Saturday, December 31, 2011
ফিরে দেখা ও সামনে চলা-স্বাধীনতার চার দশক by রেহমান সোবহান
ফিরে দেখা ও সামনে চলা-স্বাধীনতার চার দশক by রেহমান সোবহান
শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরে একাত্তরের ভাবকল্প ও চার দশকের যাত্রা শীর্ষক স্মারক অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ বা সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহানের মূল বক্তব্যের সংক্ষেপিত ভাষান্তর বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার দশক গোটা বছরজুড়েই আমরা পালন করেছি। বিগত চার দশকে আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে, যে জন্য আমরা গর্ববোধ করতে পারি। আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্বে প্রতিযোগিতায় সক্ষম। মানব উন্নয়ন ও নারী-পুরুষ সমতায় আমরা
ভারতের তুলনায় এগিয়ে যেতে পেরেছি। আড়াই কোটি নারী পেয়েছেন ক্ষুদ্রঋণের সুফল। প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের কঠোর শ্রমে-ঘামে আয় করা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠানোর কারণে কমেছে সাহায্যনির্ভরতা। আমরা চারটি অপেক্ষাকৃত অবাধ ও নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পেরেছি, যেখানে ব্যালটের মাধ্যমে সদ্যবিদায়ী সরকারের পরিবর্তে ক্ষমতায় এসেছে বিরোধী দল। এক সময়ে যে দেশকে 'বাস্কেট কেস' হিসেবে বাতিলের খাতায় নাম তুলে দেওয়া হয়েছিল, সে দেশের জন্য এসব অর্জন মোটেই তুচ্ছ নয়।
বাংলাদেশের জন্ম ঐতিহাসিক কোনো দুর্ঘটনার কারণে নয়। সাম্রাজ্যিক বোঝা বহনে অক্ষম হয়ে পড়া ঔপনিবেশিক শাসকদের বিদায় বেলার কোনো উপহারও নয় এ স্বাধীনতা। দীর্ঘ সংগ্রামের ফল এ স্বাধীনতা, যার শেষ অধ্যায় ছিল রক্ষক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের শাসকরা যে উন্নত জীবন থেকে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছিল, সেটা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করতে তাদের মধ্যে প্রেরণা সৃষ্টি সম্ভব হয়। এ প্রেরণাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে, যাকে আমরা বলে থাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আর তা ভালোভাবেই ধারণ করে আছে আমাদের সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্রীয় চার নীতিমালা_ গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র।
গণতন্ত্র : আমাদের পৃথক জাতি-রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ছিল পাকিস্তানি শাসক শ্রেণীর দ্বারা বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্রমাগত অস্বীকারের ফল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ২৩ বছর পর সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকরা গণহত্যা চাপিয়ে দিয়ে এই গণরায় বানচালের পথে চলে। তাদের এই ঘৃণ্য অপরাধ থেকেই জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা লাভ করে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পরও সামরিক শাসন ও বেসামরিক স্বৈরশাসন মোকাবেলা করতে হয়েছে। কিন্তু কে ভেবেছিল যে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের দ্বিতীয় জন্মের ১৭ বছর পরও সংঘাতের রাজনীতি এমন এক পর্যায়ে পেঁৗছে যাবে, যেখানে সামরিক বাহিনী জরুরি আইন জারির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সুযোগ পেয়ে যাবে। তবে গণতন্ত্রের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় যে, বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না যা থেকে বলা যায় যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে কাজ না করার ঘটনা থেকে আমরা সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পেরেছি। একের পর এক শাসনামলে বিরোধীদের প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এর একটি কারণ বিরোধীদের জাতীয় সংসদ বর্জন করে চলার অপরিপকস্ফ কৌশল। এর ফলে জাতীয় সংসদ কার্যত অকার্যকর থেকে যাচ্ছে। আরও একটি বিষয় লক্ষণীয়_ অনেক রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অর্থ ও পেশিশক্তি ব্যবহারের প্রবণতা। যদিও বর্তমান শাসক মহাজোট কিছু প্রার্থীর জন্য পরিমিত উপায়ে সংসদে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে, কিন্তু সার্বিকভাবে বাংলাদেশে রাজনীতি এখনও ধনীদের খেলা হিসেবেই রয়ে গেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিকৃত হতে থাকায় শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেই আপস করে চলতে হচ্ছে। প্রশাসনের জন্য নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে রাজনীতির প্রভাব লক্ষণীয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও তা থেকে মুক্ত নয়। এমনকি আইনের শাসনের শেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত বিচার বিভাগও হুমকির মুখে। বিগত নির্বাচিত সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগদানের বিষয়টিকেও রাজনীতিকীকরণ করা হয়েছে।
জাতীয়তাবাদ : আমাদের জাতিসত্তার অন্যতম স্তম্ভ জাতীয়তাবাদ। আমাদের জাতীয় স্বকীয়তার বিষয়ে জাতির স্থপতিরা সচেতন ছিলেন। দেশের প্রতিষ্ঠাতারা মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন জোগানো বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গেও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছেন। তাদের উপলব্ধিতে এটাও ছিল যে পাকিস্তানি শাসকরা নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে বহুলাংশে বিসর্জন দিয়েছে। তাদের কাছে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা গ্রহণের কারণেই এমনটি ঘটেছে। কিন্তু বাংলাদেশ আমলেও এমনটি ঘটতে দেখছি। আশির দশকে আমাদের বৈদেশিক সহায়তা ছিল মোট জিডিপির ১০ শতাংশের বেশি। তখন বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান এবং দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে সহায়তাদানকারী কোনো কোনো দেশ এ নির্ভরতাকে বাজারমুখী, বেসরকারি খাতভিত্তিক উন্নয়ন নীতি ও কৌশল প্রণয়নের জন্য কাজে লাগাতে সচেষ্ট ছিল। তাদের চাপে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দাবির চেয়েও দ্রতগতিতে আমাদের আমদানি নীতি উদার করতে বাধ্য করা হয়েছে। এর ফলে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝরি শিল্প হুমকির মুখে পড়েছে। এখন বাংলাদেশের বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা জিডিপির দুই শতাংশের মতো। কিন্তু এখনও দাতারা আমাদের নীতি প্রণয়নে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট রয়েছে, বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে, যেখানে রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। পদ্মা সেতুর জন্য তাদের ৩২০ কোটি ডলারের অর্থ জোগানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এর বিনিময়ে তারা এ প্রকল্পের সার্বিক কাজে তদারকি করার সুবিধা আদায় করে নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ঘাটতির বড় অংশের জোগান আসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরিত অর্থ থেকে, যা বৈদেশিক সাহায্য হিসেবে পাওয়া অর্থের ছয় গুণ। আমাদের ব্যালান্স অব পেমেন্ট ব্যবস্থাকে ভালো রাখার জন্য তাদেরই প্রশংসা প্রাপ্য।
গত দশকে বাংলাদেশ সাহায্যনির্ভর থেকে বাণিজ্যনির্ভর দেশে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক রফতানি ছিল ৫০ কোটি ডলার। এখন তা ৫০ গুণ বেড়ে হয়েছে ২৫০০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের ওপর আমাদের পোশাকের বাজারের বিপুল নির্ভরতা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এবং সর্বশেষে ভারতের বাজারে এ পণ্য রফতানির সুযোগ মিলেছে। চীন এ পণ্যের রফতানি বাজার থেকে ক্রমে সরে যাওয়ায় বাংলাদেশে এ খাতের বিকাশের অপরিমেয় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে কেবল তৈরি পোশাক রফতানির ওপর নির্ভরতায় বিপদ রয়েছে এবং এ উপলব্ধি থেকে আমাদের রফতানি বহুমুখী করার তাগিদ বাড়ছে। চামড়া থেকে জাহাজ_ নানা ধরনের পণ্য এ তালিকায় থাকতে হবে।
আমাদের নিকট প্রতিবেশী ভারত এখন বিশ্ব অর্থনৈতিক শক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। তাদের আমদানির পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি ডলার। আগামী দুই দশকে তারা চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরেই তৃতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে। বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এই দেশটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশের আরেক প্রতিবেশী চীন, যে দেশটি এখন আমাদের প্রধান আমদানি-উৎস। অর্থনৈতিক ক্ষমতায় তারা বিশ্বে এক নম্বর হতে চলেছে। দুই বড় অর্থনীতির দেশ প্রতিবেশী_ এটাও বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে নীতিগত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং এটাই হবে সঠিক জাতীয়তাবাদী অবস্থান। এখন বিদেশি সাহায্যের ওপর যেখানে জিডিপির দুই শতাংশেরও কম নির্ভরতা, তখন নীতিগত স্বায়ত্তশাসন ফিরে পাওয়া কঠিন হবে না। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে কেবল দাতারাই সরকারের নীতি প্রভাবিত করছে না, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ করপোরেট মহল এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীও বিশেষ বিশেষ নীতির ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব খাটাতে শুরু করেছে। আমরা বিশেষভাবে তা দেখছি শেয়ারবাজার এবং খেলাপি ঋণের মতো ইস্যুতে।
ধর্মনিরপেক্ষতা : সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজম বিষয়টি যুক্ত হয়েছিল ধর্মকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহারের তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে। পাকিস্তান আমলে লোভী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অসৎ রাজনৈতিক নেতারা তাদের অগণতান্ত্রিক শাসনকে আড়াল করার জন্য ধর্মীয় স্লোগান ব্যবহার করে। ধর্মের অপব্যবহার চূড়ান্ত মাত্রায় পেঁৗছায় ১৯৭১ সালের গণহত্যার সময়। বাংলাদেশের স্থপতিরা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ধর্মের অপব্যবহার চিরতরে বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। তবে স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সরকারের আমলে আমরা শুনেছি যে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হচ্ছে মসজিদে তালা পড়া এবং ধর্মীয় শিক্ষা বন্ধ করা। এমনকি গত দশকে নির্বাচনী প্রচারের সময় বলা হয়েছে, আজানের পরিবর্তে সর্বত্র কাঁসর ঘণ্টা ও উলুধ্বনি শোনা যাবে। ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ের শাসকরা ধর্মনিরপেক্ষতার অপব্যাখ্যা করতে থাকেন। সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে অন্যান্য ধর্মের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মের অপব্যবহার ১৯৭১ সালের মতো গণহত্যার দিকে দেশকে নিয়ে যায়নি বটে, কিন্তু আমরা ইতিমধ্যেই এমন সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করছি, যা পরিচালিত হচ্ছে ধর্মের নামে এবং এটা গণতন্ত্রের প্রতি চরম হুমকি সৃষ্টি হয়ে আছে। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায় যে উচ্চাভিলাষী রাজনীতিক ও জেনারেলরা ক্ষমতা দখল ও অগণতান্ত্রিক শাসন বজায় রাখার জন্য ধর্মের অপব্যবহার করতে থাকলে আজ হোক কাল হোক আদর্শগতভাবে উদ্বুদ্ধ মৌলবাদীরা একই স্লোগানকে ব্যালট বাক্সের পরিবর্তে সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাসকে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশাধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে এখনও বিশেষ ধর্মকে অগ্রাধিকার প্রদানের বিষয়টি রয়ে গেছে। সংবিধান সংশোধনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একাত্তরে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার সহযোগী কিছু রাজনৈতিক নেতার বিচারের উদ্যোগ।
সমাজতন্ত্র : সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্য থেকেই সংবিধানে সমাজতন্ত্র যুক্ত করা হয়। তিতুমীর ও নুরলদীনের আন্দোলন থেকে ষাটের দশকের ছয় দফা ও ১১ দফার আন্দোলনেও সামাজিক ন্যায়বিচারের ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও বঙ্গবন্ধু এ বিষয়টি সামনে আনেন। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কৃষক সমাজ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই কৃষক সমাজই মুক্তি সংগ্রামে অগ্রভাগে ছিল। তাদের সঙ্গে আরও ছিল শ্রমিক ও ছাত্র সমাজ। এই অংশই গণহত্যার প্রধান শিকার হয়েছে, তাদের স্ত্রী ও কন্যারা ধর্ষিত হয়েছে। সংবিধানের মৌল নীতিমালায় সমাজতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা তাদের অবদানেরই স্বীকৃতি। আশা করা হয়েছিল স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠদের আমাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা হবে। আমরা এমন সমাজ চাইনি যেখানে সুবিধাভোগী শ্রেণী সৃষ্টি হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত চার দশকে আমরা এমন উন্নয়ন কৌশল অনুসরণ করেছি যা চরম অসম, ব্যাপকভাবে অন্যায্য সমাজ গড়ে তুলেছে। পাকিস্তান আমলের বৈশিষ্ট্য ছিল দুই অর্থনীতি, এখন বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য দুই সমাজ।
আমরা দেখছি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ ও অপশাসন ব্যক্তিগত অপরাধের কারণ হয়ে উঠছে। মতিঝিলের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি এবং এসব খেলাপির পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিকরা মাস্তানদের লালন-পালন করে চলেছে, যাদের কাছ থেকে তারা নির্বাচনে সুবিধা গ্রহণ করে। আবার এই মাস্তানরাই রাজনীতিকদের সঙ্গে সম্পর্ককে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকে। এসব অপরাধীর অনেকেই রাজনীতিতে প্রবেশ করে এবং কেউ কেউ জনপ্রতিনিধিও হয়ে যায়।
এগিয়ে চলা : আমরা কি স্বাধীনতার স্বপ্ন অর্থবহ করে তুলব? আমরা কি এমন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলব যা ক্ষমতাবানদের লোভ-লালসা নয় বরং জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করবে? আমরা কি আমাদের নীতিপ্রণয়ন প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা ফিরে পাব? আমরা কি একটি সহিষ্ণু, বহুত্ববাদী সমাজ গড়ে তুলব, যেখানে সব ধরনের বিশ্বাসীদের প্রতি সম্মান জানানো হবে এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা সমান অধিকার ভোগ করবে?
আমি অনেক দিন বেঁচে থাকতে চাই এটা দেখার জন্য, যখন বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠরা আমাদের করপোরেট খাতের উল্লেখযোগ্য অংশের হিস্যা পাবে, যেসব মহিলার শ্রমের কারণে আমাদের রফতানি খাতের ৮০ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে তারা সম্মিলিতভাবে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অন্তত এক-তৃতীয়াংশের হিস্যা পাবে। আমি দেখতে চাই ঢাকা ও চট্টগ্রামের বস্তিবাসীর জন্য বহুতল আবাসিক ভবন গড়ে তোলা হয়েছে এবং ভূমিহীনদের জন্য মিলেছে ঘর। আমি দেখতে চাই তামাক, পাট ও আখচাষিরা কারখানার মালিকানায় ভাগ পাচ্ছে এবং চা বাগানের শ্রমিকরা পাচ্ছে বাগানের মালিকানার অংশ। আমি দেখতে চাই, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা ও হিমাগারে প্রতিষ্ঠিত হোক ফল ও সবজি উৎপাদকদের মালিকানা। আমি সেই সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চাই যখন দেখব বড় ধরনের শ্রম-সেবা রফতানি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, যেখানে রয়েছে প্রবাসে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর মালিকানা। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই যেখানে সুবিধাভোগী মধ্যস্বত্বভোগীর পরিবর্তে কাজ, দক্ষতা ও উৎপাদনের জন্য পুরস্কার মিলবে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা চাই যেখানে কেবল কাজের অধিকার নিশ্চিত হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি থাকবে নীতিগত এজেন্ডার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমাদের কৃষক ও কারিগরদের, গ্রামীণ শিল্পে যুক্তদের, তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মীদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করতে হবে।
এ পথে চলতে হলে পরিবর্তনের চালিকাশক্তি দরকার। গণতান্ত্রিক সমাজে নির্বাচিতরাই হবেন এ চালিকাশক্তি। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সাধারণ নির্বাচনের সময় দিনবদলের কথা বলেছেন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক ভাষণে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের কথা বলেছেন, ন্যায়বিচারের প্রতি বিশ্বাসের কথা বলেছেন। তিনি ক্ষমতার বাকি দুই বছরে তার কিছু ধারণা বাস্তবায়ন করবেন, এমন আশা কি করতে পারি না?
আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে, কেবল রাষ্ট্রই পরিবর্তনের চালিকাশক্তি নয়। আমাদের রয়েছে নতুন বড় ও ছোট অনেক উদ্যোক্তা, যারা ঋণখেলাপি নয় কিংবা বাজারে কারসাজিও সৃষ্টি করে না বরং তারা প্রকৃত উদ্যোক্তা। তারা এই পরিবর্তনকে সমর্থন করবে। আমাদের প্রাণচঞ্চল স্বেচ্ছাসেবী, কঠোর পরিশ্রমী কৃষক সমাজ, প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য গ্রামীণ নারী সমাজ এবং উদ্যমী, কঠোর পরিশ্রমী, ক্রমবর্ধমান নারী প্রাধান্যের শ্রমশক্তি_ তারাও এ পরিবর্তনের রূপকার। সর্বোপরি রয়েছে তরুণ প্রজন্ম_ যারা দুর্নীতি, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও দূরদৃষ্টির ঘাটতি নিয়ে চলা নেতৃত্বের কারণে হতোদ্যম ও ক্লান্ত, তাদেরও পরিবর্তন এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংগঠিত করতে হবে।
উপসংহারে বলতে চাই, দুই সমাজের উদ্ভব বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে প্রদত্ত সামাজিক চুক্তির লঙ্ঘন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় যখন সাধারণ জনগণ সমবেত হয়েছিল তখন তারা এটা চায়নি যে তাদের শাসকরা একটি অন্যায্য সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে নেতৃত্ব দেবেন। শাসন ব্যবস্থার গলদও তারা আশা করেনি। তাদের আশা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সম্মান জানাতে ব্যর্থতা রয়েছে। অধিকতর ন্যায্য ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মাহুতি দিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের রক্তঋণ রয়েছে এবং তা শোধ করতেই হবে।
বাংলাদেশের জন্ম ঐতিহাসিক কোনো দুর্ঘটনার কারণে নয়। সাম্রাজ্যিক বোঝা বহনে অক্ষম হয়ে পড়া ঔপনিবেশিক শাসকদের বিদায় বেলার কোনো উপহারও নয় এ স্বাধীনতা। দীর্ঘ সংগ্রামের ফল এ স্বাধীনতা, যার শেষ অধ্যায় ছিল রক্ষক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের শাসকরা যে উন্নত জীবন থেকে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছিল, সেটা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করতে তাদের মধ্যে প্রেরণা সৃষ্টি সম্ভব হয়। এ প্রেরণাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে, যাকে আমরা বলে থাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আর তা ভালোভাবেই ধারণ করে আছে আমাদের সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্রীয় চার নীতিমালা_ গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র।
গণতন্ত্র : আমাদের পৃথক জাতি-রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ছিল পাকিস্তানি শাসক শ্রেণীর দ্বারা বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্রমাগত অস্বীকারের ফল। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার ২৩ বছর পর সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকরা গণহত্যা চাপিয়ে দিয়ে এই গণরায় বানচালের পথে চলে। তাদের এই ঘৃণ্য অপরাধ থেকেই জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা লাভ করে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পরও সামরিক শাসন ও বেসামরিক স্বৈরশাসন মোকাবেলা করতে হয়েছে। কিন্তু কে ভেবেছিল যে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের দ্বিতীয় জন্মের ১৭ বছর পরও সংঘাতের রাজনীতি এমন এক পর্যায়ে পেঁৗছে যাবে, যেখানে সামরিক বাহিনী জরুরি আইন জারির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সুযোগ পেয়ে যাবে। তবে গণতন্ত্রের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় যে, বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না যা থেকে বলা যায় যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে কাজ না করার ঘটনা থেকে আমরা সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পেরেছি। একের পর এক শাসনামলে বিরোধীদের প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এর একটি কারণ বিরোধীদের জাতীয় সংসদ বর্জন করে চলার অপরিপকস্ফ কৌশল। এর ফলে জাতীয় সংসদ কার্যত অকার্যকর থেকে যাচ্ছে। আরও একটি বিষয় লক্ষণীয়_ অনেক রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অর্থ ও পেশিশক্তি ব্যবহারের প্রবণতা। যদিও বর্তমান শাসক মহাজোট কিছু প্রার্থীর জন্য পরিমিত উপায়ে সংসদে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে, কিন্তু সার্বিকভাবে বাংলাদেশে রাজনীতি এখনও ধনীদের খেলা হিসেবেই রয়ে গেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিকৃত হতে থাকায় শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকেই আপস করে চলতে হচ্ছে। প্রশাসনের জন্য নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে রাজনীতির প্রভাব লক্ষণীয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও তা থেকে মুক্ত নয়। এমনকি আইনের শাসনের শেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত বিচার বিভাগও হুমকির মুখে। বিগত নির্বাচিত সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগদানের বিষয়টিকেও রাজনীতিকীকরণ করা হয়েছে।
জাতীয়তাবাদ : আমাদের জাতিসত্তার অন্যতম স্তম্ভ জাতীয়তাবাদ। আমাদের জাতীয় স্বকীয়তার বিষয়ে জাতির স্থপতিরা সচেতন ছিলেন। দেশের প্রতিষ্ঠাতারা মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন জোগানো বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গেও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছেন। তাদের উপলব্ধিতে এটাও ছিল যে পাকিস্তানি শাসকরা নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে বহুলাংশে বিসর্জন দিয়েছে। তাদের কাছে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা গ্রহণের কারণেই এমনটি ঘটেছে। কিন্তু বাংলাদেশ আমলেও এমনটি ঘটতে দেখছি। আশির দশকে আমাদের বৈদেশিক সহায়তা ছিল মোট জিডিপির ১০ শতাংশের বেশি। তখন বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান এবং দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে সহায়তাদানকারী কোনো কোনো দেশ এ নির্ভরতাকে বাজারমুখী, বেসরকারি খাতভিত্তিক উন্নয়ন নীতি ও কৌশল প্রণয়নের জন্য কাজে লাগাতে সচেষ্ট ছিল। তাদের চাপে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দাবির চেয়েও দ্রতগতিতে আমাদের আমদানি নীতি উদার করতে বাধ্য করা হয়েছে। এর ফলে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝরি শিল্প হুমকির মুখে পড়েছে। এখন বাংলাদেশের বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা জিডিপির দুই শতাংশের মতো। কিন্তু এখনও দাতারা আমাদের নীতি প্রণয়নে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট রয়েছে, বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে, যেখানে রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। পদ্মা সেতুর জন্য তাদের ৩২০ কোটি ডলারের অর্থ জোগানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কিন্তু এর বিনিময়ে তারা এ প্রকল্পের সার্বিক কাজে তদারকি করার সুবিধা আদায় করে নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ঘাটতির বড় অংশের জোগান আসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেরিত অর্থ থেকে, যা বৈদেশিক সাহায্য হিসেবে পাওয়া অর্থের ছয় গুণ। আমাদের ব্যালান্স অব পেমেন্ট ব্যবস্থাকে ভালো রাখার জন্য তাদেরই প্রশংসা প্রাপ্য।
গত দশকে বাংলাদেশ সাহায্যনির্ভর থেকে বাণিজ্যনির্ভর দেশে পরিণত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক রফতানি ছিল ৫০ কোটি ডলার। এখন তা ৫০ গুণ বেড়ে হয়েছে ২৫০০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের ওপর আমাদের পোশাকের বাজারের বিপুল নির্ভরতা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এবং সর্বশেষে ভারতের বাজারে এ পণ্য রফতানির সুযোগ মিলেছে। চীন এ পণ্যের রফতানি বাজার থেকে ক্রমে সরে যাওয়ায় বাংলাদেশে এ খাতের বিকাশের অপরিমেয় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে কেবল তৈরি পোশাক রফতানির ওপর নির্ভরতায় বিপদ রয়েছে এবং এ উপলব্ধি থেকে আমাদের রফতানি বহুমুখী করার তাগিদ বাড়ছে। চামড়া থেকে জাহাজ_ নানা ধরনের পণ্য এ তালিকায় থাকতে হবে।
আমাদের নিকট প্রতিবেশী ভারত এখন বিশ্ব অর্থনৈতিক শক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। তাদের আমদানির পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি ডলার। আগামী দুই দশকে তারা চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরেই তৃতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে। বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এই দেশটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশের আরেক প্রতিবেশী চীন, যে দেশটি এখন আমাদের প্রধান আমদানি-উৎস। অর্থনৈতিক ক্ষমতায় তারা বিশ্বে এক নম্বর হতে চলেছে। দুই বড় অর্থনীতির দেশ প্রতিবেশী_ এটাও বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে নীতিগত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতি মনোযোগী হতে হবে এবং এটাই হবে সঠিক জাতীয়তাবাদী অবস্থান। এখন বিদেশি সাহায্যের ওপর যেখানে জিডিপির দুই শতাংশেরও কম নির্ভরতা, তখন নীতিগত স্বায়ত্তশাসন ফিরে পাওয়া কঠিন হবে না। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে কেবল দাতারাই সরকারের নীতি প্রভাবিত করছে না, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ করপোরেট মহল এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীও বিশেষ বিশেষ নীতির ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব খাটাতে শুরু করেছে। আমরা বিশেষভাবে তা দেখছি শেয়ারবাজার এবং খেলাপি ঋণের মতো ইস্যুতে।
ধর্মনিরপেক্ষতা : সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজম বিষয়টি যুক্ত হয়েছিল ধর্মকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহারের তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে। পাকিস্তান আমলে লোভী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অসৎ রাজনৈতিক নেতারা তাদের অগণতান্ত্রিক শাসনকে আড়াল করার জন্য ধর্মীয় স্লোগান ব্যবহার করে। ধর্মের অপব্যবহার চূড়ান্ত মাত্রায় পেঁৗছায় ১৯৭১ সালের গণহত্যার সময়। বাংলাদেশের স্থপতিরা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ধর্মের অপব্যবহার চিরতরে বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। তবে স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সরকারের আমলে আমরা শুনেছি যে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হচ্ছে মসজিদে তালা পড়া এবং ধর্মীয় শিক্ষা বন্ধ করা। এমনকি গত দশকে নির্বাচনী প্রচারের সময় বলা হয়েছে, আজানের পরিবর্তে সর্বত্র কাঁসর ঘণ্টা ও উলুধ্বনি শোনা যাবে। ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ের শাসকরা ধর্মনিরপেক্ষতার অপব্যাখ্যা করতে থাকেন। সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে অন্যান্য ধর্মের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হয়েছে। ধর্মের অপব্যবহার ১৯৭১ সালের মতো গণহত্যার দিকে দেশকে নিয়ে যায়নি বটে, কিন্তু আমরা ইতিমধ্যেই এমন সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করছি, যা পরিচালিত হচ্ছে ধর্মের নামে এবং এটা গণতন্ত্রের প্রতি চরম হুমকি সৃষ্টি হয়ে আছে। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায় যে উচ্চাভিলাষী রাজনীতিক ও জেনারেলরা ক্ষমতা দখল ও অগণতান্ত্রিক শাসন বজায় রাখার জন্য ধর্মের অপব্যবহার করতে থাকলে আজ হোক কাল হোক আদর্শগতভাবে উদ্বুদ্ধ মৌলবাদীরা একই স্লোগানকে ব্যালট বাক্সের পরিবর্তে সন্ত্রাসের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাসকে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশাধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে এখনও বিশেষ ধর্মকে অগ্রাধিকার প্রদানের বিষয়টি রয়ে গেছে। সংবিধান সংশোধনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একাত্তরে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার সহযোগী কিছু রাজনৈতিক নেতার বিচারের উদ্যোগ।
সমাজতন্ত্র : সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্য থেকেই সংবিধানে সমাজতন্ত্র যুক্ত করা হয়। তিতুমীর ও নুরলদীনের আন্দোলন থেকে ষাটের দশকের ছয় দফা ও ১১ দফার আন্দোলনেও সামাজিক ন্যায়বিচারের ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও বঙ্গবন্ধু এ বিষয়টি সামনে আনেন। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ কৃষক সমাজ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই কৃষক সমাজই মুক্তি সংগ্রামে অগ্রভাগে ছিল। তাদের সঙ্গে আরও ছিল শ্রমিক ও ছাত্র সমাজ। এই অংশই গণহত্যার প্রধান শিকার হয়েছে, তাদের স্ত্রী ও কন্যারা ধর্ষিত হয়েছে। সংবিধানের মৌল নীতিমালায় সমাজতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা তাদের অবদানেরই স্বীকৃতি। আশা করা হয়েছিল স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠদের আমাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা হবে। আমরা এমন সমাজ চাইনি যেখানে সুবিধাভোগী শ্রেণী সৃষ্টি হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত চার দশকে আমরা এমন উন্নয়ন কৌশল অনুসরণ করেছি যা চরম অসম, ব্যাপকভাবে অন্যায্য সমাজ গড়ে তুলেছে। পাকিস্তান আমলের বৈশিষ্ট্য ছিল দুই অর্থনীতি, এখন বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য দুই সমাজ।
আমরা দেখছি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ ও অপশাসন ব্যক্তিগত অপরাধের কারণ হয়ে উঠছে। মতিঝিলের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি এবং এসব খেলাপির পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিকরা মাস্তানদের লালন-পালন করে চলেছে, যাদের কাছ থেকে তারা নির্বাচনে সুবিধা গ্রহণ করে। আবার এই মাস্তানরাই রাজনীতিকদের সঙ্গে সম্পর্ককে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকে। এসব অপরাধীর অনেকেই রাজনীতিতে প্রবেশ করে এবং কেউ কেউ জনপ্রতিনিধিও হয়ে যায়।
এগিয়ে চলা : আমরা কি স্বাধীনতার স্বপ্ন অর্থবহ করে তুলব? আমরা কি এমন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলব যা ক্ষমতাবানদের লোভ-লালসা নয় বরং জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করবে? আমরা কি আমাদের নীতিপ্রণয়ন প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা ফিরে পাব? আমরা কি একটি সহিষ্ণু, বহুত্ববাদী সমাজ গড়ে তুলব, যেখানে সব ধরনের বিশ্বাসীদের প্রতি সম্মান জানানো হবে এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা সমান অধিকার ভোগ করবে?
আমি অনেক দিন বেঁচে থাকতে চাই এটা দেখার জন্য, যখন বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠরা আমাদের করপোরেট খাতের উল্লেখযোগ্য অংশের হিস্যা পাবে, যেসব মহিলার শ্রমের কারণে আমাদের রফতানি খাতের ৮০ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে তারা সম্মিলিতভাবে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অন্তত এক-তৃতীয়াংশের হিস্যা পাবে। আমি দেখতে চাই ঢাকা ও চট্টগ্রামের বস্তিবাসীর জন্য বহুতল আবাসিক ভবন গড়ে তোলা হয়েছে এবং ভূমিহীনদের জন্য মিলেছে ঘর। আমি দেখতে চাই তামাক, পাট ও আখচাষিরা কারখানার মালিকানায় ভাগ পাচ্ছে এবং চা বাগানের শ্রমিকরা পাচ্ছে বাগানের মালিকানার অংশ। আমি দেখতে চাই, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা ও হিমাগারে প্রতিষ্ঠিত হোক ফল ও সবজি উৎপাদকদের মালিকানা। আমি সেই সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চাই যখন দেখব বড় ধরনের শ্রম-সেবা রফতানি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে, যেখানে রয়েছে প্রবাসে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর মালিকানা। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই যেখানে সুবিধাভোগী মধ্যস্বত্বভোগীর পরিবর্তে কাজ, দক্ষতা ও উৎপাদনের জন্য পুরস্কার মিলবে। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা চাই যেখানে কেবল কাজের অধিকার নিশ্চিত হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি থাকবে নীতিগত এজেন্ডার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমাদের কৃষক ও কারিগরদের, গ্রামীণ শিল্পে যুক্তদের, তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মীদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করতে হবে।
এ পথে চলতে হলে পরিবর্তনের চালিকাশক্তি দরকার। গণতান্ত্রিক সমাজে নির্বাচিতরাই হবেন এ চালিকাশক্তি। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সাধারণ নির্বাচনের সময় দিনবদলের কথা বলেছেন। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক ভাষণে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের কথা বলেছেন, ন্যায়বিচারের প্রতি বিশ্বাসের কথা বলেছেন। তিনি ক্ষমতার বাকি দুই বছরে তার কিছু ধারণা বাস্তবায়ন করবেন, এমন আশা কি করতে পারি না?
আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে, কেবল রাষ্ট্রই পরিবর্তনের চালিকাশক্তি নয়। আমাদের রয়েছে নতুন বড় ও ছোট অনেক উদ্যোক্তা, যারা ঋণখেলাপি নয় কিংবা বাজারে কারসাজিও সৃষ্টি করে না বরং তারা প্রকৃত উদ্যোক্তা। তারা এই পরিবর্তনকে সমর্থন করবে। আমাদের প্রাণচঞ্চল স্বেচ্ছাসেবী, কঠোর পরিশ্রমী কৃষক সমাজ, প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য গ্রামীণ নারী সমাজ এবং উদ্যমী, কঠোর পরিশ্রমী, ক্রমবর্ধমান নারী প্রাধান্যের শ্রমশক্তি_ তারাও এ পরিবর্তনের রূপকার। সর্বোপরি রয়েছে তরুণ প্রজন্ম_ যারা দুর্নীতি, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও দূরদৃষ্টির ঘাটতি নিয়ে চলা নেতৃত্বের কারণে হতোদ্যম ও ক্লান্ত, তাদেরও পরিবর্তন এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংগঠিত করতে হবে।
উপসংহারে বলতে চাই, দুই সমাজের উদ্ভব বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে প্রদত্ত সামাজিক চুক্তির লঙ্ঘন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় যখন সাধারণ জনগণ সমবেত হয়েছিল তখন তারা এটা চায়নি যে তাদের শাসকরা একটি অন্যায্য সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে নেতৃত্ব দেবেন। শাসন ব্যবস্থার গলদও তারা আশা করেনি। তাদের আশা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সম্মান জানাতে ব্যর্থতা রয়েছে। অধিকতর ন্যায্য ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মাহুতি দিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের রক্তঋণ রয়েছে এবং তা শোধ করতেই হবে।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 31
(105)
- তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী by মাহবুব মোর্শেদ
- প্রতিবেশী-গ্যাংটকে গণ্ডোগল নয়, সম্ভাবনার সড়ক by শে...
- শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা by শতদল বড়ূয়া
- সমকালীন প্রসঙ্গ-চিকিৎসা ব্যবস্থার বাণিজ্যিকীকরণ সম...
- ধানকেন্দ্রিক পূজা by নিসার হোসেন
- ফিরে দেখা by ইমরান রহমান
- মানবাধিকার-সৌদিতে শিরশ্ছেদ :লাশগুলো অন্তত ফেরত দা...
- ঘড়ি নড়ে না, নড়ে না-দুই by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- কোরবানির পশুর হাট-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করুন
- নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষা-ড্রেজিংয়ের নামে পানিতে অর্থ ...
- বাংলাদেশের অগুনতি কালিদাস by মোহাম্মদ নুরাল হক
- আবার আসছে অশনি সংকেত by আতাউস সামাদ
- প্রথম শ্রেণীর চাকরি পেল একাত্তরের শিশুঃ ভানুমতির খ...
- আটক উলফা নেতাদের ভারতে পুশব্যাকঃ লুকোচুরির অর্থ কী?
- ফিরে দেখা by ইমরান রহমান
- গিলগামেশ ২- by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- শিল্পী নাইব উদ্দিন আহমেদ by মুস্তাফা মনোয়ার
- তেজগাঁও-গুলশান এলাকায় জমি হস্তান্তর ও নামজারি ফি ব...
- পিআরএসপির সাতকাহন by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- গার্মেন্ট শিল্পে আবারও বিসেম্ফারণ এবং কিছু প্রাসঙ্...
- কর্মশালা আর পর্যবেক্ষণ ২০১১
- ফতুর হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়েঃ শুধু কথায় লোকসানের বহর...
- জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জীববিজ্ঞান
- বাংলাদেশে ভারতের রমরমা সাংস্কৃতিক বাণিজ্যঃ জাতীয় স...
- সৃষ্টিশীলতায় বাংলাদেশ
- আবিষ্কারে বিশ্ব
- নতুন সূর্যের প্রত্যয়ে...
- ফার্গুসনের জন্মদিনে ম্যানইউর শীর্ষ মিশন
- উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি মোহামেডান-বিজেএমসি
- ইনজুরিতে চার অ্যাথলেট
- গোল্ডেন বয় সাইখ by মাহবুব সরকার
- ৮৪টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান কিনছে সৌদি আরব
- সিরিয়ায় গণবিক্ষোভে 'নেইল বোমা' ব্যবহারের অভিযোগ
- 'মমতা জাতীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রক হতে চাইছেন'
- পরিবর্তনের আশায় 'না' উত্তর কোরিয়ার
- থার্টিফার্স্ট নাইটের নিরাপত্তায় র্যাব পুলিশের ১০ ...
- গাছের সার্জন নজরুল! by আমিনুল হক
- রবীন্দ্র উৎসবে প্রাণের উচ্ছ্বাস
- ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন নিয়ে বিরোধ তুঙ্গে by হকি...
- রেন্টাল ছাড়া সরকারের হাতে বিকল্প ছিল না by সবুজ ইউ...
- ঢাকার খাল ফের দখল by রাজীব আহাম্মদ ও সোহেল মামুন
- শেখ হাসিনা ও অমর্ত্য সেন বাংলা একাডেমীর ফেলোশিপ পে...
- জীবনযাত্রা দুর্বিষহ-জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বাস...
- শুদ্ধ রাজনীতিক by আনোয়ার হোসেন
- লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে-সাক্ষ...
- একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের আমলনামা-২-কালের ...
- ফিরে দেখা ও সামনে চলা-স্বাধীনতার চার দশক by রেহমান...
- রেলের দুরবস্থা-আধুনিকায়ন ও বিস্তৃতিতেই উন্নতি
- জ্বালানির দাম বৃদ্ধি-মূল্যস্ফীতির আগুনে ঘি পড়বে
- ‘৪০ বছরেও নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি’
- মিয়ানমারে উপনির্বাচন ১ এপ্রিল, লড়বেন সু চি
- পাকিস্তানে ‘চিঠি কেলেঙ্কারি’ তদন্তে কমিশন গঠন
- মহাজোটের মিছিল ও যানজট-রাজধানীবাসীর এই ভোগান্তির শ...
- জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল-বাড়বে মূল্যস্ফীতি ও জনদুর্ভোগ
- স্মরণ-কমরেড মণি সিংহ : শেকড়ে ফিরে যাওয়া
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহ ও তাঁর রাসুল মানুষকে জীব...
- টিপাইমুখ বাঁধ পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্ক by ক্যাপ্টেন (...
- সদরে অন্দরে-শাবাশ আগামীর নাগরিকরা by মোস্তফা হোসেইন
- কথামালার নাচন, আশ্বাসের পতন by ড. সা'দত হুসাইন
- সিরিয়ায় গণবিক্ষোভে গুলিতে নিহত ৩৫
- চট্টগ্রাম ও নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫
- চলে গেলেন যাঁরা
- হরমুজ প্রণালি কেন গুরুত্বপূর্ণ? (ভিডিও)
- জুরাছড়িতে বন্দুকযুদ্ধে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত
- পাল্টাপাল্টি ইট নিক্ষেপে আহত ১০-চট্টগ্রামে ৩০ দোকা...
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক—প্রথম আলো গণিত উৎসব ২০১২-গণিত শি...
- সড়কে খানাখন্দ ফাটা, পর্যটন ব্যবসায় ভাটা! by গিয়াস ...
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক-দুই কি.মি. সংস্কারের কী ...
- পাকিস্তানের ‘গোপন চিঠি’-তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ ...
- জানুয়ারিতে কমিটির ইঙ্গিত, প্রাধান্য পাবে ছাত্রত্ব-...
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- উৎসব-প্রণয় ও দায়িত্বের দ্বন্দ্ব by আশীষ-উর-রহমান
- কুমিল্লা সিটি নির্বাচন-কালোটাকার ব্যবহার! by আনোয়া...
- আলোচনা সভায় ফখরুল-জ্বালানির দাম বাড়িয়ে নববর্ষের শু...
- আলোচনায় শাহরিয়ার কবির-ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের ...
- আজ বর্ষবিদায়-রাস্তায় থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও র্য...
- স্বাধীনতার ৪০ বছর স্মারক অনুষ্ঠানে রেহমান সোবহানবা...
- জন্মদিনের উপহার চান ফার্গুসন
- মোহামেডান-মুক্তিযোদ্ধারই বড় চ্যালেঞ্জ
- ফিরে দেখা ২০১১-বিশ্বকাপ ছাপিয়ে টেস্ট পুনর্জাগরণ
- ফতুল্লায় জহুরুল-আলো
- সাইকের কল্যাণে হাসল বাংলাদেশ
- এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গ্যাস...
- বৈশ্বিক রেকর্ডের প্রতিফলন স্থানীয় বাজারে-স্বর্ণের ...
- ‘উত্তর কোরিয়ার নীতিতে পরিবর্তন আসবে না’
- সৌদিকে ৮৪টি যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- রাহুলের নেতৃত্ব মেনে নেবে ভারত?
- রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারি-আইওয়ায় মনোনয়নপ্রত্যাশ...
- আপনার কি ইট্টুও চক্ষুলজ্জা নাই’
- আর মাত্র ১৩ দিন বাকি-বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি চলছে ...
- জেলে হারুনের ‘তেল-চিকিৎ সা’! by এম জসীম উদ্দীন
- পাহাড় ও ফসলি জমির মাটি ৫০ ইটভাটায় by বুদ্ধজ্যোতি চ...
- মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার চলবে’-অমর্ত্য সেন ও শ...
- স্মরণ-মণি সিংহ: আজীবন সাম্যব্রতী
- স্বাধীনতার চার দশক-বাংলাদেশ এখন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ নয়...
- কলকাতার চিঠি-প্রতিহিংসা’র রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে? by ...
- কট্টরপন্থা-খাঁটি’ মৌলবাদের প্রকোপ বৃদ্ধি ইসরায়েলে ...
- আমলাতন্ত্র-জনপ্রশাসনের ইতি-নেতি by আলী ইমাম মজুমদার
- বোমাবাজ, ঘাতক কেউ রেহাই পেতে পারে না-কুষ্টিয়ায় বিজ...
- সরকারের টনক নড়বে কবে?-অবহেলিত শাহজালাল বিমানবন্দর
- একজন ডিম বিক্রেতা ও ছাত্ররাজনীতি by আহমেদ আরিফ
- ফিরে দেখাঃ by ইমরান রহমান
- শোভাময় জগৎ by আতাউর রহমান
- ৭ নভেম্বরের শিক্ষা by ইয়ামিন খান
- ৭ নভেম্বরঃ গভীর জিজ্ঞাসার দিন by ড. মাহবুব উল্লাহ্
-
▼
Dec 31
(105)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment