Wednesday, May 23, 2012
কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা
কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা
১০ মে ২০১২ প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় ছিল প্ল্যান বাংলাদেশ। এতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আলোচনায় অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হলো।
যাঁরা অংশ নিলেন
আ ফ ম রুহুলহক
মন্ত্রী, স্বাস্থ্যও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
মুহম্মদ হুমায়ুন কবির
সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্যও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়
মাখদুমা নার্গিস
অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক, রিভাইটালাইজেশন অবকমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ (কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প)
খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ
মহাপরিচালক, স্বাস্থ্যঅধিদপ্তর
গণেশ চন্দ্র সরকার
আইইএম অ্যান্ড লাইন ডাইরেক্টর আইইসি মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
আনোয়ার হোসেন সিকদার
ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্ল্যান বাংলাদেশ
সেলিনা আমিন
কান্ট্রি প্রজেক্টস ম্যানেজার, প্ল্যান বাংলাদেশ
সৈয়দ আবু জাফর মো. মুসা
পরিচালক প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরিচর্যা ও লাইন ডাইরেক্টর, এমএনসি অ্যান্ড এএইচ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
মোহাম্মদ শরীফ
পরিচালক এমসিএইচ সার্ভিসেস ও লাইন ডাইরেক্টর, এমসিআরএএইচ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
কে এম আজাদ
ডিপিএম কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কমিউনিকেশন অফিসার, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প
মোমেনা খাতুন
স্বাস্থ্যউপদেষ্টা
মো. খায়রুলইসলাম
কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, ওয়াটার এইড বাংলাদেশ
শেহলীনা আহমেদ
স্বাস্থ্যও জনসংখ্যাবিষয়ক উপদেষ্টা, ডিএফআইডি
মো. ইফতেখার হাসান খান
স্বাস্থ্যউপদেষ্টা, প্ল্যান বাংলাদেশ
মো. রাজ্জাকুলআলম
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্ল্যান বাংলাদেশ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম: যুগ্ম সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সফল হলে স্বাস্থ্যসেবা এগিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমে কিছু অসংগতি তুলে ধরা হয়েছিল। তিন মাস পর আবার আমাদের প্রতিবেদকেরা কয়েকটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখেন, সেখানে সময়মতো চিকিৎসক আসেননি। রোগীরা সেবা পাচ্ছে না। আজ এই আলোচনা করার আগে মহেশখালী, সিলেট, বরগুনা, রংপুরসহ কয়েকটি জায়গায় খোঁজ নিয়ে প্রায় আগের চিত্রই পাওয়া গেছে। তবে একটি ভালো খবর হচ্ছে, এই অবস্থার পরও রোগীরা আসছে। এখন সেলিনা আমিনের কাছ থেকে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে তাঁদের অভিজ্ঞতা শুনব।
সেলিনা আমিন
প্ল্যান বাংলাদেশ ১৪ বছর ধরে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে কাজ করছে। প্রচলিত প্রথার মাধ্যমে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। স্থানীয় লোকজনকে সম্পৃক্ত করে এমনভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিলাম যে পরবর্তী সময়ে স্থানীয় লোকজনই এটিকে পরিচালনা করার সক্ষমতা অর্জন করে। প্রথম পর্যায়ে আটটি, দ্বিতীয় ধাপে ১৮টি এবং সবশেষে ৪৪টি পর্যন্ত ক্লিনিক তারা চালিয়ে নিতে পারছে। এখন আমরা এক হাজার কমিউনিটি গ্রুপকে দক্ষ করার ব্যবস্থা করছি। এর মধ্যে ৪৫০টির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন তারা সময়মতো ক্লিনিক খোলা, ওষুধ সরবরাহসহ অন্যান্য কার্যক্রম ভালোভাবে করছে। প্ল্যান বাংলাদেশ গাজীপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। এ বছর শুরু হবে বরগুনায়। আমাদের প্রত্যয় হচ্ছে, আপনাদের উৎসাহ সহযোগিতা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।
আব্দুল কাইয়ুম
প্ল্যান বাংলাদেশের সেলিনা আমিনের কাছ থেকে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা ও কমিউনিটি ক্লিনিকের বিষয়ে কথা শুনলাম। এবার বলবেন হুমায়ুন কবির।
মুহম্মদ হুমায়ুন কবির
প্ল্যান বাংলাদেশ কমিউনিটি গ্রুপ তৈরি করেছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে এটি একটি ভালো দিক। কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) থাকার কথা। সিএইচসিপি নিয়োগে আমাদের কিছু সময় লেগেছে। দেরি হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। এ জন্য তিন দিন বসবেন স্বাস্থ্য সহকারী এবং তিন দিন বসবেন পরিবার কল্যাণ সহকারী, যাতে চিকিৎসাসেবা বাধাগ্রস্ত না হয়। কিন্তু সিএইচসিপিদের এখন প্রশিক্ষণ থাকায় ক্লিনিকে উপস্থিতিতে ঘাটতি রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিতে আমরা গুরুত্ব দিতে চাই। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় চললে এটি টেকসই হবে। কারণ, এখানে জামি দেয় একজন, অন্যরা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে। তাই টেকসই কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জরুরি।
কেন্দ্র থেকে পরিচালনা করলে টেকসই হবে না। এমন অনেক দুর্গম এলাকা আছে, যেখানে কেন্দ্রীয়ভাবে তত্ত্বাবধান করা সম্ভব নয়। প্ল্যান বাংলাদেশ যেভাবে কমিউনিটি গ্রুপ তৈরি করেছে, সেটা বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরাও এভাবেই কাজটি এগিয়ে নিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে কমিউনিটিকেন্দ্রিক কমিউনিটি গ্রুপগুলোকে কার্যকর করা। কমিউনিটি গ্রুপগুলো কার্যকর হলেই জবাবদিহি আসবে। এ ক্ষেত্রে যাঁরা সরকারি কর্মচারী আছেন, তাঁরাই কমিউনিটি ক্লিনিকের খোঁজখবর রাখবেন এবং কে কোথায় আছেন, প্রশ্ন করবেন। অনেকগুলো কমিউনিটি ক্লিনিক আমি পরিদর্শন করেছি। কিছুদিন আগে একটায় ভিজিটে যাই। সেখানে দেখা যায় ক্লিনিকে একজন আছেন, একজন নেই। তখন আমি আশপাশের মানুষকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা খোলা থাকে কি না; ওষুধপত্র পাওয়া যায় কি না। তারা খোলা থাকা এবং ওষুধপ্রাপ্তির ব্যাপারে ইতিবাচক উত্তর দেয়। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ওষুধপত্র সবকিছু সরবরাহ করা হবে। সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেখাশোনা করবেন। সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিটি গ্রুপগুলো কর্যকর থাকবে। স্থানীয়ভাবে যারা জমি ও অন্যান্য সেবা দিয়েছে, তাদের সম্পৃক্ত করতে পারলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা টেকসই হবে।
ঠিকমতো ওষুধ দিতে পারলে এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডারদের প্রশিক্ষণ শেষ হলে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া যাবে। এটা ঠিক যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্তিমিত হয়ে পড়েছিল। একটু সময় লাগলেও আবার পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। আরও একটি ভালো খবর হলো, কোনো কোনো ক্লিনিকে নিজেদের উদ্যোগে স্বাভাবিক প্রসব করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নয়, আমরা পুষ্টিসেবাও দেব। এখন অনেকগুলো ক্লিনিক থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণের সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সম্ভাবনা যে বিশাল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হয়তো কিছু ক্লিনিকে অনুপস্থিতি আছে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের কারণেও এটা হচ্ছে। এসব কিছু সমাধান করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মাখদুমা নার্গিস
কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। ২০০১ সালের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৭২৩টি ক্লিনিক তৈরি হয়েছে। সে সময় এর মধ্যে আট হাজার ক্লিনিক চালু ছিল। পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তন হয় এবং এগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সাত বছর বন্ধ থাকায় এগুলোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এবার কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (নতুন জনবল) নিয়োগ করা হয়েছে। অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এককথায়, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশের ৪২৩টি উপজেলায় সিএইচসিপিদের প্রশিক্ষণ চলছে। এটি তিন মাসের প্রশিক্ষণ। এ প্রশিক্ষণের ফলে তৃণমূল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা (ম্যানুয়াল) নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সবাই এটিকে ভালো বলে মত দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তিন দিন এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে তিন দিন করে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় সেবা দেওয়া হবে। এর মধ্যে তাদের নিজস্ব প্রশিক্ষণ থাকায় অনেক সময় অনুপস্থিত থাকতে হয়। তার পরও বলা যাবে না যে ঠিকভাবে অফিস করছেন। বাংলাদেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয়েছে খুব সাধারণ মানুষের জায়গায়।
এ ক্ষেত্রে বিত্তবানদের অংশগ্রহণ খুবই কম। এসব লোকজন নিয়েই আমরা কমিউনিটি গ্রুপ করেছি। এ গ্রুপে স্থানীয় ইউপি সদস্য সভাপতি, জমিদানকারী সহসভাপতি, দরিদ্র ও প্রান্তিক নারীদের অংশগ্রহণ এমনকি একজন ভূমিহীন নারীও থাকবেন। তাঁরা সেবাদানকারীদের সময়মতো ক্লিনিকে উপস্থিতিসহ ওষুধ সরবরাহ, হিসাবপত্র ও যাবতীয় বিষয় দেখাশোনা করবেন। এ জন্য কমিউনিটি গ্রুপগুলো খুব শক্তিশালী করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক না থাকলে তাঁরা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন না। কমিউনিটি গ্রুপগুলোর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর (এনজিও) সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে।
ভবিষ্যতে প্রতিটি ক্লিনিকের সঙ্গে নতুন কক্ষ তৈরি করে নিরাপদ প্রসব করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কাজ করতে গিয়ে আমাদের ভুলত্রুটি থাকবে। গণমাধ্যম সেটা ধরিয়ে দেবে। আজ প্রথম আলোর সংবাদ দেখে আমি সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের ফোন করেছি। তাঁরা বলেছেন, আর্সেনিক প্রোগ্রাম থাকায় স্বাস্থ্য সহকারী ক্লিনিকের বাইরে আছেন। তাঁদের বলেছি, কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, তা লিখে মোবাইল নম্বর ক্লিনিকের সামনে টাঙিয়ে রাখতে। ফোন করলেও জানা যাবে, তাঁরা কোথায় আছেন। তবে সিএইচসিপিরা প্রশিক্ষণ শেষে কাজে যোগ দিলে এ অবস্থা থাকবে না। এখন ৪২৩টি উপজেলায় প্রশিক্ষণ হচ্ছে। আপনারা আমাদের এ প্রশিক্ষণগুলো দেখেন। তাহলে আমাদের প্রচেষ্টা সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন।
আব্দুল কাইয়ুম
শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সার্বিক অবস্থা তুলে ধরলেন মাখদুমা নার্গিস। এখন বলবেন মন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক।
আ ফ ম রুহুল হক
আজ বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সফল নাম। দেশে ১০ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। তার মধ্যে হয়তো ১০০টির সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। সংবাদপত্রগুলো কেবল যেগুলোর সেবার মান খারাপ, সেগুলোর সংবাদ প্রকাশ করে। এতে মনে করার কোনো কারণ নেই যে দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবার মান খারাপ। সংবাদপত্রের সমালোচনাকে সমর্থন করি। কারণ, এর মাধ্যমে অনেক সময় দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকি। কিন্তু কিছু সংবাদ কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
মন্ত্রণালয় থেকে দুর্বলতাগুলো স্বীকার করা হয়। যদি বলি, জেলা-উপজেলার সব হাসপাতাল সঠিকভাবে চলছে, সব কমিউনিটি ক্লিনিক সঠিকভাবে চলছে, এটা সত্য বলা হবে না এবং এ কথা কেউ গ্রহণ করবে না। তবে প্রধানমন্ত্রীও আমাদের সবার প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রামীণ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। প্ল্যান বাংলাদেশসহ আপনারা যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা জানেন এবং আমরাও জানি, যেখানে স্থানীয় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে, সেখানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ভালো চলছে। কারণ, তাঁরা প্রতিদিন ক্লিনিকগুলোর বিভিন্ন বিষয় দেখাশোনা করছেন।
বঙ্গবন্ধু এই স্বপ্ন দেখেছিলেন, কোনো কিছুকে টেকসই করতে হলে সেখানে স্থানীয় জনসাধারণের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। মাঝেমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকে বক্তৃতা করি। তখন এলাকার মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করি, এই ক্লিনিক আপনাদের। আপনারা এর মালিক। আপনারা এটিকে দেখেশুনে রাখবেন। এলাকার মানুষ যখন এটি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে, তখন ক্লিনিকটি টেকসই হয়। তবে এখানে আপনারা জানেন যে কেউ কাজ করছে, কেউ করছে না। কেউ উপস্থিত, কেউ অনুপস্থিত। মাঝেমধ্যে জিনিসপত্র চুরি হচ্ছে। এগুলো সবই সমস্যার অংশ। যত দ্রুত সম্ভব সমস্যাগুলো অতিক্রম করতে হবে। সবশেষে আমাদের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে কি না, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যেতে পেরেছি কি না, এ বিষয়ে আপনারা যতই সমালোচনা করেন, বলব যে এ ক্ষেত্রে অনেকাংশেই সফল হয়েছি।
যতটুকু অপূর্ণতা, সেটাকে কীভাবে সমাধান করা যায়, সে ব্যাপারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা আশা করি। বিগত সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। এ সময় আমার দেখামতে, প্ল্যান বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং গ্রামের লোকজনের তত্ত্বাবধানে গাজীপুরে একটি ক্লিনিক খোলা ছিল। শুধু যে খোলা ছিল তা-ই নয়, সেখানে রোগীকে প্রসব করানো হতো। এভাবে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রমাণিত হয় যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। বিদেশে বক্তৃতা করার সময় একটি কথা বলি, সাইক্লোন, বন্যা, শীত, জলোচ্ছ্বাসসহ বড় বড় দুর্যোগের সময় বাংলাদেশের মানুষ একে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসে। বাংলাদেশে সিডরের কাছাকাছি সময় হাইতিতে ঝড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে যায় এবং সেখানে লুটপাট শুরু হয়। বিদেশিদের বলেছি, দেখ, আমাদের মানুষ কীভাবে বিপদে মানুষকে সাহায্য করে। স্বীকার করি, কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু বহুলাংশে কমিউনিটি ক্লিনিক সাফল্য অর্জন করেছে।
আগে কর্মীদের কোনো বসার জায়গা ছিল না। এখন সে সমস্যার সমাধান হয়েছে। তারা এখানে বসে তাদের কাজকর্ম ঠিক করে নিতে পারছে। ফলে বাড়ি বাড়ি যাওয়ায় তাদের আরও বেশি সুবিধা হচ্ছে। তা ছাড়া কর্মপরিকল্পনায় পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বাস্থ্য সহকারীদের কে কয় দিন বাড়ি বাড়ি যাবে, সে বিষয়ে বলা আছে। অতএব, বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ কমবে—এই আশঙ্কা ঠিক নয়।
খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ
কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা অবশ্যই জরুরি। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছে। এটা প্রায় নিশ্চিত যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ না থাকলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্থায়িত্ব থাকবে না। দেশের কয়েক জায়গায় কয়েকটি ক্লিনিক ভালো চলতে দেখেছি। কারণ, সেখানে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা আছে।
কোনো মানুষ যখন চেয়ার, টেবিল, ফ্যান ইত্যাদি কিনে দেয়, তখন সে একধরনের একাত্মবোধ অনুভব করে। ফলে তারা এর ভালোমন্দ দিকগুলো দেখাশোনা করে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় ২৮ প্রকার ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। মনে করি, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এখন স্থায়ীভাবে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ দেওয়ার ফলে সেবার মান আরও বেড়ে যাবে।
কমিউনিটি ক্লিনিকের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, এখান থেকে গ্রামীণ সাধারণ মানুষ সেবা পাওয়ায় জেলা-উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাপ কমবে। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা নিয়েছে তিন কোটি ৫৯ লাখ সাধারণ মানুষ। ছয় লাখ রোগীকে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এগুলো আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে।
রকফেলার ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ‘লো কস্ট গুড হেলথ’ নামের একটি ডকুমেন্টারি করেছে। সেখানে তারা পৃথিবীকে দেখিয়েছে, বাংলাদেশ কীভাবে স্বল্প ব্যয়ে ভালো স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। সংবাদপত্রের সমালোচনাকে আমরা স্বাগত জানাই। দোষত্রুটি ধরে না দিলে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব না।
গণেশ চন্দ্র সরকার
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর উদ্দেশ্য ছিল, এখান থেকে প্রাথমিক সেবা পাবে এবং রেফারেল পদ্ধতি থাকবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে এখানে তিন দিন পরিবার কল্যাণ সহকারী, তিন দিন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ করবেন। কিন্তু দেশে স্বাস্থ্যসেবার জন্য মানুষ হাসপাতালে এলেও পরিবার পরিকল্পনাসেবার জন্য এখনো হাসপাতালে আসতে চায় না। এ বিষয়ে তারা বাড়িতে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এ কারণে তিন দিন পরিবার কল্যাণ সহকারী দিয়ে কতটুকু কাজ করা সম্ভব, সেটি একটি প্রশ্ন।
১৯৭৫ সালে এ খাতে যে জনবল ছিল, তা আর বাড়েনি। আজ জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। আগের জনবল দিয়ে এখন সেবা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একজন কর্মী একবার কোনো বাড়িতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার যেতে তাঁর এক বছর সময় লাগবে। এ ক্ষেত্রে কীভাবে মানুষ সেবা পাবে, তাদের নানা রকম অভিযোগ থাকবে। এভাবে কত দিনই বা চলতে পারে। স্বাস্থ্যকর্মী কিন্তু কেন্দ্রে বসে সেবাটি দিতে পারেন। পরিবার পরিকল্পনাকর্মী সেটা পারেন না। কারণ, তাঁকে বাড়ি বাড়ি যেতে হয়।
মোমেনা খাতুন
সবাই এখানে কমিউনিটি গ্রুপকে শক্তিশালী করার কথা বলেছেন। আরও বলেছেন সমর্থক (সাপোর্ট) গ্রুপের কথা। এ দুই বিষয়ের প্রতি আমারও দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, যেখানে কমিউনিটি গ্রুপ শক্তিশালী, সেখানে এ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো খুব সফলতার সঙ্গে চলেছে। যেমন, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর কথা বলা যায়। স্থানীয় মানুষকে কমিউনিটি গ্রুপ বোঝাবে যে এ ক্লিনিকগুলো তাদেরই। তাহলে তারা নিজেরাই এর ভালো-মন্দ—সব দিক দেখবে। আমাদের একটি স্লোগান ছিল, আমাদের স্বাস্থ্য আমাদের হাতেই। সবাইকে এ স্লোগানের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।
কমিউনিটি গ্রুপগুলোকে মালিকানার ধারণা দিলে তারা এটি চালিয়ে নেবে। তার ওপর সরকারের তত্ত্বাবধান তো আছেই। ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারির সার্কুলারে কার কী দায়িত্ব, সেটা বণ্টন করা আছে। সেখানে কমিউনিটি গ্রুপ বা সমর্থক গ্রুপেরও কিছু দায়িত্বের কথা বলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা নিজেদের কাজ মনে করে গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মোটের ওপর স্থানীয় ব্যক্তিদের নিবিড় সম্পৃক্ততা ছাড়া এ ক্লিনিকগুলো ভালোভাবে চালানো সম্ভব নয়।
মো. খায়রুল ইসলাম
সরকার কীভাবে কমিউনিটি ক্লিনিককে দেখবে, সেটি একটি বিষয়। শুধু দু-একজনকে দু-এক মাস প্রশিক্ষণ দিয়ে ছেড়ে দিলে খুব ভালো চলবে, তা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি বলছেন, কমিউনিটি গ্রুপ ব্যবস্থাপনা করবে। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারী, স্বাস্থ্য সহকারী, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার—তাঁরা যদি অফিসে না যান, তাহলে কমিউনিটি গ্রুপ কী ব্যবস্থা তাঁদের বিরুদ্ধে নেবে? তাদের কী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে? কোথায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে? বা তাঁর কথায় কি বেতন কাটা যাবে?
প্রতিটি ক্লিনিক মেরামত বাবদ বছরে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। যেটি ভালো আছে, তার জন্য ৮০ হাজার; যেটি ধসে গেছে, তার জন্যও ৮০ হাজার। আমি সুপারিশ করি, পরবর্তী অর্থ বরাদ্দের সময় ৮০ হাজার টাকা যেন কমিউনিটি গ্রুপকে দেওয়া হয়।
দ্বিতীয়ত বলব, বাড়ি পরিদর্শন ২০০৭ সালে ছিল ২১ শতাংশ। এখন হয়েছে ১৫ শতাংশ। এর কারণ কী? আগে গ্রামীণ স্বাস্থ্যের যে সূচক ছিল, তার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। পরিবার পরিকল্পনা থেকে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার গুরুত্বের কথা সব সময় বলা হয়েছে। কিন্তু এখন বাড়ি বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ অনেক কমে গেছে, কিন্তু মানুষের সেবা গ্রহণ কমেনি। এ বিষয়গুলো আমাদের ভাবতে হবে।
কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি ভালো দিক হলো ওষুধ নিয়ে সবার মাধ্যে সন্তোষ আছে। সবাই প্রয়োজনমতো ওষুধ পাচ্ছে। কিন্তু ক্ষতিকর দিক হলো, বাংলাদেশে ওষুধের মুদি দোকান আছে দুই লাখ ৫০ হাজার। তার অর্ধেক হয়তো শহরে; অর্ধেক গ্রামে। এগুলোকে মুদি দোকানের বেশি বলা যাবে না। কারণ, কোনো ধরনের প্রশিক্ষিত লোক দিয়ে এ দোকানগুলো পরিচালনা করা হয় না।
সৈয়দ আবু জাফর মো. মুসা
আমাদের ভাবনা ছিল ছোট অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো। বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যবস্থায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক কাজ। একটি প্রশ্ন এসেছে, বাড়ি পরিদর্শন আগের তুলনায় কমে গেছে, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সূচক ঠিক আছে। এটি এমন হতে পারে যে আগে আমরা যার কাছে যেতাম, সেই মানুষ এখন আমাদের কাছে আসে।
আরও একটি প্রশ্ন আসছে যে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা ওষুধ দিতে পারেন কি না, তাঁরা সম্পূর্ণ উপযুক্ত, সেটি বলা যাবে না। তবে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দিনে দিনে তাঁরা অনেক দক্ষ হয়ে উঠবেন। তার পরও এ বিষয় ভেবে দেখতে হবে। হাসপাতালে রেফার করা রোগী চিকিৎসা করার মতো তাঁদের দক্ষতা-যোগ্যতা আছে কি না, তা ভেবে দেখতে হবে। এসব রোগী সঠিক চিকিৎসা না পেলে আবার আশাহত হবে।
আনোয়ার হোসেন সিকদার
১৯৯৮ সাল থেকে প্ল্যান বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে কাজ করে আসছে। ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দুটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, একটি হলো গাজীপুরে স্থানীয় চেয়ারম্যান তাঁর ফান্ডের অর্থে একটি রাস্তা করে দিয়েছেন। ফলে খুব সহজেই মানুষ ক্লিনিকে আসা-যাওয়া করতে পারে। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ২৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে আসবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। যদি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদকে সম্পৃক্ত করতে পারি তাহলে এটি টেকসই হবে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে আমরা যুক্ত থাকব।
শেহলীনা আহমেদ
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ধারণা অসাধারণ। কোনো কোনো জায়গায় কমিউনিটি ক্লিনিক সফল, কোনো কোনো জায়গায় বিফল। যেখানে সফল, সেখানে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, পেছন থেকে তৃতীয় কোনো পক্ষ কাজ করেছে। সব পক্ষকে সমন্বয় করার জন্য কোনো এনজিওর ভূমিকা রাখা যেতে পারে। কমিউনিটি ক্লিনিক হওয়ার পর বাড়ি বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ যে কমে আসবে, এটি স্বাভাবিক। কারণ,
মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। তারা নিজেরাই এগিয়ে এসেছে। কমিউনিটি ক্লিনিক নামটি বিদেশি। এর কোনো বাংলা নাম রাখা যায় কি না, সেদিকে ভাবার জন্য অনুরোধ করছি।
মোহাম্মদ শরীফ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। বড় শহরগুলো নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। আমাদের জনবল আছে। তা-ই দিয়ে ঢাকা শহরের বাড়ি বাড়ি কাজ করা শুরু করেছি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ছাড়া দেশের সব গর্ভবতী নারীর তালিকা তৈরি করেছি মোবাইল নম্বরসহ।
সাত মাস আগে সে সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৯৬ হাজার। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে সামনের দিনগুলো অনেক ভালো হবে। আমাদের চিকিৎসকের সমস্যা রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় একজন করে চিকিৎসক দিতে পারলে রেফারেল রোগী দেখা সম্ভব হতো এবং আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হতো।
মো. ইফতেখার হাসান খান
আমি কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের ল্যাপটপ ও মডেম থাকার প্রস্তাব করছি, যাতে তাঁরা বিশেষ বিশেষ সময় ল্যাপটপের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে রোগীক সেবা দিতে পারেন।
ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে রেফারেল রোগীদের সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারি। অর্থাৎ তাকে গ্রহণ করার কতক্ষণ পর সেবা দেওয়া শুরু হলো, সে বিষয় মনিটর করা যায়। এফডব্লিউসি নামের গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার একটি কাঠামো আছে। চিকিৎসকদের দুই বছরের ইন্টার্নশিপ হওয়া উচিত। প্রস্তাব হলে এক বছর বিএমডিসিতে ইন্টার্নির পর প্রাইমারি রেজিস্ট্রেশন হবে।
দ্বিতীয় বছর তাঁকে ইন্টার্নি করতে হবে এফডব্লিউসি ও কমিউনিটি ক্লিনিকে। চিকিৎসকেরা গ্রামে থাকতে চান না। যদি শুরুতে ইন্টার্নশিপের নিয়মে উল্লেখ থাকে যে তাঁকে এক বছর গ্রামীণ মানুষের সেবা দিতে হবে, তাহলে ভালো হয়। এক বছর সেবা দেওয়ার পর স্থানীয় ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সনদ আনতে হবে। এভাবে কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিপ্লব এনে দেওয়া যেতে পারে।
মো. রাজ্জাকুল আলম
কমিউনিটি ক্লিনিক বলতে ঠিক এ মুহূর্তে আমাদের চোখের সামনে যা ভেসে ওঠে তা হচ্ছে, গ্রামীণ নারীরা শিশুদের কোলে নিয়ে লাইন ধরে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। গর্ভবতীরা চিকিৎসাসেবা নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখেফিরে যাচ্ছেন। এটাই হচ্ছে অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমান চিত্র। বর্তমান এ ইতিবাচক চিত্র ধরে রাখতে হলে যা করতে হবে বলেআমি মনে করি তা হচ্ছে, কমিউনিটি ক্লিনিক আমাদেরই ক্লিনিক—এ ধারণা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি কমিউনিটি গ্রুপের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি গ্রুপ, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীদের সঙ্গে নবনিযুক্ত সিএইচসিপিদের সমন্বয় রেখে কাজ করা। এ ছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতে পারেন।
কে এম আজাদ
কমিউনিটি ক্লিনিকের দ্বিতীয় পর্যায় থেকে আজ পর্যন্ত এর সঙ্গে আছি। কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে জবাবদিহিসহ বিভিন্ন প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে বলব, কমিউনিটি ক্লিনিক কীভাবে পরিচালিত হবে, তার জন্য একটি সহায়িকা আছে এবং সেখানে সব বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে। অতএব, সহায়িকা অনুসরণ করলে এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেওয়ার কথা নয়। যেমন, কমিউনিটি ক্লিনিকের যে ওষুধের রেজিস্ট্রার আছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওষুধ গ্রহণের সময় কমিউনিটি গ্রুপের সভাপতি সেখানে স্বাক্ষর করবেন। সিএইচসিপিরা কীভাবে ছুটিতে আছেন, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা আছে। সংশোধিত ডিপিপিতে ক্লিনিকের মেরামত খরচের সঙ্গে কমিউনিটি গ্রুপকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
কর্মকর্তা, কর্মচারী, কমিউনিটি গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষ যখন মনে করবে, এটি তাদের ক্লিনিক, কেবল তখনই এটি টেকসই হবে।
মাখদুমা নার্গিস
কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিচালনার জন্য সরকারি, বেসরকারি ও দাতা—সব পক্ষের সঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনা করে সহায়িকা তৈরি করা হয়েছে। এতে কমিউনিটি গ্রুপসহ সব পক্ষের দায়-দায়িত্ব বিস্তারিতভাবে বলা আছে। এটা অনুসরণ করলে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার ক্ষেত্রে এখন আর কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যাপারে বলা আছে, মাসে কমিউনিটি গ্রুপের একটা মিটিং হবে। সে মিটিংয়ে তারা ক্লিনিকে সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলাসহ যেকোনো বিষয়ে অভিযোগ আনতে পারবে। তারা এটি ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল অফিসারের কাছে জানাবেন।
মেডিকেল অফিসার তাঁর ওপরে জানাবেন। এভাবে প্রশাসনিক কাজ চলবে। কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণের সামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিলেই পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জিত হবে না। এর সঙ্গে নারীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিশুমৃত্যুর হার, পুষ্টি, পরিবারে তাঁর ক্ষমতায়ন—অনেক কিছু জড়িত। লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কমিউনিটি ক্লিনিকের কাজকেও পরিবার পরিকল্পনার কাজ মনে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শেষ ভাবনা হওয়া উচিত, সবাই সরকারের লোক। সরকারের যেকোনো কাজ সবাই একসঙ্গে করব।
সাংবাদিকদের অভিনন্দন জানাই যে তাঁরা মাঝেমধ্যে আমাদের সমস্যাগুলো ধরিয়ে দিতে পারেন। আমাদের পক্ষে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না। যখনই কোনো সমস্যার খবর দেখি, তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট জায়গায় ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করি। তবে দেশের অনেক ক্লিনিকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে মায়েরা সেবা নিচ্ছেন। সে খবরও যদি আপনারা দেন, তাহলে আমরা উৎসাহিত হই।
কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধের কোনো অভাব নেই। প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। এ ওষুধ কোনোভাবে যাতে বাইরে বিক্রি হতে না পারে, সে জন্য ওষুধের গায়ে লাল-সবুজের চিহ্ন দেওয়া আছে।
আ ফ ম রুহুল হক
জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে থাইল্যান্ড গিয়ে বলেন, বাংলাদেশে গিয়ে দেখো, কীভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রমে সফল হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় স্বীকৃতি। পত্রিকা, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে শুনতে পাই, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মানুষের জন্য কিছু কাজ করেছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সাধারণ মানুষ যতটা আশা করছে, সেটা হয়তো করতে পারছি না। কিন্তু সঠিক পথেই আছি। এই সাড়ে তিন বছরে অনেক কিছু জানতে হয়েছে। জেলা-উপজেলার হাসপাতালকে ভালো করতে চাইছি। ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ভালো করতে চাচ্ছি।
কমিউনিটি ক্লিনিকের লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। সঙ্গে যদি মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু রোধসহ স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী ঘটনা ঘটবে। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। প্রাথমিক চিকিৎসায় লক্ষ্যমাত্রা এসে গেছে। পরিবার পরিকল্পনায় সাড়ে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ করতে পারলে এ ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হবে। পত্রপত্রিকায় গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। আমরা সে ব্যাপারে কাজ করব। আমি ব্যক্তিগতভাবে পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কোনো খবর দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সেটা সমাধান করার উদ্যোগ নিই।
আব্দুল কাইয়ুম
আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আ ফ ম রুহুলহক
মন্ত্রী, স্বাস্থ্যও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
মুহম্মদ হুমায়ুন কবির
সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্যও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়
মাখদুমা নার্গিস
অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক, রিভাইটালাইজেশন অবকমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ (কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প)
খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ
মহাপরিচালক, স্বাস্থ্যঅধিদপ্তর
গণেশ চন্দ্র সরকার
আইইএম অ্যান্ড লাইন ডাইরেক্টর আইইসি মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
আনোয়ার হোসেন সিকদার
ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্ল্যান বাংলাদেশ
সেলিনা আমিন
কান্ট্রি প্রজেক্টস ম্যানেজার, প্ল্যান বাংলাদেশ
সৈয়দ আবু জাফর মো. মুসা
পরিচালক প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরিচর্যা ও লাইন ডাইরেক্টর, এমএনসি অ্যান্ড এএইচ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
মোহাম্মদ শরীফ
পরিচালক এমসিএইচ সার্ভিসেস ও লাইন ডাইরেক্টর, এমসিআরএএইচ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
কে এম আজাদ
ডিপিএম কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কমিউনিকেশন অফিসার, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প
মোমেনা খাতুন
স্বাস্থ্যউপদেষ্টা
মো. খায়রুলইসলাম
কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, ওয়াটার এইড বাংলাদেশ
শেহলীনা আহমেদ
স্বাস্থ্যও জনসংখ্যাবিষয়ক উপদেষ্টা, ডিএফআইডি
মো. ইফতেখার হাসান খান
স্বাস্থ্যউপদেষ্টা, প্ল্যান বাংলাদেশ
মো. রাজ্জাকুলআলম
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্ল্যান বাংলাদেশ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম: যুগ্ম সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সফল হলে স্বাস্থ্যসেবা এগিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমে কিছু অসংগতি তুলে ধরা হয়েছিল। তিন মাস পর আবার আমাদের প্রতিবেদকেরা কয়েকটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখেন, সেখানে সময়মতো চিকিৎসক আসেননি। রোগীরা সেবা পাচ্ছে না। আজ এই আলোচনা করার আগে মহেশখালী, সিলেট, বরগুনা, রংপুরসহ কয়েকটি জায়গায় খোঁজ নিয়ে প্রায় আগের চিত্রই পাওয়া গেছে। তবে একটি ভালো খবর হচ্ছে, এই অবস্থার পরও রোগীরা আসছে। এখন সেলিনা আমিনের কাছ থেকে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে তাঁদের অভিজ্ঞতা শুনব।
সেলিনা আমিন
প্ল্যান বাংলাদেশ ১৪ বছর ধরে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে কাজ করছে। প্রচলিত প্রথার মাধ্যমে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। স্থানীয় লোকজনকে সম্পৃক্ত করে এমনভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিলাম যে পরবর্তী সময়ে স্থানীয় লোকজনই এটিকে পরিচালনা করার সক্ষমতা অর্জন করে। প্রথম পর্যায়ে আটটি, দ্বিতীয় ধাপে ১৮টি এবং সবশেষে ৪৪টি পর্যন্ত ক্লিনিক তারা চালিয়ে নিতে পারছে। এখন আমরা এক হাজার কমিউনিটি গ্রুপকে দক্ষ করার ব্যবস্থা করছি। এর মধ্যে ৪৫০টির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন তারা সময়মতো ক্লিনিক খোলা, ওষুধ সরবরাহসহ অন্যান্য কার্যক্রম ভালোভাবে করছে। প্ল্যান বাংলাদেশ গাজীপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। এ বছর শুরু হবে বরগুনায়। আমাদের প্রত্যয় হচ্ছে, আপনাদের উৎসাহ সহযোগিতা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।
আব্দুল কাইয়ুম
প্ল্যান বাংলাদেশের সেলিনা আমিনের কাছ থেকে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা ও কমিউনিটি ক্লিনিকের বিষয়ে কথা শুনলাম। এবার বলবেন হুমায়ুন কবির।
মুহম্মদ হুমায়ুন কবির
প্ল্যান বাংলাদেশ কমিউনিটি গ্রুপ তৈরি করেছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে এটি একটি ভালো দিক। কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) থাকার কথা। সিএইচসিপি নিয়োগে আমাদের কিছু সময় লেগেছে। দেরি হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। এ জন্য তিন দিন বসবেন স্বাস্থ্য সহকারী এবং তিন দিন বসবেন পরিবার কল্যাণ সহকারী, যাতে চিকিৎসাসেবা বাধাগ্রস্ত না হয়। কিন্তু সিএইচসিপিদের এখন প্রশিক্ষণ থাকায় ক্লিনিকে উপস্থিতিতে ঘাটতি রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়টিতে আমরা গুরুত্ব দিতে চাই। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততায় চললে এটি টেকসই হবে। কারণ, এখানে জামি দেয় একজন, অন্যরা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে। তাই টেকসই কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জরুরি।
কেন্দ্র থেকে পরিচালনা করলে টেকসই হবে না। এমন অনেক দুর্গম এলাকা আছে, যেখানে কেন্দ্রীয়ভাবে তত্ত্বাবধান করা সম্ভব নয়। প্ল্যান বাংলাদেশ যেভাবে কমিউনিটি গ্রুপ তৈরি করেছে, সেটা বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরাও এভাবেই কাজটি এগিয়ে নিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে কমিউনিটিকেন্দ্রিক কমিউনিটি গ্রুপগুলোকে কার্যকর করা। কমিউনিটি গ্রুপগুলো কার্যকর হলেই জবাবদিহি আসবে। এ ক্ষেত্রে যাঁরা সরকারি কর্মচারী আছেন, তাঁরাই কমিউনিটি ক্লিনিকের খোঁজখবর রাখবেন এবং কে কোথায় আছেন, প্রশ্ন করবেন। অনেকগুলো কমিউনিটি ক্লিনিক আমি পরিদর্শন করেছি। কিছুদিন আগে একটায় ভিজিটে যাই। সেখানে দেখা যায় ক্লিনিকে একজন আছেন, একজন নেই। তখন আমি আশপাশের মানুষকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা খোলা থাকে কি না; ওষুধপত্র পাওয়া যায় কি না। তারা খোলা থাকা এবং ওষুধপ্রাপ্তির ব্যাপারে ইতিবাচক উত্তর দেয়। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ওষুধপত্র সবকিছু সরবরাহ করা হবে। সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেখাশোনা করবেন। সঙ্গে সঙ্গে কমিউনিটি গ্রুপগুলো কর্যকর থাকবে। স্থানীয়ভাবে যারা জমি ও অন্যান্য সেবা দিয়েছে, তাদের সম্পৃক্ত করতে পারলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা টেকসই হবে।
ঠিকমতো ওষুধ দিতে পারলে এবং কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডারদের প্রশিক্ষণ শেষ হলে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া যাবে। এটা ঠিক যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্তিমিত হয়ে পড়েছিল। একটু সময় লাগলেও আবার পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। আরও একটি ভালো খবর হলো, কোনো কোনো ক্লিনিকে নিজেদের উদ্যোগে স্বাভাবিক প্রসব করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুধু প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নয়, আমরা পুষ্টিসেবাও দেব। এখন অনেকগুলো ক্লিনিক থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণের সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সম্ভাবনা যে বিশাল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হয়তো কিছু ক্লিনিকে অনুপস্থিতি আছে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের কারণেও এটা হচ্ছে। এসব কিছু সমাধান করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মাখদুমা নার্গিস
কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। ২০০১ সালের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৭২৩টি ক্লিনিক তৈরি হয়েছে। সে সময় এর মধ্যে আট হাজার ক্লিনিক চালু ছিল। পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তন হয় এবং এগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সাত বছর বন্ধ থাকায় এগুলোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এবার কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (নতুন জনবল) নিয়োগ করা হয়েছে। অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এককথায়, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশের ৪২৩টি উপজেলায় সিএইচসিপিদের প্রশিক্ষণ চলছে। এটি তিন মাসের প্রশিক্ষণ। এ প্রশিক্ষণের ফলে তৃণমূল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা (ম্যানুয়াল) নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সবাই এটিকে ভালো বলে মত দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তিন দিন এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে তিন দিন করে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় সেবা দেওয়া হবে। এর মধ্যে তাদের নিজস্ব প্রশিক্ষণ থাকায় অনেক সময় অনুপস্থিত থাকতে হয়। তার পরও বলা যাবে না যে ঠিকভাবে অফিস করছেন। বাংলাদেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয়েছে খুব সাধারণ মানুষের জায়গায়।
এ ক্ষেত্রে বিত্তবানদের অংশগ্রহণ খুবই কম। এসব লোকজন নিয়েই আমরা কমিউনিটি গ্রুপ করেছি। এ গ্রুপে স্থানীয় ইউপি সদস্য সভাপতি, জমিদানকারী সহসভাপতি, দরিদ্র ও প্রান্তিক নারীদের অংশগ্রহণ এমনকি একজন ভূমিহীন নারীও থাকবেন। তাঁরা সেবাদানকারীদের সময়মতো ক্লিনিকে উপস্থিতিসহ ওষুধ সরবরাহ, হিসাবপত্র ও যাবতীয় বিষয় দেখাশোনা করবেন। এ জন্য কমিউনিটি গ্রুপগুলো খুব শক্তিশালী করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক না থাকলে তাঁরা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন না। কমিউনিটি গ্রুপগুলোর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর (এনজিও) সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে।
ভবিষ্যতে প্রতিটি ক্লিনিকের সঙ্গে নতুন কক্ষ তৈরি করে নিরাপদ প্রসব করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কাজ করতে গিয়ে আমাদের ভুলত্রুটি থাকবে। গণমাধ্যম সেটা ধরিয়ে দেবে। আজ প্রথম আলোর সংবাদ দেখে আমি সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের ফোন করেছি। তাঁরা বলেছেন, আর্সেনিক প্রোগ্রাম থাকায় স্বাস্থ্য সহকারী ক্লিনিকের বাইরে আছেন। তাঁদের বলেছি, কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, তা লিখে মোবাইল নম্বর ক্লিনিকের সামনে টাঙিয়ে রাখতে। ফোন করলেও জানা যাবে, তাঁরা কোথায় আছেন। তবে সিএইচসিপিরা প্রশিক্ষণ শেষে কাজে যোগ দিলে এ অবস্থা থাকবে না। এখন ৪২৩টি উপজেলায় প্রশিক্ষণ হচ্ছে। আপনারা আমাদের এ প্রশিক্ষণগুলো দেখেন। তাহলে আমাদের প্রচেষ্টা সম্পর্কে ধারণা করতে পারবেন।
আব্দুল কাইয়ুম
শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর সার্বিক অবস্থা তুলে ধরলেন মাখদুমা নার্গিস। এখন বলবেন মন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক।
আ ফ ম রুহুল হক
আজ বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সফল নাম। দেশে ১০ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। তার মধ্যে হয়তো ১০০টির সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। সংবাদপত্রগুলো কেবল যেগুলোর সেবার মান খারাপ, সেগুলোর সংবাদ প্রকাশ করে। এতে মনে করার কোনো কারণ নেই যে দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবার মান খারাপ। সংবাদপত্রের সমালোচনাকে সমর্থন করি। কারণ, এর মাধ্যমে অনেক সময় দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকি। কিন্তু কিছু সংবাদ কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
মন্ত্রণালয় থেকে দুর্বলতাগুলো স্বীকার করা হয়। যদি বলি, জেলা-উপজেলার সব হাসপাতাল সঠিকভাবে চলছে, সব কমিউনিটি ক্লিনিক সঠিকভাবে চলছে, এটা সত্য বলা হবে না এবং এ কথা কেউ গ্রহণ করবে না। তবে প্রধানমন্ত্রীও আমাদের সবার প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রামীণ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। প্ল্যান বাংলাদেশসহ আপনারা যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা জানেন এবং আমরাও জানি, যেখানে স্থানীয় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে, সেখানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ভালো চলছে। কারণ, তাঁরা প্রতিদিন ক্লিনিকগুলোর বিভিন্ন বিষয় দেখাশোনা করছেন।
বঙ্গবন্ধু এই স্বপ্ন দেখেছিলেন, কোনো কিছুকে টেকসই করতে হলে সেখানে স্থানীয় জনসাধারণের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। মাঝেমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিকে বক্তৃতা করি। তখন এলাকার মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করি, এই ক্লিনিক আপনাদের। আপনারা এর মালিক। আপনারা এটিকে দেখেশুনে রাখবেন। এলাকার মানুষ যখন এটি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে, তখন ক্লিনিকটি টেকসই হয়। তবে এখানে আপনারা জানেন যে কেউ কাজ করছে, কেউ করছে না। কেউ উপস্থিত, কেউ অনুপস্থিত। মাঝেমধ্যে জিনিসপত্র চুরি হচ্ছে। এগুলো সবই সমস্যার অংশ। যত দ্রুত সম্ভব সমস্যাগুলো অতিক্রম করতে হবে। সবশেষে আমাদের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে কি না, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যেতে পেরেছি কি না, এ বিষয়ে আপনারা যতই সমালোচনা করেন, বলব যে এ ক্ষেত্রে অনেকাংশেই সফল হয়েছি।
যতটুকু অপূর্ণতা, সেটাকে কীভাবে সমাধান করা যায়, সে ব্যাপারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা আশা করি। বিগত সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। এ সময় আমার দেখামতে, প্ল্যান বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং গ্রামের লোকজনের তত্ত্বাবধানে গাজীপুরে একটি ক্লিনিক খোলা ছিল। শুধু যে খোলা ছিল তা-ই নয়, সেখানে রোগীকে প্রসব করানো হতো। এভাবে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রমাণিত হয় যে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। বিদেশে বক্তৃতা করার সময় একটি কথা বলি, সাইক্লোন, বন্যা, শীত, জলোচ্ছ্বাসসহ বড় বড় দুর্যোগের সময় বাংলাদেশের মানুষ একে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে আসে। বাংলাদেশে সিডরের কাছাকাছি সময় হাইতিতে ঝড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে যায় এবং সেখানে লুটপাট শুরু হয়। বিদেশিদের বলেছি, দেখ, আমাদের মানুষ কীভাবে বিপদে মানুষকে সাহায্য করে। স্বীকার করি, কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু বহুলাংশে কমিউনিটি ক্লিনিক সাফল্য অর্জন করেছে।
আগে কর্মীদের কোনো বসার জায়গা ছিল না। এখন সে সমস্যার সমাধান হয়েছে। তারা এখানে বসে তাদের কাজকর্ম ঠিক করে নিতে পারছে। ফলে বাড়ি বাড়ি যাওয়ায় তাদের আরও বেশি সুবিধা হচ্ছে। তা ছাড়া কর্মপরিকল্পনায় পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বাস্থ্য সহকারীদের কে কয় দিন বাড়ি বাড়ি যাবে, সে বিষয়ে বলা আছে। অতএব, বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ কমবে—এই আশঙ্কা ঠিক নয়।
খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ
কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা অবশ্যই জরুরি। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছে। এটা প্রায় নিশ্চিত যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ না থাকলে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্থায়িত্ব থাকবে না। দেশের কয়েক জায়গায় কয়েকটি ক্লিনিক ভালো চলতে দেখেছি। কারণ, সেখানে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা আছে।
কোনো মানুষ যখন চেয়ার, টেবিল, ফ্যান ইত্যাদি কিনে দেয়, তখন সে একধরনের একাত্মবোধ অনুভব করে। ফলে তারা এর ভালোমন্দ দিকগুলো দেখাশোনা করে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় ২৮ প্রকার ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। মনে করি, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এখন স্থায়ীভাবে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ দেওয়ার ফলে সেবার মান আরও বেড়ে যাবে।
কমিউনিটি ক্লিনিকের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো, এখান থেকে গ্রামীণ সাধারণ মানুষ সেবা পাওয়ায় জেলা-উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাপ কমবে। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা নিয়েছে তিন কোটি ৫৯ লাখ সাধারণ মানুষ। ছয় লাখ রোগীকে সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এগুলো আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে।
রকফেলার ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ‘লো কস্ট গুড হেলথ’ নামের একটি ডকুমেন্টারি করেছে। সেখানে তারা পৃথিবীকে দেখিয়েছে, বাংলাদেশ কীভাবে স্বল্প ব্যয়ে ভালো স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। সংবাদপত্রের সমালোচনাকে আমরা স্বাগত জানাই। দোষত্রুটি ধরে না দিলে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব না।
গণেশ চন্দ্র সরকার
কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর উদ্দেশ্য ছিল, এখান থেকে প্রাথমিক সেবা পাবে এবং রেফারেল পদ্ধতি থাকবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে এখানে তিন দিন পরিবার কল্যাণ সহকারী, তিন দিন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ করবেন। কিন্তু দেশে স্বাস্থ্যসেবার জন্য মানুষ হাসপাতালে এলেও পরিবার পরিকল্পনাসেবার জন্য এখনো হাসপাতালে আসতে চায় না। এ বিষয়ে তারা বাড়িতে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এ কারণে তিন দিন পরিবার কল্যাণ সহকারী দিয়ে কতটুকু কাজ করা সম্ভব, সেটি একটি প্রশ্ন।
১৯৭৫ সালে এ খাতে যে জনবল ছিল, তা আর বাড়েনি। আজ জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। আগের জনবল দিয়ে এখন সেবা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একজন কর্মী একবার কোনো বাড়িতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার যেতে তাঁর এক বছর সময় লাগবে। এ ক্ষেত্রে কীভাবে মানুষ সেবা পাবে, তাদের নানা রকম অভিযোগ থাকবে। এভাবে কত দিনই বা চলতে পারে। স্বাস্থ্যকর্মী কিন্তু কেন্দ্রে বসে সেবাটি দিতে পারেন। পরিবার পরিকল্পনাকর্মী সেটা পারেন না। কারণ, তাঁকে বাড়ি বাড়ি যেতে হয়।
মোমেনা খাতুন
সবাই এখানে কমিউনিটি গ্রুপকে শক্তিশালী করার কথা বলেছেন। আরও বলেছেন সমর্থক (সাপোর্ট) গ্রুপের কথা। এ দুই বিষয়ের প্রতি আমারও দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, যেখানে কমিউনিটি গ্রুপ শক্তিশালী, সেখানে এ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো খুব সফলতার সঙ্গে চলেছে। যেমন, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর কথা বলা যায়। স্থানীয় মানুষকে কমিউনিটি গ্রুপ বোঝাবে যে এ ক্লিনিকগুলো তাদেরই। তাহলে তারা নিজেরাই এর ভালো-মন্দ—সব দিক দেখবে। আমাদের একটি স্লোগান ছিল, আমাদের স্বাস্থ্য আমাদের হাতেই। সবাইকে এ স্লোগানের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।
কমিউনিটি গ্রুপগুলোকে মালিকানার ধারণা দিলে তারা এটি চালিয়ে নেবে। তার ওপর সরকারের তত্ত্বাবধান তো আছেই। ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারির সার্কুলারে কার কী দায়িত্ব, সেটা বণ্টন করা আছে। সেখানে কমিউনিটি গ্রুপ বা সমর্থক গ্রুপেরও কিছু দায়িত্বের কথা বলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা নিজেদের কাজ মনে করে গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মোটের ওপর স্থানীয় ব্যক্তিদের নিবিড় সম্পৃক্ততা ছাড়া এ ক্লিনিকগুলো ভালোভাবে চালানো সম্ভব নয়।
মো. খায়রুল ইসলাম
সরকার কীভাবে কমিউনিটি ক্লিনিককে দেখবে, সেটি একটি বিষয়। শুধু দু-একজনকে দু-এক মাস প্রশিক্ষণ দিয়ে ছেড়ে দিলে খুব ভালো চলবে, তা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি বলছেন, কমিউনিটি গ্রুপ ব্যবস্থাপনা করবে। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারী, স্বাস্থ্য সহকারী, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার—তাঁরা যদি অফিসে না যান, তাহলে কমিউনিটি গ্রুপ কী ব্যবস্থা তাঁদের বিরুদ্ধে নেবে? তাদের কী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে? কোথায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে? বা তাঁর কথায় কি বেতন কাটা যাবে?
প্রতিটি ক্লিনিক মেরামত বাবদ বছরে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। যেটি ভালো আছে, তার জন্য ৮০ হাজার; যেটি ধসে গেছে, তার জন্যও ৮০ হাজার। আমি সুপারিশ করি, পরবর্তী অর্থ বরাদ্দের সময় ৮০ হাজার টাকা যেন কমিউনিটি গ্রুপকে দেওয়া হয়।
দ্বিতীয়ত বলব, বাড়ি পরিদর্শন ২০০৭ সালে ছিল ২১ শতাংশ। এখন হয়েছে ১৫ শতাংশ। এর কারণ কী? আগে গ্রামীণ স্বাস্থ্যের যে সূচক ছিল, তার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। পরিবার পরিকল্পনা থেকে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার গুরুত্বের কথা সব সময় বলা হয়েছে। কিন্তু এখন বাড়ি বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ অনেক কমে গেছে, কিন্তু মানুষের সেবা গ্রহণ কমেনি। এ বিষয়গুলো আমাদের ভাবতে হবে।
কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি ভালো দিক হলো ওষুধ নিয়ে সবার মাধ্যে সন্তোষ আছে। সবাই প্রয়োজনমতো ওষুধ পাচ্ছে। কিন্তু ক্ষতিকর দিক হলো, বাংলাদেশে ওষুধের মুদি দোকান আছে দুই লাখ ৫০ হাজার। তার অর্ধেক হয়তো শহরে; অর্ধেক গ্রামে। এগুলোকে মুদি দোকানের বেশি বলা যাবে না। কারণ, কোনো ধরনের প্রশিক্ষিত লোক দিয়ে এ দোকানগুলো পরিচালনা করা হয় না।
সৈয়দ আবু জাফর মো. মুসা
আমাদের ভাবনা ছিল ছোট অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো। বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যবস্থায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক কাজ। একটি প্রশ্ন এসেছে, বাড়ি পরিদর্শন আগের তুলনায় কমে গেছে, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সূচক ঠিক আছে। এটি এমন হতে পারে যে আগে আমরা যার কাছে যেতাম, সেই মানুষ এখন আমাদের কাছে আসে।
আরও একটি প্রশ্ন আসছে যে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা ওষুধ দিতে পারেন কি না, তাঁরা সম্পূর্ণ উপযুক্ত, সেটি বলা যাবে না। তবে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দিনে দিনে তাঁরা অনেক দক্ষ হয়ে উঠবেন। তার পরও এ বিষয় ভেবে দেখতে হবে। হাসপাতালে রেফার করা রোগী চিকিৎসা করার মতো তাঁদের দক্ষতা-যোগ্যতা আছে কি না, তা ভেবে দেখতে হবে। এসব রোগী সঠিক চিকিৎসা না পেলে আবার আশাহত হবে।
আনোয়ার হোসেন সিকদার
১৯৯৮ সাল থেকে প্ল্যান বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে কাজ করে আসছে। ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দুটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই, একটি হলো গাজীপুরে স্থানীয় চেয়ারম্যান তাঁর ফান্ডের অর্থে একটি রাস্তা করে দিয়েছেন। ফলে খুব সহজেই মানুষ ক্লিনিকে আসা-যাওয়া করতে পারে। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ২৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে আসবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। যদি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদকে সম্পৃক্ত করতে পারি তাহলে এটি টেকসই হবে। সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে আমরা যুক্ত থাকব।
শেহলীনা আহমেদ
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ধারণা অসাধারণ। কোনো কোনো জায়গায় কমিউনিটি ক্লিনিক সফল, কোনো কোনো জায়গায় বিফল। যেখানে সফল, সেখানে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, পেছন থেকে তৃতীয় কোনো পক্ষ কাজ করেছে। সব পক্ষকে সমন্বয় করার জন্য কোনো এনজিওর ভূমিকা রাখা যেতে পারে। কমিউনিটি ক্লিনিক হওয়ার পর বাড়ি বাড়ি যাওয়ার পরিমাণ যে কমে আসবে, এটি স্বাভাবিক। কারণ,
মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। তারা নিজেরাই এগিয়ে এসেছে। কমিউনিটি ক্লিনিক নামটি বিদেশি। এর কোনো বাংলা নাম রাখা যায় কি না, সেদিকে ভাবার জন্য অনুরোধ করছি।
মোহাম্মদ শরীফ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। বড় শহরগুলো নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। আমাদের জনবল আছে। তা-ই দিয়ে ঢাকা শহরের বাড়ি বাড়ি কাজ করা শুরু করেছি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ছাড়া দেশের সব গর্ভবতী নারীর তালিকা তৈরি করেছি মোবাইল নম্বরসহ।
সাত মাস আগে সে সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৯৬ হাজার। তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে সামনের দিনগুলো অনেক ভালো হবে। আমাদের চিকিৎসকের সমস্যা রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয় একজন করে চিকিৎসক দিতে পারলে রেফারেল রোগী দেখা সম্ভব হতো এবং আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হতো।
মো. ইফতেখার হাসান খান
আমি কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের ল্যাপটপ ও মডেম থাকার প্রস্তাব করছি, যাতে তাঁরা বিশেষ বিশেষ সময় ল্যাপটপের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে রোগীক সেবা দিতে পারেন।
ফিঙ্গার প্রিন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে রেফারেল রোগীদের সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারি। অর্থাৎ তাকে গ্রহণ করার কতক্ষণ পর সেবা দেওয়া শুরু হলো, সে বিষয় মনিটর করা যায়। এফডব্লিউসি নামের গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার একটি কাঠামো আছে। চিকিৎসকদের দুই বছরের ইন্টার্নশিপ হওয়া উচিত। প্রস্তাব হলে এক বছর বিএমডিসিতে ইন্টার্নির পর প্রাইমারি রেজিস্ট্রেশন হবে।
দ্বিতীয় বছর তাঁকে ইন্টার্নি করতে হবে এফডব্লিউসি ও কমিউনিটি ক্লিনিকে। চিকিৎসকেরা গ্রামে থাকতে চান না। যদি শুরুতে ইন্টার্নশিপের নিয়মে উল্লেখ থাকে যে তাঁকে এক বছর গ্রামীণ মানুষের সেবা দিতে হবে, তাহলে ভালো হয়। এক বছর সেবা দেওয়ার পর স্থানীয় ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সনদ আনতে হবে। এভাবে কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিপ্লব এনে দেওয়া যেতে পারে।
মো. রাজ্জাকুল আলম
কমিউনিটি ক্লিনিক বলতে ঠিক এ মুহূর্তে আমাদের চোখের সামনে যা ভেসে ওঠে তা হচ্ছে, গ্রামীণ নারীরা শিশুদের কোলে নিয়ে লাইন ধরে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। গর্ভবতীরা চিকিৎসাসেবা নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখেফিরে যাচ্ছেন। এটাই হচ্ছে অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমান চিত্র। বর্তমান এ ইতিবাচক চিত্র ধরে রাখতে হলে যা করতে হবে বলেআমি মনে করি তা হচ্ছে, কমিউনিটি ক্লিনিক আমাদেরই ক্লিনিক—এ ধারণা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি কমিউনিটি গ্রুপের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি গ্রুপ, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীদের সঙ্গে নবনিযুক্ত সিএইচসিপিদের সমন্বয় রেখে কাজ করা। এ ছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতে পারেন।
কে এম আজাদ
কমিউনিটি ক্লিনিকের দ্বিতীয় পর্যায় থেকে আজ পর্যন্ত এর সঙ্গে আছি। কমিউনিটি ক্লিনিকের ক্ষেত্রে জবাবদিহিসহ বিভিন্ন প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে বলব, কমিউনিটি ক্লিনিক কীভাবে পরিচালিত হবে, তার জন্য একটি সহায়িকা আছে এবং সেখানে সব বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে। অতএব, সহায়িকা অনুসরণ করলে এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেওয়ার কথা নয়। যেমন, কমিউনিটি ক্লিনিকের যে ওষুধের রেজিস্ট্রার আছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ওষুধ গ্রহণের সময় কমিউনিটি গ্রুপের সভাপতি সেখানে স্বাক্ষর করবেন। সিএইচসিপিরা কীভাবে ছুটিতে আছেন, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা আছে। সংশোধিত ডিপিপিতে ক্লিনিকের মেরামত খরচের সঙ্গে কমিউনিটি গ্রুপকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
কর্মকর্তা, কর্মচারী, কমিউনিটি গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষ যখন মনে করবে, এটি তাদের ক্লিনিক, কেবল তখনই এটি টেকসই হবে।
মাখদুমা নার্গিস
কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিচালনার জন্য সরকারি, বেসরকারি ও দাতা—সব পক্ষের সঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনা করে সহায়িকা তৈরি করা হয়েছে। এতে কমিউনিটি গ্রুপসহ সব পক্ষের দায়-দায়িত্ব বিস্তারিতভাবে বলা আছে। এটা অনুসরণ করলে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনার ক্ষেত্রে এখন আর কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যাপারে বলা আছে, মাসে কমিউনিটি গ্রুপের একটা মিটিং হবে। সে মিটিংয়ে তারা ক্লিনিকে সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলাসহ যেকোনো বিষয়ে অভিযোগ আনতে পারবে। তারা এটি ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল অফিসারের কাছে জানাবেন।
মেডিকেল অফিসার তাঁর ওপরে জানাবেন। এভাবে প্রশাসনিক কাজ চলবে। কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণের সামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিলেই পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জিত হবে না। এর সঙ্গে নারীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিশুমৃত্যুর হার, পুষ্টি, পরিবারে তাঁর ক্ষমতায়ন—অনেক কিছু জড়িত। লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কমিউনিটি ক্লিনিকের কাজকেও পরিবার পরিকল্পনার কাজ মনে করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শেষ ভাবনা হওয়া উচিত, সবাই সরকারের লোক। সরকারের যেকোনো কাজ সবাই একসঙ্গে করব।
সাংবাদিকদের অভিনন্দন জানাই যে তাঁরা মাঝেমধ্যে আমাদের সমস্যাগুলো ধরিয়ে দিতে পারেন। আমাদের পক্ষে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না। যখনই কোনো সমস্যার খবর দেখি, তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট জায়গায় ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করি। তবে দেশের অনেক ক্লিনিকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে মায়েরা সেবা নিচ্ছেন। সে খবরও যদি আপনারা দেন, তাহলে আমরা উৎসাহিত হই।
কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধের কোনো অভাব নেই। প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। এ ওষুধ কোনোভাবে যাতে বাইরে বিক্রি হতে না পারে, সে জন্য ওষুধের গায়ে লাল-সবুজের চিহ্ন দেওয়া আছে।
আ ফ ম রুহুল হক
জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে থাইল্যান্ড গিয়ে বলেন, বাংলাদেশে গিয়ে দেখো, কীভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রমে সফল হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় স্বীকৃতি। পত্রিকা, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে শুনতে পাই, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মানুষের জন্য কিছু কাজ করেছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সাধারণ মানুষ যতটা আশা করছে, সেটা হয়তো করতে পারছি না। কিন্তু সঠিক পথেই আছি। এই সাড়ে তিন বছরে অনেক কিছু জানতে হয়েছে। জেলা-উপজেলার হাসপাতালকে ভালো করতে চাইছি। ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ভালো করতে চাচ্ছি।
কমিউনিটি ক্লিনিকের লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। সঙ্গে যদি মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু রোধসহ স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী ঘটনা ঘটবে। সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। প্রাথমিক চিকিৎসায় লক্ষ্যমাত্রা এসে গেছে। পরিবার পরিকল্পনায় সাড়ে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ করতে পারলে এ ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হবে। পত্রপত্রিকায় গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। আমরা সে ব্যাপারে কাজ করব। আমি ব্যক্তিগতভাবে পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কোনো খবর দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সেটা সমাধান করার উদ্যোগ নিই।
আব্দুল কাইয়ুম
আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ► 2026 (1767)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 23
(128)
- চারদিক-সম্প্রীতির অন্বেষায় জাদুঘর by মোহাম্মদ সিরা...
- প্রশাসনের নিরপেক্ষতা-সুশাসনের বেহাল অবস্থা by এ এম...
- বাঘা তেঁতুল-অবাধ তথ্যপ্রবাহ গবেষণালব্ধ জ্ঞান by সৈ...
- মেধা বিকাশের নির্দেশক নয় by লিও জেমস পেরেরা
- মত দ্বিমত-জিপিএ-৫ বৃদ্ধি ইতিবাচক লক্ষণ by এ এস এম ...
- অরণ্যে রোদন-আমাদের সবার মধ্যেই আছে জিনিয়াস by আনিস...
- শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে-ঢাবিতে সেশনজট
- স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ-কাঠামোর ক্ষমতা খর্ব করা কার স্বা...
- চারদিক-জননীর কাছে by মাহফুজ রহমান
- সন্ত্রাস-রোগ সারাতে রোগের পেছনের কারণও জানতে হবে b...
- প্রতিক্রিয়া-চলচ্চিত্রের দুর্দশার জন্য আসলে দায় কাদ...
- মন্দা-ইউরোপীয় ইউনিয়নে মহাসংকট by সুজিত চৌধুরী
- খোলা হাওয়া-এসএসসি পরীক্ষার ফল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের...
- সব পক্ষকে সংযত থাকতে হবে-হাসপাতালে গোলযোগ
- এখন প্রয়োজন গুণগত মানের উন্নতি-এসএসসি পরীক্ষার ফল
- এই দিনে-পটিয়ার কেলিশহর হত্যাকাণ্ড by আবদুর রাজ্জাক
- ছাত্রলীগ-আবেগ নয়, চাই অঙ্গীকার by মাহমুদুর রহমান ম...
- দিল্লির চিঠি-গণতন্ত্রের স্বার্থে বর্ণপ্রথার বিলোপ ...
- অর্থনীতি-সরকার, রাজস্ব বিভাগ ও করদাতা by সাজ্জাদ জহির
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বহু মানুষকে ব্যাংকের সেবার আওতায় ...
- ভারতের আশ্বাস কি নিছক আশ্বাস হয়ে থাকবে?-সীমান্তে ন...
- পারস্পরিক দোষারোপ কাম্য নয়-বিএনপির মহাসমাবেশ
- স্মরণ-সংগীতই ছিল যাঁর একমাত্র আরাধ্য by রাশেদুর রহমান
- বাজেট-বাস্তবসম্মত ও বাস্তবায়নযোগ্য বাজেটের প্রত্যা...
- তথ্যপ্রযুক্তি-শিল্পোদ্যোক্তাদের একীভূত প্ল্যাটফরম ...
- জ্বালানিসম্পদ-ভূগর্ভে কয়লা পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন কতট...
- রাজনীতি-আন্দোলন, যুদ্ধাপরাধ এবং বিএনপি by সৈয়দ বদর...
- যাত্রীসেবার মান বাড়ানোর বিকল্প নেই-বিআরটিসির নতুন বাস
- বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত কর...
- কালো অধ্যায় ভুলতে চায় আলজেরিয়া by মাহফুজার রহমান
- হতবাক ফয়সাল শাহজাদের গ্রাম by দাউদ ইসলাম
- উপকূলের তেল-গ্যাস, আগুন নিয়ে খেলা? by মো. ফারুক হোসেন
- ডেভিড ক্যামেরনের হয়ে ওঠা by মিজান মল্লিক
- যে নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে এত কিছু by সুমন কায়সার
- পামুকের জাদুঘর by আ আজিজ
- আমাদের রুশনারা by শামীম আজাদ
- বিলেতে বাঙালি এমপি by উজ্জ্বল মেহেদী
- স্মরণ-শওকত ওসমানের স্বপ্ন ও জননী by সোহরাব হাসান
- খোলা চোখে-কে এই ফয়সল? by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-পরিকল্পিত পরিবার সুখের বন্ধন by মুহাম্মদ আবদু...
- প্রতিক্রিয়া-তাহলে কেমন দুদক প্রয়োজন? by মশিউল আলম
- সাদাসিধে কথা-যারা এসএসসি দিয়েছে... by মুহম্মদ জাফর...
- সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ফল স্বাভাবিক নয়-রেকর্ডসংখ্যক প...
- খুনের গায়ে আইনের রক্ষাকবচ পরানো আর নয়-‘ক্রসফায়ার’-...
- চারদিক-সুন্দরবন ও মোহাম্মদ তোহা খান by খসরু চৌধুরী
- মুক্তিযুদ্ধ-হারিয়ে যাওয়া দলিল, তাড়িয়ে ফেরা ঘাতক by...
- কপোতাক্ষ-মধুমতীর তীর থেকে-বাণিজ্যের জঞ্জালে দূষিত ...
- তারুণ্য-অস্ত্র দেখে যায় চেনা... by ফারুক ওয়াসিফ
- গণমাধ্যম-সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সীমারেখা by মুহাম্...
- অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার-মেঘনা নদী দখল
- স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করুন-উপজেলা চেয়ারম্যান ও জ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আমার অনুজ বন্ধুর কথা by যতীন সরকার
- যুক্তি তর্ক গল্প-পরিবর্তন ও অচলায়তনের সহাবস্থান by...
- অভিমত ভিন্নমত
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-যৌন হয়রানির অভিযোগের সু...
- প্রশাসন যেখানে ধ্বংসের সহযোগী-দখলে বিপন্ন ভাওয়াল শ...
- প্রজাতন্ত্রের অর্থব্যবস্থার শৃঙ্খলা অটুট থাক-অর্থ ...
- বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজতে হবে
- আবার অগ্নিকাণ্ড, আবারও মৃত্যু
- চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে কালমেঘ by আলম শাইন
- আমি তোমায় ছাড়ব না মা by সাইফুল ইসলাম
- শহরবিলাস by রয়েল পাল
- এই সময়ে নজরুল by আশফাকুজ্জামান
- প্রতিটি দিনই নজরুলের জন্মদিন by জাহীদ রেজা নূর
- যৌবনের গান by কাজী নজরুল ইসলাম
- শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র অতি জরুরি by ড. তুহিন ওয়াদুদ
- পেশা-পরামর্শ-বিক্রয় ও বিপণন
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-তথ্যপ...
- শিক্ষক হতে চাইলে by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় পেশা গঠন by জাহিদ হাসান
- সদরে অন্তরে-চল্লিশ বছরেও শেষ হয়নি মুক্তির লড়াই by ...
- ইতিউতি-মূল্যস্ফীতি সংকট এখনো কাটেনি by আতাউস সামাদ
- মডেল জাতিসংঘ অধিবেশন, ঢাকা+২০-ঐ নূতনের কেতন ওড়ে.....
- এইচএসবিসি তরুণ উদ্যোক্তা পুরস্কার-উদ্যোক্তা হওয়ার ...
- কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়-নজরুলতীর্থে স্বাগত by আলত...
- পর্বত অভিযান-জীবনে একটা চ্যালেঞ্জ চাই by ইনাম আল হক
- হেলথ টিপস-শুঁটকি মাছের পুষ্টিগুণ by ফারহানা মোবিন
- ক্যানসার চিকিৎসা ও রেফারেল সিস্টেম by মমতাজ বেগম
- শিশুদের দাঁতকপাটি রোগ by প্রণব কুমার চৌধুরী
- ধান কাটার মৌসুম-চোখে যেন আঘাত না লাগে by এ কে খান
- এভারেস্ট-চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরল যে মেয়েটি...
- চলে গেলেন অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ
- খায়রুল কবীর খোকন ৪ দিনের রিমান্ডে
- এসইসির ধারা চ্যালেঞ্জ করে ২৩ পরিচালকের পাঁচটি রিট-...
- কমিউনিটি ক্লিনিক ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা
- চারদিক-ঐতিহ্যের বইমেলায় by সুচিত্রা সরকার
- শিক্ষা ক্যাডার-পৃথক কর্মকমিশন গঠন ও শঙ্কা by পুলক ...
- অভিমত-বাজেট ও সামরিক খাত by মাহবুবুর রহমান
- তবে কি পরীক্ষার দিন হরতাল নিষিদ্ধ করার সময় এসেছে?-...
- সংসদীয় কমিটি দায়িত্ব এড়াতে পারে না-মন্ত্রীদের প্রত...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলা-‘এনএসআইয়ের লোককে গ্রেপ্ত...
- বিনিয়োগ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে: মির্জ্জা আজিজ-জিডিপি প্...
- একক নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেই জাতীয় পার্টি by...
- ফুলবাড়ী-বড়পুকুরিয়ায় লিফলেট বিতরণ-এশিয়া এনার্জির বি...
- ম্যালেরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ ওষুধেই ভেজাল
- ঢাকার আদালতপাড়ায় ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলা
- শুল্ক বৈষম্যের কারণেই বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা
- সপ্তাহের হালচাল-কালোটাকায় পদ্মা সেতু করেন না কেন? ...
- তেজগাঁও শিল্প এলাকায় প্লট বরাদ্দ-‘আইনি প্রক্রিয়া ছ...
- দুদকের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন-ডেসটিনির টাকা পরিচ...
- এভারেস্টে বাংলাদেশি নারী-সত্যিই জয় করলাম! চূড়ায় নি...
- রাষ্ট্রপক্ষের মত, গাড়ি পোড়ানোর মামলাটি স্বাভাবিক গ...
- ন্যূনতম শেয়ার ধারণে ব্যর্থতা-সিএসইর তালিকাভুক্ত ৬৮...
- হাতির ঝিল প্রকল্পে বেআইনিভাবে প্লটপ্রাপ্তদের সম্পর...
- টিআর প্রকল্পে দুর্নীতি-জনপ্রতিনিধিদের সদিচ্ছা দরকার
- জীবন রক্ষার ওষুধ-যেন জীবননাশের কারণ না হয়
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুমিন নর-নারীদের জন্য আল্লাহর র...
- দুই নেত্রীর মতানৈক্য কমিয়ে আনতে হবে by আবদুল মান্নান
- অসহিষ্ণুতার মূলে রয়েছে নির্বাচন পদ্ধতি by ড. এম মন...
- চরাচর-বিয়ের গান by পাভেল রহমান
- কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-মানুষই হয় অমানুষ by রণজিৎ বিশ্বাস
- প্রিয় শিক্ষক সফিউদ্দীন আহমেদ by সৈয়দ জাহাঙ্গীর
- দৃষ্টিনন্দন ফুরানোর ফুলরাজি by এমএ ফারুখ
- সাময়িক প্রসঙ্গ-সংস্কৃতির জয়যাত্রা ও কিছু প্রস্তাবন...
- সংবিধান সংশোধন-জাতীয় ঐকমত্য জরুরি by তারেক শামসুর ...
- ফুটন্ত কড়াই by গওসল আযম
- গণপরিবহন-নৈরাজ্যের অচলায়তন by রাশেদ মেহেদী
- জবাবদিহিতা-স্থানীয় উদ্যোগও হতে পারে আলোকবর্তিকা by...
- স্টুডেন্টস কাউন্সিল-সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন...
- ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-অগ্রসর প্রযুক্তিকে স্বাগত জ...
- সাক্ষাৎকার-বাপেক্সকে অবজ্ঞার খেসারত দিয়েছে দেশ by ...
- অদম্য মেধাবী by জাহিরুল ইসলাম
- প্রতিক্রিয়া-এ তো বাংলাদেশের অপমান!
- কণ্ঠস্বর-কোথাও নিশ্চয়ই গুরুতর কিছু বিচ্যুতি ঘটছে b...
- আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-রাজনীতিকীকরণের প্যাঁ...
- নতুন তেলক্ষেত্র-বাপেক্সকে শক্তিশালী করুন
- এশিয়া এনার্জির চুক্তির কার্যকারিতা নে by ড. এম শাম...
-
▼
May 23
(128)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
মুসলিম
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
ইউরোপ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
স্বাস্থ্য
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
নেপাল
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
লেবানন
ঐতিহ্য
শিল্প
কুমিল্লা
জীবনযাপন
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
Exclusive
মেহেদী হাসান
কলকাতা
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
ইয়েমেন
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
জলবায়ু ও পরিবেশ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
জনস্বাস্থ্য
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কাতার
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
লিবিয়া
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
ইসলাম
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
জোহরান মামদানি
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জলবায়ু পরিবর্তন
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment