Sunday, August 26, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : ড. ওসমান ফারুক-বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে
বিশেষ সাক্ষাৎকার : ড. ওসমান ফারুক-বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সংকট নিরসনে সংলাপ অনুষ্ঠানের তাগিদ সব দিক থেকে। কিন্তু তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। দেশের রাজনীতির সামগ্রিক বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব ও মোশাররফ বাবলু
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
ড. ওসমান ফারুক : বাংলাদেশে কোনো সরকার শতভাগ সফল বা শতভাগ ব্যর্থ- এটা বলা মুশকিল। এটি সমস্যাসংকুল একটি দেশ। সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করতে হবে নির্বাচনী অঙ্গীকার বিবেচনায় এনে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, কিভাবে সমস্যা মোকাবিলার চেষ্টা করেছে- এসব বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। প্রথমেই বলে রাখি, এ সরকার একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এসেছে। বিএনপি তো এখনো মনে করে ২০০৮ সালের নির্বাচন একটি পাতানো নির্বাচন ছিল। বিএনপির ধারণা, ২০০৮ সালের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। তৎকালীন সেনাসমর্থিত সরকারের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ার ভিত্তিতে শেখ হাসিনা নির্বাচনী বৈতরণী পার হন। শুরুতে খালেদা জিয়া এই নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে যান। এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলো এবং সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করল। খালেদা জিয়া চেষ্টা করেছেন একটি অশুভ শক্তির হাত থেকে দেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যেতে। পর্যাপ্ত আসন না পেলেও ৩২-৩৩ শতাংশ ভোট বিএনপি পেয়েছে। আসন সংখ্যা দিয়ে বিএনপির মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। গণতন্ত্রের জন্য শুরুতেই বিএনপি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিল। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদে গিয়েছিলেন। যেভাবেই নির্বাচন হোক না কেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকারকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছিলেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের যে নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, সেটা খুবই সুখপাঠ্য। চমৎকার শোনায়। ইশতেহারটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী মেনিফেস্টো উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়াটা দোষের নয়। সেখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনী ওয়াদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে এই সাড়ে তিন বছরে খুব কমই বাস্তবায়ন করতে পেরেছে সরকার।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে আমি মনে করি, সম্পূর্ণ অব্যবস্থাপনার স্বাক্ষর রেখেছে বর্তমান সরকার। বর্তমান অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি। তিনি বিশ্বব্যাংকের বিকল্প পরিচালক ছিলেন। এডিবির পরিচালক ছিলেন। অর্থসচিব ছিলেন, ইআরডি সচিব ছিলেন। কিন্তু তাঁর সময়ে এসেই অর্থনীতি একটি বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। ভাববেন না, আমি ভাবাবেগে বলছি বা নিছক সমালোচনার খাতিরে সমালোচনা করছি। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন- সবার সমীক্ষা দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। সবাই গত সাড়ে তিন বছরের অর্থনৈতিক অবস্থার সমালোচনা করেছে। একটু ব্যাখা করি। ২০০৬ সালে সামষ্টিক অর্থনীতির যে স্বাস্থ্য ছিল, ক্রমেই তার অবনতি হয়েছে। ২০০৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতা থেকে যাই তখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি ছিল ৩ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ শতাংশ। সামষ্টিক অর্থনীতির সব সূচক এ দেশের জন্য ভালো অবস্থায় ছিল। এরপর থেকে ক্রমেই কমে আসছে। কমে আসা মানে হচ্ছে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এই বছর ৬.৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৬ থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ অর্ধযুগেও সেই ২০০৬-এর অঙ্কে পৌঁছতে না পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলো কোথায়? নিয়মিত বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একটি বিশাল ভর্তুকির বাজেট দেওয়া হচ্ছে। গার্মেন্ট শিল্পে স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে। ৭৫ হাজার পোলট্রি ফার্ম বন্ধ। শিল্প প্রবৃদ্ধি হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু আগের মতো সেই হার নেই। আমদানি-রপ্তানির দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে, রপ্তানি বৃদ্ধির হার কমেছে। মূল্যস্ফীতি কমানো যায়নি। বিশেষ করে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ওপরের দিকে। মানুষের কর্মসংস্থান খুব একটা বেশি হয়নি। ভারতে ঘরে ঘরে চাকরি, বছরে কমপক্ষে ১০০ দিন কাজ- এমন একটা কর্মসৃজন পদ্ধতি আছে- আমি এটাকে ভালো মনে করি। মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারে এটা ছিল। সেটা হয়নি। অর্থনীতির স্বাস্থ্য খারাপ। মাত্র একটা ক্ষেত্র, খাদ্য উৎপাদনে দেশটা বেশ ভালো অবস্থানে আছে। সে কারণে মানুষ হয়তো অভুক্ত নেই। সরকারের আরেকটা ব্যর্থতার জায়গা হচ্ছে বিদ্যুৎ। বিদ্যুতের ব্যাপারে মার্চ ২০১১ সাল পর্যন্ত সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। হঠাৎই কুইক রেন্টালে চলে গেল। কুইক রেন্টালের ব্যাপারে ইনডেমনিটি দেওয়া হলো। সরকারি ক্রয়ে যত রকমের ফাঁকফোকর আছে, দুর্নীতি আছে, তা করা হয়েছে। অনিয়ম করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়েছে ফার্নেস অয়েল। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা চলে গেছে। প্রতিবছরের বিদ্যুৎ চাহিদা স্থায়ীভাবে মেটানোর জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, সেটা এ সরকার করেনি। পুরো বিদ্যুৎ খাত নিয়ে একটা শ্বেতপত্র প্রকাশ করা দরকার। সবদিক বিবেচনা করলে সরকারে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লাটাই বেশি ভারী।
কালের কণ্ঠ : মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল সুশাসন নিশ্চিত করা। সেটা কতটুকু করতে পেরেছে সরকার?
ড. ওসমান ফারুক : বিষয়টি তো দৃশ্যমান। সুশাসনের বহিঃপ্রকাশ নানাভাবে ঘটে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা কেমন, দুর্নীতি কেমন করে দমন করা হচ্ছে, মানবাধিকার কেমন করে রক্ষা করা হচ্ছে- এসবের ওপর সুশাসন নির্ভর করে। মানবাধিকারের বিষয়টি তো সবার কাছে স্পষ্ট। বাইরেও সবাই এক কথা বলে- এ দেশে মানবাধিকার ভীষণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিন সরকারের আমলেও রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মানুষকে। সেটা একটা অস্বাভাবিক সরকার ছিল। এ সরকারও রিমান্ডে নিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে যত মামলা ছিল, সবই খারিজ হয়ে গেছে। বিএনপিরগুলো খারিজ হচ্ছে না। এটা অপশাসনের একটি লক্ষণ। এ সরকারের আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। মানবাধিকার ক্রমেই লঙ্ঘিত হচ্ছে। হত্যা-গুম-রাহাজানি বেড়ে গেছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এম ইলিয়াস আলীর খোঁজ মেলেনি। আমিনুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। এসব কারণে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কাজেই সুশাসনের বিষয়টিকে অলীক বিষয় বলেই মনে হচ্ছে। দুঃশাসনের যত রকম ফাঁকফোকর সবই এ সময় সৃষ্টি হয়েছে। ঈদের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, বাড়িতে যাওয়ার সময় ঘরে তালা দিয়ে যাবেন। এ থেকে কী প্রমাণ হয়। সরকার সব ধরনের দায়দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চায়। মানুষের ঘরে নিরাপত্তা নেই, রাস্তাঘাটে নিরাপত্তা নেই, ক্রসফায়ার থেকে নিরাপত্তা নেই- তাহলে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? আমি তো মনে করি, সুশাসন সম্পূর্ণভাবে নির্বাসনে। সবচেয়ে দুঃখের ও চিন্তার কথা হলো, সরকারের অর্থমন্ত্রী বা সরকার স্বীকার করে না যে এ দেশে একটি অর্থনৈতিক সংকট চলছে। এ দেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, এ দেশে যে দুঃশাসন চলছে, ড. ইউনূসকে নিয়ে যে ঘটনা চলছে, তাতে বিদেশে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। পদ্মা সেতু যে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে- এটাও সরকার স্বীকার করে না। আমাদের প্রতিবেশী দেশের কথাই ধরি। একটা ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলে সেখানে মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। আর আমাদের এখানে একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ করতে ১১ মাস লাগল! এক মন্ত্রীর এপিএসের গাড়িতে সন্দেহজনক টাকা পাওয়া গেল। সেই মন্ত্রীকে পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হলো না। এগুলো তো সুশাসনের লক্ষণ নয়।
কালের কণ্ঠ : বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী? আপনার কি মনে হয়, মন্ত্রীদের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ম্লান হয়েছে বা হচ্ছে?
ড. ওসমান ফারুক : দেখুন, আমি সব সময় বিশ্বাস করি, নতুন প্রজন্ম আস্তে আস্তে নেতৃত্ব নেবে। যখন এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয় তখন অনেক পুরনো ও অভিজ্ঞ মন্ত্রী বাদ পড়ে যান। সবাই প্রায় নতুন মুখ। একজন তো রসিকতা করে বলেছিলেন, এই মন্ত্রিসভা কচিকাঁচার মেলা। নতুন মুখ নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করায় আমি দোষের কিছু দেখি না। কারণ তাঁদের তো গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু পরবর্তী সময় দেখা যাচ্ছে, এই মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাঁদের অনেকের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় না তাঁরা মন্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞাত। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা সর্বকালের অদক্ষ ও অযোগ্য মন্ত্রিসভা হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সবাইকে এক কাতারে ফেলা ঠিক হবে না। কয়েকজন তো অত্যন্ত যোগ্য মন্ত্রী রয়েছেন। কিন্তু বেশির ভাগই গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পারফরম্যান্স ও কথাবার্তা থেকে যোগ্যতা মাপা যায় না। অনেক মন্ত্রীর অতিকথনে তো তাঁদের নিজেদের লোকজনই বিরক্ত।
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কি ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন?
ড. ওসমান ফারুক : শুরুতেই বলে রাখি, মুক্ত অর্থনীতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ খুব কঠিন। কিন্তু মুক্ত অর্থনীতিতে বাজার ঠিকমতো চলছে কি না, সেটা রেগুলেট করা যায়। বাজার ঠিকমতো না চললে, প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব। এখানে অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কথা শুনি। ঘাটে-ঘাটে, রাস্তায়-রাস্তায় চাঁদাবাজির কথা শুনি। আমি মনে করি, বাজার ব্যবস্থাপনায় যে ধরনের মনিটরিং প্রয়োজন ছিল, সেটা সরকার করতে পারেনি। এই করতে না পারার একটি কারণ হচ্ছে দলীয়করণ। আমি মনে করি, সরকার ইচ্ছা করলে বাজারের অনেক অব্যবস্থা দূর করতে পারে। অপপ্রভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। দলীয় কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আগেই বলেছি, খাদ্যবহির্ভূত জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। খাদ্যসামগ্রীর দাম এমনভাবে কমেছে, এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল্য ব্যবস্থাপনায় কোনো দক্ষতা দেখাতে পারেনি সরকার। মূল্য ব্যবস্থাপনা এমন একটা জিনিস, যেখানে দেখতে হয় ভোক্তাদের অতি উচ্চমূল্যে কিনতে হচ্ছে কি না। অন্যদিকে উৎপাদকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে না। মূল্য ব্যবস্থাপনা জিনিসটা সরকার বোঝে বলে মনে হয় না। তারা একেক সময় একেক কথা বলে। কম খান, এক দিন বাজার কম করেন- এসব কথা বলে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। মূল্য ব্যবস্থাপনার একটি তাত্তি্বক এবং ব্যবহারিক দিক রয়ে গেছে। আপনি কী মূল্য দিতে চান যাতে ভোক্তা এবং উৎপাদকের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়, সে ধরনের কোনো চিন্তাভাবনা সরকার করে বলে মনে হয় না। মুক্তবাজারে বিভিন্ন ধরনের সুবিধাভোগী থাকে। ব্যবসায় মুনাফা থাকবেই। দেখার বিষয় হচ্ছে, কিভাবে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : এর পাশাপাশি শেয়ারবাজার নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। শেয়ারবাজার নিয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : শেয়ার একটা কম্যুডিটি। এটা বিক্রি হবে। শেয়ারবাজার ওঠানামা করতেই পারে। অনেক সময় ব্যাপক ওঠানামা করতে পারে। কিন্তু এই ওঠানামার পেছনে বড় ধরনের কোনো কারসাজি আছে কি না, সেটাই হচ্ছে দেখার মূল বিষয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি হয়েছিল। সেটারই পুনরাবৃত্তি ঘটল এ সরকারের আমলে। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে অনেকবার এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে হুঁশিয়ার করেছি। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সেটা প্রকাশ করা হলো না। শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার যা করেছে, সেটা সম্পূর্ণ অস্বচ্ছতা। যারা দোষী, শেয়ারবাজার লুণ্ঠনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো বিচার হলো না। শেয়ারবাজার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। প্রায় দেড় কোটি মানুষ রাস্তায় বসে গেছে। আমি তো মনে করি, শেয়ারবাজারে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এক দিকে যারা শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের রক্ষা করা হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের সেই টাকা সাদা করার জন্য সরকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কী হবে? এখানেও সরকার ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ।
কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান ধারায় আপনার কি মনে হয় আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে?
ড. ওসমান ফারুক : এ মুহূর্তে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রটি অত্যন্ত হতাশাজনক। আমি মনে করি, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো বর্তমান সরকারের পক্ষেই সম্ভব ছিল। এত বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নিকট অতীতে কোনো দল তো ক্ষমতায় আসেনি। বিরোধী দলের সঙ্গে একটি সমঝোতা ও সম্প্রীতিমূলক অবস্থান তৈরি করা। সেটা হয়নি। সংসদে বিরোধী দলের নেত্রীকে গালাগাল করা হয়। জিয়াউর রহমানকে রাজাকার বলা হয়। আরো অনেক ঘটনা আছে সংসদের ভেতরে ও বাইরে। তখন কিন্তু সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ ব্যাহত হয়। রাজনীতি সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হয়েছে সংবিধানে জোড়াতালি দেওয়া একটা সংশোধনী আনার পর। হাইকোর্টের একটি রায়, যেটা এখনো লেখা হয়নি, প্রকাশিত হয়নি- তার খণ্ডিত একটি অংশের ওপর ভিত্তি করে- সেটারও একটি পূর্ণ ব্যাখ্যা না দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। শুধু বিরোধী দল নয়, দেশে-বিদেশে অনেকের কাছেই এটা গ্রহণযোগ্য হয়নি। এই সংশোধনীর পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই দেশে কেউ যেন আর অন্যায়ভাবে অগণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে জন্য এই সংশোধনী আনা হয়েছে। আমি বলব, এই দেশে কোনো সরকার যখন সরকারে থাকে, তাদের যেন ভোটে ক্ষমতাচ্যুত না করা যায়, সে জন্যই সংশোধনী আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, সংসদ থাকবে- এটা তো সম্ভব নয়। এখন আবার বলা হচ্ছে পাঁচজন-পাঁচজন কী একটা!
কালের কণ্ঠ : তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সরব। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : বিএনপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন- যে নামেই ডাকা হোক, এতে কিছু এসে যায় না। কথা একটাই। সেটা হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকারকে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনকেও নিরপেক্ষ হতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেদিন বক্তব্য দিলেন, দেশের জনগণ সংবিধানের এই পরিবর্তন মেনে নিয়েছে। তাঁর তো এই রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিনি বলতে পারতেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আমি নির্বাচন পরিচালনা করব। কিন্তু 'দেশের জনগণ মেনে নিয়েছে'- এটা বলে তিনি তো একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য প্রকাশ করে ফেললেন। নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনে ও পুলিশে দলীয়করণ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় যদি এমন একটা সরকার থাকে, যেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং সেই সরকার করা হবে সংসদে যাঁরা আছেন তাঁদের নিয়ে- তাহলে তো সেই সরকার নির্দলীয় সরকার হলো না। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করতে হবে। তা না হলে নির্বাচন করেও কোনো লাভ নেই।
কালের কণ্ঠ : ইদানীং তৃতীয় শক্তি বলে একটা কথা শোনা যাচ্ছে। আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন- এমন কথাও অনেককেই বলতে শোনা যায়? এই তৃতীয় শক্তি কিংবা নতুন ওয়ান-ইলেভেন সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
ড. ওসমান ফারুক : কোনটা যে তৃতীয় শক্তি আর কোনটা যে চতুর্থ শক্তি, সেটা বোধ হয় আমাদের জানা আছে। আমি মনে করি, গণতান্ত্রিক যে ধারা রয়েছে, সেটা ব্যাহত হওয়া উচিত নয়। সেই ধারা তখনই ব্যাহত হবে, যখন বড় রাজনৈতিক দলগুলো মূল ইস্যুতে কোনো সমঝোতায় আসতে পারবে না। আওয়ামী লীগ যে পথে যাচ্ছে, তাতে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার কোনো বাণী তারা উচ্চারণ করেনি। সমঝোতার কোনো পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়নি। ভেতরে-বাইরে সমঝোতার কোনো পরিবেশ এখন পর্যন্ত নেই। এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব সরকারি দলের। রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে, তথাকথিত তৃতীয় শক্তি যদি আসে, রাজনীতি যদি ব্যাহত হয়, তাহলে কোনো রাজনৈতিক দলই রেহাই পাবে না। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি সমঝোতায় আসতে হবে।
কালের কণ্ঠ : সেই সমঝোতার সূত্র হতে পারে সংলাপ- এমন কথা বলছেন অনেকেই। আপনার কী মত?
ড. ওসমান ফারুক : সংলাপ তো হতেই হবে। নানাভাবে সংলাপ শুরু করা যেতে পারে। সংলাপ যদি হতে হয়, 'ইট হ্যাজ টু বি ভেরি স্ট্রাকচারড'। মিনিমাম একটা ফ্রেমওয়ার্ক থাকবে আমরা কী অ্যাচিভ করতে চাই। আমাদের সংলাপের উদ্দেশ্য কী, বর্তমান সমস্যা কী- এটা স্পষ্ট হতে হবে। এজেন্ডার চেয়ে বড় কথা একটা ফ্রেমওয়ার্ক দরকার। সেই ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সিরিয়াস আলাপ হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে আলাপ হবে। এর বাইরেও স্বচ্ছতার সঙ্গে আলাপ হতে পারে। আলাপটা আন্তরিকতার সঙ্গে শুরু করতে হবে। এর দায়িত্বটা কিন্তু সরকারের। কেননা সরকার ঘোড়ার ওপর বসে আছে। 'আমরা যা দিচ্ছি, তা-ই নাও'- বিরোধী দলের সঙ্গে এভাবে আচরণ করা ঠিক নয়। এভাবে তো আর সংলাপ করা যাবে না। সংলাপের আগে আমাদের একটা শর্ত আছে। সংলাপ শুরুর আগে সরকারকে নীতিগতভাবে স্বীকার করতে হবে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তারা প্রস্তুত এবং এ কারণে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করতে সরকার প্রস্তুত। এ প্রতিশ্রুতি না দিলে তো কোনো সংলাপ কাজে আসবে না। হয়তো বসা হবে। আলোচনা হবে, ঝগড়া-বিতণ্ডাও হতে পারে, কিন্তু কোনো ফল হবে না।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে? সেই দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন কোথায়?
ড. ওসমান ফারুক : আগে সংসদ ধরে রাখার প্রসঙ্গে আসি। সংসদের কার্যকলাপের ওপর একটা রিপোর্ট বেরিয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছে, সংসদ অধিবেশনে প্রতি মিনিটের জন্য খরচ হয় ৪২ হাজার টাকা। এর পরও এই সংসদে কোরামের অভাব থাকে। উপরন্তু এই সংসদে কোনো কিছুই তো আলোচনা হয় না। সংসদকে বিরোধী দল অকার্যকর করে রাখেনি। চুক্তি থেকে শুরু করে কোনো কিছুই তো আলোচনা হয় না সংসদে। সংসদ এমনিতেই অকার্যকর। সেখানে ৭০০ বারেরও বেশি প্রধানমন্ত্রীর স্তুতি হয়েছে, ৬০০ বারেরও বেশি বিরোধী দলের নেত্রীকে গালি দেওয়া হয়েছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত সাড়ে ৭ শতাংশ সময় গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। কাজেই সংসদ যে খুব একটা কার্যকর সংসদ, তা নয়। এর পরও সংসদ কার্যকর করার দায়িত্ব কিন্তু সংসদ নেতার। সংসদে তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা নন। পরিবেশ সৃষ্টির দায়িত্ব রয়েছে স্পিকারেরও। এ দায়িত্ব তাঁরা দুইজনের একজনও পালনি করেননি।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দলের জোট সম্প্রসারিত হয়েছে। এই জোট দেশের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারবে বলে মনে করেন আপনি?
ড. ওসমান ফারুক : একটা রাজনৈতিক দল শুধু সংসদের ভেতরেই সক্রিয় থাকে না। সংসদের ভেতরে ও বাইরে দুই জায়গাতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে। আজকে দেশের যে পরিস্থিতি, আজকে বলতে এই সরকারের আমলে অর্থনৈতিক, সামাজিক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ, বীতশ্রদ্ধ। দেশের মানুষ সরকারের বিপক্ষে চলে গেছে। একটি রাজনৈতিক দলের মূল কর্তব্য হচ্ছে দেশের সমস্যা মানুষের সামনে তুলে ধরা। জনমত গঠন করা। আমাদের এখানে বলে রাস্তায় বক্তৃতা করা। বিদেশে এটাকেই বলে মবিলাইজিং পাবলিক ওপিনিয়ন। আমরাও যে পল্টনে বক্তৃতা করছি, মিছিল করছি- আমরা পাবলিক ওপিনিয়ন মবিলাইজ করতে চাইছি। জনমত সংগঠিত করতে চাইছি। আমাদের আন্দোলন মোটেও সরকার উৎখাতের আন্দোলন নয়। সরকার আমাদের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। সেখানে আমরা সংসদে গিয়ে কী করব? সরকার গণতান্ত্রিক হলে সংসদে গিয়ে কথা বলা যেত। এ সরকারের কাছে আমাদের লেভেল অব কমফোর্ট নেই। সে জন্যই আমরা বলছি, এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করা যাবে না।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এ বিচার প্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
ড. ওসমান ফারুক : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তামাদি হওয়ার নয়। কিন্তু এটাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হতে হবে। আসামিপক্ষের এক আইনজীবীকে তো আসতেই দেওয়া হয়নি। অনেক সাক্ষীকে নাকি জেরা করা যাবে না। কাগজে পড়েছি, অনেককে নাকি সেইফ হাউসে রেখে প্রশিক্ষণ দিয়ে সাক্ষী দেওয়া হচ্ছে। পুরো জিনিসটা একটা অস্বচ্ছ জায়গায় চলে যাচ্ছে, এমন সন্দেহ হওয়ার যথেষ্ট অবকাশ আছে। এতে ভয় হচ্ছে, সত্যিকার যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের হয়তো বিচার হবে না। আবার যুদ্ধাপরাধী না হয়েও রাজনৈতিক কারণে অনেকের বিচার হয়ে যাবে- এমন আশঙ্কা রয়ে গেছে। আমি এখনো আশা করি, সরকার সব ত্রুটি সংশোধন করে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
কালের কণ্ঠ : এ সময়ের অন্যতম আলোচিত বিষয় পদ্মা সেতু। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রী আবুল হোসেন পদত্যাগ করলেন। পদ্মা সেতু ও বিশ্বব্যাংকের ঋণসহায়তা বাতিল নিয়ে যে ঘটনাপ্রবাহ- এ প্রসঙ্গে আপনার মন্তব্য জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : পদ্মা সেতুর সূচনা ২০০৫ সালে আমাদের সময়ে। তখন আমরা জাইকার অর্থায়নে একটা প্রাক সমীক্ষা করেছিলাম। এটা একনেকে পাস হলো ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। এরপর তো বর্তমান সরকার এলো। পদ্মা সেতু না হওয়াটা আমাদের জন্য খুব ক্ষতিকর- বিশেষ করে দক্ষিণ বাংলার মানুষের জন্য। আমি মনে করি, এটা সরকারের আরেকটা অব্যবস্থাপনা। একটি অপেশাদার ব্যবস্থাপনা। আর এই অব্যবস্থাপনা কিংবা অপেশাদার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে শুধু একজন লোককে নিরাপদে রাখার জন্য। তিনি এখনো নিরাপদেই আছেন। প্রথম যখন বিশ্বব্যাংক সরকারকে চিঠি দেয়, তখনই সরকারের উচিত ছিল বিষয়টি শক্তভাবে দেখা। সরকারের তখনই বলা উচিত ছিল, কোনো বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে আমরা বসে সেটা আলাপ করে ঠিক করে নেব। বিশ্বব্যাংক কী বলতে চায়, সেটা শোনা উচিত ছিল। সরকার করল উল্টোটা। প্রকাশ্যে বিশ্বব্যাংকে দোষারোপ করা শুরু করে দিল। বিশ্বব্যাংক যদি অন্যায় কিছু করে থাকে, যদি অন্যায্য আচরণ করে থাকে- সেটা প্রতিকারের ব্যবস্থা ছিল। সেখানে তো আমাদের প্রতিনিধি আছেন। তিনি সেটা বোর্ডে তুলতে পারতেন। ব্যাপারটা দাঁড়াল এই যে, মূল সমস্যা পাশ কাটিয়ে চারপাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি করা হলো। নিজেদের মতো করে সেলফ ডিফেন্সিভ একটা অবস্থানে চলে যাওয়া হলো। আমি বিশ্বব্যাংকে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলি, ঋণচুক্তি বাতিল করার আগ পর্যন্ত নেগোসিয়েশন করা উচিত ছিল। এসব বিষয় নেগোসিয়েট করতে হয় সরল বিশ্বাসে। সরকার করল কী? বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যখন ঋণচুক্তি বাতিল হয়নি, তখন আবার মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটা নেগোসিয়েশন শুরু করে দিল। এটাও তো একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা ঠিকমতো দেখতে পারে না। এটা তো বিশ্বব্যাংকের অনুদান। এই অনুদানের জন্য বিশ্বের অনেক দেশ তাকিয়ে থাকে। আবার দেখুন, একটি বিষয়ে কত রকমের কথা। এক মন্ত্রী বলছেন বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যায়নি, তখনই আবার চাঁদা ওঠানো শুরু হয়ে গেল। মালয়েশিয়ার সঙ্গে কথা বলা শুরু হয়ে গেল। এখন দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, তদন্ত করবে। আবুল হোসেন সাহেবকে এখন সরিয়ে দেওয়া হলো। যদি বিশ্বব্যাংক অন্যায় করে থাকে, তাহলে তারা যে চিঠিগুলো দিয়েছে সেগুলো প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? বিষয়টি খোলাসা করে জনগণকে জানানো হয়নি। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আমি জানতে চাই, বিশ্বব্যাংক আমাকে কেন চোর বলল। কিছুই প্রকাশ করা হচ্ছে না। কী দুর্বলতা? আবার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, সেলফ রিলায়েন্স একটা গর্বের ব্যাপার। কিন্তু সেটা কতটুকু সম্ভব। বাস্তবতা তো মানতে হবে। পদ্মা সেতুর ব্যাপারে সরকারের কথা ও কাজ, সব কিছুতেই অপেশাদারিত্ব স্পষ্ট।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
ড. ওসমান ফারুক : দেড় বছর সরকারের জন্য গোছানোর সময়। আমিও তো একটা সরকারে ছিলাম। শেষ সময়ে চাপ অন্যরকম চলে আসে। ঘর গোছানোর চাপ। নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক দিকে যেতে হয়। রুটিন কাজের বাইরে এই দেড় বছরে কিছু করা সম্ভব হয় না। এ সরকার তো কিছু কিছু কাজ জটিল করে ফেলেছে। এই দেড় বছরে সরকার খুব বেশি একটা কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। রাজনৈতিকভাবে সরকার বিশ্বস্ততা হারিয়েছে। সরকারের আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ?
ড. ওসমান ফারুক : আপনাদেরও ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
ড. ওসমান ফারুক : বাংলাদেশে কোনো সরকার শতভাগ সফল বা শতভাগ ব্যর্থ- এটা বলা মুশকিল। এটি সমস্যাসংকুল একটি দেশ। সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করতে হবে নির্বাচনী অঙ্গীকার বিবেচনায় এনে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, কিভাবে সমস্যা মোকাবিলার চেষ্টা করেছে- এসব বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। প্রথমেই বলে রাখি, এ সরকার একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এসেছে। বিএনপি তো এখনো মনে করে ২০০৮ সালের নির্বাচন একটি পাতানো নির্বাচন ছিল। বিএনপির ধারণা, ২০০৮ সালের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। তৎকালীন সেনাসমর্থিত সরকারের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ার ভিত্তিতে শেখ হাসিনা নির্বাচনী বৈতরণী পার হন। শুরুতে খালেদা জিয়া এই নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে যান। এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলো এবং সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করল। খালেদা জিয়া চেষ্টা করেছেন একটি অশুভ শক্তির হাত থেকে দেশকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যেতে। পর্যাপ্ত আসন না পেলেও ৩২-৩৩ শতাংশ ভোট বিএনপি পেয়েছে। আসন সংখ্যা দিয়ে বিএনপির মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না। গণতন্ত্রের জন্য শুরুতেই বিএনপি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিল। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদে গিয়েছিলেন। যেভাবেই নির্বাচন হোক না কেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকারকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছিলেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের যে নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, সেটা খুবই সুখপাঠ্য। চমৎকার শোনায়। ইশতেহারটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী মেনিফেস্টো উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়াটা দোষের নয়। সেখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনী ওয়াদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে এই সাড়ে তিন বছরে খুব কমই বাস্তবায়ন করতে পেরেছে সরকার।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে আমি মনে করি, সম্পূর্ণ অব্যবস্থাপনার স্বাক্ষর রেখেছে বর্তমান সরকার। বর্তমান অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি। তিনি বিশ্বব্যাংকের বিকল্প পরিচালক ছিলেন। এডিবির পরিচালক ছিলেন। অর্থসচিব ছিলেন, ইআরডি সচিব ছিলেন। কিন্তু তাঁর সময়ে এসেই অর্থনীতি একটি বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। ভাববেন না, আমি ভাবাবেগে বলছি বা নিছক সমালোচনার খাতিরে সমালোচনা করছি। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন- সবার সমীক্ষা দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। সবাই গত সাড়ে তিন বছরের অর্থনৈতিক অবস্থার সমালোচনা করেছে। একটু ব্যাখা করি। ২০০৬ সালে সামষ্টিক অর্থনীতির যে স্বাস্থ্য ছিল, ক্রমেই তার অবনতি হয়েছে। ২০০৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতা থেকে যাই তখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি ছিল ৩ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ শতাংশ। সামষ্টিক অর্থনীতির সব সূচক এ দেশের জন্য ভালো অবস্থায় ছিল। এরপর থেকে ক্রমেই কমে আসছে। কমে আসা মানে হচ্ছে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এই বছর ৬.৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৬ থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ অর্ধযুগেও সেই ২০০৬-এর অঙ্কে পৌঁছতে না পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলো কোথায়? নিয়মিত বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একটি বিশাল ভর্তুকির বাজেট দেওয়া হচ্ছে। গার্মেন্ট শিল্পে স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে। ৭৫ হাজার পোলট্রি ফার্ম বন্ধ। শিল্প প্রবৃদ্ধি হয়তো কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু আগের মতো সেই হার নেই। আমদানি-রপ্তানির দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে, রপ্তানি বৃদ্ধির হার কমেছে। মূল্যস্ফীতি কমানো যায়নি। বিশেষ করে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ওপরের দিকে। মানুষের কর্মসংস্থান খুব একটা বেশি হয়নি। ভারতে ঘরে ঘরে চাকরি, বছরে কমপক্ষে ১০০ দিন কাজ- এমন একটা কর্মসৃজন পদ্ধতি আছে- আমি এটাকে ভালো মনে করি। মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারে এটা ছিল। সেটা হয়নি। অর্থনীতির স্বাস্থ্য খারাপ। মাত্র একটা ক্ষেত্র, খাদ্য উৎপাদনে দেশটা বেশ ভালো অবস্থানে আছে। সে কারণে মানুষ হয়তো অভুক্ত নেই। সরকারের আরেকটা ব্যর্থতার জায়গা হচ্ছে বিদ্যুৎ। বিদ্যুতের ব্যাপারে মার্চ ২০১১ সাল পর্যন্ত সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। হঠাৎই কুইক রেন্টালে চলে গেল। কুইক রেন্টালের ব্যাপারে ইনডেমনিটি দেওয়া হলো। সরকারি ক্রয়ে যত রকমের ফাঁকফোকর আছে, দুর্নীতি আছে, তা করা হয়েছে। অনিয়ম করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়েছে ফার্নেস অয়েল। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা চলে গেছে। প্রতিবছরের বিদ্যুৎ চাহিদা স্থায়ীভাবে মেটানোর জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, সেটা এ সরকার করেনি। পুরো বিদ্যুৎ খাত নিয়ে একটা শ্বেতপত্র প্রকাশ করা দরকার। সবদিক বিবেচনা করলে সরকারে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লাটাই বেশি ভারী।
কালের কণ্ঠ : মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল সুশাসন নিশ্চিত করা। সেটা কতটুকু করতে পেরেছে সরকার?
ড. ওসমান ফারুক : বিষয়টি তো দৃশ্যমান। সুশাসনের বহিঃপ্রকাশ নানাভাবে ঘটে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা কেমন, দুর্নীতি কেমন করে দমন করা হচ্ছে, মানবাধিকার কেমন করে রক্ষা করা হচ্ছে- এসবের ওপর সুশাসন নির্ভর করে। মানবাধিকারের বিষয়টি তো সবার কাছে স্পষ্ট। বাইরেও সবাই এক কথা বলে- এ দেশে মানবাধিকার ভীষণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিন সরকারের আমলেও রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মানুষকে। সেটা একটা অস্বাভাবিক সরকার ছিল। এ সরকারও রিমান্ডে নিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে যত মামলা ছিল, সবই খারিজ হয়ে গেছে। বিএনপিরগুলো খারিজ হচ্ছে না। এটা অপশাসনের একটি লক্ষণ। এ সরকারের আমলে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। মানবাধিকার ক্রমেই লঙ্ঘিত হচ্ছে। হত্যা-গুম-রাহাজানি বেড়ে গেছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এম ইলিয়াস আলীর খোঁজ মেলেনি। আমিনুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। এসব কারণে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কাজেই সুশাসনের বিষয়টিকে অলীক বিষয় বলেই মনে হচ্ছে। দুঃশাসনের যত রকম ফাঁকফোকর সবই এ সময় সৃষ্টি হয়েছে। ঈদের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, বাড়িতে যাওয়ার সময় ঘরে তালা দিয়ে যাবেন। এ থেকে কী প্রমাণ হয়। সরকার সব ধরনের দায়দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চায়। মানুষের ঘরে নিরাপত্তা নেই, রাস্তাঘাটে নিরাপত্তা নেই, ক্রসফায়ার থেকে নিরাপত্তা নেই- তাহলে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? আমি তো মনে করি, সুশাসন সম্পূর্ণভাবে নির্বাসনে। সবচেয়ে দুঃখের ও চিন্তার কথা হলো, সরকারের অর্থমন্ত্রী বা সরকার স্বীকার করে না যে এ দেশে একটি অর্থনৈতিক সংকট চলছে। এ দেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, এ দেশে যে দুঃশাসন চলছে, ড. ইউনূসকে নিয়ে যে ঘটনা চলছে, তাতে বিদেশে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। পদ্মা সেতু যে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে- এটাও সরকার স্বীকার করে না। আমাদের প্রতিবেশী দেশের কথাই ধরি। একটা ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলে সেখানে মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। আর আমাদের এখানে একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ করতে ১১ মাস লাগল! এক মন্ত্রীর এপিএসের গাড়িতে সন্দেহজনক টাকা পাওয়া গেল। সেই মন্ত্রীকে পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হলো না। এগুলো তো সুশাসনের লক্ষণ নয়।
কালের কণ্ঠ : বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী? আপনার কি মনে হয়, মন্ত্রীদের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ম্লান হয়েছে বা হচ্ছে?
ড. ওসমান ফারুক : দেখুন, আমি সব সময় বিশ্বাস করি, নতুন প্রজন্ম আস্তে আস্তে নেতৃত্ব নেবে। যখন এই মন্ত্রিসভা গঠিত হয় তখন অনেক পুরনো ও অভিজ্ঞ মন্ত্রী বাদ পড়ে যান। সবাই প্রায় নতুন মুখ। একজন তো রসিকতা করে বলেছিলেন, এই মন্ত্রিসভা কচিকাঁচার মেলা। নতুন মুখ নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করায় আমি দোষের কিছু দেখি না। কারণ তাঁদের তো গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু পরবর্তী সময় দেখা যাচ্ছে, এই মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাঁদের অনেকের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় না তাঁরা মন্ত্রীর দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞাত। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা সর্বকালের অদক্ষ ও অযোগ্য মন্ত্রিসভা হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সবাইকে এক কাতারে ফেলা ঠিক হবে না। কয়েকজন তো অত্যন্ত যোগ্য মন্ত্রী রয়েছেন। কিন্তু বেশির ভাগই গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পারফরম্যান্স ও কথাবার্তা থেকে যোগ্যতা মাপা যায় না। অনেক মন্ত্রীর অতিকথনে তো তাঁদের নিজেদের লোকজনই বিরক্ত।
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কি ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন?
ড. ওসমান ফারুক : শুরুতেই বলে রাখি, মুক্ত অর্থনীতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ খুব কঠিন। কিন্তু মুক্ত অর্থনীতিতে বাজার ঠিকমতো চলছে কি না, সেটা রেগুলেট করা যায়। বাজার ঠিকমতো না চললে, প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব। এখানে অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কথা শুনি। ঘাটে-ঘাটে, রাস্তায়-রাস্তায় চাঁদাবাজির কথা শুনি। আমি মনে করি, বাজার ব্যবস্থাপনায় যে ধরনের মনিটরিং প্রয়োজন ছিল, সেটা সরকার করতে পারেনি। এই করতে না পারার একটি কারণ হচ্ছে দলীয়করণ। আমি মনে করি, সরকার ইচ্ছা করলে বাজারের অনেক অব্যবস্থা দূর করতে পারে। অপপ্রভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। দলীয় কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আগেই বলেছি, খাদ্যবহির্ভূত জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। খাদ্যসামগ্রীর দাম এমনভাবে কমেছে, এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল্য ব্যবস্থাপনায় কোনো দক্ষতা দেখাতে পারেনি সরকার। মূল্য ব্যবস্থাপনা এমন একটা জিনিস, যেখানে দেখতে হয় ভোক্তাদের অতি উচ্চমূল্যে কিনতে হচ্ছে কি না। অন্যদিকে উৎপাদকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে না। মূল্য ব্যবস্থাপনা জিনিসটা সরকার বোঝে বলে মনে হয় না। তারা একেক সময় একেক কথা বলে। কম খান, এক দিন বাজার কম করেন- এসব কথা বলে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। মূল্য ব্যবস্থাপনার একটি তাত্তি্বক এবং ব্যবহারিক দিক রয়ে গেছে। আপনি কী মূল্য দিতে চান যাতে ভোক্তা এবং উৎপাদকের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়, সে ধরনের কোনো চিন্তাভাবনা সরকার করে বলে মনে হয় না। মুক্তবাজারে বিভিন্ন ধরনের সুবিধাভোগী থাকে। ব্যবসায় মুনাফা থাকবেই। দেখার বিষয় হচ্ছে, কিভাবে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
কালের কণ্ঠ : এর পাশাপাশি শেয়ারবাজার নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। শেয়ারবাজার নিয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : শেয়ার একটা কম্যুডিটি। এটা বিক্রি হবে। শেয়ারবাজার ওঠানামা করতেই পারে। অনেক সময় ব্যাপক ওঠানামা করতে পারে। কিন্তু এই ওঠানামার পেছনে বড় ধরনের কোনো কারসাজি আছে কি না, সেটাই হচ্ছে দেখার মূল বিষয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি হয়েছিল। সেটারই পুনরাবৃত্তি ঘটল এ সরকারের আমলে। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে অনেকবার এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে হুঁশিয়ার করেছি। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সেটা প্রকাশ করা হলো না। শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার যা করেছে, সেটা সম্পূর্ণ অস্বচ্ছতা। যারা দোষী, শেয়ারবাজার লুণ্ঠনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো বিচার হলো না। শেয়ারবাজার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। প্রায় দেড় কোটি মানুষ রাস্তায় বসে গেছে। আমি তো মনে করি, শেয়ারবাজারে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এক দিকে যারা শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের রক্ষা করা হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের সেই টাকা সাদা করার জন্য সরকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কী হবে? এখানেও সরকার ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ।
কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশের রাজনীতির বর্তমান ধারায় আপনার কি মনে হয় আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে?
ড. ওসমান ফারুক : এ মুহূর্তে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ক্ষেত্রটি অত্যন্ত হতাশাজনক। আমি মনে করি, রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানো বর্তমান সরকারের পক্ষেই সম্ভব ছিল। এত বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নিকট অতীতে কোনো দল তো ক্ষমতায় আসেনি। বিরোধী দলের সঙ্গে একটি সমঝোতা ও সম্প্রীতিমূলক অবস্থান তৈরি করা। সেটা হয়নি। সংসদে বিরোধী দলের নেত্রীকে গালাগাল করা হয়। জিয়াউর রহমানকে রাজাকার বলা হয়। আরো অনেক ঘটনা আছে সংসদের ভেতরে ও বাইরে। তখন কিন্তু সুস্থ রাজনীতির পরিবেশ ব্যাহত হয়। রাজনীতি সবচেয়ে বেশি অসুস্থ হয়েছে সংবিধানে জোড়াতালি দেওয়া একটা সংশোধনী আনার পর। হাইকোর্টের একটি রায়, যেটা এখনো লেখা হয়নি, প্রকাশিত হয়নি- তার খণ্ডিত একটি অংশের ওপর ভিত্তি করে- সেটারও একটি পূর্ণ ব্যাখ্যা না দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। শুধু বিরোধী দল নয়, দেশে-বিদেশে অনেকের কাছেই এটা গ্রহণযোগ্য হয়নি। এই সংশোধনীর পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই দেশে কেউ যেন আর অন্যায়ভাবে অগণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে জন্য এই সংশোধনী আনা হয়েছে। আমি বলব, এই দেশে কোনো সরকার যখন সরকারে থাকে, তাদের যেন ভোটে ক্ষমতাচ্যুত না করা যায়, সে জন্যই সংশোধনী আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, সংসদ থাকবে- এটা তো সম্ভব নয়। এখন আবার বলা হচ্ছে পাঁচজন-পাঁচজন কী একটা!
কালের কণ্ঠ : তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সরব। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : বিএনপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন- যে নামেই ডাকা হোক, এতে কিছু এসে যায় না। কথা একটাই। সেটা হচ্ছে নির্বাচনকালীন সরকারকে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনকেও নিরপেক্ষ হতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেদিন বক্তব্য দিলেন, দেশের জনগণ সংবিধানের এই পরিবর্তন মেনে নিয়েছে। তাঁর তো এই রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তিনি বলতে পারতেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আমি নির্বাচন পরিচালনা করব। কিন্তু 'দেশের জনগণ মেনে নিয়েছে'- এটা বলে তিনি তো একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য প্রকাশ করে ফেললেন। নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনে ও পুলিশে দলীয়করণ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় যদি এমন একটা সরকার থাকে, যেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং সেই সরকার করা হবে সংসদে যাঁরা আছেন তাঁদের নিয়ে- তাহলে তো সেই সরকার নির্দলীয় সরকার হলো না। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করতে হবে। তা না হলে নির্বাচন করেও কোনো লাভ নেই।
কালের কণ্ঠ : ইদানীং তৃতীয় শক্তি বলে একটা কথা শোনা যাচ্ছে। আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন- এমন কথাও অনেককেই বলতে শোনা যায়? এই তৃতীয় শক্তি কিংবা নতুন ওয়ান-ইলেভেন সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
ড. ওসমান ফারুক : কোনটা যে তৃতীয় শক্তি আর কোনটা যে চতুর্থ শক্তি, সেটা বোধ হয় আমাদের জানা আছে। আমি মনে করি, গণতান্ত্রিক যে ধারা রয়েছে, সেটা ব্যাহত হওয়া উচিত নয়। সেই ধারা তখনই ব্যাহত হবে, যখন বড় রাজনৈতিক দলগুলো মূল ইস্যুতে কোনো সমঝোতায় আসতে পারবে না। আওয়ামী লীগ যে পথে যাচ্ছে, তাতে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার কোনো বাণী তারা উচ্চারণ করেনি। সমঝোতার কোনো পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়নি। ভেতরে-বাইরে সমঝোতার কোনো পরিবেশ এখন পর্যন্ত নেই। এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব সরকারি দলের। রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে, তথাকথিত তৃতীয় শক্তি যদি আসে, রাজনীতি যদি ব্যাহত হয়, তাহলে কোনো রাজনৈতিক দলই রেহাই পাবে না। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি সমঝোতায় আসতে হবে।
কালের কণ্ঠ : সেই সমঝোতার সূত্র হতে পারে সংলাপ- এমন কথা বলছেন অনেকেই। আপনার কী মত?
ড. ওসমান ফারুক : সংলাপ তো হতেই হবে। নানাভাবে সংলাপ শুরু করা যেতে পারে। সংলাপ যদি হতে হয়, 'ইট হ্যাজ টু বি ভেরি স্ট্রাকচারড'। মিনিমাম একটা ফ্রেমওয়ার্ক থাকবে আমরা কী অ্যাচিভ করতে চাই। আমাদের সংলাপের উদ্দেশ্য কী, বর্তমান সমস্যা কী- এটা স্পষ্ট হতে হবে। এজেন্ডার চেয়ে বড় কথা একটা ফ্রেমওয়ার্ক দরকার। সেই ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সিরিয়াস আলাপ হবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে আলাপ হবে। এর বাইরেও স্বচ্ছতার সঙ্গে আলাপ হতে পারে। আলাপটা আন্তরিকতার সঙ্গে শুরু করতে হবে। এর দায়িত্বটা কিন্তু সরকারের। কেননা সরকার ঘোড়ার ওপর বসে আছে। 'আমরা যা দিচ্ছি, তা-ই নাও'- বিরোধী দলের সঙ্গে এভাবে আচরণ করা ঠিক নয়। এভাবে তো আর সংলাপ করা যাবে না। সংলাপের আগে আমাদের একটা শর্ত আছে। সংলাপ শুরুর আগে সরকারকে নীতিগতভাবে স্বীকার করতে হবে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তারা প্রস্তুত এবং এ কারণে প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করতে সরকার প্রস্তুত। এ প্রতিশ্রুতি না দিলে তো কোনো সংলাপ কাজে আসবে না। হয়তো বসা হবে। আলোচনা হবে, ঝগড়া-বিতণ্ডাও হতে পারে, কিন্তু কোনো ফল হবে না।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে? সেই দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন কোথায়?
ড. ওসমান ফারুক : আগে সংসদ ধরে রাখার প্রসঙ্গে আসি। সংসদের কার্যকলাপের ওপর একটা রিপোর্ট বেরিয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছে, সংসদ অধিবেশনে প্রতি মিনিটের জন্য খরচ হয় ৪২ হাজার টাকা। এর পরও এই সংসদে কোরামের অভাব থাকে। উপরন্তু এই সংসদে কোনো কিছুই তো আলোচনা হয় না। সংসদকে বিরোধী দল অকার্যকর করে রাখেনি। চুক্তি থেকে শুরু করে কোনো কিছুই তো আলোচনা হয় না সংসদে। সংসদ এমনিতেই অকার্যকর। সেখানে ৭০০ বারেরও বেশি প্রধানমন্ত্রীর স্তুতি হয়েছে, ৬০০ বারেরও বেশি বিরোধী দলের নেত্রীকে গালি দেওয়া হয়েছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত সাড়ে ৭ শতাংশ সময় গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। কাজেই সংসদ যে খুব একটা কার্যকর সংসদ, তা নয়। এর পরও সংসদ কার্যকর করার দায়িত্ব কিন্তু সংসদ নেতার। সংসদে তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা নন। পরিবেশ সৃষ্টির দায়িত্ব রয়েছে স্পিকারেরও। এ দায়িত্ব তাঁরা দুইজনের একজনও পালনি করেননি।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দলের জোট সম্প্রসারিত হয়েছে। এই জোট দেশের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারবে বলে মনে করেন আপনি?
ড. ওসমান ফারুক : একটা রাজনৈতিক দল শুধু সংসদের ভেতরেই সক্রিয় থাকে না। সংসদের ভেতরে ও বাইরে দুই জায়গাতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলে। আজকে দেশের যে পরিস্থিতি, আজকে বলতে এই সরকারের আমলে অর্থনৈতিক, সামাজিক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ, বীতশ্রদ্ধ। দেশের মানুষ সরকারের বিপক্ষে চলে গেছে। একটি রাজনৈতিক দলের মূল কর্তব্য হচ্ছে দেশের সমস্যা মানুষের সামনে তুলে ধরা। জনমত গঠন করা। আমাদের এখানে বলে রাস্তায় বক্তৃতা করা। বিদেশে এটাকেই বলে মবিলাইজিং পাবলিক ওপিনিয়ন। আমরাও যে পল্টনে বক্তৃতা করছি, মিছিল করছি- আমরা পাবলিক ওপিনিয়ন মবিলাইজ করতে চাইছি। জনমত সংগঠিত করতে চাইছি। আমাদের আন্দোলন মোটেও সরকার উৎখাতের আন্দোলন নয়। সরকার আমাদের সব গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। সেখানে আমরা সংসদে গিয়ে কী করব? সরকার গণতান্ত্রিক হলে সংসদে গিয়ে কথা বলা যেত। এ সরকারের কাছে আমাদের লেভেল অব কমফোর্ট নেই। সে জন্যই আমরা বলছি, এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করা যাবে না।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এ বিচার প্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
ড. ওসমান ফারুক : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তামাদি হওয়ার নয়। কিন্তু এটাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হতে হবে। আসামিপক্ষের এক আইনজীবীকে তো আসতেই দেওয়া হয়নি। অনেক সাক্ষীকে নাকি জেরা করা যাবে না। কাগজে পড়েছি, অনেককে নাকি সেইফ হাউসে রেখে প্রশিক্ষণ দিয়ে সাক্ষী দেওয়া হচ্ছে। পুরো জিনিসটা একটা অস্বচ্ছ জায়গায় চলে যাচ্ছে, এমন সন্দেহ হওয়ার যথেষ্ট অবকাশ আছে। এতে ভয় হচ্ছে, সত্যিকার যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের হয়তো বিচার হবে না। আবার যুদ্ধাপরাধী না হয়েও রাজনৈতিক কারণে অনেকের বিচার হয়ে যাবে- এমন আশঙ্কা রয়ে গেছে। আমি এখনো আশা করি, সরকার সব ত্রুটি সংশোধন করে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
কালের কণ্ঠ : এ সময়ের অন্যতম আলোচিত বিষয় পদ্মা সেতু। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রী আবুল হোসেন পদত্যাগ করলেন। পদ্মা সেতু ও বিশ্বব্যাংকের ঋণসহায়তা বাতিল নিয়ে যে ঘটনাপ্রবাহ- এ প্রসঙ্গে আপনার মন্তব্য জানতে চাই।
ড. ওসমান ফারুক : পদ্মা সেতুর সূচনা ২০০৫ সালে আমাদের সময়ে। তখন আমরা জাইকার অর্থায়নে একটা প্রাক সমীক্ষা করেছিলাম। এটা একনেকে পাস হলো ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। এরপর তো বর্তমান সরকার এলো। পদ্মা সেতু না হওয়াটা আমাদের জন্য খুব ক্ষতিকর- বিশেষ করে দক্ষিণ বাংলার মানুষের জন্য। আমি মনে করি, এটা সরকারের আরেকটা অব্যবস্থাপনা। একটি অপেশাদার ব্যবস্থাপনা। আর এই অব্যবস্থাপনা কিংবা অপেশাদার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে শুধু একজন লোককে নিরাপদে রাখার জন্য। তিনি এখনো নিরাপদেই আছেন। প্রথম যখন বিশ্বব্যাংক সরকারকে চিঠি দেয়, তখনই সরকারের উচিত ছিল বিষয়টি শক্তভাবে দেখা। সরকারের তখনই বলা উচিত ছিল, কোনো বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে আমরা বসে সেটা আলাপ করে ঠিক করে নেব। বিশ্বব্যাংক কী বলতে চায়, সেটা শোনা উচিত ছিল। সরকার করল উল্টোটা। প্রকাশ্যে বিশ্বব্যাংকে দোষারোপ করা শুরু করে দিল। বিশ্বব্যাংক যদি অন্যায় কিছু করে থাকে, যদি অন্যায্য আচরণ করে থাকে- সেটা প্রতিকারের ব্যবস্থা ছিল। সেখানে তো আমাদের প্রতিনিধি আছেন। তিনি সেটা বোর্ডে তুলতে পারতেন। ব্যাপারটা দাঁড়াল এই যে, মূল সমস্যা পাশ কাটিয়ে চারপাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি করা হলো। নিজেদের মতো করে সেলফ ডিফেন্সিভ একটা অবস্থানে চলে যাওয়া হলো। আমি বিশ্বব্যাংকে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলি, ঋণচুক্তি বাতিল করার আগ পর্যন্ত নেগোসিয়েশন করা উচিত ছিল। এসব বিষয় নেগোসিয়েট করতে হয় সরল বিশ্বাসে। সরকার করল কী? বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যখন ঋণচুক্তি বাতিল হয়নি, তখন আবার মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটা নেগোসিয়েশন শুরু করে দিল। এটাও তো একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা ঠিকমতো দেখতে পারে না। এটা তো বিশ্বব্যাংকের অনুদান। এই অনুদানের জন্য বিশ্বের অনেক দেশ তাকিয়ে থাকে। আবার দেখুন, একটি বিষয়ে কত রকমের কথা। এক মন্ত্রী বলছেন বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যায়নি, তখনই আবার চাঁদা ওঠানো শুরু হয়ে গেল। মালয়েশিয়ার সঙ্গে কথা বলা শুরু হয়ে গেল। এখন দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, তদন্ত করবে। আবুল হোসেন সাহেবকে এখন সরিয়ে দেওয়া হলো। যদি বিশ্বব্যাংক অন্যায় করে থাকে, তাহলে তারা যে চিঠিগুলো দিয়েছে সেগুলো প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? বিষয়টি খোলাসা করে জনগণকে জানানো হয়নি। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আমি জানতে চাই, বিশ্বব্যাংক আমাকে কেন চোর বলল। কিছুই প্রকাশ করা হচ্ছে না। কী দুর্বলতা? আবার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, সেলফ রিলায়েন্স একটা গর্বের ব্যাপার। কিন্তু সেটা কতটুকু সম্ভব। বাস্তবতা তো মানতে হবে। পদ্মা সেতুর ব্যাপারে সরকারের কথা ও কাজ, সব কিছুতেই অপেশাদারিত্ব স্পষ্ট।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
ড. ওসমান ফারুক : দেড় বছর সরকারের জন্য গোছানোর সময়। আমিও তো একটা সরকারে ছিলাম। শেষ সময়ে চাপ অন্যরকম চলে আসে। ঘর গোছানোর চাপ। নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক দিকে যেতে হয়। রুটিন কাজের বাইরে এই দেড় বছরে কিছু করা সম্ভব হয় না। এ সরকার তো কিছু কিছু কাজ জটিল করে ফেলেছে। এই দেড় বছরে সরকার খুব বেশি একটা কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। রাজনৈতিকভাবে সরকার বিশ্বস্ততা হারিয়েছে। সরকারের আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ?
ড. ওসমান ফারুক : আপনাদেরও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 26
(137)
- সানি কাহিনী
- বলিউডের তরুণদের আয়ের ফিরিস্তি
- ঢালিউডে ঝড় তুলেছে ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ by বিপুল হাসান
- হেমায়েতপুরে নিখোঁজ ৪ যুবকের পরিবারে বুকফাটা কান্না...
- বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে ভিয়েনায় শোক সমাবেশ
- জোর যার মুল্লুক তার- আইনের তোয়াক্কা করল না অবৈধ দখ...
- ১৫ আগস্ট যথারীতি কেক কাটল বিএনপি
- ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গেলড়ে হার মানলেন মীরসরাইর জনকণ...
- রাজধানীর আশপাশের ৫শ গার্মেন্টসে বেতন বোনাস হয়নি, অ...
- বঙ্গবন্ধুর খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্...
- যুদ্ধাপরাধী বিচার ॥ সেপ্টেম্বরে আরও দুই যুদ্ধাপরাধ...
- দীর্ঘ ছুটিতে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আ...
- খুনী নূর চৌধুরীকে চোরা পথে পাসপোর্ট দেয় বিএনপি সরক...
- গোটা রাজধানী এখন ঈদ মার্কেট, দৈনিক বিক্রি হাজার কো...
- জাতীয় শোক দিবসে শিল্পকলায় দিনব্যাপী নানান আয়োজন- স...
- না-গঞ্জে ফ্ল্যাট বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের জবাই করা লাশ...
- সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রথম কিস্তির অর্থ ছ...
- ছোট ছোট কথা, অনন্য শিল্পকর্ম বিচ্ছিন্নতার কষ্ট ভুল...
- দোকান বরাদ্দে ডিএসসিসির মহাদুর্নীতি-প্রতি বর্গফুট ...
- আল বিদা মাহে রমজান by অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম রফিক
- শব-ই-কদরের রাতে নফল নামাজ ইবাদত
- লঞ্চ বাস ট্রেনের ছাদ মানুষে ঠাসা, পথে পথে ভোগান্তি...
- শোকাবহ পরিবেশে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধ...
- ২৪০০০ কোটি টাকা- ঈদ বাজার ঘিরেই গোটা অর্থনীতি আবর্...
- পলাতক খুনীদের ফাঁসি চাই দ্রুত বিচার চাই যুদ্ধাপরাধ...
- শাকিলা জাফরের রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ্যালবাম
- মুখে নয় অন্তর দিয়ে ভালোবাসতে হবে by এইচএম আবদুল আলিম
- আন্তর্জাতিক-মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও দক্ষিণ এশিয়া b...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-তর্কপ্রিয় বাঙালি যুক্তিবাদী হবে...
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১১ এবং কিছু ভাবনা by সৈয়দ ম...
- রাজধানী-পরিবহন অব্যবস্থাপনা কবে কমবে by নুরে আলম উ...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-নারীনীতি নিয়ে কেন অহেতুক বিতর্ক? b...
- রাস্তা কেটে ধান চাষ-ব্যক্তির লোভের কাছে জিম্মি শিক্ষা
- সৌদি আরবে গৃহকর্মী নিয়োগ-জনশক্তি রফতানি খাতে শুভব...
- বাংলাদেশের মাটিতে অনেক কৃতীর জন্ম by ওয়ালিউল মুক্তা
- শিক্ষা-বিদ্যালয়ে শিখনবান্ধব পরিবেশ by মো. আবুল বাশার
- আন্তর্জাতিক-কোন পথে সিরিয়া by তারেক শামসুর রেহমান
- ঘাটে ঘাটে by আসিফ আহমেদ
- প্রতিবেশী-ভারতের রাজনীতিতে কয়লা ও ময়লা by শেখর গুপ্ত
- সাদাসিধে কথা-মেডিকেল এবং অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষা by...
- বালু উত্তোলন-তথাকথিত বৈধতার দায়
- বাংলাদেশ রেলওয়ে-ভাড়া বাড়লে সেবাও বাড়ূক
- দলে দলে লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়ের সন্ধানে পাশের দেশগ...
- এবার সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মমতার বিষোদ্গার
- ‘পুনর্নির্মিত’ হচ্ছে টাইটানিক
- ইংরেজি ভাষার উৎপত্তিস্থল তুরস্ক!
- অ্যাসাঞ্জকে নিয়ে দ্বন্দ্ব- ইকুয়েডরের প্রতি সমর্থন ...
- বাউফলে ২০০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
- পুরুষের আলট্রাসনোগ্রাম প্রতিবেদন ‘মেয়েলি’
- এক রাতেই ৫০ বাড়ি পদ্মার গর্ভে বিলীন
- বিরামপুর-হিলি স্থলবন্দর সড়ক- অর্থাভাবে পুনর্নির্মা...
- আন্দোলন অন্যদিকে নিতে চায় না বিএনপি: মওদুদ
- মা-বাবার সামনেই বাস কেড়ে নিল শিশুটির প্রাণ
- ভারতে জামিনে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশি চরমপন্থী উধাও
- দৌলতদিয়ায় রাজধানীমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়
- গোধূলির ছায়াপথে- আশি অতিক্রান্তদের নিয়ে স্বপ্ন-কথা...
- শীর্ষসম্মেলন- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন ও বর্তমান বিশ্ব...
- যন্ত্র ব্যবহারে মিতাচারের বিকল্প নেই- অমূল্য আঁধার
- বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনাই প্রত্যাশিত- অত...
- প্রতিরোধের অন্তরায়
- চারদিক- ভুক লাগলে আমি কী করুম by ফারুক আহমেদ
- একনজরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন
- ফুলবাড়ী দিবস- ‘ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়ন না করার পর...
- শিশু মূল প্রতিবেদন- বাল্যবিবাহ হচ্ছেই by মানসুরা...
- মেধার স্বীকৃতি পেলেন তিন তরুণ by নিজাম সিদ্দিকী
- নীল জলরাশি আর হুমায়ূনের স্মৃতির টানে... by গিয়াস...
- পুরোনো চেহারায় ফিরছে নগর by মেখ্যাইউ মারমা
- রাজনীতি: নগর আওয়ামী লীগ- ঐক্যের বার্তা পেয়ে কর্মীর...
- সাগরপারে ঈদ আনন্দ by শিহাব জিশান
- নির্যাতনের শিকার হলে... by নাঈমা আমিন
- পাঠকের প্রশ্ন আইনি পরামর্শ- স্ত্রী মানসিক নির্যাতন...
- আইন কমিশনের প্রস্তাব
- ফৌদারি মামলায় আপস-মীমাংসা by আবদুল্লাহ আল মামুন
- ম্যান্ডেলার নাতি এক ঘণ্টা আটক-শুনানিতে না গিয়ে সুন...
- আপিল করবেন না ব্রেইভিক
- মিসরে সরকার ও বিরোধী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ
- প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে হাইতি
- প্রোফাইল- ইয়ে শিউয়েন
- বছরের পর বছর ধরে বিশ্বমানের স্প্রিন্টারের জন্ম দিয়...
- র ংবে র ং- ওয়াইড বলে বোল্ড!
- তাঁদের চোখে
- লক্ষ্মণ কেন ভেরি ভেরি স্পেশাল
- গবেষণা প্রতিবেদন-হিন্দি ও ইংরেজির উৎপত্তি তুরস্কে!
- 'দক্ষিণ সুদানে হত্যা-ধর্ষণ চালিয়েছে সেনারা'
- রাজস্থানে প্রবল বর্ষণে বন্যা ৩৩ জনের মৃত্যু
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- বৃটিশ ‘সান’র প্রথম পাতায় হ্যারির নগ্ন ছবি
- সম্পর্কের নতুন মোড়ে কেটি পেরি ও প্যাটিনসন by ইশতিয়...
- সেলিম আল দীন উৎসব- ইতিহাস-ঐতিহ্যের মেলবন্ধন
- হেলমেট ব্যবহারে সচেতন করতে পুলিশের তৎপরতা
- সিরিয়ার শরণার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে : জাতিসংঘ
- ইরান-আইএইএ আলোচনা ব্যর্থ-পরমাণু ইস্যু নিয়ে দুই পক্...
- ব্যাপক খাদ্যমন্দার আশঙ্কা-পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস...
- পদ্মা সেতুর ভবিষ্যৎ-বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চূড়ান্ত ফয়...
- খোলামেলাভাবে পর্দায় না আসতে পারায় সানির দুঃখ প্রকাশ
- সাদাসিধে কথা- মেডিকেল এবং অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষা b...
- সরেজমিন ময়মনসিংহ- ‘রাজনৈতিক বাণিজ্য’ নিয়ে আওয়ামী ল...
- বখাটেদের পাকড়াও করতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ
- গ্রামবাসীর মত- লিমনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি কাল্প...
- ঈদে কেমন ছিলেন ছয় তারকা?
- শেখ হাসিনার কাছে হিলারির চিঠি- গ্রামীণ ব্যাংকের স্...
- বিএনপিকে ছাড়াই নির্বাচন করতে চায় আ.লীগ by টিপু স...
- শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য
- ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং
- ডিআইআইটিতে পড়াশোনা
- পড়ার বিষয়ে নতুনত্ব
- উচ্চশিক্ষায় বিষয় নির্বাচন- সায়েন্স, আর্টস না কমার্স
- চিকিৎসক নেতা খুন
- রাজাকাররা মাঠে নেমেছে
- ক্ষমতাধর নারী, ইয়াসমিন হত্যার সতেরো বছর এবং বাস্তব...
- একুশ শতক- বাঙালীরাই বাংলাদেশের ‘আদিবাসী’ অন্যরা উপ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-এই সেই গ্রন্থ তাতে কোনো সন্দেহ নেই
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : ড. ওসমান ফারুক-বর্তমান সরকারের ...
- ভাষাসৈনিক ডা. ননী গোপাল সাহা- শ্রদ্ধাঞ্জলি by রবী...
- ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আজ কোন্ পথে? by প্রদীপ মালাকার
- আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
- চরাচর-বিপন্ন লজ্জাবতী বানর by আলম শাইন
- জবানবন্দি ফুলবাড়ী হত্যাকাণ্ড by এম শামসুল আলম
- ঈদ : আনন্দ, ঝুঁকি, আবেগ ও বাস্তবতা by ওয়াহিদ নবি
- দারিদ্র্যের ফাঁদ ও মুক্তির পথ by এ এম এম শওকত আলী
- হবিগঞ্জের দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে হত ২ আহত ১৫০- দ...
- জিয়া ঘটনাচক্রে মুক্তিযোদ্ধা হয়েও চেতনা অন্তরে ধারণ...
- পিরোজপুর শহরে আওয়ামী লীগ কর্মীকে জবাই আটক ২
- ইন্দো-বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব সেপ্টেম্বরে ঢাকায়- সংস্...
- মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান সংরক্ষণে কমপ্লেক্স ও স্তম...
- আজ শাহরিয়ার কবির ও মেজবাহুরের সাক্ষ্য- যুদ্ধাপরাধী...
- ১০ সেকেন্ড পালস দেবে না অপারেটরদের ধর্ণা অর্থমন্ত্...
- নাটকে শেকড় সন্ধান, নিজস্ব শিল্পরীতি ॥ উয়ারী বটেশ্ব...
-
▼
Aug 26
(137)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment