি তাঁর ছিল। সাত্তার আরও জানতেন যে, তিনি মহানায়ক তো ননই, নায়কও নন—ইতিহাসের এক পার্শ্বচরিত্র।
যা হোক, জেনারেল এরশাদ আলেকজান্ডার বা চেঙ্গিস খাঁর মতো দিগ্বিজয়ী বীর ছিলেন না যে ১০ কোটি মানুষকে বুটের নিচে পিষতে পারেন। রাতবিরাতে ওসব ক্যু-কাজ একা কোনো পাগলও করে না। সেদিন এরশাদের পাশে তাঁর সহযোগী ছিলেন বহু। তাঁদের কারও কারও নাম অনেকেই জানে। অনেকেরই নাম অজানা। কয়েক মাস দামাদামি করে অনেক রাজনৈতিক নেতাকে কিনেছিলেন। কাউকে বেশি দামে, কাউকে কম দামে। সিনিয়র অনেক আমলাকে পেয়েছিলেন সঙ্গী। সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও এনজিওর মালিকদের পেয়েছিলেন। তাতেও কুলাত না, যদি বিদেশি দোস্ত না থাকত।
আমেরিকার সম্মতি ছাড়া পৃথিবীর কোনো সেনানিবাসের একটি পিঁপড়াও নড়াচড়া করতে পারে না। এরশাদ সে সম্মতিও পেয়েছিলেন। ভারতের নেতারা মনে করলেন, তিনি তাঁদের কবজাতেই থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিকেরা দেখলেন, তাঁর ‘বন্দুকের নলের ডগায় প্রজাপতি’ বসা। পাকিস্তানকে তিনি এমন ধারণা দিলেন যে ইসলাম ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না তিনি। রাষ্ট্রধর্ম করার বহু আগেই তিনি রেডিও-টেলিভিশনে আজানের দোয়া যোগ করলেন। সৌদি আরবসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্য মনে করল: ইনি আমাদেরই লোক। চীনপন্থীদের সঙ্গে তিনি এমন মহব্বত শুরু করলেন যে তাঁরা ভাবলেন, এই নেতাকে ‘কমরেড’ সম্বোধন করলে ক্ষতি নেই। অর্থাৎ তিনি এমনই খেলোয়াড় যে সৌদিপন্থী, বাগদাদপন্থী, ভারতপন্থী, পাকিস্তানপন্থী ও চীনপন্থীদের বশ করে ফেললেন।
এরশাদের মতো ভাগ্যবান সামরিক শাসক দুনিয়ায় দ্বিতীয়টি নেই। সব দলের মধ্যেই তিনি বন্ধু পেয়েছিলেন। বিএনপির একটি অংশের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ছিল গোড়া থেকেই। ক্ষমতা দখলে তাঁরা তাঁকে সহায়তা করেন। আওয়ামী লীগের নেতাদের অনেকের সঙ্গে তাঁর গভীর প্রণয় হয়েছিল, তা অপ্রকাশ্য থাকেনি। বিএনপি সরকারের পতন ঘটানোতে অন্তরের অন্তস্তল থেকে আওয়ামী লীগের আশীর্বাদ পান। চীনপন্থী বামদের একটি অংশ একপায়ে খাড়াই ছিল যেকোনো সামরিক শাসককে সমর্থন জানাতে। মাওলানা মান্নানের মাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষকদের আপন করে নেন। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সদস্যদের তিনি কিনে ফেলেন। একপর্যায়ে তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। শিক্ষাঙ্গন কলঙ্কিত করেন। ছাত্রনেতাদের বৈষয়িক ব্যাপারে কলুষিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠন করেন ‘জাতীয় ছাত্র পরিষদ’। ছাত্র পরিষদের প্রধান, যাঁর পদবি ছিল ‘সমন্বয়কারী’, তাঁকে নিয়োগ দেন তাঁর অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর বা রাষ্ট্রপতির ‘ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা’। তাঁর পদমর্যাদা ছিল যুগ্ম সচিবের। ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলু ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে প্রথমে এরশাদের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা নিযুক্ত হন, তারপর হন শিক্ষা উপমন্ত্রী। ছাত্রদল, ছাত্রলীগ প্রভৃতির বহু নেতাকে কিনে ফেলেন। প্রথমবার ছাত্র পরিষদকে অনুদান দেন ৩৭ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বছরে ৮৬.৪৯ লাখ। এটা প্রকাশ্য অনুদান। অপ্রকাশ্যে কত টাকা বণ্টন করেছেন, তার হিসাব বিধাতা ছাড়া কেউ জানে না।
এরশাদ সাহেব ছিলেন পাকা খেলোয়াড় ও মনোবিশ্লেষক—ফ্রয়েড বা য়ুঙ তাঁর কাছে কিছু না। ক্ষমতা দখলের সোয়া দুই মাস পরে এল জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিন। তিনি ছুটলেন চন্দ্রিমা উদ্যানে। সপারিষদ ও ঘটা করে। দুই বছর তিনি চন্দ্রিমায় দৌড়ান। জিয়ার অগণিত অনুসারী ও সমর্থক ছিল সারা দেশে। তারা মনে করল, তিনি জিয়ার সহকর্মী নন, ভাই। সেনাবাহিনীতে জিয়ার ভক্তরা ভাবলেন, জিয়া হত্যাকাণ্ডে ইনি জড়িত থাকতেই পারেন না।
টুঙ্গিপাড়ায় তিনি প্রথম দিকে গেলেন না। আওয়ামী লীগের লোকদের বোঝালেন, আমি ঠিক অবস্থানেই আছি। যখন যা দরকার তা-ই করব। ওখানেও যাব, একটু পরে। গিয়েছিলেন ঠিকই। গিয়ে কাঁদো কাঁদোভাবে বলেছিলেন, আমার আসতে দেরি হয়ে গেল। এবার রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত বছর। তাই গাইতে ইচ্ছা করছে: পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়।
এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ১৫ দলীয় জোট থেকে শেখ হাসিনা এবং সাতদলীয় জোট থেকে খালেদা জিয়া উত্তাল আন্দোলন করেছেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দেশের ছাত্র-শিক্ষক-সংস্কৃতিসেবী, আইনজীবী, কৃষক, শ্রমিক, চিকিৎসক—সব শ্রেণীর মানুষ। পতনের পর ১০ বছর না যেতেই তিনি হন পুনর্বাসিত।
সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে এরশাদ তাঁর শাসনকে বৈধ করেছিলেন। গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্টের এক রায়ে সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে ১৩৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি। রায়ে বলা হয়েছে: ‘সামরিক শাসন জারির জন্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহমূলক অপরাধ করেছেন। এ জন্য তাঁর বিচার হওয়া উচিত। এ বিষয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে কি না, সরকার তা খতিয়ে দেখতে পারে।’
এই রায় প্রকাশের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সরকার ব্যবস্থা নিতেন, যদি তিনি আজ থাকতেন খালেদা জিয়ার জোটে। ব্যবস্থার পরিবর্তে পক্ষকাল না পেরোতেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘটা করে গেলেন রংপুরে। পোস্টারে পোস্টারে উত্তরবঙ্গ ছেয়ে গেল। হাসিনা-এরশাদ বোন ও ভাই। রংপুরের উন্নয়ন করতে চাইলে তা সেখানকার সুযোগ্য ‘ছাওয়াল’টিকে ছাড়াও করা যায়। ছাওয়ালের গঠিত জাতীয় পার্টি কোনো অভ্যুত্থান ঘটায়নি। তাদের নিয়েও করা যায়। জাতীয় পার্টির অন্য কোনো নেতার বিরুদ্ধে আদালতের রায় নেই।
এরশাদ যে অবৈধ ছিলেন, তা তিনি নিজেও অন্তত একদিন স্বীকার করেছেন। নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ আদালতে এরশাদ যে লিখিত জবানবন্দি দিয়েছিলেন, তা প্রকাশিত হয়নি। বর্তমান বিচারকদ্বয় সেই জবানবন্দি পাঠ করেছিলেন কি না জানি না, নিশ্চয়ই করে থাকবেন। তাতে তিনি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন—‘সেদিন আমার ক্ষমতা গ্রহণ সংবিধানসম্মত ছিল না।’
অবৈধ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা, নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়া একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অপরাধ। রাষ্ট্রদ্রোহ—বলেছেন মাননীয় বিচারপতিরা। আদালতের রায়ের বাইরেও অন্য দিক রয়েছে। জনগণ তাঁকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তাঁকে সসম্মানে স্বীকৃতি দেওয়া হলে জনগণকে অপমান করা হয়। জাতীয় পার্টির অন্য সদস্যদের নিয়ে সমস্যা নেই। তাঁরা জনগণের প্রতিনিধি। এরশাদ সাহেবও নির্বাচিত এবং তাঁর এলাকায় জনপ্রিয়। তা সত্ত্বেও আদালতের রায়ের পরে তাঁকে পাশে নিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করা দৃষ্টিকটু। দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে জানে টুঙ্গিপাড়ার শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে—লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ‘ভাই’ হিসেবে নয়। চির সামরিক শাসকবিরোধী বঙ্গবন্ধুর আত্মা ৮ জানুয়ারি প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছে।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 27
(107)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-জন্ম শতবর্ষে বিচারপতি মোর্শেদ by জিয়া...
- অরণ্যে রোদন-বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে by আনিসুল হক
- সংস্কৃতি-একটুখানি আশার আলো by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- সংঘাত ও শান্তি-সুদানে গণভোট ও শুভসূচনা by বারাক ওবামা
- সহজিয়া কড়চা-পুরানো সেই দিনের কথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- শিল্প-কারখানার বর্জ্য পরিশোধন ও নিষ্কাশনে গাফিলতি ...
- সরকার কি এর দায় এড়াতে পারে?-আরেকটি শেয়ার কেলেঙ্কারি!
- হায় রে টিকিট!
- হাসির গল্প by বনফুল
- হ্যালো! হ্যালো!! হ্যালো!!! by আব্দুল কাইয়ুম
- অহেতুক কৌতুক
- এই লাইনেরে নিব আমরা সেই লাইনেরও কাছে...-এই লাইন লা...
- চারদিক-বঙ্গবন্ধুর বাল্যবন্ধু মানিক মিয়া by সাহাদাত...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-দায়উভয়েরই, দরকার ক...
- স্মরণ-বিজ্ঞানমনস্ক মোজাফ্ফর হোসেন by যতীন সরকার
- দারিদ্র্য বিমোচন-ভুল পথে ক্ষুদ্রঋণ by মুহাম্মদ ইউনূস
- সরল গরল-সংসদনেত্রী, ‘শকুন’ সহোদর ও সপ্তম সংশোধনী b...
- সীমান্তে বিএসএফের গুলি বন্ধ হোক-ফেলানীদের বাঁচা-মরা
- র্যাব-পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে-আইনশৃঙ্খলার অবনতি
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-সরকারের দুই বছর
- স্মরণ-আসুন, স্মরণ করি সন্তোষ গুপ্তকে by অজয় রায়
- দুর্নীতির জরিপ-টিআইবির সমালোচক টিআইবির বন্ধু by ইফ...
- জেএসসি পরীক্ষা-ঝরে পড়া, অকৃতকার্য হওয়া by শাফিউল হ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-জবাবদিহির জন্য নতুন আইন হোক by খন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিচার বিভাগ নিয়ে বিতর্ক কাম্য নয় ...
- খাদ্যমূল্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে-আবার লাইসেন্স ...
- প্রভাব ও হস্তক্ষেপের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে-পুলিশের পৃথ...
- চারদিক-বীরশ্রেষ্ঠর জাদুঘরে একদিন by নুরুন্নবী চৌধুরী
- যুক্তি তর্ক গল্প-মুক্তিযুদ্ধের আরব্ধ কাজ by আবুল ম...
- জনসংস্কৃতি-গ্রামীণ মেলাগুলো ফিরে আসুক by জিয়াউল হক
- জঙ্গিবাদ-পাকিস্তানের সহিংস পথচলা by মশিউল আলম
- কালের পুরাণ-প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: অর্ধেক গ্লাস খালি...
- হাসপাতালের অব্যবস্থা দূর করতে হবে-বিএসএমএমইউতে সেব...
- বিনিয়োগকারী ও এসইসিকে দিশেহারা হলে চলবে না-বেপরোয়া...
- স্মার্টফোন কেনার আগে... by নাসির খান
- যুদ্ধের খেলা by সুমন পাটওয়ারী
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার by নুরুন্নবী চৌ...
- বাংলা উইকিপিডিয়া এখন by মুনির হাসান
- আপনি কি জানেন-পানির ব্যবহার
- বাজারে নতুন
- বুক অব ফ্যাক্টস-জীবাশ্ম by আইজ্যাক আজিমভ
- যা নিয়ে আছি-আত্মজীবনী লিখতে চাই
- হিলারিসহ পাঁচ ভিআইপি আসছেন আগামী ৯ দিনে by মেহেদী ...
- পাকিস্তানের আদালতে গিলানির সাজা
- স্পিকারকে সোহেল তাজের ফোন-পদত্যাগপত্র গ্রহণ করুন
- প্রতিরোধ কমিটির অভিযোগ-মুসলমানদের ইমান ধ্বংসের চক্...
- সাগর-রুনির লাশ তুলে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ
- সম্পাদকের কলাম-দেশের অবস্থা কী by ইমদাদুল হক মিলন
- ঘুড়ি উড়াল হালুম শিকু
- রঙে রঙে জলরঙে by উত্তম মিত্র
- লক্ষ্মীসোনার জন্যে ছড়া by আসাদ চৌধুরী
- একাই এক শ ড্যারিয়াস!
- তোতো by দীপু মাহমুদ
- ঢাকার ফয়েজ আহ্মদ by মফিদুল হক
- শিল্পীর ভুবন-বিদগ্ধ বীক্ষণ by সিলভিয়া নাজনীন
- চারুশিল্প-স্বপ্ন ও মৃত্তিকার দিঘল মাঠ by মোবাশ্বির...
- মেঘমেদুর স্মৃতি by ওয়াসি আহমেদ
- কালবৈশাখীর প্রলয় নাচ by হাসান আজিজুল হক
- বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল! by আশরাফুল হক ...
- বাংলাদেশের একটি ডিসি-১০ চায় বোয়িং, জাদুঘরে রাখবে b...
- তোপের মুখে আইজিপি-সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ইলিয়াস আলী ও...
- ধর্ম-‘তোমরা হত্যাযজ্ঞ থেকে দূরে থাকো’ by মুহাম্মদ ...
- শিল্পের স্বার্থেই খুনি শনাক্ত হওয়া প্রয়োজন-শ্রমিকন...
- হাইকোর্টের মাইলফলক রায়টি অনুসরণযোগ্য-রাষ্ট্রপতির ক...
- স্মরণ-শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক by মো. জাহাঙ্গীর হোস...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৭৩)-শব্দসৈনিক by আলী যাকের
- হজমেলাকে আরও অর্থবহ করতে হবে by মাওলানা আবু আম্মার...
- সূর্যোদয়ের দেশে ইসলাম by জহির উদ্দিন বাবর
- ইসলামে শ্রম ও অর্থনৈতিক চিন্তা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- শেকড়ের ডাক-ইলিয়াস আলী, হরতাল ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা...
- বহে কাল নিরবধি-চালিকাশক্তি গণতন্ত্র নয়, ভূরাজনীতি ...
- এর নাম চিকিৎসাসেবা?
- আবার অশান্ত পাহাড়
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইয়াতিমের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করা জ...
- জাতীয়তাবাদের পুরোধা by সিরাজ উদদীন আহমেদ
- এই লজ্জা কোথায় রাখি!
- পাকিস্তান-সরকার-বিচার বিভাগ মুখোমুখি by ডেক্লান ওয়ালস
- ধর নির্ভয় গান-নৈশব্দ থেকে অর্থবহ শব্দে! by আলী যাকের
- কৃষি খাতে ব্যাংক ঋণ-অর্থনীতির দায় ভুললে চলবে না
- হাসপাতালে ভাংচুর-গর্হিত ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ
- বরফের দেশে সিস্টেম ও আমাদের শহর by ইশরাত জাকিয়া সু...
- একজন মফিজ ও মোবাইল ফোন by আকরাম খান
- কে কাকে ছুড়ে ফেলবে? by জাহিরুল ইসলাম
- নদীর জন্য মেলা by শেখ রোকন
- লোকাল বাস যখন-তখন সিটিং কেন? by শাহানুর আলম
- অপেক্ষার ৫৩ বছর by একরামুল হক শামীম
- উন্নয়ন-এশীয় অর্থনৈতিক ব্যাঘ্র ও বাংলাদেশ by শেখ আব...
- বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে -আলাপচারিতা :সুগত বসু
- বাদশার মেওয়া বাগান-সম্ভাবনার আবাহন
- কোচিং সেন্টার-শিক্ষা-বাণিজ্য বন্ধ হোক
- মুয়াবিয়া ও আমিনী : রণকৌশলের সাদৃশ্য by ওয়াহিদ নবী
- সংবিধান সংশোধন এবং প্রসঙ্গ কথা by ডা. এম এ করীম
- চরাচর-বীর বিক্রম আজিজ বাঁচতে চান by উম্মে কুলসুম মৌ
- কালের যাত্রা by পীষূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- কল্পকথার গল্প-কুমিরের রচনা ও লিমনের পা হারানো by আ...
- কালান্তরের কড়চা-ঢাকার তিলোত্তমা রূপ ধারণ এবং আবর্জ...
- বাগমারায় প্রতারিত গ্রাহকদের হামলা-ডেসটিনির বিরুদ্ধ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করবে গ্যাজপ্রম
- শিক্ষকসংকটে কারিগরি শিক্ষা হয়ে পড়েছে সনদসর্বস্ব by...
- ধানের দাম কম, এক কোটি বোরো চাষি বিপদে by ইফতেখার ম...
- ইলিয়াস আলী নিখোঁজ-সরকারই গুম করেছে: বিএনপি
- ইলিয়াস আলী নিখোঁজ-জীবিত উদ্ধারই লক্ষ্য: আশরাফ
- মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-২০১১-তারা ঝলমল জাঁকালো আয়...
- বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন মহাজোটের সাংসদেরা
- বিশ্বনাথে জাকিরকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি ছোড়...
- বিলুপ্তির পথে পান চাষ, নানা সমস্যায় চাষীরা by টি. ...
-
▼
Apr 27
(107)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment