Tuesday, September 13, 2011
৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই
৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই
গন্তব্য মিন্টো রোডের ডিবি অফিস
ক্যান্টনমেন্ট থানার বিশেষ রাতের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর থেকে রাতে ঘুমানো ছেড়ে দিয়েছি। এদের হাতে মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই। নয় দিনের রিমান্ডে সাত কেজি ওজন কমে গেছে। দুই হাতের চামড়া টানলেই সাপের খোলস ছাড়ানোর মতো করে উঠে যাচ্ছে। তবু জেলে এসে রিমান্ডের ডাকের অপেক্ষা করতে লাগলাম ...
ক্যান্টনমেন্ট থানার বিশেষ রাতের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর থেকে রাতে ঘুমানো ছেড়ে দিয়েছি। এদের হাতে মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই। নয় দিনের রিমান্ডে সাত কেজি ওজন কমে গেছে। দুই হাতের চামড়া টানলেই সাপের খোলস ছাড়ানোর মতো করে উঠে যাচ্ছে। তবু জেলে এসে রিমান্ডের ডাকের অপেক্ষা করতে লাগলাম ...
প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় জানলাম, আমরা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যাচ্ছি না। এবারের গন্তব্য মিন্টো রোডের ডিবি অফিস। শেখ হাসিনার আগের পাঁচ বছরের শাসনকালে সেখানেই রুবেল নামে সিদ্ধেশ্বরী এলাকার এক নিরপরাধ কলেজছাত্রকে স্থানীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর মিথ্যা অভিযোগের প্রেক্ষিতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। পুলিশেরই সোর্স জালালকে খুন করে তার মৃতদেহ ডিবি অফিসের ছাদের পানির ট্যাংকের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল। জালাল হত্যার বিচার নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক টালবাহানা করার অভিযোগে তত্কালীন পিপি অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এস কে সিনহা এক সুয়ো মোটো (ঝঁড় সড়ঃড়) রায়ে এই অব্যাহতি প্রদান করেছিলেন। কর্তব্যকাজে গাফিলতির জন্যে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেই পিপি অবশ্য ভাগ্যগুণে আজ বাংলাদেশের আইন প্রতিমন্ত্রী। ক্যান্টনমেন্ট থানায় আমার ওপর যে হত্যা প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তারই হয়তো চূড়ান্ত রূপ দেয়া হবে ডিবি’র চারদিনের রিমান্ডে। সিএমএম আদালত থেকে মিন্টো রোডের দূরত্ব বেশি নয়। সাত-পাঁচ ভাবনার মাঝখানেই প্রিজন ভ্যান ডিবি অফিসের গেট দিয়ে প্রবেশ করল। কবজি উল্টে দেখি সন্ধ্যা ছ’টা পার হয়েছে।
জীবনে প্রথমবারের মতো ডিবি অফিসে এসে দেখলাম, যথেষ্ট পুরনো এক দ্বিতল ভবন। আমাকে নিচতলার এক হাজতে নিয়ে যাওয়া হলো। হাজতের সামনেটা অফিস। তিন-চারটে চেয়ার-টেবিল পাতা রয়েছে। সেখানে সবাই কাজ করছেন। পাশে একটা লম্বা বেঞ্চও রয়েছে। সম্ভবত আসামিদের খোঁজে আগত আত্মীয়-স্বজনরা সেখান বসে অপেক্ষা করেন। আমার সঙ্গে কাঁধে ঝোলানো যায় এমন একটা ছোট সাদা ব্যাগ। ব্যাগটি ডিউটি অফিসার গ্রহণ করলেন। স্যান্ডেল খুলে খালি পায়ে আমাকে হাজতে প্রবেশ করতে হলো। এর উদ্দেশ্য হাজতের মেঝে অপরিষ্কার হওয়া থেকে রক্ষা করা হতে পারে। তবে আমার কাছে মনে হলো, ব্যাপারটি প্রচ্ছন্ন অপমানের মাধ্যমে মানসিকভাবে দুর্বল করার কৌশল। এখানে সৌভাগ্যবশত আমাকে অন্তত টুথ ব্রাশ, পেস্ট এবং সাবান সঙ্গে রাখার অনুমতি দেয়া হলো। হাজতটি আকারে ছোট হলেও একজন আসামির জন্যে যথেষ্ট। ক্যান্টনমেন্ট থানা হাজতের মতোই সেলের এক কোণে ধূলি ধূসরিত কম্বলের স্তূপ পড়ে আছে। আমি মাটিতে বসে পড়ে এদিক-ওদিক তাকাতে লাগলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে তীব্র সোঁদা গন্ধযুক্ত দুটো অতিরিক্ত কম্বল আমাকে দিয়ে বলা হলো, একটি বিছানা এবং অপরটি বালিশরূপে ব্যবহার করতে হবে। নির্দেশমত মেঝেতে কম্বল বিছিয়ে তার ওপর বসলাম। ঘরের কোণের ময়লা কম্বলের স্তূপ যথাস্থানে অব্যবহৃত পড়ে রইলো। টয়লেটে যাওয়ার জন্যে উঠলাম। সেলের লাগোয়া টয়লেট। আব্রু রক্ষার ব্যবস্থা ক্যান্টনমেন্ট থানার তুলনায় কিছুটা উন্নত হলেও টয়লেটের ভেতরের অবস্থা ভয়াবহ। মেঝে এবং প্যান সম্ভবত নির্মাণের পর থেকে কোনোদিন পরিষ্কার করা হয়নি। ময়লা জমে জমে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের গণ-টয়লেটের মতোই প্যানের ওপর ময়লা ভাসছে। টয়লেটের ভেতরে কোনো আলোর ব্যবস্থা না থাকায় এবং মেঝে ভয়াবহ রকম পিচ্ছিল হওয়ায় যে কোনো সময় পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙার আশঙ্কা প্রবল। এক কোণে পানির কল এবং টয়লেটের তাবত্ কর্ম সম্পাদনের জন্যে একটিমাত্র বদনা। কলে পানি আছে দেখে কিছুটা আশ্বস্ত হলাম। যে কাজে ঢুকেছিলাম, সেটি সম্পন্ন না করেই বার হয়ে এসে ডিউটি অফিসারকে প্যানের ময়লা যাতে পানি ঢাললে যায় অন্তত সেই ব্যবস্থাটুকু করবার অনুরোধ করলাম। জবাব পেলাম, পরেরদিন ঝাড়ুদার না আসা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে না। একটি রাত ওই পরিবেশেই আমাকে মানিয়ে নিতে হবে। কথা বাড়িয়ে লাভ নেই বিবেচনা করে সোঁদা কম্বলের আশ্রয়ে ফিরে গেলাম। জুনের প্রচণ্ড গরমে দরদর করে ঘামছি। খানিক বাদে আমার সেলের বাইরে মিউজিয়ামে যাওয়ার উপযুক্ত একটা পেডেস্টাল ফ্যান কোথা থেকে আনা হলো। অনেক কসরত্ করে সেটা আমার দিকে তাক করে চালিয়ে দেয়া হলে গারদের ফাঁক দিয়ে কিছুটা বাতাস সেলের ভেতরে প্রবাহিত হলে কৃতজ্ঞবোধ করলাম। ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনদিনে আমার শরীর থেকে যে পরিমাণ ঘাম ঝরেছে, তাতে কিডনির বারোটা বেজে যাওয়ার কথা। মশাও মনে হলো ক্যান্টনমেন্টের তুলনায় অনেক কম। ওখানে তিনদিনের অবস্থানে মশার কামড় এবং ঘামাচিতে আমার সর্বাঙ্গ ছেয়ে গেছে।
ঘণ্টাদুয়েক পর ডিবি’র কয়েকজন কর্মকর্তা এসে জানালেন, ওই রাতে আমার কোনো জিজ্ঞাসাবাদ হবে না। আমি বিশ্রাম নিতে পারি। কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনকে চিনতে পারলাম। গ্রেফতারের রাতে শত শত পুলিশের মধ্যে তিনিও ছিলেন। তাকে বিশেষভাবে মনে রাখার কারণটি হলো, গ্রেফতারের মুহূর্তে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, আমার হাত ধরেন স্যার, আপনার নিরাপত্তা আমি দেব। আমি জবাব দিয়েছিলাম, আপনি মনুষ্যমাত্র, আমি নিরাপত্তার জন্যে আল্লাহ ছাড়া আর কারও ওপর নির্ভর করি না। যাই হোক, তরুণটির নাম জানলাম। তিনি এডিসি নজরুল। রাতের আহারের প্রসঙ্গ উঠলে এক কাপ চা খেতে চাইলাম। বাসা থেকে পাঠানো ঝোলা ব্যাগের ভেতর থেকে এক প্যাকেট বিস্কুট বার করলাম। সেই বিস্কুটের প্যাকেটটি সঙ্গে রাখার অনুমতি চাইলে আবেদন মঞ্জুর হলো। ক্যান্টনমেন্ট থানায় বিশেষ রাতের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর থেকে রাতে ঘুমানো ছেড়ে দিয়েছি। এদের হাতে মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে তারপর চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই। ডিবি’র সেলের চতুর্দিকে নানান কিসিমের ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। ডিউটি অফিসারদের সঙ্গে বাক্যালাপ বিপজ্জনক। বিপদটা আসামির নয়, সেটি পুলিশ কর্মকর্তার। ওপরআলাদের কোনো রকম সন্দেহ হলেই নিদেনপক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি। গুরুতর কিছু ঘটলে চাকরিটাও যাবে। নিম্নস্তরের পুলিশ কর্মকর্তারা আমাদের সিস্টেমে সবচেয়ে অসহায় শ্রেণী। দ্বিতীয় কম্বলটা ভাঁজ করে মাথার নিচে দিয়ে ফজরের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। ঘুম তাড়ানোর জন্যে কম্বলের গন্ধই যথেষ্ট। রাত তিনটায় কম্বলশয্যা ত্যাগ করলাম।
সেলের বাইরে রাতের প্রহরীরা সবাই ঘুমাচ্ছে। কেউ চেয়ারে বসে, আর অন্যরা বেঞ্চে শুয়ে। নোংরা টয়লেটের অন্ধকারে অনেকক্ষণ ধরে গোসল করলাম। গুলশানে বাস করেও সেখানকার এলিট শ্রেণীর বিলাসিতায় অভ্যস্ত না হওয়ার সুফল পাচ্ছি গ্রেফতারের রাত থেকেই। জীবনের প্রায় শেষপ্রান্তে উপনীত হলেও গেণ্ডারিয়ার মধ্যবিত্ত পরিবারের কিশোর আমাকে কখনও ত্যাগ করে যায়নি। গোসল সেরে বেরিয়ে গারদের বাইরের সেই ফ্যানের সামনে জোড়াসনে বসলাম। মাথায় চুল কম থাকাও যে সুবিধাজনক, সেটা প্রমাণ হলো স্বল্প সময়ের মধ্যে চুল শুকিয়ে যাওয়ায়। সঙ্গে গামছা বা তোয়ালে নেই তাই শরীর মোছাও সম্ভব হয়নি। গায়ের পানি গায়েই শুকালো। বাড়ির কথা ভাবছিলাম। আগের দিনেই জেনেছি, মা এখন পর্যন্ত শক্ত থাকতে পারলেও পারভীন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রিমান্ডে আমার জীবন ধারণের অবস্থাটা জানলে দু’জনই অসুস্থ হবেন। চৈত্র মাসের কাঠফাটা গরমেও ঈষত্ গরম পানিতে গোসল করা আমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। ঠাণ্ডা পানিতে সাইনাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। ডিবি অফিসে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে তো হচ্ছেই, ভেজা শরীর শুকাচ্ছি ফ্যানের বাতাসে। ফজরের আজান এবং আমার সেলের পাশের বিশাল কড়ই গাছে আশ্রয় নেয়া অসংখ্য পাখির কিচিরমিচির সুবেহ্ সাদেকের আগমনী জানান দিল। নামাজে আল্লাহর কাছে ভিক্ষা জানালাম, আমার বন্দি জীবনে এক মুহূর্তের জন্যেও যেন জালিম সরকারের মুখাপেক্ষী হতে না হয়। জালিমের করুণা প্রত্যাশী হওয়ার পরিবর্তে আমার সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন সর্বসময় আকাঙ্ক্ষিত। ফজরের নামাজ অন্তে এক ঘণ্টা বোধহয় ঘুমাতে পেরেছিলাম। এর মধ্যেই নতুন শিফটের লোকজন এসে তাদের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছে। চেয়ার টানার শব্দ, তাদের কথোপকথন ঘুম ভাঙিয়ে দিল। রুটি, ডিমভাজি এবং রঙ চা’র বরাদ্দ দিয়ে নাস্তাপর্ব শেষ করে অন্তহীন অপেক্ষা শুরু হলো। দুপুরে কম্বলের ওপর বসে আছি। হঠাত্ দেখলাম সামনের করিডোর দিয়ে ফকরুল আলম কাঞ্চন দ্রুত হেঁটে গেল। যাওয়ার সময় মনে হলো, যেন সে আমাকে লক্ষ্য করেছে। কাঞ্চন আমাদের সংবাদপত্রের ক্রাইম বিভাগের প্রধান। মনের ভার এক নিমেষে হালকা হয়ে গেল। বাইরের পৃথিবী আমার অবস্থানটা এবার জানবে।
রাত এগারোটায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আইও নুরুল আমিন নিতে এলেন। তার সঙ্গে দোতলায় ডিসি ডিবি (উত্তর) মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গেলাম। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন এডিসি নজরুল। প্রাথমিক সৌজন্য প্রদর্শন শেষ হলে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শুরু হলো। আমি অভিযোগ জানতে চাইলাম। হিযবুত তাহরিরকে জড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ইসলামী জঙ্গিত্বের হাস্যকর অভিযোগ উত্থাপন করলেন ডিবি’র ইন্সপেক্টর নুরুল আমিন। আমার অপরাধ তিনটি। প্রথমত. হিযবুত তাহরিরের কোনো এক লিফলেটের ভাষার সঙ্গে আমার দেশ-এ প্রকাশিত সংবাদের মিল রয়েছে। দ্বিতীয়ত. আমার দেশ কার্যালয় বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল সংস্থার যে বাণিজ্যিক ভবনের ১১ তলায় অবস্থিত, সেই ভবনেরই কোনো এক তলায় হিযবুত তাহরিরের এক কথিত নেতার অফিস রয়েছে। সেই নেতা নাকি আমার সঙ্গে তাদের সংগঠনের প্রচারের উদ্দেশ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। এবং তৃতীয়ত, আমার দেশ প্রেসে হিযবুত তাহরিরের লিফলেট ছাপা হওয়ার সন্দেহ করছে পুলিশ। জবাবে আমি বললাম, আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অথবা আমার কোনো লেখা নিয়ে হিযবুত তাহরির লিফলেট তৈরি করেছে এমন কোনো সংবাদ আমার জানা নেই। আর যদি আমাদের অজ্ঞাতসারে তেমন কিছু করেও থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রে আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ উত্থাপনের কোনো সুযোগই নেই। আমার লেখা উদ্ধৃত করে ইচ্ছে করলে সরকারও লিফলেট ছাপাতে পারে। দ্বিতীয়ত, সরকারি ভবনে হিযবুত তাহরিরের লোকজন অফিস খুললে তার দায়িত্ব ভবন মালিকের, আমার নয়। তাছাড়া যে ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে, তেমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কস্মিনকালেও আমার কোনোরকম যোগাযোগ হয়নি। এমন কোনো ব্যক্তিকে আমি চিনি না। আর সর্বশেষ, সংবাদপত্রের প্রেসের যন্ত্রপাতি দিয়ে লিফলেট ছাপানো যায় না। তার জন্য ভিন্ন প্রেস লাগে। আমি এটাও বললাম, আমার বিরুদ্ধে ইসলামী সন্ত্রাসের মামলা দিয়ে আপনারা সন্ত্রাসের মতো গুরুতর ও রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক বিষয়কে খেলো করে ফেলছেন। দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এই খেলা থেকে তাদের নিবৃত্ত হতেও পরামর্শ দিলাম। হিযবুত তাহরির নিয়ে আলোচনা এখানেই সমাপ্ত হলো।
এরপর এলো আসল প্রসঙ্গ। এডিসি নজরুল জিজ্ঞাসা করলেন, আমি কেন আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী বলি এবং আমার দেশ সরকারের এত তীব্র সমালোচনা কেন করে? এই প্রশ্নের সঙ্গেই আমার গ্রেফতারের প্রকৃত কারণ প্রকাশ হয়ে গেল। আরও ঘণ্টাখানেক এই বিষয় নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা শেষে ডিসি মাহবুবুর রহমান উঠে দাঁড়িয়ে জানান দিলেন, আজ রাতের মতো জিজ্ঞাসাবাদের পালা শেষ। সেলে যখন ফিরলাম, দেখলাম একটা বেজে গেছে। পূর্বরাতের মতোই শেষ রাতে গোসল, নামাজ শেষে ঘুমিয়ে পড়লাম। সারাদিন একইভাবে কেটে গেল। সকালের নাস্তাটা কোনোক্রমে গলাধঃকরণ করলেও, ওরকম পরিবেশে ভাত খাওয়ার রুচি হয় না। অতএব খাদ্য বলতে খানিক পরপর চা এবং একটা করে বিস্কুট। রাত এগারোটায় পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে নুরুল আমিন আবারও সেল থেকে নিয়ে গেলেন। আজ অতিরিক্ত কয়েকটি কথা বললাম।
আমি সংবাদপত্রে লেখালেখি করি কেবল এই কারণেই আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী দলে পরিণত হয়ে যাচ্ছে না। জনমত এত সহজে প্রভাবিত হয় না। তাছাড়া আমি এমন কিছু শক্তিশালী লেখকও নই। বাস্তবতা হলো, দলটির শীর্ষ পর্যায় থেকে সাধারণ কর্মী পর্যন্ত প্রতিটি ব্যক্তির অসহিষ্ণু এবং চরম অগণতান্ত্রিক আচরণই জনগণকে বাধ্য করছে তাদেরকে এই বিশেষণে অভিহিত করতে। ১৯৭৫ সালে চারটি ছাড়া দেশের সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া, শত শত পুলিশ পাঠিয়ে আমার দেশ বেআইনিভাবে বন্ধ ঘোষণা করে তালা ঝুলিয়ে দেয়া, আমাকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নির্যাতন, হত্যা প্রচেষ্টা—এসবই ফ্যাসিবাদী আচরণের মধ্যে পড়ে। ক্যান্টনমেন্ট থানার ঘটনার কথা শুনে উপস্থিত তিন ডিবি কর্মকর্তাই নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। বেশ কিছুক্ষণ আমি একাই কথা বলে গেলাম। এটাও বললাম, আমার দেশকে কেন্দ্র করে সরকারের ন্যক্কারজনক আচরণ তাদের কপালে যে কলঙ্ক তিলক এঁকে দিয়েছে, সেটি আর মোছা যাবে না। দীর্ঘ তিন যুগ পর আজও যেমন করে আমরা ১৯৭৫ সালের ১৫ জুনকে সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে ঘৃণা সহকারে পালন করে থাকি, একইভাবে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম আমার দেশ বন্ধ করার অপচেষ্টার জন্যে আওয়ামী লীগকে ধিক্কার দিয়ে যাবে। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে এটাও বললাম, আমাকে হয়তো দীর্ঘদিন বন্দি করে রাখা যাবে; কিন্তু আমার দেশ বন্ধ করে রাখা সাম্রাজ্যবাদীদের সমর্থনধন্য প্রবল প্রতাপশালী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেও সম্ভব হবে না। আমার বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য না করে ডিসি মাহবুবুর রহমান বারবার বলার চেষ্টা করছিলেন, তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে জনমন থেকে ভুলিয়ে দিতেই আমার দেশ পত্রিকা সজীব ওয়াজেদ জয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি ছাপিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের পক্ষে সব কাগজপত্র আমাদের সাংবাদিকের কাছে রয়েছে এবং সুস্থ সাংবাদিকতার সব নীতিমালা মেনেই যে সংবাদটি ছাপানো হয়েছে, এ বিষয়টি জোরের সঙ্গে উল্লেখ করলাম। তাকে জানালাম, তারেক জিয়ার দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে ওই সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি কোনোক্রমেই সম্পর্কিত নয়। এ রাতেও প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হতে দেড়টা বেজে গেল। ছাড়া পেয়ে সেলে এসে সটান শুয়ে পড়লাম। পরের রাতে জিজ্ঞাসাবাদ আরও সংক্ষিপ্ত হলো। আমার বিরুদ্ধে সরকারের নতুন মামলা দায়েরের খবর পেলাম। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশের প্রেক্ষিতে দুদক মামলা করেছে। এই আইনবহির্ভূত কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রমাণ করলো তারা স্বাধীন তো নয়ই; বরং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সটেনশন মাত্র। এই প্রত্যাশিত মামলা দায়েরে কোনোরকম উদ্বেগ বোধ না করে সংবাদটি জানানোর জন্য মাহবুবুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মধ্যরাতে সেলে ফিরলাম।
১৬ জুন, দুপুর একটা। সেলে চুপচাপ বসে আছি। আইও হন্তদন্ত হয়ে এসে তৈরি হতে বললেন। তখনই আদালতে যেতে হবে। ইসলামী জঙ্গিত্বের মামলার রিমান্ড শেষ হয়েছে। আদালতে উপস্থিত হতেই আইনজীবী, সাংবাদিক আমাকে দেখে আঁেক উঠলেন। সমস্বরে বলে উঠলেন, মাহমুদ ভাই এ কী চেহারা হয়েছে আপনার! রিমান্ডের নয়দিনে আয়না দেখার সুযোগ হয়নি, তাই শুভানুধ্যায়ীদের এতখানি উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠার হেতু ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভাবলাম, নয়দিনের খোঁচা খোঁচা দাড়িতে হয়তো আমাকে ভয়ঙ্কর লাগছে। গাত্রবর্ণ ঘোর কৃষ্ণবর্ণ হওয়ায় সুদর্শন হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রিমান্ডের ধাক্কায় আজ চেহারার দিকে সম্ভবত তাকানোই যাচ্ছে না। হাসিমুখেই বললাম, আয়না তো দেখিনি, কেমন করে বলবো কী চেহারা হয়েছে। যে তরুণ ম্যাজিস্ট্রেটটি আমাকে একটানা আটদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন, তারই এজলাসে আমাকে তোলা হলো। ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে একবারের জন্যেও তাকাতে আমার ইচ্ছে হলো না। সরকার এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বিতর্কের পুরোটা সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দরজা দিয়ে সোজা বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম। রিমান্ডের যে চারদিন তখনও বাকি রয়েছে, সেটি পুরো করতে পরবর্তী অজানা গন্তব্যে যাওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে আমি দৃষ্টিপাত না করলেও তিনি সম্ভবত মাত্র ক’দিনে আমার শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করে থাকবেন। মামলার সব পক্ষকে অবাক করে আমাকে রিমান্ডে প্রেরণের পরিবর্তে জেলহাজতে পাঠিয়ে যথাযথ চিকিত্সার নির্দেশ দিয়ে বসলেন তরুণ সেই ম্যাজিস্ট্রেট। ভাবলাম সুপ্ত বিবেক হয়তো জেগে উঠেছে। আমার পক্ষের সবাই বেজায় খুশি। আমি কিন্তু কোনো আনন্দ অনুভব করছিলাম না। নয়দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতায় আমি শারীরিক ও মানসিক উভয় যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করতে অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমার কাছে রিমান্ড সমাপ্ত না করে জেলহাজতে ফিরে যাওয়াটা উটকো ঝামেলার মতো বোধ হলো। ভাবছিলাম, সবটা একবারে সাঙ্গ করে জেলে ফিরলেই তো ভালো ছিল।
সন্ধ্যা পার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সাত নম্বর সেলে ফেরার আগেই লক-আপ হয়ে গেছে। আমার প্রতিবেশীরা যার যার সেলে বন্দি। জেলে আসার প্রথম রাতের মতো ড্রামের তোলা পানিতে গোসল করে আমিও ভেতরে ঢুকে গেলাম। ডিভিশন সেল থেকে পাঠানো খাবার দিয়ে রাতের আহার শেষ করেই ঘুমিয়ে পড়লাম। দীর্ঘ নয় রাত পর এই ঘুম। নির্যাতন কিংবা হত্যার আশঙ্কা নেই এমন পরিবেশে ফিরে আসতে পেরে ঘুমটা লম্বাই হলো। সকালে উঠে নাস্তার পাট শেষ না হতেই জেল হাসপাতালের ডাক্তার এসে হাজির। আমার দিকে একনজর তাকিয়েই হাসপাতালে গিয়ে অন্তত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাতে অনুরোধ করলেন। কথা না বাড়িয়ে ডাক্তারের সঙ্গে গেলাম। প্রথমেই ওজন পরীক্ষা। নয় দিনের রিমান্ডে ওজনের দশ শতাংশ অর্থাত্ সাত কেজি কমে গেছে। অথচ ডায়াবেটিস পাওয়া গেল না। তবে দুই হাতের চামড়া টানলেই সাপের খোলস ছাড়ানোর মতো করে উঠে যাচ্ছে। অবাক কাণ্ড, আমি একটুও দুর্বল বোধ করছি না। সমস্যার মধ্যে কোমরে এবং ঘাড়ে স্পনিডলাইটিসের পুরনো ব্যথাটা বেশ বেড়েছে। তারপরও আমি রিমান্ডে যাওয়ার জন্যে উদগ্রীব। জালিমকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি আমার শারীরিক অক্ষমতাকে অতিক্রম করে গেছে। ডাক্তারদের বললাম, সুপারের মাধ্যমে ডিবি অফিসে আমার সুস্থতার সংবাদ জানিয়ে দিতে। তারা কিছুতেই সম্মত না হয়ে পিজি থেকে ডাক্তার ডাকার সিদ্ধান্ত নিলেন। একদিন পর পিজির ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে বেশকিছু বেদনানাশক এবং বলবর্ধক ওষুধ পাঠালে আমি সেগুলো ছেঁড়া কাগজের ঝুড়িতে নিক্ষেপ করলাম। নিশিতে পাওয়া মানুষের মতো জেলে বসে রিমান্ডের ডাকের অপেক্ষা করতে লাগলাম।
জীবনে প্রথমবারের মতো ডিবি অফিসে এসে দেখলাম, যথেষ্ট পুরনো এক দ্বিতল ভবন। আমাকে নিচতলার এক হাজতে নিয়ে যাওয়া হলো। হাজতের সামনেটা অফিস। তিন-চারটে চেয়ার-টেবিল পাতা রয়েছে। সেখানে সবাই কাজ করছেন। পাশে একটা লম্বা বেঞ্চও রয়েছে। সম্ভবত আসামিদের খোঁজে আগত আত্মীয়-স্বজনরা সেখান বসে অপেক্ষা করেন। আমার সঙ্গে কাঁধে ঝোলানো যায় এমন একটা ছোট সাদা ব্যাগ। ব্যাগটি ডিউটি অফিসার গ্রহণ করলেন। স্যান্ডেল খুলে খালি পায়ে আমাকে হাজতে প্রবেশ করতে হলো। এর উদ্দেশ্য হাজতের মেঝে অপরিষ্কার হওয়া থেকে রক্ষা করা হতে পারে। তবে আমার কাছে মনে হলো, ব্যাপারটি প্রচ্ছন্ন অপমানের মাধ্যমে মানসিকভাবে দুর্বল করার কৌশল। এখানে সৌভাগ্যবশত আমাকে অন্তত টুথ ব্রাশ, পেস্ট এবং সাবান সঙ্গে রাখার অনুমতি দেয়া হলো। হাজতটি আকারে ছোট হলেও একজন আসামির জন্যে যথেষ্ট। ক্যান্টনমেন্ট থানা হাজতের মতোই সেলের এক কোণে ধূলি ধূসরিত কম্বলের স্তূপ পড়ে আছে। আমি মাটিতে বসে পড়ে এদিক-ওদিক তাকাতে লাগলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে তীব্র সোঁদা গন্ধযুক্ত দুটো অতিরিক্ত কম্বল আমাকে দিয়ে বলা হলো, একটি বিছানা এবং অপরটি বালিশরূপে ব্যবহার করতে হবে। নির্দেশমত মেঝেতে কম্বল বিছিয়ে তার ওপর বসলাম। ঘরের কোণের ময়লা কম্বলের স্তূপ যথাস্থানে অব্যবহৃত পড়ে রইলো। টয়লেটে যাওয়ার জন্যে উঠলাম। সেলের লাগোয়া টয়লেট। আব্রু রক্ষার ব্যবস্থা ক্যান্টনমেন্ট থানার তুলনায় কিছুটা উন্নত হলেও টয়লেটের ভেতরের অবস্থা ভয়াবহ। মেঝে এবং প্যান সম্ভবত নির্মাণের পর থেকে কোনোদিন পরিষ্কার করা হয়নি। ময়লা জমে জমে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের গণ-টয়লেটের মতোই প্যানের ওপর ময়লা ভাসছে। টয়লেটের ভেতরে কোনো আলোর ব্যবস্থা না থাকায় এবং মেঝে ভয়াবহ রকম পিচ্ছিল হওয়ায় যে কোনো সময় পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙার আশঙ্কা প্রবল। এক কোণে পানির কল এবং টয়লেটের তাবত্ কর্ম সম্পাদনের জন্যে একটিমাত্র বদনা। কলে পানি আছে দেখে কিছুটা আশ্বস্ত হলাম। যে কাজে ঢুকেছিলাম, সেটি সম্পন্ন না করেই বার হয়ে এসে ডিউটি অফিসারকে প্যানের ময়লা যাতে পানি ঢাললে যায় অন্তত সেই ব্যবস্থাটুকু করবার অনুরোধ করলাম। জবাব পেলাম, পরেরদিন ঝাড়ুদার না আসা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে না। একটি রাত ওই পরিবেশেই আমাকে মানিয়ে নিতে হবে। কথা বাড়িয়ে লাভ নেই বিবেচনা করে সোঁদা কম্বলের আশ্রয়ে ফিরে গেলাম। জুনের প্রচণ্ড গরমে দরদর করে ঘামছি। খানিক বাদে আমার সেলের বাইরে মিউজিয়ামে যাওয়ার উপযুক্ত একটা পেডেস্টাল ফ্যান কোথা থেকে আনা হলো। অনেক কসরত্ করে সেটা আমার দিকে তাক করে চালিয়ে দেয়া হলে গারদের ফাঁক দিয়ে কিছুটা বাতাস সেলের ভেতরে প্রবাহিত হলে কৃতজ্ঞবোধ করলাম। ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনদিনে আমার শরীর থেকে যে পরিমাণ ঘাম ঝরেছে, তাতে কিডনির বারোটা বেজে যাওয়ার কথা। মশাও মনে হলো ক্যান্টনমেন্টের তুলনায় অনেক কম। ওখানে তিনদিনের অবস্থানে মশার কামড় এবং ঘামাচিতে আমার সর্বাঙ্গ ছেয়ে গেছে।
ঘণ্টাদুয়েক পর ডিবি’র কয়েকজন কর্মকর্তা এসে জানালেন, ওই রাতে আমার কোনো জিজ্ঞাসাবাদ হবে না। আমি বিশ্রাম নিতে পারি। কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনকে চিনতে পারলাম। গ্রেফতারের রাতে শত শত পুলিশের মধ্যে তিনিও ছিলেন। তাকে বিশেষভাবে মনে রাখার কারণটি হলো, গ্রেফতারের মুহূর্তে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, আমার হাত ধরেন স্যার, আপনার নিরাপত্তা আমি দেব। আমি জবাব দিয়েছিলাম, আপনি মনুষ্যমাত্র, আমি নিরাপত্তার জন্যে আল্লাহ ছাড়া আর কারও ওপর নির্ভর করি না। যাই হোক, তরুণটির নাম জানলাম। তিনি এডিসি নজরুল। রাতের আহারের প্রসঙ্গ উঠলে এক কাপ চা খেতে চাইলাম। বাসা থেকে পাঠানো ঝোলা ব্যাগের ভেতর থেকে এক প্যাকেট বিস্কুট বার করলাম। সেই বিস্কুটের প্যাকেটটি সঙ্গে রাখার অনুমতি চাইলে আবেদন মঞ্জুর হলো। ক্যান্টনমেন্ট থানায় বিশেষ রাতের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর থেকে রাতে ঘুমানো ছেড়ে দিয়েছি। এদের হাতে মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে তারপর চিরতরে চোখ বন্ধ করতে চাই। ডিবি’র সেলের চতুর্দিকে নানান কিসিমের ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। ডিউটি অফিসারদের সঙ্গে বাক্যালাপ বিপজ্জনক। বিপদটা আসামির নয়, সেটি পুলিশ কর্মকর্তার। ওপরআলাদের কোনো রকম সন্দেহ হলেই নিদেনপক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি। গুরুতর কিছু ঘটলে চাকরিটাও যাবে। নিম্নস্তরের পুলিশ কর্মকর্তারা আমাদের সিস্টেমে সবচেয়ে অসহায় শ্রেণী। দ্বিতীয় কম্বলটা ভাঁজ করে মাথার নিচে দিয়ে ফজরের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। ঘুম তাড়ানোর জন্যে কম্বলের গন্ধই যথেষ্ট। রাত তিনটায় কম্বলশয্যা ত্যাগ করলাম।
সেলের বাইরে রাতের প্রহরীরা সবাই ঘুমাচ্ছে। কেউ চেয়ারে বসে, আর অন্যরা বেঞ্চে শুয়ে। নোংরা টয়লেটের অন্ধকারে অনেকক্ষণ ধরে গোসল করলাম। গুলশানে বাস করেও সেখানকার এলিট শ্রেণীর বিলাসিতায় অভ্যস্ত না হওয়ার সুফল পাচ্ছি গ্রেফতারের রাত থেকেই। জীবনের প্রায় শেষপ্রান্তে উপনীত হলেও গেণ্ডারিয়ার মধ্যবিত্ত পরিবারের কিশোর আমাকে কখনও ত্যাগ করে যায়নি। গোসল সেরে বেরিয়ে গারদের বাইরের সেই ফ্যানের সামনে জোড়াসনে বসলাম। মাথায় চুল কম থাকাও যে সুবিধাজনক, সেটা প্রমাণ হলো স্বল্প সময়ের মধ্যে চুল শুকিয়ে যাওয়ায়। সঙ্গে গামছা বা তোয়ালে নেই তাই শরীর মোছাও সম্ভব হয়নি। গায়ের পানি গায়েই শুকালো। বাড়ির কথা ভাবছিলাম। আগের দিনেই জেনেছি, মা এখন পর্যন্ত শক্ত থাকতে পারলেও পারভীন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রিমান্ডে আমার জীবন ধারণের অবস্থাটা জানলে দু’জনই অসুস্থ হবেন। চৈত্র মাসের কাঠফাটা গরমেও ঈষত্ গরম পানিতে গোসল করা আমার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। ঠাণ্ডা পানিতে সাইনাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। ডিবি অফিসে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে তো হচ্ছেই, ভেজা শরীর শুকাচ্ছি ফ্যানের বাতাসে। ফজরের আজান এবং আমার সেলের পাশের বিশাল কড়ই গাছে আশ্রয় নেয়া অসংখ্য পাখির কিচিরমিচির সুবেহ্ সাদেকের আগমনী জানান দিল। নামাজে আল্লাহর কাছে ভিক্ষা জানালাম, আমার বন্দি জীবনে এক মুহূর্তের জন্যেও যেন জালিম সরকারের মুখাপেক্ষী হতে না হয়। জালিমের করুণা প্রত্যাশী হওয়ার পরিবর্তে আমার সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন সর্বসময় আকাঙ্ক্ষিত। ফজরের নামাজ অন্তে এক ঘণ্টা বোধহয় ঘুমাতে পেরেছিলাম। এর মধ্যেই নতুন শিফটের লোকজন এসে তাদের দায়িত্ব বুঝে নিচ্ছে। চেয়ার টানার শব্দ, তাদের কথোপকথন ঘুম ভাঙিয়ে দিল। রুটি, ডিমভাজি এবং রঙ চা’র বরাদ্দ দিয়ে নাস্তাপর্ব শেষ করে অন্তহীন অপেক্ষা শুরু হলো। দুপুরে কম্বলের ওপর বসে আছি। হঠাত্ দেখলাম সামনের করিডোর দিয়ে ফকরুল আলম কাঞ্চন দ্রুত হেঁটে গেল। যাওয়ার সময় মনে হলো, যেন সে আমাকে লক্ষ্য করেছে। কাঞ্চন আমাদের সংবাদপত্রের ক্রাইম বিভাগের প্রধান। মনের ভার এক নিমেষে হালকা হয়ে গেল। বাইরের পৃথিবী আমার অবস্থানটা এবার জানবে।
রাত এগারোটায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আইও নুরুল আমিন নিতে এলেন। তার সঙ্গে দোতলায় ডিসি ডিবি (উত্তর) মাহবুবুর রহমানের কক্ষে গেলাম। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন এডিসি নজরুল। প্রাথমিক সৌজন্য প্রদর্শন শেষ হলে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শুরু হলো। আমি অভিযোগ জানতে চাইলাম। হিযবুত তাহরিরকে জড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ইসলামী জঙ্গিত্বের হাস্যকর অভিযোগ উত্থাপন করলেন ডিবি’র ইন্সপেক্টর নুরুল আমিন। আমার অপরাধ তিনটি। প্রথমত. হিযবুত তাহরিরের কোনো এক লিফলেটের ভাষার সঙ্গে আমার দেশ-এ প্রকাশিত সংবাদের মিল রয়েছে। দ্বিতীয়ত. আমার দেশ কার্যালয় বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল সংস্থার যে বাণিজ্যিক ভবনের ১১ তলায় অবস্থিত, সেই ভবনেরই কোনো এক তলায় হিযবুত তাহরিরের এক কথিত নেতার অফিস রয়েছে। সেই নেতা নাকি আমার সঙ্গে তাদের সংগঠনের প্রচারের উদ্দেশ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। এবং তৃতীয়ত, আমার দেশ প্রেসে হিযবুত তাহরিরের লিফলেট ছাপা হওয়ার সন্দেহ করছে পুলিশ। জবাবে আমি বললাম, আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অথবা আমার কোনো লেখা নিয়ে হিযবুত তাহরির লিফলেট তৈরি করেছে এমন কোনো সংবাদ আমার জানা নেই। আর যদি আমাদের অজ্ঞাতসারে তেমন কিছু করেও থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রে আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ উত্থাপনের কোনো সুযোগই নেই। আমার লেখা উদ্ধৃত করে ইচ্ছে করলে সরকারও লিফলেট ছাপাতে পারে। দ্বিতীয়ত, সরকারি ভবনে হিযবুত তাহরিরের লোকজন অফিস খুললে তার দায়িত্ব ভবন মালিকের, আমার নয়। তাছাড়া যে ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে, তেমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কস্মিনকালেও আমার কোনোরকম যোগাযোগ হয়নি। এমন কোনো ব্যক্তিকে আমি চিনি না। আর সর্বশেষ, সংবাদপত্রের প্রেসের যন্ত্রপাতি দিয়ে লিফলেট ছাপানো যায় না। তার জন্য ভিন্ন প্রেস লাগে। আমি এটাও বললাম, আমার বিরুদ্ধে ইসলামী সন্ত্রাসের মামলা দিয়ে আপনারা সন্ত্রাসের মতো গুরুতর ও রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক বিষয়কে খেলো করে ফেলছেন। দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এই খেলা থেকে তাদের নিবৃত্ত হতেও পরামর্শ দিলাম। হিযবুত তাহরির নিয়ে আলোচনা এখানেই সমাপ্ত হলো।
এরপর এলো আসল প্রসঙ্গ। এডিসি নজরুল জিজ্ঞাসা করলেন, আমি কেন আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী বলি এবং আমার দেশ সরকারের এত তীব্র সমালোচনা কেন করে? এই প্রশ্নের সঙ্গেই আমার গ্রেফতারের প্রকৃত কারণ প্রকাশ হয়ে গেল। আরও ঘণ্টাখানেক এই বিষয় নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা শেষে ডিসি মাহবুবুর রহমান উঠে দাঁড়িয়ে জানান দিলেন, আজ রাতের মতো জিজ্ঞাসাবাদের পালা শেষ। সেলে যখন ফিরলাম, দেখলাম একটা বেজে গেছে। পূর্বরাতের মতোই শেষ রাতে গোসল, নামাজ শেষে ঘুমিয়ে পড়লাম। সারাদিন একইভাবে কেটে গেল। সকালের নাস্তাটা কোনোক্রমে গলাধঃকরণ করলেও, ওরকম পরিবেশে ভাত খাওয়ার রুচি হয় না। অতএব খাদ্য বলতে খানিক পরপর চা এবং একটা করে বিস্কুট। রাত এগারোটায় পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে নুরুল আমিন আবারও সেল থেকে নিয়ে গেলেন। আজ অতিরিক্ত কয়েকটি কথা বললাম।
আমি সংবাদপত্রে লেখালেখি করি কেবল এই কারণেই আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী দলে পরিণত হয়ে যাচ্ছে না। জনমত এত সহজে প্রভাবিত হয় না। তাছাড়া আমি এমন কিছু শক্তিশালী লেখকও নই। বাস্তবতা হলো, দলটির শীর্ষ পর্যায় থেকে সাধারণ কর্মী পর্যন্ত প্রতিটি ব্যক্তির অসহিষ্ণু এবং চরম অগণতান্ত্রিক আচরণই জনগণকে বাধ্য করছে তাদেরকে এই বিশেষণে অভিহিত করতে। ১৯৭৫ সালে চারটি ছাড়া দেশের সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া, শত শত পুলিশ পাঠিয়ে আমার দেশ বেআইনিভাবে বন্ধ ঘোষণা করে তালা ঝুলিয়ে দেয়া, আমাকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নির্যাতন, হত্যা প্রচেষ্টা—এসবই ফ্যাসিবাদী আচরণের মধ্যে পড়ে। ক্যান্টনমেন্ট থানার ঘটনার কথা শুনে উপস্থিত তিন ডিবি কর্মকর্তাই নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। বেশ কিছুক্ষণ আমি একাই কথা বলে গেলাম। এটাও বললাম, আমার দেশকে কেন্দ্র করে সরকারের ন্যক্কারজনক আচরণ তাদের কপালে যে কলঙ্ক তিলক এঁকে দিয়েছে, সেটি আর মোছা যাবে না। দীর্ঘ তিন যুগ পর আজও যেমন করে আমরা ১৯৭৫ সালের ১৫ জুনকে সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে ঘৃণা সহকারে পালন করে থাকি, একইভাবে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম আমার দেশ বন্ধ করার অপচেষ্টার জন্যে আওয়ামী লীগকে ধিক্কার দিয়ে যাবে। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে এটাও বললাম, আমাকে হয়তো দীর্ঘদিন বন্দি করে রাখা যাবে; কিন্তু আমার দেশ বন্ধ করে রাখা সাম্রাজ্যবাদীদের সমর্থনধন্য প্রবল প্রতাপশালী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষেও সম্ভব হবে না। আমার বক্তব্যের ওপর কোনো মন্তব্য না করে ডিসি মাহবুবুর রহমান বারবার বলার চেষ্টা করছিলেন, তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগকে জনমন থেকে ভুলিয়ে দিতেই আমার দেশ পত্রিকা সজীব ওয়াজেদ জয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি ছাপিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের পক্ষে সব কাগজপত্র আমাদের সাংবাদিকের কাছে রয়েছে এবং সুস্থ সাংবাদিকতার সব নীতিমালা মেনেই যে সংবাদটি ছাপানো হয়েছে, এ বিষয়টি জোরের সঙ্গে উল্লেখ করলাম। তাকে জানালাম, তারেক জিয়ার দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে ওই সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি কোনোক্রমেই সম্পর্কিত নয়। এ রাতেও প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হতে দেড়টা বেজে গেল। ছাড়া পেয়ে সেলে এসে সটান শুয়ে পড়লাম। পরের রাতে জিজ্ঞাসাবাদ আরও সংক্ষিপ্ত হলো। আমার বিরুদ্ধে সরকারের নতুন মামলা দায়েরের খবর পেলাম। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশের প্রেক্ষিতে দুদক মামলা করেছে। এই আইনবহির্ভূত কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রমাণ করলো তারা স্বাধীন তো নয়ই; বরং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সটেনশন মাত্র। এই প্রত্যাশিত মামলা দায়েরে কোনোরকম উদ্বেগ বোধ না করে সংবাদটি জানানোর জন্য মাহবুবুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মধ্যরাতে সেলে ফিরলাম।
১৬ জুন, দুপুর একটা। সেলে চুপচাপ বসে আছি। আইও হন্তদন্ত হয়ে এসে তৈরি হতে বললেন। তখনই আদালতে যেতে হবে। ইসলামী জঙ্গিত্বের মামলার রিমান্ড শেষ হয়েছে। আদালতে উপস্থিত হতেই আইনজীবী, সাংবাদিক আমাকে দেখে আঁেক উঠলেন। সমস্বরে বলে উঠলেন, মাহমুদ ভাই এ কী চেহারা হয়েছে আপনার! রিমান্ডের নয়দিনে আয়না দেখার সুযোগ হয়নি, তাই শুভানুধ্যায়ীদের এতখানি উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠার হেতু ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভাবলাম, নয়দিনের খোঁচা খোঁচা দাড়িতে হয়তো আমাকে ভয়ঙ্কর লাগছে। গাত্রবর্ণ ঘোর কৃষ্ণবর্ণ হওয়ায় সুদর্শন হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রিমান্ডের ধাক্কায় আজ চেহারার দিকে সম্ভবত তাকানোই যাচ্ছে না। হাসিমুখেই বললাম, আয়না তো দেখিনি, কেমন করে বলবো কী চেহারা হয়েছে। যে তরুণ ম্যাজিস্ট্রেটটি আমাকে একটানা আটদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন, তারই এজলাসে আমাকে তোলা হলো। ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে একবারের জন্যেও তাকাতে আমার ইচ্ছে হলো না। সরকার এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বিতর্কের পুরোটা সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দরজা দিয়ে সোজা বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম। রিমান্ডের যে চারদিন তখনও বাকি রয়েছে, সেটি পুরো করতে পরবর্তী অজানা গন্তব্যে যাওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। ম্যাজিস্ট্রেটের দিকে আমি দৃষ্টিপাত না করলেও তিনি সম্ভবত মাত্র ক’দিনে আমার শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করে থাকবেন। মামলার সব পক্ষকে অবাক করে আমাকে রিমান্ডে প্রেরণের পরিবর্তে জেলহাজতে পাঠিয়ে যথাযথ চিকিত্সার নির্দেশ দিয়ে বসলেন তরুণ সেই ম্যাজিস্ট্রেট। ভাবলাম সুপ্ত বিবেক হয়তো জেগে উঠেছে। আমার পক্ষের সবাই বেজায় খুশি। আমি কিন্তু কোনো আনন্দ অনুভব করছিলাম না। নয়দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতায় আমি শারীরিক ও মানসিক উভয় যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করতে অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমার কাছে রিমান্ড সমাপ্ত না করে জেলহাজতে ফিরে যাওয়াটা উটকো ঝামেলার মতো বোধ হলো। ভাবছিলাম, সবটা একবারে সাঙ্গ করে জেলে ফিরলেই তো ভালো ছিল।
সন্ধ্যা পার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সাত নম্বর সেলে ফেরার আগেই লক-আপ হয়ে গেছে। আমার প্রতিবেশীরা যার যার সেলে বন্দি। জেলে আসার প্রথম রাতের মতো ড্রামের তোলা পানিতে গোসল করে আমিও ভেতরে ঢুকে গেলাম। ডিভিশন সেল থেকে পাঠানো খাবার দিয়ে রাতের আহার শেষ করেই ঘুমিয়ে পড়লাম। দীর্ঘ নয় রাত পর এই ঘুম। নির্যাতন কিংবা হত্যার আশঙ্কা নেই এমন পরিবেশে ফিরে আসতে পেরে ঘুমটা লম্বাই হলো। সকালে উঠে নাস্তার পাট শেষ না হতেই জেল হাসপাতালের ডাক্তার এসে হাজির। আমার দিকে একনজর তাকিয়েই হাসপাতালে গিয়ে অন্তত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাতে অনুরোধ করলেন। কথা না বাড়িয়ে ডাক্তারের সঙ্গে গেলাম। প্রথমেই ওজন পরীক্ষা। নয় দিনের রিমান্ডে ওজনের দশ শতাংশ অর্থাত্ সাত কেজি কমে গেছে। অথচ ডায়াবেটিস পাওয়া গেল না। তবে দুই হাতের চামড়া টানলেই সাপের খোলস ছাড়ানোর মতো করে উঠে যাচ্ছে। অবাক কাণ্ড, আমি একটুও দুর্বল বোধ করছি না। সমস্যার মধ্যে কোমরে এবং ঘাড়ে স্পনিডলাইটিসের পুরনো ব্যথাটা বেশ বেড়েছে। তারপরও আমি রিমান্ডে যাওয়ার জন্যে উদগ্রীব। জালিমকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি আমার শারীরিক অক্ষমতাকে অতিক্রম করে গেছে। ডাক্তারদের বললাম, সুপারের মাধ্যমে ডিবি অফিসে আমার সুস্থতার সংবাদ জানিয়ে দিতে। তারা কিছুতেই সম্মত না হয়ে পিজি থেকে ডাক্তার ডাকার সিদ্ধান্ত নিলেন। একদিন পর পিজির ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে বেশকিছু বেদনানাশক এবং বলবর্ধক ওষুধ পাঠালে আমি সেগুলো ছেঁড়া কাগজের ঝুড়িতে নিক্ষেপ করলাম। নিশিতে পাওয়া মানুষের মতো জেলে বসে রিমান্ডের ডাকের অপেক্ষা করতে লাগলাম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1468)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 13
(122)
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ আদালতের মর্যাদা
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ট্রানজি...
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ সুশাসন নির্বাসনে
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশে আক্র...
- বিচারপতিদের চিকি ৎ সাভাতা-বিতর্ক by মিজানুর রহমান খান
- কৌতুকের ছলে, কথা যাই বলে আনিসুল হক
- ফ্রান্সের পরমাণু কেন্দ্রে বিস্ফোরণ একজন নিহত
- মমতাকে একহাত নিলেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী
- স্ত্রস-কানকে জেরা করেছে ফ্রান্সের পুলিশ
- ধর্মীয় সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ!
- জয়ললিতাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ
- সিরিয়ায় এ পর্যন্ত নিহত ২৬০০
- কেনিয়ায় আগুনে ১২০ জনের মৃত্যু
- তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর মিসর সফর শুরু
- কোনো রুশকে যুক্তরাজ্যের কাছে হস্তান্তর সম্ভব নয়
- আফগান পুলিশ ভক্ষকে পরিণত হয়েছে
- বাংলাদেশের বাজে শুরু
- আবারও ব্লেকের ৯.৮২
- চ্যাম্পিয়ন ভারত
- জেএফএ কাপ ফুটবল
- ৪৮০০ স্কুলের প্রতিযোগিতা
- বানিকের পাঠশালায় ইয়ামিনরা
- নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে মহিলা দলের ক্যাম্প
- বর্ষসেরা ক্রিকেটার ট্রট
- শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির জয়
- এক অস্ট্রেলীয়র যুক্তরাষ্ট্র জয়
- জার্মানিই ব্রাজিলের বড় চ্যালেঞ্জ
- শুরুতেই বার্সা-মিলান রোমাঞ্চ
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে...
- ১- সাত নম্বর সেলের দুই নম্বর কুঠুরি থেকে নিষ্পলক ত...
- ২- দরজার ওপারে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র আর এপারে সাংবাদি...
- ৩- ভোরের আজানের ধ্বনি আমাকে সেই ভরসাই দিয়ে গেল
- ৪- টুকরো কাগজগুলো পাশের সেলের বাবুকে দিয়ে বললাম যদ...
- ৫- এমন বেইনসাফিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার কথা
- ৬- রিমান্ডের বিভীষিকা
- ৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
- ৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চ...
- ৯- যদি রাষ্ট্রদ্রোহ করেই থাকি, মহাজোট সরকারের উচিত...
- ১০- চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো আমাকে নেয়া হলো জিজ্ঞা...
- ১১- টিএফআই সেলে নেয়ার বৈধতার প্রশ্ন কোর্টে তুললে স...
- ১২- রিমান্ডে নির্যাতন বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দে...
- ১৩- সরকারের হেফাজতে সব মৃত্যুর হিসাব দিতে হয় না সে...
- ১৪- চোখ বাঁধা প্রবীণ রাজনীতিকের পায়ের নখ উপড়ে ফেলা...
- ১৫- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ এখন তামাশা :...
- ১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা...
- ১৭- মন্তব্য প্রতিবেদন : ফি চাওয়া অসভ্যতা, খুন করলে...
- ১৮- সহকর্মীদের বললাম জেল আমি একাই খাটবো : যে কোনো ...
- ১৯- এখন থেকে প্রতি বছর জুনে একটি নয় দু’টি করে কালো...
- ২০- কোনো সরকারই যে চিরস্থায়ী নয় : জেল কর্মকর্তাদের...
- ২১- জেলের কঠিন জীবনযাপন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমার ...
- ২২- হঠাৎই জেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিল, জামায়াত নেত...
- ২৩- সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বোধ...
- ২৪- সরকারপক্ষ সময় পেল চারদিন : আমার বক্তব্যের জন্য...
- ২৫- ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বললেন বেঁচে গেলেন ফাঁসি...
- ২৬- জীবনসায়াহ্নে এসে না হয় নির্বোধের মতো আদালতকথিত...
- ২৭- পশ্চিমা সরকারগুলো বাংলাদেশে মানবাধিকার ও বাকস্...
- ২৮- সাহিরর সময় কারারক্ষীর চাবির গোছার ঝনঝন শব্দে স...
- ২৯- এক-এগারোর কুশীলবরা দুর্নীতি দমনের ছদ্মবেশে জাত...
- ৩০- সুপ্রিমকোর্ট অঙ্গনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকে আদালত অব...
- ৩২- বিশেষ উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের আমলে সব নিরাপত...
- ৩৩- রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী
- ৩৪- পিসি বাণিজ্যে বছরে কোটি কোটি টাকার ভাগাভাগি বর...
- ৩৫- দরিদ্র বন্দিদের অনেকেই জানে না তাদের অসহায় স্ত...
- ৩৬- সুবিধাবাদ আমাদের অস্থিমজ্জায়, ফ্যাসিবাদের সঙ্গ...
- ৩৭- তিনদিন পার হলেও জেল থেকে উধাও আসামির হদিস বের ...
- ৩৮- কনডেম সেলের মতো ভীতিকর স্থানে পর পর দুই কারারক...
- ৩৯- ফ্যাসিবাদের পক্ষের সংবাদকর্মীরও অভাব নেই ফলে শ...
- ৪০- যারা অবিচার করেছেন, নির্মোহ ইতিহাস তাদের অবশ্য...
- ৪১- দেশকে অকার্যকর প্রমাণে সরকার যে বদ্ধপরিকর : জন...
- ৪২- ফ্যাসিবাদী সরকার যত গণবিচ্ছিন্ন হয় তাদের মধ্যে...
- ৪৩- দিনবদলের ধাক্কায় ‘কমিউনিস্ট সুশীল’ লেবাস পাল্ট...
- ৪৪- আমাকে গ্রেফতার ও খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছে...
- ৪৫- পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মহোত্সব চ...
- ১- লড়াই বিফলে যায়নি, আমার দুর্বল কণ্ঠ : ইউরোপ-আমের...
- ২- এই বিচারকই সংবিধান থেকে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও ব...
- ৩- আদালত অবমাননা মামলায় আমার সাজা প্রতিটি সংবাদকর্...
- ৪- বাংলাদেশ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদীদের নীতি সম্পূর্...
- ৫- কাশিমপুর জেল আমি তৈরি হতে দেখেছি ভাবিনি কয়েদি হ...
- ৬- রাজনীতিকদের গ্রেফতার নির্যাতনে পত্রিকা দু’টির স...
- ৭- জ্ঞাতি ভাইকে খুন করে আসা সেবক কালামকে দেখে গা ছ...
- ৮- এক শেয়ারবাজার থেকেই আওয়ামী রথী-মহারথীরা লুটে নি...
- ৯- যে সরকার নাগরিককে ক্রসফায়ারে পাঠায় তারাই ভয়াবহ ...
- ১০- জেল সুপারের বাড়ি ‘পুণ্যভূমি’ গোপালগঞ্জে আমার ক...
- ১১- সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাসের কারণেই গঠন করা হয়...
- ১২- মুক্তি পেলেও ইসলামবিদ্বেষী এই সরকার আমাকে হজে ...
- ১৩- স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা ‘আমার দেশ’-এর প্রবেশ...
- ১৪- এজলাস ভাঙচুর করে পুরস্কৃত হলেন এক আইনজীবী : এভ...
- ১৫- সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকলেই নাকি মুক্তিযুদ্ধের ...
- ১৬- চরম দলীয়করণের ফলে দেশে ইনসাফ পাওয়ার পথ সবদিক দ...
- ১৭- লাখ টাকা দিয়ে মৃত্যু কিনেছিল হোন্ডা বাবু
- ১৮- পশ্চিমাদের ব্ল্যাংক চেক পেলেও ড. ইউনূসের ছায়া ...
- ১৯- শেয়ারবাজারের লুণ্ঠন করা টাকা লন্ডন কানাডা আমের...
- ২০- প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উচ্চ আদালতের মান আবার ...
- ২১- চলনবিলে মাইল মাইল সর্ষেফুলের সৌন্দর্য দেখে মুগ...
- ২২- অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে দু’টি দিন কাটানো গেলে আসামে...
- ২৩- সর্বস্ব নেয়ার পরও ক্ষমতাসীনদের হাহুতাশ : ভারতে...
- ২৪- স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে...
- ২৫- টিআইবি যে বিচার বিভাগের হাঁড়ি হাটে ভাঙলো এখন ত...
- ২৬- প্রেস ক্লাব নির্বাচনে বাকস্বাধীনতার পক্ষের লড়া...
- ২৭- প্রিজন ভ্যান একটু এগোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল : সামন...
- ২৮- পুরো সিস্টেম ভেঙে নতুন নির্মাণ ছাড়া বিচার বিভা...
- ২৯- বর্তমান সরকারের আমলে দেশে রীতিমত হরির লুট চলছে
- প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে আরব লিগের প্রধানের বৈঠক
- ৩০- শুধু ভারতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেই হবে না অব্যা...
- আশঙ্কা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে জাঁকালো ফ্যাশন শো
- সারকোজির বিরুদ্ধে জিম্মিদের ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন...
- সামরিক হস্তক্ষেপ মুসলমানদের মৌলবাদী করেনি
- ৩১- আর একবার গণজাগরণ ঘটলে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক...
- যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছু ক্ষেত্রে’ নৈতিক কর...
- ভারতে দাঙ্গা প্রতিরোধ বিলের বিরোধিতায় মমতা
- যুক্তরাষ্ট্রের এখনো আল-কায়েদা ভীতি, সন্ত্রাসী হামল...
- ৩২- প্রধানমন্ত্রীসহ চারজন মন্ত্রী নারী হলেও নারীর ...
- এখনো তাড়া করছে সেই ভয়ংকর স্মৃতি
- হামলার ১০ বছরের মাশুল
- ৩৩- কারারক্ষী অম্লান বদনে বললো, হালকা-পাতলা মাইর ন...
- ৩৪- মাওলানা সাঈদীর প্রস্তাবে রান্নাবান্না শুরু হলো...
- ৩৫- স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু-বিহারিদের সম্পত্তি দ...
- ৩৬- বাস্তবতা হলো দুর্নীতি করলেই বরং ক্ষমতাসীনদের স...
- ৩৭- মুসলিম বিশ্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে জনজাগরণে ...
- ৩৮- ‘নবরূপে বাকশাল’ নাম দেখে সবাই আঁতকে উঠলেন
- ৩৯- সন্তু লারমার জন্য নোবেল দাবি সেনাবাহিনীর শহীদদ...
- ৪০- ভারতকে ট্রানজিট দেয়া রাষ্ট্রীয় আত্মহত্যারই নাম...
-
▼
Sep 13
(122)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment