Thursday, February 26, 2015
জনতার যন্ত্রণা ক্ষমতার আনন্দ by আলমগীর মহিউদ্দিন
জনতার যন্ত্রণা ক্ষমতার আনন্দ by আলমগীর মহিউদ্দিন
![]() |
| সাধারণ মানুষ ক্ষমতার লড়াই এর গিনিপিগ নয় |
প্রতিদিন
খবরের কাগজে চলমান ঘটনার ছিটেফোঁটা বিবরণ প্রকাশ পাচ্ছে। এই আংশিক চিত্র
অনাকাক্সিত, অসম্ভব, অবিশ্বাস্য মনে হয়। এর চেয়ে কঠিনতম ও কঠোরতম ঘটনা ঘটছে
বলে দাবি মানুষের মুখে মুখে। এসব দাবি যাচাই করা কঠিন। তবে অনুভব করা যায়।
একটি প্রশ্ন তাই মুখে মুখে- ‘এরপর কী?’ স্বগতোক্তিতে অনেকেই এর জবাব
উচ্চারণ করছেন। বেশির ভাগই হতাশাব্যঞ্জক, কিছু কিছু উচ্চারণযোগ্য নয়। এক
কথায় মানুষ যন্ত্রণাকিষ্ট, হতাশ। চিত্রটি সাধারণ। অপর চিত্রটি অসাধারণ।
সে চিত্রের ধারক-বাহক ও পরিচালকেরা ক্ষমতাবান। এরা দাবি করছেন, সব ঠিক আছে।
যৎসামান্য বিশৃঙ্খলা যা আছে, এক সপ্তাহে ঠিক হয়ে যাবে। অবশ্য এর মাঝে কয়েক
সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। আর চিত্রটি ক্রমান্বয়ে অসম্ভব ও অবিশ্বাস্য হয়ে
উঠছে। তাই ক্ষমতাবানেরা সুরও পাল্টাতে শুরু করেছেন। এ দু’টি চিত্র
বাংলাদেশের জন্য নতুন নয়। এ দেশের ঊষালগ্ন থেকেই ঘটে চলেছে এমন রবাহূত
ঘটনাবলি। আর একইভাবে এর বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য দিয়ে
এমন ঘটনাবলির বর্ণনা দেয়া হয়- ‘দেশ এখন ক্রান্তিকালের মাঝ দিয়ে চলছে।’ এ
ক্রান্তিকালের শেষ নেই। গত সাড়ে চার দশক ধরে চলছে। দেশের জন্মের প্রথম তিন
বছরে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। হত্যা-খুন-গুম নিত্যদিনের বিষয় হয়ে পড়লে
মানুষ নীরবে সৃষ্টিকর্তার সাহায্য চাইত। মজলুমের আর্তি আকাশ-বাতাস যেন ছেয়ে
যাচ্ছিল। কেউ ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করত না। উল্লেখ্য,
আজকের ক্ষমতাবানদের একাংশ তখন সেই বিরোধিতার নেতৃত্ব দিয়েছিল। বর্তমানের
অবস্থা বর্ণনা করে ইন্টারনেটে হাজার মন্তব্যের মাঝে রোকেয়ার মন্তব্যটি
উদ্ধৃত করা যায়। তিনি লিখেছেন- ‘বাংলাদেশের অভিধান থেকে গণতন্ত্র, সততা,
বিশ্বাস, মতবিনিময়, অনুভব, সহানুভূতি, আস্থা, সম্মানবোধ, স্বাধীনতা,
সহনীয়তা, ক্ষমা, দয়া, নৈতিকতা, ধৈর্য, বোধশক্তিসহ মানবিক ও সামাজিক
শব্দগুলো হারিয়ে গেছে।’ লেখিকা এই এক বাক্যে চমৎকারভাবে শ্বাসরুদ্ধকর
অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন। তাকে ধন্যবাদ জানাতে হয়।
প্রশ্ন হলো, এমনটি কেন হয়? এক কথায় এর জবাব, ক্ষমতার লড়াই। ঠিক একই ঘটনা ফ্রান্সের ইতিহাসে বিধৃত। রাজার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে এমন হত্যা-গুম-খুন ফরাসি বিপ্লবের আগ পর্যন্ত শতবর্ষব্যাপী চলে। রাজা সৃষ্টি করেন গোপন বিচারকক্ষ, যার নাম ছিল ‘চেম্বার আরদঁত’। প্যারিসের বাস্তিলের (যেখানে বিপ্লবের শেষ যুদ্ধ হয়) কাছে অবস্থিত ছিল এই বিচারকক্ষ। একে ‘জ্বলন্ত কক্ষ’ বলা হতো। কারণ, মশাল দিয়ে একে আলোকিত করা হতো; কেননা আলো প্রবেশের কোনো পথ ছিল না। এখানে রাজা লুই-১ নির্বাচিত বিচারকগণ বসে নির্ধারিত রায় পড়ে শোনাতেন। রায় হতো মৃত্যু ও পোড়ানো। লুইয়ের ছেলে হেনরি ছিলেন আরো হিংসাত্মক ও নিষ্ঠুর। তখন ক্যাথলিক ও প্রটেস্টান্টের মধ্যে চলছিল বিরোধ। হেনরি প্রটেস্টান্টদের, বিশেষ করে ক্যালভিনিস্টদের সহ্যই করতে পারতেন না। ক্যালভিনিস্টদের নানা বদনাম দিয়ে শত শত লোককে কারাগারে নিক্ষেপ করা হতো বা পুড়িয়ে মারা হতো এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতো।
ক্যালভিনিস্টদের যে অপবাদ দেয়া হতো তা আজকের যুগের বহুল প্রচলিত শব্দগুলোর সাথে মিলে যায়। যেমন- মৌলবাদী, সন্ত্রাসী ইত্যাদি।
হেনরি প্রতিপক্ষদের নির্মূল করার জন্য কয়েকটি সরকারি সংস্থার সৃষ্টি করেন। তাদের কাজ ছিল খুঁজে খুঁজে ক্যালভিনিস্টদের বের করা অথবা প্রতিপক্ষদের তেমন আখ্যা দিয়ে আটক করা এবং গুম করে ফেলা। এমনই একটি সংস্থার প্রধান ছিল গ্যাবরিয়েল মন্টগোমারি। রাজার স্কটগার্ডের প্রধান মন্টগোমারির অন্যতম প্রধান কাজ ছিল ধৃত প্রতিপক্ষের ওপর নির্ধারিত বিভিন্ন অত্যাচার করে হত্যা করা এবং তা রাজা হেনরিকে নিজে জানানো। হেনরি ‘প্লেস দ্য ভোসাজে’ ঘোড়সওয়ারি বর্শা খেলা দেখতে পছন্দ করতেন। তবে কোনো না কোনো ঘোড়সওয়ারকে মরতে হতো। হেনরি আনন্দে লাফিয়ে উঠতেন। তার সাথে দর্শকেরা যোগ না দিলে তারা সরকারি বাহিনীর আক্রমণের শিকার হতো। এসব ঘটনা হয়তো মন্টগোমারিকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে ফেলে। ১৫৫৯ সালের সেই দিনের প্লেস দ্য ভোসাজের বর্শা খেলার এক ফাঁকে মন্টগোমারি তার বর্শা দিয়ে রাজা হেনরিকে বিদ্ধ করলে ফ্রান্সের নিষ্ঠুর একটি সময়ের অবসান ঘটে। এরপর ‘আরদঁত কক্ষটি’ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু ১১৫ বছর পর সেই কক্ষটি আবার খুলে দেয়া হয় রাজা লুইস-৪ এর রাজত্বকালে। রাজা এখানে সেই একই গোপন বিচার চালাতেন- সেই একই গুম-খুন-হত্যা করে। বিচারকেরা এজলাসে বসলে রাজার তরফ থেকে নির্দেশ আসত এবং সেই মোতাবেক রায় হতো। সবক্ষেত্রে মৃত্যু। এসব মৃতদেহ একত্র করে জনসমক্ষে পুড়িয়ে ফেলা হতো- যেন কেউ রাজার বিরুদ্ধে মুখটি না খোলে। এক মার্কিন সাংবাদিক জেফরি সেন্ট কেয়ার লিখেছেন, “এই আরদঁত কক্ষে অত্যাচারের পদ্ধতিগুলো আজ সারা বিশ্বে, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে অনুসৃত হচ্ছে। বিচারের রায় আগেই লেখা হচ্ছে এবং ক্ষমতাবানেরা সে রায়গুলো কার্যকর হতে দেখে আনন্দিত হচ্ছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, ১৬৭৫ ও ১৬৮২ সালের মধ্যে রাজা লুই ২১০টি গোপন বিচারে কয়েক হাজার প্রতিপক্ষকে হত্যা করেন। এরপর শুরু হয় নিরুদ্দেশ এবং পানি খাওয়ানো। এখন যাকে বলা হয় ‘ওয়াটার বর্ডিং’।”
ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশবাহিনীর সৃষ্টি হয়। অধ্যাপক স্যাম মিত্রিয়ানি (কলেজ দুপাজের ইতিহাসের অধ্যাপক) লিখেছেন, ‘পুলিশের সৃষ্টি হয়েছিল, প্রভুসমাজকে রক্ষা এবং সেবা করার জন্য। পুলিশের জন্ম অপরাধ দমনের জন্য নয়- বিশেষ করে সাধারণ মানুষ যেমনটি বোঝে। তাদের সৃষ্টি সমাজের প্রভুদের শান্তি যারা ভঙ্গ করে তাদের দমনের জন্য।’ তবে বিংশ শতাব্দীতে এসে এর অনেক পরিবর্তন হয় এবং এক সময়ে নির্বাচিত পুলিশব্যবস্থাও ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক বলে পরিচিত নির্বাচিত ক্ষমতাবানেরা এ ব্যবস্থা ভেঙে বর্তমান পুলিশব্যবস্থা চালু করেন। এতে ‘নির্বাচিত’ ক্ষমতাবান সংখ্যালঘিষ্ঠরা পুলিশকে ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ পান। এখানেই পুলিশি রাষ্ট্রের ধারণাটি জন্ম নেয় এবং বর্তমান বিশ্বে এর উপস্থিতি ব্যাপক। এই ব্যাপকতার কারণ ক্ষমতালিপ্সুু একশ্রেণীর মানুষ তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য পুলিশ ও তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের সহজে ব্যবহার করতে পারে। গত ১০০ বছরে পুলিশবাহিনীকে ক্রমান্বয়ে ক্ষমতাশালী করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে। ক্ষমতাসীনেরা মানুষের স্বস্তি-শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে নিয়ন্ত্রণের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ক্ষমতাকে নিজেদের হাতে সীমাবদ্ধ করেছেন। এক দিকে জনগণ যন্ত্রণায় থাকে, অপর দিকে শাসকেরা শান্তিতে জীবন উপভোগ করেন। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যামিরিটাস অধ্যাপক এডওয়ার্ড এস হারমান তার ‘টেরোরিজম ইন ফ্যাক্ট অ্যান্ড প্রোপাগান্ডা’ বইতে লিখেছেন- ‘তৃতীয় বিশ্বের ক্ষমতাবানেরা নিরাপত্তা রক্ষার নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সব অনাচার ও অপরাধ রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের মাঝ দিয়ে করে যাচ্ছে। এবং তারা বাইরের সাহায্যে টিকে থাকে।’
আবার ক্ষমতাসীনেরা সব সময় মুনাফা খোঁজেন এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে সেভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করে থাকেন। বিভিন্ন দেশে এমনকি কারাগার বেসরকারি সংস্থার কাছে সঁপে দিয়ে এই মুনাফার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কারাগারকে বেসরকারি খাতে দেয়া হয়েছে। কারেকশন করপোরেশন অব আমেরিকা (সিসিএ) অনেক কারাগার পরিচালনা করে। এর বার্ষিক মুনাফা ১৭০ কোটি ডলার। এসব বেসরকারি সংস্থা কারাগার বা বন্দীদের ব্যাপারে কোনো সংস্কারে নারাজ। কারণ, মুনাফা কমে যেতে পারে। তৃতীয় বিশ্বে পুলিশকে এ ব্যাপারে একটু অন্যভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে প্রতিবাদ ও সমালোচনা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধ। তাই পুলিশ ও ক্ষমতাবানেরা যেকোনো প্রতিবাদকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে একত্রে মুনাফার কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনৈতিক আইন তৈরি হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিচারক নির্বাচিত করা হয়- যেন এই মুনাফার কর্মকাণ্ডে ব্যত্যয় না ঘটে। এক কথায়, ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডগুলো প্রবল হয়ে ওঠে। তবে রাষ্ট্রটি ফ্যাসিবাদীতে নিমজ্জিত হয়েছে কি না তার অন্তত ১৪টি চিহ্ন থাকবে। অধ্যাপক লরেন্স ব্রিট হিটলার, মুসোলিনি, ফ্রাঙ্কো ইত্যাদির শাসন অনুসন্ধান করে এই চিহ্নগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার- ০১. সব সময় দেশপ্রেম এবং এ সম্পর্কে গান, প্রচারণা, স্লোগানে মত্ত থাকে এবং জনগণকে ব্যস্ত থাকতে বাধ্য করে; ০২. মানবাধিকার নিয়ে মাথা ঘামায় না। বৈদেশিক ও ভেতরের শত্রুর দোহাই দিয়ে জনগণের অধিকার হরণ করে; ০৩. দুর্বল গোষ্ঠীকে অন্যের দোষের বোঝা বইতে বাধ্য করে; ০৪. সামরিক বাহিনীসহ সব রাষ্ট্রীয় অস্ত্রধারীকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হয়; ০৫. সংবাদমাধ্যমকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; ০৬. জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বাড়াবাড়ির মাঝ দিয়ে জনগণকে এক ভীতির মধ্যে রাখা হয়; ০৭. ধর্মকে ব্যবহার করা হয় নানাভাবে; ০৮. করপোরেট শক্তি ও রাষ্ট্রীয় শক্তি এক হয়ে পড়ে; ০৯. চিন্তাবিদ ও তাদের কর্মকাণ্ডকে নিন্দা করা হয়; ১০. পুলিশকে সীমাহীন ক্ষমতা দেয়া হয় এবং অপরাধ দমনের নামে প্রচণ্ড অনাচারের রাজত্ব কায়েম করে; ১১. নির্বাচন নামমাত্র হয় এবং এমন ব্যবস্থার সৃষ্টি করা হয় যেন সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে না আসে; ১২. নিজের দল ও আত্মীয়রা সর্বপ্রকার রাষ্ট্রীয় সহায়তা পায়; ১৩. কোনো গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দিয়ে তার ওপর প্রচণ্ড অত্যাচার করা হয় এবং হত্যা ও গুম সাধারণ দৈনন্দিন বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। চার দিকে একটু দৃষ্টিপাত করলেই অনুভব করা যায় জনগণ ফ্যাসিস্ট আবহাওয়ায় অবস্থান করছে কি না।
হিংসাত্মক ঘটনার আবির্ভাব কেন ঘটে, এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন হানাহ্ আরেন্ডট। তার এই মৌলিক গবেষণা বিশ্বে প্রধান সূত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতা ও সন্ত্রাস অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।’ তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের আকার ও অবস্থান নির্ধারণ করে ক্ষমতাসীনেরা কত দিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে।’ ইতিহাস আলোচনা করে আরেন্ডট লিখেছেন, ‘এই ক্ষমতাসীনেরা সন্ত্রাস ব্যবহারের মাঝ দিয়ে তাদের ক্ষমতার স্থিতি রক্ষা করতে চায়। কিন্তু দেখা গেছে, যে সরকার সন্ত্রাসের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল হয় তাদের আসলে কোনো শক্তিই থাকে না। কেননা স্বৈরতন্ত্র ও স্বেচ্ছাচারীকে সন্ত্রাসের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।’ তার বক্তব্য অনুসারে স্বৈরাচারের পতন হয়, যখন জনগণ অনুভব করতে শুরু করে তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অধিকার পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। সঙ্ঘাত তখন সৃষ্টি হয়। জনগণের ঐক্যের ওপর নির্ভর করে স্বৈরাচার কত সময় স্থায়ী হবে। স্বৈরাচারীরা নিজেদের সন্ত্রাসকে আইনসম্মত করার চেষ্টা করে। আর জনগণের প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহসহ বিভিন্ন অপবাদে নির্মূল করার চেষ্টা করে। কেলি কার্টার জ্যাকসন তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, ‘রাজনৈতিক সন্ত্রাস সব পরিবর্তনের মূল। জনগণকে সন্ত্রাসে যোগ দিতে হয় অত্যাচারী সরকারকে উৎখাত করতে। আর সরকার সন্ত্রাস করে জনগণকে স্তব্ধ করতে।’ তিনি ফরাসি বিপ্লবকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন।
তবে গবেষকগণ দেখিয়েছেন ‘সন্ত্রাস, অসস্তি ও সামাজিক টানাপড়েন বহুলাংশে হ্রাস পেতে পারে, যদি ক্ষমতালিপ্সু রাজনৈতিক মানুষেরা নিজেদের মাঝে গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে সম্মান করে এবং ব্যক্তিগত জীবনে গণতান্ত্রিক সহনশীলতার চর্চা করে। বাংলাদেশের বর্তমানের অবস্থা এভাবে সহজেই সমাধান হতে পারে। কারণ, বর্তমান অশান্তির মূলে একদল নতুন নির্বাচন চায়। আর ক্ষমতাসীনেরা তা মানতে রাজি নন। অথচ তারা দাবি করছেন, এ মুহূর্তে নির্বাচন হলে তাদের বিজয় অবধারিত। এরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ৫২৭টি হরতালও করেছিলেন। তার ফলে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনও হয়েছিল। তাহলে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন দিয়ে জনগণকে যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচাতে তাদের এত অনীহা কেন? তারা জনগণের সেবাই তো করতে চান।
এক কথায় বলা যায়, রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে শান্তি সহজেই নিশ্চিত করা সম্ভব, যদি ক্ষমতাবানেরা সবার গণতান্ত্রিক অধিকারকে স্বীকার করেন এবং নিজেরা সহনশীলতার পরিচয় দেন। দুঃখের কথা হলেও এটা সত্য, মার্কিন সংস্থা ‘এথিক্যাল কনজিউমার্স’ তাদের সবচেয়ে নিপীড়নমূলক সরকারের তালিকায় ৪১টি দেশকে গত পাঁচ বছর হলো বারবার উল্লেখ করেছে। এ তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকছে। এর অবসান হওয়া প্রয়োজন। তাই ক্ষমতাবানদের বক্তব্যের অশ্লীলতা পরিহার করতে হবে এবং স্বাধীনতার ঊষালগ্নের নেতৃবৃন্দ যেমন সবাইকে নিয়ে জাতিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তেমন চেষ্টা এখনই করতে হবে। অশান্তি, অনাচার, অত্যচার দিয়ে হয়তো সাময়িক ফল পাওয়া যায়, পরিশেষে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষতি থেকে জাতিকে বাঁচানো রাজনীতিবিদদের প্রধান দায়িত্ব। বাংলাদেশে একটি ধারণা জনগণের মাঝে দৃঢ় হয়ে পড়েছে, তা হলো- রাজনীতিবিদেরা নিজেদের ও তাদের গোষ্ঠীগুলোর সেবা করতেই ক্ষমতায় যেতে চান। ধারণাটিকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে হবে তাদের।
প্রশ্ন হলো, এমনটি কেন হয়? এক কথায় এর জবাব, ক্ষমতার লড়াই। ঠিক একই ঘটনা ফ্রান্সের ইতিহাসে বিধৃত। রাজার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে এমন হত্যা-গুম-খুন ফরাসি বিপ্লবের আগ পর্যন্ত শতবর্ষব্যাপী চলে। রাজা সৃষ্টি করেন গোপন বিচারকক্ষ, যার নাম ছিল ‘চেম্বার আরদঁত’। প্যারিসের বাস্তিলের (যেখানে বিপ্লবের শেষ যুদ্ধ হয়) কাছে অবস্থিত ছিল এই বিচারকক্ষ। একে ‘জ্বলন্ত কক্ষ’ বলা হতো। কারণ, মশাল দিয়ে একে আলোকিত করা হতো; কেননা আলো প্রবেশের কোনো পথ ছিল না। এখানে রাজা লুই-১ নির্বাচিত বিচারকগণ বসে নির্ধারিত রায় পড়ে শোনাতেন। রায় হতো মৃত্যু ও পোড়ানো। লুইয়ের ছেলে হেনরি ছিলেন আরো হিংসাত্মক ও নিষ্ঠুর। তখন ক্যাথলিক ও প্রটেস্টান্টের মধ্যে চলছিল বিরোধ। হেনরি প্রটেস্টান্টদের, বিশেষ করে ক্যালভিনিস্টদের সহ্যই করতে পারতেন না। ক্যালভিনিস্টদের নানা বদনাম দিয়ে শত শত লোককে কারাগারে নিক্ষেপ করা হতো বা পুড়িয়ে মারা হতো এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতো।
ক্যালভিনিস্টদের যে অপবাদ দেয়া হতো তা আজকের যুগের বহুল প্রচলিত শব্দগুলোর সাথে মিলে যায়। যেমন- মৌলবাদী, সন্ত্রাসী ইত্যাদি।
হেনরি প্রতিপক্ষদের নির্মূল করার জন্য কয়েকটি সরকারি সংস্থার সৃষ্টি করেন। তাদের কাজ ছিল খুঁজে খুঁজে ক্যালভিনিস্টদের বের করা অথবা প্রতিপক্ষদের তেমন আখ্যা দিয়ে আটক করা এবং গুম করে ফেলা। এমনই একটি সংস্থার প্রধান ছিল গ্যাবরিয়েল মন্টগোমারি। রাজার স্কটগার্ডের প্রধান মন্টগোমারির অন্যতম প্রধান কাজ ছিল ধৃত প্রতিপক্ষের ওপর নির্ধারিত বিভিন্ন অত্যাচার করে হত্যা করা এবং তা রাজা হেনরিকে নিজে জানানো। হেনরি ‘প্লেস দ্য ভোসাজে’ ঘোড়সওয়ারি বর্শা খেলা দেখতে পছন্দ করতেন। তবে কোনো না কোনো ঘোড়সওয়ারকে মরতে হতো। হেনরি আনন্দে লাফিয়ে উঠতেন। তার সাথে দর্শকেরা যোগ না দিলে তারা সরকারি বাহিনীর আক্রমণের শিকার হতো। এসব ঘটনা হয়তো মন্টগোমারিকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে ফেলে। ১৫৫৯ সালের সেই দিনের প্লেস দ্য ভোসাজের বর্শা খেলার এক ফাঁকে মন্টগোমারি তার বর্শা দিয়ে রাজা হেনরিকে বিদ্ধ করলে ফ্রান্সের নিষ্ঠুর একটি সময়ের অবসান ঘটে। এরপর ‘আরদঁত কক্ষটি’ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু ১১৫ বছর পর সেই কক্ষটি আবার খুলে দেয়া হয় রাজা লুইস-৪ এর রাজত্বকালে। রাজা এখানে সেই একই গোপন বিচার চালাতেন- সেই একই গুম-খুন-হত্যা করে। বিচারকেরা এজলাসে বসলে রাজার তরফ থেকে নির্দেশ আসত এবং সেই মোতাবেক রায় হতো। সবক্ষেত্রে মৃত্যু। এসব মৃতদেহ একত্র করে জনসমক্ষে পুড়িয়ে ফেলা হতো- যেন কেউ রাজার বিরুদ্ধে মুখটি না খোলে। এক মার্কিন সাংবাদিক জেফরি সেন্ট কেয়ার লিখেছেন, “এই আরদঁত কক্ষে অত্যাচারের পদ্ধতিগুলো আজ সারা বিশ্বে, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে অনুসৃত হচ্ছে। বিচারের রায় আগেই লেখা হচ্ছে এবং ক্ষমতাবানেরা সে রায়গুলো কার্যকর হতে দেখে আনন্দিত হচ্ছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, ১৬৭৫ ও ১৬৮২ সালের মধ্যে রাজা লুই ২১০টি গোপন বিচারে কয়েক হাজার প্রতিপক্ষকে হত্যা করেন। এরপর শুরু হয় নিরুদ্দেশ এবং পানি খাওয়ানো। এখন যাকে বলা হয় ‘ওয়াটার বর্ডিং’।”
ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশবাহিনীর সৃষ্টি হয়। অধ্যাপক স্যাম মিত্রিয়ানি (কলেজ দুপাজের ইতিহাসের অধ্যাপক) লিখেছেন, ‘পুলিশের সৃষ্টি হয়েছিল, প্রভুসমাজকে রক্ষা এবং সেবা করার জন্য। পুলিশের জন্ম অপরাধ দমনের জন্য নয়- বিশেষ করে সাধারণ মানুষ যেমনটি বোঝে। তাদের সৃষ্টি সমাজের প্রভুদের শান্তি যারা ভঙ্গ করে তাদের দমনের জন্য।’ তবে বিংশ শতাব্দীতে এসে এর অনেক পরিবর্তন হয় এবং এক সময়ে নির্বাচিত পুলিশব্যবস্থাও ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক বলে পরিচিত নির্বাচিত ক্ষমতাবানেরা এ ব্যবস্থা ভেঙে বর্তমান পুলিশব্যবস্থা চালু করেন। এতে ‘নির্বাচিত’ ক্ষমতাবান সংখ্যালঘিষ্ঠরা পুলিশকে ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ পান। এখানেই পুলিশি রাষ্ট্রের ধারণাটি জন্ম নেয় এবং বর্তমান বিশ্বে এর উপস্থিতি ব্যাপক। এই ব্যাপকতার কারণ ক্ষমতালিপ্সুু একশ্রেণীর মানুষ তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য পুলিশ ও তথাকথিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের সহজে ব্যবহার করতে পারে। গত ১০০ বছরে পুলিশবাহিনীকে ক্রমান্বয়ে ক্ষমতাশালী করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে। ক্ষমতাসীনেরা মানুষের স্বস্তি-শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে নিয়ন্ত্রণের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ক্ষমতাকে নিজেদের হাতে সীমাবদ্ধ করেছেন। এক দিকে জনগণ যন্ত্রণায় থাকে, অপর দিকে শাসকেরা শান্তিতে জীবন উপভোগ করেন। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যামিরিটাস অধ্যাপক এডওয়ার্ড এস হারমান তার ‘টেরোরিজম ইন ফ্যাক্ট অ্যান্ড প্রোপাগান্ডা’ বইতে লিখেছেন- ‘তৃতীয় বিশ্বের ক্ষমতাবানেরা নিরাপত্তা রক্ষার নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ সব অনাচার ও অপরাধ রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহারের মাঝ দিয়ে করে যাচ্ছে। এবং তারা বাইরের সাহায্যে টিকে থাকে।’
আবার ক্ষমতাসীনেরা সব সময় মুনাফা খোঁজেন এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে সেভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করে থাকেন। বিভিন্ন দেশে এমনকি কারাগার বেসরকারি সংস্থার কাছে সঁপে দিয়ে এই মুনাফার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কারাগারকে বেসরকারি খাতে দেয়া হয়েছে। কারেকশন করপোরেশন অব আমেরিকা (সিসিএ) অনেক কারাগার পরিচালনা করে। এর বার্ষিক মুনাফা ১৭০ কোটি ডলার। এসব বেসরকারি সংস্থা কারাগার বা বন্দীদের ব্যাপারে কোনো সংস্কারে নারাজ। কারণ, মুনাফা কমে যেতে পারে। তৃতীয় বিশ্বে পুলিশকে এ ব্যাপারে একটু অন্যভাবে ব্যবহার করা হয়। এখানে প্রতিবাদ ও সমালোচনা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধ। তাই পুলিশ ও ক্ষমতাবানেরা যেকোনো প্রতিবাদকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে একত্রে মুনাফার কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনৈতিক আইন তৈরি হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিচারক নির্বাচিত করা হয়- যেন এই মুনাফার কর্মকাণ্ডে ব্যত্যয় না ঘটে। এক কথায়, ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডগুলো প্রবল হয়ে ওঠে। তবে রাষ্ট্রটি ফ্যাসিবাদীতে নিমজ্জিত হয়েছে কি না তার অন্তত ১৪টি চিহ্ন থাকবে। অধ্যাপক লরেন্স ব্রিট হিটলার, মুসোলিনি, ফ্রাঙ্কো ইত্যাদির শাসন অনুসন্ধান করে এই চিহ্নগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার- ০১. সব সময় দেশপ্রেম এবং এ সম্পর্কে গান, প্রচারণা, স্লোগানে মত্ত থাকে এবং জনগণকে ব্যস্ত থাকতে বাধ্য করে; ০২. মানবাধিকার নিয়ে মাথা ঘামায় না। বৈদেশিক ও ভেতরের শত্রুর দোহাই দিয়ে জনগণের অধিকার হরণ করে; ০৩. দুর্বল গোষ্ঠীকে অন্যের দোষের বোঝা বইতে বাধ্য করে; ০৪. সামরিক বাহিনীসহ সব রাষ্ট্রীয় অস্ত্রধারীকে সবার ওপরে স্থান দেয়া হয়; ০৫. সংবাদমাধ্যমকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; ০৬. জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বাড়াবাড়ির মাঝ দিয়ে জনগণকে এক ভীতির মধ্যে রাখা হয়; ০৭. ধর্মকে ব্যবহার করা হয় নানাভাবে; ০৮. করপোরেট শক্তি ও রাষ্ট্রীয় শক্তি এক হয়ে পড়ে; ০৯. চিন্তাবিদ ও তাদের কর্মকাণ্ডকে নিন্দা করা হয়; ১০. পুলিশকে সীমাহীন ক্ষমতা দেয়া হয় এবং অপরাধ দমনের নামে প্রচণ্ড অনাচারের রাজত্ব কায়েম করে; ১১. নির্বাচন নামমাত্র হয় এবং এমন ব্যবস্থার সৃষ্টি করা হয় যেন সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে না আসে; ১২. নিজের দল ও আত্মীয়রা সর্বপ্রকার রাষ্ট্রীয় সহায়তা পায়; ১৩. কোনো গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দিয়ে তার ওপর প্রচণ্ড অত্যাচার করা হয় এবং হত্যা ও গুম সাধারণ দৈনন্দিন বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। চার দিকে একটু দৃষ্টিপাত করলেই অনুভব করা যায় জনগণ ফ্যাসিস্ট আবহাওয়ায় অবস্থান করছে কি না।
হিংসাত্মক ঘটনার আবির্ভাব কেন ঘটে, এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন হানাহ্ আরেন্ডট। তার এই মৌলিক গবেষণা বিশ্বে প্রধান সূত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতা ও সন্ত্রাস অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।’ তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের আকার ও অবস্থান নির্ধারণ করে ক্ষমতাসীনেরা কত দিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে।’ ইতিহাস আলোচনা করে আরেন্ডট লিখেছেন, ‘এই ক্ষমতাসীনেরা সন্ত্রাস ব্যবহারের মাঝ দিয়ে তাদের ক্ষমতার স্থিতি রক্ষা করতে চায়। কিন্তু দেখা গেছে, যে সরকার সন্ত্রাসের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল হয় তাদের আসলে কোনো শক্তিই থাকে না। কেননা স্বৈরতন্ত্র ও স্বেচ্ছাচারীকে সন্ত্রাসের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।’ তার বক্তব্য অনুসারে স্বৈরাচারের পতন হয়, যখন জনগণ অনুভব করতে শুরু করে তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অধিকার পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। সঙ্ঘাত তখন সৃষ্টি হয়। জনগণের ঐক্যের ওপর নির্ভর করে স্বৈরাচার কত সময় স্থায়ী হবে। স্বৈরাচারীরা নিজেদের সন্ত্রাসকে আইনসম্মত করার চেষ্টা করে। আর জনগণের প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহসহ বিভিন্ন অপবাদে নির্মূল করার চেষ্টা করে। কেলি কার্টার জ্যাকসন তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, ‘রাজনৈতিক সন্ত্রাস সব পরিবর্তনের মূল। জনগণকে সন্ত্রাসে যোগ দিতে হয় অত্যাচারী সরকারকে উৎখাত করতে। আর সরকার সন্ত্রাস করে জনগণকে স্তব্ধ করতে।’ তিনি ফরাসি বিপ্লবকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন।
তবে গবেষকগণ দেখিয়েছেন ‘সন্ত্রাস, অসস্তি ও সামাজিক টানাপড়েন বহুলাংশে হ্রাস পেতে পারে, যদি ক্ষমতালিপ্সু রাজনৈতিক মানুষেরা নিজেদের মাঝে গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে সম্মান করে এবং ব্যক্তিগত জীবনে গণতান্ত্রিক সহনশীলতার চর্চা করে। বাংলাদেশের বর্তমানের অবস্থা এভাবে সহজেই সমাধান হতে পারে। কারণ, বর্তমান অশান্তির মূলে একদল নতুন নির্বাচন চায়। আর ক্ষমতাসীনেরা তা মানতে রাজি নন। অথচ তারা দাবি করছেন, এ মুহূর্তে নির্বাচন হলে তাদের বিজয় অবধারিত। এরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ৫২৭টি হরতালও করেছিলেন। তার ফলে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনও হয়েছিল। তাহলে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন দিয়ে জনগণকে যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচাতে তাদের এত অনীহা কেন? তারা জনগণের সেবাই তো করতে চান।
এক কথায় বলা যায়, রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে শান্তি সহজেই নিশ্চিত করা সম্ভব, যদি ক্ষমতাবানেরা সবার গণতান্ত্রিক অধিকারকে স্বীকার করেন এবং নিজেরা সহনশীলতার পরিচয় দেন। দুঃখের কথা হলেও এটা সত্য, মার্কিন সংস্থা ‘এথিক্যাল কনজিউমার্স’ তাদের সবচেয়ে নিপীড়নমূলক সরকারের তালিকায় ৪১টি দেশকে গত পাঁচ বছর হলো বারবার উল্লেখ করেছে। এ তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকছে। এর অবসান হওয়া প্রয়োজন। তাই ক্ষমতাবানদের বক্তব্যের অশ্লীলতা পরিহার করতে হবে এবং স্বাধীনতার ঊষালগ্নের নেতৃবৃন্দ যেমন সবাইকে নিয়ে জাতিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তেমন চেষ্টা এখনই করতে হবে। অশান্তি, অনাচার, অত্যচার দিয়ে হয়তো সাময়িক ফল পাওয়া যায়, পরিশেষে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ক্ষতি থেকে জাতিকে বাঁচানো রাজনীতিবিদদের প্রধান দায়িত্ব। বাংলাদেশে একটি ধারণা জনগণের মাঝে দৃঢ় হয়ে পড়েছে, তা হলো- রাজনীতিবিদেরা নিজেদের ও তাদের গোষ্ঠীগুলোর সেবা করতেই ক্ষমতায় যেতে চান। ধারণাটিকে মিথ্যা প্রমাণিত করতে হবে তাদের।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1494)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 26
(40)
- না দেখা বাবার জন্য অশ্রুপাত- পিলখানা ট্র্যাজেডির ৬...
- ফায়ার বনাম ক্রসফায়ার by রোবায়েত ফেরদৌস
- ইরানকে পরমানু অস্ত্র তৈরিতে বাঁধা দিচ্ছে না বিশ্বন...
- জনতার যন্ত্রণা ক্ষমতার আনন্দ by আলমগীর মহিউদ্দিন
- হুমকির মুখে টক শো আলোচকরা
- মানসিকভাবে প্রস্তুত খালেদা জিয়া by কাফি কামাল
- ভারতীয় সমাজের প্রাণ হচ্ছে বহুত্ববাদ by কুলদীপ নায়ার
- লোকসভায় জমি বিল পেশ
- হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে পায়ে শিকল
- দুঃসহ বেদনার সেই দিন আজ
- বাসা থেকে তুলে নিয়ে দশ দিনের রিমান্ডে মান্না
- ভুল পথে বিএনপি! by সোহরাব হাসান
- বিশ্ব মিডিয়ায় খালেদার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- সর্বস্তরে বাংলার জন্য আর কত অপেক্ষা? by মিজানুর রহ...
- চোখের জলে পিলখানার শহীদদের স্মরণ
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ছয় বছর, শ্রদ্ধা–ভালোবাসায় নি...
- সাবিহ উদ্দিন এবং...
- ঢাকা ছাড়ছেন শ্রমজীবী মানুষ by রোকনুজ্জামান পিয়াস
- পিলখানা হত্যাযজ্ঞ- এক হতভাগ্য পিতার হৃদয়ের রক্তক্ষ...
- ছক অনুযায়ীই চলবে আন্দোলন
- গণতন্ত্র মানে দায়িত্বশীলতা by শেখ হাফিজুর রহমান কা...
- জ্বলছে বাংলাদেশ by কে. আনিস আহমেদ
- তিস্তার ঘোলা পানি, মমতার ভাললাগা বাংলাদেশ
- অবরোধ-হরতালে ক্ষতি ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা -সংসদে...
- এক রায়ে বদলে গেল ৩ লাখ মানুষের ভাগ্য
- বিপর্যস্ত চিকিৎসাসেবা by মো. শফিকুল ইসলাম
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে: অ্যামনে...
- একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য by মিনার রশীদ
- বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- একদিন জবাবদিহি করতে হবে by সোহেল মাহমুদ
- বাংলাদেশ, চলেছ কোথায়? by মীযানুল করীম
- ব্রহ্মপুত্রে চীনের তৈরি বাঁধ বাংলাদেশ ও ভারতের জন্...
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার তাগিদ বিশ্বব্যাংকের
- বছরের পর বছর বিল দিচ্ছেন না শত শত বিদ্যুৎ গ্রাহক b...
- গুলি করে হত্যার নাম ‘গণপিটুনি’ -নির্বিচার হত্যা বু...
- রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ
- গণপিটুনিতে নিহতরা গুলিতে ঝাঁঝরা -বিচারহীন হত্যার ম...
- প্রকাশনার শিকড় ও শিখর by খান মাহবুব
- ডিসিসি নির্বাচন- নির্বাচিত সংস্থা দায়িত্বে আসুক
- নেই, তারা নেই! by লবী রহমান
-
▼
Feb 26
(40)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment