Sunday, May 6, 2012
খোলা চোখে-ভারত-বাংলাদেশ: আমার তিন পয়সা by হাসান ফেরদৌস
খোলা চোখে-ভারত-বাংলাদেশ: আমার তিন পয়সা by হাসান ফেরদৌস
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ওবামা নেকড়ের গুহায় পা রেখেছিলেন। শুধু পা রাখাই নয়, ঘণ্টাদুয়েক ধরে সেখানে বেশ খোশগল্পও করে এলেন। নেকড়ের গুহা মানে বালটিমোরে রিপাবলিকান পার্টির সাংসদদের এক বার্ষিক অনুষ্ঠান। আমন্ত্রণ রিপাবলিকানদের তরফ থেকেই এসেছিল।
এই মুহূর্তে ওবামা বেশ চাপের মুখে রয়েছেন, তাঁর জনপ্রিয়তা এখন তলানির দিকে। অনুষ্ঠানে তাঁকে খুঁচিয়ে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার ইচ্ছা ছিল রিপাবলিকানদের। প্রস্তাব করতেই ওবামা এককথায় রাজি। শুধু তাই নয়, তিনি আগ বাড়িয়ে বললেন, অনুষ্ঠানে তিনি যখন বক্তব্য রাখবেন, তখন টিভিতে তা সরাসরি সম্প্রচার করা হোক। এ প্রস্তাব পেয়ে রিপাবলিকানরা প্রথমে একটু হকচকিয়ে যায়। এ আবার ওবামার কোনো চাল নয়তো? প্রতিপক্ষের অনুষ্ঠানে এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট যে এসে বক্তৃতা করেননি তা নয়, কিন্তু সে তো তৈরি লেখা পড়ে দেওয়া। কিন্তু সরাসরি প্রশ্নোত্তর, তাও ‘তাজা’ টিভি সম্প্রচারের সময়, এককথায় অভূতপূর্ব। শেষ পর্যন্ত ওবামার চাপাচাপির কারণেই সভাঘরে টিভি এল। রিপাবলিকানরা অবশ্য তৈরিই ছিল রাজ্যের প্রশ্ন নিয়ে। ভদ্র ভাষায় হলেও খুব কঠিন ছিল তাদের প্রতিটি প্রশ্ন। ওবামা কথা দিয়েছিলেন তাঁর প্রশাসন স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত হবে। বাস্তবে ঘটেছে উল্টো। স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে যে প্রস্তাব আলোচিত হয়েছে, তাতে রিপাবলিকানদের কথা বলার কোনো সুযোগই দেওয়া হয়নি। বলেছিলেন, তাঁর প্রশাসনে লবিস্টদের কোনো জায়গা হবে না, সে কথাও সত্য প্রমাণিত হয়নি। তিনি ক্ষমতায় আসতে না আসতেই সরকারের আয়তন বাড়িয়েছেন, জাতীয় ঋণ সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে, বেকারত্বও দশ শতাংশের ওপরে। এসব আর যাই হোক, যে পরিবর্তনের তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার কোনোটাই নয়।
ধৈর্য ধরে প্রতিটি প্রশ্ন শুনলেন ওবামা এবং প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিলেন। অঙ্ক করে বুঝিয়ে দিলেন কেন অর্থনীতির এই হাল, এর জন্য কতটা তিনি দায়ী, কতটা বিগত প্রশাসনের দায়িত্বহীনতার ফল। রিপাবলিকানরা এখন দ্বিপাক্ষিকতার কথা বলছেন বটে, কিন্তু তাঁর সঙ্গে সব প্রশ্নে এককাট্টা হয়ে না বলার গোঁ ধরেছেন তাঁরা। গোড়া থেকেই তাঁরা যেভাবে ওবামাকে শত্রু বানিয়ে বসে আছেন, তাতে আলাপ-আলোচনার কোনো পথ তারাই খোলা রাখেননি। তাঁকে ‘বলশেভিক’ নেতা বলে দেখানো হয়েছে, অথচ অর্থনীতি প্রশ্নে তাঁর প্রস্তাবিত নীতিমালার অনেক কিছুই সেই রিগান আমল থেকেই রিপাবলিকানরাই নানা সময়ে উত্থাপন করেছেন।
প্রেসিডেন্ট নয়, যেন কলেজ শিক্ষক ছাত্রদের সিভিক্সের ক্লাস নিচ্ছেন। মুখে হাসি, কিন্তু প্রতিটি কথা যেন মিছরির ছুরি। আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট এভাবে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যুক্তি-তর্কে অবতীর্ণ হলেন। একে তুলনা করা হচ্ছে বিলাতের পার্লামেন্টে ‘প্রাইম মিনিস্টারস আওয়ার’-এর সঙ্গে। সেখানে প্রতি বুধবার দেশের প্রধানমন্ত্রী আধাঘণ্টা সময় ব্যয় করেন পার্লামেন্টে সরাসরি প্রশ্নোত্তরে। যে যা খুশি প্রশ্ন করতে পারেন, তাও টিভি ক্যামেরার সামনে। আমেরিকায় সেই একই কাণ্ড হবে, এ কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। সবাই মানেন, গত এক বছরে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক তিক্ত হয়ে উঠেছে। তার জন্য দোষ একা রিপাবলিকানদের নয়, ওবামা স্বীকার করলেন কিছুটা তাঁর ও তাঁর দলের নেতা-নেত্রীদেরও রয়েছে। তিনি এ কথাও স্বীকার করলেন, রিপাবলিকানদের সব প্রস্তাবই ফালতু নয়। দুই পক্ষই যদি দেওয়া-নেওয়ার মনোভাব নিয়ে আলোচনায় বসে, তাহলে সমঝোতায় আসা অসম্ভব নয়। কিন্তু রিপাবলিকানরা যদি গোঁ ধরে বসে থাকেন, তাঁরা যে প্রস্তাব দেবেন তা অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে, তাহলে সে চেষ্টা অর্থহীন।
অনেকেই বলছেন, নেকড়ের গুহায় ঢুকে ওবামা রীতিমতো ক্যু করে এসেছেন। কেউ কেউ আশা করছেন, সম্ভবত কিছুটা কল্পনার ফানুস ছড়িয়ে, ওবামার এই খোলামেলা আলোচনার ফলে আমেরিকার চলতি রাজনৈতিক তিক্ততা কিছুটা হলেও কমবে। হাতটা যে ওবামাই প্রথম বাড়িয়েছেন, সেটাই হয়েছে কাজের কাজ। এখন তাঁর দলের নেতা-নেত্রীদেরও একই মনোভাব দেখাতে হবে। দেশটা তো সবার, ফলে রাজনীতি কিছুটা দূরে সরিয়ে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যায়, এমন ন্যূনতম কর্মসূচি নিয়ে যদি এগোনো সম্ভব হয়, তাহলে রাজনীতির উল্টোস্রোত ঠেকানো সম্ভব হলেও হতে পারে। কিন্তু এর পরও যদি রিপাবলিকানরা গোঁ ধরে বসে থাকেন, সব ব্যাপারেই ‘না-না’ বলতে থাকেন, তাহলে ওবামা ও ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি দেখাবেন, এই দল কেবল জানে বাগড়া দিতে। তাদের জন্য রাজনীতিই শেষ কথা, দেশের স্বার্থ নয়।
ভারত-বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমি ওবামার ‘মিনি ক্যু’র কথা কেন বলছি? বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে আমেরিকার রাজনীতির এক জায়গায় মিল রয়েছে, এ কথা আমি আগেও লিখে জানিয়েছি। বালিতে মাথা ডুবিয়ে না দেখার ভান করার ব্যাপারে আমেরিকার ও বাংলাদেশের বিরোধী পক্ষ যেন রসুনের গোড়া। দুই দেশেই প্রধান বিরোধী দলের মুখে কেবল ‘না-না’। সরকার থেকে যে প্রস্তাবই আসুক, তা নিয়ে বিচার-বিবেচনার আগেই তারা আগ বাড়িয়ে ‘না’ বলে বসে আছে। এই ‘না’-এর সংস্কৃতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমেরিকার কংগ্রেসে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ শেষ করাই অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের পর এখন দেখা যাচ্ছে, সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ষাটটি ভোট নেই, আর ষাট ভোট না পাওয়া পর্যন্ত রিপাবলিকানরা পদ্ধতিগত আইন দেখিয়ে এই প্রস্তাব পাস হওয়া ঠেকিয়ে রাখতে পারেন। বাংলাদেশে অবশ্য ভিন্ন সমস্যা। প্রথম দিন থেকেই সংসদ বয়কট করার ধনুর্ভঙ্গ পণ করে বসে আছে বিরোধী পক্ষ। অনুমান করি তাদের বিশ্বাস, এই বয়কটের ফলে একসময় সরকারের মাজা ভাঙবেই। আমেরিকায় ‘না-না’ বলে চেঁচিয়ে রিপাবলিকানরা কমবেশি ভালো ফল পেয়েছেন। বাংলাদেশেও বিরোধী দল সে পথই গ্রহণ করেছে। অনুমান করি, তাদের উভয়ের জন্যই সরকারের মাজা ভাঙাটাই আসল কথা, দেশকে সামনে আগানো নয়।
ওবামা বালটিমোরে যে কাজটি করলেন, তাঁর মতো বাংলাদেশের রাজনীতির বেয়াড়া রকম ‘লগজ্যাম’ ভাঙতে প্রথম উদ্যোগটা সরকারকেই নিতে হবে। গাছের মগডালে তাঁরা তো বসেই আছেন, এখন নিচের দিকে হাত দুখানা বাড়ালে সম্মানের হানি হবে না, বরং বাড়বে। পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে প্রশাসনিক ব্যাপারে তাঁরা যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কোনো বিরোধী অংশগ্রহণ ছাড়াই, কোনো না কোনো সময় তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। বৈধতার অর্থাত্ লিগ্যালিটির প্রশ্ন নয়। আইনি বৈধতা তাঁদের থাকলেও বিরোধী পক্ষের অনুপস্থিতির কারণে কোনো না কোনো সময় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের ‘লেজিটেমিসি’ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষত যদি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। গত ১৫-২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, এমন পটপরিবর্তন বাংলাদেশে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ঘটে আসছে। ফলে বিরোধী পক্ষকে পার্লামেন্টের ভেতর বসাতে পারলে সরকারের লাভ, দেশেরও লাভ।
এই মুহূর্তে সরকারের সামনে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির গ্রহণযোগ্যতা অর্জন। মাসখানেক আগেও বিরোধী পক্ষের হাতে সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার মতো কোনো শক্ত ‘ইস্যু’ ছিল না। মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুত্ ঘাটতি, আইনশৃঙ্খলা—এসব সমস্যা আগেও ছিল, এখনো আছে। এসব সমস্যা এত পুরোনো যে, মোটামুটি সহনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারলেই দেশের মানুষ সরকারকে পরীক্ষায় ‘পাস নম্বর’ দেবে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারটি কিছুটা ‘অ্যাবস্ট্রাক্ট’। জুজুবুড়ি বলে কিছু নেই, কিন্তু জুজুবুড়ির ভয় অনেকের মনেই আছে। যেমন আছে ধর্মের বিষয়ে স্পর্শকাতরতা। এই দুই প্রশ্নের যেকোনো একটির ব্যাপারে আমাদের মনের ভয়কে চাঙ্গা করে তুলতে পারলেই কিন্তু বিরোধী পক্ষের কাজ হয়ে যায়। যে কাজ তিন বছর পার্লামেন্ট বর্জন করেও অর্জন সম্ভব নয়, ওই এক জুজুর ভয় দেখিয়ে সে কাজই হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব। সত্যি সত্যি সম্ভব হোক বা না হোক, বিরোধী পক্ষের এমন একটা বিশ্বাস আছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পর থেকেই তাঁদের সব প্রচার-প্রচারণা যেভাবে এই এক ইস্যুকে ঘিরে ধূমায়িত হচ্ছে, অনুমান করি, বিরোধীপক্ষ ভাবছে, আলাদিনের চেরাগ এবার তাদের হাতের মুঠোয়।
ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারটা মোটেই হাল্কা করে দেখার নয়। কানাডা বা মেক্সিকো যেমন চাইলেই আমেরিকাকে উপেক্ষা করতে পারে না, আমরাও তেমনি ভারতকে এড়িয়ে চলতে পারি না। ভারত আমাদের শত্রু, এমন একটা ধারণা দিয়েও আমরা পার পাব না। কারণ, চাই বা না চাই, এই ‘শত্রুর’ সঙ্গে আমাদের পাশাপাশি বাস করতেই হবে। সে ভবিতব্য এড়ানোর কোনো পথ নেই। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বিশেষত সামরিক ও নিরাপত্তা প্রশ্নে আমরা নানাভাবে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। জলবায়ু পরিবর্তনের যে ভয়াবহ চিত্র আঁকা হচ্ছে, তাতেও ভারতের সঙ্গে আমাদের নিয়তি জড়িত। এ অবস্থায় ভারত শত্রু না হয়ে যদি বন্ধু হয় তাহলেই আমাদের লাভ। যে রাজনৈতিক দল ‘ভারত আমাদের শত্রু’—এই মন্ত্র জপে ক্ষমতা দখল করবে, তাঁরা চাইলেও ভারতের সঙ্গে মন খুলে হাত মেলাতে পারবে না। ভারত তাঁদের কথায় বিশ্বাসই বা কেন করবে? দলের সমর্থকদেরই বা তাঁরা কী বলে জবাব দেবে? অন্যকথায়, লোহার খাঁচার ভেতর নিজেকে ঢুকিয়ে রেখে রাজনীতি করার ফল খুব ভালো না হওয়ারই কথা।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে পত্র-পত্রিকা, রেডিও-টিভিতে সবাই যেভাবে মুখে ফেনা তুলে ফেলছেন, তাতে স্পষ্ট, বিরোধীপক্ষ এটাকে একটি ‘মেক অর ব্রেক’ ইস্যু বলেই ভাবছে। চুক্তির ভালো দিক মন্দ দিক নিয়ে নানা কথা বলা হয়েছে, সবই চূড়ান্ত দলীয় পরিপ্রেক্ষিত থেকে। যে কথাটা খুব একটা আলোচিত হয়নি তা হলো ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সামরিক ও কৌশলগত দিক। দক্ষিণ এশিয়ায় মৌলবাদী সন্ত্রাসের উত্থানের পর পাকিস্তান ও ভারত নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিম ইউরোপীয় মিত্ররা স্পষ্টতই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, এই দুই দেশকে হাতে না রাখলে এই যুদ্ধে তাদের পক্ষে জেতা অসম্ভব। পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের বড় ঘাঁটি, ভারত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি। ভিন্ন ভিন্ন শর্তে হলেও এই দুই দেশের সঙ্গেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সামরিক মিত্ররা এক ধরনের সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত গড়ে তুলেছে। এখন পাকিস্তানের ভেতর যে তালিবান ও আল-কায়েদার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলছে, তাতে খোশমেজাজে না হলেও পাকিস্তান আমেরিকার সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। অন্যদিকে, ভারত এ অঞ্চলে আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সামরিক ও কৌশলগত মিত্র ও অংশীদার হয়ে উঠেছে।
ভারত আমেরিকার চোখে কী রকম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তা একটু খুলে বলি। ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ওয়াশিংটন সফর করেন। সে সময় তিনি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের এক যৌথসভায় ভাষণ দেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য এ ছিল এক অভূতপূর্ব সম্মান। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্যের বাইরে অন্য খুব কম দেশের নেতা-নেত্রীর ভাগ্যেই এমন সম্মান জুটে থাকে। কিন্তু সম্মানের চেয়েও বড় কথা, এ ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা রণকৌশলে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার স্বীকৃতি। সে সফরকালে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তার একটি ছিল শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য মার্কিন আণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরে আমেরিকার সম্মতি। ১৯৭৪ সালে ভারত আণবিক অস্ত্র অর্জন করে, সে ঘটনায় আমেরিকা মোটেই খুশি হয়নি। সোভিয়েতের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা যে তার নাখোশ হওয়ার অন্যতম কারণ, তা বলাই বাহুল্য। তার অসন্তুষ্টি বোঝাতে ওয়াশিংটন ভারতের ওপর দীর্ঘদিন নানা রকম চাপও বজায় রাখে। কিন্তু ৯/১১ ঘটনার পর থেকে ভারতের ব্যাপারে আমেরিকার মনোভাব বদলে যায়, ভারত হয়ে ওঠে তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদার। এই অংশীদারিত্ব কতটা ঘনিষ্ঠ, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র আণবিক চুক্তি থেকেই তা স্পষ্ট। এখন আমেরিকার চোখে ভারতের আণবিক ক্ষমতা হুমকি নয় বরং তার অর্থাত্ আমেরিকার আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। সে কথার প্রমাণ হিসেবে আমেরিকা কেবল আণবিক প্রযুক্তিই নয়, ভারতকে কমপক্ষে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের প্রচলিত অস্ত্রশস্ত্র দিতেও সম্মত হয়। এসব অস্ত্রশস্ত্রের অন্যতম হলো, সাবমেরিনে ব্যবহারযোগ্য এজিস প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র। চার বছর পর, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বারাক ওবামা গত বছরের নভেম্বরে প্রথম যে বিদেশি সরকারপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় ভোজে আপ্যায়িত করেন তিনি ড. মনমোহন সিং।
সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিষয় নিয়ে যাঁরা নাড়াচাড়া করেন তাঁদের ধারণা, সন্ত্রাস প্রশ্নে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অবস্থান অনেকটা ইসরায়েলের মতো। মিসর বা জর্ডানের সঙ্গে তার যত দহরম-মহরম থাকুক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা কোনো আরব দেশকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। কিন্তু ইসরায়েলের ব্যাপারে তাঁর আস্থা এক শ ভাগ, তা ক্ষমতায় যে দলই থাকুক না কেন। একইভাবে, দক্ষিণ এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাকিস্তান বা অন্য কোনো ইসলামি দেশকে আমেরিকা পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। এদের কারও কারও সঙ্গে তার সামরিক আঁতাত আছে বটে, কিন্তু রাজনৈতিক পট বদলে গেলেই সব ঘুঁটি উল্টে যেতে পারে। এ বাস্তবতা মাথায় রেখে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ইসরায়েলের মতো ভারতও নিজের অস্তিত্বের তাগিদে আমেরিকার সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত বজায় রাখবে, তা সেখানে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন।
ভারত ও আমেরিকার এই কৌশলগত আঁতাত, এটা একটা বাস্তবতা, তা আমরা ভালো চোখে দেখি বা না দেখি। যে ইসলামি সন্ত্রাসের কথা মাথায় রেখে এই সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত গড়ে উঠছে, বাংলাদেশ তার বাইরে নয়। আমাদের দেশে ইসলামি মৌলবাদের হুমকি যে অলীক বা বানানো কল্পকাহিনী নয়, গত পাঁচ-সাত বছর তা আমাদের হাড়ে হাড়ে টের পেতে হয়েছে। ধর্মীয় চূড়ান্তবাদীদের হুমকি এখন অবশ্য কমেছে, বিশেষত রাষ্ট্রক্ষমতার হাতবদল হওয়ায়, কিন্তু একদম উবে যায়নি। বাংলাদেশে ইসলামী সন্ত্রাসের জমি তো তৈরিই, চোখ-কান খোলা না রাখলে সেখানে ফসল বোনা অসম্ভব ব্যাপার নয়। এ কথা ভাবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয়েই তেমন সম্ভাবনা ঠেকাতে চায়। সে উদ্দেশ্যে তারা বাংলাদশকেও তাদের সামরিক ও কৌশলগত আঁতাতের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। এ নিয়ে কাজ চলছে, তার নানা সাক্ষ্য-প্রমাণও আমরা পাচ্ছি। যেমন—গত বছর আসামে ভারত ও বাংলাদেশ সামরিকবাহিনী যৌথভাবে সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছে (বিস্তারিত দেখুন, ইন্ডিয়া ডিফেন্স, ১৪ জানুয়ারি ২০০৯)। বিশিষ্ট ভারতীয় বিশ্লেষক ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমিত গাঙ্গুলি সে কথা উল্লেখ করে ইঙ্গিত করেছেন, ক্ষমতার হাত বদল হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সন্ত্রাস দমন প্রশ্নে সহযোগিতার সম্ভাবনা প্রশস্ত হয়েছে। এদিকে, মাত্র গত সপ্তাহেই প্রথম আলো খবর দিয়েছে, জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের র্যাব ও পুলিশকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
অন্য কথায়, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের একটি বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের এই বহুরৈখিক চরিত্রটি কোনো পক্ষ থেকেই স্পষ্ট করে বলা হয়নি। ভারত তো নয়ই, বাংলাদেশও এ নিয়ে কোনো কথা বলেনি। জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় এসব প্রশ্ন হয়তো খোলামেলা আলোচিত হবে না, তেমন আশা করাও অনুচিত। কিন্তু দেশের মানুষকে মোদ্দা ব্যাপারটা বোঝানো দরকার। ভারতকে নিয়ে আমাদের মনে যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার। বিরোধী পক্ষকেও সে কথা বুঝিয়ে বলা প্রয়োজন। দলীয় কলাম লেখক দিয়ে নয়, খোদ সরকারের নেতা-নেত্রীদেরই সে কাজটি করতে হবে।
ওবামা নেকড়ের গুহায় ঢুকে বহাল তবিয়তে বেরিয়ে এসেছেন। তাতে আখেরে তাঁর দলেরই লাভ হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও যদি সেই একই কাজ করেন, তাহলে এক ঢিলে অনেক পাখি মারার কাজটি করা সম্ভব হবে। কীভাবে সে গুহায় ঢুকবেন, তাঁকে সে বুদ্ধি দেওয়া আমার কাজ নয়। সে কথা তাঁর নিজেরই ঢের ভালো জানা আছে।
নিউইয়র্ক, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
ধৈর্য ধরে প্রতিটি প্রশ্ন শুনলেন ওবামা এবং প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিলেন। অঙ্ক করে বুঝিয়ে দিলেন কেন অর্থনীতির এই হাল, এর জন্য কতটা তিনি দায়ী, কতটা বিগত প্রশাসনের দায়িত্বহীনতার ফল। রিপাবলিকানরা এখন দ্বিপাক্ষিকতার কথা বলছেন বটে, কিন্তু তাঁর সঙ্গে সব প্রশ্নে এককাট্টা হয়ে না বলার গোঁ ধরেছেন তাঁরা। গোড়া থেকেই তাঁরা যেভাবে ওবামাকে শত্রু বানিয়ে বসে আছেন, তাতে আলাপ-আলোচনার কোনো পথ তারাই খোলা রাখেননি। তাঁকে ‘বলশেভিক’ নেতা বলে দেখানো হয়েছে, অথচ অর্থনীতি প্রশ্নে তাঁর প্রস্তাবিত নীতিমালার অনেক কিছুই সেই রিগান আমল থেকেই রিপাবলিকানরাই নানা সময়ে উত্থাপন করেছেন।
প্রেসিডেন্ট নয়, যেন কলেজ শিক্ষক ছাত্রদের সিভিক্সের ক্লাস নিচ্ছেন। মুখে হাসি, কিন্তু প্রতিটি কথা যেন মিছরির ছুরি। আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট এভাবে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যুক্তি-তর্কে অবতীর্ণ হলেন। একে তুলনা করা হচ্ছে বিলাতের পার্লামেন্টে ‘প্রাইম মিনিস্টারস আওয়ার’-এর সঙ্গে। সেখানে প্রতি বুধবার দেশের প্রধানমন্ত্রী আধাঘণ্টা সময় ব্যয় করেন পার্লামেন্টে সরাসরি প্রশ্নোত্তরে। যে যা খুশি প্রশ্ন করতে পারেন, তাও টিভি ক্যামেরার সামনে। আমেরিকায় সেই একই কাণ্ড হবে, এ কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। সবাই মানেন, গত এক বছরে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক তিক্ত হয়ে উঠেছে। তার জন্য দোষ একা রিপাবলিকানদের নয়, ওবামা স্বীকার করলেন কিছুটা তাঁর ও তাঁর দলের নেতা-নেত্রীদেরও রয়েছে। তিনি এ কথাও স্বীকার করলেন, রিপাবলিকানদের সব প্রস্তাবই ফালতু নয়। দুই পক্ষই যদি দেওয়া-নেওয়ার মনোভাব নিয়ে আলোচনায় বসে, তাহলে সমঝোতায় আসা অসম্ভব নয়। কিন্তু রিপাবলিকানরা যদি গোঁ ধরে বসে থাকেন, তাঁরা যে প্রস্তাব দেবেন তা অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে, তাহলে সে চেষ্টা অর্থহীন।
অনেকেই বলছেন, নেকড়ের গুহায় ঢুকে ওবামা রীতিমতো ক্যু করে এসেছেন। কেউ কেউ আশা করছেন, সম্ভবত কিছুটা কল্পনার ফানুস ছড়িয়ে, ওবামার এই খোলামেলা আলোচনার ফলে আমেরিকার চলতি রাজনৈতিক তিক্ততা কিছুটা হলেও কমবে। হাতটা যে ওবামাই প্রথম বাড়িয়েছেন, সেটাই হয়েছে কাজের কাজ। এখন তাঁর দলের নেতা-নেত্রীদেরও একই মনোভাব দেখাতে হবে। দেশটা তো সবার, ফলে রাজনীতি কিছুটা দূরে সরিয়ে যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যায়, এমন ন্যূনতম কর্মসূচি নিয়ে যদি এগোনো সম্ভব হয়, তাহলে রাজনীতির উল্টোস্রোত ঠেকানো সম্ভব হলেও হতে পারে। কিন্তু এর পরও যদি রিপাবলিকানরা গোঁ ধরে বসে থাকেন, সব ব্যাপারেই ‘না-না’ বলতে থাকেন, তাহলে ওবামা ও ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি দেখাবেন, এই দল কেবল জানে বাগড়া দিতে। তাদের জন্য রাজনীতিই শেষ কথা, দেশের স্বার্থ নয়।
ভারত-বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমি ওবামার ‘মিনি ক্যু’র কথা কেন বলছি? বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে আমেরিকার রাজনীতির এক জায়গায় মিল রয়েছে, এ কথা আমি আগেও লিখে জানিয়েছি। বালিতে মাথা ডুবিয়ে না দেখার ভান করার ব্যাপারে আমেরিকার ও বাংলাদেশের বিরোধী পক্ষ যেন রসুনের গোড়া। দুই দেশেই প্রধান বিরোধী দলের মুখে কেবল ‘না-না’। সরকার থেকে যে প্রস্তাবই আসুক, তা নিয়ে বিচার-বিবেচনার আগেই তারা আগ বাড়িয়ে ‘না’ বলে বসে আছে। এই ‘না’-এর সংস্কৃতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমেরিকার কংগ্রেসে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ শেষ করাই অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের পর এখন দেখা যাচ্ছে, সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ষাটটি ভোট নেই, আর ষাট ভোট না পাওয়া পর্যন্ত রিপাবলিকানরা পদ্ধতিগত আইন দেখিয়ে এই প্রস্তাব পাস হওয়া ঠেকিয়ে রাখতে পারেন। বাংলাদেশে অবশ্য ভিন্ন সমস্যা। প্রথম দিন থেকেই সংসদ বয়কট করার ধনুর্ভঙ্গ পণ করে বসে আছে বিরোধী পক্ষ। অনুমান করি তাদের বিশ্বাস, এই বয়কটের ফলে একসময় সরকারের মাজা ভাঙবেই। আমেরিকায় ‘না-না’ বলে চেঁচিয়ে রিপাবলিকানরা কমবেশি ভালো ফল পেয়েছেন। বাংলাদেশেও বিরোধী দল সে পথই গ্রহণ করেছে। অনুমান করি, তাদের উভয়ের জন্যই সরকারের মাজা ভাঙাটাই আসল কথা, দেশকে সামনে আগানো নয়।
ওবামা বালটিমোরে যে কাজটি করলেন, তাঁর মতো বাংলাদেশের রাজনীতির বেয়াড়া রকম ‘লগজ্যাম’ ভাঙতে প্রথম উদ্যোগটা সরকারকেই নিতে হবে। গাছের মগডালে তাঁরা তো বসেই আছেন, এখন নিচের দিকে হাত দুখানা বাড়ালে সম্মানের হানি হবে না, বরং বাড়বে। পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে প্রশাসনিক ব্যাপারে তাঁরা যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কোনো বিরোধী অংশগ্রহণ ছাড়াই, কোনো না কোনো সময় তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। বৈধতার অর্থাত্ লিগ্যালিটির প্রশ্ন নয়। আইনি বৈধতা তাঁদের থাকলেও বিরোধী পক্ষের অনুপস্থিতির কারণে কোনো না কোনো সময় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের ‘লেজিটেমিসি’ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষত যদি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। গত ১৫-২০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, এমন পটপরিবর্তন বাংলাদেশে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ঘটে আসছে। ফলে বিরোধী পক্ষকে পার্লামেন্টের ভেতর বসাতে পারলে সরকারের লাভ, দেশেরও লাভ।
এই মুহূর্তে সরকারের সামনে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় চুক্তির গ্রহণযোগ্যতা অর্জন। মাসখানেক আগেও বিরোধী পক্ষের হাতে সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার মতো কোনো শক্ত ‘ইস্যু’ ছিল না। মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুত্ ঘাটতি, আইনশৃঙ্খলা—এসব সমস্যা আগেও ছিল, এখনো আছে। এসব সমস্যা এত পুরোনো যে, মোটামুটি সহনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারলেই দেশের মানুষ সরকারকে পরীক্ষায় ‘পাস নম্বর’ দেবে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারটি কিছুটা ‘অ্যাবস্ট্রাক্ট’। জুজুবুড়ি বলে কিছু নেই, কিন্তু জুজুবুড়ির ভয় অনেকের মনেই আছে। যেমন আছে ধর্মের বিষয়ে স্পর্শকাতরতা। এই দুই প্রশ্নের যেকোনো একটির ব্যাপারে আমাদের মনের ভয়কে চাঙ্গা করে তুলতে পারলেই কিন্তু বিরোধী পক্ষের কাজ হয়ে যায়। যে কাজ তিন বছর পার্লামেন্ট বর্জন করেও অর্জন সম্ভব নয়, ওই এক জুজুর ভয় দেখিয়ে সে কাজই হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব। সত্যি সত্যি সম্ভব হোক বা না হোক, বিরোধী পক্ষের এমন একটা বিশ্বাস আছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পর থেকেই তাঁদের সব প্রচার-প্রচারণা যেভাবে এই এক ইস্যুকে ঘিরে ধূমায়িত হচ্ছে, অনুমান করি, বিরোধীপক্ষ ভাবছে, আলাদিনের চেরাগ এবার তাদের হাতের মুঠোয়।
ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারটা মোটেই হাল্কা করে দেখার নয়। কানাডা বা মেক্সিকো যেমন চাইলেই আমেরিকাকে উপেক্ষা করতে পারে না, আমরাও তেমনি ভারতকে এড়িয়ে চলতে পারি না। ভারত আমাদের শত্রু, এমন একটা ধারণা দিয়েও আমরা পার পাব না। কারণ, চাই বা না চাই, এই ‘শত্রুর’ সঙ্গে আমাদের পাশাপাশি বাস করতেই হবে। সে ভবিতব্য এড়ানোর কোনো পথ নেই। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বিশেষত সামরিক ও নিরাপত্তা প্রশ্নে আমরা নানাভাবে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। জলবায়ু পরিবর্তনের যে ভয়াবহ চিত্র আঁকা হচ্ছে, তাতেও ভারতের সঙ্গে আমাদের নিয়তি জড়িত। এ অবস্থায় ভারত শত্রু না হয়ে যদি বন্ধু হয় তাহলেই আমাদের লাভ। যে রাজনৈতিক দল ‘ভারত আমাদের শত্রু’—এই মন্ত্র জপে ক্ষমতা দখল করবে, তাঁরা চাইলেও ভারতের সঙ্গে মন খুলে হাত মেলাতে পারবে না। ভারত তাঁদের কথায় বিশ্বাসই বা কেন করবে? দলের সমর্থকদেরই বা তাঁরা কী বলে জবাব দেবে? অন্যকথায়, লোহার খাঁচার ভেতর নিজেকে ঢুকিয়ে রেখে রাজনীতি করার ফল খুব ভালো না হওয়ারই কথা।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে পত্র-পত্রিকা, রেডিও-টিভিতে সবাই যেভাবে মুখে ফেনা তুলে ফেলছেন, তাতে স্পষ্ট, বিরোধীপক্ষ এটাকে একটি ‘মেক অর ব্রেক’ ইস্যু বলেই ভাবছে। চুক্তির ভালো দিক মন্দ দিক নিয়ে নানা কথা বলা হয়েছে, সবই চূড়ান্ত দলীয় পরিপ্রেক্ষিত থেকে। যে কথাটা খুব একটা আলোচিত হয়নি তা হলো ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সামরিক ও কৌশলগত দিক। দক্ষিণ এশিয়ায় মৌলবাদী সন্ত্রাসের উত্থানের পর পাকিস্তান ও ভারত নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিম ইউরোপীয় মিত্ররা স্পষ্টতই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, এই দুই দেশকে হাতে না রাখলে এই যুদ্ধে তাদের পক্ষে জেতা অসম্ভব। পাকিস্তান সন্ত্রাসীদের বড় ঘাঁটি, ভারত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি। ভিন্ন ভিন্ন শর্তে হলেও এই দুই দেশের সঙ্গেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সামরিক মিত্ররা এক ধরনের সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত গড়ে তুলেছে। এখন পাকিস্তানের ভেতর যে তালিবান ও আল-কায়েদার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলছে, তাতে খোশমেজাজে না হলেও পাকিস্তান আমেরিকার সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। অন্যদিকে, ভারত এ অঞ্চলে আমেরিকার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সামরিক ও কৌশলগত মিত্র ও অংশীদার হয়ে উঠেছে।
ভারত আমেরিকার চোখে কী রকম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তা একটু খুলে বলি। ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের আমন্ত্রণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ওয়াশিংটন সফর করেন। সে সময় তিনি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের এক যৌথসভায় ভাষণ দেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য এ ছিল এক অভূতপূর্ব সম্মান। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্যের বাইরে অন্য খুব কম দেশের নেতা-নেত্রীর ভাগ্যেই এমন সম্মান জুটে থাকে। কিন্তু সম্মানের চেয়েও বড় কথা, এ ছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা রণকৌশলে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার স্বীকৃতি। সে সফরকালে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তার একটি ছিল শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য মার্কিন আণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তরে আমেরিকার সম্মতি। ১৯৭৪ সালে ভারত আণবিক অস্ত্র অর্জন করে, সে ঘটনায় আমেরিকা মোটেই খুশি হয়নি। সোভিয়েতের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা যে তার নাখোশ হওয়ার অন্যতম কারণ, তা বলাই বাহুল্য। তার অসন্তুষ্টি বোঝাতে ওয়াশিংটন ভারতের ওপর দীর্ঘদিন নানা রকম চাপও বজায় রাখে। কিন্তু ৯/১১ ঘটনার পর থেকে ভারতের ব্যাপারে আমেরিকার মনোভাব বদলে যায়, ভারত হয়ে ওঠে তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদার। এই অংশীদারিত্ব কতটা ঘনিষ্ঠ, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র আণবিক চুক্তি থেকেই তা স্পষ্ট। এখন আমেরিকার চোখে ভারতের আণবিক ক্ষমতা হুমকি নয় বরং তার অর্থাত্ আমেরিকার আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। সে কথার প্রমাণ হিসেবে আমেরিকা কেবল আণবিক প্রযুক্তিই নয়, ভারতকে কমপক্ষে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের প্রচলিত অস্ত্রশস্ত্র দিতেও সম্মত হয়। এসব অস্ত্রশস্ত্রের অন্যতম হলো, সাবমেরিনে ব্যবহারযোগ্য এজিস প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র। চার বছর পর, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বারাক ওবামা গত বছরের নভেম্বরে প্রথম যে বিদেশি সরকারপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় ভোজে আপ্যায়িত করেন তিনি ড. মনমোহন সিং।
সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিষয় নিয়ে যাঁরা নাড়াচাড়া করেন তাঁদের ধারণা, সন্ত্রাস প্রশ্নে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অবস্থান অনেকটা ইসরায়েলের মতো। মিসর বা জর্ডানের সঙ্গে তার যত দহরম-মহরম থাকুক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা কোনো আরব দেশকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। কিন্তু ইসরায়েলের ব্যাপারে তাঁর আস্থা এক শ ভাগ, তা ক্ষমতায় যে দলই থাকুক না কেন। একইভাবে, দক্ষিণ এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাকিস্তান বা অন্য কোনো ইসলামি দেশকে আমেরিকা পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। এদের কারও কারও সঙ্গে তার সামরিক আঁতাত আছে বটে, কিন্তু রাজনৈতিক পট বদলে গেলেই সব ঘুঁটি উল্টে যেতে পারে। এ বাস্তবতা মাথায় রেখে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ইসরায়েলের মতো ভারতও নিজের অস্তিত্বের তাগিদে আমেরিকার সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত বজায় রাখবে, তা সেখানে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন।
ভারত ও আমেরিকার এই কৌশলগত আঁতাত, এটা একটা বাস্তবতা, তা আমরা ভালো চোখে দেখি বা না দেখি। যে ইসলামি সন্ত্রাসের কথা মাথায় রেখে এই সামরিক ও কৌশলগত আঁতাত গড়ে উঠছে, বাংলাদেশ তার বাইরে নয়। আমাদের দেশে ইসলামি মৌলবাদের হুমকি যে অলীক বা বানানো কল্পকাহিনী নয়, গত পাঁচ-সাত বছর তা আমাদের হাড়ে হাড়ে টের পেতে হয়েছে। ধর্মীয় চূড়ান্তবাদীদের হুমকি এখন অবশ্য কমেছে, বিশেষত রাষ্ট্রক্ষমতার হাতবদল হওয়ায়, কিন্তু একদম উবে যায়নি। বাংলাদেশে ইসলামী সন্ত্রাসের জমি তো তৈরিই, চোখ-কান খোলা না রাখলে সেখানে ফসল বোনা অসম্ভব ব্যাপার নয়। এ কথা ভাবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত উভয়েই তেমন সম্ভাবনা ঠেকাতে চায়। সে উদ্দেশ্যে তারা বাংলাদশকেও তাদের সামরিক ও কৌশলগত আঁতাতের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। এ নিয়ে কাজ চলছে, তার নানা সাক্ষ্য-প্রমাণও আমরা পাচ্ছি। যেমন—গত বছর আসামে ভারত ও বাংলাদেশ সামরিকবাহিনী যৌথভাবে সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছে (বিস্তারিত দেখুন, ইন্ডিয়া ডিফেন্স, ১৪ জানুয়ারি ২০০৯)। বিশিষ্ট ভারতীয় বিশ্লেষক ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমিত গাঙ্গুলি সে কথা উল্লেখ করে ইঙ্গিত করেছেন, ক্ষমতার হাত বদল হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সন্ত্রাস দমন প্রশ্নে সহযোগিতার সম্ভাবনা প্রশস্ত হয়েছে। এদিকে, মাত্র গত সপ্তাহেই প্রথম আলো খবর দিয়েছে, জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের র্যাব ও পুলিশকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
অন্য কথায়, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের একটি বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের এই বহুরৈখিক চরিত্রটি কোনো পক্ষ থেকেই স্পষ্ট করে বলা হয়নি। ভারত তো নয়ই, বাংলাদেশও এ নিয়ে কোনো কথা বলেনি। জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত হওয়ায় এসব প্রশ্ন হয়তো খোলামেলা আলোচিত হবে না, তেমন আশা করাও অনুচিত। কিন্তু দেশের মানুষকে মোদ্দা ব্যাপারটা বোঝানো দরকার। ভারতকে নিয়ে আমাদের মনে যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার। বিরোধী পক্ষকেও সে কথা বুঝিয়ে বলা প্রয়োজন। দলীয় কলাম লেখক দিয়ে নয়, খোদ সরকারের নেতা-নেত্রীদেরই সে কাজটি করতে হবে।
ওবামা নেকড়ের গুহায় ঢুকে বহাল তবিয়তে বেরিয়ে এসেছেন। তাতে আখেরে তাঁর দলেরই লাভ হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও যদি সেই একই কাজ করেন, তাহলে এক ঢিলে অনেক পাখি মারার কাজটি করা সম্ভব হবে। কীভাবে সে গুহায় ঢুকবেন, তাঁকে সে বুদ্ধি দেওয়া আমার কাজ নয়। সে কথা তাঁর নিজেরই ঢের ভালো জানা আছে।
নিউইয়র্ক, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০
হাসান ফেরদৌস: প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1337)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 06
(117)
- চারদিক-জানালার ওপারের দূর পাহাড়ে... by শান্তা তাওহিদা
- সুদের হার-ব্যাংকব্যবস্থার অদক্ষতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে...
- ভারসাম্য রাখতে হবে by হারুন-অর-রশীদ
- সম্পর্ক জটিল হবে-এম হাফিজউদ্দিন খান by এম হাফিজউদ্...
- রমণীয় নয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে কেন এই কথার বুলেট...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-সাংবিধানিক জগাখিচুড়ির অবসান ঘটতে...
- আমার ভাষা আমার একুশ-লিপি সংস্কার: সিদ্ধান্ত নেবে ক...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-পঞ্চম সংশোধনীতে সংবিধানের মৌলিক ...
- পরিবেশ বিনষ্টকারী এই প্রবণতা রুখতে হবে-সংরক্ষিত বন...
- ব্যক্তিগত দ্বেষ বা উসকানিমূলক বক্তব্য কাম্য নয়-বির...
- চলতি পথে-ময়মনসিংহে ভাষা আন্দোলন by দীপংকর চন্দ
- মেধা-বিকাশ-এবার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড by মোহাম্মদ কায়...
- আমার ভাষা আমার একুশ-কম্পিউটার-ইন্টারনেটে বাংলা ভাষ...
- ছাত্রের মৃত্যু-আবু বকরের রক্তে মাখা নোটখাতা by ফার...
- আর্মেনীয় গণহত্যা-ইসরায়েল কত অস্বীকার করবে? by রবার...
- যুক্তি তর্ক গল্প-জনগণের ঐক্য ও বিএনপির ভবিষ্যৎ by ...
- যিনি ‘শিক্ষিকা’ চান না, তাঁর থাকার কী প্রয়োজন?-‘শি...
- রাজনৈতিক বাহাস কাম্য নয়-পিলখানা হত্যার বিচার
- চারদিক-সেদিনের অপেক্ষায় আজকের নাটক শেষ করলাম by নে...
- গণমাধ্যম-সংবাদমাধ্যম কি জবাবদিহির ঊর্ধ্বে? by মশিউ...
- বন্ধুর মাধ্যমেই মাদক জগতে ঢুকছে বেশিরভাগ তরুণ by স...
- ধর্ম-বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- আমার ভাষা আমার একুশ-একটি পূর্ণাঙ্গ অভিধান কবে পাব?...
- খোলা চোখে-ভারত-বাংলাদেশ: আমার তিন পয়সা by হাসান ফে...
- এসব বইয়ের সরবরাহ ঠেকাতে হবে-নোট-গাইড বিক্রির কাজে ...
- বেপরোয়া চালকদের নিয়ন্ত্রণ করুন-সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর...
- বুদ্ধ পূর্ণিমা by শান্তনু বড়ূয়া
- রম্য-'বাঘ ঘুরবে সীমান্ত মাড়িয়ে' by আনোয়ারা সৈয়দ হক
- আন্ডারগ্রাউন্ড! by আসিফ আহমেদ
- অধিকার-নাগরিকরা ভালোবোধ করার নিশ্চয়তা চায় by আসিফ ...
- কণ্ঠস্বর-হত্যা-গুম ও হরতালের রাজনীতি by রাহাত খান
- সরকারি চিনিশিল্প-প্রতিযোগিতায় সামর্থ্যহীন প্রতিষ্ঠান
- উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যবই-নকল ও গাইড বই প্রতিরোধ করুন
- ভালোবাসার নীড় বেচবেন দিপীকা!
- হিলারিকে ইলিয়াসের মেয়ের চিঠি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-পরিশীলিত আড্ডার এক প্রাণপুরুষ সাঈদ আহ...
- কৃষি ও দ্রব্যমূল্য-চালের দাম ও নির্বাচনী প্রতিশ্রু...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা উচ্চারণ: সমস্যা ও সাম্প্...
- ইসরায়েলের বলপ্রয়োগ-যুক্তরাষ্ট্রের দেখেও না দেখার ভ...
- পঞ্চম সংশোধনী-রায়ের জন্য অপেক্ষা যে কারণে গুরুত্বপ...
- বিচারের বাণী-পঞ্চম সংশোধনীর দশা by মোহাম্মদ গোলাম ...
- অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-চাল স...
- সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে মাইলফলক অর্জন-হাইকোর্টের রা...
- বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল : হিলারি
- বুয়েট : অচলাবস্থার অবসান
- পবিত্র কোরআনের আলো-কল্যাণ কাজের পরিণাম বাড়তে থাকে ...
- চারদিক-হাত-পাওয়ালা ল্যাপটপ আমজাদ by এম আর আলম
- মিডিয়া ভাবনা-প্রভাব, প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থাকবে গণমাধ...
- অভিমত
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা পরিভাষা: নতুন কোনো নির্ম...
- বেআইনি ভূমি ইজারায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ-সা...
- এই হত্যাকাণ্ড চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট-দলত্যাগী...
- গুরুত্বপূর্ণ তিন সফর
- স্মরণ-বড় করুণ সেই পরিবর্তন by শেগুফ্তা তাবাস্সুম আ...
- গদ্যকার্টুন-বাঞ্ছারামের বাগান by আনিসুল হক
- সরল গরল-বন্দুকের নল সরিয়ে নিন by মিজানুর রহমান খান
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-বিএনপি স্থায়ীভাবে ...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা ভাষার ব্যাকরণ তৈরি হবে ক...
- সহজিয়া কড়চা-রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান ও অদৃশ্...
- শ্রমিক ও পাচারের শিকার নারীদের জন্য সত্বর কিছু করু...
- তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ-মন্ত্রী...
- বৌদ্ধ ধর্মে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি by জি...
- মত ও মন্তব্য-কে শোনাবে শান্তির বাণী অশান্তির অতলান...
- দ্য গ্রেট স্পঞ্জ রসগোল্লা by নাজিফা তাসনিম
- রসগোল্লা
- দশের লাঠি by আতিক
- অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি-সবার জন্য রসগোল্লা
- চারদিক-মনিরের হাতেই ঢেঁকিকল by মাইনউদ্দিন হাসান
- শাসনব্যবস্থা-সরকার ও দলের দূরত্ব কমানো কেন গুরুত্ব...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সংসদ বর্জনের ধারা ...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বানান নিয়ে আমরা সচেতন হব কবে b...
- খোলা হাওয়া-ভাষার বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে by ...
- সন্ত্রাসীরাই কি শিক্ষাঙ্গনের দণ্ডমুণ্ডের মালিক?-অপ...
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা কোথায়-ভাষার মাস
- করো, দেখো
- টাইটানে হ্রদের সন্ধান
- টুকিটাকি-৪৩ ফুট লম্বা সাপ ও পৃথিবীর তাপমাত্রা
- চুয়েটের আবাসিক হলে রোবট ও ইলেকট্রনিকস গবেষণা
- এ সপ্তাহের বিজ্ঞানী-মেঘনাথসাহা
- সাকিব-শচীন হওয়ার স্বপ্ন তাদের চোখে by আরিফুল হক
- দেশের সুউচ্চ ভবনের দ্বিগুণ লম্বা ট্যাংকার by মাসুদ...
- চমেক হাসপাতাল-প্রসূতি ওয়ার্ডে ‘শুভাকাঙ্ক্ষীর’ উৎপা...
- জোটের শরিকদের খুঁজছে বিএনপি
- আউটার স্টেডিয়াম-মেলার নামে এসব কী হচ্ছে! by প্রণব বল
- প্রতিক্রিয়া-পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
- প্রকাশনা
- পাঠকের প্রশ্ন, আইনি পরামর্শ-ভূমি অফিসে হয়রানি থেকে...
- গোলে গোলে-মেসি-রোনালদো
- কথামালা
- রং বেরং-শুভবিবাহের মাহেন্দ্রক্ষণ
- এক রেকর্ড দুবার!
- বাফুফের নির্বাচনী শিক্ষা by মেজবাহ উদ্দীন
- স্মরণ-মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী মোল্লা by বাঁধন হায়দার
- মার্ক ম্যাগনিয়ার ও ইন্দিরা এ আর লক্ষ্মানন-বাংলাদেশ...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-জনশক্তি রপ্তানিতে অচলাবস্থা by...
- অধিক ফসলে চাষিদের বিপদ by এ এম এম শওকত আলী
- বীজ নিয়ে প্রতারণা
- স্বপ্নের সেতু বাস্তবে ধরা দিচ্ছে
- চরাচর-মাছ ধরাতেই আনন্দ by সাইফুল ইসলাম
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-২২-এগিয়ে চলি বহমান নদীর ...
- চারদিক-তালে তালে লাঠিখেলা by সালেক খোকন
- সরকারি কলেজ-বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড় by তুহিন ওয়াদুদ
- ঐতিহ্য-বিচার-সালিসে হুলহুলিয়া-কালিগ্রাম মডেল by সা...
- অহিংসা ও প্রীতিবোধের উদ্বোধন হোক সবার মনে-শুভ বুদ্...
- ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকারদানে আইন হতে পারে-হরতাল নিষ...
- বাংলাদেশ সারফেস ওয়াটার ইউটিলাইজেশন প্রজেক্ট by ডা....
- শেকড়ের ডাক-বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে by ফরহাদ মাহমুদ
- বহে কাল নিরবধি-দুঃসংবাদের দিবারাত্রি by এম আবদুল হ...
- স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর গৃহকর্তার আত্মহত্যা?
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নাটক-দ্য টেম্পেস্টের মহড়াকক্ষে by জাহীদ রেজা নূর
- চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাড়ে ২৮ হাজার একর বনভূমি জব...
- জমির দখল নিয়ে যত বিবাদ by তানজিম আল ইসলাম
- ‘আরও বড় কিছু করতে চাই’
- ফরিদপুরে প্রথম আলোর সাংবাদিক লাঞ্ছিত
- বিআইডব্লিউটিএর ১৩৫ কোটি টাকার খননযন্ত্র কেনা-কাজ প...
- ঢাকায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী-সংলাপের তাগিদ হিলারির
-
▼
May 06
(117)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment