Thursday, October 14, 2010
গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ
গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ
শীতের আমেজ এখনো কাটেনি। পঞ্জিকা অনুযায়ী অবশ্য শীত শেষ। ফাগুন এসেছে প্রায় এক মাস আগেই। তারপরও বসন্তের যে মিষ্টি মিষ্টি ভাব তা আসেনি। কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে সকালের আলসেমি কাটতেই যেন চায় না। নওমি যখন প্রথম এখানটায় এসে বসে তখন আশেপাশে অল্প একটু জায়গা ছাড়া দূরে কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না। তারপর তার চোখের সামনেই সূর্যের দস্যু আলো আস্তে আস্তে নিরাবরণ করলো সকালকে। এখন রাস্তায় মাঝে মাঝে দু একটা রিকশা চলছে। প্রায় সবই খালি অবশ্য। আরো একটু দূরে ফুটপাতের পাশের চায়ের দোকানে ধোয়ামোছা চলছে। চা বানানোর প্রস্তুতি। সকালের প্রথম চায়ের গন্ধের কথা মনে পড়ে তৃষ্ণা পেলো নওমির। কিন্তু এখান থেকে উঠতে ইচ্ছে করছে না। জোরে চিৎকার দিলে অবশ্য চায়ের দোকানের পিচ্চিটা চা দিয়ে যাবে। এ শান্ত সকালে চিৎকারও দিতে ইচ্ছে করছে না।
এত সকালে ইউনিভার্সিটিতে কেউ আসে না। সেন্ট্রাল লাইব্রেরির পেছন দিকে আসার সম্ভাবনা তো আরো কম। কবিতা উৎসব ছাড়া এখানটায় মানুষজন এমনিতেই আসে না। মাঝেমাঝে দু একটা জোড়া এসে বসে বটে। তবে রাজনীতির মহান রক্ষকদের শ্যেন দৃষ্টি থাকে তাদের উপর। ডাল মাল খাবার এমন ভালো জায়গায় অযথা উৎপাত তারা পছন্দ করে না। এখানে বসতেই নওমির ভালো লাগে। একটা পড়ে যাওয়া গাছের ডালে বসে আছে সে। গাছটা ঝড়ে পড়েছে দিন তিনেক আগে। শীতের অসময়ের ঝড়ে গাছটার পড়ে কার কী লাভ হয়েছে জানা নেই। তবে নওমির একটা লাভ হয়েছে। গাছের ডালপালার আড়ালে বেশ মজার একটা জায়গা পাওয়া গেছে। কেউ দেখতে পারছে না। অথচ নওমি দেখতে পারছে চারিদিক।
একা একা বসে থাকতে কখনোই খারাপ লাগে না ওর। আসলে একাই মনে হয় না নিজেকে। সকালের সাথেই কথা বলা যায়। চারিদিকের ছোটছোট ঝোপঝাড়ের বুনো গন্ধটাও মাথার মাঝে ঢুকে গুনগুন করে গান গায়। ঘাসগুলো যদিও খুব বেশি সবুজ নয়, তবু শিশির নিয়ে কথার তালে মাথা দোলাতে পারে তারা। গাছগুলোর মধ্যে যারা সিনিয়র, বুড়ো হয়ে গেছেন, তাদের নড়াচড়ার মধ্যেও কেমন একটা গম্ভীর ভাব থাকে। এরা কথা বলে খুব কম। শুধু বাতাসের দোলে বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝে সরসর শব্দ করে। নওমি ওদের খুব একটা ঘাটায় না। অবশ্য মনটা খুব খারাপ করলে তাদের একটার তলায় গিয়ে বসে। বিশাল কিছু একটার সামনা-সামনি ওর দু ধরনের অনুভূতি হয়। হয় ভয় পায়, না হলে সান্ত্বনা পায়। বেশির ভাগ সময় সান্ত্বনাই পায়।
মানুষের মনে হয় পেছন দিকেও চোখ থাকে। ওর মনে হলো কেউ ওর দিকে তাকিয়ে আছে। পেছনে ফেরে অবশ্য কাউকে দেখতে পেলো না ও। তার মানে কি ওর অনুভূতি জানানোর স্নায়ুগুলো ঠিক মত কাজ করছে না। মানুষ মরে যাবার আগে আগে অথবা বেশি বয়স হয়ে গেলে এমন হয়। আস্তে আস্তে বিকল হতে থাকে শরীরের যন্ত্রপাতি। হাত মাথাকে বলে, বস আমরা ঠিকমত কাজ করতে পারছি না। ঠিকমত ধরতেই পারি না। কেমন খালি কাঁপে। পা বলে, বহুদিন তো শরীরটা টেনে বেড়ালাম এখন আর গাধার মত শরীর বয়ে বেড়াতে ভালো লাগে না। মাথার নিউরনগুলোও কাজ করতে পারে না, ভুলে যায় সবকিছু।
‘আপনি কতক্ষণ এখানে।’
সাদা চাদরে মোড়া ছেলেটির শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ করে নাম ভুলে গেলো নওমি। এমন না যে এই প্রথম তাকে দেখলো। গত পাঁচ ছয় মাস ধরে নিয়মিত দেখা হয় ওর সাথে। কথা হয়। একসাথে হাঁটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা ছাড়িয়ে এ শহরের নানা পথে। ওর নাম ভুলে যাবার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না। হঠাৎ করে খুব অসহায় লাগলো তার।
‘কী ব্যাপার, কথা বলেন না কেন? আমার আসতে একটু দেরি হয়ে গেলো। ঘুম ভাঙসিলো অনেক আগেই। রাতে একটা বই পড়তে পড়তে ঘুমাইয়া গেসিলাম। চোখ খুলতেই মনে হইলো বইটা শেষ করি। শালা আমার রুমটাতে এত তাড়াতাড়ি সূর্যের আলো ঢুকে। চোখের উপর কড়কড় করে।’
‘কেন বই দিয়া চোখ ঢাকা যায় না?’
‘বই দিয়া ঢাকাও দেয়া যায় না। আলো আসে তো মাথার পেছন দিয়া। শেষে পড়াটাই বাদ দিলাম।’
ছেলেটার গায়ের চাদরটা অনেক নোংরা। প্যান্টটাও। চুলগুলো দড়ির মত পাকিয়ে মাথার উপরে দাঁড়িয়ে আছে। কয়দিন ধোয়া হয় না কে জানে। শিল্প, সাহিত্য আর দর্শনের কথা বললেই চুল কাটতে হবে না, পরিষ্কার জামা কাপড় পড়া যাবে না এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। যেকোনো ধরনের নোংরামি একদমই পছন্দ নয় নওমির। তারপরও কেন জানি এ পাগলের সাথে থাকতে ভালোই লাগে ওর। একটা কারণ হতে পারে কথা বলার ব্যাপ্তি আর গভীরতা। ওর ইউনিভার্সিটির বেশির ভাগ ক্লাসমেটদের মত চটুল আর হালকা নয়।
‘কী চা খাবেন নাকি? বিল্লাল তো দোকান খুলছে দেখলাম।’
নওমি কিছু বললো না। বলার অপেক্ষায়ও কেউ ছিলো না। একটা গগনবিদারী চিৎকারের প্রায় সাথে সাথেই চা চলে আসলো।
‘আপনি কি আসার সময়ই চায়ের কথা বলে আসছিলেন নাকি।’
‘ঐ যে রাস্তার ওপাশটায়। রাজু ভাস্কর্যের উল্টাদিকে। দেখতে পাচ্ছেন না? ঐ কোনাটায় ভালো একটা চায়ের দোকান আছে। ওরা আবার দুপুরে ভাত-তরকারিও করে। কাল খাইলাম। টেস্ট আছে ভালো। খাইসেন কখনো?’
প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে অভ্যাস আছে নওমির। কিন্তু কেউ প্রশ্ন করলে উত্তর না দিয়ে পারে না। প্রশ্নটা কেমন মাথার মাঝে ঘুরঘুর করে। ‘না খাই নাই কোনো দিন। ওখানে তো মাঝে মাঝে রিকশাওয়ালাদের খেতে দেখি।’
‘হ্যা। ওদের সাথে বসেই তো খাইলাম। যার পাশে বসছিলাম ওর বাড়িও জামালপুর। আমারে অবশ্য মনে হয় চিনে নাই। আমিও তো ওরে চিনি নাই। ওর বন্ধু, আরেক রিকশায়ালা, ভালো গান গায়। আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম, বুঝছেন, বাপ্পার চেয়েও ভালো গান গায়। পিংক ফ্লয়েডের চাইতেও।’
‘তো?’
‘তো মানে। আপনি কি আন্ডার এস্টিমেট করছেন। গরীব হইসে তো কী হইসে? গান গাইতে পারবে না। এমন কোনো কথা আছে নাকি?’
‘আপনি শস্তা সিনেমার ডায়ালগ দিচ্ছেন। গানের পেছনে অনেক সময় খরচ করতে হয়। রেওয়াজ করতে হয়। একটা দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি দরকার। এ ধরনের প্রস্তুতি সবাই নিতে পারে না। আপনার এ রিকশাওয়ালা কখনো এ সুযোগ পাইসে? বলেন? তাই ওর সম্ভাবনার মাত্রাও কম?’
‘দ্যাখেন, আপনি স্ট্যাটিসটিকসের ছাত্রী তো। অলওয়েজ প্রবাবিলিটি খুঁজেন। থিওরি দিয়ে লাইফ চলে না। লঞ্চে বরিশাল গেসেন কখনো। রাতে যাইতে হবে। আকাশে চাঁদ থাকবে। পুরাপুরি পূর্ণিমার জোস্না না থাকলেও হইবো। একটা জোস্না জোস্না ভাব থাকবো। একটুও ঘুমানো যাবে না। ডেকের মধ্যে হু হু করে হাওয়া। রাত দুটা তিনটা বাজে। বাতাস তখন কানের কাছে ঝাপটা মারে। চড়ের মত না। মোলায়েম, ভালো লাগার, আদর করার মত। তখন দূর থেকে ভেসে আসছিলো অদ্ভুত সুর। কোনো জেলে মনে হয়। রাতেই রিস্ক নিয়ে মাছ ধরে। কী ভরাট গলারে ভাই। বুকের মধ্যে ঢুকে যায়, মনটা কেমন খারাপ করে দেয়। এমন গান শুনতে পাবেন কোথাও। আপনার পছন্দের কোনো অ্যালবামে।’
কয়দিন আগে হঠাৎ করে ডুব দিয়েছিলো ও। নওমিকে কিছুই জানায় নি। এমন অবশ্য মাঝেই মাঝেই করে। তারপরও গা সহা হয়নি এখনো। খুব অস্থির লাগে। পরে প্রশ্ন করেও যথারীতি কোনো উত্তর পায়নি।
‘বরিশালে কী কাজে গেসলেন?’
‘বরিশাল তো যাই নাই। বরিশালের লঞ্চে উঠসিলাম।’
‘লঞ্চে উঠে?’
‘বরিশাল যাই নাই। আবার ঐ লঞ্চেই ফিরে আসছি। লঞ্চেই ঘুমাইয়া ছিলাম।’
চা অনেক আগেই ঠাণ্ডা হয়েছে। অবশ্য ঠাণ্ডা চা খেতেই অভ্যস্ত শুকনো মুখের ছেলেটি। চায়ের কাপ গালে ঠেকিয়ে বললো, ‘চলেন হেঁটে আসি।’
হাঁটাহাঁটিটা একটা শিল্পের জায়গায় নিয়ে গেছে এরা দুজন। প্রতিদিন কলাভবনের চারপাশ দিয়েই শুরু হয় তাদের পদযাত্রা। অপরাজেয় বাঙলার পাশ দিয়ে একটু এগিয়ে মলচত্বরের সমান্তরাল পথে হাঁটাচলা। এ সময়টায় জারুল তেমন ফোটে না, ভালোলাগা কৃষ্ণচূড়ারও নেই তেমন উৎপাত। পাতাঝরা শুকনো ডাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুরনো বৃক্ষের নিচ দিয়েই হেঁটে যায় দুটি প্রাণ। হাওয়ায় ভেসে ভেসে ঝরাপাতার সাথে নামে কথার ঝুরি। এভাবেই শুরু হয় প্রতিদিনের একদিন। রুক্ষ প্রকৃতির মাঝেই জেগে ওঠে বাঙময় কচিপাতা। কথা হয় নানা বিষয়ে। কবিতা, গল্প, গান, দর্শন, ভালবাসা আর ভালবাসাবাসি নিয়ে।
টিএসসির পাশ দিয়ে একটু এগোলেই জগন্নাথ হলের সীমানা। আরো একটু সামনেই শহীদ মিনার। বেশির ভাগ মানুষই ফেব্র“য়ারি মাস ছাড়া এখানে আসে না। আসে। আন্দোলনে দাবি আদায়ের প্রয়োজনে বা অনুষ্ঠানের মিডিয়া কাভারেজ পাওয়ার জন্য শহীদ মিনার একটা ভালো জায়গা। তবে এসব লোকজনের ভিড়ে এ স্থাপত্যের আসল সৌন্দর্য বোঝা যায় না। নওমিরা সবসময় একটু অসময়ে শহীদ মিনারে আসে। এনেক্স বিল্ডিং-এ ক্লাশ শেষে ঝা ঝা দুপুরে বা খুব ভোরে। তখন স্থাপত্যের ভাষাটা বোঝা যায়। হাহাকারটা বুকের মধ্যে ঢোকে। ফুলার রোডটাও হাঁটার জন্য খারাপ না। তবে বড় বড় টাওয়ারগুলো গলায় কাঁটার মত বিঁধে। কেমন যেন বেমানান মনে হয়। তা বাদে এ এলাকার শান্ত সৌর্ন্দযকে এ শহর মরুভূমির মাঝে মরুদ্যান মনে হয়। এ মরুদ্যানে তৃষ্ণা মেটায় সুশীতল ছায়া। স্বপ্ন এসে যেন ধরা দেয় হাতের মুঠোয়।
ইউনিভার্সিটির একটা সুইমিং পুলও আছে। অনেক কষ্ট করে এখানে সাঁতার শিখেছে নওমি। পুলের ক্লোরিনের প্রভাবে বেশ কদিন কৃষ্ণবর্ণ নিয়ে ঘুরতে হয়েছে তার। তবে খারাপ লাগেনি। দুটি কারণে। এক নম্বর, কৃষ্ণবর্ণের প্রতি তার কোনো বিরাগ নেই। বরং আলাদা একটা ভালোলাগা আছে। দুই নম্বর, সাঁতারটা একটা বিশেষ কারণে শেখা খুব দরকার ছিলো। নওমির নদী খুব ভালো লাগা। নদীর ঢেউ তার হৃদয়ে এসে অপূর্ব এক অনুভূতির জন্ম দেয়। নদী যেন অদ্ভুত এক ভাষায় তাকে টানে। নৌকায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছে সে। বিরিসিরি, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, বুড়িগঙ্গা, রূপসা–প্রায় সব নদীর সাথেই হয়েছে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। সাঁতার না শিখে নদীর বুকে চলাচলে যে তার খুব একটা অসুবিধা হতো তা কিন্তু নয়, মাঝে মাঝে মনে হতো ডুবে গেলে মন্দ হয় না। কিন্তু নদীতে ডোবার পর ডেডবডির যে অবস্থা হয়, ফুলে ঢোল হয়ে যায়, তা খুবই বিচ্ছিরি লাগে নওমির। তাই প্রিয়তম নদী সঙ্গমে মরতে চায় না সে। সৌন্দর্যটুকুই শুধু শুষে নিতে চায় প্রাণভরে।
কংক্রিটের দোয়েলের ঠোঁট ঘেঁষে বৃটিশ লর্ডের নামে লাল বিল্ডিংটা এক বিশেষ কারণে সারা জীবনই নওমির মনে থাকবে। সবুজ গালিচা ঘেরা সৌম্য সৌন্দর্য, পেছনে চুমুক দেয়া পুকুর–এসব নানা কারণই থাকতে পারে পুরনো শান্ত এ ভবনকে ভালোবাসার। কিংবা দুর্লভ নানা জাতের ফুল। কিন্তু এসব কারণকে ছাপিয়ে উঠেছে বিশেষ এক ঘটনা।
মাস আটেক আগের একদিন। অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্সের আহসানের সাথে দেখা করা দরকার। নওমি কেবল কার্জন হলের গেট দিয়ে ঢুকছে। চায়ের দোকানগুলোর পাশে সিঁড়িতেই আহসানের থাকার কথা। নেই। এ সময় সিগারেট বিক্রি করে এমন এক ছেলে ওর কাছে আসলো। টিনের এক বাক্সের উপর বেশ কিছু সিগারেটের প্যাকেট। বেনসন, গোল্ড লিফ, পলমল। নাসির বিড়ির প্যাকেটও আছে। একদিকে চকলেটের বৈয়াম। বেশ সাজানো গোছানো বাক্সটা ছেলেটার গলায় টকটকে লাল এক গামছা দিয়ে বাধা। ছেলেটি কাছে এসেই একটু হাসলো। ‘আপা, কারে খুঁজেন?’
নওমি বিরক্ত হলো না। ক্যাম্পাসের বেশির ভাগ তৃণমূল মানুষের সাথে ওর বেশ খাতির। দুপুরে খাওয়ার সময় এদের দুএকজনকে নিয়ে প্রায়ই খায় ও। এর চেহারাটা অবশ্য তেমন পরিচিত মনে হচ্ছে না। নওমি একটু হাসলো। ‘এক বন্ধুর সাথে দেখা হওয়ার কথারে। একটু দরকার ছিলো।’
‘আহসান ভাই নাকি? একটু আগেই ছিলো। শহীদুল্লাহ হলে গেছে। আমারে বইলা গেলো একজন আসবে।’
সিঁড়ির উপর বসলো নওমি। ওর পাশে ছেলেটিও।
‘কী দরকার আপনার উনার কাছে?’
এবার বিরক্ত হলো নওমি। এ ধরনের প্রশ্ন পছন্দ করে না ও। ‘কেন? জেনে কী হবে?’
‘না, এমনি জিগাইলাম। বলেন না।’
‘ওর কাছে একটা পড়াশুনার জিনিস বুঝতে আসছিলাম। কালকে হঠাৎ করে একটা বইয়ে এম থিওরি নামে একটা থিওরি, মানে কী বলবো, একটা পড়া যা দিয়ে অন্য আরো কিছু পড়া বোঝা যায়, ওটা বুঝতে আসছিলাম। ও যে সাবজেক্টে পড়ে ওটার সাথে মিল আছে।’
ছেলেটা কিছুক্ষণ নওমির দিকে তাকালো। তারপর আস্তে আস্তে বললো। ‘এম থিওরি তো অনেক জটিল। আহসানের বোঝাতে পারার কথা নয়। কারণ এ থিওরিটা এখনো ঠিকমত দাঁড়ায়নি। ফিজিক্সে সুপার স্ট্রিং থিওরি নামে আরেকটা ব্যাপার আছে। এরকম পাঁচটি থিওরি মিলিয়ে একসাথে এম থিওরি বলে। ক্রিস হল, পল টাউনসেন্ড আর, আর দু জনের নাম যেন কী। ও হ্যাঁ, জন শোয়ার্জ ও অশোক সেন। এ ব্যাটা সেন মনে হয় আমাদের এদিকেরই। এ পাঁচজনের থিওরিগুলো মিলে এম থিওরি। যেকোনো একটি বস্তু একটা সুপার স্ট্রিং থিওরিতে কী অবস্থায় আছে, আরেকটা বস্তু আরেকটা থিওরি অনুযায়ী আরেক অবস্থায় আছে, এ দু বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বের করা যায় এম থিওরি দিয়ে। খুব জটিল জিনিস। ঊনিশ শতকের আগেই ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিজমের মধ্যে সম্পর্ক আছে এটা ধারণা করা হতো। পরে ম্যাক্সওয়েল এসে তো থিওরি অভ ইলোকট্রোম্যাগনেটিজম বের করলো। ঊনিশশো সালের আগে এ থিওরিটা যেমন অবস্থায় ছিলো, এম থিওরিটাও এখন এ অবস্থায় আছে।’
ছেলেটার পায়ে একটা বাথরুমের স্লিপার। পরনে প্যান্টও না, রাতে শোয়ার মত দুমড়ানো মুচড়ানো ট্রাউজার। টি শার্টটাও মনে হচ্ছে কুড়িয়ে পাওয়া। এমনকি চোখের কোণে সাদা ময়লাও আছে। ছেলেটি ওর দিকে তাকিয়ে আবার হাসলো। ‘সরি, আপনাকে কনফিউজড করার জন্য। আমি আহসানের বন্ধু। ফিজিক্সেই পড়ি। আমি সজলেরও বন্ধু। মানে এ দোকান যার। ও নাস্তা করতে গেসে। ব্যবসাটা আমি দেখতেসি।’
‘কী হলো? অনেকক্ষণ ধরে কোনো কথা বলছেন না।’
‘এমনিই। আজ আগের কথা অনেক মনে পড়ছে। নানা ঘটনা। কেমন অস্থির লাগছে।’
‘আপনি কি যোগ ব্যায়াম করসেন কখনো?’ উত্তরের জন্য কোনো অপেক্ষা নেই। ‘বড় করে শ্বাস নেন। বুক ভরে, মানে হৃদয় ভরে। আস্তে আস্তে বাতাস ভিতরে নেন, আবার আস্তে আস্তে ছেড়ে দেন। ভালো লাগবে দেখেন। এর নাম হচ্ছে নিশ্বাসানন্দ চিকিৎসা।’
‘নিশ্বাসানন্দ?’
‘যে সন্নাসী এটা প্রথম উদ্ভাবন করসিলো উনার নাম নিশ্বাসানন্দ।’
‘য়ু আর লাইয়িং।’
‘আই অ্যাম।’
‘চুপ থাকেন।’
আবার নিঃসঙ্গতা সাথে নিয়ে হাঁটা। ন্যাওটা অস্থিরতা পিছে ছাড়ে না নওমির। ‘এই আমি যাই।’
‘কই যাবেন?’
‘টিউশ্যনিতে।’
‘আপনার টিউশ্যনি তো বিকেলে। এই সকালে যাবেন ক্যান?’
‘আমার টিউশ্যনির সময়ের তো ঠিক নাই। ভাল্লাগতেসে না এখানে। আপনি কই যাবেন।’
‘আমি কোথায় যাবো না। দেখি একটু গাঁজা খাবো।’
নওমির টিউশ্যনি বেইলি রোডে। একটা বিচ্ছিরি রুট। ইউনিভার্সিটি থেকে বাসে যাওয়া যায় না। রিকশা নিয়ে গেলে অনেক ঘুরে যেতে হয়। নওমি হেঁটেই যায়। শাহবাগ দিয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের পাশ কাটিয়ে শেরাটন পার হলেই নিশ্চিন্তি। একটু নিরিবিলি।
শাহবাগের ফুলের বাগানে ফুল বিক্রি আজ বেশ। আজকে কত তারিখ? কী মাস? সামনে কি কোনো উপলক্ষ্য আছে নাকি। একুশে ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেনটাইনস ডে, পহেলা ফাল্গুন, ক্রিসমাস। কিছু একটা। দিন মাস ঘণ্টার হিসাব কি রাখে বটের এই ঝিরিঝিরি পাতা। সৌন্দর্য আর সুগন্ধ বাণিজ্যের কতটুকু তাদের বোধের নাগালে? দিনটা আজ কেমন অন্ধকার হয়ে আসছে। আজকে কি আবার ঝড় হবে নাকি। নওমি আকাশের দিকে তাকালো। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে কেমন রহস্যময় জালে আটকে আছে আকাশটা। বুড়ো গম্ভীর নির্জীব মুখে যেন তাকিয়ে আছে ওর দিকে। ওখান থেকেই কি ভেসে আসছে মন খারাপ করা একটা গানের সুর। কী গান এটা। কথাগুলো ঠিক ধরতে পারছে না ও। সুরটা চেনা চেনা, রবীন্দ্রসঙ্গীত নাকি। না, বিদেশি গান মনে হচ্ছে। বিদেশি কোনো ফোক গানও হতে পারে। নওমির মাথায় সুরটা ঘুরতে লাগলো। ঝমঝম করে বাজছে অচেনা সঙ্গীতের অদ্ভুত ভালোলাগা বাজনা। তীব্র বিউগলের শব্দে সঙ্গীতের ছন্দপতন ঘটলো।
ঘাড় ফেরাতেই নওমি দেখলো বিশাল একটি বাস ওর দিকে ছুটে আসছে। বাসের গায়ে কো¬জআপের বিজ্ঞাপন। বড় বড় দাঁত বের করে দুটি ছেলেমেয়ে ওর দিকে তাকিয়ে ভেঙচি কাটছে। না, হাসছে। ওর মনে হলো বাসভর্তি লোকজনই ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনও। সবার হাসি দেখে ওরও হাসি পেলো। দিগন্ত বিস্তৃত এক হলুদ ক্ষেতে দোল খেতে লাগলো ও। ছুটে বেড়াতে লাগলো সরিষা ক্ষেতের মাঝ দিয়ে। অবাক হয়ে দেখলো, ওর পা মাটিতে স্পর্শ করছে না। একরাশ আনন্দ নিয়ে হলুদ গালিচায় উড়ে উড়ে দূর কুয়াশার দিকে এগিয়ে চললো ও।
এত সকালে ইউনিভার্সিটিতে কেউ আসে না। সেন্ট্রাল লাইব্রেরির পেছন দিকে আসার সম্ভাবনা তো আরো কম। কবিতা উৎসব ছাড়া এখানটায় মানুষজন এমনিতেই আসে না। মাঝেমাঝে দু একটা জোড়া এসে বসে বটে। তবে রাজনীতির মহান রক্ষকদের শ্যেন দৃষ্টি থাকে তাদের উপর। ডাল মাল খাবার এমন ভালো জায়গায় অযথা উৎপাত তারা পছন্দ করে না। এখানে বসতেই নওমির ভালো লাগে। একটা পড়ে যাওয়া গাছের ডালে বসে আছে সে। গাছটা ঝড়ে পড়েছে দিন তিনেক আগে। শীতের অসময়ের ঝড়ে গাছটার পড়ে কার কী লাভ হয়েছে জানা নেই। তবে নওমির একটা লাভ হয়েছে। গাছের ডালপালার আড়ালে বেশ মজার একটা জায়গা পাওয়া গেছে। কেউ দেখতে পারছে না। অথচ নওমি দেখতে পারছে চারিদিক।
একা একা বসে থাকতে কখনোই খারাপ লাগে না ওর। আসলে একাই মনে হয় না নিজেকে। সকালের সাথেই কথা বলা যায়। চারিদিকের ছোটছোট ঝোপঝাড়ের বুনো গন্ধটাও মাথার মাঝে ঢুকে গুনগুন করে গান গায়। ঘাসগুলো যদিও খুব বেশি সবুজ নয়, তবু শিশির নিয়ে কথার তালে মাথা দোলাতে পারে তারা। গাছগুলোর মধ্যে যারা সিনিয়র, বুড়ো হয়ে গেছেন, তাদের নড়াচড়ার মধ্যেও কেমন একটা গম্ভীর ভাব থাকে। এরা কথা বলে খুব কম। শুধু বাতাসের দোলে বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝে সরসর শব্দ করে। নওমি ওদের খুব একটা ঘাটায় না। অবশ্য মনটা খুব খারাপ করলে তাদের একটার তলায় গিয়ে বসে। বিশাল কিছু একটার সামনা-সামনি ওর দু ধরনের অনুভূতি হয়। হয় ভয় পায়, না হলে সান্ত্বনা পায়। বেশির ভাগ সময় সান্ত্বনাই পায়।
মানুষের মনে হয় পেছন দিকেও চোখ থাকে। ওর মনে হলো কেউ ওর দিকে তাকিয়ে আছে। পেছনে ফেরে অবশ্য কাউকে দেখতে পেলো না ও। তার মানে কি ওর অনুভূতি জানানোর স্নায়ুগুলো ঠিক মত কাজ করছে না। মানুষ মরে যাবার আগে আগে অথবা বেশি বয়স হয়ে গেলে এমন হয়। আস্তে আস্তে বিকল হতে থাকে শরীরের যন্ত্রপাতি। হাত মাথাকে বলে, বস আমরা ঠিকমত কাজ করতে পারছি না। ঠিকমত ধরতেই পারি না। কেমন খালি কাঁপে। পা বলে, বহুদিন তো শরীরটা টেনে বেড়ালাম এখন আর গাধার মত শরীর বয়ে বেড়াতে ভালো লাগে না। মাথার নিউরনগুলোও কাজ করতে পারে না, ভুলে যায় সবকিছু।
‘আপনি কতক্ষণ এখানে।’
সাদা চাদরে মোড়া ছেলেটির শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ করে নাম ভুলে গেলো নওমি। এমন না যে এই প্রথম তাকে দেখলো। গত পাঁচ ছয় মাস ধরে নিয়মিত দেখা হয় ওর সাথে। কথা হয়। একসাথে হাঁটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা ছাড়িয়ে এ শহরের নানা পথে। ওর নাম ভুলে যাবার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না। হঠাৎ করে খুব অসহায় লাগলো তার।
‘কী ব্যাপার, কথা বলেন না কেন? আমার আসতে একটু দেরি হয়ে গেলো। ঘুম ভাঙসিলো অনেক আগেই। রাতে একটা বই পড়তে পড়তে ঘুমাইয়া গেসিলাম। চোখ খুলতেই মনে হইলো বইটা শেষ করি। শালা আমার রুমটাতে এত তাড়াতাড়ি সূর্যের আলো ঢুকে। চোখের উপর কড়কড় করে।’
‘কেন বই দিয়া চোখ ঢাকা যায় না?’
‘বই দিয়া ঢাকাও দেয়া যায় না। আলো আসে তো মাথার পেছন দিয়া। শেষে পড়াটাই বাদ দিলাম।’
ছেলেটার গায়ের চাদরটা অনেক নোংরা। প্যান্টটাও। চুলগুলো দড়ির মত পাকিয়ে মাথার উপরে দাঁড়িয়ে আছে। কয়দিন ধোয়া হয় না কে জানে। শিল্প, সাহিত্য আর দর্শনের কথা বললেই চুল কাটতে হবে না, পরিষ্কার জামা কাপড় পড়া যাবে না এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। যেকোনো ধরনের নোংরামি একদমই পছন্দ নয় নওমির। তারপরও কেন জানি এ পাগলের সাথে থাকতে ভালোই লাগে ওর। একটা কারণ হতে পারে কথা বলার ব্যাপ্তি আর গভীরতা। ওর ইউনিভার্সিটির বেশির ভাগ ক্লাসমেটদের মত চটুল আর হালকা নয়।
‘কী চা খাবেন নাকি? বিল্লাল তো দোকান খুলছে দেখলাম।’
নওমি কিছু বললো না। বলার অপেক্ষায়ও কেউ ছিলো না। একটা গগনবিদারী চিৎকারের প্রায় সাথে সাথেই চা চলে আসলো।
‘আপনি কি আসার সময়ই চায়ের কথা বলে আসছিলেন নাকি।’
‘ঐ যে রাস্তার ওপাশটায়। রাজু ভাস্কর্যের উল্টাদিকে। দেখতে পাচ্ছেন না? ঐ কোনাটায় ভালো একটা চায়ের দোকান আছে। ওরা আবার দুপুরে ভাত-তরকারিও করে। কাল খাইলাম। টেস্ট আছে ভালো। খাইসেন কখনো?’
প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে অভ্যাস আছে নওমির। কিন্তু কেউ প্রশ্ন করলে উত্তর না দিয়ে পারে না। প্রশ্নটা কেমন মাথার মাঝে ঘুরঘুর করে। ‘না খাই নাই কোনো দিন। ওখানে তো মাঝে মাঝে রিকশাওয়ালাদের খেতে দেখি।’
‘হ্যা। ওদের সাথে বসেই তো খাইলাম। যার পাশে বসছিলাম ওর বাড়িও জামালপুর। আমারে অবশ্য মনে হয় চিনে নাই। আমিও তো ওরে চিনি নাই। ওর বন্ধু, আরেক রিকশায়ালা, ভালো গান গায়। আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম, বুঝছেন, বাপ্পার চেয়েও ভালো গান গায়। পিংক ফ্লয়েডের চাইতেও।’
‘তো?’
‘তো মানে। আপনি কি আন্ডার এস্টিমেট করছেন। গরীব হইসে তো কী হইসে? গান গাইতে পারবে না। এমন কোনো কথা আছে নাকি?’
‘আপনি শস্তা সিনেমার ডায়ালগ দিচ্ছেন। গানের পেছনে অনেক সময় খরচ করতে হয়। রেওয়াজ করতে হয়। একটা দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি দরকার। এ ধরনের প্রস্তুতি সবাই নিতে পারে না। আপনার এ রিকশাওয়ালা কখনো এ সুযোগ পাইসে? বলেন? তাই ওর সম্ভাবনার মাত্রাও কম?’
‘দ্যাখেন, আপনি স্ট্যাটিসটিকসের ছাত্রী তো। অলওয়েজ প্রবাবিলিটি খুঁজেন। থিওরি দিয়ে লাইফ চলে না। লঞ্চে বরিশাল গেসেন কখনো। রাতে যাইতে হবে। আকাশে চাঁদ থাকবে। পুরাপুরি পূর্ণিমার জোস্না না থাকলেও হইবো। একটা জোস্না জোস্না ভাব থাকবো। একটুও ঘুমানো যাবে না। ডেকের মধ্যে হু হু করে হাওয়া। রাত দুটা তিনটা বাজে। বাতাস তখন কানের কাছে ঝাপটা মারে। চড়ের মত না। মোলায়েম, ভালো লাগার, আদর করার মত। তখন দূর থেকে ভেসে আসছিলো অদ্ভুত সুর। কোনো জেলে মনে হয়। রাতেই রিস্ক নিয়ে মাছ ধরে। কী ভরাট গলারে ভাই। বুকের মধ্যে ঢুকে যায়, মনটা কেমন খারাপ করে দেয়। এমন গান শুনতে পাবেন কোথাও। আপনার পছন্দের কোনো অ্যালবামে।’
কয়দিন আগে হঠাৎ করে ডুব দিয়েছিলো ও। নওমিকে কিছুই জানায় নি। এমন অবশ্য মাঝেই মাঝেই করে। তারপরও গা সহা হয়নি এখনো। খুব অস্থির লাগে। পরে প্রশ্ন করেও যথারীতি কোনো উত্তর পায়নি।
‘বরিশালে কী কাজে গেসলেন?’
‘বরিশাল তো যাই নাই। বরিশালের লঞ্চে উঠসিলাম।’
‘লঞ্চে উঠে?’
‘বরিশাল যাই নাই। আবার ঐ লঞ্চেই ফিরে আসছি। লঞ্চেই ঘুমাইয়া ছিলাম।’
চা অনেক আগেই ঠাণ্ডা হয়েছে। অবশ্য ঠাণ্ডা চা খেতেই অভ্যস্ত শুকনো মুখের ছেলেটি। চায়ের কাপ গালে ঠেকিয়ে বললো, ‘চলেন হেঁটে আসি।’
হাঁটাহাঁটিটা একটা শিল্পের জায়গায় নিয়ে গেছে এরা দুজন। প্রতিদিন কলাভবনের চারপাশ দিয়েই শুরু হয় তাদের পদযাত্রা। অপরাজেয় বাঙলার পাশ দিয়ে একটু এগিয়ে মলচত্বরের সমান্তরাল পথে হাঁটাচলা। এ সময়টায় জারুল তেমন ফোটে না, ভালোলাগা কৃষ্ণচূড়ারও নেই তেমন উৎপাত। পাতাঝরা শুকনো ডাল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুরনো বৃক্ষের নিচ দিয়েই হেঁটে যায় দুটি প্রাণ। হাওয়ায় ভেসে ভেসে ঝরাপাতার সাথে নামে কথার ঝুরি। এভাবেই শুরু হয় প্রতিদিনের একদিন। রুক্ষ প্রকৃতির মাঝেই জেগে ওঠে বাঙময় কচিপাতা। কথা হয় নানা বিষয়ে। কবিতা, গল্প, গান, দর্শন, ভালবাসা আর ভালবাসাবাসি নিয়ে।
টিএসসির পাশ দিয়ে একটু এগোলেই জগন্নাথ হলের সীমানা। আরো একটু সামনেই শহীদ মিনার। বেশির ভাগ মানুষই ফেব্র“য়ারি মাস ছাড়া এখানে আসে না। আসে। আন্দোলনে দাবি আদায়ের প্রয়োজনে বা অনুষ্ঠানের মিডিয়া কাভারেজ পাওয়ার জন্য শহীদ মিনার একটা ভালো জায়গা। তবে এসব লোকজনের ভিড়ে এ স্থাপত্যের আসল সৌন্দর্য বোঝা যায় না। নওমিরা সবসময় একটু অসময়ে শহীদ মিনারে আসে। এনেক্স বিল্ডিং-এ ক্লাশ শেষে ঝা ঝা দুপুরে বা খুব ভোরে। তখন স্থাপত্যের ভাষাটা বোঝা যায়। হাহাকারটা বুকের মধ্যে ঢোকে। ফুলার রোডটাও হাঁটার জন্য খারাপ না। তবে বড় বড় টাওয়ারগুলো গলায় কাঁটার মত বিঁধে। কেমন যেন বেমানান মনে হয়। তা বাদে এ এলাকার শান্ত সৌর্ন্দযকে এ শহর মরুভূমির মাঝে মরুদ্যান মনে হয়। এ মরুদ্যানে তৃষ্ণা মেটায় সুশীতল ছায়া। স্বপ্ন এসে যেন ধরা দেয় হাতের মুঠোয়।
ইউনিভার্সিটির একটা সুইমিং পুলও আছে। অনেক কষ্ট করে এখানে সাঁতার শিখেছে নওমি। পুলের ক্লোরিনের প্রভাবে বেশ কদিন কৃষ্ণবর্ণ নিয়ে ঘুরতে হয়েছে তার। তবে খারাপ লাগেনি। দুটি কারণে। এক নম্বর, কৃষ্ণবর্ণের প্রতি তার কোনো বিরাগ নেই। বরং আলাদা একটা ভালোলাগা আছে। দুই নম্বর, সাঁতারটা একটা বিশেষ কারণে শেখা খুব দরকার ছিলো। নওমির নদী খুব ভালো লাগা। নদীর ঢেউ তার হৃদয়ে এসে অপূর্ব এক অনুভূতির জন্ম দেয়। নদী যেন অদ্ভুত এক ভাষায় তাকে টানে। নৌকায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছে সে। বিরিসিরি, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, বুড়িগঙ্গা, রূপসা–প্রায় সব নদীর সাথেই হয়েছে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। সাঁতার না শিখে নদীর বুকে চলাচলে যে তার খুব একটা অসুবিধা হতো তা কিন্তু নয়, মাঝে মাঝে মনে হতো ডুবে গেলে মন্দ হয় না। কিন্তু নদীতে ডোবার পর ডেডবডির যে অবস্থা হয়, ফুলে ঢোল হয়ে যায়, তা খুবই বিচ্ছিরি লাগে নওমির। তাই প্রিয়তম নদী সঙ্গমে মরতে চায় না সে। সৌন্দর্যটুকুই শুধু শুষে নিতে চায় প্রাণভরে।
কংক্রিটের দোয়েলের ঠোঁট ঘেঁষে বৃটিশ লর্ডের নামে লাল বিল্ডিংটা এক বিশেষ কারণে সারা জীবনই নওমির মনে থাকবে। সবুজ গালিচা ঘেরা সৌম্য সৌন্দর্য, পেছনে চুমুক দেয়া পুকুর–এসব নানা কারণই থাকতে পারে পুরনো শান্ত এ ভবনকে ভালোবাসার। কিংবা দুর্লভ নানা জাতের ফুল। কিন্তু এসব কারণকে ছাপিয়ে উঠেছে বিশেষ এক ঘটনা।
মাস আটেক আগের একদিন। অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্সের আহসানের সাথে দেখা করা দরকার। নওমি কেবল কার্জন হলের গেট দিয়ে ঢুকছে। চায়ের দোকানগুলোর পাশে সিঁড়িতেই আহসানের থাকার কথা। নেই। এ সময় সিগারেট বিক্রি করে এমন এক ছেলে ওর কাছে আসলো। টিনের এক বাক্সের উপর বেশ কিছু সিগারেটের প্যাকেট। বেনসন, গোল্ড লিফ, পলমল। নাসির বিড়ির প্যাকেটও আছে। একদিকে চকলেটের বৈয়াম। বেশ সাজানো গোছানো বাক্সটা ছেলেটার গলায় টকটকে লাল এক গামছা দিয়ে বাধা। ছেলেটি কাছে এসেই একটু হাসলো। ‘আপা, কারে খুঁজেন?’
নওমি বিরক্ত হলো না। ক্যাম্পাসের বেশির ভাগ তৃণমূল মানুষের সাথে ওর বেশ খাতির। দুপুরে খাওয়ার সময় এদের দুএকজনকে নিয়ে প্রায়ই খায় ও। এর চেহারাটা অবশ্য তেমন পরিচিত মনে হচ্ছে না। নওমি একটু হাসলো। ‘এক বন্ধুর সাথে দেখা হওয়ার কথারে। একটু দরকার ছিলো।’
‘আহসান ভাই নাকি? একটু আগেই ছিলো। শহীদুল্লাহ হলে গেছে। আমারে বইলা গেলো একজন আসবে।’
সিঁড়ির উপর বসলো নওমি। ওর পাশে ছেলেটিও।
‘কী দরকার আপনার উনার কাছে?’
এবার বিরক্ত হলো নওমি। এ ধরনের প্রশ্ন পছন্দ করে না ও। ‘কেন? জেনে কী হবে?’
‘না, এমনি জিগাইলাম। বলেন না।’
‘ওর কাছে একটা পড়াশুনার জিনিস বুঝতে আসছিলাম। কালকে হঠাৎ করে একটা বইয়ে এম থিওরি নামে একটা থিওরি, মানে কী বলবো, একটা পড়া যা দিয়ে অন্য আরো কিছু পড়া বোঝা যায়, ওটা বুঝতে আসছিলাম। ও যে সাবজেক্টে পড়ে ওটার সাথে মিল আছে।’
ছেলেটা কিছুক্ষণ নওমির দিকে তাকালো। তারপর আস্তে আস্তে বললো। ‘এম থিওরি তো অনেক জটিল। আহসানের বোঝাতে পারার কথা নয়। কারণ এ থিওরিটা এখনো ঠিকমত দাঁড়ায়নি। ফিজিক্সে সুপার স্ট্রিং থিওরি নামে আরেকটা ব্যাপার আছে। এরকম পাঁচটি থিওরি মিলিয়ে একসাথে এম থিওরি বলে। ক্রিস হল, পল টাউনসেন্ড আর, আর দু জনের নাম যেন কী। ও হ্যাঁ, জন শোয়ার্জ ও অশোক সেন। এ ব্যাটা সেন মনে হয় আমাদের এদিকেরই। এ পাঁচজনের থিওরিগুলো মিলে এম থিওরি। যেকোনো একটি বস্তু একটা সুপার স্ট্রিং থিওরিতে কী অবস্থায় আছে, আরেকটা বস্তু আরেকটা থিওরি অনুযায়ী আরেক অবস্থায় আছে, এ দু বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক বের করা যায় এম থিওরি দিয়ে। খুব জটিল জিনিস। ঊনিশ শতকের আগেই ইলেকট্রিসিটি ও ম্যাগনেটিজমের মধ্যে সম্পর্ক আছে এটা ধারণা করা হতো। পরে ম্যাক্সওয়েল এসে তো থিওরি অভ ইলোকট্রোম্যাগনেটিজম বের করলো। ঊনিশশো সালের আগে এ থিওরিটা যেমন অবস্থায় ছিলো, এম থিওরিটাও এখন এ অবস্থায় আছে।’
ছেলেটার পায়ে একটা বাথরুমের স্লিপার। পরনে প্যান্টও না, রাতে শোয়ার মত দুমড়ানো মুচড়ানো ট্রাউজার। টি শার্টটাও মনে হচ্ছে কুড়িয়ে পাওয়া। এমনকি চোখের কোণে সাদা ময়লাও আছে। ছেলেটি ওর দিকে তাকিয়ে আবার হাসলো। ‘সরি, আপনাকে কনফিউজড করার জন্য। আমি আহসানের বন্ধু। ফিজিক্সেই পড়ি। আমি সজলেরও বন্ধু। মানে এ দোকান যার। ও নাস্তা করতে গেসে। ব্যবসাটা আমি দেখতেসি।’
‘কী হলো? অনেকক্ষণ ধরে কোনো কথা বলছেন না।’
‘এমনিই। আজ আগের কথা অনেক মনে পড়ছে। নানা ঘটনা। কেমন অস্থির লাগছে।’
‘আপনি কি যোগ ব্যায়াম করসেন কখনো?’ উত্তরের জন্য কোনো অপেক্ষা নেই। ‘বড় করে শ্বাস নেন। বুক ভরে, মানে হৃদয় ভরে। আস্তে আস্তে বাতাস ভিতরে নেন, আবার আস্তে আস্তে ছেড়ে দেন। ভালো লাগবে দেখেন। এর নাম হচ্ছে নিশ্বাসানন্দ চিকিৎসা।’
‘নিশ্বাসানন্দ?’
‘যে সন্নাসী এটা প্রথম উদ্ভাবন করসিলো উনার নাম নিশ্বাসানন্দ।’
‘য়ু আর লাইয়িং।’
‘আই অ্যাম।’
‘চুপ থাকেন।’
আবার নিঃসঙ্গতা সাথে নিয়ে হাঁটা। ন্যাওটা অস্থিরতা পিছে ছাড়ে না নওমির। ‘এই আমি যাই।’
‘কই যাবেন?’
‘টিউশ্যনিতে।’
‘আপনার টিউশ্যনি তো বিকেলে। এই সকালে যাবেন ক্যান?’
‘আমার টিউশ্যনির সময়ের তো ঠিক নাই। ভাল্লাগতেসে না এখানে। আপনি কই যাবেন।’
‘আমি কোথায় যাবো না। দেখি একটু গাঁজা খাবো।’
নওমির টিউশ্যনি বেইলি রোডে। একটা বিচ্ছিরি রুট। ইউনিভার্সিটি থেকে বাসে যাওয়া যায় না। রিকশা নিয়ে গেলে অনেক ঘুরে যেতে হয়। নওমি হেঁটেই যায়। শাহবাগ দিয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের পাশ কাটিয়ে শেরাটন পার হলেই নিশ্চিন্তি। একটু নিরিবিলি।
শাহবাগের ফুলের বাগানে ফুল বিক্রি আজ বেশ। আজকে কত তারিখ? কী মাস? সামনে কি কোনো উপলক্ষ্য আছে নাকি। একুশে ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেনটাইনস ডে, পহেলা ফাল্গুন, ক্রিসমাস। কিছু একটা। দিন মাস ঘণ্টার হিসাব কি রাখে বটের এই ঝিরিঝিরি পাতা। সৌন্দর্য আর সুগন্ধ বাণিজ্যের কতটুকু তাদের বোধের নাগালে? দিনটা আজ কেমন অন্ধকার হয়ে আসছে। আজকে কি আবার ঝড় হবে নাকি। নওমি আকাশের দিকে তাকালো। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে কেমন রহস্যময় জালে আটকে আছে আকাশটা। বুড়ো গম্ভীর নির্জীব মুখে যেন তাকিয়ে আছে ওর দিকে। ওখান থেকেই কি ভেসে আসছে মন খারাপ করা একটা গানের সুর। কী গান এটা। কথাগুলো ঠিক ধরতে পারছে না ও। সুরটা চেনা চেনা, রবীন্দ্রসঙ্গীত নাকি। না, বিদেশি গান মনে হচ্ছে। বিদেশি কোনো ফোক গানও হতে পারে। নওমির মাথায় সুরটা ঘুরতে লাগলো। ঝমঝম করে বাজছে অচেনা সঙ্গীতের অদ্ভুত ভালোলাগা বাজনা। তীব্র বিউগলের শব্দে সঙ্গীতের ছন্দপতন ঘটলো।
ঘাড় ফেরাতেই নওমি দেখলো বিশাল একটি বাস ওর দিকে ছুটে আসছে। বাসের গায়ে কো¬জআপের বিজ্ঞাপন। বড় বড় দাঁত বের করে দুটি ছেলেমেয়ে ওর দিকে তাকিয়ে ভেঙচি কাটছে। না, হাসছে। ওর মনে হলো বাসভর্তি লোকজনই ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনও। সবার হাসি দেখে ওরও হাসি পেলো। দিগন্ত বিস্তৃত এক হলুদ ক্ষেতে দোল খেতে লাগলো ও। ছুটে বেড়াতে লাগলো সরিষা ক্ষেতের মাঝ দিয়ে। অবাক হয়ে দেখলো, ওর পা মাটিতে স্পর্শ করছে না। একরাশ আনন্দ নিয়ে হলুদ গালিচায় উড়ে উড়ে দূর কুয়াশার দিকে এগিয়ে চললো ও।
=====================
গল্প- আলিমের নিভৃতিচর্চা by রাশিদা সুলতানা গল্প- প্রত্যাবর্তন: আমার ‘ফেরা’ নিয়ে যে কাহিনী না ..মানষ চৌঃ গল্প- 'বীচিকলায় ঢেকে যায় মুখ ও শিরোনাম' by আনোয়ার ... গল্প- 'প্রীত পরায়া' by সিউতি সবুর গল্প- 'চলিতেছে' by মাহবুব মোর্শেদ গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা গল্প- 'রূপকথা' by লুনা রুশদী সঞ্জীব চৌধুরীর কয়েকটি গল্প গল্প- 'অস্বস্তির সঙ্গে বসবাস' by ফাহমিদুল হক গল্প- 'মঙ্গামনস্ক শরীরীমুদ্রা' by ইমতিয়ার শামীম গল্প- 'হাজেরার বাপের দাইক দেনা' by জিয়া হাশান গল্প- ‘অপঘাতে মৃত্যু’ ও ‘সাদামাটা’ by লীসা গাজী গল্প- 'দ্বিতীয় জীবন' by ইরাজ আহমেদ গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান.. গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ সাইমুম পারভেজ
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ সাইমুম পারভেজ
এই গল্পটি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 14
(41)
- গল্প- 'গাদি' by ইফফাত আরেফীন তন্বী
- গল্প- 'অনেক দিন আগের দিনেরা' by রনি আহম্মেদ
- একনেকে ২০৪১ কোটি টাকার নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
- আজ এডিবির সঙ্গে ১০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর
- দুর্যোগের ‘প্রত্যয়’ ফিরে দেখা by মাহবুবা নাসরীন
- নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন রানি এলিজাবেথ
- বংশানুক্রমিক ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরোধী কিমের বড় ছেলে
- কলম্বিয়ার সাবেক এক সেনা কর্মকর্তার ৪৪ বছরের কারাদণ্ড
- চিলির খনিশ্রমিকদের তুলে আনা হবে আজ
- শীর্ষ ২০ ধনী নারীর ১১ জনই চীনের!
- ইসরায়েলকে ইহুদি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি ফিলিস্তিন...
- সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মালিকানা গ্রহণ করেছে সরকার
- ইউক্রেনে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ৪০
- পশ্চিমবঙ্গে ভারত ও যুক্তরাজ্যের সামরিক মহড়া
- আফগানিস্তানে ব্রিটিশ জিম্মির মৃত্যু তদন্তের নির্দেশ
- লৈঙ্গিক সমতায় এগিয়ে নরডিক দেশগুলো
- ভারতসহ চার দেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য
- সিয়াওবোর নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেন তাঁর স্ত্রী
- মার্কিন রেস্তোরাঁগুলোতে হামলার আহ্বান আল-কায়েদার
- প্রার্থীদের অনেকেই আসামি
- পাকিস্তানে আসছেন দূত মেসি
- বিসিবির সভাপতি এবার আইসিসিতে
- চার দিনের ম্যাচ থামিয়ে ওয়ানডে!
- তিনে তিন মেনেজেসের
- দুই মেরুতে দুই দল
- গল্প- 'সম্পর্ক' by তারিক আল বান্না
- গল্প- 'তিতা মিঞার জঙ্গনামা' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'কর্কট' by রাশিদা সুলতানা
- গল্প- 'কোষা' by পাপড়ি রহমান
- গল্প- 'তুষার-ধবল' by সায়েমা খাতুন
- গল্প- 'নগর পিতা বৃষ্টি নামান' by অদিতি ফাল্গুনী
- গল্প- 'সেদিন বৃষ্টি ছিল' by মৃদুল আহমেদ
- গল্প- 'লাল ব্যাসার্ধ্ব' by শামীমা বিনতে রহমান
- গল্প- 'নিষুপ্ত শেকড়' by নিরমিন শিমেল
- গল্প- 'মরিবার হলো তার সাধ' by আহমাদ মোস্তফা কামাল
- গল্প- 'নওমির এক প্রহর' by সাইমুম পারভেজ
- গল্প- 'পুরির গল্প' by ইমরুল হাসান
- গল্প 'গহ্বর' by জাহিদ হায়দার
- গল্প- 'একে আমরা কাকতালীয় বলতে পারি' by মঈনুল আহসান...
- গল্প- 'একশ ছেচল্লিশ টাকার গল্প' by কৌশিক আহমেদ
- গল্প- 'পুষ্পের মঞ্জিল' by সাগুফতা শারমীন তানিয়া
-
▼
Oct 14
(41)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment