Thursday, February 26, 2015
বাংলাদেশ, চলেছ কোথায়? by মীযানুল করীম
বাংলাদেশ, চলেছ কোথায়? by মীযানুল করীম
বৃহস্পতিবার
যাচ্ছিলাম অফিসে। বায়তুল মোকাররমের উত্তর পাশের রাস্তায় দেখি, ক্ষমতাসীন
দলের মিছিল আসছে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে। শ্রমিক-কর্মচারী,
পেশাজীবীদের নামে আয়োজিত মিছিলটি বড়। আমরা তখন দৈনিক বাংলা মোড়ের কাছে।
হঠাৎ কী যেন ফুটল। সবাই পশ্চিমে তাকিয়ে দেখি, অল্প দূরে বেশ ধোঁয়া। অর্থাৎ
কেউ ককটেল ফাটিয়েছে। এত পুলিশ পাহারার মধ্যে, এমন জনাকীর্ণ স্থানে
বোমাবাজির ঘটনা রহস্যজনক মনে হলো। মিনিবাসে যাত্রীরা ভয়ে জানালা বন্ধ করে
দিলেন। কেউ কেউ নেমে নিরাপদ জায়গায় যেতে চাচ্ছিলেন। পরে জানা যায়, ওই
মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এর আগে গত সোমবার
এই মন্ত্রীর নেতৃত্বে মিছিল গিয়েছিল গুলশানে বেগম জিয়ার অফিস ঘেরাও করতে।
সেখানে গুলশান এভিনিউতে ককটেল বিস্ফোরণে একজনের পা উড়ে যায়। পরদিন দৈনিক
Dhaka Tribune পত্রিকায় লিড নিউজের বিরাট শিরোনামÑ Mystery blast at
ministerÕs march)। অর্থাৎ, রাজনীতির অঙ্কের হিসাব অত সহজ নয়। সেখানে কে
কিভাবে কাকে ঘায়েল করার জন্য কোন খেলা খেলছেন, বোঝা কঠিন। আমরা দু’চোখে যা
দেখি, তা প্রকাশ্য। আড়ালে কী ঘটছে, আমাদের জানা নেই।
যা হোক, বৃহস্পতিবারের মতিঝিলে ফিরে যাই। মিনিবাসে শাপলা চত্বরে নেমে উত্তরে পা বাড়ালাম। ফিলিং স্টেশনটার সামনে পুলিশের একটা গাড়ি এসে থামতেই দু’জন নেমে রাস্তা থেকে ুদ্রাকৃতির কী যেন তুলে নিচ্ছিলেন। বুঝলাম, একটু আগে এখানেও কিছু ‘ফেটেছে’। এর ‘আলামত’ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তারপর আরেকটু যেতেই নটর ডেম কলেজের দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায়, সদর রাস্তার ওপর দু’টি ককটেল ফুটল। লোকজন ছোটাছুটি করে এ দিক সে দিক আশ্রয় নিলেন।
গত কয়েক বছরে সরকারের দমননীতি, অনেকের ককটেল-প্রীতি আর জনগণের যৌক্তিক ভীতিÑ তিনটিই বেড়েছে। প্রসঙ্গক্রমে একাধিক ঘটনার কথা মনে পড়ছে। ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর। বাংলামোটর থেকে মিনিবাস যাচ্ছে শাহবাগ। শেরাটনের উত্তরে পরীবাগ ওভারব্রিজ পার হতেই ব্রিজের ওপর থেকে কী যেন ছোড়া হলো। সাথে সাথে আওয়াজ। মিনিবাসে আসনের শেষ সারির জানালার পাশে বসে দেখলাম, অল্পের জন্য ককটেল থেকে বেঁচে গেছে আমাদের গাড়িটি।
২০১৩ সালের ২ নভেম্বর। যাচ্ছিলাম সংসদ ভবনের পূর্ব পাশের সড়ক দিয়ে। বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা। রাস্তায় যানবাহনের ভিড়। ফুটপাথে পথচারীও কম নয়। হঠাৎ মনিপুরী পাড়ার একটা গলি থেকে কয়েকটি যুবক ছুটে এসে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। মনে হলো, তাদের টার্গেট আমাদের বহনকারী মিনিবাসটি। চালক গাড়িটা দ্রুত চালিয়ে নিতে পারেননি। এ দিকে, হামলাকারীরা দ্রুত এসেই পেছনের জানালা দিয়ে পেট্রলভেজা জ্বলন্ত ন্যাকড়া ছুড়ে মারে। আমার মতো কয়েক যাত্রী অল্পের জন্য সে দিন বেঁচে যাই আল্লাহর রহমতে। তবে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে অনেকেই আহত হন। বিশেষ করে মহিলাদের অবস্থা ছিল শোচনীয়। ততক্ষণে গাড়িটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। আক্রান্ত গাড়ি থেকে নেমে দেখি, কারো পায়ের চাপে আমার একটি জুতা হারিয়ে গেছে। কী আর করা, আরেক পাটি জুতা বাংলাদেশের অপরাজনীতির উদ্দেশে ছুড়ে দিলাম। এ দিকে, ভাঙা কাচের আঘাতে কপালে খানিকটা রক্ত। কাছের এক ফার্মেসিতে গিয়ে ওষুধ লাগিয়ে ঘরে ফিরে গেলাম।
এ অভিজ্ঞতা তো অনেকের তুলনায় সামান্য। গাড়িতে বোমা; বাড়িতে ধরপাকড়। কোথাও বিস্ফোরণ বা অগ্নিসংযোগ হলে দাঁড়িয়ে থাকলে ¯িপ্লন্টারে বা আগুনে আহত হওয়ার ভয়। আবার জান বাঁচাতে ছুটে পালাতে গেলে যে, গুলি খাবেন না কিংবা আটকে থানায় চালান হবেন না, তার গ্যারান্টি দেবে কে?
নিরীহ-নির্দোষ সাধারণ মানুষের এখন মহামুসিবত। যানের যাত্রী হলে হামলায় জান নিয়ে টানাটানি। অন্য দিকে, রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে জেরা ও তল্লাশিতে মান নিয়ে টান পড়ছে অনেকের। প্রতিপক্ষ না হয়েও বোমায়, আগুনে হতাহত হচ্ছে পাবলিক। অপর দিকে, শুধু সন্দেহের দরুন পিটুনি খাচ্ছে এবং পাকড়াও হচ্ছে প্রধানত তারাই। এভাবে আমজনতার যারা বারোটা বাজাচ্ছেন, তারা কিন্তু দেশটার অন্তত সাড়ে বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন।
এমন ঘটনা এখন নিত্যকার। কে যে কখন ফুটিয়ে আর ফাটিয়ে দেবে, বলা যায় না। সাধারণ মানুষ অষ্টপ্রহর আশঙ্কায়। যানে থাকুন আর হাঁটায় থাকুন, দোয়া ইউনুস পড়ে সারাক্ষণ পরম করুণাময় আল্লাহর স্মরণ নেয়া ছাড়া উপায় নেই। সরকারের প্রচারণা যা-ই হোক, পত্রপত্রিকা পড়ে মানুষ মনে করছেÑ বোমাবাজি ও সন্ত্রাস কোনো পক্ষের একচেটিয়া নয়। কেউ ক্রোধে, কেউ বা কৌশলে এসব ইস্তেমাল করে পরিস্থিতি দিন দিন জটিল করে তুলছে।
বীর এখন ফুটপাথে
‘বঙ্গবীর’ নামে পরিচিতি পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের দু’জন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। একজন ছিলেন সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী। অন্য জন হলেন আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। এক সময়ে ছিলেন আওয়ামী লীগের চোখের মণি। হয়েছিলেন সে দল থেকে এমপিও। যখন নীতিগত প্রশ্নে এমপি-পদ এবং প্রাণপ্রিয় দলটি ছাড়লেন, তখন থেকে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের চোখের বালি। তাই এখন তিনি যত ভালো কথাই বলুন, সেটা সরকারের ভালো লাগবে না।
২৮ জানুয়ারি থেকে পড়ে আছেন মতিঝিলের ফুটপাথে। তার এই অনির্দিষ্টকাল অবস্থান কর্মসূচির লক্ষ্য, চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের সমাধান করে দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা। এ জন্য তিনি দেশ বাঁচাতে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন ‘জননেত্রী’ শেখ হাসিনার কাছে। আর মানুষ বাঁচাতে হরতাল-অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ‘দেশনেত্রী’ বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি। কেউ তার কথা কানে তোলেননি। তিনিও হাল ছাড়েননি। এ পর্যন্ত ২৮ দিন একটানা রাস্তার পাশে দিবারাত্র কাটিয়ে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন। এর মধ্যে বৃষ্টি-বাতাস এবং পুলিশের একাধিক হানার ঝামেলা গেছে। দেশে একটানা ৫০ দিন অবরোধ এবং এতেও সাড়া না দেয়ার রেকর্ড যেমন সৃষ্টি হয়েছে, এর পাশাপাশি আরেক রেকর্ড গড়েছেন ছোট দলের বড় নেতা কাদের সিদ্দিকী।
প্রতিদিন অফিসে আসা-যাওয়ার পথে মতিঝিলের ফুটপাথে কাদের সিদ্দিকীর অবস্থান কর্মসূচির অবস্থা দেখি। কোনো কোনো দিন বেশ লোকসমাগম দেখা যায়। বুধবার বিকেলে দেখলাম, ‘গণস্বাস্থ্য’ খ্যাত ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী ফুটপাথে বসে আছেন সিদ্দিকীর সাথে। কেউ কেউ অর্থসাহায্য দিচ্ছেন এই আন্দোলনে। পাশেই একজন মাঝবয়েসী শিল্পীকে প্রায় সময়ে দেখা যায় হেলে দুলে মাথা ঝাঁকিয়ে গান গাইতে। সাথে যন্ত্রশিল্পী ও দোহার আছেন। আর কাদের সিদ্দিকী কখনো বসে আলাপ করছেন, কখনো সেখানেই সটান শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অন্যরকম একটা দৃশ্য দেখা গেলো। মাথায় টুপি, গলায় গামছা, কাদের সিদ্দিকী বসে আছেন। এমন সময় দু’টি কিশোরী একটি শিশুকে নিয়ে এলো। ওদের পোশাকপরিচ্ছদে মনে হলো, নেহাত গরিব; হয়তো বস্তিবাসী। কাদের সিদ্দিকী নিঃসঙ্কোচে শিশুটিকে স্নেহ করে কোলে বসালেন। লোকজন ভিড় করে দেখছিল এসব কিছু।
রাজনৈতিক সহিংসতা : একটি গবেষণা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সন্ত্রাস-সহিংসতা যে আন্তর্জাতিকভাবে সবিশেষ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠবে, তা স্বাভাবিক। এখন এটা অ্যাকাডেমিক গবেষণার ‘আকর্ষণীয়’ ইস্যু। যেমন, বেলজিয়ামের ঘেন্ট ইউনিভার্সিটির সঙ্ঘাত ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ড. বের্ট সুইকেন্স বর্তমানে গবেষণারত যে বিষয় নিয়ে, তা হলোÑ ‘বাংলাদেশে শাসন ও জনশৃঙ্খলার স্বরূপ নির্ধারণে রাজনৈতিক সহিংসতা।’
পত্রিকার সাক্ষাৎকারে ড. সুইকেন্স জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ২০০২ থেকে ২০১৩, এই এক যুগে এ দেশে সংঘটিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সহিংসতার ওপর তারা গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের দৃষ্টিতেÑ অপরিপক্ব ও নৈতিকতাবিহীন রাজনৈতিক শ্রেণী এই সহিংসতা ঘটিয়ে থাকে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেশি সহিংসতা ঘটেছে ২০০৬ এবং ২০১৩ সালে।’ এখানে উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে লাঠি-লগি-বৈঠার ঘটনা এবং ২০১৩ সালে শাহবাগ মঞ্চকেন্দ্রিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও সংসদ নির্বাচন-পূর্ব নানা অঘটন ঘটেছে। বেলজিয়ান গবেষক ড. সুইকেন্স এ দেশের সংবাদপত্র থেকে ১৮ হাজার ৩০৯টি ঘটনার তথ্য পেয়েছেন রাজনৈতিক সহিংসতার বিষয়ে। ২০০২ থেকে ’১৩ সাল পর্যন্ত ঘটেছে এই ঘটনাগুলো। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘটনা ২০১৩ সালের, যাতে আহতের সংখ্যা ১২ হাজার। আর নিহত হয়েছেন ৩০০ জন। এই ইউরোপিয়ান শিক্ষাবিদ ও গবেষক বলেছেন, এ দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রধানত রাষ্ট্রীয় শক্তি এবং বড় বড় দল জড়িত। তার ভাষায়, With regard to lethal casualties, state actors dominate, being active in over half of all violence in which fatalities occur. (হতাহতের মারাত্মক ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে রাষ্ট্রশক্তিই প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। প্রাণহানির ঘটনার মতো সহিংসতার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রশক্তি ছিল তৎপর)
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার কারণ হিসেবে নির্বাচন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ছাড়াও দলীয় কোন্দল, দলে অবস্থান লাভের প্রয়াস, সম্পত্তি দখল, টেন্ডারবাজির উল্লেখ করা হয়েছে। হরতাল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সহিংসতার এক-চতুর্থাংশের মতো ঘটনা হরতালের সাথে জড়িত। শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা প্রসঙ্গে জানানো হয়, ছাত্রলীগের ৪০ শতাংশ এবং ছাত্রদলের ৩০ শতাংশ সহিংসতার কারণ, নিজেদের মধ্যকার গ্রুপিং।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের ১৬ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ড. বের্ট সুইকেন্স তার বক্তব্য শেষ করেছেন এই ভাষায় - This year started as a violent year. We have to see whether it continues in the same pace. At the moment, it is really difficult to make any prediction.
মুরগি আগে জন্মেছে, না ডিম?
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনঘনত্বের একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে অনেক আগে থেকে পরিচিত ছিল। ‘সবার জন্য শিক্ষা’ এবং ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ স্লোগান ৪০ বছরেও বাস্তবায়ন করা যায়নি। অথচ সুবিধাভোগী ধনাঢ্য কিছু মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বহু আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। বহু দেশে বাংলাদেশের মানুষ ‘মিসকিন’। এ দিকে দেশটির দারিদ্র্য ও দুর্যোগের দুর্ভাগ্য ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতির উপর্যুপরি চ্যাম্পিয়নশিপ। এতসব নেতিবাচক পরিচয়কেও ম্লান করে দিচ্ছে রাজনৈতিক সহিংসতা। ঘৃণা-বিভাজনের রাজনীতি, লুণ্ঠনের অর্থনীতি এবং ঐতিহ্যবিস্মৃতির সংস্কৃতি হাত ধরাধরি করে গোটা জাতির বুকের ওপর উন্মাদের তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে সুবিধাবাদ ও সঙ্কীর্ণতা এবং হিংসা হানাহানিই প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিজাতীয় শক্তির চক্রান্তে জাতীয় স্বার্থ বিপন্ন। রাষ্ট্রের কর্ণধারেরা বন্ধু ও শত্রু নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে ক্রমাগত অপরিণামদর্শিতার প্রমাণ রেখে চলেছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের সর্বগ্রাসী প্লাবন দেশের ভবিষ্যৎকে ডুবিয়ে দেয়ার আশঙ্কা জেগেছে। এর মূল কারণ দূর করার বদলে সরকার শুধু লক্ষণ ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে মেতে থাকায় পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতিই যেন আমাদের নিয়তি।
সরকার ও ক্ষমতাসীন দল এক দিকে হরতাল-অবরোধের নামে অর্থনীতি ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জেহাদে অবতীর্ণ অপর দিকে প্রভাবশালী মন্ত্রী মিনিস্টাররা বলছেন, জনজীবনে হরতাল-অবরোধ প্রভাব ফেলতে পারছে না। এক মুখে দু’রকম কথা ক্ষমতাসীন মহলের মনের অস্থিরতা ও কাজের সমন্বয়হীনতা নির্দেশ করে।
যে কারো মনে প্রশ্ন না জেগে পারে না সরকারের দ্বৈত মনোভাব ও বক্তব্য নিয়ে। একই সরকার ও দলের এক নেতার কথায় মনে হয়, হরতাল-অবরোধই অর্থনীতিকে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছে। তা না হলে আকাশে উঠে যেত। অন্য নেতার কথা শুনলে ‘নো চিন্তা ডু ফুর্তি’ ভাবে উল্লসিত হয়ে উঠতে ইচ্ছা করবে।
গত বুধবার রাতে একটি টিভি চ্যানেলের খবর, জাতিসঙ্ঘের সহকারী মহাসচিব তারানকো শিগগিরই বাংলাদেশে আসছেন না। পরদিন একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার খবর, তারানকো বাংলাদেশে আসছেন। এখন কোনটা বিশ্বাসযোগ্য? আসবেন, নাকি আসবেন না? তবে পত্রিকার খবর পড়ে মনে হয়, টিভি চ্যানেলটি সরকার সমর্থক বলে তারানকো না আসার কথা জানিয়েছে। সরকার তারানকো এলে তার সাথে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভেতরে ভেতরে। আর প্রকাশ্যে এমনভাব দেখাচ্ছে যেন, তার আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এত রাখঢাকের কী দরকার? জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব বান কি মুনের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর সাথে সরকার আগেও অনেক কথা বলেছে। এবারো তার সাথে কথা বলা লজ্জা বা পরাজয়ের কোনো বিষয় নয়। বরং এটাই এ মুহূর্তে সরকারের একটা বড় দায়িত্ব।
মুরগি আগে জন্মেছে, না ডিম? এ বিতর্ক যে অর্থহীন, তা সামান্য কাণ্ডজ্ঞান থাকলেও ঠাহর করা যায়। তেমনি, আগে সন্ত্রাস বন্ধ, নাকি সংলাপ শুরু করতে হবেÑ তা নিয়ে বিতণ্ডা সৃষ্টিও নিষ্প্রয়োজন। এখন মূলত কী চলছে? বিরোধী দলের অবরোধ ও হরতাল। এগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা নয়। কারণ, হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও, মশাল মিছিল ইত্যাদি রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে আমাদের দেশে দীর্ঘ দিন ধরেই স্বীকৃত। এগুলো কোনো দণ্ডণীয় অপরাধ হতে পারে না। এ ধরনের বিভিন্ন কর্মসূচি বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও অনেকবার বাস্তবায়ন করেছে। এমনকি, লাঠি-মিছিল (লগি-বৈঠারও) এবং সশস্ত্র ‘শান্তি’ মিছিল করার ক্ষেত্রে দলটি প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী। যা হোক, কোথাও কোথাও হরতাল-অবরোধের অপপ্রয়োগ যে অতীতে হয়নি, তা নয়। এখনো হচ্ছে। আবার অনেকে এ ধরনের কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে বিশেষ কোনো দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নানা অঘটন ঘটিয়ে দেয়া অসম্ভব নয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন : আজকে দেশের যে চরম উদ্বেগজনক ও আতঙ্কপূর্ণ পরিস্থিতি, এর উৎস কী? গত বছরের একতরফা ও প্রহসনের সংসদ নির্বাচন। চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটকে যারা নিছক আইনশৃঙ্খলার সমস্যা বলে তুলে ধরছেন, তারা নিজেরাও বুঝেন যে, এটা প্রতিপক্ষকে চেপে ধরা ও কোণঠাসা করার কৌশল। রাজনৈতিক সমস্যার সুরাহা প্রশাসনিক পন্থায় হয় না। তাই যত বাহিনী নামুক, রাজনীতির বিয়োগান্ত কাহিনী কেবলি বাড়বে। সঙ্কট নিরসন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা নির্ভর করছে প্রধানত রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর। বিশেষ করে সরকারপ্রধানের সিদ্ধান্ত এই ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ববহ। তিনি শুধু ক্ষমতাসীন ও বিরাট একটি সংগঠনের সভানেত্রীই নন, সাংবিধানিকভাবেও অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী। বর্তমানে সরকারের সমর্থক ও সমালোচক নির্বিশেষে সবাই স্বীকার করেন, আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রীর হাতেই (অতীতের প্রেসিডেন্টদের মতো অথবা এর চেয়েও বেশি) দল ও সরকার, উভয়ের সর্বময় কর্তৃত্ব। তিনি যদি এখন শুধু এ ঘোষণা দেন যে, ‘জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিদ্যমান সঙ্কট মোচনের উপায় নিয়ে সংলাপের প্রশ্নে আমাদের দ্বিমত নেই’, আমরা আশা করি, সাথে সাথে পরিস্থিতির লক্ষণীয় উন্নতি ঘটবে। তখন জনগণ দেখবে, গণতন্ত্র ও সুশাসন এবং মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে কোন পক্ষের আন্তরিকতা কতটুকু। দেশবাসীর কাছে সবার প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটিত হবেই।
কারো সাথে সংলাপ অর্থ একতরফা ছাড় দিয়ে, প্রতিপক্ষের সব দাবি মেনে আত্মসমর্পণ করা নয়। অনেক আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সঙ্কট অবসানের পন্থা নির্ধারিত হয়ে থাকে। এ জন্য পারস্পরিক আস্থা এবং উদ্দেশ্যের সততা প্রয়োজন। গলাগলি জরুরি নয়; শুধু গালাগালি বন্ধ হলেও মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে। সংলাপকে পাগলের প্রলাপ বলা সত্যের অপলাপ মাত্র। মুখ দেখাদেখি তো বটেই, একে অন্যের সাথে কথা বলাও যদি বন্ধ থাকে, আমরা নিজেদের কি সভ্য জাতি হিসেবে মনে করতে পারি? আলোচনার মধ্য দিয়ে একে অন্যকে বোঝা সম্ভব। তখন ছাড় দেয়া ও সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে বলে আমরা আশাবাদী।
পাদটীকা : ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ের কথা। তখন হাইস্কুলে নিচের দিকে পড়ি। ফেনীতে আধপাগলা এক লোক একটা অদ্ভুত গান গাইতেন। এর প্রথম কলিÑ ‘চলেছে চৈতন্যের গাড়ি সোনার মদিনায়’। হিন্দুদের বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ শ্রীচৈতন্য দেবের গাড়ি কেন মুসলমানদের শ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মাদ সা:-এর মদিনা শরিফের উদ্দেশে যাত্রা করবে, এর জবাব পাইনি। এখনকার রাজনীতির বেহাল দশা দেখে ভাবি, আমরাও কি ভুল গাড়িতে চড়ে সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছব ভেবে যাত্রা করেছি?
যা হোক, বৃহস্পতিবারের মতিঝিলে ফিরে যাই। মিনিবাসে শাপলা চত্বরে নেমে উত্তরে পা বাড়ালাম। ফিলিং স্টেশনটার সামনে পুলিশের একটা গাড়ি এসে থামতেই দু’জন নেমে রাস্তা থেকে ুদ্রাকৃতির কী যেন তুলে নিচ্ছিলেন। বুঝলাম, একটু আগে এখানেও কিছু ‘ফেটেছে’। এর ‘আলামত’ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তারপর আরেকটু যেতেই নটর ডেম কলেজের দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায়, সদর রাস্তার ওপর দু’টি ককটেল ফুটল। লোকজন ছোটাছুটি করে এ দিক সে দিক আশ্রয় নিলেন।
গত কয়েক বছরে সরকারের দমননীতি, অনেকের ককটেল-প্রীতি আর জনগণের যৌক্তিক ভীতিÑ তিনটিই বেড়েছে। প্রসঙ্গক্রমে একাধিক ঘটনার কথা মনে পড়ছে। ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর। বাংলামোটর থেকে মিনিবাস যাচ্ছে শাহবাগ। শেরাটনের উত্তরে পরীবাগ ওভারব্রিজ পার হতেই ব্রিজের ওপর থেকে কী যেন ছোড়া হলো। সাথে সাথে আওয়াজ। মিনিবাসে আসনের শেষ সারির জানালার পাশে বসে দেখলাম, অল্পের জন্য ককটেল থেকে বেঁচে গেছে আমাদের গাড়িটি।
২০১৩ সালের ২ নভেম্বর। যাচ্ছিলাম সংসদ ভবনের পূর্ব পাশের সড়ক দিয়ে। বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা। রাস্তায় যানবাহনের ভিড়। ফুটপাথে পথচারীও কম নয়। হঠাৎ মনিপুরী পাড়ার একটা গলি থেকে কয়েকটি যুবক ছুটে এসে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। মনে হলো, তাদের টার্গেট আমাদের বহনকারী মিনিবাসটি। চালক গাড়িটা দ্রুত চালিয়ে নিতে পারেননি। এ দিকে, হামলাকারীরা দ্রুত এসেই পেছনের জানালা দিয়ে পেট্রলভেজা জ্বলন্ত ন্যাকড়া ছুড়ে মারে। আমার মতো কয়েক যাত্রী অল্পের জন্য সে দিন বেঁচে যাই আল্লাহর রহমতে। তবে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে অনেকেই আহত হন। বিশেষ করে মহিলাদের অবস্থা ছিল শোচনীয়। ততক্ষণে গাড়িটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। আক্রান্ত গাড়ি থেকে নেমে দেখি, কারো পায়ের চাপে আমার একটি জুতা হারিয়ে গেছে। কী আর করা, আরেক পাটি জুতা বাংলাদেশের অপরাজনীতির উদ্দেশে ছুড়ে দিলাম। এ দিকে, ভাঙা কাচের আঘাতে কপালে খানিকটা রক্ত। কাছের এক ফার্মেসিতে গিয়ে ওষুধ লাগিয়ে ঘরে ফিরে গেলাম।
এ অভিজ্ঞতা তো অনেকের তুলনায় সামান্য। গাড়িতে বোমা; বাড়িতে ধরপাকড়। কোথাও বিস্ফোরণ বা অগ্নিসংযোগ হলে দাঁড়িয়ে থাকলে ¯িপ্লন্টারে বা আগুনে আহত হওয়ার ভয়। আবার জান বাঁচাতে ছুটে পালাতে গেলে যে, গুলি খাবেন না কিংবা আটকে থানায় চালান হবেন না, তার গ্যারান্টি দেবে কে?
নিরীহ-নির্দোষ সাধারণ মানুষের এখন মহামুসিবত। যানের যাত্রী হলে হামলায় জান নিয়ে টানাটানি। অন্য দিকে, রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে জেরা ও তল্লাশিতে মান নিয়ে টান পড়ছে অনেকের। প্রতিপক্ষ না হয়েও বোমায়, আগুনে হতাহত হচ্ছে পাবলিক। অপর দিকে, শুধু সন্দেহের দরুন পিটুনি খাচ্ছে এবং পাকড়াও হচ্ছে প্রধানত তারাই। এভাবে আমজনতার যারা বারোটা বাজাচ্ছেন, তারা কিন্তু দেশটার অন্তত সাড়ে বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন।
এমন ঘটনা এখন নিত্যকার। কে যে কখন ফুটিয়ে আর ফাটিয়ে দেবে, বলা যায় না। সাধারণ মানুষ অষ্টপ্রহর আশঙ্কায়। যানে থাকুন আর হাঁটায় থাকুন, দোয়া ইউনুস পড়ে সারাক্ষণ পরম করুণাময় আল্লাহর স্মরণ নেয়া ছাড়া উপায় নেই। সরকারের প্রচারণা যা-ই হোক, পত্রপত্রিকা পড়ে মানুষ মনে করছেÑ বোমাবাজি ও সন্ত্রাস কোনো পক্ষের একচেটিয়া নয়। কেউ ক্রোধে, কেউ বা কৌশলে এসব ইস্তেমাল করে পরিস্থিতি দিন দিন জটিল করে তুলছে।
বীর এখন ফুটপাথে
‘বঙ্গবীর’ নামে পরিচিতি পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের দু’জন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। একজন ছিলেন সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী। অন্য জন হলেন আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। এক সময়ে ছিলেন আওয়ামী লীগের চোখের মণি। হয়েছিলেন সে দল থেকে এমপিও। যখন নীতিগত প্রশ্নে এমপি-পদ এবং প্রাণপ্রিয় দলটি ছাড়লেন, তখন থেকে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের চোখের বালি। তাই এখন তিনি যত ভালো কথাই বলুন, সেটা সরকারের ভালো লাগবে না।
২৮ জানুয়ারি থেকে পড়ে আছেন মতিঝিলের ফুটপাথে। তার এই অনির্দিষ্টকাল অবস্থান কর্মসূচির লক্ষ্য, চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের সমাধান করে দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা। এ জন্য তিনি দেশ বাঁচাতে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন ‘জননেত্রী’ শেখ হাসিনার কাছে। আর মানুষ বাঁচাতে হরতাল-অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ‘দেশনেত্রী’ বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি। কেউ তার কথা কানে তোলেননি। তিনিও হাল ছাড়েননি। এ পর্যন্ত ২৮ দিন একটানা রাস্তার পাশে দিবারাত্র কাটিয়ে ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন। এর মধ্যে বৃষ্টি-বাতাস এবং পুলিশের একাধিক হানার ঝামেলা গেছে। দেশে একটানা ৫০ দিন অবরোধ এবং এতেও সাড়া না দেয়ার রেকর্ড যেমন সৃষ্টি হয়েছে, এর পাশাপাশি আরেক রেকর্ড গড়েছেন ছোট দলের বড় নেতা কাদের সিদ্দিকী।
প্রতিদিন অফিসে আসা-যাওয়ার পথে মতিঝিলের ফুটপাথে কাদের সিদ্দিকীর অবস্থান কর্মসূচির অবস্থা দেখি। কোনো কোনো দিন বেশ লোকসমাগম দেখা যায়। বুধবার বিকেলে দেখলাম, ‘গণস্বাস্থ্য’ খ্যাত ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী ফুটপাথে বসে আছেন সিদ্দিকীর সাথে। কেউ কেউ অর্থসাহায্য দিচ্ছেন এই আন্দোলনে। পাশেই একজন মাঝবয়েসী শিল্পীকে প্রায় সময়ে দেখা যায় হেলে দুলে মাথা ঝাঁকিয়ে গান গাইতে। সাথে যন্ত্রশিল্পী ও দোহার আছেন। আর কাদের সিদ্দিকী কখনো বসে আলাপ করছেন, কখনো সেখানেই সটান শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অন্যরকম একটা দৃশ্য দেখা গেলো। মাথায় টুপি, গলায় গামছা, কাদের সিদ্দিকী বসে আছেন। এমন সময় দু’টি কিশোরী একটি শিশুকে নিয়ে এলো। ওদের পোশাকপরিচ্ছদে মনে হলো, নেহাত গরিব; হয়তো বস্তিবাসী। কাদের সিদ্দিকী নিঃসঙ্কোচে শিশুটিকে স্নেহ করে কোলে বসালেন। লোকজন ভিড় করে দেখছিল এসব কিছু।
রাজনৈতিক সহিংসতা : একটি গবেষণা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সন্ত্রাস-সহিংসতা যে আন্তর্জাতিকভাবে সবিশেষ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠবে, তা স্বাভাবিক। এখন এটা অ্যাকাডেমিক গবেষণার ‘আকর্ষণীয়’ ইস্যু। যেমন, বেলজিয়ামের ঘেন্ট ইউনিভার্সিটির সঙ্ঘাত ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ড. বের্ট সুইকেন্স বর্তমানে গবেষণারত যে বিষয় নিয়ে, তা হলোÑ ‘বাংলাদেশে শাসন ও জনশৃঙ্খলার স্বরূপ নির্ধারণে রাজনৈতিক সহিংসতা।’
পত্রিকার সাক্ষাৎকারে ড. সুইকেন্স জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ২০০২ থেকে ২০১৩, এই এক যুগে এ দেশে সংঘটিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সহিংসতার ওপর তারা গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের দৃষ্টিতেÑ অপরিপক্ব ও নৈতিকতাবিহীন রাজনৈতিক শ্রেণী এই সহিংসতা ঘটিয়ে থাকে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেশি সহিংসতা ঘটেছে ২০০৬ এবং ২০১৩ সালে।’ এখানে উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে লাঠি-লগি-বৈঠার ঘটনা এবং ২০১৩ সালে শাহবাগ মঞ্চকেন্দ্রিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও সংসদ নির্বাচন-পূর্ব নানা অঘটন ঘটেছে। বেলজিয়ান গবেষক ড. সুইকেন্স এ দেশের সংবাদপত্র থেকে ১৮ হাজার ৩০৯টি ঘটনার তথ্য পেয়েছেন রাজনৈতিক সহিংসতার বিষয়ে। ২০০২ থেকে ’১৩ সাল পর্যন্ত ঘটেছে এই ঘটনাগুলো। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘটনা ২০১৩ সালের, যাতে আহতের সংখ্যা ১২ হাজার। আর নিহত হয়েছেন ৩০০ জন। এই ইউরোপিয়ান শিক্ষাবিদ ও গবেষক বলেছেন, এ দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রধানত রাষ্ট্রীয় শক্তি এবং বড় বড় দল জড়িত। তার ভাষায়, With regard to lethal casualties, state actors dominate, being active in over half of all violence in which fatalities occur. (হতাহতের মারাত্মক ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে রাষ্ট্রশক্তিই প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। প্রাণহানির ঘটনার মতো সহিংসতার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রশক্তি ছিল তৎপর)
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার কারণ হিসেবে নির্বাচন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ছাড়াও দলীয় কোন্দল, দলে অবস্থান লাভের প্রয়াস, সম্পত্তি দখল, টেন্ডারবাজির উল্লেখ করা হয়েছে। হরতাল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সহিংসতার এক-চতুর্থাংশের মতো ঘটনা হরতালের সাথে জড়িত। শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতা প্রসঙ্গে জানানো হয়, ছাত্রলীগের ৪০ শতাংশ এবং ছাত্রদলের ৩০ শতাংশ সহিংসতার কারণ, নিজেদের মধ্যকার গ্রুপিং।
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের ১৬ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ড. বের্ট সুইকেন্স তার বক্তব্য শেষ করেছেন এই ভাষায় - This year started as a violent year. We have to see whether it continues in the same pace. At the moment, it is really difficult to make any prediction.
মুরগি আগে জন্মেছে, না ডিম?
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনঘনত্বের একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে অনেক আগে থেকে পরিচিত ছিল। ‘সবার জন্য শিক্ষা’ এবং ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ স্লোগান ৪০ বছরেও বাস্তবায়ন করা যায়নি। অথচ সুবিধাভোগী ধনাঢ্য কিছু মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বহু আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। বহু দেশে বাংলাদেশের মানুষ ‘মিসকিন’। এ দিকে দেশটির দারিদ্র্য ও দুর্যোগের দুর্ভাগ্য ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে দুর্নীতির উপর্যুপরি চ্যাম্পিয়নশিপ। এতসব নেতিবাচক পরিচয়কেও ম্লান করে দিচ্ছে রাজনৈতিক সহিংসতা। ঘৃণা-বিভাজনের রাজনীতি, লুণ্ঠনের অর্থনীতি এবং ঐতিহ্যবিস্মৃতির সংস্কৃতি হাত ধরাধরি করে গোটা জাতির বুকের ওপর উন্মাদের তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে সুবিধাবাদ ও সঙ্কীর্ণতা এবং হিংসা হানাহানিই প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিজাতীয় শক্তির চক্রান্তে জাতীয় স্বার্থ বিপন্ন। রাষ্ট্রের কর্ণধারেরা বন্ধু ও শত্রু নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে ক্রমাগত অপরিণামদর্শিতার প্রমাণ রেখে চলেছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের সর্বগ্রাসী প্লাবন দেশের ভবিষ্যৎকে ডুবিয়ে দেয়ার আশঙ্কা জেগেছে। এর মূল কারণ দূর করার বদলে সরকার শুধু লক্ষণ ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে মেতে থাকায় পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতিই যেন আমাদের নিয়তি।
সরকার ও ক্ষমতাসীন দল এক দিকে হরতাল-অবরোধের নামে অর্থনীতি ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জেহাদে অবতীর্ণ অপর দিকে প্রভাবশালী মন্ত্রী মিনিস্টাররা বলছেন, জনজীবনে হরতাল-অবরোধ প্রভাব ফেলতে পারছে না। এক মুখে দু’রকম কথা ক্ষমতাসীন মহলের মনের অস্থিরতা ও কাজের সমন্বয়হীনতা নির্দেশ করে।
যে কারো মনে প্রশ্ন না জেগে পারে না সরকারের দ্বৈত মনোভাব ও বক্তব্য নিয়ে। একই সরকার ও দলের এক নেতার কথায় মনে হয়, হরতাল-অবরোধই অর্থনীতিকে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছে। তা না হলে আকাশে উঠে যেত। অন্য নেতার কথা শুনলে ‘নো চিন্তা ডু ফুর্তি’ ভাবে উল্লসিত হয়ে উঠতে ইচ্ছা করবে।
গত বুধবার রাতে একটি টিভি চ্যানেলের খবর, জাতিসঙ্ঘের সহকারী মহাসচিব তারানকো শিগগিরই বাংলাদেশে আসছেন না। পরদিন একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার খবর, তারানকো বাংলাদেশে আসছেন। এখন কোনটা বিশ্বাসযোগ্য? আসবেন, নাকি আসবেন না? তবে পত্রিকার খবর পড়ে মনে হয়, টিভি চ্যানেলটি সরকার সমর্থক বলে তারানকো না আসার কথা জানিয়েছে। সরকার তারানকো এলে তার সাথে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভেতরে ভেতরে। আর প্রকাশ্যে এমনভাব দেখাচ্ছে যেন, তার আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এত রাখঢাকের কী দরকার? জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব বান কি মুনের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর সাথে সরকার আগেও অনেক কথা বলেছে। এবারো তার সাথে কথা বলা লজ্জা বা পরাজয়ের কোনো বিষয় নয়। বরং এটাই এ মুহূর্তে সরকারের একটা বড় দায়িত্ব।
মুরগি আগে জন্মেছে, না ডিম? এ বিতর্ক যে অর্থহীন, তা সামান্য কাণ্ডজ্ঞান থাকলেও ঠাহর করা যায়। তেমনি, আগে সন্ত্রাস বন্ধ, নাকি সংলাপ শুরু করতে হবেÑ তা নিয়ে বিতণ্ডা সৃষ্টিও নিষ্প্রয়োজন। এখন মূলত কী চলছে? বিরোধী দলের অবরোধ ও হরতাল। এগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হওয়ার কথা নয়। কারণ, হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও, মশাল মিছিল ইত্যাদি রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে আমাদের দেশে দীর্ঘ দিন ধরেই স্বীকৃত। এগুলো কোনো দণ্ডণীয় অপরাধ হতে পারে না। এ ধরনের বিভিন্ন কর্মসূচি বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও অনেকবার বাস্তবায়ন করেছে। এমনকি, লাঠি-মিছিল (লগি-বৈঠারও) এবং সশস্ত্র ‘শান্তি’ মিছিল করার ক্ষেত্রে দলটি প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী। যা হোক, কোথাও কোথাও হরতাল-অবরোধের অপপ্রয়োগ যে অতীতে হয়নি, তা নয়। এখনো হচ্ছে। আবার অনেকে এ ধরনের কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে বিশেষ কোনো দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নানা অঘটন ঘটিয়ে দেয়া অসম্ভব নয়। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন : আজকে দেশের যে চরম উদ্বেগজনক ও আতঙ্কপূর্ণ পরিস্থিতি, এর উৎস কী? গত বছরের একতরফা ও প্রহসনের সংসদ নির্বাচন। চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটকে যারা নিছক আইনশৃঙ্খলার সমস্যা বলে তুলে ধরছেন, তারা নিজেরাও বুঝেন যে, এটা প্রতিপক্ষকে চেপে ধরা ও কোণঠাসা করার কৌশল। রাজনৈতিক সমস্যার সুরাহা প্রশাসনিক পন্থায় হয় না। তাই যত বাহিনী নামুক, রাজনীতির বিয়োগান্ত কাহিনী কেবলি বাড়বে। সঙ্কট নিরসন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা নির্ভর করছে প্রধানত রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর। বিশেষ করে সরকারপ্রধানের সিদ্ধান্ত এই ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ববহ। তিনি শুধু ক্ষমতাসীন ও বিরাট একটি সংগঠনের সভানেত্রীই নন, সাংবিধানিকভাবেও অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী। বর্তমানে সরকারের সমর্থক ও সমালোচক নির্বিশেষে সবাই স্বীকার করেন, আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রীর হাতেই (অতীতের প্রেসিডেন্টদের মতো অথবা এর চেয়েও বেশি) দল ও সরকার, উভয়ের সর্বময় কর্তৃত্ব। তিনি যদি এখন শুধু এ ঘোষণা দেন যে, ‘জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিদ্যমান সঙ্কট মোচনের উপায় নিয়ে সংলাপের প্রশ্নে আমাদের দ্বিমত নেই’, আমরা আশা করি, সাথে সাথে পরিস্থিতির লক্ষণীয় উন্নতি ঘটবে। তখন জনগণ দেখবে, গণতন্ত্র ও সুশাসন এবং মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে কোন পক্ষের আন্তরিকতা কতটুকু। দেশবাসীর কাছে সবার প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটিত হবেই।
কারো সাথে সংলাপ অর্থ একতরফা ছাড় দিয়ে, প্রতিপক্ষের সব দাবি মেনে আত্মসমর্পণ করা নয়। অনেক আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সঙ্কট অবসানের পন্থা নির্ধারিত হয়ে থাকে। এ জন্য পারস্পরিক আস্থা এবং উদ্দেশ্যের সততা প্রয়োজন। গলাগলি জরুরি নয়; শুধু গালাগালি বন্ধ হলেও মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে। সংলাপকে পাগলের প্রলাপ বলা সত্যের অপলাপ মাত্র। মুখ দেখাদেখি তো বটেই, একে অন্যের সাথে কথা বলাও যদি বন্ধ থাকে, আমরা নিজেদের কি সভ্য জাতি হিসেবে মনে করতে পারি? আলোচনার মধ্য দিয়ে একে অন্যকে বোঝা সম্ভব। তখন ছাড় দেয়া ও সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে বলে আমরা আশাবাদী।
পাদটীকা : ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ের কথা। তখন হাইস্কুলে নিচের দিকে পড়ি। ফেনীতে আধপাগলা এক লোক একটা অদ্ভুত গান গাইতেন। এর প্রথম কলিÑ ‘চলেছে চৈতন্যের গাড়ি সোনার মদিনায়’। হিন্দুদের বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ শ্রীচৈতন্য দেবের গাড়ি কেন মুসলমানদের শ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মাদ সা:-এর মদিনা শরিফের উদ্দেশে যাত্রা করবে, এর জবাব পাইনি। এখনকার রাজনীতির বেহাল দশা দেখে ভাবি, আমরাও কি ভুল গাড়িতে চড়ে সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছব ভেবে যাত্রা করেছি?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1490)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 26
(40)
- না দেখা বাবার জন্য অশ্রুপাত- পিলখানা ট্র্যাজেডির ৬...
- ফায়ার বনাম ক্রসফায়ার by রোবায়েত ফেরদৌস
- ইরানকে পরমানু অস্ত্র তৈরিতে বাঁধা দিচ্ছে না বিশ্বন...
- জনতার যন্ত্রণা ক্ষমতার আনন্দ by আলমগীর মহিউদ্দিন
- হুমকির মুখে টক শো আলোচকরা
- মানসিকভাবে প্রস্তুত খালেদা জিয়া by কাফি কামাল
- ভারতীয় সমাজের প্রাণ হচ্ছে বহুত্ববাদ by কুলদীপ নায়ার
- লোকসভায় জমি বিল পেশ
- হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে পায়ে শিকল
- দুঃসহ বেদনার সেই দিন আজ
- বাসা থেকে তুলে নিয়ে দশ দিনের রিমান্ডে মান্না
- ভুল পথে বিএনপি! by সোহরাব হাসান
- বিশ্ব মিডিয়ায় খালেদার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- সর্বস্তরে বাংলার জন্য আর কত অপেক্ষা? by মিজানুর রহ...
- চোখের জলে পিলখানার শহীদদের স্মরণ
- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ছয় বছর, শ্রদ্ধা–ভালোবাসায় নি...
- সাবিহ উদ্দিন এবং...
- ঢাকা ছাড়ছেন শ্রমজীবী মানুষ by রোকনুজ্জামান পিয়াস
- পিলখানা হত্যাযজ্ঞ- এক হতভাগ্য পিতার হৃদয়ের রক্তক্ষ...
- ছক অনুযায়ীই চলবে আন্দোলন
- গণতন্ত্র মানে দায়িত্বশীলতা by শেখ হাফিজুর রহমান কা...
- জ্বলছে বাংলাদেশ by কে. আনিস আহমেদ
- তিস্তার ঘোলা পানি, মমতার ভাললাগা বাংলাদেশ
- অবরোধ-হরতালে ক্ষতি ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা -সংসদে...
- এক রায়ে বদলে গেল ৩ লাখ মানুষের ভাগ্য
- বিপর্যস্ত চিকিৎসাসেবা by মো. শফিকুল ইসলাম
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে: অ্যামনে...
- একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য by মিনার রশীদ
- বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- একদিন জবাবদিহি করতে হবে by সোহেল মাহমুদ
- বাংলাদেশ, চলেছ কোথায়? by মীযানুল করীম
- ব্রহ্মপুত্রে চীনের তৈরি বাঁধ বাংলাদেশ ও ভারতের জন্...
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার তাগিদ বিশ্বব্যাংকের
- বছরের পর বছর বিল দিচ্ছেন না শত শত বিদ্যুৎ গ্রাহক b...
- গুলি করে হত্যার নাম ‘গণপিটুনি’ -নির্বিচার হত্যা বু...
- রাষ্ট্রীয় বাহিনী ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ
- গণপিটুনিতে নিহতরা গুলিতে ঝাঁঝরা -বিচারহীন হত্যার ম...
- প্রকাশনার শিকড় ও শিখর by খান মাহবুব
- ডিসিসি নির্বাচন- নির্বাচিত সংস্থা দায়িত্বে আসুক
- নেই, তারা নেই! by লবী রহমান
-
▼
Feb 26
(40)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট


No comments:
Post a Comment