Thursday, October 14, 2010
গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
গল্পটা আসলে পুরির। চা-পুরি-সিঙ্গারা’র পুরি; সিলেটী পুরি, উৎপল বসু’র পুরি-সিরিজের পুরি কিংবা অন্য আর কিছুই না। খুবই বেদনাদায়ক ঘটনা এইটা। চূড়ান্ত অসাফল্যের একটা ইতিহাস, না-পারার একটা করুণ অধ্যায়।
তখন আমার বয়স দশ। শৈশব শেষ হচ্ছে প্রায়। একটু একটু কিশোর। পাড়ার মাঠ ছেড়ে রেলের মাঠে যাই মাঝে মাঝে। মাঝে মাঝে বাজারে যাই আব্বার সাথে। বাজার শেষে রিকশা করে দিলে একা একা বাসায় ফিরতে পারি। ইত্যাকার সব লক্ষণ। মানে আমি বোঝাতে চাইতেছি যে, আমি তখন আসলে আর শৈশবের ভিতর নাই। কিন্তু আমার সম্পর্কে তখনও নর-নারী ভেদ পুরাপুরি ঘটে নাই। নানুবাড়ি গেলে নানা-নানির সাথে এক বিছানাতেই থাকি। একটা বিহ্বল অবস্থার সূত্রপাতও হয় নাই। তখনও আমি কিশোর হওয়ার যোগ্যতাগুলির ভিতর দিয়ে যাওয়া শুরু করি নাই।
তখন আমার বয়স দশ। শৈশব শেষ হচ্ছে প্রায়। একটু একটু কিশোর। পাড়ার মাঠ ছেড়ে রেলের মাঠে যাই মাঝে মাঝে। মাঝে মাঝে বাজারে যাই আব্বার সাথে। বাজার শেষে রিকশা করে দিলে একা একা বাসায় ফিরতে পারি। ইত্যাকার সব লক্ষণ। মানে আমি বোঝাতে চাইতেছি যে, আমি তখন আসলে আর শৈশবের ভিতর নাই। কিন্তু আমার সম্পর্কে তখনও নর-নারী ভেদ পুরাপুরি ঘটে নাই। নানুবাড়ি গেলে নানা-নানির সাথে এক বিছানাতেই থাকি। একটা বিহ্বল অবস্থার সূত্রপাতও হয় নাই। তখনও আমি কিশোর হওয়ার যোগ্যতাগুলির ভিতর দিয়ে যাওয়া শুরু করি নাই।
তখন আমি পড়ি ক্লাস ফাইভে। পৌরসভার মডেল প্রাইমারী স্কুলে। আমি বলছি, আশির দশকের মাঝামাঝির একটা সময়ের কথা। কিন্ডারগার্ডেন স্কুল তখনও চালু হয় নাই সেখানে। পৌরসভার মধ্যে নামকরা প্রাইমারী স্কুল। পৌরসভার তথা সমস্ত উপজেলার ট্যালেন্টপুল বৃত্তির একটা বড় অংশ এই স্কুল থেকে আসে। আমাদের আগের ব্যাচে উপজেলার সাতটা ট্যালেন্টপুল বৃত্তির পাঁচটাই এই স্কুলের ছিল। গল্পের এবং স্কুলের সাফল্যের সীমানাটুকু এই পর্যন্তই। এরপর থেকে আমার অধ্যায়, ব্যর্থতা আর অসাফল্যের গাঁথা। সেই ইতিহাসের বিবরণটা এবার পেশ করি।
আমি যখন ক্লাস ওয়ান থেকে প্রতিযোগিতার ভিতর যাত্রা শুরু করি, সম্ভবত তখন থেকেই ফার্স্ট হওয়ার প্রতি আমার এক ধরনের ভীতিই বলতে হবে এখন, তা ছিল। কারণ আমি কখনোই ফার্স্ট হতে পারতাম না, বিশেষ করে বার্ষিক পরীক্ষায়। যখন ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টু তে উঠি, ভুল করার সম্ভাবনা আমার খুবই কম ছিল, আম্মা-আব্বা, বিশেষ করে বড় ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে। তথাপি আমি তা পারি নাই। কারণ আমার হাতের লেখা যথেষ্ঠ পরিমাণ খারাপ হওয়ায়, একই নম্বর পাওয়ার পরও আমাকে সেকেন্ড ঘোষণা করা হয়। তবে রোল নম্বর আমার এক থাকে, বি সেকশনে। ক্লাস টু থেকে আমি ফোর্থ হয়ে ক্লাস থ্রিতে উঠি, পরিবারের নানা কটুবাক্য সহ্য করে এবং নিজের দিক থেকে কোনোরকম গ্লানি ও জটিলতা ছাড়াই। থ্রি থেকে ফোর-এ ওঠার সময় আবারও সেকেন্ড হই, নিজের দিক থেকে কোনোরকম গ্লানি ও জটিলতা ছাড়াই। কিন্তু পরিবারে কিছুটা শান্তি আসে এবং পাশাপাশি এই বোধটা দৃঢ় হয় যে, এই ছেলে কখনোই ফার্স্ট হতে পারবে না। কেননা, ফার্স্টের সাথে আমার ব্যবধান ছিল যোজন যোজন। আর ফার্স্টওলাও আমার উপর খুব খুশি এইরকম সেকেন্ড পেয়ে। আর আমিও ঈর্ষান্বিত নই। এইরকম খুশি খুশি ফার্স্ট-সেকেন্ড আমার ধারণা খুব কমই দেখা যায়।
কিন্তু ট্রাডেজিটা ঘটে তার পরেই। এই কম্পিটিশন না থাকাটা ফার্স্টর পরিবার মানতে পারে না, একই সিচুয়েশন ক্লাস ফ্লোর-এ ওঠার সময় ঘটলে, তারা তাকে নিকটস্থ হাইস্কুলের প্রাইমারী সেকশনে দাখিল করেন, আরো কম্পিটিশন মোকাবিলা করে হাইস্কুলের ভবিষ্যত প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য করে তুলবার আশায়। কিন্তু বিপদ হয় স্কুলের এবং আমার। আমি ফার্স্ট হতে পারি না আর ভালো স্কুলের প্রতিনিধিত্ব করার মতো মেরিট ছাত্র আর খুঁজে পাওয়া যায় না। উপরন্তু ভয়, যদি আমাকে কাট দেওয়ার প্ল্যান করেন, আমার পরিবার। কিন্তু আমার পরিবারে তখন স্বস্তির হাওয়া, এইবার তো অন্তঃত ফার্স্ট হতে পারবে! কারণ তৃতীয় বা চতুর্থ বলে কাউকে খুঁজে পাওয়া ছিল আরো মুশকিল। কিন্তু যথারীতি আমি ফার্স্ট হতে ব্যর্থ হই, প্রথম সাময়িকী পরীক্ষায়।
কারণ তখন উত্থান ঘটে নারীবাদের। দুই দুইজন নারী আমার সাথে ফার্স্ট হওয়ার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। একজন ফার্স্ট এবং একজন থার্ড হন। কম্পিটিশন জাগিয়ে তোলেন। যেহেতু তারা মেয়ে, আমি খুব একটা মাইন্ড করি না, কিন্তু একটু একটু খারাপ লাগে যখন লোকজন বলে যে, ‘শেষ পর্যন্ত মেয়েদের তলে পড়লি!’ সম্ভবত তখন থেকেই আমার মধ্যে নারীবাদের প্রতি সহানুভূতি জাগতে শুরু করে, পাল্টা যুক্তি দিতে গিয়ে যে, ‘মেয়েরা কী ছাত্র না! ওরা ফার্স্ট হতে পারবে না কেন?’ কিন্তু এই যুক্তি আমাকে শান্তি বা স্বস্তি কোনোটাই দিতে পারে না। এর পরিত্রাণ হিসাবে পড়াশোনার চিন্তা খানিকটা স্থগিত রেখে আমি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে শুরু করি।
মোটা দাগে, পরিস্থিতিটা এই।
আর তখনই খবর আসে যে, ইন্টারস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, উপজেলায়। এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আমি দুইটা খেলায় পারদর্শিতা অর্জনের চেষ্টা করি। একটা হচ্ছে একশ মিটার লম্বা দৌড় আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে অংক দৌড়। প্রথমটা ব্যাখ্যা করার কিছু নাই। কিন্তু দ্বিতীয়টার নিয়মগুলি সম্পর্কে একটু বলি। প্রত্যেক প্রতিযোগীর হাতে একটা খাতা এবং কলম থাকবে। মাঠের মাঝখানটাতে ব্ল্যাক বোর্ডে একটা অংক দেয়া থাকবে। বাঁশি ফু দেয়ার সাথে সাথে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে দৌড় শুরু করতে হবে। ব্ল্যাকবোর্ডের কাছে গিয়ে অংকটা দেখে, তার সমাধান করে বাকি মাঠ দৌড় দিয়ে শেষ করতে হবে। যে অংকটা ঠিকভাবে করে সবচেয়ে আগে দৌড়ে শেষ প্রান্তে পৌঁছতে পারবে, সে ফার্স্ট হবে। মানে, কেউ আগে দৌড় শেষ করতে পারে, কিন্তু অংক ভুল হলে কোনো লাভ নাই। প্রতিযোগিতায় ভালো করার মূল শর্ত দ্ইুটা, ভালো দৌড়াতে হবে এবং দ্রুত অংক করতে জানতে হবে। আমি যেহেতু একটু দৌড়াতেও পারি এবং ফার্স্ট/সেকেন্ড হওয়ার অভ্যাস আছে, আমার জন্য এই খেলায় ভালো করার সব সম্ভাবনাই ছিল। আর সত্যি সত্যি সেটা হয়েছিলও।
আমি যখন ক্লাস ওয়ান থেকে প্রতিযোগিতার ভিতর যাত্রা শুরু করি, সম্ভবত তখন থেকেই ফার্স্ট হওয়ার প্রতি আমার এক ধরনের ভীতিই বলতে হবে এখন, তা ছিল। কারণ আমি কখনোই ফার্স্ট হতে পারতাম না, বিশেষ করে বার্ষিক পরীক্ষায়। যখন ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টু তে উঠি, ভুল করার সম্ভাবনা আমার খুবই কম ছিল, আম্মা-আব্বা, বিশেষ করে বড় ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে। তথাপি আমি তা পারি নাই। কারণ আমার হাতের লেখা যথেষ্ঠ পরিমাণ খারাপ হওয়ায়, একই নম্বর পাওয়ার পরও আমাকে সেকেন্ড ঘোষণা করা হয়। তবে রোল নম্বর আমার এক থাকে, বি সেকশনে। ক্লাস টু থেকে আমি ফোর্থ হয়ে ক্লাস থ্রিতে উঠি, পরিবারের নানা কটুবাক্য সহ্য করে এবং নিজের দিক থেকে কোনোরকম গ্লানি ও জটিলতা ছাড়াই। থ্রি থেকে ফোর-এ ওঠার সময় আবারও সেকেন্ড হই, নিজের দিক থেকে কোনোরকম গ্লানি ও জটিলতা ছাড়াই। কিন্তু পরিবারে কিছুটা শান্তি আসে এবং পাশাপাশি এই বোধটা দৃঢ় হয় যে, এই ছেলে কখনোই ফার্স্ট হতে পারবে না। কেননা, ফার্স্টের সাথে আমার ব্যবধান ছিল যোজন যোজন। আর ফার্স্টওলাও আমার উপর খুব খুশি এইরকম সেকেন্ড পেয়ে। আর আমিও ঈর্ষান্বিত নই। এইরকম খুশি খুশি ফার্স্ট-সেকেন্ড আমার ধারণা খুব কমই দেখা যায়।
কিন্তু ট্রাডেজিটা ঘটে তার পরেই। এই কম্পিটিশন না থাকাটা ফার্স্টর পরিবার মানতে পারে না, একই সিচুয়েশন ক্লাস ফ্লোর-এ ওঠার সময় ঘটলে, তারা তাকে নিকটস্থ হাইস্কুলের প্রাইমারী সেকশনে দাখিল করেন, আরো কম্পিটিশন মোকাবিলা করে হাইস্কুলের ভবিষ্যত প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য করে তুলবার আশায়। কিন্তু বিপদ হয় স্কুলের এবং আমার। আমি ফার্স্ট হতে পারি না আর ভালো স্কুলের প্রতিনিধিত্ব করার মতো মেরিট ছাত্র আর খুঁজে পাওয়া যায় না। উপরন্তু ভয়, যদি আমাকে কাট দেওয়ার প্ল্যান করেন, আমার পরিবার। কিন্তু আমার পরিবারে তখন স্বস্তির হাওয়া, এইবার তো অন্তঃত ফার্স্ট হতে পারবে! কারণ তৃতীয় বা চতুর্থ বলে কাউকে খুঁজে পাওয়া ছিল আরো মুশকিল। কিন্তু যথারীতি আমি ফার্স্ট হতে ব্যর্থ হই, প্রথম সাময়িকী পরীক্ষায়।
কারণ তখন উত্থান ঘটে নারীবাদের। দুই দুইজন নারী আমার সাথে ফার্স্ট হওয়ার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। একজন ফার্স্ট এবং একজন থার্ড হন। কম্পিটিশন জাগিয়ে তোলেন। যেহেতু তারা মেয়ে, আমি খুব একটা মাইন্ড করি না, কিন্তু একটু একটু খারাপ লাগে যখন লোকজন বলে যে, ‘শেষ পর্যন্ত মেয়েদের তলে পড়লি!’ সম্ভবত তখন থেকেই আমার মধ্যে নারীবাদের প্রতি সহানুভূতি জাগতে শুরু করে, পাল্টা যুক্তি দিতে গিয়ে যে, ‘মেয়েরা কী ছাত্র না! ওরা ফার্স্ট হতে পারবে না কেন?’ কিন্তু এই যুক্তি আমাকে শান্তি বা স্বস্তি কোনোটাই দিতে পারে না। এর পরিত্রাণ হিসাবে পড়াশোনার চিন্তা খানিকটা স্থগিত রেখে আমি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে শুরু করি।
মোটা দাগে, পরিস্থিতিটা এই।
আর তখনই খবর আসে যে, ইন্টারস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, উপজেলায়। এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আমি দুইটা খেলায় পারদর্শিতা অর্জনের চেষ্টা করি। একটা হচ্ছে একশ মিটার লম্বা দৌড় আর দ্বিতীয়টা হচ্ছে অংক দৌড়। প্রথমটা ব্যাখ্যা করার কিছু নাই। কিন্তু দ্বিতীয়টার নিয়মগুলি সম্পর্কে একটু বলি। প্রত্যেক প্রতিযোগীর হাতে একটা খাতা এবং কলম থাকবে। মাঠের মাঝখানটাতে ব্ল্যাক বোর্ডে একটা অংক দেয়া থাকবে। বাঁশি ফু দেয়ার সাথে সাথে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে দৌড় শুরু করতে হবে। ব্ল্যাকবোর্ডের কাছে গিয়ে অংকটা দেখে, তার সমাধান করে বাকি মাঠ দৌড় দিয়ে শেষ করতে হবে। যে অংকটা ঠিকভাবে করে সবচেয়ে আগে দৌড়ে শেষ প্রান্তে পৌঁছতে পারবে, সে ফার্স্ট হবে। মানে, কেউ আগে দৌড় শেষ করতে পারে, কিন্তু অংক ভুল হলে কোনো লাভ নাই। প্রতিযোগিতায় ভালো করার মূল শর্ত দ্ইুটা, ভালো দৌড়াতে হবে এবং দ্রুত অংক করতে জানতে হবে। আমি যেহেতু একটু দৌড়াতেও পারি এবং ফার্স্ট/সেকেন্ড হওয়ার অভ্যাস আছে, আমার জন্য এই খেলায় ভালো করার সব সম্ভাবনাই ছিল। আর সত্যি সত্যি সেটা হয়েছিলও।
স্কুলের মধ্যে প্র্যাকটিস করার সময় দৌড়ে ফার্স্ট বা সেকেন্ড হতে শুরু করি; আর অংক দৌড়ে স্কুলে ফার্স্ট তো আমি হই-ই, কিন্তু সেকেন্ড আর খুঁজেই পাওয়া যায় না। দেখা যায়, আমি অংক-দৌড় শেষ করে, কল থেকে পানি খেয়ে ফিরে আসার পরও যারা দৌড় শেষ করে আসছে, তাদের অংক পরীক্ষা করে সেকেন্ড নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি খেলায় প্রতি স্কুল থেকে দুইজন করে অংশ নিতে পারবে। আমি একশ মিটার লম্বা দৌড় এবং অংক দৌড়-এর প্লেয়ার। কিন্তু আমাদের স্কুল থেকে অংক দৌড়-এর জন্য সেকেন্ড আর কাউকে পাওয়াই গেলো না। তাই আমিই একমাত্র।
আমি খুবই খুশি হয়ে উঠি আমার নিজের কিছু করার মতো এই জায়গাটা পেয়ে। ভবিষ্যত সাফল্যের স্বপ্ন দিনে এবং রাতে সবসময় দেখতে শুরু করি। পরিকল্পনা করতে থাকি কী করে আমি আরো দ্রুত দৌড়াতে পারি, দৌড়টা কীভাবে শুরু করবো, অংক করার সময় কোন ভঙ্গিতে বসতে হবে, ইত্যাদি। আর অংক তো আমি পারিই। ফার্স্ট হই বা সেকেন্ড হই অংক পরীক্ষায় হায়েস্ট মার্কস আমার থাকেই। মেয়েরা এতটা ভালো অংক করা তখনও শেখে নাই।
দেখতে দেখতে একসময় প্রতিযোগিতার দিন চলে আসলো। প্রথমে পৌরসভা এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রতিযোগিতা হবে, তারপর উপজেলা পর্যায়ের খেলা। আমরা জানতাম যে, পৌরসভার প্রতিযোগিতাটা আমাদের স্কুলেই অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর ঘটলো না। কারণ আমাদের স্কুলের মাঠটা আবার ঈদগা’রও মাঠ। খেলাধুলার প্রতিযোগিতা করে সেই মাঠ নষ্ট করা যাবে না। তাই অন্য আরেকটা স্কুল ঠিক করা হলো। যদিও সেই মাঠটা ছোট।
আমরা সকাল নয়টার মধ্যে সেখানে পৌঁছে গেলাম। সব মিলিয়ে আট দশটা খেলা হবে হয়তো। কিন্তু আমার অন্য কোনো বিষয়েই মনোযোগ নাই। শুধুমাত্র আমার অংশগ্রহণের দুইটি খেলা ছাড়া।
প্রথমে হিট। মানে, বিশ/বাইশ জনের মধ্যে থেকে প্রথম আটজনকে মূল প্রতিযোগীতার জন্য বাছাই করা হবে। গোল-দৌড় আর মোরগের লড়াইয়ের পর একশ মিটার লম্বা দৌড়-এর ডাক পড়লো। হিটে আমি সপ্তম বা অষ্টম হয়ে মূল প্রতিযোগিতার জন্য কোয়ালিফাই করি। হিটের কিছুক্ষণ পরই মূল প্রতিযোগিতা। যথারীতি আটজনের মধ্যে আমি সপ্তম বা অষ্টম হই, তবে দৌড়টা শেষ করি। আমার তেমন কোনো খারাপ লাগে না। তারপরও হেডস্যার এসে সান্ত্বনা দেন, ‘এটা কিছু না, অংক দৌড়-এ ফার্স্ট হলেই হবে।’ আমারও প্ল্যান আসলে ওইটাই।
কিন্তু অংক-দৌড় হবে সবার শেষে। দুপুর প্রায় দুইটা। প্রথমে হিট। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমিও তৈরী। খাতা আছে। হার্ড কাভারের, বসে হাঁটুতে রেখে লিখতে সুবিধা হবে। কলম আছে দুইটা। হেডস্যার আরেকটা দিলেন। কলমের সমস্যার জন্য যাতে কোনো ঝামেলা না হয়।
লাইনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাঁশিতে ফুঁ পড়লো। আমি দৌড় দিলাম। আমার আগে আরো দুই তিনজন পৌঁছে গেছে। আমি ঘাবড়াই না। জানি অংকটা ঠিক করতে হবে। অংকটা কঠিন না। আমি পারছি। এর মধ্যেই একজন উঠে দৌড় দিল। তাজ্জব ব্যাপার! এর মধ্যেই হয়ে গেল! আমার আরো কিছুক্ষণ সময় লাগবে। আর কেউ না গেলেই হয়! আমার হাত কাঁপছে। অংকটা হয়ে আসছে। সময় লাগছে। কিন্তু হয়ে যাবে। হয়ে যাচ্ছে প্রায়। আর এই সময়ই যে ছেলেটা শেষ করে চলে গিয়েছিলো সে আবার দৌড়ে আসছে। আমার অংক করা শেষ। আমি জানি আমার অংকটা ঠিক হয়েছে। এইবার উঠে দৌড় দিই। আমার আগে আর কেউ পৌঁছতে পারে নাই। আমার খাতা জমা দিয়ে দিই। আমার মুখে তৃপ্তির হাসি। এতক্ষণে আরো একজন দুইজন আসতে শুরু করেছে। সেই ছেলেটাও আসছে। অংক চেক করার পর দেখা গেলো অংক ঠিক হয়েছে। তার মানে আমিই র্ফাস্ট। তা তো আমি হবোই! এখন শুধু ফাইনালটা বাকি!!
ফাইনাল অংক-দৌড়, কিছুক্ষণ পর। পানি পিপাসা লাগছে। হেডস্যার বললো, বেশি পানি না খেতে। অল্প একটু খেলাম। তারপর লাইন গিয়ে দাঁড়ালাম। এখন প্রতিযোগী অনেক কম। যে ছেলেটা গতবার আগে দৌড় দিয়েছিল, এবার সে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। খেয়াল করলাম। কিন্তু পাত্তা দিলাম না। আবারও সব কিছু তৈরী। র্বাঁশিতে ফুঁ পড়লো। দৌড় দিলাম। এবারও দুই তিনজনের পরই, অংকের কাছে পৌঁছলাম। কিন্তু আমলে নিলাম না, দৌড়বিদরা সব অংক করতে পারলেই হইতো! এবার অংকটা আগেরটার মতোই। একটু তাড়াতাড়ি করার চেষ্ট করলাম। আমার অংকটা শেষ হয়ে আসছে। শেষ করলাম। একটু চেক করতে করতে উঠে দাড়াচ্ছি, এমন সময় আমার পাশ থেকে সেই ছেলেটা দৌড় দিল। আমিও দৌড়াতে লাগলাম। কিন্তু তার থেকে একটু পিছনে। আমি বুঝতে পারলাম, কী ঘটেছে। কেন আমি এবারও সেকেন্ড হবো। ফার্স্ট হবো না এইবার আর। আমরা দুইজনই পৌঁছেছি, অংক শেষ করে। ওরটা আগে চেক হচ্ছে। আমি আমার খাতা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। এরপর আমারটা চেক হবে। যদি ওর অংকটা এবারও ভুল হয়! কিন্তু সেটা যে হবে না তাও আমি বুঝতে পারছি। ছেলেটা আমার মতোই বা হয়তো আমার চেয়েও ভালো। প্রথমবার ও বেশি তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করেছিলো। দ্বিতীয়বার সে সেটাকে শুধরে নিয়েছে। স্পীড-এর স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে আমাকে বেছে নিয়েছে। আমি অংক শেষ না করা পর্যন্ত সে সময় নিয়ে তার অংকটা চেক করেছে। আর আমি ওঠার আগেই সে দৌড়টা শুরু করে দিয়েছে। আসলে প্রতিটা খেলাতেই জিততে হলে যোগ্যতার পাশাপাশি কম্পিটিশন-এর মাত্রাটা বোঝাও জরুরী। অংক চেক করার পর রেজাল্ট ঘোষণা করা হলো। ছেলেটা ফার্স্ট হয়েছে। আর আমি আবারও সেকেন্ড। তবে উপজেলার প্রতিযোগিতায় প্রথম দুইজন যাবে। তাই আরেকটা চান্স থাকলো।
সপ্তাহ খানেক পরে, উপজেলার প্রতিযোগিতা। তবে ওইখানে ইউনিয়ন পর্যায়ের স্কুলগুলি থেকে ছাত্ররা আসবে। যাদের অংক পরীক্ষায় পাশ করতেই জান বেরিয়ে যায়, তারা আবার অংক-দৌড় করবে! তাই ফার্স্ট-সেকেন্ড যা হওয়ার তা পৌরসভার থেকেই হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ের খেলাগুলিতে নাকি অংক-দৌড়ের প্লেয়ারই খুঁজে পাওয়া যায় নাই। একটা ইউনিয়নে নাকি এই খেলাটা বাদই গেছে প্রতিযোগী না পাওয়ার কারণে। তাই ঐ ছেলেটাই আমার মেইন কম্পিটিটর। মানে ফার্স্ট-সেকেন্ড যেহেতু আমাদের মধ্যে থেকেই হবে, এইবার সেকেন্ড থেকে ফার্স্ট হওয়ার গোল্ডেন চান্স সামনে। হেডস্যারও তার রুমে ডেকে নিয়ে আমাকে একদিন এই বিষয়ে বললেন। বললেন যে, ‘ঐ ছেলেটা চালাক আছে। তোর ধারে কাছে ঘেঁষতে দিবি না, উপজেলার খেলায়। তোকে দেখে দেখে ও ফার্স্ট হয়ে গেছে। সাবধান, এই ভুল আর পরে করবি না।’ আমিও বুঝতে পারলাম। ঠিক আছে। দেখা যাবে। ওর তো যোগ্যতা মনে হয় আমার চাইতে একটু কমই। কারণ ও প্রথমবার অংক ভুল করেছে। আমি তা করি নাই। তার মানে ওর ঝোঁকটা ফার্স্ট হওয়ার ব্যাপারে। ও ফার্স্ট হতে চায়, যে করেই হোক, এর জন্য ও ভুলও করতে পারে। কিন্তু আমার এটা করার সম্ভাবনা খুব কম। কারণ আমি জানি, অংকটাও ঠিক করতে হবে, ফার্স্ট হতে হলে।
উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাটা হবে স্টেডিয়াম মাঠে। আমাদের স্কুল থেকে বেশ একটু দূরে। অনেক বড় মাঠ। কোরবানির ঈদে গরুর হাট বসে ঐ মাঠে। আমি সকালে স্কুলে যাবো। স্কুল থেকে হেডস্যারের সাথে স্টেডিয়ামে যাবো। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আব্বা পাঁচ টাকা দিলেন। বিশাল ব্যাপার। তখন প্রতিদিন আমি আব্বার কাছ থেকে আটআনা (৫০ পয়সা) করে পেতাম। ৫০ পয়সা একটু কম হলেও চলে, ২৫ পয়সা দামের দুইটি আইসক্রীম খাওয়া যায় বা পাঁচটা ঝাল আলু ১০ পয়সা করে এক একটা বা পঁচিশ পয়সা করে বড়ই বা জলপাই-এর আচার ইত্যাদি। মানে বেশি খাওয়া যায় না, কিন্তু চলে। আব্বা এই পাঁচ টাকা দেয়ার পর তার ব্যাখ্যা দিলেন। স্টেডিয়াম যেতে আসতে দুই টাকা করে লাগবে, চার টাকা। আর প্রতিযোগিতা শেষ হতে দুপুরের পরও হতে পারে। তাই টিফিনের জন্য এক টাকা। তারপরও পাঁচ টাকা। বিশাল ব্যাপার। আমি খুশীতে রওনা দিই।
স্টেডিয়ামে ঢুকে দেখি হাজার হাজার মানুষ। স্টেডিয়াম থই থই করছে। ঢোকার মুখে জিলাপীর দোকান। এক কোনায় চা বানাচ্ছে। আর ঢুকেই বাঁ দিকের কোণায় পুরি ভাজছে। হোটেলে গেলে বড়রা মিষ্টি বা জিলাপী খাওয়ায়, কিন্তু পুরি খাওয়ায় না। আমি প্ল্যান করলাম আজকে যে করেই হোক পুরি খেয়ে যাবো। আমি হেডস্যারের পিছন পিছন ডানদিকের এক জায়গায় চলে গেলাম। স্যার একটা চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে বললেন, এখান থেকে নড়বি না। অংক-দৌড় শুরু হলে আমি এসে নিয়ে যাবো। আর মাইকে ঘোষণা করবে অংক দৌড়-এর কথা। আমি বসে রইলাম। পুরির কথা চিন্তা করলাম। এত এত মানুষ। আমি দেখতেই লাগলাম।
একসময় ঘোষণা হলো একটু পরেই অংক-দৌড় শুরু হবে। যে যে স্কুলের স্যারেরা তাদের প্রতিযোগীদের নিয়ে তৈরি হলেন। যেখান থেকে দৌড়টা শুরু হবে সেখানে যাচ্ছি, হেডস্যারের সাথে। এখানে হিট নাই। একটাই দৌড়। ওইটাই ফাইনাল। গিয়ে দেখি ওই ছেলেটা এসেছে। সে আমার কাছে এসে বললো, পৌরসভা থেকেই ফার্স্ট সেকেন্ড হতে হবে। আমরাই ফার্স্ট সেকেন্ড হবো। আর তুমি তো ভালোই পারো। কোনো সমস্যা হবে না। আমি বললাম, ঠিক আছে। দেখা যাক না। আমি ওর কাছ থেকে একটু সরে গিয়ে আরো দুইজনের পরে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাঁশি ফুঁ দিবে। আমিও তৈরী। এইবার আমি ফার্স্ট হবোই। এছাড়া আর কোনো উপায়ই নাই। দৌড় শুরু হলো। এইবার দূরত্বটা অনেক বেশি। অনেক দূরে বোর্ডটা। আমি কয়েকজনের পরে গিয়ে পৌঁছলাম বোর্ডের কাছে। সমস্যা নাই। দৌড়টা মেইন না। অংকটা ঠিকমতো করতে হবে। কিন্তু এ কী! এ তো বিশাল একটা সরল অংক। অনেকগুলি যোগবিয়োগপুরণভাগ। এইটা করতে তো অনেক সময় লাগবে। সময় পার হচ্ছেও। কেউই দৌড় দিচ্ছে না। সবাই অংক করছে। আমার ভয় হচ্ছে অংকটা শেষ পর্যন্ত করতে পারবো তো। ভুল করছি না তো। আবার নতুন করে শুরু করবো নাকি। এই সময় একজন দৌড় দিল। আমি পাত্তা দিলাম না। অংকটা আগে মিলাই। তারপর আরেকজন দৌড় দিল। তারপর সেই ছেলেটা। আমার অংক এখনো শেষই হয়নি। আরো কিছু সময় লাগবে। আরেকটু বাকি। চিৎকার শুনে আড়চোখে তাকিয়ে দেখি হেডস্যার চিল্লাচ্ছে, দৌড় দে, দৌড়াইতে দৌড়াইতে শেষ কর। আমারও শেষ হয়ে আসছে অংকটা। হয় নাই মনে হয়। তারপরও দৌড় দিলাম। সাত আটজনের পরে গিয়া দাঁড়াইলাম। একজন একজন করে চেক করা হচ্ছে। প্রথম দুইজনের অংক ভুল। ওই ছেলেটার চেক হচ্ছে। হেডস্যার আমার পাশে এসে অংকটা দেখার চেষ্টা করলেন। আমি স্যারকে জিজ্ঞেস করলাম, হয়েছে কিনা। স্যার কিছু বলার আগেই আমার খাতা চেকের জন্যে চলে গেলো। এই পর্যন্ত কারোরটাই হয় নাই। আমারটাও ভুল হলো। আমার পিছনে আরো অনেকে। সবারটাই ভুল। এখন স্যারদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলো। কে এই অংকটা দিছে? অংকটা ঠিক আছে কিনা, ইত্যাদি…।
হেডস্যার আমাকে এসে বললেন, আগের জায়গাটায় গিয়ে বসতে। প্রতিযোগিতা হয়তো আবার হবে, তখন ডাক দিবেন। বাসায় যাতে না চলে যাই।
আমি ক্লান্ত হয়ে গিয়ে বসে পড়লাম। এবারের দৌড়ের জায়গাটা অনেক বড়। পানি পিপাসা লাগছে। প্রচণ্ড রোদ। গরম। ঘামছি বসে বসে। কখন যে ডাকবে আবার। বসা থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করলাম। চারপাশে আরো কত মানুষ। কাউকেই চিনি না। আধঘণ্টা। একঘণ্টা। দুইঘণ্টাও হয়ে যাচ্ছে হয়তো। এইবার হাঁটার সীমানাটা আরেকটু বাড়াইলাম। হঠাৎ মনে পড়লো। আরে! পুরি খেয়ে আসি না কেন! পকেটে তো পাঁচ টাকাই রয়ে গেছে। আমি খুঁজতে খুঁজতে বাম দিকে থেকে ডানদিকে যেতে লাগলাম। মানুষের ভিড়ে হাঁটাও মুশকিল। হাঁটতে হাঁটতে একসময় দেখলাম ভিড়ের শেষ মাথায় পুরির দোকান। প্রচণ্ড রোদে কেরোসিনের চুলাটা চলছে। আশপাশটা নরকের মতো প্রায়। চুলার কড়াইয়ে গরম তেল। এখন সিঙ্গাড়া ভাজা চলছে। পাশে টিনের থালায় বিশাল সাইজের বড় বড় পুরি। আমি জিজ্ঞাসা করলাম দাম কত। দোকানি বললো এক টাকা। আমি দুইটা কিনলাম। কাগজের ভিতর ভরে দোকানি আমার হাতে দিলো। পুরিগুলি খুব একটা গরম না। একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডাই। বেশ কিছুক্ষণ আগে ভাজা হয়েছে। তারপরও পুরি তো খাচ্ছি। আমার বেশ ভালোই লাগছে। মনে হচ্ছে আমি বড় হয়ে উঠছি। হাঁটতে হাঁটতে পুরি খাচ্ছি। আমার বহুদিনের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। অংক-দৌড়টা তো আর হলো না। অন্তঃত পুরি খাওয়াটা হলো। আমি খেতে খেতে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছি।
এমনসময় হঠাৎ শুনি মাইকে করে আমার নাম ডাকা হচ্ছে। কী ব্যাপার? আমি আমার আগের জায়গাটায় যাওয়ার চেষ্টা করলাম। হাঁটতে থাকলাম আরো দ্রুত। দৌড়াচ্ছি রীতিমতো। মানুষের ভিড়ে পারছি না যেতে। এবার দৌড়ই দিলাম। দৌড়তে দৌড়তে যখন আমার আগের বসে থাকার জায়গাটাতে এলাম তখনও দেখি আরো দূরে সামিয়ানার নিচে দাঁড়িয়ে হেডস্যার আমার নাম ধরে বলছেন, তুমি যেখানেই থাকো না কেন, এই মুহূর্তে এখানে চলে এসো। আর আমার সামনে, আরো দূরে প্রতিযোগিরা বসে অংক করছে। আমি বুঝতে পারছি, এখন আর যাওয়ার কোনো মানে হয় নাই। আমি আর প্রতিযোগিতার ভিতর নাই। প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। শেষও হয়ে যাবে একসময়। আমি আর এর ভিতরে নাই। প্রতিযোগিতার বাইরে ছিটকে গেছি আমি! এই প্রতিযোগিতাতে আমি আর প্রতিযোগী নই! আমি পুরি খাওয়ার জন্যে চলে যাওয়ার সময় দৌড় শুরু হয়ে গেছে। আর আমি মাইকে কথা শুনে দ্রুত দৌড়ে আসতে গিয়ে আমার অর্ধেক খাওয়া পুরিটা কোথাও ফেলে দিয়ে এসেছি। আমি আস্তে আস্তে ক্লান্ত হয়ে হেড স্যারের দিকে গেলাম। ততক্ষণে প্রতিযোগিরা অংক শেষ করে দৌড় দিয়েছে। পৌঁছে গেছে শেষ মাথায়। আর আমি হেডস্যারের সামনে। স্যার আমার দিকে তাকাতেও পারছেন না। বললেন শুধু, ‘এত বড় বেকুবিটা করলি!’ তারপর গিয়ে একে ওকে ধরার চেষ্টা করলেন। আবার কিছু করা যায় কিনা। দুপুর তিনটা প্রায় তখন। কাউকেই আর রাজি করাতে পারলেন না তিনি। আমাকে বললেন, যা বাসায় চলে যা। কালকে স্কুলে দেখা করিস। আমি প্রতিযোগীদের পাশ দিয়ে হেঁটে বেরিয়ে চলে যাচ্ছি। ঐ ছেলেটা এবারও ফার্স্ট হয়েছে। ফার্স্ট হওয়াটা তো খারাপ কিছু না। ভালোই হয়তো। আমার কিছু চিন্তা করতেও ভালো লাগছে না। এতো খারাপ লাগছে। বারাবার ভাবতে লাগলাম, কেন আমি পুরি খেতে গিয়েছিলাম। ওইটাই সব নষ্টের কারণ। আমি আর জীবনেও পুরি খাবো না।
অবশ্য এই ঘটনায় বাসায় তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া হলো না। মানে একদম কিছুই না। প্রতিযোগিতার ভিতর এইরকমটা যেন ঘটতেই পারে। কিন্তু আমিই মানতে পারছিলাম না। আমি আর কোনোদিনই পুরি খাবো না। এইটাই ভাবতে লাগলাম শুধু।
পরের দিন বেশ আগে আগে স্কুলে চলে গেলাম। আমাদের ক্লাসরুমে গিয়ে বসে থাকলাম। হেডস্যারের রুমের সামনে দিয়ে একটু হেঁটে আসলাম। দেখলাম স্যার খুব চিন্তামগ্নভাবে বসে আছেন। আমি তার রুমে ঢুকলাম না। আবার ক্লাসরুমে গিয়ে বসলাম। একটু পরে দপ্তরি এসে বললো, ‘হেডস্যার আপনারে ডাকতাছে।’ আমি খুব খুব আস্তে আস্তে হেঁটে স্যারের রুমে গেলাম। স্যারের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। স্যার চেয়ার থেকে উঠে বললেন, ‘এইটা তুই একটা কাজ করলি! একটা নিশ্চিত প্রাইজ তুই নষ্ট করে দিলি!’ আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। স্যারের দিকে তাকানোর সাহসও হচ্ছে না। আমি জানি এইসবই সত্যি। শালা কেন যে আমি পুরি খেতে গেলাম! ‘বেয়াদব কোথাকার!’ বলে হেডস্যার বিশাল এক চড় দিলেন আমার গালে। অপমানে না, ব্যথায় আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো। চোখমুখ অন্ধকার হয়ে আসলো। কিছুক্ষণ পর শুনি স্যার বলছেন, ‘যা এখন।’ আমি চলে আসলাম, ক্লাসরুমে। আমার চোখ দিয়ে তখনও পানি পড়ছে। একটা মেয়ে চলে আসছে। শে বিস্ময়াভূত হয়ে জজ্ঞেস করলো, ‘হেডস্যার তোমারে চড় দিছে!’ আমি ভাবলাম ঠিকই আছে। শালা, তুমি গেছো পুরি খাইতে!
সারাদিন স্কুলে এইটাই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠলো যে স্কুলের সেরা ছাত্র হেডস্যারের চড় খাইছে। ক্লাসরুম থেকে শুরু করে টিচারস রুম পর্যন্ত। বেশিরভাগেরই মতে, ঘটনা যা-ই হোক স্যারের চড় দেয়াটা ঠিক হয় নাই, ওর তো আর দোষ নাই, এইরকমটা হইতেই পারে। একজন আপা তো ডেকে নিয়ে একটু সান্ত্বনাও দিয়ে দিলেন, মন খারাপ করো না, এরকম হয়ই। আবার অনেকে বললেন, একজন স্যার তো একজন ছাত্রকে চড় দিতেই পারেন। স্যার তো আর এমনিতে রাগ করেন নাই। স্কুলের নিশ্চিত একটা প্রাইজ মিস হলো! এর পক্ষে ও বিপক্ষে এইরকম অনেক মতামত জড়ো হলো। বলা বাহুল্য আমি এই চড় দেয়ার পক্ষে ছিলাম। কারণ, শালা তুমি পুরি খাইতে যাও!
তবে যা-ই হোক। শেষ পর্যন্ত আমি আমার এই্ পণ এ অটল থাকতে পারি নাই। এখনো রাস্তায় গরম পুরি দেখলে, কিনে নিয়ে খেতে খেতে বাসায় যাই। ভ্যারিয়েশন বাড়ছে। ঢাকা শহরে এখন নানারকম পুরি পাওয়া যায়। এখনো আটআনার পুরি পাওয়া যায় মৌচাক মার্কেটে। পাঁচ টাকার বিশাল কিমা পুরি পাওয়া যায় মিরপুরে। আলুপুরি কম পাওয়া যায়। বেশি পাওয়া যায়, ডালপুরি। তবে ভিতরে ডাল থাকে না। খালি ময়দার আটি। আর দুই টাকারটার চাইতে এক টাকারটাই ভালো। আমি মাঝে মাঝেই ভাবি, পুরি আর খাবো না শালা। এইটা অপয়া। এর লোভ আমাকে প্রতিযোগিতা থেকে বের করে দিয়েছে। কিন্তু তারপরও আমি পুরি খেয়েই চলি। ভাবি এই ঘটনার কথা। পরাজয়ের গ্লানির চাইতেও আরো রূঢ় সেই অভিজ্ঞতার কথা। আমার যাবতীয় অ-সাফল্য, না-পারা বেদনা যেন এই পুরি খাওয়ার দৃশ্যের ভিতর দিয়াই বাস্তবিক রূপ পায়।
এপ্রিল, ২০০৭
আমি খুবই খুশি হয়ে উঠি আমার নিজের কিছু করার মতো এই জায়গাটা পেয়ে। ভবিষ্যত সাফল্যের স্বপ্ন দিনে এবং রাতে সবসময় দেখতে শুরু করি। পরিকল্পনা করতে থাকি কী করে আমি আরো দ্রুত দৌড়াতে পারি, দৌড়টা কীভাবে শুরু করবো, অংক করার সময় কোন ভঙ্গিতে বসতে হবে, ইত্যাদি। আর অংক তো আমি পারিই। ফার্স্ট হই বা সেকেন্ড হই অংক পরীক্ষায় হায়েস্ট মার্কস আমার থাকেই। মেয়েরা এতটা ভালো অংক করা তখনও শেখে নাই।
দেখতে দেখতে একসময় প্রতিযোগিতার দিন চলে আসলো। প্রথমে পৌরসভা এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রতিযোগিতা হবে, তারপর উপজেলা পর্যায়ের খেলা। আমরা জানতাম যে, পৌরসভার প্রতিযোগিতাটা আমাদের স্কুলেই অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর ঘটলো না। কারণ আমাদের স্কুলের মাঠটা আবার ঈদগা’রও মাঠ। খেলাধুলার প্রতিযোগিতা করে সেই মাঠ নষ্ট করা যাবে না। তাই অন্য আরেকটা স্কুল ঠিক করা হলো। যদিও সেই মাঠটা ছোট।
আমরা সকাল নয়টার মধ্যে সেখানে পৌঁছে গেলাম। সব মিলিয়ে আট দশটা খেলা হবে হয়তো। কিন্তু আমার অন্য কোনো বিষয়েই মনোযোগ নাই। শুধুমাত্র আমার অংশগ্রহণের দুইটি খেলা ছাড়া।
প্রথমে হিট। মানে, বিশ/বাইশ জনের মধ্যে থেকে প্রথম আটজনকে মূল প্রতিযোগীতার জন্য বাছাই করা হবে। গোল-দৌড় আর মোরগের লড়াইয়ের পর একশ মিটার লম্বা দৌড়-এর ডাক পড়লো। হিটে আমি সপ্তম বা অষ্টম হয়ে মূল প্রতিযোগিতার জন্য কোয়ালিফাই করি। হিটের কিছুক্ষণ পরই মূল প্রতিযোগিতা। যথারীতি আটজনের মধ্যে আমি সপ্তম বা অষ্টম হই, তবে দৌড়টা শেষ করি। আমার তেমন কোনো খারাপ লাগে না। তারপরও হেডস্যার এসে সান্ত্বনা দেন, ‘এটা কিছু না, অংক দৌড়-এ ফার্স্ট হলেই হবে।’ আমারও প্ল্যান আসলে ওইটাই।
কিন্তু অংক-দৌড় হবে সবার শেষে। দুপুর প্রায় দুইটা। প্রথমে হিট। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আমিও তৈরী। খাতা আছে। হার্ড কাভারের, বসে হাঁটুতে রেখে লিখতে সুবিধা হবে। কলম আছে দুইটা। হেডস্যার আরেকটা দিলেন। কলমের সমস্যার জন্য যাতে কোনো ঝামেলা না হয়।
লাইনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাঁশিতে ফুঁ পড়লো। আমি দৌড় দিলাম। আমার আগে আরো দুই তিনজন পৌঁছে গেছে। আমি ঘাবড়াই না। জানি অংকটা ঠিক করতে হবে। অংকটা কঠিন না। আমি পারছি। এর মধ্যেই একজন উঠে দৌড় দিল। তাজ্জব ব্যাপার! এর মধ্যেই হয়ে গেল! আমার আরো কিছুক্ষণ সময় লাগবে। আর কেউ না গেলেই হয়! আমার হাত কাঁপছে। অংকটা হয়ে আসছে। সময় লাগছে। কিন্তু হয়ে যাবে। হয়ে যাচ্ছে প্রায়। আর এই সময়ই যে ছেলেটা শেষ করে চলে গিয়েছিলো সে আবার দৌড়ে আসছে। আমার অংক করা শেষ। আমি জানি আমার অংকটা ঠিক হয়েছে। এইবার উঠে দৌড় দিই। আমার আগে আর কেউ পৌঁছতে পারে নাই। আমার খাতা জমা দিয়ে দিই। আমার মুখে তৃপ্তির হাসি। এতক্ষণে আরো একজন দুইজন আসতে শুরু করেছে। সেই ছেলেটাও আসছে। অংক চেক করার পর দেখা গেলো অংক ঠিক হয়েছে। তার মানে আমিই র্ফাস্ট। তা তো আমি হবোই! এখন শুধু ফাইনালটা বাকি!!
ফাইনাল অংক-দৌড়, কিছুক্ষণ পর। পানি পিপাসা লাগছে। হেডস্যার বললো, বেশি পানি না খেতে। অল্প একটু খেলাম। তারপর লাইন গিয়ে দাঁড়ালাম। এখন প্রতিযোগী অনেক কম। যে ছেলেটা গতবার আগে দৌড় দিয়েছিল, এবার সে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। খেয়াল করলাম। কিন্তু পাত্তা দিলাম না। আবারও সব কিছু তৈরী। র্বাঁশিতে ফুঁ পড়লো। দৌড় দিলাম। এবারও দুই তিনজনের পরই, অংকের কাছে পৌঁছলাম। কিন্তু আমলে নিলাম না, দৌড়বিদরা সব অংক করতে পারলেই হইতো! এবার অংকটা আগেরটার মতোই। একটু তাড়াতাড়ি করার চেষ্ট করলাম। আমার অংকটা শেষ হয়ে আসছে। শেষ করলাম। একটু চেক করতে করতে উঠে দাড়াচ্ছি, এমন সময় আমার পাশ থেকে সেই ছেলেটা দৌড় দিল। আমিও দৌড়াতে লাগলাম। কিন্তু তার থেকে একটু পিছনে। আমি বুঝতে পারলাম, কী ঘটেছে। কেন আমি এবারও সেকেন্ড হবো। ফার্স্ট হবো না এইবার আর। আমরা দুইজনই পৌঁছেছি, অংক শেষ করে। ওরটা আগে চেক হচ্ছে। আমি আমার খাতা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। এরপর আমারটা চেক হবে। যদি ওর অংকটা এবারও ভুল হয়! কিন্তু সেটা যে হবে না তাও আমি বুঝতে পারছি। ছেলেটা আমার মতোই বা হয়তো আমার চেয়েও ভালো। প্রথমবার ও বেশি তাড়াতাড়ি করার চেষ্টা করেছিলো। দ্বিতীয়বার সে সেটাকে শুধরে নিয়েছে। স্পীড-এর স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে আমাকে বেছে নিয়েছে। আমি অংক শেষ না করা পর্যন্ত সে সময় নিয়ে তার অংকটা চেক করেছে। আর আমি ওঠার আগেই সে দৌড়টা শুরু করে দিয়েছে। আসলে প্রতিটা খেলাতেই জিততে হলে যোগ্যতার পাশাপাশি কম্পিটিশন-এর মাত্রাটা বোঝাও জরুরী। অংক চেক করার পর রেজাল্ট ঘোষণা করা হলো। ছেলেটা ফার্স্ট হয়েছে। আর আমি আবারও সেকেন্ড। তবে উপজেলার প্রতিযোগিতায় প্রথম দুইজন যাবে। তাই আরেকটা চান্স থাকলো।
সপ্তাহ খানেক পরে, উপজেলার প্রতিযোগিতা। তবে ওইখানে ইউনিয়ন পর্যায়ের স্কুলগুলি থেকে ছাত্ররা আসবে। যাদের অংক পরীক্ষায় পাশ করতেই জান বেরিয়ে যায়, তারা আবার অংক-দৌড় করবে! তাই ফার্স্ট-সেকেন্ড যা হওয়ার তা পৌরসভার থেকেই হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ের খেলাগুলিতে নাকি অংক-দৌড়ের প্লেয়ারই খুঁজে পাওয়া যায় নাই। একটা ইউনিয়নে নাকি এই খেলাটা বাদই গেছে প্রতিযোগী না পাওয়ার কারণে। তাই ঐ ছেলেটাই আমার মেইন কম্পিটিটর। মানে ফার্স্ট-সেকেন্ড যেহেতু আমাদের মধ্যে থেকেই হবে, এইবার সেকেন্ড থেকে ফার্স্ট হওয়ার গোল্ডেন চান্স সামনে। হেডস্যারও তার রুমে ডেকে নিয়ে আমাকে একদিন এই বিষয়ে বললেন। বললেন যে, ‘ঐ ছেলেটা চালাক আছে। তোর ধারে কাছে ঘেঁষতে দিবি না, উপজেলার খেলায়। তোকে দেখে দেখে ও ফার্স্ট হয়ে গেছে। সাবধান, এই ভুল আর পরে করবি না।’ আমিও বুঝতে পারলাম। ঠিক আছে। দেখা যাবে। ওর তো যোগ্যতা মনে হয় আমার চাইতে একটু কমই। কারণ ও প্রথমবার অংক ভুল করেছে। আমি তা করি নাই। তার মানে ওর ঝোঁকটা ফার্স্ট হওয়ার ব্যাপারে। ও ফার্স্ট হতে চায়, যে করেই হোক, এর জন্য ও ভুলও করতে পারে। কিন্তু আমার এটা করার সম্ভাবনা খুব কম। কারণ আমি জানি, অংকটাও ঠিক করতে হবে, ফার্স্ট হতে হলে।
উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাটা হবে স্টেডিয়াম মাঠে। আমাদের স্কুল থেকে বেশ একটু দূরে। অনেক বড় মাঠ। কোরবানির ঈদে গরুর হাট বসে ঐ মাঠে। আমি সকালে স্কুলে যাবো। স্কুল থেকে হেডস্যারের সাথে স্টেডিয়ামে যাবো। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আব্বা পাঁচ টাকা দিলেন। বিশাল ব্যাপার। তখন প্রতিদিন আমি আব্বার কাছ থেকে আটআনা (৫০ পয়সা) করে পেতাম। ৫০ পয়সা একটু কম হলেও চলে, ২৫ পয়সা দামের দুইটি আইসক্রীম খাওয়া যায় বা পাঁচটা ঝাল আলু ১০ পয়সা করে এক একটা বা পঁচিশ পয়সা করে বড়ই বা জলপাই-এর আচার ইত্যাদি। মানে বেশি খাওয়া যায় না, কিন্তু চলে। আব্বা এই পাঁচ টাকা দেয়ার পর তার ব্যাখ্যা দিলেন। স্টেডিয়াম যেতে আসতে দুই টাকা করে লাগবে, চার টাকা। আর প্রতিযোগিতা শেষ হতে দুপুরের পরও হতে পারে। তাই টিফিনের জন্য এক টাকা। তারপরও পাঁচ টাকা। বিশাল ব্যাপার। আমি খুশীতে রওনা দিই।
স্টেডিয়ামে ঢুকে দেখি হাজার হাজার মানুষ। স্টেডিয়াম থই থই করছে। ঢোকার মুখে জিলাপীর দোকান। এক কোনায় চা বানাচ্ছে। আর ঢুকেই বাঁ দিকের কোণায় পুরি ভাজছে। হোটেলে গেলে বড়রা মিষ্টি বা জিলাপী খাওয়ায়, কিন্তু পুরি খাওয়ায় না। আমি প্ল্যান করলাম আজকে যে করেই হোক পুরি খেয়ে যাবো। আমি হেডস্যারের পিছন পিছন ডানদিকের এক জায়গায় চলে গেলাম। স্যার একটা চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে বললেন, এখান থেকে নড়বি না। অংক-দৌড় শুরু হলে আমি এসে নিয়ে যাবো। আর মাইকে ঘোষণা করবে অংক দৌড়-এর কথা। আমি বসে রইলাম। পুরির কথা চিন্তা করলাম। এত এত মানুষ। আমি দেখতেই লাগলাম।
একসময় ঘোষণা হলো একটু পরেই অংক-দৌড় শুরু হবে। যে যে স্কুলের স্যারেরা তাদের প্রতিযোগীদের নিয়ে তৈরি হলেন। যেখান থেকে দৌড়টা শুরু হবে সেখানে যাচ্ছি, হেডস্যারের সাথে। এখানে হিট নাই। একটাই দৌড়। ওইটাই ফাইনাল। গিয়ে দেখি ওই ছেলেটা এসেছে। সে আমার কাছে এসে বললো, পৌরসভা থেকেই ফার্স্ট সেকেন্ড হতে হবে। আমরাই ফার্স্ট সেকেন্ড হবো। আর তুমি তো ভালোই পারো। কোনো সমস্যা হবে না। আমি বললাম, ঠিক আছে। দেখা যাক না। আমি ওর কাছ থেকে একটু সরে গিয়ে আরো দুইজনের পরে গিয়ে দাঁড়ালাম। বাঁশি ফুঁ দিবে। আমিও তৈরী। এইবার আমি ফার্স্ট হবোই। এছাড়া আর কোনো উপায়ই নাই। দৌড় শুরু হলো। এইবার দূরত্বটা অনেক বেশি। অনেক দূরে বোর্ডটা। আমি কয়েকজনের পরে গিয়ে পৌঁছলাম বোর্ডের কাছে। সমস্যা নাই। দৌড়টা মেইন না। অংকটা ঠিকমতো করতে হবে। কিন্তু এ কী! এ তো বিশাল একটা সরল অংক। অনেকগুলি যোগবিয়োগপুরণভাগ। এইটা করতে তো অনেক সময় লাগবে। সময় পার হচ্ছেও। কেউই দৌড় দিচ্ছে না। সবাই অংক করছে। আমার ভয় হচ্ছে অংকটা শেষ পর্যন্ত করতে পারবো তো। ভুল করছি না তো। আবার নতুন করে শুরু করবো নাকি। এই সময় একজন দৌড় দিল। আমি পাত্তা দিলাম না। অংকটা আগে মিলাই। তারপর আরেকজন দৌড় দিল। তারপর সেই ছেলেটা। আমার অংক এখনো শেষই হয়নি। আরো কিছু সময় লাগবে। আরেকটু বাকি। চিৎকার শুনে আড়চোখে তাকিয়ে দেখি হেডস্যার চিল্লাচ্ছে, দৌড় দে, দৌড়াইতে দৌড়াইতে শেষ কর। আমারও শেষ হয়ে আসছে অংকটা। হয় নাই মনে হয়। তারপরও দৌড় দিলাম। সাত আটজনের পরে গিয়া দাঁড়াইলাম। একজন একজন করে চেক করা হচ্ছে। প্রথম দুইজনের অংক ভুল। ওই ছেলেটার চেক হচ্ছে। হেডস্যার আমার পাশে এসে অংকটা দেখার চেষ্টা করলেন। আমি স্যারকে জিজ্ঞেস করলাম, হয়েছে কিনা। স্যার কিছু বলার আগেই আমার খাতা চেকের জন্যে চলে গেলো। এই পর্যন্ত কারোরটাই হয় নাই। আমারটাও ভুল হলো। আমার পিছনে আরো অনেকে। সবারটাই ভুল। এখন স্যারদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলো। কে এই অংকটা দিছে? অংকটা ঠিক আছে কিনা, ইত্যাদি…।
হেডস্যার আমাকে এসে বললেন, আগের জায়গাটায় গিয়ে বসতে। প্রতিযোগিতা হয়তো আবার হবে, তখন ডাক দিবেন। বাসায় যাতে না চলে যাই।
আমি ক্লান্ত হয়ে গিয়ে বসে পড়লাম। এবারের দৌড়ের জায়গাটা অনেক বড়। পানি পিপাসা লাগছে। প্রচণ্ড রোদ। গরম। ঘামছি বসে বসে। কখন যে ডাকবে আবার। বসা থেকে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করলাম। চারপাশে আরো কত মানুষ। কাউকেই চিনি না। আধঘণ্টা। একঘণ্টা। দুইঘণ্টাও হয়ে যাচ্ছে হয়তো। এইবার হাঁটার সীমানাটা আরেকটু বাড়াইলাম। হঠাৎ মনে পড়লো। আরে! পুরি খেয়ে আসি না কেন! পকেটে তো পাঁচ টাকাই রয়ে গেছে। আমি খুঁজতে খুঁজতে বাম দিকে থেকে ডানদিকে যেতে লাগলাম। মানুষের ভিড়ে হাঁটাও মুশকিল। হাঁটতে হাঁটতে একসময় দেখলাম ভিড়ের শেষ মাথায় পুরির দোকান। প্রচণ্ড রোদে কেরোসিনের চুলাটা চলছে। আশপাশটা নরকের মতো প্রায়। চুলার কড়াইয়ে গরম তেল। এখন সিঙ্গাড়া ভাজা চলছে। পাশে টিনের থালায় বিশাল সাইজের বড় বড় পুরি। আমি জিজ্ঞাসা করলাম দাম কত। দোকানি বললো এক টাকা। আমি দুইটা কিনলাম। কাগজের ভিতর ভরে দোকানি আমার হাতে দিলো। পুরিগুলি খুব একটা গরম না। একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডাই। বেশ কিছুক্ষণ আগে ভাজা হয়েছে। তারপরও পুরি তো খাচ্ছি। আমার বেশ ভালোই লাগছে। মনে হচ্ছে আমি বড় হয়ে উঠছি। হাঁটতে হাঁটতে পুরি খাচ্ছি। আমার বহুদিনের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। অংক-দৌড়টা তো আর হলো না। অন্তঃত পুরি খাওয়াটা হলো। আমি খেতে খেতে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছি।
এমনসময় হঠাৎ শুনি মাইকে করে আমার নাম ডাকা হচ্ছে। কী ব্যাপার? আমি আমার আগের জায়গাটায় যাওয়ার চেষ্টা করলাম। হাঁটতে থাকলাম আরো দ্রুত। দৌড়াচ্ছি রীতিমতো। মানুষের ভিড়ে পারছি না যেতে। এবার দৌড়ই দিলাম। দৌড়তে দৌড়তে যখন আমার আগের বসে থাকার জায়গাটাতে এলাম তখনও দেখি আরো দূরে সামিয়ানার নিচে দাঁড়িয়ে হেডস্যার আমার নাম ধরে বলছেন, তুমি যেখানেই থাকো না কেন, এই মুহূর্তে এখানে চলে এসো। আর আমার সামনে, আরো দূরে প্রতিযোগিরা বসে অংক করছে। আমি বুঝতে পারছি, এখন আর যাওয়ার কোনো মানে হয় নাই। আমি আর প্রতিযোগিতার ভিতর নাই। প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। শেষও হয়ে যাবে একসময়। আমি আর এর ভিতরে নাই। প্রতিযোগিতার বাইরে ছিটকে গেছি আমি! এই প্রতিযোগিতাতে আমি আর প্রতিযোগী নই! আমি পুরি খাওয়ার জন্যে চলে যাওয়ার সময় দৌড় শুরু হয়ে গেছে। আর আমি মাইকে কথা শুনে দ্রুত দৌড়ে আসতে গিয়ে আমার অর্ধেক খাওয়া পুরিটা কোথাও ফেলে দিয়ে এসেছি। আমি আস্তে আস্তে ক্লান্ত হয়ে হেড স্যারের দিকে গেলাম। ততক্ষণে প্রতিযোগিরা অংক শেষ করে দৌড় দিয়েছে। পৌঁছে গেছে শেষ মাথায়। আর আমি হেডস্যারের সামনে। স্যার আমার দিকে তাকাতেও পারছেন না। বললেন শুধু, ‘এত বড় বেকুবিটা করলি!’ তারপর গিয়ে একে ওকে ধরার চেষ্টা করলেন। আবার কিছু করা যায় কিনা। দুপুর তিনটা প্রায় তখন। কাউকেই আর রাজি করাতে পারলেন না তিনি। আমাকে বললেন, যা বাসায় চলে যা। কালকে স্কুলে দেখা করিস। আমি প্রতিযোগীদের পাশ দিয়ে হেঁটে বেরিয়ে চলে যাচ্ছি। ঐ ছেলেটা এবারও ফার্স্ট হয়েছে। ফার্স্ট হওয়াটা তো খারাপ কিছু না। ভালোই হয়তো। আমার কিছু চিন্তা করতেও ভালো লাগছে না। এতো খারাপ লাগছে। বারাবার ভাবতে লাগলাম, কেন আমি পুরি খেতে গিয়েছিলাম। ওইটাই সব নষ্টের কারণ। আমি আর জীবনেও পুরি খাবো না।
অবশ্য এই ঘটনায় বাসায় তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া হলো না। মানে একদম কিছুই না। প্রতিযোগিতার ভিতর এইরকমটা যেন ঘটতেই পারে। কিন্তু আমিই মানতে পারছিলাম না। আমি আর কোনোদিনই পুরি খাবো না। এইটাই ভাবতে লাগলাম শুধু।
পরের দিন বেশ আগে আগে স্কুলে চলে গেলাম। আমাদের ক্লাসরুমে গিয়ে বসে থাকলাম। হেডস্যারের রুমের সামনে দিয়ে একটু হেঁটে আসলাম। দেখলাম স্যার খুব চিন্তামগ্নভাবে বসে আছেন। আমি তার রুমে ঢুকলাম না। আবার ক্লাসরুমে গিয়ে বসলাম। একটু পরে দপ্তরি এসে বললো, ‘হেডস্যার আপনারে ডাকতাছে।’ আমি খুব খুব আস্তে আস্তে হেঁটে স্যারের রুমে গেলাম। স্যারের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। স্যার চেয়ার থেকে উঠে বললেন, ‘এইটা তুই একটা কাজ করলি! একটা নিশ্চিত প্রাইজ তুই নষ্ট করে দিলি!’ আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। স্যারের দিকে তাকানোর সাহসও হচ্ছে না। আমি জানি এইসবই সত্যি। শালা কেন যে আমি পুরি খেতে গেলাম! ‘বেয়াদব কোথাকার!’ বলে হেডস্যার বিশাল এক চড় দিলেন আমার গালে। অপমানে না, ব্যথায় আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো। চোখমুখ অন্ধকার হয়ে আসলো। কিছুক্ষণ পর শুনি স্যার বলছেন, ‘যা এখন।’ আমি চলে আসলাম, ক্লাসরুমে। আমার চোখ দিয়ে তখনও পানি পড়ছে। একটা মেয়ে চলে আসছে। শে বিস্ময়াভূত হয়ে জজ্ঞেস করলো, ‘হেডস্যার তোমারে চড় দিছে!’ আমি ভাবলাম ঠিকই আছে। শালা, তুমি গেছো পুরি খাইতে!
সারাদিন স্কুলে এইটাই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠলো যে স্কুলের সেরা ছাত্র হেডস্যারের চড় খাইছে। ক্লাসরুম থেকে শুরু করে টিচারস রুম পর্যন্ত। বেশিরভাগেরই মতে, ঘটনা যা-ই হোক স্যারের চড় দেয়াটা ঠিক হয় নাই, ওর তো আর দোষ নাই, এইরকমটা হইতেই পারে। একজন আপা তো ডেকে নিয়ে একটু সান্ত্বনাও দিয়ে দিলেন, মন খারাপ করো না, এরকম হয়ই। আবার অনেকে বললেন, একজন স্যার তো একজন ছাত্রকে চড় দিতেই পারেন। স্যার তো আর এমনিতে রাগ করেন নাই। স্কুলের নিশ্চিত একটা প্রাইজ মিস হলো! এর পক্ষে ও বিপক্ষে এইরকম অনেক মতামত জড়ো হলো। বলা বাহুল্য আমি এই চড় দেয়ার পক্ষে ছিলাম। কারণ, শালা তুমি পুরি খাইতে যাও!
তবে যা-ই হোক। শেষ পর্যন্ত আমি আমার এই্ পণ এ অটল থাকতে পারি নাই। এখনো রাস্তায় গরম পুরি দেখলে, কিনে নিয়ে খেতে খেতে বাসায় যাই। ভ্যারিয়েশন বাড়ছে। ঢাকা শহরে এখন নানারকম পুরি পাওয়া যায়। এখনো আটআনার পুরি পাওয়া যায় মৌচাক মার্কেটে। পাঁচ টাকার বিশাল কিমা পুরি পাওয়া যায় মিরপুরে। আলুপুরি কম পাওয়া যায়। বেশি পাওয়া যায়, ডালপুরি। তবে ভিতরে ডাল থাকে না। খালি ময়দার আটি। আর দুই টাকারটার চাইতে এক টাকারটাই ভালো। আমি মাঝে মাঝেই ভাবি, পুরি আর খাবো না শালা। এইটা অপয়া। এর লোভ আমাকে প্রতিযোগিতা থেকে বের করে দিয়েছে। কিন্তু তারপরও আমি পুরি খেয়েই চলি। ভাবি এই ঘটনার কথা। পরাজয়ের গ্লানির চাইতেও আরো রূঢ় সেই অভিজ্ঞতার কথা। আমার যাবতীয় অ-সাফল্য, না-পারা বেদনা যেন এই পুরি খাওয়ার দৃশ্যের ভিতর দিয়াই বাস্তবিক রূপ পায়।
এপ্রিল, ২০০৭
=====================
গল্প- আলিমের নিভৃতিচর্চা by রাশিদা সুলতানা গল্প- প্রত্যাবর্তন: আমার ‘ফেরা’ নিয়ে যে কাহিনী না ..মানষ চৌঃ গল্প- 'বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম' by আনোয়ার ... গল্প- 'প্রীত পরায়া' by সিউতি সবুর গল্প- 'চলিতেছে' by মাহবুব মোর্শেদ গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা গল্প- 'রূপকথা' by লুনা রুশদী সঞ্জীব চৌধুরীর কয়েকটি গল্প গল্প- 'অস্বস্তির সঙ্গে বসবাস' by ফাহমিদুল হক গল্প- 'মঙ্গামনস্ক শরীরীমুদ্রা' by ইমতিয়ার শামীম গল্প- 'হাজেরার বাপের দাইক দেনা' by জিয়া হাশান গল্প- ‘অপঘাতে মৃত্যু’ ও ‘সাদামাটা’ by লীসা গাজী গল্প- 'দ্বিতীয় জীবন' by ইরাজ আহমেদ গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান.. গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ ইমরুল হাসান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ ইমরুল হাসান
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 14
(41)
- গল্প- 'গাদি' by ইফফাত আরেফীন তন্বী
- গল্প- 'অনেক দিন আগের দিনেরা' by রনি আহম্মেদ
- একনেকে ২০৪১ কোটি টাকার নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
- আজ এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুর্যোগের ‘প্রত্যয়’ ফিরে দেখা by মাহবুবা নাসরীন
- নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন রানি এলিজাবেথ
- বংশানুক্রমিক ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরোধী কিমের বড় ছেলে
- কলম্বিয়ার সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার ৪৪ বছরের কারাদণ্ড
- চিলির খনিশ্রমিকদের তুলে আনা হবে আজ
- শীর্ষ ২০ ধনী নারীর ১১ জনই চীনের!
- ইসরায়েলকে ইহুদি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি ফিলিস্তিন...
- সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মালিকানা গ্রহণ করেছে সরকার
- ইউক্রেনে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ৪০
- পশ্চিমবঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্যের সামরিক মহড়া
- আফগানিস্তানে ব্রিটিশ জিম্মির মৃত্যু তদন্তের নির্দেশ
- লৈঙ্গিক সমতায় এগিয়ে নরডিক দেশগুলো
- ভারতসহ চার দেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য
- সিয়াওবোর নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেন তাঁর স্ত্রী
- মার্কিন রেস্তোরাঁগুলোতে হামলার আহ্বান আল-কায়েদার
- প্রার্থীদের অনেকেই আসামি
- পাকিস্তানে আসছেন দূত মেসি
- বিসিবির সভাপতি এবার আইসিসিতে
- চার দিনের ম্যাচ থামিয়ে ওয়ানডে!
- তিনে তিন মেনেজেসের
- দুই মেরুতে দুই দল
- গল্প- 'সম্পর্ক' by তারিক আল বান্না
- গল্প- 'তিতা মিঞার জঙ্গনামা' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'কর্কট' by রাশিদা সুলতানা
- গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান
- গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন
- গল্প- 'নগর পিতা বৃষ্টি নামান' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ
- গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান
- গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল
- গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল
- গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ
- গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
- গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার
- গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান...
- গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ
- গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
-
▼
Oct 14
(41)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment