Monday, April 30, 2012
দূরদেশ-তিউনিসিয়া: শেষ দৃশ্য মঞ্চায়নের অপেক্ষা by আলী রীয়াজ
দূরদেশ-তিউনিসিয়া: শেষ দৃশ্য মঞ্চায়নের অপেক্ষা by আলী রীয়াজ
তিউনিসিয়ার গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপরম্পরা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। জনরোষের মুখে দেশের প্রেসিডেন্ট জয়নুল আবেদিন বেন আলী সপরিবারে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হলেও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিবর্তন ঘটেনি। ২৩ বছর ধরে চলা স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের সুবিধাভোগী দল ও ব্যক্তিরা ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার চেষ্টা করছেন।
তিউনিসিয়ার এই অকস্মাৎ গণ-অভ্যুত্থানের পর সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে সাংবাদিক ও বিশ্লেষকেরা বলতে শুরু করেছেন, উত্তর আফ্রিকা ও আরব বিশ্বে একনায়কী বা একদলীয় শাসনের মৃত্যুঘণ্টা বেজে উঠেছে। এই বিপ্লব এখন ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়বে বলে তাঁদের আশা। আশা এই যে, এ ঘটনার পর এই অঞ্চলের শাসকেরা শিক্ষা নেবেন এবং গণতন্ত্রের সুবাতাস বইতে শুরু করবে। আলজেরিয়া ও মিসরে ছোট আকারে হলেও একই ধরনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের কারণে এ ধরনের মন্তব্যকে মনে হচ্ছে বাস্তবসম্মত। কিন্তু তিউনিসিয়ার অভ্যুত্থানের শেষ দৃশ্য এখনো মঞ্চায়িত হয়নি বলে বাছবিচারহীনভাবে এ ধরনের আশাবাদীদের মিছিলে শরিক না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।
উত্তর আফ্রিকার অন্য আরেকটি দেশ, তিউনিসিয়ার প্রতিবেশী আলজেরিয়াতে ১৯৮৮ সালে একই ধরনের বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে সে দেশে গণতন্ত্রায়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। দ্রুত গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে টানাপোড়েনের সূচনা করে। ক্ষমতার ভেতরে ও বাইরে যেসব সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি ছিল তাদের দ্বন্দ্ব ও সংঘাত, ইসলামপন্থীদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পটভূমিকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে। এই নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের আসন্ন বিজয় মোকাবিলা করতে ঘটে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ। তার পরিস্থিতি কিন্তু দেশটির জন্য শুভ হয়নি। এক দশক ধরে চলা গৃহযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে আরেক ধরনের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আলজেরিয়ার মানুষের গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি দুই দশক পরও।
আলজেরিয়ার ঘটনাপ্রবাহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনার উদ্দেশ্য একটাই—কোনো দেশের গণতন্ত্রায়নের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়। দেশের ভেতরে যে শক্তি আছে তাদের দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও ভারসাম্যই নির্ধারণ করে দেশটি কোন পথে অগ্রসর হবে। তিউনিসিয়ার ঘটনার পর যাঁরা রাতারাতি একটি গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থার আশা করছেন, তাঁরা বোধ করি আরেকটু অপেক্ষা করলে ভালো করবেন। তিউনিসিয়ার অতীত ইতিহাসও বলে, তিউনিসিয়ার জনগণ এর আগেও বিক্ষোভ করেছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ১৯৭৮ সালের জানুয়ারি মাসের বিক্ষোভের পর দেশের রাজনীতিতে একধরনের বহুদলীয় ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৮১ সালে, ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে বিক্ষোভ হয়েছে, ১৯৮৬-৮৭ সালে ঘটেছে শ্রমিক বিক্ষোভ, ১৯৯০ সালের শেষ পর্যায়ে ক্ষমতাসীন সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক র্যাালির (ফরাসি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী আরসিডি) কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। অনেকেরই জানা আছে, দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হাবীব বরগুইবার কাছ থেকে ১৯৮৭ সালে বেন আলী রক্তপাতহীন প্রাসাদ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা নিয়েছিলেন পরিবর্তন ও গণতন্ত্রায়ণের প্রতিশ্রুতি দিয়েই। সাধারণ মানুষও তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিল। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালেও দেশের বিভিন্ন শহরে সহিংসতা ও বিক্ষোভ সংঘটিত হয়। এসব ঘটনার পরিণতিতে তিউনিসিয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়নি। তবে এসব অভিজ্ঞতায় তিউনিসিয়ার মানুষ সমৃদ্ধ হয়েছে এবং সে কারণেই বেন আলীর দেশত্যাগের পর যেনতেন প্রকারে একটা ‘পরিবর্তন’ দেখানোর চেষ্টাকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। বড় ধরনের পরিবর্তনের আসার জায়গাটা এখানেই। কিন্তু গোটা রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা ও সমস্যা বুঝতে হলে তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক শক্তিগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। তিউনিসিয়ায় কার্যত একদলীয় ব্যবস্থা চলেছে দেশটির স্বাধীনতার পর থেকেই। ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত হাবীব বরগুইবা এক ব্যক্তিশাসন প্রত্যক্ষ করেছে তিউনিসিয়া, তার পরের ২৩ বছর চলেছে বেন আলীর শাসন। দলগতভাবে আরসিডিই ক্ষমতায় থেকেছে। ১৯৮১ ও ১৯৮৯ সালে দুই দফায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে কয়েকটি সরকার-সমর্থক দলকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ফলে তিউনিসিয়ায় কখনোই প্রকৃত সরকারবিরোধী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠেনি। একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে ইসলামপন্থী একটি দল। এ অবস্থায় দেশের রাজনীতিতে সক্রিয়, জনগণের কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য কোনো নেতা বা দল সেখানে অনুপস্থিত।
তিউনিসিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এমন শক্তি রয়েছে চারটি। প্রথম এত দিনকার ক্ষমতাসীন আরসিডি, দ্বিতীয় দেশের সেনাবাহিনী, তৃতীয় জেনারেল ইউনিয়ন অব তিউনিসিয়ান ওয়ার্কার্স (ইউজিটিটি) এবং চতুর্থ দেশের ইসলামপন্থী দল হেজব-আল-নাহাদা (পুনর্জাগরণের দল)। আরসিডি এ মুহূর্তে জনরোষের মুখে থাকলেও ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে ৫০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ও সুবিধাভোগীর সংখ্যা কম নয়। ইকোনমিস্ট পত্রিকার ভাষ্য ধরে বলতে পারি, আলী বাবা নেই, কিন্তু চল্লিশ চোরের কী হবে? এই দল ও তার অনুসারীরা পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেয়ে এসেছে এই যুক্তিতে যে তারা তিউনিসিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে, শিক্ষার প্রসার ও নারীর অধিকার সমুন্নত রেখেছে, ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা চালু রেখেছে। সর্বোপরি দেশে ইসলামি চরমপন্থী মোকাবিলায় সাফল্য দেখিয়েছে। এসব যুক্তির পেছনে সত্যতা নেই, তা নয়; তবে তার পাশাপাশি এটাও বলা দরকার, এর কিছু কিছু সরকারি অতিরঞ্জিত প্রচারণাও বটে। পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন যে তার পরও বেন আলীর সরকার ও তাঁর পরিবারের দুর্নীতি নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিল, উইকিলিকসের কল্যাণে আমরা তাও জানি। এখন পর্যন্ত তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেনি। বেন আলী তাঁর শাসনামলে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেশি নির্ভর করেছেন তাঁর তৈরি করা মিলিশিয়া বাহিনীর ওপর। ডিসেম্বর মাসে দেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর সেনাবাহিনী কার্যত বেন আলী সরকারকে সমর্থন জোগায়নি। তারা বিক্ষোভ মিছিলে গুলিবর্ষণে অস্বীকার করে, যখন মিলিশিয়া সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছিলেন, তখন তারা ঘোষণা করে যে জনসাধারণ যেন সরাসরি সেনাবাহিনীকে এ ধরনের ঘটনা জানায়; বেন আলী সেনাবাহিনীর ওপর এতটাই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন যে দেশত্যাগের আগে সেনাবাহিনীর প্রধানকে পদচ্যুত করেন। তিউনিসিয়ার রাজধানীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী জনগণের পাশাপাশি থেকেছে। এসব থেকে বোঝা যায়, সেনাবাহিনী এই পরিবর্তনের সময় দর্শক হতে রাজি নয়। প্রশ্ন হচ্ছে, ভবিষ্যতে তারা কী ভূমিকা পালন করবে। আলজেরিয়ায় ১৯৯১ সালে সেনাবাহিনী যখন ক্ষমতার পথে পা বাড়িয়েছিল, তখন তারা প্রথম নির্বাসিত ভিন্ন মতাবলম্বী মোহাম্মদ বউদিয়াফকে প্রথম ক্ষমতায় বসিয়েছিল। বউদিয়াফ আততায়ীর হাতে নিহত হলে সেনাবাহিনী সরাসরি ক্ষমতা গ্রহণ করে।
তিউনিসিয়ার তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হলো দেশের একমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন-ইউজিটিটি। সংগঠনটির ইতিহাস দীর্ঘ হলেও গত ৫৪ বছরে তাদের ভূমিকায় রয়েছে উত্থান-পতন। ১৯৭৮ সালে দেশে প্রথম বড় ধরনের বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিল ইউজিটিটি। সে জন্য তাদের বড় ধরনের ক্ষতি স্বীকার করতে হয়—৫০ জন কর্মী নিহত হন, মহাসচিবসহ ২০০ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন। মহাসচিব হাবীব আকর দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ১৯৮০ সালে প্রেসিডেন্ট তাঁকে ক্ষমা প্রদান করেন এবং তিনি মুক্তি পান। ১৯৮১ সালের নির্বাচনে ইউজিটিটি যে ফ্রন্ট গঠন করে তার শরিক ছিল তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল। শুধু তা-ই নয়, সংগঠনটি সেই থেকে ক্ষমতাসীনদের সমর্থনই জুুগিয়েছে। দেশের একমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন হিসেবে তাদের স্বীকৃতি থেকেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ানিস্ট ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (ইউডিইউ) গঠিত হলে ইউজিটিটি তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু জানুয়ারি মাসে গণ-আন্দোলন শুরু হলে ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা তাকে সমর্থন দেননি। যখন বিক্ষোভকারীদের ওপর রাজপথে পুলিশি হামলা চলছিল, ইউজিটিটির নেতারা তখনো বেন আলীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বেন আলী দেশত্যাগ করার পর ‘ঐক্য সরকার’-এ তাঁরা যোগ দিতে রাজি হন। পরে তাঁদের তিন সদস্যই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে ইউজিটিটি-ট্রেড ইউনিয়ন হলেও তাদের আদর্শিক অবস্থান রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থা বদলের অনুকূল কি না, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। দেশের রাজনীতির চতুর্থ শক্তি হচ্ছে একমাত্র ইসলামপন্থী দল হেজব-আল-নাহাদা। এর নেতা রাশিদ আল ঘানুুশি, যিনি দীর্ঘদিন লন্ডনে নির্বাসিত জীবন যাপন করেন।
তিউনিসিয়ায় ইসলামপন্থী সংগঠনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইসলামি প্রবণতা আন্দোলনকে (ফরাসি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী, যা এমটিআই বলে পরিচিত)। ১৯৮১ সালে এর যাত্রা শুরু। এই সংগঠনের নেতারা দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজজীবনে ইসলামি আদর্শের বাস্তবায়নের দাবি জানান, শরিয়া আইন প্রচলনের জন্য তাঁরা হাবীব বরগুইবার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং অভিযোগ করেন যে ইসলামি দেশগুলো পশ্চিমা বিশ্বের সাংস্কৃতিক উপনিবেশবাদের শিকার হয়েছে। সরকার অভিযোগ করে, দলটি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। এই দলের নেতৃস্থানীয় ইমামরা উত্তেজনাকর বক্তব্য দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
১৯৮১ সালে রাশিদ আল ঘানুশি ও এমটিআইর নেতাদের আটক করা হয় এই অভিযোগে যে তাঁরা দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা মামলার রায়ে রাশিদ ঘানুশিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এমটিআই ও ঘানুশির কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে সরকার সমালোচনার মুখোমুখি হয়। ১৯৮৪ সালে ঘানুশিকে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। এমটিআইর অনেক নেতা তখন কারাগারে আটক থাকলেও ঘানুশির মুক্তির পর দল আবারও সংগঠিত হতে শুরু করে।
তিন বছর পর দেশে আবার অস্থিরতার সূচনা হয়। কয়েকটি বোমাবাজির ঘটনা ছাড়াও সরকার দাবি করে, ইসলামপন্থী দল ও গোষ্ঠী সরকার উৎখাত করতে ষড়যন্ত্র করছে। সরকার আবার এমটিআই এবং তার নেতা রাশিদ আল ঘানুশির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এমটিআইর বিরুদ্ধে আনা মামলায় মোট ৫৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলায় সাতজনকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়, ১৩ জন খালাস পান এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়। রাশিদ আল ঘানুশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
মামলার রায়ে হাবীব বরগুইবা কেবল অসন্তুষ্টই ছিলেন না, তিনি জোর দেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বিচারের মুখোমুখি করা হোক। তিনি মনে করেন, ইসলামপন্থী নেতাদের যথেষ্ট কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে, রাশিদ আল ঘানুশিকে মৃত্যুদণ্ড না দেওয়ায় তিনি আদালতের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এই রায় নিয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ভেতরে মতপার্থক্য তুঙ্গে ওঠে। হাবীব বরগুইবার ঘনিষ্ঠজনেরা তখন অভিযোগ করেন, তিনি প্রেসিডেন্ট থাকার মতো শারীরিকভাবে সুস্থ নন। এই পটভূমিকাতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জয়নুল আবেদিন বেন আলী হাবীব বরগুইবাকে সরিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন ১৯৮৭ সালে।
১৯৮৯ সালে বেন আলী সীমিত আকারে বহুদলীয় পদ্ধতি চালু করলে সাবেক এমটিআই নেতারা দল পুনর্গঠন করেন এবং এর নাম দেন হেজব-আল-নাহাদা। এর আগে ১৯৮৮ সালে রাশিদ ঘানুশিকে মুক্তি দেওয়া হয়। হেজব-আল-নাহাদা ও এর ছাত্রসংগঠনকে কাজ করতে দেওয়া হলেও ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে তাদের দলগতভাবে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি, কেননা জাতীয় ঐকমত্যের যে চুক্তি হয়, তাতে ধর্মকে রাজনীতির বাইরে রাখতে সব দলই অঙ্গীকার করে। নির্বাচনে হেজব-আল-নাহাদার সমর্থকেরা নির্দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কমপক্ষে ১৫ শতাংশ ভোট পান। কোনো কোনো এলাকায় তাঁরা ৩০ শতাংশ ভোটও পান।
১৯৯০ ও ১৯৯১ সালে সরকার ও ইসলামপন্থীদের মধ্যে ছোট ছোট অনেক সংঘর্ষের পরিণতিতে সরকার সংগঠনটি নিষিদ্ধ করে, নেতাদের আটক করে এবং ১৯৯২ সালে তাদের সামরিক আদালতে বিচার করে। হেজব-আল-নাহাদার নেতারা তাঁদের সাজার মেয়াদ পূর্ণ করেন কিংবা সরকারি অনুকম্পার কারণে ২০০৪ সালের মধ্যে মুক্তি লাভ করেন। কিন্তু দলটি অনেকাংশেই দুর্বল হয়ে পড়ে। বিগত বছরগুলোতে দলের কার্যক্রমে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে। তিউনিসিয়া থেকে পাওয়া কোনো কোনো খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানে দলের কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন।
দেশের এই চারটি রাজনৈতিক শক্তিকেন্দ্রকে ঘিরে ছোটখাটো দল আছে, আছে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা। গণতন্ত্রকামী ও পরিবর্তনপ্রত্যাশী মানুষের আশাও ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু সব মিলিয়ে এই দলগুলোর মধ্যকার শক্তির ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করবে তিউনিসিয়ার ভবিষ্যৎ কী। তিউনিসিয়ার এই গণ-অভ্যুত্থান যাঁদের আশাবাদী করে তুলেছে, তাঁদের অনেকে এই শঙ্কাকে ঝেড়ে ফেলতে পারছেন না যে পরিবর্তনের বদলে কেবল জোড়াতালি দিয়ে পুরোনো ব্যবস্থাই চালু থাকবে। পুরোনো ব্যবস্থার ইতিবাচক দিকগুলো বহাল রেখে মানুষের রুটি-রুজির সমস্যার সমাধান ও গণতন্ত্রের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে কি না, তা দেখার জন্য অনেকেই অপেক্ষমাণ।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
উত্তর আফ্রিকার অন্য আরেকটি দেশ, তিউনিসিয়ার প্রতিবেশী আলজেরিয়াতে ১৯৮৮ সালে একই ধরনের বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে সে দেশে গণতন্ত্রায়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। দ্রুত গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে টানাপোড়েনের সূচনা করে। ক্ষমতার ভেতরে ও বাইরে যেসব সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি ছিল তাদের দ্বন্দ্ব ও সংঘাত, ইসলামপন্থীদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পটভূমিকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯২ সালে। এই নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের আসন্ন বিজয় মোকাবিলা করতে ঘটে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ। তার পরিস্থিতি কিন্তু দেশটির জন্য শুভ হয়নি। এক দশক ধরে চলা গৃহযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে আরেক ধরনের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আলজেরিয়ার মানুষের গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি দুই দশক পরও।
আলজেরিয়ার ঘটনাপ্রবাহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনার উদ্দেশ্য একটাই—কোনো দেশের গণতন্ত্রায়নের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়। দেশের ভেতরে যে শক্তি আছে তাদের দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও ভারসাম্যই নির্ধারণ করে দেশটি কোন পথে অগ্রসর হবে। তিউনিসিয়ার ঘটনার পর যাঁরা রাতারাতি একটি গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থার আশা করছেন, তাঁরা বোধ করি আরেকটু অপেক্ষা করলে ভালো করবেন। তিউনিসিয়ার অতীত ইতিহাসও বলে, তিউনিসিয়ার জনগণ এর আগেও বিক্ষোভ করেছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ১৯৭৮ সালের জানুয়ারি মাসের বিক্ষোভের পর দেশের রাজনীতিতে একধরনের বহুদলীয় ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৮১ সালে, ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে বিক্ষোভ হয়েছে, ১৯৮৬-৮৭ সালে ঘটেছে শ্রমিক বিক্ষোভ, ১৯৯০ সালের শেষ পর্যায়ে ক্ষমতাসীন সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক র্যাালির (ফরাসি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী আরসিডি) কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। অনেকেরই জানা আছে, দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট হাবীব বরগুইবার কাছ থেকে ১৯৮৭ সালে বেন আলী রক্তপাতহীন প্রাসাদ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা নিয়েছিলেন পরিবর্তন ও গণতন্ত্রায়ণের প্রতিশ্রুতি দিয়েই। সাধারণ মানুষও তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিল। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালেও দেশের বিভিন্ন শহরে সহিংসতা ও বিক্ষোভ সংঘটিত হয়। এসব ঘটনার পরিণতিতে তিউনিসিয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়নি। তবে এসব অভিজ্ঞতায় তিউনিসিয়ার মানুষ সমৃদ্ধ হয়েছে এবং সে কারণেই বেন আলীর দেশত্যাগের পর যেনতেন প্রকারে একটা ‘পরিবর্তন’ দেখানোর চেষ্টাকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। বড় ধরনের পরিবর্তনের আসার জায়গাটা এখানেই। কিন্তু গোটা রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা ও সমস্যা বুঝতে হলে তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক শক্তিগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। তিউনিসিয়ায় কার্যত একদলীয় ব্যবস্থা চলেছে দেশটির স্বাধীনতার পর থেকেই। ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত হাবীব বরগুইবা এক ব্যক্তিশাসন প্রত্যক্ষ করেছে তিউনিসিয়া, তার পরের ২৩ বছর চলেছে বেন আলীর শাসন। দলগতভাবে আরসিডিই ক্ষমতায় থেকেছে। ১৯৮১ ও ১৯৮৯ সালে দুই দফায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে কয়েকটি সরকার-সমর্থক দলকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ফলে তিউনিসিয়ায় কখনোই প্রকৃত সরকারবিরোধী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠেনি। একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে ইসলামপন্থী একটি দল। এ অবস্থায় দেশের রাজনীতিতে সক্রিয়, জনগণের কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য কোনো নেতা বা দল সেখানে অনুপস্থিত।
তিউনিসিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে এমন শক্তি রয়েছে চারটি। প্রথম এত দিনকার ক্ষমতাসীন আরসিডি, দ্বিতীয় দেশের সেনাবাহিনী, তৃতীয় জেনারেল ইউনিয়ন অব তিউনিসিয়ান ওয়ার্কার্স (ইউজিটিটি) এবং চতুর্থ দেশের ইসলামপন্থী দল হেজব-আল-নাহাদা (পুনর্জাগরণের দল)। আরসিডি এ মুহূর্তে জনরোষের মুখে থাকলেও ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না যে ৫০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ও সুবিধাভোগীর সংখ্যা কম নয়। ইকোনমিস্ট পত্রিকার ভাষ্য ধরে বলতে পারি, আলী বাবা নেই, কিন্তু চল্লিশ চোরের কী হবে? এই দল ও তার অনুসারীরা পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন পেয়ে এসেছে এই যুক্তিতে যে তারা তিউনিসিয়ার অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে, শিক্ষার প্রসার ও নারীর অধিকার সমুন্নত রেখেছে, ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা চালু রেখেছে। সর্বোপরি দেশে ইসলামি চরমপন্থী মোকাবিলায় সাফল্য দেখিয়েছে। এসব যুক্তির পেছনে সত্যতা নেই, তা নয়; তবে তার পাশাপাশি এটাও বলা দরকার, এর কিছু কিছু সরকারি অতিরঞ্জিত প্রচারণাও বটে। পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন যে তার পরও বেন আলীর সরকার ও তাঁর পরিবারের দুর্নীতি নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিল, উইকিলিকসের কল্যাণে আমরা তাও জানি। এখন পর্যন্ত তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেনি। বেন আলী তাঁর শাসনামলে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেশি নির্ভর করেছেন তাঁর তৈরি করা মিলিশিয়া বাহিনীর ওপর। ডিসেম্বর মাসে দেশে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর সেনাবাহিনী কার্যত বেন আলী সরকারকে সমর্থন জোগায়নি। তারা বিক্ষোভ মিছিলে গুলিবর্ষণে অস্বীকার করে, যখন মিলিশিয়া সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছিলেন, তখন তারা ঘোষণা করে যে জনসাধারণ যেন সরাসরি সেনাবাহিনীকে এ ধরনের ঘটনা জানায়; বেন আলী সেনাবাহিনীর ওপর এতটাই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন যে দেশত্যাগের আগে সেনাবাহিনীর প্রধানকে পদচ্যুত করেন। তিউনিসিয়ার রাজধানীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী জনগণের পাশাপাশি থেকেছে। এসব থেকে বোঝা যায়, সেনাবাহিনী এই পরিবর্তনের সময় দর্শক হতে রাজি নয়। প্রশ্ন হচ্ছে, ভবিষ্যতে তারা কী ভূমিকা পালন করবে। আলজেরিয়ায় ১৯৯১ সালে সেনাবাহিনী যখন ক্ষমতার পথে পা বাড়িয়েছিল, তখন তারা প্রথম নির্বাসিত ভিন্ন মতাবলম্বী মোহাম্মদ বউদিয়াফকে প্রথম ক্ষমতায় বসিয়েছিল। বউদিয়াফ আততায়ীর হাতে নিহত হলে সেনাবাহিনী সরাসরি ক্ষমতা গ্রহণ করে।
তিউনিসিয়ার তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হলো দেশের একমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন-ইউজিটিটি। সংগঠনটির ইতিহাস দীর্ঘ হলেও গত ৫৪ বছরে তাদের ভূমিকায় রয়েছে উত্থান-পতন। ১৯৭৮ সালে দেশে প্রথম বড় ধরনের বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিল ইউজিটিটি। সে জন্য তাদের বড় ধরনের ক্ষতি স্বীকার করতে হয়—৫০ জন কর্মী নিহত হন, মহাসচিবসহ ২০০ জন নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন। মহাসচিব হাবীব আকর দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। ১৯৮০ সালে প্রেসিডেন্ট তাঁকে ক্ষমা প্রদান করেন এবং তিনি মুক্তি পান। ১৯৮১ সালের নির্বাচনে ইউজিটিটি যে ফ্রন্ট গঠন করে তার শরিক ছিল তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল। শুধু তা-ই নয়, সংগঠনটি সেই থেকে ক্ষমতাসীনদের সমর্থনই জুুগিয়েছে। দেশের একমাত্র ট্রেড ইউনিয়ন হিসেবে তাদের স্বীকৃতি থেকেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ানিস্ট ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (ইউডিইউ) গঠিত হলে ইউজিটিটি তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু জানুয়ারি মাসে গণ-আন্দোলন শুরু হলে ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা তাকে সমর্থন দেননি। যখন বিক্ষোভকারীদের ওপর রাজপথে পুলিশি হামলা চলছিল, ইউজিটিটির নেতারা তখনো বেন আলীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বেন আলী দেশত্যাগ করার পর ‘ঐক্য সরকার’-এ তাঁরা যোগ দিতে রাজি হন। পরে তাঁদের তিন সদস্যই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে ইউজিটিটি-ট্রেড ইউনিয়ন হলেও তাদের আদর্শিক অবস্থান রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থা বদলের অনুকূল কি না, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। দেশের রাজনীতির চতুর্থ শক্তি হচ্ছে একমাত্র ইসলামপন্থী দল হেজব-আল-নাহাদা। এর নেতা রাশিদ আল ঘানুুশি, যিনি দীর্ঘদিন লন্ডনে নির্বাসিত জীবন যাপন করেন।
তিউনিসিয়ায় ইসলামপন্থী সংগঠনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইসলামি প্রবণতা আন্দোলনকে (ফরাসি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী, যা এমটিআই বলে পরিচিত)। ১৯৮১ সালে এর যাত্রা শুরু। এই সংগঠনের নেতারা দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজজীবনে ইসলামি আদর্শের বাস্তবায়নের দাবি জানান, শরিয়া আইন প্রচলনের জন্য তাঁরা হাবীব বরগুইবার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং অভিযোগ করেন যে ইসলামি দেশগুলো পশ্চিমা বিশ্বের সাংস্কৃতিক উপনিবেশবাদের শিকার হয়েছে। সরকার অভিযোগ করে, দলটি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। এই দলের নেতৃস্থানীয় ইমামরা উত্তেজনাকর বক্তব্য দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
১৯৮১ সালে রাশিদ আল ঘানুশি ও এমটিআইর নেতাদের আটক করা হয় এই অভিযোগে যে তাঁরা দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা মামলার রায়ে রাশিদ ঘানুশিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এমটিআই ও ঘানুশির কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে সরকার সমালোচনার মুখোমুখি হয়। ১৯৮৪ সালে ঘানুশিকে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। এমটিআইর অনেক নেতা তখন কারাগারে আটক থাকলেও ঘানুশির মুক্তির পর দল আবারও সংগঠিত হতে শুরু করে।
তিন বছর পর দেশে আবার অস্থিরতার সূচনা হয়। কয়েকটি বোমাবাজির ঘটনা ছাড়াও সরকার দাবি করে, ইসলামপন্থী দল ও গোষ্ঠী সরকার উৎখাত করতে ষড়যন্ত্র করছে। সরকার আবার এমটিআই এবং তার নেতা রাশিদ আল ঘানুশির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এমটিআইর বিরুদ্ধে আনা মামলায় মোট ৫৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলায় সাতজনকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়, ১৩ জন খালাস পান এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়। রাশিদ আল ঘানুশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
মামলার রায়ে হাবীব বরগুইবা কেবল অসন্তুষ্টই ছিলেন না, তিনি জোর দেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বিচারের মুখোমুখি করা হোক। তিনি মনে করেন, ইসলামপন্থী নেতাদের যথেষ্ট কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে, রাশিদ আল ঘানুশিকে মৃত্যুদণ্ড না দেওয়ায় তিনি আদালতের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এই রায় নিয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ভেতরে মতপার্থক্য তুঙ্গে ওঠে। হাবীব বরগুইবার ঘনিষ্ঠজনেরা তখন অভিযোগ করেন, তিনি প্রেসিডেন্ট থাকার মতো শারীরিকভাবে সুস্থ নন। এই পটভূমিকাতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জয়নুল আবেদিন বেন আলী হাবীব বরগুইবাকে সরিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন ১৯৮৭ সালে।
১৯৮৯ সালে বেন আলী সীমিত আকারে বহুদলীয় পদ্ধতি চালু করলে সাবেক এমটিআই নেতারা দল পুনর্গঠন করেন এবং এর নাম দেন হেজব-আল-নাহাদা। এর আগে ১৯৮৮ সালে রাশিদ ঘানুশিকে মুক্তি দেওয়া হয়। হেজব-আল-নাহাদা ও এর ছাত্রসংগঠনকে কাজ করতে দেওয়া হলেও ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে তাদের দলগতভাবে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি, কেননা জাতীয় ঐকমত্যের যে চুক্তি হয়, তাতে ধর্মকে রাজনীতির বাইরে রাখতে সব দলই অঙ্গীকার করে। নির্বাচনে হেজব-আল-নাহাদার সমর্থকেরা নির্দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কমপক্ষে ১৫ শতাংশ ভোট পান। কোনো কোনো এলাকায় তাঁরা ৩০ শতাংশ ভোটও পান।
১৯৯০ ও ১৯৯১ সালে সরকার ও ইসলামপন্থীদের মধ্যে ছোট ছোট অনেক সংঘর্ষের পরিণতিতে সরকার সংগঠনটি নিষিদ্ধ করে, নেতাদের আটক করে এবং ১৯৯২ সালে তাদের সামরিক আদালতে বিচার করে। হেজব-আল-নাহাদার নেতারা তাঁদের সাজার মেয়াদ পূর্ণ করেন কিংবা সরকারি অনুকম্পার কারণে ২০০৪ সালের মধ্যে মুক্তি লাভ করেন। কিন্তু দলটি অনেকাংশেই দুর্বল হয়ে পড়ে। বিগত বছরগুলোতে দলের কার্যক্রমে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে। তিউনিসিয়া থেকে পাওয়া কোনো কোনো খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানে দলের কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছেন।
দেশের এই চারটি রাজনৈতিক শক্তিকেন্দ্রকে ঘিরে ছোটখাটো দল আছে, আছে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা। গণতন্ত্রকামী ও পরিবর্তনপ্রত্যাশী মানুষের আশাও ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু সব মিলিয়ে এই দলগুলোর মধ্যকার শক্তির ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করবে তিউনিসিয়ার ভবিষ্যৎ কী। তিউনিসিয়ার এই গণ-অভ্যুত্থান যাঁদের আশাবাদী করে তুলেছে, তাঁদের অনেকে এই শঙ্কাকে ঝেড়ে ফেলতে পারছেন না যে পরিবর্তনের বদলে কেবল জোড়াতালি দিয়ে পুরোনো ব্যবস্থাই চালু থাকবে। পুরোনো ব্যবস্থার ইতিবাচক দিকগুলো বহাল রেখে মানুষের রুটি-রুজির সমস্যার সমাধান ও গণতন্ত্রের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে কি না, তা দেখার জন্য অনেকেই অপেক্ষমাণ।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 30
(122)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-‘জীবন থেকে নেয়া’ মৃত্যুর গল্প by এম এ...
- মেহেরজান-বিনির্মাণের বিপত্তি ও জাতীয়তাবাদী আবেগ by...
- বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস-দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার by মা...
- অভিবাসী শ্রমিক-প্রবাসীদের দুঃখগাথা প্রধানমন্ত্রী শ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির উল্ট...
- পৃথক মন্ত্রণালয় করুন, উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নিন-উপ...
- খুন-ডাকাতির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও বিচার হতে হবে-আইনশ...
- স্মরণ-বিস্মৃতিতে হারিয়ে যাবেন না মহেশচন্দ্র রায় by...
- অনৈতিকতা-দেশে-বিদেশে প্রতারণার রকমফের by আবদুল মান...
- জনদুর্ভোগ-অটোরিকশাচালকদের দৌরাত্ম্য চলছেই by চিররঞ...
- পাকিস্তান-সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘পাকিস্তানি কায়দার...
- কালের পুরাণ-আসন কমল, বাঁচল গণতন্ত্র! by সোহরাব হাসান
- হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে-পণ্ড শি...
- নতুন জনপ্রতিনিধি নিয়ে সংসদে যাবে কি বিএনপি?-সফল উপ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-সংগীতগুরুর প্রয়াণে by দিঠি হাসনাত
- খোলা চোখে-দিন বদল হয় যেভাবে by হাসান ফেরদৌস
- স্মৃতি-যে তাহেরকে আমি জানতাম by লরেন্স লিফশুলজ
- পর্যবেক্ষণ-কর্নেল তাহেরের বিচার: একটি সতর্ক ভাবনা ...
- কর্মস্থলে বর্বরতার সব চিহ্ন মুছে ফেলা চাই-এখনো গেল...
- পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের বিকল্প নেই-রাষ্ট্রায়ত্ত ...
- স্মরণ-কিবরিয়া ভাইকে মনে পড়ে by শাহ মোহাম্মদ ইমাম ম...
- দূরদেশ-তিউনিসিয়া: শেষ দৃশ্য মঞ্চায়নের অপেক্ষা by আ...
- আড়িয়ল বিল-নিজভূমে বাস্তুহারা করবেন না by এস এম মুজ...
- শিক্ষক-রাজনীতি-মেধাবিকাশ ও মেধাবিনাশের তীর্থভূমি! ...
- দুর্নীতি দমন-কাগুজে বাঘের হুংকারে আর লাভ হবে না by...
- মানব পাচার-মানুষের মূল্য কত by মশিউল আলম
- জনস্বাস্থ্যের হুমকি দূর করুন, সুপেয় পানি সহজলভ্য ক...
- নিয়ম রক্ষা নয়, কার্যকর ভূমিকা রাখুন-সংসদ ও বিরোধী দল
- নাট্যজনের নাট্যকর্ম by মান্নান হীরা
- পর্যটন-অবহেলায় পড়ে থাকা বিপুল সম্ভাবনা by অভয় প্রক...
- রব্বানি হত্যাকাণ্ড-আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় বড় আঘাত...
- পকেটমার! by নোআয়ার হোসেন
- মাদক-সর্বগ্রাসী আত্মবিধ্বংসী উপাদান by তাজনাহার না...
- সুশাসন-সংসদ সদস্য আচরণ আইন প্রণয়ন জরুরি by বদিউল আ...
- মেঘনায় আতঙ্ক-জলদস্যু নয়, মাছের অভয়ারণ্য হোক
- হরতাল-অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচি
- চারদিক-রংপুর পুলিশ লাইন স্কুলের ২৫ বছর by নাজমুল হ...
- চলচ্চিত্র-‘মেহেরজান’ যা বলতে চেয়েছে by রুবাইয়াত হোসেন
- কথ্য ভাষা-ভাষার মাস আসার আগে by উম্মে মুসলিমা
- দারিদ্র্য-ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সমস্যা কোথায়? by ম...
- মেহেরজান-মুক্তিযুদ্ধ ও নারীর প্রতি অবমাননার ছবি
- ভূত তাড়ানোর সরিষায় ভূতের আলামত!-দুদক কর্মকর্তার ‘দ...
- সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলতে হবে-২৭ জানুয়ারির উপনির্বাচন
- জন্মদিন-মধুসূদনের অন্তিম দিনগুলি by কাজী শওকত শাহী
- গণতন্ত্র-তিউনিসিয়া: মানুষ কখন বিদ্রোহ করে by ফারুক...
- সরকারের দুই বছর-পাহাড়িদের অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস by ইল...
- বিশ্বায়ন-কে দেখবে অভিবাসী শ্রমিকের মানবাধিকার by জ...
- বাঘা তেঁতুল-জেলের ভাত by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-বাংলাদেশ যদি চলতে চায় by আনিসুল হক
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দখলদারমুক্ত করুন-অপ্রতিরোধ্য ...
- সরকারের পদক্ষেপ যেন অর্থবহ হয়-শেয়ারবাজারে গতি ফেরানো
- শীতের সকালে টেলিভিশন by জিনিয়া জাহীন
- জনসেবা by আয়শা দেওয়ান
- প্রটেকশন by সোহেল নওরোজ
- শীত নিয়ে কৌতুক by প্রাপ্তি
- এ সংখ্যা শুধুই আপনাদের-শীত!
- চারদিক-একটি পাঠাগার এবং... by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- ফিরে দেখা-ঊনসত্তরের মহান গণ-অভ্যুত্থানের কথা by তো...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-পুনশ্চ বুদ্ধিদীপ্ত রসিকতা by আতাউ...
- দিল্লির চিঠি-ভুল থেকে শিক্ষা নেয়নি ভারত by কুলদীপ ...
- দাহকালের কথা-সূচক by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- কালের পুরাণ-হলুদ কার্ড, লাল কার্ড ও সংসদবিমুখ বিএন...
- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা দুঃখজনক-দশ লাখ ট...
- বাংলাবান্ধার বন্ধন সুদৃঢ় হোক-দ্বিপক্ষীয় স্থলবন্দর ...
- গন্তব্য ঢাকা-খাট্টা গ্রামের মিঠা মানুষটির গল্প by ...
- জ্বালানি-কোটি টাকার গ্যাস হারিয়ে কাঠগড়ায় বাংলাদেশ ...
- পানি ব্যবস্থাপনা-ঢাকার নদী-খাল সংরক্ষণের দায়িত্ব ক...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-কেন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিশ্বমন্দা চলতে থাকলে আমাদের অবস্...
- অস্ত্র নয়, সুস্থ রাজনীতিই পারে সমস্যার সমাধান করতে...
- ইজতেমা বিশ্বমানবতার কল্যাণ ও শান্তির প্রেরণা-আখেরি...
- আমরাও একমত
- হায় নিধিরাম! by জয় প্রকাশ
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-বিড়াল অন্ধকারে কীভাবে দেখে? by আব্দুল কাইয়ুম
- কর্তৃপক্ষ ভাবছে কী?-সম্ভাবনা ও অর্জনের গুম
- চারদিক-তৃপ্তি হোটেল কখনো বন্ধ হয় না by ফারুখ আহমেদ
- অভিমত-নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা কতটা যুক্তিযুক্ত? by ম...
- অর্থনীতি-জনতুষ্টি বনাম দুর্ভোগের বাজেট by জাফর আহম...
- আন্তর্জাতিক পানি আইন-বাংলাদেশ নীতিগত অনুমোদন দিচ্ছ...
- পাঠকের মন্তব্য-ঘোর অন্ধকারে এতটুকু আলো!
- পুলিশে পদোন্নতির একটি খারাপ দৃষ্টান্ত-মারলে পুরস্ক...
- এই ধ্বংসপ্রক্রিয়া এখনই থামান-বুয়েট ও জাহাঙ্গীরনগর ...
- জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার
- হরতালবিরোধী রিটের শুনানি হয়নি হরতালের কারণেই
- সচিবালয়ে বিস্ফোরণ
- আজও সারা দেশে হরতাল
- হরতালে ঢাকায় ২৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ৬ যানবাহনে আগুন, ...
- টেন্ডার নিয়ে ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের গোলাগুলি-দুইজন ...
- রাজনীতিই গুরুত্ব পাবে হিলারির সফরে-টিকফা অনিশ্চিত,...
- ব্যর্থতায়, চাপে র্যাব-পুলিশ by পারভেজ খান
- যত মাসুল দেশবাসীর by রাজীব আহমেদ
- কৃষকের মাথায় হাত-কবে নির্ধারণ হবে ধানের দাম
- 'এশিয়ান টাইগার'-এর সামনে দুর্দিন
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষ আদিতে একটাই জাতি ছিল, পরে...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সা...
- লেডিস ক্লাবের ফওজিয়া সামাদ by সালাম মাহমুদ
- সংস্কৃতি-রবীন্দ্রনাথের উত্তরাধিকার by অমিত বসু
- সমকালীন প্রসঙ্গ-ক্ষতি কিন্তু ক্ষমতাসীন দলেরই by বদ...
- অতিপ্রাকৃতিক নির্বাচন প্রক্রিয়া by শেখ রোকন
- এই সমাজ-তাহলে '৭১-এর কী প্রয়োজন ছিল? by এএন রাশেদা
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রা...
- নরওয়ে হত্যাকাণ্ড-শান্তির দ্বীপে বিভীষিকা
- অস্থির বাজার-মূল্য সহনশীল করতেই হবে
- জালিস হাজির-পাকিস্তান পিপলস পার্টির পথে কাঁটা
- চরাচর-গুরুদুয়ারা নানক শাহী by আলম শাইন
- হরতালের নেতিবাচক প্রভাব by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- নিত্যজাতম্-লোম বাছতে কম্বল উজাড় by মহসীন হাবিব
- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদদের রাজনীতি by ড. খুরশীদা...
- এ নৃশংস হত্যার বিচার হতে হবে
- উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থ ফেরত
- চরাচর-বিশ্ব ধরিত্রী দিবস by তামান্না ইসলাম অলি
- আলোকের এই ধরনাধারায় (পর্ব-২১)-নতুন দেশে তাঁর ঠাই হ...
- ধান কাটা থেকে ঘরে তোলা পর্যন্ত ক্ষতির হিসাব by ড. ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- কয়েকটি স্থানে সংঘর্ষ, হামলা, ১৮৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্...
- গুম থেকে বাঁচার উপায়
- মানুষের কথা-গরিবর মরণর পালা শুরু অইছে’ by আকমল হোসেন
- হিলারির সফরে নতুন মাত্রার প্রত্যাশা-আন্তর্জাতিক সম...
- কৃষকেরা দাম পান না, ক্রেতারাও ঠকছেন by শওকত হোসেন
- ইলিয়াস আলীকে জীবিত পাওয়া নিয়ে সংশয়
- আমি এখন উত্তেজনার মধ্যে আছিঃ মোনালিসা by অনন্যা আশরাফ
-
▼
Apr 30
(122)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment