Thursday, October 20, 2011
পরীক্ষামূলক ট্রানজিট চলবে না, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি হয়েছে শীর্ষ পর্যায়ে : খালেদা জিয়া by আসাদুজ্জামান ফিরোজ,
পরীক্ষামূলক ট্রানজিট চলবে না, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি হয়েছে শীর্ষ পর্যায়ে : খালেদা জিয়া by আসাদুজ্জামান ফিরোজ,
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিঘেরা বগুড়ায় স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও চারদলীয় জোটনেত্রী খালেদা জিয়া বলেছেন, দল হিসেবে টিকে থাকতে হলে আওয়ামী লীগকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসতে হবে। দুর্নীতি ও লুটপাটে আকণ্ঠ নিমজ্জিত সরকারের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে আন্দোলনের স্রোত দানা বেঁধে উঠেছে। ঘরে ঘরে এ আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে। জনগণের এ আন্দোলনের আগুনে পুড়ে ছারখার হবে সরকার। আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিবেশীদের হাতে তুলে দিতে চায় অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা নীতি এখন নিয়ন্ত্রণ করছে অন্য একটি দেশ।
আর এজন্য তাদেরকে ফারাক্কার আদলে পরীক্ষামূলকভাবে করিডোর দেয়া হচ্ছে। এক ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলক শুরু হয়ে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে মরুভূমি বানিয়েছে, পদ্মাকে শুকিয়ে ফেলেছ। এবার করিডোর দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদেশের জনগণ করিডোর দেবে না। পরীক্ষামূলক কোনো ট্রানজিট-করিডোর দেয়া চলবে না। বিরোধী নেত্রী অভিযোগ করেন, পদ্মা সেতু নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আর সেই দুর্নীতি হয়েছে টপ লেভেলে; সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে।
গতকাল বিকালে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা মাঠে চারদলীয় জোট আয়োজিত বিশাল জনসভায় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। জনতার মহাসমুদ্রে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, শান্তি চাইলে সময় থাকতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে আসুন। মানুষের কাছে অত্যাচারী সরকার পরাজয় মানতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে খালেদা জিয়া জনগণকে দেশরক্ষায় আরেকটি যুদ্ধে অংশ নিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বগুড়ার সন্তান মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে দেশকে মুক্ত করেছেন। এবার বগুড়া থেকে আওয়ামী দুঃশাসনে দেশরক্ষায় আরেকটি যুদ্ধে নামতে হবে। এ যুদ্ধে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। জনগণের এ আন্দোলনকে ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে। স্বৈরাচার ও তাঁবেদার পতনের আন্দোলন সফল করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
উত্তরাঞ্চলে ঐতিহাসিক রোডমার্চের প্রথমদিনে ঢাকা থেকে বগুড়া পৌঁছে শহীদ জিয়ার জন্মস্থান বগুড়ায় দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়া সরকারের অত্যাচার-নিপীড়ন, ব্যর্থতা ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যতই নির্যাতন-নিপীড়ন করা হোক, জাতীয়তাবাদী শক্তি জালিম শাহীর পতন না ঘটিয়ে ঘরে ফিরবে না। নব্বইয়ে স্বৈরাচার হটানোর ঘোষণা দিয়ে রাজপথে নেমেছিলাম, জনগণের বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরেছি। এবার ফ্যাসিবাদ হটানোর শপথ নিয়ে জনগণ মাঠে নেমেছেন। আমি তাদের সামনে থেকে লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে আনবো। দেশবিরোধী সরকারকে না হটিয়ে ঘরে ফিরবো না।
খালেদা জিয়া ঢাকা থেকে রোডমার্চ শুরু করে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে পথসভায় লাখো জনতার সামনে সরকারের ব্যর্থতা ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরে বক্তৃতা করেন।
গতকাল রোডমার্চ শেষে বগুড়ার জনসভায় লাখো মানুষের উপস্থিতিতে স্থবির হয়ে পড়ে পুরো শহর। অলিখিত হরতালের মতোই অচল ছিল বগুড়া। দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ গতকাল সকাল থেকে ঢাকঢোল পিটিয়ে নেচে-গেয়ে আর স্লোগান দিতে দিতে শহরের আলতাফুন্নেচ্ছা মাঠে আসে।
জনতার স্রোতের কারণে আগে থেকেই শহরের ১২টি পয়েন্টে পর্দা ও টিভির ব্যবস্থা করা হয়। সে কারণে শহরের সাতমাথা, বড়গোলা, ফতেহ আলী মোড়, জলেশ্বরীতলা, কোর্ট এলাকা, ইয়াকুবিয়ার মোড়সহ অন্যান্য স্থান থেকে সাধারণ মানুষ দেখেন চারদলীয় জোটনেত্রী খালেদা জিয়াকে এবং শোনেন তার বক্তব্য।
সকাল সাড়ে ১০টায় সারিয়াকান্দি জামায়াতের মিছিল প্রথম প্রবেশ করে জনসভাস্থলে। এরপর একে একে আসতে থাকে মিছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টায় পর্যন্ত শহরতলির মাটিডালী, তিনমাথা, চারমাথা, ফুলতলা, বনানী, সাবগ্রাম মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শুধু মানুষের পদচারণায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা বগুড়ায় যেন অলিখিত হরতাল পালিত হয়। লোকজন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ছুটে চলেন জনসভাস্থলে।
ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে মিউজিক দল নেচে গেয়ে প্রচারণা চালায় শহরজুড়ে। বাঁশের বাঁশিতে বাববার জানান দেয় জনসভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আগমন বার্তা। পাশাপাশি তবলা ও হারমোনিয়ান নিয়ে গান গেয়ে শিল্পীরা মাতিয়ে তোলেন জনগণকে। যেন বগুড়ার পুত্রবধূকে স্বাগত জানাতেই তাদের এতো আয়োজন।
বগুড়া সদর, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, গাবতলী, শিবগঞ্জ, ধুনট, শেরপুর, কাহালু, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, শাজাহানপুর ও নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে বাস ও ট্রাকযোগে জনসভায় অংশ নেয় লাখ লাখ মানুষ। পাশাপাশি জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী থেকে হাজার হাজ নারী-পুরুষ ছুটে আসেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্য শোনার জন্য। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তুলে ধরেন দেশের বর্তমান চিত্র।
খালেদা জিয়া ২৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের বক্তৃতায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন দাবির পাশাপাশি লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, অর্থনৈতিক ধ্বংসাবস্থা, সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, ফারাক্কা বাঁধে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দুঃখগাথা জীবন, রাস্তার দুরবস্থা, মঙ্গাসহ দেশের মানুষের ভোগান্তি ও নিপীড়নের চিত্র বগুড়াবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের নামে বিরোধী দলের যেসব নেতার আটক রাখা হয়েছে তাদের মুক্তি দাবি করে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। এই সরকার যুবকদের মাদকদ্রব্য খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায়। তাই যুবকদের বসে থাকলে চলবে না। তিনি বলেন, সরকার বুঝতে পেরেছে আগামী দিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের ভরাডুবি হবে। সেজন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে চায় তারা।
তিনি বলেন, আগামীতে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগ সংবিধান পরিবর্তন করেছে। এটা তাদের একটি ষড়যন্ত্র। সাজানো নির্বাচনে এরশাদকে বিরোধী দল বানানোর নাটক করতে চাচ্ছে। এতে কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নেবে না। দেশের জনগণ এ ধরনের নাটক মঞ্চস্থ হতে দেবে না বলে তিনি সরকারকে হুশিয়ার করে দেন।
খালেদা জিয়া বলেন, এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর সব করেছিল। দলীয় সরকারের অধীনে তারা নির্বাচন মানবে না। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল তার পরও তারা নির্বাচন করেনি। তারা জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে ভরাডুবি হবে। তাদের বলে দিতে চাই দেশের সব মানুষের দাবি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এ নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রমাণ করেছে তারা নিরপেক্ষ নয়। তারা ২০০৮ সালে ব্যাপক কারচুপি করেছে। এ সরকার আর বেশি দিন ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতা থাকবে না। তাই দ্রুত তাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্য কমছে না বেড়েই চলেছে। চালের দাম বিএনপির আমলের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। জনগণের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আপনারা দশ টাকায় চাল ও পাঁচ টাকায় কাঁচা মরিচ পান? উপস্থিত জনতা উচ্চস্বরে ‘না’ বলে ওঠেন। তিনি বলেন, এটা কৃষি প্রধান এলাকা। তাই কৃষকদের গুরুত্ব দিতে হবে। তারা বলেছিল বিনামূল্যে সার দেবে। কিন্তু দেয়নি। আমাদের সময় ইউরিয়া সারের বস্তা ছিল ২৬০ টাকা। তারা বিনামূল্যে দেয়ার কথা বলে ১ হাজার ৬০ টাকায় দিচ্ছে। তিনি বলেন, তারা বলেছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেবে। কিন্তু ঘরে ঘরে কী চাকরি দিয়েছে? প্রশাসনে ভালো ভালো অফিসারদের ওএসডি করে রেখেছে। প্রশাসনকে দলীয়করণমুক্ত করুন। আমরা সরকারে গেলে নিরপেক্ষ ও দলীয়করণমুক্ত করব। ৭০০ অফিসার রয়েছেন, তাদের বলতে চাই—ভয় পাবেন না। যারা ওএসডি হয়েছেন সবাই চাকরি ফিরে পাবেন।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশে কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিদেশি বিনিয়োগ নেই। কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস-বিদ্যুত্ পানি দিতে পারছে না। সেজন্য কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আরও ষড়যন্ত্র আছে। কলকারাখানা ভারতীয়রা কিনে নেবে। এদেশের মানুষ কোনো বড় অফিসার হতে পারবে না, একে একে বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, রাস্তাঘাটে সারা শহরে মানুষ দেখছি। এভাবে ঢাকা শহরের দিকে এগুতে হবে এ সরকারকে বিদায় দেয়ার জন্য। বিদ্যুত্ দেয়ার নাম করে রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বসিয়েছে। কিন্তু বিদ্যুত্ পাওয়া যায় না। সব দলীয় লোকদের কাজ দিয়েছে টেন্ডার ছাড়াই। সরকারি অফিসাররা বলেছেন এটা ঠিক হচ্ছে না। এর জন্য পরে জেল হতে পারে। তাই সংসদে আইন পাসের সুযোগ করে দিয়েছে। আইন করলে কাজ হবে না। অবশ্য আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, এই সরকার পদ্মা সেতু করার জন্য ব্যাপক টাকা তুলেছে। বিদেশ থেকে টাকা এনেছে। বিশ্ব ব্যাংক জেনে গেছে দুর্নীতি হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক বলেছে পদ্মা সেতুতে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। তাই টাকা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে মিথ্যা বুঝিয়েছে। টপ লেভেলে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি হয়েছে। অন্যদের দুর্নীতির কথা বলে বেড়াবেন তাতে কাজ হবে না। আপনাদের প্রতিটি কাজে দুর্নীতি-দুর্নীতি-দুর্নীতি। এই বগুড়ায় আমাদের সময় রাস্তা হয়েছে। যমুনা সেতু বিএনপি সরকার করেছে। আমরা যেদিন যমুনা সেতুর ভিত্তি স্থাপন করতে আসি সেদিন হরতাল ডেকেছিল তারা। যমুনা সেতুতে তাদের কোনো অবদান ও কৃতিত্ব নেই।
তিনি বলেন, এ সরকারের আমলে শেয়ারবাজারে কীভাবে লুটপাট হয়েছে আপনারা দেখেছেন। একবার শেয়ার কেলেঙ্কারি হলো ’৯৬ সালে, এবার ক্ষমতায় এসে তার থেকে বেশি লুট করে ৩৩ লাখ মানুষের টাকা নিয়ে গেল। আওয়ামী লীগের একজন বলেছেন বিড়ালকে শুঁটকির পাহারা দিতে দিয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, ভিকারুন্নেসা স্কুলে ছাত্রী লাঞ্ছিত হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগরে মেয়েদের ধর্ষণ করে সেঞ্চুরি পালন করে ওরা। ইডেন কলেজের মেয়েদের মন্ত্রী-এমপিদের মনোরঞ্জনের জন্য দেয়। আমাদের সময় মহিলাদের সম্মান দেয়া হয়েছে। জনসংখ্যার অর্ধেক মহিলা, তাই মেয়েদের শিক্ষার জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। খালেদা জিয়া বলেন, পাবনায় কারখানা বন্ধ হয়ে ৫০ হাজার মানুষ বেকার হয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে শুধু বেকার বাড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে দলে দলে শ্রমিক ফিরে আসছে। বিডিআরের এত বড় দুর্ঘটনা হয়ে গেল কোনো বিচার হয়নি। জনগণের কাছে সত্যি তথ্য আছে। বিডিআরের নাম পাল্টে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অবাধে চোরাচালান হচ্ছে। মাদকদ্রব্য আসছে। বর্ডারের ওপারে সব মাদকদ্রব্য কারখানা বসিয়েছে। যুব সমাজকে ঘুম পাড়ানোর জন্য এসব করছে। এ যুবসমাজকে ঘুম পাড়িয়ে আওয়ামী লীগ আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায়।
চারদলীয় জোট নেত্রী বলেন, বিএনপির ও জোটের অনেক নেতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রেখেছে। তারা নাকি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করবে। আমি বলতে চাই আপনারা মানবতাবিরোধী বিচার করবেন কোনো আপত্তি নেই। তবে বিচার হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের ও স্বচ্ছ। সেখানে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। দলীয় লোক দিয়ে ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। এতে কোনো স্বচ্ছ বিচার হবে না। তাদের দলে ও পরিবারে অনেক যুদ্ধাপরাধী আছে।
তিনি বলেন, এটা মানবতাবিরোধী বিচারের জন্য নয় জোটকে ধ্বংস করার জন্য। নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী, সালাউদ্দিন কাদেরসহ সবাইকে এক বছরের বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে। তাই এদের মুক্তি দিয়ে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক মানের বিচার করতে হবে।
তিনি বলেন, নাসিরউদ্দিন পিন্টুর চোখ নষ্ট করেছে। আবদুস সালাম পিন্টুর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৪ বছর ধরে আটক রাখা হয়েছে। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, বাবরসহ কয়েকজনকে মিথ্যা অভিযোগে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, বিচারব্যবস্থা স্বচ্ছ করতে হবে।
একজন ব্যারিস্টার প্রবীণ আইনজীবী বলেছেন, আদালতে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। আদালতেই যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?
তিনি বলেন, যুবকদের ভালো চাকরির ব্যবস্থা করব। পরে তারা যাতে দেশ চালানোর দায়িত্ব পায় সে ব্যবস্থা করে যাব। খালেদা জিয়া বলেন, শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বগুড়ার সন্তান। সেদিন জিয়ার সঙ্গে যারা যুদ্ধ করেছেন তারা হয়তো অনেকে আছেন। আওয়ামী লীগ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে হোটেলে বসে অপেক্ষা করেছে দেশ কবে স্বাধীন হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আজকে একটি দেশের হাতে এ দেশকে তুলে দিতে চায়। সেজন্য ট্রানজিট করিডোর বন্দর সব দিয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে এখন পর্যন্ত কিছুই পাইনি। ফারাক্কা পরীক্ষামূলক চালু করে বন্ধ করেনি। আবার ট্রানজিট পরীক্ষামূলক চালু করেছে। এদেশের মানুষ তা হতে দেবে না।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি দরকার হলে দেশ রক্ষার জন্য আর একটি যুদ্ধ করব। পুলিশ যারা ভালো কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ দিই। আর যারা অতি উত্সাহী হয়ে সরকারের চাটুকারী করছেন তাদের হুশিয়ার করতে চাই। আওয়ামী লীগ নেতারা এখন রাজনীতিবিদদের ডাণ্ডাবেড়ি পরায়। তাদের বলতে চাই আপনারা যা শিখিয়ে যাচ্ছেন আপনাদের ওপর একইরকম হতে পারে। সাবধান হয়ে যান। নাহলে জনগণকে আটকাতে পারবেন না।
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, জনগণ স্লোগান দেয় জেলের তালা ভাঙব অমুক ভাইকে আনব। আমি বলেছি জেলে তালা ভাঙবেন না। কারণ ওই জেলে তাদের ঢুকাতে হবে। যুবকদের বার বার তিনি বলেন, আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তোমাদের সুন্দর ভবিষ্যত্ গড়ে দেব।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপিসহ চারদলীয় জোটের নেতারা।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরও বক্তৃতা করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, আসম হান্নান শাহ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামছুজ্জামান দুদু, বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম-মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, সংসদ সদস্য আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা, অ্যাডভোকেট একেএম হাফিজার রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল, মোজাহার আলী, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি খায়রুল বাসার, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী লাভলী রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমু, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক হিরু, গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম হেলাল, স্থানীয় যুবদল নেতা তাহাউদ্দীন নাহিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল হক, শহর শিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন সেলিম প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এম ওসমান ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লা বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, রুহুল কবির রিজভি, স্বনির্ভর সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ। পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ছিলেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, সহকারী মহাসচিব জাকির হোসেন, এনার্জি সল্যুশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ফরিদ উদ্দীন আহমেদ প্রমুখ। জনসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শাহে আলম।
পথসভায় খালেদা জিয়া যা বললেন : সিরাজগঞ্জে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, দল হিসেবে টিকে থাকতে হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতেই হবে। আ’লীগ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেনি। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারাই স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। আর এ দেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খলার বন্ধনে আবদ্ধ করতে চায় আওয়ামী লীগ। সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়ে মানবতার অপরাধের নামে চারদলীয় জোটের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। তবে তা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের। আওয়ামী লীগের বিতর্কিত লোকজন দিয়ে এ বিচার হতে পারে না। প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীই মহাজোটে রয়েছে। তাদের দলের লোকজনকে না ধরে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতো রাজনীতিবিদদের এই মানবতার অপরাধে গ্রেফতার করেছে। এ সরকার হত্যা লুটপাট ষড়যন্ত্রে মেতেছে। তিনি ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, তারা টেন্ডাবাজ, লুটপাট, ভর্তি বাণিজ্য করছে। শেয়ারবাজারের কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়ে সরকার পুলিশ দিয়ে অনশনরত ব্যবসায়ীদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে। গরিব মানুষদের টাকা লুটেপুটে নিয়ে গেছে। তদন্তে সরকার দলীয় বড় বড় নেতাদের নাম আসায় তা প্রকাশ করেনি তারা। আবারও সেই চোরগুলোকে শেয়ারবাজারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে লুটপাট করার জন্য।
টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।
পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিষয়ে খালেদা জিয়া বলেন, কথায় কথায় তারা চুরি ও দুর্নীতির কথা বলে। অথচ মহাজোট সরকারের আমলে চুরি নয় মহাচুরির হচ্ছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপা’র সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপিসহ চারদলীয় জোটের নেতারা।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরো বক্তৃতা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, আসম হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, সংসদ সদস্য আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা, অ্যাডভোকেট একেএম হাফিজার রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল, মোজাহার আলী, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি খায়রুল বাশার, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী লাভলী রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমু, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক হিরু, গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম হেলাল, স্থানীয় যুবদল নেতা তাহাউদ্দীন নাহিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আবদুল হক, শহর শিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন সেলিম প্রমুখ।
বেগম জিয়া বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে দেশের শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কল-কারখানা বন্ধ করে দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা ভারতের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। একে একে ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ বিনাশুল্কে ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে দিচ্ছে। অথচ তিস্তায় পানি নেই। এসব চক্রান্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বেগম জিয়া।
দেশে আজ মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। জুলুম-নির্যাতন চলছে মানুষের ওপর। গত তিন বছরে ১২ হাজার মানুষ খুন হয়েছে। খালেদা জিয়া জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আওয়ামী লীগ ১০ টাকা কেজি চাল, ঘরে ঘরে চাকরি ও কৃষককে বিনামূল্যে সার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। আপনারা কি তা পেয়েছেন? যদি কিছু না পেয়ে থাকেন, তাহলে কি এ সরকারের ক্ষমতায় থাকার আর কোনো সুযোগ আছে?
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই শেয়ারবাজারে ধস নামে। মন্ত্রী-এমপিসহ রাঘববোয়ালরা শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, এ কারণে সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। টাঙ্গাইলের জনপ্রিয় নেতা আবদুস সালাম পিন্টুর মুক্তি দাবি করে ভূঞাপুরের এ জনসভায় খালেদা জিয়া বলেন, মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক রেখে পিন্টুর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে সরকার। তিনি আবদুস সালাম পিন্টু ও লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ মিথ্যা মামলায় আটক সবার মুক্তি দাবি করেন।
জোট ও সমমনা নেতারা যা বললেন : পথসভা ও জনসভায় চারদলীয় জোট এবং সমমনা দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তৃতা করেন। চারদলীয় জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ বলেন, বগুড়ার পবিত্র মাটিতে জন্মগ্রহণকারী শহীদ জিয়া দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তাই শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিহিংসাপরায়ণ এ সরকারকে উত্খাত করে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন, এখন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে কীভাবে কোন দেশের টাকার বস্তা নিয়ে ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনে এই সরকার জয়ী হয়েছিল। যুদ্ধাপরাধ বা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের নামে এ সরকার দেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের নির্যাতন ও বেইজ্জতি করছে। এ ধরনের প্রতিহিংসাপরায়ণতা অতীতেও কারও কল্যাণ করেনি, এখনও করবে না। তিনি বলেন, যারা সীমান্তে ফেলানীর মতো নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখে, তাদের সঙ্গে এ সরকারের গভীর সম্পর্ক এই জাতি মেনে নেবে না।
এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বগুড়ার সূর্যসন্তান মেজর জিয়া ’৭১-এ দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, ’৭৫-এ তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বিপর্যয়কর অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষা করেছিলেন, তাই বগুড়াবাসীর অনেক দায়িত্ব রয়েছে। বগুড়ার এই বিশাল সমাবেশই প্রমাণ করেছে গণতন্ত্র রক্ষায় বগুড়াবাসী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্পূর্ণ সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ আছে। তিনি বলেন, এ সরকার বিনা শুল্কে গোপনে ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক এবং জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা ও এডিবি সরকারকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে। এ সরকারের প্রবীণ রাষ্ট্রপতি জিল্লুুর রহমান ২২ খুনির মৃত্যুদণ্ডাদেশ রদ করেছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার করেছেন কিন্তু খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা কোনো মামলা প্রত্যাহার করেননি। কাজেই আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত এবং ব্যর্থ সরকারকে বিদায় করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, এক বছর আগে যারা ঘড়ির কাঁটা ১১টা থেকে ১২টায় নিয়ে গিয়ে তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছিল, দেশের বারোটা বাজিয়েছিল, তাদের ক্ষমতা থেকে বিদায় দেয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। দেশজুড়ে আওয়াজ উঠেছে—‘শেখ হাসিনার দিন শেষ, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ’।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ জিয়া দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত করেছিলেন, জাপানকে পরাজিত করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য পদে বাংলাদেশকে জিতিয়েছিলেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধে মধ্যস্থতা করেছিলেন; তাই আলজেরিয়া, তুরস্ক এবং মালেতে জিয়ার নামে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। অথচ প্রতিহিংসার বশে সরকার বাংলাদেশ থেকে এবং বাংলাদেশীদের মন থেকে জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার চক্রান্ত করছে। কিন্তু তাদের সেই অপচেষ্টা কখনও সফল হবে না।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার সন্তান তারেক রহমান বগুড়ায় হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, রাস্তাঘাট তৈরি করে বগুড়াকে বদলে দিয়েছিলেন। তাই অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় এসে তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। বর্তমানে তথাকথিত নির্বাচিত সরকার নতুন করে তাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় জড়িত করে হয়রানির অপচেষ্টা করছে। অথচ এই মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান আদালতকে জানিয়েছেন—তারেক রহমানকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। কখনও তার কাছে তিনি যাননি। অথচ আদালত অদৃশ্য ইঙ্গিতে মুফতি হান্নানের এই জবানবন্দি গ্রহণ করছে না। এ সরকার ওয়াদা ভঙ্গ করে সারাদেশে হত্যা, গুম ও খুনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। নাটোরের উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ বাবুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকার চৌধুরী আলমকে এক বছর আগে গুম করে দেয়া হয়েছে। এভাবে তারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠকে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা করছে। আগামী নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে আগামীতে কোনো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। তিনি খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটানোর সার্বিক প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।
চার দলের অপর শীর্ষনেতা খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসাহাক বলেন, রোডমার্চে লাখ লাখ লোকের সমাগমে এ সরকারের ভিত কেঁপে উঠেছে। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে লাগাতার আন্দোলনের মাধ্যমে এদের এখন বিদায় নিতে হবে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, এ সরকার ব্যর্থ সরকার। এদের ব্যর্থতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশ এক নাজুক অবস্থায় উপনীত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অবৈধ এবং গোপন চুক্তি করেছে। তাই এ সরকাকে অবিলম্বে বিদায় করে একটি গণতান্ত্রিক এবং দেশপ্রেমিক সরকার কায়েম করতে হবে।
বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে এখন ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তে নিয়মিতভাবে মানুষ খুন হচ্ছে। সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার বর্ডার এখন উন্মুক্ত। আমাদের সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআরকে তছনছ করা হয়েছে। ৫৭ সেনা অফিসার নিহত হয়েছেন। তাদের পরিবার-পরিজন নির্যাতিত হয়েছে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সিলেটে সফল রোডমার্চের পর থেকেই সরকার বিভিন্নভাবে জেল-জুলুমের হুমকি দিচ্ছে। তবে জেল-জুলুমের হুমকি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন থেকে আমাদের বিরত রাখা যাবে না। আগামীতে চার দলকে বাদ দিয়ে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না বা নির্বাচন করতেও দেয়া হবে না।
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, আজকের এই বিশাল সমাবেশ প্রমাণ করে ব্যর্থ, অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত এ সরকারের মরণঘণ্টা বেজে উঠেছে। এদের পতন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামছুজ্জামান দুদু জনসভায় প্রশ্ন রেখে বলেন, এ সরকার কি ১০ টাকা সের চাল, বিনামূল্যে সার কিংবা ঘরে ঘরে চাকরি দিয়েছে? যদি না দিয়ে থাকে, তাহলে এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমে পড়ুন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী আমানুল্লাহ আমান বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করা হবে এবং আগামী দিনের নেতা তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, ফ্যাসিবাদের কারণে তারেক রহমান আজ বিদেশে; মাওলানা নিজামী, মুজাহিদ এবং মাওলানা সাঈদী আজ কারাগারে। আন্দোলনের মাধ্যমে তারেককে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং প্রবীণ জাতীয় নেতাদের কারামুক্ত করা হবে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়ের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে বগুড়াসহ সারাদেশে ৬৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকারের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতায় দেশ আজ ক্রান্তিকালে উপনীত হয়েছে। কাজেই আপনারা দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর জন্য প্রস্তুত থাকুন।
জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘নৌকা এখন ফুটা-শেখ হাসিনার ভাগ্য টুটা’; তাই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পার পাওয়া যাবে না। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে তারেক আসবেন বীরের বেশে।
বগুড়া জেলা বিএনপি সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে এবং বগুড়া শহরে আজ যে বিশাল লোকসমাবেশ হয়েছে, অতীতে কোনোদিনই বগুড়ায় এত বিশাল সমাবেশ হয়নি। আগামীতে আরও একবার বগুড়ায় এ ধরনের জনসমাবেশ ঘটবে যেদিন বাংলাদেশের কৃতী সন্তান, বগুড়ার মানুষের আপনজন, জাতীয় উন্নয়নের রূপকার তারেক রহমান বগুড়ার মাটিতে পা রাখবেন।
গতকাল বিকালে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা মাঠে চারদলীয় জোট আয়োজিত বিশাল জনসভায় খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। জনতার মহাসমুদ্রে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, শান্তি চাইলে সময় থাকতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে আসুন। মানুষের কাছে অত্যাচারী সরকার পরাজয় মানতে বাধ্য হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে খালেদা জিয়া জনগণকে দেশরক্ষায় আরেকটি যুদ্ধে অংশ নিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বগুড়ার সন্তান মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে দেশকে মুক্ত করেছেন। এবার বগুড়া থেকে আওয়ামী দুঃশাসনে দেশরক্ষায় আরেকটি যুদ্ধে নামতে হবে। এ যুদ্ধে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। জনগণের এ আন্দোলনকে ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে। স্বৈরাচার ও তাঁবেদার পতনের আন্দোলন সফল করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
উত্তরাঞ্চলে ঐতিহাসিক রোডমার্চের প্রথমদিনে ঢাকা থেকে বগুড়া পৌঁছে শহীদ জিয়ার জন্মস্থান বগুড়ায় দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়া সরকারের অত্যাচার-নিপীড়ন, ব্যর্থতা ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যতই নির্যাতন-নিপীড়ন করা হোক, জাতীয়তাবাদী শক্তি জালিম শাহীর পতন না ঘটিয়ে ঘরে ফিরবে না। নব্বইয়ে স্বৈরাচার হটানোর ঘোষণা দিয়ে রাজপথে নেমেছিলাম, জনগণের বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরেছি। এবার ফ্যাসিবাদ হটানোর শপথ নিয়ে জনগণ মাঠে নেমেছেন। আমি তাদের সামনে থেকে লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে আনবো। দেশবিরোধী সরকারকে না হটিয়ে ঘরে ফিরবো না।
খালেদা জিয়া ঢাকা থেকে রোডমার্চ শুরু করে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে পথসভায় লাখো জনতার সামনে সরকারের ব্যর্থতা ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরে বক্তৃতা করেন।
গতকাল রোডমার্চ শেষে বগুড়ার জনসভায় লাখো মানুষের উপস্থিতিতে স্থবির হয়ে পড়ে পুরো শহর। অলিখিত হরতালের মতোই অচল ছিল বগুড়া। দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ গতকাল সকাল থেকে ঢাকঢোল পিটিয়ে নেচে-গেয়ে আর স্লোগান দিতে দিতে শহরের আলতাফুন্নেচ্ছা মাঠে আসে।
জনতার স্রোতের কারণে আগে থেকেই শহরের ১২টি পয়েন্টে পর্দা ও টিভির ব্যবস্থা করা হয়। সে কারণে শহরের সাতমাথা, বড়গোলা, ফতেহ আলী মোড়, জলেশ্বরীতলা, কোর্ট এলাকা, ইয়াকুবিয়ার মোড়সহ অন্যান্য স্থান থেকে সাধারণ মানুষ দেখেন চারদলীয় জোটনেত্রী খালেদা জিয়াকে এবং শোনেন তার বক্তব্য।
সকাল সাড়ে ১০টায় সারিয়াকান্দি জামায়াতের মিছিল প্রথম প্রবেশ করে জনসভাস্থলে। এরপর একে একে আসতে থাকে মিছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টায় পর্যন্ত শহরতলির মাটিডালী, তিনমাথা, চারমাথা, ফুলতলা, বনানী, সাবগ্রাম মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শুধু মানুষের পদচারণায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা বগুড়ায় যেন অলিখিত হরতাল পালিত হয়। লোকজন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ছুটে চলেন জনসভাস্থলে।
ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে মিউজিক দল নেচে গেয়ে প্রচারণা চালায় শহরজুড়ে। বাঁশের বাঁশিতে বাববার জানান দেয় জনসভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আগমন বার্তা। পাশাপাশি তবলা ও হারমোনিয়ান নিয়ে গান গেয়ে শিল্পীরা মাতিয়ে তোলেন জনগণকে। যেন বগুড়ার পুত্রবধূকে স্বাগত জানাতেই তাদের এতো আয়োজন।
বগুড়া সদর, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, গাবতলী, শিবগঞ্জ, ধুনট, শেরপুর, কাহালু, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, শাজাহানপুর ও নন্দীগ্রাম উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে বাস ও ট্রাকযোগে জনসভায় অংশ নেয় লাখ লাখ মানুষ। পাশাপাশি জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী থেকে হাজার হাজ নারী-পুরুষ ছুটে আসেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্য শোনার জন্য। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তুলে ধরেন দেশের বর্তমান চিত্র।
খালেদা জিয়া ২৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের বক্তৃতায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন দাবির পাশাপাশি লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, অর্থনৈতিক ধ্বংসাবস্থা, সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, ফারাক্কা বাঁধে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দুঃখগাথা জীবন, রাস্তার দুরবস্থা, মঙ্গাসহ দেশের মানুষের ভোগান্তি ও নিপীড়নের চিত্র বগুড়াবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের নামে বিরোধী দলের যেসব নেতার আটক রাখা হয়েছে তাদের মুক্তি দাবি করে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, এই সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। এই সরকার যুবকদের মাদকদ্রব্য খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায়। তাই যুবকদের বসে থাকলে চলবে না। তিনি বলেন, সরকার বুঝতে পেরেছে আগামী দিনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের ভরাডুবি হবে। সেজন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে চায় তারা।
তিনি বলেন, আগামীতে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগ সংবিধান পরিবর্তন করেছে। এটা তাদের একটি ষড়যন্ত্র। সাজানো নির্বাচনে এরশাদকে বিরোধী দল বানানোর নাটক করতে চাচ্ছে। এতে কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নেবে না। দেশের জনগণ এ ধরনের নাটক মঞ্চস্থ হতে দেবে না বলে তিনি সরকারকে হুশিয়ার করে দেন।
খালেদা জিয়া বলেন, এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর সব করেছিল। দলীয় সরকারের অধীনে তারা নির্বাচন মানবে না। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল তার পরও তারা নির্বাচন করেনি। তারা জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে ভরাডুবি হবে। তাদের বলে দিতে চাই দেশের সব মানুষের দাবি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এ নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রমাণ করেছে তারা নিরপেক্ষ নয়। তারা ২০০৮ সালে ব্যাপক কারচুপি করেছে। এ সরকার আর বেশি দিন ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতা থাকবে না। তাই দ্রুত তাদের ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্য কমছে না বেড়েই চলেছে। চালের দাম বিএনপির আমলের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। জনগণের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আপনারা দশ টাকায় চাল ও পাঁচ টাকায় কাঁচা মরিচ পান? উপস্থিত জনতা উচ্চস্বরে ‘না’ বলে ওঠেন। তিনি বলেন, এটা কৃষি প্রধান এলাকা। তাই কৃষকদের গুরুত্ব দিতে হবে। তারা বলেছিল বিনামূল্যে সার দেবে। কিন্তু দেয়নি। আমাদের সময় ইউরিয়া সারের বস্তা ছিল ২৬০ টাকা। তারা বিনামূল্যে দেয়ার কথা বলে ১ হাজার ৬০ টাকায় দিচ্ছে। তিনি বলেন, তারা বলেছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেবে। কিন্তু ঘরে ঘরে কী চাকরি দিয়েছে? প্রশাসনে ভালো ভালো অফিসারদের ওএসডি করে রেখেছে। প্রশাসনকে দলীয়করণমুক্ত করুন। আমরা সরকারে গেলে নিরপেক্ষ ও দলীয়করণমুক্ত করব। ৭০০ অফিসার রয়েছেন, তাদের বলতে চাই—ভয় পাবেন না। যারা ওএসডি হয়েছেন সবাই চাকরি ফিরে পাবেন।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশে কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিদেশি বিনিয়োগ নেই। কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস-বিদ্যুত্ পানি দিতে পারছে না। সেজন্য কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আরও ষড়যন্ত্র আছে। কলকারাখানা ভারতীয়রা কিনে নেবে। এদেশের মানুষ কোনো বড় অফিসার হতে পারবে না, একে একে বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, রাস্তাঘাটে সারা শহরে মানুষ দেখছি। এভাবে ঢাকা শহরের দিকে এগুতে হবে এ সরকারকে বিদায় দেয়ার জন্য। বিদ্যুত্ দেয়ার নাম করে রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বসিয়েছে। কিন্তু বিদ্যুত্ পাওয়া যায় না। সব দলীয় লোকদের কাজ দিয়েছে টেন্ডার ছাড়াই। সরকারি অফিসাররা বলেছেন এটা ঠিক হচ্ছে না। এর জন্য পরে জেল হতে পারে। তাই সংসদে আইন পাসের সুযোগ করে দিয়েছে। আইন করলে কাজ হবে না। অবশ্য আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, এই সরকার পদ্মা সেতু করার জন্য ব্যাপক টাকা তুলেছে। বিদেশ থেকে টাকা এনেছে। বিশ্ব ব্যাংক জেনে গেছে দুর্নীতি হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক বলেছে পদ্মা সেতুতে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। তাই টাকা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে মিথ্যা বুঝিয়েছে। টপ লেভেলে পদ্মা সেতুর দুর্নীতি হয়েছে। অন্যদের দুর্নীতির কথা বলে বেড়াবেন তাতে কাজ হবে না। আপনাদের প্রতিটি কাজে দুর্নীতি-দুর্নীতি-দুর্নীতি। এই বগুড়ায় আমাদের সময় রাস্তা হয়েছে। যমুনা সেতু বিএনপি সরকার করেছে। আমরা যেদিন যমুনা সেতুর ভিত্তি স্থাপন করতে আসি সেদিন হরতাল ডেকেছিল তারা। যমুনা সেতুতে তাদের কোনো অবদান ও কৃতিত্ব নেই।
তিনি বলেন, এ সরকারের আমলে শেয়ারবাজারে কীভাবে লুটপাট হয়েছে আপনারা দেখেছেন। একবার শেয়ার কেলেঙ্কারি হলো ’৯৬ সালে, এবার ক্ষমতায় এসে তার থেকে বেশি লুট করে ৩৩ লাখ মানুষের টাকা নিয়ে গেল। আওয়ামী লীগের একজন বলেছেন বিড়ালকে শুঁটকির পাহারা দিতে দিয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, ভিকারুন্নেসা স্কুলে ছাত্রী লাঞ্ছিত হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগরে মেয়েদের ধর্ষণ করে সেঞ্চুরি পালন করে ওরা। ইডেন কলেজের মেয়েদের মন্ত্রী-এমপিদের মনোরঞ্জনের জন্য দেয়। আমাদের সময় মহিলাদের সম্মান দেয়া হয়েছে। জনসংখ্যার অর্ধেক মহিলা, তাই মেয়েদের শিক্ষার জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। খালেদা জিয়া বলেন, পাবনায় কারখানা বন্ধ হয়ে ৫০ হাজার মানুষ বেকার হয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে শুধু বেকার বাড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে দলে দলে শ্রমিক ফিরে আসছে। বিডিআরের এত বড় দুর্ঘটনা হয়ে গেল কোনো বিচার হয়নি। জনগণের কাছে সত্যি তথ্য আছে। বিডিআরের নাম পাল্টে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অবাধে চোরাচালান হচ্ছে। মাদকদ্রব্য আসছে। বর্ডারের ওপারে সব মাদকদ্রব্য কারখানা বসিয়েছে। যুব সমাজকে ঘুম পাড়ানোর জন্য এসব করছে। এ যুবসমাজকে ঘুম পাড়িয়ে আওয়ামী লীগ আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চায়।
চারদলীয় জোট নেত্রী বলেন, বিএনপির ও জোটের অনেক নেতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রেখেছে। তারা নাকি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করবে। আমি বলতে চাই আপনারা মানবতাবিরোধী বিচার করবেন কোনো আপত্তি নেই। তবে বিচার হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের ও স্বচ্ছ। সেখানে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। দলীয় লোক দিয়ে ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। এতে কোনো স্বচ্ছ বিচার হবে না। তাদের দলে ও পরিবারে অনেক যুদ্ধাপরাধী আছে।
তিনি বলেন, এটা মানবতাবিরোধী বিচারের জন্য নয় জোটকে ধ্বংস করার জন্য। নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদী, সালাউদ্দিন কাদেরসহ সবাইকে এক বছরের বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে। তাই এদের মুক্তি দিয়ে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক মানের বিচার করতে হবে।
তিনি বলেন, নাসিরউদ্দিন পিন্টুর চোখ নষ্ট করেছে। আবদুস সালাম পিন্টুর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৪ বছর ধরে আটক রাখা হয়েছে। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, বাবরসহ কয়েকজনকে মিথ্যা অভিযোগে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, বিচারব্যবস্থা স্বচ্ছ করতে হবে।
একজন ব্যারিস্টার প্রবীণ আইনজীবী বলেছেন, আদালতে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। আদালতেই যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?
তিনি বলেন, যুবকদের ভালো চাকরির ব্যবস্থা করব। পরে তারা যাতে দেশ চালানোর দায়িত্ব পায় সে ব্যবস্থা করে যাব। খালেদা জিয়া বলেন, শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বগুড়ার সন্তান। সেদিন জিয়ার সঙ্গে যারা যুদ্ধ করেছেন তারা হয়তো অনেকে আছেন। আওয়ামী লীগ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে হোটেলে বসে অপেক্ষা করেছে দেশ কবে স্বাধীন হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আজকে একটি দেশের হাতে এ দেশকে তুলে দিতে চায়। সেজন্য ট্রানজিট করিডোর বন্দর সব দিয়ে দিয়েছে। বিনিময়ে এখন পর্যন্ত কিছুই পাইনি। ফারাক্কা পরীক্ষামূলক চালু করে বন্ধ করেনি। আবার ট্রানজিট পরীক্ষামূলক চালু করেছে। এদেশের মানুষ তা হতে দেবে না।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি দরকার হলে দেশ রক্ষার জন্য আর একটি যুদ্ধ করব। পুলিশ যারা ভালো কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ দিই। আর যারা অতি উত্সাহী হয়ে সরকারের চাটুকারী করছেন তাদের হুশিয়ার করতে চাই। আওয়ামী লীগ নেতারা এখন রাজনীতিবিদদের ডাণ্ডাবেড়ি পরায়। তাদের বলতে চাই আপনারা যা শিখিয়ে যাচ্ছেন আপনাদের ওপর একইরকম হতে পারে। সাবধান হয়ে যান। নাহলে জনগণকে আটকাতে পারবেন না।
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেন, জনগণ স্লোগান দেয় জেলের তালা ভাঙব অমুক ভাইকে আনব। আমি বলেছি জেলে তালা ভাঙবেন না। কারণ ওই জেলে তাদের ঢুকাতে হবে। যুবকদের বার বার তিনি বলেন, আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তোমাদের সুন্দর ভবিষ্যত্ গড়ে দেব।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপিসহ চারদলীয় জোটের নেতারা।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরও বক্তৃতা করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, আসম হান্নান শাহ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামছুজ্জামান দুদু, বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম-মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, সংসদ সদস্য আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা, অ্যাডভোকেট একেএম হাফিজার রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল, মোজাহার আলী, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি খায়রুল বাসার, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী লাভলী রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমু, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক হিরু, গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম হেলাল, স্থানীয় যুবদল নেতা তাহাউদ্দীন নাহিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল হক, শহর শিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন সেলিম প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এম ওসমান ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লা বুলু, মিজানুর রহমান মিনু, রুহুল কবির রিজভি, স্বনির্ভর সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ। পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ছিলেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, সহকারী মহাসচিব জাকির হোসেন, এনার্জি সল্যুশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ফরিদ উদ্দীন আহমেদ প্রমুখ। জনসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শাহে আলম।
পথসভায় খালেদা জিয়া যা বললেন : সিরাজগঞ্জে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, দল হিসেবে টিকে থাকতে হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতেই হবে। আ’লীগ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেনি। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারাই স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। আর এ দেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খলার বন্ধনে আবদ্ধ করতে চায় আওয়ামী লীগ। সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়ে মানবতার অপরাধের নামে চারদলীয় জোটের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। তবে তা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের। আওয়ামী লীগের বিতর্কিত লোকজন দিয়ে এ বিচার হতে পারে না। প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীই মহাজোটে রয়েছে। তাদের দলের লোকজনকে না ধরে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতো রাজনীতিবিদদের এই মানবতার অপরাধে গ্রেফতার করেছে। এ সরকার হত্যা লুটপাট ষড়যন্ত্রে মেতেছে। তিনি ছাত্রলীগের উদ্দেশে বলেন, তারা টেন্ডাবাজ, লুটপাট, ভর্তি বাণিজ্য করছে। শেয়ারবাজারের কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়ে সরকার পুলিশ দিয়ে অনশনরত ব্যবসায়ীদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে। গরিব মানুষদের টাকা লুটেপুটে নিয়ে গেছে। তদন্তে সরকার দলীয় বড় বড় নেতাদের নাম আসায় তা প্রকাশ করেনি তারা। আবারও সেই চোরগুলোকে শেয়ারবাজারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে লুটপাট করার জন্য।
টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।
পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিষয়ে খালেদা জিয়া বলেন, কথায় কথায় তারা চুরি ও দুর্নীতির কথা বলে। অথচ মহাজোট সরকারের আমলে চুরি নয় মহাচুরির হচ্ছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপা’র সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপিসহ চারদলীয় জোটের নেতারা।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরো বক্তৃতা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, আসম হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, সংসদ সদস্য আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা, অ্যাডভোকেট একেএম হাফিজার রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল, মোজাহার আলী, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি খায়রুল বাশার, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী লাভলী রহমান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমু, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক হিরু, গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম হেলাল, স্থানীয় যুবদল নেতা তাহাউদ্দীন নাহিন, বগুড়া জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আবদুল হক, শহর শিবিরের সভাপতি জাকির হোসেন সেলিম প্রমুখ।
বেগম জিয়া বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে দেশের শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কল-কারখানা বন্ধ করে দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তা ভারতের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। একে একে ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ বিনাশুল্কে ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে দিচ্ছে। অথচ তিস্তায় পানি নেই। এসব চক্রান্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান বেগম জিয়া।
দেশে আজ মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। জুলুম-নির্যাতন চলছে মানুষের ওপর। গত তিন বছরে ১২ হাজার মানুষ খুন হয়েছে। খালেদা জিয়া জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আওয়ামী লীগ ১০ টাকা কেজি চাল, ঘরে ঘরে চাকরি ও কৃষককে বিনামূল্যে সার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। আপনারা কি তা পেয়েছেন? যদি কিছু না পেয়ে থাকেন, তাহলে কি এ সরকারের ক্ষমতায় থাকার আর কোনো সুযোগ আছে?
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই শেয়ারবাজারে ধস নামে। মন্ত্রী-এমপিসহ রাঘববোয়ালরা শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, এ কারণে সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। টাঙ্গাইলের জনপ্রিয় নেতা আবদুস সালাম পিন্টুর মুক্তি দাবি করে ভূঞাপুরের এ জনসভায় খালেদা জিয়া বলেন, মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক রেখে পিন্টুর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাচ্ছে সরকার। তিনি আবদুস সালাম পিন্টু ও লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ মিথ্যা মামলায় আটক সবার মুক্তি দাবি করেন।
জোট ও সমমনা নেতারা যা বললেন : পথসভা ও জনসভায় চারদলীয় জোট এবং সমমনা দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তৃতা করেন। চারদলীয় জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ বলেন, বগুড়ার পবিত্র মাটিতে জন্মগ্রহণকারী শহীদ জিয়া দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তাই শহীদ জিয়ার উত্তরসূরি খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিহিংসাপরায়ণ এ সরকারকে উত্খাত করে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন, এখন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে কীভাবে কোন দেশের টাকার বস্তা নিয়ে ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির নির্বাচনে এই সরকার জয়ী হয়েছিল। যুদ্ধাপরাধ বা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের নামে এ সরকার দেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের নির্যাতন ও বেইজ্জতি করছে। এ ধরনের প্রতিহিংসাপরায়ণতা অতীতেও কারও কল্যাণ করেনি, এখনও করবে না। তিনি বলেন, যারা সীমান্তে ফেলানীর মতো নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখে, তাদের সঙ্গে এ সরকারের গভীর সম্পর্ক এই জাতি মেনে নেবে না।
এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, বগুড়ার সূর্যসন্তান মেজর জিয়া ’৭১-এ দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, ’৭৫-এ তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বিপর্যয়কর অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষা করেছিলেন, তাই বগুড়াবাসীর অনেক দায়িত্ব রয়েছে। বগুড়ার এই বিশাল সমাবেশই প্রমাণ করেছে গণতন্ত্র রক্ষায় বগুড়াবাসী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্পূর্ণ সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ আছে। তিনি বলেন, এ সরকার বিনা শুল্কে গোপনে ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক এবং জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা ও এডিবি সরকারকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে। এ সরকারের প্রবীণ রাষ্ট্রপতি জিল্লুুর রহমান ২২ খুনির মৃত্যুদণ্ডাদেশ রদ করেছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহার করেছেন কিন্তু খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা কোনো মামলা প্রত্যাহার করেননি। কাজেই আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত এবং ব্যর্থ সরকারকে বিদায় করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, এক বছর আগে যারা ঘড়ির কাঁটা ১১টা থেকে ১২টায় নিয়ে গিয়ে তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছিল, দেশের বারোটা বাজিয়েছিল, তাদের ক্ষমতা থেকে বিদায় দেয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। দেশজুড়ে আওয়াজ উঠেছে—‘শেখ হাসিনার দিন শেষ, খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ’।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ জিয়া দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত করেছিলেন, জাপানকে পরাজিত করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য পদে বাংলাদেশকে জিতিয়েছিলেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধে মধ্যস্থতা করেছিলেন; তাই আলজেরিয়া, তুরস্ক এবং মালেতে জিয়ার নামে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। অথচ প্রতিহিংসার বশে সরকার বাংলাদেশ থেকে এবং বাংলাদেশীদের মন থেকে জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার চক্রান্ত করছে। কিন্তু তাদের সেই অপচেষ্টা কখনও সফল হবে না।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার সন্তান তারেক রহমান বগুড়ায় হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, রাস্তাঘাট তৈরি করে বগুড়াকে বদলে দিয়েছিলেন। তাই অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় এসে তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। বর্তমানে তথাকথিত নির্বাচিত সরকার নতুন করে তাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় জড়িত করে হয়রানির অপচেষ্টা করছে। অথচ এই মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান আদালতকে জানিয়েছেন—তারেক রহমানকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। কখনও তার কাছে তিনি যাননি। অথচ আদালত অদৃশ্য ইঙ্গিতে মুফতি হান্নানের এই জবানবন্দি গ্রহণ করছে না। এ সরকার ওয়াদা ভঙ্গ করে সারাদেশে হত্যা, গুম ও খুনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। নাটোরের উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ বাবুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকার চৌধুরী আলমকে এক বছর আগে গুম করে দেয়া হয়েছে। এভাবে তারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠকে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা করছে। আগামী নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে আগামীতে কোনো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। তিনি খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটানোর সার্বিক প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।
চার দলের অপর শীর্ষনেতা খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসাহাক বলেন, রোডমার্চে লাখ লাখ লোকের সমাগমে এ সরকারের ভিত কেঁপে উঠেছে। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে লাগাতার আন্দোলনের মাধ্যমে এদের এখন বিদায় নিতে হবে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, এ সরকার ব্যর্থ সরকার। এদের ব্যর্থতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশ এক নাজুক অবস্থায় উপনীত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অবৈধ এবং গোপন চুক্তি করেছে। তাই এ সরকাকে অবিলম্বে বিদায় করে একটি গণতান্ত্রিক এবং দেশপ্রেমিক সরকার কায়েম করতে হবে।
বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে এখন ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। সীমান্তে নিয়মিতভাবে মানুষ খুন হচ্ছে। সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার বর্ডার এখন উন্মুক্ত। আমাদের সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআরকে তছনছ করা হয়েছে। ৫৭ সেনা অফিসার নিহত হয়েছেন। তাদের পরিবার-পরিজন নির্যাতিত হয়েছে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সিলেটে সফল রোডমার্চের পর থেকেই সরকার বিভিন্নভাবে জেল-জুলুমের হুমকি দিচ্ছে। তবে জেল-জুলুমের হুমকি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন থেকে আমাদের বিরত রাখা যাবে না। আগামীতে চার দলকে বাদ দিয়ে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না বা নির্বাচন করতেও দেয়া হবে না।
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, আজকের এই বিশাল সমাবেশ প্রমাণ করে ব্যর্থ, অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত এ সরকারের মরণঘণ্টা বেজে উঠেছে। এদের পতন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামছুজ্জামান দুদু জনসভায় প্রশ্ন রেখে বলেন, এ সরকার কি ১০ টাকা সের চাল, বিনামূল্যে সার কিংবা ঘরে ঘরে চাকরি দিয়েছে? যদি না দিয়ে থাকে, তাহলে এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমে পড়ুন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী আমানুল্লাহ আমান বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করা হবে এবং আগামী দিনের নেতা তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, ফ্যাসিবাদের কারণে তারেক রহমান আজ বিদেশে; মাওলানা নিজামী, মুজাহিদ এবং মাওলানা সাঈদী আজ কারাগারে। আন্দোলনের মাধ্যমে তারেককে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং প্রবীণ জাতীয় নেতাদের কারামুক্ত করা হবে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়ের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে বগুড়াসহ সারাদেশে ৬৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকারের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতায় দেশ আজ ক্রান্তিকালে উপনীত হয়েছে। কাজেই আপনারা দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর জন্য প্রস্তুত থাকুন।
জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘নৌকা এখন ফুটা-শেখ হাসিনার ভাগ্য টুটা’; তাই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পার পাওয়া যাবে না। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে তারেক আসবেন বীরের বেশে।
বগুড়া জেলা বিএনপি সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে এবং বগুড়া শহরে আজ যে বিশাল লোকসমাবেশ হয়েছে, অতীতে কোনোদিনই বগুড়ায় এত বিশাল সমাবেশ হয়নি। আগামীতে আরও একবার বগুড়ায় এ ধরনের জনসমাবেশ ঘটবে যেদিন বাংলাদেশের কৃতী সন্তান, বগুড়ার মানুষের আপনজন, জাতীয় উন্নয়নের রূপকার তারেক রহমান বগুড়ার মাটিতে পা রাখবেন।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
October
(2362)
-
▼
Oct 20
(100)
- পরীক্ষামূলক ট্রানজিট চলবে না, পদ্মা সেতুর দুর্নীতি...
- রোডমার্চে বগুড়া জনসমুদ্র by মাহাবুবুর রহমান,
- অর্থনীতিতে অনর্থ ঘটার আগে by ফারুক মঈনউদ্দীন
- দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আজও সূচক কমেছে
- গোপনে বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করছে ইরান
- জঙ্গলমহলে মাওবাদী ও যৌথ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ
- সারতের রাস্তায় প্রচণ্ড লড়াই
- ম্যালেরিয়ায় মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ কমেছে
- জুনায়েদ গোলায় বিধ্বস্ত শ্রীলংকা
- রাজবন্দীদের মুক্তির জন্য লড়াই করবেন সু চি
- ‘বিলাওয়াল জারদারিকে অপহরণের ষড়যন্ত্র হয়েছিল’
- ভড়কে দেওয়া বিশাল পাঞ্জা
- শালিতের বিনিময়ে ৪৭৭ জন ফিলিস্তিনির মুক্তি
- চট্টগ্রামেই মুখ রক্ষা by ইমাম হোসাইন সোহেল
- স্যামির আশা-হতাশা
- ফিরলেন আফ্রিদি
- মুশফিকের কণ্ঠে ৩ রানের আক্ষেপ by সঞ্জয় সাহা পিয়াল,
- সাকিবই সেরা by সারোয়ার সুমন,
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকায়
- আগামীকাল পর্যটন মেলা শুরু
- দেশীয় বাজারে ভরিতে কমেছে ১২শ' টাকা
- এটিএম সেবা দেবে ডাক বিভাগ by ওবায়দুল্লাহ রনি
- দমন-পীড়ন বিরোধী আইন প্রণয়ন করুন
- 'গণতন্ত্রের জন্য লড়াই অব্যাহত থাকবে'
- ত্রিপোলিতে হিলারির আকস্মিক সফর
- ঘরে ফিরলেন ৪৭৭ ফিলিস্তিনি বন্দি
- উপদেষ্টা কাউন্সিলে থাকবেন না অর্থমন্ত্রী
- প্রণোদনা সত্ত্বেও দর পতন অব্যাহত
- '৭৫-এর খুনিদের সহযোগীদেরও ঘৃণা করুন :প্রধানমন্ত্রী
- অর্ধেক কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা b...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে যোগায...
- মধুর প্রতিশোধ-৬১ রানেই বিধ্বস্তওয়েস্ট ইন্ডিজ by সঞ...
- এরশাদকে নিয়ে নির্বাচনের স্বপ্ন হবে গুড়েবালি-পথসভা ...
- নারী নেতৃত্বের উদাহরণ দিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টানল...
- ঝুঁকি থাকলেও অর্থনীতি ভালোই চলছে : মুহিত
- পদ্মা সেতু নিয়ে দুই নেত্রীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
- নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন-কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর বে...
- শেয়ারের দরপতন চলছেই মানববন্ধন, বিক্ষোভ-অর্থমন্ত্রী...
- কঠোর আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটানো হবে : খালেদা by শফ...
- পাটগ্রামের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী-আন্দোলনের নামে শান...
- মুখোমুখি প্রতিদিন-টিটিতে উন্নতি করতে হলে চাই দেশের...
- বিপিএলের দল কিনতে বাংলাদেশে ব্যবসা থাকতে হবে
- শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে মেসিকে নিজের ভিডিও পাঠাতে চান পেলে
- বাদলের স্বপ্নে সায় নেই সালাউদ্দিনের
- আমিরের দিকেও সন্দেহের তীর বাটের আইনজীবীর!
- প্রথম দিন পাকিস্তানের বোলারদের
- মৌসুমের প্রথম সেঞ্চুরি সিলেটের এজাজের
- গার্দিওলার স্মৃতি ফিরিয়ে নেওয়া ম্যাচও
- কোহলির দিওয়ালির উপহার
- আফ্রিদির অবসরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার
- বুড়ো হাড়ের ভেলকি by রাহেনুর ইসলাম
- সব মিলিয়েই এ জয়
- ওয়ানডে ব্যর্থতার বলি আশরাফুল
- ৫৮-এর যন্ত্রণাটা এখন আর নেই!
- তবু ৩ রানের আফসোস by নোমান মোহাম্মদ,
- কর্মসংস্থান বিলের পক্ষে ওবামার বাসযাত্রা
- 'শিক্ষামূলক' অনুষ্ঠান দুই বছরের কম বয়সীদের কাজে আ...
- ইয়ানুকোভিচের সফর বাতিল করল ইইউ
- ব্রিটেনের কয়েকটি স্কুলে মিনি স্কার্ট পরা নিষিদ্ধ
- একজনের বিনিময়ে ১০২৭ জন!
- শালিতকে ফিরে পেল ইসরায়েল মুক্তির আনন্দ ফিলিস্তিনে
- শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণা আরো দুই কম্প...
- লেনদেন কমে যাওয়ায় বিশেষজ্ঞরাও বিস্মিত-চট্টগ্রাম ...
- মিয়ানমারের মংডুতে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক অনু...
- গবেষণার ঘাটতি মেটাতে ব্যক্তি খাতের উদ্যোগ-'কথার দো...
- প্রতিযোগিতা আইনের খসড়া যাচ্ছে সংসদে-মাত্র কিছুসংখ...
- ১২ দিন পর বাজারে ইলিশ-সরবরাহ বেশি, দাম তুলনামূলক কম
- কলকাতায় বাংলাদেশি বইয়ের সুদিন-চার দিনে বিক্রি হলো ...
- আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে সরাসরি ট্রানজিটের পণ্য যাচ্ছে...
- ভাংচুর অগ্নিসংযোগ পুলিশের গুলি আহত ১৫, মামুনের দাফ...
- নাসিক নির্বাচন-২০১১ : শামীমকে সমর্থনে স্থানীয় আওয...
- শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
- বিএনপির দুর্নীতিতে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন স্থগিত করে...
- জনসভা রাজপথ একাকার by মাহাবুবুর রহমান,
- ৯৮৭৭ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানি করবে: বিপিসি-স...
- বাজার নজরদারির সুযোগ কম-* রসিদ নেই * আইন নেই * মনি...
- জবির সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধে শিবিরকে প্রশ্রয় দে...
- একনেকে প্রকল্প অনুমোদন-ডাকঘর হবে প্রযুক্তিনির্ভর প...
- রাদ্দ স্পেকট্রাম থেকে বাড়তি ৪৩১ কোটি টাকা দাবি-এ ...
- টিউবওয়েলে পানির বদলে আগুন
- বিশের আগে মেয়েদের বিবাহে নিষেধাজ্ঞার জন্য আইনের প্...
- সিইসিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল
- শোক-প্রভাবতী দাশগুপ্তা
- চলে গেলেন নাট্যজন মাহবুব হাসান
- খুলনায় প্রথম আলোর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
- বাস নেই তবু মালিক সমিতির সভাপতি-বরিশালে আরেক বাসস্...
- রংপুরে আরো দুই খুন, যুবলীগকর্মী ও রিকশা চালকের লাশ...
- রমেক হাসপাতাল-অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ইন্টার্নি চিক...
- ট্রানজিট : সরকারের কথা ও বাস্তবতায় মিল নেই by বিশ...
- ২৭ অক্টোবর মধ্যরাতের আগে সব বহিরাগতকে নারায়ণগঞ্জ ছ...
- পাবনায় রহস্যজনক হত্যার শিকার এক স্কুলশিক্ষক-বিপাকে...
- প্রধানমন্ত্রী দহগ্রাম যাচ্ছেন, সেজেছে তিনবিঘা করিড...
- শেয়ারের দরপতন অব্যাহত, কমল নিষ্পত্তির সময়-অনশন স্থগিত
- নাসিক নির্বাচন-শেষ পর্যন্ত শামীম ওসমান by পাভেল হা...
- ৫৮-র বদলা ৬১ by নোমান মোহাম্মদ,
- জামায়াতের শক্তি প্রদর্শন by লিমন বাসার,
- বগুড়ায় জনতার উদ্দেশে খালেদা জিয়া-সরকারের পতন ঘটাতে...
- ১০০ দিনে সরকার ঋণ নিল ৯৫০০ কোটি টাকা by মনজুর আহমেদ
- দ্বিতীয় দফা ধস
- তার পরও একটু অতৃপ্তি! by তারেক মাহমুদ
-
▼
Oct 20
(100)
-
▼
October
(2362)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment