Friday, April 27, 2012
কালান্তরের কড়চা-ঢাকার তিলোত্তমা রূপ ধারণ এবং আবর্জনা ও ভিখিরি অপসারণ by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালান্তরের কড়চা-ঢাকার তিলোত্তমা রূপ ধারণ এবং আবর্জনা ও ভিখিরি অপসারণ by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
এবারের বঙ্গদর্শন (৬) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট নায়ক নিকিতা ক্রুশভ বলতেন, ঔপনিবেশিক মানসিকতা হচ্ছে পোষা কুকুরের গলার বকলেসের মতো। দীর্ঘদিন ওই বকলেস পোষা কুকুরের গলায় বেঁধে রাখা হলে তারপর ওই বকলেস খুলে ফেলা হলেও কুকুর ওই বকলেস ছাড়া আর চলাফেরা করতে চায় না।
পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের সাবেক উপনিবেশগুলোর অবস্থাও অনেকটা তা-ই। ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান হলেও ওই যুগের মানসিক দাসত্ব, অভ্যাস ও রীতি-নীতি সাবেক উপনিবেশগুলোর দেশি শাসকরা সহজে ছাড়তে পারে না এবং ছাড়তে চায় না। সাবেক প্রভুদের অনুকরণের মাধ্যমে তারা নিজেরা প্রভু শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছে বলে মনে করে।
ব্রিটিশ কলোনিয়াল শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর অবিভক্ত ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে প্রথমে ভারত ও পাকিস্তান, পরে বাংলাদেশ_এই তিনটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। দেশ তিনটি স্বাধীন হলেও তিনটি দেশের স্বদেশি শাসকদের কেউ বিদেশি শাসকদের আচার-আচরণ, শাসন প্রক্রিয়া_কোনোটারই অনুকরণ ছাড়তে পারেননি; বরং দিন দিন তার অনুকরণ বাড়ছে। এই অনুকরণ দ্বারা নিজেদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ভাবমূর্তি যে মর্যাদা হারায়, এ সম্পর্কে আমাদের শাসকদের মধ্যে সচেতনতা খুবই কম।
ব্রিটিশ আমলে আমার বয়স কম ছিল। কিন্তু তখন থেকেই ছিল পর্যবেক্ষণ শক্তিটা সমবয়সী অনেকের চেয়ে একটু প্রখর। আমি তখন বরিশাল শহরে থাকি এবং স্কুলে পড়ি। তখন দেখতাম, বরিশাল শহরের রাস্তাঘাট হঠাৎ ধোয়ামোছা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে দীর্ঘকাল জমে থাকা জঞ্জালের স্তূপ সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। রাস্তাঘাট থেকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ভিখিরিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের গাড়িতে তুলে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আমরা তখনই বুঝতে পারতাম, কোনো ব্রিটিশ রাজপুরুষ অথবা ব্রিটিশ রাজপুরুষদের অনুগত কোনো উচ্চপদস্থ দেশি রাজ কর্মচারী আসছেন বরিশাল সফরে। এ রকম অন্যান্য জেলা শহরেও হতো। রাজধানী থেকে লাট সাহেব, কোনো মন্ত্রী বা সচিব এলে শহর ধুয়েমুছে একেবারে তকতকে করে ফেলা হতো। রাজপুরুষ যে পথ দিয়ে মোটর হাঁকিয়ে যাবেন, সেই পথে একজন ভিখিরিও চোখে পড়ার সুযোগ থাকত না। শহরটিকে মনে হতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, দারিদ্র্য ও ভিখিরিমুক্ত একটি সুন্দর নগরী।
ব্রিটিশ যুগের পর পাকিস্তান আমল এল। আমি তখনো কিশোর এবং স্কুলের ওপরের ক্লাসের ছাত্র। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্র মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দীনকে ওই পদে নিযুক্ত করা হলো। তিনি উর্দুভাষী বাঙালি। ঢাকার নবাব পরিবারের মানুষ। এমন একজন স্বদেশি মানুষ আসছেন বরিশাল সফরে। যেদিন তিনি আসবেন, তার সাত দিন আগে থেকে শুরু হলো বরিশাল শহর ধোয়ামোছা। আমি তখনো ঢাকায় আসিনি। মফস্বল শহরে বসেই শুনেছি, করাচি থেকে তাঁর আগমন উপলক্ষে ঢাকা শহরেও ধোয়ামোছা হয়েছে আরো বেশি করে। পুলিশ লাঠিপেটা করে ভিখিরি সরিয়ে দিয়েছে রাস্তাঘাট থেকে। বরিশাল শহরেও এর পুনরাবৃত্তি হলো।
আমার কিশোর মনেই তখন প্রশ্ন জেগেছিল, নাজিমুদ্দীন সাহেব তো বিদেশি শাসক কিংবা রাজপুরুষ নন। তিনি এ দেশেরই মানুষ। পুরনো ঢাকার নবাববাড়িতে তাঁর জন্ম। পাকিস্তান হওয়ার পর গভর্নর জেনারেল হয়ে করাচিতে চলে যাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ছিলেন। ঢাকা শহর কত অপরিচ্ছন্ন, রাস্তাঘাটে কত জঞ্জাল, সারা শহরে কত শয়ে শয়ে ভিখিরি, তা তিনি ভালো করেই জানেন। তাহলে এই একজন মানুষের চোখে ঢাকা শহরের আসল চেহারা ঢাকা দিয়ে তাঁকে দুই দিনের জন্য তিলোত্তমা করে সাজানোর এই ব্যয়বহুল হাস্যকর প্রয়াস কেন? কার চোখে ঢাকা শহরের জঞ্জালভর্তি রাস্তা, দুর্গন্ধময় নর্দমা এবং নগ্ন দারিদ্র্য আড়াল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে? এটা কি আত্মপ্রতারণা নয়? বিদেশি ঔপনিবেশিক যুগের দাস-মানসিকতা বহন করে চলা নয়?
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও দেখেছি, আমাদের প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্বশীল স্বাধীন শাসকদের মধ্যেও পুরনো কলোনিয়াল অভ্যাস পরিত্যাগ করার কোনো লক্ষণ নেই। মন্ত্রীদের গাড়িতে চড়ে তীব্র শব্দে সাইরেন বাজিয়ে পথ চলা, পুলিশ দিয়ে মন্ত্রীর গাড়ি চলার পথ ভিড়মুক্ত করে ফেলা, গাড়ির আরোহী রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হলে সাধারণ মানুষকে দুর্বিষহ যানজটে ফেলা, আধঘণ্টা-এক ঘণ্টার জন্য রাস্তা একেবারে ফাঁকা করে ফেলা, গাড়ির সামনে-পেছনে মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশবহরের পাহারা_বিদেশি ঔপনিবেশিক আমলের এসব ঠাঁটবাট সবই বজায় রাখা হয়েছে প্রজাতন্ত্রী স্বদেশে।
দেশে থাকতে ভাবতাম, এটাই বুঝি সব দেশের, গণতান্ত্রিক দেশগুলোরও নিয়ম। জীবনের প্রায় অপরাহ্নবেলায় বিলাতে এসে সেই ভুল ভেঙেছে। আজাদের আগের গভর্নর হাউস এবং এখনকার প্রেসিডেন্ট হাউসে যে বিপুল পাহারা দেখা যায়, তার সিকি ভাগ পাহারাও দেখিনি সত্তরের দশকের লন্ডনে রাজা-রানির সরকারি বাসভবন বাকিংহাম প্যালেসে।
একবার তো একটা পাগল গোছের লোক শেষ রাতে দেয়াল টপকে বাকিংহাম প্যালেসে স্বয়ং রানির বেডরুমে ঢুকে তাঁর শয্যাপাশে বসে রানিকে বলেছে, 'হায় ম্যাজেস্টি, আমাকে একটা সিগারেট খেতে দেবেন?' এ ঘটনা নিয়ে লন্ডনে তখন কত হৈচৈ!
সেই সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন লন্ডনে এসেছি, তখন দেখেছি, প্রধানমন্ত্রীর ১০, ডাউনিং স্ট্রিটের সরকারি বাসভবনের প্রধান দরজায় একজন মাত্র লাঠিধারী পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। আর সেই সময় বাংলাদেশে আমাদের একজন সাধারণ মন্ত্রীর বাড়িতেও সেকি পাহারা! ব্রিটেনের কোনো কোনো মন্ত্রীকে দেখেছি পায়ে হেঁটে তাঁর কন্সটিটিউয়েন্সিতে ঘোরাফেরা করতে। লেবার পার্টির প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রী পিটার শোরকে দেখতাম, পূর্ব লন্ডনের বাঙালিপাড়ায় পায়ে হেঁটে ঘুরছেন।
বাংলাদেশের কোনো প্রতিমন্ত্রীও রাস্তায় হাঁটছেন_এ দৃশ্য দেখেছি বলে মনে পড়ে না। লন্ডনে মন্ত্রীদের গাড়ি, এমনকি কুইনের গাড়ি চলাচলের জন্য রাজপথে যানজট সৃষ্টি হতে দেওয়া হয় না। আর বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিরোধীদলীয় নেত্রীর বিদেশ গমন বা দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে তাঁদের সারা যাত্রাপথ থাকে সাধারণ মানুষের জন্য অবরুদ্ধ। এর প্রতিক্রিয়ায় সারা শহরে ভয়াবহ যানজটে নগরজীবন অচল হয়ে পড়ে।
এবারও ঢাকা শহরে দেখেছি এই একই অবস্থা। ভিআইপিদের চলাচলের জন্য রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে সারা শহরে যানজট সৃষ্টি দ্বারা যে অসহনীয় অবস্থা সৃষ্টি করা হয়, ভুক্তভোগী ছাড়া এর যন্ত্রণা কেউ বুঝবে না। আমার এক ব্রিটিশ বন্ধু, যিনি ঢাকায় এ ধরনের যানজটে পড়েছিলেন, তিনি আমাকে বলেছেন, 'লন্ডনের রাস্তায় প্রধানমন্ত্রী, এমনকি রানির জন্যও যদি এ ধরনের যানজট সৃষ্টি করা হতো, তাহলে ব্রিটেনে নাগরিক-বিপ্লব ঘটে যেত। ওই প্রধানমন্ত্রীকে তো পদত্যাগ করতেই হতো, রাজতন্ত্রও হয়তো উচ্ছেদ হয়ে যেত।' আমি তাঁকে বলেছি, এ ধরনের ঔপনিবেশিক কায়দা-কানুন তোমরা শুধু তোমাদের সাবেক কলোনিগুলোতেই প্রবর্তন করে রেখে গেছো; নিজ দেশে প্রবর্তন করোনি। আমরা তোমাদের সেই ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতায় এখনো ভুগছি এবং সাবেক প্রভুদের রীতি-নীতি অনুকরণ করে চলছি মাত্র।
সময় বদলে গেছে। গণতন্ত্রের সেই 'খোলা দুয়ার-নীতি'র যুগ এখন আর নেই। নিউইয়র্ক শহরে সেই ভয়াবহ নাইন/ইলেভেনের ঘটনার পর সারা দুনিয়ায় যে যুগ শুরু হয়েছে, তাকে বলা হয় এইজ অব টেরোরিজম বা সন্ত্রাসের যুগ। গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের যুদ্ধ ব্যবসা ও অস্ত্র ব্যবসার অতি মুনাফার জন্যও এই সন্ত্রাসী যুগ সৃষ্টি তাদের দরকার ছিল। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে সারা বিশ্বে নাগরিক অধিকার, মানবিক অধিকার_বহু কিছুই এই গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম এবং তার শ্বেতাঙ্গ প্রভুরা হরণ করেছে। আসলে জননিরাপত্তা নয়, দেশে দেশে 'গণতান্ত্রিক শাসকদেরই' নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার চেষ্টা চলছে। এতে তাদের গণবিচ্ছিন্নতাই বাড়ছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতেও সাবেক ঔপনিবেশিক প্রভুদের অনুকরণে দেশি শাসকদের, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী-সাংসদদের কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে আপত্তি ছিল না। সন্ত্রাসীদের আকস্মিক হামলা থেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং মন্ত্রী-এমপিদের নিরাপত্তা অবশ্যই কঠোর করা প্রয়োজন। গণতন্ত্রের 'খোলা দুয়ার নীতি' এখন আর অনুসরণ করা যাবে না, এটাও বোধগম্য ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে কি আমাদের সেই ঔপনিবেশিক যুগের দাস প্রথায় ফিরে যেতে হবে? নিরাপত্তাব্যবস্থায়ও চলবে বৈষম্য-নীতি? নেতা-নেত্রীরা থাকবেন কঠোর পাহারার মধ্যে। আর সাধারণ নাগরিকরা দিনের পর দিন থাকবেন সন্ত্রাসের শিকার হয়ে? আমার এবারকার বঙ্গ দর্শনেরও অভিজ্ঞতা হলো, নেতা-নেত্রীদের নিরাপত্তার কঠোরতা এমন পর্যায়ে পেঁৗছেছে যে, তা নাগরিক জীবনকে মাঝে মাঝে দুর্বিষহ করে তোলে। পাশাপাশি জনজীবনে কোনো নিরাপত্তা নেই, প্রত্যহ বাড়ছে নানা রকম সন্ত্রাস। আর এই সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক ক্ষমতাসীন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলোই।
পাঠকদের কাছে ক্ষমা চাই। আমার এবারকার বঙ্গ দর্শনের যে অভিজ্ঞতার কথাটা লিখতে চেয়ে কলম ধরেছিলাম, তার প্রস্তাবনাটাই বেশি বড় হয়ে গেল। এবার আসল কথায় আসি। এবার বাংলাদেশে এক মাস ছিলাম। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ। এবার ঢাকায় পা দিয়েই মনটা তরতাজা হয়ে গিয়েছিল। এমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ঢাকা শহর কোন যুগে আমার চোখে পড়েছে, তা স্মরণ হলো না। রাজপথের মাঝখানে ডিভাইডারে তাজা ঘাস, তার ওপর রকমারি রঙিন ফুলের টানা শয্যা। রাস্তার দু'পাশে নানা রকম রঙিন পোস্টার-ফেস্টুন-সুদৃশ্য বোর্ড। বহু উচ্চে নিয়ন সাইনের বহু বিজ্ঞাপন। রাস্তার পাশে যত বোর্ড বসানো হয়েছে, তাতে ক্রিকেট বিশ্বকাপের খেলা এবং বাংলাদেশ টিমকে শাবাশ দিয়ে নানা কথা উৎকীর্ণ। অনেকগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর এবং কোনো কোনোটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি রয়েছে। অবশ্য অধিকাংশ বোর্ড বিজ্ঞাপনেই ইসলামী ব্যাংকের নাম মুদ্রিত (সে কথায় পরে আসব)।
আমার গন্তব্য ছিল এয়ারপোর্ট থেকে বনানীতে আমার জন্য নির্দিষ্ট করা হোটেল ইস্টার্ন রেসিডেন্স। দিনেরবেলা মুগ্ধ চোখে দেখেছি নতুন ঢাকার নতুন রূপসজ্জা আর রাতে দেখেছি আলোয় আলোকময় তিলোত্তমা ঢাকা। রঙিন আলোর রূপসজ্জায় উদ্ভাসিত মহানগর। আমার গাড়িচালক বললেন, স্যার, বিশ্বকাপের খেলার জন্য শহর সাজানো হয়েছে। এ রকম থাকবে খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত। তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, শহরে সারারাত এত রঙিন আলোর সমারোহ, লোডশেডিং তাহলে নিশ্চয়ই কমেছে?
ড্রাইভার বললেন, কিছুটা কমেছে স্যার। তা ছাড়া বিশ্বকাপের খেলা উপলক্ষ করে বিদ্যুৎ সাপ্লাই বিশেষ ব্যবস্থায় কিছুটা বাড়ানোও হয়েছে। রাস্তাঘাট আবর্জনামুক্ত করা হয়েছে। ট্রাফিক জ্যামও অনেকটা কম দেখবেন স্যার। কড়া ব্যবস্থায় মানুষ ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁর কথা শুনে মনে মনে বিশ্বকাপকে ধন্যবাদ জানালাম। হোক বড়লোকদের খেলা। এই খেলায় ঢাকার মানুষ লোডশেডিংয়ের দুঃসহ অত্যাচার থেকে কিছুটা হলেও বেঁচেছে। আবর্জনা আর দুর্গন্ধে ভর্তি ঢাকা তিলোত্তমা সেজেছে। তার বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়া যাচ্ছে। এয়ারপোর্ট থেকে বনানী পেঁৗছতে আগের মতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে পড়ে থাকতে হলো না। এ যেন সেই ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলের মতো কোনো বিদেশি রাজপুরুষের নগর দর্শনে আসায় নেটিভদের নগরটি ঘষেমেজে পরিষ্কার করা হয়েছে, আলোকসজ্জিত করা হয়েছে। গরিবের কপালে এই ক্ষণিকের সুখ ও সৌভাগ্যই বা কম কিসে?
কিন্তু বনানীতে ইস্টার্ন রেসিডেন্স হোটেলে এক মাস অবস্থানের প্রথম রাতেই একাধিকবার লোডশেডিং। অবশ্য এই লোডশেডিংয়ের জন্য আমাদের ভুগতে হয়নি। হোটেলটির নিজস্ব জেনারেটর আছে। সুতরাং মুহূর্তেই আলো জ্বলে উঠেছে। কিন্তু যাদের বাড়িতে জেনারেটর নেই, তাদের কী হচ্ছে? এক হোটেল পরিচারক জানান, তাঁরা মোমবাতি অথবা হ্যারিকেন জ্বালায় স্যার। আপনার ঘরের টেবিলের ড্রয়ারেও মোমবাতি আছে, যদি জেনারেটর কাজ না করে।
কৌতূহল হলো। জিজ্ঞেস করলাম, রাস্তায় আলোকসজ্জার কী হয়?
পরিচারক বললেন, ওগুলো ঠিক থাকে স্যার। এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে। বুঝলাম, বাইরের ঠাঁট বজায় রাখার ব্যবস্থা আছে। মনে প্রশ্ন জাগল, এ ব্যবস্থাটা কি একটু সম্প্রসারিত করে সাধারণ নাগরিকদের জীবনে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণাটা কমানো যায় না? বিদেশিদের জন্য চোখ ধাঁধানো এই আলোকসজ্জার পাশাপাশি পরীক্ষার সময় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যেন ঘন ঘন বৈদ্যুতিক আলো না হারায়, হাসপাতালে রোগীর অপারেশনের মুহূর্তে যেন আলো চলে না যায়, এপ্রিল-মে মাসের অসহ্য গরমে মানুষ যাতে ভয়ানক কষ্ট না পায়, কলকারখানাগুলোতে বারবার লোডশেডিংয়ের জন্য যাতে উৎপাদন বন্ধ না হয়, তার সামান্য বন্দোবস্ত কি এতদিনেও করা গেল না? কিন্তু বিশ্বকাপের আলোকসজ্জা তো আহামরি ঢঙে করা গেল। এ সম্পর্কে বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী সাহেবের বিজ্ঞ মতামত জানতে পারলে খুশি হতাম।
বিশ্বকাপের খেলা। অবশ্যই ঢাকা শহর ধোপদুরস্ত ও আলোর অলংকারে ভরে তোলা হবে, এতে কারো আপত্তি নেই। কথা হলো, এই ব্যবস্থাটুকুর স্পর্শ সাধারণ নাগরিক জীবনেও একটু টেনেটুনে নিয়ে আসা যায় না? ঘরে যদি বাতি না জ্বলে, তাহলে কেবল রাস্তায় আলো জ্বালিয়ে কী হবে? বিশ্বকাপ খেলার সময় ঢাকা শহরের রূপসজ্জা দেখে মনে হয়েছে, সরকার ইচ্ছা করলে ঢাকার দৈন্যদশা কিছুটা হলেও কমাতে পারে। তাহলে তা পারছে না কেন?
এবার এক মাস ঢাকায় অবস্থানকালে আমার কাছে বিস্ময়কর লেগেছে, রাস্তাঘাটে একেবারেই ভিখিরি নেই। ভেবেছি, ঢাকা কি হঠাৎ ভিখিরিমুক্ত হয়ে গেল? জিজ্ঞেস করে জেনেছি, পুলিশ ভিখিরিদের ধরে ঢাকার বাইরে চালান করেছে। খেলা চলাকালে তাদের আর ফিরতে দেওয়া হবে না। যদি তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের চোখে পড়ে যায়! আমরা যে গরিব, বিদেশিরা তা জেনে যায়! ভাবখানা এই, তারা যেন আমাদের অবস্থা আর জানে না।
এটা ঠিক বিদেশি আমলের সেই ঔপনিবেশিক শাসকদের মতো আচরণ। বড় লাট বা ছোট লাট কোনো জেলা বা ডিভিশনাল শহরে এলে ঝেঁটিয়ে সব ভিখিরি শহর থেকে বিদায় করে দেওয়া হতো। বড় লাট বা ছোট লাট চলে যেতেন। শহরের অবস্থা আবার যা ছিল, তা-ই। এবার বিশ্বকাপ খেলার সময় ঢাকা শহরকে কিছু দিনের জন্য ভিখিরিমুক্ত দেখে আমার অতীতের কিছু তিক্ত-মধুর স্মৃতি মনে জেগেছে। (অসমাপ্ত)
লন্ডন, ১৮ এপ্রিল, সোমবার, ২০১১
ব্রিটিশ কলোনিয়াল শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর অবিভক্ত ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে প্রথমে ভারত ও পাকিস্তান, পরে বাংলাদেশ_এই তিনটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। দেশ তিনটি স্বাধীন হলেও তিনটি দেশের স্বদেশি শাসকদের কেউ বিদেশি শাসকদের আচার-আচরণ, শাসন প্রক্রিয়া_কোনোটারই অনুকরণ ছাড়তে পারেননি; বরং দিন দিন তার অনুকরণ বাড়ছে। এই অনুকরণ দ্বারা নিজেদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ভাবমূর্তি যে মর্যাদা হারায়, এ সম্পর্কে আমাদের শাসকদের মধ্যে সচেতনতা খুবই কম।
ব্রিটিশ আমলে আমার বয়স কম ছিল। কিন্তু তখন থেকেই ছিল পর্যবেক্ষণ শক্তিটা সমবয়সী অনেকের চেয়ে একটু প্রখর। আমি তখন বরিশাল শহরে থাকি এবং স্কুলে পড়ি। তখন দেখতাম, বরিশাল শহরের রাস্তাঘাট হঠাৎ ধোয়ামোছা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে দীর্ঘকাল জমে থাকা জঞ্জালের স্তূপ সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। রাস্তাঘাট থেকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ভিখিরিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের গাড়িতে তুলে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আমরা তখনই বুঝতে পারতাম, কোনো ব্রিটিশ রাজপুরুষ অথবা ব্রিটিশ রাজপুরুষদের অনুগত কোনো উচ্চপদস্থ দেশি রাজ কর্মচারী আসছেন বরিশাল সফরে। এ রকম অন্যান্য জেলা শহরেও হতো। রাজধানী থেকে লাট সাহেব, কোনো মন্ত্রী বা সচিব এলে শহর ধুয়েমুছে একেবারে তকতকে করে ফেলা হতো। রাজপুরুষ যে পথ দিয়ে মোটর হাঁকিয়ে যাবেন, সেই পথে একজন ভিখিরিও চোখে পড়ার সুযোগ থাকত না। শহরটিকে মনে হতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, দারিদ্র্য ও ভিখিরিমুক্ত একটি সুন্দর নগরী।
ব্রিটিশ যুগের পর পাকিস্তান আমল এল। আমি তখনো কিশোর এবং স্কুলের ওপরের ক্লাসের ছাত্র। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্র মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দীনকে ওই পদে নিযুক্ত করা হলো। তিনি উর্দুভাষী বাঙালি। ঢাকার নবাব পরিবারের মানুষ। এমন একজন স্বদেশি মানুষ আসছেন বরিশাল সফরে। যেদিন তিনি আসবেন, তার সাত দিন আগে থেকে শুরু হলো বরিশাল শহর ধোয়ামোছা। আমি তখনো ঢাকায় আসিনি। মফস্বল শহরে বসেই শুনেছি, করাচি থেকে তাঁর আগমন উপলক্ষে ঢাকা শহরেও ধোয়ামোছা হয়েছে আরো বেশি করে। পুলিশ লাঠিপেটা করে ভিখিরি সরিয়ে দিয়েছে রাস্তাঘাট থেকে। বরিশাল শহরেও এর পুনরাবৃত্তি হলো।
আমার কিশোর মনেই তখন প্রশ্ন জেগেছিল, নাজিমুদ্দীন সাহেব তো বিদেশি শাসক কিংবা রাজপুরুষ নন। তিনি এ দেশেরই মানুষ। পুরনো ঢাকার নবাববাড়িতে তাঁর জন্ম। পাকিস্তান হওয়ার পর গভর্নর জেনারেল হয়ে করাচিতে চলে যাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ছিলেন। ঢাকা শহর কত অপরিচ্ছন্ন, রাস্তাঘাটে কত জঞ্জাল, সারা শহরে কত শয়ে শয়ে ভিখিরি, তা তিনি ভালো করেই জানেন। তাহলে এই একজন মানুষের চোখে ঢাকা শহরের আসল চেহারা ঢাকা দিয়ে তাঁকে দুই দিনের জন্য তিলোত্তমা করে সাজানোর এই ব্যয়বহুল হাস্যকর প্রয়াস কেন? কার চোখে ঢাকা শহরের জঞ্জালভর্তি রাস্তা, দুর্গন্ধময় নর্দমা এবং নগ্ন দারিদ্র্য আড়াল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে? এটা কি আত্মপ্রতারণা নয়? বিদেশি ঔপনিবেশিক যুগের দাস-মানসিকতা বহন করে চলা নয়?
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও দেখেছি, আমাদের প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্বশীল স্বাধীন শাসকদের মধ্যেও পুরনো কলোনিয়াল অভ্যাস পরিত্যাগ করার কোনো লক্ষণ নেই। মন্ত্রীদের গাড়িতে চড়ে তীব্র শব্দে সাইরেন বাজিয়ে পথ চলা, পুলিশ দিয়ে মন্ত্রীর গাড়ি চলার পথ ভিড়মুক্ত করে ফেলা, গাড়ির আরোহী রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হলে সাধারণ মানুষকে দুর্বিষহ যানজটে ফেলা, আধঘণ্টা-এক ঘণ্টার জন্য রাস্তা একেবারে ফাঁকা করে ফেলা, গাড়ির সামনে-পেছনে মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশবহরের পাহারা_বিদেশি ঔপনিবেশিক আমলের এসব ঠাঁটবাট সবই বজায় রাখা হয়েছে প্রজাতন্ত্রী স্বদেশে।
দেশে থাকতে ভাবতাম, এটাই বুঝি সব দেশের, গণতান্ত্রিক দেশগুলোরও নিয়ম। জীবনের প্রায় অপরাহ্নবেলায় বিলাতে এসে সেই ভুল ভেঙেছে। আজাদের আগের গভর্নর হাউস এবং এখনকার প্রেসিডেন্ট হাউসে যে বিপুল পাহারা দেখা যায়, তার সিকি ভাগ পাহারাও দেখিনি সত্তরের দশকের লন্ডনে রাজা-রানির সরকারি বাসভবন বাকিংহাম প্যালেসে।
একবার তো একটা পাগল গোছের লোক শেষ রাতে দেয়াল টপকে বাকিংহাম প্যালেসে স্বয়ং রানির বেডরুমে ঢুকে তাঁর শয্যাপাশে বসে রানিকে বলেছে, 'হায় ম্যাজেস্টি, আমাকে একটা সিগারেট খেতে দেবেন?' এ ঘটনা নিয়ে লন্ডনে তখন কত হৈচৈ!
সেই সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন লন্ডনে এসেছি, তখন দেখেছি, প্রধানমন্ত্রীর ১০, ডাউনিং স্ট্রিটের সরকারি বাসভবনের প্রধান দরজায় একজন মাত্র লাঠিধারী পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। আর সেই সময় বাংলাদেশে আমাদের একজন সাধারণ মন্ত্রীর বাড়িতেও সেকি পাহারা! ব্রিটেনের কোনো কোনো মন্ত্রীকে দেখেছি পায়ে হেঁটে তাঁর কন্সটিটিউয়েন্সিতে ঘোরাফেরা করতে। লেবার পার্টির প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রী পিটার শোরকে দেখতাম, পূর্ব লন্ডনের বাঙালিপাড়ায় পায়ে হেঁটে ঘুরছেন।
বাংলাদেশের কোনো প্রতিমন্ত্রীও রাস্তায় হাঁটছেন_এ দৃশ্য দেখেছি বলে মনে পড়ে না। লন্ডনে মন্ত্রীদের গাড়ি, এমনকি কুইনের গাড়ি চলাচলের জন্য রাজপথে যানজট সৃষ্টি হতে দেওয়া হয় না। আর বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিরোধীদলীয় নেত্রীর বিদেশ গমন বা দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে তাঁদের সারা যাত্রাপথ থাকে সাধারণ মানুষের জন্য অবরুদ্ধ। এর প্রতিক্রিয়ায় সারা শহরে ভয়াবহ যানজটে নগরজীবন অচল হয়ে পড়ে।
এবারও ঢাকা শহরে দেখেছি এই একই অবস্থা। ভিআইপিদের চলাচলের জন্য রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে সারা শহরে যানজট সৃষ্টি দ্বারা যে অসহনীয় অবস্থা সৃষ্টি করা হয়, ভুক্তভোগী ছাড়া এর যন্ত্রণা কেউ বুঝবে না। আমার এক ব্রিটিশ বন্ধু, যিনি ঢাকায় এ ধরনের যানজটে পড়েছিলেন, তিনি আমাকে বলেছেন, 'লন্ডনের রাস্তায় প্রধানমন্ত্রী, এমনকি রানির জন্যও যদি এ ধরনের যানজট সৃষ্টি করা হতো, তাহলে ব্রিটেনে নাগরিক-বিপ্লব ঘটে যেত। ওই প্রধানমন্ত্রীকে তো পদত্যাগ করতেই হতো, রাজতন্ত্রও হয়তো উচ্ছেদ হয়ে যেত।' আমি তাঁকে বলেছি, এ ধরনের ঔপনিবেশিক কায়দা-কানুন তোমরা শুধু তোমাদের সাবেক কলোনিগুলোতেই প্রবর্তন করে রেখে গেছো; নিজ দেশে প্রবর্তন করোনি। আমরা তোমাদের সেই ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতায় এখনো ভুগছি এবং সাবেক প্রভুদের রীতি-নীতি অনুকরণ করে চলছি মাত্র।
সময় বদলে গেছে। গণতন্ত্রের সেই 'খোলা দুয়ার-নীতি'র যুগ এখন আর নেই। নিউইয়র্ক শহরে সেই ভয়াবহ নাইন/ইলেভেনের ঘটনার পর সারা দুনিয়ায় যে যুগ শুরু হয়েছে, তাকে বলা হয় এইজ অব টেরোরিজম বা সন্ত্রাসের যুগ। গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের যুদ্ধ ব্যবসা ও অস্ত্র ব্যবসার অতি মুনাফার জন্যও এই সন্ত্রাসী যুগ সৃষ্টি তাদের দরকার ছিল। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে সারা বিশ্বে নাগরিক অধিকার, মানবিক অধিকার_বহু কিছুই এই গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম এবং তার শ্বেতাঙ্গ প্রভুরা হরণ করেছে। আসলে জননিরাপত্তা নয়, দেশে দেশে 'গণতান্ত্রিক শাসকদেরই' নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার চেষ্টা চলছে। এতে তাদের গণবিচ্ছিন্নতাই বাড়ছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতেও সাবেক ঔপনিবেশিক প্রভুদের অনুকরণে দেশি শাসকদের, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী-সাংসদদের কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে আপত্তি ছিল না। সন্ত্রাসীদের আকস্মিক হামলা থেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং মন্ত্রী-এমপিদের নিরাপত্তা অবশ্যই কঠোর করা প্রয়োজন। গণতন্ত্রের 'খোলা দুয়ার নীতি' এখন আর অনুসরণ করা যাবে না, এটাও বোধগম্য ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে কি আমাদের সেই ঔপনিবেশিক যুগের দাস প্রথায় ফিরে যেতে হবে? নিরাপত্তাব্যবস্থায়ও চলবে বৈষম্য-নীতি? নেতা-নেত্রীরা থাকবেন কঠোর পাহারার মধ্যে। আর সাধারণ নাগরিকরা দিনের পর দিন থাকবেন সন্ত্রাসের শিকার হয়ে? আমার এবারকার বঙ্গ দর্শনেরও অভিজ্ঞতা হলো, নেতা-নেত্রীদের নিরাপত্তার কঠোরতা এমন পর্যায়ে পেঁৗছেছে যে, তা নাগরিক জীবনকে মাঝে মাঝে দুর্বিষহ করে তোলে। পাশাপাশি জনজীবনে কোনো নিরাপত্তা নেই, প্রত্যহ বাড়ছে নানা রকম সন্ত্রাস। আর এই সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক ক্ষমতাসীন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলোই।
পাঠকদের কাছে ক্ষমা চাই। আমার এবারকার বঙ্গ দর্শনের যে অভিজ্ঞতার কথাটা লিখতে চেয়ে কলম ধরেছিলাম, তার প্রস্তাবনাটাই বেশি বড় হয়ে গেল। এবার আসল কথায় আসি। এবার বাংলাদেশে এক মাস ছিলাম। ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ। এবার ঢাকায় পা দিয়েই মনটা তরতাজা হয়ে গিয়েছিল। এমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ঢাকা শহর কোন যুগে আমার চোখে পড়েছে, তা স্মরণ হলো না। রাজপথের মাঝখানে ডিভাইডারে তাজা ঘাস, তার ওপর রকমারি রঙিন ফুলের টানা শয্যা। রাস্তার দু'পাশে নানা রকম রঙিন পোস্টার-ফেস্টুন-সুদৃশ্য বোর্ড। বহু উচ্চে নিয়ন সাইনের বহু বিজ্ঞাপন। রাস্তার পাশে যত বোর্ড বসানো হয়েছে, তাতে ক্রিকেট বিশ্বকাপের খেলা এবং বাংলাদেশ টিমকে শাবাশ দিয়ে নানা কথা উৎকীর্ণ। অনেকগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর এবং কোনো কোনোটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি রয়েছে। অবশ্য অধিকাংশ বোর্ড বিজ্ঞাপনেই ইসলামী ব্যাংকের নাম মুদ্রিত (সে কথায় পরে আসব)।
আমার গন্তব্য ছিল এয়ারপোর্ট থেকে বনানীতে আমার জন্য নির্দিষ্ট করা হোটেল ইস্টার্ন রেসিডেন্স। দিনেরবেলা মুগ্ধ চোখে দেখেছি নতুন ঢাকার নতুন রূপসজ্জা আর রাতে দেখেছি আলোয় আলোকময় তিলোত্তমা ঢাকা। রঙিন আলোর রূপসজ্জায় উদ্ভাসিত মহানগর। আমার গাড়িচালক বললেন, স্যার, বিশ্বকাপের খেলার জন্য শহর সাজানো হয়েছে। এ রকম থাকবে খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত। তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, শহরে সারারাত এত রঙিন আলোর সমারোহ, লোডশেডিং তাহলে নিশ্চয়ই কমেছে?
ড্রাইভার বললেন, কিছুটা কমেছে স্যার। তা ছাড়া বিশ্বকাপের খেলা উপলক্ষ করে বিদ্যুৎ সাপ্লাই বিশেষ ব্যবস্থায় কিছুটা বাড়ানোও হয়েছে। রাস্তাঘাট আবর্জনামুক্ত করা হয়েছে। ট্রাফিক জ্যামও অনেকটা কম দেখবেন স্যার। কড়া ব্যবস্থায় মানুষ ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁর কথা শুনে মনে মনে বিশ্বকাপকে ধন্যবাদ জানালাম। হোক বড়লোকদের খেলা। এই খেলায় ঢাকার মানুষ লোডশেডিংয়ের দুঃসহ অত্যাচার থেকে কিছুটা হলেও বেঁচেছে। আবর্জনা আর দুর্গন্ধে ভর্তি ঢাকা তিলোত্তমা সেজেছে। তার বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়া যাচ্ছে। এয়ারপোর্ট থেকে বনানী পেঁৗছতে আগের মতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে পড়ে থাকতে হলো না। এ যেন সেই ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলের মতো কোনো বিদেশি রাজপুরুষের নগর দর্শনে আসায় নেটিভদের নগরটি ঘষেমেজে পরিষ্কার করা হয়েছে, আলোকসজ্জিত করা হয়েছে। গরিবের কপালে এই ক্ষণিকের সুখ ও সৌভাগ্যই বা কম কিসে?
কিন্তু বনানীতে ইস্টার্ন রেসিডেন্স হোটেলে এক মাস অবস্থানের প্রথম রাতেই একাধিকবার লোডশেডিং। অবশ্য এই লোডশেডিংয়ের জন্য আমাদের ভুগতে হয়নি। হোটেলটির নিজস্ব জেনারেটর আছে। সুতরাং মুহূর্তেই আলো জ্বলে উঠেছে। কিন্তু যাদের বাড়িতে জেনারেটর নেই, তাদের কী হচ্ছে? এক হোটেল পরিচারক জানান, তাঁরা মোমবাতি অথবা হ্যারিকেন জ্বালায় স্যার। আপনার ঘরের টেবিলের ড্রয়ারেও মোমবাতি আছে, যদি জেনারেটর কাজ না করে।
কৌতূহল হলো। জিজ্ঞেস করলাম, রাস্তায় আলোকসজ্জার কী হয়?
পরিচারক বললেন, ওগুলো ঠিক থাকে স্যার। এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে। বুঝলাম, বাইরের ঠাঁট বজায় রাখার ব্যবস্থা আছে। মনে প্রশ্ন জাগল, এ ব্যবস্থাটা কি একটু সম্প্রসারিত করে সাধারণ নাগরিকদের জীবনে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণাটা কমানো যায় না? বিদেশিদের জন্য চোখ ধাঁধানো এই আলোকসজ্জার পাশাপাশি পরীক্ষার সময় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যেন ঘন ঘন বৈদ্যুতিক আলো না হারায়, হাসপাতালে রোগীর অপারেশনের মুহূর্তে যেন আলো চলে না যায়, এপ্রিল-মে মাসের অসহ্য গরমে মানুষ যাতে ভয়ানক কষ্ট না পায়, কলকারখানাগুলোতে বারবার লোডশেডিংয়ের জন্য যাতে উৎপাদন বন্ধ না হয়, তার সামান্য বন্দোবস্ত কি এতদিনেও করা গেল না? কিন্তু বিশ্বকাপের আলোকসজ্জা তো আহামরি ঢঙে করা গেল। এ সম্পর্কে বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী সাহেবের বিজ্ঞ মতামত জানতে পারলে খুশি হতাম।
বিশ্বকাপের খেলা। অবশ্যই ঢাকা শহর ধোপদুরস্ত ও আলোর অলংকারে ভরে তোলা হবে, এতে কারো আপত্তি নেই। কথা হলো, এই ব্যবস্থাটুকুর স্পর্শ সাধারণ নাগরিক জীবনেও একটু টেনেটুনে নিয়ে আসা যায় না? ঘরে যদি বাতি না জ্বলে, তাহলে কেবল রাস্তায় আলো জ্বালিয়ে কী হবে? বিশ্বকাপ খেলার সময় ঢাকা শহরের রূপসজ্জা দেখে মনে হয়েছে, সরকার ইচ্ছা করলে ঢাকার দৈন্যদশা কিছুটা হলেও কমাতে পারে। তাহলে তা পারছে না কেন?
এবার এক মাস ঢাকায় অবস্থানকালে আমার কাছে বিস্ময়কর লেগেছে, রাস্তাঘাটে একেবারেই ভিখিরি নেই। ভেবেছি, ঢাকা কি হঠাৎ ভিখিরিমুক্ত হয়ে গেল? জিজ্ঞেস করে জেনেছি, পুলিশ ভিখিরিদের ধরে ঢাকার বাইরে চালান করেছে। খেলা চলাকালে তাদের আর ফিরতে দেওয়া হবে না। যদি তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের চোখে পড়ে যায়! আমরা যে গরিব, বিদেশিরা তা জেনে যায়! ভাবখানা এই, তারা যেন আমাদের অবস্থা আর জানে না।
এটা ঠিক বিদেশি আমলের সেই ঔপনিবেশিক শাসকদের মতো আচরণ। বড় লাট বা ছোট লাট কোনো জেলা বা ডিভিশনাল শহরে এলে ঝেঁটিয়ে সব ভিখিরি শহর থেকে বিদায় করে দেওয়া হতো। বড় লাট বা ছোট লাট চলে যেতেন। শহরের অবস্থা আবার যা ছিল, তা-ই। এবার বিশ্বকাপ খেলার সময় ঢাকা শহরকে কিছু দিনের জন্য ভিখিরিমুক্ত দেখে আমার অতীতের কিছু তিক্ত-মধুর স্মৃতি মনে জেগেছে। (অসমাপ্ত)
লন্ডন, ১৮ এপ্রিল, সোমবার, ২০১১
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 27
(107)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-জন্ম শতবর্ষে বিচারপতি মোর্শেদ by জিয়া...
- অরণ্যে রোদন-বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে by আনিসুল হক
- সংস্কৃতি-একটুখানি আশার আলো by সাইফুদ্দীন চৌধুরী
- সংঘাত ও শান্তি-সুদানে গণভোট ও শুভসূচনা by বারাক ওবামা
- সহজিয়া কড়চা-পুরানো সেই দিনের কথা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- শিল্প-কারখানার বর্জ্য পরিশোধন ও নিষ্কাশনে গাফিলতি ...
- সরকার কি এর দায় এড়াতে পারে?-আরেকটি শেয়ার কেলেঙ্কারি!
- হায় রে টিকিট!
- হাসির গল্প by বনফুল
- হ্যালো! হ্যালো!! হ্যালো!!! by আব্দুল কাইয়ুম
- অহেতুক কৌতুক
- এই লাইনেরে নিব আমরা সেই লাইনেরও কাছে...-এই লাইন লা...
- চারদিক-বঙ্গবন্ধুর বাল্যবন্ধু মানিক মিয়া by সাহাদাত...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-দায়উভয়েরই, দরকার ক...
- স্মরণ-বিজ্ঞানমনস্ক মোজাফ্ফর হোসেন by যতীন সরকার
- দারিদ্র্য বিমোচন-ভুল পথে ক্ষুদ্রঋণ by মুহাম্মদ ইউনূস
- সরল গরল-সংসদনেত্রী, ‘শকুন’ সহোদর ও সপ্তম সংশোধনী b...
- সীমান্তে বিএসএফের গুলি বন্ধ হোক-ফেলানীদের বাঁচা-মরা
- র্যাব-পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে-আইনশৃঙ্খলার অবনতি
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-সরকারের দুই বছর
- স্মরণ-আসুন, স্মরণ করি সন্তোষ গুপ্তকে by অজয় রায়
- দুর্নীতির জরিপ-টিআইবির সমালোচক টিআইবির বন্ধু by ইফ...
- জেএসসি পরীক্ষা-ঝরে পড়া, অকৃতকার্য হওয়া by শাফিউল হ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-জবাবদিহির জন্য নতুন আইন হোক by খন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিচার বিভাগ নিয়ে বিতর্ক কাম্য নয় ...
- খাদ্যমূল্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে-আবার লাইসেন্স ...
- প্রভাব ও হস্তক্ষেপের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে-পুলিশের পৃথ...
- চারদিক-বীরশ্রেষ্ঠর জাদুঘরে একদিন by নুরুন্নবী চৌধুরী
- যুক্তি তর্ক গল্প-মুক্তিযুদ্ধের আরব্ধ কাজ by আবুল ম...
- জনসংস্কৃতি-গ্রামীণ মেলাগুলো ফিরে আসুক by জিয়াউল হক
- জঙ্গিবাদ-পাকিস্তানের সহিংস পথচলা by মশিউল আলম
- কালের পুরাণ-প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: অর্ধেক গ্লাস খালি...
- হাসপাতালের অব্যবস্থা দূর করতে হবে-বিএসএমএমইউতে সেব...
- বিনিয়োগকারী ও এসইসিকে দিশেহারা হলে চলবে না-বেপরোয়া...
- স্মার্টফোন কেনার আগে... by নাসির খান
- যুদ্ধের খেলা by সুমন পাটওয়ারী
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার by নুরুন্নবী চৌ...
- বাংলা উইকিপিডিয়া এখন by মুনির হাসান
- আপনি কি জানেন-পানির ব্যবহার
- বাজারে নতুন
- বুক অব ফ্যাক্টস-জীবাশ্ম by আইজ্যাক আজিমভ
- যা নিয়ে আছি-আত্মজীবনী লিখতে চাই
- হিলারিসহ পাঁচ ভিআইপি আসছেন আগামী ৯ দিনে by মেহেদী ...
- পাকিস্তানের আদালতে গিলানির সাজা
- স্পিকারকে সোহেল তাজের ফোন-পদত্যাগপত্র গ্রহণ করুন
- প্রতিরোধ কমিটির অভিযোগ-মুসলমানদের ইমান ধ্বংসের চক্...
- সাগর-রুনির লাশ তুলে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ
- সম্পাদকের কলাম-দেশের অবস্থা কী by ইমদাদুল হক মিলন
- ঘুড়ি উড়াল হালুম শিকু
- রঙে রঙে জলরঙে by উত্তম মিত্র
- লক্ষ্মীসোনার জন্যে ছড়া by আসাদ চৌধুরী
- একাই এক শ ড্যারিয়াস!
- তোতো by দীপু মাহমুদ
- ঢাকার ফয়েজ আহ্মদ by মফিদুল হক
- শিল্পীর ভুবন-বিদগ্ধ বীক্ষণ by সিলভিয়া নাজনীন
- চারুশিল্প-স্বপ্ন ও মৃত্তিকার দিঘল মাঠ by মোবাশ্বির...
- মেঘমেদুর স্মৃতি by ওয়াসি আহমেদ
- কালবৈশাখীর প্রলয় নাচ by হাসান আজিজুল হক
- বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর প্রকল্প বাতিল! by আশরাফুল হক ...
- বাংলাদেশের একটি ডিসি-১০ চায় বোয়িং, জাদুঘরে রাখবে b...
- তোপের মুখে আইজিপি-সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ইলিয়াস আলী ও...
- ধর্ম-‘তোমরা হত্যাযজ্ঞ থেকে দূরে থাকো’ by মুহাম্মদ ...
- শিল্পের স্বার্থেই খুনি শনাক্ত হওয়া প্রয়োজন-শ্রমিকন...
- হাইকোর্টের মাইলফলক রায়টি অনুসরণযোগ্য-রাষ্ট্রপতির ক...
- স্মরণ-শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক by মো. জাহাঙ্গীর হোস...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৭৩)-শব্দসৈনিক by আলী যাকের
- হজমেলাকে আরও অর্থবহ করতে হবে by মাওলানা আবু আম্মার...
- সূর্যোদয়ের দেশে ইসলাম by জহির উদ্দিন বাবর
- ইসলামে শ্রম ও অর্থনৈতিক চিন্তা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- শেকড়ের ডাক-ইলিয়াস আলী, হরতাল ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা...
- বহে কাল নিরবধি-চালিকাশক্তি গণতন্ত্র নয়, ভূরাজনীতি ...
- এর নাম চিকিৎসাসেবা?
- আবার অশান্ত পাহাড়
- পবিত্র কোরআনের আলো-ইয়াতিমের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করা জ...
- জাতীয়তাবাদের পুরোধা by সিরাজ উদদীন আহমেদ
- এই লজ্জা কোথায় রাখি!
- পাকিস্তান-সরকার-বিচার বিভাগ মুখোমুখি by ডেক্লান ওয়ালস
- ধর নির্ভয় গান-নৈশব্দ থেকে অর্থবহ শব্দে! by আলী যাকের
- কৃষি খাতে ব্যাংক ঋণ-অর্থনীতির দায় ভুললে চলবে না
- হাসপাতালে ভাংচুর-গর্হিত ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ
- বরফের দেশে সিস্টেম ও আমাদের শহর by ইশরাত জাকিয়া সু...
- একজন মফিজ ও মোবাইল ফোন by আকরাম খান
- কে কাকে ছুড়ে ফেলবে? by জাহিরুল ইসলাম
- নদীর জন্য মেলা by শেখ রোকন
- লোকাল বাস যখন-তখন সিটিং কেন? by শাহানুর আলম
- অপেক্ষার ৫৩ বছর by একরামুল হক শামীম
- উন্নয়ন-এশীয় অর্থনৈতিক ব্যাঘ্র ও বাংলাদেশ by শেখ আব...
- বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে -আলাপচারিতা :সুগত বসু
- বাদশার মেওয়া বাগান-সম্ভাবনার আবাহন
- কোচিং সেন্টার-শিক্ষা-বাণিজ্য বন্ধ হোক
- মুয়াবিয়া ও আমিনী : রণকৌশলের সাদৃশ্য by ওয়াহিদ নবী
- সংবিধান সংশোধন এবং প্রসঙ্গ কথা by ডা. এম এ করীম
- চরাচর-বীর বিক্রম আজিজ বাঁচতে চান by উম্মে কুলসুম মৌ
- কালের যাত্রা by পীষূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- কল্পকথার গল্প-কুমিরের রচনা ও লিমনের পা হারানো by আ...
- কালান্তরের কড়চা-ঢাকার তিলোত্তমা রূপ ধারণ এবং আবর্জ...
- বাগমারায় প্রতারিত গ্রাহকদের হামলা-ডেসটিনির বিরুদ্ধ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করবে গ্যাজপ্রম
- শিক্ষকসংকটে কারিগরি শিক্ষা হয়ে পড়েছে সনদসর্বস্ব by...
- ধানের দাম কম, এক কোটি বোরো চাষি বিপদে by ইফতেখার ম...
- ইলিয়াস আলী নিখোঁজ-সরকারই গুম করেছে: বিএনপি
- ইলিয়াস আলী নিখোঁজ-জীবিত উদ্ধারই লক্ষ্য: আশরাফ
- মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-২০১১-তারা ঝলমল জাঁকালো আয়...
- বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন মহাজোটের সাংসদেরা
- বিশ্বনাথে জাকিরকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি ছোড়...
- বিলুপ্তির পথে পান চাষ, নানা সমস্যায় চাষীরা by টি. ...
-
▼
Apr 27
(107)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment