Sunday, January 20, 2013
পরিবেশ-ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, সচেতনতাও সৃষ্টি হচ্ছে by কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
পরিবেশ-ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, সচেতনতাও সৃষ্টি হচ্ছে by কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
কেবল জলবায়ু পরিবর্তন নয়, সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে গত চার দশকে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রমাগত ইতিবাচক অর্জন করে চলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট কনভেনশন, চুক্তি ও সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান উজ্জ্বল।
অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও পরিবেশ বিষয়ে আমাদের আইনি সুরক্ষা যথেষ্ট। নীতিনির্ধারকরাও পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে আন্তরিক। উচ্চতর আদালতকেও পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখছি আমরা। এখন প্রয়োজন পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় অবস্থান ও ভাবনা-চিন্তাকে মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা
এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। ওই যুদ্ধই ছিল পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান। বস্তুত যে কোনো যুদ্ধই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সেখানে যেসব গোলা-বারুদ ব্যবহৃত হয়, তার তেজস্ক্রিয়তা বাতাসে ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, বন-জঙ্গল ধ্বংস হয়; পরিবেশে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপে এবং জাপানে আমরা যুদ্ধের ফলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশও ছিল এক বিপর্যস্ত রাষ্ট্র। প্রায় সব ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে গিয়েছিল। নদী পার হওয়ার জন্য ফেরিই ছিল ভরসা। মুক্তিযুদ্ধের পর সারাদেশে কয়েকশ' ফেরি চালু করতে হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় এটাকে পরিবেশ বিপর্যয় হিসেবে দেখা হয়নি। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ পরিবেশ সুরক্ষার ধারণাই তখনও বিকাশ লাভ করেনি। কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপীই পরিবেশের ব্যাপারে খুব একটা সচেতনতা ছিল না।
পরিবেশ সচেতনতার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যদি ধরি, ১৯৭২ সালে স্টকহোমে 'হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট' বিষয়ে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে থেকেই অবশ্য একটু একটু করে পরিবেশবিষয়ক কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন দেশে বেসরকারি সংস্থাগুলো বিষয়টি ইস্যু আকারে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছে। আমাদের মনে আছে, পরিবেশবাদী বৈশ্বিক সংগঠন গ্রিনপিস ওই সময়ই গঠিত হয়েছিল। কিন্তু স্টকহোম সম্মেলনের পর থেকে সরকারি পর্যায়েও পরিবেশ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু হয়। সরকারি পর্যায়ে ছাড়াও জাতিসংঘ এ সময় থেকে পরিবেশ বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে।
নবীন রাষ্ট্র হলেও বাংলাদেশ খুব দ্রুতই পরিবেশ সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আমাদের মনে আছে, স্বাধীনতা লাভের এক বছরের মাথায়ই, ১৯৭৩ সালে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধ্যাদেশ জারি করে। ওই বছরের শেষ দিকে সেটি আইনে পরিণত হয় এবং ১৯৭৪ সালে আইনটি সংশোধিত হয়। একটি নবীন দেশে এমন আইন তখন দেশে-বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতার জন্যও সত্তর দশক ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে জেনেভায়। তখন কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন করা হয় যে জলবায়ুতে কিছু পরিবর্তন ঘটছে এবং তার জন্য মানুষের কর্মকাণ্ড দায়ী হতে পারে। তখন থেকেই জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অনেক বৈজ্ঞানিক, এমনকি রাজনীতিবিদ এবং অন্য যারা বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে কর্মকাণ্ড করেন তারা চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করেন। ফলে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়তে থাকে। এ সময় ঐতিহাসিকভাবে যা ঘটে তা হলো জাতিসংঘ এটাকে নজরে নিয়ে নরওয়ের প্রেসিডেন্ট ব্রুটল্যান্ডের নেতৃত্বে একটা কমিশন গঠন করে_ ওয়ার্ল্ড কমিশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘে যখন ব্রুটল্যান্ড কমিশন রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়, সৌভাগ্যবশত আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
সেখানে বলা হয়েছিল, উন্নয়ন কি অব্যাহত থাকতে পারবে? পরিবেশের বহন ক্ষমতা কতটুকু-বা কতটুকু উন্নয়ন ঘটাতে পারবে? কত মানুষকে বহন করতে পারবে বা কতদূর আমরা যেতে পারব? তারা বলেছিল, এর একটা লিমিট আছে, এর বাইরে যেতে পারবে না। ব্রুটল্যান্ডের একটা প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, আমরা যদি সচেতনভাবে এটা ব্যবহার করি তাহলে বহুদূর যেতে পারে। সব খেয়ে ফেলা উচিত হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশকে ভালো রেখে যেতে হবে। এখানে সুকান্তের কবিতাটা স্মরণ করা যেতে পারে_ পৃথিবীটাকে যদি একটু ভালো করে রেখে যেতে পারি তবে সেটিই হবে আমার সার্থকতা। তো এই যে সচেতনতাটা বাড়ছিল, এ রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এই সচেতনতা আরেক ধাপ ওপরে চলে যায়। চতুর্দিকে কনফারেন্স হতে থাকে। দেশে-বিদেশে কথাবার্তা হতে থাকে। সে সঙ্গে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভাণ্ডারও বাড়তে থাকে। ওই সময়ে, ১৯৮৮ সালে আইপিসিসি গঠিত হয়। আইপিসিসি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রথম রিপোর্ট ১৯৯০ সালে, দ্বিতীয় রিপোর্ট '৯৭ সালে, তৃতীয় রিপোর্ট ২০০১ সালে এবং চতুর্থ রিপোর্ট ২০০৭ সালে প্রকাশ করে। এখন পঞ্চম রিপোর্টের প্রস্তুতি চলছে। আমি তৃতীয় এবং চতুর্থ রিপোর্টের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। ১৯৯২ সালের মে মাসে গঠিত হয় ইউএনএফসিসি।
১৯৯২ সালেই ব্রাজিলের রিও-ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আর্থ-সামিট বা ধরিত্রী সম্মেলন। অফিসিয়ালি এটার নাম ছিল ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। ওই সম্মেলন ছিল বিশ্ব পরিবেশ রক্ষার জন্য মাইলফলক। সেখানে ১৭২টি দেশ অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন ১০৮টি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান এবং ২৪০০-এর বেশি বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি। ওই সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষা সংক্রান্ত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রথমটি ছিল জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন স্বাক্ষর যা পরবর্তীকালে কিয়োটো প্রটোকলের জন্ম দেয়। ওই সম্মেলন জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন রাষ্ট্রগুলোর স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এছাড়াও ধরিত্রী সম্মেলন থেকে যেসব আন্তর্জাতিক দলিল পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রিও ডিক্লারেশন অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, এজেন্ডা টুয়েন্টি ওয়ান, ফরেস্ট প্রিন্সিপলস। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি ওই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল।
পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে আশি ও নব্বইয়ের দশক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি, বোঝাপড়া এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই দশকে আমরা দেখেছি, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে পরিবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু গবেষণা, পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে অগ্রগতি। বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবেই, ব্রিটিশ আমল থেকে বন বিভাগ ছিল। ১৯৭৭ সালে গঠন করা হয় পরিবেশ অধিদফতর। আশির দশকের গোড়া থেকেই আমরা পরিবেশ বিষয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের তাগিদ দিয়ে আসছিলাম। মূলত এর প্রতি সাড়া দিয়েই ১৯৮৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। পরিবেশ অধিদফতর ও বন বিভাগ এর অধীনে চলে যায়। নব্বইয়ের দশকে পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বেশ কিছু আইন এদেশে প্রণীত হয়।
নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে আমরা দেখেছি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা পরিবেশবিষয়ক বৈশ্বিক ক্ষেত্র দখল করে থাকে। এক্ষেত্রে ১৯৯৭ সালে জাপানে কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত হওয়া কপ-৩ বা কিয়োটো প্রটোকলের কথা বলতে হবে সবার আগে। কিয়োটো প্রটোকলের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে আনা এবং এ দায়িত্বটা উন্নত বিশ্বকে দেওয়া। এটা কমানোর দায়িত্ব তাদের। কেননা ঐতিহাসিকভাবে তারাই এটার জন্য দায়ী। তারাই ১৫০-২০০ বছর থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে উষ্ণায়ন পরিস্থিতিতে বর্তমান অবস্থায় নিয়ে এসেছে। সুতরাং তাদেরই কমাতে হবে এবং তারা এটা মেনেও নিল। বলা হলো, ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১৯৯০-এর তুলনায় তারা ৫ শতাংশ নিঃসরণ কমাবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কিয়োটো প্রটোকল থেকে ২০০১ সালে বের হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় আইপিসিসির চতুর্থ মূল্যায়ন প্রতিবেদন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয় কপ-১৩। সেখানে পাঁচটি বিষয় চিহ্নিত করা হয়। প্রথম বিষয় হচ্ছে, একটা ভিশন থাকতে হবে। শেয়ারড ভিশন। একটা কল্প আমাদের সামনে থাকতে হবে। এবং আমরা সবাই এই রূপ বা কল্প অনুযায়ী কাজ করব। দ্বিতীয় বিষয়, মিটিগেশন মেজারস। এটা না করলে পৃথিবী উষ্ণ হতে থাকবে। তৃতীয় বিষয়, অ্যাডাপ্টেশন মেজারস। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ওপর যে অভিঘাত পড়ছে তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো। চতুর্থ বিষয়, প্রযুক্তি ও তার উন্নয়ন। এবং সেগুলো উন্নত বিশ্ব থেকে উন্নয়নশীল বিশ্বে তা হস্তান্তর। পঞ্চম বিষয় হলো অর্থ। অর্থটার অর্থ হচ্ছে, উন্নত বিশ্ব থেকে অতি ক্ষতিগ্রস্ত দেশে অর্থের হস্তান্তর। শেষ বিষয়টি হলো সক্ষমতা বৃদ্ধি বা ক্যাপাসিটি বিল্ডিং।
বালিতে দুই বছরের মধ্যে একটা চুক্তি করার কথা বলা হয়। যেটা সবার কাছে আইনিভাবে প্রযোজ্য হবে। সে অনুযায়ী ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে কোপেনহেগেনে হওয়ার কথা ছিল। ওই সময় সবাই এ ব্যাপারে আশাবাদী ছিল। কেননা ২০১২ সালে কিয়োটো প্রটোকল শেষ হয়ে যাবে। মানে ২০১২ সালের পর লিগ্যালি বাইন্ডিং বলে কিছু থাকবে না। কিন্তু আশা ভঙ্গ হলো কোপেনহেগেনে। সেখানে আইনিভাবে গৃহীত কোনো চুক্তি হয়নি। হলো কোপেনহেগেন একোর্ড। একটা রাজনৈতিক ইচ্ছা পোষণ করা হলো। এর মানে, কোপেনহেগেন একোর্ড কি পুরোপুরি ব্যর্থ? অনেকেই মনে করেন, এটা পুরোপুরি ব্যর্থ। আমি মনে করি, কোপেনহেগেন একোর্ডে এমন কিছু কিছু জিনিস অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যার কারণে আমরা এখন যে দেনদরবার করছি, সেখানে ওই বিষয়গুলো যদি অন্তর্ভুক্ত না হতো তবে আবার নতুন করে শুরু করতে হতো। সুতরাং আমাদের এখনকার যে দেনদরবার তার কিছু ভিত্তি ওইখানে রচিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। মানে বেশ কিছু কাজ এগিয়ে গেছে। কিছু কিছু বিষয়ে অতি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যেমন বাংলাদেশ; এসব দেশের জন্য বেশ কিছু ভালো পদক্ষেপের কথা বলা আছে।
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনা ও সমঝোতা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। আমরা আন্তর্জাতিকভাবে যা তুলে ধরেছি তা হলো, আমরা এ বিষয়ে খুবই সচেতন। দলমত নির্বিশেষে এটাতে সবাইকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এটা কোনো দলের নয় বা সরকারের একক বিষয় নয়। এটা একটা জাতীয় ইস্যু এবং জাতীয় ইস্যু হিসেবেই আমার এটাকে দেখছি ও পালন করার চেষ্টা করছি। আমরা যথেষ্ট সচেতনতার সঙ্গে এ বিষয়টি সেখানে তুলে ধরেছি। ২০০৫ সালে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান পরে অ্যাডাপ্টেশন করা হয়েছিল, সেটা ২০০৯ সালে আরও আপডেট করা হয়েছে। আমরা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি। বাংলাদেশ সরকার ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০০৯ সালে গ্রহণ করেছে। সেটার একটা ড্রাফট আগে হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। কিন্তু কেবিনেটে যাওয়ার পর গৃহীত হয়নি। তারপর আবার একটা কমিটি করা হয়েছিল, সে কমিটি আবার একটা টেকনিক্যাল কমিটি করেছিল। তারা এটাকে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করে দিলে সেটা গৃহীত হয়। এটা কিন্তু বিশ্বে সর্বপ্রথম। কোপেনহেগেনে এটা উপস্থাপিত হয়েছিল, সেখানে বাইরের যারা এসেছিলেন তারা সবাই স্বীকার করেছেন, অন্য কোনো দেশ এটা করেনি। এমনকি মার্কিন প্রতিনিধি যিনি এসেছিলেন তিনিও বলেছিলেন, তারা এটা থেকে শিখতে পারেন। বাংলাদেশ সরকার নিজেদের বাজেট থেকে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত তহবিল গঠন করছে। যেমন প্রথম হচ্ছে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড অ্যাক্ট করা হয়েছে। একটা ট্রাস্ট ফান্ডও করা হয়েছে। সেই ফান্ডে সরকার গত বছরের বাজেটে ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৭০০ কোটি টাকার মতো দিয়েছে। চলতি বাজেটেও আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছে এবং ইতিমধ্যেই অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ৪৪টি সরকারি প্রকল্পে ৪৮৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে এখান থেকে। তাছাড়া এনজিওদের ২৪টি প্রজেক্টেও সাড়ে ১২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।
অ্যাডাপ্টেশন এবং মিটিগেশনে আমরা কী করব তা বিস্তারিতভাবে এখনও চিহ্নিত করতে পারিনি। আগামী পাঁচ বা দশ বছরে আমাদের কত টাকা লাগবে সেটা হিসাব করতে পারিনি। সেটা করারও আমরা চেষ্টা করছি। তবে আমরা মনে করছি, ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার লাগতে পারে। কিন্তু সেটা কীভাবে কোন পথে তা এখনই বিস্তারিত বলতে পারব না। তা আসলে কেউই বলতে পারবে না এখন। আমরা এটা করার চেষ্টা করছি। আর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা যেটা করব সেটা হচ্ছে আমাদের যে দলিলগুলো আছে সেগুলো ভালোভাবে পড়ে আমাদের বক্তব্য ঠিক করে তুলে ধরব। আবার বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় উৎস থেকে অর্থ প্রাপ্তির দিকে নজর দেব। ইউএনএফসিসির আওতায় যেসব ফান্ড আছে সেসব থেকে কীভাবে বেশি করে অর্থ পাওয়া যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চেষ্টা করব।
আর একটা জিনিস তা হলো, আমরা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বা অন্যতম, তা বিশ্বকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের প্রতিমন্ত্রী এবং আমাদের সব ডেলিগেশন সদস্য সবার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বিশ্ববাসীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। কোপেনহেগেনে যেমন, কানকুনেও তেমনিভাবে উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশের প্রয়োজনের কথা। বাংলাদেশ যে দায়ী নয়, দায়ী না হয়েও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেই কথা।
কেবল জলবায়ু পরিবর্তন নয়, সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে গত চার দশকে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রমাগত ইতিবাচক অর্জন করে চলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট কনভেনশন, চুক্তি ও সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান উজ্জ্বল। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও পরিবেশ বিষয়ে আমাদের আইনি সুরক্ষা যথেষ্ট। নীতিনির্ধারকরাও পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে আন্তরিক। উচ্চতর আদালতকেও পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখছি আমরা। এখন প্রয়োজন পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় অবস্থান ও ভাবনা-চিন্তাকে মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা। এক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি এখনও রয়েছে। আমি আশা করি, আর দশ বছর পর বাংলাদেশ যখন সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে, তখন পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে আমরা আরও উজ্জ্বল ও ইতিবাচক অবস্থানে থাকব।
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ : চেয়ারম্যান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ
এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। ওই যুদ্ধই ছিল পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান। বস্তুত যে কোনো যুদ্ধই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সেখানে যেসব গোলা-বারুদ ব্যবহৃত হয়, তার তেজস্ক্রিয়তা বাতাসে ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, বন-জঙ্গল ধ্বংস হয়; পরিবেশে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপে এবং জাপানে আমরা যুদ্ধের ফলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশও ছিল এক বিপর্যস্ত রাষ্ট্র। প্রায় সব ব্রিজ-কালভার্ট ভেঙে গিয়েছিল। নদী পার হওয়ার জন্য ফেরিই ছিল ভরসা। মুক্তিযুদ্ধের পর সারাদেশে কয়েকশ' ফেরি চালু করতে হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় এটাকে পরিবেশ বিপর্যয় হিসেবে দেখা হয়নি। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। কারণ পরিবেশ সুরক্ষার ধারণাই তখনও বিকাশ লাভ করেনি। কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপীই পরিবেশের ব্যাপারে খুব একটা সচেতনতা ছিল না।
পরিবেশ সচেতনতার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যদি ধরি, ১৯৭২ সালে স্টকহোমে 'হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট' বিষয়ে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে থেকেই অবশ্য একটু একটু করে পরিবেশবিষয়ক কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন দেশে বেসরকারি সংস্থাগুলো বিষয়টি ইস্যু আকারে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছে। আমাদের মনে আছে, পরিবেশবাদী বৈশ্বিক সংগঠন গ্রিনপিস ওই সময়ই গঠিত হয়েছিল। কিন্তু স্টকহোম সম্মেলনের পর থেকে সরকারি পর্যায়েও পরিবেশ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু হয়। সরকারি পর্যায়ে ছাড়াও জাতিসংঘ এ সময় থেকে পরিবেশ বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে।
নবীন রাষ্ট্র হলেও বাংলাদেশ খুব দ্রুতই পরিবেশ সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আমাদের মনে আছে, স্বাধীনতা লাভের এক বছরের মাথায়ই, ১৯৭৩ সালে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধ্যাদেশ জারি করে। ওই বছরের শেষ দিকে সেটি আইনে পরিণত হয় এবং ১৯৭৪ সালে আইনটি সংশোধিত হয়। একটি নবীন দেশে এমন আইন তখন দেশে-বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতার জন্যও সত্তর দশক ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৯ সালে জেনেভায়। তখন কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন করা হয় যে জলবায়ুতে কিছু পরিবর্তন ঘটছে এবং তার জন্য মানুষের কর্মকাণ্ড দায়ী হতে পারে। তখন থেকেই জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অনেক বৈজ্ঞানিক, এমনকি রাজনীতিবিদ এবং অন্য যারা বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে কর্মকাণ্ড করেন তারা চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করেন। ফলে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়তে থাকে। এ সময় ঐতিহাসিকভাবে যা ঘটে তা হলো জাতিসংঘ এটাকে নজরে নিয়ে নরওয়ের প্রেসিডেন্ট ব্রুটল্যান্ডের নেতৃত্বে একটা কমিশন গঠন করে_ ওয়ার্ল্ড কমিশন অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘে যখন ব্রুটল্যান্ড কমিশন রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়, সৌভাগ্যবশত আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
সেখানে বলা হয়েছিল, উন্নয়ন কি অব্যাহত থাকতে পারবে? পরিবেশের বহন ক্ষমতা কতটুকু-বা কতটুকু উন্নয়ন ঘটাতে পারবে? কত মানুষকে বহন করতে পারবে বা কতদূর আমরা যেতে পারব? তারা বলেছিল, এর একটা লিমিট আছে, এর বাইরে যেতে পারবে না। ব্রুটল্যান্ডের একটা প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, আমরা যদি সচেতনভাবে এটা ব্যবহার করি তাহলে বহুদূর যেতে পারে। সব খেয়ে ফেলা উচিত হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশকে ভালো রেখে যেতে হবে। এখানে সুকান্তের কবিতাটা স্মরণ করা যেতে পারে_ পৃথিবীটাকে যদি একটু ভালো করে রেখে যেতে পারি তবে সেটিই হবে আমার সার্থকতা। তো এই যে সচেতনতাটা বাড়ছিল, এ রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এই সচেতনতা আরেক ধাপ ওপরে চলে যায়। চতুর্দিকে কনফারেন্স হতে থাকে। দেশে-বিদেশে কথাবার্তা হতে থাকে। সে সঙ্গে বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভাণ্ডারও বাড়তে থাকে। ওই সময়ে, ১৯৮৮ সালে আইপিসিসি গঠিত হয়। আইপিসিসি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রথম রিপোর্ট ১৯৯০ সালে, দ্বিতীয় রিপোর্ট '৯৭ সালে, তৃতীয় রিপোর্ট ২০০১ সালে এবং চতুর্থ রিপোর্ট ২০০৭ সালে প্রকাশ করে। এখন পঞ্চম রিপোর্টের প্রস্তুতি চলছে। আমি তৃতীয় এবং চতুর্থ রিপোর্টের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। ১৯৯২ সালের মে মাসে গঠিত হয় ইউএনএফসিসি।
১৯৯২ সালেই ব্রাজিলের রিও-ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আর্থ-সামিট বা ধরিত্রী সম্মেলন। অফিসিয়ালি এটার নাম ছিল ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। ওই সম্মেলন ছিল বিশ্ব পরিবেশ রক্ষার জন্য মাইলফলক। সেখানে ১৭২টি দেশ অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন ১০৮টি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান এবং ২৪০০-এর বেশি বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি। ওই সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষা সংক্রান্ত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রথমটি ছিল জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন স্বাক্ষর যা পরবর্তীকালে কিয়োটো প্রটোকলের জন্ম দেয়। ওই সম্মেলন জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন রাষ্ট্রগুলোর স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এছাড়াও ধরিত্রী সম্মেলন থেকে যেসব আন্তর্জাতিক দলিল পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রিও ডিক্লারেশন অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, এজেন্ডা টুয়েন্টি ওয়ান, ফরেস্ট প্রিন্সিপলস। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি ওই সম্মেলনে যোগ দিয়েছিল।
পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে আশি ও নব্বইয়ের দশক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি, বোঝাপড়া এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই দশকে আমরা দেখেছি, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে পরিবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু গবেষণা, পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে অগ্রগতি। বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবেই, ব্রিটিশ আমল থেকে বন বিভাগ ছিল। ১৯৭৭ সালে গঠন করা হয় পরিবেশ অধিদফতর। আশির দশকের গোড়া থেকেই আমরা পরিবেশ বিষয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের তাগিদ দিয়ে আসছিলাম। মূলত এর প্রতি সাড়া দিয়েই ১৯৮৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। পরিবেশ অধিদফতর ও বন বিভাগ এর অধীনে চলে যায়। নব্বইয়ের দশকে পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বেশ কিছু আইন এদেশে প্রণীত হয়।
নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে আমরা দেখেছি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা পরিবেশবিষয়ক বৈশ্বিক ক্ষেত্র দখল করে থাকে। এক্ষেত্রে ১৯৯৭ সালে জাপানে কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত হওয়া কপ-৩ বা কিয়োটো প্রটোকলের কথা বলতে হবে সবার আগে। কিয়োটো প্রটোকলের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে আনা এবং এ দায়িত্বটা উন্নত বিশ্বকে দেওয়া। এটা কমানোর দায়িত্ব তাদের। কেননা ঐতিহাসিকভাবে তারাই এটার জন্য দায়ী। তারাই ১৫০-২০০ বছর থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে উষ্ণায়ন পরিস্থিতিতে বর্তমান অবস্থায় নিয়ে এসেছে। সুতরাং তাদেরই কমাতে হবে এবং তারা এটা মেনেও নিল। বলা হলো, ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১৯৯০-এর তুলনায় তারা ৫ শতাংশ নিঃসরণ কমাবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কিয়োটো প্রটোকল থেকে ২০০১ সালে বের হয়ে যায়। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় আইপিসিসির চতুর্থ মূল্যায়ন প্রতিবেদন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয় কপ-১৩। সেখানে পাঁচটি বিষয় চিহ্নিত করা হয়। প্রথম বিষয় হচ্ছে, একটা ভিশন থাকতে হবে। শেয়ারড ভিশন। একটা কল্প আমাদের সামনে থাকতে হবে। এবং আমরা সবাই এই রূপ বা কল্প অনুযায়ী কাজ করব। দ্বিতীয় বিষয়, মিটিগেশন মেজারস। এটা না করলে পৃথিবী উষ্ণ হতে থাকবে। তৃতীয় বিষয়, অ্যাডাপ্টেশন মেজারস। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ওপর যে অভিঘাত পড়ছে তার সঙ্গে খাপ খাওয়ানো। চতুর্থ বিষয়, প্রযুক্তি ও তার উন্নয়ন। এবং সেগুলো উন্নত বিশ্ব থেকে উন্নয়নশীল বিশ্বে তা হস্তান্তর। পঞ্চম বিষয় হলো অর্থ। অর্থটার অর্থ হচ্ছে, উন্নত বিশ্ব থেকে অতি ক্ষতিগ্রস্ত দেশে অর্থের হস্তান্তর। শেষ বিষয়টি হলো সক্ষমতা বৃদ্ধি বা ক্যাপাসিটি বিল্ডিং।
বালিতে দুই বছরের মধ্যে একটা চুক্তি করার কথা বলা হয়। যেটা সবার কাছে আইনিভাবে প্রযোজ্য হবে। সে অনুযায়ী ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে কোপেনহেগেনে হওয়ার কথা ছিল। ওই সময় সবাই এ ব্যাপারে আশাবাদী ছিল। কেননা ২০১২ সালে কিয়োটো প্রটোকল শেষ হয়ে যাবে। মানে ২০১২ সালের পর লিগ্যালি বাইন্ডিং বলে কিছু থাকবে না। কিন্তু আশা ভঙ্গ হলো কোপেনহেগেনে। সেখানে আইনিভাবে গৃহীত কোনো চুক্তি হয়নি। হলো কোপেনহেগেন একোর্ড। একটা রাজনৈতিক ইচ্ছা পোষণ করা হলো। এর মানে, কোপেনহেগেন একোর্ড কি পুরোপুরি ব্যর্থ? অনেকেই মনে করেন, এটা পুরোপুরি ব্যর্থ। আমি মনে করি, কোপেনহেগেন একোর্ডে এমন কিছু কিছু জিনিস অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যার কারণে আমরা এখন যে দেনদরবার করছি, সেখানে ওই বিষয়গুলো যদি অন্তর্ভুক্ত না হতো তবে আবার নতুন করে শুরু করতে হতো। সুতরাং আমাদের এখনকার যে দেনদরবার তার কিছু ভিত্তি ওইখানে রচিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। মানে বেশ কিছু কাজ এগিয়ে গেছে। কিছু কিছু বিষয়ে অতি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যেমন বাংলাদেশ; এসব দেশের জন্য বেশ কিছু ভালো পদক্ষেপের কথা বলা আছে।
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈশ্বিক আলোচনা ও সমঝোতা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। আমরা আন্তর্জাতিকভাবে যা তুলে ধরেছি তা হলো, আমরা এ বিষয়ে খুবই সচেতন। দলমত নির্বিশেষে এটাতে সবাইকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। এটা কোনো দলের নয় বা সরকারের একক বিষয় নয়। এটা একটা জাতীয় ইস্যু এবং জাতীয় ইস্যু হিসেবেই আমার এটাকে দেখছি ও পালন করার চেষ্টা করছি। আমরা যথেষ্ট সচেতনতার সঙ্গে এ বিষয়টি সেখানে তুলে ধরেছি। ২০০৫ সালে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান পরে অ্যাডাপ্টেশন করা হয়েছিল, সেটা ২০০৯ সালে আরও আপডেট করা হয়েছে। আমরা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছি। বাংলাদেশ সরকার ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০০৯ সালে গ্রহণ করেছে। সেটার একটা ড্রাফট আগে হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়। কিন্তু কেবিনেটে যাওয়ার পর গৃহীত হয়নি। তারপর আবার একটা কমিটি করা হয়েছিল, সে কমিটি আবার একটা টেকনিক্যাল কমিটি করেছিল। তারা এটাকে বিভিন্নভাবে পরিবর্তন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করে দিলে সেটা গৃহীত হয়। এটা কিন্তু বিশ্বে সর্বপ্রথম। কোপেনহেগেনে এটা উপস্থাপিত হয়েছিল, সেখানে বাইরের যারা এসেছিলেন তারা সবাই স্বীকার করেছেন, অন্য কোনো দেশ এটা করেনি। এমনকি মার্কিন প্রতিনিধি যিনি এসেছিলেন তিনিও বলেছিলেন, তারা এটা থেকে শিখতে পারেন। বাংলাদেশ সরকার নিজেদের বাজেট থেকে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত তহবিল গঠন করছে। যেমন প্রথম হচ্ছে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড অ্যাক্ট করা হয়েছে। একটা ট্রাস্ট ফান্ডও করা হয়েছে। সেই ফান্ডে সরকার গত বছরের বাজেটে ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৭০০ কোটি টাকার মতো দিয়েছে। চলতি বাজেটেও আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছে এবং ইতিমধ্যেই অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ৪৪টি সরকারি প্রকল্পে ৪৮৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে এখান থেকে। তাছাড়া এনজিওদের ২৪টি প্রজেক্টেও সাড়ে ১২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।
অ্যাডাপ্টেশন এবং মিটিগেশনে আমরা কী করব তা বিস্তারিতভাবে এখনও চিহ্নিত করতে পারিনি। আগামী পাঁচ বা দশ বছরে আমাদের কত টাকা লাগবে সেটা হিসাব করতে পারিনি। সেটা করারও আমরা চেষ্টা করছি। তবে আমরা মনে করছি, ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার লাগতে পারে। কিন্তু সেটা কীভাবে কোন পথে তা এখনই বিস্তারিত বলতে পারব না। তা আসলে কেউই বলতে পারবে না এখন। আমরা এটা করার চেষ্টা করছি। আর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা যেটা করব সেটা হচ্ছে আমাদের যে দলিলগুলো আছে সেগুলো ভালোভাবে পড়ে আমাদের বক্তব্য ঠিক করে তুলে ধরব। আবার বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় উৎস থেকে অর্থ প্রাপ্তির দিকে নজর দেব। ইউএনএফসিসির আওতায় যেসব ফান্ড আছে সেসব থেকে কীভাবে বেশি করে অর্থ পাওয়া যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চেষ্টা করব।
আর একটা জিনিস তা হলো, আমরা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি বা অন্যতম, তা বিশ্বকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের প্রতিমন্ত্রী এবং আমাদের সব ডেলিগেশন সদস্য সবার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বিশ্ববাসীকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। কোপেনহেগেনে যেমন, কানকুনেও তেমনিভাবে উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশের প্রয়োজনের কথা। বাংলাদেশ যে দায়ী নয়, দায়ী না হয়েও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেই কথা।
কেবল জলবায়ু পরিবর্তন নয়, সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে গত চার দশকে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রমাগত ইতিবাচক অর্জন করে চলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট কনভেনশন, চুক্তি ও সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান উজ্জ্বল। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও পরিবেশ বিষয়ে আমাদের আইনি সুরক্ষা যথেষ্ট। নীতিনির্ধারকরাও পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে আন্তরিক। উচ্চতর আদালতকেও পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখছি আমরা। এখন প্রয়োজন পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে কেন্দ্রীয় অবস্থান ও ভাবনা-চিন্তাকে মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা। এক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি এখনও রয়েছে। আমি আশা করি, আর দশ বছর পর বাংলাদেশ যখন সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে, তখন পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে আমরা আরও উজ্জ্বল ও ইতিবাচক অবস্থানে থাকব।
ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ : চেয়ারম্যান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 20
(140)
- মুক্তিযোদ্ধা নয়, ওরা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছিল by মমত...
- বিচারপতিদেরও সম্পদের হিসাব- শেখর ইমতিয়াজ
- ভারত ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কাঠামো by বোরহানউদ্দিন ...
- তরিকুলের দাবি-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের প্রস্তুতি ষ...
- রাজধানীতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের 'জেল', তিন কর্মকর্তা ...
- আতঙ্ক-বিষাদ-ঘরে চুলা জ্বলে না চার দিন
- মেয়েটির আকুতি আমি বিচার চাই
- কাজলকে বাঁচাতে একজোট- প্রশাসন ও দলীয় নেতারা by এস ...
- মেয়াদোত্তীর্ণ সনদে বিস্ফোরক- খালাসের চেষ্টা করে শেভরন
- মুম্বাইয়ে বাসে চার বছরের শিশু ধর্ষণ
- দিল্লিতে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে ২৩ শতাংশ
- পারদ নিঃসরণ কমাতে সম্মত ১৪০ দেশ
- পিনোশেকে উৎখাত চেষ্টার অভিযোগ-চিলিতে রাউল কাস্ত্রো...
- চার লাখ রুপি নিয়ে বেওয়ারিশ কুকুর লাপাত্তা!
- ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়- আবাসিক পাঠ by সৈয়দা তান...
- আকাশ থেকে পাওয়া
- এসিসিএ কী ও কেন by হাসান ইমাম
- সফলদের স্বপ্নগাথা- চলো গড়ি সুন্দর পৃথিবী by লিও...
- একের ভেতরে তিন! by মারুফ ইসলাম
- কলকাঠি নাড়ছেন বেলমোখতার!
- জিম্মিদের নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না
- বিশ্বের প্রতি আফ্রিকার নেতারা-মালির ব্যাপারে ব্যবস...
- ফকল্যান্ডসের মর্যাদা প্রশ্নে গণভোট ১০ ও ১১ মার্চ
- পরমাণু কর্মসূচিতে ইরান-জাতিসংঘ আলোচনা ব্যর্থ
- সব তালেবান বন্দিকে ছেড়ে দেবে পাকিস্তান
- ময়নাতদন্ত বলছে ফয়সাল আত্মহত্যা করেছেন
- কানাডার সমন আদালতে চ্যালেঞ্জ করবেন কাদরি
- সরকারের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা নেই বিদ্রোহীদের-মিয়ানম...
- শিক্ষকদের জন্য শাহেদের ‘হাট’ by হাসান ফেরদৌস
- নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা- ট্রাইব্...
- পেট্রলপাম্পে আজ থেকে কর্মবিরতি
- ব্যয় বিশ্লেষণের নামে বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপানোর প্রক...
- ডাব্লিউএইচওর প্রতিবেদন-মৌসুমি রোগের মধ্যে সবচেয়ে ...
- সিরিয়ায় উভয় পক্ষের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের আহবান জাতিসংঘের
- ইডেনের ছাত্রীর শরীরে অস্ত্রোপচার কাল
- মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কাল প্রথম রায়
- ইডেন কলেজছাত্রীর ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ- মনিরকে গ্রেপ...
- শিশু রিতুর হত্যার ঘটনায় মামলা
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত এখনই পদত্যাগ করা
- ওয়ানডে সিরিজ- ধোনির ভারত যেন অপ্রতিরোধ্য
- ঢাকা-রংপুর- আবার দুই শ ছাড়িয়ে জিতল ঢাকা
- রাজশাহী-চট্টগ্রাম- রাজশাহীর দুরন্ত জয়
- মিসবাহ-হাফিজের আকুতি
- বার্সেলোনার জয়রথ থামাল সোসিয়েদাদ
- প্রথম আলো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠক- নারী নির্যাতন এখনই...
- ১৪ মাস হাসপাতালে অবশেষে কারাগারে
- বিশ্ব ইজতেমা- আজ আখেরি মোনাজাত
- কথোপকথন- চলচ্চিত্রের নতুন প্রজন্ম তৈরি করছি
- সবচেয়ে ‘কাঙ্ক্ষিত ব্যাচেলর’ প্রিন্স হ্যারি
- রুহির ভোগান্তি
- শাহরুখের নিরাপত্তা প্রহরা প্রত্যাহার
- নিজের জন্য অর্থের প্রয়োজন নেই আমার: বিল গেটস
- অ্যাপলের পথে হাঁটছে সনি (ভিডিও)
- কিম ডটকম এবার আনলেন ‘মেগা’
- পাসওয়ার্ডের বিকল্প নিয়ে ভাবছে গুগল
- দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে বিএনএফ
- স্থানীয় সরকারব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরামর্শ ডেপুটি ...
- গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা- তৃতীয় বা বিকল্প শক্তির উ...
- অধ্যক্ষ ও ছাত্রলীগ নেতাদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ- তে...
- শীতে হাড় ও জোড়ার ব্যথা বাড়লে...
- টাঙ্গাইলে গুলিতে আ. লীগ- নেতা ফারুক নিহত
- বিরোধের নেপথ্যে টেন্ডার-নিয়োগ, আগামী কমিটি
- ছাত্রলীগের গুলিতে শিশু নিহত
- সয়াবিনের মূল্যবৃদ্ধিতে কারসাজি-অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে
- পুলিশের পুরস্কার!-অপকর্মকে উৎসাহিত করা উচিত নয়
- পবিত্র কোরআনের আলো-সামুদ জাতির অবাধ্যতা ও পরিণতির ...
- এই পশুবৃত্তি নিরসনে সোচ্চার হতে হবে by মাহমুদুর রহ...
- ধর্ষকের সাজা হতেই হবে by খন্দকার মাহবুব হোসেন
- স্মরণ-আসাদ দিবস by মো. জাহাঙ্গীর হোসেন
- পরিবেশ-ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, সচেতনতাও সৃষ্টি হচ্ছে by ...
- নকশী কাঁথার কবি by মফিজ ইমাম মিলন
- নদীকৃত্য দিবস : জাতীয় নদী চাই by শেখ রোকন
- সাক্ষাৎকার গ্রন্থন : নাসির আহমেদ-অতীত-কাতরতা নয়, ভ...
- বল্গগার আসিফ মহিউদ্দিনের ওপর হামলা ও 'ধর্মানুভূতির...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-ঘরে-বাইরে আপদ by এম আবদুল হাফিজ
- ছবির ভাষা by মাহফুজুর রহমান মানিক
- রাজনীতি-মাইনাস নয়, এবার পল্গাস... by অনিরুদ্ধ আহমেদ
- শহীদ আসাদ দিবস-আসাদ থেকে স্বাধীনতা by ফকির আলমগীর
- প্রধানমন্ত্রীর রাশিয়া সফর-সুযোগ ও সম্ভাবনা by দেলো...
- সাইনবোর্ড-সর্বস্ব হাসপাতাল- নিমজ্জমান স্বাস্থ্যসেব...
- গ্যাস সংকট- সমাধানে চাই সমন্বিত উদ্যোগ
- রঙ্গব্যঙ্গ-পিস্তল গিয়াস by মোস্তফা কামাল
- নাগরিক হওয়ার আগেই জাতীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া কত...
- নারী নির্যাতন : '... প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধে...'...
- সঙ্গী বাছাইয়ে উচ্চতা আগে
- ধ্রুপদি সাহিত্য পাঠ- মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
- ভালো থাকুন- থাইরয়েড পরীক্ষা
- আত্মগোপন থেকে জনসম্মুখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের কথা অস্...
- ধর্ষক বাস কন্ডাক্টর আটক এবার মুম্বাইয়ে চলন্ত বাসে ...
- নেত্রকোনায় কলেজছাত্রী হবিগঞ্জে ২০ ঘণ্টা আটকে রেখে ...
- আজ শহীদ আসাদ দিবস
- কোন দস্যুর লাশ পাওয়া যায়নি শঙ্কামুক্ত মেজর জিয়া, স...
- ট্রাইব্যুনাল তদন্ত দল হবিগঞ্জে রাজাকার কায়সারের বি...
- মুগদায় যুবককে জবাই, আটক ৭
- পিপার স্প্রে টিয়ার গ্যাসের চেয়ে নিরাপদ ও কম ঝুঁকিপ...
- জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে মাজারে শ্রদ্ধা, দোয়া মাহফিল- ...
- কবিগুরুর নোবেল জয়ের শতবর্ষ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি- সংস...
- বিশ্ব এজতেমায় আজ আখেরি মোনাজাত
- মালয়েশিয়া যেতে ১০ লাখ ২৪ হাজার কর্মীর রেজিস্ট্রেশন...
- ৪২ দেশ, দুই শতাধিক ছবি শিশুদের জন্য উন্মুক্ত- আন্ত...
- জনগণ অর্থ অপচয় দেখতে দেখতে ক্লান্ত ॥ গোল্ডস্টেইন- ...
- আঁখির চোখে শুধুই পানি, মুখে তেমন কিছুই খেতে পারেন ...
- ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জের ॥ ইবি ছাত্রলীগ...
- যেমন হবে উত্তরপত্র
- অনুশীলনের বিকল্প নেই ॥ গণিত এ কে এম আমান উল্লা মিয়...
- উত্তর হতে হবে যথাযথ ॥ ইসলাম শিক্ষা- আমীমুল এহ্ছান ...
- ভয়কে জয় করতে হবে ॥ ডাক্তারের পরামর্শ- ডা. মোহাম্মদ...
- মানবিক বিভাগ- সময়ের প্রতি খেয়াল রাখ
- উত্তরপত্র হতে হবে আকর্ষণীয়- মোঃ আলতাফ হোসেন সিনিয়র...
- প্রশ্ন মনোযোগ সহকারে পড়বে- বশির আহাম্মেদ ভূঁইয়া অধ...
- গ্রামারে জোর দাও ॥ ইংরেজী- মাহবুব জামাল ইংরেজী শিক...
- প্রস্তুতি হতে হবে পরিকল্পিত- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ই...
- পরামর্শ ॥ মূল বই অনুসরণ কর- লে. কর্নেল এম. কামালউদ...
- সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে- ব্রাদার রবি পুরিফিকেশ...
- সময় ভাগ করে প্রস্তুতি নাও- অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হ...
- শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি- রাহুল শর্মা
- ক্যারিয়ার ॥ বিমানের ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইলে
- আড্ডায় মুখরিত রাবি
- নবীনের পদচারণায় মুখরিত ক্যাম্পাস- বাংলাদেশ কৃষি বি...
- ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্য’
- শীর্ষ অর্থনৈতিক দেশের দোড়গোড়ায় চীন
- বিশ্ব অর্থনীতিতে ঋণসীমা ও ঋণসঙ্কট
- আর্থিক খাতের সংস্কার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা by ড. মিহ...
- ডিজিটাল যুগের পেশা ॥ ইন্টারনেটই মূল কেন্দ্র
- সম্পাদকীয় সমীপে- উদ্বেগের বিষয়
- আবার সিন্ডিকেট সক্রিয়- খাদ্যমূল্যকে একটি নির্দিষ্ট...
- শিক্ষাঙ্গনে সংঘর্ষ
- প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়ানো জরুরী by মিলু শামস
-
▼
Jan 20
(140)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment