Tuesday, March 3, 2015
সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমার দ্বিমত by তৌফিক ইমরোজ খালিদী
সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমার দ্বিমত by তৌফিক ইমরোজ খালিদী
সম্পাদক
পরিষদের সঙ্গে আমি একমত নই। বাংলাদেশের কয়েকটি মুদ্রিত সংবাদপত্রের প্রধান
নির্বাহী বা সম্পাদকদের এই সংগঠনটির বক্তব্যের সঙ্গে সবিনয়ে দ্বিমত পোষণ করছি।
এই সংবাদপত্রগুলো বেশিরভাগই প্রকাশিত হয় রাজধানী থেকে। তাদের সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করা বিবৃতিটি ভণ্ডামি, দ্বৈতনীতি ও ব্যক্তিস্বার্থপ্রসূত কর্মকাণ্ডের আরেকটি জাজ্বল্যমান উদাহরণ। এ কথা কেন বলছি তার ব্যাখ্যা আমার কাছে আছে। আমরা যারা গণমাধ্যমে কাজ করছি তাদেরকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কেন সচেষ্ট হতে হবে তাও ব্যাখ্যা করছি। এই সম্পাদকদের কেউ কেউ সত্যিকার অর্থে কখনোই পেশাদার সাংবাদিকতা করেননি। এদের কারও কারও সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। বেশিরভাগকেই ব্যক্তিগতভাবে জানি বেশ কিছুদিন ধরে।
এদের অনেকেই আবার সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন ‘নোয়াব’ এর সদস্য। বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ, ‘বিএসপি’ থেকে বেরিয়ে ‘নোয়াব’-এর জন্ম। এদের অনেকে দুই সংগঠনেরই, ‘সম্পাদক পরিষদ’ ও ‘নোয়াব’-এর নেতৃত্বে রয়েছেন। স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নটি তাই এসেই যাচ্ছে। আমি জানি না এ নিয়ে আলোচনা করব কিনা। খুব বেশি প্রসঙ্গান্তরেও যেতে চাই না।
সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার মালিক-সম্পাদক মাহফুজ আনাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন পরিষদের সভাপতি দৈনিক ‘সমকাল’ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। তিনি সম্পাদক, তবে মালিক-সম্পাদক নন। কয়েক দশকের পেশাদার সাংবাদিকতায় অভিজ্ঞ তিনি। বৈঠকের দু’দিন আগে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান জনাব সারওয়ার। বিবৃতিটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে এর বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন তিনি। গোলাম সারওয়ার বলেন, বিবৃতির বিষয়ে তিনি জানেন না। কী প্রক্রিয়ায় বিবৃতিটি তৈরি হয়েছে এবং প্রকাশ করা হয়েছে সে সম্পর্কেও তিনি অবগত নন।
২৪ সদস্যের পরিষদের অনেকেই প্রকাশ্যে বলেছেন, তারা সভায় যাননি। আসলে ক’জন সেদিন উপস্থিত ছিলেন?
সভাটি কোথায় হয়েছিল বিবৃতিতে তারও উল্লেখ নেই। এখন আমরা জানি যে, সভাপতির অবর্তমানে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ সভাটি হয়েছিল ৩০,০০০ প্রচার সংখ্যার ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার নতুন ভবনে। মুদ্রণ প্রমাদের কথা কেউ ভেবে থাকলে বলছি, তিনের পর শূন্যের সংখ্যা চারটিই।
বিবৃতি প্রকাশ ও সভার সময়টি খেয়াল করুন। বিষয়বস্তু নিয়ে পরে আসছি। উসকানিমূলক বিষয়বস্তু সম্বলিত পোস্টারের ছবি ছাপানোর অভিযোগে ‘ডেইলি স্টার’-এর বিরুদ্ধে এক আইনজীবীর দায়ের করা মামলার কয়েক দিন পর সভাটি করা হয়।
পত্রিকাটির মালিক-সম্পাদক তার নিজের অফিসে বসে সভায় সভাপতিত্ব করেন। মনে করা হয়, তিনি নিজেই বিবৃতিটি প্রণয়ন করেছেন এবং সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছেন।
আমার ব্যক্তিগত মতামত হল, ৩০ হাজার প্রচার সংখ্যার (কোনো কোনো বিজ্ঞাপনী সংস্থা এ সংখ্যা আরও কম বলে দাবি করে) পত্রিকার তৃতীয় পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ছবিটি পোস্টারের উদ্দিষ্ট জনগণকে প্রভাবিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। আইনজীবী তার আর্জিতে বলেছেন, ‘ডেইলি স্টার’ প্রকাশ না করলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী সংগঠনটির পোস্টার মানুষের অগোচরেই থেকে যেত। সঙ্গত কারণে ওই আইনজীবীর বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত নই।
এ নিয়ে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গেও আমি দ্বিমত পোষণ করছি। ছবি ছাপানোর জন্য ‘ডেইলি স্টার’কে শাস্তি দেওয়া হবে বলে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। ছবিটির উপরে দেওয়া পত্রিকার ক্যাপশনই পরিষ্কারভাবে বলে দেয় যে, তারা পোস্টারটির বার্তাকে দুষেছেন। “উগ্রবাদীরা আবার তাদের কুৎসিত মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে।” এই ক্যাপশনের ‘কুৎসিত’ শব্দটিই বলে দেয় যে, পত্রিকাটির উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না।
আবারও বলছি, এটি আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। এ বিষয়ে এখনও আদালতে শুনানি শুরু হয়নি। রাষ্ট্রের খুব ক্ষমতাশালী পদে বসে কারও মামলার এই পর্যায়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তার ওপর প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করেছেন তার সংসদীয় সুবিধা। যদিও একজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন।
২৪ সদস্যের ‘সম্পাদক পরিষদ’ নিজেদের ভেতরের বিবাদ কীভাবে মেটাবেন সেটা তারা জানেন। তাদের সাধারণ সম্পাদক নিজে সংশ্লিষ্ট আছেন এমন একটি বিষয়ে তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি তারা কীভাবে সামলাবেন সেটিও তাদেরই ব্যাপার। কিন্তু আমরা যারা বাকি সংবাদ মাধ্যমে কাজ করছি, আমাদের জন্য তার বিবৃতি ভাবনার বটে। কারণ তাতে আমাদের পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকদের মধ্যে এমন একটি উপলব্ধি জন্মাতে পারে যে, পরিস্থিতির হঠাৎ মারাত্মক অবনতি ঘটেছে বলেই সম্পাদকদের এমন একটি বিবৃতি দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার পরিবেশ কখনোই খুব ভালো ছিল না। আমাদের জেলা সংবাদদাতারা প্রায় প্রতিদিনই হুমকি পান। যদিও পেশাগত সুবিধা অপব্যবহারের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকায় যারা খবর সংগ্রহে নিয়োজিত আছেন তাদের জীবন সত্যিই খুবই কঠিন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের পরিবার তাদের হত্যাকাণ্ডের বিচারের অপেক্ষায় আছে বছরের পর বছর।
তারপরও এ কথা বলতেই হবে যে, পরিষদের বিবৃতির বিষয়বস্তুতে এবং পরিবেশনায় পেশাদারি দৃষ্টিভঙ্গির অভাব রয়েছে।
‘ডেইলি স্টার’-এর ঘটনা বাদেও বিবৃতিতে ‘নিউ এইজ’-এর একটি ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়াই পত্রিকাটির কার্যালয়ে জঙ্গিদের কথিত সভার খবর পেয়ে সেখানে তল্লাশি করতে যান। খবর হল, পুলিশ কর্মকর্তাটি কার্যালয়ে প্রবেশ করেননি। বিবৃতিতে এই দুটি ঘটনার কথা তুলে ধরে এমন এক চিত্র দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যে, যেন এর চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না।
একে বাস্তবসম্মত ও সৎ প্রচেষ্টা বলা যাবে না। বাংলাদেশে অনেক বিষয়কে বড় করে দেখানোর প্রবণতা আছে, বিশেষ করে গণমাধ্যমে।
নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাই বলি। ২০১২ সালের ২৮শে মে আমার দুই তরুণ সহকর্মীকে আমাদের কার্যালয়ের নিচেই ছুরিকাহত করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের একটি অংশ একে আমাদের সাংবাদিক ও বার্তাকক্ষের ওপর হামলা বলে প্রকাশ করেছিল। হামলার পর এই দুজনসহ অন্যরা তাড়া খেয়ে বার্তাকক্ষে উঠে যায়। তাতে বার্তা কক্ষের মেঝে রক্তে ভেসে যায়। মাসখানেক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে।
সাংবাদিক ইউনিয়ন, এমনকি ‘রিপোর্টার্স সঁ ফ্রঁতিয়ে’-এর মতো সংগঠন তখন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়। তাদের সেই বিবৃতি ঘটনার সঠিক চিত্র তুলে ধরেছিল কি? এটা একটি অপরাধমূলক ঘটনা মাত্র, সাংবাদিকতার সঙ্গে কোনোভাবেই তা সংশ্লিষ্ট নয়। আমার সহকর্মীরা কর্মরত অবস্থায় প্রায়শই আক্রমণের শিকার হন, মাঝে মাঝে সে সব হামলা মারাত্মকও হয়। কখনও কখনও দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা মোকাদ্দমার মধ্যেও পড়েন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশে, অন্যান্য অনেক উন্নয়নশীল দেশে এবং আরও অনেক দেশে আমাদের প্রিয় এই পেশার হাল এমনই। আমরা লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছি, চালিয়ে যাব।
২৪শে ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে তোলা অভিযোগগুলো ঢালাও। আমি বিশ্বাস করতে চাই, কোনো পেশাদার সাংবাদিক এটি তৈরি করেননি। আর ফোন কলের কথা বলছেন? পাঠকদের সামনে যদি এর তালিকা তুলে ধরতাম তাহলে সেটা বইমেলার সবচেয়ে মোটা বই হত। সবাই নিজ নিজ জনসংযোগ চর্চার অধিকার সংরক্ষণ করেন। তাদের কথা আমাদের শুনতেই হবে এমন কথা নেই।
সহিংসতাপ্রবণ অবরোধের সময় কীভাবে সাংবাদিকতা করতে হবে বা হরতালের খবরের সময় কী করতে হবে সে বিষয়ে মন্ত্রীরা আমাদের সবক দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কেউ কি তাদের কথা শুনেছে? এমনকি তাদের আহ্বানে সবাই কি বৈঠকে গেছেন?
আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, আমরা ভুল করি। জবাবদিহির জন্য আমাদেরকেও রাজি থাকতে হবে। সন্দেহভাজন কাউকে ধরতে কোনো পত্রিকা অফিসে তল্লাশি চালানো যাবে না এমন কোনো বেদবাক্যের কথা কেউ বলতে পারবে না। তবে পুলিশ যেভাবে দৈনিক ‘ইনকিলাব’এর বার্তাকক্ষ থেকে পত্রিকাটির সাংবাদিককে ধরে নিয়ে গেছে, আমরা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা করি। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ওই পত্রিকা সাংবাদিকতার নামে যে অনৈতিক কাজ করেছে, আমরা কি তার নিন্দা জানিয়েছি? অথবা অন্য অনেক ক্ষেত্রে দৈনিক ‘আমার দেশ’ যা করেছে? রুপার্ট মারডক, তার ‘সান’ অথবা ‘ফক্স নিউজ’, তাদের চেয়েও খারাপ কাজ করেছে আমার দেশ। বন্ধ হওয়ার আগে ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ যেসব কুকীর্তি করেছে, তার চেয়েও জঘন্য। পশ্চিমে গণমাধ্যম ও রাজনীতির মধ্যে যে আঁতাত নিয়ে সবসময় সমালোচনা হয়, এসব বিষয় তার চেয়েও নিকৃষ্ট।
আমাদের সংকোচনশীল মুদ্রণ মাধ্যমের ‘সম্পাদকদের’ একটি অংশ যে পঁচিশটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমের ওপর আরোপিত কথিত হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বিগ্ন, সেটা ভালো খবর। কয়েক জন সম্পাদক বলেছেন, ‘একুশে টিভি’র আবদুস সালাম, ‘এনটিভি’র মোসাদ্দেক আলী ফালু সরকারি হস্তক্ষেপের শিকার। ‘আমার দেশ’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এখন সম্পাদক পরিষদের বড় উদ্বেগের নাম।
আমি ভুল না জানলে, খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ‘নোয়াব’-এর একটি সভায় মাহফুজ আনাম ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে ছোট এই সংগঠনের সদস্যপদ দিতে জোর গলায় অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। আমি বুঝতে পারি কেন তিনি এর বিরোধিতা করেছেন; কীভাবে কথা বলেছেন তাও যেন কল্পনায় দেখতে পাই। সে সময়কার বহুল প্রচারিত ‘আমাদের সময়’ পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ‘নোয়াব’-এর সদস্য হতে চেয়েছিলেন।
সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মাহফুজ আনামের উপস্থিতিতে একটি টিভি অনুষ্ঠানে নাঈমুল ইসলাম খান অভিযোগ করে বলেছেন, তাকে দু’ দু’বার সদস্যপদ দিতে অস্বীকার করা হয়। সংগঠনটি সরকারের কাছে নিউজপ্রিন্টের শুল্ক কমানোর মতো বিষয়ে দরকষাকষি করে থাকে। মাহফুজ আনাম হাসতে হাসতে ঐ অনুষ্ঠানে নাঈমুল ইসলাম খানকে বলেন, “ভাই, বিষয়টা তুমি এখানে তুলছ কেন?”
২০০৬ সালে দৈনিক ‘ইত্তেফাক’-এর তদানীন্তন মালিক মঈনুল হোসেন ও তার সঙ্গীদের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বিএসপি’ (বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ) ভেঙে ২০০৬ সালে কয়েকজন মালিক মিলে ‘নোয়াব’ গঠন করেন। মাহফুজ আনাম এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এখন দৈনিক ‘প্রথম আলো’ সম্পাদক ‘নোয়াব’এর সভাপতি, যিনি আবার ‘সম্পাদক পরিষদ’এর নির্বাহী কমিটির সদস্য।
মাহমুদুর রহমান যদি ‘সম্পাদক পরিষদ’-এর সদস্যপদের জন্য আবেদন করতেন এবং আমি যদি এর অংশ হতাম, অবশ্যই নানা কারণে জনাব আনামকেই সমর্থন করতাম। কোনোভাবেই আমি জনাব রহমানকে ‘সম্পাদক’ মনে করি না এবং সম্ভবত কখনোই করব না।
মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের পর একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিন জ্যেষ্ঠ সম্পাদকের (আবেদ খান, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ এবং আমানুল্লাহ কবীর, যাদের সবাই সাংবাদিকতায় পঞ্চম দশক পার করছেন) সঙ্গে কারণগুলো বর্ণনা করেছিলাম আমি। যুক্তিগুলো সোজা-সাপটা। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত কোনো ক্ষোভ নেই।
কর্পোরেট নির্বাহী থেকে ব্যবসায়ী বনে যাওয়া জনাব মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে তার এক সাবেক নিয়োগকর্তা একবার আমাকে বলেছিলেন, কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দেওয়ার কারণেই কর্মক্ষেত্রে তার দ্রুত উন্নতি হয় এবং আর “এই প্রক্রিয়ায় তিনি উদ্ধত হয়ে উঠে থাকতে পারেন।”
পরে জনাব রহমান বিদেশি পুঁজি আকষর্ণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থার প্রধান হন। তারপর কিছুদিন তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একজন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। এই ‘উদ্ধত’ লোকটি বিনিয়োগ বোর্ডের প্রধান থাকার সময় সিপিডির রেহমান সোবহানসহ নাগরিক সমাজের কয়েক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করে আলোচিত হয়ে ওঠেন। আরও অনেকের সঙ্গে ব্যবসায়ী সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়েছিলেন। প্রায়ই টেলিভিশনের নানা টকশোতে তাকে সরকারের নীতির পক্ষে কথা বলতে দেখা যেত। সহ-আলোচকদের থামিয়ে দিতে গিয়ে খুব ভদ্রোচিত ভঙ্গিতে তা করতেন তাও বলা যাবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ‘এনটিভি’র মালিক মোসাদ্দেক আলী ফালুর কাছ থেকে ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেকে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঘোষণা করার পর মাহমুদুর রহমানের চূড়ান্ত ঔদ্ধত্যের প্রকাশ ঘটে। পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রায়ই মন্তব্যের নামে যা লিখতেন, সেগুলো আমরা যাকে সাংবাদিকতা বলে জেনেছি, তার ধারেকাছে ছিল না। মন্তব্য প্রতিবেদন নামে যেগুলো ছাপা হত, সেগুলো আসলে ছিল একজন রাগান্বিত মানুষের চিৎকার-চেচামেচি, তর্জন-গর্জন। সবচেয়ে জঘন্য ছিল প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা প্রতিবেদন ও শিরোনামগুলো। এর সবই ছিল সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদে উসকানি দেওয়া ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর নিকৃষ্ট উদাহরণ।
সেদিন ঐ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার শিরোনামগুলো পর্যালোচনা করে আমরা চারজনই একমত হয়েছিলাম যে, তার কাজগুলো সাংবাদিকতার অনুমোদিত সীমার মধ্যে পড়ে না। এ ধরনের সাংবাদিকতার নিন্দা জানিয়ে ‘সম্পাদক পরিষদ’ কোনো বিবৃতি দিয়েছিল কি? “শুধুমাত্র একবার,” এক সহকর্মী আমাকে শুধরে দিয়ে জানিয়েছেন, “চব্বিশে ফেব্রুয়ারির বিবৃতির পৃষ্ঠাপোষকদের একজন, পত্রিকাটির আক্রমণের শিকার হওয়ার পর।”
আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলা উচিৎ- মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করার সময় বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি সে রকম কাভারেজ পায়নি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম তখন প্রায় প্রত্যেক মুহূর্তের খবর প্রচার করেছে। ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সমর্থকরা আমাদের ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যারা এই ‘গ্রেপ্তার নাটকের’ খবরে তেমন গুরুত্ব দেননি, তাদের মধ্যে পরিষদের সর্ব-সাম্প্রতিক বিবৃতির কয়েকজন সমর্থকও আছেন।
এবার আবদুস সালামের প্রসঙ্গ। তাকে নিয়ে কথা না বলাই ভালো। তাকে জানার এবং কীভাবে তিনি কাজ করেন তা দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। বন্ধ হয়ে যাওয়া টিভি চ্যানেলটি যখন আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, বছর দশেক আগে, তখন আমাকে তার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছিল, আর আবদুস সালাম কোম্পানির একক বৃহত্তম অংশীদার হবার চেষ্টা করছিলেন। (নানান উপায়ে তিনি তা হতেও পেরেছিলেন।)
তারেক রহমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের মতো লোকদের সঙ্গে তার একটা অন্যরকম যুদ্ধ চলছিল। সালাম তখন সরকারি দমনের শিকার বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থন চাচ্ছিলেন (এবং পেয়েওছিলেন)।
২০০১-২০০৬ সময়কালের বিএনপি সরকারের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া একুশে টেলিভিশন আবার চালু করার জন্য আমরা চেষ্টা করছিলাম। লন্ডনে বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি সংবাদমাধ্যমের কাজ ছেড়ে এসে সেখানে আমি মাত্র কয়েক সপ্তাহ টিকতে পেরেছিলাম। জনাব সালামের বিরুদ্ধে এখন যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা সবারই জানা; তাই এখানে আর বলার দরকার নেই।
মোসাদ্দেক আলী ফালু সব সময়ই আলোচিত ব্যক্তি। তবে এখনকার প্রশ্ন হল, ‘এনটিভি’র চেয়ারম্যান-কাম-মালিককে কেন গ্রেপ্তার করা হল? তার চ্যানেলে প্রচারিত কোনো কিছুর জন্য কি? কেউ কি বলতে পারবে যে, ‘এনটিভি’ তার অনুপস্থিতিতে তাদের অবস্থান পাল্টে ফেলেছে? অথবা জনাব সালামের গ্রেপ্তারের পর ‘ইটিভি’ই তা করেছে? ওইসব ‘ক্রাইম শো’র একটিও কি আপনারা দেখেছেন? তাহলে বুঝতে পারতেন কেন প্রশ্নটা করেছি। ইউটিউবে আমি কিছু কিছু দেখেছি।
এই সম্পাদকদের অনেকেই আবার মালিক হিসেবে তাদের সুবিধামতো প্রকাশ্যেই নিজেদের রূপটা বদলে ফেলেন। প্রতি বছর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাজেটপূর্ব যে আলোচনাগুলো হয়, তার একটি সেশনে সম্পাদকদের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক হয়। সেখানে সম্পাদকদের মধ্যে যারা ‘নোয়াব’এর সদস্য, তারা সে বৈঠকে জাতীয় অর্থনীতির চেয়ে নিউজপ্রিন্টের আমদানি শুল্কের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবেন। ব্যবসায়ী হিসেবে যখন আপনি তদ্বির করবেন, তখন সম্পাদক হিসেবে আপনি আপনার ধার হারাবেন, যদিও বাংলাদেশে সম্পাদক হলেই সম্পূর্ণ দায়মুক্তি পাওয়া যায়, যদি না আপনি জঘন্য ধরনের একজন ভূমিদস্যু হয়ে থাকেন, এবং এক কপিও বিক্রি হয় না এমন এক পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক হন।
আমাদের দেশে যদি কোনো সম্পাদক বিকালে হাঁটতে গিয়ে ডাকাতের কবলে পড়েন, তাহলেও গোটা কমিউনিটি তাকে মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর আক্রমণ হিসেবে দেখাতে সব বন্দুক তাক করবে। ‘নোয়াব’-এর সদস্য হিসেবে, এরাই আবার সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন-ভাতা প্রদানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ লড়াই চালান।
কোনো সাংবাদিক বা কর্মচারী যে কোম্পানিতে কাজ করেন তার মালিকানার অংশীদার হওয়াতে দোষের কিছু দেখি না, কিন্তু স্বার্থের সংঘাত ভিন্ন একটি বিষয়। মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সংসদীয় কমিটির প্রধানরা যে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ বা তদারকি করেন, সে ধরনের ব্যবসায় জড়িত থাকলে স্বার্থের সংঘাতের ব্যাপারে আমরা অভিযোগ করি। স্বার্থের সংঘাত অথবা অন্য কোনো ধরনের অনৈতিক কাজকর্মের জন্য জবাবদিহি থেকে দায়মুক্তি ‘সম্পাদক’ নামের এই অতিমানবদের জন্য বিশেষ কোনো অধিকার হতে পারে না।
যেমন, মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে জনাব মাহফুজ আনাম ও ড. কামাল হোসেনকে ব্র্যাকেটবন্দি করার ও তাদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য নিয়ে কোনো সমস্যা দেখি না। এই বক্তব্য তিনি দিতেই পারেন, সে অধিকার তার রয়েছে তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে জনাব আনামের সংশ্লিষ্টতার পরিষ্কার প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়া তাকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ছেলের বক্তব্য সমর্থন করি না। আমরা সাধারণ মানুষ যা জানি, তার চেয়ে বেশি তথ্য জয়ের কাছে হয়তো থাকতে পারে।
২০০৭-২০০৮ এ এই সম্পাদকদের কয়েকজন সামরিক বাহিনীর দায়িত্বগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তাদের কমপক্ষে দুজন একই সঙ্গে ‘নোয়াব’ ও ‘সম্পাদক পরিষদ’-এর সদস্য। এই দু’জনই জরুরি অবস্থার আবরণে সামরিক শাসন আনার কাজ তরান্বিত করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। এই ‘অর্জন’ নিয়ে প্রকাশ্যে গর্ব করতেও দেখা গেছে তাদের।
২০০৭ সালের শুরুর দিকে কয়েক ডজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতিতে এক সভায় এই সম্পাদকদের একজন তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার কথা থামিয়ে দিতে চেষ্টা করেছিলেন। “এটা আমাদের সরকার এবং আমরাই এই সরকার এনেছি,” সভায় উপস্থিতদের কাছে এটা অনেকবার শুনেছি।
এই সম্পাদকদের নাম প্রায় সবাই জানেন বলে আমি আর এখানে উল্লেখ করলাম না। দু’বছরের এই জরুরি আইনের আমলে গণমাধ্যম ও অনেক মৌলিক অধিকারের ওপর সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এই সম্পাদকদের মধ্যে কোনো অস্বস্তি ছিল না। তারা আমাদের সংবাদ মাধ্যমের ইতিহাসের জঘন্যতম উদাহরণগুলোর কয়েকটি সৃষ্টি করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে এমন কিছু প্রতিবেদন তারা প্রকাশ করেছেন তারা যেগুলোতে সূত্র উল্লেখ থাকত না; এভাবে ওইসব ব্যক্তির মানহানি করা হয়েছে অন্যায়ভাবে। তারা রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চালানো তথাকথিত শুদ্ধি অভিযান সমর্থন করেছেন। রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের অনেকে যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তা স্বীকার করতে আমার আপত্তি নেই। তবে এসব ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। গণমাধ্যমের কাজ ছিল সঠিক প্রক্রিয়ার পক্ষে কথা বলা।
ওইসব প্রতিবেদনের ওয়েবলিংকগুলো এখন আর নেই। আগ্রহীরা ‘হার্ড কপি’ পড়ে দেখতে পারেন। বহু বছরের মধ্যে এই প্রথম ‘হার্ড কপির’ পক্ষে কথা বলছি আমি। এর কিছু আমার কাছেও আছে।
রাজনীতিতে জড়ানো গণমাধ্যমের কাজ নয়- বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সব নষ্টের মূলে রয়েছে সম্পাদকদের ওই দোষ। এই সম্পাদকদের অন্তত কয়েকজনের বিষয়ে সন্দিহান হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, আর তা কেবল তাদের এক-এগারোর ভূমিকার জন্য নয়। ‘সুশীল সমাজের’ অনির্বাচিত সদস্যদের রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দেখতে চান- তারা সর্বত্র সক্রিয়। যে কোনো মূল্যে দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কলঙ্কিত করতে তারা তৎপর। সেই অনুরণন ২৪ ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতেও রয়েছে।
[মূল ইংরেজি থেকে ভাষান্তরিত। লেখক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক।]
এই সংবাদপত্রগুলো বেশিরভাগই প্রকাশিত হয় রাজধানী থেকে। তাদের সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর করা বিবৃতিটি ভণ্ডামি, দ্বৈতনীতি ও ব্যক্তিস্বার্থপ্রসূত কর্মকাণ্ডের আরেকটি জাজ্বল্যমান উদাহরণ। এ কথা কেন বলছি তার ব্যাখ্যা আমার কাছে আছে। আমরা যারা গণমাধ্যমে কাজ করছি তাদেরকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কেন সচেষ্ট হতে হবে তাও ব্যাখ্যা করছি। এই সম্পাদকদের কেউ কেউ সত্যিকার অর্থে কখনোই পেশাদার সাংবাদিকতা করেননি। এদের কারও কারও সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। বেশিরভাগকেই ব্যক্তিগতভাবে জানি বেশ কিছুদিন ধরে।
এদের অনেকেই আবার সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন ‘নোয়াব’ এর সদস্য। বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ, ‘বিএসপি’ থেকে বেরিয়ে ‘নোয়াব’-এর জন্ম। এদের অনেকে দুই সংগঠনেরই, ‘সম্পাদক পরিষদ’ ও ‘নোয়াব’-এর নেতৃত্বে রয়েছেন। স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নটি তাই এসেই যাচ্ছে। আমি জানি না এ নিয়ে আলোচনা করব কিনা। খুব বেশি প্রসঙ্গান্তরেও যেতে চাই না।
সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার মালিক-সম্পাদক মাহফুজ আনাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন পরিষদের সভাপতি দৈনিক ‘সমকাল’ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। তিনি সম্পাদক, তবে মালিক-সম্পাদক নন। কয়েক দশকের পেশাদার সাংবাদিকতায় অভিজ্ঞ তিনি। বৈঠকের দু’দিন আগে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান জনাব সারওয়ার। বিবৃতিটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে এর বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন তিনি। গোলাম সারওয়ার বলেন, বিবৃতির বিষয়ে তিনি জানেন না। কী প্রক্রিয়ায় বিবৃতিটি তৈরি হয়েছে এবং প্রকাশ করা হয়েছে সে সম্পর্কেও তিনি অবগত নন।
২৪ সদস্যের পরিষদের অনেকেই প্রকাশ্যে বলেছেন, তারা সভায় যাননি। আসলে ক’জন সেদিন উপস্থিত ছিলেন?
সভাটি কোথায় হয়েছিল বিবৃতিতে তারও উল্লেখ নেই। এখন আমরা জানি যে, সভাপতির অবর্তমানে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ সভাটি হয়েছিল ৩০,০০০ প্রচার সংখ্যার ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার নতুন ভবনে। মুদ্রণ প্রমাদের কথা কেউ ভেবে থাকলে বলছি, তিনের পর শূন্যের সংখ্যা চারটিই।
বিবৃতি প্রকাশ ও সভার সময়টি খেয়াল করুন। বিষয়বস্তু নিয়ে পরে আসছি। উসকানিমূলক বিষয়বস্তু সম্বলিত পোস্টারের ছবি ছাপানোর অভিযোগে ‘ডেইলি স্টার’-এর বিরুদ্ধে এক আইনজীবীর দায়ের করা মামলার কয়েক দিন পর সভাটি করা হয়।
পত্রিকাটির মালিক-সম্পাদক তার নিজের অফিসে বসে সভায় সভাপতিত্ব করেন। মনে করা হয়, তিনি নিজেই বিবৃতিটি প্রণয়ন করেছেন এবং সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছেন।
আমার ব্যক্তিগত মতামত হল, ৩০ হাজার প্রচার সংখ্যার (কোনো কোনো বিজ্ঞাপনী সংস্থা এ সংখ্যা আরও কম বলে দাবি করে) পত্রিকার তৃতীয় পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ছবিটি পোস্টারের উদ্দিষ্ট জনগণকে প্রভাবিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। আইনজীবী তার আর্জিতে বলেছেন, ‘ডেইলি স্টার’ প্রকাশ না করলে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী সংগঠনটির পোস্টার মানুষের অগোচরেই থেকে যেত। সঙ্গত কারণে ওই আইনজীবীর বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত নই।
এ নিয়ে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গেও আমি দ্বিমত পোষণ করছি। ছবি ছাপানোর জন্য ‘ডেইলি স্টার’কে শাস্তি দেওয়া হবে বলে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। ছবিটির উপরে দেওয়া পত্রিকার ক্যাপশনই পরিষ্কারভাবে বলে দেয় যে, তারা পোস্টারটির বার্তাকে দুষেছেন। “উগ্রবাদীরা আবার তাদের কুৎসিত মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে।” এই ক্যাপশনের ‘কুৎসিত’ শব্দটিই বলে দেয় যে, পত্রিকাটির উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না।
আবারও বলছি, এটি আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। এ বিষয়ে এখনও আদালতে শুনানি শুরু হয়নি। রাষ্ট্রের খুব ক্ষমতাশালী পদে বসে কারও মামলার এই পর্যায়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তার ওপর প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করেছেন তার সংসদীয় সুবিধা। যদিও একজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন।
২৪ সদস্যের ‘সম্পাদক পরিষদ’ নিজেদের ভেতরের বিবাদ কীভাবে মেটাবেন সেটা তারা জানেন। তাদের সাধারণ সম্পাদক নিজে সংশ্লিষ্ট আছেন এমন একটি বিষয়ে তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি তারা কীভাবে সামলাবেন সেটিও তাদেরই ব্যাপার। কিন্তু আমরা যারা বাকি সংবাদ মাধ্যমে কাজ করছি, আমাদের জন্য তার বিবৃতি ভাবনার বটে। কারণ তাতে আমাদের পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকদের মধ্যে এমন একটি উপলব্ধি জন্মাতে পারে যে, পরিস্থিতির হঠাৎ মারাত্মক অবনতি ঘটেছে বলেই সম্পাদকদের এমন একটি বিবৃতি দিতে হয়েছে।
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার পরিবেশ কখনোই খুব ভালো ছিল না। আমাদের জেলা সংবাদদাতারা প্রায় প্রতিদিনই হুমকি পান। যদিও পেশাগত সুবিধা অপব্যবহারের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকায় যারা খবর সংগ্রহে নিয়োজিত আছেন তাদের জীবন সত্যিই খুবই কঠিন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের পরিবার তাদের হত্যাকাণ্ডের বিচারের অপেক্ষায় আছে বছরের পর বছর।
তারপরও এ কথা বলতেই হবে যে, পরিষদের বিবৃতির বিষয়বস্তুতে এবং পরিবেশনায় পেশাদারি দৃষ্টিভঙ্গির অভাব রয়েছে।
‘ডেইলি স্টার’-এর ঘটনা বাদেও বিবৃতিতে ‘নিউ এইজ’-এর একটি ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়াই পত্রিকাটির কার্যালয়ে জঙ্গিদের কথিত সভার খবর পেয়ে সেখানে তল্লাশি করতে যান। খবর হল, পুলিশ কর্মকর্তাটি কার্যালয়ে প্রবেশ করেননি। বিবৃতিতে এই দুটি ঘটনার কথা তুলে ধরে এমন এক চিত্র দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যে, যেন এর চেয়ে খারাপ আর কিছু হতে পারে না।
একে বাস্তবসম্মত ও সৎ প্রচেষ্টা বলা যাবে না। বাংলাদেশে অনেক বিষয়কে বড় করে দেখানোর প্রবণতা আছে, বিশেষ করে গণমাধ্যমে।
নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাই বলি। ২০১২ সালের ২৮শে মে আমার দুই তরুণ সহকর্মীকে আমাদের কার্যালয়ের নিচেই ছুরিকাহত করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের একটি অংশ একে আমাদের সাংবাদিক ও বার্তাকক্ষের ওপর হামলা বলে প্রকাশ করেছিল। হামলার পর এই দুজনসহ অন্যরা তাড়া খেয়ে বার্তাকক্ষে উঠে যায়। তাতে বার্তা কক্ষের মেঝে রক্তে ভেসে যায়। মাসখানেক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে।
সাংবাদিক ইউনিয়ন, এমনকি ‘রিপোর্টার্স সঁ ফ্রঁতিয়ে’-এর মতো সংগঠন তখন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়। তাদের সেই বিবৃতি ঘটনার সঠিক চিত্র তুলে ধরেছিল কি? এটা একটি অপরাধমূলক ঘটনা মাত্র, সাংবাদিকতার সঙ্গে কোনোভাবেই তা সংশ্লিষ্ট নয়। আমার সহকর্মীরা কর্মরত অবস্থায় প্রায়শই আক্রমণের শিকার হন, মাঝে মাঝে সে সব হামলা মারাত্মকও হয়। কখনও কখনও দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা মোকাদ্দমার মধ্যেও পড়েন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশে, অন্যান্য অনেক উন্নয়নশীল দেশে এবং আরও অনেক দেশে আমাদের প্রিয় এই পেশার হাল এমনই। আমরা লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছি, চালিয়ে যাব।
২৪শে ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে তোলা অভিযোগগুলো ঢালাও। আমি বিশ্বাস করতে চাই, কোনো পেশাদার সাংবাদিক এটি তৈরি করেননি। আর ফোন কলের কথা বলছেন? পাঠকদের সামনে যদি এর তালিকা তুলে ধরতাম তাহলে সেটা বইমেলার সবচেয়ে মোটা বই হত। সবাই নিজ নিজ জনসংযোগ চর্চার অধিকার সংরক্ষণ করেন। তাদের কথা আমাদের শুনতেই হবে এমন কথা নেই।
সহিংসতাপ্রবণ অবরোধের সময় কীভাবে সাংবাদিকতা করতে হবে বা হরতালের খবরের সময় কী করতে হবে সে বিষয়ে মন্ত্রীরা আমাদের সবক দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কেউ কি তাদের কথা শুনেছে? এমনকি তাদের আহ্বানে সবাই কি বৈঠকে গেছেন?
আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, আমরা ভুল করি। জবাবদিহির জন্য আমাদেরকেও রাজি থাকতে হবে। সন্দেহভাজন কাউকে ধরতে কোনো পত্রিকা অফিসে তল্লাশি চালানো যাবে না এমন কোনো বেদবাক্যের কথা কেউ বলতে পারবে না। তবে পুলিশ যেভাবে দৈনিক ‘ইনকিলাব’এর বার্তাকক্ষ থেকে পত্রিকাটির সাংবাদিককে ধরে নিয়ে গেছে, আমরা এর প্রতিবাদ ও নিন্দা করি। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ওই পত্রিকা সাংবাদিকতার নামে যে অনৈতিক কাজ করেছে, আমরা কি তার নিন্দা জানিয়েছি? অথবা অন্য অনেক ক্ষেত্রে দৈনিক ‘আমার দেশ’ যা করেছে? রুপার্ট মারডক, তার ‘সান’ অথবা ‘ফক্স নিউজ’, তাদের চেয়েও খারাপ কাজ করেছে আমার দেশ। বন্ধ হওয়ার আগে ‘নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ যেসব কুকীর্তি করেছে, তার চেয়েও জঘন্য। পশ্চিমে গণমাধ্যম ও রাজনীতির মধ্যে যে আঁতাত নিয়ে সবসময় সমালোচনা হয়, এসব বিষয় তার চেয়েও নিকৃষ্ট।
আমাদের সংকোচনশীল মুদ্রণ মাধ্যমের ‘সম্পাদকদের’ একটি অংশ যে পঁচিশটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমের ওপর আরোপিত কথিত হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বিগ্ন, সেটা ভালো খবর। কয়েক জন সম্পাদক বলেছেন, ‘একুশে টিভি’র আবদুস সালাম, ‘এনটিভি’র মোসাদ্দেক আলী ফালু সরকারি হস্তক্ষেপের শিকার। ‘আমার দেশ’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এখন সম্পাদক পরিষদের বড় উদ্বেগের নাম।
আমি ভুল না জানলে, খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ‘নোয়াব’-এর একটি সভায় মাহফুজ আনাম ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে ছোট এই সংগঠনের সদস্যপদ দিতে জোর গলায় অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। আমি বুঝতে পারি কেন তিনি এর বিরোধিতা করেছেন; কীভাবে কথা বলেছেন তাও যেন কল্পনায় দেখতে পাই। সে সময়কার বহুল প্রচারিত ‘আমাদের সময়’ পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ‘নোয়াব’-এর সদস্য হতে চেয়েছিলেন।
সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মাহফুজ আনামের উপস্থিতিতে একটি টিভি অনুষ্ঠানে নাঈমুল ইসলাম খান অভিযোগ করে বলেছেন, তাকে দু’ দু’বার সদস্যপদ দিতে অস্বীকার করা হয়। সংগঠনটি সরকারের কাছে নিউজপ্রিন্টের শুল্ক কমানোর মতো বিষয়ে দরকষাকষি করে থাকে। মাহফুজ আনাম হাসতে হাসতে ঐ অনুষ্ঠানে নাঈমুল ইসলাম খানকে বলেন, “ভাই, বিষয়টা তুমি এখানে তুলছ কেন?”
২০০৬ সালে দৈনিক ‘ইত্তেফাক’-এর তদানীন্তন মালিক মঈনুল হোসেন ও তার সঙ্গীদের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বিএসপি’ (বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ) ভেঙে ২০০৬ সালে কয়েকজন মালিক মিলে ‘নোয়াব’ গঠন করেন। মাহফুজ আনাম এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এখন দৈনিক ‘প্রথম আলো’ সম্পাদক ‘নোয়াব’এর সভাপতি, যিনি আবার ‘সম্পাদক পরিষদ’এর নির্বাহী কমিটির সদস্য।
মাহমুদুর রহমান যদি ‘সম্পাদক পরিষদ’-এর সদস্যপদের জন্য আবেদন করতেন এবং আমি যদি এর অংশ হতাম, অবশ্যই নানা কারণে জনাব আনামকেই সমর্থন করতাম। কোনোভাবেই আমি জনাব রহমানকে ‘সম্পাদক’ মনে করি না এবং সম্ভবত কখনোই করব না।
মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের পর একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিন জ্যেষ্ঠ সম্পাদকের (আবেদ খান, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ এবং আমানুল্লাহ কবীর, যাদের সবাই সাংবাদিকতায় পঞ্চম দশক পার করছেন) সঙ্গে কারণগুলো বর্ণনা করেছিলাম আমি। যুক্তিগুলো সোজা-সাপটা। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত কোনো ক্ষোভ নেই।
কর্পোরেট নির্বাহী থেকে ব্যবসায়ী বনে যাওয়া জনাব মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে তার এক সাবেক নিয়োগকর্তা একবার আমাকে বলেছিলেন, কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দেওয়ার কারণেই কর্মক্ষেত্রে তার দ্রুত উন্নতি হয় এবং আর “এই প্রক্রিয়ায় তিনি উদ্ধত হয়ে উঠে থাকতে পারেন।”
পরে জনাব রহমান বিদেশি পুঁজি আকষর্ণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থার প্রধান হন। তারপর কিছুদিন তিনি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একজন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। এই ‘উদ্ধত’ লোকটি বিনিয়োগ বোর্ডের প্রধান থাকার সময় সিপিডির রেহমান সোবহানসহ নাগরিক সমাজের কয়েক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করে আলোচিত হয়ে ওঠেন। আরও অনেকের সঙ্গে ব্যবসায়ী সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়েছিলেন। প্রায়ই টেলিভিশনের নানা টকশোতে তাকে সরকারের নীতির পক্ষে কথা বলতে দেখা যেত। সহ-আলোচকদের থামিয়ে দিতে গিয়ে খুব ভদ্রোচিত ভঙ্গিতে তা করতেন তাও বলা যাবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ‘এনটিভি’র মালিক মোসাদ্দেক আলী ফালুর কাছ থেকে ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেকে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঘোষণা করার পর মাহমুদুর রহমানের চূড়ান্ত ঔদ্ধত্যের প্রকাশ ঘটে। পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রায়ই মন্তব্যের নামে যা লিখতেন, সেগুলো আমরা যাকে সাংবাদিকতা বলে জেনেছি, তার ধারেকাছে ছিল না। মন্তব্য প্রতিবেদন নামে যেগুলো ছাপা হত, সেগুলো আসলে ছিল একজন রাগান্বিত মানুষের চিৎকার-চেচামেচি, তর্জন-গর্জন। সবচেয়ে জঘন্য ছিল প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা প্রতিবেদন ও শিরোনামগুলো। এর সবই ছিল সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের মাধ্যমে ধর্মীয় উগ্রবাদে উসকানি দেওয়া ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর নিকৃষ্ট উদাহরণ।
সেদিন ঐ টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার শিরোনামগুলো পর্যালোচনা করে আমরা চারজনই একমত হয়েছিলাম যে, তার কাজগুলো সাংবাদিকতার অনুমোদিত সীমার মধ্যে পড়ে না। এ ধরনের সাংবাদিকতার নিন্দা জানিয়ে ‘সম্পাদক পরিষদ’ কোনো বিবৃতি দিয়েছিল কি? “শুধুমাত্র একবার,” এক সহকর্মী আমাকে শুধরে দিয়ে জানিয়েছেন, “চব্বিশে ফেব্রুয়ারির বিবৃতির পৃষ্ঠাপোষকদের একজন, পত্রিকাটির আক্রমণের শিকার হওয়ার পর।”
আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলা উচিৎ- মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করার সময় বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি সে রকম কাভারেজ পায়নি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম তখন প্রায় প্রত্যেক মুহূর্তের খবর প্রচার করেছে। ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সমর্থকরা আমাদের ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যারা এই ‘গ্রেপ্তার নাটকের’ খবরে তেমন গুরুত্ব দেননি, তাদের মধ্যে পরিষদের সর্ব-সাম্প্রতিক বিবৃতির কয়েকজন সমর্থকও আছেন।
এবার আবদুস সালামের প্রসঙ্গ। তাকে নিয়ে কথা না বলাই ভালো। তাকে জানার এবং কীভাবে তিনি কাজ করেন তা দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। বন্ধ হয়ে যাওয়া টিভি চ্যানেলটি যখন আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, বছর দশেক আগে, তখন আমাকে তার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছিল, আর আবদুস সালাম কোম্পানির একক বৃহত্তম অংশীদার হবার চেষ্টা করছিলেন। (নানান উপায়ে তিনি তা হতেও পেরেছিলেন।)
তারেক রহমান ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের মতো লোকদের সঙ্গে তার একটা অন্যরকম যুদ্ধ চলছিল। সালাম তখন সরকারি দমনের শিকার বিরোধী দলের নেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থন চাচ্ছিলেন (এবং পেয়েওছিলেন)।
২০০১-২০০৬ সময়কালের বিএনপি সরকারের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া একুশে টেলিভিশন আবার চালু করার জন্য আমরা চেষ্টা করছিলাম। লন্ডনে বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি সংবাদমাধ্যমের কাজ ছেড়ে এসে সেখানে আমি মাত্র কয়েক সপ্তাহ টিকতে পেরেছিলাম। জনাব সালামের বিরুদ্ধে এখন যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা সবারই জানা; তাই এখানে আর বলার দরকার নেই।
মোসাদ্দেক আলী ফালু সব সময়ই আলোচিত ব্যক্তি। তবে এখনকার প্রশ্ন হল, ‘এনটিভি’র চেয়ারম্যান-কাম-মালিককে কেন গ্রেপ্তার করা হল? তার চ্যানেলে প্রচারিত কোনো কিছুর জন্য কি? কেউ কি বলতে পারবে যে, ‘এনটিভি’ তার অনুপস্থিতিতে তাদের অবস্থান পাল্টে ফেলেছে? অথবা জনাব সালামের গ্রেপ্তারের পর ‘ইটিভি’ই তা করেছে? ওইসব ‘ক্রাইম শো’র একটিও কি আপনারা দেখেছেন? তাহলে বুঝতে পারতেন কেন প্রশ্নটা করেছি। ইউটিউবে আমি কিছু কিছু দেখেছি।
এই সম্পাদকদের অনেকেই আবার মালিক হিসেবে তাদের সুবিধামতো প্রকাশ্যেই নিজেদের রূপটা বদলে ফেলেন। প্রতি বছর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাজেটপূর্ব যে আলোচনাগুলো হয়, তার একটি সেশনে সম্পাদকদের সঙ্গে মন্ত্রীর বৈঠক হয়। সেখানে সম্পাদকদের মধ্যে যারা ‘নোয়াব’এর সদস্য, তারা সে বৈঠকে জাতীয় অর্থনীতির চেয়ে নিউজপ্রিন্টের আমদানি শুল্কের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবেন। ব্যবসায়ী হিসেবে যখন আপনি তদ্বির করবেন, তখন সম্পাদক হিসেবে আপনি আপনার ধার হারাবেন, যদিও বাংলাদেশে সম্পাদক হলেই সম্পূর্ণ দায়মুক্তি পাওয়া যায়, যদি না আপনি জঘন্য ধরনের একজন ভূমিদস্যু হয়ে থাকেন, এবং এক কপিও বিক্রি হয় না এমন এক পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক হন।
আমাদের দেশে যদি কোনো সম্পাদক বিকালে হাঁটতে গিয়ে ডাকাতের কবলে পড়েন, তাহলেও গোটা কমিউনিটি তাকে মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর আক্রমণ হিসেবে দেখাতে সব বন্দুক তাক করবে। ‘নোয়াব’-এর সদস্য হিসেবে, এরাই আবার সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন-ভাতা প্রদানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ লড়াই চালান।
কোনো সাংবাদিক বা কর্মচারী যে কোম্পানিতে কাজ করেন তার মালিকানার অংশীদার হওয়াতে দোষের কিছু দেখি না, কিন্তু স্বার্থের সংঘাত ভিন্ন একটি বিষয়। মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সংসদীয় কমিটির প্রধানরা যে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ বা তদারকি করেন, সে ধরনের ব্যবসায় জড়িত থাকলে স্বার্থের সংঘাতের ব্যাপারে আমরা অভিযোগ করি। স্বার্থের সংঘাত অথবা অন্য কোনো ধরনের অনৈতিক কাজকর্মের জন্য জবাবদিহি থেকে দায়মুক্তি ‘সম্পাদক’ নামের এই অতিমানবদের জন্য বিশেষ কোনো অধিকার হতে পারে না।
যেমন, মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে জনাব মাহফুজ আনাম ও ড. কামাল হোসেনকে ব্র্যাকেটবন্দি করার ও তাদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য নিয়ে কোনো সমস্যা দেখি না। এই বক্তব্য তিনি দিতেই পারেন, সে অধিকার তার রয়েছে তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে জনাব আনামের সংশ্লিষ্টতার পরিষ্কার প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়া তাকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ছেলের বক্তব্য সমর্থন করি না। আমরা সাধারণ মানুষ যা জানি, তার চেয়ে বেশি তথ্য জয়ের কাছে হয়তো থাকতে পারে।
২০০৭-২০০৮ এ এই সম্পাদকদের কয়েকজন সামরিক বাহিনীর দায়িত্বগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তাদের কমপক্ষে দুজন একই সঙ্গে ‘নোয়াব’ ও ‘সম্পাদক পরিষদ’-এর সদস্য। এই দু’জনই জরুরি অবস্থার আবরণে সামরিক শাসন আনার কাজ তরান্বিত করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। এই ‘অর্জন’ নিয়ে প্রকাশ্যে গর্ব করতেও দেখা গেছে তাদের।
২০০৭ সালের শুরুর দিকে কয়েক ডজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতিতে এক সভায় এই সম্পাদকদের একজন তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার কথা থামিয়ে দিতে চেষ্টা করেছিলেন। “এটা আমাদের সরকার এবং আমরাই এই সরকার এনেছি,” সভায় উপস্থিতদের কাছে এটা অনেকবার শুনেছি।
এই সম্পাদকদের নাম প্রায় সবাই জানেন বলে আমি আর এখানে উল্লেখ করলাম না। দু’বছরের এই জরুরি আইনের আমলে গণমাধ্যম ও অনেক মৌলিক অধিকারের ওপর সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এই সম্পাদকদের মধ্যে কোনো অস্বস্তি ছিল না। তারা আমাদের সংবাদ মাধ্যমের ইতিহাসের জঘন্যতম উদাহরণগুলোর কয়েকটি সৃষ্টি করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে এমন কিছু প্রতিবেদন তারা প্রকাশ করেছেন তারা যেগুলোতে সূত্র উল্লেখ থাকত না; এভাবে ওইসব ব্যক্তির মানহানি করা হয়েছে অন্যায়ভাবে। তারা রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চালানো তথাকথিত শুদ্ধি অভিযান সমর্থন করেছেন। রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের অনেকে যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তা স্বীকার করতে আমার আপত্তি নেই। তবে এসব ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। গণমাধ্যমের কাজ ছিল সঠিক প্রক্রিয়ার পক্ষে কথা বলা।
ওইসব প্রতিবেদনের ওয়েবলিংকগুলো এখন আর নেই। আগ্রহীরা ‘হার্ড কপি’ পড়ে দেখতে পারেন। বহু বছরের মধ্যে এই প্রথম ‘হার্ড কপির’ পক্ষে কথা বলছি আমি। এর কিছু আমার কাছেও আছে।
রাজনীতিতে জড়ানো গণমাধ্যমের কাজ নয়- বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সব নষ্টের মূলে রয়েছে সম্পাদকদের ওই দোষ। এই সম্পাদকদের অন্তত কয়েকজনের বিষয়ে সন্দিহান হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, আর তা কেবল তাদের এক-এগারোর ভূমিকার জন্য নয়। ‘সুশীল সমাজের’ অনির্বাচিত সদস্যদের রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দেখতে চান- তারা সর্বত্র সক্রিয়। যে কোনো মূল্যে দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কলঙ্কিত করতে তারা তৎপর। সেই অনুরণন ২৪ ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতেও রয়েছে।
[মূল ইংরেজি থেকে ভাষান্তরিত। লেখক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক।]
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 03
(66)
- সরবরাহ ৪০ শতাংশ কমেছে -মাহবুবুল আলম by মাসুদ মিলাদ
- পবার নিখোঁজ মেয়রের লাশ আজিমপুর গোরস্থানে
- বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণে কী হবে?
- ‘রাজনৈতিক আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে চিহ...
- খালেদা জিয়ার সঙ্গে ১৬ কূটনীতিকের বৈঠক
- বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ যুক্তরাজ্যের
- উজিরপুরে প্রেমিক খুন প্রেমিকার বাড়িতে আগুন ১০ জন আহত
- গাছ থেকে নামতেই পুলিশ ধরল জালাল উদ্দিনকে
- পরিবর্তনের বার্তাই দিয়ে গেলেন জয়শঙ্কর
- ‘পিতা হত্যার বিচার নিয়ে সন্দিহান’ by মাহমুদ মানজুর
- অচলাবস্থার শেষ কোথায়?
- সবচেয়ে বেশি ওজনের শিশু
- কী শর্তে আড়ি পাতা? by মিজানুর রহমান খান
- হরতাল সাহেব মারা গেছেন! by মনজুরুল হক
- দুই বাংলার পুনঃএকত্রীকরণ কিভাবে চাচ্ছেন? by ইকতেদা...
- ফোনালাপকারী সেই ব্যবসায়ী আটক? by তোহুর আহমদ
- অমর্ত্য সেন অন্ধকারের মধ্যে আশার আলো ছড়াতে পারতেন ...
- চুপ থাকলে চলবে না by নাতাশা ইসরাত কবির
- অভিজিৎ হত্যার পৌনঃপুনিকতা যদি রোধ করতে হয়- by আবদু...
- বার্সেলোনায় শুরু প্রযুক্তির মেসিদের সবচেয়ে বড় আসর ...
- মানুষ শান্তি চায় by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন
- বিপর্যয়ের মুখে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি by রা...
- সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমার দ্বিমত by তৌফিক ইমরোজ খ...
- মার্চ উপাখ্যান by মাহমুদুল বাসার
- বেঙ্গল শুপ ইন্ডাস্ট্রিজ- গ্রামে কারখানা, বিদেশে বি...
- লক্ষ্মীনাথকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- জরাজীর্ণ...
- নোয়াখালীর এক শিল্পনগরে জমি নেই, অন্যটিতে শিল্প নে...
- প্রতিভা না রক্তের অন্বেষণ by মুস্তাফা জামান আব্বাসী
- নতুন বিপদে পাটকল- জুট ব্যাচিং তেলের দাম ৪২% বৃদ্ধি...
- হার না–মানাদের জয়গাথা by সাঈদা ইসলাম
- মুক্তি মেলেনি নেপালের ‘শ্রমদাস’ কৃষকদের
- তরুণ উদ্ভাবকদের মেলায়... by শিহাব জিশান
- পুলিশ-গোয়েন্দার সামনেই অপরাধ ঘটছে- সদা সতর্ক ভূমিক...
- সুস্থ রাজনীতিতে সব সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান ...
- অভিজিৎ ও জোনাকি by মাহমুদুজ্জামান বাবু
- গাছে চড়ে বৃদ্ধের গণতন্ত্র উদ্ধারের কর্মসূচি by আবু...
- কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় সামাজিক উন্নয়ন তহবিল by...
- আদালতে যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া by মঈন উদ্দিন খান
- কনে বাজার
- খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে তল্লাশি- সঙ্কটকে ঘনীভূত করবে
- বিজ্ঞান মেলা- খুদে বিজ্ঞানীদের বড় সম্ভাবনা
- খুলনা জাতিসংঘ পার্ক- আধুনিকায়নের নামে অনাধুনিকতা
- মমতার 'মনের কথা' by রক্তিম দাশ
- উদ্বোধন by মোস্তাক শরীফ
- শ্রীলংকার বিপক্ষে হারের পর টাইগারদের প্রতিক্রিয়া b...
- ভাইবার নিয়ে হাইপার টেনশন! by মো. রায়হান কবির
- একটি রাজনৈতিক টক শো! by রফিকুল ইসলাম কামাল
- শান্তি নাকি অশান্তি! by মাসুদ রানা আশিক
- যথাযথ সম্মান প্রদর্শনপূর্বক
- অতিদরিদ্র কমানোর চ্যালেঞ্জ
- সমরশক্তি বাড়াচ্ছে চীনের প্রতিবেশীরা
- তালিকা হচ্ছে বিএনপির নিষ্ক্রিয় নেতাদের by হাবিবুর ...
- শহুরে দরিদ্রদের মধ্যে পানির জন্য প্রতিযোগিতা by কল...
- কোটার অতিরিক্ত ১০ হাজার যাত্রীর হজে যাওয়া অনিশ্চিত...
- অভিজিতের খুনিরা ফেসবুকে সরব by তোহুর আহমেদ
- জেদ্দার ঝাড়ুদারদের গল্প
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬৫ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- আবারও বাড়ছে জঙ্গি তৎপরতা
- জামায়াতে মতবিরোধ by রাজীব আহাম্মদ
- দুই মাসেও ঠিক হয়নি রেলসূচি by মাহমুদ মানজুর
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬৪ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- আদালতে না গেলে গ্রেফতার বা তল্লাশি by জাকির হোসেন ...
- সাদ্দামের নগরী পুনর্দখলে ব্যাপক সামরিক অভিযান চলছে
- পাগলার বাঁধ অপসারণ- মুক্তপ্রবাহের বিকল্প নেই
- খালেদার কার্যালয়ে তল্লাশির পরোয়ানা থানায়
- নাশকতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী b...
-
▼
Mar 03
(66)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment