Tuesday, September 13, 2011
৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
বিভীষিকার সেই কালো রাত
হঠাত্ করেই দু’দিক থেকে দু’জন আমার দু’হাত ধরে এক ঝটকায় দাঁড় করিয়ে দিল। অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে বলল, ‘নিয়ে চল ব্যাটাকে জায়গা মতো। দেখি কত বড় বীর পুরুষ’। চোখ বাঁধা, তাই কোনদিকে ঠেলছে ঠিক ঠাহর করতে পারছি না। জ্ঞান হারানোর আগে ক্রসফায়ারে নিয়ে যাচ্ছে এরকম কিছু একটা বোধহয় ভেবেছিলাম। ...
হঠাত্ করেই দু’দিক থেকে দু’জন আমার দু’হাত ধরে এক ঝটকায় দাঁড় করিয়ে দিল। অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে বলল, ‘নিয়ে চল ব্যাটাকে জায়গা মতো। দেখি কত বড় বীর পুরুষ’। চোখ বাঁধা, তাই কোনদিকে ঠেলছে ঠিক ঠাহর করতে পারছি না। জ্ঞান হারানোর আগে ক্রসফায়ারে নিয়ে যাচ্ছে এরকম কিছু একটা বোধহয় ভেবেছিলাম। ...
গত দু’রাত না ঘুমিয়েই কেটেছে। তার ওপর কোতোয়ালিতে সারা রাত ঠায় দাঁড়ানো। ক্যান্টনমেন্ট থানার নোংরা মেঝেতে শুয়ে ঘুমের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে এলেও ঘুমের দেখা নেই। মাঝে মাঝে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছি। পরক্ষণেই চমকে তন্দ্রা ছুটে যাচ্ছে। রাত বোধহয় তখন দেড়টা থেকে দুটোর মাঝামাঝি। গারদের তালা খোলার আওয়াজে চোখ মেলে তাকালাম। বাতি নেই, হয়তো বিদ্যুত্ চলে গেছে; তবে প্রকৃতির আলো আছে। সেই আলো-আঁধারিতে দেখলাম গারদের সামনে বেশ কয়েকটি ছায়া। একজনের হাতে বাক্সসদৃশ কিছু দেখতে পেলাম। পরে অবশ্য জেনেছিলাম, এই আগন্তুকরাই আমার সেলের তালা খোলার আগে থানার বাতি নিভিয়ে দিয়েছিল।
গারদের দরজা খুলে গেল। খর্বাকৃতি একটা অবয়ব আমার দিকে এগিয়ে এলো। আমি ততক্ষণে উঠে বসেছি। লোকটি দ্রুত পায়ে এসেই আমার শার্টের কলার ধরে হ্যাঁচকা টানে দাঁড় করিয়ে দিল। তাকে চিনে ফেললাম। আমার মামলার আইও ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্য একজন পেছন থেকে দ্রুত আমার চোখ বেঁধে ফেলেছে। রেজাউল করিম শার্টের বোতাম খুলে শরীর থেকে শার্টটা ছুঁড়ে ফেলে দিল। ঘটনার আকস্মিকতায় ঘোর কেটে মাথা পরিষ্কার কাজ করছে। এরা আততায়ী, দেশের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারকের নির্দেশে আমাকে শেষ করে দিতে এসেছে। একবার ভাবলাম, চিত্কার করি। পরক্ষণেই মনে হলো, আমার সেই চিত্কার এই কাপুরুষদের আনন্দের খোরাকই কেবল জোগাবে। স্যাডিস্ট মহাপ্রভুর সামনে বসে রসিয়ে রসিয়ে আমার অন্তিম চিত্কারের গল্প বলে তার মনোরঞ্জন করবে। শুধু একবার মনে মনে আল্লাহকে স্মরণ করলাম। এর মধ্যে আমাকে একটা জ্যাকেট পরানো হয়েছে, সম্ভবত দু’হাত আটকে ফেলার জন্য। যন্ত্রের মতো কাজ চলছে। কেউ কোনো কথা বলছে না। আমার কানের কাছে মধ্যরাতের আগন্তুকদের দ্রুত তালে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ। আমাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হলো সেলের কোণের দিকে, সেখানে কেবলই দেয়াল, বাইরে থেকে দেখা যাবে না ভেতরে কী ঘটছে। নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে আমাকে ঠেলে বসিয়ে দেয়া হলো। সামনে আমার দুই পা প্রসারিত, কাঁধের ওপর শক্ত দুটো হাত, পেছন থেকে পিঠ একজন তার হাঁটু দিয়ে চেপে রেখেছে। পরের ঘটনায় আবারও অবাক হলাম। কেউ দ্রুত আমার কোমরের বেল্ট খুলতে শুরু করেছে। প্যান্ট খুলে ফেলা হলো। কী করতে যাচ্ছে এরা? এত ঝামেলার প্রয়োজন কী? মাথার পাশে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে একবার গুলি করলেই তো যথেষ্ট। এক-এগারোর নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় শুনেছি বর্তমান ‘গণতান্ত্রিক’ সরকারও নাকি লোকজনকে ধরে এনে হরেকরকম নির্যাতনের মধ্যে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ইলেকট্রিক শক দেয়। আমাকেও কি তেমন কিছু করতে যাচ্ছে? নইলে প্যান্ট খুলছে কেন? সঙ্গে আনা বাক্সের মধ্যে অত্যাচারের কোন ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে তাও জানা নেই। প্যান্ট খুললেও অন্তর্বাস অবশ্য যথাস্থানেই রইল। হঠাত্ করেই দু’দিক থেকে দু’জন আমার দু’হাত ধরে এক ঝটকায় দাঁড় করিয়ে দিল। অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে বলল, ‘নিয়ে চল ব্যাটাকে জায়গামত। দেখি কত বড় বীরপুরুষ।’ চোখ বাঁধা, তাই কোনদিকে ঠেলছে ঠিক ঠাহর করতে পারছি না। জ্ঞান হারানোর আগে ক্রসফায়ারে নিয়ে যাচ্ছে এরকম কিছু একটা বোধহয় ভেবেছিলাম। দু’দিনেরও অধিক সময় ধরে অনাহারক্লিষ্ট, নির্ঘুম, দুর্বল শরীর আর সইতে পারল না। দুই আততায়ীর শক্ত মুঠোর মধ্য দিয়েই আমার উভয় হাত পিছলে বার হয়ে এলো।
আমি শূন্যে ভাসতে লাগলাম। কোনো কষ্ট নেই, যাতনা নেই, কেবল অনাবিল প্রশান্তি। তারপর সব অন্ধকার। জ্ঞান যখন ফিরল—আমি থানার ডিউটি অফিসারের মেঝেতে শুয়ে আছি, সর্বাঙ্গ ভেজা। সম্ভবত জ্ঞান ফেরানোর জন্য পানি ঢালা হয়েছে। পাশ ফিরতে গিয়ে কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভব করলাম। তাড়াতাড়ি হাত দিয়ে দেখলাম প্যান্ট যথাস্থানে আছে। তবে বেল্ট উল্টো করে বাঁধা। আততায়ীরা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় প্যান্ট পরানোর সময় বেল্ট উল্টো হয়ে গেছে। আমার অস্ফুট, বেদনার্ত আওয়াজ শুনে ডিউটি অফিসার ছুটে এসে বলল, স্যার আপনি ভালো আছেন, কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আপনাকে পাহারা দিচ্ছি। আমার তখন টয়লেটে যাওয়া দরকার, অথচ উঠতে পারছি না। দু’জন সেন্ট্রির কাঁধে ভর দিয়ে টয়লেটে গেলাম। সেখান থেকে ফিরে ডিউটি অফিসারকে অনুরোধ করলাম আমাকে হাজতে ফেরত পাঠাতে। ফজরের আজান শুনে তখনও জীবিত থাকার জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অতি কষ্টে বসে ইশারায় নামাজ পড়লাম।
সকাল সাতটা না বাজতেই ক্যান্টনমেন্ট থানার কর্মকর্তা, কনস্টেবল দল বেঁধে এসে আমাকে সহানুভূতি জানিয়ে গেলেন। রাতের হত্যা প্রচেষ্টার ঘটনা পুরো থানায় জানাজানি হয়ে গেছে। ওদের কাছ থেকেই টুকরো টুকরো যে খবর পেলাম, সেগুলো জোড়া দিয়ে গতরাতে কী ঘটেছিল সেই চিত্রটি দিনভর সাজালাম। সেটাই আমার মতো করে বিবৃত করছি। রাত একটার পর একটি সিভিল গাড়িতে পাঁচজনের একটি দল ক্যান্টনমেন্ট থানায় প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা ছিল, যার একজনকে আমি চিনতে পেরেছি। অন্য কর্মকর্তার নাম জিজ্ঞাসা করে জবাব পেলাম না। সবাই এড়িয়ে গেল। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, বাকি তিনজনকে থানার কেউ চিনতে পারেনি। কনস্টেবল, কর্মকর্তারা একবাক্যে বলল, ওই তিনজন পুলিশ বাহিনীর কেউ নয়। তাহলে তারা কারা? তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না। দলটি এসেই কর্তব্যরত এএসআই’র কাছ থেকে আমার সেলের চাবি নিয়ে থানার বাতি নিভিয়ে দেয়। সেলে ঢোকার সময় থানার কাউকে কাছে-পিঠে থাকতে দেয়নি। আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে এরা খানিকটা আতঙ্কিত হয়ে থানার লোকজনদের ডেকে নিয়ে আসে। তারা বাতি জ্বালিয়ে দেখতে পায়, আমি সেলের কোণে অর্ধ উলঙ্গ নিথর পড়ে আছি। কর্তব্যরত কর্মকর্তা এবং সিপাহীরা মিলে আমাকে কাঁধে করে সেল থেকে ডিউটি অফিসারের কক্ষে নিয়ে ফ্যানের নিচে মেঝেতে শুইয়ে দেয়। তারপর চোখে-মুখে পানির ছিটা, পায়ের তালুতে সর্ষের তেল ঘষা, মাথায় পানি দেয়া ইত্যাদি অন্তে প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমার জ্ঞান ফেরে। এই সময়ের মধ্যে আততায়ী বাহিনী ক্যান্টনমেন্ট থানা ত্যাগ করে। সর্বপ্রথমে তিন অচেনা ব্যক্তি এবং সর্বশেষ আইও রেজাউল করিম থানা ছেড়ে যায়। এমনই কিছু একটা ঘটার আশঙ্কা আগে থেকে থাকলেও একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলাম না। সরকারের এই বিশেষ খুনে বাহিনী কাজটা অসমাপ্ত রেখে গেল কেন? তাহলে কি আজ রাতে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে ফিরে আসবে? যে কোনো উপায়ে আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে এই হত্যা প্রচেষ্টার সংবাদ দ্রুত জানানো দরকার। নইলে রিমান্ডের বাকি দুই দিনের মধ্যেই কোনো এক ঝোপ-জঙ্গলে আমার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পড়ে থাকার সমূহ আশঙ্কা। পুরো থানায় পরিচিত কেউ নেই। আমার অসহায় অবস্থায় প্রশাসনের কাউকে বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। জানি না কী বুঝে সিদ্ধান্ত নিলাম অনাহারে থাকব। মনে হলো, আততায়ীর বুলেটে অথবা নির্যাতনে প্রাণত্যাগ করার চাইতে অতিরিক্ত দৌর্বল্যে হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়াই উত্তম। আজন্ম আমার রক্তচাপ বেশ কমের দিকে। সুতরাং রক্তচাপ আরও খানিকটা কমলেই হয়তো সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন সহজতর এবং দ্রুততর হবে। থানার প্রতিটি কর্মকর্তা সারাদিন ধরে অনুরোধ করেও আমাকে কিছু খেতে সম্মত করাতে পারল না।
বিকেলের শিফটে দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার গারদের তালা খুলে আমাকে তার কক্ষে ফ্যানের নিচে বসে কিছুটা সময় অন্তত আরাম করার অনুরোধ করল। এই দু’দিনে মশার কামড়ে আমার সমস্ত শরীর ফুলে গেছে; ঘামে ভিজতে ভিজতে সর্বাঙ্গ চটচটে, দুর্গন্ধময়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ছেলেটির সঙ্গে গেলাম। সেখানে গিয়ে মনে হলো, না আসাটাই ঠিক ছিল। আইও রেজা ডিউটি অফিসারের কক্ষে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ। তাকে সেখানে দেখে গত রাতের কথা মনে করে অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করলাম। লোকটি খেজুরের একটি বাক্স আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে খেতে অনুরোধ করল। খেজুর আমি বেশ পছন্দ করেই খাই। বাক্সটি দেখেই বুঝলাম, এটা আমারই বাসা থেকে এসেছে। দাঁতে দাঁত চেপে ভেতর থেকে প্রবল হয়ে উঠে আসা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ক্রোধ সংবরণ করলাম। কোনো কথা না বলে সম্ভাব্য হত্যাকারীর হাত থেকেই একটা খেজুর নিয়ে মুখে দিতেই বমনেচ্ছা প্রবল হয়ে উঠল। লোকটি আমার চেহারার রং পরিবর্তন লক্ষ্য করে তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা পানি আনতে নির্দেশ দিল। একজন সেন্ট্রি ছুটে গিয়ে এক গ্লাস ফ্রিজে ঠাণ্ডা করা পানি নিয়ে এলে পুরোটাই খেলাম। ওখানে বসে থাকা আমার অসহ্য বোধ হতে লাগল। সেই মানসিক নির্যাতনের তীব্রতা ভুক্তভোগী ছাড়া আর কাউকে বোঝানো কঠিন। ডিউটি অফিসার এবং ইন্সপেক্টর রেজার বাধা উপেক্ষা করে গারদে ফিরে এলাম। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে মন শক্ত করে রাতের আসন্ন আক্রমণের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। আমার সেলে যাদের ডিউটি ছিল সেসব সিপাহী তো বটেই, থানার অন্য সেন্ট্রিরাও কিছুক্ষণ পরপর আমাকে ভরসা দিয়ে যাচ্ছিল। তারা দৃঢ়কণ্ঠে বলছিল, আজ রাতে আপনার ওপর যে কোনো আঘাত আমরা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করব। তাতে লড়াই বাধলেও পিছিয়ে যাব না। ওদের কথা শুনে অবাক হয়ে ভাবছিলাম, আমি তাহলে নিঃসঙ্গ নই। সত্যের পক্ষে সিনা টান করে দাঁড়ানোর মতো সৈনিক এখনও এই দেশে আছে। মন প্রশান্ত হয়ে গেল। জালিমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রাম একদিন ইনশাআল্লাহ, শুরু হবে। সেই মহান সংগ্রামে আমার মতো তুচ্ছাতিতুচ্ছ ব্যক্তির আগাম মৃত্যু যত্সামান্য ত্যাগ স্বীকার মাত্র। মহান মুক্তিযুদ্ধে যে লাখ লাখ তরুণ আত্মদান করেছেন, তাদের ক’জনকেই বা আমরা চিনি। কিন্তু, এই আত্মত্যাগের ফলেই পাকিস্তানি স্বৈরশাসন থেকে আমরা মুক্তিলাভ করেছি। সাম্রাজ্যবাদের দোসর, বাংলাদেশী ফ্যাসিবাদী শাসকগোষ্ঠী চার দশক পর দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিতে উদ্যত হয়েছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আজ অকাতরে প্রাণ দেয়ার সময় এসেছে। অতএব, আল্লাহ ভরসা।
রাত বারোটার ঘণ্টা বেজেছে বেশ খানিক আগে। একাধিক বুটের শব্দ শুনলাম। গারদের সামনে আইও রেজাউল করিম, পাশে ক্যান্টনমেন্ট থানার ডিউটি অফিসার আহসান হাবিব। থানার বাতি জ্বালানোই রয়েছে। বলা হলো, আমার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হচ্ছে। আইও একটি কালো কাপড় বের করে রূঢ়ভাবে জানাল, আমার চোখ বাঁধা হবে। এর হেতু জিজ্ঞাসা করতেই শুনলাম, এটাই নাকি আইন। প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু না হতেই আরও একজনের বুটের আওয়াজ শুনতে পেলাম। সেই আওয়াজ সেলে ঢুকে আমার চারপাশে পায়চারি করছে। তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় আমার কাছে গোপন রাখা হলো। আধ ঘণ্টাখানেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদের তামাসা চলছে। ঘুরে-ফিরে একই প্রশ্ন। গ্রেফতারের রাতে সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিকদের মধ্যে কারা কারা আমার দেশ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের আমি ডেকে এনেছিলাম কি-না? হঠাত্ একজন সেন্ট্রি ছুটে এসে খবর দিল, অ্যাডভোকেট মাসুদ তালুকদার আমার খোঁজে থানায় এসেছেন। উত্তেজনা চাপতে না পেরে উচ্চকণ্ঠেই বলে উঠলাম, তিনি আমার আইনজীবী। জিজ্ঞাসাবাদ থেমে গেল। মিনিট পাঁচেক পর চোখের বাঁধন খুলে দেয়া হলো। তারপর সব চুপচাপ। খানিক বাদে এক সেন্ট্রি এসে চুপি চুপি বলে গেল, আমার স্ত্রীও নাকি এসেছে। আমি অস্থির হয়ে উঠলাম। কোনো ভদ্র পরিবারের মহিলাদের আসার স্থান থানা নয়। তার ওপর রাত তখন প্রায় দুটো। অপর একজন খবর দিল, মাসুদ তালুকদার ছাড়াও অন্যান্য ব্যারিস্টার এবং জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ সদস্যরাও আমার খোঁজে এসেছেন। মনে হলো, আল্লাহ তাঁর রহমতের ভাণ্ডার আমার জন্য উজাড় করে দিয়েছেন। তিনিই আমার একমাত্র নিরাপত্তাদাতা। ভোর চারটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে আছি। জিজ্ঞাসাবাদের খবর নেই। শেষ পর্যন্ত আহসান হাবিব এসে জানালেন, আমি এবার ঘুমাতে পারি। আজ রাতের মতো জিজ্ঞাসাবাদে ইতি। আর খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতেই ফজরের নামাজের ওয়াক্ত হলো। নামাজ শেষ করে ঘুমিয়ে যখন জেগে উঠলাম, তখন সকাল প্রায় আটটা। সারাদিন আর কেউ এলো না। পাহারারত সেন্ট্রির সঙ্গে সুখ-দুঃখের গল্প করে আর খানিক পরপর রঙ চা খেয়ে সময় কাটালাম। সন্ধ্যা সাতটায় আরেক দফা জিজ্ঞাসাবাদের কথা জানানো হলো। তবে জিজ্ঞাসাবাদ সেলে হবে না। ভিন্ন স্থানে যেতে হবে। ডিউটি অফিসারের কক্ষে পৌঁছে যথারীতি রেজাউল করিমকে দেখতে পেলাম। তার ইচ্ছেতেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চমত্কার অফিসে যাওয়া হলো। তৃতীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে যোগ দিল। তরুণটি ইন্সপেক্টর রেজাউল করিমের জুনিয়র। আবারও সেই একঘেয়ে প্রশ্ন। আজ কিন্তু আমার চোখ বাঁধা হলো না। পূর্বরাতে আমাকে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ পুলিশের আইনই হচ্ছে চোখ বেঁধে জিজ্ঞাসাবাদ করা। আজকে এই আইন ভঙ্গ করায় ইন্সপেক্টর রেজার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি-না, নির্দোষভাবে জানতে চাইলে সে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। এসব ক্ষেত্রে আমারও চোখ নামানোর অভ্যাস নেই। রেজাউল করিমের চোখের ভাষায় আমি যেন পড়ছিলাম, তেল তাহলে এখনও পুরোটা যায়নি। জুনিয়রের সামনে আমার বেমক্কা প্রশ্নে দৃশ্যত অপমানিত আইও জিজ্ঞাসাবাদে সমাপ্তি টেনে আমাকে হাজতে নিয়ে যেতে বলল। আমিও কোনো সেন্ট্রির জন্য অপেক্ষা না করে ওসি’র ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা হাজতে চলে গেলাম। এই তিন দিনে থানার পথ-ঘাট মোটামুটি চেনা হয়ে গেছে। তেজগাঁও থানার দায়ের করা মামলার রিমান্ডের সর্বশেষ রাতে উল্লেখযোগ্য আর কিছু ঘটলো না। তবে সেন্ট্রির মাধ্যমে খবর পেলাম সংসদ সদস্য পাপিয়া, রুনু, আইনজীবী মুন্সি কবির আমার কুশল জানতে থানায় এসেছিলেন। এদের ঋণ শোধ করা আমার সাধ্যাতীত।
বারই জুন দুপুর একটায় প্রিজন ভ্যান আমাকে আদালতে নেয়ার জন্যে এলে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভ্যানে উঠলাম। যাওয়ার সময় অবশ্য ধারণা করছিলাম, আদালতের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এখানেই বোধহয় ফিরে আসছি। আরও দুই মামলার রিমান্ড সমাপ্ত হতে তখনও আট দিন বাকি রয়েছে। তাছাড়া এই মামলাতেই সরকার পুনরায় রিমান্ডও চাইতে পারে। ঘণ্টাখানেকের পথ পাড়ি দিয়ে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো। ম্যাজিস্ট্রেট একজন তরুণী। অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিঞাকে আগেই বলে রেখেছিলাম, নির্যাতনের ঘটনা আমি নিজমুখে বর্ণনা করতে চাই। তিনি কথামত শুনানির শুরুতেই আদালতের অনুমতি নিয়ে রাখলেন। সরকারপক্ষ যথাসম্ভব বাধা দিলেও ফল হলো না। ম্যাজিস্ট্রেট সম্ভবত আমার বয়স এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে করুণাবশত কাঠগড়ায় বসার জন্য একটা চেয়ার দেয়ারও নির্দেশ দিলেন। ক্যান্টনমেন্ট থানায় রাতের তৃতীয় প্রহরের সেই লোমহর্ষক ঘটনা যতটা সম্ভব নিরাসক্তভাবে বর্ণনা করলাম। ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় কন্যাসম হওয়ায় পরনের কাপড় খোলার বর্ণনা দেয়ার সময় বিব্রত বোধ করছিলাম। ম্যাজিস্ট্রেটকে সে কথাটা আমি বললামও। আমি বলে যাচ্ছি। আদালতে পিনপতন নিস্তব্ধতা, কারও চোখে পানি। আওয়ামী লীগ যে চরিত্রগতভাবে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সে বিষয়টি এদেশের জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন জনগণ মোটামুটি জানে। এমনকি আওয়ামী লীগাররাও জানে। তবে তারা বিষয়টি লজ্জাস্কর বিবেচনা না করে বরং একপ্রকার অহঙ্কার বোধ করে। সেই ফ্যাসিবাদী দলটি মার্কিন-ভারতের অন্ধ সমর্থনে এবার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াতে’ পরিণত করেছে। আমার বক্তব্য শেষ হতেই সরকারি আইনজীবী তারস্বরে চিত্কার করে বলতে লাগলেন, এগুলো সব বানানো। আমি নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করছি। যে রাষ্ট্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দৈনন্দিন বিষয়ে পরিণত হয়েছে, সেখানে আমার ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হবে এমন অলীক স্বপ্ন দেখার মতো নির্বোধ আমি নই। তবে আশা করেছিলাম, এই ঘটনা সংবাদকর্মীদের বিবেক অন্তত জাগ্রত করবে। নির্যাতন ও মানবাধিকার প্রশ্নে সব সংবাদকর্মী রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একটি নৈতিক অবস্থান গ্রহণ করবেন। আমার সেই আশাটি অবশ্য পূরণ হয়নি। তবে সাধারণ জনগণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন, সেই সত্য আমাকে আশান্বিত করছে। ব্যক্তিগত মান-অপমানকে উপেক্ষা করে আদালতে নির্যাতনের কাহিনী বিশদভাবে বর্ণনার উদ্দেশ্যই ছিল এদেশের লড়াকু জনগণকে আরও সচেতন করে তোলা। তেজগাঁও থানার মামলায় সরকারপক্ষ নতুন করে আর রিমান্ড চাইল না। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পরবর্তী রিমান্ডে যাত্রার আগে স্বল্প সময় বিরতির জন্যে আমাকে কোর্ট গারদে পাঠানো হলো। সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে আমার আইনজীবীরা দেখা করতে এলেন। পারভীন খিচুড়ি রান্না করে পাঠিয়েছে। গারদের নোংরা পরিবেশে খাওয়ার রুচি না হলেও জায়া ও জননীর খানিকটা মানসিক শান্তির জন্যে জোর করে হলেও কয়েক চামচ খিচুড়ি গলাধঃকরণ করলাম। সেদিনই প্রথম শুনলাম, রিমান্ডে আমার ওপর অত্যাচারের প্রতিক্রিয়ায় পারভীন শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছে। রক্তচাপ ২০০ এবং ১৩৫। যে কোনো সময় হার্ট অ্যাটাক অথবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা রয়েছে। পঁচিশ বছরের সংসারজীবনে ওকে অনেক প্রতিকূল অবস্থা সামলাতে দেখেছি। এমনভাবে ভেঙে পড়েনি কখনও। আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা তাকে সব সময় শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। এক-এগারোর পর মইনের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডকে কলমের অস্ত্রে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার সময় থেকেই আমার গ্রেফতারের আশঙ্কা নিয়ে আমাদের মধ্যে বহুবার কথা হয়েছে। জেলে যাওয়ার সার্বক্ষণিক প্রস্তুতিস্বরূপ একটি ব্যাগের মধ্যে আমার প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য টুকিটাকি জিনিসপত্র পারভীন নিজ হাতে গুছিয়ে রেখেছে সেই ২০০৭ সাল থেকেই। প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় দেশে-বিদেশে আওয়ামী পেটোয়া বাহিনীর আক্রমণ এবং সরকারের একটার পর একটা মামলা দায়েরেও সে কখনও বিচলিত হয়নি। স্ত্রী হিসেবে স্বাভাবিকভাবে উদ্বিগ্ন হলেও সাহস হারায়নি একদিনের জন্যেও। আজ তারই অসুস্থতার সংবাদে বড় বিষণ্ন হয়ে পড়লাম। সানাউল্লাহ ভাই, মাসুদ ভাই এবং অন্যান্য আইনজীবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তৃতীয় দফা রিমান্ডের মুখোমুখি হতে অপেক্ষমাণ প্রিজন ভ্যানে প্রবেশ করলাম। তখন চোখ আমার শুষ্ক; কিন্তু হৃদয়ে অবিরত রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
গারদের দরজা খুলে গেল। খর্বাকৃতি একটা অবয়ব আমার দিকে এগিয়ে এলো। আমি ততক্ষণে উঠে বসেছি। লোকটি দ্রুত পায়ে এসেই আমার শার্টের কলার ধরে হ্যাঁচকা টানে দাঁড় করিয়ে দিল। তাকে চিনে ফেললাম। আমার মামলার আইও ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্য একজন পেছন থেকে দ্রুত আমার চোখ বেঁধে ফেলেছে। রেজাউল করিম শার্টের বোতাম খুলে শরীর থেকে শার্টটা ছুঁড়ে ফেলে দিল। ঘটনার আকস্মিকতায় ঘোর কেটে মাথা পরিষ্কার কাজ করছে। এরা আততায়ী, দেশের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারকের নির্দেশে আমাকে শেষ করে দিতে এসেছে। একবার ভাবলাম, চিত্কার করি। পরক্ষণেই মনে হলো, আমার সেই চিত্কার এই কাপুরুষদের আনন্দের খোরাকই কেবল জোগাবে। স্যাডিস্ট মহাপ্রভুর সামনে বসে রসিয়ে রসিয়ে আমার অন্তিম চিত্কারের গল্প বলে তার মনোরঞ্জন করবে। শুধু একবার মনে মনে আল্লাহকে স্মরণ করলাম। এর মধ্যে আমাকে একটা জ্যাকেট পরানো হয়েছে, সম্ভবত দু’হাত আটকে ফেলার জন্য। যন্ত্রের মতো কাজ চলছে। কেউ কোনো কথা বলছে না। আমার কানের কাছে মধ্যরাতের আগন্তুকদের দ্রুত তালে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ। আমাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হলো সেলের কোণের দিকে, সেখানে কেবলই দেয়াল, বাইরে থেকে দেখা যাবে না ভেতরে কী ঘটছে। নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে আমাকে ঠেলে বসিয়ে দেয়া হলো। সামনে আমার দুই পা প্রসারিত, কাঁধের ওপর শক্ত দুটো হাত, পেছন থেকে পিঠ একজন তার হাঁটু দিয়ে চেপে রেখেছে। পরের ঘটনায় আবারও অবাক হলাম। কেউ দ্রুত আমার কোমরের বেল্ট খুলতে শুরু করেছে। প্যান্ট খুলে ফেলা হলো। কী করতে যাচ্ছে এরা? এত ঝামেলার প্রয়োজন কী? মাথার পাশে পিস্তলের নল ঠেকিয়ে একবার গুলি করলেই তো যথেষ্ট। এক-এগারোর নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় শুনেছি বর্তমান ‘গণতান্ত্রিক’ সরকারও নাকি লোকজনকে ধরে এনে হরেকরকম নির্যাতনের মধ্যে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ইলেকট্রিক শক দেয়। আমাকেও কি তেমন কিছু করতে যাচ্ছে? নইলে প্যান্ট খুলছে কেন? সঙ্গে আনা বাক্সের মধ্যে অত্যাচারের কোন ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে তাও জানা নেই। প্যান্ট খুললেও অন্তর্বাস অবশ্য যথাস্থানেই রইল। হঠাত্ করেই দু’দিক থেকে দু’জন আমার দু’হাত ধরে এক ঝটকায় দাঁড় করিয়ে দিল। অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে বলল, ‘নিয়ে চল ব্যাটাকে জায়গামত। দেখি কত বড় বীরপুরুষ।’ চোখ বাঁধা, তাই কোনদিকে ঠেলছে ঠিক ঠাহর করতে পারছি না। জ্ঞান হারানোর আগে ক্রসফায়ারে নিয়ে যাচ্ছে এরকম কিছু একটা বোধহয় ভেবেছিলাম। দু’দিনেরও অধিক সময় ধরে অনাহারক্লিষ্ট, নির্ঘুম, দুর্বল শরীর আর সইতে পারল না। দুই আততায়ীর শক্ত মুঠোর মধ্য দিয়েই আমার উভয় হাত পিছলে বার হয়ে এলো।
আমি শূন্যে ভাসতে লাগলাম। কোনো কষ্ট নেই, যাতনা নেই, কেবল অনাবিল প্রশান্তি। তারপর সব অন্ধকার। জ্ঞান যখন ফিরল—আমি থানার ডিউটি অফিসারের মেঝেতে শুয়ে আছি, সর্বাঙ্গ ভেজা। সম্ভবত জ্ঞান ফেরানোর জন্য পানি ঢালা হয়েছে। পাশ ফিরতে গিয়ে কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভব করলাম। তাড়াতাড়ি হাত দিয়ে দেখলাম প্যান্ট যথাস্থানে আছে। তবে বেল্ট উল্টো করে বাঁধা। আততায়ীরা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় প্যান্ট পরানোর সময় বেল্ট উল্টো হয়ে গেছে। আমার অস্ফুট, বেদনার্ত আওয়াজ শুনে ডিউটি অফিসার ছুটে এসে বলল, স্যার আপনি ভালো আছেন, কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আপনাকে পাহারা দিচ্ছি। আমার তখন টয়লেটে যাওয়া দরকার, অথচ উঠতে পারছি না। দু’জন সেন্ট্রির কাঁধে ভর দিয়ে টয়লেটে গেলাম। সেখান থেকে ফিরে ডিউটি অফিসারকে অনুরোধ করলাম আমাকে হাজতে ফেরত পাঠাতে। ফজরের আজান শুনে তখনও জীবিত থাকার জন্য আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অতি কষ্টে বসে ইশারায় নামাজ পড়লাম।
সকাল সাতটা না বাজতেই ক্যান্টনমেন্ট থানার কর্মকর্তা, কনস্টেবল দল বেঁধে এসে আমাকে সহানুভূতি জানিয়ে গেলেন। রাতের হত্যা প্রচেষ্টার ঘটনা পুরো থানায় জানাজানি হয়ে গেছে। ওদের কাছ থেকেই টুকরো টুকরো যে খবর পেলাম, সেগুলো জোড়া দিয়ে গতরাতে কী ঘটেছিল সেই চিত্রটি দিনভর সাজালাম। সেটাই আমার মতো করে বিবৃত করছি। রাত একটার পর একটি সিভিল গাড়িতে পাঁচজনের একটি দল ক্যান্টনমেন্ট থানায় প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা ছিল, যার একজনকে আমি চিনতে পেরেছি। অন্য কর্মকর্তার নাম জিজ্ঞাসা করে জবাব পেলাম না। সবাই এড়িয়ে গেল। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, বাকি তিনজনকে থানার কেউ চিনতে পারেনি। কনস্টেবল, কর্মকর্তারা একবাক্যে বলল, ওই তিনজন পুলিশ বাহিনীর কেউ নয়। তাহলে তারা কারা? তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না। দলটি এসেই কর্তব্যরত এএসআই’র কাছ থেকে আমার সেলের চাবি নিয়ে থানার বাতি নিভিয়ে দেয়। সেলে ঢোকার সময় থানার কাউকে কাছে-পিঠে থাকতে দেয়নি। আমি অজ্ঞান হয়ে গেলে এরা খানিকটা আতঙ্কিত হয়ে থানার লোকজনদের ডেকে নিয়ে আসে। তারা বাতি জ্বালিয়ে দেখতে পায়, আমি সেলের কোণে অর্ধ উলঙ্গ নিথর পড়ে আছি। কর্তব্যরত কর্মকর্তা এবং সিপাহীরা মিলে আমাকে কাঁধে করে সেল থেকে ডিউটি অফিসারের কক্ষে নিয়ে ফ্যানের নিচে মেঝেতে শুইয়ে দেয়। তারপর চোখে-মুখে পানির ছিটা, পায়ের তালুতে সর্ষের তেল ঘষা, মাথায় পানি দেয়া ইত্যাদি অন্তে প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমার জ্ঞান ফেরে। এই সময়ের মধ্যে আততায়ী বাহিনী ক্যান্টনমেন্ট থানা ত্যাগ করে। সর্বপ্রথমে তিন অচেনা ব্যক্তি এবং সর্বশেষ আইও রেজাউল করিম থানা ছেড়ে যায়। এমনই কিছু একটা ঘটার আশঙ্কা আগে থেকে থাকলেও একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলাম না। সরকারের এই বিশেষ খুনে বাহিনী কাজটা অসমাপ্ত রেখে গেল কেন? তাহলে কি আজ রাতে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে ফিরে আসবে? যে কোনো উপায়ে আত্মীয়-স্বজনদের কাউকে এই হত্যা প্রচেষ্টার সংবাদ দ্রুত জানানো দরকার। নইলে রিমান্ডের বাকি দুই দিনের মধ্যেই কোনো এক ঝোপ-জঙ্গলে আমার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পড়ে থাকার সমূহ আশঙ্কা। পুরো থানায় পরিচিত কেউ নেই। আমার অসহায় অবস্থায় প্রশাসনের কাউকে বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। জানি না কী বুঝে সিদ্ধান্ত নিলাম অনাহারে থাকব। মনে হলো, আততায়ীর বুলেটে অথবা নির্যাতনে প্রাণত্যাগ করার চাইতে অতিরিক্ত দৌর্বল্যে হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়াই উত্তম। আজন্ম আমার রক্তচাপ বেশ কমের দিকে। সুতরাং রক্তচাপ আরও খানিকটা কমলেই হয়তো সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন সহজতর এবং দ্রুততর হবে। থানার প্রতিটি কর্মকর্তা সারাদিন ধরে অনুরোধ করেও আমাকে কিছু খেতে সম্মত করাতে পারল না।
বিকেলের শিফটে দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার গারদের তালা খুলে আমাকে তার কক্ষে ফ্যানের নিচে বসে কিছুটা সময় অন্তত আরাম করার অনুরোধ করল। এই দু’দিনে মশার কামড়ে আমার সমস্ত শরীর ফুলে গেছে; ঘামে ভিজতে ভিজতে সর্বাঙ্গ চটচটে, দুর্গন্ধময়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ছেলেটির সঙ্গে গেলাম। সেখানে গিয়ে মনে হলো, না আসাটাই ঠিক ছিল। আইও রেজা ডিউটি অফিসারের কক্ষে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ। তাকে সেখানে দেখে গত রাতের কথা মনে করে অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করলাম। লোকটি খেজুরের একটি বাক্স আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে খেতে অনুরোধ করল। খেজুর আমি বেশ পছন্দ করেই খাই। বাক্সটি দেখেই বুঝলাম, এটা আমারই বাসা থেকে এসেছে। দাঁতে দাঁত চেপে ভেতর থেকে প্রবল হয়ে উঠে আসা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ক্রোধ সংবরণ করলাম। কোনো কথা না বলে সম্ভাব্য হত্যাকারীর হাত থেকেই একটা খেজুর নিয়ে মুখে দিতেই বমনেচ্ছা প্রবল হয়ে উঠল। লোকটি আমার চেহারার রং পরিবর্তন লক্ষ্য করে তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা পানি আনতে নির্দেশ দিল। একজন সেন্ট্রি ছুটে গিয়ে এক গ্লাস ফ্রিজে ঠাণ্ডা করা পানি নিয়ে এলে পুরোটাই খেলাম। ওখানে বসে থাকা আমার অসহ্য বোধ হতে লাগল। সেই মানসিক নির্যাতনের তীব্রতা ভুক্তভোগী ছাড়া আর কাউকে বোঝানো কঠিন। ডিউটি অফিসার এবং ইন্সপেক্টর রেজার বাধা উপেক্ষা করে গারদে ফিরে এলাম। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে মন শক্ত করে রাতের আসন্ন আক্রমণের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। আমার সেলে যাদের ডিউটি ছিল সেসব সিপাহী তো বটেই, থানার অন্য সেন্ট্রিরাও কিছুক্ষণ পরপর আমাকে ভরসা দিয়ে যাচ্ছিল। তারা দৃঢ়কণ্ঠে বলছিল, আজ রাতে আপনার ওপর যে কোনো আঘাত আমরা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করব। তাতে লড়াই বাধলেও পিছিয়ে যাব না। ওদের কথা শুনে অবাক হয়ে ভাবছিলাম, আমি তাহলে নিঃসঙ্গ নই। সত্যের পক্ষে সিনা টান করে দাঁড়ানোর মতো সৈনিক এখনও এই দেশে আছে। মন প্রশান্ত হয়ে গেল। জালিমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রাম একদিন ইনশাআল্লাহ, শুরু হবে। সেই মহান সংগ্রামে আমার মতো তুচ্ছাতিতুচ্ছ ব্যক্তির আগাম মৃত্যু যত্সামান্য ত্যাগ স্বীকার মাত্র। মহান মুক্তিযুদ্ধে যে লাখ লাখ তরুণ আত্মদান করেছেন, তাদের ক’জনকেই বা আমরা চিনি। কিন্তু, এই আত্মত্যাগের ফলেই পাকিস্তানি স্বৈরশাসন থেকে আমরা মুক্তিলাভ করেছি। সাম্রাজ্যবাদের দোসর, বাংলাদেশী ফ্যাসিবাদী শাসকগোষ্ঠী চার দশক পর দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিতে উদ্যত হয়েছে। সেই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আজ অকাতরে প্রাণ দেয়ার সময় এসেছে। অতএব, আল্লাহ ভরসা।
রাত বারোটার ঘণ্টা বেজেছে বেশ খানিক আগে। একাধিক বুটের শব্দ শুনলাম। গারদের সামনে আইও রেজাউল করিম, পাশে ক্যান্টনমেন্ট থানার ডিউটি অফিসার আহসান হাবিব। থানার বাতি জ্বালানোই রয়েছে। বলা হলো, আমার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হচ্ছে। আইও একটি কালো কাপড় বের করে রূঢ়ভাবে জানাল, আমার চোখ বাঁধা হবে। এর হেতু জিজ্ঞাসা করতেই শুনলাম, এটাই নাকি আইন। প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু না হতেই আরও একজনের বুটের আওয়াজ শুনতে পেলাম। সেই আওয়াজ সেলে ঢুকে আমার চারপাশে পায়চারি করছে। তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় আমার কাছে গোপন রাখা হলো। আধ ঘণ্টাখানেক ধরে জিজ্ঞাসাবাদের তামাসা চলছে। ঘুরে-ফিরে একই প্রশ্ন। গ্রেফতারের রাতে সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিকদের মধ্যে কারা কারা আমার দেশ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের আমি ডেকে এনেছিলাম কি-না? হঠাত্ একজন সেন্ট্রি ছুটে এসে খবর দিল, অ্যাডভোকেট মাসুদ তালুকদার আমার খোঁজে থানায় এসেছেন। উত্তেজনা চাপতে না পেরে উচ্চকণ্ঠেই বলে উঠলাম, তিনি আমার আইনজীবী। জিজ্ঞাসাবাদ থেমে গেল। মিনিট পাঁচেক পর চোখের বাঁধন খুলে দেয়া হলো। তারপর সব চুপচাপ। খানিক বাদে এক সেন্ট্রি এসে চুপি চুপি বলে গেল, আমার স্ত্রীও নাকি এসেছে। আমি অস্থির হয়ে উঠলাম। কোনো ভদ্র পরিবারের মহিলাদের আসার স্থান থানা নয়। তার ওপর রাত তখন প্রায় দুটো। অপর একজন খবর দিল, মাসুদ তালুকদার ছাড়াও অন্যান্য ব্যারিস্টার এবং জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ সদস্যরাও আমার খোঁজে এসেছেন। মনে হলো, আল্লাহ তাঁর রহমতের ভাণ্ডার আমার জন্য উজাড় করে দিয়েছেন। তিনিই আমার একমাত্র নিরাপত্তাদাতা। ভোর চারটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে আছি। জিজ্ঞাসাবাদের খবর নেই। শেষ পর্যন্ত আহসান হাবিব এসে জানালেন, আমি এবার ঘুমাতে পারি। আজ রাতের মতো জিজ্ঞাসাবাদে ইতি। আর খানিকক্ষণ অপেক্ষা করতেই ফজরের নামাজের ওয়াক্ত হলো। নামাজ শেষ করে ঘুমিয়ে যখন জেগে উঠলাম, তখন সকাল প্রায় আটটা। সারাদিন আর কেউ এলো না। পাহারারত সেন্ট্রির সঙ্গে সুখ-দুঃখের গল্প করে আর খানিক পরপর রঙ চা খেয়ে সময় কাটালাম। সন্ধ্যা সাতটায় আরেক দফা জিজ্ঞাসাবাদের কথা জানানো হলো। তবে জিজ্ঞাসাবাদ সেলে হবে না। ভিন্ন স্থানে যেতে হবে। ডিউটি অফিসারের কক্ষে পৌঁছে যথারীতি রেজাউল করিমকে দেখতে পেলাম। তার ইচ্ছেতেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চমত্কার অফিসে যাওয়া হলো। তৃতীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে যোগ দিল। তরুণটি ইন্সপেক্টর রেজাউল করিমের জুনিয়র। আবারও সেই একঘেয়ে প্রশ্ন। আজ কিন্তু আমার চোখ বাঁধা হলো না। পূর্বরাতে আমাকে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ পুলিশের আইনই হচ্ছে চোখ বেঁধে জিজ্ঞাসাবাদ করা। আজকে এই আইন ভঙ্গ করায় ইন্সপেক্টর রেজার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি-না, নির্দোষভাবে জানতে চাইলে সে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। এসব ক্ষেত্রে আমারও চোখ নামানোর অভ্যাস নেই। রেজাউল করিমের চোখের ভাষায় আমি যেন পড়ছিলাম, তেল তাহলে এখনও পুরোটা যায়নি। জুনিয়রের সামনে আমার বেমক্কা প্রশ্নে দৃশ্যত অপমানিত আইও জিজ্ঞাসাবাদে সমাপ্তি টেনে আমাকে হাজতে নিয়ে যেতে বলল। আমিও কোনো সেন্ট্রির জন্য অপেক্ষা না করে ওসি’র ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা হাজতে চলে গেলাম। এই তিন দিনে থানার পথ-ঘাট মোটামুটি চেনা হয়ে গেছে। তেজগাঁও থানার দায়ের করা মামলার রিমান্ডের সর্বশেষ রাতে উল্লেখযোগ্য আর কিছু ঘটলো না। তবে সেন্ট্রির মাধ্যমে খবর পেলাম সংসদ সদস্য পাপিয়া, রুনু, আইনজীবী মুন্সি কবির আমার কুশল জানতে থানায় এসেছিলেন। এদের ঋণ শোধ করা আমার সাধ্যাতীত।
বারই জুন দুপুর একটায় প্রিজন ভ্যান আমাকে আদালতে নেয়ার জন্যে এলে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভ্যানে উঠলাম। যাওয়ার সময় অবশ্য ধারণা করছিলাম, আদালতের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এখানেই বোধহয় ফিরে আসছি। আরও দুই মামলার রিমান্ড সমাপ্ত হতে তখনও আট দিন বাকি রয়েছে। তাছাড়া এই মামলাতেই সরকার পুনরায় রিমান্ডও চাইতে পারে। ঘণ্টাখানেকের পথ পাড়ি দিয়ে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো। ম্যাজিস্ট্রেট একজন তরুণী। অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিঞাকে আগেই বলে রেখেছিলাম, নির্যাতনের ঘটনা আমি নিজমুখে বর্ণনা করতে চাই। তিনি কথামত শুনানির শুরুতেই আদালতের অনুমতি নিয়ে রাখলেন। সরকারপক্ষ যথাসম্ভব বাধা দিলেও ফল হলো না। ম্যাজিস্ট্রেট সম্ভবত আমার বয়স এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে করুণাবশত কাঠগড়ায় বসার জন্য একটা চেয়ার দেয়ারও নির্দেশ দিলেন। ক্যান্টনমেন্ট থানায় রাতের তৃতীয় প্রহরের সেই লোমহর্ষক ঘটনা যতটা সম্ভব নিরাসক্তভাবে বর্ণনা করলাম। ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় কন্যাসম হওয়ায় পরনের কাপড় খোলার বর্ণনা দেয়ার সময় বিব্রত বোধ করছিলাম। ম্যাজিস্ট্রেটকে সে কথাটা আমি বললামও। আমি বলে যাচ্ছি। আদালতে পিনপতন নিস্তব্ধতা, কারও চোখে পানি। আওয়ামী লীগ যে চরিত্রগতভাবে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সে বিষয়টি এদেশের জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন জনগণ মোটামুটি জানে। এমনকি আওয়ামী লীগাররাও জানে। তবে তারা বিষয়টি লজ্জাস্কর বিবেচনা না করে বরং একপ্রকার অহঙ্কার বোধ করে। সেই ফ্যাসিবাদী দলটি মার্কিন-ভারতের অন্ধ সমর্থনে এবার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াতে’ পরিণত করেছে। আমার বক্তব্য শেষ হতেই সরকারি আইনজীবী তারস্বরে চিত্কার করে বলতে লাগলেন, এগুলো সব বানানো। আমি নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করছি। যে রাষ্ট্রে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দৈনন্দিন বিষয়ে পরিণত হয়েছে, সেখানে আমার ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হবে এমন অলীক স্বপ্ন দেখার মতো নির্বোধ আমি নই। তবে আশা করেছিলাম, এই ঘটনা সংবাদকর্মীদের বিবেক অন্তত জাগ্রত করবে। নির্যাতন ও মানবাধিকার প্রশ্নে সব সংবাদকর্মী রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একটি নৈতিক অবস্থান গ্রহণ করবেন। আমার সেই আশাটি অবশ্য পূরণ হয়নি। তবে সাধারণ জনগণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন, সেই সত্য আমাকে আশান্বিত করছে। ব্যক্তিগত মান-অপমানকে উপেক্ষা করে আদালতে নির্যাতনের কাহিনী বিশদভাবে বর্ণনার উদ্দেশ্যই ছিল এদেশের লড়াকু জনগণকে আরও সচেতন করে তোলা। তেজগাঁও থানার মামলায় সরকারপক্ষ নতুন করে আর রিমান্ড চাইল না। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পরবর্তী রিমান্ডে যাত্রার আগে স্বল্প সময় বিরতির জন্যে আমাকে কোর্ট গারদে পাঠানো হলো। সেখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে আমার আইনজীবীরা দেখা করতে এলেন। পারভীন খিচুড়ি রান্না করে পাঠিয়েছে। গারদের নোংরা পরিবেশে খাওয়ার রুচি না হলেও জায়া ও জননীর খানিকটা মানসিক শান্তির জন্যে জোর করে হলেও কয়েক চামচ খিচুড়ি গলাধঃকরণ করলাম। সেদিনই প্রথম শুনলাম, রিমান্ডে আমার ওপর অত্যাচারের প্রতিক্রিয়ায় পারভীন শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছে। রক্তচাপ ২০০ এবং ১৩৫। যে কোনো সময় হার্ট অ্যাটাক অথবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা রয়েছে। পঁচিশ বছরের সংসারজীবনে ওকে অনেক প্রতিকূল অবস্থা সামলাতে দেখেছি। এমনভাবে ভেঙে পড়েনি কখনও। আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা তাকে সব সময় শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। এক-এগারোর পর মইনের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডকে কলমের অস্ত্রে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার সময় থেকেই আমার গ্রেফতারের আশঙ্কা নিয়ে আমাদের মধ্যে বহুবার কথা হয়েছে। জেলে যাওয়ার সার্বক্ষণিক প্রস্তুতিস্বরূপ একটি ব্যাগের মধ্যে আমার প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য টুকিটাকি জিনিসপত্র পারভীন নিজ হাতে গুছিয়ে রেখেছে সেই ২০০৭ সাল থেকেই। প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় দেশে-বিদেশে আওয়ামী পেটোয়া বাহিনীর আক্রমণ এবং সরকারের একটার পর একটা মামলা দায়েরেও সে কখনও বিচলিত হয়নি। স্ত্রী হিসেবে স্বাভাবিকভাবে উদ্বিগ্ন হলেও সাহস হারায়নি একদিনের জন্যেও। আজ তারই অসুস্থতার সংবাদে বড় বিষণ্ন হয়ে পড়লাম। সানাউল্লাহ ভাই, মাসুদ ভাই এবং অন্যান্য আইনজীবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তৃতীয় দফা রিমান্ডের মুখোমুখি হতে অপেক্ষমাণ প্রিজন ভ্যানে প্রবেশ করলাম। তখন চোখ আমার শুষ্ক; কিন্তু হৃদয়ে অবিরত রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1468)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
September
(685)
-
▼
Sep 13
(122)
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ আদালতের মর্যাদা
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ ভারতের ট্রানজি...
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ সুশাসন নির্বাসনে
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশে আক্র...
- বিচারপতিদের চিকি ৎ সাভাতা-বিতর্ক by মিজানুর রহমান খান
- কৌতুকের ছলে, কথা যাই বলে আনিসুল হক
- ফ্রান্সের পরমাণু কেন্দ্রে বিস্ফোরণ একজন নিহত
- মমতাকে একহাত নিলেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী
- স্ত্রস-কানকে জেরা করেছে ফ্রান্সের পুলিশ
- ধর্মীয় সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ!
- জয়ললিতাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ
- সিরিয়ায় এ পর্যন্ত নিহত ২৬০০
- কেনিয়ায় আগুনে ১২০ জনের মৃত্যু
- তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর মিসর সফর শুরু
- কোনো রুশকে যুক্তরাজ্যের কাছে হস্তান্তর সম্ভব নয়
- আফগান পুলিশ ভক্ষকে পরিণত হয়েছে
- বাংলাদেশের বাজে শুরু
- আবারও ব্লেকের ৯.৮২
- চ্যাম্পিয়ন ভারত
- জেএফএ কাপ ফুটবল
- ৪৮০০ স্কুলের প্রতিযোগিতা
- বানিকের পাঠশালায় ইয়ামিনরা
- নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে মহিলা দলের ক্যাম্প
- বর্ষসেরা ক্রিকেটার ট্রট
- শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির জয়
- এক অস্ট্রেলীয়র যুক্তরাষ্ট্র জয়
- জার্মানিই ব্রাজিলের বড় চ্যালেঞ্জ
- শুরুতেই বার্সা-মিলান রোমাঞ্চ
- মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য প্রতিবেদনঃ দেশপ্রেমিক হলে...
- ১- সাত নম্বর সেলের দুই নম্বর কুঠুরি থেকে নিষ্পলক ত...
- ২- দরজার ওপারে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র আর এপারে সাংবাদি...
- ৩- ভোরের আজানের ধ্বনি আমাকে সেই ভরসাই দিয়ে গেল
- ৪- টুকরো কাগজগুলো পাশের সেলের বাবুকে দিয়ে বললাম যদ...
- ৫- এমন বেইনসাফিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার কথা
- ৬- রিমান্ডের বিভীষিকা
- ৭- তিন আততায়ী বাংলাদেশের, না ভিনদেশের তাও কেউ জানে না
- ৮- মরতেই যদি হয়, তাহলে অন্তত আততায়ীর চেহারা দেখে চ...
- ৯- যদি রাষ্ট্রদ্রোহ করেই থাকি, মহাজোট সরকারের উচিত...
- ১০- চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরানো আমাকে নেয়া হলো জিজ্ঞা...
- ১১- টিএফআই সেলে নেয়ার বৈধতার প্রশ্ন কোর্টে তুললে স...
- ১২- রিমান্ডে নির্যাতন বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা দে...
- ১৩- সরকারের হেফাজতে সব মৃত্যুর হিসাব দিতে হয় না সে...
- ১৪- চোখ বাঁধা প্রবীণ রাজনীতিকের পায়ের নখ উপড়ে ফেলা...
- ১৫- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ এখন তামাশা :...
- ১৬- সেক্টর কমান্ডার জয়নাল আবেদিনের ভাগ্যে ডিভিশনটা...
- ১৭- মন্তব্য প্রতিবেদন : ফি চাওয়া অসভ্যতা, খুন করলে...
- ১৮- সহকর্মীদের বললাম জেল আমি একাই খাটবো : যে কোনো ...
- ১৯- এখন থেকে প্রতি বছর জুনে একটি নয় দু’টি করে কালো...
- ২০- কোনো সরকারই যে চিরস্থায়ী নয় : জেল কর্মকর্তাদের...
- ২১- জেলের কঠিন জীবনযাপন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমার ...
- ২২- হঠাৎই জেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিল, জামায়াত নেত...
- ২৩- সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বোধ...
- ২৪- সরকারপক্ষ সময় পেল চারদিন : আমার বক্তব্যের জন্য...
- ২৫- ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বললেন বেঁচে গেলেন ফাঁসি...
- ২৬- জীবনসায়াহ্নে এসে না হয় নির্বোধের মতো আদালতকথিত...
- ২৭- পশ্চিমা সরকারগুলো বাংলাদেশে মানবাধিকার ও বাকস্...
- ২৮- সাহিরর সময় কারারক্ষীর চাবির গোছার ঝনঝন শব্দে স...
- ২৯- এক-এগারোর কুশীলবরা দুর্নীতি দমনের ছদ্মবেশে জাত...
- ৩০- সুপ্রিমকোর্ট অঙ্গনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকে আদালত অব...
- ৩২- বিশেষ উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের আমলে সব নিরাপত...
- ৩৩- রাত পোহাবার কত দেরী পাঞ্জেরী
- ৩৪- পিসি বাণিজ্যে বছরে কোটি কোটি টাকার ভাগাভাগি বর...
- ৩৫- দরিদ্র বন্দিদের অনেকেই জানে না তাদের অসহায় স্ত...
- ৩৬- সুবিধাবাদ আমাদের অস্থিমজ্জায়, ফ্যাসিবাদের সঙ্গ...
- ৩৭- তিনদিন পার হলেও জেল থেকে উধাও আসামির হদিস বের ...
- ৩৮- কনডেম সেলের মতো ভীতিকর স্থানে পর পর দুই কারারক...
- ৩৯- ফ্যাসিবাদের পক্ষের সংবাদকর্মীরও অভাব নেই ফলে শ...
- ৪০- যারা অবিচার করেছেন, নির্মোহ ইতিহাস তাদের অবশ্য...
- ৪১- দেশকে অকার্যকর প্রমাণে সরকার যে বদ্ধপরিকর : জন...
- ৪২- ফ্যাসিবাদী সরকার যত গণবিচ্ছিন্ন হয় তাদের মধ্যে...
- ৪৩- দিনবদলের ধাক্কায় ‘কমিউনিস্ট সুশীল’ লেবাস পাল্ট...
- ৪৪- আমাকে গ্রেফতার ও খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছে...
- ৪৫- পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মহোত্সব চ...
- ১- লড়াই বিফলে যায়নি, আমার দুর্বল কণ্ঠ : ইউরোপ-আমের...
- ২- এই বিচারকই সংবিধান থেকে আল্লাহর প্রতি আস্থা ও ব...
- ৩- আদালত অবমাননা মামলায় আমার সাজা প্রতিটি সংবাদকর্...
- ৪- বাংলাদেশ সম্পর্কে সাম্রাজ্যবাদীদের নীতি সম্পূর্...
- ৫- কাশিমপুর জেল আমি তৈরি হতে দেখেছি ভাবিনি কয়েদি হ...
- ৬- রাজনীতিকদের গ্রেফতার নির্যাতনে পত্রিকা দু’টির স...
- ৭- জ্ঞাতি ভাইকে খুন করে আসা সেবক কালামকে দেখে গা ছ...
- ৮- এক শেয়ারবাজার থেকেই আওয়ামী রথী-মহারথীরা লুটে নি...
- ৯- যে সরকার নাগরিককে ক্রসফায়ারে পাঠায় তারাই ভয়াবহ ...
- ১০- জেল সুপারের বাড়ি ‘পুণ্যভূমি’ গোপালগঞ্জে আমার ক...
- ১১- সেনাবাহিনীর প্রতি অবিশ্বাসের কারণেই গঠন করা হয়...
- ১২- মুক্তি পেলেও ইসলামবিদ্বেষী এই সরকার আমাকে হজে ...
- ১৩- স্বাধীনতার পক্ষের পত্রিকা ‘আমার দেশ’-এর প্রবেশ...
- ১৪- এজলাস ভাঙচুর করে পুরস্কৃত হলেন এক আইনজীবী : এভ...
- ১৫- সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকলেই নাকি মুক্তিযুদ্ধের ...
- ১৬- চরম দলীয়করণের ফলে দেশে ইনসাফ পাওয়ার পথ সবদিক দ...
- ১৭- লাখ টাকা দিয়ে মৃত্যু কিনেছিল হোন্ডা বাবু
- ১৮- পশ্চিমাদের ব্ল্যাংক চেক পেলেও ড. ইউনূসের ছায়া ...
- ১৯- শেয়ারবাজারের লুণ্ঠন করা টাকা লন্ডন কানাডা আমের...
- ২০- প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে উচ্চ আদালতের মান আবার ...
- ২১- চলনবিলে মাইল মাইল সর্ষেফুলের সৌন্দর্য দেখে মুগ...
- ২২- অনুপ চেটিয়ার সঙ্গে দু’টি দিন কাটানো গেলে আসামে...
- ২৩- সর্বস্ব নেয়ার পরও ক্ষমতাসীনদের হাহুতাশ : ভারতে...
- ২৪- স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে...
- ২৫- টিআইবি যে বিচার বিভাগের হাঁড়ি হাটে ভাঙলো এখন ত...
- ২৬- প্রেস ক্লাব নির্বাচনে বাকস্বাধীনতার পক্ষের লড়া...
- ২৭- প্রিজন ভ্যান একটু এগোতেই চোখ জুড়িয়ে গেল : সামন...
- ২৮- পুরো সিস্টেম ভেঙে নতুন নির্মাণ ছাড়া বিচার বিভা...
- ২৯- বর্তমান সরকারের আমলে দেশে রীতিমত হরির লুট চলছে
- প্রেসিডেন্ট আসাদের সঙ্গে আরব লিগের প্রধানের বৈঠক
- ৩০- শুধু ভারতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেই হবে না অব্যা...
- আশঙ্কা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে জাঁকালো ফ্যাশন শো
- সারকোজির বিরুদ্ধে জিম্মিদের ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন...
- সামরিক হস্তক্ষেপ মুসলমানদের মৌলবাদী করেনি
- ৩১- আর একবার গণজাগরণ ঘটলে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক...
- যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছু ক্ষেত্রে’ নৈতিক কর...
- ভারতে দাঙ্গা প্রতিরোধ বিলের বিরোধিতায় মমতা
- যুক্তরাষ্ট্রের এখনো আল-কায়েদা ভীতি, সন্ত্রাসী হামল...
- ৩২- প্রধানমন্ত্রীসহ চারজন মন্ত্রী নারী হলেও নারীর ...
- এখনো তাড়া করছে সেই ভয়ংকর স্মৃতি
- হামলার ১০ বছরের মাশুল
- ৩৩- কারারক্ষী অম্লান বদনে বললো, হালকা-পাতলা মাইর ন...
- ৩৪- মাওলানা সাঈদীর প্রস্তাবে রান্নাবান্না শুরু হলো...
- ৩৫- স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু-বিহারিদের সম্পত্তি দ...
- ৩৬- বাস্তবতা হলো দুর্নীতি করলেই বরং ক্ষমতাসীনদের স...
- ৩৭- মুসলিম বিশ্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে জনজাগরণে ...
- ৩৮- ‘নবরূপে বাকশাল’ নাম দেখে সবাই আঁতকে উঠলেন
- ৩৯- সন্তু লারমার জন্য নোবেল দাবি সেনাবাহিনীর শহীদদ...
- ৪০- ভারতকে ট্রানজিট দেয়া রাষ্ট্রীয় আত্মহত্যারই নাম...
-
▼
Sep 13
(122)
-
▼
September
(685)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment