আশুলিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ইকবাল নিহত ॥ পরিবার বলছে হত্যাকাণ্ড

আশুলিয়া থানাধীন খেঁজুরবাগ এলাকায় বুধবার রাতে র‌্যাব-১ (উত্তরা) এর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও সাইফুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইকবাল নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি বিদেশী পিস্তল ও একটি পালসার মোটরসাইকেল। নিহত ইকবাল আশুলিয়ার বড়বাজার এলাকার এবায়েদুল মিয়ার পুত্র।


পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ১১টার দিকে খেঁজুরবাগান এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ ইকবালকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ইকবালের বিরুদ্ধে উত্তরা ও আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। সুরতহাল শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসক ডা. কামরুন্নাহার জানান, ইকবালের বুকে ও কপালের ডানদিকে দুটি গুলিবিদ্ধ হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, সম্প্রতি ইকবাল উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করে। ক্রসফায়ার নয়, তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে র‌্যাব সদস্যরা গুলি করে হত্যা করেছে।
কে এই ইকবাল ॥ ইকবাল এতটাই দুর্ধর্ষ ছিল যে, গুলিবিদ্ধ সাইফুলকে হাসপাতালের সামনে থেকে অস্ত্রের মুখে ঘটনাস্থলে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে সেখানে পুনরায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ইকবাল ও তার সহযোগীরা। ২০১০ সালের ১১ মে দুপুরে আশুলিয়া থানাধীন খেঁজুরবাগান এলাকার চানগাঁও গ্রামে ডিশ ও ঝুট ব্যবসা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইকবাল ও তার বাহিনী গুলি করে হত্যা করে রমন আলীর পুত্র সাইফুলকে (৩০)। উল্লেখ্য, ইকবাল ও সাইফুল পরস্পর মামাত-ফুফাত ভাই।