Wednesday, June 6, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
আর কত সিনথিয়ার আত্মহনন! ১৩ আগস্ট প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি ছবি। এক উচ্ছল কিশোরী প্রতিবাদে দৃপ্ত এক মিছিলের সামনের সারিতে ব্যানার হাতে এগিয়ে চলেছে। ব্যানারে লেখা স্লোগান: ‘বখাটে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করুন’, ‘ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন’।
মিছিলটি ছিল মাসখানেক আগের। প্রতিবাদে শামিল মেয়েটির নাম হাসনা রহমান সিনথিয়া।
কে জানত, প্রতিবাদী এই কিশোরী ওই মিছিলের মাসখানেক পরই বখাটে-সন্ত্রাসীর উপদ্রব থেকে স্থায়ী মুক্তির পথ হিসেবে বেছে নেবে আত্মহননের পথ। হ্যাঁ, জাহাঙ্গীর নামের এক বখাটে-সন্ত্রাসীর অবিরাম উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে সিনথিয়াকে সে পথই বেছে নিতে হয়েছে ১১ আগস্ট। তারপর সে হয়েছে সংবাদ শিরোনাম। কী নির্মম পরিহাস!
সিনথিয়া, তুমি বাঁচতে চেয়েছিলে সুন্দর, নির্মল, নিরুপদ্রব পরিবেশে। এই অধিকার তোমার ছিল, যেমন প্রত্যেক নাগরিকেরই থাকার কথা। সেই চেষ্টা তুমি করেও ছিলে। শুধু একার জন্য নয়, সবার শান্তিপূর্ণ, নিরুপদ্রব, নিরাপদ জীবনযাপনের অধিকারের পক্ষে তুমি মিছিলে নেমেছিলে, ব্যানার হাতে দাঁড়িয়েছিলে মিছিলের একদম সামনের সারিতে। কিন্তু আমাদের সামন্তবাদী পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত এই সমাজ তোমার প্রতিবাদকে যথেষ্ট সমর্থন জোগায়নি; জনগণের বন্ধু ও সেবক নামে পরিচিত পুলিশ তোমার উত্ত্যক্তকারীর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বখাটে-উত্ত্যক্তকারীদের প্রতি আইন প্রয়োগকারীদের নীরব দর্শকের মতো ভূমিকা; বখাটেপনার সমাধান করতে সমাজের হর্তাকর্তা মানুষদের তথাকথিত সালিস-বৈঠক, আপস-সমঝোতার চেষ্টা যেন নারীর নিরাপদ-নিরুপদ্রব চলাফেরা ও জীবনযাপনের অধিকারকে অস্বীকার করারই শামিল।
সিনথিয়া, তোমার আত্মহননের জন্য দায়ী আমরা সবাই। কিন্তু আমরা বোধ হয় বুঝতে পারি না, তোমার এই মর্মান্তিক, চূড়ান্ত প্রতিবাদ রাষ্ট্র ও সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়ার প্রয়াস। কিন্তু আমাদের কি বিবেক বলে কিছু আছে? রাষ্ট্রের আইন, সরকারের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কি দেখতে পাচ্ছে তোমাদের আত্মহননের মিছিল? সমাজের হর্তাকর্তা-অভিভাবকেরা কি শুনতে পাচ্ছেন তোমাদের আত্মহননের মিছিলের বাণী?
আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী, প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা নারী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নারী, কৃষিমন্ত্রী নারী—সরকারের উচ্চপর্যায়ে আছেন অনেক নারী-কর্মকর্তা, আছেন নারী-বিচারপতি, নারী-আইনজীবী। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা, নারীর অবমাননা, নিগ্রহ, নির্যাতনের প্রতি এই সমাজ কী করে এতটা নির্বিকার থাকতে পারে, তা ভেবে বিস্মিত হই। নারীর প্রতি সংবেদনশীলতার এত অভাব কেন এই সমাজে!
আরও কতজন সিনথিয়া আত্মহননের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানালে সেই প্রতিবাদের ধাক্কা লাগবে আইন প্রয়োগের সংবেদনহীন ব্যবস্থায়? আরও কতজন সিনথিয়া আত্মহত্যা করলে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিদের মনে হবে যথেষ্ট হয়েছে, এবার এসব থামানো দরকার? আরও কতজন সিনথিয়াকে হারানোর পর আমরা দেখতে পাব একজন বখাটে-সন্ত্রাসীর আইনানুগ শাস্তির পদক্ষেপ নেওয়া হলো?
কাজী আরিফ
উন্নয়নকর্মী, খটখটিয়া, সদর রংপুর।
২
সারা দেশে আড়াই লাখ কিশোরী বখাটেদের ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে সরোপটিমিস্ট ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব ঢাকা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে (ইত্তেফাক ২৬.৬.১০)। তাহলে ইভ টিজিং নামের ব্যাধিটা যে মহামারির আকার নিতে পারে, তা অস্বীকার করা যায় না।
ইভ টিজিং নারী নির্যাতন দমন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও আইন প্রয়োগ করার প্রক্রিয়ায় সাক্ষী না পাওয়া, সাক্ষ্যদানে ভয়ভীতি, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, পুলিশের গড়িমসি ইত্যাদি কারণে মামলা দীর্ঘায়িত হয় বলে অপরাধী শাস্তি পায় না। অনেকে ইভ টিজিং দমনের জন্য নতুন আইন করার সুপারিশ করেছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হয়তো কিছু প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কিন্তু উত্ত্যক্তকারীদের হাতেনাতে ধরা দুরূহ ব্যাপার। সাদা পোশাকধারী পুলিশের পক্ষে হয়তো কিছু উত্ত্যক্তকারীকে ধরে হাজতে পুরে রাখা সম্ভব, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীরা আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে যায়। সারা দেশে লাখ লাখ উত্ত্যক্তকারী; শুধু তাদের ধরার জন্যই সাদা পোশাকে কতজন পুলিশ প্রয়োজন হতে পারে, তাও ভাবনার বিষয়।
আমার মতে, প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও বিভাগের প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষালয়ে প্রতি শ্রেণী থেকে দুজন করে অভিভাবক নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এ কমিটি ইভ টিজিংয়ের রিপোর্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাখিল করবে এবং সে অনুসারে প্রশাসন উত্ত্যক্তকারীকে ও তার অভিভাবককে তলব করে কৈফিয়ত চাইবে। আইন প্রয়োগে যতটা কাজ হবে উত্ত্যক্তকারীদের অভিভাবককে সম্পৃক্ত করলে হয়তো তার চেয়ে বেশি কাজ হবে। কারণ, অভিভাবকদের জন্য সন্তানের অপকর্ম লজ্জাকর বিষয় এবং সেটা প্রকাশ্যে প্রচার করলে সমাজে অভিভাবকের মর্যাদা থাকে না। তাই অভিভাবকেরা নিজ নিজ সন্তানকে শাসন, ভর্ৎসনা ও আদর দিয়ে ইভ টিজিং থেকে বিরত রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করবেন। তা ছাড়া আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা তো রয়েছেই।
আলী ইদরিস
ফেলো অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।
৩
আর কত সিনথিয়ার মৃত্যু হলে সরকারের ঘুম ভাঙবে, জানতে খুব ইচ্ছে করছে। আমরা কথায় কথায় দেশের উন্নয়নে নারীশিক্ষার গুরুত্বের কথা বলছি, অথচ তাদের ওই পথে পেতে রেখেছি ভয়ংকর সব কাঁটা। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বারৈখালী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সিনথিয়ার মৃত্যু যদি সরকারের টনক নড়াতে না পারে, তাহলে বিবেক বলে একটি জিনিস যে মানুষের থাকে, তা এখন কোথায়?
বখাটে জাহাঙ্গীরের উৎপাতে সিনথিয়ার মৃত্যুর আগে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়েছে, শেষ বৈঠকে সরকারি প্রশাসনও উপস্থিত ছিল। যে মেয়েটি ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ মিছিলে সামনের সারিতে ছিল, তাকেই যদি এভাবে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হয়, তাহলে আর কোনো মেয়ে এসবের প্রতিবাদ করতে যাবে? এত বাধাবিপত্তির মাঝেও মেয়েরা এইচএসসি পরীক্ষায় যে সাফল্য দেখিয়েছে, তাতেই প্রমাণিত হয়, তারা সামান্য সুযোগ পেলে দেশের জন্য আরও অনেক অবদান রাখতে পারবে।
বখাটেরা দিনের পর দিন অসভ্যতা দেখিয়ে যাবে, আর আমাদের সমাজ একটার পর একটা নিষ্ফল সালিস বৈঠক করবে, আর সিনথিয়ার মতো মেয়েরা জাতির বিবেককে ধিক্কার দিতে আত্মহননের পথে পা বাড়াবে। এভাবে কি চলতে পারে? প্রশাসন বখাটেদের শাস্তির আশ্বাস দিয়ে কর্তব্য শেষ করে অপেক্ষায় থাকবে কখন আরেকজন সিনথিয়া প্রাণ দেবে। এভাবে কি চলতে পারে? না, পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজ এভাবে চলতে পারে না।
সরকারের কাছে অনুরোধ, মানুষ আর কোনো সিনথিয়ার মৃত্যুর খবর শুনতে চায় না, দেখতে চায় বখাটেদের ভয়ংকর সব শাস্তির খবর; যার মধ্য দিয়ে বখাটেপনা দূর হবে, মেয়েরা আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে না।
মো. হাবীব উল্লাহ
আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ-বিদ্বেষীকে ‘লিভিং লিজেন্ড’ সম্মাননা!
ঢাকা ক্লাবের ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে লিভিং লিজেন্ড অব দি ক্লাব সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ওবেইদ জাগীরদারের নামটি দেখে বিস্মিত হয়েছি। আমি ঢাকা ক্লাবের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যে ওবেইদ জাগীরদারকে ঢাকা ক্লাব সম্মাননা দিয়েছে, তিনি তো বাংলাদেশকেই স্বীকার করেন না। ২০০১ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আমাদের বিজয় দিবসের ঠিক আগের দিন—‘আমাদের জাতীয় দিবস’ শিরোনামে এক কলামে তিনি পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ আগস্টকে আমাদের জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি তুলেছিলেন।
তিনি লিখেছেন ‘সত্য ইতিহাস হলো এই যে, স্বাধীনতার কয়েক বছর পরই আমরা বুঝতে পারি, পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করছে। চাকরি, শিক্ষা, ব্যবসা, উন্নয়ন—সব দিক থেকে বাঙালিরা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ছে। এই ছিল অধিকার প্রয়োগ ও ভাগাভাগির সমস্যা। একে পরাধীনতা বলব কোন যুক্তিতে? আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিই, আমরা পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে অধিকাংশ বিষয়ে আলাদা হয়ে যাব। যুক্ত পাকিস্তানে আমাদের উপস্থিতি থাকবে, তবে তা হবে খুবই সীমিত ক্ষেত্রে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাবাহিনীর তরফ থেকে প্রবল বাধা আসে। এর ফলে ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হয়, যা ছিল স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের ফসল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হঠকারিতায় এবং ভারতের উসকানির ফলে স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার আন্দোলনে রূপ নেয়। এ অবস্থায় পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ভারতের কাছে তাদের পরাজয় ঘটে, ফলে বাংলাদেশ থেকেও তাদের অবস্থান গুটিয়ে নিতে হয়।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কি বাংলাদেশ বিদেশি সেনামুক্ত হয়েছিল? আমরা জানি, তা হয়নি। সুতরাং, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই দেশ শত্রুমুক্ত হয়েছিল, সেই বক্তব্য সঠিক নয়। তারা ১৬ ডিসেম্বর এ দেশ ত্যাগ করেনি। সুতরাং, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় দিবস হতে পারে না। আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করেছি ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। তাই ১৪ আগস্ট আমাদের স্বাধীনতা দিবস হওয়া উচিত।’ (‘আমাদের জাতীয় দিবস’, ওবেইদ জাগীরদার, দৈনিক ইনকিলাব, ১৫ ডিসেম্বর, ২০০১)।
এই লেখার প্রতিটি বাক্যে লেখকের বাংলাদেশ-বিদ্বেষী চরিত্রটি ফুটে উঠেছে। এই পাকিস্তান-প্রেমিককে ঢাকা ক্লাব কী করে ‘লিভিং লিজেন্ড’ সম্মাননা দিতে পারল?
প্রশ্নটি আরও গুরুতর বিবেচনা করি এ কারণে যে, একই অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকারকে আজীবন সম্মাননা দিয়েছে ঢাকা ক্লাব।
সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সভাপতি হিসেবে এয়ার মার্শাল এ কে খন্দকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে কয়েক বছর ধরেই নিরবচ্ছিন্নভাবে সক্রিয় রয়েছেন।
সে ক্ষেত্রে ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে ওবেইদ জাগীরদারকে দেওয়া সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মহিউদ্দিন আহমদ
সাবেক সচিব ও কূটনীতিক, উত্তরা, ঢাকা।
ওবামা কি পারবেন?
টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্তূপ গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণে নিজের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রমজান মাসে হোয়াইট হাউসে এক নৈশভোজে তিনি এ মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় ঐক্যের কথা উল্লেখ করে সব ধর্মের অনুসারীদের স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ওবামার মতবিরোধীদের সংখ্যাই বেশি। অনেকে গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতা করেছেন। কারণ, নাইন ইলেভেনের ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে মুসলিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদাকে দায়ী করা হয়। তাই ইসলাম ধর্মের প্রতি আমেরিকানদের এক ধরনের ভীতি কাজ করে, যা পুরোপুরি অমূলক। কিন্তু আমেরিকার অধিকাংশ রাজনীতিবিদই জনগণের এই আবেগকে মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
গত নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিন বলেছেন, গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণ করা হলে তা নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের মনে যে ক্ষত রয়েছে, তাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। তবে মসজিদ নির্মাণের যুক্তি হিসেবে ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতার কথা তুলে ধরেছেন এবং এটাই তাঁর মসজিদ নির্মাণের পক্ষে থাকার সবচেয়ে জোরালো যুক্তি। ওবামা বলেন, আল-কায়েদা ইসলাম নয়, তারা ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করেছে মাত্র। এটা অবশ্যই ঠিক। নাইন ইলেভেনের হামলার পেছনে ধর্ম হিসেবে ইসলামের কোনো দোষ নেই। অনেক নিরপরাধ মুসলিমও ওই হামলায় নিহত হয়েছে। অন্য সবার মতো তারাও সন্ত্রাসের নির্মম শিকার। তাই নাইন ইলেভেনে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের আবেগকে পুঁজি করে মসজিদ নির্মাণে বাধা দেওয়াটা মোটেই উদার মনোভাবের পরিচয় বহন করে না। বরং গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মিত হলে সেটাই হবে ইসলামকে ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের জন্য মোক্ষম জবাব। আর তা করতে পারলে ওবামা হয়তো তাঁর শান্তির জন্য পাওয়া নোবেল পুরস্কারেরও মর্যাদা রাখতে পারবেন।
ফাহিম ইবনে সারওয়ার, শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষতা
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের সাক্ষাৎকারটি পড়লাম। সাক্ষাৎকারটির একপর্যায়ে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরার প্রসঙ্গটি আসে। সময়োপযোগী প্রসঙ্গ। দেশজুড়ে এখন বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-বিতর্ক চলছে। যাঁরা বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার পক্ষে কথা বলছেন, তাঁদের বিপরীতে এমন কথাও বলা হচ্ছে যে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরা আর সম্ভব নয়। বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতা বা অসাম্প্রদায়িকতার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের পক্ষে আর বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয় বাস্তব রাজনৈতিক কারণে।
বাহাত্তরের সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মের নামে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। তখন কোনো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড অনুমোদিত ছিল না। জিয়াউর রহমানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমোদন দেওয়া হয়; ধর্মের নামে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকে বানচাল করে দিতে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নেমেছিল, পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, জিয়াউর রহমান শুধু সংবিধান সংশোধন করে তাদের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেননি, তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
জেনারেল এরশাদ এসেও একই ধারায় এগিয়ে চললেন, ধর্মপ্রাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের মন জয় করার মতলবে এই স্বৈরশাসক আরও বাড়তি একটা কাজ করলেন, সেটা হলো সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যুক্ত করা। ইসলামকে ভালোবেসে এরশাদ এই কাজটি করেননি, করেছিলেন সহজ-সরল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার করে নিজের প্রতি সমর্থন আদায়ের মতলবে।
এখন আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরার কথা বলছে, কিন্তু বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রেখে দিতে চাইছে। বলা হচ্ছে, বিসমিল্লাহ থাকবে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করাও বাস্তব কারণে সম্ভব হবে না। তাহলে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া হয় কী করে? ধর্মের নামে রাজনীতি করা যাবে না—এই নীতি যদি সংবিধানে আবার যুক্ত করা না যায়, তাহলে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?
আলাউদ্দিন আহমেদ
নয়া পল্টন, ঢাকা।
গণিত অলিম্পিয়াড ও আমাদের সচেতনতা
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের বয়স ৫১ বছর, বাংলাদেশের সেখানে পদার্পণের বয়স মাত্র ছয় বছর। এই ছয় বছরে বাংলাদেশের প্রতিযোগীদের অর্জন নেহায়েত কম নয় । গত বছর একজন প্রতিযোগীর সর্বোচ্চ অর্জন ছিল ১৭ পয়েন্ট (ব্রোঞ্জ পদক), এবার একজন প্রতিযোগীর সর্বোচ্চ অর্জন ২০ পয়েন্ট এবং ব্রোঞ্জ পদক অর্জন (১ নম্বরের জন্য রৌপ্য পদক হয়নি)।
গত কয়েকবারের তুলনায় এবার আইএমওতে সৌদি আরবের প্রাপ্তি ছিল উল্লেখ করার মতো। দুটো ব্রোঞ্জ অর্জিত হয়েছে সারা বছর মার্কিন কোচ দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে। আমার জানামতে বিশ্বের অনেক দেশই নির্বাচিত প্রতিযোগীদের জন্য বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের তৈরি করে। চীন প্রতি বছর আইএমওতে শীর্ষস্থান দখল করে এই কৌশল অবলম্বন করে। শুধু গণিতে কেন, ক্রীড়ায়ও তারা শীর্ষে। এর কারণ পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেককে নিজ নিজ ক্ষেত্রে যোগ্য করে গড়ে তোলা।
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্যতানুযায়ী পৃষ্টপোষকতা করতে পারলে তা হবে রাষ্ট্রের জন্যই কল্যণকর। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়াঙ্গনের সফলতাকে আমরা যেভাবে অভিনন্দিত করব, তেমনি করব শিক্ষা এবং বিজ্ঞানকেও।
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্রীড়া কোটায় ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু শিক্ষা এবং বিজ্ঞানে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে সুনাম বয়ে নিয়ে আসার পরও তাঁদের জন্য ভর্তি কোটার ব্যবস্থা নেই। মনে পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ার সময় একজন জাতীয় ফুটবলারের সুবিধার্থে আমাদের সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা পিছিয়েছিল। অথচ ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে স্পেনে থাকায় একজন প্রতিযোগী নটরডেম কলেজে ভর্তির জন্য ভাইভাতে যথাসময়ে উপস্থিত না থাকতে পারায় ছেলেটিকে তার অভিভাবকসহ কতই না নাজেহাল হতে হয়েছিল।
এবার ৫১তম আইমওতে কাজাখস্থান ঘোষনা দিয়েছে তাদের দেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রতিযোগীকে তাদের দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি ভর্তি করিয়ে নেওয়া হবে। একই ব্যবস্থা রয়েছে ইরান, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কোরিয়া প্রভৃতি দেশে। তাছাড়া সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নানিয়াং টেক বিশ্ব্ববিদ্যালয়ে সুযোগ রয়েছে আইএমওতে একটি পদক থাকলেই সরাসরি বৃত্তিসহ ভর্তির।
আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদেরা ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ন হয়ে ভাল ফল করবে সন্দেহ নেই। কিন্ত এধরনের বিশেষ ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে নিঃসন্দেহে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা উচিত।
মালেকা বিলকিস, ঢাকা।
m.bilkis@yahoo.com
সাঁথিয়ার দুঃখ
পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভার অধিবাসীরা নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করা সত্ত্বেও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অধিকাংশ রাস্তাঘাট যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না বলে পৌর এলাকা অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। মশা নিধনের কোনো উদ্যোগ নেই। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তাগুলো ডুবে যায়। জনসাধারণকে হাঁটুর ওপর কাপড় তুলে চলাচল করতে হয়।
পৌরসভার অধীন চক কোনাবাড়ীয়া, দৌলতপুর, সাঁথিয়া বাজার, শালঘর, ফকিরপাড়া, শেখপাড়া প্রভৃতি স্থানে পাকা ও আধা পাকা সড়ক ভেঙে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভার নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ১০০ পরিবারের ভাগ্যে এখনো বিদ্যুৎ-সংযোগ জোটেনি। যেখানে বিদ্যুৎ-সংযোগ আছে, সেখানে দিন-রাতে ব্যাপক লোডশেডিং করা হয়। সড়কগুলোতে বৈদ্যুতিক বাতি না থাকায় সন্ধ্যার পরপর ভূতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলে পুরো পৌর এলাকা অন্ধকার হয়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মো. আশিক ইকবাল
সাঁথিয়া বাজার, পাবনা।
ক্ষমতা বনাম সমস্যার পাহাড়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত এক বৈঠকে বলেছেন, যারা বিদ্যুৎ-সমস্যা নিয়ে আন্দোলন-ভাঙচুর করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘কঠোরহস্তে’ দমন করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন একটি সময়ে এই উক্তি করেছেন, যখন একটু বিদ্যুতের জন্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। সারা দিনের কর্মক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে একটু শান্তিমতো ঘুমানোরও জো নেই। সারা রাতে কয়েকবার লোডশেডিংয়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। গরমে ছটফট করতে করতে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো সান্ত্বনা থাকে না।
ক্ষমতাধরেরা ক্ষমতায় আরোহণের পর কেন যেন মানুষের দুঃখকষ্ট অনুভব করতে পারেন না। তাঁরা ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করেন। এ সরকার যদি এ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ-সমস্যার কিছুটা সমাধানও না করতে পারে, তাহলে হয়তো আরেকটি ‘কানসাট’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়াও অসম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ‘নৈরাজ্য’ দমন করা একটু কঠিনই হয়ে উঠতে পারে।
দেশে যেসব সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে, সেগুলোর রাতারাতি সমাধান কেউ প্রত্যাশা করে না। কিন্তু কোনো সমস্যা সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না—এটাই হতাশার কথা। সমস্যাগুলো জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে, মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। কিন্তু সমাধানের কাজ শুরু হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথাই ধরা যাক। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত দেড় বছরে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে বলে সরকার দাবি করে। কিন্তু মানুষের মনে যে প্রশ্নটি এসেছে তা হলো, ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হওয়ার পরেও লোডশেডিং কেন আগের চারদলীয় জোট সরকার কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চেয়েও ভয়াবহ? সরকার এ ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারে, চাহিদা বেড়েছে কিংবা এ জাতীয় কিছু বলে। কিন্তু সেটা এ দেশের মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য, তাও ভেবে দেখার বিষয়।
বর্তমান সরকার দেড় বছর হলো ক্ষমতায় এসেছে। আরও সাড়ে তিন বছর এই সরকার ক্ষমতায় থাকবে। দুই বছর অগণতান্ত্রিক শাসনের পর একটি সুন্দর নির্বাচনে এ দেশের মানুষ বিপুল সমর্থন দিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। মানুষ কখনোই চায় না, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হোক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই সরকারের সফল হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সরকারের নেতৃবৃন্দ অনেক ভালো ভালো কথা বলে যাচ্ছেন। কিন্তু জনজীবনের সমস্যাগুলো তো কমছে না বরং দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রীরা যদি জনগণকে হুমকি-ধমকি দেন, তাহলে হতাশা ও ক্ষোভ আরও বাড়বে। সরকারের জনপ্রিয়তা হুমকির মুখে পড়বে।
নাইর ইকবাল, ঢাকা।
কে জানত, প্রতিবাদী এই কিশোরী ওই মিছিলের মাসখানেক পরই বখাটে-সন্ত্রাসীর উপদ্রব থেকে স্থায়ী মুক্তির পথ হিসেবে বেছে নেবে আত্মহননের পথ। হ্যাঁ, জাহাঙ্গীর নামের এক বখাটে-সন্ত্রাসীর অবিরাম উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে সিনথিয়াকে সে পথই বেছে নিতে হয়েছে ১১ আগস্ট। তারপর সে হয়েছে সংবাদ শিরোনাম। কী নির্মম পরিহাস!
সিনথিয়া, তুমি বাঁচতে চেয়েছিলে সুন্দর, নির্মল, নিরুপদ্রব পরিবেশে। এই অধিকার তোমার ছিল, যেমন প্রত্যেক নাগরিকেরই থাকার কথা। সেই চেষ্টা তুমি করেও ছিলে। শুধু একার জন্য নয়, সবার শান্তিপূর্ণ, নিরুপদ্রব, নিরাপদ জীবনযাপনের অধিকারের পক্ষে তুমি মিছিলে নেমেছিলে, ব্যানার হাতে দাঁড়িয়েছিলে মিছিলের একদম সামনের সারিতে। কিন্তু আমাদের সামন্তবাদী পুরুষ-নিয়ন্ত্রিত এই সমাজ তোমার প্রতিবাদকে যথেষ্ট সমর্থন জোগায়নি; জনগণের বন্ধু ও সেবক নামে পরিচিত পুলিশ তোমার উত্ত্যক্তকারীর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বখাটে-উত্ত্যক্তকারীদের প্রতি আইন প্রয়োগকারীদের নীরব দর্শকের মতো ভূমিকা; বখাটেপনার সমাধান করতে সমাজের হর্তাকর্তা মানুষদের তথাকথিত সালিস-বৈঠক, আপস-সমঝোতার চেষ্টা যেন নারীর নিরাপদ-নিরুপদ্রব চলাফেরা ও জীবনযাপনের অধিকারকে অস্বীকার করারই শামিল।
সিনথিয়া, তোমার আত্মহননের জন্য দায়ী আমরা সবাই। কিন্তু আমরা বোধ হয় বুঝতে পারি না, তোমার এই মর্মান্তিক, চূড়ান্ত প্রতিবাদ রাষ্ট্র ও সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়ার প্রয়াস। কিন্তু আমাদের কি বিবেক বলে কিছু আছে? রাষ্ট্রের আইন, সরকারের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কি দেখতে পাচ্ছে তোমাদের আত্মহননের মিছিল? সমাজের হর্তাকর্তা-অভিভাবকেরা কি শুনতে পাচ্ছেন তোমাদের আত্মহননের মিছিলের বাণী?
আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী, প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা নারী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নারী, কৃষিমন্ত্রী নারী—সরকারের উচ্চপর্যায়ে আছেন অনেক নারী-কর্মকর্তা, আছেন নারী-বিচারপতি, নারী-আইনজীবী। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা, নারীর অবমাননা, নিগ্রহ, নির্যাতনের প্রতি এই সমাজ কী করে এতটা নির্বিকার থাকতে পারে, তা ভেবে বিস্মিত হই। নারীর প্রতি সংবেদনশীলতার এত অভাব কেন এই সমাজে!
আরও কতজন সিনথিয়া আত্মহননের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানালে সেই প্রতিবাদের ধাক্কা লাগবে আইন প্রয়োগের সংবেদনহীন ব্যবস্থায়? আরও কতজন সিনথিয়া আত্মহত্যা করলে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিদের মনে হবে যথেষ্ট হয়েছে, এবার এসব থামানো দরকার? আরও কতজন সিনথিয়াকে হারানোর পর আমরা দেখতে পাব একজন বখাটে-সন্ত্রাসীর আইনানুগ শাস্তির পদক্ষেপ নেওয়া হলো?
কাজী আরিফ
উন্নয়নকর্মী, খটখটিয়া, সদর রংপুর।
২
সারা দেশে আড়াই লাখ কিশোরী বখাটেদের ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে সরোপটিমিস্ট ইন্টারন্যাশনাল ক্লাব ঢাকা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে (ইত্তেফাক ২৬.৬.১০)। তাহলে ইভ টিজিং নামের ব্যাধিটা যে মহামারির আকার নিতে পারে, তা অস্বীকার করা যায় না।
ইভ টিজিং নারী নির্যাতন দমন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও আইন প্রয়োগ করার প্রক্রিয়ায় সাক্ষী না পাওয়া, সাক্ষ্যদানে ভয়ভীতি, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ, পুলিশের গড়িমসি ইত্যাদি কারণে মামলা দীর্ঘায়িত হয় বলে অপরাধী শাস্তি পায় না। অনেকে ইভ টিজিং দমনের জন্য নতুন আইন করার সুপারিশ করেছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হয়তো কিছু প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কিন্তু উত্ত্যক্তকারীদের হাতেনাতে ধরা দুরূহ ব্যাপার। সাদা পোশাকধারী পুলিশের পক্ষে হয়তো কিছু উত্ত্যক্তকারীকে ধরে হাজতে পুরে রাখা সম্ভব, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীরা আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে যায়। সারা দেশে লাখ লাখ উত্ত্যক্তকারী; শুধু তাদের ধরার জন্যই সাদা পোশাকে কতজন পুলিশ প্রয়োজন হতে পারে, তাও ভাবনার বিষয়।
আমার মতে, প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও বিভাগের প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষালয়ে প্রতি শ্রেণী থেকে দুজন করে অভিভাবক নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এ কমিটি ইভ টিজিংয়ের রিপোর্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাখিল করবে এবং সে অনুসারে প্রশাসন উত্ত্যক্তকারীকে ও তার অভিভাবককে তলব করে কৈফিয়ত চাইবে। আইন প্রয়োগে যতটা কাজ হবে উত্ত্যক্তকারীদের অভিভাবককে সম্পৃক্ত করলে হয়তো তার চেয়ে বেশি কাজ হবে। কারণ, অভিভাবকদের জন্য সন্তানের অপকর্ম লজ্জাকর বিষয় এবং সেটা প্রকাশ্যে প্রচার করলে সমাজে অভিভাবকের মর্যাদা থাকে না। তাই অভিভাবকেরা নিজ নিজ সন্তানকে শাসন, ভর্ৎসনা ও আদর দিয়ে ইভ টিজিং থেকে বিরত রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করবেন। তা ছাড়া আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা তো রয়েছেই।
আলী ইদরিস
ফেলো অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।
৩
আর কত সিনথিয়ার মৃত্যু হলে সরকারের ঘুম ভাঙবে, জানতে খুব ইচ্ছে করছে। আমরা কথায় কথায় দেশের উন্নয়নে নারীশিক্ষার গুরুত্বের কথা বলছি, অথচ তাদের ওই পথে পেতে রেখেছি ভয়ংকর সব কাঁটা। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বারৈখালী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সিনথিয়ার মৃত্যু যদি সরকারের টনক নড়াতে না পারে, তাহলে বিবেক বলে একটি জিনিস যে মানুষের থাকে, তা এখন কোথায়?
বখাটে জাহাঙ্গীরের উৎপাতে সিনথিয়ার মৃত্যুর আগে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়েছে, শেষ বৈঠকে সরকারি প্রশাসনও উপস্থিত ছিল। যে মেয়েটি ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ মিছিলে সামনের সারিতে ছিল, তাকেই যদি এভাবে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হয়, তাহলে আর কোনো মেয়ে এসবের প্রতিবাদ করতে যাবে? এত বাধাবিপত্তির মাঝেও মেয়েরা এইচএসসি পরীক্ষায় যে সাফল্য দেখিয়েছে, তাতেই প্রমাণিত হয়, তারা সামান্য সুযোগ পেলে দেশের জন্য আরও অনেক অবদান রাখতে পারবে।
বখাটেরা দিনের পর দিন অসভ্যতা দেখিয়ে যাবে, আর আমাদের সমাজ একটার পর একটা নিষ্ফল সালিস বৈঠক করবে, আর সিনথিয়ার মতো মেয়েরা জাতির বিবেককে ধিক্কার দিতে আত্মহননের পথে পা বাড়াবে। এভাবে কি চলতে পারে? প্রশাসন বখাটেদের শাস্তির আশ্বাস দিয়ে কর্তব্য শেষ করে অপেক্ষায় থাকবে কখন আরেকজন সিনথিয়া প্রাণ দেবে। এভাবে কি চলতে পারে? না, পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজ এভাবে চলতে পারে না।
সরকারের কাছে অনুরোধ, মানুষ আর কোনো সিনথিয়ার মৃত্যুর খবর শুনতে চায় না, দেখতে চায় বখাটেদের ভয়ংকর সব শাস্তির খবর; যার মধ্য দিয়ে বখাটেপনা দূর হবে, মেয়েরা আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে না।
মো. হাবীব উল্লাহ
আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ-বিদ্বেষীকে ‘লিভিং লিজেন্ড’ সম্মাননা!
ঢাকা ক্লাবের ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে লিভিং লিজেন্ড অব দি ক্লাব সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ওবেইদ জাগীরদারের নামটি দেখে বিস্মিত হয়েছি। আমি ঢাকা ক্লাবের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যে ওবেইদ জাগীরদারকে ঢাকা ক্লাব সম্মাননা দিয়েছে, তিনি তো বাংলাদেশকেই স্বীকার করেন না। ২০০১ সালের ১৫ ডিসেম্বর, আমাদের বিজয় দিবসের ঠিক আগের দিন—‘আমাদের জাতীয় দিবস’ শিরোনামে এক কলামে তিনি পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ আগস্টকে আমাদের জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি তুলেছিলেন।
তিনি লিখেছেন ‘সত্য ইতিহাস হলো এই যে, স্বাধীনতার কয়েক বছর পরই আমরা বুঝতে পারি, পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করছে। চাকরি, শিক্ষা, ব্যবসা, উন্নয়ন—সব দিক থেকে বাঙালিরা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ছে। এই ছিল অধিকার প্রয়োগ ও ভাগাভাগির সমস্যা। একে পরাধীনতা বলব কোন যুক্তিতে? আমরা তখন সিদ্ধান্ত নিই, আমরা পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছ থেকে অধিকাংশ বিষয়ে আলাদা হয়ে যাব। যুক্ত পাকিস্তানে আমাদের উপস্থিতি থাকবে, তবে তা হবে খুবই সীমিত ক্ষেত্রে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাবাহিনীর তরফ থেকে প্রবল বাধা আসে। এর ফলে ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হয়, যা ছিল স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের ফসল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হঠকারিতায় এবং ভারতের উসকানির ফলে স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার আন্দোলনে রূপ নেয়। এ অবস্থায় পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ভারতের কাছে তাদের পরাজয় ঘটে, ফলে বাংলাদেশ থেকেও তাদের অবস্থান গুটিয়ে নিতে হয়।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কি বাংলাদেশ বিদেশি সেনামুক্ত হয়েছিল? আমরা জানি, তা হয়নি। সুতরাং, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই দেশ শত্রুমুক্ত হয়েছিল, সেই বক্তব্য সঠিক নয়। তারা ১৬ ডিসেম্বর এ দেশ ত্যাগ করেনি। সুতরাং, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় দিবস হতে পারে না। আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জন করেছি ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। তাই ১৪ আগস্ট আমাদের স্বাধীনতা দিবস হওয়া উচিত।’ (‘আমাদের জাতীয় দিবস’, ওবেইদ জাগীরদার, দৈনিক ইনকিলাব, ১৫ ডিসেম্বর, ২০০১)।
এই লেখার প্রতিটি বাক্যে লেখকের বাংলাদেশ-বিদ্বেষী চরিত্রটি ফুটে উঠেছে। এই পাকিস্তান-প্রেমিককে ঢাকা ক্লাব কী করে ‘লিভিং লিজেন্ড’ সম্মাননা দিতে পারল?
প্রশ্নটি আরও গুরুতর বিবেচনা করি এ কারণে যে, একই অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকারকে আজীবন সম্মাননা দিয়েছে ঢাকা ক্লাব।
সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সভাপতি হিসেবে এয়ার মার্শাল এ কে খন্দকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে কয়েক বছর ধরেই নিরবচ্ছিন্নভাবে সক্রিয় রয়েছেন।
সে ক্ষেত্রে ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে ওবেইদ জাগীরদারকে দেওয়া সম্মাননা প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মহিউদ্দিন আহমদ
সাবেক সচিব ও কূটনীতিক, উত্তরা, ঢাকা।
ওবামা কি পারবেন?
টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্তূপ গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণে নিজের সমর্থন ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রমজান মাসে হোয়াইট হাউসে এক নৈশভোজে তিনি এ মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় ঐক্যের কথা উল্লেখ করে সব ধর্মের অনুসারীদের স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ওবামার মতবিরোধীদের সংখ্যাই বেশি। অনেকে গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতা করেছেন। কারণ, নাইন ইলেভেনের ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে মুসলিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদাকে দায়ী করা হয়। তাই ইসলাম ধর্মের প্রতি আমেরিকানদের এক ধরনের ভীতি কাজ করে, যা পুরোপুরি অমূলক। কিন্তু আমেরিকার অধিকাংশ রাজনীতিবিদই জনগণের এই আবেগকে মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
গত নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিন বলেছেন, গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মাণ করা হলে তা নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের মনে যে ক্ষত রয়েছে, তাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। তবে মসজিদ নির্মাণের যুক্তি হিসেবে ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতার কথা তুলে ধরেছেন এবং এটাই তাঁর মসজিদ নির্মাণের পক্ষে থাকার সবচেয়ে জোরালো যুক্তি। ওবামা বলেন, আল-কায়েদা ইসলাম নয়, তারা ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করেছে মাত্র। এটা অবশ্যই ঠিক। নাইন ইলেভেনের হামলার পেছনে ধর্ম হিসেবে ইসলামের কোনো দোষ নেই। অনেক নিরপরাধ মুসলিমও ওই হামলায় নিহত হয়েছে। অন্য সবার মতো তারাও সন্ত্রাসের নির্মম শিকার। তাই নাইন ইলেভেনে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের আবেগকে পুঁজি করে মসজিদ নির্মাণে বাধা দেওয়াটা মোটেই উদার মনোভাবের পরিচয় বহন করে না। বরং গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ নির্মিত হলে সেটাই হবে ইসলামকে ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের জন্য মোক্ষম জবাব। আর তা করতে পারলে ওবামা হয়তো তাঁর শান্তির জন্য পাওয়া নোবেল পুরস্কারেরও মর্যাদা রাখতে পারবেন।
ফাহিম ইবনে সারওয়ার, শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষতা
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের সাক্ষাৎকারটি পড়লাম। সাক্ষাৎকারটির একপর্যায়ে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরার প্রসঙ্গটি আসে। সময়োপযোগী প্রসঙ্গ। দেশজুড়ে এখন বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা-বিতর্ক চলছে। যাঁরা বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার পক্ষে কথা বলছেন, তাঁদের বিপরীতে এমন কথাও বলা হচ্ছে যে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরা আর সম্ভব নয়। বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতা বা অসাম্প্রদায়িকতার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের পক্ষে আর বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয় বাস্তব রাজনৈতিক কারণে।
বাহাত্তরের সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মের নামে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। তখন কোনো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড অনুমোদিত ছিল না। জিয়াউর রহমানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমোদন দেওয়া হয়; ধর্মের নামে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং মুক্তিযুদ্ধকে বানচাল করে দিতে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নেমেছিল, পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, জিয়াউর রহমান শুধু সংবিধান সংশোধন করে তাদের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেননি, তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
জেনারেল এরশাদ এসেও একই ধারায় এগিয়ে চললেন, ধর্মপ্রাণ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের মন জয় করার মতলবে এই স্বৈরশাসক আরও বাড়তি একটা কাজ করলেন, সেটা হলো সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ যুক্ত করা। ইসলামকে ভালোবেসে এরশাদ এই কাজটি করেননি, করেছিলেন সহজ-সরল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার করে নিজের প্রতি সমর্থন আদায়ের মতলবে।
এখন আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফেরার কথা বলছে, কিন্তু বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম রেখে দিতে চাইছে। বলা হচ্ছে, বিসমিল্লাহ থাকবে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করাও বাস্তব কারণে সম্ভব হবে না। তাহলে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া হয় কী করে? ধর্মের নামে রাজনীতি করা যাবে না—এই নীতি যদি সংবিধানে আবার যুক্ত করা না যায়, তাহলে বাহাত্তরের আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়া বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?
আলাউদ্দিন আহমেদ
নয়া পল্টন, ঢাকা।
গণিত অলিম্পিয়াড ও আমাদের সচেতনতা
আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের বয়স ৫১ বছর, বাংলাদেশের সেখানে পদার্পণের বয়স মাত্র ছয় বছর। এই ছয় বছরে বাংলাদেশের প্রতিযোগীদের অর্জন নেহায়েত কম নয় । গত বছর একজন প্রতিযোগীর সর্বোচ্চ অর্জন ছিল ১৭ পয়েন্ট (ব্রোঞ্জ পদক), এবার একজন প্রতিযোগীর সর্বোচ্চ অর্জন ২০ পয়েন্ট এবং ব্রোঞ্জ পদক অর্জন (১ নম্বরের জন্য রৌপ্য পদক হয়নি)।
গত কয়েকবারের তুলনায় এবার আইএমওতে সৌদি আরবের প্রাপ্তি ছিল উল্লেখ করার মতো। দুটো ব্রোঞ্জ অর্জিত হয়েছে সারা বছর মার্কিন কোচ দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে। আমার জানামতে বিশ্বের অনেক দেশই নির্বাচিত প্রতিযোগীদের জন্য বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের তৈরি করে। চীন প্রতি বছর আইএমওতে শীর্ষস্থান দখল করে এই কৌশল অবলম্বন করে। শুধু গণিতে কেন, ক্রীড়ায়ও তারা শীর্ষে। এর কারণ পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেককে নিজ নিজ ক্ষেত্রে যোগ্য করে গড়ে তোলা।
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্যতানুযায়ী পৃষ্টপোষকতা করতে পারলে তা হবে রাষ্ট্রের জন্যই কল্যণকর। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়াঙ্গনের সফলতাকে আমরা যেভাবে অভিনন্দিত করব, তেমনি করব শিক্ষা এবং বিজ্ঞানকেও।
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্রীড়া কোটায় ভর্তির ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু শিক্ষা এবং বিজ্ঞানে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে সুনাম বয়ে নিয়ে আসার পরও তাঁদের জন্য ভর্তি কোটার ব্যবস্থা নেই। মনে পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়ার সময় একজন জাতীয় ফুটবলারের সুবিধার্থে আমাদের সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা পিছিয়েছিল। অথচ ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে স্পেনে থাকায় একজন প্রতিযোগী নটরডেম কলেজে ভর্তির জন্য ভাইভাতে যথাসময়ে উপস্থিত না থাকতে পারায় ছেলেটিকে তার অভিভাবকসহ কতই না নাজেহাল হতে হয়েছিল।
এবার ৫১তম আইমওতে কাজাখস্থান ঘোষনা দিয়েছে তাদের দেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রতিযোগীকে তাদের দেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি ভর্তি করিয়ে নেওয়া হবে। একই ব্যবস্থা রয়েছে ইরান, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কোরিয়া প্রভৃতি দেশে। তাছাড়া সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নানিয়াং টেক বিশ্ব্ববিদ্যালয়ে সুযোগ রয়েছে আইএমওতে একটি পদক থাকলেই সরাসরি বৃত্তিসহ ভর্তির।
আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদেরা ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ন হয়ে ভাল ফল করবে সন্দেহ নেই। কিন্ত এধরনের বিশেষ ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে নিঃসন্দেহে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা উচিত।
মালেকা বিলকিস, ঢাকা।
m.bilkis@yahoo.com
সাঁথিয়ার দুঃখ
পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভার অধিবাসীরা নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করা সত্ত্বেও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অধিকাংশ রাস্তাঘাট যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না বলে পৌর এলাকা অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। মশা নিধনের কোনো উদ্যোগ নেই। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তাগুলো ডুবে যায়। জনসাধারণকে হাঁটুর ওপর কাপড় তুলে চলাচল করতে হয়।
পৌরসভার অধীন চক কোনাবাড়ীয়া, দৌলতপুর, সাঁথিয়া বাজার, শালঘর, ফকিরপাড়া, শেখপাড়া প্রভৃতি স্থানে পাকা ও আধা পাকা সড়ক ভেঙে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভার নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ১০০ পরিবারের ভাগ্যে এখনো বিদ্যুৎ-সংযোগ জোটেনি। যেখানে বিদ্যুৎ-সংযোগ আছে, সেখানে দিন-রাতে ব্যাপক লোডশেডিং করা হয়। সড়কগুলোতে বৈদ্যুতিক বাতি না থাকায় সন্ধ্যার পরপর ভূতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলে পুরো পৌর এলাকা অন্ধকার হয়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মো. আশিক ইকবাল
সাঁথিয়া বাজার, পাবনা।
ক্ষমতা বনাম সমস্যার পাহাড়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত এক বৈঠকে বলেছেন, যারা বিদ্যুৎ-সমস্যা নিয়ে আন্দোলন-ভাঙচুর করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে, তাদের ‘কঠোরহস্তে’ দমন করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন একটি সময়ে এই উক্তি করেছেন, যখন একটু বিদ্যুতের জন্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নাভিশ্বাস উঠে গেছে। সারা দিনের কর্মক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে একটু শান্তিমতো ঘুমানোরও জো নেই। সারা রাতে কয়েকবার লোডশেডিংয়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। গরমে ছটফট করতে করতে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো সান্ত্বনা থাকে না।
ক্ষমতাধরেরা ক্ষমতায় আরোহণের পর কেন যেন মানুষের দুঃখকষ্ট অনুভব করতে পারেন না। তাঁরা ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করেন। এ সরকার যদি এ বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ-সমস্যার কিছুটা সমাধানও না করতে পারে, তাহলে হয়তো আরেকটি ‘কানসাট’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়াও অসম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ‘নৈরাজ্য’ দমন করা একটু কঠিনই হয়ে উঠতে পারে।
দেশে যেসব সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে, সেগুলোর রাতারাতি সমাধান কেউ প্রত্যাশা করে না। কিন্তু কোনো সমস্যা সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না—এটাই হতাশার কথা। সমস্যাগুলো জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে, মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। কিন্তু সমাধানের কাজ শুরু হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথাই ধরা যাক। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত দেড় বছরে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে বলে সরকার দাবি করে। কিন্তু মানুষের মনে যে প্রশ্নটি এসেছে তা হলো, ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হওয়ার পরেও লোডশেডিং কেন আগের চারদলীয় জোট সরকার কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চেয়েও ভয়াবহ? সরকার এ ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে পারে, চাহিদা বেড়েছে কিংবা এ জাতীয় কিছু বলে। কিন্তু সেটা এ দেশের মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য, তাও ভেবে দেখার বিষয়।
বর্তমান সরকার দেড় বছর হলো ক্ষমতায় এসেছে। আরও সাড়ে তিন বছর এই সরকার ক্ষমতায় থাকবে। দুই বছর অগণতান্ত্রিক শাসনের পর একটি সুন্দর নির্বাচনে এ দেশের মানুষ বিপুল সমর্থন দিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। মানুষ কখনোই চায় না, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হোক। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই সরকারের সফল হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সরকারের নেতৃবৃন্দ অনেক ভালো ভালো কথা বলে যাচ্ছেন। কিন্তু জনজীবনের সমস্যাগুলো তো কমছে না বরং দিন দিন আরও প্রকট হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রীরা যদি জনগণকে হুমকি-ধমকি দেন, তাহলে হতাশা ও ক্ষোভ আরও বাড়বে। সরকারের জনপ্রিয়তা হুমকির মুখে পড়বে।
নাইর ইকবাল, ঢাকা।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 06
(121)
- চারদিক-দুঃসময়ে এক দুর্গম মরুর কান্ডারি by বিপ্লব বালা
- প্রতিক্রিয়া-দেশের স্বার্থেই উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলন ...
- ধর্ম-দানশীলতা ও বদান্যতার চর্চা করুন by মুহাম্মদ আ...
- গোধূলির ছায়াপথে-জীবনটাই কৌতুক by মুস্তাফা জামান আব...
- সময়চিত্র-‘তাহারা’ সাধু, আমরাই শয়তান by আসিফ নজরুল
- আরও পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ আইন প্রয়োজন-বন্য প্র...
- দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন-ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ...
- চারদিক-পাহাড়ের কোলে পাহাড়ি বাজার by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সপ্তাহের হালচাল-অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশান্ত প্রশ...
- ধর্ম-মাহে রমজান প্রশিক্ষণ লাভের মাস by মুহাম্মদ আব...
- জনপ্রতিনিধি-পুরুষ সাংসদের ‘দেখে নেওয়া’ by সোহরাব হ...
- নিপীড়িত নারী-সুবিচারবঞ্চিত নারীর আত্মহনন আর নয় by ...
- শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দায়িত্ব সরকারেরই-শিক্ষা-...
- বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন-চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষত...
- জন্মদিন-পরম নামে ডাকি by নির্লিপ্ত নয়ন
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে কোরআন তিলাওয়াত b...
- একান্ত সচিব থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হোক-বন্দরের গা...
- বিমানকে রাহুমুক্ত করতে হবে-মন্ত্রী বনাম সংসদীয় কমিটি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-শামসুর রাহমানের বাড়ি by সোহরাব হাসান
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে নামাজের ফজিলত by...
- গদ্যকার্টুন-ইহারা একে অপরকে ছুড়িয়া নিচে ফেলে কেন? ...
- সহজিয়া কড়চা-রাজনৈতিক সরকার কী গণতান্ত্রিক সরকার? b...
- ক্রমাগত আইন অমান্য ছাড় পাচ্ছে কিসের বলে?-দায়িত্বহী...
- গুলিতে আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যু-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ...
- কর্মসূচির বার্তা
- আমার ছেলেমেয়ে ও স্কুল by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অহেতুক কৌতুক
- ঐতিহ্য বাঁচাতে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে কি?-আগ...
- গন্তব্য ঢাকা-‘গ্রামে চলে যেতে খুব মন টানছে’ by শর্...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের পবিত্রতা by মুহ...
- অর্থনীতি-শেয়ারবাজার, সূচক এবং কালো মেঘ by হানিফ মা...
- রাজধানী-অপরিকল্পিত নগরায়নণ ও জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি...
- আত্মবিনাশী এই অপকর্ম এখনই বন্ধ করুন-মাছ শিকারে কীট...
- কথা ও কাজে মিল থাকা চাই-পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশন
- চারদিক-সাদা-কালো ছবির ফ্রেমে বঙ্গবন্ধু by মোছাব্বে...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে ইবাদত-বন্দেগি by...
- স্মরণ-রক্তাক্ত দৃশ্যপটের পশ্চাদ্ভূমি by সেরনিয়াবাত...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আগস্ট এলে গভীর শূন্যতা অনুভব করি ...
- নারীকে লাঞ্ছিত করে কেউ যেন পার না পায়-বখাটের অত্যা...
- স্বাধীনতার চেতনায় ফেরার ডাক-শোকাবহ ১৫ আগস্ট
- চারদিক-সুকান্ত: বিদ্রোহের দিনপঞ্জি-লেখক by ফারুক ও...
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া-অবৈধ ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে র...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-রোজার ঐতিহাসিক পটভূমি by মুহ...
- জিএম বীজ-হাইতিতে কারসাজি ভেস্তে গেছে by ফরিদা আখতার
- কালের পুরাণ-বঙ্গবন্ধু হত্যা ও পাকিস্তানি যোগসূত্র ...
- আটক শ্রমিকদের মুক্তিই শান্তি নিশ্চিত করতে পারে-হিউ...
- আমলে নিন বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা-উন্নয়ন প্রকল্পে...
- চলতি পথে-‘ভয় কি মরণে’ by দীপংকর চন্দ
- মুজিবের স্মৃতি-আজও সেই একইভাবে কাঁদছি by জুলিয়ান ফ...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের গুরুত্ব ও মাহাত...
- পঞ্চম সংশোধনী-আমার জাতীয়তা ও বন্দুকের নল by জাফর ইমাম
- খোলা চোখে-আমেরিকায় এসব হচ্ছেটা কী? by হাসান ফেরদৌস
- নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কার্যকর হবে কি?-শিক্ষার্থীদের ব...
- বিদ্যুৎ নিয়ে জনগণকে অন্ধকারে রাখলে চলবে না-দুর্বিষ...
- চারদিক-নটর ডেমিয়ান ৮১ ব্যাচ: শোনো by মানস কুমার গো...
- ধর্ম-আহ্লান সাহ্লান মাহে রমজান by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- মানসিক স্বাস্থ্য-পরিবারে আর রাজনীতিতে মানসিক খেলা ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-স্মৃতিতে কামাল-জামাল-রাসেল by এবি...
- দ্রুত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা দরকার-পাকিস...
- রমজান মাসে বাজারের সুষ্ঠু তদারকি প্রয়োজন-বাজারদরে ...
- জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতীদের সংবর্ধনা ২০১২-আমাদেরটাই সে...
- মাদকের বিরুদ্ধে বন্ধুরা by সৈয়দ মুনির
- রাজবাড়ীসভার কমিটি
- মাদক থেকে থাকব দূরে বলছি সেটাই গানের সুরে by জয়ন্ত...
- চবিসভার আনন্দ আয়োজন by মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- একনজরে-ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
- পেশা-পরামর্শ-করপোরেট যোগাযোগ
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-দক্ষ ...
- পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে চাইলে by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- কর্মসংস্থান ব্যাংকে কর্মের সুযোগ by জাহিদ হাসান
- সংশোধনী
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-‘বন্ধুত্বের হয় না পদবি’...
- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-কৃষি অনুষদে বিদায়ের সুর b...
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-নতুন স্থাপত...
- সফলদের স্বপ্নগাথা-উদ্যোক্তা হতে চাও? by ক্যামেরন হ...
- স্বাস্থ্য টিপস-নিষিদ্ধ জর্দা by ফারহানা মোবিন
- স্বাস্থ্যসংকট জরুরি হলে by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- মৌসুমি ফল কীভাবে খাবেন by আখতারুন নাহার
- তাঁরা নারী বলে... by লাবনী খন্দকার
- এই দিনে-অনন্য একটি প্রতিষ্ঠান by ডা. এ বি এম জামাল
- গোলটেবিল বৈঠক-শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার
- বিএনপি তিনটি স্থানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে
- বিএনপির বাজেট ভাবনা-লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চতর...
- প্রতিক্রিয়া-বিচারপ্রার্থীদের গ্রাম আদালত by মো. মা...
- জাতীয় সংসদ-অন্যকে অসম্মান করে কি নিজে সম্মানিত হওয়...
- রাজনীতি-সংলাপ হচ্ছে, সংলাপ হচ্ছে না! by মাহমুদুর র...
- ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দ্রুত পরিশোধ করুন-ভব...
- ওএসডি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, না সরকারের?-জনপ্রশাসনে ব...
- জিডি করার পর ব্যবসায়ী অপহৃত
- এমপিদের কাছে আরো দায়িত্বশীল কথা আশা করি : আবু সায়ীদ
- নিঝুম দ্বীপের কান্না-২-মৃত্যুমুখে ৫০ হাজার হরিণ by...
- চলতি বছরের চেয়ে নতুন বাজেট ১৭ শতাংশ বড় by আবুল কাশেম
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- এবারও টিপাইমুখে নামা যাবে না by রাহীদ এজাজ
- মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ২১ জুন-...
- বাজেট বাস্তবায়নের স্বার্থে পরনির্ভরতা ছাড়তে হবে by...
- সংসদে ক্ষোভ-বিচারপতিকে ইমপিচ করার আলটিমেটাম
- হাইকোর্টের মন্তব্য-স্পিকারের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহে...
- শিক্ষকদের বঞ্চিত করে বরাদ্দ ফেরত-শিক্ষার মানোন্নয়ন...
- নিত্যপণ্য ও দৈনন্দিন জীবন-বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহই সঠি...
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করতে হবে by ড. জ...
- শুধু পরিকল্পনা নয় বাস্তবায়নই জরুরি by ড. এম আসাদুজ...
- মৃদুকণ্ঠ-বাজেট ও উন্নয়ন দর্শন by খোন্দকার ইব্রাহিম...
- চরাচর-পুরান ঢাকায় ব্রাহ্মসমাজ পাঠাগার by পাভেল রহমান
- সপ্তাহের হালচাল-বিএনপি কোন পথে যাবে by আব্দুল কাইয়ুম
- সংকটের বড় উৎস বৈদেশিক খাত by মনজুর আহমেদ
- বাজেট ২০১২-১৩-বাজেটে রাজনৈতিক প্রকল্পের অত্যাচার b...
- হাইকোর্টের বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ-সুপ্রিম জুডিশিয়াল...
- স্পিকারের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল: হাইকোর্ট
- কী হতে যাচ্ছে ১০ জুনের পর by তারেক শামসুর রেহমান
- নখের যোগ্যতা নখের অযোগ্যতা by রণজিৎ বিশ্বাস
- সাক্ষাৎকার-পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য দরকার by এম মো...
- প্রত্যাশা ও প্রতিদান by আসিফ আহমদ
- সিপিডির সুপারিশ-নীতি পর্যালোচনা ও সংস্কারে উদ্যোগ চাই
- কণ্ঠস্বর-তালগাছটা আমার by রাহাত খান
- জন্মের আগেই মৃত্যু-এমন ভুল কীভাবে হয়?
- সংসদে আবু সায়ীদ প্রসঙ্গ-অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক
- পুঁজিবাজার : বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব বিভ্রান্তি...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-কবে হবে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি?...
-
▼
Jun 06
(121)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
ইয়েমেন
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment