Saturday, February 9, 2013
‘এ যৌবন জলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ...’ by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
‘এ যৌবন জলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ...’ by মুহম্মদ শফিকুর রহমান
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মাস ৫ ফেব্রুয়ারি
মঙ্গলবার। একাত্তরে মিরপুরের কসাই কাদের নামে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী রাজাকার
এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার যুদ্ধাপরাধ মামলার
রায় হবে।
এরই মধ্যে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে।
কাদের মোল্লারও ফাঁসির রায় হবে। কেননা বাচ্চু রাজাকারের চেয়ে কাদের মোল্লার
যুদ্ধাপরাধ আরও গুরুতর। আমরা সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রফেসর আনিসুজ্জামানের
নেতৃত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করছিলাম। সব্যসাচী কবি সৈয়দ
শামসুল হক, কবি ড. সামাদ, প্রগতিশীল রাজনীতিক অজয় রায়, নাট্যজন আতাউর
রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুস আমাদের সবার বুকে
পোস্টারÑ‘কসাই কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই দিতে হবে।’ এটি এই মানববন্ধনে
অংশগ্রহণকারীরেই কেবল দাবি নয়, এ দাবি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়
বিশ্বাসী দেশবাসীর, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের। তারা এই দুর্বৃত্তদের এই
পাপীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়ে ৩০ লাখ শহীদ পরিবার, ৬ লাখ বীরাঙ্গনা ও
তাদের পরিবারের কাছে জাতির দায় থেকে মুক্তি দিতে চায়। কারণ এই দুর্বৃত্তরা
যেভাবে হানাদার পাক-সামরিক জান্তার সঙ্গে মিশে হত্যা, গণহত্যা চালিয়েছে।
নারীদের ধরে নিয়ে ক্যাম্পে ক্যাম্পে দিনের পর দিন রাতের পর রাত ধর্ষণ
করেছে, রুগ্ন হয়ে পড়লে তাকে হত্যা করে কোন ডোবা বা জঙ্গলে বা টানেলে ফেলে
দিয়েছে। বা বধ্যভূমিতে নিয়ে খুনীরা খুুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে। যেমন করে
হত্যা করেছে দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের ঐ মিরপুর এবং রায়ের বাজার
বদ্ধভূমিতে। কাদের মোল্লা অনেককে জবাই করে হত্যা করেছে বলে তার নাম হয়েছে
‘কসাই কাদের।’ মিরপুরের মানুষ তো বটেই এমন কোন আইনজ্ঞ এমন কোন বুদ্ধিজীবী
এমন কোন সংবাদকর্মী এমন কোন গবেষক নেই। যাদের বিশ্বাস ছিল এই কসাইয়ের ফাঁসি
তো হবেই। মিরপুরের একজন তো বলেই ফেললেন কসাই কাদের যত হত্যা, ধর্ষণ করেছে
তাকে দশবার ফাঁসি দিলেও বিচার সম্পন্ন হবে না। (টিভি চ্যানেলের
সাক্ষাতকার)।
কেবল আমরা বা শহরাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মী, বুদ্ধিজীবীরাই গ্রামের অতি সাধারণ মানুষ ও অপেক্ষার প্রহর গুনছিল কখন কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হবে। বিশেষ করে শহীদ পরিবার ও ধর্ষিতা মা-ও তাদের পরিবারের কাছে এই চাওয়াটা মোটেই বেশি কিছু চাওয়া ছিল না। তারা যা হারিয়েছে তা তো আর ফিরে পাবেন না। ঐ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হলে হয়ত মর্মবেদনা কিছুুটা লাঘব হবে। এই আশায় ৪টি দশক অপেক্ষা করছিল। অবশেষে সেই অপেক্ষার ক্ষণটি। কিন্তু না, এসেই ক্ষণ নয়, বরং এ ক্ষণ আরও নতুন করে যাতনা নিয়ে এলÑ কাদের মোল্লার ফাঁসি হলো না, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল-২ কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায় দিলেন। এই খবর আমাদের মানববন্ধনে এলে আনিসুজ্জামান স্যার সঙ্গে সঙ্গে বুকের মধ্যে ঝুলানো পোস্টারটি খুলে ফেললেন এবং মানববন্ধনও ওখানেই সমাপ্ত করলেন।
সবাই চলে গেছে। আমিও ক্লাবের অভ্যন্তরে যাব বলে কয়েক পা এগিয়ে আবার পেছনে ফিরলাম এবং সোজা বাসায় ফিরে বাকহীন বসে রইলাম। অনেকক্ষণ কারও সঙ্গে কোন কথা বলিনি। একে একে অতীত স্মৃতিগুলো সামনে ভাসতে লাগল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বাঙালী জাতির হাজার বছরের স্বপ্ন পুরুষ আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং ৩ নবেম্বর কারাভ্যন্তরীণ অবস্থা ৪ জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও আবু হেনা মুহাম্মদ কামরুজ্জামানকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে এবং ৩০ লাখ শহীদ ও ৬০ লাখ বীরাঙ্গনা মা-বোনের সঙ্গে বেইমানী করে বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানী পশ্চাৎপদ কূপম-ূক ধারা নিয়ে যেতে শুরু করে। মিলিটারি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই প্রতিবিপ্লবী শক্তি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক সাংবিধান ক্ষতবিক্ষত করে। সেই থেকে শুরু করে কখনও সাংবাদিক হিসেবে পত্রিকার পাতায় কখনও সিভিল সোসাইটি রাজনৈতিক কর্মী বা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাজপথ বা সভা-সমাবেশ-মিছিল বা সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছি। জাতির পিতা ও জাতীয় ৪ নেতার হত্যার বিচার চেয়েছি। শত শত নিবন্ধ-পোস্ট লিখেছি। কিন্তু ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মাসে যে রায়টি আমাদের উপহার দিলেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক তা প্রত্যাখ্যান তো করছিই এর বেশি আর কি বলব? মনে পড়ে মিলিটারি জিয়া কুখ্যাত রাজাকার ও আলবদর নেতা গোলাম আযমকে পাকিস্তানী পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসতে দিলেন এবং যেদিন হাইকোর্টের রায়ে তার নাগরিকত্ব (যা বঙ্গবন্ধু বাতিল করে দিয়েছিলেন) ফিরিয়ে দেয়া হলো সে সময় এক কলামে লিখেছিলাম বিচারালয়ের এই বিচার মানি না। ঐ বিচারককেও মানি না। ঝুঁকি নিয়েই বলেছিলাম আজও কনটেম্পট অব কোর্ট-এর ঝুঁকি নিয়েই বলছি ‘এ রায় মানি না, কসাই কাদেরকে ফাঁসি দিতে হবে।’ প্রখ্যাত লেখক, গবেষক ইতিহাসবিদ ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন প্রশ্ন তুলেছেন। ‘কতজনকে হত্যা করলে মৃত্যুদ- দেয়া যায় (?)’ প্রফেসর মামুন দৈনিক জনকণ্ঠে এক নিবন্ধে লিখেছেন :
‘বাচ্চু রাজাকারের রায়ে আমরা খুশি হয়েছিলাম ইতিহাসের সত্য প্রতিফলিত হতে দেখে। কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগের মাত্রা ছিল তার থেকেও বেশি। অভিযোগগুলো একবার বিবেচনা করে দেখুন। ৫ এপ্রিল ১৯৭১ সালে কলেজছাত্র পল্লবকে দুদিন গাছে ঝুলিয়ে রেখেছিল কাদের, তারপর হত্যা করা হয়েছিল। এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সন্দেহাতীতভাবে ২ মার্চ ১৯৭১ কাদের ও তার বিহারী সহযোগীরা কবি মেছেরুন নেছার বাড়িতে মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখে- এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ২৯ মার্চ ১৯৭১ দৈনিক পয়গামের সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরের জল্লাদখানায়। আবু তালেবের মেয়ে জানিয়েছেন, কোরবানির গরুর মতো তালেবকে জবাই করে মাংস টুকরো টুকরো করে উল্লাসে তারা মেতে ওঠেÑ এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ২৬ মার্চ ১৯৭১ সন্ধ্যায় কাদের মিরপুরের হযরত আলী লস্কর ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যা করে এবং ১১ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করেÑএই অভিযোগও প্রমাণিত। ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ মিরপুরের আলোকদি গ্রামে ৩৪৪ জনকে নির্যাতন করে খুন করে। মামা বাহিনীর শহীদুল হক মামা জানিয়েছেন, আজলা ভরে মানুষের চোখ তিনি সমাহিত করেছেনÑ এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। প্রমাণিত হয়নি কেবল ঘাটের চরের গণহত্যায় কাদেরের ইনভলমেন্ট।’
প্রফেসর মামুনও এ তথ্য নিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের রায়ের ফাইন্ডিং থেকেই। অথচ দেয়া হলো যাবজ্জীবন কারাদ- অর্থাৎ তার ৩০ বছর সাজা হলো। কারাগারে সে ভাল ব্যবহার করলে এ সাজা কমে হবে ২৩ বছরের মতো। কিংবা ভাল ব্যবহার না করেও কারারক্ষী বা পুলিশকে টু-পাইস গুঁজে দিলে ভাল ব্যবহারের সার্টিফিকেট নেয়াকে আজকাল কোন ব্যাপারই নয়। তাই তো কাদের মোল্লা রায় শোনার পর ভি-চিহ্ন দেখিয়ে মুখে একটা ১০ নম্বরী মুচকি হাসি দিয়েছে। সে মনে করে আর তো মাত্র ১০ মাস। তারপর পার্লামেন্ট নির্বাচন হবে এবং তাদের নেত্রী মিলিটারি জিয়া-পতœী খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে আবারও কোন এক ইয়াজদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির আসনে বসাবেন এবং সেই রাষ্ট্রপতি তাকে ক্ষমা করবেন। কাদের জেল থেকে বেরিয়ে মন্ত্রী হবেন এবং শহীদের রক্তরঞ্জিত পতাকা আবারও রাজাকারদের গাড়ি-বাড়িতে উড়বে। মজার ব্যাপার না? কিন্তু প্রশ্নটি হলো, একটি পত্রিকা দেখলাম কাদের মোল্লার সাজার চেয়ে ভি-চিহ্নটি অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিরাট ছবিসহ লিড নিউজ করেছে। একজন বললেন (সংবাদকর্মী) ভালই হয়েছে। মানুষের মধ্যে ঘৃণা জন্মাবে। বললাম এতে ঘৃণা জন্মায় না, বরং সিমপ্যাথি জন্মায়। পত্রিকাটির লক্ষ্যও আমি মনে করি তা-ই। এসব নিয়ে বহু তর্ক করেছি। এই যেমন বিএনপি নেত্রী তথা জামায়াত-বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্প্রতি ওয়াশিংটন টাইমস’ পত্রিকায় একটি কলাম লিখেছেন। তাতে তিনি অন্তত তিনটি আপত্তিকর বিষয়ের অবতারণার করেছেন। যেমন: (১) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা সংগ্রামকালে আমেরিকা না-কি তিনি অন্য কয়েকটি দেশের মতো আমাদের প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছMy Country of 150 million people, located between india and Myanmar, has been indepentent since 1971, When he United states was our of the first Nations to recogise our right to self detsmination. লক্ষ্য করুন, কত বড় সত্যের অপলাপ! বরং প্রতিটি দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং এর ভিত্তিতে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাঙালী ভাল করেই জানে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার ভূমিকা কি ছিল! আমেরিকা কেবল হানাদার পাকিস্তানী সামরিক জান্তা সরকারকে অর্থ-অস্ত্র-রসদ দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব গ্রহণ এবং বাঙালী জাতিকে হত্যা করার জন্যে ৭ম নৌবহর পাঠিয়েছিল। কে না জানে এসব কথা? বরং সেদিন পাকি-মার্কিন অস্ত্র অর্থের মোকাবেলায় ভারত, বিশেষ করে ভারতের মহীয়সী প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নও এগিয়ে এসেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে ভেটো দিয়ে এবং আমেরিাকর যুদ্ধজাহাজ সেভেন-ফ্লিটের মোকাবেলায় রেড-ফ্লিট পাঠালে সেভেন ফ্লিট বঙ্গোপসাগর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। বেগম জিয়া বরং বলতে পারতেন আমেরিকার সিভিল সমাজের বিরাট অংশ এবং জনগণ আমাদের সংগ্রাম ও যুদ্ধকে নৈতিকভাবে সমর্থন দিয়েছিলেন। যেমন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ও সঙ্গীতশিল্পী জজ হ্যারিসন যবডিলস। বেগম খালেদা জিয়া তার নিবন্ধে পুরোটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের বিষোদগার করেছেন। যেমন করে সভা-সমাবেশে বক্তৃতা দিতে দাঁড়ালে পুরোটাই থাকে শেখ হাসিনা ও সরকারবিরোধী কথাবার্তা। অবশ্য এতে তার ব্যক্তিগত ক্ষোভও কাজ করছে। কারণ শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের আমলে তাকে কোর্টের রায়ে ক্যান্টমেন্টের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে এবং তার দুই ছেলে তারেক-কোকোকে অর্থ পাচার ও অন্যান্য অভিযোগে দেশান্তরী হতে হয়েছে। কাজেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনি বলবেনই কিন্তু এটা কেমন কথা যে বাংলাদেশ আমেরিকায় পণ্য রফতানির জন্য যে জিএসপি সুবিধার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। তিনি তার বিরুদ্ধে কথা বলবেন কিংবা পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধের পক্ষে বিশ্বব্যাংকের মতো কথা বলবেন। কিংবা বাংলাদেশে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার এবং দারিদ্র্য বিমোচন শেখ হাসিনার হাতে নিরাপদ নয়, তাই তিনি আমেরিকার নেতৃত্বে বিশ্বকে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করবেন? It is impossible to sory in good coucience that democracy, Justice and the alleviation of povesly in Bangladesh Under Sheikh Hasiua are Safe, Indeed, all are in grave dangol, In is time for the world, led lsy Amlicia, to act and eusure that democracy to saned in Bangladesh. সঙ্গত দুর্বলতার কারণেই অন্য কেউ এই কলামটি লিখে দিয়েছেন এবং ওয়াশিংটন টাইমসে ছাপার ব্যবস্থা করেছেন। এই পত্রিকাটি শুনেছি খুব বড় বা বহুল প্রচারিত না হলেও ওয়াশিংটন প্রশাসনের হাতে যায়। ধারণা করা যাচ্ছে যারা ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে, তাদের পক্ষে এ রকম একটি কলাম বা এর আগে দি ইকোনমিস্ট-এ সরকারবিরোধী রিপোর্ট করাতে পারে সহজেই। সবচে আশ্চর্যের বিষয় হলো কয়েকদিন আগে মধ্যরাতের এক গলাবাজিতে দেখলাম আমাদের সাংবাদিকতার প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এবিএম মূসা এই কলামটিকে ডিফেন্ড করছেন। অবশ্য এতেও অবাক হবার কিছু নেই। এর আগেও মূসাভাই একবার বললেন,সরকারের যাকেই দেখবেন বলতে হবে ‘তুই চোর তুই চোর’ আবার বঙ্গবন্ধুকে বললেন, ‘তৃতীয় শ্রেণীর নেতা।’ অবশ্য পরে তিনি বলেছেন,‘সরকারের সকলকে নয়, দুর্নীতিপরায়ণদের বলতে হবে ‘তুই চোর’ এবং তিনি বঙ্গবন্ধুকে ‘তৃতীয় শ্রেণীর না, তৃতীয় সারির নেতা’ বলেছেন। কিন্তু মূসাভাই কথা ঘুরালে ও প্রথম অংশটিই বলেছিলেন বলে অনেকে মনে করেন এবং তা করেছেন ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই। মূসাভাইর ব্যক্তিগত ক্ষোভের পেছনের কারণগুলো এ নিবন্ধে নাইবা বললাম।
বস্তুত একশ্রেণীর তথাকথিত সিভিল সোসাইটি সদস্য বা ড. মুুনতাসীর মামুনের ভাষায় পদাধিকারবলে বুদ্ধিজীবী বর্তমান সরকারকে প্রথমদিন থেকেই উৎখাত করার ব্রত নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এদের আবার একটা ভা-ামি আছে নিরপেক্ষতার। বলেন, তারা কোন দল করেন, না তারা কোন প্রি-জুডিস থেকে কথা বলেন না। অথচ তাদের প্রতিটি লাইনই থাকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এবং খালেদা জিয়া ও জামায়াত-বিএনপির পক্ষে। এদের মধ্যে অন্তত দুজনের নাম করা যায়Ñড. আসিফ নজরুল ও ড. পিয়াস করিম। এরা এমনভাবে কথা বলেন মনে হয় তাদের মধ্যে কালচারের ঘাটতি আছে। আমাদের এক সাংবাদিক বলেই ফেললেন এরা মনে হয় তাদের বাপ-দাদার সঙ্গে বেয়াদবি করতে করতে বড় হয়েছে। ড. আসিফ নজরুলের একটি উদারহণ দিতে চাই, মূসাভাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিরূপ উক্তি করায় প্রতিবাদ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। আসিফের এটা পছন্দ হয়নি। যদিও একটি অন্যায় অভিযোগের জবাব না দেয়াও অন্যায়। কিন্তু আসিফ বললেন,‘ লেনিন-মাও সেতুংয়ের সমালোচনা করা যাবে। এমন কি হযরত মুহম্মদ (স.) এর সমালোচনা করা যাবে, শেখ মুজিবের যাবে না কেন?’ অবশ্য আসিফ মহানবীর নামের পরে (স) ব্যবহার করেনি। আমার মনে হয় মহানবী (স) সম্পর্কে এমন ধৃষ্টতা কোন অমুসলিমও আজ পর্যন্ত দেখায়নি। আসিফের আবরী নাম বা মুসলিম নাম রয়েছে, যদিও তা উল্টা পাল্টা বা বাবা মার দেয়া নাম নয় বলে মনে হয়। আরেকজন আছেন আমার খুব প্রিয় ‘মানুষ তার নামটি নিতে আমার খারাপ লাগছে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি যেভাবে আলোচনায় সরকার ‘জোচ্চোর’, ‘বাটপার’ ইত্যাদি অভদ্রজনোচিত শব্দাবলী দ্বারা আক্রমণ করছেন, তাতে করে তার নামটাও নিতে হয়, তিনি সম্পাদক নুরুল কবির। এই মধ্যরাতের গলাজীবীরা দীর্ঘদিন যাবৎ বলে আসছিলেন, ‘সরকার জামায়াতকে সভা- সমাবেশ করতে দিচ্ছে না বলেই তারা সহিংস হয়ে উঠেছে। আবার যখন (পুলিশের ভাষায়) ‘জামায়াত কোন সহিংসতা কার্যকলাপ করবে না। পুলিশের কাছে এই অঙ্গীকার করে মাঠে নামায় দু’দিন পুলিশ তাদের সমাবেশ-মিছিল করতে বাধা দেয়নি।’ এই অবস্থাটাকে তারা বললেন, ‘আওয়ামী লীগ- জামায়াত আঁতাত হয়েছে।’ অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ জামায়াতকে নিয়ে নির্বাচনে যাবে। আবার এরাই পুলিশ এ্যাকশনে গেলে বলেছে ‘পুলিশ একটি রাজনৈতিক দলের মৌলিক- গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে দিচ্ছে না।
গত বৃহস্পতিবার রাতে যখন এ লেখা লিখছিলাম তখন দেখলাম ‘বাংলাভিশন’ টিভিতে এবিএম মূসা ও এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন মধ্যরাতের লাইভ গলাবাজিতে বসে একইভাবে আওয়ামী লীগবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক (সম্ভবত নাম মোস্তফা ফিরোজ) এমনও বললেন শাহবাগের তরুণরা বিএনপির জন্য সম্পদ হতে পারে যদি তারা সঠিকভাবে আচরণ করতে পারে? মূসাভাই প্রতিটি টকশোতেই আওয়ামী লীগকে কয়েকবার হারান এবং বিএনপিকে কয়েকবার ক্ষমতায় বসান । কিন্তু মূসাভাই বা সঞ্চালক আপনারা যতই চেষ্টা করুন তরুণ প্রজন্ম রাজাকার যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে এবং যারা এই অপশক্তিকে সমর্থন দেয় সেই পাকিপন্থী খালেদা জিয়া বা বিএনপিরও ধারে কাছে নেই।
যাকগে, এবার শাহবাগ তারুণ্য স্কয়ারে ফিরে আসি। বয়সের কারণে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে ঊনসত্তরের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া-এরশাদ-খালেদাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিক হিসেবে ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে ভূমিকা রাখার। বিশেষ করে আমি দেখেছি কি ভাবে ১৯৮১ সালে প্রায় অর্ধকোটি মানুষ রাজপথে নেমে শেখ হাসিনার প্রবাস জীবন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে; কিভাবে ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনে এবং ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার পতনে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, সেই অভূতপূর্ব দৃশ্যাবলী কাছ থেকে দেখেছি। তবে সেসব ছিল স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন। আর শাহবাগের আন্দোলন কোন সরকার পতনের নয়, এ আন্দোলন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবির আন্দোলন। কেননা, ট্রাইব্যুনালে কসাই কাদেরের ফাঁসি না হয়ে যাবজ্জীবন রায়ে জনতা, বিশেষ করে তরুণ সমাজ আশাহত হয়েছে এবং এই আশাহত অবস্থা থেকে যে ক্ষোভের জন্ম হয়েছে তারই বহির্প্রকাশ ঘটছে শাহবাগ তারুণ্য স্কয়ারে।
২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অন্তত ২টি অঙ্গীকার তরুণ সমাজকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। অঙ্গীকার ২টি হলো : (১) ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ এবং (২) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এই দুই অঙ্গীকারের পক্ষে নির্বাচনে ব্যাপকভাবে ভোট দেয় এবং মহাজোট তিনশ’ আসনের পার্লামেন্টের চার-পঞ্চমাংশ আসন নিয়ে সংসদে বসে ও সরকার গঠন করে। নির্বাচনের পর অঙ্গীকার অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার শুরু করে। এই ট্রাইব্যুনাল গঠনেও দেশী-বিদেশী বিরোধিতা ছিল কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা পিছু হটার পাত্রী ননÑ তিনি সামনে এগোবার মানুষ। শিক্ষা-দীক্ষা মননে-চেতনায় বিপ্লবী এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রত্যয়ী নেত্রী। কসাই কাদেরের রায়ের ক্ষেত্রে যে ঘটনাটি ঘটে গেল তা অনভিপ্রেত এবং কারও কাম্য ছিল না, শেখ হাসিনারও না। তবু ঘটেছে। এর আগেও আমরা দেখেছি স্কাইপে কথা বলায় একজন বিচারক পদত্যাগ করেছেন। ষড়যন্ত্র কি নেই? আছে? ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য চৌকস আইনজীবীম-লীর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বলতে হচ্ছে প্রসিকিউশনে এমন কয়েকজন আইনজীবী আছেন যাঁদের কোন মফস্বল শহরে থাকার কথা। হাইকোর্টের প্যারালাল এবং হাইকোর্টের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ তাদের না দাঁড় করালেই ভাল হতো। আমার মনে হয় না দেশে ভাল আইনজীবীর খুব আকাল পড়েছে।
আগেই বলেছি মূসাভাইরা যতই চেষ্টা করুন; টিভির গলাবাজিতে যতই সোচ্চার হোন বা যত কলাম লিখুন শাহবাগের তরুণ প্রজন্ম ধর্ম ব্যবসায়ী জামায়াত-শিবিরের সহযোগী পশ্চাৎপদ পাকিপন্থী বিএনপির দিকে ফিরেও তাকাবে না, বরং তারুণ্যের স্বাভাবিক ধর্ম অগ্রসরমান এবং তারা সামনের দিকে চলবেই। সাংবাদিক-কলামিস্ট স্বদেশ রায় খুব সুন্দরভাবে পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন : ‘...ওরা খোলা আকাশের সূর্যের নিচে ভীষণ প্রতিজ্ঞ এক একটি দৃঢ় মুখ নিয়ে বসে। ওদের হাত সেøাগানের সঙ্গে সঙ্গে একাত্তরের লাখো মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্র হয়ে যেন গর্জে উঠছে। ওদের সেøাগানগুলো যেন বারুদের গোলা হয়ে বেরিয়ে আসছে। সেখানে সারি বেঁধে বসে আছে শত শত তরুণী। রাতের শিশির আর দিনের সূর্য কোনটাই যেন তাদের ক্লান্ত করেনি। বরং করেছে আরও দৃঢ়। প্রতিটি মুখ যেন একেকটি বারুদের গোলা....শাহবাগের তরুণদের পাশে দাঁড়িয়ে। ২৪ ঘণ্টা পর (রায়ের) বিশুদ্ধ বাতাসে নিশ্বাস নিয়ে মনে হলো বাংলাদেশ আর পরাজিত হবে না।’
গত মঙ্গলবার আমার মধ্যেও যে হতাশার জন্ম হয়েছিল মনে হয় তা মিশে গেছে। গত তিনদিন শাহবাগের তরুণদের মাঝে নীরবে দাঁড়িয়ে স্বদেশ রায়ের মতো আমারও বিশ্বাস জন্মেছে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ হারে না, হারবে না। বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায় বলতে হয়, ‘এ যৌবন জলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ...।’
কেবল আমরা বা শহরাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মী, বুদ্ধিজীবীরাই গ্রামের অতি সাধারণ মানুষ ও অপেক্ষার প্রহর গুনছিল কখন কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হবে। বিশেষ করে শহীদ পরিবার ও ধর্ষিতা মা-ও তাদের পরিবারের কাছে এই চাওয়াটা মোটেই বেশি কিছু চাওয়া ছিল না। তারা যা হারিয়েছে তা তো আর ফিরে পাবেন না। ঐ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি হলে হয়ত মর্মবেদনা কিছুুটা লাঘব হবে। এই আশায় ৪টি দশক অপেক্ষা করছিল। অবশেষে সেই অপেক্ষার ক্ষণটি। কিন্তু না, এসেই ক্ষণ নয়, বরং এ ক্ষণ আরও নতুন করে যাতনা নিয়ে এলÑ কাদের মোল্লার ফাঁসি হলো না, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল-২ কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায় দিলেন। এই খবর আমাদের মানববন্ধনে এলে আনিসুজ্জামান স্যার সঙ্গে সঙ্গে বুকের মধ্যে ঝুলানো পোস্টারটি খুলে ফেললেন এবং মানববন্ধনও ওখানেই সমাপ্ত করলেন।
সবাই চলে গেছে। আমিও ক্লাবের অভ্যন্তরে যাব বলে কয়েক পা এগিয়ে আবার পেছনে ফিরলাম এবং সোজা বাসায় ফিরে বাকহীন বসে রইলাম। অনেকক্ষণ কারও সঙ্গে কোন কথা বলিনি। একে একে অতীত স্মৃতিগুলো সামনে ভাসতে লাগল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বাঙালী জাতির হাজার বছরের স্বপ্ন পুরুষ আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং ৩ নবেম্বর কারাভ্যন্তরীণ অবস্থা ৪ জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও আবু হেনা মুহাম্মদ কামরুজ্জামানকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে এবং ৩০ লাখ শহীদ ও ৬০ লাখ বীরাঙ্গনা মা-বোনের সঙ্গে বেইমানী করে বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানী পশ্চাৎপদ কূপম-ূক ধারা নিয়ে যেতে শুরু করে। মিলিটারি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই প্রতিবিপ্লবী শক্তি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক সাংবিধান ক্ষতবিক্ষত করে। সেই থেকে শুরু করে কখনও সাংবাদিক হিসেবে পত্রিকার পাতায় কখনও সিভিল সোসাইটি রাজনৈতিক কর্মী বা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাজপথ বা সভা-সমাবেশ-মিছিল বা সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েছি। জাতির পিতা ও জাতীয় ৪ নেতার হত্যার বিচার চেয়েছি। শত শত নিবন্ধ-পোস্ট লিখেছি। কিন্তু ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মাসে যে রায়টি আমাদের উপহার দিলেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক তা প্রত্যাখ্যান তো করছিই এর বেশি আর কি বলব? মনে পড়ে মিলিটারি জিয়া কুখ্যাত রাজাকার ও আলবদর নেতা গোলাম আযমকে পাকিস্তানী পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসতে দিলেন এবং যেদিন হাইকোর্টের রায়ে তার নাগরিকত্ব (যা বঙ্গবন্ধু বাতিল করে দিয়েছিলেন) ফিরিয়ে দেয়া হলো সে সময় এক কলামে লিখেছিলাম বিচারালয়ের এই বিচার মানি না। ঐ বিচারককেও মানি না। ঝুঁকি নিয়েই বলেছিলাম আজও কনটেম্পট অব কোর্ট-এর ঝুঁকি নিয়েই বলছি ‘এ রায় মানি না, কসাই কাদেরকে ফাঁসি দিতে হবে।’ প্রখ্যাত লেখক, গবেষক ইতিহাসবিদ ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন প্রশ্ন তুলেছেন। ‘কতজনকে হত্যা করলে মৃত্যুদ- দেয়া যায় (?)’ প্রফেসর মামুন দৈনিক জনকণ্ঠে এক নিবন্ধে লিখেছেন :
‘বাচ্চু রাজাকারের রায়ে আমরা খুশি হয়েছিলাম ইতিহাসের সত্য প্রতিফলিত হতে দেখে। কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগের মাত্রা ছিল তার থেকেও বেশি। অভিযোগগুলো একবার বিবেচনা করে দেখুন। ৫ এপ্রিল ১৯৭১ সালে কলেজছাত্র পল্লবকে দুদিন গাছে ঝুলিয়ে রেখেছিল কাদের, তারপর হত্যা করা হয়েছিল। এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সন্দেহাতীতভাবে ২ মার্চ ১৯৭১ কাদের ও তার বিহারী সহযোগীরা কবি মেছেরুন নেছার বাড়িতে মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখে- এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ২৯ মার্চ ১৯৭১ দৈনিক পয়গামের সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরের জল্লাদখানায়। আবু তালেবের মেয়ে জানিয়েছেন, কোরবানির গরুর মতো তালেবকে জবাই করে মাংস টুকরো টুকরো করে উল্লাসে তারা মেতে ওঠেÑ এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। ২৬ মার্চ ১৯৭১ সন্ধ্যায় কাদের মিরপুরের হযরত আলী লস্কর ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যা করে এবং ১১ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করেÑএই অভিযোগও প্রমাণিত। ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ মিরপুরের আলোকদি গ্রামে ৩৪৪ জনকে নির্যাতন করে খুন করে। মামা বাহিনীর শহীদুল হক মামা জানিয়েছেন, আজলা ভরে মানুষের চোখ তিনি সমাহিত করেছেনÑ এই অভিযোগও সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। প্রমাণিত হয়নি কেবল ঘাটের চরের গণহত্যায় কাদেরের ইনভলমেন্ট।’
প্রফেসর মামুনও এ তথ্য নিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের রায়ের ফাইন্ডিং থেকেই। অথচ দেয়া হলো যাবজ্জীবন কারাদ- অর্থাৎ তার ৩০ বছর সাজা হলো। কারাগারে সে ভাল ব্যবহার করলে এ সাজা কমে হবে ২৩ বছরের মতো। কিংবা ভাল ব্যবহার না করেও কারারক্ষী বা পুলিশকে টু-পাইস গুঁজে দিলে ভাল ব্যবহারের সার্টিফিকেট নেয়াকে আজকাল কোন ব্যাপারই নয়। তাই তো কাদের মোল্লা রায় শোনার পর ভি-চিহ্ন দেখিয়ে মুখে একটা ১০ নম্বরী মুচকি হাসি দিয়েছে। সে মনে করে আর তো মাত্র ১০ মাস। তারপর পার্লামেন্ট নির্বাচন হবে এবং তাদের নেত্রী মিলিটারি জিয়া-পতœী খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে আবারও কোন এক ইয়াজদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির আসনে বসাবেন এবং সেই রাষ্ট্রপতি তাকে ক্ষমা করবেন। কাদের জেল থেকে বেরিয়ে মন্ত্রী হবেন এবং শহীদের রক্তরঞ্জিত পতাকা আবারও রাজাকারদের গাড়ি-বাড়িতে উড়বে। মজার ব্যাপার না? কিন্তু প্রশ্নটি হলো, একটি পত্রিকা দেখলাম কাদের মোল্লার সাজার চেয়ে ভি-চিহ্নটি অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিরাট ছবিসহ লিড নিউজ করেছে। একজন বললেন (সংবাদকর্মী) ভালই হয়েছে। মানুষের মধ্যে ঘৃণা জন্মাবে। বললাম এতে ঘৃণা জন্মায় না, বরং সিমপ্যাথি জন্মায়। পত্রিকাটির লক্ষ্যও আমি মনে করি তা-ই। এসব নিয়ে বহু তর্ক করেছি। এই যেমন বিএনপি নেত্রী তথা জামায়াত-বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্প্রতি ওয়াশিংটন টাইমস’ পত্রিকায় একটি কলাম লিখেছেন। তাতে তিনি অন্তত তিনটি আপত্তিকর বিষয়ের অবতারণার করেছেন। যেমন: (১) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা সংগ্রামকালে আমেরিকা না-কি তিনি অন্য কয়েকটি দেশের মতো আমাদের প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছMy Country of 150 million people, located between india and Myanmar, has been indepentent since 1971, When he United states was our of the first Nations to recogise our right to self detsmination. লক্ষ্য করুন, কত বড় সত্যের অপলাপ! বরং প্রতিটি দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং এর ভিত্তিতে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাঙালী ভাল করেই জানে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার ভূমিকা কি ছিল! আমেরিকা কেবল হানাদার পাকিস্তানী সামরিক জান্তা সরকারকে অর্থ-অস্ত্র-রসদ দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব গ্রহণ এবং বাঙালী জাতিকে হত্যা করার জন্যে ৭ম নৌবহর পাঠিয়েছিল। কে না জানে এসব কথা? বরং সেদিন পাকি-মার্কিন অস্ত্র অর্থের মোকাবেলায় ভারত, বিশেষ করে ভারতের মহীয়সী প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নও এগিয়ে এসেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে ভেটো দিয়ে এবং আমেরিাকর যুদ্ধজাহাজ সেভেন-ফ্লিটের মোকাবেলায় রেড-ফ্লিট পাঠালে সেভেন ফ্লিট বঙ্গোপসাগর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। বেগম জিয়া বরং বলতে পারতেন আমেরিকার সিভিল সমাজের বিরাট অংশ এবং জনগণ আমাদের সংগ্রাম ও যুদ্ধকে নৈতিকভাবে সমর্থন দিয়েছিলেন। যেমন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ও সঙ্গীতশিল্পী জজ হ্যারিসন যবডিলস। বেগম খালেদা জিয়া তার নিবন্ধে পুরোটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের বিষোদগার করেছেন। যেমন করে সভা-সমাবেশে বক্তৃতা দিতে দাঁড়ালে পুরোটাই থাকে শেখ হাসিনা ও সরকারবিরোধী কথাবার্তা। অবশ্য এতে তার ব্যক্তিগত ক্ষোভও কাজ করছে। কারণ শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের আমলে তাকে কোর্টের রায়ে ক্যান্টমেন্টের বাড়ি ছাড়তে হয়েছে এবং তার দুই ছেলে তারেক-কোকোকে অর্থ পাচার ও অন্যান্য অভিযোগে দেশান্তরী হতে হয়েছে। কাজেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনি বলবেনই কিন্তু এটা কেমন কথা যে বাংলাদেশ আমেরিকায় পণ্য রফতানির জন্য যে জিএসপি সুবিধার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছে। তিনি তার বিরুদ্ধে কথা বলবেন কিংবা পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধের পক্ষে বিশ্বব্যাংকের মতো কথা বলবেন। কিংবা বাংলাদেশে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার এবং দারিদ্র্য বিমোচন শেখ হাসিনার হাতে নিরাপদ নয়, তাই তিনি আমেরিকার নেতৃত্বে বিশ্বকে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করবেন? It is impossible to sory in good coucience that democracy, Justice and the alleviation of povesly in Bangladesh Under Sheikh Hasiua are Safe, Indeed, all are in grave dangol, In is time for the world, led lsy Amlicia, to act and eusure that democracy to saned in Bangladesh. সঙ্গত দুর্বলতার কারণেই অন্য কেউ এই কলামটি লিখে দিয়েছেন এবং ওয়াশিংটন টাইমসে ছাপার ব্যবস্থা করেছেন। এই পত্রিকাটি শুনেছি খুব বড় বা বহুল প্রচারিত না হলেও ওয়াশিংটন প্রশাসনের হাতে যায়। ধারণা করা যাচ্ছে যারা ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে, তাদের পক্ষে এ রকম একটি কলাম বা এর আগে দি ইকোনমিস্ট-এ সরকারবিরোধী রিপোর্ট করাতে পারে সহজেই। সবচে আশ্চর্যের বিষয় হলো কয়েকদিন আগে মধ্যরাতের এক গলাবাজিতে দেখলাম আমাদের সাংবাদিকতার প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এবিএম মূসা এই কলামটিকে ডিফেন্ড করছেন। অবশ্য এতেও অবাক হবার কিছু নেই। এর আগেও মূসাভাই একবার বললেন,সরকারের যাকেই দেখবেন বলতে হবে ‘তুই চোর তুই চোর’ আবার বঙ্গবন্ধুকে বললেন, ‘তৃতীয় শ্রেণীর নেতা।’ অবশ্য পরে তিনি বলেছেন,‘সরকারের সকলকে নয়, দুর্নীতিপরায়ণদের বলতে হবে ‘তুই চোর’ এবং তিনি বঙ্গবন্ধুকে ‘তৃতীয় শ্রেণীর না, তৃতীয় সারির নেতা’ বলেছেন। কিন্তু মূসাভাই কথা ঘুরালে ও প্রথম অংশটিই বলেছিলেন বলে অনেকে মনে করেন এবং তা করেছেন ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকেই। মূসাভাইর ব্যক্তিগত ক্ষোভের পেছনের কারণগুলো এ নিবন্ধে নাইবা বললাম।
বস্তুত একশ্রেণীর তথাকথিত সিভিল সোসাইটি সদস্য বা ড. মুুনতাসীর মামুনের ভাষায় পদাধিকারবলে বুদ্ধিজীবী বর্তমান সরকারকে প্রথমদিন থেকেই উৎখাত করার ব্রত নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এদের আবার একটা ভা-ামি আছে নিরপেক্ষতার। বলেন, তারা কোন দল করেন, না তারা কোন প্রি-জুডিস থেকে কথা বলেন না। অথচ তাদের প্রতিটি লাইনই থাকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এবং খালেদা জিয়া ও জামায়াত-বিএনপির পক্ষে। এদের মধ্যে অন্তত দুজনের নাম করা যায়Ñড. আসিফ নজরুল ও ড. পিয়াস করিম। এরা এমনভাবে কথা বলেন মনে হয় তাদের মধ্যে কালচারের ঘাটতি আছে। আমাদের এক সাংবাদিক বলেই ফেললেন এরা মনে হয় তাদের বাপ-দাদার সঙ্গে বেয়াদবি করতে করতে বড় হয়েছে। ড. আসিফ নজরুলের একটি উদারহণ দিতে চাই, মূসাভাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিরূপ উক্তি করায় প্রতিবাদ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। আসিফের এটা পছন্দ হয়নি। যদিও একটি অন্যায় অভিযোগের জবাব না দেয়াও অন্যায়। কিন্তু আসিফ বললেন,‘ লেনিন-মাও সেতুংয়ের সমালোচনা করা যাবে। এমন কি হযরত মুহম্মদ (স.) এর সমালোচনা করা যাবে, শেখ মুজিবের যাবে না কেন?’ অবশ্য আসিফ মহানবীর নামের পরে (স) ব্যবহার করেনি। আমার মনে হয় মহানবী (স) সম্পর্কে এমন ধৃষ্টতা কোন অমুসলিমও আজ পর্যন্ত দেখায়নি। আসিফের আবরী নাম বা মুসলিম নাম রয়েছে, যদিও তা উল্টা পাল্টা বা বাবা মার দেয়া নাম নয় বলে মনে হয়। আরেকজন আছেন আমার খুব প্রিয় ‘মানুষ তার নামটি নিতে আমার খারাপ লাগছে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি যেভাবে আলোচনায় সরকার ‘জোচ্চোর’, ‘বাটপার’ ইত্যাদি অভদ্রজনোচিত শব্দাবলী দ্বারা আক্রমণ করছেন, তাতে করে তার নামটাও নিতে হয়, তিনি সম্পাদক নুরুল কবির। এই মধ্যরাতের গলাজীবীরা দীর্ঘদিন যাবৎ বলে আসছিলেন, ‘সরকার জামায়াতকে সভা- সমাবেশ করতে দিচ্ছে না বলেই তারা সহিংস হয়ে উঠেছে। আবার যখন (পুলিশের ভাষায়) ‘জামায়াত কোন সহিংসতা কার্যকলাপ করবে না। পুলিশের কাছে এই অঙ্গীকার করে মাঠে নামায় দু’দিন পুলিশ তাদের সমাবেশ-মিছিল করতে বাধা দেয়নি।’ এই অবস্থাটাকে তারা বললেন, ‘আওয়ামী লীগ- জামায়াত আঁতাত হয়েছে।’ অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ জামায়াতকে নিয়ে নির্বাচনে যাবে। আবার এরাই পুলিশ এ্যাকশনে গেলে বলেছে ‘পুলিশ একটি রাজনৈতিক দলের মৌলিক- গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে দিচ্ছে না।
গত বৃহস্পতিবার রাতে যখন এ লেখা লিখছিলাম তখন দেখলাম ‘বাংলাভিশন’ টিভিতে এবিএম মূসা ও এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন মধ্যরাতের লাইভ গলাবাজিতে বসে একইভাবে আওয়ামী লীগবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক (সম্ভবত নাম মোস্তফা ফিরোজ) এমনও বললেন শাহবাগের তরুণরা বিএনপির জন্য সম্পদ হতে পারে যদি তারা সঠিকভাবে আচরণ করতে পারে? মূসাভাই প্রতিটি টকশোতেই আওয়ামী লীগকে কয়েকবার হারান এবং বিএনপিকে কয়েকবার ক্ষমতায় বসান । কিন্তু মূসাভাই বা সঞ্চালক আপনারা যতই চেষ্টা করুন তরুণ প্রজন্ম রাজাকার যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে এবং যারা এই অপশক্তিকে সমর্থন দেয় সেই পাকিপন্থী খালেদা জিয়া বা বিএনপিরও ধারে কাছে নেই।
যাকগে, এবার শাহবাগ তারুণ্য স্কয়ারে ফিরে আসি। বয়সের কারণে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে ঊনসত্তরের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া-এরশাদ-খালেদাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিক হিসেবে ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে ভূমিকা রাখার। বিশেষ করে আমি দেখেছি কি ভাবে ১৯৮১ সালে প্রায় অর্ধকোটি মানুষ রাজপথে নেমে শেখ হাসিনার প্রবাস জীবন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে; কিভাবে ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনে এবং ১৯৯৬ ও ২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার পতনে মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল, সেই অভূতপূর্ব দৃশ্যাবলী কাছ থেকে দেখেছি। তবে সেসব ছিল স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন। আর শাহবাগের আন্দোলন কোন সরকার পতনের নয়, এ আন্দোলন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবির আন্দোলন। কেননা, ট্রাইব্যুনালে কসাই কাদেরের ফাঁসি না হয়ে যাবজ্জীবন রায়ে জনতা, বিশেষ করে তরুণ সমাজ আশাহত হয়েছে এবং এই আশাহত অবস্থা থেকে যে ক্ষোভের জন্ম হয়েছে তারই বহির্প্রকাশ ঘটছে শাহবাগ তারুণ্য স্কয়ারে।
২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অন্তত ২টি অঙ্গীকার তরুণ সমাজকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। অঙ্গীকার ২টি হলো : (১) ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ এবং (২) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এই দুই অঙ্গীকারের পক্ষে নির্বাচনে ব্যাপকভাবে ভোট দেয় এবং মহাজোট তিনশ’ আসনের পার্লামেন্টের চার-পঞ্চমাংশ আসন নিয়ে সংসদে বসে ও সরকার গঠন করে। নির্বাচনের পর অঙ্গীকার অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার শুরু করে। এই ট্রাইব্যুনাল গঠনেও দেশী-বিদেশী বিরোধিতা ছিল কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা পিছু হটার পাত্রী ননÑ তিনি সামনে এগোবার মানুষ। শিক্ষা-দীক্ষা মননে-চেতনায় বিপ্লবী এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রত্যয়ী নেত্রী। কসাই কাদেরের রায়ের ক্ষেত্রে যে ঘটনাটি ঘটে গেল তা অনভিপ্রেত এবং কারও কাম্য ছিল না, শেখ হাসিনারও না। তবু ঘটেছে। এর আগেও আমরা দেখেছি স্কাইপে কথা বলায় একজন বিচারক পদত্যাগ করেছেন। ষড়যন্ত্র কি নেই? আছে? ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য চৌকস আইনজীবীম-লীর প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বলতে হচ্ছে প্রসিকিউশনে এমন কয়েকজন আইনজীবী আছেন যাঁদের কোন মফস্বল শহরে থাকার কথা। হাইকোর্টের প্যারালাল এবং হাইকোর্টের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ তাদের না দাঁড় করালেই ভাল হতো। আমার মনে হয় না দেশে ভাল আইনজীবীর খুব আকাল পড়েছে।
আগেই বলেছি মূসাভাইরা যতই চেষ্টা করুন; টিভির গলাবাজিতে যতই সোচ্চার হোন বা যত কলাম লিখুন শাহবাগের তরুণ প্রজন্ম ধর্ম ব্যবসায়ী জামায়াত-শিবিরের সহযোগী পশ্চাৎপদ পাকিপন্থী বিএনপির দিকে ফিরেও তাকাবে না, বরং তারুণ্যের স্বাভাবিক ধর্ম অগ্রসরমান এবং তারা সামনের দিকে চলবেই। সাংবাদিক-কলামিস্ট স্বদেশ রায় খুব সুন্দরভাবে পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন : ‘...ওরা খোলা আকাশের সূর্যের নিচে ভীষণ প্রতিজ্ঞ এক একটি দৃঢ় মুখ নিয়ে বসে। ওদের হাত সেøাগানের সঙ্গে সঙ্গে একাত্তরের লাখো মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্র হয়ে যেন গর্জে উঠছে। ওদের সেøাগানগুলো যেন বারুদের গোলা হয়ে বেরিয়ে আসছে। সেখানে সারি বেঁধে বসে আছে শত শত তরুণী। রাতের শিশির আর দিনের সূর্য কোনটাই যেন তাদের ক্লান্ত করেনি। বরং করেছে আরও দৃঢ়। প্রতিটি মুখ যেন একেকটি বারুদের গোলা....শাহবাগের তরুণদের পাশে দাঁড়িয়ে। ২৪ ঘণ্টা পর (রায়ের) বিশুদ্ধ বাতাসে নিশ্বাস নিয়ে মনে হলো বাংলাদেশ আর পরাজিত হবে না।’
গত মঙ্গলবার আমার মধ্যেও যে হতাশার জন্ম হয়েছিল মনে হয় তা মিশে গেছে। গত তিনদিন শাহবাগের তরুণদের মাঝে নীরবে দাঁড়িয়ে স্বদেশ রায়ের মতো আমারও বিশ্বাস জন্মেছে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ হারে না, হারবে না। বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায় বলতে হয়, ‘এ যৌবন জলতরঙ্গ রুধিবি কি দিয়া বালির বাঁধ...।’
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 09
(255)
- ভারতের সংসদে হামলায় অভিযুক্ত আফজল গুরুর ফাঁসি
- ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রেখে রাজাকারের ফাঁসি দেয়া যায়...
- লন্ডন ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড ব্রিটিশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্...
- আবারও...
- প্রথমবারের মতো
- নতুন ছেলে by আবুল কালাম আজাদ
- ভালোবাসা দিবসে আবুল হায়াত
- চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক তানিয়ার
- স্টুডিও কনসার্টে ন্যান্সি
- শাহরুখকে নিয়ে সালমানের নেতিবাচক মন্তব্য
- একুশে টেলিভিশনে ইউরো-সিজেএফবি পারফরম্যান্স অ্যাওয়...
- লাল গোলাপে ইকবাল ও বাবু
- ভালোবাসার বিশেষ পাঁচফোড়ন
- প্রেত সাধক সজল
- নতুন বিজ্ঞাপনে কেয়া by আলমগীর কবীর
- ব্যতিক্রমী গল্পে রওনক
- ৬২ হাজার খাম্বা কিনছে সরকার- দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ...
- শঙ্কা ও সঙ্কট ঘনীভূত হচ্ছে- সরকারকে আরো দায়িত্বশ...
- প্রধানমন্ত্রীর উচিত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা...
- জীবনসাধক ডাঃ নুরুল ইসলাম by মাহমুদ শাহ কোরেশী
- অভিমত- জনপ্রত্যাশিত একটি রায়
- তিউনিসিয়ায় গণতন্ত্রের পরীক্ষা by মুন্সেফ মারজুকি
- কলা চুরির জন্য ফাঁসি! by মাসুম খলিলী
- এটা কি টেস্ট কেস? by কাদের সিদ্দিকী
- স্মরণ- খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ
- জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ ও কিছু কথা b...
- মওলানা ভাসানী ও কাগমারী সম্মেলন by মোহাম্মদ গোলাম...
- ইরাকে গাড়িবোমা হামলায় নিহত ২৯
- উত্তর কোরিয়া সফরের দায়ে এক দণি কোরীয়র কারাদণ্ড
- আফগানিস্তানে শত শত শিশু হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্রঃ ...
- লিবিয়ার সাবেক গোয়েন্দা প্রধানকে হস্তান্তরের নির্দেশ
- ভারতে ৮৪ সালের সহিংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দ...
- আত্মাহুতিতে উৎসাহ দেয়ার দায়ে চীনে ৭০ তিব্বতি আটক
- তালেবানের সাথে অবিলম্বে শান্তি আলোচনার দাবি নওয়াজ...
- ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত কেরালার ডেপুটি স্পিকার
- নেপালে রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে মাওবাদীদের শর্ত ব...
- ভারতে ৮৪ সালের সহিংসতাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দ...
- আত্মাহুতিতে উৎসাহ দেয়ার দায়ে চীনে ৭০ তিব্বতি আটক
- দুই মাস অবরুদ্ধ থাকার পর জামিন- খালেদা জিয়াকে ফুল...
- ভালোবাসার মাসে এমপ্রেস
- ঢাকা রিজেন্সিতে ভ্যালেন্টাইনস ডের আয়োজন
- শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমৃত্যু সংগ্রাম করে...
- চট্টগ্রামে কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেয়া ১০ হাজার ব্...
- গোপালগঞ্জে দেশের প্রথম ডিমান্ড সাইড ফিন্যান্সিং ফর...
- তত্ত্বাবধায়ক ও পদ্মা সেতু ইস্যু ধামাচাপা দিতে সরক...
- পুঁজিবাজারে বেড়েছে বিদেশী বিনিয়োগ
- খেজুরের গুড়ের নামে আমরা কী খাচ্ছি! by মোঃ শহীদুল ...
- বরিশাল বিএম কলেজে তিন মাসের অস্থায়ী ‘ছাত্র কর্মপর...
- চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে বাড়ছে ােভ
- ১২ বছরে আট শতাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের উচ্চ আদাল...
- কুতুববাগ দরবার শরিফে আখেরি মুনাজাত সম্পন্ন
- যুদ্ধাপরাধ নিয়ে সরকার নিজেদের ফাঁদে আটকা পড়েছেঃ ...
- সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাজধানীতে বাসভাড়া বৃ...
- ধনেশ পাখি
- হেলথ টিপস- গেঁটেবাত সরাতে সহায়ক ভিটামিন ডি
- চিত্র বিচিত্র- ১০৫ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারী মহিলা
- প্রবাসের খবরঃ যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে এ প্রহসন জ...
- হলমার্ক চেয়ারম্যান জেসমিনের মুক্তি লাভ
- নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণেই বিএসএফ হত্যা নির্যাত...
- নিপাহ ভাইরাসে রামেক হাসপাতালে আরো দুই রোগীর মৃত্যু
- চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সাটুরিয়ায় ছাত্রলীগের দ...
- বিএনপির সমন্বয়ক তরিকুল ইসলামকে যশোরে সংবর্ধনা
- বাংলাদেশে নির্যাতন ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি চলছে
- নড়াইল সফর করবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ...
- নির্বিচারে মানুষ হত্যায় জিহাদি হওয়া যায় না by এনা
- আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় টিফিন খেয়ে আড়াই শতাধি...
- ইমরান ও কাদরির যৌথ হুঙ্কারে পাকিস্তানে নির্বাচন পি...
- লোকে লোকারণ্য গ্রন্থমেলা- ঢিলেঢালা শিশুপ্রহর by শ...
- ৬ মাসেই বাণিজ্য ঘাটতি ৩৬ হাজার কোটি টাকা by আশরাফ...
- হরতালে নিহতদের স্মরণে দেশব্যাপী জামায়াতের দোয়া ম...
- বেসরকারি আবাসন প্রকল্পে অনীহা সরকারের by হামিম উল ...
- শাহবাগ চত্বর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে
- রাজধানীতে আজ ১৮ দলের শোডাউন স্থগিত
- বাংলা ও উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব তমদ্দুন ...
- তৃণমূল আ’লীগে ভয়াবহ কোন্দল by ফজলুল হক শাওন
- নিহতদের স্মরণে দোয়া দিবস পালিত- ঘাদানিকদের উসকে ...
- বিএনপির সমর্থন- বৃহত্তর চট্টগ্রামে জামায়াতের ডাক...
- ঘাদানিক ও বামেরা সমাবেশের নেপথ্যে
- ২ মাসের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ বাড়েনি- আরব আমিরাতে...
- ১ নম্বর চার্জ পল্লব হত্যার ভিত্তি শোনা কথা- কাদের ...
- একই পরিবারের ৭ জন নিখোঁজ by শেখ ওমর ফারুক
- মেঘনায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবি
- জামায়াত সমর্থকদের নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে- শাহবা...
- যুদ্ধাপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবেঃ জাতিসঙ্ঘ
- বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি- সৈয়দ সোহরাব
- যুদ্ধাপরাধী, খুনী জামায়াত শিবির চক্রকে প্রতিহত করু...
- ঢাকা কলেজে চাঁদাবাজির মূল উৎস নতুন নির্মাণাধীন হল
- যুদ্ধাপরাধী, খুনী জামায়াত শিবির চক্রকে প্রতিহত করু...
- ওয়াহিদুল হক স্মরণোৎসব শুরু, নাট্যোৎসব আজ থেকে
- খালেদা জিয়া কি দেশ বিক্রির সেই দলিলটি দেখাতে পারবে...
- রিপোর্ট দাখিলে আরও ৩ মাস সময় চাইবে সিআইডি- ১০ ট্রা...
- ২১ মার্চ থেকে ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সম্মেলন
- খোঁজ নেয়া হচ্ছে পুরস্কার ঘোষিত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ক...
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- জিয়া সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না শফিউল্লাহ
- মিছিল সমাবেশ ক্লাস পরীক্ষা বর্জনে উত্তপ্ত বাকৃবি- ...
- কানাডা কেন খুনী নূর চৌধুরীকে আশ্রয় দেবে- শেখ হাসি...
- জামায়াত নেতা কাইট্টা গিয়াস ফের ৩ দিনের রিমান্ডে
- বগুড়া, নড়াইল ও রংপুরে ফারুকের বিরুদ্ধে শত কোটি টাক...
- রিপন হত্যায় কেউ ধরা পড়েনি, পরিবারে শোকের মাতম- তপু...
- মূল্যস্ফীতি চলে যাচ্ছে ॥ বিপজ্জনক মাত্রায়- বোরো ফল...
- হাসিনা-ওয়েন বৈঠক, তিন চুক্তি সই
- জামায়াত শিবিরকে অর্থায়ন করছে জঈশ-ই- by মোহম্মদ মা...
- নৌযান শ্রমিক ধর্মঘট নিরসনের উদ্যোগ নেই তিন দিনেও-...
- মুজিবুর রহমান যুদ্ধ করেননি, তারা লুটপাটে ব্যস্ত ছি...
- খালেদার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ॥ শুনানি না করে রিটের...
- তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে বৈঠক শ...
- ২৬ মার্চের আগেই তদন্ত সংস্থা ও বিচারিক আদালত- যুদ্...
- বাঘাইছড়িতে চুক্তির পক্ষ-বিপক্ষ গ্রুপের মধ্যে প্রচণ...
- ইন্টারনেট চার্জ আরও কমাল বিটিসিএল, কার্যকর ১ এপ্রিল
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক ও রেলপথ অবরোধ- সন্...
- জামায়াত মহানগর আমির ও সাবেক শিবির সভাপতি মুরতাদ- শ...
- জামায়াত মহানগর আমির ও সাবেক শিবির সভাপতি মুরতাদ- শ...
- বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে হার্টে মাইট্রাল ভাল্ব বদলের স...
- বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বতন্ত্র পে স্কেল চূড়ান্ত করেছে...
- এবার যাঁরা স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন
- অগ্নিঝরা মার্চ
- ভোলা-৩ আসনে উপনির্বাচন ২৪ এপ্রিল
- শ্রেষ্ঠ সন্তান
- ১৯৭১ ॥ চট্টগ্রাম শহরে প্রতিরোধ যুদ্ধ by সামসুদ্দি...
- স্মরণ ॥ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ by আরিফ নজরুল
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ওডারল্যান্ড ও যতীন মোদী by এসকে ...
- দেশীয় অর্থায়নে বিদ্যুত
- বকর সবাইকে কাঁদাল
- প্রসঙ্গ ইসলাম- মিথ্যা কথা বলা মহাপাপ by অধ্যাপক হ...
- অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের বিষয়গুলো by ...
- বিদ্যুত উৎপাদনের নতুন সূত্র
- অজানা তথ্য- ৬০ কোটি বছর আগের প্রাণীতে মানুষের দৃষ্...
-
▼
Feb 09
(255)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment