মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের সঙ্গে ইউরোপের লেনদেন!
যুক্তরাষ্ট্রের
আরোপ করা নিষেধাজ্ঞাকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেন করতে
যাচ্ছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। জার্মান গণমাধ্যম এনডিআর এমন সংবাদ প্রকাশ
করেছে। ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য ইনসটেক্স পদ্ধতি চালু করেছে, যার
মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে লেনদেন করা হবে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের
প্রতিক্রিয়া কী হবে সেটি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।
তাঁরা মনে করছেন, ইউরোপের দেশগুলো লেনদেন করতে পারবে ঠিকই, কিন্তু
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। ইতোমোধ্যে ইউরোপের
বেশ কয়েকটি দেশ লেনদেনের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করেছে। লেনদেন
পদ্ধতিটিকে ইনস্ট্রুমেন্ট ইন সাপোর্ট অব ট্রেড এক্সচেঞ্জ তথা ইনসটেক্স নাম
দেওয়া হয়েছে। জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এই লেনদেন পদ্ধতি নিয়ে কাজ
করছে।
এই ইনসটেক্স পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।
এনডিআর জানায়, প্যারিসভিত্তিক এই ইনসটেক্স পদ্ধতি পরিচানলা করছেন জার্মানির ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা এবং সার্বিক পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ব্রিটিশ উপদেষ্টা বোর্ড। ইউরোপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে প্রাথমিকভাবে খাবার, ওষুধ ও মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি বিক্রি করা হবে। ভবিষ্যতে এই লেনদেন আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে লেনদেন প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয়টি পরাশক্তি দেশের সাথে ইরানের যে চুক্তি হয়, তার ফলে দেশটি তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম শিথিল করার ঘোষণা দেয়। পরে ২০১৮ সালে ট্রাম্প এই চুক্তি ভঙ্গ করে এবং পুনরায় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপ করেন। এতে ফের চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন দাবি করছে, পারমাণবিক চুক্তি ইরান ভঙ্গ করেনি, তাই ইরানের সঙ্গে লেনদেন চলতেই পারে।
এই ইনসটেক্স পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।
এনডিআর জানায়, প্যারিসভিত্তিক এই ইনসটেক্স পদ্ধতি পরিচানলা করছেন জার্মানির ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা এবং সার্বিক পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ব্রিটিশ উপদেষ্টা বোর্ড। ইউরোপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে প্রাথমিকভাবে খাবার, ওষুধ ও মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি বিক্রি করা হবে। ভবিষ্যতে এই লেনদেন আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে লেনদেন প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয়টি পরাশক্তি দেশের সাথে ইরানের যে চুক্তি হয়, তার ফলে দেশটি তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম শিথিল করার ঘোষণা দেয়। পরে ২০১৮ সালে ট্রাম্প এই চুক্তি ভঙ্গ করে এবং পুনরায় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপ করেন। এতে ফের চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইরান। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন দাবি করছে, পারমাণবিক চুক্তি ইরান ভঙ্গ করেনি, তাই ইরানের সঙ্গে লেনদেন চলতেই পারে।
No comments