Tuesday, September 13, 2011
১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা আজও জোটেনি
১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা আজও জোটেনি
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
গ্রেফতার হওয়ার পরবর্তী পঁচিশ দিনের বন্দিত্বকালে চারপাশে চোখ মেলে দেখার মতো হুঁশ ছিল না। ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার জন্যে জেলে আসার মানসিক প্রস্তুতি থাকলেও রিমান্ডে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করা হবে, এটা বিশ্বাস হয়নি। আওয়ামী লীগের চরিত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যে কতখানি তীব্র, তা জেলে এসে মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদীনের অবস্থা দেখে আবারও উপলব্ধি করলাম...
গ্রেফতার হওয়ার পরবর্তী পঁচিশ দিনের বন্দিত্বকালে চারপাশে চোখ মেলে দেখার মতো হুঁশ ছিল না। ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার জন্যে জেলে আসার মানসিক প্রস্তুতি থাকলেও রিমান্ডে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করা হবে, এটা বিশ্বাস হয়নি। আওয়ামী লীগের চরিত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যে কতখানি তীব্র, তা জেলে এসে মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদীনের অবস্থা দেখে আবারও উপলব্ধি করলাম...
বাংলাভাষায় জেলজীবন বিষয়ক সাহিত্যকর্মের মধ্যে জরাসন্ধের লৌহকপাট যে সর্বাধিক জনপ্রিয়, এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ কম। মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত বাঙালি পরিবারের আর দশজন কিশোরের মতোই স্কুলের গণ্ডি পেরুনোর আগেই উপন্যাসটির সব খণ্ড পড়া হয়ে গিয়েছিল। জেলজীবনকে জরাসন্ধ দেখেছিলেন একজন জেল কর্মকর্তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। আর আমার মতো আসামি হয়ে সত্যেন সেন লিখেছিলেন রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ। যতদূর মনে পড়ে, সেই বামপন্থী রাজনীতিক ও সাহিত্যিকের উপন্যাসও পড়েছিলাম স্কুলজীবনেই।
লৌহকপাটে মানবজীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা, আনন্দ-বেদনার গল্প পড়ে কৈশোরের স্বপ্নিল চোখ দিয়ে জীবনকে দেখার চেষ্টা করতাম। অপরদিকে সত্যেন সেনের লেখা এক ধরনের রোম্যান্টিক বিপ্লববাদিতায় হৃদয় আচ্ছন্ন করেছিল। কিন্তু উপন্যাস পড়া আর বিপ্লবের কল্পনা করা পর্যন্তই সার। মুক্তিযুদ্ধকালীন কয়েকজন বন্ধু মিলে হাতে লিখে পত্রিকা বের করে পাকবাহিনীর নজর এড়িয়ে সদরঘাটের মোড়ে সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে সেগুলো বিলি করা ছাড়া ছাত্রজীবনে কখনও রাজনীতির সংস্পর্শে আসিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে মন দিয়ে লেখাপড়া করে স্বাবলম্বী হওয়াটাই প্রধান কর্তব্য বিবেচনা করে ছাত্ররাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থেকেছি। সত্তর দশকের প্রথমার্ধে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মুজিববাদী ছাত্রলীগ এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে ঝড় তোলা জাসদই ছিল ছাত্ররাজনীতির প্রধান দুই শিবির। এর বাইরে অন্তত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৪ পর্যন্ত মস্কোপন্থী ছাত্র ইউনিয়নের একটা শক্ত অবস্থান ছিল। কিন্তু সিপিবি এবং মোজাফফর ন্যাপের সঙ্গে আওয়ামী লীগের গাঁটছড়া বাঁধার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদের মধ্যে মস্কোপন্থীদের জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পেয়ে জাসদ একমাত্র প্রতিবাদী রাজনৈতিক শক্তিরূপে আবির্ভূত হয়।
বুয়েটে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালের জানুয়ারির একেবারে প্রথমে। আমি শেরেবাংলা হলে সিট পেয়েছিলাম। সে সময়ে চিন্তা-চেতনায় খানিকটা বামঘেঁষা ছিলাম বলে প্রথম দিকে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠলেও তাদের আপসকামিতায় বিরক্ত হয়ে জাসদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়। তবে সে সময়ে ইউকসু’র ভিপি এবং বর্তমানে গণফোরাম নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেমের সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমার গ্রেফতার হওয়ার বছরখানেক আগপর্যন্ত কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। যাই হোক, বুয়েটে জাসদ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলেও সরাসরি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে উত্সাহ বোধ করিনি কখনও। আজকের ক্ষমতাসীন মহাজোটভুক্ত জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বছর ছয়েক সিনিয়র ছিলেন। সে সময়ের ডাকসাইটে, বিপ্লবী জাসদ নেতার বর্তমানের মুজিব-বন্দনা শুনলে মনে হয় ভিন্ন ব্যক্তির মুখের কথা শুনছি। জাসদ সভাপতি এবং আমি কেবল একই বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ভিন্ন সময়ে হলেও একই বিভাগেরও ছাত্র ছিলাম। আমরা উভয়েই কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। আরও একজন প্রথম সারির জাসদ ছাত্রনেতাও সে সময় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন। তিনি শরীফ নুরুল আম্বিয়া। ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে ৭ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত জাসদের ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে সিপাহী বিপ্লবের সমর্থনে যে বিশাল জঙ্গি মিছিল হয়েছিল, তার নেতৃত্বদানকারীরা আজ যখন মরহুম শেখ মুজিব প্রসঙ্গ উঠলে গদগদ হয়ে অশ্রুবিসর্জন করেন, তখন হাসব না কাঁদব ভেবে পাই না। যা হোক, ব্যক্তিগতভাবে নিরামিষ ছাত্রজীবন কাটানোর ফলে কোনোদিন রাজনীতি সম্পৃক্ততার কারণে জেলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। অতঃপর দীর্ঘ পেশাজীবী জীবনের চড়াই-উতরাই পার হয়ে একেবারেই অপ্রত্যাশিতভাবে সরকারি দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেও তার পরিণতি কোনোদিন নাজিমউদ্দীন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগার হতে পারে, সেটাও চিন্তার অতীত ছিল। সরকারি দায়িত্বের সেই পাঁচ বছর কেবল নিজে দুর্নীতিমুক্ত থাকিনি, আমার সহকর্মীদেরও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে উদ্বুদ্ধ করেছি। বিনিয়োগ বোর্ড এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থরক্ষায় বিন্দু পরিমাণ আপস করিনি। তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও আমাকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা ও সমর্থন করেছেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধার সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ যেদিন স্বকর্ণে রেডিওতে তার কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছিলাম। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তার অসাধারণ সত্ জীবনযাপন তরুণ বয়সে আমাদেরও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছিল। চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে মিডিয়ায় দুর্নীতির ব্যাপক প্রচারণা থাকলেও আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিন্নতর ছিল। জ্বালানি উপদেষ্টার কাজ করার সময় বকেয়া বিল এবং অন্যান্য অভিযোগে বিএনপি’র এমপিদের বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও একবারের জন্যেও তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী আমাকে কোনো প্রশ্ন করেননি। নাইকোর বিষয়ে আমার কঠোর অবস্থানকেও বেগম খালেদা জিয়া নির্দ্বিধায় সমর্থন করেছেন। এসব কারণেই এক-এগারোর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আমাকে অন্তত বিভ্রান্ত করতে পারেনি।
সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির ক্রীড়নক জরুরি সরকার এবং জেনারেল মইন গংয়ের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ করায় জীবনে সর্বপ্রথম জেলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় ২০০৭ সালে। সেই সরকারের দুই বছরের প্রায় পুরোটা সময় ধরেই আমার সঙ্গে সরকারের এক ধরনের ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলতে থাকে। ছদ্মবেশী সামরিক সরকারের রাজনৈতিক দোসররা ২০০৮-এর ডিজিটাল নির্বাচনে একচেটিয়া বিজয় লাভ করলে কারাগার-জীবন অবধারিত হয়ে ওঠে। মহাজোটের ক্ষমতাগ্রহণ থেকে আমার গ্রেফতার পর্যন্ত নির্বাচিত সরকারের দেড় বছর ধরে বাংলাদেশ সম্পর্কিত মার্কিন নীতি এবং ভারতের আগ্রাসী ভূমিকার বিরোধিতা করে আমার লেখালেখি অব্যাহত রাখার ফলে সরকার নিশ্চিত হয়ে যায় আমাকে গ্রেফতার এবং নির্যাতন করা হলে তাদের তেমন কোনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়তে হবে না। বাস্তবে ঘটেও ঠিক তা-ই। আমি গ্রেফতার হওয়ার আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করলেও একটি জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকা সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে বন্ধ এবং তার সম্পাদককে গ্রেফতার করা নিয়ে গণতন্ত্র ও বাক্স্বাধীনতার ধ্বজাধারী রাষ্ট্রটির ঢাকাস্থ দূতাবাস থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী আচরণ কোনো সুশীল (?) পত্রিকার ক্ষেত্রে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে করা হলে নিশ্চিতভাবেই পশ্চিমা দূতাবাসগুলোর হুঙ্কারে সরকারের টিকে থাকাই দায় হয়ে যেত। গ্রেফতার হওয়ার পরবর্তী পঁচিশ দিনের বন্দিত্বকালে চারপাশে চোখ মেলে দেখার মতো হুঁশ ছিল না। ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার জন্য জেলে আসার মানসিক প্রস্তুতি থাকলেও রিমান্ডে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করা হবে, এটা বিশ্বাস হয়নি। চৌদ্দ দিনের রিমান্ডের যাতনা এবং দশ দিনের স্বাধীন বিচার বিভাগের নাটক মনটাকে এতটাই বিষণ্ন করে তুলেছিল যে, ওই চব্বিশ দিন আমার অস্তিত্বের বাইরের পৃথিবী অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাছে ব্যক্তির অসহায়ত্ব নিয়ে লেখালেখি করা আর নিজে প্রত্যক্ষ করার মধ্যে আসমান-জমিন ফারাক। এ সময়ের মধ্যে ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি মন জুড়ে থেকে মনঃকষ্ট বাড়িয়েছে মাত্র। জুন মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় রিমান্ড শেষে ঢাকা জেলের সাত নম্বর সেলের কুঠুরিতে ফিরে নতুন করে অনুভব করলাম এই বিশাল পৃথিবীর একেবারেই অকিঞ্চিত্কর, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ হয়ে আমার জীবন্ত অস্তিত্ব এখনও বিদ্যমান। সেই অস্তিত্বের বিশাল অংশজুড়ে এখন সাত নম্বর সেলে আমার প্রতিবেশীরা এবং কারা প্রশাসনের ব্যক্তিরা। কারা প্রশাসন নিয়ে গল্প বলার আগে পাঠকের সঙ্গে প্রতিবেশীদের পরিচয় করানোটাই উত্তম।
নামে সাত নম্বর সেল হলেও এখানে কক্ষের সংখ্যা ছয়টি। নামকরণের সময় সেলের সংখ্যা সাত থাকলেও পরবর্তী সময়ে জেলখানার সীমানা প্রাচীর খানিকটা ভেতরে নিয়ে আসার প্রয়োজন পড়ে। প্রাচীরের জায়গার সংকুলান করতে তখন সাত নম্বর সেলটিকে ভেঙে ফেলতে হয়। একটি সেল কমে গেলেও নামকরণ বদলে ফেলা সম্ভব হয়নি। কারণ সাত নম্বর সেলের একেবারে পাশে আগে থেকেই ছয় কক্ষবিশিষ্ট ছয় নম্বর সেল নির্মিত ছিল। কালক্রমে জেনেছি, ছয় নম্বর সেল একসময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের সেল থাকলেও এখন সরকার ঘোষিত টিটি বা টপ টেররদেরই সেখানে প্রধানত জায়গা হয়। তবে আমার জেলজীবন শুরু হওয়ার আগেই সেসব টপ টেররকে কাশিমপুর কারাগারে চালানে পাঠানো হয়েছে। সেই চালানের পেছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জেলখানা সফরের সম্পর্ক ছিল। মাস দুয়েক আগে তিনি জাঁকজমকের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ঘুরে গেছেন। পাঠক আবার মনে করবেন না দলের ভিআইপিদের ভবিষ্যতের বাসস্থানের বন্দোবস্ত করতে তিনি এখানে এসেছিলেন। প্রার্থনা করি, এক-এগারোর মতো দুর্দিন তাদের জীবনে যেন আর না আসে। আর যদি দুর্ভাগ্যক্রমে এসেও যায়, তাহলে সেই বিশেষ সময়ের মতোই বিশেষ অট্টালিকার ব্যবস্থাও আশা করি হয়ে যাবে। ফালতু কথা বলে প্রধানমন্ত্রীকে আবারও ক্রোধান্বিত করার পরিবর্তে তার কারাগার দর্শনের উদ্দেশ্য বলে ফেলি। প্রধানমন্ত্রীর পিতা পাকিস্তানি আমলে ঢাকা জেলের যে কক্ষে দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন, সেই ঐতিহাসিক এলাকাটি এবং চরম নিন্দনীয় জেলহত্যার নির্মম শিকার চার জাতীয় নেতার স্মৃতিবিজড়িত বন্দিশালা মিলে তাদের পুণ্য স্মৃতি রক্ষার্থে মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই মিউজিয়াম উদ্বোধন করতেই এসেছিলেন। তার জেল পরিদর্শনকালে কারা কর্তৃপক্ষ টিটিদের এখানে রাখা নিরাপত্তার স্বার্থে সমীচীন বিবেচনা না করায় দল বেঁধে তাদের কাশিমপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। জেলের পরিভাষায় এই স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ‘চালান’ নামে অভিহিত করা হয়। ছয় নম্বরের গল্প বাদ দিয়ে এবার সাত নম্বর সেলে ফিরে আসি।
সাত নম্বর সেলের এক নম্বর কক্ষের বাসিন্দা দু’জন। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন এবং ফজলু মিঞা। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই নন, মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষপর্যায়ে তিনি মেজর জলিলের কাছ থেকে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বও গ্রহণ করেছিলেন। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লুটপাট এবং তত্কালীন আওয়ামী নেতাদের চোরাচালান প্রতিরোধ করতে গিয়ে মেজর জলিল ছাড়া দ্বিতীয় যে সেক্টর কমান্ডার চাকরিচ্যুত এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন, তিনিই জয়নাল আবেদিন। আশির দশকে মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সন্ত্রাসের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গোটা তিনেক মামলা ঝুলছে। বর্তমান সরকার নিজেদের সর্বক্ষণ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তি হিসেবে প্রচার করে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও সাবেক এই সেক্টর কমান্ডারের ভাগ্যে আজ পর্যন্ত জেলে ডিভিশনটা পর্যন্ত জোটেনি। অথচ সরকারি আইন অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সব সেক্টর কমান্ডারের আদালতের নির্দেশনা ছাড়াই ডিভিশন প্রাপ্য। আওয়ামী লীগের চরিত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যে কতখানি তীব্র, তা জেলে এসে এই মুক্তিযোদ্ধার অবস্থা দেখে আবারও উপলব্ধি করলাম। বয়সের ভারে ন্যুব্জ মেজর (অব.) জয়নালের লাঠিতে ভর দিয়ে গণ-টয়লেটে যাওয়া এবং চৌবাচ্চার ধারে বসে অতি কষ্টে কাপড় কাচার দৃশ্য আমাকে বড় বেদনা দেয়। জয়নাল ভাইয়ের সেলমেট আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক ফজলু মিঞা হত্যার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। পুরনো ঢাকার অর্থশালী ব্যবসায়ী লোকটির হাঁপানির অসুখ রয়েছে। রাতে আমার ঘর থেকেই তার কাশির আওয়াজ অনবরত শুনতে পাই। এই ক’দিনেই টের পেয়ে গেছি অর্থ এবং রাজনৈতিক সংযোগের জোরে জেলখানায় ফজলু মিঞার যথেষ্ট প্রভাব-প্রতিপত্তি রয়েছে। লোকটি মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিনকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা-ভক্তি করে বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকবার উল্লেখ করেছি, দুই নম্বর কক্ষে আমার আশ্রয় মিলেছে। তিন নম্বর ঘরে তিনজন থাকে। একজনের কথা আগেই উল্লেখ করেছি। বাবু (সিনিয়র) যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। অস্ত্র মামলায় জেলে এসেছে। রিমান্ডে নানারকম নির্যাতনের গল্প জেলে এসে ওর কাছ থেকেই প্রথম শুনেছি। দ্বিতীয় আসামির নামও বাবু। তবে সে হোন্ডা বাবু নামেই বেশি পরিচিত। জেলে তারও প্রভাব-প্রতিপত্তি চোখে-পড়ার মতো। এখন পর্যন্ত টিটিতে প্রমোশন না হলেও এলাকার উঠতি সন্ত্রাসী। যথেষ্ট সুদর্শন তরুণটি এই পথে না এসে এফডিসিতে ঘোরাঘুরি করলে সম্ভবত বাংলাদেশের অনেক নায়কের ভাত মেরে দিত। দুই বাবুই হাজতি হলেও তাদের রুমমেট একজন কয়েদি। হাজতি আর কয়েদির পার্থক্যটা এখনও বয়ান করা হয়নি। আদালতে সাজা না হওয়া পর্যন্ত বিচারাধীন বন্দিকে জেলে হাজতি বলা হয়। যেমন আমি এখন পর্যন্ত হাজতি। মামলায় সাজা হওয়ামাত্র হাজতিদের কয়েদিতে প্রমোশন হয়। তিন নম্বর ঘরের কয়েদি ছেলেটির নাম মনির। সর্বাঙ্গে ভয়াবহ সব আঘাতের চিহ্ন তার অতীত সন্ত্রাসী জীবনের সাক্ষ্য দিচ্ছে। একটি কব্জি প্রায় বিচ্ছিন্ন। অপারেশন করে কোনো রকমে জোড়া লাগানো হয়েছে। অপরাধ জগতে তার সম্ভবত একজন বিখ্যাত মামা রয়েছে, যে কারণে সাত নম্বর সেলে তার পরিচিতি ভাগ্নে মনির নামে।
চার এবং পাঁচ নম্বর কক্ষে যথাক্রমে দু’জন এবং একজন করে বন্দি। চার নম্বরে আছে রংপুর জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও শিল্পপতি করিমউদ্দিন ভরসার বড় ছেলে। সে তার আপন ছোট ভাইকে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত ঝগড়ার পরিণতিতে পিস্তলের গুলিতে হত্যা করে জেলে এসেছে। দেখলেই বোঝা যায়, বিত্তশালী পিতার উচ্ছন্নে যাওয়া ছেলেটি ভয়াবহ রকম নেশাগ্রস্ত। দীর্ঘদেহী তরুণটি ভীতিকর, অপ্রকৃতিস্থ দৃষ্টি নিয়ে সেলের সবার দিকে তাকিয়ে থাকে; কিন্তু বাক্যালাপ করে কদাচিত্। স্বল্প সময়ের কারাজীবনেই জেনে গেছি এখানেও নাকি এই ধনীপুত্রকে নেশাদ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ করার লোকজন রয়েছে। করিমউদ্দিন ভরসার ছেলের রুমমেট আনোয়ার অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলে এসেছে। কারওয়ান বাজার এলাকার তরুণটি নিম্ন আদালতে জামিনের চেষ্টায় রয়েছে। পাঁচ নম্বর ঘরের বাসিন্দা ফয়সাল আনসারী। বাংলাদেশে জন্মলাভকারী মধ্যবয়সী মার্কিন এই নাগরিক তার ঘনিষ্ঠতম বন্ধুকে হত্যার অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার নিহত বন্ধুটিও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ছিল। হত্যাকাণ্ডটি শেখ হাসিনার আগেকার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় ঢাকায় সংঘটিত হয়েছিল। সে গ্রেফতার হয়েছিল সম্ভবত ২০০০ সালে। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের একেবারে শেষে এসে নিম্ন আদালতে তার ফাঁসির দণ্ডাদেশ হয়। জেনারেল মইনের আমলে ফাঁসির দণ্ড মওকুফ করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দশ বছরের বেশি জেল খাটা হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা অথবা অন্য কোনো উপায়ে জামিনের চেষ্টা করছে। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন এবং ফয়সাল আনসারীর সঙ্গে গল্পগুজব করেই আমার প্রধানত সময় কাটছে। সাত নম্বর সেলের শেষ ঘরটিতে যে তিনজন আসামি থাকে, তারা সবাই হাজতি। এদের মধ্যে একজন মুক্তজীবনে তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের মাঝারি পর্যায়ের নেতা ছিল। একমাত্র তার সঙ্গেই করিমউদ্দিন ভরসার পুত্রের বন্ধুত্ব। সেলের লোকজনের ঘোরতর সন্দেহ, এই বন্ধুত্বের পেছনে নেশার ব্যাপারটাই ক্রিয়াশীল। সাত নম্বর সেলে আমাদের এই বারো জনেরই ঘরবসতি।
লৌহকপাটে মানবজীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা, আনন্দ-বেদনার গল্প পড়ে কৈশোরের স্বপ্নিল চোখ দিয়ে জীবনকে দেখার চেষ্টা করতাম। অপরদিকে সত্যেন সেনের লেখা এক ধরনের রোম্যান্টিক বিপ্লববাদিতায় হৃদয় আচ্ছন্ন করেছিল। কিন্তু উপন্যাস পড়া আর বিপ্লবের কল্পনা করা পর্যন্তই সার। মুক্তিযুদ্ধকালীন কয়েকজন বন্ধু মিলে হাতে লিখে পত্রিকা বের করে পাকবাহিনীর নজর এড়িয়ে সদরঘাটের মোড়ে সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে সেগুলো বিলি করা ছাড়া ছাত্রজীবনে কখনও রাজনীতির সংস্পর্শে আসিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে মন দিয়ে লেখাপড়া করে স্বাবলম্বী হওয়াটাই প্রধান কর্তব্য বিবেচনা করে ছাত্ররাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থেকেছি। সত্তর দশকের প্রথমার্ধে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মুজিববাদী ছাত্রলীগ এবং বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে ঝড় তোলা জাসদই ছিল ছাত্ররাজনীতির প্রধান দুই শিবির। এর বাইরে অন্তত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৪ পর্যন্ত মস্কোপন্থী ছাত্র ইউনিয়নের একটা শক্ত অবস্থান ছিল। কিন্তু সিপিবি এবং মোজাফফর ন্যাপের সঙ্গে আওয়ামী লীগের গাঁটছড়া বাঁধার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদের মধ্যে মস্কোপন্থীদের জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পেয়ে জাসদ একমাত্র প্রতিবাদী রাজনৈতিক শক্তিরূপে আবির্ভূত হয়।
বুয়েটে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালের জানুয়ারির একেবারে প্রথমে। আমি শেরেবাংলা হলে সিট পেয়েছিলাম। সে সময়ে চিন্তা-চেতনায় খানিকটা বামঘেঁষা ছিলাম বলে প্রথম দিকে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠলেও তাদের আপসকামিতায় বিরক্ত হয়ে জাসদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়। তবে সে সময়ে ইউকসু’র ভিপি এবং বর্তমানে গণফোরাম নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেমের সঙ্গে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমার গ্রেফতার হওয়ার বছরখানেক আগপর্যন্ত কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। যাই হোক, বুয়েটে জাসদ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলেও সরাসরি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে উত্সাহ বোধ করিনি কখনও। আজকের ক্ষমতাসীন মহাজোটভুক্ত জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বছর ছয়েক সিনিয়র ছিলেন। সে সময়ের ডাকসাইটে, বিপ্লবী জাসদ নেতার বর্তমানের মুজিব-বন্দনা শুনলে মনে হয় ভিন্ন ব্যক্তির মুখের কথা শুনছি। জাসদ সভাপতি এবং আমি কেবল একই বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ভিন্ন সময়ে হলেও একই বিভাগেরও ছাত্র ছিলাম। আমরা উভয়েই কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। আরও একজন প্রথম সারির জাসদ ছাত্রনেতাও সে সময় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন। তিনি শরীফ নুরুল আম্বিয়া। ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে ৭ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত জাসদের ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে সিপাহী বিপ্লবের সমর্থনে যে বিশাল জঙ্গি মিছিল হয়েছিল, তার নেতৃত্বদানকারীরা আজ যখন মরহুম শেখ মুজিব প্রসঙ্গ উঠলে গদগদ হয়ে অশ্রুবিসর্জন করেন, তখন হাসব না কাঁদব ভেবে পাই না। যা হোক, ব্যক্তিগতভাবে নিরামিষ ছাত্রজীবন কাটানোর ফলে কোনোদিন রাজনীতি সম্পৃক্ততার কারণে জেলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। অতঃপর দীর্ঘ পেশাজীবী জীবনের চড়াই-উতরাই পার হয়ে একেবারেই অপ্রত্যাশিতভাবে সরকারি দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেও তার পরিণতি কোনোদিন নাজিমউদ্দীন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগার হতে পারে, সেটাও চিন্তার অতীত ছিল। সরকারি দায়িত্বের সেই পাঁচ বছর কেবল নিজে দুর্নীতিমুক্ত থাকিনি, আমার সহকর্মীদেরও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে উদ্বুদ্ধ করেছি। বিনিয়োগ বোর্ড এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থরক্ষায় বিন্দু পরিমাণ আপস করিনি। তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও আমাকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা ও সমর্থন করেছেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধার সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ যেদিন স্বকর্ণে রেডিওতে তার কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছিলাম। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তার অসাধারণ সত্ জীবনযাপন তরুণ বয়সে আমাদেরও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছিল। চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে মিডিয়ায় দুর্নীতির ব্যাপক প্রচারণা থাকলেও আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিন্নতর ছিল। জ্বালানি উপদেষ্টার কাজ করার সময় বকেয়া বিল এবং অন্যান্য অভিযোগে বিএনপি’র এমপিদের বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও একবারের জন্যেও তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী আমাকে কোনো প্রশ্ন করেননি। নাইকোর বিষয়ে আমার কঠোর অবস্থানকেও বেগম খালেদা জিয়া নির্দ্বিধায় সমর্থন করেছেন। এসব কারণেই এক-এগারোর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র আমাকে অন্তত বিভ্রান্ত করতে পারেনি।
সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির ক্রীড়নক জরুরি সরকার এবং জেনারেল মইন গংয়ের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ করায় জীবনে সর্বপ্রথম জেলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় ২০০৭ সালে। সেই সরকারের দুই বছরের প্রায় পুরোটা সময় ধরেই আমার সঙ্গে সরকারের এক ধরনের ইঁদুর-বিড়াল খেলা চলতে থাকে। ছদ্মবেশী সামরিক সরকারের রাজনৈতিক দোসররা ২০০৮-এর ডিজিটাল নির্বাচনে একচেটিয়া বিজয় লাভ করলে কারাগার-জীবন অবধারিত হয়ে ওঠে। মহাজোটের ক্ষমতাগ্রহণ থেকে আমার গ্রেফতার পর্যন্ত নির্বাচিত সরকারের দেড় বছর ধরে বাংলাদেশ সম্পর্কিত মার্কিন নীতি এবং ভারতের আগ্রাসী ভূমিকার বিরোধিতা করে আমার লেখালেখি অব্যাহত রাখার ফলে সরকার নিশ্চিত হয়ে যায় আমাকে গ্রেফতার এবং নির্যাতন করা হলে তাদের তেমন কোনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়তে হবে না। বাস্তবে ঘটেও ঠিক তা-ই। আমি গ্রেফতার হওয়ার আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করলেও একটি জনপ্রিয় জাতীয় পত্রিকা সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে বন্ধ এবং তার সম্পাদককে গ্রেফতার করা নিয়ে গণতন্ত্র ও বাক্স্বাধীনতার ধ্বজাধারী রাষ্ট্রটির ঢাকাস্থ দূতাবাস থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী আচরণ কোনো সুশীল (?) পত্রিকার ক্ষেত্রে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে করা হলে নিশ্চিতভাবেই পশ্চিমা দূতাবাসগুলোর হুঙ্কারে সরকারের টিকে থাকাই দায় হয়ে যেত। গ্রেফতার হওয়ার পরবর্তী পঁচিশ দিনের বন্দিত্বকালে চারপাশে চোখ মেলে দেখার মতো হুঁশ ছিল না। ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার জন্য জেলে আসার মানসিক প্রস্তুতি থাকলেও রিমান্ডে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করা হবে, এটা বিশ্বাস হয়নি। চৌদ্দ দিনের রিমান্ডের যাতনা এবং দশ দিনের স্বাধীন বিচার বিভাগের নাটক মনটাকে এতটাই বিষণ্ন করে তুলেছিল যে, ওই চব্বিশ দিন আমার অস্তিত্বের বাইরের পৃথিবী অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাছে ব্যক্তির অসহায়ত্ব নিয়ে লেখালেখি করা আর নিজে প্রত্যক্ষ করার মধ্যে আসমান-জমিন ফারাক। এ সময়ের মধ্যে ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি মন জুড়ে থেকে মনঃকষ্ট বাড়িয়েছে মাত্র। জুন মাসের ২৪ তারিখ সন্ধ্যায় রিমান্ড শেষে ঢাকা জেলের সাত নম্বর সেলের কুঠুরিতে ফিরে নতুন করে অনুভব করলাম এই বিশাল পৃথিবীর একেবারেই অকিঞ্চিত্কর, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ হয়ে আমার জীবন্ত অস্তিত্ব এখনও বিদ্যমান। সেই অস্তিত্বের বিশাল অংশজুড়ে এখন সাত নম্বর সেলে আমার প্রতিবেশীরা এবং কারা প্রশাসনের ব্যক্তিরা। কারা প্রশাসন নিয়ে গল্প বলার আগে পাঠকের সঙ্গে প্রতিবেশীদের পরিচয় করানোটাই উত্তম।
নামে সাত নম্বর সেল হলেও এখানে কক্ষের সংখ্যা ছয়টি। নামকরণের সময় সেলের সংখ্যা সাত থাকলেও পরবর্তী সময়ে জেলখানার সীমানা প্রাচীর খানিকটা ভেতরে নিয়ে আসার প্রয়োজন পড়ে। প্রাচীরের জায়গার সংকুলান করতে তখন সাত নম্বর সেলটিকে ভেঙে ফেলতে হয়। একটি সেল কমে গেলেও নামকরণ বদলে ফেলা সম্ভব হয়নি। কারণ সাত নম্বর সেলের একেবারে পাশে আগে থেকেই ছয় কক্ষবিশিষ্ট ছয় নম্বর সেল নির্মিত ছিল। কালক্রমে জেনেছি, ছয় নম্বর সেল একসময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের সেল থাকলেও এখন সরকার ঘোষিত টিটি বা টপ টেররদেরই সেখানে প্রধানত জায়গা হয়। তবে আমার জেলজীবন শুরু হওয়ার আগেই সেসব টপ টেররকে কাশিমপুর কারাগারে চালানে পাঠানো হয়েছে। সেই চালানের পেছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জেলখানা সফরের সম্পর্ক ছিল। মাস দুয়েক আগে তিনি জাঁকজমকের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ঘুরে গেছেন। পাঠক আবার মনে করবেন না দলের ভিআইপিদের ভবিষ্যতের বাসস্থানের বন্দোবস্ত করতে তিনি এখানে এসেছিলেন। প্রার্থনা করি, এক-এগারোর মতো দুর্দিন তাদের জীবনে যেন আর না আসে। আর যদি দুর্ভাগ্যক্রমে এসেও যায়, তাহলে সেই বিশেষ সময়ের মতোই বিশেষ অট্টালিকার ব্যবস্থাও আশা করি হয়ে যাবে। ফালতু কথা বলে প্রধানমন্ত্রীকে আবারও ক্রোধান্বিত করার পরিবর্তে তার কারাগার দর্শনের উদ্দেশ্য বলে ফেলি। প্রধানমন্ত্রীর পিতা পাকিস্তানি আমলে ঢাকা জেলের যে কক্ষে দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন, সেই ঐতিহাসিক এলাকাটি এবং চরম নিন্দনীয় জেলহত্যার নির্মম শিকার চার জাতীয় নেতার স্মৃতিবিজড়িত বন্দিশালা মিলে তাদের পুণ্য স্মৃতি রক্ষার্থে মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই মিউজিয়াম উদ্বোধন করতেই এসেছিলেন। তার জেল পরিদর্শনকালে কারা কর্তৃপক্ষ টিটিদের এখানে রাখা নিরাপত্তার স্বার্থে সমীচীন বিবেচনা না করায় দল বেঁধে তাদের কাশিমপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। জেলের পরিভাষায় এই স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ‘চালান’ নামে অভিহিত করা হয়। ছয় নম্বরের গল্প বাদ দিয়ে এবার সাত নম্বর সেলে ফিরে আসি।
সাত নম্বর সেলের এক নম্বর কক্ষের বাসিন্দা দু’জন। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন এবং ফজলু মিঞা। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন কেবল একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই নন, মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষপর্যায়ে তিনি মেজর জলিলের কাছ থেকে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বও গ্রহণ করেছিলেন। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লুটপাট এবং তত্কালীন আওয়ামী নেতাদের চোরাচালান প্রতিরোধ করতে গিয়ে মেজর জলিল ছাড়া দ্বিতীয় যে সেক্টর কমান্ডার চাকরিচ্যুত এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন, তিনিই জয়নাল আবেদিন। আশির দশকে মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সন্ত্রাসের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গোটা তিনেক মামলা ঝুলছে। বর্তমান সরকার নিজেদের সর্বক্ষণ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তি হিসেবে প্রচার করে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও সাবেক এই সেক্টর কমান্ডারের ভাগ্যে আজ পর্যন্ত জেলে ডিভিশনটা পর্যন্ত জোটেনি। অথচ সরকারি আইন অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সব সেক্টর কমান্ডারের আদালতের নির্দেশনা ছাড়াই ডিভিশন প্রাপ্য। আওয়ামী লীগের চরিত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যে কতখানি তীব্র, তা জেলে এসে এই মুক্তিযোদ্ধার অবস্থা দেখে আবারও উপলব্ধি করলাম। বয়সের ভারে ন্যুব্জ মেজর (অব.) জয়নালের লাঠিতে ভর দিয়ে গণ-টয়লেটে যাওয়া এবং চৌবাচ্চার ধারে বসে অতি কষ্টে কাপড় কাচার দৃশ্য আমাকে বড় বেদনা দেয়। জয়নাল ভাইয়ের সেলমেট আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক ফজলু মিঞা হত্যার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। পুরনো ঢাকার অর্থশালী ব্যবসায়ী লোকটির হাঁপানির অসুখ রয়েছে। রাতে আমার ঘর থেকেই তার কাশির আওয়াজ অনবরত শুনতে পাই। এই ক’দিনেই টের পেয়ে গেছি অর্থ এবং রাজনৈতিক সংযোগের জোরে জেলখানায় ফজলু মিঞার যথেষ্ট প্রভাব-প্রতিপত্তি রয়েছে। লোকটি মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিনকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা-ভক্তি করে বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকবার উল্লেখ করেছি, দুই নম্বর কক্ষে আমার আশ্রয় মিলেছে। তিন নম্বর ঘরে তিনজন থাকে। একজনের কথা আগেই উল্লেখ করেছি। বাবু (সিনিয়র) যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। অস্ত্র মামলায় জেলে এসেছে। রিমান্ডে নানারকম নির্যাতনের গল্প জেলে এসে ওর কাছ থেকেই প্রথম শুনেছি। দ্বিতীয় আসামির নামও বাবু। তবে সে হোন্ডা বাবু নামেই বেশি পরিচিত। জেলে তারও প্রভাব-প্রতিপত্তি চোখে-পড়ার মতো। এখন পর্যন্ত টিটিতে প্রমোশন না হলেও এলাকার উঠতি সন্ত্রাসী। যথেষ্ট সুদর্শন তরুণটি এই পথে না এসে এফডিসিতে ঘোরাঘুরি করলে সম্ভবত বাংলাদেশের অনেক নায়কের ভাত মেরে দিত। দুই বাবুই হাজতি হলেও তাদের রুমমেট একজন কয়েদি। হাজতি আর কয়েদির পার্থক্যটা এখনও বয়ান করা হয়নি। আদালতে সাজা না হওয়া পর্যন্ত বিচারাধীন বন্দিকে জেলে হাজতি বলা হয়। যেমন আমি এখন পর্যন্ত হাজতি। মামলায় সাজা হওয়ামাত্র হাজতিদের কয়েদিতে প্রমোশন হয়। তিন নম্বর ঘরের কয়েদি ছেলেটির নাম মনির। সর্বাঙ্গে ভয়াবহ সব আঘাতের চিহ্ন তার অতীত সন্ত্রাসী জীবনের সাক্ষ্য দিচ্ছে। একটি কব্জি প্রায় বিচ্ছিন্ন। অপারেশন করে কোনো রকমে জোড়া লাগানো হয়েছে। অপরাধ জগতে তার সম্ভবত একজন বিখ্যাত মামা রয়েছে, যে কারণে সাত নম্বর সেলে তার পরিচিতি ভাগ্নে মনির নামে।
চার এবং পাঁচ নম্বর কক্ষে যথাক্রমে দু’জন এবং একজন করে বন্দি। চার নম্বরে আছে রংপুর জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও শিল্পপতি করিমউদ্দিন ভরসার বড় ছেলে। সে তার আপন ছোট ভাইকে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত ঝগড়ার পরিণতিতে পিস্তলের গুলিতে হত্যা করে জেলে এসেছে। দেখলেই বোঝা যায়, বিত্তশালী পিতার উচ্ছন্নে যাওয়া ছেলেটি ভয়াবহ রকম নেশাগ্রস্ত। দীর্ঘদেহী তরুণটি ভীতিকর, অপ্রকৃতিস্থ দৃষ্টি নিয়ে সেলের সবার দিকে তাকিয়ে থাকে; কিন্তু বাক্যালাপ করে কদাচিত্। স্বল্প সময়ের কারাজীবনেই জেনে গেছি এখানেও নাকি এই ধনীপুত্রকে নেশাদ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ করার লোকজন রয়েছে। করিমউদ্দিন ভরসার ছেলের রুমমেট আনোয়ার অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলে এসেছে। কারওয়ান বাজার এলাকার তরুণটি নিম্ন আদালতে জামিনের চেষ্টায় রয়েছে। পাঁচ নম্বর ঘরের বাসিন্দা ফয়সাল আনসারী। বাংলাদেশে জন্মলাভকারী মধ্যবয়সী মার্কিন এই নাগরিক তার ঘনিষ্ঠতম বন্ধুকে হত্যার অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার নিহত বন্ধুটিও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ছিল। হত্যাকাণ্ডটি শেখ হাসিনার আগেকার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় ঢাকায় সংঘটিত হয়েছিল। সে গ্রেফতার হয়েছিল সম্ভবত ২০০০ সালে। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের একেবারে শেষে এসে নিম্ন আদালতে তার ফাঁসির দণ্ডাদেশ হয়। জেনারেল মইনের আমলে ফাঁসির দণ্ড মওকুফ করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দশ বছরের বেশি জেল খাটা হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা অথবা অন্য কোনো উপায়ে জামিনের চেষ্টা করছে। মেজর (অব.) জয়নাল আবেদিন এবং ফয়সাল আনসারীর সঙ্গে গল্পগুজব করেই আমার প্রধানত সময় কাটছে। সাত নম্বর সেলের শেষ ঘরটিতে যে তিনজন আসামি থাকে, তারা সবাই হাজতি। এদের মধ্যে একজন মুক্তজীবনে তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের মাঝারি পর্যায়ের নেতা ছিল। একমাত্র তার সঙ্গেই করিমউদ্দিন ভরসার পুত্রের বন্ধুত্ব। সেলের লোকজনের ঘোরতর সন্দেহ, এই বন্ধুত্বের পেছনে নেশার ব্যাপারটাই ক্রিয়াশীল। সাত নম্বর সেলে আমাদের এই বারো জনেরই ঘরবসতি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1335)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 13
(122)
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ আদালতের মর্যাদা
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ট্রানজি...
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ সুশাসন নির্বাসনে
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশে আক্র...
- বিচারপতিদের চিকি ৎ সাভাতা-বিতর্ক by মিজানুর রহমান খান
- কৌতুকের ছলে, কথা যাই বলে আনিসুল হক
- ফ্রান্সের পরমাণু কেন্দ্রে বিস্ফোরণ একজন নিহত
- মমতাকে একহাত নিলেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী
- স্ত্রস-কানকে জেরা করেছে ফ্রান্সের পুলিশ
- ধর্মীয় সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ!
- জয়ললিতাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ
- সিরিয়ায় এ পর্যন্ত নিহত ২৬০০
- কেনিয়ায় আগুনে ১২০ জনের মৃত্যু
- তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর মিসর সফর শুরু
- কোনো রুশকে যুক্তরাজ্যের কাছে হস্তান্তর সম্ভব নয়
- আফগান পুলিশ ভক্ষকে পরিণত হয়েছে
- বাংলাদেশের বাজে শুরু
- আবারও ব্লেকের ৯.৮২
- চ্যাম্পিয়ন ভারত
- জেএফএ কাপ ফুটবল
- ৪৮০০ স্কুলের প্রতিযোগিতা
- বানিকের পাঠশালায় ইয়ামিনরা
- নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে মহিলা দলের ক্যাম্প
- বর্ষসেরা ক্রিকেটার ট্রট
- শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির জয়
- এক অস্ট্রেলীয়র যুক্তরাষ্ট্র জয়
- জার্মানিই ব্রাজিলের বড় চ্যালেঞ্জ
- শুরুতেই বার্সা-মিলান রোমাঞ্চ
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে...
- ১- সাত নম্বর সেলের দুই নম্বর কুঠুরি থেকে নিষ্পলক ত...
- ২- দরজার ওপারে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র আর এপারে সাংবাদি...
- ৩- ভোরের আজানের ধ্বনি আমাকে সেই ভরসাই দিয়ে গেল
- ৪- টুকরো কাগজগুলো পাশের সেলের বাবুকে দিয়ে বললাম যদ...
- ৫- এমন বেইনসাফিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার কথা
- ৬- রিমান্ডের বিভীষিকা
- ৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
- ৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চ...
- ৯- যদি রাষ্ট্রদ্রোহ করেই থাকি, মহাজোট সরকারের উচিত...
- ১০- চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো আমাকে নেয়া হলো জিজ্ঞা...
- ১১- টিএফআই সেলে নেয়ার বৈধতার প্রশ্ন কোর্টে তুললে স...
- ১২- রিমান্ডে নির্যাতন বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দে...
- ১৩- সরকারের হেফাজতে সব মৃত্যুর হিসাব দিতে হয় না সে...
- ১৪- চোখ বাঁধা প্রবীণ রাজনীতিকের পায়ের নখ উপড়ে ফেলা...
- ১৫- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ এখন তামাশা :...
- ১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা...
- ১৭- মন্তব্য প্রতিবেদন : ফি চাওয়া অসভ্যতা, খুন করলে...
- ১৮- সহকর্মীদের বললাম জেল আমি একাই খাটবো : যে কোনো ...
- ১৯- এখন থেকে প্রতি বছর জুনে একটি নয় দু’টি করে কালো...
- ২০- কোনো সরকারই যে চিরস্থায়ী নয় : জেল কর্মকর্তাদের...
- ২১- জেলের কঠিন জীবনযাপন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমার ...
- ২২- হঠাৎই জেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিল, জামায়াত নেত...
- ২৩- সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বোধ...
- ২৪- সরকারপক্ষ সময় পেল চারদিন : আমার বক্তব্যের জন্য...
- ২৫- ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বললেন বেঁচে গেলেন ফাঁসি...
- ২৬- জীবনসায়াহ্নে এসে না হয় নির্বোধের মতো আদালতকথিত...
- ২৭- পশ্চিমা সরকারগুলো বাংলাদেশে মানবাধিকার ও বাকস্...
- ২৮- সাহিরর সময় কারারক্ষীর চাবির গোছার ঝনঝন শব্দে স...
- ২৯- এক-এগারোর কুশীলবরা দুর্নীতি দমনের ছদ্মবেশে জাত...
- ৩০- সুপ্রিমকোর্ট অঙ্গনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকে আদালত অব...
- ৩২- বিশেষ উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের আমলে সব নিরাপত...
- ৩৩- রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী
- ৩৪- পিসি বাণিজ্যে বছরে কোটি কোটি টাকার ভাগাভাগি বর...
- ৩৫- দরিদ্র বন্দিদের অনেকেই জানে না তাদের অসহায় স্ত...
- ৩৬- সুবিধাবাদ আমাদের অস্থিমজ্জায়, ফ্যাসিবাদের সঙ্গ...
- ৩৭- তিনদিন পার হলেও জেল থেকে উধাও আসামির হদিস বের ...
- ৩৮- কনডেম সেলের মতো ভীতিকর স্থানে পর পর দুই কারারক...
- ৩৯- ফ্যাসিবাদের পক্ষের সংবাদকর্মীরও অভাব নেই ফলে শ...
- ৪০- যারা অবিচার করেছেন, নির্মোহ ইতিহাস তাদের অবশ্য...
- ৪১- দেশকে অকার্যকর প্রমাণে সরকার যে বদ্ধপরিকর : জন...
- ৪২- ফ্যাসিবাদী সরকার যত গণবিচ্ছিন্ন হয় তাদের মধ্যে...
- ৪৩- দিনবদলের ধাক্কায় ‘কমিউনিস্ট সুশীল’ লেবাস পাল্ট...
- ৪৪- আমাকে গ্রেফতার ও খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছে...
- ৪৫- পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মহোত্সব চ...
- ১- লড়াই বিফলে যায়নি, আমার দুর্বল কণ্ঠ : ইউরোপ-আমের...
- ২- এই বিচারকই সংবিধান থেকে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও ব...
- ৩- আদালত অবমাননা মামলায় আমার সাজা প্রতিটি সংবাদকর্...
- ৪- বাংলাদেশ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদীদের নীতি সম্পূর্...
- ৫- কাশিমপুর জেল আমি তৈরি হতে দেখেছি ভাবিনি কয়েদি হ...
- ৬- রাজনীতিকদের গ্রেফতার নির্যাতনে পত্রিকা দু’টির স...
- ৭- জ্ঞাতি ভাইকে খুন করে আসা সেবক কালামকে দেখে গা ছ...
- ৮- এক শেয়ারবাজার থেকেই আওয়ামী রথী-মহারথীরা লুটে নি...
- ৯- যে সরকার নাগরিককে ক্রসফায়ারে পাঠায় তারাই ভয়াবহ ...
- ১০- জেল সুপারের বাড়ি ‘পুণ্যভূমি’ গোপালগঞ্জে আমার ক...
- ১১- সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাসের কারণেই গঠন করা হয়...
- ১২- মুক্তি পেলেও ইসলামবিদ্বেষী এই সরকার আমাকে হজে ...
- ১৩- স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা ‘আমার দেশ’-এর প্রবেশ...
- ১৪- এজলাস ভাঙচুর করে পুরস্কৃত হলেন এক আইনজীবী : এভ...
- ১৫- সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকলেই নাকি মুক্তিযুদ্ধের ...
- ১৬- চরম দলীয়করণের ফলে দেশে ইনসাফ পাওয়ার পথ সবদিক দ...
- ১৭- লাখ টাকা দিয়ে মৃত্যু কিনেছিল হোন্ডা বাবু
- ১৮- পশ্চিমাদের ব্ল্যাংক চেক পেলেও ড. ইউনূসের ছায়া ...
- ১৯- শেয়ারবাজারের লুণ্ঠন করা টাকা লন্ডন কানাডা আমের...
- ২০- প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উচ্চ আদালতের মান আবার ...
- ২১- চলনবিলে মাইল মাইল সর্ষেফুলের সৌন্দর্য দেখে মুগ...
- ২২- অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে দু’টি দিন কাটানো গেলে আসামে...
- ২৩- সর্বস্ব নেয়ার পরও ক্ষমতাসীনদের হাহুতাশ : ভারতে...
- ২৪- স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে...
- ২৫- টিআইবি যে বিচার বিভাগের হাঁড়ি হাটে ভাঙলো এখন ত...
- ২৬- প্রেস ক্লাব নির্বাচনে বাকস্বাধীনতার পক্ষের লড়া...
- ২৭- প্রিজন ভ্যান একটু এগোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল : সামন...
- ২৮- পুরো সিস্টেম ভেঙে নতুন নির্মাণ ছাড়া বিচার বিভা...
- ২৯- বর্তমান সরকারের আমলে দেশে রীতিমত হরির লুট চলছে
- প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে আরব লিগের প্রধানের বৈঠক
- ৩০- শুধু ভারতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেই হবে না অব্যা...
- আশঙ্কা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে জাঁকালো ফ্যাশন শো
- সারকোজির বিরুদ্ধে জিম্মিদের ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন...
- সামরিক হস্তক্ষেপ মুসলমানদের মৌলবাদী করেনি
- ৩১- আর একবার গণজাগরণ ঘটলে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক...
- যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছু ক্ষেত্রে’ নৈতিক কর...
- ভারতে দাঙ্গা প্রতিরোধ বিলের বিরোধিতায় মমতা
- যুক্তরাষ্ট্রের এখনো আল-কায়েদা ভীতি, সন্ত্রাসী হামল...
- ৩২- প্রধানমন্ত্রীসহ চারজন মন্ত্রী নারী হলেও নারীর ...
- এখনো তাড়া করছে সেই ভয়ংকর স্মৃতি
- হামলার ১০ বছরের মাশুল
- ৩৩- কারারক্ষী অম্লান বদনে বললো, হালকা-পাতলা মাইর ন...
- ৩৪- মাওলানা সাঈদীর প্রস্তাবে রান্নাবান্না শুরু হলো...
- ৩৫- স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু-বিহারিদের সম্পত্তি দ...
- ৩৬- বাস্তবতা হলো দুর্নীতি করলেই বরং ক্ষমতাসীনদের স...
- ৩৭- মুসলিম বিশ্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে জনজাগরণে ...
- ৩৮- ‘নবরূপে বাকশাল’ নাম দেখে সবাই আঁতকে উঠলেন
- ৩৯- সন্তু লারমার জন্য নোবেল দাবি সেনাবাহিনীর শহীদদ...
- ৪০- ভারতকে ট্রানজিট দেয়া রাষ্ট্রীয় আত্মহত্যারই নাম...
-
▼
Sep 13
(122)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment