Thursday, October 14, 2010
গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান
গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান
আমাদের বাড়িতে অন্ধকার নামতো সূর্য ডোবার ঢের আগে। ছোট-বড়-মাঝারি নানাজাতের গাছপালায় ঘেরা বলে রোদের মুখ দেখা যেতো কি যেত না। মাকড়সার জালের মতো ছড়ানো আলো ঈষৎ ঝিলিক মেরেই দ্রুত লুকিয়ে পড়তো ওই ঘিঞ্জি পাতা-লতার আড়ালে। ফলে প্রতিদিনই সন্ধ্যা নামার আগে-ভাগেই বাড়িটা ঝুপ করে কোনো গভীর কুয়ার ভেতর ঢুকে পড়তো। আর এই রকম হঠাৎ নামা অন্ধকারে আমাদেরও গা ছমছম করে উঠতো। প্রতিদিন সন্ধ্যার আগেই রাত হয়ে যাওয়া, আর এতে আমরা অভ্যস্তই বলা চলে — তবুও ভয় আমাদের জোঁকের মতো কামড়ে থাকতো। এই ভয় তাড়ানোর কোনো উপায়ও আমাদের জানা ছিল না। বাড়ির দক্ষিণ দিকে একেবারে পাতায় পাতাময় গাবগাছ — দিবা নাই নিশি নাই বিশাল ছাতার মতো নিজেকে ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বাতাস, ঝড় এমনকি ঘূর্ণিঝড়েও কখনো একটা পলকা ডালও তার ভেঙে পড়ে নাই। ওই সবল গাছের দিকে আমরা মনের ভুলেও তাকাতাম না। আমরা জানতাম ওই গাবগাছই হলো ভূত-পেত্নীদের আখড়া। গাবগাছ পেলেই নাকি তেনারা নিরাপদে সংসার যাপন করেন। দক্ষিণ দিকে তেনাদের রাজত্ব — পশ্চিম দিকটা যে আমাদের তাওতো নয়। এইদিকে আছে একটা বড়সড় আষাইঢ়্যা আমের গাছ। উনিও হাত-পা মেলে এতটাই আয়েশ করে আছেন যে, উনার ড্রামের মতো মোটাসোটা ডালগুলো নেমে এসেছে ঠিক ঘরের চালের উপর পর্যন্ত। ফলে অন্ধকার হয়ে এলে পশ্চিমে তাকানোর সাহসও আমাদের ছিল না। দক্ষিণ-পশ্চিমকে নিষিদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করে পুবের ফর্সা ফর্সা দিকটাতে আমরা বিচরণ করতে চাইতাম। কিন্তু এটাও আমাদের জন্য সহজ ছিল না। এই পূবদিক অতোটা অন্ধকার না হলেও মস্ত একটা ন্যাংগুইল্যা গাছ একেবারে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে শুয়ে আছে। আর এই পানি হলো আমাদের প্রাচীন পুকুরের পানি। গণ্ডা তিনেক আণ্ডা-বাচ্চাকে অকালে ডুবিয়ে মারার ইতিহাস নিয়ে এই পুকুর জল অথই করে দিব্যি বেচেবর্তে আছে! এই পুরানা পুকুর এখনো এতটাই গভীর যে, উইন্যার দিনেও থই পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। বলা চলে আমাদের চারদিকেই গা ছমছম করা পরিবেশ। এই রকম দিনে-রাতে ভয় ভয় ধরা বাড়িতে হঠাৎ দুইজন ছুতার এলো। এবং কয়খানা কাঁঠালের চওড়া তক্তা নিয়ে কাজেও লেগে গেল। ছুতার দেখে আমরা অবাক হলাম। দাদাজান কি নতুন কোনো পালঙ্ক বানাবে নাকি? কিন্তু আমাদের চক্ষের সামনে তক্তা রানদা করে তারা কিনা পালঙ্ক না-বানিয়ে নৌকার আদল দিল! ছোটমোট একটা কোষা নাওয়ের আদল! বাড়ির সামনের খ্যাংড়াকাঠির মতো শুয়ে থাকা খাল, সারা বৎসর জলহীন-খটখটে! কিন্তু বর্ষা এলেই এমন ভরভরন্ত হয় যে, ওই খ্যাংড়াকাঠি চেহারাটা ভাবাই যায় না। প্রতি বর্ষায় জল এমন বাড়ন্ত হয় যে উঠানের কোণা পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
দাদাজানের হঠাৎ কেন কোষা নাও বানানোর মতি হলো আমাদের মাথায় এলো না। তবে অনুমান করলাম বাদলার সময় ওই জলময় খাল পারাপারের জন্যই এই ব্যবস্থা। দাদাজানের এমন বড়দিলের পরিচয় পেয়ে আমরা আনন্দে আটখানা হয়ে উঠলাম। যাক বাবা গাড়ি-ঘোড়া না হোক একটা সত্যি সত্যি কোষা তো দেখতে পাচ্ছি! আমাদের গাড়ি নাই, ঘোড়া নাই — এমনকি একটা আস্তাবলও নাই। থাকার প্রশ্নও আসে না। গাড়িতে চড়ার আনন্দ কী তা আমরা এখনো জানি না। আমাদের গাড়ি বলতে এখনো সুপারির খোল। গাড়িতে চড়া বলতেও সুপারির খোলে। আর হা করে করে আসমানের দিকে তাকিয়ে থাকা। এছাড়া উপায়ই বা কি- সুপারি গাছগুলো তো আসমানমুখীই। ফলে ওই দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আমরা চোখ ঝাপসা করে ফেলি — কখন জোর হাওয়া দিবে? হাওয়ার তোড়ে খোল সমেত একটা প্রায় আধ শুকনা ডাল খসে পড়বে মাটিতে। ওই খসে পড়া খোল নিয়ে আমাদের কাড়াকাড়ির অন্ত নাই। আমি, চন্দন, মিশু, সাথী-দিপু হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দেই — কার আগে কে চড়বে ওই খোলের গাড়িতে। এই নিয়ে ঝগড়া-ঝাটিসহ মারপিটও আমরা কম করি না। এইদিকে উপদ্রবের মতো বড়দাদীজান না হয় ছোটদাদীজান জুটে যায়। ওই খোল টেনে নিয়ে তারা রান্নাঘরে চুলার ভেতর গুঁজে দেয়। বড় বা ছোটদাদীজানকে আমরা বাধা দিতে পারি না। তবে ওই সুপারির খোল পুড়তে দেখলে আমাদের মন পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে যায়।
আমরা ভেবে পাই না বুড়া-আধবুড়া মানুষেরা কেন এইসব ছাতামাতা নিয়ে টানাটানি করে! এই সুপারির খোল আমাদের কাছে কতোটা আরাধ্য তারা কি তা জানে না? এই খোলের উপর জুত হয়ে বসলেই দিব্যি গাড়ি চড়া যায়। চন্দন না হয় মিশু একজন টেনে নিলেই হলো। আর কেউ পাতাসহ ডান্ডি চেপে ধরে বসে থাকি। ডান্ডি চেপে ধরে ধরে হাতের তালুতে রক্ত জমে যায়। তবুও আমরা ডান্ডি ছাড়ি না। ছাড়লেই বিপদ। গাড়ি তখন খালি খোলসহ ছুটতে থাকবে আর আমরা মাটিতে। এই আনন্দের বাহনে চড়ে আমরা হেসে গড়িয়ে পড়ি। অবশ্য এই খোল-গাড়িতে আরো একটা মজার বিষয় ঘটে — গাড়ি চলার সঙ্গে সঙ্গে উঠানের ধুলা সমান হয়ে মসৃণ-সুন্দর রাস্তা বানিয়ে দেয়। কিন্তু বানানো রাস্তা ধরে আমরা আর ফিরে আসতে পারি না। ফিরতে শুরু করলেই ধুলা সরে ফের তা অমসৃণ হয়ে ওঠে। চন্দন-মিশু বা দিপু পালা করে খোলের গাড়িতে চড়লে আমরা নতুন নতুন রাস্তা বানাতে থাকি। উঠান জুড়ে ওইসব রাস্তা দেখে আমাদের আহলাদের সীমা থাকে না।
তা যানবাহন বলতে ওই সুপারির খোল-ডান্ডি-পাতা। আর তা গড়গড়িয়ে ধুলার উপর টেনে নিয়ে সব ধুলাকার করে দেয়া — এছাড়া অবশ্য আরো একটা চলাও আমাদের আছে — ঘোড়ার সঙ্গে চলা! বারুণীর মেলা থেকে দাদাজান চাক্কাওয়ালা তেজি ঘোড়া কিনে আনে। চার চাক্কার ওপর বসানো মাটির ঘোড়া। দুই চাক্কার মধ্যিখানে দড়ি বেঁধে টানলেই ঘটর ঘটর করে চলতে শুরু করে। দড়ি হাতে নিয়ে আগে আগে আমরা আর পিছু পিছু মাটির নিষ্প্রাণ ঘোড়া। চলতে চলতেই হয়তো দড়ি ছিঁড়ে যায় অথচ আমরা টের-ই পাই না। খানিকটা পথ যাওয়ার পর ঘোড়া চলার শব্দ না পেয়ে পেছনে তাকাই — ঘোড়া ঘোড়ার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে! তার কেশর নড়ে না, চক্ষুর পাতা পড়ে না — তার টগবগ নাই — অথচ লাগাম ছিঁড়ে আমরা চলে এসেছি ম্যালা দূর! তাও যাহোক সুপারির খোল আর মাটির ঘোড়া নিয়ে আমাদের চলা! ওই একঘেয়ে চলার সঙ্গী এখন কোষা! আস্ত একখানা কোষা নাও!
একদিন দাদাজানের তদারকীতে ওই ভূতের গাবগাছ থেকেই গাব পেড়ে আনা হলো। বালতিকে বালতি গাব। সেই গাব ঢেঁকিতে পাড় দিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলো পাক্কা দুইদিন। তারপর সেই রস মাখা হলো কোষার গতরে। আমরা কেউ-ই কোষার আশপাশ থেকে আর নড়ি না। নড়বো কী? উঠানে জমা বৃষ্টির পানিতে কলার মোচা ভাসানোর চাইতে কোষা ভাসলে যে দারুণ বিষয় হবে আমরা তা বুঝে ফেলেছি।
গাবের রসের প্রলেপ দেয়ার ফাঁকে ফাঁকে দাদাজান দুই-চাইরবার গলা খাকরি দেয়। বেশ জোরে কেশে-টেশে কাশির দলা থুক করে ছুঁড়ে দেয় সামনে। আর সেই কাশি কিনা পড়ে দুই ছুতারের মাঝখানে! দাদাজানের সেইদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নাই। দাদাজান ফের কেশে গলা সাফ করে বলে, ‘আলকাতরা হইলে জব্বর ভালা হইতো। অবশ্যি আলকাতরার বদলে গাবের রসের পোছ দিলেও পানিতে তলাডা খাইব না হেমন।’
দাদাজানের এই সাবধান বাণী আমাদের কানে ঢোকে কি ঢোকে না। আর তখন উইন্যার সময় — খালে পানির নাম-নিশানাও নাই — অথচ আমাদের মনে হয় পানির ঢল নেমে নদী হয়ে গেছে! আর সেই নদীতে ছোট্ট কোষাটা পানসি নাও হয়ে ভেসে চলেছে। আর এই পানসির গতি একেবারে রাজহাঁসের মতো। আমরা মহাফূর্তিতে বহুবার শোনা শোলোক আওড়াতে থাকি:
পানসি নাও পানসি নাও
পান খায়া যাও
মিশুর শাউড়ির ঢোবলা গুয়া
তুইল্যা নিয়া যাও…
মিশুর পাছাটাই তো এখনো বড়সড় হয়ে ওঠে নাই। কে যে তার শাশুড়ি হবে আমরা তার কিচ্ছু জানি না। তবু সেই অদেখা শাশুড়ির ভারিসারি পাছাটা তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের আকুতির শেষ থাকে না। আরে ধুর! কোথায় ছইওয়ালা পানসি আর কোথায় কার শাশুড়ির পাছা! আমাদের দাদাজানের বেশি টাকা-পয়সা নাই। একটা কোষা বানাতেই তার ছ্যারাব্যারা অবস্থা। চক্ষের সামনে উল্টে রাখা কোষা, তাতে গাবের রসের পোচ দেয়া দেখেও আমরা বলতে পারি না, ‘দাদাজান-ও সুনার দাদাজান — এইডার ওপরে এইবার একটা ঘর বানাইয়া পানসি কইরা দেন। সেই ঘরের মইদ্যে আমরা খাওয়া-দাওয়া সাইরা নিন্দ পাড়বার চাই।’
দাদাজানকে কিচ্ছু বলার সাহস আমাদের হয় না। আসলে আমরা তো ভালো মতো বুঝিই না কোষা আর পানসির তফাৎ কী? ডিঙি আর ছিপ নাওয়ে পার্থক্য কী? আমরা আসলে কিচ্ছু বুঝি না। শুধু এইটুকু বুঝি আমরা চলতে চাই। চলাও ঠিক না ঘুরতে চাই। লাটিমের মতো চক্কর মারতে চাই। ঘোড়ার মতো, গাড়ির মতো, নাওয়ের মতো চলন্ত কিছুর মধ্যে আমরা চড়তে চাই। চড়ে নিজেদের পেটে হাত-পা ঢুকিয়ে বসে থাকতে চাই। অর্থাৎ চলাটাই আমাদের কাছে আনন্দের। তা সুপারির খোলের উপর বসে হোক অথবা নাওয়ের ভিতর থেকে হোক।
বাদলার মরশুম আসার আগে-ভাগেই কোষা নাওয়ের কাজ শেষ হয়ে গেল। দাদাজানের মাথা হিটকুলি বুদ্ধিতে ভরা। দাদাজান নাওয়ের গলুই দিল টিনের টুকরা দিয়ে। এটা এক দেখবার মতো জিনিস হলো বটে। গাবের কালসিটে প্রলেপ কাঁঠাল কাঠের হলুদ রঙ গায়েব করে এক অচেনা রঙ ধরালো। টিনের রুপালি গলুইয়ে রোদ্দুর পড়লেই এক বাহারি দৃশ্য দেখতে পাই আমরা। আমাদের কাছে এই কোষাকেই রুপার নাও মনে হয়। আমাদের আর পায় কে? আমরা একেকজন যেন সত্যি সত্যিই বাদশা-বেগম বনে গেছি! আর নতুন রাজ্য দখলের লোভে খোলা তরবারি হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। শত্রু সামনে পড়লে তাকে কচুকাটা করতেও আমাদের দ্বিধা হবে না। কিন্তু এই টগবগ করে ফুটন্ত খুশি আমরা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারি না। আমাদের কোষা খালে ভাসে না। এদিকে বর্ষার পানি উঠান পেরিয়ে পৈঠা ছুঁয়ে ফেলেছে। দাদাজান নানা উছিলা বের করে। শুক্কুরবার বাদ জুম্মা ঠিক করে তো তার বাতাসা কেনার পয়সার টান পড়ে যায়। ফের শুক্কুরবার ঘুরে আসে — দাদাজানের বাতাসার পয়সা যোগাড় হয় না। আমরা অস্থির-বিস্থির করি। দাদাজানকে কাকুতি-মিনতি করে বলি, ‘দাদাজান বাতাসা খাওন নাগব না। আমরা বাতাসা খাইতে চাই না। আমরা খালি কোষাডায় চড়তে চাই। কোষায় চইড়া খাল আর বিলের মইদ্যে ঘুরতে চাই।’
দাদাজান আজব কিসিমের বটে। আমাদের কথা একেবারে পাত্তা দেয় না। এদিকে খালের উপর একবাঁশের পুলটা নড়বড় করে। আমরা ভয়ে তাতে উঠতেই পারি না। এখনো ভালোমতো কেউ সাঁতরাতে পারি না। এক বাঁশের পুলের উপর পা দিলেই গা শিরশির করে। পা ফসকে পড়ে যাবার ভয়ে আমরা নিচে পর্যন্ত তাকাই না।
অথচ উইন্যার সময় এই খালের ভিতর আমরা বউ-ছি, গোল্লাছুট খেলি। কুম্ভির কুম্ভির খেলি। কিন্তু বর্ষা এলে খালের ওই পাড়েও কেউ যেতে পারি না! বিষয়টা আমাদের কাছে দারুণ রহস্যময় লাগে। খালের ওই পাড়ের বকুল গাছটা কালচে সবুজ পাতায় ভরে থাকে। আর গাছের তলাটা ফুল পড়ে একেবারে সাদা হয়ে থাকে। আমাদের মন ছুটে যায় বকুল ফুলের গন্ধে। কিন্তু এক বাঁশের পুল পেরোবার সাহস সঞ্চয় করতে পারি না। এই জলবন্দি অবস্থায় আমাদের দম ফাঁপড় করে। আমরা দল বেঁধে উল্টানো কোষার উপর বসে থাকি। একেক জন হাতে বাঁশের কঞ্চি নিয়ে বৈঠার মতো বাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু আমাদের কোষা একচুলও আগায় না। মরা ঢোড়া সাপের মতো নিস্তেজ পড়ে থাকে। চন্দন বা মিশুর হাফপ্যান্টের ফাঁক দিয়ে দেখা পড়ে থাকা নুনুর মতো লাগে কোষাটাকে। নড়েও না। চড়েও না। আমরা রাগ করে কোষা থেকে নেমে পড়ি। হাতের কঞ্চিবৈঠা দিয়ে বিষকাঁটালির ঝোপের উপর বাড়ি মেরে চলি। শালার এই গাছের জান বেজায় শক্ত। বর্ষার পানিতে ডুবে গেলেও এই গাছ মরে না। কঞ্চির বাড়ি মেরে বিষকাঁটালির ঝোপ উজাড় করেও আমাদের ক্ষোভ মেটে না। শালার দাদাজান। বুইড়া কুনহানকার। আমরা আফনের বাতাসা খাইতে চাই না। খালি কোষাডারে জলদি জলদি খালে ভাসায়া দেন। দাদাজান কীভাবে যেন আমাদের মনের কথা বুঝতে পারে! পরের শুক্কুরবার বাদ জুম্মা মিলাদ দিয়ে ঠোঙা ভরে গুড়ের বাতাসা নিয়ে আসে। বাতাসার গন্ধে বাতাস ম ম করে। আমাদের দুই হাত ভরে ওই বাতাসা গুঁজে দেয়। মিশু-চন্দন-সাথী-দিপু কেউ বাদ যায় না। অন্য পাড়ার দুই চারজনের হাতেও ওই বাতাসা পৌঁছায়। আমরা বাতাসা চাটতে চাটতে ফের কোষা ভাসানোর স্বপ্ন দেখি। সত্যি সত্যিই ওইদিন বিকালে দাদাজান কোষাটা খালে ভাসায়। বৈঠা টানে। কখনো লগি মারে। আমাদের বলে, ‘এতজন একলগে চড়ন যাইব না। ছোট্ট নাও ডুইব্যা গেলে বিপদ হইব।’
আমরা মন খারাপ করে তার কথা শুনি। দুই হাত দিয়ে গোপনে চক্ষের পানি মুছি। তারপর দাদাজানের কথা মতো তিন-চারজন কোষায় উঠে পড়ি। দাদাজান বৈঠা টানলে ছলাৎ ছলাৎ ধ্বনি ওঠে। আমরা কোষার কিনারে বসে পানিতে হাত ডুবালে দাদাজান ধমকে ওঠে, ‘নাওয়ের বগলে বগলে হাপ চলে। আত উঠায়া রাখো।’
আমরা ভেজা হাত কাপড়ে মুছে গুম হয়ে বসে থাকি। দাদাজান খাল পেরিয়ে বিলে কোষা নামায় — শাপলা তুলে দেয়। ঢ্যাপ তুলে দেয়। ডুব দিয়ে কয়েকটা শালুকও তুলে দেয়। আমরা ঢ্যাপ ভেঙে দেখি লাল সরিষার মত মিহিদানায় ভরা। দাদাজান হঠাৎ বলে ওঠে, ‘লাল ঢ্যাপ খাইও না — ওইডায় হাপে বিষ ঢালে।’
দাদাজানের নিষেধ আমরা তোয়াক্কা করি না। ঢ্যাপের লাল লাল দানা আমাদের লোভাতুর করে তোলে। আমরা ওই লাল ঢ্যাপই খেয়ে ফেলি। শাপলা ফুলের বুক চিরে হলদে মখমলের মতো রেণু খেতে খেতে ফের উবু হয়ে হাত ডুবিয়ে দেই পানিতে। সন্ধ্যা ঘনায়মান বলে দাদাজান হয়তো দেখে না। অথবা ইচ্ছা করেই না দেখার ভান করে নাকি বয়সের কারণেই দেখে না — আমরা বুঝতে পারি না। দুই পাক কোষা ঘুরিয়েই দাদাজান বলে, ‘এইবার লও বাড়িতে যাইগা। আন্ধার নাইমা গেছে গা।’
‘দাদাজান আর এট্টু ঘুরানি দেন। দিলেই যামুগা। আর চড়মু না।’
আমরা দূরের একটা আধ ফুটন্ত শাপলার দিকে আঙ্গুল তুলে বলি, ‘এইডা তুইল্যাই যামুগা।’
দাদাজান দুনোমুনো করে। তারপর রাগ করে বলে, ‘ভাল্লুকের হাতে খুন্তা দেওন নাগে না। এইডা নিয়াই যাইবা গা। আন্ধারে পুকামাকড়ে ঝামেলা করবো।’
আমাদের গা কাঁটা দিয়ে ওঠে, আমরা তো ভাল করেই জানি রাত হলে কেউ-ই সাপকে সাপ বলে না। বলে পুকামাকড়। রাতের বেলায় নাকি সাপের নাম নিতে নাই।
পানির উপর ভেসে থাকা শাপলাটা অন্ধকারে অস্পষ্ট দেখায়। আমি হাত বাড়িয়ে তুলতে চাইলে দাদাজান বাধা দিয়ে বলে, ‘খাড়াও আমি তুইল্যা দেই।’
দাদাজানের কথা শেষ করার আগেই চন্দন পানিতে হাত ডুবায়। অস্ফুট স্বরে উহ্ শব্দ করে। তারপর ফুলটা তুলে আনে। দাদাজান এইবার জোরে ধমকে ওঠে, ‘মাতুব্বুরি না করলে অয়না — বজ্জাত পুলাপাইন!’
আমি, মিশু, সাথী — ভীষণ আনন্দ নিয়ে বসে থাকি। চন্দনের মুখটা ভয়ার্ত দেখায়। সামান্য উশখুশ করে সে। আমরা পাত্তা দেই না। এই প্রথম আমরা জলের উপর ভাসতে পারছি। নিজেদের হাঁসের ছানা মনে হয়। এক অর্থে এই কোষাটাই আমাদের প্রথম চলার গাড়ি। পরের দিন ভোর-ভোরই চন্দনদের ঘরে কান্নার শব্দ শুনি। আমরা চোখ কচলাতে কচলাতে দৌড়ে যাই। দাদাজানও দৌড়ায়। বিছানার উপর চন্দন চিৎ হয়ে ঘুমিয়ে আছে। তার মুখ নীলবর্ণ দেখায়। ঠোঁটের পাশে ফেনা জমে শুকিয়ে আছে!
আমরা কিছুই বুঝতে পারি না। অকারণেই বুক ঠেলে কান্না আসে — চন্দনের কী হইলো?
তারপর কতদিন কোষাটা ঘাটে পড়ে থাকে! দাদাজান ঘন ঘন চক্ষু মোছে। দেখে আমরাও চক্ষু মুছি। বৃষ্টি-ঝড়-জল কত কি যে কোষাটার উপর দিয়ে বয়ে যায়। হঠাৎ একদিন বিকাল বিকাল দেখি দাদাজান শুকনা চক্ষে কোষটা খালে ভাসায়। হাতে ফের বৈঠা ধরে। লগি মারে। আমরা চুপ করে দল বেধে দাঁড়িয়ে দেখি। কোষায় চড়ার বায়না ধরি না। পরের দিন দাদাজানই নিজ থেকে আমাদের ডাক দেয়। ডাক দিয়ে বলে, ‘সুনারা আহো-আইজ তুমাগো নাওয়ে ঘুরামু। কিন্তুক ভুলেও পানিত আত চুবাবা না।
আমাদের তক্ষুণি চন্দনকে মনে পড়ে। কিন্তু নাওয়ে চড়ার আনন্দের কথা ভেবে কিছুতেই দাদাজানকে না বলতে পারি না! আমরা ঝটপট উঠে পড়লে দাদাজান কোষা ভাসিয়ে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে বৈঠা টানে। পানির উপর ঘুরতে ঘুরতে আমরা ফের শাপলা তুলি। ঢ্যাপ তুলি। জলার্দ্র হাওয়ায় আমাদের ঘুম ধরে যায়। কিন্তু আমরা জোর করে চক্ষের পাতা খুলে রাখি। আমরা জানি এখন ঘুমিয়ে পড়লে কোষায় চড়ার মজাটা এক্কেবারে মাটি হয়ে যাবে…
ঢাকা, জুন ২০০৮
দাদাজানের হঠাৎ কেন কোষা নাও বানানোর মতি হলো আমাদের মাথায় এলো না। তবে অনুমান করলাম বাদলার সময় ওই জলময় খাল পারাপারের জন্যই এই ব্যবস্থা। দাদাজানের এমন বড়দিলের পরিচয় পেয়ে আমরা আনন্দে আটখানা হয়ে উঠলাম। যাক বাবা গাড়ি-ঘোড়া না হোক একটা সত্যি সত্যি কোষা তো দেখতে পাচ্ছি! আমাদের গাড়ি নাই, ঘোড়া নাই — এমনকি একটা আস্তাবলও নাই। থাকার প্রশ্নও আসে না। গাড়িতে চড়ার আনন্দ কী তা আমরা এখনো জানি না। আমাদের গাড়ি বলতে এখনো সুপারির খোল। গাড়িতে চড়া বলতেও সুপারির খোলে। আর হা করে করে আসমানের দিকে তাকিয়ে থাকা। এছাড়া উপায়ই বা কি- সুপারি গাছগুলো তো আসমানমুখীই। ফলে ওই দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে আমরা চোখ ঝাপসা করে ফেলি — কখন জোর হাওয়া দিবে? হাওয়ার তোড়ে খোল সমেত একটা প্রায় আধ শুকনা ডাল খসে পড়বে মাটিতে। ওই খসে পড়া খোল নিয়ে আমাদের কাড়াকাড়ির অন্ত নাই। আমি, চন্দন, মিশু, সাথী-দিপু হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দেই — কার আগে কে চড়বে ওই খোলের গাড়িতে। এই নিয়ে ঝগড়া-ঝাটিসহ মারপিটও আমরা কম করি না। এইদিকে উপদ্রবের মতো বড়দাদীজান না হয় ছোটদাদীজান জুটে যায়। ওই খোল টেনে নিয়ে তারা রান্নাঘরে চুলার ভেতর গুঁজে দেয়। বড় বা ছোটদাদীজানকে আমরা বাধা দিতে পারি না। তবে ওই সুপারির খোল পুড়তে দেখলে আমাদের মন পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে যায়।
আমরা ভেবে পাই না বুড়া-আধবুড়া মানুষেরা কেন এইসব ছাতামাতা নিয়ে টানাটানি করে! এই সুপারির খোল আমাদের কাছে কতোটা আরাধ্য তারা কি তা জানে না? এই খোলের উপর জুত হয়ে বসলেই দিব্যি গাড়ি চড়া যায়। চন্দন না হয় মিশু একজন টেনে নিলেই হলো। আর কেউ পাতাসহ ডান্ডি চেপে ধরে বসে থাকি। ডান্ডি চেপে ধরে ধরে হাতের তালুতে রক্ত জমে যায়। তবুও আমরা ডান্ডি ছাড়ি না। ছাড়লেই বিপদ। গাড়ি তখন খালি খোলসহ ছুটতে থাকবে আর আমরা মাটিতে। এই আনন্দের বাহনে চড়ে আমরা হেসে গড়িয়ে পড়ি। অবশ্য এই খোল-গাড়িতে আরো একটা মজার বিষয় ঘটে — গাড়ি চলার সঙ্গে সঙ্গে উঠানের ধুলা সমান হয়ে মসৃণ-সুন্দর রাস্তা বানিয়ে দেয়। কিন্তু বানানো রাস্তা ধরে আমরা আর ফিরে আসতে পারি না। ফিরতে শুরু করলেই ধুলা সরে ফের তা অমসৃণ হয়ে ওঠে। চন্দন-মিশু বা দিপু পালা করে খোলের গাড়িতে চড়লে আমরা নতুন নতুন রাস্তা বানাতে থাকি। উঠান জুড়ে ওইসব রাস্তা দেখে আমাদের আহলাদের সীমা থাকে না।
তা যানবাহন বলতে ওই সুপারির খোল-ডান্ডি-পাতা। আর তা গড়গড়িয়ে ধুলার উপর টেনে নিয়ে সব ধুলাকার করে দেয়া — এছাড়া অবশ্য আরো একটা চলাও আমাদের আছে — ঘোড়ার সঙ্গে চলা! বারুণীর মেলা থেকে দাদাজান চাক্কাওয়ালা তেজি ঘোড়া কিনে আনে। চার চাক্কার ওপর বসানো মাটির ঘোড়া। দুই চাক্কার মধ্যিখানে দড়ি বেঁধে টানলেই ঘটর ঘটর করে চলতে শুরু করে। দড়ি হাতে নিয়ে আগে আগে আমরা আর পিছু পিছু মাটির নিষ্প্রাণ ঘোড়া। চলতে চলতেই হয়তো দড়ি ছিঁড়ে যায় অথচ আমরা টের-ই পাই না। খানিকটা পথ যাওয়ার পর ঘোড়া চলার শব্দ না পেয়ে পেছনে তাকাই — ঘোড়া ঘোড়ার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে! তার কেশর নড়ে না, চক্ষুর পাতা পড়ে না — তার টগবগ নাই — অথচ লাগাম ছিঁড়ে আমরা চলে এসেছি ম্যালা দূর! তাও যাহোক সুপারির খোল আর মাটির ঘোড়া নিয়ে আমাদের চলা! ওই একঘেয়ে চলার সঙ্গী এখন কোষা! আস্ত একখানা কোষা নাও!
একদিন দাদাজানের তদারকীতে ওই ভূতের গাবগাছ থেকেই গাব পেড়ে আনা হলো। বালতিকে বালতি গাব। সেই গাব ঢেঁকিতে পাড় দিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলো পাক্কা দুইদিন। তারপর সেই রস মাখা হলো কোষার গতরে। আমরা কেউ-ই কোষার আশপাশ থেকে আর নড়ি না। নড়বো কী? উঠানে জমা বৃষ্টির পানিতে কলার মোচা ভাসানোর চাইতে কোষা ভাসলে যে দারুণ বিষয় হবে আমরা তা বুঝে ফেলেছি।
গাবের রসের প্রলেপ দেয়ার ফাঁকে ফাঁকে দাদাজান দুই-চাইরবার গলা খাকরি দেয়। বেশ জোরে কেশে-টেশে কাশির দলা থুক করে ছুঁড়ে দেয় সামনে। আর সেই কাশি কিনা পড়ে দুই ছুতারের মাঝখানে! দাদাজানের সেইদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নাই। দাদাজান ফের কেশে গলা সাফ করে বলে, ‘আলকাতরা হইলে জব্বর ভালা হইতো। অবশ্যি আলকাতরার বদলে গাবের রসের পোছ দিলেও পানিতে তলাডা খাইব না হেমন।’
দাদাজানের এই সাবধান বাণী আমাদের কানে ঢোকে কি ঢোকে না। আর তখন উইন্যার সময় — খালে পানির নাম-নিশানাও নাই — অথচ আমাদের মনে হয় পানির ঢল নেমে নদী হয়ে গেছে! আর সেই নদীতে ছোট্ট কোষাটা পানসি নাও হয়ে ভেসে চলেছে। আর এই পানসির গতি একেবারে রাজহাঁসের মতো। আমরা মহাফূর্তিতে বহুবার শোনা শোলোক আওড়াতে থাকি:
পানসি নাও পানসি নাও
পান খায়া যাও
মিশুর শাউড়ির ঢোবলা গুয়া
তুইল্যা নিয়া যাও…
মিশুর পাছাটাই তো এখনো বড়সড় হয়ে ওঠে নাই। কে যে তার শাশুড়ি হবে আমরা তার কিচ্ছু জানি না। তবু সেই অদেখা শাশুড়ির ভারিসারি পাছাটা তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের আকুতির শেষ থাকে না। আরে ধুর! কোথায় ছইওয়ালা পানসি আর কোথায় কার শাশুড়ির পাছা! আমাদের দাদাজানের বেশি টাকা-পয়সা নাই। একটা কোষা বানাতেই তার ছ্যারাব্যারা অবস্থা। চক্ষের সামনে উল্টে রাখা কোষা, তাতে গাবের রসের পোচ দেয়া দেখেও আমরা বলতে পারি না, ‘দাদাজান-ও সুনার দাদাজান — এইডার ওপরে এইবার একটা ঘর বানাইয়া পানসি কইরা দেন। সেই ঘরের মইদ্যে আমরা খাওয়া-দাওয়া সাইরা নিন্দ পাড়বার চাই।’
দাদাজানকে কিচ্ছু বলার সাহস আমাদের হয় না। আসলে আমরা তো ভালো মতো বুঝিই না কোষা আর পানসির তফাৎ কী? ডিঙি আর ছিপ নাওয়ে পার্থক্য কী? আমরা আসলে কিচ্ছু বুঝি না। শুধু এইটুকু বুঝি আমরা চলতে চাই। চলাও ঠিক না ঘুরতে চাই। লাটিমের মতো চক্কর মারতে চাই। ঘোড়ার মতো, গাড়ির মতো, নাওয়ের মতো চলন্ত কিছুর মধ্যে আমরা চড়তে চাই। চড়ে নিজেদের পেটে হাত-পা ঢুকিয়ে বসে থাকতে চাই। অর্থাৎ চলাটাই আমাদের কাছে আনন্দের। তা সুপারির খোলের উপর বসে হোক অথবা নাওয়ের ভিতর থেকে হোক।
বাদলার মরশুম আসার আগে-ভাগেই কোষা নাওয়ের কাজ শেষ হয়ে গেল। দাদাজানের মাথা হিটকুলি বুদ্ধিতে ভরা। দাদাজান নাওয়ের গলুই দিল টিনের টুকরা দিয়ে। এটা এক দেখবার মতো জিনিস হলো বটে। গাবের কালসিটে প্রলেপ কাঁঠাল কাঠের হলুদ রঙ গায়েব করে এক অচেনা রঙ ধরালো। টিনের রুপালি গলুইয়ে রোদ্দুর পড়লেই এক বাহারি দৃশ্য দেখতে পাই আমরা। আমাদের কাছে এই কোষাকেই রুপার নাও মনে হয়। আমাদের আর পায় কে? আমরা একেকজন যেন সত্যি সত্যিই বাদশা-বেগম বনে গেছি! আর নতুন রাজ্য দখলের লোভে খোলা তরবারি হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। শত্রু সামনে পড়লে তাকে কচুকাটা করতেও আমাদের দ্বিধা হবে না। কিন্তু এই টগবগ করে ফুটন্ত খুশি আমরা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারি না। আমাদের কোষা খালে ভাসে না। এদিকে বর্ষার পানি উঠান পেরিয়ে পৈঠা ছুঁয়ে ফেলেছে। দাদাজান নানা উছিলা বের করে। শুক্কুরবার বাদ জুম্মা ঠিক করে তো তার বাতাসা কেনার পয়সার টান পড়ে যায়। ফের শুক্কুরবার ঘুরে আসে — দাদাজানের বাতাসার পয়সা যোগাড় হয় না। আমরা অস্থির-বিস্থির করি। দাদাজানকে কাকুতি-মিনতি করে বলি, ‘দাদাজান বাতাসা খাওন নাগব না। আমরা বাতাসা খাইতে চাই না। আমরা খালি কোষাডায় চড়তে চাই। কোষায় চইড়া খাল আর বিলের মইদ্যে ঘুরতে চাই।’
দাদাজান আজব কিসিমের বটে। আমাদের কথা একেবারে পাত্তা দেয় না। এদিকে খালের উপর একবাঁশের পুলটা নড়বড় করে। আমরা ভয়ে তাতে উঠতেই পারি না। এখনো ভালোমতো কেউ সাঁতরাতে পারি না। এক বাঁশের পুলের উপর পা দিলেই গা শিরশির করে। পা ফসকে পড়ে যাবার ভয়ে আমরা নিচে পর্যন্ত তাকাই না।
অথচ উইন্যার সময় এই খালের ভিতর আমরা বউ-ছি, গোল্লাছুট খেলি। কুম্ভির কুম্ভির খেলি। কিন্তু বর্ষা এলে খালের ওই পাড়েও কেউ যেতে পারি না! বিষয়টা আমাদের কাছে দারুণ রহস্যময় লাগে। খালের ওই পাড়ের বকুল গাছটা কালচে সবুজ পাতায় ভরে থাকে। আর গাছের তলাটা ফুল পড়ে একেবারে সাদা হয়ে থাকে। আমাদের মন ছুটে যায় বকুল ফুলের গন্ধে। কিন্তু এক বাঁশের পুল পেরোবার সাহস সঞ্চয় করতে পারি না। এই জলবন্দি অবস্থায় আমাদের দম ফাঁপড় করে। আমরা দল বেঁধে উল্টানো কোষার উপর বসে থাকি। একেক জন হাতে বাঁশের কঞ্চি নিয়ে বৈঠার মতো বাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু আমাদের কোষা একচুলও আগায় না। মরা ঢোড়া সাপের মতো নিস্তেজ পড়ে থাকে। চন্দন বা মিশুর হাফপ্যান্টের ফাঁক দিয়ে দেখা পড়ে থাকা নুনুর মতো লাগে কোষাটাকে। নড়েও না। চড়েও না। আমরা রাগ করে কোষা থেকে নেমে পড়ি। হাতের কঞ্চিবৈঠা দিয়ে বিষকাঁটালির ঝোপের উপর বাড়ি মেরে চলি। শালার এই গাছের জান বেজায় শক্ত। বর্ষার পানিতে ডুবে গেলেও এই গাছ মরে না। কঞ্চির বাড়ি মেরে বিষকাঁটালির ঝোপ উজাড় করেও আমাদের ক্ষোভ মেটে না। শালার দাদাজান। বুইড়া কুনহানকার। আমরা আফনের বাতাসা খাইতে চাই না। খালি কোষাডারে জলদি জলদি খালে ভাসায়া দেন। দাদাজান কীভাবে যেন আমাদের মনের কথা বুঝতে পারে! পরের শুক্কুরবার বাদ জুম্মা মিলাদ দিয়ে ঠোঙা ভরে গুড়ের বাতাসা নিয়ে আসে। বাতাসার গন্ধে বাতাস ম ম করে। আমাদের দুই হাত ভরে ওই বাতাসা গুঁজে দেয়। মিশু-চন্দন-সাথী-দিপু কেউ বাদ যায় না। অন্য পাড়ার দুই চারজনের হাতেও ওই বাতাসা পৌঁছায়। আমরা বাতাসা চাটতে চাটতে ফের কোষা ভাসানোর স্বপ্ন দেখি। সত্যি সত্যিই ওইদিন বিকালে দাদাজান কোষাটা খালে ভাসায়। বৈঠা টানে। কখনো লগি মারে। আমাদের বলে, ‘এতজন একলগে চড়ন যাইব না। ছোট্ট নাও ডুইব্যা গেলে বিপদ হইব।’
আমরা মন খারাপ করে তার কথা শুনি। দুই হাত দিয়ে গোপনে চক্ষের পানি মুছি। তারপর দাদাজানের কথা মতো তিন-চারজন কোষায় উঠে পড়ি। দাদাজান বৈঠা টানলে ছলাৎ ছলাৎ ধ্বনি ওঠে। আমরা কোষার কিনারে বসে পানিতে হাত ডুবালে দাদাজান ধমকে ওঠে, ‘নাওয়ের বগলে বগলে হাপ চলে। আত উঠায়া রাখো।’
আমরা ভেজা হাত কাপড়ে মুছে গুম হয়ে বসে থাকি। দাদাজান খাল পেরিয়ে বিলে কোষা নামায় — শাপলা তুলে দেয়। ঢ্যাপ তুলে দেয়। ডুব দিয়ে কয়েকটা শালুকও তুলে দেয়। আমরা ঢ্যাপ ভেঙে দেখি লাল সরিষার মত মিহিদানায় ভরা। দাদাজান হঠাৎ বলে ওঠে, ‘লাল ঢ্যাপ খাইও না — ওইডায় হাপে বিষ ঢালে।’
দাদাজানের নিষেধ আমরা তোয়াক্কা করি না। ঢ্যাপের লাল লাল দানা আমাদের লোভাতুর করে তোলে। আমরা ওই লাল ঢ্যাপই খেয়ে ফেলি। শাপলা ফুলের বুক চিরে হলদে মখমলের মতো রেণু খেতে খেতে ফের উবু হয়ে হাত ডুবিয়ে দেই পানিতে। সন্ধ্যা ঘনায়মান বলে দাদাজান হয়তো দেখে না। অথবা ইচ্ছা করেই না দেখার ভান করে নাকি বয়সের কারণেই দেখে না — আমরা বুঝতে পারি না। দুই পাক কোষা ঘুরিয়েই দাদাজান বলে, ‘এইবার লও বাড়িতে যাইগা। আন্ধার নাইমা গেছে গা।’
‘দাদাজান আর এট্টু ঘুরানি দেন। দিলেই যামুগা। আর চড়মু না।’
আমরা দূরের একটা আধ ফুটন্ত শাপলার দিকে আঙ্গুল তুলে বলি, ‘এইডা তুইল্যাই যামুগা।’
দাদাজান দুনোমুনো করে। তারপর রাগ করে বলে, ‘ভাল্লুকের হাতে খুন্তা দেওন নাগে না। এইডা নিয়াই যাইবা গা। আন্ধারে পুকামাকড়ে ঝামেলা করবো।’
আমাদের গা কাঁটা দিয়ে ওঠে, আমরা তো ভাল করেই জানি রাত হলে কেউ-ই সাপকে সাপ বলে না। বলে পুকামাকড়। রাতের বেলায় নাকি সাপের নাম নিতে নাই।
পানির উপর ভেসে থাকা শাপলাটা অন্ধকারে অস্পষ্ট দেখায়। আমি হাত বাড়িয়ে তুলতে চাইলে দাদাজান বাধা দিয়ে বলে, ‘খাড়াও আমি তুইল্যা দেই।’
দাদাজানের কথা শেষ করার আগেই চন্দন পানিতে হাত ডুবায়। অস্ফুট স্বরে উহ্ শব্দ করে। তারপর ফুলটা তুলে আনে। দাদাজান এইবার জোরে ধমকে ওঠে, ‘মাতুব্বুরি না করলে অয়না — বজ্জাত পুলাপাইন!’
আমি, মিশু, সাথী — ভীষণ আনন্দ নিয়ে বসে থাকি। চন্দনের মুখটা ভয়ার্ত দেখায়। সামান্য উশখুশ করে সে। আমরা পাত্তা দেই না। এই প্রথম আমরা জলের উপর ভাসতে পারছি। নিজেদের হাঁসের ছানা মনে হয়। এক অর্থে এই কোষাটাই আমাদের প্রথম চলার গাড়ি। পরের দিন ভোর-ভোরই চন্দনদের ঘরে কান্নার শব্দ শুনি। আমরা চোখ কচলাতে কচলাতে দৌড়ে যাই। দাদাজানও দৌড়ায়। বিছানার উপর চন্দন চিৎ হয়ে ঘুমিয়ে আছে। তার মুখ নীলবর্ণ দেখায়। ঠোঁটের পাশে ফেনা জমে শুকিয়ে আছে!
আমরা কিছুই বুঝতে পারি না। অকারণেই বুক ঠেলে কান্না আসে — চন্দনের কী হইলো?
তারপর কতদিন কোষাটা ঘাটে পড়ে থাকে! দাদাজান ঘন ঘন চক্ষু মোছে। দেখে আমরাও চক্ষু মুছি। বৃষ্টি-ঝড়-জল কত কি যে কোষাটার উপর দিয়ে বয়ে যায়। হঠাৎ একদিন বিকাল বিকাল দেখি দাদাজান শুকনা চক্ষে কোষটা খালে ভাসায়। হাতে ফের বৈঠা ধরে। লগি মারে। আমরা চুপ করে দল বেধে দাঁড়িয়ে দেখি। কোষায় চড়ার বায়না ধরি না। পরের দিন দাদাজানই নিজ থেকে আমাদের ডাক দেয়। ডাক দিয়ে বলে, ‘সুনারা আহো-আইজ তুমাগো নাওয়ে ঘুরামু। কিন্তুক ভুলেও পানিত আত চুবাবা না।
আমাদের তক্ষুণি চন্দনকে মনে পড়ে। কিন্তু নাওয়ে চড়ার আনন্দের কথা ভেবে কিছুতেই দাদাজানকে না বলতে পারি না! আমরা ঝটপট উঠে পড়লে দাদাজান কোষা ভাসিয়ে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে বৈঠা টানে। পানির উপর ঘুরতে ঘুরতে আমরা ফের শাপলা তুলি। ঢ্যাপ তুলি। জলার্দ্র হাওয়ায় আমাদের ঘুম ধরে যায়। কিন্তু আমরা জোর করে চক্ষের পাতা খুলে রাখি। আমরা জানি এখন ঘুমিয়ে পড়লে কোষায় চড়ার মজাটা এক্কেবারে মাটি হয়ে যাবে…
ঢাকা, জুন ২০০৮
===========================
পাপড়ি রহমান
সম্পাদনাধূলিচিত্র
গল্প
লখিন্দরের অদৃষ্ট যাত্রা (খনা প্রকাশন, ২০০০)
হলুদ মেয়ের সীমান্ত (দিব্যপ্রকাশ, ২০০১)
অষ্টরম্ভা (মননপ্রকাশ, ২০০৭)
কিশোর উপন্যাস
মহুয়া পাখির পালক (জোনাকি প্রকাশনী, ২০০৪)
উপন্যাস
পোড়া নদীর স্বপ্নপুরাণ (মাওলা ব্রাদার্স, ২০০৪)
বয়ন (মাওলা ব্রাদার্স, ২০০৮)
======================
গল্প- আলিমের নিভৃতিচর্চা by রাশিদা সুলতানা গল্প- প্রত্যাবর্তন: আমার ‘ফেরা’ নিয়ে যে কাহিনী না ..মানষ চৌঃ গল্প- 'বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম' by আনোয়ার ... গল্প- 'প্রীত পরায়া' by সিউতি সবুর গল্প- 'চলিতেছে' by মাহবুব মোর্শেদ গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা গল্প- 'রূপকথা' by লুনা রুশদী সঞ্জীব চৌধুরীর কয়েকটি গল্প গল্প- 'অস্বস্তির সঙ্গে বসবাস' by ফাহমিদুল হক গল্প- 'মঙ্গামনস্ক শরীরীমুদ্রা' by ইমতিয়ার শামীম গল্প- 'হাজেরার বাপের দাইক দেনা' by জিয়া হাশান গল্প- ‘অপঘাতে মৃত্যু’ ও ‘সাদামাটা’ by লীসা গাজী গল্প- 'দ্বিতীয় জীবন' by ইরাজ আহমেদ গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান.. গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ ক. কিছুদিন হয় সেই নগরে কোন বৃষ্টি হচ্ছিল না। কিছুদ.. গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ পাপড়ি রহমান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ পাপড়ি রহমান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 14
(41)
- গল্প- 'গাদি' by ইফফাত আরেফীন তন্বী
- গল্প- 'অনেক দিন আগের দিনেরা' by রনি আহম্মেদ
- একনেকে ২০৪১ কোটি টাকার নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
- আজ এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুর্যোগের ‘প্রত্যয়’ ফিরে দেখা by মাহবুবা নাসরীন
- নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন রানি এলিজাবেথ
- বংশানুক্রমিক ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরোধী কিমের বড় ছেলে
- কলম্বিয়ার সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার ৪৪ বছরের কারাদণ্ড
- চিলির খনিশ্রমিকদের তুলে আনা হবে আজ
- শীর্ষ ২০ ধনী নারীর ১১ জনই চীনের!
- ইসরায়েলকে ইহুদি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি ফিলিস্তিন...
- সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মালিকানা গ্রহণ করেছে সরকার
- ইউক্রেনে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ৪০
- পশ্চিমবঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্যের সামরিক মহড়া
- আফগানিস্তানে ব্রিটিশ জিম্মির মৃত্যু তদন্তের নির্দেশ
- লৈঙ্গিক সমতায় এগিয়ে নরডিক দেশগুলো
- ভারতসহ চার দেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য
- সিয়াওবোর নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেন তাঁর স্ত্রী
- মার্কিন রেস্তোরাঁগুলোতে হামলার আহ্বান আল-কায়েদার
- প্রার্থীদের অনেকেই আসামি
- পাকিস্তানে আসছেন দূত মেসি
- বিসিবির সভাপতি এবার আইসিসিতে
- চার দিনের ম্যাচ থামিয়ে ওয়ানডে!
- তিনে তিন মেনেজেসের
- দুই মেরুতে দুই দল
- গল্প- 'সম্পর্ক' by তারিক আল বান্না
- গল্প- 'তিতা মিঞার জঙ্গনামা' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'কর্কট' by রাশিদা সুলতানা
- গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান
- গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন
- গল্প- 'নগর পিতা বৃষ্টি নামান' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ
- গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান
- গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল
- গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল
- গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ
- গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
- গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার
- গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান...
- গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ
- গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
-
▼
Oct 14
(41)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment