Monday, December 15, 2014
বীরকন্যারা by উৎপল রায়
বীরকন্যারা by উৎপল রায়

একাত্তরে
যারা নির্যাতিত হয়েছিলেন, যুদ্ধ করেছিলেন, এমন বীরকন্যাদের খুঁজে বের করার
চেষ্টা করেছি এবার সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জ, যশোরসহ বিভিন্ন স্থানে। আত্মগোপনে
থাকা ওই বীরকন্যাদের কাছে বীরত্বের কথা শুনেছি। এবার আরও ৫ জনের কষ্টের কথা
শুনেছি। বর্তমানে এরা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বসবাস করছেন। ওদের কেউ কোনদিন
খোঁজ করেনি। জানতেও চাননি তাদের কুশল। এমন কয়েক জনকে নিয়েই এই প্রতিবেদনটি
তৈরি করেছেন স্টাফ রিপোর্টার উৎপল রায়।
সাবিহা আহমেদ
সাবিহা আহমেদ (৬০)। একাত্তরে নির্যাতিতা এক নারী। তখন তিনি ছিলেন ১৭ বছরের তরুণী। সবে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছেন। স্বপ্ন দেখছিলেন উচ্চশিক্ষার। কিন্তু তার এই স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। একটি একাত্তর সাবিহার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। তাই সেই স্মৃতি এখন আর মনে করতে চান না তিনি। মুক্তিযুদ্ধের আগের দিনগুলো স্মরণ করে এখনও তার চোখ ভিজে ওঠে জলে। সাবিহা জানান, বরিশালের লাইনরোড গলির বাসায় বাবা বই ব্যবসায়ী সরফুদ্দিন আহমেদ ও গৃহিণী মা সালেহা বেগমের সংসারে সুখেই ছিলেন। সঙ্গে ছিল দুই ভাই মনির ও মাছুম। ১৯৭১ সালের ২৮শে মার্চ। সারাদেশ দখলের পরিকল্পনায় বরিশালেও এসে যায় পাক হানাদার বাহিনী। বরিশাল লাইন রোডের বাসায় তখন আতঙ্কে অস্থির সাবিহাদের পরিবার। সকাল দশটার দিকে পাকবাহিনী তাদের বাসায় এসে সবাইকে একটি ঘরে আটকে রাখে। তাদের কয়েকজন সাবিহাকে তুলে নিয়ে যায়। শুধু সাবিহা নয়, ওই এলাকার কম বয়সী অনেক নারীকেই তুলে নিয়ে যায় বরিশাল শ্মশানঘাট এলাকার একটি ক্যাম্পে। জীবন বাঁচানোর জন্য পুরুষের পোশাক পরেছিলেন সাবিহা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তাকে চিনে ফেলে। ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার পর সাবিহাসহ অন্য মেয়েদের ধর্ষণ করে পাকসেনারা। সাবিহাকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি। তার ডান বুকে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। ৪৩ বছর পরেও সেই দাগ এখনও আছে। তিনি জানান, ধর্ষণের পর একটি খালের পাড়ে গুলি করে হত্যার জন্য কয়েকজন পুরুষের সঙ্গে নারীদেরও লাইনে দাঁড় করানো হয়। কিন্তু ব্রাশফায়ারের আগ মুহূর্তে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। দুই ঘণ্টা কচুরিপানার নিচে থেকে নিজেকে রক্ষা করেন। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীর অসার হয়ে ওঠে। সমপূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে। সাবিহা জানান, সুস্থ হয়ে শহরে ফিরে এসে দেখেন বাড়ির সবাই প্রাণভয়ে তাকে ছেড়েই চলে গেছে ঢাকার নারিন্দায়। মা-বাবার খোঁজে ঢাকায় আসার পর সাক্ষাৎ হয় মুক্তিযোদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়ার সঙ্গে। তিনিই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে সুস্থ করে তোলেন। কিন্তু পাকবাহিনীর নির্যাতনে সাবিহার ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। সাবিহা বলেন, ১৯৭৪ সালে মতিউর রহমান নামে একজনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের দু’বছরের মাথায় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ সবাই একাত্তরে পাকবাহিনীর হাতে আমার নির্যাতিত হওয়ার ঘটনাটি জেনে যায়। তারা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তখন থেকেই তাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি। স্বামী মতিউর আমাকে তালাক দেন। পরে টিউশনি করে কোনমতে জীবন পার করি। সাবিহা জানান, মা হওয়ার তীব্র আকাঙক্ষা ছিল তার। এ কারণে দোলা নামের এক শিশুকন্যাকে নিজের কাছে এনে লালন পালন করেন তিনি। দোলা ও তার স্বামী রাসেলই এখন তাকে কিছুটা দেখাশোনা করছে। রাত কাটান রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানের একটি ঘরে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বয়স্কভাতার অল্প কিছু টাকা দিয়ে কোনমতে দিন যাচ্ছে। কিন্তু এমন জীবন কখনও চালান তিনি। লোকলজ্জায় কোথাও যেতে পারেন না তিনি। সবাই কেমন দৃষ্টিতে দেখে। ষাটোর্ধ্ব সাবিহা বলেন, আমার সময় শেষ। বুড়ো হয়ে গেছি। শরীর স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেছে। তবু মৃত্যুর আগে সুন্দর একটি বাংলাদেশ দেখে যেতে চাই।
রেজিয়া বেগম
রেজিয়া বেগম। পঁচাত্তর বছরের বৃদ্ধা। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতিতা এক নারী। স্বীকৃতি মেলেনি বীরাঙ্গনা কিংবা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। বয়স হয়েছে। কাজ করতে পারেন না তিনি। মেয়ে জাহানারার সংসারে রাজধানীর তেজগাঁও রেলগেট সংলগ্ন অস্থায়ী বস্তিতে থাকেন রেজিয়া। মেয়ে আর নাতি-নাতনির অকৃত্রিম ভালবাসায় ভাল থাকলেও কোথায় যেন একটা শূন্যতা ও হাহাকার অনুভব করেন তিনি। মাঝে মাঝে বুকে চাপাকষ্ট নিয়ে কেঁদে ওঠেন। কাঁদছেন প্রায় ৪৩ বছর ধরে। এক সময় লোকলজ্জার ভয়ে লুকিয়ে কাঁদতেন। এখন কাঁদেন প্রকাশ্যেই। ভাতের কষ্ট নেই তার। কিন্তু কষ্ট একটাই, একাত্তরে একজন নারী হিসেবে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি অবহেলিত। যদিও কন্যা জাহানারা ও নাতি নাতনি জাহিদ ও জান্নাতুনের আদরের কমতি নেই। বলা যায় এদের বদৌলতেই তিনি জীবনের দুঃখ কষ্ট পার করছেন। তার সারাবেলার চালচিত্র দেখে কে বলবে এই বৃদ্ধার অতীত ছিল যন্ত্রণার। সমপ্রতি তেজগাঁও রেলওয়ে বস্তির একটি স্যাঁতসেতে ঘরে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি সুখে আছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে চান না তিনি বীরাঙ্গনা ছিলেন। তবে মাঝে মাঝে তার কষ্ট হয়। কৌতূহলবশত নাতি-নাতনিরা স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস জানতে চায়। তাদের নিরাশ করেন। রেজিয়া জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় তেজগাঁও তেজতুরিবাজার এলাকায় বাস করতেন তিনি। স্বামী আবু মিয়ার ফলের ব্যবসা ছিল। তিনি নিজেও বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়। তেজগাঁও, ফার্মগেট, তেজতুরি বাজার এলাকায় চলছে বাঙালি নিধন অভিযান। স্বামী আবু মিয়াকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি সেনারা। তিনি লুকিয়ে পড়েন তেজতুরি বাজার এলাকায় একটি মাটির গুহায়। তিনি বলেন, অভিযানের পর স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। পাক মোটর (বর্তমান বাংলামোটর) এলাকায় আসতেই কয়েকজন রাজাকার তাকে ধরে নিয়ে যায় সেনা ক্যাম্পে। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন সেনা ও রাজাকারের দ্বারা তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এভাবে চলে এক সপ্তাহ। পরে তাকে ফেলে যায় বাংলামোটরের পাশেই খাল ও জংলামতো একটি জায়গায়। তিনি জানান, তখন তার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি নেই। কোথাও কেউ নেই। শুধু খালে আছে অগণিত লাশ। লাশের রক্তে খালের পানিও লাল হয়ে আছে। ক্ষুধায় সেখানেই পড়ে থাকা শাপলা শালুক খেয়েছেন তিনি। পিপাসায় পান করেছেন খালের রক্তাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি। এক সময় মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত বাহিনীর (বীরবিক্রম হেমায়েত উদ্দীন হিমু) সদস্যরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মুক্তিযোদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়া তাকে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। কিন্তু রেজিয়ার ভয় ছিল স্বামী আবু মিয়া তাকে গ্রহণ করবে কিনা। ভয় অমূলক প্রমাণ করে স্বামী তাকে সাদরে গ্রহণ করেন। কারণ, তার বিশ্বাস রেজিয়ার মতো কয়েক হাজার নারী এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে দীর্ঘদিন তাকে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। সেখানে তখন তিনিসহ আরও অনেক নির্যাতিতা নারী ছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন সেখানে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি তখন সবে স্বাধীন দেশে এসেছেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু তাকে মেয়ে বলে সম্বোধন করে একটি সনদপত্র দেন। অনেক দিন যত্নে রাখার পরও সনদটি আগলে রাখতে পারেননি। হারিয়ে যায়। রেজিয়া জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামের বাড়িতে যান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ওপর যে পাশবিক নির্যাতন হয়েছে সে খবর গ্রামের মানুষ জেনে যায়। গ্রামের ছোট বড় সবাই বলাবলি করতে থাকে রেজিয়া নষ্টা। যখন নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকেও এরকম কটূক্তি আসতে লাগলো তিনি তখন অভিমানে চলে আসেন ঢাকায়। এরপর দীর্ঘ ৪৩ বছরেও আর ফেরা হয়নি তার স্মৃতিবিজড়িত গ্রামে।
রঙ্গমালা
একাত্তরের রঙ্গমালা। সুখের সংসার ছিল তার। ১৯৭১ সালে জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ছিনারচর গ্রামের বাড়িতে ছিলেন তিনি। ওই সময় তিনি হানাদারদের হাতে ধর্ষণের শিকার হন। তখন তার বয়স ছিল ২০ বছর। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের আগে কাঁদার অপরাধে তার শিশুপুত্রকে মাটিতে ছুঁড়ে মেরে ফেলে হানাদাররা। এরপর লোকলজ্জায় তিনি চলে আসেন ঢাকায়। বর্তমানে রাজধানীর তেজগাঁও তেজকুনীপাড়ার রেলগেট এলাকার বস্তির স্যাঁতস্যাঁতে ছোট একটি ঘরে বীরাঙ্গনা রঙ্গমালার সংসার। ষাটোর্ধ রঙ্গমালা এখন অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারেন না। অন্যের সহানুভূতিই এখন তার একমাত্র ভরসা। তিনবেলা আহারের জন্য সকাল থেকেই শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ- ভিক্ষাযুদ্ধ। রঙ্গমালা জানান, সারাদিন ভিক্ষা করে যা আসে তা একবেলার খাবারের জন্যও যথেষ্ট নয়। তাছাড়া বয়সের কারণে ভিক্ষাও করতে পারেন না নিয়মিত। আর সে কারণে কোনদিন কাটে অর্ধাহারে অনাহারে। রঙ্গমালার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে তাদের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ছিনারচর গ্রামে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা হানা দেয়। অনেকেই পালিয়ে গেলেও তারা পালাতে পারেননি। তাদের বাড়িতে এসে পাকিস্তানি সেনারা রঙ্গমালাকে একটি ঘরে নিয়ে যায়। কাঁদার অপরাধে তার শিশু সন্তান আলামিনকে মাটিতে ছুঁড়ে মেরে ফেলে পাকিস্তানি সেনারা। এর তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তিনি অচেতন হয়ে যান। তাকে মৃত মনে করে পাশেই একটি ডোবায় ফেলে যায় রাজাকাররা। এ ঘটনার পরপরই লোকলজ্জার ভয়ে তিনি চলে আসেন ঢাকায়। তিনি বলেন, বেঁচে আছি এখনও। স্বামী ভোলা মিয়া আমার অসহায়ত্বকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেছিলেন। কিন্তু আমার সন্তানরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়নি। দুই ছেলে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। বর্তমানে কন্যা হেনার আশ্রয়ে আছি। খেতাব চাই।
রাজিয়া বেগম
মা রাজিয়া বেগম (৫৯)। একাত্তরে নির্যাতিতা নারী। লোকলজ্জায় তার দুই ছেলে আনসার ও ইউনুস মায়ের খোঁজ রাখে না। তেজগাঁও তেজকুনিপাড়া রেলওয়ে বস্তির একটি ঘরে কথা হয় রাজিয়ার সঙ্গে। লোকলজ্জার ভয়ে বছরের পর বছর এখানেই পড়ে আছেন তিনি। কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে যান না তাও প্রায় ৪০ বছর। ভাইয়ের ছেলেদের আয়ে সংসার চলে তার। সংসার বলতে বস্তির ঐ ঘরটুকু। রাজিয়া জানান, মুক্তিযুদ্ধের আগে পনের বছর বয়সে বিয়ে হয় তার। স্বামী-সংসার নিয়ে দিনগুলো বেশ সুখেই কাটছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার সরবরাহ করেছিলেন তিনি। এ খবর পেয়ে যায় স্থানীয় রাজাকাররা। এ অপরাধে পাকিস্তানি সেনারা ধর্ষণ করে তাকে। চিরজীবনের মতো ভেঙে যায় রাজিয়ার স্বপ্ন-সাধ। আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেননি। চলে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। এখন শুধু মরণের অপেক্ষা তার। তবে মৃত্যুর আগে একটি আকুতি- কিছুই চান না। শুধু বীরাঙ্গনা বা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান তিনি। এ স্বীকৃতি নিয়েই বেঁচে থাকতে চান আমৃত্যু। রাজিয়া জানান, তার জন্ম কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার পীরকাশেমপুর গ্রামে। তখন (১৯৭১ সালে) বয়স মাত্র পনের। অভাবের সংসার তাই তাকে দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। তবে স্বামীর ভালবাসার সংসারে অভাব থাকলেও সুখ ছিল। রাজিয়া জানান, ১৯৭১ সালের জুলাই মাসের কোন একদিন। হঠাৎ বাড়ির পাশে গুলির শব্দ। কিছুক্ষণ পরেই বাড়িতে প্রবেশ করে কয়েকজন পাকবাহিনীর সদস্য ও রাজাকার। তারা এসে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ করে। রাজিয়ার স্বামী জামাল মিয়াকেও খোঁজে। না পেয়ে চলে যায়। একদিন পর আবার আসে। মুক্তিযোদ্ধাদের একবেলা খাওয়ানোর কারণে তাকে ধরে নিয়ে যায় তাদেরই একটি ঘরে। পাকবাহিনীর একজন অফিসার ধর্ষণ করে তাকে। ধর্ষণের পর মৃত মনে করে গ্রামেরই অচেনা, নির্জন এক স্থানে ফেলে দেয় রাজাকাররা। স্বামী জামাল মিয়া হতভম্ভ। কিংকর্তব্যবিমূঢ়। গ্রামের এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্তে চলছে কানাঘুষা। লোকলজ্জায় রাজিয়া ৩ মাসের ছেলে আনসারকে নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। রাজিয়া জানান, শাহবাগ এলাকায় কয়েকজন নারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। ওরাই তাকে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়ার পর স্বামী তাকে খুঁজে পায় তেজগাঁও রেলস্টেশনে। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়। জামাল সবকিছু ভুলে প্রিয়তম স্ত্রীকে কাছে নিতে চায়। কিন্তু নিজেকে অপবিত্র মনে করে আর কোনদিন রাজিয়া স্বামীর সংসারে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১০ বছর আগে রাজিয়ার স্বামী জামাল মিয়া মারা যান।
নূরজাহান
একাত্তরে তার নাম ছিল মোহরজান বেগম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের দ্বারা সম্ভ্রমহানি ঘটে তার। সবাই চিনে ফেলে তাকে। লজ্জা, ঘৃণায় নিজেকে ছোট মনে হয় তার। তাই চিন্তা করেন নাম পাল্টালে হয়তো এ সমস্যা থাকবে না। এরপরেই মোহরজান নাম পরিবর্তন করে তিনি নূরজাহান নাম ধারণ করেন। এরপরও রক্ষা হয়নি। যেখানেই গিয়েছেন অপমান লাঞ্ছনা সইতে হয়েছে তাকে। গ্রামের বাড়িতে যান না বহুদিন। ৬১ বছরের নূরজাহান জানালেন একাত্তরে তার জীবনে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক কাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের মাঝামঝি সময়ের ঘটনা। স্বামী লিলু মিয়ার সঙ্গে তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় থাকতেন অষ্টাদশী নূরজাহান। দু’জনই ছিলেন শ্রমজীবী। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। নারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাবাসী মিলে তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় মাটি খুঁড়ে তৈরি করলেন একটি বাঙ্কার। একদিন পাকিস্তানি সেনারা গেরিলা বাহিনীর খোঁজে এ এলাকায় আক্রমণ চালায়। তাদের সহযোগী রাজাকাররা বাঙ্কারের খোঁজ পেয়ে যায়। শেষ রক্ষা হয়নি। বাঙ্কার থেকে রাজাকাররা তাদের বের করে আনে। এমন অন্তত ১০ জন নারীকে পাকিস্তানি আর্মিদের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় সদরঘাট এলাকায়। সেখান থেকে একটি লঞ্চে তোলা হয় তাদের। পাকবাহিনীর হাতে আটক নারীরা জানতে পারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদেরকে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চিৎকার চেঁচামিচির একপর্যায়ে লঞ্চের ভেতরেই নূরজাহানসহ অন্তত পাঁচজনকে ধর্ষণ করে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকররা। পরে তাকে মুন্সীগঞ্জের একটি ঘাটে ফেলে রেখে যায়। কয়েক ঘণ্টা পর একদল মুক্তিযোদ্ধা নূরজাহানকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তার ঠাঁই হয়নি। গ্রামের বাড়িতে চলতে থাকে গুঞ্জন। চলে আসেন ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় এসে দেখতে পান তাদের ঘরবাড়ির কোন চিহ্নই আর নেই। স্বামী লিলু মিয়া ও সন্তানদের খুঁজতে চলে যান শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার চান্দিনায়। সেখানে তাদের খুঁজে পেয়ে স্বামী সন্তান নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। স্বামী লিলু মিয়াও নিয়তির ওপর সবকিছু ছেড়ে দিয়ে নূরজাহানকে মেনে নেন। নূরজাহান জানান, স্বামী মারা গেছেন প্রায় ১৫ বছর আগে। তখন থেকেই তার অভাব শুরু। মা একাত্তরে নির্যাতনের শিকার- এ কারণে ছেলেরা তার খোঁজ রাখে না। তাই এই বয়সেও বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন তিনি।
সাবিহা আহমেদ
সাবিহা আহমেদ (৬০)। একাত্তরে নির্যাতিতা এক নারী। তখন তিনি ছিলেন ১৭ বছরের তরুণী। সবে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছেন। স্বপ্ন দেখছিলেন উচ্চশিক্ষার। কিন্তু তার এই স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। একটি একাত্তর সাবিহার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। তাই সেই স্মৃতি এখন আর মনে করতে চান না তিনি। মুক্তিযুদ্ধের আগের দিনগুলো স্মরণ করে এখনও তার চোখ ভিজে ওঠে জলে। সাবিহা জানান, বরিশালের লাইনরোড গলির বাসায় বাবা বই ব্যবসায়ী সরফুদ্দিন আহমেদ ও গৃহিণী মা সালেহা বেগমের সংসারে সুখেই ছিলেন। সঙ্গে ছিল দুই ভাই মনির ও মাছুম। ১৯৭১ সালের ২৮শে মার্চ। সারাদেশ দখলের পরিকল্পনায় বরিশালেও এসে যায় পাক হানাদার বাহিনী। বরিশাল লাইন রোডের বাসায় তখন আতঙ্কে অস্থির সাবিহাদের পরিবার। সকাল দশটার দিকে পাকবাহিনী তাদের বাসায় এসে সবাইকে একটি ঘরে আটকে রাখে। তাদের কয়েকজন সাবিহাকে তুলে নিয়ে যায়। শুধু সাবিহা নয়, ওই এলাকার কম বয়সী অনেক নারীকেই তুলে নিয়ে যায় বরিশাল শ্মশানঘাট এলাকার একটি ক্যাম্পে। জীবন বাঁচানোর জন্য পুরুষের পোশাক পরেছিলেন সাবিহা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তাকে চিনে ফেলে। ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার পর সাবিহাসহ অন্য মেয়েদের ধর্ষণ করে পাকসেনারা। সাবিহাকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি। তার ডান বুকে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। ৪৩ বছর পরেও সেই দাগ এখনও আছে। তিনি জানান, ধর্ষণের পর একটি খালের পাড়ে গুলি করে হত্যার জন্য কয়েকজন পুরুষের সঙ্গে নারীদেরও লাইনে দাঁড় করানো হয়। কিন্তু ব্রাশফায়ারের আগ মুহূর্তে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। দুই ঘণ্টা কচুরিপানার নিচে থেকে নিজেকে রক্ষা করেন। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীর অসার হয়ে ওঠে। সমপূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে। সাবিহা জানান, সুস্থ হয়ে শহরে ফিরে এসে দেখেন বাড়ির সবাই প্রাণভয়ে তাকে ছেড়েই চলে গেছে ঢাকার নারিন্দায়। মা-বাবার খোঁজে ঢাকায় আসার পর সাক্ষাৎ হয় মুক্তিযোদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়ার সঙ্গে। তিনিই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে সুস্থ করে তোলেন। কিন্তু পাকবাহিনীর নির্যাতনে সাবিহার ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। সাবিহা বলেন, ১৯৭৪ সালে মতিউর রহমান নামে একজনের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের দু’বছরের মাথায় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ সবাই একাত্তরে পাকবাহিনীর হাতে আমার নির্যাতিত হওয়ার ঘটনাটি জেনে যায়। তারা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তখন থেকেই তাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি। স্বামী মতিউর আমাকে তালাক দেন। পরে টিউশনি করে কোনমতে জীবন পার করি। সাবিহা জানান, মা হওয়ার তীব্র আকাঙক্ষা ছিল তার। এ কারণে দোলা নামের এক শিশুকন্যাকে নিজের কাছে এনে লালন পালন করেন তিনি। দোলা ও তার স্বামী রাসেলই এখন তাকে কিছুটা দেখাশোনা করছে। রাত কাটান রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানের একটি ঘরে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বয়স্কভাতার অল্প কিছু টাকা দিয়ে কোনমতে দিন যাচ্ছে। কিন্তু এমন জীবন কখনও চালান তিনি। লোকলজ্জায় কোথাও যেতে পারেন না তিনি। সবাই কেমন দৃষ্টিতে দেখে। ষাটোর্ধ্ব সাবিহা বলেন, আমার সময় শেষ। বুড়ো হয়ে গেছি। শরীর স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে গেছে। তবু মৃত্যুর আগে সুন্দর একটি বাংলাদেশ দেখে যেতে চাই।
রেজিয়া বেগম
রেজিয়া বেগম। পঁচাত্তর বছরের বৃদ্ধা। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতিতা এক নারী। স্বীকৃতি মেলেনি বীরাঙ্গনা কিংবা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। বয়স হয়েছে। কাজ করতে পারেন না তিনি। মেয়ে জাহানারার সংসারে রাজধানীর তেজগাঁও রেলগেট সংলগ্ন অস্থায়ী বস্তিতে থাকেন রেজিয়া। মেয়ে আর নাতি-নাতনির অকৃত্রিম ভালবাসায় ভাল থাকলেও কোথায় যেন একটা শূন্যতা ও হাহাকার অনুভব করেন তিনি। মাঝে মাঝে বুকে চাপাকষ্ট নিয়ে কেঁদে ওঠেন। কাঁদছেন প্রায় ৪৩ বছর ধরে। এক সময় লোকলজ্জার ভয়ে লুকিয়ে কাঁদতেন। এখন কাঁদেন প্রকাশ্যেই। ভাতের কষ্ট নেই তার। কিন্তু কষ্ট একটাই, একাত্তরে একজন নারী হিসেবে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি অবহেলিত। যদিও কন্যা জাহানারা ও নাতি নাতনি জাহিদ ও জান্নাতুনের আদরের কমতি নেই। বলা যায় এদের বদৌলতেই তিনি জীবনের দুঃখ কষ্ট পার করছেন। তার সারাবেলার চালচিত্র দেখে কে বলবে এই বৃদ্ধার অতীত ছিল যন্ত্রণার। সমপ্রতি তেজগাঁও রেলওয়ে বস্তির একটি স্যাঁতসেতে ঘরে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, বর্তমানে তিনি সুখে আছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে চান না তিনি বীরাঙ্গনা ছিলেন। তবে মাঝে মাঝে তার কষ্ট হয়। কৌতূহলবশত নাতি-নাতনিরা স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস জানতে চায়। তাদের নিরাশ করেন। রেজিয়া জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় তেজগাঁও তেজতুরিবাজার এলাকায় বাস করতেন তিনি। স্বামী আবু মিয়ার ফলের ব্যবসা ছিল। তিনি নিজেও বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়। তেজগাঁও, ফার্মগেট, তেজতুরি বাজার এলাকায় চলছে বাঙালি নিধন অভিযান। স্বামী আবু মিয়াকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি সেনারা। তিনি লুকিয়ে পড়েন তেজতুরি বাজার এলাকায় একটি মাটির গুহায়। তিনি বলেন, অভিযানের পর স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। পাক মোটর (বর্তমান বাংলামোটর) এলাকায় আসতেই কয়েকজন রাজাকার তাকে ধরে নিয়ে যায় সেনা ক্যাম্পে। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন সেনা ও রাজাকারের দ্বারা তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এভাবে চলে এক সপ্তাহ। পরে তাকে ফেলে যায় বাংলামোটরের পাশেই খাল ও জংলামতো একটি জায়গায়। তিনি জানান, তখন তার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি নেই। কোথাও কেউ নেই। শুধু খালে আছে অগণিত লাশ। লাশের রক্তে খালের পানিও লাল হয়ে আছে। ক্ষুধায় সেখানেই পড়ে থাকা শাপলা শালুক খেয়েছেন তিনি। পিপাসায় পান করেছেন খালের রক্তাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি। এক সময় মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত বাহিনীর (বীরবিক্রম হেমায়েত উদ্দীন হিমু) সদস্যরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মুক্তিযোদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়া তাকে স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। কিন্তু রেজিয়ার ভয় ছিল স্বামী আবু মিয়া তাকে গ্রহণ করবে কিনা। ভয় অমূলক প্রমাণ করে স্বামী তাকে সাদরে গ্রহণ করেন। কারণ, তার বিশ্বাস রেজিয়ার মতো কয়েক হাজার নারী এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে দীর্ঘদিন তাকে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। সেখানে তখন তিনিসহ আরও অনেক নির্যাতিতা নারী ছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন সেখানে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি তখন সবে স্বাধীন দেশে এসেছেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু তাকে মেয়ে বলে সম্বোধন করে একটি সনদপত্র দেন। অনেক দিন যত্নে রাখার পরও সনদটি আগলে রাখতে পারেননি। হারিয়ে যায়। রেজিয়া জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামের বাড়িতে যান তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ওপর যে পাশবিক নির্যাতন হয়েছে সে খবর গ্রামের মানুষ জেনে যায়। গ্রামের ছোট বড় সবাই বলাবলি করতে থাকে রেজিয়া নষ্টা। যখন নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকেও এরকম কটূক্তি আসতে লাগলো তিনি তখন অভিমানে চলে আসেন ঢাকায়। এরপর দীর্ঘ ৪৩ বছরেও আর ফেরা হয়নি তার স্মৃতিবিজড়িত গ্রামে।
রঙ্গমালা
একাত্তরের রঙ্গমালা। সুখের সংসার ছিল তার। ১৯৭১ সালে জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ছিনারচর গ্রামের বাড়িতে ছিলেন তিনি। ওই সময় তিনি হানাদারদের হাতে ধর্ষণের শিকার হন। তখন তার বয়স ছিল ২০ বছর। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের আগে কাঁদার অপরাধে তার শিশুপুত্রকে মাটিতে ছুঁড়ে মেরে ফেলে হানাদাররা। এরপর লোকলজ্জায় তিনি চলে আসেন ঢাকায়। বর্তমানে রাজধানীর তেজগাঁও তেজকুনীপাড়ার রেলগেট এলাকার বস্তির স্যাঁতস্যাঁতে ছোট একটি ঘরে বীরাঙ্গনা রঙ্গমালার সংসার। ষাটোর্ধ রঙ্গমালা এখন অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারেন না। অন্যের সহানুভূতিই এখন তার একমাত্র ভরসা। তিনবেলা আহারের জন্য সকাল থেকেই শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ- ভিক্ষাযুদ্ধ। রঙ্গমালা জানান, সারাদিন ভিক্ষা করে যা আসে তা একবেলার খাবারের জন্যও যথেষ্ট নয়। তাছাড়া বয়সের কারণে ভিক্ষাও করতে পারেন না নিয়মিত। আর সে কারণে কোনদিন কাটে অর্ধাহারে অনাহারে। রঙ্গমালার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে তাদের গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ছিনারচর গ্রামে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা হানা দেয়। অনেকেই পালিয়ে গেলেও তারা পালাতে পারেননি। তাদের বাড়িতে এসে পাকিস্তানি সেনারা রঙ্গমালাকে একটি ঘরে নিয়ে যায়। কাঁদার অপরাধে তার শিশু সন্তান আলামিনকে মাটিতে ছুঁড়ে মেরে ফেলে পাকিস্তানি সেনারা। এর তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তিনি অচেতন হয়ে যান। তাকে মৃত মনে করে পাশেই একটি ডোবায় ফেলে যায় রাজাকাররা। এ ঘটনার পরপরই লোকলজ্জার ভয়ে তিনি চলে আসেন ঢাকায়। তিনি বলেন, বেঁচে আছি এখনও। স্বামী ভোলা মিয়া আমার অসহায়ত্বকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেছিলেন। কিন্তু আমার সন্তানরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়নি। দুই ছেলে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। বর্তমানে কন্যা হেনার আশ্রয়ে আছি। খেতাব চাই।
রাজিয়া বেগম
মা রাজিয়া বেগম (৫৯)। একাত্তরে নির্যাতিতা নারী। লোকলজ্জায় তার দুই ছেলে আনসার ও ইউনুস মায়ের খোঁজ রাখে না। তেজগাঁও তেজকুনিপাড়া রেলওয়ে বস্তির একটি ঘরে কথা হয় রাজিয়ার সঙ্গে। লোকলজ্জার ভয়ে বছরের পর বছর এখানেই পড়ে আছেন তিনি। কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে যান না তাও প্রায় ৪০ বছর। ভাইয়ের ছেলেদের আয়ে সংসার চলে তার। সংসার বলতে বস্তির ঐ ঘরটুকু। রাজিয়া জানান, মুক্তিযুদ্ধের আগে পনের বছর বয়সে বিয়ে হয় তার। স্বামী-সংসার নিয়ে দিনগুলো বেশ সুখেই কাটছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবার সরবরাহ করেছিলেন তিনি। এ খবর পেয়ে যায় স্থানীয় রাজাকাররা। এ অপরাধে পাকিস্তানি সেনারা ধর্ষণ করে তাকে। চিরজীবনের মতো ভেঙে যায় রাজিয়ার স্বপ্ন-সাধ। আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেননি। চলে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। এখন শুধু মরণের অপেক্ষা তার। তবে মৃত্যুর আগে একটি আকুতি- কিছুই চান না। শুধু বীরাঙ্গনা বা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান তিনি। এ স্বীকৃতি নিয়েই বেঁচে থাকতে চান আমৃত্যু। রাজিয়া জানান, তার জন্ম কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার পীরকাশেমপুর গ্রামে। তখন (১৯৭১ সালে) বয়স মাত্র পনের। অভাবের সংসার তাই তাকে দ্রুত বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। তবে স্বামীর ভালবাসার সংসারে অভাব থাকলেও সুখ ছিল। রাজিয়া জানান, ১৯৭১ সালের জুলাই মাসের কোন একদিন। হঠাৎ বাড়ির পাশে গুলির শব্দ। কিছুক্ষণ পরেই বাড়িতে প্রবেশ করে কয়েকজন পাকবাহিনীর সদস্য ও রাজাকার। তারা এসে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ করে। রাজিয়ার স্বামী জামাল মিয়াকেও খোঁজে। না পেয়ে চলে যায়। একদিন পর আবার আসে। মুক্তিযোদ্ধাদের একবেলা খাওয়ানোর কারণে তাকে ধরে নিয়ে যায় তাদেরই একটি ঘরে। পাকবাহিনীর একজন অফিসার ধর্ষণ করে তাকে। ধর্ষণের পর মৃত মনে করে গ্রামেরই অচেনা, নির্জন এক স্থানে ফেলে দেয় রাজাকাররা। স্বামী জামাল মিয়া হতভম্ভ। কিংকর্তব্যবিমূঢ়। গ্রামের এপ্রান্ত থেকে ও প্রান্তে চলছে কানাঘুষা। লোকলজ্জায় রাজিয়া ৩ মাসের ছেলে আনসারকে নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। রাজিয়া জানান, শাহবাগ এলাকায় কয়েকজন নারীর সঙ্গে তার দেখা হয়। ওরাই তাকে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়ার পর স্বামী তাকে খুঁজে পায় তেজগাঁও রেলস্টেশনে। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়। জামাল সবকিছু ভুলে প্রিয়তম স্ত্রীকে কাছে নিতে চায়। কিন্তু নিজেকে অপবিত্র মনে করে আর কোনদিন রাজিয়া স্বামীর সংসারে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১০ বছর আগে রাজিয়ার স্বামী জামাল মিয়া মারা যান।
নূরজাহান
একাত্তরে তার নাম ছিল মোহরজান বেগম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের দ্বারা সম্ভ্রমহানি ঘটে তার। সবাই চিনে ফেলে তাকে। লজ্জা, ঘৃণায় নিজেকে ছোট মনে হয় তার। তাই চিন্তা করেন নাম পাল্টালে হয়তো এ সমস্যা থাকবে না। এরপরেই মোহরজান নাম পরিবর্তন করে তিনি নূরজাহান নাম ধারণ করেন। এরপরও রক্ষা হয়নি। যেখানেই গিয়েছেন অপমান লাঞ্ছনা সইতে হয়েছে তাকে। গ্রামের বাড়িতে যান না বহুদিন। ৬১ বছরের নূরজাহান জানালেন একাত্তরে তার জীবনে ঘটে যাওয়া হৃদয়বিদারক কাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের মাঝামঝি সময়ের ঘটনা। স্বামী লিলু মিয়ার সঙ্গে তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় থাকতেন অষ্টাদশী নূরজাহান। দু’জনই ছিলেন শ্রমজীবী। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। নারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাবাসী মিলে তেজগাঁও রেলগেট এলাকায় মাটি খুঁড়ে তৈরি করলেন একটি বাঙ্কার। একদিন পাকিস্তানি সেনারা গেরিলা বাহিনীর খোঁজে এ এলাকায় আক্রমণ চালায়। তাদের সহযোগী রাজাকাররা বাঙ্কারের খোঁজ পেয়ে যায়। শেষ রক্ষা হয়নি। বাঙ্কার থেকে রাজাকাররা তাদের বের করে আনে। এমন অন্তত ১০ জন নারীকে পাকিস্তানি আর্মিদের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় সদরঘাট এলাকায়। সেখান থেকে একটি লঞ্চে তোলা হয় তাদের। পাকবাহিনীর হাতে আটক নারীরা জানতে পারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদেরকে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চিৎকার চেঁচামিচির একপর্যায়ে লঞ্চের ভেতরেই নূরজাহানসহ অন্তত পাঁচজনকে ধর্ষণ করে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকররা। পরে তাকে মুন্সীগঞ্জের একটি ঘাটে ফেলে রেখে যায়। কয়েক ঘণ্টা পর একদল মুক্তিযোদ্ধা নূরজাহানকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তার ঠাঁই হয়নি। গ্রামের বাড়িতে চলতে থাকে গুঞ্জন। চলে আসেন ঢাকায়। কিন্তু ঢাকায় এসে দেখতে পান তাদের ঘরবাড়ির কোন চিহ্নই আর নেই। স্বামী লিলু মিয়া ও সন্তানদের খুঁজতে চলে যান শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার চান্দিনায়। সেখানে তাদের খুঁজে পেয়ে স্বামী সন্তান নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। স্বামী লিলু মিয়াও নিয়তির ওপর সবকিছু ছেড়ে দিয়ে নূরজাহানকে মেনে নেন। নূরজাহান জানান, স্বামী মারা গেছেন প্রায় ১৫ বছর আগে। তখন থেকেই তার অভাব শুরু। মা একাত্তরে নির্যাতনের শিকার- এ কারণে ছেলেরা তার খোঁজ রাখে না। তাই এই বয়সেও বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1432)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 15
(84)
- ভারতে আবার সতীদাহ ‘সহমরণ’
- মাদক ব্যবসা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ...
- সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ ডলফিনের বসতি by এ কে আজাদ
- অর্ধশিক্ষিত লোকের পক্ষে আইনের অনেক ব্যাখ্যা বোঝা স...
- সুযোগ পেলে আবারও নির্যাতন করব : ডিক চেনি
- ফাঁসির ১৮ বছর পর আসামি নির্দোষ!
- সিডনিতে ১৬ ঘণ্টা পর মুক্ত জিম্মিরা
- ধাক্কা দেয়া জাহাজটি সরকার দলীয় এমপির
- রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা আইন আরও পর্যালোচনার নির্দেশ
- দেশে এখন নাগরিক স্বাধীনতা নেই
- সুন্দরবনের নৌপথ স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি টিআইবির
- পাঁচ বছর ধরে উপেক্ষিত হাইকোর্টের রায়
- শিল্প ঋণের সুদের হার আরও কমানোর পরামর্শ
- ছাত্রলীগ না ওরা ভিসি লীগ
- বিবর্ণ হতে শুরু করেছে সুন্দরবন
- শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা চূড়ান্ত হল না আজও
- মিসরে ৪৩৮ জন সামরিক বিচারের সম্মুখীন
- হালে পানি পেল মার্কিন সরকার
- আবার ক্ষমতায় আসছেন আবে
- হাজার বছর বসে আছে
- মানবাধিকার আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ
- দাউদকান্দিতে বালুবাহী শিপে চাঁদা না পেয়ে গুলি : নি...
- বর্তমানে ঋণ নিয়ে খুব কম উদ্যোক্তাই শিল্প গড়তে পারে
- অবশেষে বাড়ির দলিল বুঝে পাচ্ছেন যুদ্ধাহত কজন মুক্তি...
- দেশে একাত্তরের মতো গুম-খুন-গুপ্তহত্যা চলছে : ফখরুল
- একমঞ্চে জনসভা প্রমাণ করে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী
- পরিচালকদের বেনামি ঋণ ২৫০০ কোটি টাকা
- হাজারীবাগে দিবালোকে যুবদল নেতা সাত্তার খুন
- গাজীপুরে জনতা ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ৬০ লাখ টাকা লুট
- সুন্দরবনে নৌপথ বন্ধে দুই মন্ত্রণালয় মুখোমুখি
- ‘৫০ লাখ পুলিশ নিয়োগ দিয়েও শেষ রক্ষা হবে না’ -মির্জ...
- বিশ্ব সুন্দরী আসরে সম্মানিত ঐশ্বরিয়া
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত চুক্তির আওতায় আনার দাবি ...
- সুন্দরীর মুকুট আফ্রিকার
- মোদির নতুন লড়াই মাদকের বিরুদ্ধে
- কচ্ছপ নিয়ে তুলকালাম
- সাংবাদিকদের লেখালেখির ফল- কুতুবদিয়ায় আরো একটি জেনা...
- জলবায়ুর পরিবর্তনে আক্রান্ত হবে বাংলাদেশের লাখো মানুষ
- শ্রমিকদের সন্তুষ্ট করতে হবে
- বড় চ্যালেঞ্জ অবকাঠামো উন্নয়ন
- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদকে সংবর্ধনা বণিক বার্তা ও বিআইড...
- একজন ডায়ান ফাইনস্টাইন
- ‘তুমি কি আমাকে নেবে?’
- জাপানে সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- উল্টো পথে হাঁটছে...
- চীন ও জাপানকে ঘৃণা ভুলে যেতে হবে
- ফেরেনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সৌন্দর্য by আশীষ-উর-...
- নৌপথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করুন -প্রথম আলোর গোলটেবিলে স...
- পুতিনের ভারত সফরে ‘নাখোশ’ যুক্তরাষ্ট্র
- যুবরাজের ঘর ভাঙল
- জ্যাকুলিনের রহস্যমানব
- স্মৃতির কাজল
- সুন্দরবনের তেল পরিষ্কারে কচুড়িপানা ও পাম্প মেশিন b...
- বাদ সাধল জলবসন্ত
- আজ মায়ের সঙ্গে রায়েরবাজার যাব
- সাতটি ভাষা শিখছে ছোট্ট মিলান
- তেলের দাম আরও কমল
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- আরও দুটি প্রশ্ন,...
- ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত- ফুল হাতে পাশাপ...
- পাঁচ মাসে এডিপির বাস্তবায়ন ২১ শতাংশ
- জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্য
- রোনালদোর উপহার বলে কথা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- ওটিসিতে ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা লেনদেন
- ফাঁসি হওয়ার ১৮ বছর পর নির্দোষ প্রমাণিত
- রাজধানীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা
- বিয়ে করলেই মামলা তুলে নেবো
- ‘পছন্দের লোক’ নিতে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন সংশ...
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আতংক
- দুর্নীতির কারণে নষ্ট হচ্ছে স্বাধীন জাতির আর্থ-সমাজ...
- মেয়েটিই নাকি খারাপ! by মাহবুব কামাল
- কার পায়ের নিচে শক্ত মাটি? by বিভুরঞ্জন সরকার
- বিজয়ের দিন, বিজয়ের চিরদিন by পবিত্র সরকার
- বীরকন্যারা by উৎপল রায়
- ঢাকার সেই ছাত্রীকে খুঁজছে পুলিশ! শিক্ষার্থীদের ওপর...
- দরগাহ মাদরাসার নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে...
- ২৬ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে হাইকোর্টে তলব
- শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
- সীমান্ত প্রহরায় বিএসএফের অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন গঠন ক...
- চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১
- রাজধানীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা
- শেলায় নৌরুট বন্ধে পাল্টাপাল্টি
- তথ্য গোপন করে হেফাজত নেতা রুহী’র পাসপোর্ট নেয়ার চে...
- বিয়ে করলেই মামলা তুলে নেবো -নাজনীন আক্তার হ্যাপি, ...
-
▼
Dec 15
(84)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment