Tuesday, September 13, 2011
মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে দেশের স্বার্থ দেখুন
মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে দেশের স্বার্থ দেখুন
কাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং তার দেশের মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রভাবশালী আমলাদের এক বিরাট দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছেন। সেই সফরসঙ্গীদের মধ্যে বাংলাদেশসংলগ্ন রাজ্যগুলোসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও রয়েছেন। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ সফরকে উপলক্ষ করেই সাপ্তাহিক লেখাটা বুধবারের পরিবর্তে দু’দিন এগিয়ে আনতে হলো। দেশের দীর্ঘমেয়াদি অনিষ্ট হয়ে যাওয়ার আগে ক্ষমতাসীন নীতিনির্ধারকসহ দেশবাসীর চৈতন্যোদয়ের সর্বশেষ ব্যক্তিগত, ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হিসেবেই আমার আজকের মন্তব্য প্রতিবেদন।
শক্তিধর ও আগ্রাসী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সরকার প্রধানের এই সফর নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি মহলে অনেক দিন ধরেই সাজ সাজ রব চলছে। এ দেশের ভারতপ্রেমীরাও তাদের আরাধ্য দেবতাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য ব্যাকুলচিত্তে অপেক্ষমাণ। এই সফরে বাংলাদেশ কী কী অর্জন করবে, তার বায়বীয় হিসাবও আগ বাড়িয়ে পরজীবী সুশীল (?)রা করে চলেছেন।
ট্রানজিটের মোড়কে ভারতকে করিডোর দেয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর আষাঢ়ে গল্প এই চিহ্নিত গোষ্ঠী বিগত প্রায় দুই দশক ধরে ফেরি করে কার্যোদ্ধারের পর ইদানীং পিঠ বাঁচানোর জন্য কিছুটা ভিন্ন সুরে গান গাইছেন। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সমস্যা নিয়ে লেখার আগে সোজাসাপটা বলে রাখছি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী দিতে নয়, তিনি বাংলাদেশ থেকে নিতে আসছেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এক ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করা ছাড়া সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই পূর্ববঙ্গের জনগোষ্ঠীকে ওরা কখনও কিছু দেয়নি।
মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা প্রদানের পেছনেও তাদের রাজনৈতিক, সামরিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থচিন্তা কাজ করেছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে পূর্ববঙ্গের সম্পদে লুটেরা সাম্রাজ্যবাদীদের রাজধানী কলকাতার শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছে। প্রধানত, উচ্চবর্ণের হিন্দু জমিদারশ্রেণী এপার থেকে কৃষকের হাড়-মাংস নিংড়ে খাজনা আদায় করে ওপারে প্রাসাদ নির্মাণ করেছেন, বাবু সংস্কৃতির ধ্বজা উড়িয়েছেন। তত্কালীন পূর্ববঙ্গকে মূলত, কাঁচামাল এবং খাদ্যশস্য সরবরাহকারী হিন্টারল্যান্ড (hinterland) বা পশ্চাত্প্রদেশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। পূর্ববঙ্গের দরিদ্র কৃষকের সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার ন্যূনতম সুযোগও যাতে না পায়, সেই লক্ষ্যে আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা, নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ কলকাতার ব্রাহ্মণ বাবু সমাজ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠারও ঘোরতর বিরোধিতা করেছিলেন।
পাকিস্তান আমলে গঙ্গার জলপ্রবাহ আটকে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান এবং আজকের বাংলাদেশকে ক্রমশঃ মরুকরণ প্রক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য। ১৯৪৭ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানে আমদানি-রফতানির সুবিধার্থে ভারত সরকারের কাছে সাময়িকভাবে কলকাতা বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব করলে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু অবজ্ঞাভরে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন,
"It is a strange demand from a peculiar country. A passage to go to their own country through a foreign country, it is unprecedented." (এটা এক অদ্ভুত রাষ্ট্রের আজব দাবি। একটি বিদেশি রাষ্ট্রের ভেতর দিয়ে তাদের দেশে যাওয়ার জন্য পথ, এটা নজিরবিহীন।)
আজ সেই পণ্ডিত নেহরুর বর্তমান প্রজন্ম বাংলাদেশের কাছে একাধিক চিরস্থায়ী করিডোর প্রাপ্তির আজবতর দাবি করতে এতটুকু লজ্জাবোধ করছে না, এটাই আশ্চর্য!
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মাত্র ক’দিন আগে আমরা যারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত স্বার্থ বিকিয়ে ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার সাধ্যমত বিরোধিতা করছি, তাদেরকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে গাল দিয়েছেন। ভারতের সঙ্গে আগামী দু’দিনের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখের সামনে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুকে তার উদ্ধৃত বক্তব্যের জন্য একইভাবে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলতে পারলে আমরা অবশ্যই বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর নৈতিক দৃঢ়তা ও সাহসের প্রশংসা করব। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মতিতে ফারাক্কা বাঁধ চালু করে বিগত তিন যুগে এ দেশের এক-তৃতীয়াংশ অংশকে প্রায় শুষ্ক করে ফেলেছে পরম ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ভারত। সত্তরের দশকে চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের অর্থ, অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে মহান প্রতিবেশী ভারত তথাকথিত ‘শান্তি বাহিনী’ তৈরি করেছিল ওই অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাস উসকে দেয়ার জন্য। ভারত সরকার প্ররোচিত এবং পরিচালিত সেই সন্ত্রাসী তত্পরতায় বাংলাদেশের কত বাঙালি ও পাহাড়ি বেসামরিক নাগরিক এবং আমাদের সেনাবাহিনীর কত সদস্যের প্রাণ গেছে, তার হিসাব আমরা ক’জনই বা রাখি!
শেখ হাসিনার আগের আমলে ত্রিপক্ষীয় শান্তিচুক্তি সম্পাদনের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড কমে এলেও ভারতীয় বাহিনী কর্তৃক অন্যান্য সীমান্ত অঞ্চলে অসহায় বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা আগের মতোই সমানতালে চলছে। গুলি করে, পিটিয়ে, তীর ও পাথর ছুঁড়ে অথবা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে সপ্তাহে গড়ে অন্তত দু’জন বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ফারাক্কা ও গজলডোবা বাঁধের পর এবার সিলেট সীমান্তের ওপারে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের তোড়জোড় চলছে বাংলাদেশের অপর এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চলকে মরুভূমিতে পরিণত করার উদ্দেশ্যে। একই অঞ্চলে সারি নদীর (ভারতে মাইনথ্রু নদী) উজানে বাঁধ দিয়ে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের পরিবেশকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা হয়েছে। গত তিন যুগে পদ্মা বেসিন শুকিয়ে যাওয়ার পর আগামী তিরিশ বছরে মেঘনা বেসিনের জন্যও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে। এদিকে তিস্তা নদীর পানিচুক্তি নিয়েও প্রতিদিন পরস্পরবিরোধী খবর শুনতে পাচ্ছি।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এমন প্রেক্ষাপটেই কাল বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখছেন আমাদের সম্মানিত অতিথি ড. মনমোহন সিং। ২০১০ সালের মার্চে ভারত সফরে গিয়ে সে দেশের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং দলীয় ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যে যে একতরফা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে এসেছেন, সেগুলোকে পাকাপোক্ত করে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য করার জন্যই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে আগমন। এই কঠিন বাস্তবতা উপলব্ধি করে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হলে তার প্রতিফল প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভোগ করতে হবে। গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশের এই ভয়ানক বিপদের বিষয়ে জনগণকে অব্যাহতভাবে সতর্ক করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার যে সমস্ত অনিষ্পন্ন সমস্যা রয়েছে, তার সবগুলো নিয়ে আলোচনা একটি মাত্র মন্তব্য প্রতিবেদনে সমাপ্ত করা সম্ভব নয়। আজ আমি কেবল ট্রানজিট, পানি আগ্রাসন, বাণিজ্য ঘাটতি এবং সীমান্ত হত্যার মধ্যেই আমার লেখা সীমিত রাখব।
১। ট্রানজিট :
গত মাসেরই ৩ তারিখে ‘ভারতের ট্রানজিটে বাংলাদেশের ফায়দা নাই’ শিরোনামে মন্তব্য প্রতিবেদনে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ট্রানজিট প্রদানের পক্ষে বাংলাদেশে জনমত তৈরিতে ভারতপন্থী, পরজীবী বুদ্ধিজীবী ও সুশীল (?) সমাজের অপতত্পরতার বিষয়ে লিখেছিলাম। জাতীয় স্বার্থ বিরোধী এই কর্মকাণ্ড এ দেশে বিগত প্রায় দুই দশক ধরে চালানো হচ্ছে। জনমত বিভ্রান্ত করার অপকর্মে এই মেয়াদে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাগণ।
গত মাসের ২৫ তারিখে আওয়ামীপন্থী বিএফইউজে ও ডিইউজে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ট্রানজিট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দুটো মন্তব্য করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন জিয়াউর রহমানের আমলেই নাকি ট্রানজিট কাঠামো তৈরি হয় এবং সেই দলিলে সই করেছিলেন বাংলাদেশ ও ভারতের তত্কালীন বাণিজ্যমন্ত্রী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী ও প্রণব মুখার্জী। ট্রানজিট প্রদান প্রসঙ্গে তিনি একই অনুষ্ঠানে আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, ট্রানজিট চুক্তি হবে না। কারণ, এখনও অবকাঠামো বা রাস্তাঘাট ঠিক হয়নি।’ ট্রানজিট প্রসঙ্গে ইতিহাস বিকৃত করে জিয়াউর রহমানকে টেনে আনার ব্যাপারটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। শেখ হাসিনা সম্ভবত উপলব্ধি করছেন যে, ভারতকে ট্রানজিট দেয়াটা জাতীয় স্বার্থবিরোধী হচ্ছে এবং সেই কারণেই এর দায়-দায়িত্ব তিনি মরহুম জিয়াউর রহমানের কাঁধে চাপানোর ব্যর্থ চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। তিনি যদি সত্যিই বিশ্বাস করতেন যে, ভারতকে ট্রানজিট দিলে বাংলাদেশের প্রকৃতই লাভ হবে, তাহলে সেই কৃতিত্ব অবশ্যই তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে দিতেন অথবা নিজে গ্রহণ করতেন। দুর্ভাগ্যবশত তারই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী প্রধানমন্ত্রীর নতুন ইতিহাস আবিষ্কারের আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ডুবিয়ে ছেড়েছেন। ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘‘নতুন কোনো চুক্তি ছাড়াই ভারতকে ট্রানজিট দেয়া হবে। ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতেই ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার কথা বলা আছে। আমরা এখন সেই চুক্তিই বাস্তবায়ন করব। নতুন কোনো চুক্তি বা প্রটোকল সইয়ের প্রয়োজন নেই।”
জিয়াউর রহমানের ওপর ট্রানজিটের দায়-দায়িত্ব চাপানোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই অনৈতিক চেষ্টা মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি উল্লেখের মাধ্যমে ব্যর্থ করে দিয়েছেন তারই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। তবে ড. গওহর রিজভীর তথ্যেও কিছু সংশোধনী প্রয়োজন। ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা প্রাপ্তির তিন মাসের মধ্যেই। ১৯৭২ সালের মার্চের ২৯ তারিখে 'Trade agreement between the Government of India and the Government of Bangladesh' শিরোনামে নয়াদিল্লিতে যে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তার অত্ঃরপষব ৫ অর্থাত্ অনুচ্ছেদ ৫ এ বলা হয়েছে,
"The two Governments agree to make mutually beneficial arrangements for the use of their waterways, railways and roadways for commerce between the two countries and for passage of goods between two places in one country through the territory of the other."
(দুই সরকার এই মর্মে সম্মত হচ্ছে যে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহায়তা প্রদান এবং একটি দেশের এক অংশ থেকে পার্শ্ববর্তী দেশের ভেতর দিয়ে সেই দেশের অপর অংশে পণ্য পরিবহনের লক্ষ্যে উভয় সরকার পারস্পরিক লাভালাভের ভিত্তিতে যার যার দেশের নৌপথ, রেলপথ এবং সড়ক পথ ব্যবহারোপযোগী করবে।)
দৃশ্যতই ভারতের একতরফা স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে প্রণীত উপরিউক্ত চুক্তিতে সেই সময় স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে এম আর সিদ্দিকী এবং এলএন মিশ্র। দিল্লিতে স্বাক্ষরিত ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ১৯৭২-এর পুরনো চুক্তিকেই পোক্ত করেছিল। ১৯৭২ এবং ১৯৭৪ সালে সম্পাদিত উভয় চুক্তির সর্বরকম দায়-দায়িত্ব অবশ্যই শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগকেই বহন করতে হবে। এখানে জিয়াউর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল না। তিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মহান সিপাহী জনতা বিপ্লবের মাধ্যমে। এটাই প্রকৃত ইতিহাস। শেখ হাসিনা হিটলারের প্রচারমন্ত্রী গোয়েবলসের পন্থা অনুসরণ করে বার বার মিথ্যা বললেও সেই ইতিহাস পাল্টানো যাবে না। উল্লেখ্য, ভারতকে কোনো চুক্তি ব্যতিরেকেই এই মুহূর্তে ট্রানজিট দিতে উদগ্রীব ড. গওহর রিজভী এর আগে বলেছিলেন, “ভারতকে ট্রানজিট দিতে ৪০ বছর অপেক্ষা করেছি, আর অপেক্ষা করতে আমি রাজি নই।” বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ভাগ্য নির্ধারণে এই ব্যক্তিটি নিজেকে এতটা গুরুত্বপূর্ণ ভাবছেন কেন, সেটা বুঝতে আমি অক্ষম। লোকমুখে লোকটির নাম আমি প্রথম শুনি এক এগারোর সময়। ডিজিএফআই-এর তত্কালীন ডাকসাঁইটে কর্মকর্তা এবং বর্তমানে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত আসামি মেজর জেনারেল (অব.) আমিন এই ড. গওহর রিজভীকে নিয়েই সেই সময় বিশেষ কারাগারে আটক শেখ হাসিনার সঙ্গে নানান কিসিমের দর কষাকষি সম্পন্ন করেছেন। হয়তো তার সেই সাফল্যের কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে আসা ব্যক্তিটি পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত প্রভাবশালী পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বনে গেছেন।
ড. গওহর রিজভী জনপ্রতিনিধি নন, এমনকি তার প্রকৃত নাগরিকত্ব নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী চল্লিশ বছরের মধ্যে তিনি ক’দিন বাংলাদেশে অবস্থান করেছেন, তাও এ দেশের জনগণ জানে না। তার পরিবার-পরিজন সম্পর্কেও জাতি সম্পূর্ণ অন্ধকারে। এমন এক রহস্যময় চরিত্র আশ্চর্যজনকভাবে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে আজ ছিনিমিনি খেলছেন এবং দেখতে পাচ্ছি, দেশের ষোল কোটি জনতা সেই অনধিকার চর্চা বিনা প্রতিবাদে আবার মেনেও নিচ্ছে! ড. গওহর রিজভীর ট্রানজিটবিষয়ক সর্বশেষ বক্তব্যের তিনদিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঢাকায় এক কর্মশালায় বলেছেন, “ট্রানজিট দেয়ার আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই নাজুক হওয়ায় এগুলোর উন্নয়ন ছাড়া এখনই ট্রানজিট সম্ভব নয়।”
উপদেষ্টা কণ্টকিত বর্তমান সরকারের অপর এক প্রভাবশালী ব্যক্তি, অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান দিল্লি সফর শেষে ১৯ আগস্ট দেশে ফিরে বলেছিলেন, “মনমোহনের সফরের সময় ট্রানজিট নিয়ে কোনো চুক্তি হবে না। কারণ, ট্রানজিটের বিষয়ে দু’টি প্রটোকল ইতোমধ্যেই স্বাক্ষর হয়েছে।” এই মশিউর রহমানই এর আগে ফতোয়া দিয়েছিলেন যে, ট্রানজিটের বিনিময়ে ফি দাবি করলে আমরা নাকি এক অসভ্য জাতিতে পরিণত হব। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিজ দীপুমনি অপ্রত্যাশিত মন্ত্রিত্ব লাভের পর থেকে তোতা পাখির মতো কানেক্টিভিটির গল্প আউড়ে ট্রানজিটের পক্ষে ওকালতি করেই চলেছেন। বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীনদের এই জাতীয় বিভ্রান্তিকর, পরস্পরবিরোধী বক্তব্য থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, তারা জাতিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে দেশের স্বার্থ পুরোপুরি বিকিয়ে দিয়েই ভারতকে করিডোর দিতে আগ্রহী। ১৯৭২ সালের বাণিজ্য চুক্তিতে ‘পারস্পরিক লাভালাভের’ যে বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল, তা থেকেও শেখ হাসিনা সরকার দৃশ্যত সরে এসেছেন। তাদের কাছে ব্যক্তিগত ও ভারতের লাভই বর্তমানে একমাত্র বিবেচ্য, বাংলাদেশের লাভের কোনো প্রয়োজন নেই। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে হলে এ দেশের ষোল কোটি নাগরিকের ট্রানজিটের মোড়কে করিডোরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আমি দেশবাসীর কাছে পুনরায় সেই আহ্বানই জানাই।
২. পানি আগ্রাসন
বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর থেকেই বলে এসেছে তাদের বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে। পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, সেই চুক্তির খসড়াও নাকি মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করে ফেলেছে। বাংলাদেশের জনগণ অবশ্য এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ অন্ধকারে। এ ধরনের একটা আন্তর্জাতিক চুক্তি হওয়ার আগে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নাগরিকের মধ্যে যে ধরনের মতবিনিময় করা হয়ে থাকে, তার কিছুই তিস্তা নদীর চুক্তির ক্ষেত্রে করা হয়নি। আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলাপ সেরে এসেছেন দুই উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং ড. মশিউর রহমান। এদের মধ্যে কেউ পানি বিশেষজ্ঞ, এমন তথ্য আমার অন্তত জানা নেই। বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় সম্ভবত এখনও একজন পানিসম্পদ মন্ত্রী রয়েছেন। চুক্তির খসড়া প্রস্তুতে তার এবং তার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকাটাও কেউ জানে না। এই সম্পূর্ণ অস্বচ্ছ প্রক্রিয়াতেই প্রণীত হতে যাচ্ছে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি। ক্ষমতাসীনদের কর্মকাণ্ডদৃষ্টে কবি শামসুর রাহমানের সেই বহুল পরিচিত কবিতাটির বিখ্যাত পঙিক্তর কথাই মনে পড়ে যাচ্ছে, ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ।’
পানি আগ্রাসন জায়েজ করতে ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ ভারতের কৌশলটাও চমত্কারভাবে কার্যকরী। ভাটির দেশের ন্যায্য হিস্যার কোনোরকম তোয়াক্কা না করে প্রথমে তারা আন্তর্জাতিক নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ করে একতরফা পানি প্রত্যাহার করতে থাকে দীর্ঘদিন ধরে। কয়েক দশক এই অবস্থা চলার ফলে অসহায় ও দুর্বল ভাটি অঞ্চলের রাষ্ট্রের, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নদীসমূহ ভরাট হয়ে মরুকরণ প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়ে যাওয়ার পর কোনোরকম একটা চুক্তি চাপিয়ে দিয়ে তারা বাহবা নেয়। একই খেলা আমরা দেখেছি ফারাক্কা বাঁধের বেলায়। তিস্তার ক্ষেত্রেও এর কোনো ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
এদিকে দু’দিন আগে বলা হলো, তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টি নাকি ড. মনমোহনের সফরের সময় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের এজেন্ডা থেকেই বাদ দেয়া হয়েছে। কূটনৈতিক মহলে শোনা গেল, আলোচনা থেকে তিস্তা চুক্তি বাদ দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন একজন অতি মাত্রায় ভারতপন্থী উপদেষ্টা। সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী অবশ্য, তিস্তা পানিচুক্তি এজেন্ডায় ফেরত এসেছে। তবে সেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ কী পরিমাণ পানি পেতে যাচ্ছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আর এক অনিশ্চয়তা। ভারতীয় পত্রপত্রিকায় লেখা হয়েছে গজলডোবা পয়েন্টে পানি ৫২:৪৮ হারে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভাগাভাগি হবে। অপরদিকে বিবিসি রেডিওতে পশ্চিমবঙ্গের ওই এলাকার সাংসদ বলেছেন, বাংলাদেশ নাকি মাত্র ২৫ শতাংশ পানি পাবে। উল্লেখ্য, গজলডোবা পয়েন্টের আগেই অন্তত ডজনখানেক স্থান থেকে ভারত তিস্তার পানি প্রত্যাহার করে চলেছে। অথচ এসব বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নিশ্চুপ, জনগণ অন্ধকারে। তিস্তা নিয়ে প্রতিদিন যেভাবে নাটকের স্ক্রিপ্টের পরিবর্তন হচ্ছে, তাতে চুক্তি সই না হওয়া পর্যন্ত কোনোরকম ভরসা পাচ্ছি না।
যাই হোক, একদা নদীমাতৃক বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সফরের সময় আমাদের নিম্নোক্ত দাবিগুলো জোরের সঙ্গে, পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে হবে :
১. গঙ্গায় ফারাক্কা বাঁধ এবং তিস্তার উজানে গজলডোবা বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ক্ষতি হয়েছে, ভারতকে তার যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
২. অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।
৩. টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বন্ধের ঘোষণা দিতে হবে।
৪. সীমান্তের ওপারে ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদী সংযোগ করে সেই পানি ভারতের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে প্রত্যাহারের পরিবেশ বিপর্যয়কারী যে প্রকল্প ভারত সরকার গ্রহণ করেছে, সেটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হবে।
৩. বাণিজ্য ঘাটতি
বাংলাদেশের শতাধিক পণ্যকে বিনাশুল্কে ভারতের বাজারে রফতানির সুযোগ প্রদানের একটি প্রতিশ্রুতির মুলা নব্বইয়ের দশক থেকে সে দেশের সরকার আমাদের নাকের সামনে ঝুলিয়ে রেখেছে। এদিকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। সরকারি হিসেবেই এই ঘাটতির পরিমাণ এখন ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ঘাটতি পূরণে কোনো রকম কার্যকর সহায়তা প্রদানের পরিবর্তে বাংলাদেশে উত্পাদিত যে যত্সামান্য পণ্য ভারতে রফতানি হয়ে থাকে, সেটাও বন্ধের জন্য ভারতীয় প্রশাসন নানারকম শুল্ক ও অশুল্ক বাধা অব্যাহতভাবে তৈরি করে চলেছে। ১৯৯৮ সালে তত্কালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ী ঢাকায় এসে অবিলম্বে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত পণ্য রফতানির যে সুবিধা দানের কথা ঘোষণা করেছিলেন, তার বাস্তবায়ন দীর্ঘ এক যুগেও সম্পন্ন হয়নি। পার্শ্ববর্তী দেশের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির যে সুযোগ এতদিন বিদ্যমান ছিল, সেটাও বাংলাদেশের বর্তমান ভারত-বান্ধব সরকার ট্রানজিট প্রদানের মাধ্যমে চিরতরে শেষ করে দিচ্ছে।
সুতরাং ভারতের বাজার উন্মুক্ত করার জন্য এখনই যথেষ্ট চাপ সৃষ্টি করা না গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতির পক্ষে এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতির বোঝা বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ঈদের পূর্ব রাতে হঠাত্ করে একটি সরকারপন্থী ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্ক্রলে লেখা দেখলাম, ভারত নাকি তৈরি পোশাকসহ ৪৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু, গত ক’দিনে এ নিয়ে কোনো মহল থেকেই আর কোনো উচ্চবাচ্য শুনিনি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে এমন কোনো ঘোষণা আসছে কিনা, সেটা আমাদের জানা নেই। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে দু’টি আশঙ্কার কথা আগে থেকেই উত্থাপন করে রাখছি। শুল্কমুক্ত পণ্যের তালিকায় এমন কোনো পণ্যের উল্লেখ যেন না থাকে, যা বাংলাদেশে উত্পাদিতই হয় না। একবার শুনেছিলাম, শুল্কমুক্ত পণ্যের তালিকায় নাকি ‘বিমানের যন্ত্রাংশ’ থাকবে। এই প্রকার পণ্য বাংলাদেশে বর্তমানে উত্পাদিত তো হচ্ছেই না, নিকট ভবিষ্যতেও আমাদের সেই প্রযুক্তি অর্জনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। শুল্কমুক্ত পণ্য রফতানির সুবিধা পাওয়ার নামে এই প্রকার তামাশা আশা করি বর্তমান সরকার দেশবাসীর সঙ্গে করবে না।
দ্বিতীয়ত, ভারতীয় ঘোষণা কেবলমাত্র কাগজেই যেন সীমাবদ্ধ না থাকে। চল্লিশ বছর ধরে ভারত তিনবিঘা করিডোরসহ বাংলাদেশকে অনেক রকম কাগুজে সুবিধা দিয়েছে। ঘোষণার প্রকৃত বাস্তবায়ন দেখার আগ পর্যন্ত আমাদের ক্ষুদ্র হৃদয়ের মহান প্রতিবেশীর ওপর এ বিষয়ে আস্থা স্থাপন করা সম্ভব নয়।
৪. সীমান্ত হত্যা
সীমান্তে ভারত কর্তৃক নির্মিত কাঁটাতারে কিশোরী ফেলানীর ঝুলন্ত লাশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি। গত এক দশক ধরে গড়ে প্রতি সপ্তাহে অন্তত দু’জন দরিদ্র বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করে চলেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী, বিএসএফ। চল্লিশ বছরের ইতিহাসে ভারতের প্রতি সর্বাপেক্ষা নমনীয় সরকার এ দেশে ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পরও এই নির্মম গণহত্যা বন্ধ হয়নি। বিডিআর যতদিন সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, ততদিন অন্তত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানো হতো। বিডিআর-এর লাশের ওপর বিজিবির জন্মের পর থেকে উল্টো নিহতদেরই চোরাকারবারি, সন্ত্রাসী, ইত্যকার নামে অভিহিত করে বিএসএফ’র হত্যাযজ্ঞকেই এক প্রকার ন্যায্যতা দেয়ার অপচেষ্টা চলছে।
গত দুই মাসে দেখতে পাচ্ছি আমাদের দেশটি ভারতীয় সেনাপতি, মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিচরণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। সে দেশ থেকে প্রতিবার একজন হোমরা-চোমরা আসছেন, আর ভাঙা রেকর্ড বাজাচ্ছেন যে এখন থেকে আর কোনো বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করা হবে না। এটুকুতেই আমাদের ক্ষমতাসীনরা কৃতজ্ঞতার ভারে নুয়ে পড়ছেন। মাস দুয়েক আগে একবার স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে দেশবাসীকে ভরসা দিয়েছিলেন যে, ভারতীয় সফরকারী সেনাপ্রধান তাকে নাকি সীমান্ত হত্যা বন্ধের ব্যাপারে কথা দিয়ে গেছেন। আগের অনেক প্রতিশ্রুতির মতো এই প্রতিশ্রুতি ভাঙতেও ভারত খুব একটা বিলম্ব করেনি। সীমান্তে প্রকৃত অবস্থা এতটাই ভয়ানক যে, নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW) পর্যন্ত এই হত্যাযজ্ঞের নিন্দা জানিয়ে ভারত সরকারের কাছে অবিলম্বে হত্যা, নির্যাতন বন্ধের দাবি করেছে। গত বছর ডিসেম্বরে 'Trigger Happy : Exessive use of force by Indian troops at the Bangladesh Border' শিরোনামে ৮১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংস্থাটি গত দশ বছরে সীমান্তে ৯০০ বাংলাদেশীকে হত্যার কথা বলেছে।
প্রতিবেদনের একটি প্রাসঙ্গিক অংশ এখানে উদ্ধৃত করছি, "Because of the absence of effective accountability mechanism for abuses carried by BSF, even the most serious abuses go unpunished. This sends a clear message that the Indian government finds such abuses acceptable.’
(বিএসএফএ’র নির্যাতন রোধে কোনো কার্যকর জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় অত্যন্ত গুরুতর অপরাধেও কোনো সাজা হচ্ছে না। এখান থেকে পরিষ্কার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ভারত সরকারের কাছে এসব নির্যাতন গ্রহণযোগ্য।)
ভারতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী এবং ইউপি (UPA) জোট প্রধান মিসেস সোনিয়া গান্ধীর সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের সময় সীমান্ত হত্যা নিয়ে ঐজড আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যার শিরোনাম, "India : New killing, Torture at Bangladesh border" মিসেস সোনিয়া গান্ধীর ঢাকায় আগমনের দিনেও বিএসএফ একজন বাংলাদেশীকে হত্যা এবং অপর একজনকে অপহরণ করেছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার প্রশ্ন, এসব অসহায় নাগরিকদের প্রতি তার কি কোনো দায়িত্ব নেই? ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের দৃশ্যে তার হৃদয়ে কি কোনো রক্তক্ষরণ হয় না?
আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিজেকে দেশের এক নম্বর দেশপ্রেমিক রূপে ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশে সচরাচর সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গ এলে সেখানে দেশপ্রেমিকের বিশেষণ লাগানোর এক আজব রেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও সেই রীতি পালন করতে হবে কিনা, সে সম্পর্কে কোনো সরকারি নির্দেশ মিডিয়াকে অবশ্য এখনও দেয়া হয়নি। জুলাই মাসের একুশ তারিখে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় সম্ভবত অতি মাত্রায় আবেগতাড়িত হয়ে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমি হয়তো আছি তাই বাংলাদেশ নিরাপদে আছে। আমার চোখ বন্ধ হলে কী হবে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন।” আল্লাহর রহমতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় তিনি সুস্থ আছেন, তার চোখও পুরোপুরি খোলা রয়েছে। দেশপ্রেমের পরীক্ষা দেয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ আজ শেখ হাসিনার সামনে উপস্থিত।
আগেই বলেছি, গত বছর দিল্লি সফরে তিনি দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং দলীয় ঋণ ভালোভাবেই চুকিয়ে এসেছেন। এ দেশের জনগণও আর স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহায়তা প্রদানের একঘেয়ে ঋণের গল্প শুনতে রাজি নয়। এবার দয়া করে দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারতের কাছ থেকে সব বিষয়ে আমাদের ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারলেই কেবল দেশপ্রেমের পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হবেন। তখন তাকে নিজ থেকে আর দেশপ্রেমিকের দাবি করতে হবে না। কৃতজ্ঞ দেশবাসী সানন্দে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সেই আসনে বসাবে।
ক্ষমতাপ্রাপ্তির বিনিময়ে কিংবা ক্ষমতালাভের বাসনায় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পায়ে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেশপ্রেমের বড়াই জনগণের সঙ্গে শঠতারই নামান্তর। সরকারি এবং বিরোধী পক্ষ এই সত্যটি স্মরণে রাখলে তারাও উপকৃত হবেন, দেশও রক্ষা পাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1468)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 13
(122)
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ আদালতের মর্যাদা
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ট্রানজি...
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ সুশাসন নির্বাসনে
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশে আক্র...
- বিচারপতিদের চিকি ৎ সাভাতা-বিতর্ক by মিজানুর রহমান খান
- কৌতুকের ছলে, কথা যাই বলে আনিসুল হক
- ফ্রান্সের পরমাণু কেন্দ্রে বিস্ফোরণ একজন নিহত
- মমতাকে একহাত নিলেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী
- স্ত্রস-কানকে জেরা করেছে ফ্রান্সের পুলিশ
- ধর্মীয় সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ!
- জয়ললিতাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ
- সিরিয়ায় এ পর্যন্ত নিহত ২৬০০
- কেনিয়ায় আগুনে ১২০ জনের মৃত্যু
- তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর মিসর সফর শুরু
- কোনো রুশকে যুক্তরাজ্যের কাছে হস্তান্তর সম্ভব নয়
- আফগান পুলিশ ভক্ষকে পরিণত হয়েছে
- বাংলাদেশের বাজে শুরু
- আবারও ব্লেকের ৯.৮২
- চ্যাম্পিয়ন ভারত
- জেএফএ কাপ ফুটবল
- ৪৮০০ স্কুলের প্রতিযোগিতা
- বানিকের পাঠশালায় ইয়ামিনরা
- নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে মহিলা দলের ক্যাম্প
- বর্ষসেরা ক্রিকেটার ট্রট
- শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির জয়
- এক অস্ট্রেলীয়র যুক্তরাষ্ট্র জয়
- জার্মানিই ব্রাজিলের বড় চ্যালেঞ্জ
- শুরুতেই বার্সা-মিলান রোমাঞ্চ
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে...
- ১- সাত নম্বর সেলের দুই নম্বর কুঠুরি থেকে নিষ্পলক ত...
- ২- দরজার ওপারে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র আর এপারে সাংবাদি...
- ৩- ভোরের আজানের ধ্বনি আমাকে সেই ভরসাই দিয়ে গেল
- ৪- টুকরো কাগজগুলো পাশের সেলের বাবুকে দিয়ে বললাম যদ...
- ৫- এমন বেইনসাফিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার কথা
- ৬- রিমান্ডের বিভীষিকা
- ৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
- ৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চ...
- ৯- যদি রাষ্ট্রদ্রোহ করেই থাকি, মহাজোট সরকারের উচিত...
- ১০- চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো আমাকে নেয়া হলো জিজ্ঞা...
- ১১- টিএফআই সেলে নেয়ার বৈধতার প্রশ্ন কোর্টে তুললে স...
- ১২- রিমান্ডে নির্যাতন বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দে...
- ১৩- সরকারের হেফাজতে সব মৃত্যুর হিসাব দিতে হয় না সে...
- ১৪- চোখ বাঁধা প্রবীণ রাজনীতিকের পায়ের নখ উপড়ে ফেলা...
- ১৫- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ এখন তামাশা :...
- ১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা...
- ১৭- মন্তব্য প্রতিবেদন : ফি চাওয়া অসভ্যতা, খুন করলে...
- ১৮- সহকর্মীদের বললাম জেল আমি একাই খাটবো : যে কোনো ...
- ১৯- এখন থেকে প্রতি বছর জুনে একটি নয় দু’টি করে কালো...
- ২০- কোনো সরকারই যে চিরস্থায়ী নয় : জেল কর্মকর্তাদের...
- ২১- জেলের কঠিন জীবনযাপন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমার ...
- ২২- হঠাৎই জেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিল, জামায়াত নেত...
- ২৩- সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বোধ...
- ২৪- সরকারপক্ষ সময় পেল চারদিন : আমার বক্তব্যের জন্য...
- ২৫- ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বললেন বেঁচে গেলেন ফাঁসি...
- ২৬- জীবনসায়াহ্নে এসে না হয় নির্বোধের মতো আদালতকথিত...
- ২৭- পশ্চিমা সরকারগুলো বাংলাদেশে মানবাধিকার ও বাকস্...
- ২৮- সাহিরর সময় কারারক্ষীর চাবির গোছার ঝনঝন শব্দে স...
- ২৯- এক-এগারোর কুশীলবরা দুর্নীতি দমনের ছদ্মবেশে জাত...
- ৩০- সুপ্রিমকোর্ট অঙ্গনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকে আদালত অব...
- ৩২- বিশেষ উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের আমলে সব নিরাপত...
- ৩৩- রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী
- ৩৪- পিসি বাণিজ্যে বছরে কোটি কোটি টাকার ভাগাভাগি বর...
- ৩৫- দরিদ্র বন্দিদের অনেকেই জানে না তাদের অসহায় স্ত...
- ৩৬- সুবিধাবাদ আমাদের অস্থিমজ্জায়, ফ্যাসিবাদের সঙ্গ...
- ৩৭- তিনদিন পার হলেও জেল থেকে উধাও আসামির হদিস বের ...
- ৩৮- কনডেম সেলের মতো ভীতিকর স্থানে পর পর দুই কারারক...
- ৩৯- ফ্যাসিবাদের পক্ষের সংবাদকর্মীরও অভাব নেই ফলে শ...
- ৪০- যারা অবিচার করেছেন, নির্মোহ ইতিহাস তাদের অবশ্য...
- ৪১- দেশকে অকার্যকর প্রমাণে সরকার যে বদ্ধপরিকর : জন...
- ৪২- ফ্যাসিবাদী সরকার যত গণবিচ্ছিন্ন হয় তাদের মধ্যে...
- ৪৩- দিনবদলের ধাক্কায় ‘কমিউনিস্ট সুশীল’ লেবাস পাল্ট...
- ৪৪- আমাকে গ্রেফতার ও খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছে...
- ৪৫- পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মহোত্সব চ...
- ১- লড়াই বিফলে যায়নি, আমার দুর্বল কণ্ঠ : ইউরোপ-আমের...
- ২- এই বিচারকই সংবিধান থেকে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও ব...
- ৩- আদালত অবমাননা মামলায় আমার সাজা প্রতিটি সংবাদকর্...
- ৪- বাংলাদেশ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদীদের নীতি সম্পূর্...
- ৫- কাশিমপুর জেল আমি তৈরি হতে দেখেছি ভাবিনি কয়েদি হ...
- ৬- রাজনীতিকদের গ্রেফতার নির্যাতনে পত্রিকা দু’টির স...
- ৭- জ্ঞাতি ভাইকে খুন করে আসা সেবক কালামকে দেখে গা ছ...
- ৮- এক শেয়ারবাজার থেকেই আওয়ামী রথী-মহারথীরা লুটে নি...
- ৯- যে সরকার নাগরিককে ক্রসফায়ারে পাঠায় তারাই ভয়াবহ ...
- ১০- জেল সুপারের বাড়ি ‘পুণ্যভূমি’ গোপালগঞ্জে আমার ক...
- ১১- সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাসের কারণেই গঠন করা হয়...
- ১২- মুক্তি পেলেও ইসলামবিদ্বেষী এই সরকার আমাকে হজে ...
- ১৩- স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা ‘আমার দেশ’-এর প্রবেশ...
- ১৪- এজলাস ভাঙচুর করে পুরস্কৃত হলেন এক আইনজীবী : এভ...
- ১৫- সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকলেই নাকি মুক্তিযুদ্ধের ...
- ১৬- চরম দলীয়করণের ফলে দেশে ইনসাফ পাওয়ার পথ সবদিক দ...
- ১৭- লাখ টাকা দিয়ে মৃত্যু কিনেছিল হোন্ডা বাবু
- ১৮- পশ্চিমাদের ব্ল্যাংক চেক পেলেও ড. ইউনূসের ছায়া ...
- ১৯- শেয়ারবাজারের লুণ্ঠন করা টাকা লন্ডন কানাডা আমের...
- ২০- প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উচ্চ আদালতের মান আবার ...
- ২১- চলনবিলে মাইল মাইল সর্ষেফুলের সৌন্দর্য দেখে মুগ...
- ২২- অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে দু’টি দিন কাটানো গেলে আসামে...
- ২৩- সর্বস্ব নেয়ার পরও ক্ষমতাসীনদের হাহুতাশ : ভারতে...
- ২৪- স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে...
- ২৫- টিআইবি যে বিচার বিভাগের হাঁড়ি হাটে ভাঙলো এখন ত...
- ২৬- প্রেস ক্লাব নির্বাচনে বাকস্বাধীনতার পক্ষের লড়া...
- ২৭- প্রিজন ভ্যান একটু এগোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল : সামন...
- ২৮- পুরো সিস্টেম ভেঙে নতুন নির্মাণ ছাড়া বিচার বিভা...
- ২৯- বর্তমান সরকারের আমলে দেশে রীতিমত হরির লুট চলছে
- প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে আরব লিগের প্রধানের বৈঠক
- ৩০- শুধু ভারতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেই হবে না অব্যা...
- আশঙ্কা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে জাঁকালো ফ্যাশন শো
- সারকোজির বিরুদ্ধে জিম্মিদের ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন...
- সামরিক হস্তক্ষেপ মুসলমানদের মৌলবাদী করেনি
- ৩১- আর একবার গণজাগরণ ঘটলে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক...
- যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছু ক্ষেত্রে’ নৈতিক কর...
- ভারতে দাঙ্গা প্রতিরোধ বিলের বিরোধিতায় মমতা
- যুক্তরাষ্ট্রের এখনো আল-কায়েদা ভীতি, সন্ত্রাসী হামল...
- ৩২- প্রধানমন্ত্রীসহ চারজন মন্ত্রী নারী হলেও নারীর ...
- এখনো তাড়া করছে সেই ভয়ংকর স্মৃতি
- হামলার ১০ বছরের মাশুল
- ৩৩- কারারক্ষী অম্লান বদনে বললো, হালকা-পাতলা মাইর ন...
- ৩৪- মাওলানা সাঈদীর প্রস্তাবে রান্নাবান্না শুরু হলো...
- ৩৫- স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু-বিহারিদের সম্পত্তি দ...
- ৩৬- বাস্তবতা হলো দুর্নীতি করলেই বরং ক্ষমতাসীনদের স...
- ৩৭- মুসলিম বিশ্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে জনজাগরণে ...
- ৩৮- ‘নবরূপে বাকশাল’ নাম দেখে সবাই আঁতকে উঠলেন
- ৩৯- সন্তু লারমার জন্য নোবেল দাবি সেনাবাহিনীর শহীদদ...
- ৪০- ভারতকে ট্রানজিট দেয়া রাষ্ট্রীয় আত্মহত্যারই নাম...
-
▼
Sep 13
(122)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment