Thursday, August 2, 2012
কাদের মোল্লা আলোকদী গ্রামে অসংখ্য বাঙালীকে হত্যা করে- যুদ্ধাপরাধী বিচার -সাফিউদ্দিন মোল্লার সাক্ষ্য
কাদের মোল্লা আলোকদী গ্রামে অসংখ্য বাঙালীকে হত্যা করে- যুদ্ধাপরাধী বিচার -সাফিউদ্দিন মোল্লার সাক্ষ্য
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা মিরপুর থানার পল্লবীর আলোকদী গ্রামে নিজের হাতে গুলি করে অসংখ্য মুক্তিকামী বাঙালীকে হত্যা করেছে। কাদের মোল্লা ও তার বাহিনীর বিহারীরা তাদেরকে ধরে এক জায়গায় নিয়ে আসে।
কিছুক্ষণ পর তিনি পাকসেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে উর্দুতে কিছু বলার পর দূর থেকে গুলির শব্দ শুনতে পাই। সেখানে তার (কাদের মোল্লার) হাতেও রাইফেল ছিল। সেও গুলি করে। গুলিতে ধানকাটার লোকসহ প্রায় ৩৭০ গ্রামবাসী নিহত হন। প্রসিকিউশনের পক্ষে ৬ষ্ঠ সাক্ষী সাফিউদ্দিন মোল্লা বুধবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দীতে এ কথা বলেন।
অন্যদিকে, জামায়াতের অপর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহিরুল হক মুন্সী বীর প্রতীক জবানবন্দীতে বলেছেন, তিনি ক্যাম্পে পাক মেজর আইয়ুবের সঙ্গে কামারুজ্জামানকে কথা বলতে দেখেন। এই পাক মেজর ও কামারুজ্জামান তৎকালে মাইকিং করে সবাইকে হুমকি দিত। মাইকে তারা বলত, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবে তাদের বাড়িতে লুটপাট ও মহিলাদের সম্ভ্রমহানি করা হবে। এ ছাড়া সাক্ষী বিভিন্ন ক্যাম্পের নির্যাতন ও নিজের ওপর নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনি এই জবানবন্দী প্রদান করেছেন। এর পর আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা করেন।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আবেদনে নবম সাক্ষী পরাগ ধরকে রিকল আবেদন মঞ্জুর করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ৭ আগস্ট এই সাক্ষীর ক্যামেরা ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে। একই ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা অব্যাহত রয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই আদেশ দেয়া হয়েছে।
কাদের মোল্লা ॥ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ষষ্ঠ সাক্ষী সাফিউদ্দিন মোল্লা তার জবানবন্দীতে পল্লবীর আলোকদি গ্রামের গণহত্যার বর্ণনা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ। বুধবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে তিনি তার জবানবন্দী পেশ করেন। সাক্ষীর জবানবন্দী দেবার সময় তাকে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী। আসামি পরে তার জেরা অসমাপ্ত রেখে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
সাক্ষী তাঁর জবানবন্দীতে বলেন, আমার নাম সাফিউদ্দিন মোল্লা। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭১ সালে আমার বয়স ছিল আনুমানিক ১৯ বছর। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় মিরপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত লোকজন বেশি ছিল। আর ওই সময় আমাদের পরিবারের লোকজনও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতেন। আমি তখন ছাত্রলীগ করতাম। সাক্ষী তার জবানবন্দীতে বলেন, আমার আপন চাচা নবীউল্লা মোল্লা, আলোকদি গ্রামের মুক্তিকামী জনগণ ৭১ সালে ওই গ্রামে ধান কাটতে আসা কাজের লোকজনসহ প্রায় তিন শ’ ৬০ থেকে ৭০ জনকে আব্দুল কাদের মোল্লা পাকসেনাদের সহযোগিতায় গুলি করে হত্যা করে।
সাক্ষী মোঃ সাফিউদ্দিন মোল্লা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ১৯ বছরের যুবক ছিলাম। মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। ১৯৭২ সালে সেখান থেকে এসএসসি পাস করি। তিনি বলেন, মিরপুরে ৭০ সালের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় গোলাম আযম ও নৌকা প্রতীকে এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন নির্বাচন করেন। কাদের মোল্লা তখন ওই এলাকার ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতাও ছিল। তিনি গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালান। সেই সময় থেকে তিনি আবদুল কাদের মোল্লাকে চিনতেন। তিনি বলেন, ২৫ মার্চে পাক হানাদার বাহিনী তার এলাকায় হত্যাকা- চালায়।
সাক্ষী বলেন, যেহেতু আমাদের গ্রামের সবাই আওয়ামী লীগকে ভালবাসতাম এবং সমর্থন করতাম, সেহেতু এ্যাডভোকেট জহির আহম্মেদকে ভোট দিয়েছি। অপরপক্ষে জানামতে, তখন ইসলামী ছাত্রসংঘের কামারুজ্জামান উনি সমর্থক লোকদের নিয়ে প্রচার করতেন। তার সঙ্গে বিহারীরাও ছিল। তখন সাংগঠনিক প্রচারে কাদের মোল্লাকে চিনতাম। সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাই।
৭ মার্চ আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জনসভা ডাকলেন। সেই জনসভায় বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন, স্বাথীনতাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেন। এর পর আমরা আমাদের গ্রামে প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি ট্রেনিং আরম্ভ করি।
সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে বলেন, ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আলোকদি গ্রামে পাকহানাদার বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এই হেলিকপ্টার অবতরণ করার পরই ওই গ্রামের লোকজন এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। হেলিকপ্টার থেকেই গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। এরপর দেখি আলোকদি গ্রামটিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর রাজাকার বাহিনীর লোকেরা ঘিরে ফেলেছে। গ্রামের বহু লোক ধান কাটার পেশায় নিয়োজিত ছিল সেদিন।
হেলিকপ্টার নদীর পাশে উঁচু জায়গায় নামে। এর কিছুক্ষণ পরেই পশ্চিম দিক থেকে গুলির শব্দ পাই। উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ দিক থেকে সঙ্গে সঙ্গে গুলি আরম্ভ হয়। এর পর গুলির শব্দের কারণে গ্রামের লোকরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। ফজরের নামাজের সময় আস্তে আস্তে ফর্সা হয়। চোখের সামনে দেখতে পাই ২/১ জনের মৃতদেহ পড়ে আছে। আমি গ্রামের উত্তর পাশে একটা ঝোপের নিচে গর্তে লুকিয়ে পড়ি। এর পর দেখতে পাই পাকি সৈন্যরা বিভিন্ন বাড়ি থেকে লোকজন ধরে এনে জড়ো করছে। তখন ছিল ধানকাটার মৌসুম।
বিভিন্ন জেলা থেকে ধানকাটার জন্য লোকজন আসত। পশ্চিম দিক থেকে পাক সৈন্যরা ঐ লোকজন ও যারা ধান কাটতে এসেছে তাদের ধরে এনে জড়ো করল। এর পর পূর্ব দিকে যারা ছিল, সেগুলো কাদের মোল্লা এবং তার বাহিনীর বিহারী লোকজন একই জায়গায় ধরে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর দেখলাম কাদের মোল্লা পাক সৈন্যদের সম্ভবত অফিসারের সঙ্গে উর্দুতে কি যেন বলাবলি করছিল। দূর থেকে তা শুনতে পাইনি। এর কিছুক্ষণ পর রাইফেল উঁচু করে লোকদের এক সাইডে করে গুলি আরম্ভ করে। সেখানে কাদের মোল্লাও ছিল। সেও গুলি করে। এখানে আমার আপন চাচা মোঃ নবীউল্লাহ এবং গ্রামের অনেক আত্মীয়স্বজনসহ গ্রামের ৭০/৮০ জন ধানকাটা লোকসহ ৩৬০ থেকে ৩৭০ জনকে হত্যা করা হয়।
সেখানে ধানকাটার লোকজন ছিল। ফজরের আজান থেকে আরম্ভ করে পরের দিন সকাল ১১টা পর্যন্ত হত্যাযজ্ঞ ঘটে। সেখানে হত্যাকা-ের পর গ্রামে ঢুকে লুটপাট চালায় । পরে ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। জবানবন্দী শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে কয়েকটি জেরা করেন। তা নিম্নে দেয়া হলোÑ
প্রশ্ন : সঙ্গে আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র ) এনেছেন?
উত্তর : আনিনি।
প্রশ্ন : স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেছেন?
উত্তর : স্কুলে পড়েছি।
প্রশ্ন : এসএসসি পাস করেছেন?
উত্তর : করেছি।
প্রশ্ন : কোন সালে?
উত্তর : ১৯৭২ সালে। দ্বিতীয় বিভাগে পাস করেছি।
কামারুজ্জামান ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহিরুল হক মুন্সী বীরপ্রতীক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। বুধবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই জবানবন্দী অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতে ট্রেনিং নিয়ে গ্রেটার ময়মনসিংহে আসেন। তিনি কামারুজ্জামানকে স্থানীয় সুরেন্দ্র মোহন সাহার বাড়িতে রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করতে দেখেন। ভিক্ষুকের বেশে তিনি কামারুজ্জামানের তৈরি আলবদর ক্যাম্পে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি পাক মেজর আইয়ুবের সঙ্গে কামারুজ্জামানকে কথা বলতে দেখেন। এই পাক মেজর ও কামারুজ্জামান তৎকালীন মাইকিং করে সবাইকে হুমকি দিত। মাইকে তারা বলত, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবে তাদের বাড়িতে লুটপাট ও মহিলাদের সম্ভ্রমহানি করা হবে।
সাক্ষী আরও বলেন, কামারুজ্জামান ও মেজর সুলতান এই এলাকার বহু মানুষকে ক্যাম্পে এনে নির্যাতন করে মেরেছে বলে তিনি লোকমুখে শোনেন। এক ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ভারতীয় সেনা কর্মকর্তার একটি চিঠি তিনি রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাকে সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে তাকে চিঠির উত্তর পৌঁছে দেবার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেঁচে যান। ওই ঘটনাতেও তিনি কামারুজ্জামানকে দেখেন বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান। সাক্ষী জহিরুলের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী। সাক্ষীকে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম।
কমান্ডার জহিরুল হক মুন্সি ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দীতে বলেন, তার পিতার নাম মৃত আব্দুর গফুর মুন্সি। জন্ম ৩১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০। গ্রাম ধামারিয়াপাড়া, শ্রীবর্দী, জেলা শেরপুর। তিনি একাত্তর সালে নারায়ণগঞ্জে ইপিআইডিসি ডক ইয়ার্ডে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করতেন। একাত্তর সালে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণেÑ ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’ এরপর স্বেচ্ছাসেবক দল ও ফায়ার ডিফেন্স গঠন করি, যাতে বিমান আক্রমণ হলে বাঁচতে পারি।
তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চ কালরাতে পাকহানাদার বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইপিআর সদর দফতর আক্রমণ করে এবং ঘুমন্ত অবস্থায় বাঙালীদের ওপর চড়াও হয়। ঘুমন্ত অবস্থায় আক্রমণ করে প্রায় ২০ হাজার সেনা, পুলিশ, ইপিআর ও বাঙালী সৈন্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সেই খবর তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তখন ২৬ ও ২৭ মার্চ আমরা ঢাক নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কে চাষাড়ায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
সাক্ষী জবানবন্দীতে বলেন, কিন্ত ট্যাঙ্কের সামনে আমাদের থ্রি নট থ্রি মার্ক-৪ রাইফেল দিয়ে যুদ্ধ করতে হবে তা আমাদের ধারণা ছিল না। তখন আমরা ২ দিন প্রতিরোধ করার পর পিছু হটি। আওয়ামী লীগ নেতা দোহা সাহেব ও আলী আহম্মেদ চুনকা আমাদেরকে নির্দেশ দেন যে, প্রতিরোধ করার জন্য আরও উচ্চতর ট্রেনিং নিতে হবে। ভারি অস্ত্র দিয়ে তাদের (পাকসেনাদের) মোকাবেলা করতে হবে। তখন নারায়ণগঞ্জ থেকে আমরা পিছু হটে যাই। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলি। উচ্চতর ট্রেনিং নেয়ার জন্য আমরা হেঁটে ঘোড়াশাল-শফিপুর-টাঙ্গাইল-মধুপুর-জামালপুর-শেরপুর-শ্রীবর্দী, বকশীগঞ্জ হয়ে ভারতের মোহেন্দ্রগঞ্জে প্রবেশ করি। ১২/৪/৭১ তারিখে।
কমান্ডার জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, সেখানে গিয়ে দেখি বৃহত্তর ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রফিকউদ্দিন ভুইয়া এবং আরও কয়েকজন বিএসএফ ক্যাপ্টেন নিয়োগীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছেন। আমি সালাম দিয়ে বললাম, ১২০ জন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ট্রেনিংয়ের কথা। তখন রফিক উদ্দিন ক্যাপ্টেন নিয়োগীর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে কালভার্ট ব্রিজ ধ্বংসের জন্য ১৫ দিনে ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করলেন। যাতে করে পাকিস্তানী সেনাসদস্যদের যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘœ সৃষ্টি হয়। ট্রেনিং শেষে টিকরকান্দা ফিরে আসি।
তিনি বলেন, শেরপুর ফিরে আসি। এখানে কামরান নামে একজন বদরবাহিনীর লোক ছিল। সে কামারুজ্জামানের টু-আই-সি। বেলুজ রেজিমেন্ট ক্যাপ্টেন রিয়াজ জামালপুরে হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। কামরানের সঙ্গে সে পাকিস্তান চলে যায়। সাক্ষী আরও বলেন, আমি যে কামারুজ্জামানের কথা বলেছি তিনি ছিলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা ও আলবদর-আলশামস বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা। কড়ুয়া হাইস্কুল মাঠে, শ্রীবর্দীর টেঙ্গরপাড়া হাইস্কুল মাঠে ও বকশিগঞ্জ নুর মোহাম্মদ স্কুলমাঠে আলবদর ক্যাম্প করা হয়। পাকসেনারা থাকত স্কুল বোর্ডিংয়ে আর আলবদররা থাকত পাশে ক্যাম্প করে।
সাক্ষী জহুরুল হক বলেন, আমি ভারতের চেরাপুঞ্জি ও তুরায় গেরিলা ট্রেনিং করি। উচ্চতর গেরিলা ট্রেনিং হয় চেরাপুঞ্জিতে পুরো একমাস ধরে। মারাঠা ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন ৯৫ মাউন্টেইন ব্রিগেডে (এলআই) অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে কমান্ডিং গাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করে। আমি সেখানে অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। আমার সুপিরিয়র অফিসার ছিলেন ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার হরদেব সিং ক্লে। তিনি আমাকে দায়িত্ব দিলেন, সীমান্তসংলগ্ন যে সকল পাকিস্তানী ও বদর ক্যাম্প আছে তার খবর সংগ্রহ করে তাকে জানানোর জন্য।
তিনি বলেন, সেই মোতাবেক আমি অক্টোবরে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে শেরপুর শহরে কোথায় কি হচ্ছে এসব তথ্য নেয়ার চেষ্টা করি। এক পর্যায় আমি জানতে পারি সুরেন্দ্র মোহন সাহার পরিত্যক্ত বাড়িতে কামারুজ্জামান পাকসেনাদের ক্যাম্প তৈরি করে দেন। আমি ভিক্ষুক সেজে ওই বাড়ির আশপাশে চারদিন ভিক্ষা করি এবং খবর সংগ্রহ করার চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একদিন ঐ ক্যাম্পে ঢুকে পড়ি। দেখি গেটের ভেতর দাঁড়িয়ে আছে মোহন মুন্সী নামে এক বদর সদস্য। তাকে ছালাম দিয়ে ভেতরে ঢুকে দেখি কামারুজ্জামান ও মেজর আইয়ুব দোতালায় উঠে যাচ্ছে।
মেজর আইয়ুব সেন্ট্রিকে বললÑ ‘কোন্ হ্যায় কেয়া মাঙ্গতা হে। তখন আলবদর মোহন মুন্সী এবং সেন্ট্রিকে ছটফট করতে দেখি। এরপর তারা উপরে উঠে গেল। আমি তখন নিচতলা থেকে শুনলাম দোতলা থেকে আওয়াজ আসছেÑ ‘আল্লাগো, মাগো বাঁচাও।’ এ সময় একজন পাকসেনা নিচে নেমে এসে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফকির মনে করে ক্যাম্প থেকে বের করে দেয়। তখন মোহন মুন্সী বলেন, ‘সে তো ভিক্ষুক হ্যায়।’ এরপর আমি সব খবর নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাই।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, ‘পরে আমি লোকমুখে জানতে পারি সুরেন সাহার বাড়ির ক্যাম্পে থাকা মহিলা এবং পুরুষদের সেরি ব্রিজের কাছে নিয়ে বেয়নেট চার্জ ও গুলি করে পানিতে ভাসিয়ে দেয় পাকবাহিনী। আমি সুরেন সাহার ক্যাম্পে একবারই এসেছিলাম। আমি জানতে পারি প্রিন্সিপাল হান্নান সাহেবকে কামারুজ্জামান ও মেজর আইয়ুব কলেজের ছাত্র না আসায় এবং কলেজ বন্ধ রাখায় তার মাথা ন্যাড়া করে চুনকালি মেখে কোমরে দড়ি বেঁধে সারা শহর ঘুরায়। আমি ১৪ নবেম্বর টিকরকান্দীতে এ্যামবুশ করি। সেখানে মেজর আইয়ুব ফুলকার চর ব্রিজ দেখতে গিয়েছিল। ফেরার পথে আমাদের পোতা মাইন বিস্ফোরণে সেসহ ১৩ পাকিস্তানী সেনা নিহত হয়। এরপর আমি কামালপুরে গিয়ে দেখি ১৮ জন মহিলাকে নির্যাতন, ধর্ষণ করে পাকিস্তানীরা হত্যা করেছে। সেখানে মিরপুর বাঙলা কলেজের প্রথম বর্ষের ২ জন ছাত্রীর পরিচয়পত্র পাই।
তিনি বলেন, মোঃ কামারুজ্জামান এবং মেজর আইয়ুব বিভিন্ন ক্যাম্পে যেতেন এবং মাইকে বলতেনÑ ‘যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করবেন তাদের রেহাই দেয়া হবে না, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হবে। মেয়েদের সম্ভ্রম হরণ করা হবে।’ ঝিনাইগাতি থানার কানগা ইউনিয়নের মোখলেছ চেয়ারম্যান হজের জন্য ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে শেরপুরে গিয়েছিলেন। তখন এই চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করে বলে কয়েকজন আলবদর কামারুজ্জামানকে জানায়। তখনি এ চেয়ারম্যানকে ধরে বকশিগঞ্জ গরুহাটিতে নিয়ে হত্যা করা হয়।
সাক্ষী জহুরুল হক বলেন, ৯ ডিসেম্বর আমি বেলটিয়ায় অবস্থান করছিলাম। তখন আমি ব্রিগেডিয়ার হরদেব সিং ক্লের হাতে লেখা একটি চিঠি নিয়ে জামালপুর পিটিআইতে পাকিস্তানী আর্মি ক্যাম্পে আসি। সেন্ট্রি পোস্টে আমার বডি সার্চ করে ২০ টাকা ও একটি চিঠি পায়। আমি সাদা ফ্লাগ উড়িয়ে বাইসাইকেলযোগে গিয়েছিলাম। সে সাদা ফ্লাগটি দিয়ে আমার চোখ, আমার কোমরে থাকা গামছা দিয়ে হাত বেঁধে আমাকে ওয়াপদা ক্যাম্পে কোয়ার্টার গার্ডে রাখে। তখন একজন বেলুচ আর্মি বলেন, ‘উচকো কেয়া করে গা।’ তখন আমি জানতে পারি পাকিস্তানী কর্নেল সুলতান খান ও বদর কামান্ডার কামারুজ্জামান ঝিনাইগাতি ব্রিজ পরিদর্শন করতে গেছে।
তারা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। কিছুক্ষণের মধ্যে আনুমানিক দুপুর দেড়টা নাগাদ আমি যে স্যারেন্ডারপত্রটি বহন করে এনেছিলাম সেটি কর্নেল সুলতান খানের কাছে পাক আর্মিরা দেয়। তখন সে রাগান্বিত হয়ে তার কাছে থাকা এসএমজি ম্যাগাজিন দিয়ে আমাকে আঘাত করে। তাতে আমার ওপরের পার্টির ৪ থেকে ৫টি দাঁত ভেঙ্গে যায়। আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখে। তখন পাকিস্তানী এক সেনা আমার পা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ‘মোরব্বা’ করে ফেলে।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি বলেন, আমি তখন বলি আমি একজন সাধারণ কৃষক, আমাকে ভয় দেখিয়ে চিঠি দিয়ে পাঠিয়েছে। আমি মুক্তিযোদ্ধা না। তখন সুলতান খান হরদেব সিং ক্লের চিঠির জবাব লিখে তা আমাকে ক্লের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য বলেন। তখন আমি অভিনয় করে বলি আমি আর এই চিঠি নিয়ে যাব না। গেলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি এখানেই থাকব। ওই ক্যাম্পে আমি সকাল ১১টায় ঢুকি রাত প্রায় ১১টায় সাইকেলসহ আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে কোন মতে বেলদিয়াস ক্যাম্পের দিকে রওনা দিই। যাওয়ার পথে রাস্তার দু’পাশের গাছগুলোর সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ অনেক মানুষের মৃতদেহ দেখতে পাই।
জবানবন্দী শেষে প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী জহুরুল হক কাঠগড়া থেকে নেমে পেছনের ডকে বসা কামারুজ্জামানকে দেখে বলেন, ‘আসামির ডকে বসা, চশমা পরা উনিই কামারুজ্জামান। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী কফিলউদ্দিন চৌধুরী তাকে জেরা শুরু করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল তার জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় ২ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করেন।
উল্লেখ্য, ১৫ জুলাই কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন চলতি বছরে ১৫ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ গত ৩১ জানুয়ারি অভিযোগ আমলে নেয়।
সাকা চৌধুরী ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাক্ষী ব্যবসায়ী পরাগ ধরের জবানবন্দী আবারও ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে বলে আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দিয়েছে।
২৬ জুলাই প্রসিকিউশনের নবম সাক্ষী পরাগ ধর জবানবন্দী দেন ট্রাইব্যুনালে। জবানবন্দী শেষে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী আহসানুল হক হেনা সাক্ষীকে জেরা করেন। ওই দিন মাত্র ৩০ মিনিট সময়ে সাক্ষীর জবানবন্দী ও জেরার কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়। পরে বুধবার ওই সাক্ষীর বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে জবানবন্দী গ্রহণ করার জন্য আদেশ দেয় বলে জানান প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। ক্যামেরা ট্রায়ালের বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেয়ার আগে বুধবার ট্রাইব্যুনালের কাছে এই মর্মে আবেদন করেন যে, সাক্ষী তার জবানবন্দীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিয়েছেন। তাই পুনরায় সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হোক। শুনানিতে জেয়াদ আল মালুম বলেন, সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে বক্তব্য পেশ করবেন তা যেন ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন মঞ্জুর করে।
আদেশের পর প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম জনকণ্ঠকে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর সঙ্গে আমিসহ প্রসিকিউশন পক্ষের মোট তিন জন এবং ডিফেন্সের আহসানুল হক হেনার সঙ্গে আরও একজন মোট পাঁচজন আইনজীবী উপস্থিত থাকবে। তবে আদালতের ভেতরের কোন তথ্য ট্রাইব্যুনালের বাইরে কোন আইনজীবী প্রকাশ করতে পারবেন না। এমনকি কোন সাংবাদিকও সেদিনের সাক্ষ্যগ্রহণে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এর আগে ট্রাইব্যুনাল-২-এ আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রথম ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে এক মহিলা ভিকটিমের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল।
সাঈদী ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি মোঃ হেলাল উদ্দিনের জেরা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার তাকে চেয়ারম্যান নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে হেলাল উদ্দিনকে ৪১তম দিনের মতো জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।
গত ৮ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাঈদীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন সাক্ষ্য দেন ট্রাইব্যুনালে। এর পর ২৫ এপ্রিল থেকে তাকে জেরা করছে আসামিপক্ষ। অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে ইব্রাহীম কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদীর অনুপস্থতিইে তার বিচার কার্যক্রম চলছে। ২০১০ সালের ২৯ জুন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে তার রাজধানীর শহীদবাগের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যদিকে, জামায়াতের অপর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহিরুল হক মুন্সী বীর প্রতীক জবানবন্দীতে বলেছেন, তিনি ক্যাম্পে পাক মেজর আইয়ুবের সঙ্গে কামারুজ্জামানকে কথা বলতে দেখেন। এই পাক মেজর ও কামারুজ্জামান তৎকালে মাইকিং করে সবাইকে হুমকি দিত। মাইকে তারা বলত, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবে তাদের বাড়িতে লুটপাট ও মহিলাদের সম্ভ্রমহানি করা হবে। এ ছাড়া সাক্ষী বিভিন্ন ক্যাম্পের নির্যাতন ও নিজের ওপর নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনি এই জবানবন্দী প্রদান করেছেন। এর পর আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা করেন।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আবেদনে নবম সাক্ষী পরাগ ধরকে রিকল আবেদন মঞ্জুর করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ৭ আগস্ট এই সাক্ষীর ক্যামেরা ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে। একই ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জেরা অব্যাহত রয়েছে। চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই আদেশ দেয়া হয়েছে।
কাদের মোল্লা ॥ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ষষ্ঠ সাক্ষী সাফিউদ্দিন মোল্লা তার জবানবন্দীতে পল্লবীর আলোকদি গ্রামের গণহত্যার বর্ণনা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ। বুধবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে তিনি তার জবানবন্দী পেশ করেন। সাক্ষীর জবানবন্দী দেবার সময় তাকে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী। আসামি পরে তার জেরা অসমাপ্ত রেখে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করে দেন ট্রাইব্যুনাল।
সাক্ষী তাঁর জবানবন্দীতে বলেন, আমার নাম সাফিউদ্দিন মোল্লা। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭১ সালে আমার বয়স ছিল আনুমানিক ১৯ বছর। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় মিরপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত লোকজন বেশি ছিল। আর ওই সময় আমাদের পরিবারের লোকজনও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করতেন। আমি তখন ছাত্রলীগ করতাম। সাক্ষী তার জবানবন্দীতে বলেন, আমার আপন চাচা নবীউল্লা মোল্লা, আলোকদি গ্রামের মুক্তিকামী জনগণ ৭১ সালে ওই গ্রামে ধান কাটতে আসা কাজের লোকজনসহ প্রায় তিন শ’ ৬০ থেকে ৭০ জনকে আব্দুল কাদের মোল্লা পাকসেনাদের সহযোগিতায় গুলি করে হত্যা করে।
সাক্ষী মোঃ সাফিউদ্দিন মোল্লা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ১৯ বছরের যুবক ছিলাম। মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। ১৯৭২ সালে সেখান থেকে এসএসসি পাস করি। তিনি বলেন, মিরপুরে ৭০ সালের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় গোলাম আযম ও নৌকা প্রতীকে এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন নির্বাচন করেন। কাদের মোল্লা তখন ওই এলাকার ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতাও ছিল। তিনি গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালান। সেই সময় থেকে তিনি আবদুল কাদের মোল্লাকে চিনতেন। তিনি বলেন, ২৫ মার্চে পাক হানাদার বাহিনী তার এলাকায় হত্যাকা- চালায়।
সাক্ষী বলেন, যেহেতু আমাদের গ্রামের সবাই আওয়ামী লীগকে ভালবাসতাম এবং সমর্থন করতাম, সেহেতু এ্যাডভোকেট জহির আহম্মেদকে ভোট দিয়েছি। অপরপক্ষে জানামতে, তখন ইসলামী ছাত্রসংঘের কামারুজ্জামান উনি সমর্থক লোকদের নিয়ে প্রচার করতেন। তার সঙ্গে বিহারীরাও ছিল। তখন সাংগঠনিক প্রচারে কাদের মোল্লাকে চিনতাম। সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাই।
৭ মার্চ আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জনসভা ডাকলেন। সেই জনসভায় বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন, স্বাথীনতাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেন। এর পর আমরা আমাদের গ্রামে প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি ট্রেনিং আরম্ভ করি।
সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে বলেন, ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আলোকদি গ্রামে পাকহানাদার বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এই হেলিকপ্টার অবতরণ করার পরই ওই গ্রামের লোকজন এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। হেলিকপ্টার থেকেই গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। এরপর দেখি আলোকদি গ্রামটিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর রাজাকার বাহিনীর লোকেরা ঘিরে ফেলেছে। গ্রামের বহু লোক ধান কাটার পেশায় নিয়োজিত ছিল সেদিন।
হেলিকপ্টার নদীর পাশে উঁচু জায়গায় নামে। এর কিছুক্ষণ পরেই পশ্চিম দিক থেকে গুলির শব্দ পাই। উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ দিক থেকে সঙ্গে সঙ্গে গুলি আরম্ভ হয়। এর পর গুলির শব্দের কারণে গ্রামের লোকরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। ফজরের নামাজের সময় আস্তে আস্তে ফর্সা হয়। চোখের সামনে দেখতে পাই ২/১ জনের মৃতদেহ পড়ে আছে। আমি গ্রামের উত্তর পাশে একটা ঝোপের নিচে গর্তে লুকিয়ে পড়ি। এর পর দেখতে পাই পাকি সৈন্যরা বিভিন্ন বাড়ি থেকে লোকজন ধরে এনে জড়ো করছে। তখন ছিল ধানকাটার মৌসুম।
বিভিন্ন জেলা থেকে ধানকাটার জন্য লোকজন আসত। পশ্চিম দিক থেকে পাক সৈন্যরা ঐ লোকজন ও যারা ধান কাটতে এসেছে তাদের ধরে এনে জড়ো করল। এর পর পূর্ব দিকে যারা ছিল, সেগুলো কাদের মোল্লা এবং তার বাহিনীর বিহারী লোকজন একই জায়গায় ধরে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণ পর দেখলাম কাদের মোল্লা পাক সৈন্যদের সম্ভবত অফিসারের সঙ্গে উর্দুতে কি যেন বলাবলি করছিল। দূর থেকে তা শুনতে পাইনি। এর কিছুক্ষণ পর রাইফেল উঁচু করে লোকদের এক সাইডে করে গুলি আরম্ভ করে। সেখানে কাদের মোল্লাও ছিল। সেও গুলি করে। এখানে আমার আপন চাচা মোঃ নবীউল্লাহ এবং গ্রামের অনেক আত্মীয়স্বজনসহ গ্রামের ৭০/৮০ জন ধানকাটা লোকসহ ৩৬০ থেকে ৩৭০ জনকে হত্যা করা হয়।
সেখানে ধানকাটার লোকজন ছিল। ফজরের আজান থেকে আরম্ভ করে পরের দিন সকাল ১১টা পর্যন্ত হত্যাযজ্ঞ ঘটে। সেখানে হত্যাকা-ের পর গ্রামে ঢুকে লুটপাট চালায় । পরে ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। জবানবন্দী শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবী তাকে কয়েকটি জেরা করেন। তা নিম্নে দেয়া হলোÑ
প্রশ্ন : সঙ্গে আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র ) এনেছেন?
উত্তর : আনিনি।
প্রশ্ন : স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করেছেন?
উত্তর : স্কুলে পড়েছি।
প্রশ্ন : এসএসসি পাস করেছেন?
উত্তর : করেছি।
প্রশ্ন : কোন সালে?
উত্তর : ১৯৭২ সালে। দ্বিতীয় বিভাগে পাস করেছি।
কামারুজ্জামান ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জহিরুল হক মুন্সী বীরপ্রতীক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। বুধবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ এই জবানবন্দী অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতে ট্রেনিং নিয়ে গ্রেটার ময়মনসিংহে আসেন। তিনি কামারুজ্জামানকে স্থানীয় সুরেন্দ্র মোহন সাহার বাড়িতে রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করতে দেখেন। ভিক্ষুকের বেশে তিনি কামারুজ্জামানের তৈরি আলবদর ক্যাম্পে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি পাক মেজর আইয়ুবের সঙ্গে কামারুজ্জামানকে কথা বলতে দেখেন। এই পাক মেজর ও কামারুজ্জামান তৎকালীন মাইকিং করে সবাইকে হুমকি দিত। মাইকে তারা বলত, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করবে তাদের বাড়িতে লুটপাট ও মহিলাদের সম্ভ্রমহানি করা হবে।
সাক্ষী আরও বলেন, কামারুজ্জামান ও মেজর সুলতান এই এলাকার বহু মানুষকে ক্যাম্পে এনে নির্যাতন করে মেরেছে বলে তিনি লোকমুখে শোনেন। এক ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ভারতীয় সেনা কর্মকর্তার একটি চিঠি তিনি রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাকে সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে তাকে চিঠির উত্তর পৌঁছে দেবার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেঁচে যান। ওই ঘটনাতেও তিনি কামারুজ্জামানকে দেখেন বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান। সাক্ষী জহিরুলের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী। সাক্ষীকে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম।
কমান্ডার জহিরুল হক মুন্সি ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দীতে বলেন, তার পিতার নাম মৃত আব্দুর গফুর মুন্সি। জন্ম ৩১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০। গ্রাম ধামারিয়াপাড়া, শ্রীবর্দী, জেলা শেরপুর। তিনি একাত্তর সালে নারায়ণগঞ্জে ইপিআইডিসি ডক ইয়ার্ডে সুপারভাইজার হিসেবে চাকরি করতেন। একাত্তর সালে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণেÑ ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’ এরপর স্বেচ্ছাসেবক দল ও ফায়ার ডিফেন্স গঠন করি, যাতে বিমান আক্রমণ হলে বাঁচতে পারি।
তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চ কালরাতে পাকহানাদার বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইপিআর সদর দফতর আক্রমণ করে এবং ঘুমন্ত অবস্থায় বাঙালীদের ওপর চড়াও হয়। ঘুমন্ত অবস্থায় আক্রমণ করে প্রায় ২০ হাজার সেনা, পুলিশ, ইপিআর ও বাঙালী সৈন্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সেই খবর তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তখন ২৬ ও ২৭ মার্চ আমরা ঢাক নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কে চাষাড়ায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
সাক্ষী জবানবন্দীতে বলেন, কিন্ত ট্যাঙ্কের সামনে আমাদের থ্রি নট থ্রি মার্ক-৪ রাইফেল দিয়ে যুদ্ধ করতে হবে তা আমাদের ধারণা ছিল না। তখন আমরা ২ দিন প্রতিরোধ করার পর পিছু হটি। আওয়ামী লীগ নেতা দোহা সাহেব ও আলী আহম্মেদ চুনকা আমাদেরকে নির্দেশ দেন যে, প্রতিরোধ করার জন্য আরও উচ্চতর ট্রেনিং নিতে হবে। ভারি অস্ত্র দিয়ে তাদের (পাকসেনাদের) মোকাবেলা করতে হবে। তখন নারায়ণগঞ্জ থেকে আমরা পিছু হটে যাই। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলি। উচ্চতর ট্রেনিং নেয়ার জন্য আমরা হেঁটে ঘোড়াশাল-শফিপুর-টাঙ্গাইল-মধুপুর-জামালপুর-শেরপুর-শ্রীবর্দী, বকশীগঞ্জ হয়ে ভারতের মোহেন্দ্রগঞ্জে প্রবেশ করি। ১২/৪/৭১ তারিখে।
কমান্ডার জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, সেখানে গিয়ে দেখি বৃহত্তর ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের রফিকউদ্দিন ভুইয়া এবং আরও কয়েকজন বিএসএফ ক্যাপ্টেন নিয়োগীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছেন। আমি সালাম দিয়ে বললাম, ১২০ জন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ট্রেনিংয়ের কথা। তখন রফিক উদ্দিন ক্যাপ্টেন নিয়োগীর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে কালভার্ট ব্রিজ ধ্বংসের জন্য ১৫ দিনে ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করলেন। যাতে করে পাকিস্তানী সেনাসদস্যদের যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘœ সৃষ্টি হয়। ট্রেনিং শেষে টিকরকান্দা ফিরে আসি।
তিনি বলেন, শেরপুর ফিরে আসি। এখানে কামরান নামে একজন বদরবাহিনীর লোক ছিল। সে কামারুজ্জামানের টু-আই-সি। বেলুজ রেজিমেন্ট ক্যাপ্টেন রিয়াজ জামালপুরে হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। কামরানের সঙ্গে সে পাকিস্তান চলে যায়। সাক্ষী আরও বলেন, আমি যে কামারুজ্জামানের কথা বলেছি তিনি ছিলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা ও আলবদর-আলশামস বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা। কড়ুয়া হাইস্কুল মাঠে, শ্রীবর্দীর টেঙ্গরপাড়া হাইস্কুল মাঠে ও বকশিগঞ্জ নুর মোহাম্মদ স্কুলমাঠে আলবদর ক্যাম্প করা হয়। পাকসেনারা থাকত স্কুল বোর্ডিংয়ে আর আলবদররা থাকত পাশে ক্যাম্প করে।
সাক্ষী জহুরুল হক বলেন, আমি ভারতের চেরাপুঞ্জি ও তুরায় গেরিলা ট্রেনিং করি। উচ্চতর গেরিলা ট্রেনিং হয় চেরাপুঞ্জিতে পুরো একমাস ধরে। মারাঠা ফার্স্ট ব্যাটালিয়ন ৯৫ মাউন্টেইন ব্রিগেডে (এলআই) অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে কমান্ডিং গাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করে। আমি সেখানে অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। আমার সুপিরিয়র অফিসার ছিলেন ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার হরদেব সিং ক্লে। তিনি আমাকে দায়িত্ব দিলেন, সীমান্তসংলগ্ন যে সকল পাকিস্তানী ও বদর ক্যাম্প আছে তার খবর সংগ্রহ করে তাকে জানানোর জন্য।
তিনি বলেন, সেই মোতাবেক আমি অক্টোবরে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে শেরপুর শহরে কোথায় কি হচ্ছে এসব তথ্য নেয়ার চেষ্টা করি। এক পর্যায় আমি জানতে পারি সুরেন্দ্র মোহন সাহার পরিত্যক্ত বাড়িতে কামারুজ্জামান পাকসেনাদের ক্যাম্প তৈরি করে দেন। আমি ভিক্ষুক সেজে ওই বাড়ির আশপাশে চারদিন ভিক্ষা করি এবং খবর সংগ্রহ করার চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একদিন ঐ ক্যাম্পে ঢুকে পড়ি। দেখি গেটের ভেতর দাঁড়িয়ে আছে মোহন মুন্সী নামে এক বদর সদস্য। তাকে ছালাম দিয়ে ভেতরে ঢুকে দেখি কামারুজ্জামান ও মেজর আইয়ুব দোতালায় উঠে যাচ্ছে।
মেজর আইয়ুব সেন্ট্রিকে বললÑ ‘কোন্ হ্যায় কেয়া মাঙ্গতা হে। তখন আলবদর মোহন মুন্সী এবং সেন্ট্রিকে ছটফট করতে দেখি। এরপর তারা উপরে উঠে গেল। আমি তখন নিচতলা থেকে শুনলাম দোতলা থেকে আওয়াজ আসছেÑ ‘আল্লাগো, মাগো বাঁচাও।’ এ সময় একজন পাকসেনা নিচে নেমে এসে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফকির মনে করে ক্যাম্প থেকে বের করে দেয়। তখন মোহন মুন্সী বলেন, ‘সে তো ভিক্ষুক হ্যায়।’ এরপর আমি সব খবর নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাই।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি জবানবন্দীতে বলেন, ‘পরে আমি লোকমুখে জানতে পারি সুরেন সাহার বাড়ির ক্যাম্পে থাকা মহিলা এবং পুরুষদের সেরি ব্রিজের কাছে নিয়ে বেয়নেট চার্জ ও গুলি করে পানিতে ভাসিয়ে দেয় পাকবাহিনী। আমি সুরেন সাহার ক্যাম্পে একবারই এসেছিলাম। আমি জানতে পারি প্রিন্সিপাল হান্নান সাহেবকে কামারুজ্জামান ও মেজর আইয়ুব কলেজের ছাত্র না আসায় এবং কলেজ বন্ধ রাখায় তার মাথা ন্যাড়া করে চুনকালি মেখে কোমরে দড়ি বেঁধে সারা শহর ঘুরায়। আমি ১৪ নবেম্বর টিকরকান্দীতে এ্যামবুশ করি। সেখানে মেজর আইয়ুব ফুলকার চর ব্রিজ দেখতে গিয়েছিল। ফেরার পথে আমাদের পোতা মাইন বিস্ফোরণে সেসহ ১৩ পাকিস্তানী সেনা নিহত হয়। এরপর আমি কামালপুরে গিয়ে দেখি ১৮ জন মহিলাকে নির্যাতন, ধর্ষণ করে পাকিস্তানীরা হত্যা করেছে। সেখানে মিরপুর বাঙলা কলেজের প্রথম বর্ষের ২ জন ছাত্রীর পরিচয়পত্র পাই।
তিনি বলেন, মোঃ কামারুজ্জামান এবং মেজর আইয়ুব বিভিন্ন ক্যাম্পে যেতেন এবং মাইকে বলতেনÑ ‘যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করবেন তাদের রেহাই দেয়া হবে না, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হবে। মেয়েদের সম্ভ্রম হরণ করা হবে।’ ঝিনাইগাতি থানার কানগা ইউনিয়নের মোখলেছ চেয়ারম্যান হজের জন্য ৫০ হাজার টাকা জমা দিতে শেরপুরে গিয়েছিলেন। তখন এই চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করে বলে কয়েকজন আলবদর কামারুজ্জামানকে জানায়। তখনি এ চেয়ারম্যানকে ধরে বকশিগঞ্জ গরুহাটিতে নিয়ে হত্যা করা হয়।
সাক্ষী জহুরুল হক বলেন, ৯ ডিসেম্বর আমি বেলটিয়ায় অবস্থান করছিলাম। তখন আমি ব্রিগেডিয়ার হরদেব সিং ক্লের হাতে লেখা একটি চিঠি নিয়ে জামালপুর পিটিআইতে পাকিস্তানী আর্মি ক্যাম্পে আসি। সেন্ট্রি পোস্টে আমার বডি সার্চ করে ২০ টাকা ও একটি চিঠি পায়। আমি সাদা ফ্লাগ উড়িয়ে বাইসাইকেলযোগে গিয়েছিলাম। সে সাদা ফ্লাগটি দিয়ে আমার চোখ, আমার কোমরে থাকা গামছা দিয়ে হাত বেঁধে আমাকে ওয়াপদা ক্যাম্পে কোয়ার্টার গার্ডে রাখে। তখন একজন বেলুচ আর্মি বলেন, ‘উচকো কেয়া করে গা।’ তখন আমি জানতে পারি পাকিস্তানী কর্নেল সুলতান খান ও বদর কামান্ডার কামারুজ্জামান ঝিনাইগাতি ব্রিজ পরিদর্শন করতে গেছে।
তারা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। কিছুক্ষণের মধ্যে আনুমানিক দুপুর দেড়টা নাগাদ আমি যে স্যারেন্ডারপত্রটি বহন করে এনেছিলাম সেটি কর্নেল সুলতান খানের কাছে পাক আর্মিরা দেয়। তখন সে রাগান্বিত হয়ে তার কাছে থাকা এসএমজি ম্যাগাজিন দিয়ে আমাকে আঘাত করে। তাতে আমার ওপরের পার্টির ৪ থেকে ৫টি দাঁত ভেঙ্গে যায়। আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখে। তখন পাকিস্তানী এক সেনা আমার পা বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ‘মোরব্বা’ করে ফেলে।
সাক্ষী জহিরুল হক মুন্সি বলেন, আমি তখন বলি আমি একজন সাধারণ কৃষক, আমাকে ভয় দেখিয়ে চিঠি দিয়ে পাঠিয়েছে। আমি মুক্তিযোদ্ধা না। তখন সুলতান খান হরদেব সিং ক্লের চিঠির জবাব লিখে তা আমাকে ক্লের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য বলেন। তখন আমি অভিনয় করে বলি আমি আর এই চিঠি নিয়ে যাব না। গেলে আমাকে মেরে ফেলবে। আমি এখানেই থাকব। ওই ক্যাম্পে আমি সকাল ১১টায় ঢুকি রাত প্রায় ১১টায় সাইকেলসহ আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি এক পায়ে সাইকেল চালিয়ে কোন মতে বেলদিয়াস ক্যাম্পের দিকে রওনা দিই। যাওয়ার পথে রাস্তার দু’পাশের গাছগুলোর সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ অনেক মানুষের মৃতদেহ দেখতে পাই।
জবানবন্দী শেষে প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী জহুরুল হক কাঠগড়া থেকে নেমে পেছনের ডকে বসা কামারুজ্জামানকে দেখে বলেন, ‘আসামির ডকে বসা, চশমা পরা উনিই কামারুজ্জামান। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী কফিলউদ্দিন চৌধুরী তাকে জেরা শুরু করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল তার জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় ২ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করেন।
উল্লেখ্য, ১৫ জুলাই কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন চলতি বছরে ১৫ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ গত ৩১ জানুয়ারি অভিযোগ আমলে নেয়।
সাকা চৌধুরী ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাক্ষী ব্যবসায়ী পরাগ ধরের জবানবন্দী আবারও ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে বলে আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দিয়েছে।
২৬ জুলাই প্রসিকিউশনের নবম সাক্ষী পরাগ ধর জবানবন্দী দেন ট্রাইব্যুনালে। জবানবন্দী শেষে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী আহসানুল হক হেনা সাক্ষীকে জেরা করেন। ওই দিন মাত্র ৩০ মিনিট সময়ে সাক্ষীর জবানবন্দী ও জেরার কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়। পরে বুধবার ওই সাক্ষীর বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে জবানবন্দী গ্রহণ করার জন্য আদেশ দেয় বলে জানান প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। ক্যামেরা ট্রায়ালের বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেয়ার আগে বুধবার ট্রাইব্যুনালের কাছে এই মর্মে আবেদন করেন যে, সাক্ষী তার জবানবন্দীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিয়েছেন। তাই পুনরায় সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা হোক। শুনানিতে জেয়াদ আল মালুম বলেন, সাক্ষী তার জবানবন্দীতে যে বক্তব্য পেশ করবেন তা যেন ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন মঞ্জুর করে।
আদেশের পর প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম জনকণ্ঠকে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর সঙ্গে আমিসহ প্রসিকিউশন পক্ষের মোট তিন জন এবং ডিফেন্সের আহসানুল হক হেনার সঙ্গে আরও একজন মোট পাঁচজন আইনজীবী উপস্থিত থাকবে। তবে আদালতের ভেতরের কোন তথ্য ট্রাইব্যুনালের বাইরে কোন আইনজীবী প্রকাশ করতে পারবেন না। এমনকি কোন সাংবাদিকও সেদিনের সাক্ষ্যগ্রহণে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এর আগে ট্রাইব্যুনাল-২-এ আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে প্রথম ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে এক মহিলা ভিকটিমের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল।
সাঈদী ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি মোঃ হেলাল উদ্দিনের জেরা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার তাকে চেয়ারম্যান নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে হেলাল উদ্দিনকে ৪১তম দিনের মতো জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।
গত ৮ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাঈদীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন সাক্ষ্য দেন ট্রাইব্যুনালে। এর পর ২৫ এপ্রিল থেকে তাকে জেরা করছে আসামিপক্ষ। অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে ইব্রাহীম কার্ডিয়াক (বারডেম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদীর অনুপস্থতিইে তার বিচার কার্যক্রম চলছে। ২০১০ সালের ২৯ জুন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে তার রাজধানীর শহীদবাগের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 02
(84)
- শিক্ষাবৃত্তি ও ডাচ-বাংলার প্রতারণা by সাইদ আরমান
- ঈদকে সামনে রেখে মহল্লায় মহল্লায় অভিনব চাঁদাবাজী by...
- বাঁশিওয়ালার প্রেমে স্বাগতা
- ‘এক থা টাইগার’ ছবির জন্য ক্যাটরিনা আজমীর দরগায়
- ঈদুল ফিতরে চ্যানেল আইতে ১৭ নাটক ও ৭টি টেলিছবি
- চোখ টানা ক্যাকটাস by মেরীনা চৌধুরী
- শীতে সোয়েটার by শিপন কোড়াইয়া
- বছর পরিকল্পনা by তৌফিক অপু
- টিনএজার দিশেহারা মা-বাবা by রেহানা ফারম্নক
- রিপোর্টারের ডায়েরি
- মহাজোট সরকারের এক বছর এবং বাজার বিদু্যত ও গ্যাস by...
- সিডনির মেলব্যাগ- অভিবাসীর আত্মশুদ্ধি ও তারুণ্যের অ...
- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়
- সামাজিক উদ্যোক্তা ড. ইউনূসের নতুন প্রস্তাব by ড. ...
- উপজেলা পরিষদের নতুন কাঠামো by এ এম এম শওকত আলী
- জিয়ার চিঠি ও বর্মায় বাংলাদেশের শরণাথর্ী- মুক্তিযুদ...
- ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশ অর্থনীতির সব সূচকেই অগ্রগতি- কৃ...
- আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরম্ন হচ্ছে এ মা...
- উজান গাঙের নাইয়া...বাঙালীর অনত্মবর্ীণায় সুরগাথা- র...
- সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ
- কী হবে লিবিয়ায়?
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহর কাছে ঈসা (আ.)-এর উদাহরণ...
- পুলিশ বন্ধু না হোক, শত্রু যেন না হয় by প্রভাষ আমিন
- আসন্ন এসএসসি পরীৰা হবে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে ন...
- মহাজোটে টানাপোড়েন নেই, চাওয়া পাওয়ারও কিছু নেই- একক...
- এরশাদকে চারদলীয় জোটে ভেড়াতে ১৫ কোটি টাকা ঘুষ দেয়া ...
- রাজধানীর চারপাশে চার উপশহর গড়ে তোলা হবে- ঢাকায় কমু...
- সফরকালীন রোজা by সৈয়দ গোলাম মোরশেদ
- চার মোবাইল অপারেটরের লাইসেন্স-পাওনা পরিশোধের আগেই ...
- বেদখল
- জঙ্গীদের তৎপরতা
- গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে মিত্রতা জোরদার ও আমাদের ক...
- খবর শুধু খবর নয় by নিয়ামত হোসেন
- আবারও চড়া দামে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করল পিডিবি
- আকালের কারণ বহুবিধ- বলছেন বিশেষজ্ঞরা by রফিকুল ইসল...
- 'মরা পদ্মায় ইলিশ অ্যাসবে কোথ্যাকে' by রফিকুল ইসলাম
- পদ্মা-মেঘনার মাছ নেই চাঁদপুরে by ফারুক আহম্মদ
- কোথায় হারাল ইলিশ by চৌধুরী আফতাবুল ইসলাম
- পরিত্যক্ত জমি দখলে বহুমাত্রিক জালিয়াতি by আপেল মাহমুদ
- পদ্মা সেতু প্রকল্প-বিশ্বব্যাংকের সাড়া পেয়েই চুক্তি...
- আনোয়ারায় বিতর্কিত প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ-উচ্চ আদাল...
- সীমাহীন চুরি!-ডিসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন by...
- আইসিসিতেই বিচার চান সাইফ
- মার্কিন লেখক গোর ভিডালের জীবনাবসান
- 'অনশন ভাঙো, অথবা হাসপাতালে যাও'
- ইরানের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
- বিশ্বে মুসলিম পর্যটক বাড়ছে, বরণে প্রস্তুত হচ্ছেন ব...
- আশেক আলী খান- স্মরণ by নীলুফার বেগম
- ৫৮৯০টি মামলা প্রত্যাহার করে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের ম...
- ঈর্ষণীয় সফলতাই মুজিব হত্যার কারণ by সরদার সিরাজুল...
- পদ্মা সেতুর বিষয়ে একজনই কথা বলুন, বারোজন নয় by মু...
- লিখিত বিবৃতিতে আসাদ-এবারের লড়াইয়েই জাতির ভবিষ্যৎ ন...
- প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব
- মোশাররফের বিরুদ্ধে রেড ওয়ারেন্ট জারি করবে না ইন্টা...
- মাদক চোরাচালানে মদদের অভিযোগ-মেক্সিকোতে চার শীর্ষ ...
- সেনেগাল দিয়ে আফ্রিকা সফর শুরু হিলারির-১১ দিনে সাত ...
- এইচআরডাব্লিউর প্রতিবেদন-মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর ...
- ভারতে অচল গ্রিড সচল হলেও আতঙ্ক কাটেনি-দু দিন পর বি...
- হুমকির মুখে জননিরাপত্তা
- উন্নয়নের পথে আট বাধা
- এমটিভি সংগীত পদকের মনোনয়নে শীর্ষে রিহানা
- পবিত্র কোরআনের আলো-সামুদ জাতির নেতারা তাদের নবীর প...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মাহমুদুর রহমান মান্না-সরকারের স...
- সালমা-লিজা-ঝিলিক-কোনাল চ্যাম্পিয়ন চারকন্যা
- চরাচর-লবণ উৎপাদন যেখানে যেভাবে by তোফায়েল আহমদ
- বিদ্যুত বিপর্যয়সহ নানান ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত হবে লোক...
- কূটনীতিকদের সম্মানে খালেদার ইফতার
- নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকার চাইলে বিএনপি আলোচনায় রা...
- ‘পারিসার উৎসবের রঙ’ গ্যালারি জুমে- সংস্কৃতি সংবাদ
- দুই বাংলার ধীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘রোশনি’
- ভারতে বিদ্যুত বিপর্যয়ে কেন্দ্রের অভিযোগ রাজ্যের প্...
- দক্ষিণখানে সস্ত্রীক সেনা কর্মকর্তা খুনের মোটিভ মেল...
- আরও ১২ হজ এজেন্সি নিষিদ্ধ করেছে সৌদি সরকার- অনিয়ম ...
- থ্রিজি সংযোগ পেতে নতুন পদ্ধতির ঘোষণা দিয়েছে টেলিটক...
- ফেস্টুনে লেখা স্মৃতি, পরে নিমজ্জন চিত্রাঙ্গদা শেষে...
- পোশাক শিল্পে অস্থিরতা নিরসনে আলোচনা জরুরি by ইফতেখ...
- সাদাকালো-সিরিয়ায় সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপ বন্ধ হোক ...
- আজ পদ্মা সেতু বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরবেন অর্থ...
- কাদের মোল্লা আলোকদী গ্রামে অসংখ্য বাঙালীকে হত্যা ক...
- পাঁচতারা হোটেলে বাহারি ইফতারি আয়োজন, দেশী-বিদেশী আ...
- তারুণ্যে নিরুদ্দেশ মোসলেম ফিরে এলেন ২৩ বছর পর- নিখ...
- তথাকথিত নিরাপদ চলাচলে বেপরোয়া পথচারী বেপরোয়া চলাচল...
- ২১ এনজিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আর্থিক অনিয়মের ॥ ক্ষুদ্র...
- দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নে চিকিৎসাব্যবস্থা by এ কে এ...
-
▼
Aug 02
(84)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment