Wednesday, June 6, 2012
গোলটেবিল বৈঠক-শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার
গোলটেবিল বৈঠক-শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার
২৪ মে ২০১২ প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায়ছিল সেভ দ্য চিলড্রেন, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সিএসআইডি। এতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আলোচনায় অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হলো।
যাঁরা অংশ নিলেন
ড. আকবর আলি খান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
অর্থনীতিবিদ, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
হাসানুল হক ইনু
সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
এম এ মান্নান
সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
রণজিৎ কুমার বিশ্বাস
সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
অধ্যাপক সাদেকা হালিম
কমিশনার, তথ্য কমিশন
ড. ফাহমিদা খাতুন
গবেষণা-প্রধান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ
ড. কাজী মারুফুল ইসলাম
সহযোগী অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
খন্দকার জহুরুল আলম
নির্বাহী পরিচালক, সিএসআইডি
মো. এমরানুল হক চৌধুরী
কনভেনর, সিআরজিএ ও নির্বাহী পরিচালক, উদ্দীপন
কাজী গিয়াস উদ্দিন
ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোয়ালিটি, সেভ দ্য চিলড্রেন
শামসুল আলম
ডেপুটি ডিরেক্টর, চাইল্ড রাইটস গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম, সেভ দ্য চিলড্রেন
চৌধুরী মো. তাইয়ুব তাজাম্মুল
সিনিয়র ম্যানেজার, চাইল্ড রাইটস গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম, সেভ দ্য চিলড্রেন
এম এম আমিনুল ইসলাম
চাইল্ড প্রোটেকশন স্পেশালিস্ট, ইউনিসেফ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম: যুগ্ম সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এই শিশুদের জন্য কী করছি, কী করা উচিত, কী পরিকল্পনা আছে তাদের জন্য? শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও বিনোদনের জন্য আমরা কীকরছি? বাস্তবতা হলো, মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার সময় উত্ত্যক্ত করা হয়। দুষ্কৃতকারীরা ছেলেমেয়েদের খারাপ কাজে ব্যবহার করে। সমাজে শিশুর অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অথচ শিশুদের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা অছে। ২০২১ সালের জন্য লক্ষ্যমাত্রা আছে। প্রতিবছর বাজেট বরাদ্দ দিয়ে তাদের জন্য কী কাজ করা হয়, তা সরাসরি অনেকে দেখতে চায়, জানতে চায়। শিশুদের জন্য বরাদ্দ ও তার বাস্তবায়নের বিষয়ে বাজেটে বিবরণীমূলক একটি পৃথক অধ্যায় থাকা দরকার, যাতে বছর শেষে প্রকৃত অর্জন বের করা যায়।
রণজিৎ কুমার বিশ্বাস
শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার—এ দুটি বাক্যে কারও কোনো দ্বিমত বা সংশয় থাকার কথা নয়। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতেই হবে। সরকারের অঙ্গীকার নিয়েও কোনো প্রশ্ন নেই। কারণ, শিশুদের জন্য বিনিয়োগ না করলে যে ক্ষতি হবে, সেটি বিনিয়োগ-মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। সরকার বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করে। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে শিশুদের জন্য নানা রকম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় বরাদ্দ পেয়ে যাচ্ছি। এখানে হয়তো আরেকটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে বরাদ্দ করা অর্থের কতটুকু কাজে লাগাতে পারছি বা এই অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না। তবে এ ধরনের আলোচনার আয়োজন হলে সরকার, এনজিও ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের মতামত দিতে পারে। এ থেকে সরকার তার সফল ও দুর্বল দিকগুলো বুঝতে পারে এবং সামনের দিনগুলোতে কাজ করতে সুবিধা হয়।
ইউনিয়ন স্তর পর্যন্ত আমাদের কাজের পরিধি রয়েছে। সেখানে যারা কাজ করেন, তাঁদের বলা হয় ইউনিয়ন সমাজকর্মী। অনেক মন্ত্রণালয়ের ইউনিয়ন স্তর পর্যন্ত কর্মী নেই। ৮৯টি কার্যক্রম সরকার সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রেখেছে। সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর ১৩টি কার্যক্রম সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় করছে।
দেশে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র আছে, যেখানে ১৮ বছর পর্যন্ত শিশুরা থাকতে পারে। সেখানে তাদের খওয়াদাওয়া ও লেখাপড়ার ব্যবস্থা আছে। অপরাধে জড়িয়ে পড়া শিশুদের জন্য কিছু সংশোধনাগার আছে। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু উন্নয়ন কার্যক্রম আছে।
আরেকটি বড় কাজ শিশুদের জন্য শুরু করেছি। তা হলো দেশের প্রতিটি জেলায় সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র গড়ে তোলা। শিশুসহ অন্যরাও এখানে সেবা পাবে। প্রতিটি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্রে ১০ জন অটিস্টিক প্রতিবন্ধী শিশুকে লেখাপড়া করানোর স্কুল যুক্ত করা হয়েছে।
আমরা ৬৪টি জেলার সাধারণ স্কুলের সঙ্গে সমন্বয় করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিচ্ছি। সাতটি শ্রবণপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় আছে। এখানে ২৭০ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষা গ্রহণ করছে। দেশে দুটি শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। যার মাধ্যমে ১১৫ জন প্রতিবন্ধীকে প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনসেবা প্রদান করা হচ্ছে। মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কেবল চট্টগ্রামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে ১১৫ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি শিশুসদন ও পরিবারকল্যাণকেন্দ্র যেগুলো আছে, সেখানে সরকারের বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম করা হয়। এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য আমরা কিছু কার্যক্রম করে থাকি।
শিশুদের কল্যাণে জাতীয় প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনে দুটি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার। একটি হলো শিশুদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স। আমিনবাজারের পর ১২ একর জায়গার ওপর এটি তৈরি হবে। এ কাজ চলছে। শিশুদের জন্য আরেকটি আধুনিক কাজ করা হচ্ছে। তা হলো সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা নামে হাওয়া ও তারের মাধ্যমে ঐন্দ্রজালিক সুর তৈরি করা। এর মাধ্যমে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা হবে। এই হলো শিশুদের কার্যক্রমের বিবরণ। আজকের এ আলোচনা থেকে অনেক বিষয় উঠে আসবে। এ বিষয়ের একটি নোট নেব। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে শিশুদের বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া হয়। সেখানে এ বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম
এখন বলবেন সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোয়ালিটি, কাজী গিয়াস উদ্দিন।
কাজী গিয়াস উদ্দিন
সেভ দ্য চিলড্রেনের পক্ষে ১৯৭০ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ হচ্ছে। শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কার্যক্রম করি। দেশে যখন জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে, তখন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপত্তার জন্য কাজ করি। এসব কাজ করতে গিয়ে আমাদের বিদেশি দাতা সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। এই দাতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন আসে। তারা জানতে চায়, সরকারের কী পরিমাণ রাজস্ব শিশুদের জন্য বরাদ্দ করা হয় এবং এর কত অংশ তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপত্তা ও বিনোদনের জন্য ব্যয় করা হয়। শিশুদের জন্য আলাদা বাজেটের কথা বলছি না। যেটা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে তা হলো, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ ইত্যাদি মন্ত্রণালয়ে কত শতাংশ শিশুদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বরাদ্দ করা অর্থ কোন কোন খাতে কতটা ব্যয় হচ্ছে। এর একটা স্বচ্ছ ধারণা বাজেট থেকে পেতে চাচ্ছি। শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য এটা জানার প্রয়োজনীয়তা আমাদের আছে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ শিশু। তারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক। ভবিষ্যতে এই শিশুরা কতটা সুনাগরিক হবে, কতটা ভালো মানুষ হয়ে দেশের সেবা করবে, তার পুরোটাই নির্ভর করবে তাদের জন্য বর্তমানে কী পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারছি।
আব্দুল কাইয়ুম
সেভ দ্য সিলড্রেনের বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা ও তাদের শিশুভিত্তিক বিভিন্ন কাজের কথা জানলাম। এবার এ বিষয়ে আলোচনা করবেন খন্দকার জহুরুল আলম।
খন্দকার জহুরুল আলম
দেশে মোট শিশুর সংখ্যা কেউ ৪২, কেউ ৪৫, কেউ ৪৮ শতাংশ বলেন। যাই হোক না কেন। এই সংখ্যা মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের কাছাকাছি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শিশুদের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ আছে তা দৃশ্যমান নয়। তাদের জন্য বাজেট বরাদ্দ ও বাজেট নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কিন্তু আমরা ঠিক বুঝতে পারি না কত শতাংশ অর্থ শিশুদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। শিশুদের জন্য আলাদা কোনো অধ্যায় না থাকায় আমরা সেটা বুঝতে পারছি না। ভারতে শিশুদের জন্য আলাদা বাজেট অধ্যায় আছে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমনকি ঘানার মতো দেশে শিশুদের জন্য পৃথক বাজেট অধ্যায় আছে। বিন্তু বাংলাদেশের বাজেটে কখনোই এটা দেখতে পাইনি। জেন্ডার, ডিজঅ্যাবিলিটি ইত্যাদি বিষয়ে পৃথক অধ্যায় এসেছে। কিন্তু শিশুদের বিষয়ে আসেনি। আরেকটি বিষয় হলো, যে বাজেট বরাদ্দ হলো, এর কতটা বাস্তবায়ন হলো। সে চিত্রটি কখনোই খুঁজে পাই না। আমরা বলতে চাচ্ছি, বাজেট উপস্থাপনের সময় শিশুদের জন্য যেন একটি আলাদা অধ্যায় রাখা হয়। সেখানে বরাদ্দ করা অর্থ এবং অর্থ বিনিয়োগের ধারাবাহিক পদ্ধতি বলা থাকবে।
শিশুদের জন্য একটা কমিশন থাকা দরকার, যেটা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। এই কমিশন শিশুদের জন্য কী বাজেট হচ্ছে, কী বাস্তবায়ন হচ্ছে সেটা পর্যবেক্ষণ করবে। শিশুদের সঙ্গে কথা বললে, তারা বলে তাদের জীবনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছর বস্তিতে ছিল, এবারও বস্তিতে থাকে। গত বছর যেভাবে যে পরিবেশে লেখাপড়া করেছিল, এবারও সেই পরিবেশে লেখাপড়া করছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বাজেট তাদের জীবনে কী দিল?
আব্দুল কাইয়ুম
খন্দকার জহুরুল আলম শিশু কমিশনের কথা বলেছেন। মনে হয়, বিষয়টি ভেবে দেখার সময় এসেছে। এবার বলবেন কাজী মারুফুল ইসলাম।
কাজী মারুফুল ইসলাম
শিশুদের বরাদ্দ সম্পর্কে সবাই জানি। বরাদ্দ বাড়বে না কমবে, কমিশন হবে কি হবে না, পৃথক অধ্যায় থাকবে কি থাকবে না—এর জন্য কিছু বিবেচ্য বিষয় আছে। জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু। এই শিশুরা ভবিষ্যতে শ্রমশক্তিতে পরিণত হবে। কীভাবে এই বিরাট জনশক্তিকে পরিচালনা করব, তার ওপর নির্ভর করবে তারা দেশকে কতটুকু সেবা দিতে পারবে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তুলনায় শিশুরা পিছিয়ে আছে। দেশের সংবিধানে সব নাগরিকের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। শিশুরা সে অধিকার কতটুকু ভোগ করতে পারছে, আজকে সেটি একটি বড় প্রশ্ন। বাজেটে তাদের জন্য ‘বরাদ্দ’ না বলে ‘বিনিয়োগ’ বলতে চাই। কারণ, শিশুদের জন্য কতটুকু বিনিয়োগ হচ্ছে, বিনিয়োগের কত শতাংশ খরচ হচ্ছে, তাদের কল্যাণ কতটুকু হচ্ছে—এই বিষয়গুলো ‘বরাদ্দ’ শব্দ দিয়ে বোঝানো যায় না। সুতরাং এটা বিনিয়োগ। বিনিয়োগের কতটুকু কার্যকর ব্যবহার হয়েছে। মুনাফা কী হয়েছে—এর হিসাব নিতে চাই। উন্নয়নের সূচকে বেশ কিছু জায়গায় যেমন শিক্ষা, শিশুমৃত্যুর হার ইত্যাদি কিছু জায়গায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে যাচ্ছে। এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কারণ জিডিপি বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সংগত কারণে বাজেট বাড়বে। জিডিপি ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তুলনা করলে যে পরিমাণ বাজেট বাড়ার কথা, সে পরিমাণ বাড়েনি। সরাসরি শিশুসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোয় কাজ করে দেখেছি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে। কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় এ হার হতাশাজনক। প্রতিটি বরাদ্দই শিশুদের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলে। সে ক্ষেত্রে শিশুদের বরাদ্দ পৃথক করা কিছুটা কঠিন হয়। কিন্তু কিছু মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সরাসরি শিশুদের প্রভাবিত করে। এগুলোর একটি তালিকা করে আলাদা একটা অধ্যায় শিশুদের বিনিয়োগের বিষয়টি থাকলে সবার জন্য সুবিধা হবে।
আকবর আলি খান
আজকের আলোচনার বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত। তবে এখানে বড় ধরনের কিছু বিভ্রান্তি কাজ করছে। প্রথম কথা হলো, একটি দেশের বাজেট শিশুদের, নারীদের জন্য আলাদা করে হয় না। বাজেট হয় দেশের জন্য। এখানে আমরা জানতে চাই, শিশুদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেটা হয়েছে কি না। বারবার শুনতে পাচ্ছি বাজেটের অধ্যায়। অধ্যায় বলে কিছু নেই। বাজেটের মধ্যে কতগুলো হিসাব এবং আইন আছে। আর বাজেট বোঝার জন্য আছে কতকগুলো সহায়ক দলিল। মহিলাদের জন্য জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদন করা হয়। এটা সংসদে উপস্থাপন করা হয়, যা বাজেটের সহায়ক দলিল হিসেবে কাজ করতে পারে।
শিশুদের জন্য বাজেটে সহায়ক দলিল থাকতে পারে। সহায়ক দলিল নারীদের ক্ষেত্রে পেয়েছি। তবে যেটা পেয়েছি, এটা না পাওয়া ভালো ছিল। এটাতে কোনো কাজ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যে তথ্য প্রকাশ করেছে, সেগুলো অর্থহীন মনে হয়েছে। কেন মনে হয়েছে? এর কারণ হলো, উদাহরণ হিসেবে বলি, উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রকল্পের নাম বেগুনবাড়ি খাল ও স্টাফ কলেজ। এ দুটি প্রকল্পের বরাদ্দের যথাক্রমে ২০ ও ১০ শতাংশ মহিলাদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। এর থেকে কোনো কিছু বের করা সম্ভব নয়। শিশুদের জন্য সহায়ক দলিল যদি থাকে, তাহলে সেই দলিলে থাকতে হবে, শিশুদের কী কী সুযোগ দরকার, গত বছর শিশুরা কী অবস্থায় ছিল, এ বছর কোথায় আছে। যদি মনে করি, শিশু পাচার রোধ জরুরি, তাহলে গত দুবছর পাচার পরিস্থিতি কী ছিল, এ বছর অবস্থা কী ইত্যাদি তথ্যের সমাবেশ করতে হবে। মহিলাদেরও বর্তমানের দলিল প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশে মহিলাদের কী পরিস্থিতি, তার ওপর একটি প্রতিবেদন দাখিল করা উচিত। প্রতিবেদন দাখিল করলে বেগুনবাড়ি খাল আর স্টাফ কলেজের মতো আজগুবি খাত মহিলাদের জন্য তৈরি হবে না। সমস্ত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, পয়োনিষ্কাশনসহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যে অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু সমাধানের কোনো দিকনির্দেশনা নেই। সমাধানের সঠিক দিকনির্দেশনা থাকার পর কোথায় কত অর্থের প্রয়োজন, কী ধরনের সম্পদের প্রয়োজন, সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা থাকতে হবে। তাহলে বলতে পারব শিশুদের জন্য কোথায় কাজ হচ্ছে আর কোথায় কাজ হচ্ছে না। এ জন্য শিশুদের ওপর বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। এটি বাজেটের সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে বের করা যেতে পারে।
আব্দুল কাইয়ুম
আকবর আলি খান শিশুদের সহায়ক দলিল, শিশুদের অবস্থা সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন ইত্যাদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কথা বলেছেন। এখন বলবেন মো. এমরানুল হক চৌধুরী।
মো. এমরানুল হক চৌধুরী
শিশুদের বাজেট বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পরিষ্কার নয়। শিশুদের জন্য কতটুকু বাজেট, বাজেটের ভিত্তিগুলো কী, তা স্পষ্ট নয়। শিশুদের জন্য অনেক বেশি খরচ করার সুযোগ আছে। কারণ, তাদের জন্য যা খরচ হবে, তার পুরোটাই বিনিয়োগ। শিশুদের জন্য যদি সঠিক বিনিয়োগ না হয়, তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেওয়া হবে। কারও হিসাবে বলা হচ্ছে জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ শিশু। কারও হিসাবে ৪৭ শতাংশ। তথ্যে ভুল থাকলে বাজেটে ভুল থাকবে। শিশুদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। না করলে কী হবে বা এর দায় কে নেবে সে বিষয় কোনো সঠিক নির্দেশনা নেই।
স্কুলে যাওয়া শিশুর হার বেড়েছে। কিন্তু ৩৮ শতাংশ শিশু ঝরে পড়ছে। তাহলে প্রকৃত শিশুশিক্ষার হার কী, এর কোনো সঠিক চিত্র নেই। এই ৩৮ শতাংশের জন্য বাজেটে কী ব্যবস্থা আছে। বাজেটে তার কোনো নির্দেশনা নেই। সরকারের প্রশাসনযন্ত্রে এমন একটা জায়গা নেই, যেখানে শিশুদের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। কমপক্ষে সাত থেকে দশটা মন্ত্রণালয় যেতে হবে তথ্যের জন্য। তার পরও সঠিক তথ্য পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ে একটা আলাদা পরিদপ্তর (ডাইরেক্টরেট) থাকলে সেখান থেকে হয়তো শিশুদের তথ্য পাওয়া যেত। ১০টা মন্ত্রণালয় শিশুদের বাজেটের সঙ্গে যুক্ত। বাজেটের সময় মন্ত্রণালয়গুলো এখান থেকে তথ্য পেতে পারত। আজকের এই গোলটেবিল বৈঠক থেকে এই দাবি জানাব, শিশুদের জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যেন একটি আলাদা পরিদপ্তর (ডাইরেক্টরেট) অবশ্যই করা হয়।
আব্দুল কাইয়ুম
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ শিশুদের নিয়ে কিছু কাজ করেছে। এখন শুনব ফাহমিদা খাতুনের কাছ থেকে।
ফাহমিদা খাতুন
তথ্য নিয়ে কিছু আলোচনা এসেছে এখানে। এখানে দুটো সমস্যা রয়েছে। এক. অনেক দিন পর পর জনসংখ্যা গণনা হয়। দুই. শিশুদের সংজ্ঞা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। সরকারি তথ্যে শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত। এখানে তথ্যের ব্যাপক গরমিল দেখা যায়। ২০১১ সালে সরকারের জনসংখ্যা জরিপে বলা হয়েছে, শিশুর হার ৩০ শতাংশ। অন্যরা বলছে ৪৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে তথ্যে বিরাট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি কোনো পরিকল্পনাই শিশুদের ক্ষেত্রে সঠিক হচ্ছে না।
সরকার শিশুদের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন ও অর্থনৈতিক বরাদ্দ দেয়। ২০১০-১১-এর বাজেটে সরাসরি শিশুদের কল্যাণ হয়, সরকারের এমন কর্মসূচির বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৪.১ শতাংশ। স্কুলে শিশুভর্তির হার বেড়েছে। এরা যদি শিক্ষিত হয়ে বের না হতে পারে, তাহলে বর্ধিত ভর্তির হার কোনো কাজে আসছে না। তা ছাড়া ধনী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা আমাদের বাজেটের মধ্যে আসছে না। শিশুমৃত্যু ও শিক্ষার হারের ক্ষেত্রে শহর, বস্তি, গ্রামের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই বাজেট বরাদ্দের সময় লক্ষ্য স্থির করতে হবে, কাদের জন্য কীভাবে অর্থ ব্যয় করা হবে। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্যে বিভিন্ন বিষয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা আছে। কিন্তু শিশুদের বিষয়ে কোনো লক্ষ্যমাত্রা নেই। কারণ, শিশুদের সব সময় প্রান্তিক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এম আমিনুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতি পাঁচ বছরে আমাদের শিশুদের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। সেখানেও ঠিক সময় দিতে ব্যর্থ হই। গত ১০ বছরে একটা দিতে পেরেছি। এবার অক্টোবর মাসে জমা দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে জরুরি তথ্য হলো, গত পাঁচ বছরে সরকার শিশুদের জন্য কোন কোন খাতে কত ব্যয় করেছে, সে তথ্যের জন্য ১৮টি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকের তথ্য দিতে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে।
আমাদের শিশুনীতি রয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত শিশুবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ছিল। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাস্তবায়ন কী হয়েছে বা হবে, সেটি আলাদা বিষয়। ২০১০-১১ সালের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর মোট বরাদ্দ ১৪.৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে খুব সামান্য অংশ শিশুদের জন্য। জাতীয় গড় দিয়ে চিন্তা করলে সব শিশু উপকৃত হবে না। জাতীয় গড়ের ক্ষেত্রে, জন্মনিবন্ধনের কথা ধরা যাক। ২০০৬ সালে এটা ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে সরকারি হিসাবে ৭৭ শতাংশ। কোনো কোনো জায়গায় ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত জন্মনিবন্ধন আছে। আবার সিলেটের চা-বাগান এলাকায় শিশুদের জন্মনিবন্ধন ১৪ শতাংশ। শহরের বস্তিগুলোতে শিশুরা অনেক পিছিয়ে আছে। কাজেই জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ভৌগোলিক বরাদ্দ। শিশুদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসানুল হক ইনু
শিশুদের শ্রেণীবিভাগ আছে। যেমন দরিদ্র শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, শ্রবণপ্রতিবন্ধী, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, এতিম শিশু, শ্রমিক শিশু, অটিস্টিক বেবি ইত্যাদি। এসব শিশুকে বিবেচনায় নিয়ে বাজেট করতে হবে। সরাসরি শিশুদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ ৪.১ শতাংশ। সবার সঙ্গে একমত যে এটি যথেষ্ট নয়। আমাদের দেশে শিক্ষা খাতে জিডিপির ব্যয় ২.৫ শতাংশ। বিগত ২০ বছর ধরে প্রায় একই ধারা রয়েছে। যেখানে উন্নয়নশীল দেশে এটি ৪ থকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত। শিশুদের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখন আর ধীরে চলার সুযোগ নেই। একবারে কিছুটা বেশি বাড়িয়ে ফেলতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে যেভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, শিক্ষার ক্ষেত্রে সেভাবে হয়নি। এখন সময় এসেছে এ জায়গাটিতে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সংসদ সদস্যসহ সবাইকে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, বিনোদন—এই কয়েকটি জায়গায় জোর দিতে চাই।
আমাদের শিশু নীতিমালা ও জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ রয়েছে। এ দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে শিশুদের বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি ভাবতে হবে। ৮০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদের জন্য এ ক্ষেত্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে। দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে, টয়লেট, পানি, ফ্যান, জানালার গ্রিল ইত্যাদি নেই। ফলে শিশুরা সেখানে পড়ালেখার ভালো পরিবেশ পাচ্ছে না। এখানে অবশ্যই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সবশেষে বলতে চাই, শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণের জায়গাগুলোতে সংসদ সদস্য, জনসাধারণ সবাই মিলে একসঙ্গে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, যাতে শিশুদের প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যায়।
সাদেকা হালিম
এখন পর্যন্ত শিশুদের সংজ্ঞা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। সমাজকল্যাণ ও মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করে। অথচ এ দুটি মন্ত্রণালয় হলো দন্তহীন মন্ত্রণালয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কাজ করতে হয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে। কিন্তু তাদের প্রতিযোগিতা করতে হয় অনেক শক্তিশালী মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। এই মন্ত্রণালয়গুলোর কাজ আদায় করার ক্ষমতা কতটুকু আছে, সেটি একটি প্রশ্ন। শিশুদের কেবল শিশু হিসেবে দেখা হয়। সমাজে শিশুকে মূল্যায়ন করা হয় না। মেয়েশিশু আরও বেশি অবহেলিত।
দেশকে শিক্ষার ক্ষেত্রে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি বড় কারণ হলো দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষক নিয়োগ। একজন মেধাহীন শিক্ষক যত বছর শিক্ষকতা করবেন, তত বছর শিশুরা তাঁর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি কখনো শিশুদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবেন না। আমাদের শিশুর ভবিষ্যৎ আমরা ধ্বংস করতে পারি না। যে মানুষটি ২৫ থেকে ৩০ বছর সেবা দেবেন, তাঁকে অনেক যাচাইবাছাই করে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্র আছে, যেখানে কোনো রকম ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এটা যদি চলতে থাকে, তাহলে এটা হবে আত্মঘাতী কাজ। তাই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বস্তির শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, যে শিশুরা বাসায়, দোকানে, কারখানায় কাজ করে, যে শিশুটি পথের ধারে লাল গোলাপ বিক্রি করে, বাজেটে তার জন্য কোথায় বলা আছে? এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। ব্যাপক হারে শিশুশ্রম ও অনৈতিক কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেখাশোনার কোনো ব্যবস্থা নেই।
আব্দুল কাইয়ুম
শিক্ষকেরা আমাদের শিশুদের জীবন গড়েন। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এবার বলবেন শামসুল আলম।
শামসুল আলম
গত ২০-২২ বছর ধরে শিশুদের সঙ্গে কাজ করছি। প্রতি সপ্তাহে তাদের সঙ্গে কথা হয়। সম্প্রতি শিশুদের অভিযোগ হলো, শিশুনীতি হচ্ছে, জন্মনিবন্ধন হচ্ছে, আরও অনেক কিছু হচ্ছে। স্কুলে ভর্তি হতে পারব তো? শিশুরা প্রতিনিয়ত এই প্রশ্ন আমাকে করছে। আমার কাছে এটি একটি বিরাট প্রশ্ন।
মানবাধিকার সনদ তৈরি হওয়ার পরও শিশু অধিকার সনদ কেন তৈরি হলো। নিশ্চয়ই শিশুদের আলাদা কোনো চাহিদা আছে। সেই চাহিদা পূরণের জন্য কীভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এটা কীভাবে বাজেট থেকে বের করব। যদি বিনিয়োগ পরিষ্কার না হয়, কীভাবে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। যে বিনিয়োগই হোক না কেন, সেখানে আবার দুর্নীতি হচ্ছে। সেটা শিশুদের ওপর কী প্রভাব ফেলছে? সেটি নিয়ে ভাবা হচ্ছে না।
বরাদ্দ বাড়বে কী কমবে, সেটি আলাদা প্রশ্ন। যে বরাদ্দ আছে, সেটি কাদের জন্য। কোন পর্যায়ের শিশুর কতটুকু উপকার হবে। কাদের কতটুকু প্রভাবিত করবে—এই বড় প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্যই আজকে শিশুদের জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ জানা দরকার।
কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
শিশুর সার্বিক উন্নয়নে বিনিয়োগ কথাটিকে সমর্থন করছি। বিনিয়োগ হচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য। শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন যে খাতেই খরচ হোক না কেন, সেটা হবে বিনিয়োগ। আমরা ও আমাদের চেয়ে ধনী, বিভিন্নভাবে ক্ষমতার অধিকারী, তাদের শিশুদের কথা বাজেটে বলার দরকার নেই। বলতে হবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের কথা। এরাই আমাদের চিন্তার কারণ।
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা বৈষম্যপূর্ণ দেশ। এখানে যারা ধনী, তারাই শিক্ষিত হয়। বাকিরা বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়ে। পিছিয়ে রাখার বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষানীতিতে অনেক এগিয়েছি। শ্রমিক, পথ ও পাহাড়ি শিশু, চর, হাওর ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, অতিদরিদ্র শিশু—এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কথা শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে। এই শিক্ষানীতি মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে। সংসদে পাস হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য আইনের দরকার। বাজেট আলাদা না করে বরং সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। শিশুদের কোথায় কী সমস্যা আছে এবং কত বরাদ্দ দরকার।
শিক্ষাবৃত্তির সমস্যা নিয়ে অনেকে বলেছেন, আমি তাঁদের সঙ্গে একমত। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। গত বছর শুরু করেছি। এ বছর বেশি পরিমাণ দেওয়ার কথা। সমস্যা হচ্ছে, যারা খুব ভালো করেছে, তাদের কিছু টাকা দিতে পারি। কিন্তু এই টাকা তার পরিবার খরচ করে ফেলবে। এ জন্য তাদের পরিবারকে প্রতিষ্ঠানে কাজ দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কিছু শিশুর কল্যাণ করছে। এটি শিশুর উন্নয়ন নয়। এ জায়গাটিতে ভাবতে হবে। শিক্ষা এখনো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে, এটিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন গ্রহণ করতে চায় না। বরং পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। সবকিছু শুধু আলোচনা করলে হবে না। এ কাজগুলো করার জন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।
চৌধুরী মো. তাইয়ুব তাজাম্মুল
শিশু অধিকার বাস্তবায়ন করতে হলে একটা সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। শিশুদের অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো আন্দোলন হয়নি। তাই শিশুরা সব সময় দৃষ্টির অন্তরালে থেকে গেছে। বাজেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়। শিশুদের বিষয় নিয়ে কখনো কথা হয়েছে মনে পড়ে না। শিশুদের জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য কল্যাণমুখী কাজ হচ্ছে কি না, সেটি দেখার বিষয় রয়েছে। আদৌ কোনো কাজ হলো কি না, সেটা কোনোভাবে বোঝা যায় না। এর কোনো ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন হয় না। আমরা যেটা চাই, তা হলো বাজেটে কমপক্ষে এমন একটা পদ্ধতি থাকবে, যা থেকে ধারণা করা যায়, শিশুদের জন্য কী পরিমাণ অর্থ রাখা হলো, কী পরিমাণ খরচ হলো এবং তা থেকে শিশুরা কতটুকু উপকৃত হলো। এসব বিশ্লেষণ করতে হলে জাতীয় বাজেটে শিশুদের জন্য আলাদা একটা অধ্যায় থাকা দরকার ।
শিশু বাজেট আলাদা কোনো বাজেটের ধারণা নয়—এটা সরকার জাতীয় বাজেটে যেসব বরাদ্দ দিয়েছে তার মধ্যে শিশুদের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য কতটা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং এসব কার্যক্রম প্রকৃতপক্ষে শিশুদের প্রয়োজন পর্যাপ্তভাবে মেটাতে পারছে কি না তা অনুসন্ধান করার প্রাথমিক ধাপ।
শিশুর অধিকার ও সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নীতি-অঙ্গীকারসমূহ পালনে কতটুকু কাজ করছে তা মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার।
আব্দুল কাইয়ুম
এবার বলবেন এম এ মান্নান।
এম এ মান্নান
কোনো বিষয়ের জন্য আলাদা করে বাজেট করার অবকাশ বোধ হয় বাজেটে খুব একটা থাকে না। বাজেট হলো একটা সামগ্রিক বিষয়। শিশুদের প্রয়োজন সম্পর্কে, তাদের জন্য খরচ করা সম্পর্কে কারও কোনো দ্বিমত নেই। তারা জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের জন্য যা খরচ করা হবে, এর সবটাই বিনিয়োগ। ভবিষ্যতে তারাই শ্রমশক্তি হিসেবে কাজ করবে। আমাদের যে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী আছে, তা দিয়ে শিশুরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছে। এখান থেকে তাদের কল্যাণের দিকটিতে আরও বিশেষভাবে নজর দেওয়া যেতে পারে। শিশুদের উপবৃত্তি নিয়ে আপনাদের মতো আমিও প্রশ্ন তুলেছিলাম। স্কুলে এমন অনেক পরিবারের ছেলেমেয়ে পড়ে, যারা আরও পাঁচটি শিশুকে পড়াতে পারে। কিন্তু নানা রকম জটিলতার জন্য এটা করতে পারে না। শিশুদের বিনোদনের ক্ষেত্রে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। তাদের মানসিক বিকাশের জন্য অবশ্যই বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসতে পারে।
আকবর আলি খান
শিশুদের জন্য কত খরচ হলো, এর হিসাবের বিষয়টি এসেছে। এটি হিসাব করতে গেলে অনেক অর্থ ব্যয় হবে। শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য পুলিশের বরাদ্দ। এখানে শিশুদের বরাদ্দ শূন্য বলা যাবে না। আবার পুলিশ শিশুদের অধিকার হরণ করছে। তাহলে কীভাবে হিসাব করবেন। সে ক্ষেত্রে শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য পুলিশের বিশেষ ইউনিট থাকতে পারে। তাদের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সেবা পাওয়ার বিষয়টি আসছে। এই সেবা পেতে হলে প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। কোনো বিশেষ এলাকার বঞ্চিত শিশুদের অবস্থা ওই এলাকার প্রতিনিধিরা সরকারের নজরে আনতে পারেন। শিশুদের প্রয়োজনগুলো খুঁজে বের করতে হবে। সেই প্রয়োজন মেটানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম
আলোচনায় অনেক মূল্যবান মতামত এসেছে। বেশ কিছু পরামর্শ এসেছে। সবকিছু মিলিয়ে একটি গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ।
ড. আকবর আলি খান
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
অর্থনীতিবিদ, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
হাসানুল হক ইনু
সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
এম এ মান্নান
সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
রণজিৎ কুমার বিশ্বাস
সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
অধ্যাপক সাদেকা হালিম
কমিশনার, তথ্য কমিশন
ড. ফাহমিদা খাতুন
গবেষণা-প্রধান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ
ড. কাজী মারুফুল ইসলাম
সহযোগী অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
খন্দকার জহুরুল আলম
নির্বাহী পরিচালক, সিএসআইডি
মো. এমরানুল হক চৌধুরী
কনভেনর, সিআরজিএ ও নির্বাহী পরিচালক, উদ্দীপন
কাজী গিয়াস উদ্দিন
ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোয়ালিটি, সেভ দ্য চিলড্রেন
শামসুল আলম
ডেপুটি ডিরেক্টর, চাইল্ড রাইটস গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম, সেভ দ্য চিলড্রেন
চৌধুরী মো. তাইয়ুব তাজাম্মুল
সিনিয়র ম্যানেজার, চাইল্ড রাইটস গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম, সেভ দ্য চিলড্রেন
এম এম আমিনুল ইসলাম
চাইল্ড প্রোটেকশন স্পেশালিস্ট, ইউনিসেফ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম: যুগ্ম সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এই শিশুদের জন্য কী করছি, কী করা উচিত, কী পরিকল্পনা আছে তাদের জন্য? শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও বিনোদনের জন্য আমরা কীকরছি? বাস্তবতা হলো, মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার সময় উত্ত্যক্ত করা হয়। দুষ্কৃতকারীরা ছেলেমেয়েদের খারাপ কাজে ব্যবহার করে। সমাজে শিশুর অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অথচ শিশুদের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা অছে। ২০২১ সালের জন্য লক্ষ্যমাত্রা আছে। প্রতিবছর বাজেট বরাদ্দ দিয়ে তাদের জন্য কী কাজ করা হয়, তা সরাসরি অনেকে দেখতে চায়, জানতে চায়। শিশুদের জন্য বরাদ্দ ও তার বাস্তবায়নের বিষয়ে বাজেটে বিবরণীমূলক একটি পৃথক অধ্যায় থাকা দরকার, যাতে বছর শেষে প্রকৃত অর্জন বের করা যায়।
রণজিৎ কুমার বিশ্বাস
শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার—এ দুটি বাক্যে কারও কোনো দ্বিমত বা সংশয় থাকার কথা নয়। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতেই হবে। সরকারের অঙ্গীকার নিয়েও কোনো প্রশ্ন নেই। কারণ, শিশুদের জন্য বিনিয়োগ না করলে যে ক্ষতি হবে, সেটি বিনিয়োগ-মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। সরকার বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করে। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে শিশুদের জন্য নানা রকম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় বরাদ্দ পেয়ে যাচ্ছি। এখানে হয়তো আরেকটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে বরাদ্দ করা অর্থের কতটুকু কাজে লাগাতে পারছি বা এই অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না। তবে এ ধরনের আলোচনার আয়োজন হলে সরকার, এনজিও ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের মতামত দিতে পারে। এ থেকে সরকার তার সফল ও দুর্বল দিকগুলো বুঝতে পারে এবং সামনের দিনগুলোতে কাজ করতে সুবিধা হয়।
ইউনিয়ন স্তর পর্যন্ত আমাদের কাজের পরিধি রয়েছে। সেখানে যারা কাজ করেন, তাঁদের বলা হয় ইউনিয়ন সমাজকর্মী। অনেক মন্ত্রণালয়ের ইউনিয়ন স্তর পর্যন্ত কর্মী নেই। ৮৯টি কার্যক্রম সরকার সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রেখেছে। সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর ১৩টি কার্যক্রম সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় করছে।
দেশে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র আছে, যেখানে ১৮ বছর পর্যন্ত শিশুরা থাকতে পারে। সেখানে তাদের খওয়াদাওয়া ও লেখাপড়ার ব্যবস্থা আছে। অপরাধে জড়িয়ে পড়া শিশুদের জন্য কিছু সংশোধনাগার আছে। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কিছু উন্নয়ন কার্যক্রম আছে।
আরেকটি বড় কাজ শিশুদের জন্য শুরু করেছি। তা হলো দেশের প্রতিটি জেলায় সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র গড়ে তোলা। শিশুসহ অন্যরাও এখানে সেবা পাবে। প্রতিটি সেবা ও সাহায্যকেন্দ্রে ১০ জন অটিস্টিক প্রতিবন্ধী শিশুকে লেখাপড়া করানোর স্কুল যুক্ত করা হয়েছে।
আমরা ৬৪টি জেলার সাধারণ স্কুলের সঙ্গে সমন্বয় করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিচ্ছি। সাতটি শ্রবণপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় আছে। এখানে ২৭০ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষা গ্রহণ করছে। দেশে দুটি শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। যার মাধ্যমে ১১৫ জন প্রতিবন্ধীকে প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনসেবা প্রদান করা হচ্ছে। মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কেবল চট্টগ্রামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে ১১৫ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি শিশুসদন ও পরিবারকল্যাণকেন্দ্র যেগুলো আছে, সেখানে সরকারের বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম করা হয়। এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য আমরা কিছু কার্যক্রম করে থাকি।
শিশুদের কল্যাণে জাতীয় প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনে দুটি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার। একটি হলো শিশুদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স। আমিনবাজারের পর ১২ একর জায়গার ওপর এটি তৈরি হবে। এ কাজ চলছে। শিশুদের জন্য আরেকটি আধুনিক কাজ করা হচ্ছে। তা হলো সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা নামে হাওয়া ও তারের মাধ্যমে ঐন্দ্রজালিক সুর তৈরি করা। এর মাধ্যমে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা হবে। এই হলো শিশুদের কার্যক্রমের বিবরণ। আজকের এ আলোচনা থেকে অনেক বিষয় উঠে আসবে। এ বিষয়ের একটি নোট নেব। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে শিশুদের বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া হয়। সেখানে এ বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম
এখন বলবেন সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোয়ালিটি, কাজী গিয়াস উদ্দিন।
কাজী গিয়াস উদ্দিন
সেভ দ্য চিলড্রেনের পক্ষে ১৯৭০ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ হচ্ছে। শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, নিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কার্যক্রম করি। দেশে যখন জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসে, তখন শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপত্তার জন্য কাজ করি। এসব কাজ করতে গিয়ে আমাদের বিদেশি দাতা সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। এই দাতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন আসে। তারা জানতে চায়, সরকারের কী পরিমাণ রাজস্ব শিশুদের জন্য বরাদ্দ করা হয় এবং এর কত অংশ তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপত্তা ও বিনোদনের জন্য ব্যয় করা হয়। শিশুদের জন্য আলাদা বাজেটের কথা বলছি না। যেটা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে তা হলো, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ ইত্যাদি মন্ত্রণালয়ে কত শতাংশ শিশুদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বরাদ্দ করা অর্থ কোন কোন খাতে কতটা ব্যয় হচ্ছে। এর একটা স্বচ্ছ ধারণা বাজেট থেকে পেতে চাচ্ছি। শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য এটা জানার প্রয়োজনীয়তা আমাদের আছে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ শিশু। তারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক। ভবিষ্যতে এই শিশুরা কতটা সুনাগরিক হবে, কতটা ভালো মানুষ হয়ে দেশের সেবা করবে, তার পুরোটাই নির্ভর করবে তাদের জন্য বর্তমানে কী পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারছি।
আব্দুল কাইয়ুম
সেভ দ্য সিলড্রেনের বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা ও তাদের শিশুভিত্তিক বিভিন্ন কাজের কথা জানলাম। এবার এ বিষয়ে আলোচনা করবেন খন্দকার জহুরুল আলম।
খন্দকার জহুরুল আলম
দেশে মোট শিশুর সংখ্যা কেউ ৪২, কেউ ৪৫, কেউ ৪৮ শতাংশ বলেন। যাই হোক না কেন। এই সংখ্যা মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের কাছাকাছি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শিশুদের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ আছে তা দৃশ্যমান নয়। তাদের জন্য বাজেট বরাদ্দ ও বাজেট নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কিন্তু আমরা ঠিক বুঝতে পারি না কত শতাংশ অর্থ শিশুদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। শিশুদের জন্য আলাদা কোনো অধ্যায় না থাকায় আমরা সেটা বুঝতে পারছি না। ভারতে শিশুদের জন্য আলাদা বাজেট অধ্যায় আছে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমনকি ঘানার মতো দেশে শিশুদের জন্য পৃথক বাজেট অধ্যায় আছে। বিন্তু বাংলাদেশের বাজেটে কখনোই এটা দেখতে পাইনি। জেন্ডার, ডিজঅ্যাবিলিটি ইত্যাদি বিষয়ে পৃথক অধ্যায় এসেছে। কিন্তু শিশুদের বিষয়ে আসেনি। আরেকটি বিষয় হলো, যে বাজেট বরাদ্দ হলো, এর কতটা বাস্তবায়ন হলো। সে চিত্রটি কখনোই খুঁজে পাই না। আমরা বলতে চাচ্ছি, বাজেট উপস্থাপনের সময় শিশুদের জন্য যেন একটি আলাদা অধ্যায় রাখা হয়। সেখানে বরাদ্দ করা অর্থ এবং অর্থ বিনিয়োগের ধারাবাহিক পদ্ধতি বলা থাকবে।
শিশুদের জন্য একটা কমিশন থাকা দরকার, যেটা আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। এই কমিশন শিশুদের জন্য কী বাজেট হচ্ছে, কী বাস্তবায়ন হচ্ছে সেটা পর্যবেক্ষণ করবে। শিশুদের সঙ্গে কথা বললে, তারা বলে তাদের জীবনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত বছর বস্তিতে ছিল, এবারও বস্তিতে থাকে। গত বছর যেভাবে যে পরিবেশে লেখাপড়া করেছিল, এবারও সেই পরিবেশে লেখাপড়া করছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বাজেট তাদের জীবনে কী দিল?
আব্দুল কাইয়ুম
খন্দকার জহুরুল আলম শিশু কমিশনের কথা বলেছেন। মনে হয়, বিষয়টি ভেবে দেখার সময় এসেছে। এবার বলবেন কাজী মারুফুল ইসলাম।
কাজী মারুফুল ইসলাম
শিশুদের বরাদ্দ সম্পর্কে সবাই জানি। বরাদ্দ বাড়বে না কমবে, কমিশন হবে কি হবে না, পৃথক অধ্যায় থাকবে কি থাকবে না—এর জন্য কিছু বিবেচ্য বিষয় আছে। জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু। এই শিশুরা ভবিষ্যতে শ্রমশক্তিতে পরিণত হবে। কীভাবে এই বিরাট জনশক্তিকে পরিচালনা করব, তার ওপর নির্ভর করবে তারা দেশকে কতটুকু সেবা দিতে পারবে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তুলনায় শিশুরা পিছিয়ে আছে। দেশের সংবিধানে সব নাগরিকের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। শিশুরা সে অধিকার কতটুকু ভোগ করতে পারছে, আজকে সেটি একটি বড় প্রশ্ন। বাজেটে তাদের জন্য ‘বরাদ্দ’ না বলে ‘বিনিয়োগ’ বলতে চাই। কারণ, শিশুদের জন্য কতটুকু বিনিয়োগ হচ্ছে, বিনিয়োগের কত শতাংশ খরচ হচ্ছে, তাদের কল্যাণ কতটুকু হচ্ছে—এই বিষয়গুলো ‘বরাদ্দ’ শব্দ দিয়ে বোঝানো যায় না। সুতরাং এটা বিনিয়োগ। বিনিয়োগের কতটুকু কার্যকর ব্যবহার হয়েছে। মুনাফা কী হয়েছে—এর হিসাব নিতে চাই। উন্নয়নের সূচকে বেশ কিছু জায়গায় যেমন শিক্ষা, শিশুমৃত্যুর হার ইত্যাদি কিছু জায়গায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে যাচ্ছে। এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কারণ জিডিপি বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সংগত কারণে বাজেট বাড়বে। জিডিপি ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তুলনা করলে যে পরিমাণ বাজেট বাড়ার কথা, সে পরিমাণ বাড়েনি। সরাসরি শিশুসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোয় কাজ করে দেখেছি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশুমৃত্যুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে। কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় এ হার হতাশাজনক। প্রতিটি বরাদ্দই শিশুদের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলে। সে ক্ষেত্রে শিশুদের বরাদ্দ পৃথক করা কিছুটা কঠিন হয়। কিন্তু কিছু মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সরাসরি শিশুদের প্রভাবিত করে। এগুলোর একটি তালিকা করে আলাদা একটা অধ্যায় শিশুদের বিনিয়োগের বিষয়টি থাকলে সবার জন্য সুবিধা হবে।
আকবর আলি খান
আজকের আলোচনার বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত। তবে এখানে বড় ধরনের কিছু বিভ্রান্তি কাজ করছে। প্রথম কথা হলো, একটি দেশের বাজেট শিশুদের, নারীদের জন্য আলাদা করে হয় না। বাজেট হয় দেশের জন্য। এখানে আমরা জানতে চাই, শিশুদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেটা হয়েছে কি না। বারবার শুনতে পাচ্ছি বাজেটের অধ্যায়। অধ্যায় বলে কিছু নেই। বাজেটের মধ্যে কতগুলো হিসাব এবং আইন আছে। আর বাজেট বোঝার জন্য আছে কতকগুলো সহায়ক দলিল। মহিলাদের জন্য জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদন করা হয়। এটা সংসদে উপস্থাপন করা হয়, যা বাজেটের সহায়ক দলিল হিসেবে কাজ করতে পারে।
শিশুদের জন্য বাজেটে সহায়ক দলিল থাকতে পারে। সহায়ক দলিল নারীদের ক্ষেত্রে পেয়েছি। তবে যেটা পেয়েছি, এটা না পাওয়া ভালো ছিল। এটাতে কোনো কাজ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যে তথ্য প্রকাশ করেছে, সেগুলো অর্থহীন মনে হয়েছে। কেন মনে হয়েছে? এর কারণ হলো, উদাহরণ হিসেবে বলি, উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রকল্পের নাম বেগুনবাড়ি খাল ও স্টাফ কলেজ। এ দুটি প্রকল্পের বরাদ্দের যথাক্রমে ২০ ও ১০ শতাংশ মহিলাদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। এর থেকে কোনো কিছু বের করা সম্ভব নয়। শিশুদের জন্য সহায়ক দলিল যদি থাকে, তাহলে সেই দলিলে থাকতে হবে, শিশুদের কী কী সুযোগ দরকার, গত বছর শিশুরা কী অবস্থায় ছিল, এ বছর কোথায় আছে। যদি মনে করি, শিশু পাচার রোধ জরুরি, তাহলে গত দুবছর পাচার পরিস্থিতি কী ছিল, এ বছর অবস্থা কী ইত্যাদি তথ্যের সমাবেশ করতে হবে। মহিলাদেরও বর্তমানের দলিল প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশে মহিলাদের কী পরিস্থিতি, তার ওপর একটি প্রতিবেদন দাখিল করা উচিত। প্রতিবেদন দাখিল করলে বেগুনবাড়ি খাল আর স্টাফ কলেজের মতো আজগুবি খাত মহিলাদের জন্য তৈরি হবে না। সমস্ত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, পয়োনিষ্কাশনসহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যে অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু সমাধানের কোনো দিকনির্দেশনা নেই। সমাধানের সঠিক দিকনির্দেশনা থাকার পর কোথায় কত অর্থের প্রয়োজন, কী ধরনের সম্পদের প্রয়োজন, সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা থাকতে হবে। তাহলে বলতে পারব শিশুদের জন্য কোথায় কাজ হচ্ছে আর কোথায় কাজ হচ্ছে না। এ জন্য শিশুদের ওপর বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। এটি বাজেটের সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে বের করা যেতে পারে।
আব্দুল কাইয়ুম
আকবর আলি খান শিশুদের সহায়ক দলিল, শিশুদের অবস্থা সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন ইত্যাদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কথা বলেছেন। এখন বলবেন মো. এমরানুল হক চৌধুরী।
মো. এমরানুল হক চৌধুরী
শিশুদের বাজেট বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পরিষ্কার নয়। শিশুদের জন্য কতটুকু বাজেট, বাজেটের ভিত্তিগুলো কী, তা স্পষ্ট নয়। শিশুদের জন্য অনেক বেশি খরচ করার সুযোগ আছে। কারণ, তাদের জন্য যা খরচ হবে, তার পুরোটাই বিনিয়োগ। শিশুদের জন্য যদি সঠিক বিনিয়োগ না হয়, তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেওয়া হবে। কারও হিসাবে বলা হচ্ছে জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ শিশু। কারও হিসাবে ৪৭ শতাংশ। তথ্যে ভুল থাকলে বাজেটে ভুল থাকবে। শিশুদের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। না করলে কী হবে বা এর দায় কে নেবে সে বিষয় কোনো সঠিক নির্দেশনা নেই।
স্কুলে যাওয়া শিশুর হার বেড়েছে। কিন্তু ৩৮ শতাংশ শিশু ঝরে পড়ছে। তাহলে প্রকৃত শিশুশিক্ষার হার কী, এর কোনো সঠিক চিত্র নেই। এই ৩৮ শতাংশের জন্য বাজেটে কী ব্যবস্থা আছে। বাজেটে তার কোনো নির্দেশনা নেই। সরকারের প্রশাসনযন্ত্রে এমন একটা জায়গা নেই, যেখানে শিশুদের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। কমপক্ষে সাত থেকে দশটা মন্ত্রণালয় যেতে হবে তথ্যের জন্য। তার পরও সঠিক তথ্য পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ে একটা আলাদা পরিদপ্তর (ডাইরেক্টরেট) থাকলে সেখান থেকে হয়তো শিশুদের তথ্য পাওয়া যেত। ১০টা মন্ত্রণালয় শিশুদের বাজেটের সঙ্গে যুক্ত। বাজেটের সময় মন্ত্রণালয়গুলো এখান থেকে তথ্য পেতে পারত। আজকের এই গোলটেবিল বৈঠক থেকে এই দাবি জানাব, শিশুদের জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে যেন একটি আলাদা পরিদপ্তর (ডাইরেক্টরেট) অবশ্যই করা হয়।
আব্দুল কাইয়ুম
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ শিশুদের নিয়ে কিছু কাজ করেছে। এখন শুনব ফাহমিদা খাতুনের কাছ থেকে।
ফাহমিদা খাতুন
তথ্য নিয়ে কিছু আলোচনা এসেছে এখানে। এখানে দুটো সমস্যা রয়েছে। এক. অনেক দিন পর পর জনসংখ্যা গণনা হয়। দুই. শিশুদের সংজ্ঞা নিয়ে জটিলতা রয়েছে। সরকারি তথ্যে শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখা যায়, শূন্য থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত। এখানে তথ্যের ব্যাপক গরমিল দেখা যায়। ২০১১ সালে সরকারের জনসংখ্যা জরিপে বলা হয়েছে, শিশুর হার ৩০ শতাংশ। অন্যরা বলছে ৪৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে তথ্যে বিরাট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি কোনো পরিকল্পনাই শিশুদের ক্ষেত্রে সঠিক হচ্ছে না।
সরকার শিশুদের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন ও অর্থনৈতিক বরাদ্দ দেয়। ২০১০-১১-এর বাজেটে সরাসরি শিশুদের কল্যাণ হয়, সরকারের এমন কর্মসূচির বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৪.১ শতাংশ। স্কুলে শিশুভর্তির হার বেড়েছে। এরা যদি শিক্ষিত হয়ে বের না হতে পারে, তাহলে বর্ধিত ভর্তির হার কোনো কাজে আসছে না। তা ছাড়া ধনী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা আমাদের বাজেটের মধ্যে আসছে না। শিশুমৃত্যু ও শিক্ষার হারের ক্ষেত্রে শহর, বস্তি, গ্রামের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই বাজেট বরাদ্দের সময় লক্ষ্য স্থির করতে হবে, কাদের জন্য কীভাবে অর্থ ব্যয় করা হবে। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্যে বিভিন্ন বিষয় অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা আছে। কিন্তু শিশুদের বিষয়ে কোনো লক্ষ্যমাত্রা নেই। কারণ, শিশুদের সব সময় প্রান্তিক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এম আমিনুল ইসলাম
আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতি পাঁচ বছরে আমাদের শিশুদের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। সেখানেও ঠিক সময় দিতে ব্যর্থ হই। গত ১০ বছরে একটা দিতে পেরেছি। এবার অক্টোবর মাসে জমা দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে জরুরি তথ্য হলো, গত পাঁচ বছরে সরকার শিশুদের জন্য কোন কোন খাতে কত ব্যয় করেছে, সে তথ্যের জন্য ১৮টি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকের তথ্য দিতে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে।
আমাদের শিশুনীতি রয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত শিশুবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ছিল। পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাস্তবায়ন কী হয়েছে বা হবে, সেটি আলাদা বিষয়। ২০১০-১১ সালের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর মোট বরাদ্দ ১৪.৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে খুব সামান্য অংশ শিশুদের জন্য। জাতীয় গড় দিয়ে চিন্তা করলে সব শিশু উপকৃত হবে না। জাতীয় গড়ের ক্ষেত্রে, জন্মনিবন্ধনের কথা ধরা যাক। ২০০৬ সালে এটা ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে সরকারি হিসাবে ৭৭ শতাংশ। কোনো কোনো জায়গায় ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত জন্মনিবন্ধন আছে। আবার সিলেটের চা-বাগান এলাকায় শিশুদের জন্মনিবন্ধন ১৪ শতাংশ। শহরের বস্তিগুলোতে শিশুরা অনেক পিছিয়ে আছে। কাজেই জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো ভৌগোলিক বরাদ্দ। শিশুদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসানুল হক ইনু
শিশুদের শ্রেণীবিভাগ আছে। যেমন দরিদ্র শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, শ্রবণপ্রতিবন্ধী, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, এতিম শিশু, শ্রমিক শিশু, অটিস্টিক বেবি ইত্যাদি। এসব শিশুকে বিবেচনায় নিয়ে বাজেট করতে হবে। সরাসরি শিশুদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ ৪.১ শতাংশ। সবার সঙ্গে একমত যে এটি যথেষ্ট নয়। আমাদের দেশে শিক্ষা খাতে জিডিপির ব্যয় ২.৫ শতাংশ। বিগত ২০ বছর ধরে প্রায় একই ধারা রয়েছে। যেখানে উন্নয়নশীল দেশে এটি ৪ থকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত। শিশুদের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এখন আর ধীরে চলার সুযোগ নেই। একবারে কিছুটা বেশি বাড়িয়ে ফেলতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে যেভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, শিক্ষার ক্ষেত্রে সেভাবে হয়নি। এখন সময় এসেছে এ জায়গাটিতে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সংসদ সদস্যসহ সবাইকে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, বিনোদন—এই কয়েকটি জায়গায় জোর দিতে চাই।
আমাদের শিশু নীতিমালা ও জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ রয়েছে। এ দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে শিশুদের বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি ভাবতে হবে। ৮০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তির শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ মানবসম্পদের জন্য এ ক্ষেত্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে। দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে, টয়লেট, পানি, ফ্যান, জানালার গ্রিল ইত্যাদি নেই। ফলে শিশুরা সেখানে পড়ালেখার ভালো পরিবেশ পাচ্ছে না। এখানে অবশ্যই বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সবশেষে বলতে চাই, শিশুদের উন্নয়ন ও কল্যাণের জায়গাগুলোতে সংসদ সদস্য, জনসাধারণ সবাই মিলে একসঙ্গে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, যাতে শিশুদের প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা যায়।
সাদেকা হালিম
এখন পর্যন্ত শিশুদের সংজ্ঞা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। সমাজকল্যাণ ও মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করে। অথচ এ দুটি মন্ত্রণালয় হলো দন্তহীন মন্ত্রণালয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কাজ করতে হয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে। কিন্তু তাদের প্রতিযোগিতা করতে হয় অনেক শক্তিশালী মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। এই মন্ত্রণালয়গুলোর কাজ আদায় করার ক্ষমতা কতটুকু আছে, সেটি একটি প্রশ্ন। শিশুদের কেবল শিশু হিসেবে দেখা হয়। সমাজে শিশুকে মূল্যায়ন করা হয় না। মেয়েশিশু আরও বেশি অবহেলিত।
দেশকে শিক্ষার ক্ষেত্রে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি বড় কারণ হলো দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষক নিয়োগ। একজন মেধাহীন শিক্ষক যত বছর শিক্ষকতা করবেন, তত বছর শিশুরা তাঁর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি কখনো শিশুদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবেন না। আমাদের শিশুর ভবিষ্যৎ আমরা ধ্বংস করতে পারি না। যে মানুষটি ২৫ থেকে ৩০ বছর সেবা দেবেন, তাঁকে অনেক যাচাইবাছাই করে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্র আছে, যেখানে কোনো রকম ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এটা যদি চলতে থাকে, তাহলে এটা হবে আত্মঘাতী কাজ। তাই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বস্তির শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, যে শিশুরা বাসায়, দোকানে, কারখানায় কাজ করে, যে শিশুটি পথের ধারে লাল গোলাপ বিক্রি করে, বাজেটে তার জন্য কোথায় বলা আছে? এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। ব্যাপক হারে শিশুশ্রম ও অনৈতিক কাজে শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেখাশোনার কোনো ব্যবস্থা নেই।
আব্দুল কাইয়ুম
শিক্ষকেরা আমাদের শিশুদের জীবন গড়েন। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এবার বলবেন শামসুল আলম।
শামসুল আলম
গত ২০-২২ বছর ধরে শিশুদের সঙ্গে কাজ করছি। প্রতি সপ্তাহে তাদের সঙ্গে কথা হয়। সম্প্রতি শিশুদের অভিযোগ হলো, শিশুনীতি হচ্ছে, জন্মনিবন্ধন হচ্ছে, আরও অনেক কিছু হচ্ছে। স্কুলে ভর্তি হতে পারব তো? শিশুরা প্রতিনিয়ত এই প্রশ্ন আমাকে করছে। আমার কাছে এটি একটি বিরাট প্রশ্ন।
মানবাধিকার সনদ তৈরি হওয়ার পরও শিশু অধিকার সনদ কেন তৈরি হলো। নিশ্চয়ই শিশুদের আলাদা কোনো চাহিদা আছে। সেই চাহিদা পূরণের জন্য কীভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এটা কীভাবে বাজেট থেকে বের করব। যদি বিনিয়োগ পরিষ্কার না হয়, কীভাবে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। যে বিনিয়োগই হোক না কেন, সেখানে আবার দুর্নীতি হচ্ছে। সেটা শিশুদের ওপর কী প্রভাব ফেলছে? সেটি নিয়ে ভাবা হচ্ছে না।
বরাদ্দ বাড়বে কী কমবে, সেটি আলাদা প্রশ্ন। যে বরাদ্দ আছে, সেটি কাদের জন্য। কোন পর্যায়ের শিশুর কতটুকু উপকার হবে। কাদের কতটুকু প্রভাবিত করবে—এই বড় প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্যই আজকে শিশুদের জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ জানা দরকার।
কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
শিশুর সার্বিক উন্নয়নে বিনিয়োগ কথাটিকে সমর্থন করছি। বিনিয়োগ হচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য। শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন যে খাতেই খরচ হোক না কেন, সেটা হবে বিনিয়োগ। আমরা ও আমাদের চেয়ে ধনী, বিভিন্নভাবে ক্ষমতার অধিকারী, তাদের শিশুদের কথা বাজেটে বলার দরকার নেই। বলতে হবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের কথা। এরাই আমাদের চিন্তার কারণ।
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা বৈষম্যপূর্ণ দেশ। এখানে যারা ধনী, তারাই শিক্ষিত হয়। বাকিরা বিভিন্নভাবে পিছিয়ে পড়ে। পিছিয়ে রাখার বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষানীতিতে অনেক এগিয়েছি। শ্রমিক, পথ ও পাহাড়ি শিশু, চর, হাওর ও পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, অতিদরিদ্র শিশু—এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুর কথা শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে। এই শিক্ষানীতি মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে। সংসদে পাস হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য আইনের দরকার। বাজেট আলাদা না করে বরং সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। শিশুদের কোথায় কী সমস্যা আছে এবং কত বরাদ্দ দরকার।
শিক্ষাবৃত্তির সমস্যা নিয়ে অনেকে বলেছেন, আমি তাঁদের সঙ্গে একমত। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। গত বছর শুরু করেছি। এ বছর বেশি পরিমাণ দেওয়ার কথা। সমস্যা হচ্ছে, যারা খুব ভালো করেছে, তাদের কিছু টাকা দিতে পারি। কিন্তু এই টাকা তার পরিবার খরচ করে ফেলবে। এ জন্য তাদের পরিবারকে প্রতিষ্ঠানে কাজ দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কিছু শিশুর কল্যাণ করছে। এটি শিশুর উন্নয়ন নয়। এ জায়গাটিতে ভাবতে হবে। শিক্ষা এখনো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে, এটিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন গ্রহণ করতে চায় না। বরং পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়। সবকিছু শুধু আলোচনা করলে হবে না। এ কাজগুলো করার জন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।
চৌধুরী মো. তাইয়ুব তাজাম্মুল
শিশু অধিকার বাস্তবায়ন করতে হলে একটা সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। শিশুদের অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো আন্দোলন হয়নি। তাই শিশুরা সব সময় দৃষ্টির অন্তরালে থেকে গেছে। বাজেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়। শিশুদের বিষয় নিয়ে কখনো কথা হয়েছে মনে পড়ে না। শিশুদের জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য কল্যাণমুখী কাজ হচ্ছে কি না, সেটি দেখার বিষয় রয়েছে। আদৌ কোনো কাজ হলো কি না, সেটা কোনোভাবে বোঝা যায় না। এর কোনো ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন হয় না। আমরা যেটা চাই, তা হলো বাজেটে কমপক্ষে এমন একটা পদ্ধতি থাকবে, যা থেকে ধারণা করা যায়, শিশুদের জন্য কী পরিমাণ অর্থ রাখা হলো, কী পরিমাণ খরচ হলো এবং তা থেকে শিশুরা কতটুকু উপকৃত হলো। এসব বিশ্লেষণ করতে হলে জাতীয় বাজেটে শিশুদের জন্য আলাদা একটা অধ্যায় থাকা দরকার ।
শিশু বাজেট আলাদা কোনো বাজেটের ধারণা নয়—এটা সরকার জাতীয় বাজেটে যেসব বরাদ্দ দিয়েছে তার মধ্যে শিশুদের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য কতটা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং এসব কার্যক্রম প্রকৃতপক্ষে শিশুদের প্রয়োজন পর্যাপ্তভাবে মেটাতে পারছে কি না তা অনুসন্ধান করার প্রাথমিক ধাপ।
শিশুর অধিকার ও সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নীতি-অঙ্গীকারসমূহ পালনে কতটুকু কাজ করছে তা মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার।
আব্দুল কাইয়ুম
এবার বলবেন এম এ মান্নান।
এম এ মান্নান
কোনো বিষয়ের জন্য আলাদা করে বাজেট করার অবকাশ বোধ হয় বাজেটে খুব একটা থাকে না। বাজেট হলো একটা সামগ্রিক বিষয়। শিশুদের প্রয়োজন সম্পর্কে, তাদের জন্য খরচ করা সম্পর্কে কারও কোনো দ্বিমত নেই। তারা জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের জন্য যা খরচ করা হবে, এর সবটাই বিনিয়োগ। ভবিষ্যতে তারাই শ্রমশক্তি হিসেবে কাজ করবে। আমাদের যে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী আছে, তা দিয়ে শিশুরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছে। এখান থেকে তাদের কল্যাণের দিকটিতে আরও বিশেষভাবে নজর দেওয়া যেতে পারে। শিশুদের উপবৃত্তি নিয়ে আপনাদের মতো আমিও প্রশ্ন তুলেছিলাম। স্কুলে এমন অনেক পরিবারের ছেলেমেয়ে পড়ে, যারা আরও পাঁচটি শিশুকে পড়াতে পারে। কিন্তু নানা রকম জটিলতার জন্য এটা করতে পারে না। শিশুদের বিনোদনের ক্ষেত্রে অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। তাদের মানসিক বিকাশের জন্য অবশ্যই বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসতে পারে।
আকবর আলি খান
শিশুদের জন্য কত খরচ হলো, এর হিসাবের বিষয়টি এসেছে। এটি হিসাব করতে গেলে অনেক অর্থ ব্যয় হবে। শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য পুলিশের বরাদ্দ। এখানে শিশুদের বরাদ্দ শূন্য বলা যাবে না। আবার পুলিশ শিশুদের অধিকার হরণ করছে। তাহলে কীভাবে হিসাব করবেন। সে ক্ষেত্রে শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য পুলিশের বিশেষ ইউনিট থাকতে পারে। তাদের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সেবা পাওয়ার বিষয়টি আসছে। এই সেবা পেতে হলে প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। কোনো বিশেষ এলাকার বঞ্চিত শিশুদের অবস্থা ওই এলাকার প্রতিনিধিরা সরকারের নজরে আনতে পারেন। শিশুদের প্রয়োজনগুলো খুঁজে বের করতে হবে। সেই প্রয়োজন মেটানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।
আব্দুল কাইয়ুম
আলোচনায় অনেক মূল্যবান মতামত এসেছে। বেশ কিছু পরামর্শ এসেছে। সবকিছু মিলিয়ে একটি গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 06
(121)
- চারদিক-দুঃসময়ে এক দুর্গম মরুর কান্ডারি by বিপ্লব বালা
- প্রতিক্রিয়া-দেশের স্বার্থেই উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলন ...
- ধর্ম-দানশীলতা ও বদান্যতার চর্চা করুন by মুহাম্মদ আ...
- গোধূলির ছায়াপথে-জীবনটাই কৌতুক by মুস্তাফা জামান আব...
- সময়চিত্র-‘তাহারা’ সাধু, আমরাই শয়তান by আসিফ নজরুল
- আরও পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ আইন প্রয়োজন-বন্য প্র...
- দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন-ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ...
- চারদিক-পাহাড়ের কোলে পাহাড়ি বাজার by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সপ্তাহের হালচাল-অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশান্ত প্রশ...
- ধর্ম-মাহে রমজান প্রশিক্ষণ লাভের মাস by মুহাম্মদ আব...
- জনপ্রতিনিধি-পুরুষ সাংসদের ‘দেখে নেওয়া’ by সোহরাব হ...
- নিপীড়িত নারী-সুবিচারবঞ্চিত নারীর আত্মহনন আর নয় by ...
- শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দায়িত্ব সরকারেরই-শিক্ষা-...
- বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন-চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষত...
- জন্মদিন-পরম নামে ডাকি by নির্লিপ্ত নয়ন
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে কোরআন তিলাওয়াত b...
- একান্ত সচিব থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হোক-বন্দরের গা...
- বিমানকে রাহুমুক্ত করতে হবে-মন্ত্রী বনাম সংসদীয় কমিটি
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-শামসুর রাহমানের বাড়ি by সোহরাব হাসান
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে নামাজের ফজিলত by...
- গদ্যকার্টুন-ইহারা একে অপরকে ছুড়িয়া নিচে ফেলে কেন? ...
- সহজিয়া কড়চা-রাজনৈতিক সরকার কী গণতান্ত্রিক সরকার? b...
- ক্রমাগত আইন অমান্য ছাড় পাচ্ছে কিসের বলে?-দায়িত্বহী...
- গুলিতে আওয়ামী লীগ কর্মীর মৃত্যু-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ...
- কর্মসূচির বার্তা
- আমার ছেলেমেয়ে ও স্কুল by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অহেতুক কৌতুক
- ঐতিহ্য বাঁচাতে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে কি?-আগ...
- গন্তব্য ঢাকা-‘গ্রামে চলে যেতে খুব মন টানছে’ by শর্...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের পবিত্রতা by মুহ...
- অর্থনীতি-শেয়ারবাজার, সূচক এবং কালো মেঘ by হানিফ মা...
- রাজধানী-অপরিকল্পিত নগরায়নণ ও জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি...
- আত্মবিনাশী এই অপকর্ম এখনই বন্ধ করুন-মাছ শিকারে কীট...
- কথা ও কাজে মিল থাকা চাই-পুনর্গঠিত মানবাধিকার কমিশন
- চারদিক-সাদা-কালো ছবির ফ্রেমে বঙ্গবন্ধু by মোছাব্বে...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে ইবাদত-বন্দেগি by...
- স্মরণ-রক্তাক্ত দৃশ্যপটের পশ্চাদ্ভূমি by সেরনিয়াবাত...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আগস্ট এলে গভীর শূন্যতা অনুভব করি ...
- নারীকে লাঞ্ছিত করে কেউ যেন পার না পায়-বখাটের অত্যা...
- স্বাধীনতার চেতনায় ফেরার ডাক-শোকাবহ ১৫ আগস্ট
- চারদিক-সুকান্ত: বিদ্রোহের দিনপঞ্জি-লেখক by ফারুক ও...
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া-অবৈধ ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে র...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-রোজার ঐতিহাসিক পটভূমি by মুহ...
- জিএম বীজ-হাইতিতে কারসাজি ভেস্তে গেছে by ফরিদা আখতার
- কালের পুরাণ-বঙ্গবন্ধু হত্যা ও পাকিস্তানি যোগসূত্র ...
- আটক শ্রমিকদের মুক্তিই শান্তি নিশ্চিত করতে পারে-হিউ...
- আমলে নিন বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা-উন্নয়ন প্রকল্পে...
- চলতি পথে-‘ভয় কি মরণে’ by দীপংকর চন্দ
- মুজিবের স্মৃতি-আজও সেই একইভাবে কাঁদছি by জুলিয়ান ফ...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানের গুরুত্ব ও মাহাত...
- পঞ্চম সংশোধনী-আমার জাতীয়তা ও বন্দুকের নল by জাফর ইমাম
- খোলা চোখে-আমেরিকায় এসব হচ্ছেটা কী? by হাসান ফেরদৌস
- নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কার্যকর হবে কি?-শিক্ষার্থীদের ব...
- বিদ্যুৎ নিয়ে জনগণকে অন্ধকারে রাখলে চলবে না-দুর্বিষ...
- চারদিক-নটর ডেমিয়ান ৮১ ব্যাচ: শোনো by মানস কুমার গো...
- ধর্ম-আহ্লান সাহ্লান মাহে রমজান by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- মানসিক স্বাস্থ্য-পরিবারে আর রাজনীতিতে মানসিক খেলা ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-স্মৃতিতে কামাল-জামাল-রাসেল by এবি...
- দ্রুত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা দরকার-পাকিস...
- রমজান মাসে বাজারের সুষ্ঠু তদারকি প্রয়োজন-বাজারদরে ...
- জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতীদের সংবর্ধনা ২০১২-আমাদেরটাই সে...
- মাদকের বিরুদ্ধে বন্ধুরা by সৈয়দ মুনির
- রাজবাড়ীসভার কমিটি
- মাদক থেকে থাকব দূরে বলছি সেটাই গানের সুরে by জয়ন্ত...
- চবিসভার আনন্দ আয়োজন by মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- একনজরে-ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
- পেশা-পরামর্শ-করপোরেট যোগাযোগ
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-দক্ষ ...
- পরিবেশ নিয়ে কাজ করতে চাইলে by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- কর্মসংস্থান ব্যাংকে কর্মের সুযোগ by জাহিদ হাসান
- সংশোধনী
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-‘বন্ধুত্বের হয় না পদবি’...
- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-কৃষি অনুষদে বিদায়ের সুর b...
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-নতুন স্থাপত...
- সফলদের স্বপ্নগাথা-উদ্যোক্তা হতে চাও? by ক্যামেরন হ...
- স্বাস্থ্য টিপস-নিষিদ্ধ জর্দা by ফারহানা মোবিন
- স্বাস্থ্যসংকট জরুরি হলে by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- মৌসুমি ফল কীভাবে খাবেন by আখতারুন নাহার
- তাঁরা নারী বলে... by লাবনী খন্দকার
- এই দিনে-অনন্য একটি প্রতিষ্ঠান by ডা. এ বি এম জামাল
- গোলটেবিল বৈঠক-শিশুদের জন্য বিনিয়োগ ও সরকারের অঙ্গীকার
- বিএনপি তিনটি স্থানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে
- বিএনপির বাজেট ভাবনা-লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চতর...
- প্রতিক্রিয়া-বিচারপ্রার্থীদের গ্রাম আদালত by মো. মা...
- জাতীয় সংসদ-অন্যকে অসম্মান করে কি নিজে সম্মানিত হওয়...
- রাজনীতি-সংলাপ হচ্ছে, সংলাপ হচ্ছে না! by মাহমুদুর র...
- ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দ্রুত পরিশোধ করুন-ভব...
- ওএসডি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, না সরকারের?-জনপ্রশাসনে ব...
- জিডি করার পর ব্যবসায়ী অপহৃত
- এমপিদের কাছে আরো দায়িত্বশীল কথা আশা করি : আবু সায়ীদ
- নিঝুম দ্বীপের কান্না-২-মৃত্যুমুখে ৫০ হাজার হরিণ by...
- চলতি বছরের চেয়ে নতুন বাজেট ১৭ শতাংশ বড় by আবুল কাশেম
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- এবারও টিপাইমুখে নামা যাবে না by রাহীদ এজাজ
- মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ ২১ জুন-...
- বাজেট বাস্তবায়নের স্বার্থে পরনির্ভরতা ছাড়তে হবে by...
- সংসদে ক্ষোভ-বিচারপতিকে ইমপিচ করার আলটিমেটাম
- হাইকোর্টের মন্তব্য-স্পিকারের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহে...
- শিক্ষকদের বঞ্চিত করে বরাদ্দ ফেরত-শিক্ষার মানোন্নয়ন...
- নিত্যপণ্য ও দৈনন্দিন জীবন-বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মুনাফিকদের সম্পর্কে আল্লাহই সঠি...
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করতে হবে by ড. জ...
- শুধু পরিকল্পনা নয় বাস্তবায়নই জরুরি by ড. এম আসাদুজ...
- মৃদুকণ্ঠ-বাজেট ও উন্নয়ন দর্শন by খোন্দকার ইব্রাহিম...
- চরাচর-পুরান ঢাকায় ব্রাহ্মসমাজ পাঠাগার by পাভেল রহমান
- সপ্তাহের হালচাল-বিএনপি কোন পথে যাবে by আব্দুল কাইয়ুম
- সংকটের বড় উৎস বৈদেশিক খাত by মনজুর আহমেদ
- বাজেট ২০১২-১৩-বাজেটে রাজনৈতিক প্রকল্পের অত্যাচার b...
- হাইকোর্টের বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ-সুপ্রিম জুডিশিয়াল...
- স্পিকারের বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল: হাইকোর্ট
- কী হতে যাচ্ছে ১০ জুনের পর by তারেক শামসুর রেহমান
- নখের যোগ্যতা নখের অযোগ্যতা by রণজিৎ বিশ্বাস
- সাক্ষাৎকার-পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য দরকার by এম মো...
- প্রত্যাশা ও প্রতিদান by আসিফ আহমদ
- সিপিডির সুপারিশ-নীতি পর্যালোচনা ও সংস্কারে উদ্যোগ চাই
- কণ্ঠস্বর-তালগাছটা আমার by রাহাত খান
- জন্মের আগেই মৃত্যু-এমন ভুল কীভাবে হয়?
- সংসদে আবু সায়ীদ প্রসঙ্গ-অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক
- পুঁজিবাজার : বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব বিভ্রান্তি...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-কবে হবে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি?...
-
▼
Jun 06
(121)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment