বশীর আহমেদের রোগমুক্তির প্রার্থনা

খেলার মাঠে প্রতিপক্ষের সঙ্গে অনেক লড়াই করেছেন বশীর আহমেদ। পাকিস্তান জাতীয় হকি দলে সুযোগ পাওয়া প্রথম বাঙালি খেলোয়াড়ের এখন লড়াই চলছে হাসপাতালের রোগশয্যায়।
সোনালি অতীতে ফুটবল, হকি, ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিকসে মাঠ কাঁপানো এই সব্যসাচী ক্রীড়াবিদের বাইপাস সার্জারি হয়েছে গত শনিবার। অস্ত্রোপচার হয়েছে বারডেম হাসপাতালে। ২০০৮ সালে গ্রামীণফোন-প্রথম আলোর আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পাওয়া ৭২ বছর বয়সী এই ক্রীড়াব্যক্তিত্ব এখন মোটামুটি শঙ্কামুক্ত। তাঁর আশু রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা।
খেলা ছাড়ার পর সংগঠক হিসেবেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন বশীর আহমেদ। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ক্রীড়া পুরস্কারের প্রথম তিনটি সংস্করণের প্রধান বিচারক হিসেবেও।