বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো: আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী চন্দনা
আজ সন্ধ্যায় ফেরদৌস আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’
২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা গেছেন আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর মৃত্যুর পর আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ফেরদৌস আক্তার বলেন, ‘সবার দোয়া চাই। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ যেন শেষ করতে পারি।’
আইয়ুব বাচ্চুর নাম জড়িয়ে থাকা ব্যান্ড এলআরবিও তাঁকে স্মরণ করেছে। এক ফেসবুক পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
‘গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে।’
এলআরবির ভাষ্য, ‘আইয়ুব বাচ্চু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর গান আমাদের রক্তে, আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের চলার পথে বেঁচে থাকবে চিরকাল। একুশে পদক সেই চিরজীবী সুরেরই প্রাপ্য সম্মান।’
এ বছর আইয়ুব বাচ্চুসহ দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। বাকিরা হলেন ববিতা, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজস হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ। আর প্রতিষ্ঠানটি—ওয়ারফেজ।
![]() |
| আইয়ুব বাচ্চু ও ফেরদৌস আক্তার। ফেসবুক থেকে |

No comments