Tuesday, September 4, 2012
আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
(পূর্ব প্রকাশের পর) এখনও পর্যন্ত ভয়ভীতি রহস্যঘেরা। তিতিক্ষার ভয়ঙ্কর পরিবেশ। চমকানো পানি, ভয়ানক সব আওয়াজ। রাত প্রায় ২টার দিকে চোখে তন্দ্রার মতো আসতেই কে একজন টোকা দিয়ে জাগিয়ে দিল। উর্দু ও বর্মী ভাষায় কিছু একটা বলল। আমি বুঝতে পারলাম না। অবশ্য তার ইশারা-ইঙ্গিতে এটুকু বুঝলাম যে, সে পয়সা চাচ্ছে।
আমি বললাম, কিছুই নেই। সে আমার ব্যাগ তল্লাশি করল। তাতে কিছুই পাওয়া গেল না। আমি আমার টাকাকড়ি আমার জাইঙ্গার মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলাম। সে নিরাশ হয়ে আমাকে লঞ্চের কিনারায় নিয়ে গেল। তাদের কথাবার্তায় আমার আন্দাজ হলো যে, তারা বলাবলি করছে যে, কি একটা মুছিবত তুলে বসিয়েছে। অপরজন বলল, একে এখানে নামিয়ে দিচ্ছি। প্রথমজন বলল, মরে যাবে। আরেকজন বলল, অন্তত আমাদের প্রাণটা তো এই মুছিবত থেকে রেহাই পাবে। এ কথা বলে সে ইচ্ছা প্রকাশ করল যে, আমাকে সাগরে ফেলে দেবে। কিন্তু যেই না সে একটু আগে বাড়ল, অপরজন বলল, খামখা একটা প্রাণ নষ্ট করছ।
এ কথা শুনে সে থেমে গেল। একটু পরেই সেহরি (শেষরাত) হয়ে গেল। এখান থেকে শহরটা জোনাকির মতো দেখা যাচ্ছিল। আমি খুশি হলাম যে, শহরে পৌঁছে গেছি। কিন্তু লঞ্চ যেই না তীরের দিকে এগিয়ে গেল কেউ টর্চের আলো তাক করল এবং তা সোজা আমার মুখের ওপর পড়ল। মাল্লারা আমাকে ধাক্কা দিয়ে জাহাজের নিচের অংশে ঢুকিয়ে দিল। বিপদ কেটে গেল। পরে জানা গেল যে, তারা ছিল ইমিগ্রেশনের লোক।
ফজরের আজানের পরই আমি শহরে পা রাখলাম। নদীর তীরে ছিল কাদা আর কাদা। কাপড় লুটোপুটো হয়ে গিয়েছিল। মসজিদের দিকে চললাম। এ দুই জনের মধ্যে একজন আমার সঙ্গে ছিল। মসজিদে যাওয়ার পর আমি লোকটিকে ২০টি বার্মিজ টাকা দিলাম। সে তখন চলে গেল। এখন নিশ্চিন্তে কাপড়ের কাদা ছাড়িয়ে ফজরের নামাজ পড়লাম। তারপর মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে গেলাম। তার নাম ছিল মাওলানা মর্তুজা আহমদ। তিনি কিছু উর্দু বুঝতেন। তিনি আমার করুণ কাহিনী শোনার পর ব্যথিত হলেন এবং তৎক্ষণাৎ আমাকে তার বাড়িতে লুকিয়ে ফেললেন। আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। মংডুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন মুসলমান। আমরা উপযুক্ত সময়ে তার সাথে সাক্ষাত করতে গেলাম। তিনি আমাদের খানা খাওয়ালেন। তারপর খুব মনোযোগ দিয়ে সমস্ত কাহিনী শুনলেন। তিনি বললেন, খুব শীঘ্র যেন ইমিগ্রেশনওয়ালাদের সাথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করি। আর যেন বলি যে, আমি এখনই লুটোপুটো অবস্থায় দেশত্যাগ করে এখানে পৌঁছেছি। তার পরামর্শ মোতাবেক ইমিগ্রেশন অফিসে পৌঁছলাম। রিপোর্ট লেখালাম। অফিসার নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে পুনরায় আসার জন্য বললেন।
তিন টাকা সাথে ছিল। ওই টাকা নিয়ে করাচীর জমিয়ত দফতরে মরহুম তাসনীম আলম মানজারকে টেলিগ্রাম করলাম। লোকেরা বললেন যে, এরা তোমাকে গ্রেফতার করবে। পরশুদিন ওই দফতরে যাবে না।। আমরা, স্থানীয় মসুলমানারা তোমার জামিনের ব্যবস্থা করছি। এ সবই গায়েবি সাহায্য ছিল যে, ইমিগ্রেশন অফিসার আমার জামানতের ব্যবস্থা করে দিলেন। আর জামানতনামায় বর্মী ভাষায় কিছু একটা লিখলেন। আমার দ্বারাও দস্তখত করালেন। তারপর বললেন, ‘বেটা! তোমার জামিনের ব্যবস্থা হয়ে গেছে।’ প্রতিদিন এখানে এসে এই অফিসে হাজিরা দিবে। আমি একমাত্র ব্যক্তি যাকে গ্রেফতার করা হয়নি। অন্যথায় ওদিক থেকে আগত সব লোককে বন্দী করে জেলে পোরা হয়। যেভাবে বলা হলো, এখানে যে তিনটি শ্রেণী স্বাধীনতার জন্য লড়ছে তন্মধ্যে সবচে সক্রিয় হচ্ছে মুসলমানরা। তারা মুসলিম মুক্তি ফৌজের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এর মধ্যে রাতে কমান্ডার বললেন যে, ‘তুমি আমাদের মুক্তি ফৌজের সঙ্গে শামিল হয়ে যাও। ভরণপোষণের জন্য আমরা আমাদের পক্ষ হতে তোমাকে জমি দেব।’
এখানকার মুসলমানরা জুডো কারাতে খেলায় বেশ অভিজ্ঞ। মেয়েদেরকেও সেই ট্রেনিং দেয়া হয়। একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এখানে ছেলে কম এবং মেয়ে বেশি জন্মায়।
জুলাইয়ের শেষে আমি আকিয়াব চলে গেলাম। পৌঁছেই পাকিস্তানের কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করলাম। তারা সহযোগিতা করলেন। তার কিছুদিন পর আমি পাকিস্তান পৌঁছে গেলাম।
এখানেও কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়Ñ মসজিদের ইমাম বাঙালীদের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও ফারুকির মতো আলবদরকে সাহয্যে করেন। তবলিগকে আমরা জামাতবিরোধী মনে করলেও দেখা যায়, অন্তিমে যখন যে কোন এক পক্ষ সমর্থনের কথা বলা হয় তখন তারা আলবদরদেরই সমর্থন করে। আলবদররা পালাবার সময় মসজিদে মসজিদে আশ্রয় নিয়েছে।
আরাকানের রোহিঙ্গারা অধিকাংশ দেখা যাচ্ছে শুরু থেকেই আলবদরদের সমর্থক। বার্মা হয়ে যেসব আলবদর পাকিস্তান গিয়েছিলেন তাদের সবাইকে সমর্থন করেছে রোহিঙ্গারা। সেই ধারা এখনও অব্যাহত। এ কারণে দেখা যায় এখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমর্থন দিচ্ছে বিএনপি। কারণ কালক্রমে তারা ভোটার হলে বিএনপির ভোটার হবে।
ময়মনসিংহের পরিচিত আলবদর ছিলেন নাজমুস সাকিব। ময়মনসিংহের আলবদররা পাকিস্তান বাহিনী ঠেকানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন। কিন্তু তাদের কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ খান তাদের ক্যাম্পে এসে বললেন পিছু হটতে হবে, তারপর বললেন তোমরা এখন ইচ্ছে হলে যেখানে খুশি যেতে পারো। অথবা ‘আমার সঙ্গে ঢাকায় যেতে পার।’
সাকিব ও তার কিছু সঙ্গী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঢাকার দিকে মার্চ শুরু করল। তারা এতই ক্ষুব্ধ ছিল যে, রাতের খাবারও কেউ খায়নি। কেউ কারও সঙ্গে কথাও বলছিন না। এরপর সাকিবের ভাষায়Ñ
“পরের দিনও আমরা হেঁটে হেঁটে যাচ্ছিলাম। রাতের বেলা টাঙ্গাইল পৌঁছলাম। ওখানে গিয়ে দেখলাম যে, অপরদিক থেকেও পাক আর্মির ইউনিটসমূহ ঢাকা যাচ্ছে। এখানে এটাও জানা গেল যে, ভারতীয় বাহিনী কোন বাধা-বিপত্তি ছাড়া ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঐ সময় আমাদের থেকে মাত্র পঁচিশ মাইল ব্যবধানে ছিল। এতদসত্ত্বেও সারারাত পায়ে হেঁটে সফর চলল। পরের দিন আমরা ঢাকার পার্শ্ববর্তী শহর মির্জাপুর পৌঁছলাম। সেখানে গিয়ে যানবাহন পাওয়া গেল এবং আমরা ঢাকা ছাউনির আলবদর ক্যাম্পে পৌঁছে গেলাম। ১৬ ডিসেম্বর জানা গেল যে, অস্ত্র সমর্পণ করা হচ্ছে। আমাদের সকল সাথী দুঃখ-দুশ্চিন্তায় ডুকরে কাঁদতে লাগল। এই ফাঁকে আর্মি অফিসার বললেন যে, ‘আপনারাও আমাদের সঙ্গে অস্ত্র সমর্পণ করুন।’ কিন্তু আমরা অস্বীকার করলাম। ইসলামী জমিয়তে তালাবার পূর্ব পাকিস্তানের নাজেম উর্ধতন অফিসারদের বললেন, ‘আমরা ইসলামী আদর্শের জীবন-ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য অর্জিত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় অস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম। এখন আমাদের ক্ষতাসীনদের গাদ্দারির কারণে এ ভুখ- দুশমনের হাতে চলে যাচ্ছে। আমরা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চেষ্টা করব, যাতে এই ট্র্যাজেডি দেখতে না হয়। আপনারা গেরিলাযুদ্ধের জন্য আত্মগোপন করুন।’ আর্মির পক্ষ হতে জবাব এলো, ‘আমরা ডিসিপ্লিনের অনুগত।’ এরপর আমাদের ক্যাম্প থেকে সকল আলবদর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে অজানা পথে রওনা হয়ে গেল। আমি ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় ছিলাম। তারপর মোটর লঞ্চযোগে ফরিদপুর এসে গেলাম। ওখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে দিনাজপুর চলে গেলাম। আবার ১০ ফেব্রুয়ারি পায়ে হেঁটে ভারত সীমান্ত পার হলাম। চার মাস ভারতে কাটালাম। সেখান থেকে নেপাল চলে গেলাম। কাঠমন্ডুতে আমাদের আরও সাথী হিজরত করে চলে এসেছিল।
আমি নয় মাস পর্যন্ত টুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের জন্য বিনিময় নিতাম। আমরা আমদের বেতনগুলো যৌথভাবে ব্যয় করতাম। এরপর ভারত হয়ে রাজস্থান বর্ডার দিয়ে পাকিস্তান প্রবেশ করলাম।
সবশেষে চিফ জল্লাদ আশরাফুজ্জামানের বক্তব্য শোনা যাক। তার বর্ণনায় নিজের ওপর তিনি দৈব ছায়ার বর্ণনা করেছেন। খুনীদের ওপরও দৈব ছায়া বিস্তার করে এ ঘটনা খুব বিরল।
আশরাফ ছিলেন ঢাকার সালাউদ্দিন কোম্পানির কমান্ডার। মুক্তিযোদ্ধারা তাকে গ্রেফতার করেছিল। দুর্ভাগ্য, তাদের শৈথিল্যের কারণে আশরাফুজ্জামান পালিয়ে যান। তার ভাষায় গায়েবি নির্দেশ পেয়ে, যা একটা ভাঁওতাবাজি।
আশরাফ খালেদকে জানিয়েছেন, তার ৫০-৬০ আত্মীস্বজন ছিলেন। কিন্তু কারও সঙ্গে জানাশোনা ছিল না। হয়ত এ কারণে যে সবাই তাকে আলবদরের প্রধান জল্লাদ হিসেবে জানত। তার ভাষায়, “ইউনিভার্সির ব্যাপার ছিল কাছাকাছি, প্রত্যেক মানুষ জানত যে, এ হচ্ছে আলবদরের লোক। ঢাকার পতনের পর সাথীরা যাচ্ছিল এবং এমনভাবে দেখা সাক্ষাত করছিল যে, জীবনে তাদের সাথে আর দেখা হবে না। চোখে অশ্রুবন্যা নিয়ে গলায় গলায় জড়িয়ে একে অপরের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছিল। ওই অবস্থায় আনোয়ারুল হক, আব্দুল্লাহ ও আব্দুস সামাদ জানলো তাদের মা-বাবা ইন্তেকাল করেছিলেন। আত্মীয়রা বিরোধী মতাদর্শের কারণে রক্তের পিপাসু ছিল। তারা বলতে লাগল, ‘আশরাফ! আমরা কোথায় যাব, কোন ঠিকানা তো দেখছি না।’
আমি জবাব দিলাম, ‘ভাই, যদি কেউ উপযুক্ত হতো তাহলে অবশ্যই তোমাদের আশ্রয় দিত। কিন্তু আমি তো তোমাদের সাথী। এমন জাহাজের আরোহী, যার মাল্লাদের কাছে পাল নাই।’ এই জবাব শুনে আমার দুঃসাহসী ও প্রাণোৎসর্গী সঙ্গী এ কথা বলে চলে গেল, ‘আমরা অস্ত্র সমর্পণ করব না। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করব অথবা শহীদ হয়ে যাব। খোদা হাফেজ।’ ওই তিন সাথী চলে গেল। এরপর তারা কোথায় সেটা আর জানা যায়নি।
ওই রাতে আমরা ইংশিল রোডে আন্দোলনের সাথীর বাড়িতে ছিলাম। পরের দিন সকালে নাস্তা সারার পর আমাদের সাথী আসাদের সঙ্গে অন্য কোন ঠিকানা তালাশের জন্য বের হলাম। ছয় সাত মাইল দূরে অপর এক বন্ধুর ওখানে থাকার ব্যবস্থা হলো।
আমরা আমাদের মালপত্র ফেরত নেয়ার জন্য অফিসে গেলাম। কিন্তু যে লোকের কাছে স্যুটকেস রেখে এসেছিলাম সে তা ফেরত দিতে অস্বীকার করল। শুধু তাই নয়, সে মুক্তি বাহিনীর লোকদের ডেকে নিয়ে এলো। আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ হলো। আমরা বললাম যে, ‘আমরা ছাত্র।’ তারা প্রশ্ন করল, ‘আলবদর?’
আমরা হ্যাঁ না জবাব দেয়ার পরিবর্তে বললাম, ‘মুসাফির।’ তারা আসাদকে দু’একটি থাপ্পড় মারল। আর তার কাছ থেকে দুইশ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ক্ষান্ত হলো।
তারপর মুক্তি বাহিনীর আরেক গ্রুপ এল। তাদের মধ্যে একজন বলল যে, ‘আমি এই দুইজনকে আলবদরের ক্যাম্পের কাছে দেখেছিলাম।’
জেনারেল ফরমান আলীর দেয়া আমার পরিচয়পত্র তাদের তল্লাশিতে পাওয়া গেল। তাতে সন্দেহ আরও বেশি হলো। তারা আমাদের আলবদরের একটি ক্যাম্পে নিয়ে গেল। কিন্তু ওখানে আমাদের বন্ধুরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করল। কিন্তু তারা আমাদের ছাড়ল না। আমাদের গাড়িতে বসিয়ে শহরে চক্কর লাগানো হলো। রাস্তায় রাস্তায় তারা লোকদেরকে গর্বের সাথে বলতে লাগল যে, ‘এরা হচ্ছে আলবদর কমান্ডার। আমরা তাদের পাকড়াও করেছি।’ আসরের সময় আমাকে ফকিরাপুলে নিয়ে গেল। সেখানে আসাদকে মারধর করে অন্যত্র নিয়ে গেল। আমি একা রয়ে গেলাম। তারপর আমাকে টর্চার করা হলো, মারপিট করা হলো।
এর আগে আমাকে কোন টর্চার করা হয়নি। টর্চারের পর রেলওয়ে লাইনের নিকটে একটি ঘিঞ্জি এলাকায় যেখানে তাদের আড্ডা ছিল, সেখানে আমাকে মেরে ফেলার জন্য নিয়ে গেল। ওখানে আমাকে একজন জল্লাদের সামনে দাঁড় করানো হলো। আর তথ্য উদ্ধারের জন্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করল।
আমি গোপন কোন তথ্য প্রকাশ করিনি। জল্লাদ রাশিয়ান রাইফেল দিয়ে আমাকে টার্গেট করার জন্য মোশন নিতে থাকে। দৃশ্যত মৃত্যু আর আমার মাঝখানে কয়েকটি মুহূর্তের ব্যবধান ছিল। কিন্তু আল্লাহ্র দয়া বিস্মকরভাবে আমার দিকে হাত বাড়াল। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি, যাকে তারা হক সাহেব বলে ডাকত, আমার কাঁধ ধরে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার কী বিয়ে হয়েছে?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ। জিজ্ঞেসা করল, ‘বাচ্চা কয়টা?’ আমি জবাব দিলাম, ‘একটি মেয়ে।’ এ কথা বলতেই তিনি জল্লাদকে বললেন, ‘ওকে মেরো না।’
তাদের এক সঙ্গী একা টাকার মালিক হতে চেয়েছিল। তার সঙ্গীরা টাকার ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসা করল। আমি তখন বললাম যে, ওই ব্যক্তি টাকা নিয়েছিল এবং অমুক জায়গায় ইটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিল। এ কথার ওপর তাদের মধ্যে বেশ ঝগড়া হলো। তারা আমাকে গালি দিতে থাকে যে, সে নিজে মরবে, আমাদেরও মারবে। অস্বীকারকারী ব্যক্তিকে তারা খুব পেটাল। শেষ পর্যন্ত সে স্বীকার করল যে, টাকা সেই নিয়েছিল। এই ফাঁকে আমার ডায়েরি থেকে বাংলা ও ইংরেজী লেখা পড়ে নেয়া হয় যার মধ্যে পাকিস্তানপন্থী ও গাদ্দারখ্যাত লোকদের তালিকা ছিল। স্যুটকেসে স্টেনগানের গুলি ও হ্যান্ড গ্রেনেড ছিল। গুরুত্বপূর্ণ সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের আলোচনাও ছিল।
এসব কথা তাদের জন্য ভূমিকম্পের চাইতেও কম ছিল না। তারা সেøাগান বানাল যে, আমাকে গুলি করে হত্যা করা হবে। আবার শেষ রাতে ওই স্থানটি নির্দিষ্ট হয়ে যায়। যে হক সাহেব আমাকে বাঁচিয়েছিলেন, তিনি নিজেই তখন বলছিলেন যে, ‘একে মেরে ফেলা উচিত।’ এই কথাগুলো পাশের কামরায় হচ্ছিল। আর আমি চিন্তা করছিলাম যে, মরতে তো হবেই। দু’চার জনকে খতম করে মরাই উত্তম হবে। আমি কারো কাছ থেকে স্টেনগান ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা মনে মনে তৈরি করলাম, ভয়ভীতি আসলেই ছিল না। তারপর আর একটি কথা মনে এল যে, ঢাকায় আলবদরের তিনজন কোম্পানি কমান্ডারের মধ্যে দু’জন শহীদ হয়ে গেছেন। হয়ত [আমি] তৃতীয় জনের কপালেও শাহাদৎ লেখা হয়ে আছে। এই চিন্তায় মন একেবারে চিন্তামুক্ত হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর জমিয়তের আরেকজন সাথীকে উপর্যুপরি কিল, ঘুষি ও গালিগালাজের তুফানের মধ্যে আমার কামরায় নিয়ে আসা হলো। এটি ১৮ ডিসেম্বরের কথা। ওই সময় না আমার চোখ বন্ধ রাখা হয়েছিল, না আমার হাত। এ কারণে আমি কারও কাছ থেকে স্টেনগান ছিনিয়ে নেয়ার জন্য উঠলাম। তখন পাহারাদার বলল, ‘পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছ! সাথে সাথে অন্যদের ডেকে আমার ও আমার সাথীর হাত ও চোখ বেঁধে দেয়া হয়। আমি ওই অবস্থাতেই এশার নামাজ পড়লাম। আমার হাত পেছন দিকে ছিল এবং তারা আমাকে মেরে ফেলার জন্য উতলা হয়ে রয়েছিল। ওই কথার ওপর তাদের মধ্যে মতবিরোধ হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত হক বলল, ‘ওকে যা ইচ্ছা তাই করতে পার। তবে এখন কিছু করো না। তার কাছ থেকে মূল্যবান তথ্য উদ্ধার করে নাও। তারপর তাকে শেষ করে দাও।’ হক থাকত ফকিরাপুল। সে আমার চোখের উপর পর্যন্ত বাঁধল। কারে বসাল আর বাড়ির চাকর বাকরের মাঝ দিয়ে আমাকে উপরের বাড়িতে নিয়ে গেল।
এ পর্যন্ত তো মুক্তিবাহিনীর তরুণদের পাল্লায় পড়েছিলাম। এখন হকের ঘরে বয়সের দিক দিয়ে পরিপক্ব লোকদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লাম। যারা জালেম ছিল, অভিজ্ঞতাসম্পন্নও ছিল।
আমাকে শক্ত করে পিছমোড়া বাঁধা হয়েছিল। বলা হলো যে, ‘প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব ঠিক ঠিক বলবে। না হলে তুমি দেখছ যে, পরে কি অবস্থা হয়ে যাবে।’
আমার কাছে অস্ত্র, টাকাকড়ি, অলঙ্কার প্রভৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু আমি সঠিকভাবে তাদের কিছু বলিনি।
তারা বলতে লাগল, ‘সঠিক বল। বাহু কেটে ফেলব। চোখ খুলে ফেলব।’ কিন্তু যখন এই ধমকও কাজে এল না তখন তারা আমাকে চিত করে শুইয়ে দিল। পাঁচ ছয় জন লোক আমার হাত-পা শক্ত করে ধরল আর এক ব্যক্তি চট করে আমার বুকের ওপর বসে পড়ল। আর আমার এক চোখের উপরে সজোরে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিল। আমি যদি জোরে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে তাকে ধাক্কা না দিতাম তাহলে সেই জালেম অবশ্যই আমার চোখ বের করে ফেলত। যখন সে আমার বাধার কারণে দূরে ছিটকে পড়ল তখন এ কথা বলে আমাকে ছেড়ে দিল যে, ‘কমবখতের ভীষণ শক্তি, একে আজকে নয় কালকে মারব।’
পরের দিন অর্থাৎ ১৯ ডিসেম্বর আমাকে নাস্তা দিল আর বলল যে, ‘খেয়ে দেয়ে মর।’ এরপর আমাকে শহরে ঘোরাল। লোকদেরকে বলল যে, ‘এ হচ্ছে আলবদরের কমান্ডার। আমরা একে গ্রেফতার করেছি।’ চক্কর দেয়ার পর আমাকে পুনরায় ওখানে নিয়ে আসে। আমাকে বলতে লাগল যে, ‘অস্ত্র ভা-ার যদি দেখিয়ে দাও তাহলে তোমাকে ছেড়ে দিব।’ (চলবে)
এ কথা শুনে সে থেমে গেল। একটু পরেই সেহরি (শেষরাত) হয়ে গেল। এখান থেকে শহরটা জোনাকির মতো দেখা যাচ্ছিল। আমি খুশি হলাম যে, শহরে পৌঁছে গেছি। কিন্তু লঞ্চ যেই না তীরের দিকে এগিয়ে গেল কেউ টর্চের আলো তাক করল এবং তা সোজা আমার মুখের ওপর পড়ল। মাল্লারা আমাকে ধাক্কা দিয়ে জাহাজের নিচের অংশে ঢুকিয়ে দিল। বিপদ কেটে গেল। পরে জানা গেল যে, তারা ছিল ইমিগ্রেশনের লোক।
ফজরের আজানের পরই আমি শহরে পা রাখলাম। নদীর তীরে ছিল কাদা আর কাদা। কাপড় লুটোপুটো হয়ে গিয়েছিল। মসজিদের দিকে চললাম। এ দুই জনের মধ্যে একজন আমার সঙ্গে ছিল। মসজিদে যাওয়ার পর আমি লোকটিকে ২০টি বার্মিজ টাকা দিলাম। সে তখন চলে গেল। এখন নিশ্চিন্তে কাপড়ের কাদা ছাড়িয়ে ফজরের নামাজ পড়লাম। তারপর মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে গেলাম। তার নাম ছিল মাওলানা মর্তুজা আহমদ। তিনি কিছু উর্দু বুঝতেন। তিনি আমার করুণ কাহিনী শোনার পর ব্যথিত হলেন এবং তৎক্ষণাৎ আমাকে তার বাড়িতে লুকিয়ে ফেললেন। আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। মংডুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন মুসলমান। আমরা উপযুক্ত সময়ে তার সাথে সাক্ষাত করতে গেলাম। তিনি আমাদের খানা খাওয়ালেন। তারপর খুব মনোযোগ দিয়ে সমস্ত কাহিনী শুনলেন। তিনি বললেন, খুব শীঘ্র যেন ইমিগ্রেশনওয়ালাদের সাথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করি। আর যেন বলি যে, আমি এখনই লুটোপুটো অবস্থায় দেশত্যাগ করে এখানে পৌঁছেছি। তার পরামর্শ মোতাবেক ইমিগ্রেশন অফিসে পৌঁছলাম। রিপোর্ট লেখালাম। অফিসার নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে পুনরায় আসার জন্য বললেন।
তিন টাকা সাথে ছিল। ওই টাকা নিয়ে করাচীর জমিয়ত দফতরে মরহুম তাসনীম আলম মানজারকে টেলিগ্রাম করলাম। লোকেরা বললেন যে, এরা তোমাকে গ্রেফতার করবে। পরশুদিন ওই দফতরে যাবে না।। আমরা, স্থানীয় মসুলমানারা তোমার জামিনের ব্যবস্থা করছি। এ সবই গায়েবি সাহায্য ছিল যে, ইমিগ্রেশন অফিসার আমার জামানতের ব্যবস্থা করে দিলেন। আর জামানতনামায় বর্মী ভাষায় কিছু একটা লিখলেন। আমার দ্বারাও দস্তখত করালেন। তারপর বললেন, ‘বেটা! তোমার জামিনের ব্যবস্থা হয়ে গেছে।’ প্রতিদিন এখানে এসে এই অফিসে হাজিরা দিবে। আমি একমাত্র ব্যক্তি যাকে গ্রেফতার করা হয়নি। অন্যথায় ওদিক থেকে আগত সব লোককে বন্দী করে জেলে পোরা হয়। যেভাবে বলা হলো, এখানে যে তিনটি শ্রেণী স্বাধীনতার জন্য লড়ছে তন্মধ্যে সবচে সক্রিয় হচ্ছে মুসলমানরা। তারা মুসলিম মুক্তি ফৌজের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এর মধ্যে রাতে কমান্ডার বললেন যে, ‘তুমি আমাদের মুক্তি ফৌজের সঙ্গে শামিল হয়ে যাও। ভরণপোষণের জন্য আমরা আমাদের পক্ষ হতে তোমাকে জমি দেব।’
এখানকার মুসলমানরা জুডো কারাতে খেলায় বেশ অভিজ্ঞ। মেয়েদেরকেও সেই ট্রেনিং দেয়া হয়। একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এখানে ছেলে কম এবং মেয়ে বেশি জন্মায়।
জুলাইয়ের শেষে আমি আকিয়াব চলে গেলাম। পৌঁছেই পাকিস্তানের কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করলাম। তারা সহযোগিতা করলেন। তার কিছুদিন পর আমি পাকিস্তান পৌঁছে গেলাম।
এখানেও কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়Ñ মসজিদের ইমাম বাঙালীদের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও ফারুকির মতো আলবদরকে সাহয্যে করেন। তবলিগকে আমরা জামাতবিরোধী মনে করলেও দেখা যায়, অন্তিমে যখন যে কোন এক পক্ষ সমর্থনের কথা বলা হয় তখন তারা আলবদরদেরই সমর্থন করে। আলবদররা পালাবার সময় মসজিদে মসজিদে আশ্রয় নিয়েছে।
আরাকানের রোহিঙ্গারা অধিকাংশ দেখা যাচ্ছে শুরু থেকেই আলবদরদের সমর্থক। বার্মা হয়ে যেসব আলবদর পাকিস্তান গিয়েছিলেন তাদের সবাইকে সমর্থন করেছে রোহিঙ্গারা। সেই ধারা এখনও অব্যাহত। এ কারণে দেখা যায় এখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমর্থন দিচ্ছে বিএনপি। কারণ কালক্রমে তারা ভোটার হলে বিএনপির ভোটার হবে।
ময়মনসিংহের পরিচিত আলবদর ছিলেন নাজমুস সাকিব। ময়মনসিংহের আলবদররা পাকিস্তান বাহিনী ঠেকানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন। কিন্তু তাদের কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ খান তাদের ক্যাম্পে এসে বললেন পিছু হটতে হবে, তারপর বললেন তোমরা এখন ইচ্ছে হলে যেখানে খুশি যেতে পারো। অথবা ‘আমার সঙ্গে ঢাকায় যেতে পার।’
সাকিব ও তার কিছু সঙ্গী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঢাকার দিকে মার্চ শুরু করল। তারা এতই ক্ষুব্ধ ছিল যে, রাতের খাবারও কেউ খায়নি। কেউ কারও সঙ্গে কথাও বলছিন না। এরপর সাকিবের ভাষায়Ñ
“পরের দিনও আমরা হেঁটে হেঁটে যাচ্ছিলাম। রাতের বেলা টাঙ্গাইল পৌঁছলাম। ওখানে গিয়ে দেখলাম যে, অপরদিক থেকেও পাক আর্মির ইউনিটসমূহ ঢাকা যাচ্ছে। এখানে এটাও জানা গেল যে, ভারতীয় বাহিনী কোন বাধা-বিপত্তি ছাড়া ঢাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঐ সময় আমাদের থেকে মাত্র পঁচিশ মাইল ব্যবধানে ছিল। এতদসত্ত্বেও সারারাত পায়ে হেঁটে সফর চলল। পরের দিন আমরা ঢাকার পার্শ্ববর্তী শহর মির্জাপুর পৌঁছলাম। সেখানে গিয়ে যানবাহন পাওয়া গেল এবং আমরা ঢাকা ছাউনির আলবদর ক্যাম্পে পৌঁছে গেলাম। ১৬ ডিসেম্বর জানা গেল যে, অস্ত্র সমর্পণ করা হচ্ছে। আমাদের সকল সাথী দুঃখ-দুশ্চিন্তায় ডুকরে কাঁদতে লাগল। এই ফাঁকে আর্মি অফিসার বললেন যে, ‘আপনারাও আমাদের সঙ্গে অস্ত্র সমর্পণ করুন।’ কিন্তু আমরা অস্বীকার করলাম। ইসলামী জমিয়তে তালাবার পূর্ব পাকিস্তানের নাজেম উর্ধতন অফিসারদের বললেন, ‘আমরা ইসলামী আদর্শের জীবন-ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য অর্জিত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় অস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম। এখন আমাদের ক্ষতাসীনদের গাদ্দারির কারণে এ ভুখ- দুশমনের হাতে চলে যাচ্ছে। আমরা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চেষ্টা করব, যাতে এই ট্র্যাজেডি দেখতে না হয়। আপনারা গেরিলাযুদ্ধের জন্য আত্মগোপন করুন।’ আর্মির পক্ষ হতে জবাব এলো, ‘আমরা ডিসিপ্লিনের অনুগত।’ এরপর আমাদের ক্যাম্প থেকে সকল আলবদর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে অজানা পথে রওনা হয়ে গেল। আমি ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় ছিলাম। তারপর মোটর লঞ্চযোগে ফরিদপুর এসে গেলাম। ওখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে দিনাজপুর চলে গেলাম। আবার ১০ ফেব্রুয়ারি পায়ে হেঁটে ভারত সীমান্ত পার হলাম। চার মাস ভারতে কাটালাম। সেখান থেকে নেপাল চলে গেলাম। কাঠমন্ডুতে আমাদের আরও সাথী হিজরত করে চলে এসেছিল।
আমি নয় মাস পর্যন্ত টুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের জন্য বিনিময় নিতাম। আমরা আমদের বেতনগুলো যৌথভাবে ব্যয় করতাম। এরপর ভারত হয়ে রাজস্থান বর্ডার দিয়ে পাকিস্তান প্রবেশ করলাম।
সবশেষে চিফ জল্লাদ আশরাফুজ্জামানের বক্তব্য শোনা যাক। তার বর্ণনায় নিজের ওপর তিনি দৈব ছায়ার বর্ণনা করেছেন। খুনীদের ওপরও দৈব ছায়া বিস্তার করে এ ঘটনা খুব বিরল।
আশরাফ ছিলেন ঢাকার সালাউদ্দিন কোম্পানির কমান্ডার। মুক্তিযোদ্ধারা তাকে গ্রেফতার করেছিল। দুর্ভাগ্য, তাদের শৈথিল্যের কারণে আশরাফুজ্জামান পালিয়ে যান। তার ভাষায় গায়েবি নির্দেশ পেয়ে, যা একটা ভাঁওতাবাজি।
আশরাফ খালেদকে জানিয়েছেন, তার ৫০-৬০ আত্মীস্বজন ছিলেন। কিন্তু কারও সঙ্গে জানাশোনা ছিল না। হয়ত এ কারণে যে সবাই তাকে আলবদরের প্রধান জল্লাদ হিসেবে জানত। তার ভাষায়, “ইউনিভার্সির ব্যাপার ছিল কাছাকাছি, প্রত্যেক মানুষ জানত যে, এ হচ্ছে আলবদরের লোক। ঢাকার পতনের পর সাথীরা যাচ্ছিল এবং এমনভাবে দেখা সাক্ষাত করছিল যে, জীবনে তাদের সাথে আর দেখা হবে না। চোখে অশ্রুবন্যা নিয়ে গলায় গলায় জড়িয়ে একে অপরের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছিল। ওই অবস্থায় আনোয়ারুল হক, আব্দুল্লাহ ও আব্দুস সামাদ জানলো তাদের মা-বাবা ইন্তেকাল করেছিলেন। আত্মীয়রা বিরোধী মতাদর্শের কারণে রক্তের পিপাসু ছিল। তারা বলতে লাগল, ‘আশরাফ! আমরা কোথায় যাব, কোন ঠিকানা তো দেখছি না।’
আমি জবাব দিলাম, ‘ভাই, যদি কেউ উপযুক্ত হতো তাহলে অবশ্যই তোমাদের আশ্রয় দিত। কিন্তু আমি তো তোমাদের সাথী। এমন জাহাজের আরোহী, যার মাল্লাদের কাছে পাল নাই।’ এই জবাব শুনে আমার দুঃসাহসী ও প্রাণোৎসর্গী সঙ্গী এ কথা বলে চলে গেল, ‘আমরা অস্ত্র সমর্পণ করব না। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করব অথবা শহীদ হয়ে যাব। খোদা হাফেজ।’ ওই তিন সাথী চলে গেল। এরপর তারা কোথায় সেটা আর জানা যায়নি।
ওই রাতে আমরা ইংশিল রোডে আন্দোলনের সাথীর বাড়িতে ছিলাম। পরের দিন সকালে নাস্তা সারার পর আমাদের সাথী আসাদের সঙ্গে অন্য কোন ঠিকানা তালাশের জন্য বের হলাম। ছয় সাত মাইল দূরে অপর এক বন্ধুর ওখানে থাকার ব্যবস্থা হলো।
আমরা আমাদের মালপত্র ফেরত নেয়ার জন্য অফিসে গেলাম। কিন্তু যে লোকের কাছে স্যুটকেস রেখে এসেছিলাম সে তা ফেরত দিতে অস্বীকার করল। শুধু তাই নয়, সে মুক্তি বাহিনীর লোকদের ডেকে নিয়ে এলো। আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ হলো। আমরা বললাম যে, ‘আমরা ছাত্র।’ তারা প্রশ্ন করল, ‘আলবদর?’
আমরা হ্যাঁ না জবাব দেয়ার পরিবর্তে বললাম, ‘মুসাফির।’ তারা আসাদকে দু’একটি থাপ্পড় মারল। আর তার কাছ থেকে দুইশ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ক্ষান্ত হলো।
তারপর মুক্তি বাহিনীর আরেক গ্রুপ এল। তাদের মধ্যে একজন বলল যে, ‘আমি এই দুইজনকে আলবদরের ক্যাম্পের কাছে দেখেছিলাম।’
জেনারেল ফরমান আলীর দেয়া আমার পরিচয়পত্র তাদের তল্লাশিতে পাওয়া গেল। তাতে সন্দেহ আরও বেশি হলো। তারা আমাদের আলবদরের একটি ক্যাম্পে নিয়ে গেল। কিন্তু ওখানে আমাদের বন্ধুরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করল। কিন্তু তারা আমাদের ছাড়ল না। আমাদের গাড়িতে বসিয়ে শহরে চক্কর লাগানো হলো। রাস্তায় রাস্তায় তারা লোকদেরকে গর্বের সাথে বলতে লাগল যে, ‘এরা হচ্ছে আলবদর কমান্ডার। আমরা তাদের পাকড়াও করেছি।’ আসরের সময় আমাকে ফকিরাপুলে নিয়ে গেল। সেখানে আসাদকে মারধর করে অন্যত্র নিয়ে গেল। আমি একা রয়ে গেলাম। তারপর আমাকে টর্চার করা হলো, মারপিট করা হলো।
এর আগে আমাকে কোন টর্চার করা হয়নি। টর্চারের পর রেলওয়ে লাইনের নিকটে একটি ঘিঞ্জি এলাকায় যেখানে তাদের আড্ডা ছিল, সেখানে আমাকে মেরে ফেলার জন্য নিয়ে গেল। ওখানে আমাকে একজন জল্লাদের সামনে দাঁড় করানো হলো। আর তথ্য উদ্ধারের জন্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা শুরু করল।
আমি গোপন কোন তথ্য প্রকাশ করিনি। জল্লাদ রাশিয়ান রাইফেল দিয়ে আমাকে টার্গেট করার জন্য মোশন নিতে থাকে। দৃশ্যত মৃত্যু আর আমার মাঝখানে কয়েকটি মুহূর্তের ব্যবধান ছিল। কিন্তু আল্লাহ্র দয়া বিস্মকরভাবে আমার দিকে হাত বাড়াল। তাদের মধ্যে এক ব্যক্তি, যাকে তারা হক সাহেব বলে ডাকত, আমার কাঁধ ধরে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার কী বিয়ে হয়েছে?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ। জিজ্ঞেসা করল, ‘বাচ্চা কয়টা?’ আমি জবাব দিলাম, ‘একটি মেয়ে।’ এ কথা বলতেই তিনি জল্লাদকে বললেন, ‘ওকে মেরো না।’
তাদের এক সঙ্গী একা টাকার মালিক হতে চেয়েছিল। তার সঙ্গীরা টাকার ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসা করল। আমি তখন বললাম যে, ওই ব্যক্তি টাকা নিয়েছিল এবং অমুক জায়গায় ইটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিল। এ কথার ওপর তাদের মধ্যে বেশ ঝগড়া হলো। তারা আমাকে গালি দিতে থাকে যে, সে নিজে মরবে, আমাদেরও মারবে। অস্বীকারকারী ব্যক্তিকে তারা খুব পেটাল। শেষ পর্যন্ত সে স্বীকার করল যে, টাকা সেই নিয়েছিল। এই ফাঁকে আমার ডায়েরি থেকে বাংলা ও ইংরেজী লেখা পড়ে নেয়া হয় যার মধ্যে পাকিস্তানপন্থী ও গাদ্দারখ্যাত লোকদের তালিকা ছিল। স্যুটকেসে স্টেনগানের গুলি ও হ্যান্ড গ্রেনেড ছিল। গুরুত্বপূর্ণ সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের আলোচনাও ছিল।
এসব কথা তাদের জন্য ভূমিকম্পের চাইতেও কম ছিল না। তারা সেøাগান বানাল যে, আমাকে গুলি করে হত্যা করা হবে। আবার শেষ রাতে ওই স্থানটি নির্দিষ্ট হয়ে যায়। যে হক সাহেব আমাকে বাঁচিয়েছিলেন, তিনি নিজেই তখন বলছিলেন যে, ‘একে মেরে ফেলা উচিত।’ এই কথাগুলো পাশের কামরায় হচ্ছিল। আর আমি চিন্তা করছিলাম যে, মরতে তো হবেই। দু’চার জনকে খতম করে মরাই উত্তম হবে। আমি কারো কাছ থেকে স্টেনগান ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা মনে মনে তৈরি করলাম, ভয়ভীতি আসলেই ছিল না। তারপর আর একটি কথা মনে এল যে, ঢাকায় আলবদরের তিনজন কোম্পানি কমান্ডারের মধ্যে দু’জন শহীদ হয়ে গেছেন। হয়ত [আমি] তৃতীয় জনের কপালেও শাহাদৎ লেখা হয়ে আছে। এই চিন্তায় মন একেবারে চিন্তামুক্ত হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর জমিয়তের আরেকজন সাথীকে উপর্যুপরি কিল, ঘুষি ও গালিগালাজের তুফানের মধ্যে আমার কামরায় নিয়ে আসা হলো। এটি ১৮ ডিসেম্বরের কথা। ওই সময় না আমার চোখ বন্ধ রাখা হয়েছিল, না আমার হাত। এ কারণে আমি কারও কাছ থেকে স্টেনগান ছিনিয়ে নেয়ার জন্য উঠলাম। তখন পাহারাদার বলল, ‘পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছ! সাথে সাথে অন্যদের ডেকে আমার ও আমার সাথীর হাত ও চোখ বেঁধে দেয়া হয়। আমি ওই অবস্থাতেই এশার নামাজ পড়লাম। আমার হাত পেছন দিকে ছিল এবং তারা আমাকে মেরে ফেলার জন্য উতলা হয়ে রয়েছিল। ওই কথার ওপর তাদের মধ্যে মতবিরোধ হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত হক বলল, ‘ওকে যা ইচ্ছা তাই করতে পার। তবে এখন কিছু করো না। তার কাছ থেকে মূল্যবান তথ্য উদ্ধার করে নাও। তারপর তাকে শেষ করে দাও।’ হক থাকত ফকিরাপুল। সে আমার চোখের উপর পর্যন্ত বাঁধল। কারে বসাল আর বাড়ির চাকর বাকরের মাঝ দিয়ে আমাকে উপরের বাড়িতে নিয়ে গেল।
এ পর্যন্ত তো মুক্তিবাহিনীর তরুণদের পাল্লায় পড়েছিলাম। এখন হকের ঘরে বয়সের দিক দিয়ে পরিপক্ব লোকদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লাম। যারা জালেম ছিল, অভিজ্ঞতাসম্পন্নও ছিল।
আমাকে শক্ত করে পিছমোড়া বাঁধা হয়েছিল। বলা হলো যে, ‘প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব ঠিক ঠিক বলবে। না হলে তুমি দেখছ যে, পরে কি অবস্থা হয়ে যাবে।’
আমার কাছে অস্ত্র, টাকাকড়ি, অলঙ্কার প্রভৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু আমি সঠিকভাবে তাদের কিছু বলিনি।
তারা বলতে লাগল, ‘সঠিক বল। বাহু কেটে ফেলব। চোখ খুলে ফেলব।’ কিন্তু যখন এই ধমকও কাজে এল না তখন তারা আমাকে চিত করে শুইয়ে দিল। পাঁচ ছয় জন লোক আমার হাত-পা শক্ত করে ধরল আর এক ব্যক্তি চট করে আমার বুকের ওপর বসে পড়ল। আর আমার এক চোখের উপরে সজোরে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিল। আমি যদি জোরে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে তাকে ধাক্কা না দিতাম তাহলে সেই জালেম অবশ্যই আমার চোখ বের করে ফেলত। যখন সে আমার বাধার কারণে দূরে ছিটকে পড়ল তখন এ কথা বলে আমাকে ছেড়ে দিল যে, ‘কমবখতের ভীষণ শক্তি, একে আজকে নয় কালকে মারব।’
পরের দিন অর্থাৎ ১৯ ডিসেম্বর আমাকে নাস্তা দিল আর বলল যে, ‘খেয়ে দেয়ে মর।’ এরপর আমাকে শহরে ঘোরাল। লোকদেরকে বলল যে, ‘এ হচ্ছে আলবদরের কমান্ডার। আমরা একে গ্রেফতার করেছি।’ চক্কর দেয়ার পর আমাকে পুনরায় ওখানে নিয়ে আসে। আমাকে বলতে লাগল যে, ‘অস্ত্র ভা-ার যদি দেখিয়ে দাও তাহলে তোমাকে ছেড়ে দিব।’ (চলবে)
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
September
(2308)
-
▼
Sep 04
(94)
- উন্মুক্ত স্নানে লোপেজ
- সানির গোপন ইচ্ছা
- ‘এক রাতে সুনীল আমার গায়ে হাত দিয়েছিল’
- বন্দী শ্রমিকদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা
- মিসরে টেলিভিশনে প্রথম হিজাব পরে খবর পড়লেন এক নারী
- ২৪ বছর পর প্রমাণিত হলো তিনি মরেননি
- বিমান হামলায় নিহত ১৮- সিরিয়া নিয়ে জাতিসংঘ শান্তিদূ...
- রমনির ঝুলিতে নতুন কোনো ধারণা নেই: ওবামা
- বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ খুলছে কাল
- অপচিকিৎসায় প্রাণ যায় যায়
- জাল সনদে ২৭ বছর ধরে চাকরি
- পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র- ৩০ বছরেও সং...
- সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীক...
- সিরাজগঞ্জে শ্রমিক লীগের নেতা খুন- ঘরবাড়ি-দোকান ভাঙ...
- পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ অবান্তর: আবুল হ...
- আমলা-নেতা-ঠিকাদার ত্রিভুজ ভাঙুন- দুর্নীতির ঘূর্ণিঝ...
- শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ কেন?- বুয়েট...
- জবাবদিহি- আমাদের সবার বুয়েট-বসন্ত
- নির্বাচন- জনপ্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা নিতে পারবে কি?...
- চারপাশটা থাকুক জীবাণুমুক্ত by ফারহানা মোবিন
- চার তাল
- আচমকা অতীত by পল্লব মোহাইমেন
- রঙিন চোখের ভাষা by রয়া মুনতাসীর
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- র্বাচলে নকশা পরিবর্তন- অনেক রাস্তা নতুন করে নির্মা...
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ-...
- অবৈধ ভিওআইপি-১৭ লাখ টাকা নিয়ে ছাড়া হলো চার ব্যক্তি...
- অর্থমন্ত্রী বললেন-আই শুড রিজাইন by পার্থ প্রতীম ভট...
- হলমার্ক কেলেঙ্কারি-সম্পদ বেচে ঋণ শোধ দিতে বলবে সোন...
- রাজনৈতিক সমঝোতা হবেই : মজিনা-ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্...
- সেই 'লাদেন গ্রুপ'ই সক্রিয় 'জামায়াতে আরাকান' নামে b...
- ড্যাবের তিন চিকিৎসক হত্যার 'ষড়যন্ত্র' ফাঁস-র্যাবে...
- সহজিয়া কড়চা- ক্ষমতা বনাম গণতন্ত্র by সৈয়দ আবুল ম...
- সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন শুরু আজ, বিএনপি যাচ্ছে না
- গদ্যকার্টুন- বুয়েটের সমস্যা সমাধানে বিকল্প প্রস্তা...
- পদ্মা সেতুর দুর্নীতি তদন্তে দুদকে নতুন কমিটি
- সহ-উপাচার্যকে সরানোর সিদ্ধান্ত
- ভিসিকে রক্ত উপহার!
- বুয়েট প্রো-ভিসিকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে
- পেশোয়ারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৪
- বন্ধুতা
- তবুও বরষা...
- তরুণ প্রজন্মের ঈদ কাটল যেভাবে
- সরাসরি গরুর কাছ থেকে মাখন তোলা দুধ
- লিভারের সুরক্ষায় মাশরুম
- চুল পড়ার নানা কারণ ও প্রতিকার by ডা. ওয়ানাইজা
- ডায়াবেটিস ও গর্ভধারণ
- শিশুদের এ্যাজমার আধুনিক চিকিৎসা by ডা. গোবিন্দ চন...
- ফরমালিন আমদানি নিষিদ্ধ
- প্রশ্ন যখন বয়সসীমা
- গাজীপুর উপনির্বাচন এবং রাজনীতিতে জনকল্যাণের সুবাতা...
- ক্ষমতার সম্ভাব্য পালাবদল নিয়ে শুধু ভারত নয়, অনেকেই...
- সেমাইবিহীন ঈদ আনন্দ! by ড. আহমেদ আমিনুল ইসলাম
- সিডনির মেলব্যাগ- প্রবাসে উপেক্ষিত জাতীয় দায়িত্ব ও ...
- আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
- মিসরে আরো ৭০ জেনারেল অবসরে
- ফিজিওথেরাপি পরীক্ষায় রাজশাহী আইএইচটির সবাই ফেল
- ঢাকা আর্ট সেন্টারে দ্বিতীয় পর্বের সমকালীন চিত্রকলা...
- ড্যাবের তিন ডাক্তারকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল প্রত...
- স্পীকারের রুলিং সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের শুনানি ...
- ভোটের আগে সংসদ ও মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দিতে হবে ॥ এরশা...
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, বিপন্ন মানবতা ॥ বাঙালীর দুর...
- পাল্টে গেল দৃশ্য
- পাল্টে গেল দৃশ্য
- শান্তির দূতের অশান্তির শঙ্কা-সাক্ষাৎকারে ব্রাহিমির...
- আঞ্চলিক বিরোধে পক্ষ না নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক ক...
- মিসরের অভিযোগ-মুবারক ঘনিষ্ঠদের চুরি করা সম্পদ লুকি...
- আটক খনি শ্রমিকদের মুক্তি দিচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা
- ভারতে কয়লা ব্লক কেলেঙ্কারি-আরো ৩২টি ব্লকের বরাদ্দ ...
- আবাসিক ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহার-কর্তৃপক্ষকেই অনিয়ম ...
- দখল সংস্কৃতি-রুখতে হবে সামাজিকভাবে
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানবজাতি সৃষ্টির প্রস্তাবনা
- ইরানের পরমাণু ঘোষণাকেই সমর্থন দিল ন্যাম by টমাস এর...
- তারেকের অনুপস্থিতিতেই এবারও বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল...
- স্পীকারের রুলিং নিয়ে আদালতের রায়ে উত্তপ্ত হবে সংসদ...
- সাবেক মন্ত্রীর মোবাইল কোম্পানিকে ॥ টেলিটকের অপটিক্...
- কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আমার ছোট ভাইকে হত্যা করা ...
- পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগটি ধারণা মাত্র ॥ আবুল...
- শিক্ষা সচিবের আশ্বাসে বুয়েটের আন্দোলন ২৪ ঘণ্টা স্থ...
- যুদ্ধাপরাধীদের ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে- মন্ত্...
- হল মার্কের প্রতি সোনালী ব্যাংক বোর্ড ॥ ১৫ দিনের মধ...
- নদী দখল-দূষণ রুখতেই হবে by শাহজাহান মিয়া
- শিল্পী সংগ্রামী অজিত রায় by ফকির আলমগীর
- শিক্ষাঙ্গন-বুয়েট নিয়ে উদ্বেগ by মোহীত উল আলম
- থলের বিড়াল by ফসিহ বণিক
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-মেরুবর্তী বিভাজন কাম্য নয় by অন...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-তেহরান ন্যাম সম্মেলন ও সাম্রাজ্যবা...
- রাজশাহীর জনপ্রতিনিধি-দশের কল্যাণ চিন্তা শিকেয়!
- চট্টগ্রাম বন্দর-কনটেইনার টার্মিনাল দ্রুত চালু হোক
- চরাচর-গোমতীর তীরে 'মধুর বাঁশরী বাজে' by জাহাঙ্গীর ...
- কথা সামান্যই-দক্ষিণ আফ্রিকায় আবার রক্তগঙ্গা by ফজল...
- আর কত দিন এভাবে হত্যা-আত্মহত্যা? by কাজী সুফিয়া আখ...
- কালান্তরের কড়চা-বিশ্বে সংখ্যালঘুদের অবস্থা এবং কলক...
- ক্ষুদ্র ঋণে ঋণী তিন নারী by সালমা বেগম
-
▼
Sep 04
(94)
-
▼
September
(2308)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment