Sunday, December 23, 2012
বিশেষ সাক্ষাৎকার : জিয়াউদ্দিন বাবলু-রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দেশের মানুষ জিম্মি
বিশেষ সাক্ষাৎকার : জিয়াউদ্দিন বাবলু-রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দেশের মানুষ জিম্মি
কোন দিকে যাচ্ছে দেশ? সরকার ও বিরোধী দলের পরস্পরবিরোধী কর্মসূচি কি দেশকে সংঘাতের পথে ঠেলে দিচ্ছে? সহিংসতা থেকে মুক্তির উপায় কী? গণতন্ত্রকে সুসংহত রাখতে আমাদের করণীয় কী? এসব বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠের মুখোমুখি হয়েছিলেন সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা জিয়াউদ্দিন বাবলু।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলী হাবিব
কালের কণ্ঠ : সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে শুরু করা যাক। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে বলে মনে হয়।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : শুরুতেই একটু পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। আমার পরিচয় আমি রাজনীতি করি। দীর্ঘর্দিন ছাত্ররাজনীতি করেছি। আমি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত সেটা বড় কথা নয়, দেশের একজন নাগরিক হিসেবেই চলমান রাজনীতি নিয়ে আমার নিজস্ব একটি মত আছে। রাজনীতির নামে এখন যা চলছে, তা কাঙ্ক্ষিত নয়। গণতন্ত্রের জন্য তা কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। চলমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংঘাত আরো তীব্র হবে। আমি মনে করি, তাতে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, নির্বাচনের অধিকার বা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার অধিকার পর্যন্ত ক্ষুণ্ন হওয়ার একটা আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
কালের কণ্ঠ : গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, সংসদীয় পদ্ধতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হয়। বিশেষ করে সরকার ও বিরোধী দলকে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক চিত্র দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে সরকার ও বিরোধী দল সঠিক ভূমিকা পালন করছে?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : হ্যাঁ, এটা মানতে হবে, সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থায় বিরোধী দল সরকারের একটি অচ্ছেদ্য অংশ। সরকারি দল ও বিরোধী দল নিয়েই সরকার। বিরোধী দলকে মনে করা হয় ছায়া সরকার। কিন্তু আমাদের এখানে আমরা সচরাচর যা দেখতে পাই, তা আশাপ্রদ নয়। এই সংসদের মেয়াদ চার বছর হতে চলল। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিরোধী দল সংসদে যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন এ প্রক্রিয়া চলে আসছে। মনে রাখা দরকার, বিরোধী দল কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসে, নির্বাচিত হয় জনগণের দ্বারা। জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরা বিরোধী দলের দায়িত্ব। সব দেশেই এমনটি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে গত ২২ বছর আমরা সংসদীয় পদ্ধতির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চর্চা করছি। কিন্তু গণতন্ত্রে বা সংসদীয় পদ্ধতির যেটা সারকথা, সংসদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধান করা, একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া- তা আমাদের এখানে হচ্ছে না। এর ফলটা কী হচ্ছে? মুখে সংসদীয় গণতন্ত্রের কথা বললেও কার্যত সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তার প্রতিফলন কোথাও নেই। এটা দেশের জন্য দুঃখজনক, গণতন্ত্রের জন্য শুভকর নয়।
কালের কণ্ঠ : ডিসেম্বর মাসে বিরোধী দলগুলো যে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করল, সেটাকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? আরো স্পষ্ট করে বললে বলতে হবে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হরতালকে আপনি কতটা কার্যকর ও শক্তিশালী প্রায়োগিক অস্ত্র হিসেবে দেখছেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এখন এটা মানতেই হবে যে আজকের বাস্তবতায় পৃথিবীর কোনো সভ্য-উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে আজকাল হরতাল বলতে কিছু নেই। হ্যাঁ, এটা ঠিক, হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রতিবাদ জানানোর মাধ্যম। কিন্তু আজকের দিনে পৃথিবী যেখানে গেছে, আমরা যখন ঢাকায় বসে বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলের খবর পেয়ে যাচ্ছি, এমন একটি সময়ে, যখন বিশ্বকে বলা হচ্ছে একটি গ্লোবাল ভিলেজ, তখন হরতাল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর কোনো কার্যকর মাধ্যম নয় বলেই আমি মনে করি। এতে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব কিছুরই একটা স্থান-কাল-পাত্র আছে। অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় ঘোরা, কিংবা বোমা ফাটানো, এটা কার্যকর কোনো মাধ্যম নয়। যদি ১৯৭১-এর কথা বিবেচনা করা হয়, তাহলে কী দেখি আমরা? তখন সমগ্র জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতার জন্য। তখন অস্ত্র ধরাটাই ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার। তখন দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে মুক্ত করার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। সেই সময় অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া, বোমা ফাটানো, যুদ্ধ করা বৈধ ছিল। সেটা ছিল নৈতিক একটি ব্যাপার। কিন্তু আজকের প্রেক্ষাপটে অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া, বোমাবাজি করা কোনোভাবেই নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। সুতরাং স্থান-কাল-পাত্রভেদে নৈতিকতার দিকটিকে আমাদের বিবেচনা করতে হবে। হ্যাঁ, অবশ্যই বলব, হরতাল আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে হরতাল কোনো কার্যকর রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এই রাজনৈতিক কর্মসূচিটি এখন অকার্যকর বলে আমি মনে করি। এটা এমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নয়, যার মাধ্যমে জনগণের প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করা যায়। জনগণ এটা পছন্দ করে না। হ্যাঁ, হরতাল করার অধিকার সবারই আছে। আবার হরতাল সমর্থন না করার অধিকারও সবার আছে। একজন রিকশাচালকের রিকশা চালানোর অধিকারও কিন্তু তার গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার ক্ষুণ্ন করার অধিকার কারো নেই। হরতাল এখন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কোনো চিহ্ন নেই। জোর করে মানুষকে ঘরে আটকে রাখা হচ্ছে। হরতাল আহ্বান করা হলে মানুষ চেষ্টা করে ঘর থেকে বের না হতে। এই ডিসেম্বরে হরতাল-অবরোধের নামে আমরা কী দেখলাম? সহিংসতা। রিকশা-গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আগুন দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ। আবার হরতাল বা অবরোধ-প্রতিরোধের নামে বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের মতো একটি দুঃখজনক ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেছি আমরা। আমাদের মনে রাখতে হবে, 'সন্ত্রাস থেকে সন্ত্রাস জন্ম নেয়।' কেন এসব ঘটেছে? একটাই কারণ- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রতিবাদ না করে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কালের কণ্ঠ : অর্থাৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি আজকাল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের রাজনৈতিক দৈন্য, নাকি সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতার অভাব?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : যদিও আমি একটি রাজনৈতিক দল করি, তার পরও মনে করি, সাধারণ নাগরিকরা আজ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জিম্মি। তাদের মতামতের কোনো মূল্য এখানে নেই। সাধারণ নাগরিকদের মতামতের কোনো তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যও বটে। রাজনৈতিক-গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির দৈন্য। ভলতেয়ারের একটি কথা আছে, 'আমি আপনার সঙ্গে একমত না হতে পারি, কিন্তু আপনার ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আমি প্রাণ দেব।' এটাই হচ্ছে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আমাদের এখানে আমরা কী দেখছি? আমি একজন নাগরিক হিসেবে আপনার হরতালের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি। কিন্তু আমার অধিকার রক্ষার জন্য জীবন দেওয়া দূরের কথা, আপনি আমার জীবনের জন্য সংশয় হয়ে দেখা দিচ্ছেন। গণতন্ত্রের মূল যে স্পিরিট, 'এসেন্স অব ডেমোক্রেসি হচ্ছে, আই মে ডিফার উইথ ইউ বাট আই অ্যাম রেডি টু প্রটেক্ট ইয়োর রাইট'- আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এটা একেবারেই অনুপস্থিত। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এক কথায় বলা যায়, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা আমাদের দেশে নেই। কথাটা কঠিন শোনালেও বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই।
কালের কণ্ঠ : আবার একটু হরতাল প্রসঙ্গে আসা যাক। জামায়াত কিছুদিন আগে একটি হরতাল দিলে বিএনপি সেই হরতালে নৈতিক সমর্থন দেয়। বিএনপির এ সমর্থন আপনি কতটা নৈতিক মনে করেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আমি মনে করি, আগেও বলেছি, যেকোনো দলেরই নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে হরতাল ডাকার অধিকার আছে। জামায়াতেরও আছে। তাদের নেতাদের মুক্তির দাবিতে তারা হরতাল-অবরোধ ডাকতেই পারে। এটা আমাদের সংবিধানেও স্বীকৃত। একজন সাধারণ ও নিরপেক্ষ নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, সেই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করা মানে সেই দাবিকে সমর্থন করা। বিএনপি একটা দলীয় ব্যাখ্যা দিয়েছিল। সেটা বোধ হয় এ রকম যে জামায়াত আগের দিন জনসভা করতে চেয়েছিল। জনসভা করতে দেয়নি বলে তারা হরতাল ডেকেছে। বিএনপি সেই ব্যাপারে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। এটা হচ্ছে বিএনপির এক ধরনের ব্যাখ্যা। কিন্তু আমরা যদি নির্মোহভাবে ব্যাখ্যা করি, তাহলে কী দাঁড়ায়? জামায়াত সেদিন যে সভা ডেকেছিল, সেটা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের দাবিতে। সরকারি বিধিনিষেধের কারণে সেই সভা হতে পারেনি। এর প্রতিবাদে তারা হরতাল দেয়। অর্থাৎ তাদের মূল উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা। বিএনপি নৈতিক সমর্থন দিয়ে জামায়াতের ওই দাবির পক্ষেই তাদের অবস্থান সংহত করেছে।
কালের কণ্ঠ : রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে প্রধান দুই দলের মধ্যে। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন বা প্রতিরোধ- অনেকে মতে, এর নেপথ্যের কারণ এটাই যে কেউ ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত করতে চায়, কেউ ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে চায়। দুই পক্ষের এই চাওয়ার মধ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা কতটুকু?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েই যদি কথা বলি, তাহলে বলতে হবে হরতাল ও হরতালবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে। বিরোধী দল ও সরকারি দলের এই কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ডের ভেতর দিয়ে কী প্রকাশ পায়? না, কোনোটির সঙ্গেই জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। যে দল ক্ষমতায় আছে, তারা ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে চায়। আরেক দল ক্ষমতায় যেতে চায়। আজকের দ্বন্দ্ব ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়েই। সেই দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রাণ পর্যন্ত যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মধ্যে পড়ে না। আরো স্পষ্ট করে বললে বলতে হবে, ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে এক ধরনের উলঙ্গ ও সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, নির্বাচিত সরকার পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকবে। হ্যাঁ, এই পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারের ত্রুটি নিয়ে আপনি রাজপথে কথা বলতে পারেন। একই সঙ্গে আপনাকে সংসদেও কথা বলতে হবে। সংসদীয় পদ্ধতিতে, যেখানে সংসদই সব কর্মকাণ্ডের উৎস, সেখানে সংসদকে বাদ দিয়ে বিরোধী দল রাজপথকেই বেছে নিয়েছে। ফলে ব্যাপারটি খুব একপেশে হয়ে গেছে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে, দুই জায়গাতেই আন্দোলন গড়ে তোলা যায়। তবে সেই আন্দোলন অবশ্যই সহিংস হবে না, জনজীবনকে বিপর্যস্ত করবে না- এটা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের জানমাল-সম্পদহানির মতো কোনো ঘটনা ঘটবে না, এটা নিশ্চিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সমাজে এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে আমরা কী দেখছি? জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দিকে কারো দৃষ্টি নেই। বিরোধী দলের অনেক কথা বলার থাকতে পারে। তার জন্য জনমত গঠন করতে হবে, সংগঠিত করতে হবে জনগণকে। সরকারের ব্যর্থতার দিকগুলো তুলে ধরে জনগণের কাছে যেতে হবে। জনমত গঠন করতে হবে। জনগণের রায় নিতে হবে। আমি মনে করি, জনগণই হচ্ছে চূড়ান্ত রায় দেওয়ার মালিক। কাজেই জনগণের আস্থাভাজন হতে হবে। গণতন্ত্রকে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচন। সেই নির্বাচন কিভাবে হবে, সেটা নির্ধারিত হবে সংসদে, রাজপথে নয়। সমস্যার সমাধান রাজপথে হবে না। তাতে গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলো শক্তিশালী হবে না। গণতন্ত্রের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যাবে। রাজপথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে গেলে তার ফল ভালো হবে না।
কালের কণ্ঠ : আপনি জনমত গঠনের কথা বললেন। গণতন্ত্রে জনমত গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জনমত গঠনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো কতটা ভূমিকা রাখছে?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড দেখে এটা মনে করা যেতে পারে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকেই নিয়ামক হিসেবে মনে করছে। এখানে জনগণের নামে হরতাল ডাকা হচ্ছে। জনগণের নামে এখানে হরতাল প্রতিহত করার কর্মসূচিও দেওয়া হচ্ছে। যে জনগণের নামে পালিত হচ্ছে রাজনৈতিক কর্মসূচি, সেই জনগণ কি এদের সঙ্গে আছে? না, এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার তো মনে হয়, বর্তমান সময়ে এসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কৃষকের কথাই ধরা যাক। আমাদের জিডিপিতে কৃষকের অবদান ৩০ শতাংশ। বাংলার কৃষক আমাদের জন্য কেবল খাদ্য উৎপাদনই করে না, দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত করেছে। তারা খাদ্য উৎপাদন না করলে আজ আমাদের খাদ্য আমদানি করতে হতো। আমরা কি তাদের কাছে যাচ্ছি? দেশের বেশির ভাগ মানুষের বাস গ্রামে। আমরা কি তাদের কথা বলছি? আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম শহরকেন্দ্রিক। আমি মনে করি, আমাদের রাজনীতিকে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া উচিত।
কালের কণ্ঠ : হরতাল-অবরোধের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি এখন কতটা উপযোগী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এটা এখন আর কোনো কার্যকর রাজনৈতিক অস্ত্র নয়, সে কথা আমি আগেই বলেছি। বলেছি, একটা ঔপনিবেশিক দেশে বা পরাধীন দেশে এটা কার্যকর হতে পারে। স্বাধীন দেশে এটা গ্রহণযোগ্য কোনো প্রক্রিয়া নয়। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। হরতালে কী দেখছি আমরা? শহরের মানুষ গাড়ি বের করছে না। আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠাচ্ছি না। কেন? ভয়ে। অভিভাবকরা কিন্তু হরতাল সমর্থন করে সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না, তা নয়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠানো হচ্ছে না ভয়ে। মানুষ রাস্তায় কম বের হচ্ছে ভয়ে। জীবন বিপন্ন হোক- এটা কেউ চায় না। অর্থাৎ হরতালে যে গাড়ি বের হচ্ছে না, মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, এতে এটা প্রমাণিত হয় না যে মানুষ হরতাল সমর্থন করছে। এর পেছনের কারণটি হচ্ছে ভয়। আবার সরকার যে পদ্ধতিতে হরতাল-অবরোধ প্রতিরোধ করতে চাইছে বা ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মনে করি, এ অবস্থার অবসান হওয়া উচিত। আমি মনে করি, এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সে জন্য রাজনীতিতে সৃজনশীলতার বিকাশ প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বে গণতন্ত্র নেই। কাউন্সিলগুলো চাপিয়ে দেওয়া হয়। দলে যদি গণতন্ত্র না থাকে তাহলে দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হবে কেমন করে? আগে দলে গণতন্ত্রের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। মননের জগতে গণতান্ত্রিক স্পৃহা কার্যকর থাকলেই সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। নেতৃত্বের মস্তিষ্কে যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র সংকটাপন্ন হবেই।
কালের কণ্ঠ : সরকার ও বিরোধী দলের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে। অনেকেই বলছেন, সংলাপ হতে পারে সমাধান সূত্র। কিন্তু সংলাপের পরিবেশ কি আছে? সংলাপের পরিবেশ কেমন করে সৃষ্টি করা যায়?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আমি মনে করি ও বিশ্বাস করি, সংলাপই হচ্ছে একমাত্র ও কার্যকর উপায়। এর কোনো বিকল্প নেই। রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব থাকবে, দ্বিমত থাকবে। ভিন্নমতের অবকাশ গণতন্ত্রে স্বীকৃত। কিন্তু অবস্থাটা যখন একেবারে আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন কী করতে হবে? আলোচনায় বসতে হবে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত, বৈরী পরিবেশ সহিংসতার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে না। আর তেমনটি যদি করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বলব, আমাদের কষ্টার্জিত গণতন্ত্র ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে। কাজেই সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে দুই দলকেই একমত হতে হবে। এজেন্ডা নির্দিষ্ট করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। দুই দলকেই সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। উভয় পক্ষকেই ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে বসতে হবে। সরকার ও বিরোধী দলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে। আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চায় না। অন্যদিকে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এমন একটি বিপরীতমুখী অবস্থানে সমস্যার সমাধান কেমন করে সম্ভব? হ্যাঁ, মানতে হবে দুই দলই অনড়। তার পরও এর মধ্যেই একেবারে যে পথ খোলা নেই, তা নয়। নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা? উভয় দল যদি নির্বাচনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তাহলে একটি ফর্মুলা বের হয়ে আসবেই। উভয় পক্ষকেই নিজেদের জায়গা থেকে সরে আসতে হবে। অন্যথায় সংঘাত অনিবার্য। তাতে নির্বাচনের সম্ভাবনা নষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। বিরোধী দল কী মানতে চায়, সেটা সরকারকে বিবেচনা করে দেখতে হবে। সমাধান তো একটা আসতেই হবে। সংবিধানের মধ্য থেকেই সমাধান বের করা যেতে পারে। আমরা মনে করি, একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে। যেসব দল সংসদে আছে, সেই দলগুলোকে নিয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে নির্বাচনের সময়ের জন্য। এটাকে বলা যেতে পারে সর্বদলীয় জাতীয় সরকার। সরকার একটি রূপরেখা দিয়েছে অনেক আগে। বিএনপি সংসদে গিয়ে কিংবা সংসদের বাইরে একটা রূপরেখা তো দিতে পারে। সমঝোতা খুঁজতে হবে সংবিধানের মধ্যেই। সংবিধানের বাইরে যাওয়া যাবে না। এ সমাধানের আলোচনা সংসদের ভেতরে-বাইরে- যেকোনো জায়গাতেই হতে পারে।
কালের কণ্ঠ : রাজনৈতিক দলগুলোর কারণেই গণতন্ত্র সংকটে পড়ে বারবার- এমন কথা বলেন অনেকে। দেশে এখন একটি রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে যাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : সমঝোতা, সমঝোতা এবং সমঝোতা। সমঝোতার বিকল্প নেই। সংলাপ ছাড়া সমঝোতাও হবে না। কথাগুলো বারবারই বলছি। সমঝোতা ছাড়া এই কঠিন, সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব না। আর এ সহিংস রাজনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গেই বলতে হবে, আমাদের ইতিহাসের চাকা উল্টো দিকেই ঘুরবে। আমাদের গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাও তাতে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর তেমনটি ঘটলে সেটা হবে জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। গণতন্ত্রের জন্য সেটা কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না।
কালের কণ্ঠ : আপনিও ছাত্ররাজনীতি করেছেন। এখনকার ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : দলীয়ভাবে তো বটেই, ব্যক্তিগতভাবেও আমি বিশ্বাস করি, ছাত্ররা হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে সচেতন অংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু সহজ নয়। কারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে? দেশের সবচেয়ে মেধাবী তরুণরা। তারাই তো আমাদের সমাজের অগ্রসরমান অংশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তো সব আন্দোলনের সূতিকাগার। ডাকসুকে বলা হয়ে থাকে সেকেন্ড পার্লামেন্ট। আজকে কেন ছাত্রদের এ অবস্থা? কারণ কোথাও ছাত্ররাজনীতি নেই। কোনো ছাত্র সংসদ কার্যকর নয়। গত ২২ বছর কোনো ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি। এভাবে গত ২২ বছরে আমরা ছাত্রদের, যারা আগামী দিনের রাজনীতিক, তাদের রাজনীতিশূন্য অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছি। আমরা রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে গণতন্ত্রচর্চার চেষ্টা করছি কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতন্ত্রহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি। আগামী নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ হচ্ছে না। আমরা ছাত্রদের এক অন্ধকার পথে ঠেলে দিচ্ছি। দেশে নির্বাচন না হলে একটা অরাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। ছাত্ররাজনীতও তো এর বাইরে নয়।
কালের কণ্ঠ : সম্প্রতি টিআইবির দুর্নীতিসংক্রান্ত একটি রিপোর্ট ঝড় তুলেছে। এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এটা নিয়ে তো অনেক ঝড় বয়ে গেল। এটা নিয়ে অনেক টক শো দেখেছি। অনেক কথা শুনেছি। ওই রিপোর্ট কতটা বাস্তবসম্মত, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান। তারা যেটা করেছে সেটা হচ্ছে করাপশন পাসসেপশন ইনডেঙ্। ডিটেইল কাজ করা হয়নি। কাজেই এর বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ আছে। প্রক্রিয়া সঠিক বলে মনে হয় না।
কালের কণ্ঠ : পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক ফিরে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত জানতে চাই।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : পদ্মা সেতু মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এটা মানুষ চায়নি। মহাজোট অঙ্গীকার করায় মানুষের ভেতর একটা প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। এটা না হওয়া দুঃখজনক। যখন বিশ্বব্যাংক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে, তখনই সরকার ব্যবস্থা নিতে পারত। সংক্ষেপে বলা যায়, পানি এত ঘোলা করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এতে সরকারের ভোটব্যাংকে টান পড়বে।
কালের কণ্ঠ : রেন্টাল বিদ্যুৎ নিয়েও অনেক কথা চালু আছে বাজারে। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : অনেকেই রেন্টাল বিদ্যুতের বিপক্ষে কথা বলেন। আমি মনে করি, সহজে সমাধানের পথ খুঁজতে সরকারের কাছে এর বিকল্প কিছু ছিল না। সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন বিদ্যুতের যে সমস্যা ছিল, তা থেকে মুক্তি পেতে এটাই ছিল সহজ পথ।
কালের কণ্ঠ : সব দিক বিবেচনায় সরকারকে সফল না ব্যর্থ বলবেন আপনি?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : 'ভালো-মন্দ মিলায়ে সকলি।' কোনো সরকারই শতভাগ সফল হতে পারে না, কোনো সরকারই শতভাগ ব্যর্থ হয় না। ভালো-মন্দ মিলিয়েই একটি সরকার সামনের দিকে যায়। সেখানে সাফল্যের ভাগ বেশি হলে সেটা ব্যর্থতাকে ছাপিয়ে যায়। আবার ব্যর্থতার ভাগ বেশি হলে তা সাফল্যকে ছাপিয়ে যায়। এ সরকারের অনেক সাফল্য আছে। কিন্তু তার প্রকাশ নেই।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আপনাকেও ধন্যবাদ।
কালের কণ্ঠ : সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে শুরু করা যাক। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে বলে মনে হয়।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : শুরুতেই একটু পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। আমার পরিচয় আমি রাজনীতি করি। দীর্ঘর্দিন ছাত্ররাজনীতি করেছি। আমি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত সেটা বড় কথা নয়, দেশের একজন নাগরিক হিসেবেই চলমান রাজনীতি নিয়ে আমার নিজস্ব একটি মত আছে। রাজনীতির নামে এখন যা চলছে, তা কাঙ্ক্ষিত নয়। গণতন্ত্রের জন্য তা কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। চলমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংঘাত আরো তীব্র হবে। আমি মনে করি, তাতে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, নির্বাচনের অধিকার বা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার অধিকার পর্যন্ত ক্ষুণ্ন হওয়ার একটা আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
কালের কণ্ঠ : গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, সংসদীয় পদ্ধতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হয়। বিশেষ করে সরকার ও বিরোধী দলকে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক চিত্র দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে সরকার ও বিরোধী দল সঠিক ভূমিকা পালন করছে?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : হ্যাঁ, এটা মানতে হবে, সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থায় বিরোধী দল সরকারের একটি অচ্ছেদ্য অংশ। সরকারি দল ও বিরোধী দল নিয়েই সরকার। বিরোধী দলকে মনে করা হয় ছায়া সরকার। কিন্তু আমাদের এখানে আমরা সচরাচর যা দেখতে পাই, তা আশাপ্রদ নয়। এই সংসদের মেয়াদ চার বছর হতে চলল। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিরোধী দল সংসদে যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন এ প্রক্রিয়া চলে আসছে। মনে রাখা দরকার, বিরোধী দল কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসে, নির্বাচিত হয় জনগণের দ্বারা। জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরা বিরোধী দলের দায়িত্ব। সব দেশেই এমনটি হয়ে থাকে। আমাদের দেশে গত ২২ বছর আমরা সংসদীয় পদ্ধতির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চর্চা করছি। কিন্তু গণতন্ত্রে বা সংসদীয় পদ্ধতির যেটা সারকথা, সংসদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধান করা, একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া- তা আমাদের এখানে হচ্ছে না। এর ফলটা কী হচ্ছে? মুখে সংসদীয় গণতন্ত্রের কথা বললেও কার্যত সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তার প্রতিফলন কোথাও নেই। এটা দেশের জন্য দুঃখজনক, গণতন্ত্রের জন্য শুভকর নয়।
কালের কণ্ঠ : ডিসেম্বর মাসে বিরোধী দলগুলো যে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করল, সেটাকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? আরো স্পষ্ট করে বললে বলতে হবে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হরতালকে আপনি কতটা কার্যকর ও শক্তিশালী প্রায়োগিক অস্ত্র হিসেবে দেখছেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এখন এটা মানতেই হবে যে আজকের বাস্তবতায় পৃথিবীর কোনো সভ্য-উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে আজকাল হরতাল বলতে কিছু নেই। হ্যাঁ, এটা ঠিক, হরতাল একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রতিবাদ জানানোর মাধ্যম। কিন্তু আজকের দিনে পৃথিবী যেখানে গেছে, আমরা যখন ঢাকায় বসে বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলের খবর পেয়ে যাচ্ছি, এমন একটি সময়ে, যখন বিশ্বকে বলা হচ্ছে একটি গ্লোবাল ভিলেজ, তখন হরতাল সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর কোনো কার্যকর মাধ্যম নয় বলেই আমি মনে করি। এতে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব কিছুরই একটা স্থান-কাল-পাত্র আছে। অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় ঘোরা, কিংবা বোমা ফাটানো, এটা কার্যকর কোনো মাধ্যম নয়। যদি ১৯৭১-এর কথা বিবেচনা করা হয়, তাহলে কী দেখি আমরা? তখন সমগ্র জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতার জন্য। তখন অস্ত্র ধরাটাই ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার। তখন দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে মুক্ত করার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। সেই সময় অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া, বোমা ফাটানো, যুদ্ধ করা বৈধ ছিল। সেটা ছিল নৈতিক একটি ব্যাপার। কিন্তু আজকের প্রেক্ষাপটে অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া, বোমাবাজি করা কোনোভাবেই নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। সুতরাং স্থান-কাল-পাত্রভেদে নৈতিকতার দিকটিকে আমাদের বিবেচনা করতে হবে। হ্যাঁ, অবশ্যই বলব, হরতাল আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে হরতাল কোনো কার্যকর রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এই রাজনৈতিক কর্মসূচিটি এখন অকার্যকর বলে আমি মনে করি। এটা এমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নয়, যার মাধ্যমে জনগণের প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করা যায়। জনগণ এটা পছন্দ করে না। হ্যাঁ, হরতাল করার অধিকার সবারই আছে। আবার হরতাল সমর্থন না করার অধিকারও সবার আছে। একজন রিকশাচালকের রিকশা চালানোর অধিকারও কিন্তু তার গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার ক্ষুণ্ন করার অধিকার কারো নেই। হরতাল এখন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কোনো চিহ্ন নেই। জোর করে মানুষকে ঘরে আটকে রাখা হচ্ছে। হরতাল আহ্বান করা হলে মানুষ চেষ্টা করে ঘর থেকে বের না হতে। এই ডিসেম্বরে হরতাল-অবরোধের নামে আমরা কী দেখলাম? সহিংসতা। রিকশা-গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আগুন দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ। আবার হরতাল বা অবরোধ-প্রতিরোধের নামে বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের মতো একটি দুঃখজনক ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেছি আমরা। আমাদের মনে রাখতে হবে, 'সন্ত্রাস থেকে সন্ত্রাস জন্ম নেয়।' কেন এসব ঘটেছে? একটাই কারণ- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রতিবাদ না করে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কালের কণ্ঠ : অর্থাৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি আজকাল চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের রাজনৈতিক দৈন্য, নাকি সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতার অভাব?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : যদিও আমি একটি রাজনৈতিক দল করি, তার পরও মনে করি, সাধারণ নাগরিকরা আজ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জিম্মি। তাদের মতামতের কোনো মূল্য এখানে নেই। সাধারণ নাগরিকদের মতামতের কোনো তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যও বটে। রাজনৈতিক-গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির দৈন্য। ভলতেয়ারের একটি কথা আছে, 'আমি আপনার সঙ্গে একমত না হতে পারি, কিন্তু আপনার ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আমি প্রাণ দেব।' এটাই হচ্ছে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। আমাদের এখানে আমরা কী দেখছি? আমি একজন নাগরিক হিসেবে আপনার হরতালের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি। কিন্তু আমার অধিকার রক্ষার জন্য জীবন দেওয়া দূরের কথা, আপনি আমার জীবনের জন্য সংশয় হয়ে দেখা দিচ্ছেন। গণতন্ত্রের মূল যে স্পিরিট, 'এসেন্স অব ডেমোক্রেসি হচ্ছে, আই মে ডিফার উইথ ইউ বাট আই অ্যাম রেডি টু প্রটেক্ট ইয়োর রাইট'- আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এটা একেবারেই অনুপস্থিত। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এক কথায় বলা যায়, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা আমাদের দেশে নেই। কথাটা কঠিন শোনালেও বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই।
কালের কণ্ঠ : আবার একটু হরতাল প্রসঙ্গে আসা যাক। জামায়াত কিছুদিন আগে একটি হরতাল দিলে বিএনপি সেই হরতালে নৈতিক সমর্থন দেয়। বিএনপির এ সমর্থন আপনি কতটা নৈতিক মনে করেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আমি মনে করি, আগেও বলেছি, যেকোনো দলেরই নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে হরতাল ডাকার অধিকার আছে। জামায়াতেরও আছে। তাদের নেতাদের মুক্তির দাবিতে তারা হরতাল-অবরোধ ডাকতেই পারে। এটা আমাদের সংবিধানেও স্বীকৃত। একজন সাধারণ ও নিরপেক্ষ নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, সেই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করা মানে সেই দাবিকে সমর্থন করা। বিএনপি একটা দলীয় ব্যাখ্যা দিয়েছিল। সেটা বোধ হয় এ রকম যে জামায়াত আগের দিন জনসভা করতে চেয়েছিল। জনসভা করতে দেয়নি বলে তারা হরতাল ডেকেছে। বিএনপি সেই ব্যাপারে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। এটা হচ্ছে বিএনপির এক ধরনের ব্যাখ্যা। কিন্তু আমরা যদি নির্মোহভাবে ব্যাখ্যা করি, তাহলে কী দাঁড়ায়? জামায়াত সেদিন যে সভা ডেকেছিল, সেটা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের দাবিতে। সরকারি বিধিনিষেধের কারণে সেই সভা হতে পারেনি। এর প্রতিবাদে তারা হরতাল দেয়। অর্থাৎ তাদের মূল উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা। বিএনপি নৈতিক সমর্থন দিয়ে জামায়াতের ওই দাবির পক্ষেই তাদের অবস্থান সংহত করেছে।
কালের কণ্ঠ : রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে প্রধান দুই দলের মধ্যে। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন বা প্রতিরোধ- অনেকে মতে, এর নেপথ্যের কারণ এটাই যে কেউ ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত করতে চায়, কেউ ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে চায়। দুই পক্ষের এই চাওয়ার মধ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা কতটুকু?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েই যদি কথা বলি, তাহলে বলতে হবে হরতাল ও হরতালবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে। বিরোধী দল ও সরকারি দলের এই কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ডের ভেতর দিয়ে কী প্রকাশ পায়? না, কোনোটির সঙ্গেই জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। যে দল ক্ষমতায় আছে, তারা ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে চায়। আরেক দল ক্ষমতায় যেতে চায়। আজকের দ্বন্দ্ব ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়েই। সেই দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রাণ পর্যন্ত যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মধ্যে পড়ে না। আরো স্পষ্ট করে বললে বলতে হবে, ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে এক ধরনের উলঙ্গ ও সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, নির্বাচিত সরকার পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকবে। হ্যাঁ, এই পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারের ত্রুটি নিয়ে আপনি রাজপথে কথা বলতে পারেন। একই সঙ্গে আপনাকে সংসদেও কথা বলতে হবে। সংসদীয় পদ্ধতিতে, যেখানে সংসদই সব কর্মকাণ্ডের উৎস, সেখানে সংসদকে বাদ দিয়ে বিরোধী দল রাজপথকেই বেছে নিয়েছে। ফলে ব্যাপারটি খুব একপেশে হয়ে গেছে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে, দুই জায়গাতেই আন্দোলন গড়ে তোলা যায়। তবে সেই আন্দোলন অবশ্যই সহিংস হবে না, জনজীবনকে বিপর্যস্ত করবে না- এটা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের জানমাল-সম্পদহানির মতো কোনো ঘটনা ঘটবে না, এটা নিশ্চিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সমাজে এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে আমরা কী দেখছি? জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দিকে কারো দৃষ্টি নেই। বিরোধী দলের অনেক কথা বলার থাকতে পারে। তার জন্য জনমত গঠন করতে হবে, সংগঠিত করতে হবে জনগণকে। সরকারের ব্যর্থতার দিকগুলো তুলে ধরে জনগণের কাছে যেতে হবে। জনমত গঠন করতে হবে। জনগণের রায় নিতে হবে। আমি মনে করি, জনগণই হচ্ছে চূড়ান্ত রায় দেওয়ার মালিক। কাজেই জনগণের আস্থাভাজন হতে হবে। গণতন্ত্রকে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচন। সেই নির্বাচন কিভাবে হবে, সেটা নির্ধারিত হবে সংসদে, রাজপথে নয়। সমস্যার সমাধান রাজপথে হবে না। তাতে গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলো শক্তিশালী হবে না। গণতন্ত্রের ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যাবে। রাজপথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে গেলে তার ফল ভালো হবে না।
কালের কণ্ঠ : আপনি জনমত গঠনের কথা বললেন। গণতন্ত্রে জনমত গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জনমত গঠনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো কতটা ভূমিকা রাখছে?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড দেখে এটা মনে করা যেতে পারে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকেই নিয়ামক হিসেবে মনে করছে। এখানে জনগণের নামে হরতাল ডাকা হচ্ছে। জনগণের নামে এখানে হরতাল প্রতিহত করার কর্মসূচিও দেওয়া হচ্ছে। যে জনগণের নামে পালিত হচ্ছে রাজনৈতিক কর্মসূচি, সেই জনগণ কি এদের সঙ্গে আছে? না, এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার তো মনে হয়, বর্তমান সময়ে এসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কৃষকের কথাই ধরা যাক। আমাদের জিডিপিতে কৃষকের অবদান ৩০ শতাংশ। বাংলার কৃষক আমাদের জন্য কেবল খাদ্য উৎপাদনই করে না, দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত করেছে। তারা খাদ্য উৎপাদন না করলে আজ আমাদের খাদ্য আমদানি করতে হতো। আমরা কি তাদের কাছে যাচ্ছি? দেশের বেশির ভাগ মানুষের বাস গ্রামে। আমরা কি তাদের কথা বলছি? আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম শহরকেন্দ্রিক। আমি মনে করি, আমাদের রাজনীতিকে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া উচিত।
কালের কণ্ঠ : হরতাল-অবরোধের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি এখন কতটা উপযোগী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এটা এখন আর কোনো কার্যকর রাজনৈতিক অস্ত্র নয়, সে কথা আমি আগেই বলেছি। বলেছি, একটা ঔপনিবেশিক দেশে বা পরাধীন দেশে এটা কার্যকর হতে পারে। স্বাধীন দেশে এটা গ্রহণযোগ্য কোনো প্রক্রিয়া নয়। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। হরতালে কী দেখছি আমরা? শহরের মানুষ গাড়ি বের করছে না। আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠাচ্ছি না। কেন? ভয়ে। অভিভাবকরা কিন্তু হরতাল সমর্থন করে সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না, তা নয়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠানো হচ্ছে না ভয়ে। মানুষ রাস্তায় কম বের হচ্ছে ভয়ে। জীবন বিপন্ন হোক- এটা কেউ চায় না। অর্থাৎ হরতালে যে গাড়ি বের হচ্ছে না, মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, এতে এটা প্রমাণিত হয় না যে মানুষ হরতাল সমর্থন করছে। এর পেছনের কারণটি হচ্ছে ভয়। আবার সরকার যে পদ্ধতিতে হরতাল-অবরোধ প্রতিরোধ করতে চাইছে বা ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মনে করি, এ অবস্থার অবসান হওয়া উচিত। আমি মনে করি, এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সে জন্য রাজনীতিতে সৃজনশীলতার বিকাশ প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বে গণতন্ত্র নেই। কাউন্সিলগুলো চাপিয়ে দেওয়া হয়। দলে যদি গণতন্ত্র না থাকে তাহলে দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হবে কেমন করে? আগে দলে গণতন্ত্রের চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। মননের জগতে গণতান্ত্রিক স্পৃহা কার্যকর থাকলেই সমাজ ও রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। নেতৃত্বের মস্তিষ্কে যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কাজ না করে, তাহলে গণতন্ত্র সংকটাপন্ন হবেই।
কালের কণ্ঠ : সরকার ও বিরোধী দলের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে। অনেকেই বলছেন, সংলাপ হতে পারে সমাধান সূত্র। কিন্তু সংলাপের পরিবেশ কি আছে? সংলাপের পরিবেশ কেমন করে সৃষ্টি করা যায়?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আমি মনে করি ও বিশ্বাস করি, সংলাপই হচ্ছে একমাত্র ও কার্যকর উপায়। এর কোনো বিকল্প নেই। রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব থাকবে, দ্বিমত থাকবে। ভিন্নমতের অবকাশ গণতন্ত্রে স্বীকৃত। কিন্তু অবস্থাটা যখন একেবারে আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন কী করতে হবে? আলোচনায় বসতে হবে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত, বৈরী পরিবেশ সহিংসতার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে না। আর তেমনটি যদি করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বলব, আমাদের কষ্টার্জিত গণতন্ত্র ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে। কাজেই সংলাপের কোনো বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে দুই দলকেই একমত হতে হবে। এজেন্ডা নির্দিষ্ট করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। দুই দলকেই সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। উভয় পক্ষকেই ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে বসতে হবে। সরকার ও বিরোধী দলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে। আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চায় না। অন্যদিকে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এমন একটি বিপরীতমুখী অবস্থানে সমস্যার সমাধান কেমন করে সম্ভব? হ্যাঁ, মানতে হবে দুই দলই অনড়। তার পরও এর মধ্যেই একেবারে যে পথ খোলা নেই, তা নয়। নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা? উভয় দল যদি নির্বাচনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে, তাহলে একটি ফর্মুলা বের হয়ে আসবেই। উভয় পক্ষকেই নিজেদের জায়গা থেকে সরে আসতে হবে। অন্যথায় সংঘাত অনিবার্য। তাতে নির্বাচনের সম্ভাবনা নষ্ট হবে বলে আমি মনে করি। বিরোধী দল কী মানতে চায়, সেটা সরকারকে বিবেচনা করে দেখতে হবে। সমাধান তো একটা আসতেই হবে। সংবিধানের মধ্য থেকেই সমাধান বের করা যেতে পারে। আমরা মনে করি, একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে। যেসব দল সংসদে আছে, সেই দলগুলোকে নিয়ে একটি সরকার গঠন করা যেতে পারে নির্বাচনের সময়ের জন্য। এটাকে বলা যেতে পারে সর্বদলীয় জাতীয় সরকার। সরকার একটি রূপরেখা দিয়েছে অনেক আগে। বিএনপি সংসদে গিয়ে কিংবা সংসদের বাইরে একটা রূপরেখা তো দিতে পারে। সমঝোতা খুঁজতে হবে সংবিধানের মধ্যেই। সংবিধানের বাইরে যাওয়া যাবে না। এ সমাধানের আলোচনা সংসদের ভেতরে-বাইরে- যেকোনো জায়গাতেই হতে পারে।
কালের কণ্ঠ : রাজনৈতিক দলগুলোর কারণেই গণতন্ত্র সংকটে পড়ে বারবার- এমন কথা বলেন অনেকে। দেশে এখন একটি রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে যাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : সমঝোতা, সমঝোতা এবং সমঝোতা। সমঝোতার বিকল্প নেই। সংলাপ ছাড়া সমঝোতাও হবে না। কথাগুলো বারবারই বলছি। সমঝোতা ছাড়া এই কঠিন, সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব না। আর এ সহিংস রাজনৈতিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গেই বলতে হবে, আমাদের ইতিহাসের চাকা উল্টো দিকেই ঘুরবে। আমাদের গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাও তাতে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর তেমনটি ঘটলে সেটা হবে জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। গণতন্ত্রের জন্য সেটা কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না।
কালের কণ্ঠ : আপনিও ছাত্ররাজনীতি করেছেন। এখনকার ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : দলীয়ভাবে তো বটেই, ব্যক্তিগতভাবেও আমি বিশ্বাস করি, ছাত্ররা হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে সচেতন অংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু সহজ নয়। কারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে? দেশের সবচেয়ে মেধাবী তরুণরা। তারাই তো আমাদের সমাজের অগ্রসরমান অংশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তো সব আন্দোলনের সূতিকাগার। ডাকসুকে বলা হয়ে থাকে সেকেন্ড পার্লামেন্ট। আজকে কেন ছাত্রদের এ অবস্থা? কারণ কোথাও ছাত্ররাজনীতি নেই। কোনো ছাত্র সংসদ কার্যকর নয়। গত ২২ বছর কোনো ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি। এভাবে গত ২২ বছরে আমরা ছাত্রদের, যারা আগামী দিনের রাজনীতিক, তাদের রাজনীতিশূন্য অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছি। আমরা রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে গণতন্ত্রচর্চার চেষ্টা করছি কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতন্ত্রহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি। আগামী নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ হচ্ছে না। আমরা ছাত্রদের এক অন্ধকার পথে ঠেলে দিচ্ছি। দেশে নির্বাচন না হলে একটা অরাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। ছাত্ররাজনীতও তো এর বাইরে নয়।
কালের কণ্ঠ : সম্প্রতি টিআইবির দুর্নীতিসংক্রান্ত একটি রিপোর্ট ঝড় তুলেছে। এ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : এটা নিয়ে তো অনেক ঝড় বয়ে গেল। এটা নিয়ে অনেক টক শো দেখেছি। অনেক কথা শুনেছি। ওই রিপোর্ট কতটা বাস্তবসম্মত, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান। তারা যেটা করেছে সেটা হচ্ছে করাপশন পাসসেপশন ইনডেঙ্। ডিটেইল কাজ করা হয়নি। কাজেই এর বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ আছে। প্রক্রিয়া সঠিক বলে মনে হয় না।
কালের কণ্ঠ : পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক ফিরে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত জানতে চাই।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : পদ্মা সেতু মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এটা মানুষ চায়নি। মহাজোট অঙ্গীকার করায় মানুষের ভেতর একটা প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। এটা না হওয়া দুঃখজনক। যখন বিশ্বব্যাংক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে, তখনই সরকার ব্যবস্থা নিতে পারত। সংক্ষেপে বলা যায়, পানি এত ঘোলা করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এতে সরকারের ভোটব্যাংকে টান পড়বে।
কালের কণ্ঠ : রেন্টাল বিদ্যুৎ নিয়েও অনেক কথা চালু আছে বাজারে। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : অনেকেই রেন্টাল বিদ্যুতের বিপক্ষে কথা বলেন। আমি মনে করি, সহজে সমাধানের পথ খুঁজতে সরকারের কাছে এর বিকল্প কিছু ছিল না। সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন বিদ্যুতের যে সমস্যা ছিল, তা থেকে মুক্তি পেতে এটাই ছিল সহজ পথ।
কালের কণ্ঠ : সব দিক বিবেচনায় সরকারকে সফল না ব্যর্থ বলবেন আপনি?
জিয়াউদ্দিন বাবলু : 'ভালো-মন্দ মিলায়ে সকলি।' কোনো সরকারই শতভাগ সফল হতে পারে না, কোনো সরকারই শতভাগ ব্যর্থ হয় না। ভালো-মন্দ মিলিয়েই একটি সরকার সামনের দিকে যায়। সেখানে সাফল্যের ভাগ বেশি হলে সেটা ব্যর্থতাকে ছাপিয়ে যায়। আবার ব্যর্থতার ভাগ বেশি হলে তা সাফল্যকে ছাপিয়ে যায়। এ সরকারের অনেক সাফল্য আছে। কিন্তু তার প্রকাশ নেই।
কালের কণ্ঠ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
জিয়াউদ্দিন বাবলু : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1548)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
December
(2623)
-
▼
Dec 23
(89)
- ইমরানের বিপরীতে রগরগে এষা
- বিশ্ব মাতাচ্ছেন বাংলাদেশি মডেলরা
- বখাটের হুমকির মুখে ছাত্রীর আত্মহত্যা
- রঙ্গ কলাম, চিরতা ও মধুঃ হায়রে ফুয়েল! by হাসান হাফিজ
- সেই কুমিরের গল্প by আবদুল হাই শিকদার
- অভিমতঃ ঘটনাটা এখনও কোথাও পাইনি by আবদুস সালাম
- আইলাদুর্গতদের দুর্ভোগঃ দেখার কেউ নেই
- গণবিস্ফোরণের আশঙ্কা এমপিদেরঃ কথা কম বলে কিছু একটা ...
- চলন্ত বাসে ছাত্রীকে গণধর্ষণ- নয়াদিল্লিতে ব্যাপক বি...
- দ্বিতীয় দফা গণভোটও খসড়া সংবিধানের পক্ষে যাচ্ছে?
- জন কেরিই পররাষ্ট্রমন্ত্রী- পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্...
- সরকারি খরচে বিলাসিতা নয়
- এএফপির বিশ্লেষণ- তালাবানি চলে গেলে ইরাকে সংকট বাড়বে?
- ভাড়া বাড়িতে চলছে থানার কার্যক্রম
- কেশবপুরে চিকিৎসা দেওয়ার সময় আহত মেছো বাঘের মৃত্যু
- যেভাবে দস্যু বাহিনীর প্রধান হয়ে ওঠেন ‘নিজাম ডাকাত’
- অবহেলায় পড়ে আছে নাকুগাঁও গণকবর
- মেহরান হত্যাকাণ্ড- আসামি গ্রেপ্তারে সময়সীমা পার, আ...
- আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় আবারও আগুন
- মানিকগঞ্জে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান- দেশে সংক...
- ১৪ দলের গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে বক্তারা- আগামী বছরই ...
- মানবাধিকার- বিশ্বজিৎ হত্যাকারীরা শাস্তি পাবে কি? b...
- একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর প্রতি এ কেমন আচরণ?- স্বপনের...
- পর্ষদ হোক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত- সাত ব্যাংকে পরিচাল...
- চারদিক- ফুলতলার গামছা by গাজী মুনছুর আজিজ
- অটিজম- অটিস্টিক শিশুদের জন্য সরকার কী করছে by সৈ...
- ভারত- প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন মোদি? by ...
- অবাধে ঢুকছে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে- আতঙ্কের নাম ‘পাম্...
- পদোন্নতি ও দায়িত্ব পেলেন পাঁচবার বরখাস্ত কর্মচারী!...
- চট্টগ্রাম-১২ উপনির্বাচন- নির্বাচনী আলোচনায় সরগরম আ...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়- ১০ বছর ধরে বিদেশি শিক্ষার...
- পঞ্চম শ্রেণীতে আসনের প্রায় চারগুণ শিক্ষার্থী- সরকা...
- জমি নিয়েবিরোধ- পুলিশ প্রতিবেদন পেতে ভোগান্তি by ...
- জেনে রাখুন- দলিলের বিভিন্ন রকম শব্দের অর্থ ও ব্যবহ...
- পাঠকের প্রশ্ন- আইনি পরামর্শ
- ঋণগ্রহীতা এবং চেক ডিজঅনারের অভিযোগ by সোহেল রানা
- ‘সমালোচনা মনোযোগ দিয়ে শুনি
- সোহাগ গাজী- প্রথম পাঁচ
- সমর্থকদের জন্য...
- রং বে র ং- দাদু ক্রিকেটার!
- জার্সি নম্বর ১০
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ঢাকায় হাসিনা-ইংলাক শীর্ষ বৈঠক- সন্ত্রাসবাদ ও চোরাচ...
- ঐতিহ্য-গোল্লাছুট প্রথম আলো গল্পলেখা প্রতিযোগিতা- ল...
- গোলটেবিল বৈঠক-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করত...
- ‘খবর ছাপলে গুষ্টিসহ গুলি করে মারব’
- মুহম্মদ জাফর ইকবালের ৬০তম জন্মদিন
- বৃহৎ আন্দোলনে যাচ্ছেন সাংবাদিকেরা
- ওয়ানডেকে বিদায় বললেন শচীন
- বিসিএসে বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ
- তরিকুল ইসলাম বললেন-পরস্পরের প্রতি দুই নেত্রীর শ্রদ...
- আজ ১৮ দলের গণমিছিল
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কেরিকে মনোনয়ন দিলেন ওবামা
- মুক্তিযোদ্ধার বাঁচার লড়াই-দেশমাতৃকার জন্য যাঁরা যু...
- যুদ্ধাপরাধের বিচার দাবিতে ১৪ দলের গণমিছিল, যানজট-৭...
- মায়ের লাশ কাঁধে নিল রিফাত-রশ্মি কাতর হাসপাতালে by ...
- ঢাকা-ব্যাংকক ৩১ দফা যৌথ ঘোষণা-তিন বছরে বাণিজ্য দ্...
- গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন-প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমা দেশগুলোক...
- বাদীকে তুলে নিতে ১৫০ সন্ত্রাসী নিয়ে এলো অভিযুক্ত ধ...
- এমপির নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া ঘুষ গ্রহণ by আপেল মাহমুদ
- পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় প্রাদেশিক মন্ত্রীসহ নিহত ৯
- দুর্নীতির জন্য বিদেশিদের দায়ী করলেন কারজাই
- মিসরে চূড়ান্ত দফায় গণভোট অনুষ্ঠিত
- রানির নামে অ্যান্টার্কটিকার নামকরণ-ব্রিটিশ সিদ্ধান...
- ইউক্রেনে প্রচণ্ড শীতে ৮৩ জনের মৃত্যু
- কোরআন পোড়ানোর অভিযোগ-পাকিস্তানে এক ব্যক্তিকে জীবন্...
- দক্ষিণ সুদানে গুলিতে জাতিসংঘের কপ্টার বিধ্বস্ত, নি...
- সৌন্দর্যের কারণে ছাঁটাই!
- দিল্লিতে গণধর্ষণ-বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান-'...
- অস্ত্রবিষয়ক লবিস্ট গ্রুপের পরামর্শ স্কুলে সশস্ত্র ...
- চাঞ্চল্যকর মামলায় অভিযুক্তের জামিন-আইনের গলদ দূর ক...
- সড়কে দুর্নীতি-ধামাচাপা না দিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-সুরা হুদের অবতারণা, সারসংক্ষেপ ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : জিয়াউদ্দিন বাবলু-রাজনৈতিক দলগুল...
- স্মরণ-মাহবুবুল আলম চৌধুরী একুশের প্রথম কবি by তাম...
- টেকসই উন্নয়ন এবং আমরা ওয়াইজার বাংলাদেশ by আদিব খোন...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পগুলোর ভবিষ...
- বড় পরিবর্তনের ছোট্ট সূচনা by শেখ রোকন
- শিক্ষা-পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে, ই-বুকেও by সুবোধ চ...
- অনন্য সংগঠক আবদুর রাজ্জাক by কাজী নজরুল ইসলাম
- কণ্ঠস্বর-ঝাণ্ডা উঁচা রহেগা by রাহাত খান
- রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা-দায়িত্বহীনতার পরিণতি
- ধানের বাম্পার ফলন-কৃষকদের দুর্গতি হবে কেন?
- কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-আমরাও লড়েছি একাত্তরে পথে ও প্রা...
- বিশ্বজিৎ নয়, জাতির বিবেককে হত্যা by মেজর (অব.) সুধ...
- নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা by এ এম এম শওকত আলী
- শিবির ধরতে ডিবির নতুন কৌশল, পাল্টা কৌশলে শিবির by ...
- ভাগ্যাহত রিফাত ও রশ্মি
-
▼
Dec 23
(89)
-
▼
December
(2623)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
স্বাস্থ্য
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
লেবানন
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
Exclusive
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment