Monday, October 10, 2011
রাজনীতির হাত ধরে বদলাচ্ছে রাজধানী by সামসুল ওয়ারেস
রাজনীতির হাত ধরে বদলাচ্ছে রাজধানী by সামসুল ওয়ারেস
কোনো রাষ্ট্রের উন্নয়নের গতি, ভাবমূর্তিসহ সার্বিক অবস্থা নির্ভর করে সে রাষ্ট্রের মানুষের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও শিক্ষার ওপর। আর এসব বিষয় এক রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেক রাষ্ট্রের পার্থক্য সৃষ্টি করে। প্রতিটি জনপদ যা রাষ্ট্রের মানুষের নিজস্ব চিন্তাভাবনা, জীবনবোধ, প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ধরন-ধারণের ওপর নির্ভর করে তাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে দার্শনিক এবং আধ্যাত্দি্মক অর্থাৎ ধর্মীয় চিন্তাভাবনা তাদের সমাজকে গোছাতেও নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
৪০০-৫০০ বছর আগের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, পশ্চিমা রাষ্ঠ্রগুলো রেনেসাঁ অর্থাৎ নবজাগরণের মাধ্যমে পৃথিবীর অন্য রাষ্ঠ্রগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে যায়। এ রেনেসাঁর প্রভাবে ইউরোপিয়ানরা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে জীবনযাপনে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আধুনিকতার পথে ধাবিত হয়। আজ থেকে ২৫০ বছর আগের শিল্প বিপ্লব তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। ফলে যন্ত্র এবং প্রযুক্তিনির্ভর একটি আধুনিক সভ্যতার বিকাশ হয়। এরই পথ ধরে আবার একটি ঔপনিবেশিক পৃথিবীর সৃষ্ঠ হয়। এ সময় পশ্চিমা উন্নত রাষ্ঠ্রগুলো পৃথিবীর অনুন্নত রাষ্ঠ্রগুলোকে তাদের উপনিবেশে পরিণত করে। উপনিবেশগুলোর সম্পদ তারা নিজ দেশে নিয়ে যায় এবং এখানকার মানুষদের তারা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি তথা সবকিছুতেই পশ্চিমা সভ্যতার ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। এভাবেই প্রথম দিকের আধুনিক পৃথিবী গড়ে ওঠে।
উপনিবেশিক শাসনের এক পর্যায়ে ব্রিটিশরা বাংলাদেশ তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের কাজ শুরু করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তাদের শাসন কাজে সহায়তার জন্য একটি বিশেষ শ্রেণী গড়ে তোলা। তাদের শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে করা ছিল যাতে শিক্ষিত শ্রেণী শাসকগোষ্ঠীকে সমীহ করে চলে। এরই ধারাবাহিকতায় এ সময়ও আমাদের সমাজে একটি সুবিধাভোগী শিক্ষিত শ্রেণীর দেখা মেলে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হলে এ দেশের মানুষ পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে উন্নয়ন কাজে শামিল হয়। তবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিমাতাসুলভ আচরণ ও এখানকার মানুষের প্রতি শোষণ-নিপীড়নের কারণে ১৯৭১ সালে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভু্যদয় হয়। অবশ্য এজন্য এ দেশের মানুষকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ প্রথম প্রকৃত স্বাধীনভাবে ব্যক্তিগত এবং রাষ্ঠ্রীয় উন্নয়নের সুযোগ পায়।
তবে আমাদের নবজাগরণের যে ধারা তার সূচনা হয় ব্রিটিশ শাসনকালেই। এ ক্ষেত্রে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা পূর্ববাংলার মানুষের জন্য ছিল একটি বড় ঘটনা। ফলে এখানকার মানুষের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম হয়। অনেক শিক্ষিত এবং জ্ঞানী-গুণী সৃষ্টির সূতিকাগারে পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাৎকালীন পূর্ববাংলার অনেক শিক্ষিত বাঙালি বিশেষ বিশেষক্ষেত্রে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনেক সুনাম অর্জন করে। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠার অল্পকালের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অঞ্চলের মানুষের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চার নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।
এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কেউ নোভেল পুরস্কার পায়নি। গত ২ হাজার বছরের যে সভ্যতার বিকাশ তাতে আমাদের অবদান একেবারে নিচের দিকে। সামান্য যেটুকু আছে তা বৃহৎ পরিসরে বলার মতো কোনো বিষয় নয়। পরাধীন অবস্থার মধ্যে আমাদের মতো বাঙালি হয়ে রবীন্দ্রনাথ নোভেল পুরস্কার পেলেন। কিন্তু আজকে আমরা ওই অবস্থারও পেছনে চলে গেছি। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষিতা, স্বার্থপরতা এবং সম্পদ পুঁজি করার সাধারণ মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে কিছু অসৎ রাজনীতিবিদের ২০-৩০ বছরে নৈতিক চরিত্রের যে অধঃপতন তা আমাদের সমগ্র জাতিকে পেছনের দিকে চলে যেতে বাধ্য করেছে। ২৫ বছর পাকিস্তানের সঙ্গে থেকে আমাদের দেশের মুষ্টিমেয় লোক দুর্নীতির বিষয়টি শিখে নিয়েছে। পাকিস্তান মানসিকতার এসব লোক আজ রাজনীতিতে কোলো টাকা, পেশিশক্তি আর দুর্বৃত্তায়নের বিস্তার ঘটিয়েছে। আর এসবের দাপটে সাধারণ মানুষের কল্যাণে যারা রাজনীতি করে বা করতে চায় তারা পিছিয়ে পড়ছে। জনকল্যাণমূলক রাজনীতিতে মূলত নেতৃত্ব দিয়েছে বামপন্থিরা। কিন্তু ডানপন্থিদের দাপটে তারা অনেকটা কোণঠাসা। ডান রাজনীতি সবসময়ই একটি বিত্তশালী শ্রেণীর পক্ষে কাজ করে। এ কারণেই ডানপন্থিরা ক্ষমতায় এসে যায়। দেশের গঠনতন্ত্র থেকে শুরু করে সবকিছু চরমভাবে পরির্বতন করে, যাতে তাদের পক্ষে সুবিধা হয়। আমাদের শুরুটা কিন্তু ছিল অনেকটা সমাজতান্ত্রিক একটি গঠনতন্ত্র নিয়ে। এ গঠনতনে্পর ৪টি মৌলিক বিষয়ের দুটিকে অর্থাৎ সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়া হয়েছে। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজনের ফলে একটি বিশেষ ধর্মের জন্য গঠনতন্ত্র কিছুটা পক্ষপাতিত্ব করছে, যা আমরা প্রথম দিকে চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ হলেও এটি হবে সতি্যকারের একটি সুন্দর দেশ। মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকাররা ছাড়া সাড়ে সাত কোটি বাঙালির সবাই চেয়েছিল এটি এমন একটি দেশ হবে, যেখানে মানবতাই হবে সবচেয়ে বড় ধর্ম। যেখানে সবাই সমান অধিকার এবং ন্যায়বিচার পাবে। এ ধরনের পদক্ষেপে প্রথম শহৃন্যতা সৃষ্টি হলো মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে রাজাকাররা আমাদের বদুিব্দজীবীদের মেরে ফেললে। এ বদুিব্দজীবী ঘাটতি আমরা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এ শহৃন্যতার কারণে কিছু স্বার্থাল্পে্বষী দুর্বৃত্ত এদেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দখল করে ফেলেছে। এসব দুর্বৃত্ত রাজনীতিকে ব্যক্তিগত উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে বিভিন্ন দুর্ভোগ নেমে এসেছে। তবে সাধারণ মানুষ ক্রমেই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ওপর খেপে উঠছে। আশা করা যায়, গণমানুষের আন্দোলনেই একদিন অস্থির সময়ের অবসান হবে এবং আমাদের রাজনীতিতে একটি সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির চরম উৎকষরাউর এ সময়টিতে পৃথিবীর সব জায়গায় সভ্যতা অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে। শুধু সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পার্থক্যটা রয়ে গেছে। ধরা যাক, সব মানুষই আজকাল বিয়ে করে ঘরসংসার করে। কিন্তু বিয়ে করার রীতি কিন্তু সব জায়গায় এক নয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে মেয়েদের বিয়ের পোশাক হলো_ সাদা আর আমাদের দেশে লাল। আবার আমাদের দেশের বিধবারা এক সময় সাদা পোশাক পরতেন (এখনো অনেকে এ নিয়ম পালন করেন)। সভ্যতার দিক থেকে একই হলেও রঙের ভিন্নতার কারণে তফাতটা থেকে যাচ্ছে সংস্কৃতিতে। আমাদের মননের নিজস্বতা ফুটে উঠে আমাদের সংস্কৃতি দিয়েই। আবার রাজনৈতিকভাবেও ধরা যায় পৃথিবীর সর্বত্র মোটামুটি গণতন্ত্র বা সমাজতন্ত্র_ এ দু'ধরনের শাসনব্যবস্থা চলছে। এভাবে সভ্যতার সবগুলো বিষয় একই রকম যা কাছাকাছি। তবে সংস্কৃতির ভিন্নতার প্রধান মাধ্যম হলো একটি রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান। বাংলাদেশ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-্টীপ এবং সমতলভূমি। ভারত থেকে আসা ৪২টি নদী এ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। র্বষাকালে এসব নদী হিমালয় থেকে পানি বয়ে নিয়ে এসে আমাদের এখানে বন্যার সৃষ্টি করে, যা এক-দুই মাস ধরে থাকে। এর ওপর ভিত্তি করে আমাদের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
১৯৭১ সালের আগে আমাদের জীবনযাপন ছিল সাদামাটা। জামা-কাপড় কম লাগত। একটি ঘড়ি, একটি কলম দিয়ে জীবন চলে যেত। কিন্তু র্বতমান জীবনধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। পশ্চিমারা তাদের ব্যবসায়িক পলিসির কারণে আমাদের মধ্যে অপচয়বোধ ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ কারণে আমাদের সাংস্কৃতিক ভারসাম্য নষ্ঠ হচ্ছে। হঠাৎ করেই আমাদের এখানে ৯-১০টি টিভি চ্যানেল হয়ে গেল। সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক কারণে। এটা দেশের মানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা বা সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য হয়নি। ফলে বেশকিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এগুলো আমাদের সমাজের জন্য দরকার কিনা তা ভাবা হয়নি। অন্যদিকে খুব কম সময়ের মধ্যেই অনেকগুলো বেসরকারি টিভি চ্যানেল হয়েছে। এগুলো করার সময় তেমন কোনো সরকারি নীতিমালা ছিল না। ইদানীং আমরা যে শিক্ষানীতি পেয়েছি তাতে শিক্ষাকে ব্যয়বহুল করা হয়েছে। এ নীতি ধনীদের জন্য অনুকূল হলেও দরিদ্রদের জন্য প্রতিকূল। এ বৈষম্রাজ্যের কারণে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা শুধু ধনী শ্রেণীই ভোগ করছে। তবে আমাদের দেশের ৮০ শতাংশ লোকই অল্পতেই সন্তুষ্ঠ থাকে। তারা লোভী নয় এবং তাদের মধ্যে আছে সাম্যবাদী জীবনধারার ছাপ। এ গুণটি অনেক দেশের মানুষের মধ্যে নেই। আশা করা যায় সুস্থ-সুন্দর সমাজ গঠনে এ ব্যাপারটি বাংলাদেশের জন্য একটি ট্রাম্প কার্ড হিসেবে কাজ করবে।
পাল শাসনামলে বেশিরভাগ বাঙালি ছিল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। শ্রেণী বিভাজনের কারণে নিগৃহীত নিন্মবণরাউর হিন্দুরা সে সময় একটি প্রতিবাদ হিসেবে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সেন আমলে আবার এটি একটি কট্টর হিন্দুপন্থি দেশে পরিণত হয়। এরপর আবার ইসলামের প্রচার শুরু হলে অত্যাচারিত নিন্মবণরাউর হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। র্বতমানে আমরা ওই রকম একটি আর্বতন লক্ষ্য করছি। এটি অবশ্য রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। এরই অংশ হিসেবে আমরা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শাসন-শোষণ আর লুটপাটের রাজনীতির বিরুদ্ধে একটা ধাক্কা দিয়েছিলাম। আশা করা যায়, '৭১ সালের মতো আরেকটি প্রজন্ম উঠে আসবে, যারা এ সময়ের গণতান্ত্রিক স্টৈ্বরশাসন আর পারিবারিক নেতৃত্বকে বড় একটি ধাক্কা দিতে পারবে। এটি সম্পন্ন হলেই বাংলাদেশ খুব তাড়াতাড়ি গুছিয়ে উঠতে পারবে। এক্ষেত্রে সুুবিধা হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার অবকাঠামো আছে। আছে পর্যাপ্ত লোকবল। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের সুন্দর আইন আছে যদিও তার অপপ্রয়োগ আছে। আর কিছু আইন যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরির্বতন করা দরকার, যদিও তা করা হচ্ছে না। সব মিলিয়ে আমাদের শিল্পের একটি ভালো অবকাঠামো আছে। এ কারণেই কম সময়ের মধ্যে ৫৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও শিক্ষকের কোনো সংকট হয়নি। তবে আমাদের এই অবকাঠামোকে নিজেদের স্বার্থে ধ্বংস করার চেষ্ঠায় আছে রাজনীতিকরা। নিন্ম মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত মেধাবী ছাত্ররা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কম খরচে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু এগুলোর বেতন বৃদ্ধি বা বেসরকারিকরণের ষড়যন্ত্র চলছে।
একটি আদর্শ শহরের জন্য দরকারি জিনিস হলো সুন্দর রাস্তাঘাট এবং পর্যাপ্ত খোলা জায়গা। শহরটি থাকবে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এই যেমন_ আবাসিক এলাকা, শিল্প এলাকা এবং অফিস-আদালতপাড়া। সবকিছুর সমল্প্বয় এমনভাবে হতে হবে, যাতে একজন মানুষ আধাঘণ্টা হাঁটলে স্কুল-কলেজ, বাসা, অফিস, হাসপাতাল, মসজিদের মতো সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পপৌঁছতে পারে। স্কুলগুলো এমন স্থানে হবে যাতে বাচ্চারা হেঁটে পপৌঁছুতে পারে এবং কোনো প্রধান সড়ক পার হতে না হয়। সব মিলিয়ে নগরবাসী সারাদিনের কাজকর্মে, আসা-যাওয়ায় এক ঘণ্টা হাঁটার সুযোগ পেলে তাদের স্বাস্টে্থ্যর জন্য তা ভালো হবে। একটি শহরে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং বিশদুব্দ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। থাকবে পরিকল্কিপ্পত পয়ঃনালার ব্যবস্থা। এসবের ব্যবস্থা না করে শুধু আকাশচুম্বী ভবন তৈরি করলেই হবে না। ঢাকার মূল সমস্যা '৭১-এর পর প্রচুর লোক ঢাকায় চলে আসে। প্রতিদিন যারা এ নগরে আসছে তারা আর ফেরত যাচ্ছে না। ফলে ঢাকার জনসংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। নগরীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। এজন্য ঢাকা শহরের মানুষদের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি এবং পরিবহনসহ সবক্ষেত্রেই বিভিন্নভাবে নাজেহাল হয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ঢাকা শহরে কেন এত লোক আসে সে কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়া ঢাকাকে সবকিছুর কেন্দ্র না করে মূল কেন্দ্র করে আরো অনেক উপকেন্দ্র গড়তে হবে। তাহলে ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমবে। দেখা যায় জার্মানির রাজধানী বালর্িন হলেও ওই শহরটি মূলত কালচারাল সেন্টার হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। মিডিয়ার লোকজন থাকে কোলনে। কারণ সব ধরনের মিডিয়ার অফিস ওখানে। ফদ্ধাঙ্কফুর্ট হলো জার্মানির ব্যবসা কেন্দ্র। আমাদের এখানেও সবকিছুকে এ রকম বিভাজিত করতে হবে। এই যেমন_ ঢাকার ভেতরে ক্যান্টনমেন্ট থাকার কোন ািদরকার নেই। এরকম কেন্দ্রীয় জেলখানা, বিডিআর, ট্যানারিএগুলো ঢাকার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া ঢাকার চাপ কমানোর জন্য এর আশপাশে স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে টঙ্গী এবং সাভার দিয়ে শুরু করা যায়। এজন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা। আমাদের সামরিক খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। অথচ যুদ্ধ বা দেশ দখলের কোনো উচ্চাশা আমাদের নেই। এজন্য সামরিক খাতে ব্যয় কমাতে হবে। সশস্ত্র বাহিনীর পরিসর আরো ছোট করতে হবে। কারণ স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবাই আর্মি হিসেবে কাজ করবে। '৭১ সালে যেমন সবাই যুদ্ধ করেছে।
এ শহরের পরিবেশ বাঁচাতে হলে দেশের দক্ষ দলপতিদের দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। তবে পরিকল্পনা করলেই হবে না, এসব বাস্তবায়নে শাসকগোষ্ঠীর আন্তরিকতা থাকতে হবে। কারণ আমাদের রাজনীতিকরা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছুতে মনোযোগী হন না। যেমন ঢাকা শহরে ৪০০টি রাস্তা করার পরিকল্পনা আছে রাজউকের। এগুলো তৈরি হলে শহরের যানজট অনেকটা কমে যেত। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থে আঘাত লাগে বলেই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
হঠাৎই মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর উন্নত হয়ে গেল। এর পেছনে অবদান রেখেছেন ভালো কিছু রাজনৈতিক নেতা। মালয়েশিয়া পেছনে ছিলেন মাহাথির মোহাম্মদ এবং তার আগে টেঙ্কু আবদুর রহমানের মতো নেতা।
এমনকি মাহাথিরের সময়কার অর্থমন্ত্রীর স্ত্রী আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছিলেন। এখন উল্টো আমাদের ছেলেরাই মালয়েশিয়ায় পড়তে যাচ্ছে।
এক সময় ঢাকা শহরে চলাচলের প্রধান মাধ্যম ছিল খাল। আস্টেস্ন আস্টেস্ন সবকিছুতে রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। সে সময় ঢাকা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সবুজ শহর। সে ঢাকা আজ কংক্রিটের মরুময়তায় পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি প্রণীত আইনে ভবন তৈরির সময় নির্দিষ্ঠ পরিমাণ জায়গা খালি রাখতে বলা হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে ঢাকার প্রকৃতির জন্য খুব ভালো হবে। এজন্য প্রয়োজন শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সদিচ্ছা।
ইদানীং গার্মেন্টস কর্মীদের মালিকপক্ষের শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে। আমাদের এখানে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্ক শাসক আর শোষিতের, সহযোগিতামূলক নয়। এজন্য অবশ্য মালিকপক্ষ দায়ী। এটা আমাদের শিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তবে মূল সমস্যা হলো আমরা পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। এটাকে তাই শিল্প বলা চলে না। একটি শিল্পের ৮০ ভাগ দ্রব্য নিজেদের থাকতে হবে। এজন্য আমাদের কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। আমাদের উচ্চ শিক্ষিত কৃষিবিদদের কাজে লাগিয়ে এর বাস্তবায়নের পথ সুগম করা যাবে। তবে মূল কথা হলো, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব আমাদের অনেক সম্ভাবনা নষ্ঠ করে দিচ্ছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসে দমন-পীড়নের কাজে ব্যস্ত থাকে। দেশের উন্নয়নের কথা ভাবে না। র্বতমান সরকারের কথাই ধরা যাক। তারা দেশের উন্নতির বদলে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব ধরনের নোংরামিতে জড়িয়ে পড়ছে। আইন-আদালত ও পুলিশ বাহিনীকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। এমনকি বদুিব্দজীবীদেরও তারা হেনস্তা করছে। শাহরিয়ার কবির বা মুনতাসির মামুনের মতো ব্যক্তিত্বদের যারা হয়রানি করতে পারে তাদের দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নতি আশা করা যায় না। অনেকে বলে আমাদের সম্পদ নেই। এটা ঠিক নয়। মানুষ আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ, যা অনেক দেশে নেই। এ মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের আছে নদী, মাছ, তেল, গ্যাস, কয়লা প্রভৃতি। এগুলোর যথাযথ ব্যবহার আমাদের উন্নতির পথ সুগম করতে পারে। তেল-গ্যাস নিয়ে যে দেশের প্রধান দু'দলের নির্লজ্জ বিবাদ হয় সেদেশ উন্নতি করবে কীভাবে? বড় দু'দলের মতো সাধারণ মানুষ বাংলাদেশকে অন্দকারের দিকে যেতে দেবে না। এ দেশের সাধারণ মানুষই এক সময় একটা ভালো রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করবে। সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়।
উপনিবেশিক শাসনের এক পর্যায়ে ব্রিটিশরা বাংলাদেশ তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের কাজ শুরু করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তাদের শাসন কাজে সহায়তার জন্য একটি বিশেষ শ্রেণী গড়ে তোলা। তাদের শিক্ষাব্যবস্থা এমনভাবে করা ছিল যাতে শিক্ষিত শ্রেণী শাসকগোষ্ঠীকে সমীহ করে চলে। এরই ধারাবাহিকতায় এ সময়ও আমাদের সমাজে একটি সুবিধাভোগী শিক্ষিত শ্রেণীর দেখা মেলে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হলে এ দেশের মানুষ পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে উন্নয়ন কাজে শামিল হয়। তবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিমাতাসুলভ আচরণ ও এখানকার মানুষের প্রতি শোষণ-নিপীড়নের কারণে ১৯৭১ সালে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভু্যদয় হয়। অবশ্য এজন্য এ দেশের মানুষকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ প্রথম প্রকৃত স্বাধীনভাবে ব্যক্তিগত এবং রাষ্ঠ্রীয় উন্নয়নের সুযোগ পায়।
তবে আমাদের নবজাগরণের যে ধারা তার সূচনা হয় ব্রিটিশ শাসনকালেই। এ ক্ষেত্রে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা পূর্ববাংলার মানুষের জন্য ছিল একটি বড় ঘটনা। ফলে এখানকার মানুষের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম হয়। অনেক শিক্ষিত এবং জ্ঞানী-গুণী সৃষ্টির সূতিকাগারে পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাৎকালীন পূর্ববাংলার অনেক শিক্ষিত বাঙালি বিশেষ বিশেষক্ষেত্রে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনেক সুনাম অর্জন করে। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠার অল্পকালের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অঞ্চলের মানুষের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চার নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।
এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের কেউ নোভেল পুরস্কার পায়নি। গত ২ হাজার বছরের যে সভ্যতার বিকাশ তাতে আমাদের অবদান একেবারে নিচের দিকে। সামান্য যেটুকু আছে তা বৃহৎ পরিসরে বলার মতো কোনো বিষয় নয়। পরাধীন অবস্থার মধ্যে আমাদের মতো বাঙালি হয়ে রবীন্দ্রনাথ নোভেল পুরস্কার পেলেন। কিন্তু আজকে আমরা ওই অবস্থারও পেছনে চলে গেছি। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষিতা, স্বার্থপরতা এবং সম্পদ পুঁজি করার সাধারণ মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়ে কিছু অসৎ রাজনীতিবিদের ২০-৩০ বছরে নৈতিক চরিত্রের যে অধঃপতন তা আমাদের সমগ্র জাতিকে পেছনের দিকে চলে যেতে বাধ্য করেছে। ২৫ বছর পাকিস্তানের সঙ্গে থেকে আমাদের দেশের মুষ্টিমেয় লোক দুর্নীতির বিষয়টি শিখে নিয়েছে। পাকিস্তান মানসিকতার এসব লোক আজ রাজনীতিতে কোলো টাকা, পেশিশক্তি আর দুর্বৃত্তায়নের বিস্তার ঘটিয়েছে। আর এসবের দাপটে সাধারণ মানুষের কল্যাণে যারা রাজনীতি করে বা করতে চায় তারা পিছিয়ে পড়ছে। জনকল্যাণমূলক রাজনীতিতে মূলত নেতৃত্ব দিয়েছে বামপন্থিরা। কিন্তু ডানপন্থিদের দাপটে তারা অনেকটা কোণঠাসা। ডান রাজনীতি সবসময়ই একটি বিত্তশালী শ্রেণীর পক্ষে কাজ করে। এ কারণেই ডানপন্থিরা ক্ষমতায় এসে যায়। দেশের গঠনতন্ত্র থেকে শুরু করে সবকিছু চরমভাবে পরির্বতন করে, যাতে তাদের পক্ষে সুবিধা হয়। আমাদের শুরুটা কিন্তু ছিল অনেকটা সমাজতান্ত্রিক একটি গঠনতন্ত্র নিয়ে। এ গঠনতনে্পর ৪টি মৌলিক বিষয়ের দুটিকে অর্থাৎ সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়া হয়েছে। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজনের ফলে একটি বিশেষ ধর্মের জন্য গঠনতন্ত্র কিছুটা পক্ষপাতিত্ব করছে, যা আমরা প্রথম দিকে চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ হলেও এটি হবে সতি্যকারের একটি সুন্দর দেশ। মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকাররা ছাড়া সাড়ে সাত কোটি বাঙালির সবাই চেয়েছিল এটি এমন একটি দেশ হবে, যেখানে মানবতাই হবে সবচেয়ে বড় ধর্ম। যেখানে সবাই সমান অধিকার এবং ন্যায়বিচার পাবে। এ ধরনের পদক্ষেপে প্রথম শহৃন্যতা সৃষ্টি হলো মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে রাজাকাররা আমাদের বদুিব্দজীবীদের মেরে ফেললে। এ বদুিব্দজীবী ঘাটতি আমরা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এ শহৃন্যতার কারণে কিছু স্বার্থাল্পে্বষী দুর্বৃত্ত এদেশ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দখল করে ফেলেছে। এসব দুর্বৃত্ত রাজনীতিকে ব্যক্তিগত উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে বিভিন্ন দুর্ভোগ নেমে এসেছে। তবে সাধারণ মানুষ ক্রমেই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ওপর খেপে উঠছে। আশা করা যায়, গণমানুষের আন্দোলনেই একদিন অস্থির সময়ের অবসান হবে এবং আমাদের রাজনীতিতে একটি সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
তথ্যপ্রযুক্তির চরম উৎকষরাউর এ সময়টিতে পৃথিবীর সব জায়গায় সভ্যতা অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে। শুধু সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পার্থক্যটা রয়ে গেছে। ধরা যাক, সব মানুষই আজকাল বিয়ে করে ঘরসংসার করে। কিন্তু বিয়ে করার রীতি কিন্তু সব জায়গায় এক নয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে মেয়েদের বিয়ের পোশাক হলো_ সাদা আর আমাদের দেশে লাল। আবার আমাদের দেশের বিধবারা এক সময় সাদা পোশাক পরতেন (এখনো অনেকে এ নিয়ম পালন করেন)। সভ্যতার দিক থেকে একই হলেও রঙের ভিন্নতার কারণে তফাতটা থেকে যাচ্ছে সংস্কৃতিতে। আমাদের মননের নিজস্বতা ফুটে উঠে আমাদের সংস্কৃতি দিয়েই। আবার রাজনৈতিকভাবেও ধরা যায় পৃথিবীর সর্বত্র মোটামুটি গণতন্ত্র বা সমাজতন্ত্র_ এ দু'ধরনের শাসনব্যবস্থা চলছে। এভাবে সভ্যতার সবগুলো বিষয় একই রকম যা কাছাকাছি। তবে সংস্কৃতির ভিন্নতার প্রধান মাধ্যম হলো একটি রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থান। বাংলাদেশ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-্টীপ এবং সমতলভূমি। ভারত থেকে আসা ৪২টি নদী এ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। র্বষাকালে এসব নদী হিমালয় থেকে পানি বয়ে নিয়ে এসে আমাদের এখানে বন্যার সৃষ্টি করে, যা এক-দুই মাস ধরে থাকে। এর ওপর ভিত্তি করে আমাদের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
১৯৭১ সালের আগে আমাদের জীবনযাপন ছিল সাদামাটা। জামা-কাপড় কম লাগত। একটি ঘড়ি, একটি কলম দিয়ে জীবন চলে যেত। কিন্তু র্বতমান জীবনধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। পশ্চিমারা তাদের ব্যবসায়িক পলিসির কারণে আমাদের মধ্যে অপচয়বোধ ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ কারণে আমাদের সাংস্কৃতিক ভারসাম্য নষ্ঠ হচ্ছে। হঠাৎ করেই আমাদের এখানে ৯-১০টি টিভি চ্যানেল হয়ে গেল। সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক কারণে। এটা দেশের মানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা বা সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য হয়নি। ফলে বেশকিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এগুলো আমাদের সমাজের জন্য দরকার কিনা তা ভাবা হয়নি। অন্যদিকে খুব কম সময়ের মধ্যেই অনেকগুলো বেসরকারি টিভি চ্যানেল হয়েছে। এগুলো করার সময় তেমন কোনো সরকারি নীতিমালা ছিল না। ইদানীং আমরা যে শিক্ষানীতি পেয়েছি তাতে শিক্ষাকে ব্যয়বহুল করা হয়েছে। এ নীতি ধনীদের জন্য অনুকূল হলেও দরিদ্রদের জন্য প্রতিকূল। এ বৈষম্রাজ্যের কারণে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা শুধু ধনী শ্রেণীই ভোগ করছে। তবে আমাদের দেশের ৮০ শতাংশ লোকই অল্পতেই সন্তুষ্ঠ থাকে। তারা লোভী নয় এবং তাদের মধ্যে আছে সাম্যবাদী জীবনধারার ছাপ। এ গুণটি অনেক দেশের মানুষের মধ্যে নেই। আশা করা যায় সুস্থ-সুন্দর সমাজ গঠনে এ ব্যাপারটি বাংলাদেশের জন্য একটি ট্রাম্প কার্ড হিসেবে কাজ করবে।
পাল শাসনামলে বেশিরভাগ বাঙালি ছিল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। শ্রেণী বিভাজনের কারণে নিগৃহীত নিন্মবণরাউর হিন্দুরা সে সময় একটি প্রতিবাদ হিসেবে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সেন আমলে আবার এটি একটি কট্টর হিন্দুপন্থি দেশে পরিণত হয়। এরপর আবার ইসলামের প্রচার শুরু হলে অত্যাচারিত নিন্মবণরাউর হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। র্বতমানে আমরা ওই রকম একটি আর্বতন লক্ষ্য করছি। এটি অবশ্য রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। এরই অংশ হিসেবে আমরা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের শাসন-শোষণ আর লুটপাটের রাজনীতির বিরুদ্ধে একটা ধাক্কা দিয়েছিলাম। আশা করা যায়, '৭১ সালের মতো আরেকটি প্রজন্ম উঠে আসবে, যারা এ সময়ের গণতান্ত্রিক স্টৈ্বরশাসন আর পারিবারিক নেতৃত্বকে বড় একটি ধাক্কা দিতে পারবে। এটি সম্পন্ন হলেই বাংলাদেশ খুব তাড়াতাড়ি গুছিয়ে উঠতে পারবে। এক্ষেত্রে সুুবিধা হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার অবকাঠামো আছে। আছে পর্যাপ্ত লোকবল। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের সুন্দর আইন আছে যদিও তার অপপ্রয়োগ আছে। আর কিছু আইন যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরির্বতন করা দরকার, যদিও তা করা হচ্ছে না। সব মিলিয়ে আমাদের শিল্পের একটি ভালো অবকাঠামো আছে। এ কারণেই কম সময়ের মধ্যে ৫৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও শিক্ষকের কোনো সংকট হয়নি। তবে আমাদের এই অবকাঠামোকে নিজেদের স্বার্থে ধ্বংস করার চেষ্ঠায় আছে রাজনীতিকরা। নিন্ম মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত মেধাবী ছাত্ররা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কম খরচে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু এগুলোর বেতন বৃদ্ধি বা বেসরকারিকরণের ষড়যন্ত্র চলছে।
একটি আদর্শ শহরের জন্য দরকারি জিনিস হলো সুন্দর রাস্তাঘাট এবং পর্যাপ্ত খোলা জায়গা। শহরটি থাকবে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এই যেমন_ আবাসিক এলাকা, শিল্প এলাকা এবং অফিস-আদালতপাড়া। সবকিছুর সমল্প্বয় এমনভাবে হতে হবে, যাতে একজন মানুষ আধাঘণ্টা হাঁটলে স্কুল-কলেজ, বাসা, অফিস, হাসপাতাল, মসজিদের মতো সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পপৌঁছতে পারে। স্কুলগুলো এমন স্থানে হবে যাতে বাচ্চারা হেঁটে পপৌঁছুতে পারে এবং কোনো প্রধান সড়ক পার হতে না হয়। সব মিলিয়ে নগরবাসী সারাদিনের কাজকর্মে, আসা-যাওয়ায় এক ঘণ্টা হাঁটার সুযোগ পেলে তাদের স্বাস্টে্থ্যর জন্য তা ভালো হবে। একটি শহরে গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং বিশদুব্দ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। থাকবে পরিকল্কিপ্পত পয়ঃনালার ব্যবস্থা। এসবের ব্যবস্থা না করে শুধু আকাশচুম্বী ভবন তৈরি করলেই হবে না। ঢাকার মূল সমস্যা '৭১-এর পর প্রচুর লোক ঢাকায় চলে আসে। প্রতিদিন যারা এ নগরে আসছে তারা আর ফেরত যাচ্ছে না। ফলে ঢাকার জনসংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। নগরীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। এজন্য ঢাকা শহরের মানুষদের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি এবং পরিবহনসহ সবক্ষেত্রেই বিভিন্নভাবে নাজেহাল হয়ে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ঢাকা শহরে কেন এত লোক আসে সে কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে। এছাড়া ঢাকাকে সবকিছুর কেন্দ্র না করে মূল কেন্দ্র করে আরো অনেক উপকেন্দ্র গড়তে হবে। তাহলে ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ কমবে। দেখা যায় জার্মানির রাজধানী বালর্িন হলেও ওই শহরটি মূলত কালচারাল সেন্টার হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। মিডিয়ার লোকজন থাকে কোলনে। কারণ সব ধরনের মিডিয়ার অফিস ওখানে। ফদ্ধাঙ্কফুর্ট হলো জার্মানির ব্যবসা কেন্দ্র। আমাদের এখানেও সবকিছুকে এ রকম বিভাজিত করতে হবে। এই যেমন_ ঢাকার ভেতরে ক্যান্টনমেন্ট থাকার কোন ািদরকার নেই। এরকম কেন্দ্রীয় জেলখানা, বিডিআর, ট্যানারিএগুলো ঢাকার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া ঢাকার চাপ কমানোর জন্য এর আশপাশে স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে টঙ্গী এবং সাভার দিয়ে শুরু করা যায়। এজন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা। আমাদের সামরিক খাতে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। অথচ যুদ্ধ বা দেশ দখলের কোনো উচ্চাশা আমাদের নেই। এজন্য সামরিক খাতে ব্যয় কমাতে হবে। সশস্ত্র বাহিনীর পরিসর আরো ছোট করতে হবে। কারণ স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবাই আর্মি হিসেবে কাজ করবে। '৭১ সালে যেমন সবাই যুদ্ধ করেছে।
এ শহরের পরিবেশ বাঁচাতে হলে দেশের দক্ষ দলপতিদের দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। তবে পরিকল্পনা করলেই হবে না, এসব বাস্তবায়নে শাসকগোষ্ঠীর আন্তরিকতা থাকতে হবে। কারণ আমাদের রাজনীতিকরা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছুতে মনোযোগী হন না। যেমন ঢাকা শহরে ৪০০টি রাস্তা করার পরিকল্পনা আছে রাজউকের। এগুলো তৈরি হলে শহরের যানজট অনেকটা কমে যেত। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের স্বার্থে আঘাত লাগে বলেই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
হঠাৎই মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর উন্নত হয়ে গেল। এর পেছনে অবদান রেখেছেন ভালো কিছু রাজনৈতিক নেতা। মালয়েশিয়া পেছনে ছিলেন মাহাথির মোহাম্মদ এবং তার আগে টেঙ্কু আবদুর রহমানের মতো নেতা।
এমনকি মাহাথিরের সময়কার অর্থমন্ত্রীর স্ত্রী আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছিলেন। এখন উল্টো আমাদের ছেলেরাই মালয়েশিয়ায় পড়তে যাচ্ছে।
এক সময় ঢাকা শহরে চলাচলের প্রধান মাধ্যম ছিল খাল। আস্টেস্ন আস্টেস্ন সবকিছুতে রাস্তাঘাট তৈরি করা হয়। সে সময় ঢাকা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সবুজ শহর। সে ঢাকা আজ কংক্রিটের মরুময়তায় পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি প্রণীত আইনে ভবন তৈরির সময় নির্দিষ্ঠ পরিমাণ জায়গা খালি রাখতে বলা হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে ঢাকার প্রকৃতির জন্য খুব ভালো হবে। এজন্য প্রয়োজন শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সদিচ্ছা।
ইদানীং গার্মেন্টস কর্মীদের মালিকপক্ষের শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে। আমাদের এখানে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্ক শাসক আর শোষিতের, সহযোগিতামূলক নয়। এজন্য অবশ্য মালিকপক্ষ দায়ী। এটা আমাদের শিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তবে মূল সমস্যা হলো আমরা পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। এটাকে তাই শিল্প বলা চলে না। একটি শিল্পের ৮০ ভাগ দ্রব্য নিজেদের থাকতে হবে। এজন্য আমাদের কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। আমাদের উচ্চ শিক্ষিত কৃষিবিদদের কাজে লাগিয়ে এর বাস্তবায়নের পথ সুগম করা যাবে। তবে মূল কথা হলো, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব আমাদের অনেক সম্ভাবনা নষ্ঠ করে দিচ্ছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসে দমন-পীড়নের কাজে ব্যস্ত থাকে। দেশের উন্নয়নের কথা ভাবে না। র্বতমান সরকারের কথাই ধরা যাক। তারা দেশের উন্নতির বদলে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব ধরনের নোংরামিতে জড়িয়ে পড়ছে। আইন-আদালত ও পুলিশ বাহিনীকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। এমনকি বদুিব্দজীবীদেরও তারা হেনস্তা করছে। শাহরিয়ার কবির বা মুনতাসির মামুনের মতো ব্যক্তিত্বদের যারা হয়রানি করতে পারে তাদের দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নতি আশা করা যায় না। অনেকে বলে আমাদের সম্পদ নেই। এটা ঠিক নয়। মানুষ আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ, যা অনেক দেশে নেই। এ মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের আছে নদী, মাছ, তেল, গ্যাস, কয়লা প্রভৃতি। এগুলোর যথাযথ ব্যবহার আমাদের উন্নতির পথ সুগম করতে পারে। তেল-গ্যাস নিয়ে যে দেশের প্রধান দু'দলের নির্লজ্জ বিবাদ হয় সেদেশ উন্নতি করবে কীভাবে? বড় দু'দলের মতো সাধারণ মানুষ বাংলাদেশকে অন্দকারের দিকে যেতে দেবে না। এ দেশের সাধারণ মানুষই এক সময় একটা ভালো রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করবে। সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
October
(2362)
-
▼
Oct 10
(96)
- পুঁজিবাজারে আরেকটি মন্দা সপ্তাহ
- ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের মানববন্ধন
- সপ্তাহের শুরুতে বড় দরপতন
- মেসি সর্বকালের সেরা!
- বিশ্বকাপে চোখ পিটারসেনের
- দেহরক্ষীসহ রাজাপক্ষের উপদেষ্টা নিহত
- হরিয়ানায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্না হাজারের সমর্থকদে...
- এনটিসির সারতে অভিযানে বাধা হয়ে দাঁড়াল বালুঝড়
- নিউজিল্যান্ডে সাগর থেকে তেল অপসারণে নৌবাহিনীকে তলব
- পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি জোরদার
- হাক্কানি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করবে পাকিস্তান সেনা...
- গর্ভকালীন বায়ুদূষণে শিশুর হাঁপানির ঝুঁকি বাড়ে
- ‘বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্টি’
- সেসব ছায়াপথ by নোমান মোত্তাকী
- কতদিনের বন্ধু by হুমায়ুন রশীদ
- কিশোরী মায়েদের গ্রাম by আহসান পাভেল
- মজাটাই আসল! by লতিফুল হক
- সার্কের মাধ্যমেই বোঝাপড়া by এম সাখাওয়াত হোসেন
- দক্ষিণ এশিয়া মিথ নাকি বাস্তবতা
- রমজান, জাকাত ও ভ্রাতৃত্ব by মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন
- দার্শনিক সমালোচক আল-গাজালির ভক্তিবাদ by স্বকৃত নোমান
- শিশুর নৈতিক কল্যাণে ইসলামের শিক্ষা by খন্দকার মনসু...
- অজানার সঙ্গে আর বন্দুত্ব নয় by সাব্বিন হাসান
- কঞ্চি বাঁধি পাখা বাঁধি সঙ্গে বাঁধি স্বপ্ন by জিয়াউ...
- লালবাগ কেল্লাকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন প্রক্রিয়া by আ...
- রাজনীতির হাত ধরে বদলাচ্ছে রাজধানী by সামসুল ওয়ারেস
- সাপ আমাদের পরম বন্দু! by আহমেদ জুয়েল
- টেকসই কৃষি উন্নয়নে কেঁচো কপ্লেস্টা by শেখ আনোয়ার
- ইরানে হামলার ছক কষছে যুক্তরাষ্ঠ্র by শাহাবুদ্দিন খোকন
- ব্রিটেন কি জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য by রাজীব হাসান
- বিনিয়োগ মিথ ও উন্নয়ন ভাবনা by সাইফুর রহমান তারিক
- স্রেফ পাঁচ বছরের সততা দেশের এ অবস্থা পাল্টে দিতে প...
- দেশবাসী কি মানহানির ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে না? by মা...
- তিন কম্পানির আইপিও ডিএসইতে অনুমোদন
- বিএসসির আরপিওর আবেদন শুরু
- ইউরোপের সংকটে উদ্বিগ্ন চীন
- সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এসইসির দীর্ঘসূত্রতা দায়ী by র...
- বিশেষ গ্রাহক সপ্তাহ উদ্যাপন করছে সিটিসেল
- মজুরি কমিশন বাস্তবায়নের দাবিতে নর্থ বেঙ্গল সুগার ম...
- সংকট কাটাতে রাজশাহীতে আলুচাষিদের পাঁচ দফা দাবি by ...
- হিমাগারের ৯ লাখ টন আলু নিয়ে বিপাকে জয়পুরহাটের কৃষক...
- বন্দরের অটোমেশন শুরু আজ by আসিফ সিদ্দিকী,
- শেয়ারের দাম কমলেও লাভ বেড়েছে by তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু
- চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা মুম্বাইয়ের
- অলৌকিক কিছুর অপেক্ষায় ফ্রান্স
- আলোড়ন তোলা ক্রিকেটার নেই অস্ট্রেলিয়ায়!
- ফাস্ট বোলিংটা ঠিক ভারতীয়দের ধাতে নেই
- অনেক দিন এক নম্বর থাকবে ইংল্যান্ড
- বিচ সকারের ফাইনালে বাংলাদেশ
- অস্ট্রেলিয়া সফর ধোনির আসল পরীক্ষা
- মিরাকলের অপেক্ষায় ফ্রান্স!
- উজ্জ্বল হচ্ছেন আর্জেন্টিনার মেসি
- হকির সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে
- এবার বল হাতে মালিঙ্গা-ঝড়
- বক্সিং-বাণিজ্যের অন্দরমহলে
- 'নাদাল-বৃত্ত' ভেঙে শিরোপা জয় মারের
- তাঁদের শত্রু শত্রু খেলা by শাহজাহান কবির
- বিতর্ক-নিষেধাজ্ঞা জয় করে স্যামুয়েলস...
- তবু ওদের হারানো খুবই সম্ভব বলে মনে করেন নাফীস
- বৃষ্টির পর স্যামুয়েলসের ঝড়
- ইরাকের ওপর ইরানের প্রভাব বাড়ছে
- তথ্য ফাঁস ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ ওবামার
- পার্লামেন্টারি তদন্তের মুখে ব্লেয়ার
- ভালো-মন্দের বোধ ১৫ মাসেই
- অভিবাসী কমাতে কঠোর হচ্ছে ব্রিটেন
- আওলাকির হত্যা বৈধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন স্মারক
- ওয়াশিংটনেও করপোরেটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, গ্রে...
- 'কয়েক দিনের' মধ্যেই ক্ষমতা ছাড়বেন সালেহ
- রাজশাহীতে হিজবুত তাওহীদের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার
- মহাখালী ও জুরাইনে গুলি করে ২১ লাখ টাকা ছিনতাই
- প্রথম আলোর বিরুদ্ধে সিইসির কাছে এক ভোটারের অভিযোগ
- সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ইসি
- শোক
- রাজশাহীতে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
- কুমিল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে আহত একজনের মৃত্যু
- বরিশাল-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল বাধাগ্রস্ত
- সিলেটে 'নিখোঁজ' চার ভারতীয় ফিরেছে
- জনতা ঠেকাল বাল্য বিয়ে, কাজি থানায়
- চট্টগ্রামে দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘট
- তুরাগে বাসডুবির এক বছরেও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নে...
- বিশ্বব্যাংককেই দুর্নীতিগ্রস্ত আখ্যা দিল স্থায়ী কমিটি
- শুভেচ্ছা বিনিময় বর্জন আইনজীবী সমিতির
- দুই বছর পর হিলারি-দীপু মনি বৈঠক বুধবার
- হেলিকপ্টারে চড়ে বাল্যবিবাহ by ফারুক মেহেদী
- মাধ্যমিক স্কুলের র্যাংকিং by অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
- তৃণমূলে কর্মসূচি বাস্তবায়নে নির্দেশ শেখ হাসিনার
- আজ চারদলীয় জোটের ঢাকা-সিলেট রোডমার্চ
- একজনকে মেয়র, অন্যজনকে প্রতিমন্ত্রী করার ফর্মুলা আও...
- জঙ্গিদের অর্থ জোগানদাতা মতিউর রহমানকে আইনের আওতায় ...
- তারেক বাবর মুজাহিদ হারিছের বিচার শুরু
- আরো পাঁচ বাংলাদেশি শিরশ্ছেদের তালিকায় by মেহেদী হাসান
- মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি বিপুল রাজস্ব ফাঁকি by ফা...
- আর্থিক সংকটে বিমান by টিপু সুলতান
- ভারত থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি by না...
- ট্রানজিট নয়, ভারতকে ট্রানশিপমেন্ট দেওয়ার পক্ষে আইস...
- এক বছরের মাথায় মইনের হতাশা
-
▼
Oct 10
(96)
-
▼
October
(2362)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment