Sunday, May 6, 2012
অভিমত
অভিমত
কেন্দ্রীয় সরকারের বিপরীতে স্থানীয় সরকার ডেনমার্কের আয়তন ১৬ হাজার ৬৪০ বর্গমাইল, জনসংখ্যা প্রায় ৫৫ লাখ ৩২ হাজার। তার মধ্যে কোপেনহেগেন নগরের জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ ১৯ হাজার। ওই সামান্য জনসংখ্যার দেশটিতে রয়েছে দুই ধরনের সরকার: কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকার একটি। স্থানীয় সরকার ৯৮টি। এগুলো নগর সরকার।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি, এখানে সরকার মাত্র একটি এবং সে সরকার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত কেন্দ্রীয় সরকার। এখানে স্থানীয় সরকার বলতে কার্যত কিছু নেই। যা আছে সেটাকে, আকবর আলি খানের ভাষায়, বলা যায় কেন্দ্রীয় সরকারের শাখা।
গত বছর ১৭ অক্টোবর রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নগরায়ণে ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন, কয়েকজন খ্যাতনামা প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, উন্নয়নকর্মী, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই নগর উন্নয়নে সিটি করপোরেশন, রাজউক, ওয়াসা, ডেসা, ফায়ার সার্ভিস, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত নামে সরকারের যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেগুলোর সমন্বয়ের কথা বলেছেন। কেউই একক নগর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার জন্য অধুনিক ‘নগর সরকার’ব্যবস্থা বাস্তবায়নের কথা বলেননি। মেয়র সাদেক হোসেন বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাজের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের প্রয়োজনীয়তার কথা আমার আগে দায়িত্ব পালনকারী মেয়র সাহেব বলেছেন, আমিও বিষয়টির গুরুত্ব বিভিন্ন ফোরামে বিভিন্ন সময় উপস্থাপন করেছি।’ আর গত ৬ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এক জনসভায় বলেন, ‘সিটি গভর্নমেন্ট করব—এটা আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল।’ মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল, মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্ট ইত্যাদির কথা বলা হলেও সেগুলো বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট করা হচ্ছে না।
স্থানীয় সরকার ও গণতন্ত্রায়ণবিষয়ক গবেষক আবু তালেব ১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকায় ‘স্বশাসিত স্থানীয় সরকার, গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত’ শীর্ষক এক সেমিনারে নগর সরকারের রূপরেখা উপস্থাপন করেন। বলা হয়, প্রত্যেক নগরে তিনটি বিভাগ নিয়ে একটি নগর সরকার গঠিত হবে: বিধানিক বিভাগ বা নগর সংসদ, নগর নির্বাহিক বিভাগ ও বিচারিক বিভাগ বা নগর আদালত। নগর বিধানিক বিভাগ নগর সাংসদদের সমন্বয়ে গঠিত হবে। মেয়র ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। তাঁর পদ হবে পূর্ণকালীন। তিনি নগর নির্বাহিক বিভাগের প্রধান। বিচারিক দায়িত্ব আলাদাভাবে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত ব্যক্তিবর্গের ওপর ন্যস্ত থাকবে। নগর সরকারের বাইরে নির্বাচনিক বোর্ড থাকবে, যার মাধ্যমে নগরের সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নগর ন্যায়পাল থাকবেন, যিনি নির্বাচিত ও অনির্বাচিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মীমাংসা করবেন। নগর সরকারের মেয়াদ হবে চার বছর।
প্রতিটি নগর সরকার অর্থাত্ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থানীয় সরকার ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। তারা নিজেদের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে, তাদের থাকবে নিজস্ব আয়-ব্যয়ের স্বাধীনতা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ যাবতীয় দায়িত্ব যা বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে তার জেলা-উপজেলার দপ্তরগুলোর মাধ্যমে পালিত হয়, সেগুলো পালন করবে নগর সরকার। নগর সরকারগুলোর সব কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নাগরিকদের পক্ষে অনেক সহজ হবে। এভাবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটবে এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা সহজতর। রাজনৈতিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও আসবে বিরাট ইতিবাচক পরিবর্তন।
মোশাররফ হোসেন, পাবনা।
musharraf_pcdc@yahoo.com
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রচার প্রয়োজন
আমরা কিছু দিন আগে ‘ভোরের স্বপ্নে’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। যদিও কয়েক জায়গায় দেখানোর পর প্রক্ষেপণ যন্ত্রের অভাবে আর সম্ভব হয়নি, তবে যে কদিন প্রর্দশনী চলেছে, অনেক মানুষ অবাক হয়ে দেখেছে। কেউ কেউ বলেছে, ‘আমরা তো আগে কখনো এসব দেখিনি। এত দিন এসব দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কেন?’ এক কলেজছাত্র আমাদের বলেছেন, ‘ভাই, আল-বদরের চেহারাটা একটু দেখান তো। তাকে কোনো দিন দেখিনি।’ তার ধারণা, আল-বদর কোনো ব্যক্তির নাম।
এ দেশের প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সব সময় স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে এসেছে।
গ্রামের সহজ-সরল মানুষ মুক্তিযুদ্ধ, লাখ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে অনেক কিছু জানে না। এ জন্য যেমন দায়ী ইতিহাস বিকৃতকারীরা, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর উদ্যোগহীনতাও কম দায়ী নয়। সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সব ধরনের সংগঠনের কাছে অনুরোধ, আপনারা এসব প্রামাণ্যচিত্র দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও গ্রামের জনসমাগম হয় এমন জায়গায় দেখানোর ব্যবস্থা করুন। হানাদার বাহিনী, রাজাকার ও আল-বদরেরা কী নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, এ দেশের মানুষ তার বাস্তব চিত্র দেখুক। রাজাকার, আল-বদরদের এ দেশের মানুষ চিনুক-জানুক। সময় এসেছে প্রতিটি মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস জানানোর ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার।
শাহাজান সিরাজ
কক্সবাজার।
পর্যটনশিল্পকে খোলসের বাইরে আনতে হবে
পর্যটনশিল্প নিয়ে নানা মহলে আলোচনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি সংসদে এক সাংসদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কিছু ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। যেমন, বিদেশিদের জন্য বিশেষ পর্যটন এলাকা গঠন, পর্যটন আইন ও পর্যটন বোর্ড প্রতিষ্ঠা, পর্যটন পুলিশকে আরও গতিশীল করা, পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নানামুখী কর্মসূচি নেওয়া, পর্যটনশিল্পের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি।
সরকারের শীর্ষপর্যায় থেকে নির্দেশনা এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হলে পর্যটনশিল্পে উন্নয়ন হওয়া সম্ভব; যেমনটি ঘটেছে মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ নানা দেশে। প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু করা প্রয়োজন। পর্যটনমন্ত্রী জি এম কাদের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের প্রতি মনোযোগী বলেই মনে হচ্ছে। সরকারের এক বছর পূর্তির সময় তিনি সরকারের যেসব ভাবনা ও কর্মসূচির বিবরণ দিয়েছেন, তা উত্সাহব্যঞ্জক।
আমাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, সাউথ এশিয়ান গেমস উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি পর্যটন মাস হিসেবে পালিত হবে। এই ক্রীড়া উত্সবে অনেক বিদেশি খেলোয়াড় ও সাংবাদিক এসেছেন, আসছেন। এ দেশের পর্যটনশিল্পের নানা দিক তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে পর্যটন মেলা আয়োজনের খবরও জানা গেল। এ সবই আশার দিক। আমরা যারা পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত, তারা এই সরকারের সময় পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষভাবে আশাবাদী। আমরা চাই, আমাদের পর্যটনশিল্প তার পুরোনো খোলস থেকে বের হয়ে নতুনরূপে বিকশিত হোক। বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন, প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সেবা খাতের প্রসার, সর্বোপরি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে পর্যটনশিল্প অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, যদি এই শিল্পটিকে সঠিকভাবে বিকশিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তৌফিক রহমান
ঢাকা।
খলনায়কদের বিরুদ্ধে লড়াই
১২ জানুয়ারি ‘বাংলাদেশের তিন নায়ক’ শিরোনামের লেখায় সোহরাব হাসান সঠিকভাবে তুলে এনেছেন ২০০৯ সালে আমাদের অর্থনীতির প্রধান তিন চালক—কৃষক, শিল্পশ্রমিক ও প্রবাসীশ্রমিকদের অর্জনের কথা। আরও কিছু বিষয়ের অবতারণা করার উদ্দেশ্যে আমার এ লেখা।
লেখাটিতে যথার্থভাবে বলা হয়েছে, এখনো আমাদের অধিকাংশ প্রবাসীশ্রমিক অদক্ষ। ৪০ বছরে এ অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি। কেবল প্রচুর কথা শোনা গেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কোনো সরকার মানবসম্পদের উন্নয়নে নীতি প্রণয়ন করেনি; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ব্যবস্থা নেয়নি।
বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও কারিগরকে নানা পেশায় প্রশিক্ষিত করা গেলে বর্তমানে তাঁদের আয়ের পাঁচ থেকে ১০ গুণ বেশি উপার্জন করতে সক্ষম হতেন তাঁরা। নির্মাণশ্রমিক, প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ান, টাইল লেয়ার ও সূত্রধরের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বা মেডিকেল টেকনিশিয়ান যেমন, সেবিকাদের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান ও যোগ্যতাসম্পন্ন হিসেবে তৈরি করা গেলে তা সম্ভব। বর্তমানে যেসব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে, সেগুলোকে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে রূপান্তর (বা নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরি) করা যেতে পারে; যেখান থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো ও মধ্যপ্রাচ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হয়। এ কাজে দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তাও নেওয়া যায়। সম্ভাব্য চাকরির বাজার লক্ষ্য করে ইংরেজি, আরবি ও অন্যান্য ভাষায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও সরকারি উদ্যোগে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবিকারাই এককভাবে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার আয় করতে পারবেন।
সোহরাব হাসানের লেখাটিতে যথার্থভাবেই ‘খলনায়ক’দের কথাও উঠে এসেছে। সরকারের লাল ফিতা পয়লা নম্বর ‘খলনায়ক’। এটি সব ক্ষেত্রে উন্নতির সবচেয়ে বড় বাধা। শিল্পায়ন থেকে রপ্তানি—সব ক্ষেত্রই এর দ্বারা আক্রান্ত। মানবসম্পদ রপ্তানি এর বাইরে নয়।
তরুণ বয়সে প্রকৌশলী হিসেবে সত্তর ও আশির দশকের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করে আমি দেশে ফিরি। তখন পেশা হিসেবে বেছে নিই বাংলাদেশে জ্বালানিসাশ্রয়ী সোডিয়াম বাতি নিয়ে আসাসহ বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তির ব্যবসা। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানও স্থাপন করি। নিজ দেশে সত্ভাবে, সম্মানের সঙ্গে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে গেছি। চেষ্টা করেছি একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করতে (কিন্তু বারবার ডিক্লারেশন না পেয়ে ফিরতে হয়েছে)। ১৬ বছর এসবের চেষ্টা চালিয়ে প্রথমে আমি নিউজিল্যান্ড ও পরে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হই। যে বাংলাদেশের জন্য কিশোর বয়সে আমি লড়াই করেছি, জীবন বাজি রেখেছি, সেই দেশ নিয়ে আমার এতটাই মোহমুক্তি ঘটে যে ১৩ বছর আমি আর বাংলাদেশে যাই না। আমাদের স্বপ্ন আজ পরিণত হয়েছে হতাশায়, দুঃস্বপ্নে। আমাকে হয়তো পাঠক সংগতভাবেই পলায়নবাদী মনে করবেন; কিন্তু তাঁদের এটাও স্বীকার করতে হবে যে আমরা (আমার মতো বহু মানুষ আছেন) ‘খলনায়ক’দের বিরুদ্ধে লড়েছি, কিন্তু সে লড়াইয়ে আমরা জিততে পারিনি।
সাঈদ চৌধুরী, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।
প্রাথমিক শিক্ষকদের সমস্যা
প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০০৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যমান পাঠ্যক্রমকে বয়সের তুলনায় বোঝা হিসেবে অভিহিত করে এর পরিসর কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছে বলেছেন, সুবিশাল পরিসরের পাঠ্যসূচি ও বেশি বেশি বই হলেই শিশুদের সুশিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হবে না। একদিকে তাদের পাঠ্য বিষয়বস্তু হবে সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর এবং অন্যদিকে তাদের শেখানোর পদ্ধতি হতে হবে মজার ও আনন্দদায়ক। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, ‘প্রচুর বই দিয়ে আমরা আশা করতে পারি না যে শিশুরা পণ্ডিত হয়ে যাবে।’
বিগত সরকারগুলোর আমলে টাকার অভাবের অজুহাত দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের অর্ধেক পুরোনো বই দেওয়া হতো। দীর্ঘদিনের পুরোনো বই ছেঁড়া থাকত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এবার প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনা মূল্যে নতুন বই দিয়েছে। সরকার ২০০৯ সালে স্বল্পসময়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়। এতে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমান সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে। পঞ্চম শ্রেণী সমাপ্ত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি দিতে হবে না। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করা হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের সঙ্গে অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশাল বেতনবৈষম্য চলে আসছে। বিগত সরকারের আমলে আন্দোলনের মুখে শিক্ষকদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানো হয়। সহকারী শিক্ষকদের তিন হাজার টাকার স্কেল তিন হাজার ১০০ টাকা করা হয়। বেতন নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করে শতকরা ৮০ জন শিক্ষকের বেতন কমিয়ে ন্যূনতম দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ওভারড্রন করানো হয়। বিগত বিএনপি, তত্ত্বাবধায়ক ও বর্তমান সরকারের আমলে বহু আবেদন-নিবেদন, পত্রিকায় লেখালেখি করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। বেতন স্কেল বৃদ্ধি করার পর বেতন কমে যায়—এই নজির প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষিত বিএড বা এমএড পাস শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জটিলতা আজও নিরসন হয়নি। বহু জেলায় বিএড বা এমএড পাস শিক্ষকেরা পদোন্নতি পেয়েছেন। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে সরাসরি নিয়োগে প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও ১৫ থেকে ৩০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না পেয়ে শিক্ষকদের হতাশা ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে প্রকল্পের অধীন বহু শিক্ষক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অসতর্কতা ও অসাবধানতায় জ্যেষ্ঠতা পাননি। জ্যেষ্ঠতার খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। বিষয়টি দীর্ঘদিন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে আছে।
প্রাথমিক শিক্ষকেরা স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের নামে বিগত সময়ের মতো শুভঙ্করের ফাঁকি দেখতে চান না। তাঁরা বৈষম্যহীন সন্তোষজনক বেতন স্কেল চান। বিগত সময়ে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা না দিয়ে ক্ষমতাসীনেরা শুধু বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছেন। আর কোনো আশ্বাস নয়, আমরা চাই সমস্যার সমাধান।
মো. সিদ্দিকুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
হুজুগে বাঙালির জলবায়ু-দর্শন
হুজুগে বাঙালি বলে পুরো একটি জাতিগোষ্ঠীকে দাগিয়ে দেওয়ার ব্যাখ্যা আমার জ্ঞানকাণ্ডের শিক্ষার সঙ্গে যায় না। তার পরও খুব একটা ভুল বলছি বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, আমাদের হুজুগের মাত্রা এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে তা এখন আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সব নীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ ও স্বাস্থ্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে জার্মানির হাইডেলবার্গ নামের একটি শহরে ছিলাম বছর দেড়েক। সেখানে প্রবাসী বাঙালিদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণকারী হয়ে উঠি। সেসব অনুষ্ঠানের একটা বড় দিক থাকে দেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যত্ নিয়ে। একটা ভবিষ্যত্ ভাবনা ছিল দেশের ডুবে যাওয়া নিয়ে। একজন আমাকে পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন, ২০৭১ সালে বাংলাদেশ নামের কোনো দেশ এই পৃথিবীর বুকে থাকবে না। স্বাধীনতার মাত্র ১০০ বছরের মধ্যে এ রকম একটা চরম মৃত্যু আমি কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছিলাম না। তখন তিনি আমাকে স্থানীয় টেলিভিশনে প্রচারিত নানা অনুষ্ঠানের সূত্র দিয়ে বোঝালেন, এখন থেকে আগামী কোন সালে আমরা কতটা ডুবব। তিনিসহ আরও অনেকে, যাঁদের জার্মানির পাসপোর্ট হয়েছে, তাঁদের দেখলাম বেশ একটা স্বস্তিভাব। দেশ ডুবলেও তাঁদের থাকার জায়গা তো আছে। একজন তো বলেই বসলেন, তিনি দেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করেছেন এবং দেশে যে জমি কিনেছিলেন, তাও বিক্রি করে টাকা জার্মানিতে নিয়ে নেবেন। আমাকেও পরামর্শ দেওয়া হলো জার্মানিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের পথ খুঁজতে। প্রবাসীদের এ রকম ভাবনা আমাকে চিন্তিত করে তুলেছিল।
কিন্তু না। দেশে এসে দেখি, প্রবাসী ওই ভাইটির চেয়ে এগিয়ে আছেন আরও অনেকে। ২০৭১ তো অনেক দূর—এত দেরি সহ্য হচ্ছে না, যত তাড়াতাড়ি পারা যায় দেশ ডোবাতে হবে। দেশ ডুবলেই যেন মঙ্গল। সভা, সমিতি চলছে, ঢাকঢোল পেটানো হচ্ছে—কবে, কখন কতটা ডুবল, তা নিয়ে। সব নীতিতে জলবায়ু যেন এক নম্বর বিষয় হিসেবে যোগ হয়, তার জোরালো নীতি প্রণয়ন চলছে। আমরা যারা তথাকথিত সামাজিক গবেষণা দিয়ে পেট চালাই, তারা অনেকে সামাজিক গবেষণায় এক নম্বর বিষয় হিসেবে বেছে নিচ্ছি জলবায়ু। এক বন্ধু দীর্ঘদিন এইডস নিয়ে দুই পয়সা রোজগার করছিল। হঠাত্ করে একদিন পরামর্শ চাইল, এইডস বাদ দিয়ে জলবায়ু ধরবে কি না। এই যখন পরিস্থিতি, তখন কি আর হুজুগে কান না দিয়ে বসে থাকা যায়? আমরাও তাই গবেষণা করব, প্রতিবেদন লিখব—যেভাবে হুজুগে পড়ে আমরা অনেকেই মেতে উঠি এইডস নিয়ে, নির্দিষ্ট একটা মৌসুমে মাঠ গরম করি মঙ্গা নিয়ে। যেভাবে আমরা আবেগাপ্লুত হই সংস্কার আর উন্নয়ন নিয়ে; আবার থেমে যাই অন্য কোনো স্লোগান এলে, সেভাবেই আমরা মজেছি জলবায়ুর হুজুগে। হিসাব কষছি কত এল, আর কে কত পেল। আর কত আসছে, কোন দিকে সেটা যাচ্ছে। জলবায়ুর গতিপথ যা-ই হোক না কেন, আমাদের গতিপথে জলবায়ুর জল ও বায়ু বের করেই ছাড়ব।
মুজীবুল আনাম লাবীব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
রংপুর বিভাগ: উন্নয়নই হোক চূড়ান্ত লক্ষ্য
রংপুর বিভাগ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। এখন শুধু প্রশাসনিক সুবিধা বাড়লেই চলবে না, আসলে প্রয়োজন অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
সর্বপ্রথম রংপুর বিভাগকে দেশের কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। কেননা রংপুরের যেমন আছে অদম্য জনশক্তি, তেমনি আছে উর্বর ভূমি। বিপণন ও সংরক্ষণ অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিবছর রংপুরে আলু, কলা, সবজিসহ কয়েক কোটি টাকার রবিশস্য নষ্ট হয়। ক্ষেত থেকে নষ্ট ফসল তুলতে না পারায় মৌসুমি চাষাবাদ বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটছে। অথচ ১০ বছর ধরে পতিতপ্রায় অবস্থায় পড়ে আছে উত্তরা ইপিজেড।
রংপুরের নীলফামারী জেলায় ২৩০ দশমিক ২১ একর এলাকাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত উত্তরা ইপিজেডে ১৫৫টি ইন্ডাস্ট্রি প্লান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ১৮ হাজার বর্গমিটার এলাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও তাদের আবাসন ব্যবস্থাসহ ইপিজেড হিসেবে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার তার কোনোটির কমতি নেই। তবু ১৫৫টি প্লান্টের মধ্যে শতাধিক আজও ফাঁকা পড়ে আছে। শ্রমিকের সংখ্যা কমতে কমতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৭১ জনে দাঁড়িয়েছে।
উত্তরা ইপিজেডের ভগ্নদশার কারণ দুটি: গ্যাস সরবরাহ না থাকা এবং স্থানীয় স্থলবন্দরগুলো বন্ধ করে রাখা। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় স্থানীয়ভাবে শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে না। আবার বিভিন্ন স্থানের উত্পাদিত পণ্য এখানে এনে প্রক্রিয়াজাত করে আবার ৬৫০ কিলোমিটার দূরত্বে চট্টগ্রাম বন্দর বা ৫৮৬ কিলোমিটার দূরে মংলা বন্দর থেকে রপ্তানিতে পরিবহন ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় শিল্পোদ্যোক্তারা উত্তরা ইপিজেডের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন না। অথচ ৫০ কিলোমিটার কম দূরত্বের চিলাহাটি এবং ১০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখানে কৃষিভিত্তিক শিল্পকে কোনোভাবে উত্সাহিত করা হয়নি। হলে মাঝারি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে এগিয়ে আসতেন। রক্ষা হতে পারত বিপণন ও সংরক্ষণ অব্যবস্থাপনার কারণে আলু, কলা, সবজিসহ কয়েক কোটি টাকার নানা ধরনের রবিশস্য। সৃষ্টি হতো লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। মঙ্গার কালিমা দূর করার একটি বড় উপায় হতে পারত উত্তরা ইপিজেড।
বিভাগ বাস্তবায়নের ফলে রংপুর অঞ্চলের পরিশ্রমী মানুষ তাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিতে প্রস্তুত। তাদের প্রস্তুতিকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নের গতি বাড়াতে হবে সরকারকে। এ জন্য শিল্পায়নের স্বার্থে কমপক্ষে উত্তরা ইপিজেড পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরও বন্ধ হয়ে থাকা রংপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্চতর কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও নিয়মিত বিমান যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দ্বার উন্মোচন করতে হবে। তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তির বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছর তিস্তা ব্যারেজের জন্য অকার্যকর ক্যানেল কাটা বন্ধ করে কৃষিজমি রক্ষা এবং অর্থের অপচয় রোধ করতে হবে।
আগামী ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র (পিআরএসপি) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং পরিপ্রেক্ষিত-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) বৈঠক। বৈঠকে আঞ্চলিক উন্নয়নবৈষম্য রোধ ও ন্যায্য উন্নয়নের মাধ্যমে সারা দেশের অভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হবে বলে দেশবাসী আশা করে। এ বৈঠকেই রংপুর বিভাগের ন্যায্য উন্নয়নের বিষয়গুলোর সুরাহা করা হোক।
রানা ভিক্ষু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি, এখানে সরকার মাত্র একটি এবং সে সরকার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত কেন্দ্রীয় সরকার। এখানে স্থানীয় সরকার বলতে কার্যত কিছু নেই। যা আছে সেটাকে, আকবর আলি খানের ভাষায়, বলা যায় কেন্দ্রীয় সরকারের শাখা।
গত বছর ১৭ অক্টোবর রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নগরায়ণে ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন, কয়েকজন খ্যাতনামা প্রকৌশলী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, উন্নয়নকর্মী, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই নগর উন্নয়নে সিটি করপোরেশন, রাজউক, ওয়াসা, ডেসা, ফায়ার সার্ভিস, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত নামে সরকারের যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেগুলোর সমন্বয়ের কথা বলেছেন। কেউই একক নগর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার জন্য অধুনিক ‘নগর সরকার’ব্যবস্থা বাস্তবায়নের কথা বলেননি। মেয়র সাদেক হোসেন বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাজের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের প্রয়োজনীয়তার কথা আমার আগে দায়িত্ব পালনকারী মেয়র সাহেব বলেছেন, আমিও বিষয়টির গুরুত্ব বিভিন্ন ফোরামে বিভিন্ন সময় উপস্থাপন করেছি।’ আর গত ৬ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এক জনসভায় বলেন, ‘সিটি গভর্নমেন্ট করব—এটা আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল।’ মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল, মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্ট ইত্যাদির কথা বলা হলেও সেগুলো বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট করা হচ্ছে না।
স্থানীয় সরকার ও গণতন্ত্রায়ণবিষয়ক গবেষক আবু তালেব ১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকায় ‘স্বশাসিত স্থানীয় সরকার, গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত’ শীর্ষক এক সেমিনারে নগর সরকারের রূপরেখা উপস্থাপন করেন। বলা হয়, প্রত্যেক নগরে তিনটি বিভাগ নিয়ে একটি নগর সরকার গঠিত হবে: বিধানিক বিভাগ বা নগর সংসদ, নগর নির্বাহিক বিভাগ ও বিচারিক বিভাগ বা নগর আদালত। নগর বিধানিক বিভাগ নগর সাংসদদের সমন্বয়ে গঠিত হবে। মেয়র ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। তাঁর পদ হবে পূর্ণকালীন। তিনি নগর নির্বাহিক বিভাগের প্রধান। বিচারিক দায়িত্ব আলাদাভাবে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত ব্যক্তিবর্গের ওপর ন্যস্ত থাকবে। নগর সরকারের বাইরে নির্বাচনিক বোর্ড থাকবে, যার মাধ্যমে নগরের সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নগর ন্যায়পাল থাকবেন, যিনি নির্বাচিত ও অনির্বাচিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মীমাংসা করবেন। নগর সরকারের মেয়াদ হবে চার বছর।
প্রতিটি নগর সরকার অর্থাত্ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থানীয় সরকার ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। তারা নিজেদের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে, তাদের থাকবে নিজস্ব আয়-ব্যয়ের স্বাধীনতা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ যাবতীয় দায়িত্ব যা বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে তার জেলা-উপজেলার দপ্তরগুলোর মাধ্যমে পালিত হয়, সেগুলো পালন করবে নগর সরকার। নগর সরকারগুলোর সব কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নাগরিকদের পক্ষে অনেক সহজ হবে। এভাবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটবে এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা সহজতর। রাজনৈতিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও আসবে বিরাট ইতিবাচক পরিবর্তন।
মোশাররফ হোসেন, পাবনা।
musharraf_pcdc@yahoo.com
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রচার প্রয়োজন
আমরা কিছু দিন আগে ‘ভোরের স্বপ্নে’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। যদিও কয়েক জায়গায় দেখানোর পর প্রক্ষেপণ যন্ত্রের অভাবে আর সম্ভব হয়নি, তবে যে কদিন প্রর্দশনী চলেছে, অনেক মানুষ অবাক হয়ে দেখেছে। কেউ কেউ বলেছে, ‘আমরা তো আগে কখনো এসব দেখিনি। এত দিন এসব দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কেন?’ এক কলেজছাত্র আমাদের বলেছেন, ‘ভাই, আল-বদরের চেহারাটা একটু দেখান তো। তাকে কোনো দিন দেখিনি।’ তার ধারণা, আল-বদর কোনো ব্যক্তির নাম।
এ দেশের প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সব সময় স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে এসেছে।
গ্রামের সহজ-সরল মানুষ মুক্তিযুদ্ধ, লাখ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে অনেক কিছু জানে না। এ জন্য যেমন দায়ী ইতিহাস বিকৃতকারীরা, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর উদ্যোগহীনতাও কম দায়ী নয়। সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সব ধরনের সংগঠনের কাছে অনুরোধ, আপনারা এসব প্রামাণ্যচিত্র দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও গ্রামের জনসমাগম হয় এমন জায়গায় দেখানোর ব্যবস্থা করুন। হানাদার বাহিনী, রাজাকার ও আল-বদরেরা কী নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, এ দেশের মানুষ তার বাস্তব চিত্র দেখুক। রাজাকার, আল-বদরদের এ দেশের মানুষ চিনুক-জানুক। সময় এসেছে প্রতিটি মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস জানানোর ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার।
শাহাজান সিরাজ
কক্সবাজার।
পর্যটনশিল্পকে খোলসের বাইরে আনতে হবে
পর্যটনশিল্প নিয়ে নানা মহলে আলোচনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি সংসদে এক সাংসদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কিছু ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। যেমন, বিদেশিদের জন্য বিশেষ পর্যটন এলাকা গঠন, পর্যটন আইন ও পর্যটন বোর্ড প্রতিষ্ঠা, পর্যটন পুলিশকে আরও গতিশীল করা, পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নানামুখী কর্মসূচি নেওয়া, পর্যটনশিল্পের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি।
সরকারের শীর্ষপর্যায় থেকে নির্দেশনা এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হলে পর্যটনশিল্পে উন্নয়ন হওয়া সম্ভব; যেমনটি ঘটেছে মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ নানা দেশে। প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু করা প্রয়োজন। পর্যটনমন্ত্রী জি এম কাদের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের প্রতি মনোযোগী বলেই মনে হচ্ছে। সরকারের এক বছর পূর্তির সময় তিনি সরকারের যেসব ভাবনা ও কর্মসূচির বিবরণ দিয়েছেন, তা উত্সাহব্যঞ্জক।
আমাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, সাউথ এশিয়ান গেমস উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি পর্যটন মাস হিসেবে পালিত হবে। এই ক্রীড়া উত্সবে অনেক বিদেশি খেলোয়াড় ও সাংবাদিক এসেছেন, আসছেন। এ দেশের পর্যটনশিল্পের নানা দিক তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে পর্যটন মেলা আয়োজনের খবরও জানা গেল। এ সবই আশার দিক। আমরা যারা পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত, তারা এই সরকারের সময় পর্যটনশিল্পের উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষভাবে আশাবাদী। আমরা চাই, আমাদের পর্যটনশিল্প তার পুরোনো খোলস থেকে বের হয়ে নতুনরূপে বিকশিত হোক। বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন, প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সেবা খাতের প্রসার, সর্বোপরি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে পর্যটনশিল্প অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, যদি এই শিল্পটিকে সঠিকভাবে বিকশিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তৌফিক রহমান
ঢাকা।
খলনায়কদের বিরুদ্ধে লড়াই
১২ জানুয়ারি ‘বাংলাদেশের তিন নায়ক’ শিরোনামের লেখায় সোহরাব হাসান সঠিকভাবে তুলে এনেছেন ২০০৯ সালে আমাদের অর্থনীতির প্রধান তিন চালক—কৃষক, শিল্পশ্রমিক ও প্রবাসীশ্রমিকদের অর্জনের কথা। আরও কিছু বিষয়ের অবতারণা করার উদ্দেশ্যে আমার এ লেখা।
লেখাটিতে যথার্থভাবে বলা হয়েছে, এখনো আমাদের অধিকাংশ প্রবাসীশ্রমিক অদক্ষ। ৪০ বছরে এ অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি। কেবল প্রচুর কথা শোনা গেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কোনো সরকার মানবসম্পদের উন্নয়নে নীতি প্রণয়ন করেনি; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ব্যবস্থা নেয়নি।
বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও কারিগরকে নানা পেশায় প্রশিক্ষিত করা গেলে বর্তমানে তাঁদের আয়ের পাঁচ থেকে ১০ গুণ বেশি উপার্জন করতে সক্ষম হতেন তাঁরা। নির্মাণশ্রমিক, প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ান, টাইল লেয়ার ও সূত্রধরের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বা মেডিকেল টেকনিশিয়ান যেমন, সেবিকাদের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান ও যোগ্যতাসম্পন্ন হিসেবে তৈরি করা গেলে তা সম্ভব। বর্তমানে যেসব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে, সেগুলোকে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে রূপান্তর (বা নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরি) করা যেতে পারে; যেখান থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো ও মধ্যপ্রাচ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হয়। এ কাজে দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তাও নেওয়া যায়। সম্ভাব্য চাকরির বাজার লক্ষ্য করে ইংরেজি, আরবি ও অন্যান্য ভাষায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও সরকারি উদ্যোগে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবিকারাই এককভাবে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার আয় করতে পারবেন।
সোহরাব হাসানের লেখাটিতে যথার্থভাবেই ‘খলনায়ক’দের কথাও উঠে এসেছে। সরকারের লাল ফিতা পয়লা নম্বর ‘খলনায়ক’। এটি সব ক্ষেত্রে উন্নতির সবচেয়ে বড় বাধা। শিল্পায়ন থেকে রপ্তানি—সব ক্ষেত্রই এর দ্বারা আক্রান্ত। মানবসম্পদ রপ্তানি এর বাইরে নয়।
তরুণ বয়সে প্রকৌশলী হিসেবে সত্তর ও আশির দশকের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করে আমি দেশে ফিরি। তখন পেশা হিসেবে বেছে নিই বাংলাদেশে জ্বালানিসাশ্রয়ী সোডিয়াম বাতি নিয়ে আসাসহ বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তির ব্যবসা। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানও স্থাপন করি। নিজ দেশে সত্ভাবে, সম্মানের সঙ্গে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে গেছি। চেষ্টা করেছি একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করতে (কিন্তু বারবার ডিক্লারেশন না পেয়ে ফিরতে হয়েছে)। ১৬ বছর এসবের চেষ্টা চালিয়ে প্রথমে আমি নিউজিল্যান্ড ও পরে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হই। যে বাংলাদেশের জন্য কিশোর বয়সে আমি লড়াই করেছি, জীবন বাজি রেখেছি, সেই দেশ নিয়ে আমার এতটাই মোহমুক্তি ঘটে যে ১৩ বছর আমি আর বাংলাদেশে যাই না। আমাদের স্বপ্ন আজ পরিণত হয়েছে হতাশায়, দুঃস্বপ্নে। আমাকে হয়তো পাঠক সংগতভাবেই পলায়নবাদী মনে করবেন; কিন্তু তাঁদের এটাও স্বীকার করতে হবে যে আমরা (আমার মতো বহু মানুষ আছেন) ‘খলনায়ক’দের বিরুদ্ধে লড়েছি, কিন্তু সে লড়াইয়ে আমরা জিততে পারিনি।
সাঈদ চৌধুরী, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।
প্রাথমিক শিক্ষকদের সমস্যা
প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০০৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যমান পাঠ্যক্রমকে বয়সের তুলনায় বোঝা হিসেবে অভিহিত করে এর পরিসর কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছে বলেছেন, সুবিশাল পরিসরের পাঠ্যসূচি ও বেশি বেশি বই হলেই শিশুদের সুশিক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হবে না। একদিকে তাদের পাঠ্য বিষয়বস্তু হবে সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর এবং অন্যদিকে তাদের শেখানোর পদ্ধতি হতে হবে মজার ও আনন্দদায়ক। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, ‘প্রচুর বই দিয়ে আমরা আশা করতে পারি না যে শিশুরা পণ্ডিত হয়ে যাবে।’
বিগত সরকারগুলোর আমলে টাকার অভাবের অজুহাত দেখিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের অর্ধেক পুরোনো বই দেওয়া হতো। দীর্ঘদিনের পুরোনো বই ছেঁড়া থাকত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এবার প্রথম থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনা মূল্যে নতুন বই দিয়েছে। সরকার ২০০৯ সালে স্বল্পসময়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সন্তোষজনকভাবে সমাপ্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়। এতে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমান সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে। পঞ্চম শ্রেণী সমাপ্ত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি দিতে হবে না। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাকে অবৈতনিক করা হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। স্বাধীনতার পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের সঙ্গে অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশাল বেতনবৈষম্য চলে আসছে। বিগত সরকারের আমলে আন্দোলনের মুখে শিক্ষকদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানো হয়। সহকারী শিক্ষকদের তিন হাজার টাকার স্কেল তিন হাজার ১০০ টাকা করা হয়। বেতন নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি করে শতকরা ৮০ জন শিক্ষকের বেতন কমিয়ে ন্যূনতম দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ওভারড্রন করানো হয়। বিগত বিএনপি, তত্ত্বাবধায়ক ও বর্তমান সরকারের আমলে বহু আবেদন-নিবেদন, পত্রিকায় লেখালেখি করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। বেতন স্কেল বৃদ্ধি করার পর বেতন কমে যায়—এই নজির প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষিত বিএড বা এমএড পাস শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জটিলতা আজও নিরসন হয়নি। বহু জেলায় বিএড বা এমএড পাস শিক্ষকেরা পদোন্নতি পেয়েছেন। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে সরাসরি নিয়োগে প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও ১৫ থেকে ৩০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না পেয়ে শিক্ষকদের হতাশা ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে প্রকল্পের অধীন বহু শিক্ষক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অসতর্কতা ও অসাবধানতায় জ্যেষ্ঠতা পাননি। জ্যেষ্ঠতার খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। বিষয়টি দীর্ঘদিন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে আছে।
প্রাথমিক শিক্ষকেরা স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের নামে বিগত সময়ের মতো শুভঙ্করের ফাঁকি দেখতে চান না। তাঁরা বৈষম্যহীন সন্তোষজনক বেতন স্কেল চান। বিগত সময়ে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা না দিয়ে ক্ষমতাসীনেরা শুধু বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছেন। আর কোনো আশ্বাস নয়, আমরা চাই সমস্যার সমাধান।
মো. সিদ্দিকুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
হুজুগে বাঙালির জলবায়ু-দর্শন
হুজুগে বাঙালি বলে পুরো একটি জাতিগোষ্ঠীকে দাগিয়ে দেওয়ার ব্যাখ্যা আমার জ্ঞানকাণ্ডের শিক্ষার সঙ্গে যায় না। তার পরও খুব একটা ভুল বলছি বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, আমাদের হুজুগের মাত্রা এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে তা এখন আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সব নীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সমাজ ও স্বাস্থ্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে জার্মানির হাইডেলবার্গ নামের একটি শহরে ছিলাম বছর দেড়েক। সেখানে প্রবাসী বাঙালিদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণকারী হয়ে উঠি। সেসব অনুষ্ঠানের একটা বড় দিক থাকে দেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যত্ নিয়ে। একটা ভবিষ্যত্ ভাবনা ছিল দেশের ডুবে যাওয়া নিয়ে। একজন আমাকে পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালেন, ২০৭১ সালে বাংলাদেশ নামের কোনো দেশ এই পৃথিবীর বুকে থাকবে না। স্বাধীনতার মাত্র ১০০ বছরের মধ্যে এ রকম একটা চরম মৃত্যু আমি কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছিলাম না। তখন তিনি আমাকে স্থানীয় টেলিভিশনে প্রচারিত নানা অনুষ্ঠানের সূত্র দিয়ে বোঝালেন, এখন থেকে আগামী কোন সালে আমরা কতটা ডুবব। তিনিসহ আরও অনেকে, যাঁদের জার্মানির পাসপোর্ট হয়েছে, তাঁদের দেখলাম বেশ একটা স্বস্তিভাব। দেশ ডুবলেও তাঁদের থাকার জায়গা তো আছে। একজন তো বলেই বসলেন, তিনি দেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করেছেন এবং দেশে যে জমি কিনেছিলেন, তাও বিক্রি করে টাকা জার্মানিতে নিয়ে নেবেন। আমাকেও পরামর্শ দেওয়া হলো জার্মানিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের পথ খুঁজতে। প্রবাসীদের এ রকম ভাবনা আমাকে চিন্তিত করে তুলেছিল।
কিন্তু না। দেশে এসে দেখি, প্রবাসী ওই ভাইটির চেয়ে এগিয়ে আছেন আরও অনেকে। ২০৭১ তো অনেক দূর—এত দেরি সহ্য হচ্ছে না, যত তাড়াতাড়ি পারা যায় দেশ ডোবাতে হবে। দেশ ডুবলেই যেন মঙ্গল। সভা, সমিতি চলছে, ঢাকঢোল পেটানো হচ্ছে—কবে, কখন কতটা ডুবল, তা নিয়ে। সব নীতিতে জলবায়ু যেন এক নম্বর বিষয় হিসেবে যোগ হয়, তার জোরালো নীতি প্রণয়ন চলছে। আমরা যারা তথাকথিত সামাজিক গবেষণা দিয়ে পেট চালাই, তারা অনেকে সামাজিক গবেষণায় এক নম্বর বিষয় হিসেবে বেছে নিচ্ছি জলবায়ু। এক বন্ধু দীর্ঘদিন এইডস নিয়ে দুই পয়সা রোজগার করছিল। হঠাত্ করে একদিন পরামর্শ চাইল, এইডস বাদ দিয়ে জলবায়ু ধরবে কি না। এই যখন পরিস্থিতি, তখন কি আর হুজুগে কান না দিয়ে বসে থাকা যায়? আমরাও তাই গবেষণা করব, প্রতিবেদন লিখব—যেভাবে হুজুগে পড়ে আমরা অনেকেই মেতে উঠি এইডস নিয়ে, নির্দিষ্ট একটা মৌসুমে মাঠ গরম করি মঙ্গা নিয়ে। যেভাবে আমরা আবেগাপ্লুত হই সংস্কার আর উন্নয়ন নিয়ে; আবার থেমে যাই অন্য কোনো স্লোগান এলে, সেভাবেই আমরা মজেছি জলবায়ুর হুজুগে। হিসাব কষছি কত এল, আর কে কত পেল। আর কত আসছে, কোন দিকে সেটা যাচ্ছে। জলবায়ুর গতিপথ যা-ই হোক না কেন, আমাদের গতিপথে জলবায়ুর জল ও বায়ু বের করেই ছাড়ব।
মুজীবুল আনাম লাবীব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
রংপুর বিভাগ: উন্নয়নই হোক চূড়ান্ত লক্ষ্য
রংপুর বিভাগ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। এখন শুধু প্রশাসনিক সুবিধা বাড়লেই চলবে না, আসলে প্রয়োজন অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
সর্বপ্রথম রংপুর বিভাগকে দেশের কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। কেননা রংপুরের যেমন আছে অদম্য জনশক্তি, তেমনি আছে উর্বর ভূমি। বিপণন ও সংরক্ষণ অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিবছর রংপুরে আলু, কলা, সবজিসহ কয়েক কোটি টাকার রবিশস্য নষ্ট হয়। ক্ষেত থেকে নষ্ট ফসল তুলতে না পারায় মৌসুমি চাষাবাদ বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটছে। অথচ ১০ বছর ধরে পতিতপ্রায় অবস্থায় পড়ে আছে উত্তরা ইপিজেড।
রংপুরের নীলফামারী জেলায় ২৩০ দশমিক ২১ একর এলাকাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত উত্তরা ইপিজেডে ১৫৫টি ইন্ডাস্ট্রি প্লান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ১৮ হাজার বর্গমিটার এলাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও তাদের আবাসন ব্যবস্থাসহ ইপিজেড হিসেবে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার তার কোনোটির কমতি নেই। তবু ১৫৫টি প্লান্টের মধ্যে শতাধিক আজও ফাঁকা পড়ে আছে। শ্রমিকের সংখ্যা কমতে কমতে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৭১ জনে দাঁড়িয়েছে।
উত্তরা ইপিজেডের ভগ্নদশার কারণ দুটি: গ্যাস সরবরাহ না থাকা এবং স্থানীয় স্থলবন্দরগুলো বন্ধ করে রাখা। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় স্থানীয়ভাবে শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে না। আবার বিভিন্ন স্থানের উত্পাদিত পণ্য এখানে এনে প্রক্রিয়াজাত করে আবার ৬৫০ কিলোমিটার দূরত্বে চট্টগ্রাম বন্দর বা ৫৮৬ কিলোমিটার দূরে মংলা বন্দর থেকে রপ্তানিতে পরিবহন ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় শিল্পোদ্যোক্তারা উত্তরা ইপিজেডের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন না। অথচ ৫০ কিলোমিটার কম দূরত্বের চিলাহাটি এবং ১০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখানে কৃষিভিত্তিক শিল্পকে কোনোভাবে উত্সাহিত করা হয়নি। হলে মাঝারি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে এগিয়ে আসতেন। রক্ষা হতে পারত বিপণন ও সংরক্ষণ অব্যবস্থাপনার কারণে আলু, কলা, সবজিসহ কয়েক কোটি টাকার নানা ধরনের রবিশস্য। সৃষ্টি হতো লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। মঙ্গার কালিমা দূর করার একটি বড় উপায় হতে পারত উত্তরা ইপিজেড।
বিভাগ বাস্তবায়নের ফলে রংপুর অঞ্চলের পরিশ্রমী মানুষ তাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিতে প্রস্তুত। তাদের প্রস্তুতিকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নের গতি বাড়াতে হবে সরকারকে। এ জন্য শিল্পায়নের স্বার্থে কমপক্ষে উত্তরা ইপিজেড পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরও বন্ধ হয়ে থাকা রংপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্চতর কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও নিয়মিত বিমান যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তুলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দ্বার উন্মোচন করতে হবে। তিস্তার পানি বণ্টন বিষয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তির বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবছর তিস্তা ব্যারেজের জন্য অকার্যকর ক্যানেল কাটা বন্ধ করে কৃষিজমি রক্ষা এবং অর্থের অপচয় রোধ করতে হবে।
আগামী ১৫-১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র (পিআরএসপি) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং পরিপ্রেক্ষিত-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (বিডিএফ) বৈঠক। বৈঠকে আঞ্চলিক উন্নয়নবৈষম্য রোধ ও ন্যায্য উন্নয়নের মাধ্যমে সারা দেশের অভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহীত হবে বলে দেশবাসী আশা করে। এ বৈঠকেই রংপুর বিভাগের ন্যায্য উন্নয়নের বিষয়গুলোর সুরাহা করা হোক।
রানা ভিক্ষু, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 06
(117)
- চারদিক-জানালার ওপারের দূর পাহাড়ে... by শান্তা তাওহিদা
- সুদের হার-ব্যাংকব্যবস্থার অদক্ষতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে...
- ভারসাম্য রাখতে হবে by হারুন-অর-রশীদ
- সম্পর্ক জটিল হবে-এম হাফিজউদ্দিন খান by এম হাফিজউদ্...
- রমণীয় নয়-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে কেন এই কথার বুলেট...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-সাংবিধানিক জগাখিচুড়ির অবসান ঘটতে...
- আমার ভাষা আমার একুশ-লিপি সংস্কার: সিদ্ধান্ত নেবে ক...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-পঞ্চম সংশোধনীতে সংবিধানের মৌলিক ...
- পরিবেশ বিনষ্টকারী এই প্রবণতা রুখতে হবে-সংরক্ষিত বন...
- ব্যক্তিগত দ্বেষ বা উসকানিমূলক বক্তব্য কাম্য নয়-বির...
- চলতি পথে-ময়মনসিংহে ভাষা আন্দোলন by দীপংকর চন্দ
- মেধা-বিকাশ-এবার বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড by মোহাম্মদ কায়...
- আমার ভাষা আমার একুশ-কম্পিউটার-ইন্টারনেটে বাংলা ভাষ...
- ছাত্রের মৃত্যু-আবু বকরের রক্তে মাখা নোটখাতা by ফার...
- আর্মেনীয় গণহত্যা-ইসরায়েল কত অস্বীকার করবে? by রবার...
- যুক্তি তর্ক গল্প-জনগণের ঐক্য ও বিএনপির ভবিষ্যৎ by ...
- যিনি ‘শিক্ষিকা’ চান না, তাঁর থাকার কী প্রয়োজন?-‘শি...
- রাজনৈতিক বাহাস কাম্য নয়-পিলখানা হত্যার বিচার
- চারদিক-সেদিনের অপেক্ষায় আজকের নাটক শেষ করলাম by নে...
- গণমাধ্যম-সংবাদমাধ্যম কি জবাবদিহির ঊর্ধ্বে? by মশিউ...
- বন্ধুর মাধ্যমেই মাদক জগতে ঢুকছে বেশিরভাগ তরুণ by স...
- ধর্ম-বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- আমার ভাষা আমার একুশ-একটি পূর্ণাঙ্গ অভিধান কবে পাব?...
- খোলা চোখে-ভারত-বাংলাদেশ: আমার তিন পয়সা by হাসান ফে...
- এসব বইয়ের সরবরাহ ঠেকাতে হবে-নোট-গাইড বিক্রির কাজে ...
- বেপরোয়া চালকদের নিয়ন্ত্রণ করুন-সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর...
- বুদ্ধ পূর্ণিমা by শান্তনু বড়ূয়া
- রম্য-'বাঘ ঘুরবে সীমান্ত মাড়িয়ে' by আনোয়ারা সৈয়দ হক
- আন্ডারগ্রাউন্ড! by আসিফ আহমেদ
- অধিকার-নাগরিকরা ভালোবোধ করার নিশ্চয়তা চায় by আসিফ ...
- কণ্ঠস্বর-হত্যা-গুম ও হরতালের রাজনীতি by রাহাত খান
- সরকারি চিনিশিল্প-প্রতিযোগিতায় সামর্থ্যহীন প্রতিষ্ঠান
- উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যবই-নকল ও গাইড বই প্রতিরোধ করুন
- ভালোবাসার নীড় বেচবেন দিপীকা!
- হিলারিকে ইলিয়াসের মেয়ের চিঠি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-পরিশীলিত আড্ডার এক প্রাণপুরুষ সাঈদ আহ...
- কৃষি ও দ্রব্যমূল্য-চালের দাম ও নির্বাচনী প্রতিশ্রু...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা উচ্চারণ: সমস্যা ও সাম্প্...
- ইসরায়েলের বলপ্রয়োগ-যুক্তরাষ্ট্রের দেখেও না দেখার ভ...
- পঞ্চম সংশোধনী-রায়ের জন্য অপেক্ষা যে কারণে গুরুত্বপ...
- বিচারের বাণী-পঞ্চম সংশোধনীর দশা by মোহাম্মদ গোলাম ...
- অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-চাল স...
- সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে মাইলফলক অর্জন-হাইকোর্টের রা...
- বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল : হিলারি
- বুয়েট : অচলাবস্থার অবসান
- পবিত্র কোরআনের আলো-কল্যাণ কাজের পরিণাম বাড়তে থাকে ...
- চারদিক-হাত-পাওয়ালা ল্যাপটপ আমজাদ by এম আর আলম
- মিডিয়া ভাবনা-প্রভাব, প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থাকবে গণমাধ...
- অভিমত
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা পরিভাষা: নতুন কোনো নির্ম...
- বেআইনি ভূমি ইজারায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ-সা...
- এই হত্যাকাণ্ড চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট-দলত্যাগী...
- গুরুত্বপূর্ণ তিন সফর
- স্মরণ-বড় করুণ সেই পরিবর্তন by শেগুফ্তা তাবাস্সুম আ...
- গদ্যকার্টুন-বাঞ্ছারামের বাগান by আনিসুল হক
- সরল গরল-বন্দুকের নল সরিয়ে নিন by মিজানুর রহমান খান
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-বিএনপি স্থায়ীভাবে ...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা ভাষার ব্যাকরণ তৈরি হবে ক...
- সহজিয়া কড়চা-রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের দৃশ্যমান ও অদৃশ্...
- শ্রমিক ও পাচারের শিকার নারীদের জন্য সত্বর কিছু করু...
- তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ-মন্ত্রী...
- বৌদ্ধ ধর্মে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি by জি...
- মত ও মন্তব্য-কে শোনাবে শান্তির বাণী অশান্তির অতলান...
- দ্য গ্রেট স্পঞ্জ রসগোল্লা by নাজিফা তাসনিম
- রসগোল্লা
- দশের লাঠি by আতিক
- অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি-সবার জন্য রসগোল্লা
- চারদিক-মনিরের হাতেই ঢেঁকিকল by মাইনউদ্দিন হাসান
- শাসনব্যবস্থা-সরকার ও দলের দূরত্ব কমানো কেন গুরুত্ব...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সংসদ বর্জনের ধারা ...
- আমার ভাষা আমার একুশ-বানান নিয়ে আমরা সচেতন হব কবে b...
- খোলা হাওয়া-ভাষার বিকাশ: কঠিনেরেই ভালোবাসতে হবে by ...
- সন্ত্রাসীরাই কি শিক্ষাঙ্গনের দণ্ডমুণ্ডের মালিক?-অপ...
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা কোথায়-ভাষার মাস
- করো, দেখো
- টাইটানে হ্রদের সন্ধান
- টুকিটাকি-৪৩ ফুট লম্বা সাপ ও পৃথিবীর তাপমাত্রা
- চুয়েটের আবাসিক হলে রোবট ও ইলেকট্রনিকস গবেষণা
- এ সপ্তাহের বিজ্ঞানী-মেঘনাথসাহা
- সাকিব-শচীন হওয়ার স্বপ্ন তাদের চোখে by আরিফুল হক
- দেশের সুউচ্চ ভবনের দ্বিগুণ লম্বা ট্যাংকার by মাসুদ...
- চমেক হাসপাতাল-প্রসূতি ওয়ার্ডে ‘শুভাকাঙ্ক্ষীর’ উৎপা...
- জোটের শরিকদের খুঁজছে বিএনপি
- আউটার স্টেডিয়াম-মেলার নামে এসব কী হচ্ছে! by প্রণব বল
- প্রতিক্রিয়া-পারিবারিক আইন সংস্কারের চিন্তাভাবনা
- প্রকাশনা
- পাঠকের প্রশ্ন, আইনি পরামর্শ-ভূমি অফিসে হয়রানি থেকে...
- গোলে গোলে-মেসি-রোনালদো
- কথামালা
- রং বেরং-শুভবিবাহের মাহেন্দ্রক্ষণ
- এক রেকর্ড দুবার!
- বাফুফের নির্বাচনী শিক্ষা by মেজবাহ উদ্দীন
- স্মরণ-মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী মোল্লা by বাঁধন হায়দার
- মার্ক ম্যাগনিয়ার ও ইন্দিরা এ আর লক্ষ্মানন-বাংলাদেশ...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-জনশক্তি রপ্তানিতে অচলাবস্থা by...
- অধিক ফসলে চাষিদের বিপদ by এ এম এম শওকত আলী
- বীজ নিয়ে প্রতারণা
- স্বপ্নের সেতু বাস্তবে ধরা দিচ্ছে
- চরাচর-মাছ ধরাতেই আনন্দ by সাইফুল ইসলাম
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-২২-এগিয়ে চলি বহমান নদীর ...
- চারদিক-তালে তালে লাঠিখেলা by সালেক খোকন
- সরকারি কলেজ-বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড় by তুহিন ওয়াদুদ
- ঐতিহ্য-বিচার-সালিসে হুলহুলিয়া-কালিগ্রাম মডেল by সা...
- অহিংসা ও প্রীতিবোধের উদ্বোধন হোক সবার মনে-শুভ বুদ্...
- ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকারদানে আইন হতে পারে-হরতাল নিষ...
- বাংলাদেশ সারফেস ওয়াটার ইউটিলাইজেশন প্রজেক্ট by ডা....
- শেকড়ের ডাক-বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়ে যাবে by ফরহাদ মাহমুদ
- বহে কাল নিরবধি-দুঃসংবাদের দিবারাত্রি by এম আবদুল হ...
- স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর গৃহকর্তার আত্মহত্যা?
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- নাটক-দ্য টেম্পেস্টের মহড়াকক্ষে by জাহীদ রেজা নূর
- চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাড়ে ২৮ হাজার একর বনভূমি জব...
- জমির দখল নিয়ে যত বিবাদ by তানজিম আল ইসলাম
- ‘আরও বড় কিছু করতে চাই’
- ফরিদপুরে প্রথম আলোর সাংবাদিক লাঞ্ছিত
- বিআইডব্লিউটিএর ১৩৫ কোটি টাকার খননযন্ত্র কেনা-কাজ প...
- ঢাকায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী-সংলাপের তাগিদ হিলারির
-
▼
May 06
(117)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment