Monday, August 6, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.)-রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই
বিশেষ সাক্ষাৎকার : লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.)-রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই
প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক একটি তৃতীয় শক্তির কথাও শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান লে. জে. মাহবুবুর রহমান (অব.)। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব ও মোশাররফ বাবলু
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন? সামগ্রিক বিবেচনায় সরকার সফল না ব্যর্থ?
মাহবুবুর রহমান : মহাজোট সরকারের সাড়ে তিন বছরের চুলচেরা হিসাব করলে আমি অত্যন্ত হতাশ, মর্মাহত। আমি মনে করি, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ আমার সঙ্গে একমত হবেন। এটা ঠিক, এটা অনেক প্রত্যাশার সরকার। সরকার এসেছিল, অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের প্রত্যাশার পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। সরকার গঠনের আগে ও পরে নানা কথার ভেতর দিয়ে মানুষের মধ্যে প্রত্যাশার সৃষ্টি করতে পেরেছিল মহাজোট তথা আওয়ামী লীগ। তাদের নির্বাচনী ইশতেহার, নির্বাচনী প্রচার- সব কিছুর ভেতর দিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল মানুষের মনে। অত্যন্ত দুঃখের কথা, সরকার সব বিষয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তো এক কথায় ব্যর্থ বলে দিলে তো হবে না। ব্যর্থতার সূচক দেখতে হবে। শুরুতেই আসি দুর্নীতি প্রসঙ্গে। এই সরকারের আগে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। আরেকবার হলে তো ডবল হ্যাটট্রিক হয়ে যেত। নির্বাচনী ইশতেহারে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ছিল, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা। এটা তো আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না যে দুর্নীতির মতো ক্ষতিকর কিছু নেই। এর মতো খারাপ কিছু হতে পারে না। দুর্নীতি যক্ষ্মা রোগের মতো সমাজ, জাতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কুরে কুরে খায়। বিষয়টি খুব যৌক্তিকভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরতে পেরেছিল মহাজোট। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ তখন খুব সচেতন ছিল। মানুষ বুঝতে পেরেছিল, দুর্নীতির কারণে দেশ অধোগতির দিকে যাচ্ছে, ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। গোটা বিশ্বে আমরা নিন্দিত হচ্ছি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নান্দনিকতা অর্জনের বদলে নিন্দিত হতে যাচ্ছে। আমি তো মনে করি, আগের সরকারের বিরুদ্ধে এটা ছিল একটা বড় পয়েন্ট। আমিও মনে করি, এটা ছিল আগের সরকারের একটা বড় ব্যর্থতা। আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের এটা বড় কৃতিত্ব যে বিষয়টি তারা ঠিকমতো চিহ্নিত করতে পেরেছিল। নির্বাচনের আগে তারা এ বিষয়টি মানুষের কাছে তুলে ধরতে পেরেছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে দুর্নীতির যে রূপ প্রত্যক্ষ করলাম, তার তুলনা আগের কোনো সময়ের সঙ্গে দেওয়া যাবে না। এই দুর্নীতি নিয়ে বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কী বলছেন, দিন-তারিখ উল্লেখ করে এর উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, সরকারের অর্থমন্ত্রী রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলের একটি সেমিনারে বলেছেন, বাংলাদেশের সর্বত্র দুর্নীতি হচ্ছে। সরকারের সব বিভাগ তো বটেই; সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে মন্ত্রিপরিষদও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এক কথায় তিনি যা বলতে চেয়েছেন, তা হচ্ছে- সরকারের প্রতিটি সংস্থা দুর্নীতিগ্রস্ত। সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হয়ে তিনি কিভাবে এ কথা বলেন তা ভাবনার উদ্রেক করে। আমি তো দেখছি দুর্নীতি বন্ধের যে অঙ্গীকার মহাজোট করেছিল, তা রক্ষা করতে পারেনি। বরং মহাজোট সরকারের আমলে দুর্নীতি ব্যাপক বেড়েছে। একেবারে টাটকা ইস্যু পদ্মা সেতুর কথাই ধরা যাক। এটা তো একটা স্বপ্নের সেতু। দাতা সংস্থারা এগিয়ে এসেছিল। আমাদের প্রস্তুতিও কম ছিল না। কিন্তু সেই সেতু আজ প্রশ্নের মুখে। বিশ্বব্যাংক বলছে, এখানে তারা দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। পদ্মা সেতু এখন আটকে আছে। আন্তর্জাতিকভাবে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের কপালে কলঙ্ক তিলক এঁকে দিয়েছে। কথায় বলে, মাছের পতন ধরে মাথায়, পানি সব সময় নিচের দিকে গড়ায়। দুর্নীতিও ঠিক তাই। দুর্নীতি শীর্ষপর্যায় থেকেই শুরু হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে সাবেক রেলমন্ত্রীর কেলেঙ্কারি। তাঁকে 'উজিরে খামাখা' করে রাখা হয়েছে। শেকসপিয়ারের হ্যামলেট নাটকে আছে, প্রিন্স অব ডেনমার্কের দর্শকপ্রিয় একটি সংলাপ, 'দেয়ার ইজ সামথিং রটেন সামহয়্যার ইন দ্য স্টেট অব ডেনমার্ক।' আজ যদি শেকসপিয়ার বেঁচে থাকতেন, তাহলে নাটকের দৃশ্য বদলে প্রিন্স অব ডেনমার্ককে বাংলাদেশ সফরে পাঠিয়ে নতুন সংলাপ লিখতেন, 'এভরিথিং ইজ রটেন এভরিহয়্যার ইন বাংলাদেশ।' দুর্নীতি দমন ছিল মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার থেকে সরকার সরে গেছে। এটা সরকারের একটা ব্যর্থতা।
এই সময়ের একটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে বিদ্যুতের রেন্টাল, কুইক রেন্টাল। দুর্নীতির একটা নগ্ন কৌশল এটা। এর জন্য সংসদে ইনডেমনিটি বিল আনা হয়েছে। দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই দায়মুক্তি হচ্ছে দুর্নীতির দায়মুক্তি। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো ইনডেমনিটি শেষ পর্যন্ত টেকেনি। সব ইনডেমনিটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে আইনগতভাবে। শেয়ারবাজার নিয়ে যদি বলি, সেখানেও দেখব সরকার ব্যর্থ। কত মানুষকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে তো সেনাবাহিনীর কথা জানি। সেনাবাহিনীর সদস্যরা যান বিদেশে, শান্তি মিশনে। সেখান থেকে টাকা উপার্জন করে নিয়ে এসে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে সর্বস্ব হারিয়েছেন তাঁরা। শেয়ারবাজার নিয়ে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ একটা রিপোর্টও দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া সেই রিপোর্টের প্রতিফলন তো কোথাও দেখছি না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বিড়ালকেই মাছ পাহারায় বসানো হয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় সরকার ব্যর্থ।
সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ ছিল গণতন্ত্রকে ধারণ করা, লালন করা, সজীব রাখা। গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো। বাংলাদেশে যত আন্দোলন-সংগ্রাম, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ- সব গণতন্ত্রের জন্য। গণতন্ত্র ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মোটিভেটিং ফোর্স। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি। গণতন্ত্রে সব কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে সংসদ। সেই সংসদ সাড়ে তিন বছর ধরে অকার্যকর। কথা উঠতে পারে, বিরোধী দল সংসদে না এলে কী করার আছে? এভাবে সহজ জবাব দেওয়া যাবে না। বিরোধী দল সংসদে না গেলে নিশ্চয় বিরোধী দল এর জন্য দায়ী থাকবে। বিচারের ভার তো জনগণের হাতে। জনগণ বিচার করবে। কিন্তু সংসদ যে সাড়ে তিন বছর অকার্যকর হয়ে আছে, সংসদের কোনো কর্মকাণ্ড নেই, আইন পাসের বাইরে বড় অনেক সমস্যা আছে সেগুলো সংসদে উপস্থাপন হচ্ছে না। অনেক চুক্তি হচ্ছে। চুক্তিগুলো সংসদে আসছে না। এগুলো নিয়ে তো বিতর্ক হওয়া উচিত হচ্ছে না। সাধারণ কিছু কাজ হচ্ছে। নিয়মিত অধিবেশন আহ্বান করা হচ্ছে। বাজেট পেশ হচ্ছে, পাস হচ্ছে। এসব রুটিন কাজের বাইরে কী হচ্ছে? তবে বিরোধী দলের সংসদ বর্জন নিয়ে অবশ্যই কথা বলার আছে। বিএনপি যে এত দিন সংসদে গেল না, এটা জনগণ পছন্দ করছে বলে মনে হয় না। তবে বিএনপিকে সংসদে নেওয়ার পরিবেশ সরকার নিশ্চিত করতে পারছে না।
কালের কণ্ঠ : বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী?
মাহবুবুর রহমান : এ বিষয়টি আমি আমার মতো করে বলতে চাই। জনগণ মহাজোটকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে মহাজোট। এই ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনের আগে অবশ্যই একটি বিষয় মনে রাখতে হবে- যে প্রতিশ্রুতি জনগণকে দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য কারা উপযুক্ত। এখানে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, পারঙ্গমতা, সততা, ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে ভাবতে হবে। মন্ত্রিসভা যাঁদের নিয়ে গঠন করা হবে, তাঁদের হতে হবে দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান ও প্রতিশ্রুতিশীল। পরীক্ষিত হতে হবে। হ্যাঁ, এটাও ঠিক যে শুধু বয়স্কদের নিয়ে তরুণদের বাদ দিলেই মন্ত্রিসভা ভালো হবে না। আমি মনে করি, মন্ত্রিসভায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয় থাকতে হবে। আমি নিশ্চিত করেই বলব, এ সরকারের মন্ত্রিসভার বাছাই ঠিক হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে আমি কারো নাম বলতে চাই না। বাংলাদেশের এই ৪১ বছরের ইতিহাসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে এমন নিন্দিত মন্ত্রিসভা দেখা যায়নি। আবারও বলছি, এই বাছাইটি ঠিক হয়নি। আমি মনে করি, আওয়ামী লীগে অনেক সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ মানুষ আছেন। হ্যাঁ, অনেককে উপদেষ্টা করা হয়েছে। এই উপদেষ্টা পরিষদও প্রশ্নবিদ্ধ। উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে এক ধরনের দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। উপদেষ্টা ও মন্ত্রীদের মধ্যে একটা সংঘাতময় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে যেন। উপদেষ্টা পরিষদের কারণে মন্ত্রীরা কোনো দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। ফলে এক ধরনের শূন্যতার সৃষ্টি হচ্ছে। সর্বোপরি আমার মনে হয়, বর্তমান সরকারের যে মন্ত্রিসভা, এর সদস্য নির্বাচন সঠিক হয়নি। অনেক মন্ত্রী আছেন, যাঁরা দক্ষ। কিন্তু অনেকে একেবারেই যোগ্যতার ছাপ রাখতে পারেননি।
কালের কণ্ঠ : এ সরকারের কাছে জনগণের আরেকটি প্রত্যাশা ছিল- সুশাসন। এটা মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারও। সুশাসন কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার?
মাহবুবুর রহমান : সরকার এ ক্ষেত্রেও পুরোপুরি ব্যর্থ। সুশাসন বলতে আমরা যা বুঝি, তা সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি। আমি তো গভর্ন্যান্সেরই মানুষ, সামরিক আমলা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। সামরিক ও বেসামরিক- উভয় প্রশাসনই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। আমার অভিজ্ঞতার আলোকেই বলছি, সুশাসনই একটা দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারে। আজ জাতি হিসেবে, দেশ হিসেবে সামনের দিকে যেতে পারছি না। হামাগুড়ি খাচ্ছি। একটা অন্ধকার টানেলের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি। আলো দেখতে পাচ্ছি না। এর অনেক কারণ আছে। বড় কারণ হচ্ছে, সুশাসনের অভাব। এখানে জবাবদিহিতা নেই। এখানে স্বচ্ছতার অভাব। দুর্নীতি বিস্তার লাভ করেছে। প্রশাসনকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক দলীয়করণ হয়েছে। প্রশাসনে ঢালাও পদোন্নতি হচ্ছে। পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে। এভাবে প্রমোশন দিয়ে পদায়ন করতে গিয়ে ওএসডির সংখ্যা বাড়ছে। ওদিকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদে বসার জন্য বিশেষ যোগ্যতা হচ্ছে বিশেষ জায়গা। ঢাকার সব থানার ওসি নাকি একটি বিশেষ জায়গার বাসিন্দা! প্রশাসনের সব জায়গায় রুলস অব বিজনেস সাংঘাতিকভাবে উপেক্ষিত, পদদলিত। কাজেই সুশাসন সুদূরপরাহত। সরকার সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেনি।
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কী ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন?
মাহবুবুর রহমান : এটা তো কঠিন বাস্তব। বাজার এখন এমন একটা জায়গা, যেখানে বাংলাদেশের সব শ্রেণীর মানুষ নিষ্পেষিত হচ্ছে। বাজারদর প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে। মহাজোটের অঙ্গীকার ছিল, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে, বিনা মূল্যে সার দেবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখবে। পারেনি। মূল্যস্ফীতি কিন্তু অসম্ভব হারে বেড়েছে। সব কিছুর দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। অন্তত বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বর্তমান মহাজোট সরকারের চেয়ে আগের (১৯৯৬ থেকে ২০০১) আওয়ামী লীগ সরকার অনেক দক্ষতা দেখাতে পেরেছিল। এবারে সে কাজটি করতে পারেনি। আগের বাণিজ্যমন্ত্রী কথা বললেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। টিসিবি নিয়ে অনেক দিন সরকার কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারেনি। একেকজন একেক ধরনের কথা বলেছেন। আমি যেভাবে বলতে চাই তা হচ্ছে, সরকার যদি তাদের এজেন্ডায় ব্যবসায় নামে তাহলে ব্যবসাটা অন্য রকম হবে। জনগণের পক্ষের ব্যবসা হবে না। সে ক্ষেত্রে জনগণ প্রতারিত হবে, বঞ্চিত হবে। কিন্তু সরকার যদি মনে করে, ব্যবসায়ীরা আরেকটা সমাজ। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। জনগণের পক্ষে জনগণের মন্ত্রী, জনগণের সরকার বিষয়টি জনকল্যাণের দিক বিবেচনা করেই কাজ করবে। কিন্তু সরকার ও ব্যবসা একাকার হয়ে গেলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। তখনই সিন্ডিকেটের কথা আসবে। সিন্ডিকেট হবে। বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। মধ্যস্বত্বভোগীদের উত্থান হবে। হচ্ছেও তাই। এখন এসে বাজার একটা স্থিতি অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। কিন্তু গত তিন বছরে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার সাফল্যের কোনো চিহ্ন রাখতে পারেনি। বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, বিকল্প বাজার ব্যবস্থা চালু করে সরকার মানুষকে যে স্বস্তি দিতে পারত, তা পারেনি। সরকারকে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে অনেক আগে থেকেই ভাবতে হতো। টিসিবিকে সক্রিয় করলেই সিন্ডিকেট ভেঙে যেত। কোন অদৃশ্য কারণে সরকার টিসিবিকে সক্রিয় করতে চায়নি, সেটা সরকারের ভেতরের নীতিনির্ধারকরাই বলতে পারবেন। আমি বলব, সরকারের ব্যর্থতার আরেকটি জায়গা হচ্ছে বাজার।
কালের কণ্ঠ : সরকারের পক্ষ থেকে কিন্তু বারবার বলা হয়েছে বা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কী?
মাহবুবুর রহমান : সরকার বারবার বলার চেষ্টা করেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চোখ ফেরাতে এর বিকল্প তো সরকারের কাছে নেই। এটাও ঠিক, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য হচ্ছে। শিল্প গড়ে উঠছে। রপ্তানি হচ্ছে। এটা বলা যাবে, কিছু লোক ভালো অবস্থানে আছে। বড় বড় শপিং মল গড়ে উঠেছে। আজকের ঈদ বাজারের দিকে তাকালে মনে হতে পারে, বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কোনো অভাব নেই। কিন্তু এটা দিয়ে এই সমীকরণ টানা যাবে না যে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। হ্যাঁ, হয়তো ঢাকার কিছু লোকের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু এটা সামগ্রিক চিত্র নয়। কিছু লোকের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে সেটাকে দেশের সব লোকের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে বলা যাবে না।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে?
মাহবুবুর রহমান : আমাদের তো সংসদীয় গণতন্ত্র। সংসদীয় গণতন্ত্র অবলম্বন করে পৃথিবীর অনেক দেশ উন্নতির পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা তো বিলেতের ওয়েস্টমিনস্টার টাইপ গণতন্ত্র অনুসরণ করি। সেই বিলেতে বিরোধী দল শুধু বিরোধিতা করার জন্য নয়, সেখানে বিরোধী দল সরকারেরই একটা অংশ। সেখানে বলা হয়, 'হার ম্যাজেস্টিস অপজিশন'। বিরোধী দলকে এ বিষয়টি বুঝতে হবে। এ ব্যাপারে বিরোধী দলকে তার দায়িত্ববোধ, সচেতনতা, সরকারে বিরোধী দলের ভূমিকা সম্পূর্ণরূপে বুঝে পালন করতে হবে। এখানে সরকারেরও একটি ভূমিকা আছে। সরকার যদি মনে করে, বিরোধী দল মানেই বিরোধী, সে শত্রু- এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিএনপির ভূমিকা প্রসঙ্গে আসি। শুরুতে বিএনপি নির্বাচনের ফল মানতে চায়নি। কিন্তু তার পরও শপথ নিল। সংসদে গেল। সংসদ সদস্য হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের অনেক চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়েছিল সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তারা দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু সরকারি দলের কাছ থেকে যেভাবে আচরণ তারা আশা করেছিল, সে আচরণ তারা পায়নি। বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি শুরুতেই সাংঘাতিকভাবে ধাক্কা খেয়েছে। এর পরও আমি মনে করি, বিরোধী দল আরো দায়িত্বশীল হতে পারত। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সংসদে যাওয়া উচিত ছিল বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। তবে এখানে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব ছিল। বিরোধী দলকে সংসদে টেনে ধরে রাখার দায়িত্ব সরকারি দল পালন করতে পারেনি বা এটাও বলা যায়, পালন করেনি। বিরোধী দল সংসদে না গেলে, নেওয়ার উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে।
এখন কথা হচ্ছে, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির ভূমিকা যথার্থ কি না? আমি মনে করি, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোও বিরোধী দলের ভূমিকা। এ ব্যাপারে বিএনপি যথেষ্ট উদ্যোগী। বিএনপি নিজেদের কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করছে। দেশজুড়ে বিএনপির যে ব্যাপ্তি এখন, যেভাবে জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে, সভা-সমিতি হচ্ছে, তাতে আমি মনে করি, বিএনপির জনসমর্থন বাড়ছে। মানুষের অভাব-অভিযোগ, চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করা বিরোধী দলের কাজ। সে কাজে বিএনপি সফল। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা, ভুল ধরিয়ে দেওয়া- সংসদে এসব কাজ করা না গেলেও বাইরে করা হচ্ছে। রোজার পর নিশ্চয় এ কাজে নতুন বেগ আসবে, নতুন গতি পাবে।
কালের কণ্ঠ : আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন এমন কথা আজকাল অনেককেই বলতে শোনা যায়? এই নতুন ওয়ান-ইলেভেন সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
মাহবুবুর রহমান : বিষয়টি আমি আমার মতো করে বলতে চাই। আমি মনে করি, গণতন্ত্রের শক্তিই হচ্ছে মূল শক্তি। গণতান্ত্রিক শক্তির বাইরে কোনো শক্তি আমরা গ্রহণ করতে পারি না। হ্যাঁ, অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে। আসলে এসব কথার পেছনে কাজ করছে সরকারের ব্যর্থতা। সরকারের ব্যর্থতার কারণে মানুষের মধ্যে এক ধরনের হতাশার সৃষ্টি হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা অস্থিরতা। রাজনৈতিক অস্থিরতা তো আছেই। আছে সামাজিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা। এ অস্থির অবস্থা থেকে সাধারণ মানুষ পরিত্রাণ চাইবে। সরকার যদি আজ সুশাসন দিতে পারত, সরকার কিছু ক্ষেত্রে সাফল্য দেখাতে পারত, তাহলে এই তৃতীয় শক্তি কিংবা আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের কথা আসত না। বাংলাদেশে যেহেতু সামরিক শাসন, স্বৈরশাসন ছিল, স্বাভাবিকভাবেই এখানে তৃতীয় শক্তির ব্যাখ্যা নানাভাবে করা যায়।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এই বিচার প্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
মাহবুবুর রহমান : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জনগণের দাবি। এটা হওয়া উচিত। এটা মহাজোটের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। বিচার শুরু না করলে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হতো। যুদ্ধাপরাধ ভয়ংকর অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ। পৃথিবীতে যেখানে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেখানেই অপরাধীদের চিহ্নিত করে কাঠগড়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাংলাদেশে ৯ মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। এখানে গণহত্যা হয়েছে, ধর্ষণ হয়েছে। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে বাহিনী দণ্ডিত হলো তাদের বিচার আমরা করতে পারিনি। বাংলাদেশে যারা জড়িত ছিল সন্দেহ করা হচ্ছে তাদের বিচার হচ্ছে। আমাদের কথা হচ্ছে, বিচারের বাণী যেন নীরবে-নিভৃতে না কাঁদে। আমরা চাই, বিচারটা যেন স্বচ্ছ হয়, ন্যায়সংগত হয়। এখানে অনেকের অনেক অবজারভেশন আছে। সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে বিচার করতে হবে। আমি আবারও বলতে চাই, যুদ্ধাপরাধ কখনো পুরনো হয় না, তামাদি হয় না। আমি চাই এই বিচার হোক। এই বিচার করা সরকারের একটা বড় দায়িত্ব।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
মাহবুবুর রহমান : খুবই সুন্দর প্রশ্ন। দেড় বছর একেবারে কম সময় নয়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। কিন্তু এটা তো আর মর্নিং নয়। এখন তো বিকেল। সরকারের জন্য পড়ন্ত বেলা। এই গোধূলি বেলায় কী আর দেখব? তার পরও কিছু একটা করে দেখানো একেবারে অসম্ভব নয়। কেউ কেউ মনে করতে পারেন, সরকার কিছু একটা করে দেখাবে, এটা একেবারেই অলৌকিক ব্যাপার। কিন্তু মিরাকল ডু হ্যাপেন। অলৌকিক ঘটনা এখনো ঘটে। প্রথম কথা হচ্ছে, সরকার যে মানুষের মঙ্গল করতে চায়, সরকারের নিজের মধ্যে এই বিশ্বাস আনতে হবে। সরকার যে ইতিবাচক একটা পরিবর্তন আনতে চায়, বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, সেই ভাবমূর্তির উন্নয়ন ঘটাতে চায়- এ বিষয়গুলো সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে। এটা হচ্ছে পূর্বশর্ত। এই পূর্বশর্ত পূরণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে একটি সংকল্পের ব্যাপার আছে। ধ্যান-ধারণার ব্যাপার আছে। আমি বিশ্বাস করতে চাই, প্রত্যাশা করতে চাই, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি হচ্ছে। সব শেষ হয়ে গেছে, এটা এখনই বলা যাবে না। সরকার এখনো অনেক কিছু করতে পারে। সে জন্য প্রথমেই জনগণকে আস্থায় আনতে হবে। জনগণকে বিশ্বাসে নিয়ে, জনগণের বিশ্বাস অর্জন করে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে এখনো কল্যাণ সম্ভব। এখনো যোগ্য লোকদের নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলা সম্ভব। দেশে অনেক জ্ঞানী ও গুণী মানুষ আছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
কালের কণ্ঠ : সম্প্র্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। বিরোধী দল সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
মাহবুবুর রহমান : আগেও বলেছি, গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশ। গণতন্ত্রের বিকল্প নেই। বিষয়টি এখন একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। সরকারের আচরণে একটি পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্র্রতি বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বিএনপি তাঁর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না তত্ত্বাবধায়ক সরকার? সরকারের প্রস্তাব অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপি চাইছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দেখুন, নির্বাচনকালীন সরকার যে ব্যবস্থাতেই আসুক না কেন, সংকট কিন্তু একটা আছে। এ সংকট হচ্ছে আস্থার। আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য সংলাপের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। এই যে গণতন্ত্রের কথা বললাম, এর বটমলাইন হচ্ছে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এখন এই নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আদৌ একটি নির্বাচন হবে- এটাই সন্দেহ হয়ে দেখা দিয়েছে। আগামী নির্বাচন কখন হবে, কিভাবে হবে, কোন পদ্ধতিতে হবে, তা নিয়ে সংকট আছে। সরকার বা প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বললেও বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে অনড়। সরকারের শরিকরাও বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা। এটা এখন একটা বড় রাজনৈতিক সংকট। এ সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা তো হতেই হবে। গণতন্ত্রে যদি আমরা বিশ্বাসী হই, তাহলে গণতন্ত্রের ভাষা আলোচনায় আস্থা রাখতে হবে। আলোচনা করতে হবে। তবে দলীয় তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রেখে আমরা নির্বাচন চাই না। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিএনপিও দলীয় অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি এখন সবার কাছে পরিষ্কার বলে মনে করি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লে. জে. মাহবুবুর রহমান : আপনাদের ধন্যবাদ। কালের কণ্ঠের পাঠকদের আমার অভিনন্দন।
কালের কণ্ঠ : সাড়ে তিন বছর পার করল মহাজোট সরকার। সরকারের এই সময়টাকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন? সামগ্রিক বিবেচনায় সরকার সফল না ব্যর্থ?
মাহবুবুর রহমান : মহাজোট সরকারের সাড়ে তিন বছরের চুলচেরা হিসাব করলে আমি অত্যন্ত হতাশ, মর্মাহত। আমি মনে করি, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ আমার সঙ্গে একমত হবেন। এটা ঠিক, এটা অনেক প্রত্যাশার সরকার। সরকার এসেছিল, অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের প্রত্যাশার পারদ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। সরকার গঠনের আগে ও পরে নানা কথার ভেতর দিয়ে মানুষের মধ্যে প্রত্যাশার সৃষ্টি করতে পেরেছিল মহাজোট তথা আওয়ামী লীগ। তাদের নির্বাচনী ইশতেহার, নির্বাচনী প্রচার- সব কিছুর ভেতর দিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল মানুষের মনে। অত্যন্ত দুঃখের কথা, সরকার সব বিষয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তো এক কথায় ব্যর্থ বলে দিলে তো হবে না। ব্যর্থতার সূচক দেখতে হবে। শুরুতেই আসি দুর্নীতি প্রসঙ্গে। এই সরকারের আগে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। আরেকবার হলে তো ডবল হ্যাটট্রিক হয়ে যেত। নির্বাচনী ইশতেহারে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ছিল, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা। এটা তো আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না যে দুর্নীতির মতো ক্ষতিকর কিছু নেই। এর মতো খারাপ কিছু হতে পারে না। দুর্নীতি যক্ষ্মা রোগের মতো সমাজ, জাতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে কুরে কুরে খায়। বিষয়টি খুব যৌক্তিকভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরতে পেরেছিল মহাজোট। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ তখন খুব সচেতন ছিল। মানুষ বুঝতে পেরেছিল, দুর্নীতির কারণে দেশ অধোগতির দিকে যাচ্ছে, ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। গোটা বিশ্বে আমরা নিন্দিত হচ্ছি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নান্দনিকতা অর্জনের বদলে নিন্দিত হতে যাচ্ছে। আমি তো মনে করি, আগের সরকারের বিরুদ্ধে এটা ছিল একটা বড় পয়েন্ট। আমিও মনে করি, এটা ছিল আগের সরকারের একটা বড় ব্যর্থতা। আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের এটা বড় কৃতিত্ব যে বিষয়টি তারা ঠিকমতো চিহ্নিত করতে পেরেছিল। নির্বাচনের আগে তারা এ বিষয়টি মানুষের কাছে তুলে ধরতে পেরেছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে দুর্নীতির যে রূপ প্রত্যক্ষ করলাম, তার তুলনা আগের কোনো সময়ের সঙ্গে দেওয়া যাবে না। এই দুর্নীতি নিয়ে বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কী বলছেন, দিন-তারিখ উল্লেখ করে এর উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, সরকারের অর্থমন্ত্রী রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলের একটি সেমিনারে বলেছেন, বাংলাদেশের সর্বত্র দুর্নীতি হচ্ছে। সরকারের সব বিভাগ তো বটেই; সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে মন্ত্রিপরিষদও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এক কথায় তিনি যা বলতে চেয়েছেন, তা হচ্ছে- সরকারের প্রতিটি সংস্থা দুর্নীতিগ্রস্ত। সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হয়ে তিনি কিভাবে এ কথা বলেন তা ভাবনার উদ্রেক করে। আমি তো দেখছি দুর্নীতি বন্ধের যে অঙ্গীকার মহাজোট করেছিল, তা রক্ষা করতে পারেনি। বরং মহাজোট সরকারের আমলে দুর্নীতি ব্যাপক বেড়েছে। একেবারে টাটকা ইস্যু পদ্মা সেতুর কথাই ধরা যাক। এটা তো একটা স্বপ্নের সেতু। দাতা সংস্থারা এগিয়ে এসেছিল। আমাদের প্রস্তুতিও কম ছিল না। কিন্তু সেই সেতু আজ প্রশ্নের মুখে। বিশ্বব্যাংক বলছে, এখানে তারা দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে। পদ্মা সেতু এখন আটকে আছে। আন্তর্জাতিকভাবে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের কপালে কলঙ্ক তিলক এঁকে দিয়েছে। কথায় বলে, মাছের পতন ধরে মাথায়, পানি সব সময় নিচের দিকে গড়ায়। দুর্নীতিও ঠিক তাই। দুর্নীতি শীর্ষপর্যায় থেকেই শুরু হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে সাবেক রেলমন্ত্রীর কেলেঙ্কারি। তাঁকে 'উজিরে খামাখা' করে রাখা হয়েছে। শেকসপিয়ারের হ্যামলেট নাটকে আছে, প্রিন্স অব ডেনমার্কের দর্শকপ্রিয় একটি সংলাপ, 'দেয়ার ইজ সামথিং রটেন সামহয়্যার ইন দ্য স্টেট অব ডেনমার্ক।' আজ যদি শেকসপিয়ার বেঁচে থাকতেন, তাহলে নাটকের দৃশ্য বদলে প্রিন্স অব ডেনমার্ককে বাংলাদেশ সফরে পাঠিয়ে নতুন সংলাপ লিখতেন, 'এভরিথিং ইজ রটেন এভরিহয়্যার ইন বাংলাদেশ।' দুর্নীতি দমন ছিল মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার থেকে সরকার সরে গেছে। এটা সরকারের একটা ব্যর্থতা।
এই সময়ের একটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে বিদ্যুতের রেন্টাল, কুইক রেন্টাল। দুর্নীতির একটা নগ্ন কৌশল এটা। এর জন্য সংসদে ইনডেমনিটি বিল আনা হয়েছে। দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই দায়মুক্তি হচ্ছে দুর্নীতির দায়মুক্তি। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো ইনডেমনিটি শেষ পর্যন্ত টেকেনি। সব ইনডেমনিটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে আইনগতভাবে। শেয়ারবাজার নিয়ে যদি বলি, সেখানেও দেখব সরকার ব্যর্থ। কত মানুষকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে তো সেনাবাহিনীর কথা জানি। সেনাবাহিনীর সদস্যরা যান বিদেশে, শান্তি মিশনে। সেখান থেকে টাকা উপার্জন করে নিয়ে এসে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে সর্বস্ব হারিয়েছেন তাঁরা। শেয়ারবাজার নিয়ে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ একটা রিপোর্টও দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া সেই রিপোর্টের প্রতিফলন তো কোথাও দেখছি না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বিড়ালকেই মাছ পাহারায় বসানো হয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় সরকার ব্যর্থ।
সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ ছিল গণতন্ত্রকে ধারণ করা, লালন করা, সজীব রাখা। গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো। বাংলাদেশে যত আন্দোলন-সংগ্রাম, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ- সব গণতন্ত্রের জন্য। গণতন্ত্র ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মোটিভেটিং ফোর্স। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছি। গণতন্ত্রে সব কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে সংসদ। সেই সংসদ সাড়ে তিন বছর ধরে অকার্যকর। কথা উঠতে পারে, বিরোধী দল সংসদে না এলে কী করার আছে? এভাবে সহজ জবাব দেওয়া যাবে না। বিরোধী দল সংসদে না গেলে নিশ্চয় বিরোধী দল এর জন্য দায়ী থাকবে। বিচারের ভার তো জনগণের হাতে। জনগণ বিচার করবে। কিন্তু সংসদ যে সাড়ে তিন বছর অকার্যকর হয়ে আছে, সংসদের কোনো কর্মকাণ্ড নেই, আইন পাসের বাইরে বড় অনেক সমস্যা আছে সেগুলো সংসদে উপস্থাপন হচ্ছে না। অনেক চুক্তি হচ্ছে। চুক্তিগুলো সংসদে আসছে না। এগুলো নিয়ে তো বিতর্ক হওয়া উচিত হচ্ছে না। সাধারণ কিছু কাজ হচ্ছে। নিয়মিত অধিবেশন আহ্বান করা হচ্ছে। বাজেট পেশ হচ্ছে, পাস হচ্ছে। এসব রুটিন কাজের বাইরে কী হচ্ছে? তবে বিরোধী দলের সংসদ বর্জন নিয়ে অবশ্যই কথা বলার আছে। বিএনপি যে এত দিন সংসদে গেল না, এটা জনগণ পছন্দ করছে বলে মনে হয় না। তবে বিএনপিকে সংসদে নেওয়ার পরিবেশ সরকার নিশ্চিত করতে পারছে না।
কালের কণ্ঠ : বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার মূল্যায়ন কী?
মাহবুবুর রহমান : এ বিষয়টি আমি আমার মতো করে বলতে চাই। জনগণ মহাজোটকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে মহাজোট। এই ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনের আগে অবশ্যই একটি বিষয় মনে রাখতে হবে- যে প্রতিশ্রুতি জনগণকে দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য কারা উপযুক্ত। এখানে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, পারঙ্গমতা, সততা, ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে ভাবতে হবে। মন্ত্রিসভা যাঁদের নিয়ে গঠন করা হবে, তাঁদের হতে হবে দক্ষ, অভিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান ও প্রতিশ্রুতিশীল। পরীক্ষিত হতে হবে। হ্যাঁ, এটাও ঠিক যে শুধু বয়স্কদের নিয়ে তরুণদের বাদ দিলেই মন্ত্রিসভা ভালো হবে না। আমি মনে করি, মন্ত্রিসভায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয় থাকতে হবে। আমি নিশ্চিত করেই বলব, এ সরকারের মন্ত্রিসভার বাছাই ঠিক হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে আমি কারো নাম বলতে চাই না। বাংলাদেশের এই ৪১ বছরের ইতিহাসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে এমন নিন্দিত মন্ত্রিসভা দেখা যায়নি। আবারও বলছি, এই বাছাইটি ঠিক হয়নি। আমি মনে করি, আওয়ামী লীগে অনেক সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ মানুষ আছেন। হ্যাঁ, অনেককে উপদেষ্টা করা হয়েছে। এই উপদেষ্টা পরিষদও প্রশ্নবিদ্ধ। উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে এক ধরনের দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। উপদেষ্টা ও মন্ত্রীদের মধ্যে একটা সংঘাতময় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে যেন। উপদেষ্টা পরিষদের কারণে মন্ত্রীরা কোনো দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। ফলে এক ধরনের শূন্যতার সৃষ্টি হচ্ছে। সর্বোপরি আমার মনে হয়, বর্তমান সরকারের যে মন্ত্রিসভা, এর সদস্য নির্বাচন সঠিক হয়নি। অনেক মন্ত্রী আছেন, যাঁরা দক্ষ। কিন্তু অনেকে একেবারেই যোগ্যতার ছাপ রাখতে পারেননি।
কালের কণ্ঠ : এ সরকারের কাছে জনগণের আরেকটি প্রত্যাশা ছিল- সুশাসন। এটা মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকারও। সুশাসন কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার?
মাহবুবুর রহমান : সরকার এ ক্ষেত্রেও পুরোপুরি ব্যর্থ। সুশাসন বলতে আমরা যা বুঝি, তা সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি। আমি তো গভর্ন্যান্সেরই মানুষ, সামরিক আমলা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। সামরিক ও বেসামরিক- উভয় প্রশাসনই খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। আমার অভিজ্ঞতার আলোকেই বলছি, সুশাসনই একটা দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারে। আজ জাতি হিসেবে, দেশ হিসেবে সামনের দিকে যেতে পারছি না। হামাগুড়ি খাচ্ছি। একটা অন্ধকার টানেলের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি। আলো দেখতে পাচ্ছি না। এর অনেক কারণ আছে। বড় কারণ হচ্ছে, সুশাসনের অভাব। এখানে জবাবদিহিতা নেই। এখানে স্বচ্ছতার অভাব। দুর্নীতি বিস্তার লাভ করেছে। প্রশাসনকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক দলীয়করণ হয়েছে। প্রশাসনে ঢালাও পদোন্নতি হচ্ছে। পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে। এভাবে প্রমোশন দিয়ে পদায়ন করতে গিয়ে ওএসডির সংখ্যা বাড়ছে। ওদিকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদে বসার জন্য বিশেষ যোগ্যতা হচ্ছে বিশেষ জায়গা। ঢাকার সব থানার ওসি নাকি একটি বিশেষ জায়গার বাসিন্দা! প্রশাসনের সব জায়গায় রুলস অব বিজনেস সাংঘাতিকভাবে উপেক্ষিত, পদদলিত। কাজেই সুশাসন সুদূরপরাহত। সরকার সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেনি।
কালের কণ্ঠ : বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ অবস্থায় সরকার কী ব্যবস্থা নিতে পারত বলে আপনি মনে করেন?
মাহবুবুর রহমান : এটা তো কঠিন বাস্তব। বাজার এখন এমন একটা জায়গা, যেখানে বাংলাদেশের সব শ্রেণীর মানুষ নিষ্পেষিত হচ্ছে। বাজারদর প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে। মহাজোটের অঙ্গীকার ছিল, ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে, বিনা মূল্যে সার দেবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখবে। পারেনি। মূল্যস্ফীতি কিন্তু অসম্ভব হারে বেড়েছে। সব কিছুর দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। অন্তত বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বর্তমান মহাজোট সরকারের চেয়ে আগের (১৯৯৬ থেকে ২০০১) আওয়ামী লীগ সরকার অনেক দক্ষতা দেখাতে পেরেছিল। এবারে সে কাজটি করতে পারেনি। আগের বাণিজ্যমন্ত্রী কথা বললেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। টিসিবি নিয়ে অনেক দিন সরকার কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারেনি। একেকজন একেক ধরনের কথা বলেছেন। আমি যেভাবে বলতে চাই তা হচ্ছে, সরকার যদি তাদের এজেন্ডায় ব্যবসায় নামে তাহলে ব্যবসাটা অন্য রকম হবে। জনগণের পক্ষের ব্যবসা হবে না। সে ক্ষেত্রে জনগণ প্রতারিত হবে, বঞ্চিত হবে। কিন্তু সরকার যদি মনে করে, ব্যবসায়ীরা আরেকটা সমাজ। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। জনগণের পক্ষে জনগণের মন্ত্রী, জনগণের সরকার বিষয়টি জনকল্যাণের দিক বিবেচনা করেই কাজ করবে। কিন্তু সরকার ও ব্যবসা একাকার হয়ে গেলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। তখনই সিন্ডিকেটের কথা আসবে। সিন্ডিকেট হবে। বঞ্চিত হবে সাধারণ মানুষ। মধ্যস্বত্বভোগীদের উত্থান হবে। হচ্ছেও তাই। এখন এসে বাজার একটা স্থিতি অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। কিন্তু গত তিন বছরে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার সাফল্যের কোনো চিহ্ন রাখতে পারেনি। বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, বিকল্প বাজার ব্যবস্থা চালু করে সরকার মানুষকে যে স্বস্তি দিতে পারত, তা পারেনি। সরকারকে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে অনেক আগে থেকেই ভাবতে হতো। টিসিবিকে সক্রিয় করলেই সিন্ডিকেট ভেঙে যেত। কোন অদৃশ্য কারণে সরকার টিসিবিকে সক্রিয় করতে চায়নি, সেটা সরকারের ভেতরের নীতিনির্ধারকরাই বলতে পারবেন। আমি বলব, সরকারের ব্যর্থতার আরেকটি জায়গা হচ্ছে বাজার।
কালের কণ্ঠ : সরকারের পক্ষ থেকে কিন্তু বারবার বলা হয়েছে বা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কী?
মাহবুবুর রহমান : সরকার বারবার বলার চেষ্টা করেছে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চোখ ফেরাতে এর বিকল্প তো সরকারের কাছে নেই। এটাও ঠিক, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য হচ্ছে। শিল্প গড়ে উঠছে। রপ্তানি হচ্ছে। এটা বলা যাবে, কিছু লোক ভালো অবস্থানে আছে। বড় বড় শপিং মল গড়ে উঠেছে। আজকের ঈদ বাজারের দিকে তাকালে মনে হতে পারে, বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কোনো অভাব নেই। কিন্তু এটা দিয়ে এই সমীকরণ টানা যাবে না যে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। হ্যাঁ, হয়তো ঢাকার কিছু লোকের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু এটা সামগ্রিক চিত্র নয়। কিছু লোকের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে সেটাকে দেশের সব লোকের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে বলা যাবে না।
কালের কণ্ঠ : বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি কতটুকু দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারছে?
মাহবুবুর রহমান : আমাদের তো সংসদীয় গণতন্ত্র। সংসদীয় গণতন্ত্র অবলম্বন করে পৃথিবীর অনেক দেশ উন্নতির পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা তো বিলেতের ওয়েস্টমিনস্টার টাইপ গণতন্ত্র অনুসরণ করি। সেই বিলেতে বিরোধী দল শুধু বিরোধিতা করার জন্য নয়, সেখানে বিরোধী দল সরকারেরই একটা অংশ। সেখানে বলা হয়, 'হার ম্যাজেস্টিস অপজিশন'। বিরোধী দলকে এ বিষয়টি বুঝতে হবে। এ ব্যাপারে বিরোধী দলকে তার দায়িত্ববোধ, সচেতনতা, সরকারে বিরোধী দলের ভূমিকা সম্পূর্ণরূপে বুঝে পালন করতে হবে। এখানে সরকারেরও একটি ভূমিকা আছে। সরকার যদি মনে করে, বিরোধী দল মানেই বিরোধী, সে শত্রু- এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিএনপির ভূমিকা প্রসঙ্গে আসি। শুরুতে বিএনপি নির্বাচনের ফল মানতে চায়নি। কিন্তু তার পরও শপথ নিল। সংসদে গেল। সংসদ সদস্য হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের অনেক চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়েছিল সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তারা দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু সরকারি দলের কাছ থেকে যেভাবে আচরণ তারা আশা করেছিল, সে আচরণ তারা পায়নি। বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি শুরুতেই সাংঘাতিকভাবে ধাক্কা খেয়েছে। এর পরও আমি মনে করি, বিরোধী দল আরো দায়িত্বশীল হতে পারত। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সংসদে যাওয়া উচিত ছিল বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। তবে এখানে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব ছিল। বিরোধী দলকে সংসদে টেনে ধরে রাখার দায়িত্ব সরকারি দল পালন করতে পারেনি বা এটাও বলা যায়, পালন করেনি। বিরোধী দল সংসদে না গেলে, নেওয়ার উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে।
এখন কথা হচ্ছে, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির ভূমিকা যথার্থ কি না? আমি মনে করি, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোও বিরোধী দলের ভূমিকা। এ ব্যাপারে বিএনপি যথেষ্ট উদ্যোগী। বিএনপি নিজেদের কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করছে। দেশজুড়ে বিএনপির যে ব্যাপ্তি এখন, যেভাবে জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে, সভা-সমিতি হচ্ছে, তাতে আমি মনে করি, বিএনপির জনসমর্থন বাড়ছে। মানুষের অভাব-অভিযোগ, চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করা বিরোধী দলের কাজ। সে কাজে বিএনপি সফল। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা, ভুল ধরিয়ে দেওয়া- সংসদে এসব কাজ করা না গেলেও বাইরে করা হচ্ছে। রোজার পর নিশ্চয় এ কাজে নতুন বেগ আসবে, নতুন গতি পাবে।
কালের কণ্ঠ : আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসন্ন এমন কথা আজকাল অনেককেই বলতে শোনা যায়? এই নতুন ওয়ান-ইলেভেন সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
মাহবুবুর রহমান : বিষয়টি আমি আমার মতো করে বলতে চাই। আমি মনে করি, গণতন্ত্রের শক্তিই হচ্ছে মূল শক্তি। গণতান্ত্রিক শক্তির বাইরে কোনো শক্তি আমরা গ্রহণ করতে পারি না। হ্যাঁ, অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে। আসলে এসব কথার পেছনে কাজ করছে সরকারের ব্যর্থতা। সরকারের ব্যর্থতার কারণে মানুষের মধ্যে এক ধরনের হতাশার সৃষ্টি হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা অস্থিরতা। রাজনৈতিক অস্থিরতা তো আছেই। আছে সামাজিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক অস্থিরতা। এ অস্থির অবস্থা থেকে সাধারণ মানুষ পরিত্রাণ চাইবে। সরকার যদি আজ সুশাসন দিতে পারত, সরকার কিছু ক্ষেত্রে সাফল্য দেখাতে পারত, তাহলে এই তৃতীয় শক্তি কিংবা আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের কথা আসত না। বাংলাদেশে যেহেতু সামরিক শাসন, স্বৈরশাসন ছিল, স্বাভাবিকভাবেই এখানে তৃতীয় শক্তির ব্যাখ্যা নানাভাবে করা যায়।
কালের কণ্ঠ : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। এই বিচার প্রক্রিয়াকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
মাহবুবুর রহমান : যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জনগণের দাবি। এটা হওয়া উচিত। এটা মহাজোটের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। বিচার শুরু না করলে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হতো। যুদ্ধাপরাধ ভয়ংকর অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ। পৃথিবীতে যেখানে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেখানেই অপরাধীদের চিহ্নিত করে কাঠগড়ায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাংলাদেশে ৯ মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। এখানে গণহত্যা হয়েছে, ধর্ষণ হয়েছে। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে বাহিনী দণ্ডিত হলো তাদের বিচার আমরা করতে পারিনি। বাংলাদেশে যারা জড়িত ছিল সন্দেহ করা হচ্ছে তাদের বিচার হচ্ছে। আমাদের কথা হচ্ছে, বিচারের বাণী যেন নীরবে-নিভৃতে না কাঁদে। আমরা চাই, বিচারটা যেন স্বচ্ছ হয়, ন্যায়সংগত হয়। এখানে অনেকের অনেক অবজারভেশন আছে। সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে বিচার করতে হবে। আমি আবারও বলতে চাই, যুদ্ধাপরাধ কখনো পুরনো হয় না, তামাদি হয় না। আমি চাই এই বিচার হোক। এই বিচার করা সরকারের একটা বড় দায়িত্ব।
কালের কণ্ঠ : আগামী দেড় বছরে দেশ ও দেশের মানুষের ব্যাপারে সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কী?
মাহবুবুর রহমান : খুবই সুন্দর প্রশ্ন। দেড় বছর একেবারে কম সময় নয়। একটা কথা আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। কিন্তু এটা তো আর মর্নিং নয়। এখন তো বিকেল। সরকারের জন্য পড়ন্ত বেলা। এই গোধূলি বেলায় কী আর দেখব? তার পরও কিছু একটা করে দেখানো একেবারে অসম্ভব নয়। কেউ কেউ মনে করতে পারেন, সরকার কিছু একটা করে দেখাবে, এটা একেবারেই অলৌকিক ব্যাপার। কিন্তু মিরাকল ডু হ্যাপেন। অলৌকিক ঘটনা এখনো ঘটে। প্রথম কথা হচ্ছে, সরকার যে মানুষের মঙ্গল করতে চায়, সরকারের নিজের মধ্যে এই বিশ্বাস আনতে হবে। সরকার যে ইতিবাচক একটা পরিবর্তন আনতে চায়, বাংলাদেশের যে ভাবমূর্তি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, সেই ভাবমূর্তির উন্নয়ন ঘটাতে চায়- এ বিষয়গুলো সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে। এটা হচ্ছে পূর্বশর্ত। এই পূর্বশর্ত পূরণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে একটি সংকল্পের ব্যাপার আছে। ধ্যান-ধারণার ব্যাপার আছে। আমি বিশ্বাস করতে চাই, প্রত্যাশা করতে চাই, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি হচ্ছে। সব শেষ হয়ে গেছে, এটা এখনই বলা যাবে না। সরকার এখনো অনেক কিছু করতে পারে। সে জন্য প্রথমেই জনগণকে আস্থায় আনতে হবে। জনগণকে বিশ্বাসে নিয়ে, জনগণের বিশ্বাস অর্জন করে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে এখনো কল্যাণ সম্ভব। এখনো যোগ্য লোকদের নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলা সম্ভব। দেশে অনেক জ্ঞানী ও গুণী মানুষ আছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
কালের কণ্ঠ : সম্প্র্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। বিরোধী দল সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত জানতে চাই।
মাহবুবুর রহমান : আগেও বলেছি, গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশ। গণতন্ত্রের বিকল্প নেই। বিষয়টি এখন একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। সরকারের আচরণে একটি পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্র্রতি বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বিএনপি তাঁর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না তত্ত্বাবধায়ক সরকার? সরকারের প্রস্তাব অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপি চাইছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দেখুন, নির্বাচনকালীন সরকার যে ব্যবস্থাতেই আসুক না কেন, সংকট কিন্তু একটা আছে। এ সংকট হচ্ছে আস্থার। আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য সংলাপের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। এই যে গণতন্ত্রের কথা বললাম, এর বটমলাইন হচ্ছে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এখন এই নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আদৌ একটি নির্বাচন হবে- এটাই সন্দেহ হয়ে দেখা দিয়েছে। আগামী নির্বাচন কখন হবে, কিভাবে হবে, কোন পদ্ধতিতে হবে, তা নিয়ে সংকট আছে। সরকার বা প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বললেও বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে অনড়। সরকারের শরিকরাও বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা। এটা এখন একটা বড় রাজনৈতিক সংকট। এ সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা তো হতেই হবে। গণতন্ত্রে যদি আমরা বিশ্বাসী হই, তাহলে গণতন্ত্রের ভাষা আলোচনায় আস্থা রাখতে হবে। আলোচনা করতে হবে। তবে দলীয় তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রেখে আমরা নির্বাচন চাই না। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিএনপিও দলীয় অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি এখন সবার কাছে পরিষ্কার বলে মনে করি।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লে. জে. মাহবুবুর রহমান : আপনাদের ধন্যবাদ। কালের কণ্ঠের পাঠকদের আমার অভিনন্দন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1424)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 06
(132)
- মনিকা বেদী ফের রূপালি পর্দায়
- লন্ডনে গুগলের বিলাসবহুল অফিস
- ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র অডিও প্রকাশ
- হেভি মেটাল গান নিয়ে ‘পুতুল গান’ by কামরুজ্জামান মিলু
- শ্বশুরবাড়িতে কেমন আছেন প্রভা? by বিপুল হাসান
- ব্যস্ত রুহীর উড়ে উড়ে চলা by কামরুজ্জামান মিলু
- চিকেনের কয়েক পদ- রেশমি মুর্গ কেশরি (লক্ষের রান্না)
- ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি by আরিফুর রহমান
- নেইল বিউটি by তাহমিনা মিলি
- ঈদমেলা by তৌফিক অপু
- ঘরের সাজে গাছ
- অপরাধবোধ থেকে মুক্তি পেতে by মোস্তফা আদনান
- অভিনব প্রতিবাদ
- বাইশে শ্রাবণ
- রিপোর্টারের ডায়েরি- ব্রিটিনির কান্না
- সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে আলো দেখার এখনই সময় by আবদুল...
- বাইশে শ্রাবণ, কিছু ভাবনা by নিয়ামত হোসেন
- বাংলা উচ্চারণ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- পোশাক শ্রমিকদের গানের প্রতিযোগিতা ‘বিজিএমইএ গর্ব’ ...
- এবার ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে চীনা ক...
- দাবি বাস্তবায়নে এবার আন্দোলনে নামছে শিক্ষক কর্মচার...
- গণতন্ত্র ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে নির্বাচনে...
- বেইলী রোড আর আজিজ মার্কেটে দেশী পোশাকের সমাহার- ঈদ...
- হৈ-হুল্লোড়, চুটিয়ে আড্ডা রাত জেগে চ্যাটিং ভাল থেকো...
- শ্রেষ্ঠ ইবাদত ও আমল রোজা by মাওলানা শাহ আবদুস সাত্তার
- ইসলামী ১২ দলের জোটে ভাঙনের সুর by মোশতাক আহমদ
- হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে গান লিখলেন কবীর সুমন
- বছরে পিডিবির লোকসান ৬৪০০ কোটি টাকা by রেজা রায়হান
- তেজগাঁওয়ে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম-ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া...
- 'গুপ্তধন' হয়ে থাকা উদ্বোধনের অপেক্ষা by মাসুদ পারভেজ
- পদ্মা সেতুর জন্য এ বছর কোনো সারচার্জ নয়
- পদ্মা সেতু নির্মাণে তিন সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত প্র...
- আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে না ॥ সিইসি...
- আদালতে প্রায় ৩০ লাখ মামলা বিচারাধীন- মামলা জট ১ by...
- জালনোটের কারখানা ॥ বমাল গ্রেফতার ৭
- গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অভাবে উগ্রবাদ জন্ম...
- গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অভাবে উগ্রবাদ জন্ম...
- এবারে ঈদ বাজারে লেনদেন ॥ ৩৫ হাজার কোটি টাকা এদের ব...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প-সরকার কী চায়? by পার্থ সারথি দাস
- কীটনাশক বিষ 'কার্বামেট' আমাদের শরীরে! by তৌফিক মারুফ
- ব্রিটেনের উচ্চশিক্ষার খরচ আগামী বছর আবারও বাড়ছে
- জ্যাকসনের শিশুদের নতুন অভিভাবক
- গান শুনেই সোল-জুর প্রেমে পড়েন উন
- ভাঙা হাত জোড়া লাগেনি ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ রুপি
- কুর্দি বিদ্রোহীদের দমনে সিরিয়ায় হামলার হুমকি তুরস্কের
- প্রধানমন্ত্রীকে গুলি পাঠানোয় আড়াই বছরের জেল
- কৃষি বিভাগের হুঁশিয়ারি-খরার কারণে খাদ্যপণ্যের দাম ...
- সেই ব্রাদারহুডই এখন দ্বিধায়
- যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি আবার বাড়ছে
- বেলুনে উড়ছে রটনার লিফলেট
- আগ্নেয়াস্ত্রের সহিংসতা কমাতে কাজ করব: ওবামা
- আসামে আরেক জেলায়দাঙ্গা মনমোহন যাচ্ছেন কাল
- ভূপালে বিশেষ অলিম্পিক-ডাউ কেমিক্যাল লন্ডন অলিম্পিক...
- দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবি আসাম সরকারের-আগা...
- বাঙালির ইলিশ-বিলুপ্ত হতে দেওয়া যাবে না
- ইন্টার্নি চিকিৎসকদের কাণ্ড-নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার ...
- স্মরণ-প্রিয় হাবিবুর রহমান স্যার by ড. তুলসী কুমার দাস
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৮৬)-মুক্তিযুদ্ধে শহীদ কি...
- শেকড়ের ডাক-উপকূলের জনজীবন ও আমাদের উন্নয়ন ভাবনা by...
- লন্ডন অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন হচ্ছে আজ by গাজী...
- যাত্রীছাউনিকে কসাইখানা বানালেন আ.লীগ নেতা by মাস...
- রূপগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগে বিক্ষোভ
- বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই ডাকাতি, আতঙ্ক
- সাভারের চামড়াশিল্প নগর- কারখানা নেই একটিও, তবু জুন...
- আবদুল হামিদ হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি খালাস
- প্রকৃতিও যেন কাঁদছে হুমায়ূনের শোকে
- কমনওয়েলথ মহাসচিবকে প্রধানমন্ত্রী- অভিবাসন ইস্যু কৌ...
- ধর্ম- রমজানের শিক্ষা সহিষ্ণু ও সহনশীল হওয়া by আব...
- দূরদেশ-‘ফ্রাইডে নিউজ ডাম্প’ by আলী রীয়াজ
- সময়চিত্র- আমাদের রোল মডেল কে? by আসিফ নজরুল
- পরিবেশ আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নেবে-রিজওয়ানার ম্যাগসাই...
- বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশিত-ঋণচ...
- ট্রেনের অগ্রিম টিকিটও নেই-লঞ্চের কেবিন নিয়েও শঙ্কা
- মুড়ি খাওয়াই অপরাধ!
- ইসি বলল পঞ্চদশ সংশোধনী জাতি মেনে নিয়েছে-সংসদ নির্ব...
- স্মরণ-একটু দাঁড়া, আসছি আমি... by তাবাস্সুম জসীম
- বুয়েট-বিব্রত হওয়া শিক্ষামন্ত্রীর কাজ নয় by বদিউল আ...
- চোখ-হুমায়ূন আহমেদ
- মৃদু মানুষের দ্রষ্টা by ফারুক ওয়াসিফ
- হুমায়ূন, ভাটির পুরুষ ও কিছু মুগ্ধতার গল্প by শাক...
- ঢাকা-ময়মনসিংহ-দুপাশে দোকানপাট মাঝখানে ঢিবি by নিয়া...
- ঢাকা-বগুড়া-রংপুর-মাথাব্যথার কারণ ৩৯ কিলোমিটার by জ...
- আমানত শাহ্ লুঙ্গি অলিম্পিক আপডেট-শেলির আলোয় উদ্ভাস...
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাব প্রসঙ্গে খালেদা-আবার ...
- হুমায়ূনের ছোট দুই ছেলে নিষাদ-নিনিত-'বাবা আকাশে চলে...
- গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বিগ্ন
- ঢাকা-যশোর-খুলনা-গাড়ি চালাতেও ভয় by কৌশিক দে
- ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-সংস্কার হয় আর ভাঙে
- ঈদে মহাসড়কে ভোগান্তি! by পার্থ সারথি দাস
- মিয়ানমারে দাঙ্গার নিরপেক্ষ তদন্তের আহবান জাতিসংঘের
- আলেপ্পো ঘিরে ২০ হাজার সেনা
- আল-কায়েদাকে দায়ী করেছে সরকার-ইয়েমেনে আত্মঘাতী হামল...
- তুর্কি সেনাদের সঙ্গে কুর্দি বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ, নি...
- মঙ্গলে আজ নামছে কিউরিওসিটি
- লুট হওয়া নিদর্শন ফিরে পেল আফগানিস্তান
- নারায়ণগঞ্জের তিন সড়ক বেহাল, জনদুর্ভোগ by আসিফ হোসেন
- নারায়ণগঞ্জে নিবন্ধন না থাকায় ক্লিনিকে তালা
- বরিশাল-চট্টগ্রাম সড়কের ভোলা অংশ- গর্ত-পানি-কাদায় ভ...
- রংপুরে কেডি খাল দখল করে উঠছে ভবন by আরিফুল হক
- পদ্মা সেতু: তিন সপ্তাহের মধ্যে মালয়েশিয়ার চূড়ান্ত ...
- অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব- আম...
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী- অংশগ্রহণমূলক গ...
- ভারতে বন্যায় ৩৪ জনের মৃত্যু
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করাটা ভুল ছিল : পোল্যান্ড
- ধর্ম- মাহে রমজানের অন্যতম অনুষঙ্গ ইতিকাফ by আবদু...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে- উচিত ছিল এক সেকেন্ড প...
- ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই- ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের ...
- সরকারি সিদ্ধান্তহীনতা দুর্নীতি ও ভোগান্তির কারণ- ন...
- স্মরণ-স্মরণে বরণে সন্তোষদা by বেলাল চৌধুরী
- লুণ্ঠিত প্রত্নতত্ত্ব ফিরে পেল কাবুল
- বন্দি তুর্কি জেনারেলদের অবসরে পাঠানো হচ্ছে
- জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের সদস্যপদ-ইসরায়েলের বাধার মুখে ...
- আফগানিস্তানে প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপসারি...
- রসকারণ- অলিম্পিকে বিজয়ীরা স্বর্ণপদক কামড়ায় কেন? by...
- উল্টো দৈত্যের গল্প by মহিউদ্দিন কাউসার
- অলিম্পিক মেড ইন চায়না by দিবাকর আচার্য্য
- গুণীজন কহেন
- অলিম্পিকে আবারও ব্যর্থতা- কর্তৃপক্ষ নির্বিকার
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- আজ বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস
- কবি গুলগেলাশের ‘পদ্ম্য’ ভাবনা by মাশুদুল হক
- ইতিহাস গড়লেন ‘পকেট রকেট’ by উৎপল শুভ্র
- এসএসসি, এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে মেডিকেলে ভর্তির ...
- বেহাল সড়ক: ঈদে ঘরমুখী মানুষের দুশ্চিন্তার বড় কারণ ...
- প্লট-ফ্ল্যাট দুটোই নিয়েছেন ২৯ পদস্থ কর্মকর্তা by ...
- ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী-সুস্থধারায় ফিরুক ছাত্ররাজনীতি
- লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি ও নৌযান-দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
- পবিত্র কোরআনের আলো-কওমের সরদাররা নবী শোয়ায়েব ও তাঁ...
-
▼
Aug 06
(132)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment