Monday, April 30, 2012
পর্যবেক্ষণ-কর্নেল তাহেরের বিচার: একটি সতর্ক ভাবনা by লরেন্স লিফশুলজ
পর্যবেক্ষণ-কর্নেল তাহেরের বিচার: একটি সতর্ক ভাবনা by লরেন্স লিফশুলজ
সামরিক আদালতে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল এম এ তাহেরের (বীর উত্তম) গোপন বিচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা মামলায় মার্কিন সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলজের বক্তব্য জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে ২৬ জানুয়ারি হাইকোর্টে হাজির হতে পারেননি তিনি।
তবে হাইকোর্ট বেঞ্চের অনুরোধে সাড়া দিয়ে তাঁর বক্তব্য হলফনামা আকারে উপস্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। ২০০৬ সালের জুলাই মাসে কর্নেল তাহেরের বিচার ও তাহের সম্পর্কে তাঁর দুটি লেখা ছাপা হয়েছিল প্রথম আলোয়। এই লেখা দুটি কর্নেল তাহের ও তাঁর বিচারের ব্যাপারে লিফশুলজের বক্তব্যের প্রতিফলন। এ পরিস্থিতিতে লেখা দুটি আবার প্রকাশের আগ্রহ লেখকের। লিফশুলজের ইচ্ছা ও পাঠকের আগ্রহের বিবেচনায় লেখা দুটি পুনর্মুদ্রিত হলো।
আজ থেকে ঠিক ৩০ বছর আগে আমি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এক দিন আগেই চলে এসেছিলাম আমি। ‘স্মৃতিতে ধরে রাখার মতো একটি দিন।’ সেদিন ছিল ২৮ জুন, ১৯৭৬।
এক সপ্তাহ আগে ‘এক নম্বর বিশেষ সামরিক আদালত’ গোপনে তাঁদের কাজ শুরু করেছিলেন। এক দিনের জন্য আদালত বসার পর একটি মামলার বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের প্রস্তুতির জন্য সাত দিনের সময় দিয়ে আদালত এক সপ্তাহের অবকাশে চলে যান। ছয় মাস আগে থেকেই মামলার প্রস্তুতি চলছিল। কর্নেল আবু তাহেরসহ ২০ জনেরও বেশি লোকের বিচার শুরু হয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বন্দিজীবনের পুরো সময়টিতে বারবার আবেদন সত্ত্বেও তাঁদের আইনগত পরামর্শ এবং স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
বিচার শুরুর পর এই সংবাদদাতা হংকংয়ে দ্য ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ-এ এবং লন্ডনে বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ান-এ এ সংক্রান্ত খবর পাঠান। সে সময় আমি ছিলাম রিভিউ-এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সংবাদদাতা। এসব রিপোর্ট পাঠাতে আমি বাধার সম্মুখীন হয়েছি। অবশেষে একজন যাত্রী একটি আন্তর্জাতিক বিমানে করে এর কপিগুলো নিয়ে যান। যার অর্থ দাঁড়ায়, বিচারের খবরগুলো থাইল্যান্ড থেকে পাঠানো হয়েছিল। ফলে ঢাকাবাসী এ সংক্রান্ত প্রথম রিপোর্টগুলো পেয়েছিলেন বিবিসি বাংলা বিভাগের মাধ্যমে।
২৮ জুন যখন বিচারকাজ পুনরায় শুরু হয়, তখন প্রধান কৌঁসুলি এ টি এম আফজাল, এই সামরিক আদালতের চেয়ারম্যান কর্নেল ইউসুফ হায়দার এবং অন্যরা জেলগেটে প্রবেশ করার সময় আমি (আমি ১৯৭৪ সালের পুরো সময় বাংলাদেশ থেকে সংবাদ পাঠিয়েছি) তাঁদের ছবি তোলার জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে বলেন, এটি অতি গোপনীয় বিচার এবং আমাকে কারও বা কোনো কিছুর ছবি তুলতে দেওয়া হবে না। আমি জানাই, আমি কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ নিয়ে রিপোর্ট করছি। আমি তুলনামূলকভাবে একজন সুপরিচিত ব্যক্তি এবং এ ধরনের কোনো সরকারি নির্দেশনা আছে বলে আমার জানা নেই। যদি তাঁরা আমাকে এ বিষয়ে রিপোর্ট করতে বা ছবি তুলতে দিতে না চান, তাহলে তাঁদের উচিত আমাকে এ ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশ দেখানো। অন্যথায় একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি নির্বিঘ্নে আমার কাজ চালিয়ে যাব। যে পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে প্রশ্ন করছিলেন, এরপর আমি তাঁর ছবি তুলি। তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলেন এবং দৌড়ে চলে যান।
সেদিন সকালে অনেক ঘটনাই ঘটে যায়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারী লোহার গেট দিয়ে কালো কোট পরা ৩০ জন ব্যারিস্টার বিচারের প্রথম অধিবেশনে আসেন। প্রতিষ্ঠিত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ ও বিচারের ঘটনা ঘটে, যখন আগের চারটি সরকার একের পর এক ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্রের বলে পূর্ববর্তী সরকারকে হটিয়ে। অধিকন্তু যেসব কর্মকর্তা ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন এবং সরকারি সংবাদপত্রে যাঁদের ‘ভারতের এজেন্ট’ বলে ভর্ৎসনা করা হয়েছিল, তাঁদের সবাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যাঁরা, তাঁরা হলেন ব্রিগেডিয়ার শাফায়াত জামিল, যিনি জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করে রেখেছিলেন। সুতরাং ব্যাপারটা দাঁড়ায়, যেসব কর্মকর্তা ৩ নভেম্বরের জিয়াবিরোধী অভ্যুত্থানের পেছনে ছিলেন, তাঁরা ছিলেন মুক্ত আর যেসব ব্যক্তি ৭ নভেম্বর সাধারণ অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন—যে ঘটনায় জিয়া মুক্তি পেয়েছিলেন—তাঁরা বিচারে মৃত্যুদণ্ডের সম্মুখীন।
সেই ২১ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে আমি যখন অপেক্ষা করছিলাম, তখন জেলের সুউচ্চ রংচটা হলদে-বিবর্ণ প্রাচীরের ওপাশে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিচারকাজ শুরু হলো। বাংলাদেশ অথবা ‘পূর্ব পাকিস্তানে’র ইতিহাসে আগে কখনো একটি কারাগারের চৌহদ্দির মধ্যে বিচারের ঘটনা ঘটেনি। যাঁরা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনজীবী, তাঁদের বিচারপ্রক্রিয়া অনুযায়ী গোপনীয়তার শপথ নিতে হলো। দেশের ভেতরে মামলার সব খবরের ওপর গোপনীয়তা আরোপ করা হয়েছিল। কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল ব্যতিক্রমী: প্রতিটি প্রবেশপথের চারপাশে বালুর বস্তাসংবলিত মেশিনগান রাখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে কর্তৃপক্ষ জেলের ভেতরে বিচারের আয়োজন করেছিল সম্ভাব্য গোলযোগ এড়ানোর উদ্দেশ্যে। প্রকাশ্য বিচার হলে আদালতে যাওয়ার পথে এই গোলযোগ ঘটতে পারত।
জেলগেটে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করার পর আমি সেদিনের মতো একাই সেখান থেকে বিদায় নিই। বিচারকাজ কেন এ রকম গোপনীয়তার সঙ্গে হচ্ছে, সে ব্যাপারে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়ার জন্য আমি সামরিক আদালতের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বেলা ১১টায় আমাকে গ্রেপ্তার করে জেলে আটক রাখা হয়। কারাগারে প্রবেশের সময় আমি যেসব ছবি তুলেছিলাম, আমাকে সেসব ছবির ফিল্ম সমর্পণ করতে বলা হয়।
আমি পুলিশ কর্মকর্তাদের এবং সেনাবাহিনীর যে লেফটেন্যান্ট আমাকে হাজতে নিয়ে এসেছেন, তাঁকে জানাই, আমি স্বেচ্ছায় ফিল্ম দেব না। এরপর ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) সংস্থা এবং সামরিক আইন সদর দপ্তরে ফোন করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০ জন কর্মকর্তা এসে হাজির হন। একজনমাত্র সাংবাদিকের জন্য এতজন নিরাপত্তাকর্মী!
একজন এনএসআই কর্মকর্তা, যিনি নিজেকে শামিম আহমেদ বলে উল্লেখ করেন, আমাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন আমি তাহেরের মামলায় আগ্রহী। আমি ব্যাখ্যা দিই, গোপন বিচার আমাকে এ ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলেছে, যে ধরনের বিচার স্তালিন, ফ্রাঙ্কো বা জিয়া করেছেন। আমি তাঁকে বলি, আমি একজন রিপোর্টার, কাজেই মুজিবের হত্যাকারী ছয় মেজরকে যদি খালেদ মোশাররফ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে রাখতেন, তাহলেও আমি সে ঘটনার রিপোর্ট করতাম। এবং যদি খালেদ জীবিত থাকতেন এবং জিয়া তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করতেন, তাহলেও আমি এখনকার মতো রিপোর্ট করার চেষ্টার জন্য জেলে থাকতাম। এবং এখন জিয়া তাহেরকে একটি কারাগারের ভেতরে বিচারের সম্মুখীন করেছেন, যেখানে গোপনীয়তা রক্ষার শপথের কারণে আইনজীবীরা আতঙ্কগ্রস্ত, আমি এর রিপোর্ট করব। আমি শামিম আহমেদকে জিজ্ঞেস করি, যা ঘটছে, জনগণ তা জানলে তাতে দোষের কী আছে? তিনি আমার ক্যামেরা কেড়ে নেন এবং সেটা একজন তরুণ টেলিযোগাযোগ কর্মকর্তার হাতে দেন। কয়েক বছর আগে এই লোক আমেরিকান অফিস অব পাবলিক সেইফটি প্রোগ্রামের অধীনে নিউইয়র্কে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি ক্যামেরা থেকে ফিল্মটি ছিঁড়ে বের করে ফেলেন।
আমি কয়েক ঘণ্টা জেলে বন্দী ছিলাম। সে সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এরপর কী করা হবে। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বলেন, সদর দপ্তর মনে করে, একজন বিদেশি সংবাদদাতাকে আটক রাখা অস্বস্তিদায়ক হতে পারে। সেদিন সন্ধ্যায় আমি তাহেরের বিচারসম্পর্কিত আরেকটি তারবার্তা পাঠাতে যাই। তারবার্তা অফিস আমার রিপোর্টটি গ্রহণ করেছিল, কিন্তু পাঠায়নি।
পরদিন সন্ধ্যায় আমি আমার আবাসস্থলে ফেরার পর পাঁচজন স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) কর্মকর্তা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা জানান, আমাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তাঁদের ওপর নির্দেশ রয়েছে আমাকে সরাসরি বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য প্রথম যে বিমানটি পাওয়া যাবে, তাতে তুলে দেওয়ার। প্রথম বিমানটি ভারতে যাচ্ছিল। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য ছয় মাস আগে আমাকে ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দিল্লিতে সেই দিনগুলোতে খুব কঠোর সেন্সরশিপ ছিল এবং কোনো বিদেশি সংবাদদাতাই এর প্রতি ভ্রুক্ষেপ করতেন না। কাজেই ভারত থেকে সাংবাদিক হিসেবে কেবল আমাকেই সসম্মানে বিতাড়িত করা হয়নি, আমার ঘটনাটি ছিল সর্বশেষ।
আমি এসবি কর্মকর্তাদের ধৈর্যের সঙ্গে বললাম, তাঁরা আমাকে ভারতে বহিষ্কার করতে পারেন না, কেননা ইতিমধ্যেই সেখান থেকে আমি বহিষ্কৃত হয়েছি। শেষ পর্যন্ত ব্যাংককে যাওয়ার পরবর্তী বিমানে উঠিয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমাকে তিন দিন গৃহবন্দী করে রাখা হলো। ২১ জুলাই আমাকে থাইল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হলো এবং তাহেরের বিচারসম্পর্কিত সবশেষ বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ সংবাদ প্রতিবেদনের সমাপ্তি ঘটল। এরপর কর্তৃপক্ষ তাদের গোপনীয়তা নির্বিঘ্নে বজায় রাখতে পারল।
আরও ১৭ দিন বিচারকাজ চলে। তাহের শুরুতে সামরিক আদালতে যেতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি একে ‘বিচারের নামে সরকারের অপরাধ সংঘটনের একটি হাতিয়ার’ আখ্যা দেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিচার করতে হলে জুরিদের তালিকায় সেনাবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের থাকতে হবে, যাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন—ইউসুফ হায়দারের মতো লোকেরা থাকলে হবে না—যিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। কিন্তু যখন আদালত গঠিত হয়, তখন এতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা ছিলেন না।
তাহেরের আইনজীবীরা শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করাতে সক্ষম হন। তাঁরা প্রথমে ভেবেছিলেন, আদালত ভীতি প্রদর্শন ছাড়াই কাজ করতে পারবেন। তাঁদের অনেককে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, সামরিক আদালত শুরু হওয়ার অনেক আগেই তাহেরের দণ্ড নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল, পরে যা জেনে তাঁরা আক্ষেপ করেছেন। ১৭ জুলাই আদালতের চেয়ারম্যান ইউসুফ হায়দার দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। সেনাবাহিনীর হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে হায়দার তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
বিচার চলাকালে পুরো মাসে এ মামলাসংক্রান্ত অথবা বিচার নিয়ে রিপোর্ট করার চেষ্টার কারণে আমাকে বহিষ্কার করা-সংক্রান্ত একটি খবরও বাংলাদেশের সংবাদপত্রে দেখা যায়নি, যদিও প্রত্যেক সম্পাদক এবং অনেক সাংবাদিক ভালো করেই জানতেন কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রাচীরের ভেতরে কী ঘটছে। মে মাসে অর্থাৎ, বিচার শুরু হওয়ার এক মাস আগে একটি অঘোষিত কিন্তু ভালোভাবেই বোধগম্য গোপনীয় সংবাদের সামান্য লঙ্ঘন হয়, ইত্তেফাক-এর পেছনের পাতায় এক ইঞ্চির একটি খবর ছাপা হয় ‘ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হচ্ছে?’ শিরোনামে। তৎক্ষণাৎ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ইত্তেফাক-এর সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে ডেকে পাঠায় এবং শাসিয়ে দেয়, আবারও যদি এই চেষ্টা করা হয়, তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।
সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করে দিয়ে ১৮ জুন বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর সরকার এ মামলার ব্যাপারে একটি সরকারি বিবৃতি প্রকাশের জন্য পত্রিকাগুলোকে নির্দেশ দেয়, এর বেশি কিছু নয়। বাংলাদেশ অবজারভার ও অন্যান্য পত্রিকায় ব্যানার শিরোনামে তাহেরের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা ছাপা হয়। এটা ছিল বাংলা প্রচারমাধ্যমে এ-সম্পর্কিত প্রথম সংবাদ, যা প্রকাশিত হয় বিচারকাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর। অবশ্যই সেখানে আদালতে তাহেরের মর্মস্পর্শী ভাষণ অথবা আদালতের কোনো কার্যবিবরণী প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও তাহের জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, তিনি তাঁর নামে কোনো আপিল করতে চান না এবং সরকারের কাছে তাঁর কিছুই চাওয়ার নেই, তা সত্ত্বেও তাঁর আইনজীবীরা রাষ্ট্রপতি এ এম সায়েমের প্রতি দণ্ডাদেশ রদ করার আবেদন জানান। আইনজীবী আতাউর রহমান খান ও জুলমত আলী আইন বুঝতেন এবং এটিও বুঝতেন, কীভাবে তাহেরের বিচার আইনের সবচেয়ে মৌলিক সত্যকে লঙ্ঘন করেছে। তবে সে সময় তাহেরের আইনজীবীরা উপলব্ধি করতে পারেননি এই বিচারের গোপন এজেন্ডার ওই অংশটি ছিল একটি মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার ‘দ্রুত পন্থা’। সায়েম শিগগিরই এই এজেন্ডার একজন অপরিহার্য উপাদান হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেন।
অনেক সময় বলা হয়ে থাকে, আমাদের সভ্যতার প্রলেপ খুবই পাতলা। সে সময় এ এম সায়েমের ভূমিকা দেখিয়ে দিয়েছে, এটা কত বেশি পাতলা হতে পারে। সায়েম ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি। পাঁচ বছর আগে তিনি প্রাণদণ্ডার্হ শাস্তি এবং সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা একজন অভিযুক্তের অধিকার-সম্পর্কিত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সিদ্ধান্তটি লিখেছিলেন। পূর্ণচন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলায় সায়েম অভিযুক্তকে দেওয়া একটি মৃতুদণ্ডাদেশ রদ করেছিলেন। এই রায়টি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিরান্ডা সিদ্ধান্তের মতো একটি আইনগত নজিরে পরিণত হয়, যা বিচারের সম্মুখীন একজন অভিযুক্তের জন্য আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। সায়েম যুক্তি দেখিয়েছিলেন, ‘একজন অভিযুক্তের জন্য শেষ মুহূর্তে একজন আত্মপক্ষ সমর্থনকারী আইনজীবীর নিয়োগ মামলায় একজন অভিযুক্তের সঠিকভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকারকে কার্যত রদ করে।’
মণ্ডল মামলায় সায়েম লিখেছিলেন: ‘ফৌজদারি কার্যপ্রণালি বিধি প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি ফৌজদারি আদালতের সামনে আনার আগে একজন আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেয়। এই অধিকার ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য আইনজীবীর আশ্রয় নেওয়া এবং পরবর্তীকালে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য মামলা প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সুযোগ প্রদান পর্যন্ত সম্প্রসারিত। প্রাণদণ্ডার্হ অপরাধে অভিযুক্ত একজন বন্দীর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য শেষ মুহূর্তে একজন আইনজীবী নিয়োগ লিগ্যাল রিমেমবের্যান্স ম্যানুয়ালের ১২ অনুচ্ছেদের ধারাই কেবল লঙ্ঘন করে না...ওই অনুচ্ছেদের বিস্তৃত ধারাগুলোর পেছনের উদ্দেশ্যও ব্যাহত করে। এ ধরনের নিয়োগের ফলে বন্দী কার্যপ্রণালি বিধির ৩৪০ অনুচ্ছেদ দ্বারা প্রাপ্য অধিকারও অগ্রাহ্য করা হয়। এই অধিকার অগ্রাহ্য করা হলে বিচার আইনানুগ হয়নি বলে গণ্য হবে এবং নতুন করে বিচারের প্রয়োজন হবে।’
তাহের তাঁর বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত আইনজীবীর আশ্রয় নেওয়ার অনুমতি পাননি। এভাবে সায়েমের নিজের ভাষায় এ ধরনের বিচার ছিল ‘আইন অনুযায়ী নয়’। তা সত্ত্বেও সায়েম একজন বিচারক হিসেবে লিখেছিলেন, পর্যাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ছাড়া আইনের অধীনে কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে না। এখন রাষ্ট্রপতি পদে থেকে তিনি তাহেরের মৃত্যুদণ্ড পুনরায় সমর্থন করলেন। এবং দণ্ডাদেশ দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত নিলেন। এখানে সবার জন্য দেখার বিষয়টি হলো, একজন বিচারক অপরাধীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এটা মানুষের ভণ্ডামির একটি সাধারণ উদাহরণ মাত্র। সায়েম সম্পর্কে আর কী বলার আছে, যিনি তাহেরের মৃত্যুদণ্ডের স্বীকৃতি দিয়ে সরাসরি আইন লঙ্ঘন করেছেন, যা তিনি নিজেই মণ্ডল মামলায় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন।
তাহেরের বিচারের পর প্রধান কৌঁসুলি এ টি এম আফজাল ঢাকা উচ্চ আদালতের বিচারক পদে নিয়োগ পান এবং পরে তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৬ সালে তিনি ছিলেন একজন উদ্বিগ্ন ব্যক্তি। তিনি তাঁর সহকর্মীদের কাছে দাবি করেছিলেন, মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে তিনি অন্য যে-কারও চেয়ে বেশি হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছিলেন। একজন কৌঁসুলি হিসেবে তিনি দাবি করেছেন, তিনি কখনো মৃত্যুদণ্ড চাননি। তিনি বলেছেন, এ ধরনের রায় অসম্ভব ছিল। এমন কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না, যার অধীনে তাহেরকে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু আফজাল কি রায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছিলেন অথবা এই বিয়োগান্ত ঘটনায় তাঁর ভূমিকার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন? কখনো কি তিনি প্রতিবাদ করার কথা বিবেচনা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারের চৌহদ্দির ভেতরে অনুষ্ঠিত গোপন বিচারের একটি পক্ষ হবেন না? আমরা যদি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধান বিচারপতির (যিনি ১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মে একটি দীর্ঘ ও সম্ভাবনাময় কর্মজীবনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছিলেন) ‘সাহসিকতার প্রতিকৃতি’ অথবা চরিত্রে নীতিবোধের প্রমাণ অনুসন্ধান করি, তাহলে আমরা সে ধরনের কোনো প্রমাণ খুঁজে পাব না।
এখন ৩০টি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। কী ঘটেছে আমরা সবাই জানি। আজ আমরা তাহেরের ফাঁসির ৩০তম বার্ষিকী পালন করছি। আমার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগের উচিত, প্রকাশ্যে এ ঘোষণা দেওয়া যে আবু তাহেরের বিচার ভুল ছিল এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডও ভুল ছিল। ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাইয়ের রায় ত্যাগ করা উচিত এবং এমন একটি সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করেছিল যে সরকার, তারা তাহেরের নাগরিক ও আইনগত অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন করেছিল।
আজ আমি দুজন ব্যক্তির কথা স্মরণ করছি—বার্থোলোমিউ সাকো ও জিউসেপ্পি ভ্যানজেটি। এ দুই ইতালীয় অভিবাসী আমার দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন উন্নততর জীবনের খোঁজে। তাঁরা কোনো অপরাধ করেননি। তবে তাঁদের রাজনীতি মার্কিন কর্তৃপক্ষের পছন্দ হয়নি, ১৯২০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী ও কমিউনিস্টদের ব্যাপারে বিকারগ্রস্ত ছিল। সাকো ও ভ্যানজেটিকে একটি বিচারের পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেই বিচারকাজে সব আইনগত মানদণ্ড সুপরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছিল। তবে সে বিচার তাহেরের বিচারের মতো গোপনে হয়নি। মৃত্যুদণ্ড থামানোর জন্য ইউরোপ, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়। তার পরও দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
কয়েক দশক ধরে এই মামলা ও বিচারকাজে বেআইনি কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নানা গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মাইকেল ডুকাকিস ওই দুই ইতালীয়র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৫০ বছর পর ১৯৭৯ সালে ঘোষণা করেন, সাকো ও ভ্যানজেটি নির্দোষ ছিলেন এবং তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। উল্লেখ্য, ম্যাসাচুসেটসেই তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। গভর্নর ডুকাকিস ঘোষণা করেছেন, প্রতিবছর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার দিনটিকে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য ‘সাকো ও ভ্যানজেটি স্মরণ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে।
বাংলাদেশেও সময় এসেছে একই রকমের কিছু করার। এই কাজ সুসম্পন্ন করার উপযুক্ত পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন রায় আনুষ্ঠানিকভাবে উল্টে দেওয়া এবং এই মর্মে একটি সরকারি স্বীকৃতি যে আবু তাহেরের তথাকথিত পুরো বিচার ছিল যথাযথ আইনগত কার্যপ্রণালির এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
অতীতে ঘটে যাওয়া একটি অপরাধ সঠিকভাবে সংশোধন করা বেশ কঠিন। যা-ই করা হোক না কেন, তা কখনো যথেষ্ট হবে না। একটি জীবন কখনো ফিরিয়ে আনা যায় না। প্রতিদিন বাবার উপস্থিতি ছাড়া তিনটি শিশুর বেড়ে ওঠা কিংবা একজন অল্পবয়সী নারীর জীবনের বসন্তকালে স্বামীকে হারানোর অভিজ্ঞতা ‘প্রতিকারের’ কোনো উপায় নেই। এ ধরনের মনের ভেতরের ব্যাপারগুলো খুব বেশি প্রতিকারযোগ্য নয়। যা করা যেতে পারে তা খুবই যৎসামান্য: কর্তৃপক্ষের স্বীকার করে নেওয়া যে একটি দুঃখজনক ও ভুল কাজ হয়েছে। ন্যায়বিচারের জন্য এটা খুবই ন্যূনতম প্রয়োজন।
অবশ্যই হাজার হাজার হূদয়বিদারক ঘটনা আছে, যেগুলোর প্রতি সারা বিশ্বে সামান্যই মনোযোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও কারাগারে মৃত্যু ও সংক্ষিপ্ত বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলো ঘটেছে ১৯৭৫, ১৯৭৭ ও ১৯৮১ সালে। এগুলোর প্রতিও সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। আজ তাহেরের ঘটনার প্রতি আমরা দৃষ্টি নিবদ্ধ করলেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্যান্য ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দায়িত্বকেও খাটো করে দেখা উচিত নয়। হয়তো বা এ ক্ষেত্রে সাফল্য ১৯৭০-এর দশকের পর ঘটে যাওয়া হেফাজতে বহু মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নে ও সরকারি ব্যাখ্যা প্রদানে সহায়ক হবে।
আশা করা যায়, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো একদিন বাংলাদেশেও একটি জাতীয় কমিশন গঠিত হবে এবং তা কারাগারে মৃত্যুর বহু ঘটনার দিকে ক্রমান্বয়ে দৃষ্টি দেবে, যেখানে সংক্ষিপ্ত বিচারের ফলে সংক্ষিপ্ত সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। আর্জেন্টিনার কমিশন ‘নুনকা মাস’ বা ‘আর কখনো নয়’ নামে একটি উল্লেখযোগ্য রিপোর্ট তৈরি করেছে। এ রিপোর্টের অভিঘাত এমন এক সমাজে আইনের শাসন পুনরুদ্ধারে সহায়ক হয়েছে, যে সমাজ হেফাজতে হাজার হাজার অন্তর্ধান ও মৃত্যুর কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রয়োজন তার অতীতের ঘটনার ব্যাপারে এ ধরনের একটি হিসাব-নিকাশ করা। অনেক ঘটনার মধ্যে মাত্র কয়েকটির উল্লেখ করছি, যেগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত: ১৯৭৫ সালে তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর সহকর্মীদের মৃত্যু, ১৯৭৭ সালে সারা দেশের কারাগারগুলোতে গোপনে ৪০০-এরও বেশি সেনার মৃত্যুদণ্ড, ১৯৮১ সালে সেনা হেফাজতে জেনারেল মনজুরের মৃত্যু এবং ১৯৮১ সালে সামরিক বাহিনীর ১৩ কর্মকর্তার গোপন বিচার ও মৃত্যুদণ্ড। তাহেরের মামলার ন্যায়বিচারের আহ্বান কোনো নির্দিষ্ট দল বা নির্দিষ্ট সরকারের প্রতি নয়। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, তাদের উচিত তাহেরের মামলার রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করা।
আজ আমি খালেদা জিয়ার প্রতি তাঁর বিবেক সন্ধানের অনুরোধ করছি। কারণ, যাঁরা ক্ষমতার পথে অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়েছেন, তাঁরা ‘বিবেক’ নামে পরিচিত ওই মিটমিটে আলোর সন্ধান পেতে সক্ষম হতে পারেন। আমি বিশ্বাস করি, মহাত্মা গান্ধী ও হেনরি ডেভিড থরো (মার্কিন লেখক, যাঁর দ্বারা গান্ধী অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন) একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সঠিক ছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করতেন, কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কোনো জটিল বিষয় বাছাই করতে মানুষের নৈতিক শক্তির অভাব থাকতে পারে। তার পরও তাঁদের একটি বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, শেষ পর্যন্ত তাঁদের পছন্দটি নৈতিক বলে বিবেচিত হোক বা না-হোক।
এই পরিস্থিতিতে লক্ষণীয় হলো, খালেদা জিয়া একসময় আবু তাহেরকে একজন পারিবারিক বন্ধু হিসেবে গণ্য করতেন। তাহের তাঁর বাসায় বেড়াতে গেছেন এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সকালে জিয়া যখন জীবন নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন, তখন তাহেরকেই ডেকেছিলেন। জিয়া জানতেন, উদ্ধারের জন্য তাহের ঠিক কাদের নিয়ে আসবেন। খালেদা দেখেছেন, তাহের আর তাঁর সহযোগীরা জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করেছেন। এরপর জিয়া বহু সেনার সামনে তাহেরকে তাঁর জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আজ তাহেরের ফাঁসির ৩০তম বার্ষিকী। যে প্রক্রিয়ায় তাহেরের বিচার হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কখনো প্রকাশ্যে সে প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন দিতে পারেন—এ ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। এটা মানুষের কোনো ভদ্রতার মধ্যেই পড়ে না। একজন ব্যক্তি হিসেবে এটা স্বীকার করে নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে যে তাহেরের বিচার এবং বিচারের প্রক্রিয়া পুরোপুরি ভুল, এমনকি অবৈধ ছিল। যদি তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তিনি বলতে পারেন, ন্যায়বিচার প্রয়োজন, যা রায়কে উল্টে দেবে এবং অতীতের ভুল স্বীকার করে নিতে হবে। এর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
এমনটি যে ঘটবে সে ব্যাপারে আমি আশাবাদী নই এবং মোহগ্রস্তও নই। তবে একজন লেখক হিসেবে এটা তুলে ধরা এবং পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি উত্থাপন করার অধিকার আমার আছে। থরো বিশ্বাস করতেন, মানুষ অনেক দেরিতে হলেও তাঁদের আগের কোনো প্রতিকূল ধারণা ত্যাগ করতে বা অতীতের ভুল উপলব্ধি করতে পারেন, এতে কোনো বাধা নেই। তবে এটা তাঁদের জন্য খুবই বিরল ঘটনা। যদিও এটা তাঁদের পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপার।
আমার নিজের মত হলো, ভবিষ্যতে কোনো সরকার এ বিষয়ে নৈতিক ও নীতিগত পন্থায় ভূমিকা রাখবে। যে পর্যন্ত না তাহেরের মামলার রায় উল্টে যাচ্ছে, সে পর্যন্ত আমাদের বিরাম নেই। আমার বন্ধুরা, এটা ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।
২০০৬ সালের ২১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রদত্ত বক্তৃতা, ইংরেজি থেকে অনূদিত।
লরেন্স লিফশুলজ: প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক।
আজ থেকে ঠিক ৩০ বছর আগে আমি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এক দিন আগেই চলে এসেছিলাম আমি। ‘স্মৃতিতে ধরে রাখার মতো একটি দিন।’ সেদিন ছিল ২৮ জুন, ১৯৭৬।
এক সপ্তাহ আগে ‘এক নম্বর বিশেষ সামরিক আদালত’ গোপনে তাঁদের কাজ শুরু করেছিলেন। এক দিনের জন্য আদালত বসার পর একটি মামলার বিবাদীপক্ষের আইনজীবীদের প্রস্তুতির জন্য সাত দিনের সময় দিয়ে আদালত এক সপ্তাহের অবকাশে চলে যান। ছয় মাস আগে থেকেই মামলার প্রস্তুতি চলছিল। কর্নেল আবু তাহেরসহ ২০ জনেরও বেশি লোকের বিচার শুরু হয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বন্দিজীবনের পুরো সময়টিতে বারবার আবেদন সত্ত্বেও তাঁদের আইনগত পরামর্শ এবং স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
বিচার শুরুর পর এই সংবাদদাতা হংকংয়ে দ্য ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউ-এ এবং লন্ডনে বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ান-এ এ সংক্রান্ত খবর পাঠান। সে সময় আমি ছিলাম রিভিউ-এর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সংবাদদাতা। এসব রিপোর্ট পাঠাতে আমি বাধার সম্মুখীন হয়েছি। অবশেষে একজন যাত্রী একটি আন্তর্জাতিক বিমানে করে এর কপিগুলো নিয়ে যান। যার অর্থ দাঁড়ায়, বিচারের খবরগুলো থাইল্যান্ড থেকে পাঠানো হয়েছিল। ফলে ঢাকাবাসী এ সংক্রান্ত প্রথম রিপোর্টগুলো পেয়েছিলেন বিবিসি বাংলা বিভাগের মাধ্যমে।
২৮ জুন যখন বিচারকাজ পুনরায় শুরু হয়, তখন প্রধান কৌঁসুলি এ টি এম আফজাল, এই সামরিক আদালতের চেয়ারম্যান কর্নেল ইউসুফ হায়দার এবং অন্যরা জেলগেটে প্রবেশ করার সময় আমি (আমি ১৯৭৪ সালের পুরো সময় বাংলাদেশ থেকে সংবাদ পাঠিয়েছি) তাঁদের ছবি তোলার জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে বলেন, এটি অতি গোপনীয় বিচার এবং আমাকে কারও বা কোনো কিছুর ছবি তুলতে দেওয়া হবে না। আমি জানাই, আমি কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ নিয়ে রিপোর্ট করছি। আমি তুলনামূলকভাবে একজন সুপরিচিত ব্যক্তি এবং এ ধরনের কোনো সরকারি নির্দেশনা আছে বলে আমার জানা নেই। যদি তাঁরা আমাকে এ বিষয়ে রিপোর্ট করতে বা ছবি তুলতে দিতে না চান, তাহলে তাঁদের উচিত আমাকে এ ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশ দেখানো। অন্যথায় একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি নির্বিঘ্নে আমার কাজ চালিয়ে যাব। যে পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে প্রশ্ন করছিলেন, এরপর আমি তাঁর ছবি তুলি। তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলেন এবং দৌড়ে চলে যান।
সেদিন সকালে অনেক ঘটনাই ঘটে যায়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারী লোহার গেট দিয়ে কালো কোট পরা ৩০ জন ব্যারিস্টার বিচারের প্রথম অধিবেশনে আসেন। প্রতিষ্ঠিত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ ও বিচারের ঘটনা ঘটে, যখন আগের চারটি সরকার একের পর এক ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্রের বলে পূর্ববর্তী সরকারকে হটিয়ে। অধিকন্তু যেসব কর্মকর্তা ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন এবং সরকারি সংবাদপত্রে যাঁদের ‘ভারতের এজেন্ট’ বলে ভর্ৎসনা করা হয়েছিল, তাঁদের সবাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যাঁরা, তাঁরা হলেন ব্রিগেডিয়ার শাফায়াত জামিল, যিনি জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করে রেখেছিলেন। সুতরাং ব্যাপারটা দাঁড়ায়, যেসব কর্মকর্তা ৩ নভেম্বরের জিয়াবিরোধী অভ্যুত্থানের পেছনে ছিলেন, তাঁরা ছিলেন মুক্ত আর যেসব ব্যক্তি ৭ নভেম্বর সাধারণ অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন—যে ঘটনায় জিয়া মুক্তি পেয়েছিলেন—তাঁরা বিচারে মৃত্যুদণ্ডের সম্মুখীন।
সেই ২১ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে আমি যখন অপেক্ষা করছিলাম, তখন জেলের সুউচ্চ রংচটা হলদে-বিবর্ণ প্রাচীরের ওপাশে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিচারকাজ শুরু হলো। বাংলাদেশ অথবা ‘পূর্ব পাকিস্তানে’র ইতিহাসে আগে কখনো একটি কারাগারের চৌহদ্দির মধ্যে বিচারের ঘটনা ঘটেনি। যাঁরা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনজীবী, তাঁদের বিচারপ্রক্রিয়া অনুযায়ী গোপনীয়তার শপথ নিতে হলো। দেশের ভেতরে মামলার সব খবরের ওপর গোপনীয়তা আরোপ করা হয়েছিল। কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল ব্যতিক্রমী: প্রতিটি প্রবেশপথের চারপাশে বালুর বস্তাসংবলিত মেশিনগান রাখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে কর্তৃপক্ষ জেলের ভেতরে বিচারের আয়োজন করেছিল সম্ভাব্য গোলযোগ এড়ানোর উদ্দেশ্যে। প্রকাশ্য বিচার হলে আদালতে যাওয়ার পথে এই গোলযোগ ঘটতে পারত।
জেলগেটে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান করার পর আমি সেদিনের মতো একাই সেখান থেকে বিদায় নিই। বিচারকাজ কেন এ রকম গোপনীয়তার সঙ্গে হচ্ছে, সে ব্যাপারে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়ার জন্য আমি সামরিক আদালতের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বেলা ১১টায় আমাকে গ্রেপ্তার করে জেলে আটক রাখা হয়। কারাগারে প্রবেশের সময় আমি যেসব ছবি তুলেছিলাম, আমাকে সেসব ছবির ফিল্ম সমর্পণ করতে বলা হয়।
আমি পুলিশ কর্মকর্তাদের এবং সেনাবাহিনীর যে লেফটেন্যান্ট আমাকে হাজতে নিয়ে এসেছেন, তাঁকে জানাই, আমি স্বেচ্ছায় ফিল্ম দেব না। এরপর ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) সংস্থা এবং সামরিক আইন সদর দপ্তরে ফোন করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০ জন কর্মকর্তা এসে হাজির হন। একজনমাত্র সাংবাদিকের জন্য এতজন নিরাপত্তাকর্মী!
একজন এনএসআই কর্মকর্তা, যিনি নিজেকে শামিম আহমেদ বলে উল্লেখ করেন, আমাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন আমি তাহেরের মামলায় আগ্রহী। আমি ব্যাখ্যা দিই, গোপন বিচার আমাকে এ ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলেছে, যে ধরনের বিচার স্তালিন, ফ্রাঙ্কো বা জিয়া করেছেন। আমি তাঁকে বলি, আমি একজন রিপোর্টার, কাজেই মুজিবের হত্যাকারী ছয় মেজরকে যদি খালেদ মোশাররফ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে রাখতেন, তাহলেও আমি সে ঘটনার রিপোর্ট করতাম। এবং যদি খালেদ জীবিত থাকতেন এবং জিয়া তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করতেন, তাহলেও আমি এখনকার মতো রিপোর্ট করার চেষ্টার জন্য জেলে থাকতাম। এবং এখন জিয়া তাহেরকে একটি কারাগারের ভেতরে বিচারের সম্মুখীন করেছেন, যেখানে গোপনীয়তা রক্ষার শপথের কারণে আইনজীবীরা আতঙ্কগ্রস্ত, আমি এর রিপোর্ট করব। আমি শামিম আহমেদকে জিজ্ঞেস করি, যা ঘটছে, জনগণ তা জানলে তাতে দোষের কী আছে? তিনি আমার ক্যামেরা কেড়ে নেন এবং সেটা একজন তরুণ টেলিযোগাযোগ কর্মকর্তার হাতে দেন। কয়েক বছর আগে এই লোক আমেরিকান অফিস অব পাবলিক সেইফটি প্রোগ্রামের অধীনে নিউইয়র্কে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি ক্যামেরা থেকে ফিল্মটি ছিঁড়ে বের করে ফেলেন।
আমি কয়েক ঘণ্টা জেলে বন্দী ছিলাম। সে সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এরপর কী করা হবে। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বলেন, সদর দপ্তর মনে করে, একজন বিদেশি সংবাদদাতাকে আটক রাখা অস্বস্তিদায়ক হতে পারে। সেদিন সন্ধ্যায় আমি তাহেরের বিচারসম্পর্কিত আরেকটি তারবার্তা পাঠাতে যাই। তারবার্তা অফিস আমার রিপোর্টটি গ্রহণ করেছিল, কিন্তু পাঠায়নি।
পরদিন সন্ধ্যায় আমি আমার আবাসস্থলে ফেরার পর পাঁচজন স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) কর্মকর্তা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা জানান, আমাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তাঁদের ওপর নির্দেশ রয়েছে আমাকে সরাসরি বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য প্রথম যে বিমানটি পাওয়া যাবে, তাতে তুলে দেওয়ার। প্রথম বিমানটি ভারতে যাচ্ছিল। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য ছয় মাস আগে আমাকে ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দিল্লিতে সেই দিনগুলোতে খুব কঠোর সেন্সরশিপ ছিল এবং কোনো বিদেশি সংবাদদাতাই এর প্রতি ভ্রুক্ষেপ করতেন না। কাজেই ভারত থেকে সাংবাদিক হিসেবে কেবল আমাকেই সসম্মানে বিতাড়িত করা হয়নি, আমার ঘটনাটি ছিল সর্বশেষ।
আমি এসবি কর্মকর্তাদের ধৈর্যের সঙ্গে বললাম, তাঁরা আমাকে ভারতে বহিষ্কার করতে পারেন না, কেননা ইতিমধ্যেই সেখান থেকে আমি বহিষ্কৃত হয়েছি। শেষ পর্যন্ত ব্যাংককে যাওয়ার পরবর্তী বিমানে উঠিয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমাকে তিন দিন গৃহবন্দী করে রাখা হলো। ২১ জুলাই আমাকে থাইল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হলো এবং তাহেরের বিচারসম্পর্কিত সবশেষ বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ সংবাদ প্রতিবেদনের সমাপ্তি ঘটল। এরপর কর্তৃপক্ষ তাদের গোপনীয়তা নির্বিঘ্নে বজায় রাখতে পারল।
আরও ১৭ দিন বিচারকাজ চলে। তাহের শুরুতে সামরিক আদালতে যেতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি একে ‘বিচারের নামে সরকারের অপরাধ সংঘটনের একটি হাতিয়ার’ আখ্যা দেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিচার করতে হলে জুরিদের তালিকায় সেনাবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাদের থাকতে হবে, যাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন—ইউসুফ হায়দারের মতো লোকেরা থাকলে হবে না—যিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। কিন্তু যখন আদালত গঠিত হয়, তখন এতে কোনো মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা ছিলেন না।
তাহেরের আইনজীবীরা শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করাতে সক্ষম হন। তাঁরা প্রথমে ভেবেছিলেন, আদালত ভীতি প্রদর্শন ছাড়াই কাজ করতে পারবেন। তাঁদের অনেককে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, সামরিক আদালত শুরু হওয়ার অনেক আগেই তাহেরের দণ্ড নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল, পরে যা জেনে তাঁরা আক্ষেপ করেছেন। ১৭ জুলাই আদালতের চেয়ারম্যান ইউসুফ হায়দার দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। সেনাবাহিনীর হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে হায়দার তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
বিচার চলাকালে পুরো মাসে এ মামলাসংক্রান্ত অথবা বিচার নিয়ে রিপোর্ট করার চেষ্টার কারণে আমাকে বহিষ্কার করা-সংক্রান্ত একটি খবরও বাংলাদেশের সংবাদপত্রে দেখা যায়নি, যদিও প্রত্যেক সম্পাদক এবং অনেক সাংবাদিক ভালো করেই জানতেন কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রাচীরের ভেতরে কী ঘটছে। মে মাসে অর্থাৎ, বিচার শুরু হওয়ার এক মাস আগে একটি অঘোষিত কিন্তু ভালোভাবেই বোধগম্য গোপনীয় সংবাদের সামান্য লঙ্ঘন হয়, ইত্তেফাক-এর পেছনের পাতায় এক ইঞ্চির একটি খবর ছাপা হয় ‘ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হচ্ছে?’ শিরোনামে। তৎক্ষণাৎ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ইত্তেফাক-এর সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে ডেকে পাঠায় এবং শাসিয়ে দেয়, আবারও যদি এই চেষ্টা করা হয়, তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।
সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করে দিয়ে ১৮ জুন বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর সরকার এ মামলার ব্যাপারে একটি সরকারি বিবৃতি প্রকাশের জন্য পত্রিকাগুলোকে নির্দেশ দেয়, এর বেশি কিছু নয়। বাংলাদেশ অবজারভার ও অন্যান্য পত্রিকায় ব্যানার শিরোনামে তাহেরের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা ছাপা হয়। এটা ছিল বাংলা প্রচারমাধ্যমে এ-সম্পর্কিত প্রথম সংবাদ, যা প্রকাশিত হয় বিচারকাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর। অবশ্যই সেখানে আদালতে তাহেরের মর্মস্পর্শী ভাষণ অথবা আদালতের কোনো কার্যবিবরণী প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও তাহের জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, তিনি তাঁর নামে কোনো আপিল করতে চান না এবং সরকারের কাছে তাঁর কিছুই চাওয়ার নেই, তা সত্ত্বেও তাঁর আইনজীবীরা রাষ্ট্রপতি এ এম সায়েমের প্রতি দণ্ডাদেশ রদ করার আবেদন জানান। আইনজীবী আতাউর রহমান খান ও জুলমত আলী আইন বুঝতেন এবং এটিও বুঝতেন, কীভাবে তাহেরের বিচার আইনের সবচেয়ে মৌলিক সত্যকে লঙ্ঘন করেছে। তবে সে সময় তাহেরের আইনজীবীরা উপলব্ধি করতে পারেননি এই বিচারের গোপন এজেন্ডার ওই অংশটি ছিল একটি মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার ‘দ্রুত পন্থা’। সায়েম শিগগিরই এই এজেন্ডার একজন অপরিহার্য উপাদান হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেন।
অনেক সময় বলা হয়ে থাকে, আমাদের সভ্যতার প্রলেপ খুবই পাতলা। সে সময় এ এম সায়েমের ভূমিকা দেখিয়ে দিয়েছে, এটা কত বেশি পাতলা হতে পারে। সায়েম ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি। পাঁচ বছর আগে তিনি প্রাণদণ্ডার্হ শাস্তি এবং সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা একজন অভিযুক্তের অধিকার-সম্পর্কিত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সিদ্ধান্তটি লিখেছিলেন। পূর্ণচন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলায় সায়েম অভিযুক্তকে দেওয়া একটি মৃতুদণ্ডাদেশ রদ করেছিলেন। এই রায়টি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিরান্ডা সিদ্ধান্তের মতো একটি আইনগত নজিরে পরিণত হয়, যা বিচারের সম্মুখীন একজন অভিযুক্তের জন্য আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। সায়েম যুক্তি দেখিয়েছিলেন, ‘একজন অভিযুক্তের জন্য শেষ মুহূর্তে একজন আত্মপক্ষ সমর্থনকারী আইনজীবীর নিয়োগ মামলায় একজন অভিযুক্তের সঠিকভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকারকে কার্যত রদ করে।’
মণ্ডল মামলায় সায়েম লিখেছিলেন: ‘ফৌজদারি কার্যপ্রণালি বিধি প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি ফৌজদারি আদালতের সামনে আনার আগে একজন আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেয়। এই অধিকার ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য আইনজীবীর আশ্রয় নেওয়া এবং পরবর্তীকালে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য মামলা প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সুযোগ প্রদান পর্যন্ত সম্প্রসারিত। প্রাণদণ্ডার্হ অপরাধে অভিযুক্ত একজন বন্দীর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য শেষ মুহূর্তে একজন আইনজীবী নিয়োগ লিগ্যাল রিমেমবের্যান্স ম্যানুয়ালের ১২ অনুচ্ছেদের ধারাই কেবল লঙ্ঘন করে না...ওই অনুচ্ছেদের বিস্তৃত ধারাগুলোর পেছনের উদ্দেশ্যও ব্যাহত করে। এ ধরনের নিয়োগের ফলে বন্দী কার্যপ্রণালি বিধির ৩৪০ অনুচ্ছেদ দ্বারা প্রাপ্য অধিকারও অগ্রাহ্য করা হয়। এই অধিকার অগ্রাহ্য করা হলে বিচার আইনানুগ হয়নি বলে গণ্য হবে এবং নতুন করে বিচারের প্রয়োজন হবে।’
তাহের তাঁর বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত আইনজীবীর আশ্রয় নেওয়ার অনুমতি পাননি। এভাবে সায়েমের নিজের ভাষায় এ ধরনের বিচার ছিল ‘আইন অনুযায়ী নয়’। তা সত্ত্বেও সায়েম একজন বিচারক হিসেবে লিখেছিলেন, পর্যাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ছাড়া আইনের অধীনে কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে না। এখন রাষ্ট্রপতি পদে থেকে তিনি তাহেরের মৃত্যুদণ্ড পুনরায় সমর্থন করলেন। এবং দণ্ডাদেশ দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত নিলেন। এখানে সবার জন্য দেখার বিষয়টি হলো, একজন বিচারক অপরাধীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। এটা মানুষের ভণ্ডামির একটি সাধারণ উদাহরণ মাত্র। সায়েম সম্পর্কে আর কী বলার আছে, যিনি তাহেরের মৃত্যুদণ্ডের স্বীকৃতি দিয়ে সরাসরি আইন লঙ্ঘন করেছেন, যা তিনি নিজেই মণ্ডল মামলায় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন।
তাহেরের বিচারের পর প্রধান কৌঁসুলি এ টি এম আফজাল ঢাকা উচ্চ আদালতের বিচারক পদে নিয়োগ পান এবং পরে তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৬ সালে তিনি ছিলেন একজন উদ্বিগ্ন ব্যক্তি। তিনি তাঁর সহকর্মীদের কাছে দাবি করেছিলেন, মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে তিনি অন্য যে-কারও চেয়ে বেশি হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছিলেন। একজন কৌঁসুলি হিসেবে তিনি দাবি করেছেন, তিনি কখনো মৃত্যুদণ্ড চাননি। তিনি বলেছেন, এ ধরনের রায় অসম্ভব ছিল। এমন কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না, যার অধীনে তাহেরকে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু আফজাল কি রায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছিলেন অথবা এই বিয়োগান্ত ঘটনায় তাঁর ভূমিকার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন? কখনো কি তিনি প্রতিবাদ করার কথা বিবেচনা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারের চৌহদ্দির ভেতরে অনুষ্ঠিত গোপন বিচারের একটি পক্ষ হবেন না? আমরা যদি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধান বিচারপতির (যিনি ১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মে একটি দীর্ঘ ও সম্ভাবনাময় কর্মজীবনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছিলেন) ‘সাহসিকতার প্রতিকৃতি’ অথবা চরিত্রে নীতিবোধের প্রমাণ অনুসন্ধান করি, তাহলে আমরা সে ধরনের কোনো প্রমাণ খুঁজে পাব না।
এখন ৩০টি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। কী ঘটেছে আমরা সবাই জানি। আজ আমরা তাহেরের ফাঁসির ৩০তম বার্ষিকী পালন করছি। আমার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগের উচিত, প্রকাশ্যে এ ঘোষণা দেওয়া যে আবু তাহেরের বিচার ভুল ছিল এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডও ভুল ছিল। ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাইয়ের রায় ত্যাগ করা উচিত এবং এমন একটি সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করেছিল যে সরকার, তারা তাহেরের নাগরিক ও আইনগত অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘন করেছিল।
আজ আমি দুজন ব্যক্তির কথা স্মরণ করছি—বার্থোলোমিউ সাকো ও জিউসেপ্পি ভ্যানজেটি। এ দুই ইতালীয় অভিবাসী আমার দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন উন্নততর জীবনের খোঁজে। তাঁরা কোনো অপরাধ করেননি। তবে তাঁদের রাজনীতি মার্কিন কর্তৃপক্ষের পছন্দ হয়নি, ১৯২০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী ও কমিউনিস্টদের ব্যাপারে বিকারগ্রস্ত ছিল। সাকো ও ভ্যানজেটিকে একটি বিচারের পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সেই বিচারকাজে সব আইনগত মানদণ্ড সুপরিকল্পিতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছিল। তবে সে বিচার তাহেরের বিচারের মতো গোপনে হয়নি। মৃত্যুদণ্ড থামানোর জন্য ইউরোপ, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়। তার পরও দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
কয়েক দশক ধরে এই মামলা ও বিচারকাজে বেআইনি কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নানা গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর মাইকেল ডুকাকিস ওই দুই ইতালীয়র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৫০ বছর পর ১৯৭৯ সালে ঘোষণা করেন, সাকো ও ভ্যানজেটি নির্দোষ ছিলেন এবং তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। উল্লেখ্য, ম্যাসাচুসেটসেই তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। গভর্নর ডুকাকিস ঘোষণা করেছেন, প্রতিবছর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার দিনটিকে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্য ‘সাকো ও ভ্যানজেটি স্মরণ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে।
বাংলাদেশেও সময় এসেছে একই রকমের কিছু করার। এই কাজ সুসম্পন্ন করার উপযুক্ত পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন রায় আনুষ্ঠানিকভাবে উল্টে দেওয়া এবং এই মর্মে একটি সরকারি স্বীকৃতি যে আবু তাহেরের তথাকথিত পুরো বিচার ছিল যথাযথ আইনগত কার্যপ্রণালির এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
অতীতে ঘটে যাওয়া একটি অপরাধ সঠিকভাবে সংশোধন করা বেশ কঠিন। যা-ই করা হোক না কেন, তা কখনো যথেষ্ট হবে না। একটি জীবন কখনো ফিরিয়ে আনা যায় না। প্রতিদিন বাবার উপস্থিতি ছাড়া তিনটি শিশুর বেড়ে ওঠা কিংবা একজন অল্পবয়সী নারীর জীবনের বসন্তকালে স্বামীকে হারানোর অভিজ্ঞতা ‘প্রতিকারের’ কোনো উপায় নেই। এ ধরনের মনের ভেতরের ব্যাপারগুলো খুব বেশি প্রতিকারযোগ্য নয়। যা করা যেতে পারে তা খুবই যৎসামান্য: কর্তৃপক্ষের স্বীকার করে নেওয়া যে একটি দুঃখজনক ও ভুল কাজ হয়েছে। ন্যায়বিচারের জন্য এটা খুবই ন্যূনতম প্রয়োজন।
অবশ্যই হাজার হাজার হূদয়বিদারক ঘটনা আছে, যেগুলোর প্রতি সারা বিশ্বে সামান্যই মনোযোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও কারাগারে মৃত্যু ও সংক্ষিপ্ত বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলো ঘটেছে ১৯৭৫, ১৯৭৭ ও ১৯৮১ সালে। এগুলোর প্রতিও সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। আজ তাহেরের ঘটনার প্রতি আমরা দৃষ্টি নিবদ্ধ করলেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্যান্য ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দায়িত্বকেও খাটো করে দেখা উচিত নয়। হয়তো বা এ ক্ষেত্রে সাফল্য ১৯৭০-এর দশকের পর ঘটে যাওয়া হেফাজতে বহু মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নে ও সরকারি ব্যাখ্যা প্রদানে সহায়ক হবে।
আশা করা যায়, আর্জেন্টিনা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো একদিন বাংলাদেশেও একটি জাতীয় কমিশন গঠিত হবে এবং তা কারাগারে মৃত্যুর বহু ঘটনার দিকে ক্রমান্বয়ে দৃষ্টি দেবে, যেখানে সংক্ষিপ্ত বিচারের ফলে সংক্ষিপ্ত সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। আর্জেন্টিনার কমিশন ‘নুনকা মাস’ বা ‘আর কখনো নয়’ নামে একটি উল্লেখযোগ্য রিপোর্ট তৈরি করেছে। এ রিপোর্টের অভিঘাত এমন এক সমাজে আইনের শাসন পুনরুদ্ধারে সহায়ক হয়েছে, যে সমাজ হেফাজতে হাজার হাজার অন্তর্ধান ও মৃত্যুর কারণে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রয়োজন তার অতীতের ঘটনার ব্যাপারে এ ধরনের একটি হিসাব-নিকাশ করা। অনেক ঘটনার মধ্যে মাত্র কয়েকটির উল্লেখ করছি, যেগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত: ১৯৭৫ সালে তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর সহকর্মীদের মৃত্যু, ১৯৭৭ সালে সারা দেশের কারাগারগুলোতে গোপনে ৪০০-এরও বেশি সেনার মৃত্যুদণ্ড, ১৯৮১ সালে সেনা হেফাজতে জেনারেল মনজুরের মৃত্যু এবং ১৯৮১ সালে সামরিক বাহিনীর ১৩ কর্মকর্তার গোপন বিচার ও মৃত্যুদণ্ড। তাহেরের মামলার ন্যায়বিচারের আহ্বান কোনো নির্দিষ্ট দল বা নির্দিষ্ট সরকারের প্রতি নয়। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, তাদের উচিত তাহেরের মামলার রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করা।
আজ আমি খালেদা জিয়ার প্রতি তাঁর বিবেক সন্ধানের অনুরোধ করছি। কারণ, যাঁরা ক্ষমতার পথে অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়েছেন, তাঁরা ‘বিবেক’ নামে পরিচিত ওই মিটমিটে আলোর সন্ধান পেতে সক্ষম হতে পারেন। আমি বিশ্বাস করি, মহাত্মা গান্ধী ও হেনরি ডেভিড থরো (মার্কিন লেখক, যাঁর দ্বারা গান্ধী অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন) একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সঠিক ছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করতেন, কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কোনো জটিল বিষয় বাছাই করতে মানুষের নৈতিক শক্তির অভাব থাকতে পারে। তার পরও তাঁদের একটি বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, শেষ পর্যন্ত তাঁদের পছন্দটি নৈতিক বলে বিবেচিত হোক বা না-হোক।
এই পরিস্থিতিতে লক্ষণীয় হলো, খালেদা জিয়া একসময় আবু তাহেরকে একজন পারিবারিক বন্ধু হিসেবে গণ্য করতেন। তাহের তাঁর বাসায় বেড়াতে গেছেন এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সকালে জিয়া যখন জীবন নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন, তখন তাহেরকেই ডেকেছিলেন। জিয়া জানতেন, উদ্ধারের জন্য তাহের ঠিক কাদের নিয়ে আসবেন। খালেদা দেখেছেন, তাহের আর তাঁর সহযোগীরা জেনারেল জিয়াকে মুক্ত করেছেন। এরপর জিয়া বহু সেনার সামনে তাহেরকে তাঁর জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আজ তাহেরের ফাঁসির ৩০তম বার্ষিকী। যে প্রক্রিয়ায় তাহেরের বিচার হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কখনো প্রকাশ্যে সে প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন দিতে পারেন—এ ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। এটা মানুষের কোনো ভদ্রতার মধ্যেই পড়ে না। একজন ব্যক্তি হিসেবে এটা স্বীকার করে নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে যে তাহেরের বিচার এবং বিচারের প্রক্রিয়া পুরোপুরি ভুল, এমনকি অবৈধ ছিল। যদি তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তিনি বলতে পারেন, ন্যায়বিচার প্রয়োজন, যা রায়কে উল্টে দেবে এবং অতীতের ভুল স্বীকার করে নিতে হবে। এর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
এমনটি যে ঘটবে সে ব্যাপারে আমি আশাবাদী নই এবং মোহগ্রস্তও নই। তবে একজন লেখক হিসেবে এটা তুলে ধরা এবং পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি উত্থাপন করার অধিকার আমার আছে। থরো বিশ্বাস করতেন, মানুষ অনেক দেরিতে হলেও তাঁদের আগের কোনো প্রতিকূল ধারণা ত্যাগ করতে বা অতীতের ভুল উপলব্ধি করতে পারেন, এতে কোনো বাধা নেই। তবে এটা তাঁদের জন্য খুবই বিরল ঘটনা। যদিও এটা তাঁদের পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপার।
আমার নিজের মত হলো, ভবিষ্যতে কোনো সরকার এ বিষয়ে নৈতিক ও নীতিগত পন্থায় ভূমিকা রাখবে। যে পর্যন্ত না তাহেরের মামলার রায় উল্টে যাচ্ছে, সে পর্যন্ত আমাদের বিরাম নেই। আমার বন্ধুরা, এটা ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।
২০০৬ সালের ২১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রদত্ত বক্তৃতা, ইংরেজি থেকে অনূদিত।
লরেন্স লিফশুলজ: প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1345)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 30
(122)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘জীবন থেকে নেয়া’ মৃত্যুর গল্প by এম এ...
- মেহেরজান-বিনির্মাণের বিপত্তি ও জাতীয়তাবাদী আবেগ by...
- বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস-দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার by মা...
- অভিবাসী শ্রমিক-প্রবাসীদের দুঃখগাথা প্রধানমন্ত্রী শ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির উল্ট...
- পৃথক মন্ত্রণালয় করুন, উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নিন-উপ...
- খুন-ডাকাতির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও বিচার হতে হবে-আইনশ...
- স্মরণ-বিস্মৃতিতে হারিয়ে যাবেন না মহেশচন্দ্র রায় by...
- অনৈতিকতা-দেশে-বিদেশে প্রতারণার রকমফের by আবদুল মান...
- জনদুর্ভোগ-অটোরিকশাচালকদের দৌরাত্ম্য চলছেই by চিররঞ...
- পাকিস্তান-সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘পাকিস্তানি কায়দার...
- কালের পুরাণ-আসন কমল, বাঁচল গণতন্ত্র! by সোহরাব হাসান
- হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে-পণ্ড শি...
- নতুন জনপ্রতিনিধি নিয়ে সংসদে যাবে কি বিএনপি?-সফল উপ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-সংগীতগুরুর প্রয়াণে by দিঠি হাসনাত
- খোলা চোখে-দিন বদল হয় যেভাবে by হাসান ফেরদৌস
- স্মৃতি-যে তাহেরকে আমি জানতাম by লরেন্স লিফশুলজ
- পর্যবেক্ষণ-কর্নেল তাহেরের বিচার: একটি সতর্ক ভাবনা ...
- কর্মস্থলে বর্বরতার সব চিহ্ন মুছে ফেলা চাই-এখনো গেল...
- পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের বিকল্প নেই-রাষ্ট্রায়ত্ত ...
- স্মরণ-কিবরিয়া ভাইকে মনে পড়ে by শাহ মোহাম্মদ ইমাম ম...
- দূরদেশ-তিউনিসিয়া: শেষ দৃশ্য মঞ্চায়নের অপেক্ষা by আ...
- আড়িয়ল বিল-নিজভূমে বাস্তুহারা করবেন না by এস এম মুজ...
- শিক্ষক-রাজনীতি-মেধাবিকাশ ও মেধাবিনাশের তীর্থভূমি! ...
- দুর্নীতি দমন-কাগুজে বাঘের হুংকারে আর লাভ হবে না by...
- মানব পাচার-মানুষের মূল্য কত by মশিউল আলম
- জনস্বাস্থ্যের হুমকি দূর করুন, সুপেয় পানি সহজলভ্য ক...
- নিয়ম রক্ষা নয়, কার্যকর ভূমিকা রাখুন-সংসদ ও বিরোধী দল
- নাট্যজনের নাট্যকর্ম by মান্নান হীরা
- পর্যটন-অবহেলায় পড়ে থাকা বিপুল সম্ভাবনা by অভয় প্রক...
- রব্বানি হত্যাকাণ্ড-আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় বড় আঘাত...
- পকেটমার! by নোআয়ার হোসেন
- মাদক-সর্বগ্রাসী আত্মবিধ্বংসী উপাদান by তাজনাহার না...
- সুশাসন-সংসদ সদস্য আচরণ আইন প্রণয়ন জরুরি by বদিউল আ...
- মেঘনায় আতঙ্ক-জলদস্যু নয়, মাছের অভয়ারণ্য হোক
- হরতাল-অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচি
- চারদিক-রংপুর পুলিশ লাইন স্কুলের ২৫ বছর by নাজমুল হ...
- চলচ্চিত্র-‘মেহেরজান’ যা বলতে চেয়েছে by রুবাইয়াত হোসেন
- কথ্য ভাষা-ভাষার মাস আসার আগে by উম্মে মুসলিমা
- দারিদ্র্য-ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সমস্যা কোথায়? by ম...
- মেহেরজান-মুক্তিযুদ্ধ ও নারীর প্রতি অবমাননার ছবি
- ভূত তাড়ানোর সরিষায় ভূতের আলামত!-দুদক কর্মকর্তার ‘দ...
- সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলতে হবে-২৭ জানুয়ারির উপনির্বাচন
- জন্মদিন-মধুসূদনের অন্তিম দিনগুলি by কাজী শওকত শাহী
- গণতন্ত্র-তিউনিসিয়া: মানুষ কখন বিদ্রোহ করে by ফারুক...
- সরকারের দুই বছর-পাহাড়িদের অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস by ইল...
- বিশ্বায়ন-কে দেখবে অভিবাসী শ্রমিকের মানবাধিকার by জ...
- বাঘা তেঁতুল-জেলের ভাত by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-বাংলাদেশ যদি চলতে চায় by আনিসুল হক
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দখলদারমুক্ত করুন-অপ্রতিরোধ্য ...
- সরকারের পদক্ষেপ যেন অর্থবহ হয়-শেয়ারবাজারে গতি ফেরানো
- শীতের সকালে টেলিভিশন by জিনিয়া জাহীন
- জনসেবা by আয়শা দেওয়ান
- প্রটেকশন by সোহেল নওরোজ
- শীত নিয়ে কৌতুক by প্রাপ্তি
- এ সংখ্যা শুধুই আপনাদের-শীত!
- চারদিক-একটি পাঠাগার এবং... by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- ফিরে দেখা-ঊনসত্তরের মহান গণ-অভ্যুত্থানের কথা by তো...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-পুনশ্চ বুদ্ধিদীপ্ত রসিকতা by আতাউ...
- দিল্লির চিঠি-ভুল থেকে শিক্ষা নেয়নি ভারত by কুলদীপ ...
- দাহকালের কথা-সূচক by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- কালের পুরাণ-হলুদ কার্ড, লাল কার্ড ও সংসদবিমুখ বিএন...
- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা দুঃখজনক-দশ লাখ ট...
- বাংলাবান্ধার বন্ধন সুদৃঢ় হোক-দ্বিপক্ষীয় স্থলবন্দর ...
- গন্তব্য ঢাকা-খাট্টা গ্রামের মিঠা মানুষটির গল্প by ...
- জ্বালানি-কোটি টাকার গ্যাস হারিয়ে কাঠগড়ায় বাংলাদেশ ...
- পানি ব্যবস্থাপনা-ঢাকার নদী-খাল সংরক্ষণের দায়িত্ব ক...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-কেন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিশ্বমন্দা চলতে থাকলে আমাদের অবস্...
- অস্ত্র নয়, সুস্থ রাজনীতিই পারে সমস্যার সমাধান করতে...
- ইজতেমা বিশ্বমানবতার কল্যাণ ও শান্তির প্রেরণা-আখেরি...
- আমরাও একমত
- হায় নিধিরাম! by জয় প্রকাশ
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-বিড়াল অন্ধকারে কীভাবে দেখে? by আব্দুল কাইয়ুম
- কর্তৃপক্ষ ভাবছে কী?-সম্ভাবনা ও অর্জনের গুম
- চারদিক-তৃপ্তি হোটেল কখনো বন্ধ হয় না by ফারুখ আহমেদ
- অভিমত-নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা কতটা যুক্তিযুক্ত? by ম...
- অর্থনীতি-জনতুষ্টি বনাম দুর্ভোগের বাজেট by জাফর আহম...
- আন্তর্জাতিক পানি আইন-বাংলাদেশ নীতিগত অনুমোদন দিচ্ছ...
- পাঠকের মন্তব্য-ঘোর অন্ধকারে এতটুকু আলো!
- পুলিশে পদোন্নতির একটি খারাপ দৃষ্টান্ত-মারলে পুরস্ক...
- এই ধ্বংসপ্রক্রিয়া এখনই থামান-বুয়েট ও জাহাঙ্গীরনগর ...
- জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার
- হরতালবিরোধী রিটের শুনানি হয়নি হরতালের কারণেই
- সচিবালয়ে বিস্ফোরণ
- আজও সারা দেশে হরতাল
- হরতালে ঢাকায় ২৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ৬ যানবাহনে আগুন, ...
- টেন্ডার নিয়ে ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের গোলাগুলি-দুইজন ...
- রাজনীতিই গুরুত্ব পাবে হিলারির সফরে-টিকফা অনিশ্চিত,...
- ব্যর্থতায়, চাপে র্যাব-পুলিশ by পারভেজ খান
- যত মাসুল দেশবাসীর by রাজীব আহমেদ
- কৃষকের মাথায় হাত-কবে নির্ধারণ হবে ধানের দাম
- 'এশিয়ান টাইগার'-এর সামনে দুর্দিন
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষ আদিতে একটাই জাতি ছিল, পরে...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সা...
- লেডিস ক্লাবের ফওজিয়া সামাদ by সালাম মাহমুদ
- সংস্কৃতি-রবীন্দ্রনাথের উত্তরাধিকার by অমিত বসু
- সমকালীন প্রসঙ্গ-ক্ষতি কিন্তু ক্ষমতাসীন দলেরই by বদ...
- অতিপ্রাকৃতিক নির্বাচন প্রক্রিয়া by শেখ রোকন
- এই সমাজ-তাহলে '৭১-এর কী প্রয়োজন ছিল? by এএন রাশেদা
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রা...
- নরওয়ে হত্যাকাণ্ড-শান্তির দ্বীপে বিভীষিকা
- অস্থির বাজার-মূল্য সহনশীল করতেই হবে
- জালিস হাজির-পাকিস্তান পিপলস পার্টির পথে কাঁটা
- চরাচর-গুরুদুয়ারা নানক শাহী by আলম শাইন
- হরতালের নেতিবাচক প্রভাব by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- নিত্যজাতম্-লোম বাছতে কম্বল উজাড় by মহসীন হাবিব
- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদদের রাজনীতি by ড. খুরশীদা...
- এ নৃশংস হত্যার বিচার হতে হবে
- উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থ ফেরত
- চরাচর-বিশ্ব ধরিত্রী দিবস by তামান্না ইসলাম অলি
- আলোকের এই ধরনাধারায় (পর্ব-২১)-নতুন দেশে তাঁর ঠাই হ...
- ধান কাটা থেকে ঘরে তোলা পর্যন্ত ক্ষতির হিসাব by ড. ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- কয়েকটি স্থানে সংঘর্ষ, হামলা, ১৮৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্...
- গুম থেকে বাঁচার উপায়
- মানুষের কথা-গরিবর মরণর পালা শুরু অইছে’ by আকমল হোসেন
- হিলারির সফরে নতুন মাত্রার প্রত্যাশা-আন্তর্জাতিক সম...
- কৃষকেরা দাম পান না, ক্রেতারাও ঠকছেন by শওকত হোসেন
- ইলিয়াস আলীকে জীবিত পাওয়া নিয়ে সংশয়
- আমি এখন উত্তেজনার মধ্যে আছিঃ মোনালিসা by অনন্যা আশরাফ
-
▼
Apr 30
(122)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
জোহরান মামদানি
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment