Wednesday, January 2, 2013
সরকার একা কেন স্বর্গে যাবে!: স্পিকার by সাজিদুল হক
সরকার একা কেন স্বর্গে যাবে!: স্পিকার by সাজিদুল হক
বলদা
হাওর, আলালের হাওর, আঙ্গানের হাওর, চিন্নির হাওর, তলার হাওর, বড় হাওর। এসব
হাওরের প্রতিটি বাঁক তার চেনা। শৈশব থেকেই হাওরের দুর্গম এলাককে জয়
করেছেন। এই হাওরের বুকে টানা ১৩ ঘণ্টা সাঁতরে কাটানোর কথা এখনো বলেন বুক
ফুলিয়ে।
‘ভাটির শাদুর্ল‘ নাম দিয়েছে তাকে ভাটির লোকেরাই। এরা যেনো আর কাউকে
চেনে না। তাই তারা বার বার সিল মারে তার ব্যালটে। ফলে তিনিই টানা আটবার
ইটনা মিঠামইনের সংসদ সদস্য।
স্বভাবসুলভ হাস্যরস ছড়ানো মানুষটি প্রয়োজনে দারুন কঠোর হতে সময় নেন না। সুইচ টিপে নিয়ন্ত্রণ করেন বাঘা রাজনীতিকদের। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট।
সুযোগ পেলেই ছুটে যান নিজ এলাকায়। হাওরের বাতাস তাকে টানে। টানে সেখানকরা জল মাটির সোঁদা গন্ধ। গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রায় পক্ষ কাল তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত হাওর এলাকায়। এলাকার মানুষের টানে গিয়েছেন নিজ নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন আর অষ্টগ্রাম উপজেলায়। সত্তরোর্ধ বয়সে শীতটা মাঝে মাঝে কাহিল করে ফেলে। তা হলেও হাওর বাওরে শীতেই তো জমে দারুণ। মাছ ধরা, শীতের পিঠা, নবান্ন এসব কিছুই তাকে টেনে নেয় সেই এলাকায়। কনকনে শীত উপেক্ষা করে আনন্দে কাটে সময়। সময় কাটান গান-কীর্তনের আসরেও।
ইটনা সফরের এই সময়টিতে সফরসঙ্গী হন বাংলানিউজের এই প্রতিবেদক। সেখানে নিজের শৈশব, কৈশোর, যৌবনের দিনগুলোর কথা বাংলানিউজকে বলেন আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট। দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে আসে ওই জনপদের সমস্যা, সম্ভাবনা, দুর্দশার কথা। কিছুটা বলেছেন নিজের মনের দুঃখ কষ্ট, আর হাওরের মানুষ নিয়ে তার সেইসব স্বপ্নের কথা যা আজও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
যাত্রা শুরু
গোধূলি লগ্ন চলছে তখন। সন্ধ্যার খানিক আগেই করিমগঞ্জের চামড়াঘাট এলাকায় পৌঁছালাম। গন্তব্য প্রত্যন্ত হাওর এলাকা ইটনা। সেখানেই জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ছুটি কাটাচ্ছেন। ধনু নদীতে ট্রলার ছাড়তেই বুঝে গেলাম শীতের শীব্রতা। ট্রলারের লোকজন বললেন ইটনা যেতে লাগবে দুই ঘণ্টা। চারিদিকে নিবিড় প্রশান্তিময় এক পরিবেশ। পাখিরা ফিরছে নীড়ে। ট্রলার চলছে আর বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সফরসঙ্গীরা অনেকেই ট্রলারের ছোট্ট রুমে আশ্রয় নিয়েছে। শীত এক পর্যায়ে আমাকেও ঠেলে পাঠালো সেখানে। ততক্ষণে রাত নেমেছে। আবারই বাইরে বের হয়ে মনে হলো-জীবন যেন পূর্ণ আমার। লালচে চাঁদটা যেন এক পাশ থেকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
‘আরে বাবা সাংঘাতিক আইছে’
দেখতে দেখতে পৌছে গেলাম ইটনা বাজারের ঘাটে। ট্রলার ভিড়তেই কানে এলো, ‘সর, সর স্পিকারের মে(হ)মান আইছে।’
ঘাটের পাশেই নব নির্মিত ‘ইটনা ডাকবাংলো’। উদ্বোধন ফলকে তারিখ দেখলাম ৩০ ডিসেম্বর। উদ্বোধক ‘জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার আবদুল হামিদ’। আরে আমিতো যাবো তারই কাছে। উপরে নীচে প্রচুর মানুষ। সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠতেই আমাদের কয়েকশ মানুষ ঠেলে যেতে হলো। উঠতেই চোখে পড়লো ভুবন ভোলানো সেই হাসি। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে পুরো শরীর ঢাকা। বললেন, “আরে বাবা সাংঘাতিক (সাংবাদিক) আইছে। খুব খুশি হইলাম।”
বললাম, “আমি গত মাসে বলেছিলাম আসবো, চলে এলাম।” উত্তরে বললেন, “ইউ আর ভেরি প্রম্পট ইয়ংম্যান। আই লাইক ইট।” এরপর নিজেই বললেন ফ্রেশ হয়ে আসতে।
হামিদ ‘ভাই’কে নিয়ে শ্লোক
এখানে এসে শুনলাম আবুদল হামিদকে নিয়ে একটি শ্লোক। “লাগে চাচা, ডাহি (ডাকি) ভাই। তাইনে আমরার হামিদ ভাই” (সম্পর্কে চাচা, ডাকি ভাই, তিনি আমাদের হামিদ ভাই)।’ পরে শুনলাম এই শ্লোকের সৃষ্টি রহস্য। আবদুল হামিদের সঙ্গে রাজনীতি যারা করেছেন, তাদের অনেকেরই ছেলে এমনকি নাতি একজন তার কর্মী। তাই মজা করে এই শ্লোক।
কীর্তন আসরে স্পিকার
ডাকবাংলোতেই একজন বললেন, “স্যার ডাকতাছে।” যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উঠে বললেন, “কীর্তন শুনি, চলেন।” এমন সুযোগ যাতে কোনভাবেই ফসকে না যায় সেজন্য প্রায় দৌড়েই তার পাশে দাঁড়িয়ে পড়লাম। রিকশায় ওঠার আগে দেখালেন ইটনা বাজার। বললেন, “এই যে বাজার, এইডা পার্মানেন্ট না। বর্ষায় পানি আসলে থাকে না।” রিকশা যাচ্ছে ইটনা পূর্ব গ্রাম। পাঁচ মিনিটের রাস্তা। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচবার রিকশা থেকে খবর নিলের আমরা ঠিক আছি কিনা।
কীর্তন আসরে কাছাকাছি পৌছাতেই কানে এলো, “হামিদ ভাই আইছে, হামিদ ভাই আইছে।” রিকশা থেকে নেমে সবার সঙ্গে হাত মেলালেন। মানুষের ঢল তাকে দেখবার জন্য। প্যান্ডেলের ভেতরে চলছে সাতক্ষীরার রাজীব দাসের কীর্তন। মাঝপথে থামিয়ে আয়োজকরা তাদের ‘হামিদ ভাই’কে নিয়ে গেলেন মাঝখানে। সবার আগ্রহ তার কথা শোনার।
সরকার একা কেন স্বর্গে যাবে?
যথারীতি হাস্যরস আর স্বভাবসুলভ হাসিসহ বক্তব্য দিলেন। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা নাট মন্দির নির্মাণে টাকা বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি চাইলে বললেন, “প্রতিশ্রুতি আমি দিতে পারবো না। কত দেবো সেটা বলতে পারবো না। তবে দেবো। সরকারের পাশাপশি আপনারও এগিয়ে আসেন। আর ধর্মীয় কাজে টাকা দিলে স্বর্গে যাওয়া যায়। তাহলে আপনারা শুধু সরকারকে স্বর্গে নেবেন কেন? আপনারাও সহযোগী হন।” হাসির রোল পড়লো চারিদিকে এক ফাঁকে বললেন, “আমার সঙ্গে ঢাকার সাংবাদিকরা আছেন। তারা যে কষ্ট করে এই হাওর এলাকায় আসছে, তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।”
আমার তিন সতীনের ঘর
ডাকবাংলোয় এসে আমাকে পাশে নিয়ে বসলেন। শুরু করলেন নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোঁজ-খবর। আসছে বদলির তদবিরসহ হরেক রকম তদবির থাকে। এর ফাঁকেই কথা বলা চলছে বাংলানিউজের সঙ্গেও। প্রচুর লোক তখন চারপাশে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কে বললেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পূর্ব দিকে হবিগঞ্জ, উত্তরে সুনামগঞ্জ, পশ্চিমে নেত্রকোনা। আগে পাঁচটা থানা ছিলো। এখন তিনটা-অষ্টগ্রাম, মিঠামইন আর ইটনা।”
“আমার নির্বাচনী এলাকা বিশাল এলাকা নিয়ে, কিশোরগঞ্জে ছয়জন এমপি আছেন। এর মধ্যে পাঁচজন আছেন ৬০ ভাগ এলাকা নিয়ে আর আমার ৪০ ভাগ এলাকা। আমার এলাকা অনেক বড়। ইটনা থেকে রায়টুটিই প্রায় ২০ মাইল। আর অন্য এলাকাতো আছেই। সব এলাকায় যাইতে পারি না। কাজও সমানভাবে করতে পারি না। এক এলাকায় করলে আরেক এলাকা বলে, আমাদের এখানে কাজ হয় না। অষ্টগ্রাম-মিঠামইন-ইটনা এইডা তিন সতীনের মতো। আমার তিন সতীনের ঘর।”
লেখাপড়া ও রাজনীতির শুরু
প্রাইমারির পড়াশোনা বাড়ি থেকে করেছি। হাইস্কুল ভৈরবে। পরে কিশোরগঞ্জর গুরুদয়াল কলেজ। কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলাম, জিএস ছিলাম। কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলাম আমি।
আমার কর্মীসভা অন্যের জনসভা
এর মধ্যেই বলে উঠলেন, “এখানে মানুষ যা আসার তার কিছুই আসেনি। যেমন আপনারা যারা বাইরে থেকে আসছেন, তারা হয়তো মনে করবেন জনপ্রিয়তার ধস নেমেছে। অন্যজেলার কর্মীসভা মানে আমার এখানে জনসভা। যোগাযোগের অসুবিধার কারণে এখানে লোকজনতো আসতে পারে না।”
“এবার আমি এখানে জনসভা করিনি। কারণ জনসভা হলেই দলীয় কর্মীরা লোক আনতে তাড়া লাগাবে। এখন কাজের সময়। এজন্য মত বিনিময় সভা করছি। স্থানীয় লোকজন যারা পারছে আসছে। কাজের সময় জনসভা করলে ক্ষতি; এলাকার মানুষের কাজের ক্ষতি হবে।”
কথার ফাঁকে ফাঁকে অন্যদের খবরও নিচ্ছিলেন হাওর এলাকার সবার ‘হামিদ ভাই’। ঢাকা থেকে আমাদের আসতে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা সে খবরটাও নিলেন।
বললেন, “আপনারা বোটে (ট্রলার) আসছেন বলে কষ্ট কম হয়েছে। স্পিডবোটে আসলে ঠাণ্ডা বেশি লাগতো। আমি বোটে কভার করতে পারি না। এজন্য কষ্ট হলেও স্পিডবোটে আসি। আসছি ১৮ তারিখ। যাবো ১ তারিখ। ১৩ দিন হয়েছে। সব এলাকা দেখতে পারিনি। ৫০ ভাগ এলাকায় মাত্র গিয়েছি। তাও শুধু ইউনিয়ন হেডকোয়ার্টারে। ২৪ টা ইউনিয়নের মধ্যে ইটনার ৪টি বাদ পড়েছে। এখানে নয়টা ইউনিয়ন। মিঠামইনে ইউনিয়ন ৭টা, যেতে পেরেছি ৪টায়। অষ্টগ্রামে ইউনিয়ন ৮টা, ৪টায় যেতে পেরেছি। ঠাণ্ডার কারণে সবগুলোতে যেতে পারছি না। তবুও চেষ্টা করছি...। দু:সাহস করে থেকে গেলাম আরকি।” সব জায়গায় না যেতে পারার একটা কষ্টও যেন ফুটে উঠলো আবদুল হামিদের চোখে।
এর ফাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাকে স্কুল পরিদর্শনের ও চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। মনকাড়া এক হাসি দিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় বললেন, “চা না খাই। তুমার এইডা দেইখ্যা গেলেইতো হইলো। চা আয়োজনের খরচ কইরা লাভডা কি? এইডাই ভালা তোমার স্কুল দেইখ্যা গেলাম।”
বলেই আমার দিকে ফিরে বললেন, “কাল যেতে হবে ধারা ইউনিয়নে। ওখানে একটি হাইস্কুল করছি। একদম হাওরের মধ্যে। আমাদের এখানে স্কুলগুলো অন্যভাবে করতে হয়। কারণ একতলা পর্যন্ত রুম করা যায় না। বর্ষার সময় পানিতে ডুবে যায়। বিল্ডিং হয় তিনতলা। আমার এখানে ব্যবহার হয় দুইতলা। এই হলো অবস্থা।”
এর ফাঁকে তার ব্যক্তিগত সহকারী হাবলুকে ডেকে বললেন, “চা নি খাওয়াইতে পারো। যারা কফি খায় তারারে কফি দাও। আমি চা খাবো।”
কথার ফাঁকে কিছুক্ষণ আগে ঘুরে আসা কির্তন আসরের কথাও বললেন। বললেন, “মহিলারা আমারে ভোট দেয়, কিন্তু তাদের সঙ্গে দেখা হয় না। এ ধরণের অনুষ্ঠানে গেলে দেখা হয়। সামাজিক অনুষ্ঠানতো, সবাই আসে।”
অনুষ্ঠানে টাকা বরাদ্দের প্রতিশ্রুতির না দেওয়ার বিষয়ে বললেন, “এভাবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক না। বললাম দিবো, কিন্তু দিতে যদি না পারি। আগে দেখি কতটাকা ম্যানেজ করতে পারি তার পরে দেখবো। ওদের লাগবে ১২ লাখ টাকা, আমাকে আগে দেখতে হবে টাকা কোথা থেকে জোগাড় হবে।”
‘চতুর্মুখী আক্রমণের মধ্যে আছি’
বর্ষায় হাওরের রূপ নিয়ে বললেন, “বর্ষার সময় ইট ইজ লাইক মালদ্বীপ। প্রত্যেক গ্রাম একটা দ্বীপ। ফ্রম ওয়ান ভিলেজ টু এনাদার ভিলেজ ইউ নিড বোট টু গো। আদারওয়াইজ সুইমিং। আমি নিজেও গেছিতো। ৪-৫ মাইল সাঁতরাইছি।এজন্যই এখনও বেঁচে আছি।”
আরো বললেন, “এখানে নদী ভাঙন আছে।একটা পুরো গ্রামই চলে যায় নদীর মধ্যে। বর্ষাকালে নদী ভাঙন হয় না। পানি উপর দিয়ে যায়। শুকনার সময় এটা হয়। বর্ষাকালে হইলো...সব গ্রামেতো প্রতিরক্ষা দেওয়াল নেই। কিছু কিছু গ্রামে করা হয়েছে। অধিকাংশ গ্রামই প্রতিরক্ষাবিহীণ। বর্ষার সময় প্রচ- ঢেউ হলে আবার ভাঙন হয়।”
“আরেকটি বিষয় হলো, ৬ মাস আমরা পানি নীচে থাকি। তার মানে একটা টার্মে (সরকারের মেয়াদ) আমি কাজ করার জন্য সময় পাই সর্বোচ্চ দুই বছরের মতো। এর বেশি পাই না। এখন উজান এলাকায়তো সারাবছরই কম-বেশি কাজ হয়। এখানে কিছুই করার উপায় নাই। সব রাস্তা থাকে পানির নীচে। শুধু ইউনিয়ন হেডকোয়ার্টারের কিছু জায়গা থাকে, আর তাও যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকে। তবে এখন ইটনার পূর্ব গ্রাম থেকে পশ্চিম গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা আছে। এরপরেও আবার ঝামেলা আছে, কিছু পাড়া আছে যেগুলোর সাথে রাস্তার সংযোগ নাই। এগুলি করতে পারছি না। কিছু কিছু এলাকায় জলে ডোবা রাস্তা(সাবমার্জড রোড) আছে। আর যেসব জায়গায় সরু রাস্তা আছে, সেখানে ইট বিছিয়ে কোনোরকম একটা ব্যবস্থা করতে বলেছি।”
ইটনা বাজারের দিকে দেখিয়ে বললেন, “এই বাজারটাও বর্ষায় বিলীন হয়ে যাবে। এখানে থাকবে না। এ হলো অবস্থা। বর্ষাকালে মানুষ মারা গেলে দাফন করারও জায়গা থাকে না। ঘেরাও দিলেও চিনে রাখার উপায় থাকে না। হিন্দুরাও পোড়ানোর জায়গা পায় না। জানাযা পড়ে লাশ ভাসিয়ে দিতে আমি নিজেও এক সময় দেখেছি। এখন আর সে অবস্থা নাই।এবার আমি কিছু টাকা নিছি। গোরস্থান আর শশ্মানের জন্য। জোর করে টাকা বরাদ্দ নিতে হয়েছে। তিন থানার জন্য ১৫ কোটি টাকা নিয়েছি। প্রটেকশন ওয়াল তুলে এখন ব্যবস্থা নিয়েছি। আর দেখা যায় শশ্মান একটা আছে অনেক দূরে। কিন্তু বর্ষার সময় যে ঝড় ওঠে তাতে পোড়াবে ক্যামনে, সলিল সমাধি হয়ে যাবে।”
“কবরস্থানের জন্য টাকা দেওয়ার সরকারের নিয়ম নেই, এটা আরেক সমস্যা। স্পেশাল এলাকা বলে একটা থোক বরাদ্দ আনছি। সংসদে কথার ফাঁকে ফাঁকে অনেকবার বলছি। আমি লিখে দিয়েছি থোক বরাদ্দের টাকাটা এইকাজে ব্যবহার করবো। আর বিকল্প কিছু ছিলো না।”
“আমি এখানে আসলে আমার থাকার জায়গা ছাড়া আর কোনো জায়গা পাওয়া যায় না। এবার এসেই এই ডাকবাংলো উদ্বোধন করলাম। এটা না থাকলে, আপনারা যে আইছেন আপনাদের প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি বণ্টন করা লাগতো। বিভিন্ন লোকজনের বাড়িতে বণ্টণ করা লাগতো। তিন থানায় তিনটা এমন ডাকবাংলো করছি।”
“আমাদের ফসলের কথা শুনবেন, একটা সময় আসে যখন জমিতে পানি দেওয়া লাগে কিন্তু দিতে পারি না। অনেক সংগ্রাম করে পানি নিতে হয়। দূর থেকে পানি নিতে হয়। তিনটা মেশিন ব্যবহার করেও পানি নেওয়া লাগে। আবার দেখা গেলো, ফসল পাইক্যা গেলোগা, হঠাৎ কইরা বন্যা। সব ডুবায়ে গেলো। ফসলই আমার মাইর গেলো। একটা মাত্র ফসল, বোরো। আল্লাহর গজব পড়লে শিলাবৃষ্টি। চতুর্মুখী আক্রমণের মধ্যে আছি আর কি!”
‘সচিব সাহেবরা হাওর বোঝে না না’
“আমাদের দূর্ভাগ্য হলো কি, মন্ত্রণালয়ে যারা সচিব সাহেব বসেন, হাওরের এলাকা যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের এলাকা তারা সেটা জানে না। আমাদের দেশের যে মন্ত্রী হয় তারাও বোঝে না। দে ক্যান’ট রিয়ালাইজ ইট অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ড দিস। চামড়াঘাট থেকে এখানে আসতে অনেক সরকারি কর্মচারী ঝড়-তুফানে নৌকাডুবি-লঞ্চডুবিতে মারা গেছে। এটা রিস্কি এলাকা। ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম তিনটাই রিস্কি এলাকা। এখানে কোনো কর্মকর্তাকে বদলি করলে থাকতে চায় না। তাড়াতাড়ি কেমনে যাইবো, হেই তালে থাহে। আমার ইএনও সাহেব কয়, ‘দুই-আড়াই বছর হইছে, আর কত দিন থাকবো।’ হেয় যাইবার ভাও করতাছে। আমি তখন বললাম, আমি লোকটা কি এতই খারাপ? আমারে ছাইড়া যাইবার চান।”
শ্বশুরবাড়ি শুকনা এলাকায়!
আবারও ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে ফিরে গেলেন। আলোচনায় আসলো শ্বশুর বাড়ি প্রসঙ্গও। বললেন, “আপনি যে রাস্তা (করিমগঞ্জ) দিয়ে আইছেন ওই রাস্তায়ই শ্বশুরবাড়ি।”
অট্টহাসি দিয়ে বললেন, “এইডা হয়ে গেছে। আমিতো এলাকা পছন্দ করি নাই। যারে পছন্দ করছি, তার বাড়ি ওই এলাকায় পড়ছে। আমি কি করতাম (কিশোরগঞ্জের ভাষায় এ বাক্যের অর্থ: “আমার কি করার আছে!’’)। সুবিধা হইছে, শ্বশুর বাড়ীর পরেই কিশোরগঞ্জ সদর।”
করিমগঞ্জ এলাকার এমপি জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর কথা উঠতেই বললেন, “ওদেরতো সুবিধা, সহালে আইসা বিহালে জায়গা (সকালে এসে বিকালে চলে যায়)। আমি পারি না। আসতেই রাত হয়। তারপর কাজ।”
এর মধ্যে একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, “এই রাইতে কি মাছ মারা দ্যাখতে পারবো হ্যারা (ওরা)?”
উত্তর এলো: ‘‘রাতে না সকালে।’’ বললেন, “তাইলে সকলে মাছ মারা দেইখ্যা, নাস্তা কইরা পরে যাইয়েন।”
বললেন, “এখন আর সেরকম মাছ পাওয়া যায় না। আগে বহু মাছ পাওয়া যাইতো। রানী মাছ, খইলস্যা মাছ দেখি নাই বহুদিন। কৈ মাছও পাওয়া যায় না এখন।”
বললেন, “আমি যেসব জায়গায় সেখানে বলছি, কৃত্রিম জুস, বিদেশ থেকে আপেল, কমলা না খাওয়ার জন্য। এসব খাইলে যে, ক্যান্সার হয় সেটাও বলছি। তাছাড়া মাছ রক্ষার জন্য কারেন্ট জাল ব্যববহার বন্ধ করতে বলেছি। আরে কারেন্ট জাল ব্যবহার করলেতো মাছ শেষ হয়ে যাবে।”
এর ফাঁকেই সংসদে সম্প্রতি ৪র্থ শ্রেণীর নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলেন একান্ত সচিব জয়নাল আবেদিনের কাছে (আমাদের সফরের মূল উদ্যোক্তা)। কথা বলতে বলতে এক নারী আসলেন বদলির তদবির নিয়ে। অনেক বছর ইটনায় আছেন। এখন যেতে চান।
সব শুনে বললেন, “আপনে গ্যালে বাচ্চাদের লেখাপড়া কিভাবে হবে? আপনিতো ভালো শিক্ষক। থাহেন আপনে। আগেও কইছেন, কিন্তু কিছু করতে পারি নাই।”
কথা প্রসঙ্গে হাঁস পালনের কথা উঠলে নিজেই বলা শুরু করলেন, “এখানে সহজে হাঁস পালা যায় না। যখন ঢেউ আসে সব অন্যদিকে নিয়ে যায়। আমাদের বাড়িতেও কিছু রাজহাঁস ছিলো। কিন্তু তুফানে কোই যে গেলো আর পাওয়া গেলো না।”
‘১৩ ঘণ্টা পানিতে ছিলাম’
কথা বলতে বলতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন নিজের শৈশবের দুরন্তপনার বর্ণনায়। বললেন, “সাতাঁর দিয়ে বহুবার হাঁস ধরেছি। আমি একাধারে ১৩ ঘণ্টা পানিতে ছিলাম। মাটি স্পর্শ না করে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাকস্ট্রোক সাঁতারে প্রথম ছিলাম। ফ্রি-স্টাইলে সেকেন্ড ছিলাম। বহুবার অনেক দূর থেকে সাঁতরে বাড়ি গিয়েছি। আর মিঠামইন বাজার থেকে সাঁতার দিয়ে প্রায়ই বাড়ি যেতাম। নদী এপার ওপার করছি ৫০-৬০ বার।”
“আমাদের এখানে সবাই সাঁতার জানে। তবে বয়স হলে আর পারা যায় না। সুইমিং ইজ দ্যা বেস্ট এক্সসারসাইজ। একারণে এখনও চলাফেরা করতে পারি। তবে ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারি না। অন্যকিছুতে সমস্যা হয় না। যে ঠাণ্ডা পড়ছে তাতে রুম হিটারেও কাজ হয় না। বাংলাদেশে যেভাবে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হইছে (হয়েছে), তাতে ভয় লাগে।”
“আমার এখানে হাওরের ব্যাপ্তি বিশাল কোথাও ১০ মাইল কোথাও ২০ মাইল। স্টিমারও অনেক সময় দেখা যায় না।”
‘লিডার কেক কাটবো আপনারা থাকবাইন’
“১ জানুয়ারি লিডারের জন্মদিন। হেয় তো যাইবোগা আইজ। ঢাহা তুন কেক আনাইছি। লিডার কাডবো।
আপনারা
থাকবাইন।” কথাগুলো এক দমে বললেন কবীর হোসেন। স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী।
লিডারকে জন্মদিনে পাবে না বলেই আগেভাগে পালন করতে চান তিনি। সবাইকে বললেন
সেকথা। তাই ৩০ ডিসেম্বর নেতাকে দিয়ে জন্মদিনের কে কাটালো ইটনার মানুষজন।
নিজ হাতে কেক কেটে প্রায় সকলকে খাওয়ালেন আবদুল হামিদ। এতেই খুশি সবাই। আর যেনো কিছু চাওয়ার নেই। পাশে যেতেই বললেন, “হাওরের মানুষ বেশি কিছু চায় না। অনেকে অনেক অভিযোগ নিয়ে আসে। আমি হয়তো সব সমাধান করতে পারি না। তবে তার জন্য এদের কষ্ট নেই। আমাকে বলছে, এটাই তার সমাধান।”
তার কথার প্রতিধ্বনি পেলাম রিকশাচালক দুলাল মিয়ার কাছে। জানতে চাইলাম “আপনাদের সব সমস্যার সমাধান স্পিকার সাহেব করতে পারেন?” দুলাল মিয়া বললো, “হামিদ ভাইরে আমরা কইয়া ফালাই। তাইনের সময় কম। তয় একবার শুনছে যহন, কাম অইবো। দেরি হইলে হউক। সময় হইলে লিডার ঠিকই কাম করবো।”
‘মিষ্টি খাওনের টেহা পাডামুনে’
৩০ ডিসেম্বর ইটনা ছাড়বেন স্পিকার। সকাল থেকেই ডাকবাংলোয় প্রচুর মানুষের ভীড়। দুপুর একটায় গেলেন আগের দিন কথা দেওয়া স্কুল পরিদর্শনে। সঙ্গে আমিসহ আরো কয়েকশ’ মানুষ। সবাই এসেছেন ‘লিডার’কে বিদায় জানাতে।
ইটনা অক্সফোর্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল। স্কুলের সাইন বোর্ড দেখিয়ে বললেন, “হাওর হইলে কি হইবো, এহানে অক্সফোর্ড আছে!”
দুর থেকে তখন কানে আসছে শিশুদের সমস্বরে চিৎকার, “স্পিকার সাহেবের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।”
স্কুল প্রাঙ্গনে গিয়েই প্রধান শিক্ষককে বললেন, “বাচ্চাদের শীতে বাইরে আনছেন ক্যান। ভিতরে লইয়া যান।” এরপর শিশুদের উদ্দেশ্যে বললেন, “দেখলামতো তোমাদের, এখন যাও। শীত পড়ছে। আর কি, আমি মিষ্টি খাওয়ার টেহা পাডামুনে। যাও গিয়া।”
স্কুল থেকে বেরিয়ে হাঁটা শুরু করলেন নৌকাঘাটের দিকে। যাবেন ধরলা। বোটে ওঠার আগে বললেন, “আমি যাই। আপনাদের কষ্ট করতে হলো অনেক। তবে বর্ষায় আইসেন। তখন দ্যাখবেন হাওরের রূপ।” বলেই তার সহকারী একান্ত সচিব কামরুল হাসান চৌধুরীকে বললেন, “কামরুল, এদের বর্ষায় হাওড়ে আনার বেবস্থা কইরো।”
যতদূর পারা যায় সবার সঙ্গে করমর্দন করে উঠলেন স্পিডবোটে। হাত নাড়তে থাকলেন ক্রমাগত। যতক্ষণ বোট দেখা যায় ততক্ষণ ঘাটে দাঁড়িয়ে রইলো ইটনার মানুষ। এরা সবাই ‘হামিদ ভাইয়ের লোক’।
স্বভাবসুলভ হাস্যরস ছড়ানো মানুষটি প্রয়োজনে দারুন কঠোর হতে সময় নেন না। সুইচ টিপে নিয়ন্ত্রণ করেন বাঘা রাজনীতিকদের। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট।
সুযোগ পেলেই ছুটে যান নিজ এলাকায়। হাওরের বাতাস তাকে টানে। টানে সেখানকরা জল মাটির সোঁদা গন্ধ। গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রায় পক্ষ কাল তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত হাওর এলাকায়। এলাকার মানুষের টানে গিয়েছেন নিজ নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন আর অষ্টগ্রাম উপজেলায়। সত্তরোর্ধ বয়সে শীতটা মাঝে মাঝে কাহিল করে ফেলে। তা হলেও হাওর বাওরে শীতেই তো জমে দারুণ। মাছ ধরা, শীতের পিঠা, নবান্ন এসব কিছুই তাকে টেনে নেয় সেই এলাকায়। কনকনে শীত উপেক্ষা করে আনন্দে কাটে সময়। সময় কাটান গান-কীর্তনের আসরেও।
ইটনা সফরের এই সময়টিতে সফরসঙ্গী হন বাংলানিউজের এই প্রতিবেদক। সেখানে নিজের শৈশব, কৈশোর, যৌবনের দিনগুলোর কথা বাংলানিউজকে বলেন আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট। দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে আসে ওই জনপদের সমস্যা, সম্ভাবনা, দুর্দশার কথা। কিছুটা বলেছেন নিজের মনের দুঃখ কষ্ট, আর হাওরের মানুষ নিয়ে তার সেইসব স্বপ্নের কথা যা আজও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
যাত্রা শুরু
গোধূলি লগ্ন চলছে তখন। সন্ধ্যার খানিক আগেই করিমগঞ্জের চামড়াঘাট এলাকায় পৌঁছালাম। গন্তব্য প্রত্যন্ত হাওর এলাকা ইটনা। সেখানেই জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ছুটি কাটাচ্ছেন। ধনু নদীতে ট্রলার ছাড়তেই বুঝে গেলাম শীতের শীব্রতা। ট্রলারের লোকজন বললেন ইটনা যেতে লাগবে দুই ঘণ্টা। চারিদিকে নিবিড় প্রশান্তিময় এক পরিবেশ। পাখিরা ফিরছে নীড়ে। ট্রলার চলছে আর বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সফরসঙ্গীরা অনেকেই ট্রলারের ছোট্ট রুমে আশ্রয় নিয়েছে। শীত এক পর্যায়ে আমাকেও ঠেলে পাঠালো সেখানে। ততক্ষণে রাত নেমেছে। আবারই বাইরে বের হয়ে মনে হলো-জীবন যেন পূর্ণ আমার। লালচে চাঁদটা যেন এক পাশ থেকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
‘আরে বাবা সাংঘাতিক আইছে’
দেখতে দেখতে পৌছে গেলাম ইটনা বাজারের ঘাটে। ট্রলার ভিড়তেই কানে এলো, ‘সর, সর স্পিকারের মে(হ)মান আইছে।’
ঘাটের পাশেই নব নির্মিত ‘ইটনা ডাকবাংলো’। উদ্বোধন ফলকে তারিখ দেখলাম ৩০ ডিসেম্বর। উদ্বোধক ‘জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার আবদুল হামিদ’। আরে আমিতো যাবো তারই কাছে। উপরে নীচে প্রচুর মানুষ। সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠতেই আমাদের কয়েকশ মানুষ ঠেলে যেতে হলো। উঠতেই চোখে পড়লো ভুবন ভোলানো সেই হাসি। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে পুরো শরীর ঢাকা। বললেন, “আরে বাবা সাংঘাতিক (সাংবাদিক) আইছে। খুব খুশি হইলাম।”
বললাম, “আমি গত মাসে বলেছিলাম আসবো, চলে এলাম।” উত্তরে বললেন, “ইউ আর ভেরি প্রম্পট ইয়ংম্যান। আই লাইক ইট।” এরপর নিজেই বললেন ফ্রেশ হয়ে আসতে।
হামিদ ‘ভাই’কে নিয়ে শ্লোক
এখানে এসে শুনলাম আবুদল হামিদকে নিয়ে একটি শ্লোক। “লাগে চাচা, ডাহি (ডাকি) ভাই। তাইনে আমরার হামিদ ভাই” (সম্পর্কে চাচা, ডাকি ভাই, তিনি আমাদের হামিদ ভাই)।’ পরে শুনলাম এই শ্লোকের সৃষ্টি রহস্য। আবদুল হামিদের সঙ্গে রাজনীতি যারা করেছেন, তাদের অনেকেরই ছেলে এমনকি নাতি একজন তার কর্মী। তাই মজা করে এই শ্লোক।
ডাকবাংলোতেই একজন বললেন, “স্যার ডাকতাছে।” যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উঠে বললেন, “কীর্তন শুনি, চলেন।” এমন সুযোগ যাতে কোনভাবেই ফসকে না যায় সেজন্য প্রায় দৌড়েই তার পাশে দাঁড়িয়ে পড়লাম। রিকশায় ওঠার আগে দেখালেন ইটনা বাজার। বললেন, “এই যে বাজার, এইডা পার্মানেন্ট না। বর্ষায় পানি আসলে থাকে না।” রিকশা যাচ্ছে ইটনা পূর্ব গ্রাম। পাঁচ মিনিটের রাস্তা। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচবার রিকশা থেকে খবর নিলের আমরা ঠিক আছি কিনা।
কীর্তন আসরে কাছাকাছি পৌছাতেই কানে এলো, “হামিদ ভাই আইছে, হামিদ ভাই আইছে।” রিকশা থেকে নেমে সবার সঙ্গে হাত মেলালেন। মানুষের ঢল তাকে দেখবার জন্য। প্যান্ডেলের ভেতরে চলছে সাতক্ষীরার রাজীব দাসের কীর্তন। মাঝপথে থামিয়ে আয়োজকরা তাদের ‘হামিদ ভাই’কে নিয়ে গেলেন মাঝখানে। সবার আগ্রহ তার কথা শোনার।
সরকার একা কেন স্বর্গে যাবে?
যথারীতি হাস্যরস আর স্বভাবসুলভ হাসিসহ বক্তব্য দিলেন। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা নাট মন্দির নির্মাণে টাকা বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি চাইলে বললেন, “প্রতিশ্রুতি আমি দিতে পারবো না। কত দেবো সেটা বলতে পারবো না। তবে দেবো। সরকারের পাশাপশি আপনারও এগিয়ে আসেন। আর ধর্মীয় কাজে টাকা দিলে স্বর্গে যাওয়া যায়। তাহলে আপনারা শুধু সরকারকে স্বর্গে নেবেন কেন? আপনারাও সহযোগী হন।” হাসির রোল পড়লো চারিদিকে এক ফাঁকে বললেন, “আমার সঙ্গে ঢাকার সাংবাদিকরা আছেন। তারা যে কষ্ট করে এই হাওর এলাকায় আসছে, তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।”
ডাকবাংলোয় এসে আমাকে পাশে নিয়ে বসলেন। শুরু করলেন নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোঁজ-খবর। আসছে বদলির তদবিরসহ হরেক রকম তদবির থাকে। এর ফাঁকেই কথা বলা চলছে বাংলানিউজের সঙ্গেও। প্রচুর লোক তখন চারপাশে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কে বললেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পূর্ব দিকে হবিগঞ্জ, উত্তরে সুনামগঞ্জ, পশ্চিমে নেত্রকোনা। আগে পাঁচটা থানা ছিলো। এখন তিনটা-অষ্টগ্রাম, মিঠামইন আর ইটনা।”
“আমার নির্বাচনী এলাকা বিশাল এলাকা নিয়ে, কিশোরগঞ্জে ছয়জন এমপি আছেন। এর মধ্যে পাঁচজন আছেন ৬০ ভাগ এলাকা নিয়ে আর আমার ৪০ ভাগ এলাকা। আমার এলাকা অনেক বড়। ইটনা থেকে রায়টুটিই প্রায় ২০ মাইল। আর অন্য এলাকাতো আছেই। সব এলাকায় যাইতে পারি না। কাজও সমানভাবে করতে পারি না। এক এলাকায় করলে আরেক এলাকা বলে, আমাদের এখানে কাজ হয় না। অষ্টগ্রাম-মিঠামইন-ইটনা এইডা তিন সতীনের মতো। আমার তিন সতীনের ঘর।”
লেখাপড়া ও রাজনীতির শুরু
প্রাইমারির পড়াশোনা বাড়ি থেকে করেছি। হাইস্কুল ভৈরবে। পরে কিশোরগঞ্জর গুরুদয়াল কলেজ। কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলাম, জিএস ছিলাম। কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলাম আমি।
আমার কর্মীসভা অন্যের জনসভা
এর মধ্যেই বলে উঠলেন, “এখানে মানুষ যা আসার তার কিছুই আসেনি। যেমন আপনারা যারা বাইরে থেকে আসছেন, তারা হয়তো মনে করবেন জনপ্রিয়তার ধস নেমেছে। অন্যজেলার কর্মীসভা মানে আমার এখানে জনসভা। যোগাযোগের অসুবিধার কারণে এখানে লোকজনতো আসতে পারে না।”
“এবার আমি এখানে জনসভা করিনি। কারণ জনসভা হলেই দলীয় কর্মীরা লোক আনতে তাড়া লাগাবে। এখন কাজের সময়। এজন্য মত বিনিময় সভা করছি। স্থানীয় লোকজন যারা পারছে আসছে। কাজের সময় জনসভা করলে ক্ষতি; এলাকার মানুষের কাজের ক্ষতি হবে।”
কথার ফাঁকে ফাঁকে অন্যদের খবরও নিচ্ছিলেন হাওর এলাকার সবার ‘হামিদ ভাই’। ঢাকা থেকে আমাদের আসতে কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা সে খবরটাও নিলেন।
বললেন, “আপনারা বোটে (ট্রলার) আসছেন বলে কষ্ট কম হয়েছে। স্পিডবোটে আসলে ঠাণ্ডা বেশি লাগতো। আমি বোটে কভার করতে পারি না। এজন্য কষ্ট হলেও স্পিডবোটে আসি। আসছি ১৮ তারিখ। যাবো ১ তারিখ। ১৩ দিন হয়েছে। সব এলাকা দেখতে পারিনি। ৫০ ভাগ এলাকায় মাত্র গিয়েছি। তাও শুধু ইউনিয়ন হেডকোয়ার্টারে। ২৪ টা ইউনিয়নের মধ্যে ইটনার ৪টি বাদ পড়েছে। এখানে নয়টা ইউনিয়ন। মিঠামইনে ইউনিয়ন ৭টা, যেতে পেরেছি ৪টায়। অষ্টগ্রামে ইউনিয়ন ৮টা, ৪টায় যেতে পেরেছি। ঠাণ্ডার কারণে সবগুলোতে যেতে পারছি না। তবুও চেষ্টা করছি...। দু:সাহস করে থেকে গেলাম আরকি।” সব জায়গায় না যেতে পারার একটা কষ্টও যেন ফুটে উঠলো আবদুল হামিদের চোখে।
এর ফাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাকে স্কুল পরিদর্শনের ও চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। মনকাড়া এক হাসি দিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় বললেন, “চা না খাই। তুমার এইডা দেইখ্যা গেলেইতো হইলো। চা আয়োজনের খরচ কইরা লাভডা কি? এইডাই ভালা তোমার স্কুল দেইখ্যা গেলাম।”
বলেই আমার দিকে ফিরে বললেন, “কাল যেতে হবে ধারা ইউনিয়নে। ওখানে একটি হাইস্কুল করছি। একদম হাওরের মধ্যে। আমাদের এখানে স্কুলগুলো অন্যভাবে করতে হয়। কারণ একতলা পর্যন্ত রুম করা যায় না। বর্ষার সময় পানিতে ডুবে যায়। বিল্ডিং হয় তিনতলা। আমার এখানে ব্যবহার হয় দুইতলা। এই হলো অবস্থা।”
এর ফাঁকে তার ব্যক্তিগত সহকারী হাবলুকে ডেকে বললেন, “চা নি খাওয়াইতে পারো। যারা কফি খায় তারারে কফি দাও। আমি চা খাবো।”
কথার ফাঁকে কিছুক্ষণ আগে ঘুরে আসা কির্তন আসরের কথাও বললেন। বললেন, “মহিলারা আমারে ভোট দেয়, কিন্তু তাদের সঙ্গে দেখা হয় না। এ ধরণের অনুষ্ঠানে গেলে দেখা হয়। সামাজিক অনুষ্ঠানতো, সবাই আসে।”
অনুষ্ঠানে টাকা বরাদ্দের প্রতিশ্রুতির না দেওয়ার বিষয়ে বললেন, “এভাবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক না। বললাম দিবো, কিন্তু দিতে যদি না পারি। আগে দেখি কতটাকা ম্যানেজ করতে পারি তার পরে দেখবো। ওদের লাগবে ১২ লাখ টাকা, আমাকে আগে দেখতে হবে টাকা কোথা থেকে জোগাড় হবে।”
‘চতুর্মুখী আক্রমণের মধ্যে আছি’
বর্ষায় হাওরের রূপ নিয়ে বললেন, “বর্ষার সময় ইট ইজ লাইক মালদ্বীপ। প্রত্যেক গ্রাম একটা দ্বীপ। ফ্রম ওয়ান ভিলেজ টু এনাদার ভিলেজ ইউ নিড বোট টু গো। আদারওয়াইজ সুইমিং। আমি নিজেও গেছিতো। ৪-৫ মাইল সাঁতরাইছি।এজন্যই এখনও বেঁচে আছি।”
আরো বললেন, “এখানে নদী ভাঙন আছে।একটা পুরো গ্রামই চলে যায় নদীর মধ্যে। বর্ষাকালে নদী ভাঙন হয় না। পানি উপর দিয়ে যায়। শুকনার সময় এটা হয়। বর্ষাকালে হইলো...সব গ্রামেতো প্রতিরক্ষা দেওয়াল নেই। কিছু কিছু গ্রামে করা হয়েছে। অধিকাংশ গ্রামই প্রতিরক্ষাবিহীণ। বর্ষার সময় প্রচ- ঢেউ হলে আবার ভাঙন হয়।”
“আরেকটি বিষয় হলো, ৬ মাস আমরা পানি নীচে থাকি। তার মানে একটা টার্মে (সরকারের মেয়াদ) আমি কাজ করার জন্য সময় পাই সর্বোচ্চ দুই বছরের মতো। এর বেশি পাই না। এখন উজান এলাকায়তো সারাবছরই কম-বেশি কাজ হয়। এখানে কিছুই করার উপায় নাই। সব রাস্তা থাকে পানির নীচে। শুধু ইউনিয়ন হেডকোয়ার্টারের কিছু জায়গা থাকে, আর তাও যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকে। তবে এখন ইটনার পূর্ব গ্রাম থেকে পশ্চিম গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা আছে। এরপরেও আবার ঝামেলা আছে, কিছু পাড়া আছে যেগুলোর সাথে রাস্তার সংযোগ নাই। এগুলি করতে পারছি না। কিছু কিছু এলাকায় জলে ডোবা রাস্তা(সাবমার্জড রোড) আছে। আর যেসব জায়গায় সরু রাস্তা আছে, সেখানে ইট বিছিয়ে কোনোরকম একটা ব্যবস্থা করতে বলেছি।”
ইটনা বাজারের দিকে দেখিয়ে বললেন, “এই বাজারটাও বর্ষায় বিলীন হয়ে যাবে। এখানে থাকবে না। এ হলো অবস্থা। বর্ষাকালে মানুষ মারা গেলে দাফন করারও জায়গা থাকে না। ঘেরাও দিলেও চিনে রাখার উপায় থাকে না। হিন্দুরাও পোড়ানোর জায়গা পায় না। জানাযা পড়ে লাশ ভাসিয়ে দিতে আমি নিজেও এক সময় দেখেছি। এখন আর সে অবস্থা নাই।এবার আমি কিছু টাকা নিছি। গোরস্থান আর শশ্মানের জন্য। জোর করে টাকা বরাদ্দ নিতে হয়েছে। তিন থানার জন্য ১৫ কোটি টাকা নিয়েছি। প্রটেকশন ওয়াল তুলে এখন ব্যবস্থা নিয়েছি। আর দেখা যায় শশ্মান একটা আছে অনেক দূরে। কিন্তু বর্ষার সময় যে ঝড় ওঠে তাতে পোড়াবে ক্যামনে, সলিল সমাধি হয়ে যাবে।”
“কবরস্থানের জন্য টাকা দেওয়ার সরকারের নিয়ম নেই, এটা আরেক সমস্যা। স্পেশাল এলাকা বলে একটা থোক বরাদ্দ আনছি। সংসদে কথার ফাঁকে ফাঁকে অনেকবার বলছি। আমি লিখে দিয়েছি থোক বরাদ্দের টাকাটা এইকাজে ব্যবহার করবো। আর বিকল্প কিছু ছিলো না।”
“আমি এখানে আসলে আমার থাকার জায়গা ছাড়া আর কোনো জায়গা পাওয়া যায় না। এবার এসেই এই ডাকবাংলো উদ্বোধন করলাম। এটা না থাকলে, আপনারা যে আইছেন আপনাদের প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি বণ্টন করা লাগতো। বিভিন্ন লোকজনের বাড়িতে বণ্টণ করা লাগতো। তিন থানায় তিনটা এমন ডাকবাংলো করছি।”
“আমাদের ফসলের কথা শুনবেন, একটা সময় আসে যখন জমিতে পানি দেওয়া লাগে কিন্তু দিতে পারি না। অনেক সংগ্রাম করে পানি নিতে হয়। দূর থেকে পানি নিতে হয়। তিনটা মেশিন ব্যবহার করেও পানি নেওয়া লাগে। আবার দেখা গেলো, ফসল পাইক্যা গেলোগা, হঠাৎ কইরা বন্যা। সব ডুবায়ে গেলো। ফসলই আমার মাইর গেলো। একটা মাত্র ফসল, বোরো। আল্লাহর গজব পড়লে শিলাবৃষ্টি। চতুর্মুখী আক্রমণের মধ্যে আছি আর কি!”
“আমাদের দূর্ভাগ্য হলো কি, মন্ত্রণালয়ে যারা সচিব সাহেব বসেন, হাওরের এলাকা যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের এলাকা তারা সেটা জানে না। আমাদের দেশের যে মন্ত্রী হয় তারাও বোঝে না। দে ক্যান’ট রিয়ালাইজ ইট অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ড দিস। চামড়াঘাট থেকে এখানে আসতে অনেক সরকারি কর্মচারী ঝড়-তুফানে নৌকাডুবি-লঞ্চডুবিতে মারা গেছে। এটা রিস্কি এলাকা। ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম তিনটাই রিস্কি এলাকা। এখানে কোনো কর্মকর্তাকে বদলি করলে থাকতে চায় না। তাড়াতাড়ি কেমনে যাইবো, হেই তালে থাহে। আমার ইএনও সাহেব কয়, ‘দুই-আড়াই বছর হইছে, আর কত দিন থাকবো।’ হেয় যাইবার ভাও করতাছে। আমি তখন বললাম, আমি লোকটা কি এতই খারাপ? আমারে ছাইড়া যাইবার চান।”
শ্বশুরবাড়ি শুকনা এলাকায়!
আবারও ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে ফিরে গেলেন। আলোচনায় আসলো শ্বশুর বাড়ি প্রসঙ্গও। বললেন, “আপনি যে রাস্তা (করিমগঞ্জ) দিয়ে আইছেন ওই রাস্তায়ই শ্বশুরবাড়ি।”
অট্টহাসি দিয়ে বললেন, “এইডা হয়ে গেছে। আমিতো এলাকা পছন্দ করি নাই। যারে পছন্দ করছি, তার বাড়ি ওই এলাকায় পড়ছে। আমি কি করতাম (কিশোরগঞ্জের ভাষায় এ বাক্যের অর্থ: “আমার কি করার আছে!’’)। সুবিধা হইছে, শ্বশুর বাড়ীর পরেই কিশোরগঞ্জ সদর।”
করিমগঞ্জ এলাকার এমপি জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর কথা উঠতেই বললেন, “ওদেরতো সুবিধা, সহালে আইসা বিহালে জায়গা (সকালে এসে বিকালে চলে যায়)। আমি পারি না। আসতেই রাত হয়। তারপর কাজ।”
এর মধ্যে একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, “এই রাইতে কি মাছ মারা দ্যাখতে পারবো হ্যারা (ওরা)?”
উত্তর এলো: ‘‘রাতে না সকালে।’’ বললেন, “তাইলে সকলে মাছ মারা দেইখ্যা, নাস্তা কইরা পরে যাইয়েন।”
বললেন, “এখন আর সেরকম মাছ পাওয়া যায় না। আগে বহু মাছ পাওয়া যাইতো। রানী মাছ, খইলস্যা মাছ দেখি নাই বহুদিন। কৈ মাছও পাওয়া যায় না এখন।”
বললেন, “আমি যেসব জায়গায় সেখানে বলছি, কৃত্রিম জুস, বিদেশ থেকে আপেল, কমলা না খাওয়ার জন্য। এসব খাইলে যে, ক্যান্সার হয় সেটাও বলছি। তাছাড়া মাছ রক্ষার জন্য কারেন্ট জাল ব্যববহার বন্ধ করতে বলেছি। আরে কারেন্ট জাল ব্যবহার করলেতো মাছ শেষ হয়ে যাবে।”
এর ফাঁকেই সংসদে সম্প্রতি ৪র্থ শ্রেণীর নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলেন একান্ত সচিব জয়নাল আবেদিনের কাছে (আমাদের সফরের মূল উদ্যোক্তা)। কথা বলতে বলতে এক নারী আসলেন বদলির তদবির নিয়ে। অনেক বছর ইটনায় আছেন। এখন যেতে চান।
সব শুনে বললেন, “আপনে গ্যালে বাচ্চাদের লেখাপড়া কিভাবে হবে? আপনিতো ভালো শিক্ষক। থাহেন আপনে। আগেও কইছেন, কিন্তু কিছু করতে পারি নাই।”
কথা প্রসঙ্গে হাঁস পালনের কথা উঠলে নিজেই বলা শুরু করলেন, “এখানে সহজে হাঁস পালা যায় না। যখন ঢেউ আসে সব অন্যদিকে নিয়ে যায়। আমাদের বাড়িতেও কিছু রাজহাঁস ছিলো। কিন্তু তুফানে কোই যে গেলো আর পাওয়া গেলো না।”
‘১৩ ঘণ্টা পানিতে ছিলাম’
কথা বলতে বলতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন নিজের শৈশবের দুরন্তপনার বর্ণনায়। বললেন, “সাতাঁর দিয়ে বহুবার হাঁস ধরেছি। আমি একাধারে ১৩ ঘণ্টা পানিতে ছিলাম। মাটি স্পর্শ না করে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাকস্ট্রোক সাঁতারে প্রথম ছিলাম। ফ্রি-স্টাইলে সেকেন্ড ছিলাম। বহুবার অনেক দূর থেকে সাঁতরে বাড়ি গিয়েছি। আর মিঠামইন বাজার থেকে সাঁতার দিয়ে প্রায়ই বাড়ি যেতাম। নদী এপার ওপার করছি ৫০-৬০ বার।”
“আমাদের এখানে সবাই সাঁতার জানে। তবে বয়স হলে আর পারা যায় না। সুইমিং ইজ দ্যা বেস্ট এক্সসারসাইজ। একারণে এখনও চলাফেরা করতে পারি। তবে ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারি না। অন্যকিছুতে সমস্যা হয় না। যে ঠাণ্ডা পড়ছে তাতে রুম হিটারেও কাজ হয় না। বাংলাদেশে যেভাবে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হইছে (হয়েছে), তাতে ভয় লাগে।”
“আমার এখানে হাওরের ব্যাপ্তি বিশাল কোথাও ১০ মাইল কোথাও ২০ মাইল। স্টিমারও অনেক সময় দেখা যায় না।”
‘লিডার কেক কাটবো আপনারা থাকবাইন’
“১ জানুয়ারি লিডারের জন্মদিন। হেয় তো যাইবোগা আইজ। ঢাহা তুন কেক আনাইছি। লিডার কাডবো।
নিজ হাতে কেক কেটে প্রায় সকলকে খাওয়ালেন আবদুল হামিদ। এতেই খুশি সবাই। আর যেনো কিছু চাওয়ার নেই। পাশে যেতেই বললেন, “হাওরের মানুষ বেশি কিছু চায় না। অনেকে অনেক অভিযোগ নিয়ে আসে। আমি হয়তো সব সমাধান করতে পারি না। তবে তার জন্য এদের কষ্ট নেই। আমাকে বলছে, এটাই তার সমাধান।”
তার কথার প্রতিধ্বনি পেলাম রিকশাচালক দুলাল মিয়ার কাছে। জানতে চাইলাম “আপনাদের সব সমস্যার সমাধান স্পিকার সাহেব করতে পারেন?” দুলাল মিয়া বললো, “হামিদ ভাইরে আমরা কইয়া ফালাই। তাইনের সময় কম। তয় একবার শুনছে যহন, কাম অইবো। দেরি হইলে হউক। সময় হইলে লিডার ঠিকই কাম করবো।”
‘মিষ্টি খাওনের টেহা পাডামুনে’
৩০ ডিসেম্বর ইটনা ছাড়বেন স্পিকার। সকাল থেকেই ডাকবাংলোয় প্রচুর মানুষের ভীড়। দুপুর একটায় গেলেন আগের দিন কথা দেওয়া স্কুল পরিদর্শনে। সঙ্গে আমিসহ আরো কয়েকশ’ মানুষ। সবাই এসেছেন ‘লিডার’কে বিদায় জানাতে।
ইটনা অক্সফোর্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল। স্কুলের সাইন বোর্ড দেখিয়ে বললেন, “হাওর হইলে কি হইবো, এহানে অক্সফোর্ড আছে!”
দুর থেকে তখন কানে আসছে শিশুদের সমস্বরে চিৎকার, “স্পিকার সাহেবের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।”
স্কুল প্রাঙ্গনে গিয়েই প্রধান শিক্ষককে বললেন, “বাচ্চাদের শীতে বাইরে আনছেন ক্যান। ভিতরে লইয়া যান।” এরপর শিশুদের উদ্দেশ্যে বললেন, “দেখলামতো তোমাদের, এখন যাও। শীত পড়ছে। আর কি, আমি মিষ্টি খাওয়ার টেহা পাডামুনে। যাও গিয়া।”
স্কুল থেকে বেরিয়ে হাঁটা শুরু করলেন নৌকাঘাটের দিকে। যাবেন ধরলা। বোটে ওঠার আগে বললেন, “আমি যাই। আপনাদের কষ্ট করতে হলো অনেক। তবে বর্ষায় আইসেন। তখন দ্যাখবেন হাওরের রূপ।” বলেই তার সহকারী একান্ত সচিব কামরুল হাসান চৌধুরীকে বললেন, “কামরুল, এদের বর্ষায় হাওড়ে আনার বেবস্থা কইরো।”
যতদূর পারা যায় সবার সঙ্গে করমর্দন করে উঠলেন স্পিডবোটে। হাত নাড়তে থাকলেন ক্রমাগত। যতক্ষণ বোট দেখা যায় ততক্ষণ ঘাটে দাঁড়িয়ে রইলো ইটনার মানুষ। এরা সবাই ‘হামিদ ভাইয়ের লোক’।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 02
(131)
- মার্কিন সমাজে সহিংসতা বাড়ছে সকালবেলাটা ছিল আর দশটা...
- তিউনিসিয়া পরিস্থিতি কোন্ দিকে মোড় নেবে
- সুপ্রীমকোর্ট কি বেলুচিস্তানকে রক্ষা করতে পারবে
- অশান্ত হয়ে উঠছে সুদান
- পাশ্চাত্যের প্রকৃত শত্রু কে ॥ মূল : আল সায়ীদ আমিন ...
- থেমে গেল গ্রেগের কালজয়ী কণ্ঠস্বর
- আগামীর তারকা সাবিনে লিসিস্কি by মোঃ রায়হান কবির
- অবসরে ‘অসি মি. ক্রিকেট’- হঠাৎ অবসরের সিদ্ধান্তের ন...
- বিশ্বকাপ স্বপ্নে বিভোর রোনাল্ডিনহো by মোঃ সোহেল রানা
- নতুন বছরে নতুনের আবাহনপ্রস্তুত।
- নতুন ভোরে নতুন প্রত্যাশা
- স্মরণীয়
- সম্পাদকীয় সমীপে- পাখিদের হাল্লা গ্রাম
- স্বাধীনতার মতাদর্শ by বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
- বাংলাদেশ যাবে সামনে বা পেছনে? by রাহাত খান
- স্কুলে ভর্তিবাণিজ্য নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে মেধা যাচ...
- সেবা খাতে দুর্নীতি কমেছে ১৩টি সেবা খাতে ২০১০ সালে ...
- বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ by ড. শামস্ রহমান
- ইন্টারনেট কি বৃহৎ ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে ...
- আমার দেখা কথাশিল্পী শওকত ওসমান by রফিকুন নবী
- জুরাইনে আওয়ামী লীগ নেতা খুনে কেউ গ্রেফতার হয়নি
- ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশী নিহত
- পাকিস্তানে গুলি করে ৭ এনজিও কর্মীকে হত্যা
- আইনজীবী রওশন আরা হত্যাকারীদের এখনও গ্রেফতার করতে প...
- কুমিল্লায় সহপাঠীদের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র খুন
- সোনালী ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারী ॥ এবার ৫ প্রতিষ্ঠা...
- নির্বাচনী অঙ্গীকারের বেশির ভাগই বাস্তবায়ন- দেশে-বি...
- আলোচিত হাতিরঝিল প্রকল্প আজ উদ্বোধন- কিছু কাজ এখনও ...
- স্কুলে স্কুলে উৎসব, হাতে হাতে বই- অপার আনন্দ
- তলে তলে আলোচনা হয় না তলে তলে ষড়যন্ত্র, সরকার সেটাই...
- সাগর-রুনীর খুনীদের ২০ জানুয়ারির মধ্যে গ্রেফতারের দ...
- আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসা করে না, ব্যবসাবান্ধব সরকার...
- পাঠ্যপুস্তক উৎসব ॥ চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য ২৭ কো...
- গঙ্গায় ছিটানো হলো দিল্লির সেই ছাত্রীর দেহভস্ম
- রানি ভিক্টোরিয়ার সংসারে সুখ ছিল না!
- ভারতে নারীদের নিরাপত্তায় জয়ললিতার ১৩ দফা
- হিলারির মাথার শিরায় রক্ত জমাট বেঁধেছে
- ফিসক্যাল ক্লিফ- শেষ মুহূর্তে সমঝোতা
- ইউএনও ও ইউপি চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ
- নতুন বই পেয়ে শিশুরা আনন্দে মাতোয়ারা
- মহিলা পরিষদের তথ্য- ২০১২ সালে সাড়ে পাঁচ হাজারের বে...
- হাতিরঝিল প্রকল্পের উদ্বোধন আজ
- সাংবাদিক দম্পতি হত্যা- হত্যাকারীরা গ্রেপ্তার না হল...
- বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেল শিক্ষার্থীরা
- জনস্বাস্থ্য- ফরমালিনের অপব্যবহার ও প্রস্তাবিত আইন ...
- ইউরোপের জানালা- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বনাম সমরাস...
- বিজিএমইএর প্রতিবেদনে মালিকপক্ষ খালাস?- তাজরীনে আগু...
- দুদককে কাজ করতে হবে নির্ভয়ে ও নিরপেক্ষভাবে- দুর্নী...
- নতুন বন্ধুদের অভিনন্দন
- অণুকথা- আবার আসিব ফিরে by সাইদুজ্জামান
- বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি by সজীব মিয়া ও ওমর ফারুক
- রাজশাহী বন্ধুসভার এক দিন by মনিরা রহমান
- পেশা-পরামর্শ- ব্যাংকের চাকরি
- দেশি-বিদেশি ভাষায় অনুবাদ করে আয় by শক্তি সাহা
- টিভি-রেডিওতে উপস্থাপনা
- ছাপার কাজে জীবন চলে by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- অপরাজেয় তারুণ্য ২০১২- আমরা নূতন যৌবনেরই দূত
- মেধাবী মুখ- ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প by হাসান ইমাম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- তরুণ নাটুয়ার দল by রাকিব মোজ...
- জাতীয় মেডিকেল বিতর্ক উৎসব- যে জীবন যুক্তির by জি...
- সফলদের স্বপ্নগাথা- ইতিহাস জানো, নিজেকে জানো by ড...
- বিশেষজ্ঞের চেম্বার থেকে- কার্ডিওলজি সমস্যা- পরামর...
- শীতে শিশুর সুস্থতায়...
- অভ্যাসগত দাঁতের সমস্যা
- ছুটিতে বেড়ানো হোক নির্ভার by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- স্ট্রোক প্রতিরোধেই প্রতিকার by সুদিপ্ত কুমার মুখ...
- কান্না-হাসির দোল দোলানো ২০১২
- নিউ ইয়র্ক টাইমসের বাছাই ১২ খবরে তাজরীন ট্র্যাজেডি
- মহাজোট সরকার : ভাল-মন্দের ৪ বছর-কমেছে ক্রসফায়ার জঙ...
- বিশিষ্টজনদের মত-আ. লীগের আহবানে সাড়া দেওয়া উচিত বি...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা- খালেদা জিয়া হাজির ন...
- মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন- উৎপাদন ও রপ্তানি ...
- আওয়ামী লীগ চায়-তত্ত্বাবধায়ক নয়, অন্তর্বর্তী সরকার ...
- রওশন হত্যাকাণ্ড-বিয়ের গয়না লুট করতেই খুন!
- 'আহ্ কী যে গন্ধ!'
- নাশকতার ছকে জামায়াত শিবিরের টাকার ফাঁদ by রেজোয়ান ...
- সোনালী ব্যাংকের ১৭ কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের নামে ২৬ মামলা
- বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন-বিএনপির ভুলের কারণে পাটশিল্প...
- তলে তলে আলোচনা নয়, ষড়যন্ত্র হচ্ছে-ছাত্রদলের প্রতিষ...
- আট তালেবান সদস্যকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান
- নববর্ষ উদ্যাপন-আইভরি কোস্টে পদদলিত হয়ে ৬১ জনের প্...
- খোলা হাওয়া- নতুন বছরটা কি সত্যিই নতুন হবে? by সৈ...
- কবিতা- দামিনী স্মরণে by অমিতাভ বচ্চন
- কাতারে কীর্তিমান বাংলাদেশি by আবদুল কুদ্দুস
- সরকারের ৪ বছর: আইনশৃঙ্খলা- গুম-গুপ্তহত্যার মতো ঘটন...
- আগামী নির্বাচনেও রিটার্নিং কর্মকর্তা হচ্ছেন ডিসিরা...
- সম্পদবৈষম্য ঘোচাবেন চীনের নতুন নেতারা-গরিবি দূর কর...
- ইরাকে পৃথক বোমা বিস্ফোরণে নিহত ২৩
- 'বিশ্বশক্তি' হতে পারেনি চীন!
- কঙ্গোর বিদ্রোহীগোষ্ঠীর ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা
- নারীর নিরাপত্তায় ট্রেনে 'বিশেষ সুইচ'
- আত্মরক্ষায় আগ্নেয়াস্ত্র চায় ভারতীয় নারীরা
- নারী নির্যাতন রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে তামিলনাড়ু-...
- পাকিস্তান আট তালেবান সদস্যকে মুক্তি দিয়েছে
- খেলাধুলা-একাত্তরে ফুটবলের গৌরবের পতাকা এখন অনেক হ...
- উদীচী সম্মেলনে বোমা হামলার একযুগ by সুপা সাদিয়া
- পাঠক প্রতিক্রিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাংলাদেশের শ...
- পুলিশের কাণ্ডজ্ঞানহীনতা-অশালীন মন্তব্যে ক্ষুণ্ন না...
- জাতীয় পুষ্টি কার্যক্রম-সচেতনতা বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়
- সাক্ষাৎকার-প্রচলিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও নীতি ধনীদের...
- অতি উৎসাহী by একরামুল হক শামীম
- শওকত ওসমান স্মৃতিতে অম্লান by সৈয়দা নূরুন্নাহার বুলু
- হাতিরঝিল প্রকল্প-শিল্পীর তুলিতে আঁকা পুনরুজ্জীবিত ...
- পেছন ফিরে দেখা-গণতন্ত্রের নদী সময়ের মতো বহমান by ন...
- গ্যাস সংযোগ-অবৈধ লাইন ঠেকাবে কে?
- পাঠ্যপুস্তক উৎসব-নতুন বই নিয়ে আনন্দ
- সিনেটের তদন্ত প্রতিবেদন পেশ-বেনগাজি কনস্যুলেট খোলা...
- দেওবন্দে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ
- দুই কোরিয়ার ঐক্য চান উন
- জাতির সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধা-আর কত বঞ্চনা সইতে হ...
- সংলাপের সম্ভাবনা-রাজনীতিবিদদের কাছে এই সদিচ্ছাই কাম্য
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-বিশ্বজগৎ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য ম...
- আকাশের যত তারা, পুলিশের তত ধারা! by প্রভাষ আমিন
- ২০১৩ : আন্তর্জাতিক রাজনীতি by তারেক শামসুর রেহমান
- চরাচর-চান্দিনার খাদি by আনন্দ কুমার ভৌমিক
- সম্ভাবনার বাংলাদেশ by ইফতেখার আহমেদ টিপু
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা by কর্ন...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-চাই নতুন ধারার রাজনীতি by মোস্তফা...
- সরকার একা কেন স্বর্গে যাবে!: স্পিকার by সাজিদুল হক
- তলে তলে আলোচনা নয় ষড়যন্ত্র হচ্ছে- খালেদা জিয়া
- যুক্তরাষ্ট্রের তিন রাজ্যে সমকামী বিয়ের হিড়িক
- অন্তঃসত্ত্বা কিম কারদাশিয়ান!
- ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ
- আজিমপুরে কবর চুরির ব্যবসা! by মাজেদুল নয়ন
- ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে খালেদাঃ “তলে তলে আলো...
- উন্মাতাল থার্টি ফার্স্ট নাইট by লায়েকুজ্জামান ও আহ...
-
▼
Jan 02
(131)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment