Tuesday, October 21, 2014
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা ও পিয়াস করিমের লাশ by এরশাদ মজুমদার
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা ও পিয়াস করিমের লাশ by এরশাদ মজুমদার
আমরা যে গণতন্ত্র চর্চা করি তা এসেছে ব্রিটেন থাকে। শোষক ও অত্যাচারী ব্রিটিশ আমাদের অনেক ভালো মন্দ জিনিস, নিয়ম-কানুন, বিদ্যা, আদব কায়দা দিয়ে গেছে। এর মধ্যে তথাকথিত গণতন্ত্র একটি। এটি নাকি জনগণের সরকার ব্যবস্থাপনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি। এর চেয়ে ভালো কিছু এখনো নাকি আবিষ্কার হয়নি। অনেকেই বলবেন সুপ্রাচীন কালে গ্রিক দেশে একধরনের গণতন্ত্র ছিল। আমি মনে করি জগতে জনগণের প্রথম রাষ্ট্র ও সরকার গঠন করেছিলেন জগতের আলো হজরত মুহাম্মাদ সা:। সেখানে মজলিসে শূরা ছিল। মানে আলোচনা সভা/মজলিস বা কাউন্সিল। পশ্চিমা বিশ্বে এখন ঘুণেধরা তথাকথিত গণতন্ত্রের জয়জয়কার চলছে। হুবহু পশ্চিমা গণতন্ত্র অনুসরণ করে না এমন দেশও আছে। গণচীন তার মধ্যে একটি। এখানে একদলীয় গণতন্ত্র জারি রয়েছে। জনগণের কথা বলার অধিকার কম। দলের কথাই প্রধান। চীন সে দেশের মুসলমানসহ ভিন্ন মতের মানুষের ওপর অত্যাচার চালায়। আমেরিকা সারা বিশ্বকে সন্ত্রাসক্ষেত্রে পরিণত করেছে। ৬০-এর দশকের দিকে এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে আমেরিকা কমিউনিস্ট দমনের নামে সামরিক অভ্যূত্থান ঘটিয়েছে। দেশপ্রেমিক হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। কমিউনিজম দমনের জন্য মুসলমানদের ব্যবহার করেছে। রাশিয়া কমিউনিজম রফতানির নামে বিভিন্ন দেশে রক্তয়ের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। অবস্থাটা ছিল আমেরিকা কমিউনিজম বা সমাজতন্ত্র চায় না, আর রাশিয়া পশ্চিমা গণতন্ত্র চায় না। এ লড়াইয়ে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। বাংলাদেশে সফরে এসে মাহাথির মোহাম্মদ বলেছিলেন, পশ্চিমা গণতন্ত্র এশিয়ার দেশগুলোতে অচল। হুবহু পশ্চিমা গণতন্ত্রকে অনুসরণ করা যাবে না। মালয়েশিয়া একটি বহুজাতিক বহু ধর্মের দেশ। সেখানে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অর্থনৈতিক উন্নতির কারণে। সিঙ্গাপুরের উন্নতি হয়েছে প্রচলিত আইনকে কঠোরভাবে প্রয়োগের কারণে। বাংলাদেশে প্রতিনিয়তই আইন তৈরি হচ্ছে আর ভাঙা হচ্ছে। সরকারি দলের জন্য এক রকম আইন আর বিরোধী দলের জন্য আরেক রকম। গরিব ও মতাহীনদের জন্য কোনো আইন নেই। সামান্য ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ দেখলেই বোঝা যায়। পুলিশ নিজেই ট্রাফিক আইন মানে না। প্রয়োজনে উল্টো দিকে চলতে থাকে। মন্ত্রীরা তো নিয়মিত ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ বা সুপারিশে আসামিদের মা করে দেন। বিরোধী দলকে শাস্তি দেয়ার জন্য হাজার হাজার মামলা। ভোটার না থাকলেও নির্বাচন করে মতায় থাকা যায়। যিনি মতায় থাকবেন তার জন্য রাষ্ট্রের সব শক্তি আছে। থিওরি হলো সরকারি দল বা সরকারের অনুগত ছাড়া আর কেউ দেশপ্রেমিক নেই।
আমরা ঐতিহ্য সূত্রে ব্রিটিশ দেয়া গণতন্ত্র পেয়েছি। এক সময়ে ছিল শিতি লোকেরা ভোটার ছিলেন। তারপর হলো যারা চৌকিদারি ট্যাক্স দেন শুধু তারাই ভোটার হবেন। অনেক পরে এলো সার্বজনীন ভোটাধিকার। এর মানে প্রত্যেক নাগরিকের ভোট দেয়ার অধিকার থাকবে। আমি ৫৪ সাল থেকে নির্বাচন দেখে আসছি। ভোটার না হয়েও ’৫৪-এর নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পে কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। যুক্তফ্রন্ট ছিল মুসলিম লীগ বিরোধী সর্বদলীয় নির্বাচনী জোট। মাত্র সাত বছরের মধ্যেই মুসলিম লীগ একেবারেই অপ্রিয় ও ধিকৃত হয়ে গেল। এমনকি চিফ মিনিস্টার নুরুল আমিনও নির্বাচনে হেরে গেলেন। মাত্র কিছু দিনের মধ্যেই ৯২ক ধারা জারি করে নির্বাচিত সরকারকে নির্বাসনে পাঠানো হলো। ১৯৫৮ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র বিদায় নিলো। জেনারেলেরা দেশ শাসন করতে লাগল। আমেরিকা সামরিক নেতাদের সমর্থন দিয়ে যেতে লাগল। কারণ, আমেরিকা পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজের স্বার্থ হাসিল করতে পারে না। সেই শাসনের মাধ্যমেই ’৭০ সালে একটি নির্বাচন হলো; কিন্তু পাকিস্তান টিকল না। ভারত ও রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থনে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ হলো। ৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ গঠিত হলো। জনমতের চাপে ’৭৩-এ একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ৫৪, ৭০ ও ৭৩-এর নির্বাচনের ফলাফলের প্রকৃতি ও গতি একই রকম ছিল। ’৫৪ সালে ছিল মুসলিম লীগকে কবর দাও। ৭০ এ ছিল বাঙালিদের জয়যুক্ত করো। ৭৩-এ কী স্লোগান ছিল? মুক্ত নির্বাচন হলে বিরোধীদল বেশ কিছু সিট পেতে পারে; কিন্তু আওয়ামী লীগ বা বঙ্গবন্ধুর সরকারই মতায় থাকবে; কিন্তু আমলারা ও ভারত বুদ্ধি দিলো মুক্ত নির্বাচনে বামপন্থীরা বেশি এগিয়ে যেতে পারে। ফলে মুক্ত নির্বাচন হলো না। সংসদে বিরোধী দলের ছয়-সাতটি সিট ছিল মাত্র। নির্বাচন নিয়ে বিশদ আলোচনা করা এই কলামের উদ্দেশ্য নয়।
আধুনিক গণতন্ত্রের একটি নমুনা হাজির করছি। আমার এক মামা পৌর নির্বাচনে প্রায়ই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতেন। শুনেছি, তিনি প্রতিপকে নমিনেশন প্রত্যাহারের জন্য বাধ্য করতেন। ফলে তিনিই জনপ্রিয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতেন। আইউব খানের মৌলিক গণতন্ত্রে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কিনেই সংসদ সদস্য হওয়া যেত। শুনেছি, ৩৭ সালে অখণ্ড বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনের প্রার্থীরা পাঁচ শ’ থেকে এক হাজার টাকার বেশি খরচ করেননি। তখনো কোটি কোটি ভোটার গরিব ছিলেন। তখন তাদের দৈনিক আয় ৫০ পয়সার বেশি ছিল না। কিন্তু গরিবেরা ভোট বিক্রি করেননি। ৫৪-এর নির্বাচনে একজন প্রার্থী তিন-চার হাজার টাকা খরচ করে নির্বাচিত হয়েছেন। ৭০-এর নির্বাচনে ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে নির্বাচিত হয়েছেন। আর এখন কত টাকা লাগে তা আপনারা খুবই ভালো জানেন। প্রসঙ্গত, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার কথা উল্লেখ করতে চাই। শুনেছি, তিনি অতি সাধারণ জীবনযাপন করেন। তার স্ত্রী নাকি এখনো বাসের জন্য রাস্তায় কিউ/লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। মানিক বাবু একেবারে পিছিয়ে পড়ে থাকা রাজ্য ত্রিপুরার গরিবি চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। গ্রামগুলোকে শহর বানিয়ে দিয়েছেন। ক’দিন আগে অমিতাভ বচ্চনের কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে ভারতের গরিব মুখ্যমন্ত্রী কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সঠিক উত্তর এসেছিল মানিক সরকার। তিনি এখনো চপ্পল পায়ে চলাফেরা করেন। চায়ের দোকানে বসে লোকজনের সাথে চা পান করেন। বাংলাদেশে এমন একটি চিত্র কল্পনা করুন তো দেখি। এখানে ছাত্রনেতারাই গাড়ি বাড়ি করেন পড়ালেখা শেষ হওয়ার আগে। সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, লেখাপড়া না করে যদি মন্ত্রী-এমপি হওয়া যায় তা হলে ছাত্ররা পড়বে কেন। লোকে বলে একবার কেউ যদি এমপি হন তারপর সারা জীবন সে বা তিনি বসে বসে খেতে পারবেন। যে মন্ত্রী বা নেতা উপনেতা যতবেশি খিস্তিখিউর করতে পারবেন, তিনি বা তারা নাকি বারবার নমিনেশন পান বা নেতাগিরি করতে পারেন। স্বাধীন বাংলাদেশে আমি তেমন মুক্ত কোনো নির্বাচন দেখিনি। বঙ্গবন্ধু নিজেই একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন। কেন করেছিলেন তা হয়তো আপনারা ভালো জানেন। তিনি হয়তো মনে করতেন একদলীয় শাসনব্যবস্থা হলে তিনি জনগণের উন্নতি সাধন করতে পারবেন। বেশ কিছু বামপন্থী নেতাকর্মীরা সেই একদলীয় ব্যবস্থাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি মহা গণতন্ত্রের দেশ ভারতও সমর্থন করেছিল। এর পরে বাংলাদেশ কেমন আছে, কেমন চলছে তা আপনারা খুব ভালো জানেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বাংলাদেশের নির্বাচনের সুনাম এখন জগৎব্যাপী। ১৫৪ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বহাল তবিয়তে সংসদে বসে আইন বানাচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রথম আলোতে কবি সোহরাব হাসানের একটি উপসম্পাদকীয়তে গণতন্ত্র, ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন। তিনি গণতন্ত্রের স্বার্থে আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। শুরুতেই সোহরাব উল্লেখ করেছেন সাংবাদিক জাহিদুল আহসানের সাহসী লেখার কথা। সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে নাকি আওয়ামী লীগসহ সব দল মিলে লতিফ সিদ্দিকীর নিন্দা করেছে। কারণ লতিফ সিদ্দিকী ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বললে নাকি এমন ঐক্য হয় না। এতে জাহিদুল আহসান সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পেয়েছেন। বাংলাদেশে সনাতনধর্মীসহ সংখ্যালঘুর সংখ্যা দশ ভাগের বেশি নয়। যদি ধরে নিই বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি। তা হলে সংখ্যালঘুর সংখ্যা এক কোটি ৬০ লাখের মতো। জাহিদ আহসান বলতে পারেন সংখ্যালঘুর সংখ্যা আরো অনেক বেশি। ভারতে সংখ্যালঘুর সংখ্যা ২০-২৫ কোটির মতো হবে। অনেকে বলেন, ভারতে ৩০ কোটি মুসলমান আছেন সেখানে বছরে কয়েক শ’ দাঙ্গা হয়। (শৈলেশকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাঙ্গার ইতিহাস পড়ুন)। ভারত বা অখণ্ড বাংলাদেশ খণ্ড হয়েছে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে। প্রশ্ন হলো এ রাজনীতির লালন পালন করছে কারা? কেন করছে? বাংলাদেশে মাইনরিটির ওপর যে অত্যাচার হয় তা-ও রাজনৈতিক। নিশ্চয়ই এতে ফায়দা হয়। এখানে যারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হন, তারা সবাই গরিব ও শক্তিহীন। শক্তিমানেরাই তাদের ওপর অত্যাচার করেন। সনাতন ধর্মের মন্দিরে আক্রমণ করা হয় ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের মুখে চুনকালি মাখাবার জন্য। তবে সরকারি দলিলে দেখা যায় মাইনরিটি বা সনাতনধর্মীরা সরকারি চাকরিতে রয়েছে বিশ শতাংশের মতো। ভারতে এই সংখ্যা হলো এক শতাংশের মতো। রাজনীতি ও সরকারগুলো যতদিন অসাম্প্রদায়িক না হবে, ততদিন এ অবস্থার অবসান হবে না। অধ্যাপক পিয়াস করিমের কথাই ধরুন, তিনি সেমিনার ও টকশোতে সরকারের সমালোচনা করতেন। হয়তো তিনি সরকারি চিন্তার বিপরীত চিন্তার লোক ছিলেন। অধ্যাপক হিসেবে তিনি ছাত্রপ্রিয় ছিলেন। তিনি একটি উন্নত পরিবারের সন্তান। তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক। তার লাশ শহীদ মিনারে নেয়ার ব্যাপারে সরকারি দলের সমর্থক কিছু সুবিধাভোগী বিতর্ক তুলেছেন। এতে নেপথ্যে ভূমিকা পালন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর সাথে রয়েছেন সনাতনপন্থী এ দেশের মেজরিটি মানুষের ধর্মবিরোধী কিছু লোক। তাই তারা নানা অজুহাতে একজন সম্মানিত মানুষের লাশের প্রতি এমন অশ্রদ্ধা দেখাতে সাহস করেছে। এরা সাম্প্রদায়িক, যেকোনো অজুহাতে মেজরিটি মানুষের মনে আঘাত দিতে সাহস করে। পিয়াস করিমের মরহুম পিতা নাকি ‘রাজাকার’ ছিলেন। সে জন্য সন্তানকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। সরকারি দলের বা জোটের বহু নেতা ও উপনেতার বাপদাদারা রাজাকার, ডানপন্থী, পাকিস্তানপন্থী, ধর্মপন্থী ছিলেন। তাদের সন্তানেরা লাশ দাফন করতে চান না, জানাজা করতে চান না, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে চান। এমনও শুনতে পাচ্ছি লাশ শ্মশানে নেয়ার জন্য নাকি অছিয়ত করেন। এসব প্রাণীর জন্য সরকার ধর্মহীন বিয়ের ব্যবস্থা করেছেন। ধর্মমুক্ত কাজী বা ম্যারেজ রেজিস্টারের ব্যবস্থা করেছেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে লাশ শহীদ মিনারে নেয়ার পপাতী নই। এটি অতি সম্প্রতি চালু করা বুদ্ধিজীবীদের শবযাত্রার ব্যবস্থা চালু করেছেন। ধর্মমুক্ত বুদ্ধিজীবীদের জানাজাও বলতে পারেন। সরকার বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা করার দরকার এখন থেকে শহীদ মিনারে (ধর্মহীন/ধর্মমুক্ত মন্দির) শুধুমাত্র সরকারি দল, তাদের অনুগত ও ধর্মহীনদের বেশির ভাগই বুদ্ধিজীবী) জন্য খোলা থাকবে।
বাংলাদেশের চলমান সরকার সনাতন ধর্ম বান্ধব বলে দেশবাসী জানে। তবুও ছোটখাটো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটছে কেন? কিছু হলেই তো সরকার দাবি করে বিরোধী দল এসব করছে। পাকিস্তান আমলেও এসব কথা বলা হতো। ব্রিটিশ আমলে নাকি শাসক গোষ্ঠীর ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ নীতি নাকি এজন্য দায়ী ছিল। তা হলে এখনো কেন ভারতে দাঙ্গা হচ্ছে। পাকিস্তানে শিয়া সুন্নি ও কাদিয়ানি দাঙ্গা এখনো হয়। ভারতে সনাতনধর্মীরা শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা করে। এখন তো ভারতে ধর্মপন্থী রাজনৈতিক দল মতায় আছে। আমরা তো জানি ভারত সেক্যুলার (non religious, earthly/worldly,do not believe in after world) রাষ্ট্র। তা হলে এত দাঙ্গা হয় কেন? ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজী তো দাঙ্গার আসামি। রাজনীতিতে সমঝোতা, আন্ডারস্ট্যান্ডিং, আলোচনা, দেশের স্বার্থে সব দলের একমত হওয়া ভদ্র সমাজের কাজ। আমাদের রাজনীতিতে সে সমাজ চিন্তা এখনো গড়ে ওঠেনি। বাংলাদেশের অবস্থা দেখে আমি এখন রাষ্ট্রের রূপ নিয়ে গবেষণা করার জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের আহ্বান জানাব। এ দেশে রাষ্ট্র নাগরিক বা মানুষের চেয়ে বড়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নাকি জার সম্রাটদের চেয়েও মতাবান। কারণ সংবিধান প্রধানমন্ত্রীকে সে মতা দিয়েছে। তাই তিনি সে মতা ভোগ করছেন। সে মতা বলেই প্রধানমন্ত্রী ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করেছেন। সে মতা বলেই তিনি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে সরকার গঠন করে দেশ চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রের সব শক্তিই এখন তার হাতের মুঠোয়। গণতন্ত্রও এখন তার হাতে। তাই সমঝোতার কী প্রয়োজন? তিনি কি সংবিধানের বাইরে কিছু করছেন? এ ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থায় সমঝোতার কোনো প্রয়োজন হয় না। ভারত নিজের স্বার্থেই আওয়ামী লীগ ও চলমান ধর্মমুক্ত সরকারকে সমর্থন করে। এটি ভারতের নীতি। তাদের এ নীতির কারণেই ভারত ও অখণ্ড বঙ্গ ভাগ হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভারতের অবলম্বিত নীতির বিরোধী; কিন্তু দল দাসত্বের কারণে তারা অনেক সময় নিজেদের মনের কথা প্রকাশ করতে পারে না। বাংলাদেশে যদি সামরিক সরকারও থাকে তা হলে ভারতের কী আসে যায়। তারা চায় অনুগত স্বার্থ রায় অযোগ্য সরকার। তা না হলে এখানে ক্যু ঘটাবে। জেনারেল মইন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি ছিলেন ভারতের অন্ধ সেবাদাস। তিনি এবং ভারত মিলে ২০০৮ সালের নির্বাচন করেছেন। ল্য, যেকোনোভাবেই হোক বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে মতায় রাখতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পেছনে ছিল ভারতের গোয়েন্দা ও বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। ভারতপ্রেমী বা পন্থীদের আমি অনুরোধ জানাব, দয়া করে বুকে হাত দিয়ে বলুন, বিগত ৪৪ বছরে ভারত বাংলাদেশকে কি দিয়েছে আর কী নিয়েছে। দেখুন পাল্লা কোন দিকে ভারী।
লেখক : কবি ও ঐতিহ্য গবেষক
ershadmz@gmail.com
আমরা ঐতিহ্য সূত্রে ব্রিটিশ দেয়া গণতন্ত্র পেয়েছি। এক সময়ে ছিল শিতি লোকেরা ভোটার ছিলেন। তারপর হলো যারা চৌকিদারি ট্যাক্স দেন শুধু তারাই ভোটার হবেন। অনেক পরে এলো সার্বজনীন ভোটাধিকার। এর মানে প্রত্যেক নাগরিকের ভোট দেয়ার অধিকার থাকবে। আমি ৫৪ সাল থেকে নির্বাচন দেখে আসছি। ভোটার না হয়েও ’৫৪-এর নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পে কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। যুক্তফ্রন্ট ছিল মুসলিম লীগ বিরোধী সর্বদলীয় নির্বাচনী জোট। মাত্র সাত বছরের মধ্যেই মুসলিম লীগ একেবারেই অপ্রিয় ও ধিকৃত হয়ে গেল। এমনকি চিফ মিনিস্টার নুরুল আমিনও নির্বাচনে হেরে গেলেন। মাত্র কিছু দিনের মধ্যেই ৯২ক ধারা জারি করে নির্বাচিত সরকারকে নির্বাসনে পাঠানো হলো। ১৯৫৮ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র বিদায় নিলো। জেনারেলেরা দেশ শাসন করতে লাগল। আমেরিকা সামরিক নেতাদের সমর্থন দিয়ে যেতে লাগল। কারণ, আমেরিকা পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজের স্বার্থ হাসিল করতে পারে না। সেই শাসনের মাধ্যমেই ’৭০ সালে একটি নির্বাচন হলো; কিন্তু পাকিস্তান টিকল না। ভারত ও রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থনে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ হলো। ৭০-এর নির্বাচনে নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ গঠিত হলো। জনমতের চাপে ’৭৩-এ একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ৫৪, ৭০ ও ৭৩-এর নির্বাচনের ফলাফলের প্রকৃতি ও গতি একই রকম ছিল। ’৫৪ সালে ছিল মুসলিম লীগকে কবর দাও। ৭০ এ ছিল বাঙালিদের জয়যুক্ত করো। ৭৩-এ কী স্লোগান ছিল? মুক্ত নির্বাচন হলে বিরোধীদল বেশ কিছু সিট পেতে পারে; কিন্তু আওয়ামী লীগ বা বঙ্গবন্ধুর সরকারই মতায় থাকবে; কিন্তু আমলারা ও ভারত বুদ্ধি দিলো মুক্ত নির্বাচনে বামপন্থীরা বেশি এগিয়ে যেতে পারে। ফলে মুক্ত নির্বাচন হলো না। সংসদে বিরোধী দলের ছয়-সাতটি সিট ছিল মাত্র। নির্বাচন নিয়ে বিশদ আলোচনা করা এই কলামের উদ্দেশ্য নয়।
আধুনিক গণতন্ত্রের একটি নমুনা হাজির করছি। আমার এক মামা পৌর নির্বাচনে প্রায়ই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতেন। শুনেছি, তিনি প্রতিপকে নমিনেশন প্রত্যাহারের জন্য বাধ্য করতেন। ফলে তিনিই জনপ্রিয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতেন। আইউব খানের মৌলিক গণতন্ত্রে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কিনেই সংসদ সদস্য হওয়া যেত। শুনেছি, ৩৭ সালে অখণ্ড বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনের প্রার্থীরা পাঁচ শ’ থেকে এক হাজার টাকার বেশি খরচ করেননি। তখনো কোটি কোটি ভোটার গরিব ছিলেন। তখন তাদের দৈনিক আয় ৫০ পয়সার বেশি ছিল না। কিন্তু গরিবেরা ভোট বিক্রি করেননি। ৫৪-এর নির্বাচনে একজন প্রার্থী তিন-চার হাজার টাকা খরচ করে নির্বাচিত হয়েছেন। ৭০-এর নির্বাচনে ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করে নির্বাচিত হয়েছেন। আর এখন কত টাকা লাগে তা আপনারা খুবই ভালো জানেন। প্রসঙ্গত, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার কথা উল্লেখ করতে চাই। শুনেছি, তিনি অতি সাধারণ জীবনযাপন করেন। তার স্ত্রী নাকি এখনো বাসের জন্য রাস্তায় কিউ/লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। মানিক বাবু একেবারে পিছিয়ে পড়ে থাকা রাজ্য ত্রিপুরার গরিবি চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। গ্রামগুলোকে শহর বানিয়ে দিয়েছেন। ক’দিন আগে অমিতাভ বচ্চনের কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে ভারতের গরিব মুখ্যমন্ত্রী কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সঠিক উত্তর এসেছিল মানিক সরকার। তিনি এখনো চপ্পল পায়ে চলাফেরা করেন। চায়ের দোকানে বসে লোকজনের সাথে চা পান করেন। বাংলাদেশে এমন একটি চিত্র কল্পনা করুন তো দেখি। এখানে ছাত্রনেতারাই গাড়ি বাড়ি করেন পড়ালেখা শেষ হওয়ার আগে। সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, লেখাপড়া না করে যদি মন্ত্রী-এমপি হওয়া যায় তা হলে ছাত্ররা পড়বে কেন। লোকে বলে একবার কেউ যদি এমপি হন তারপর সারা জীবন সে বা তিনি বসে বসে খেতে পারবেন। যে মন্ত্রী বা নেতা উপনেতা যতবেশি খিস্তিখিউর করতে পারবেন, তিনি বা তারা নাকি বারবার নমিনেশন পান বা নেতাগিরি করতে পারেন। স্বাধীন বাংলাদেশে আমি তেমন মুক্ত কোনো নির্বাচন দেখিনি। বঙ্গবন্ধু নিজেই একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন। কেন করেছিলেন তা হয়তো আপনারা ভালো জানেন। তিনি হয়তো মনে করতেন একদলীয় শাসনব্যবস্থা হলে তিনি জনগণের উন্নতি সাধন করতে পারবেন। বেশ কিছু বামপন্থী নেতাকর্মীরা সেই একদলীয় ব্যবস্থাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি মহা গণতন্ত্রের দেশ ভারতও সমর্থন করেছিল। এর পরে বাংলাদেশ কেমন আছে, কেমন চলছে তা আপনারা খুব ভালো জানেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বাংলাদেশের নির্বাচনের সুনাম এখন জগৎব্যাপী। ১৫৪ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বহাল তবিয়তে সংসদে বসে আইন বানাচ্ছেন।
সম্প্রতি প্রথম আলোতে কবি সোহরাব হাসানের একটি উপসম্পাদকীয়তে গণতন্ত্র, ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন। তিনি গণতন্ত্রের স্বার্থে আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। শুরুতেই সোহরাব উল্লেখ করেছেন সাংবাদিক জাহিদুল আহসানের সাহসী লেখার কথা। সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে নাকি আওয়ামী লীগসহ সব দল মিলে লতিফ সিদ্দিকীর নিন্দা করেছে। কারণ লতিফ সিদ্দিকী ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বললে নাকি এমন ঐক্য হয় না। এতে জাহিদুল আহসান সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পেয়েছেন। বাংলাদেশে সনাতনধর্মীসহ সংখ্যালঘুর সংখ্যা দশ ভাগের বেশি নয়। যদি ধরে নিই বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি। তা হলে সংখ্যালঘুর সংখ্যা এক কোটি ৬০ লাখের মতো। জাহিদ আহসান বলতে পারেন সংখ্যালঘুর সংখ্যা আরো অনেক বেশি। ভারতে সংখ্যালঘুর সংখ্যা ২০-২৫ কোটির মতো হবে। অনেকে বলেন, ভারতে ৩০ কোটি মুসলমান আছেন সেখানে বছরে কয়েক শ’ দাঙ্গা হয়। (শৈলেশকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাঙ্গার ইতিহাস পড়ুন)। ভারত বা অখণ্ড বাংলাদেশ খণ্ড হয়েছে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে। প্রশ্ন হলো এ রাজনীতির লালন পালন করছে কারা? কেন করছে? বাংলাদেশে মাইনরিটির ওপর যে অত্যাচার হয় তা-ও রাজনৈতিক। নিশ্চয়ই এতে ফায়দা হয়। এখানে যারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হন, তারা সবাই গরিব ও শক্তিহীন। শক্তিমানেরাই তাদের ওপর অত্যাচার করেন। সনাতন ধর্মের মন্দিরে আক্রমণ করা হয় ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের মুখে চুনকালি মাখাবার জন্য। তবে সরকারি দলিলে দেখা যায় মাইনরিটি বা সনাতনধর্মীরা সরকারি চাকরিতে রয়েছে বিশ শতাংশের মতো। ভারতে এই সংখ্যা হলো এক শতাংশের মতো। রাজনীতি ও সরকারগুলো যতদিন অসাম্প্রদায়িক না হবে, ততদিন এ অবস্থার অবসান হবে না। অধ্যাপক পিয়াস করিমের কথাই ধরুন, তিনি সেমিনার ও টকশোতে সরকারের সমালোচনা করতেন। হয়তো তিনি সরকারি চিন্তার বিপরীত চিন্তার লোক ছিলেন। অধ্যাপক হিসেবে তিনি ছাত্রপ্রিয় ছিলেন। তিনি একটি উন্নত পরিবারের সন্তান। তার স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক। তার লাশ শহীদ মিনারে নেয়ার ব্যাপারে সরকারি দলের সমর্থক কিছু সুবিধাভোগী বিতর্ক তুলেছেন। এতে নেপথ্যে ভূমিকা পালন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর সাথে রয়েছেন সনাতনপন্থী এ দেশের মেজরিটি মানুষের ধর্মবিরোধী কিছু লোক। তাই তারা নানা অজুহাতে একজন সম্মানিত মানুষের লাশের প্রতি এমন অশ্রদ্ধা দেখাতে সাহস করেছে। এরা সাম্প্রদায়িক, যেকোনো অজুহাতে মেজরিটি মানুষের মনে আঘাত দিতে সাহস করে। পিয়াস করিমের মরহুম পিতা নাকি ‘রাজাকার’ ছিলেন। সে জন্য সন্তানকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। সরকারি দলের বা জোটের বহু নেতা ও উপনেতার বাপদাদারা রাজাকার, ডানপন্থী, পাকিস্তানপন্থী, ধর্মপন্থী ছিলেন। তাদের সন্তানেরা লাশ দাফন করতে চান না, জানাজা করতে চান না, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে চান। এমনও শুনতে পাচ্ছি লাশ শ্মশানে নেয়ার জন্য নাকি অছিয়ত করেন। এসব প্রাণীর জন্য সরকার ধর্মহীন বিয়ের ব্যবস্থা করেছেন। ধর্মমুক্ত কাজী বা ম্যারেজ রেজিস্টারের ব্যবস্থা করেছেন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে লাশ শহীদ মিনারে নেয়ার পপাতী নই। এটি অতি সম্প্রতি চালু করা বুদ্ধিজীবীদের শবযাত্রার ব্যবস্থা চালু করেছেন। ধর্মমুক্ত বুদ্ধিজীবীদের জানাজাও বলতে পারেন। সরকার বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা করার দরকার এখন থেকে শহীদ মিনারে (ধর্মহীন/ধর্মমুক্ত মন্দির) শুধুমাত্র সরকারি দল, তাদের অনুগত ও ধর্মহীনদের বেশির ভাগই বুদ্ধিজীবী) জন্য খোলা থাকবে।
বাংলাদেশের চলমান সরকার সনাতন ধর্ম বান্ধব বলে দেশবাসী জানে। তবুও ছোটখাটো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটছে কেন? কিছু হলেই তো সরকার দাবি করে বিরোধী দল এসব করছে। পাকিস্তান আমলেও এসব কথা বলা হতো। ব্রিটিশ আমলে নাকি শাসক গোষ্ঠীর ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ নীতি নাকি এজন্য দায়ী ছিল। তা হলে এখনো কেন ভারতে দাঙ্গা হচ্ছে। পাকিস্তানে শিয়া সুন্নি ও কাদিয়ানি দাঙ্গা এখনো হয়। ভারতে সনাতনধর্মীরা শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা করে। এখন তো ভারতে ধর্মপন্থী রাজনৈতিক দল মতায় আছে। আমরা তো জানি ভারত সেক্যুলার (non religious, earthly/worldly,do not believe in after world) রাষ্ট্র। তা হলে এত দাঙ্গা হয় কেন? ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজী তো দাঙ্গার আসামি। রাজনীতিতে সমঝোতা, আন্ডারস্ট্যান্ডিং, আলোচনা, দেশের স্বার্থে সব দলের একমত হওয়া ভদ্র সমাজের কাজ। আমাদের রাজনীতিতে সে সমাজ চিন্তা এখনো গড়ে ওঠেনি। বাংলাদেশের অবস্থা দেখে আমি এখন রাষ্ট্রের রূপ নিয়ে গবেষণা করার জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের আহ্বান জানাব। এ দেশে রাষ্ট্র নাগরিক বা মানুষের চেয়ে বড়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নাকি জার সম্রাটদের চেয়েও মতাবান। কারণ সংবিধান প্রধানমন্ত্রীকে সে মতা দিয়েছে। তাই তিনি সে মতা ভোগ করছেন। সে মতা বলেই প্রধানমন্ত্রী ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করেছেন। সে মতা বলেই তিনি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে সরকার গঠন করে দেশ চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রের সব শক্তিই এখন তার হাতের মুঠোয়। গণতন্ত্রও এখন তার হাতে। তাই সমঝোতার কী প্রয়োজন? তিনি কি সংবিধানের বাইরে কিছু করছেন? এ ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থায় সমঝোতার কোনো প্রয়োজন হয় না। ভারত নিজের স্বার্থেই আওয়ামী লীগ ও চলমান ধর্মমুক্ত সরকারকে সমর্থন করে। এটি ভারতের নীতি। তাদের এ নীতির কারণেই ভারত ও অখণ্ড বঙ্গ ভাগ হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ ভারতের অবলম্বিত নীতির বিরোধী; কিন্তু দল দাসত্বের কারণে তারা অনেক সময় নিজেদের মনের কথা প্রকাশ করতে পারে না। বাংলাদেশে যদি সামরিক সরকারও থাকে তা হলে ভারতের কী আসে যায়। তারা চায় অনুগত স্বার্থ রায় অযোগ্য সরকার। তা না হলে এখানে ক্যু ঘটাবে। জেনারেল মইন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি ছিলেন ভারতের অন্ধ সেবাদাস। তিনি এবং ভারত মিলে ২০০৮ সালের নির্বাচন করেছেন। ল্য, যেকোনোভাবেই হোক বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে মতায় রাখতে হবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পেছনে ছিল ভারতের গোয়েন্দা ও বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। ভারতপ্রেমী বা পন্থীদের আমি অনুরোধ জানাব, দয়া করে বুকে হাত দিয়ে বলুন, বিগত ৪৪ বছরে ভারত বাংলাদেশকে কি দিয়েছে আর কী নিয়েছে। দেখুন পাল্লা কোন দিকে ভারী।
লেখক : কবি ও ঐতিহ্য গবেষক
ershadmz@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1410)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 21
(43)
- মিয়ানমারে গুপ্তসম্পদের সন্ধানে -আলজাজিরা by মীম ওয়...
- গুম বাড়ছে বাংলাদেশে
- চার শর্ত পূরণ ছাড়া তুরস্ক আইএসবিরোধী জোটে অংশ নেবে...
- আবারো র্যাব ভেঙে দেয়ার আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের
- কোষ প্রতিস্থাপনে সাফল্য : আবার হাঁটতে পারছেন প্যার...
- বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা ও পিয়াস ...
- তালপট্টি হারাল, না জাতীয় নিরাপত্তা অরক্ষিত by প্রক...
- অস্থিতিশীল রাজনীতি ও অর্থনীতি by গোলাপ মুনীর
- একটি বিতর্কিত উক্তি : সত্য কোনটি? by এ এম কায়েস চৌ...
- বিএনপির শক্তি তৃণমূল by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন
- রাজনীতিক অলি আহাদ by সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি
- স্মরণ- সাহিত্যিক-সাংবাদিক খালেকদাদ চৌধুরী by ফজলুল...
- WE টিউব (লাইটস)! by শায়ের খান
- অপেক্ষার তেতাল্লিশ বছর by কাজল ঘোষ
- আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন মনিকা লিউনস্কি!
- অনলাইনে শিশুদের যৌন নিপীড়ন বন্ধে সুইটি সৃষ্টির নে...
- ইন্টারভিউ বোর্ডে যখন শিক্ষামন্ত্রী
- গার্মেন্ট কারখানা ‘পরিদর্শনই যথেষ্ট নয়’ -দ্য গার্ড...
- এফবিআইকে ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করলো রিজভি আহমেদ ওর...
- পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বাংলাদেশ কার্ড আসছে!
- স্বামীকে বাসায় ডেকে খুন
- পারিবারিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ by নুরুজ্জামান লাবু
- পুলিশের ‘রাবার কার্টিজ’ রপ্তানিতে ইতালির নিষেধাজ্ঞ...
- বছরে সড়কে মৃত্যুর মিছিলে ১২০০০ মানুষ
- গুম বেড়েছে বাংলাদেশে -আল জাজিরা
- আইনমন্ত্রীর কুশপুতুল পোড়ালো আওয়ামীপন্থি কয়েকটি সংগঠন
- টাইগারপাসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা- মেয়েকে ছেড়ে চলে গে...
- ছয় ভাইয়ের মৃত্যু -গুরুদাসপুর কাঁদছে
- ওভারটেক করতে গিয়ে দুটি বাস মুখোমুখি -৩২ বাসযাত্রী...
- থাই উপকূলে মানুষ কেনাবেচা! by আব্দুল কুদ্দুস ও গিয...
- ব্যথিত দৃশ্যের পরে বন্যা তুষ্টি ও নদী
- একই গ্রামে ১২ লাশ
- মর্মান্তিক- নাটোরে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩৪ by ইসাহাক...
- দুই বিধানসভাই বিজেপির
- যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত: কাস্ত্রো
- ইরাকে আইএসবিরোধী সরকার গঠন সম্পন্ন
- ২০ ভাগ টিন উৎপাদন বাড়াবে অ্যাপোলো ইস্পাত
- ধ্বংসের মুখে ছাতক-ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে লাইন
- পোস্টার-লিফলেটে ছেয়ে গেছে নীলফামারী by দীপক আহমেদ
- চমেক মর্গ যেন দালালের স্বর্গরাজ্য লাশ নিয়ে চলে অমা...
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ- অভিভাবকহীন আওয়ামী লীগ বিএনপিতে দ্ব...
- সরকারকে সময় না দেয়ার ঘোষণা খালেদার
- সৈকতে যৌনতা : বিপত্তি গড়াল হাসপাতাল পর্যন্ত
-
▼
Oct 21
(43)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment