Wednesday, May 9, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
কোনো সরকারই শেষ সরকার নয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তনের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরে বলেন, যারা নাম পরিবর্তন করেছিল তাদের শিক্ষা দিতেই এই নাম পরিবর্তন।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় যেসব স্থাপনা তৈরি ও নামকরণ করেছিল, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতসহ চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেগুলোসহ কয়েক শ স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেছিল। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘চারদলীয় জোট কি এ কথা ভাবেনি যে তাদের সরকারই শেষ সরকার নয়?’
প্রধানমন্ত্রী যেদিন এসব কথা বলেন, ঠিক তার আগের দিন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের সমালোচনা করে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তারা কখনো অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি।’
আমরা নিরীহ জনগণ, কী আর বলব! এই দুই দলের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ আর আক্রমণ দেখে মনে হয়, দেশের জনগণের কোনো সমস্যা নেই, কখনো ছিল না। স্থাপনার নাম পাল্টানো, পরস্পরকে ‘শিক্ষা দেওয়া’ই ক্ষমতাসীন সরকার ও প্রধান বিরোধী দলের প্রধান কাজ। গত ১৯ বছরের সংসদীয় গণতন্ত্র এভাবেই চলছে। তারা কেউ জনগণের কথা ভাবছে না। পাল্টাপাল্টি উদ্যোগ হিসেবে স্থাপনার নাম বদলানোয় জনমনে কেমন প্রতিক্রিয়া হয় তা যদি তারা একটু ভাবত, তাহলে এই অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর পদক্ষেপগুলো নিতে পারত না।
জনজীবনের নানামুখী সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন। লাখ লাখ শিক্ষিত ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান নেই। জিনিসপত্রের দাম যতটা সহনীয় মাত্রায় কমে আসবে বলে এই সরকারের কাছে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ততটা কমেনি। বরং কিছু দ্রব্যের দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তার মধ্যে কোনো কোনো পণ্যের দাম হঠাত্ করে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে গেছে। অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের কারসাজিতে এমনটি ঘটে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলেও এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। কৃষক অনেক অর্থ ব্যয় করে, কঠোর পরিশ্রম করে যে কৃষিপণ্য ফলায়, তার ভালো দাম পায় না। অথচ সেই কৃষিপণ্য কয়েক ধাপ পেরিয়ে শহর-বন্দরের বাজারে পৌঁছে এমন চড়া দামে বিক্রি হয় যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে। বাজারব্যবস্থার এই অসংগতি বা কারসাজির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই করা হয় না। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনে নিরাপত্তা কম, অন্যায়-অবিচারের শিকার হলে তারা বিচার পায় না। সরকারি দল ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর ছত্রচ্ছায়ায় সন্ত্রাসী, মাস্তানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাজির উপদ্রবও চলছে সারা দেশে।
নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের দৃষ্টি থাকবে জনগণের ভালোমন্দ, সুবিধা-অসুবিধার দিকে। সাধারণ মানুষের আয়-উন্নতির পথগুলো সুগম করার মধ্য দিয়ে সরকার জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবে, দেশের সর্বত্র শান্তিরক্ষার চেষ্টা করবে। কিন্তু আমরা দেখে আসছি, ক্ষমতাসীন সরকারগুলো সব সময় ব্যস্ত থাকে নিজেদের আখের গোছানো আর বিরোধী দল বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সামলাতে। প্রতিপক্ষ দলকে মোকাবিলা করাই যেন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। সেই মোকাবিলার রূপ হয় কখনো ‘শিক্ষা দেওয়া’র মতো নানা পদক্ষেপ, কখনো অপ্রীতিকর ভাষায় সমালোচনা, কখনো পুলিশি দমন-পীড়ন, কখনো বা দলীয় লোকজনদের দিয়ে প্রতিপক্ষদের ওপর হামলা চালানো। এগুলো জনগণ পছন্দ করে না। সরকারের এসব আচরণে জনমনে এমন ধারণা হয় যে জনগণের সমস্যা ও দুঃখ-দুর্দশাগুলো সরকারের বিবেচনার মধ্যেই নেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সম্পর্কে বললেন, ‘তারা কখনো ভাবেনি যে তাদের সরকারই শেষ সরকার নয়।’ আসলে এই কথাটা সব সরকারের জন্যই প্রযোজ্য, বর্তমান সরকারের জন্যও বটে। কোনো সরকারই শেষ সরকার নয়।
ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলে বিএনপি আবার ক্ষমতায় যাবে। তখন তারা সব স্থাপনার নাম আবার বদলে দেবে। কিন্তু এভাবে আর কত দিন চলবে? একসময় তো থামা দরকার। উভয় পক্ষকেই।
আহমেদ মহিউদ্দিন
চট্টগ্রাম।
আদিবাসীদের ভাষার কী হবে
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালিরা রক্ত দিয়েছিল অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার মর্যাদার দাবিতে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এ বিষয়টি পৃথিবীর সব জাতির মাতৃভাষার জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও অর্জন ঠিক তখনই মূল্যায়িত হবে, যদি বাংলাদেশেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি আদিবাসীদের ভাষা সংরক্ষণ ও চর্চার জন্য সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়।
বাংলাদেশ সরকার ও ইউনেসকো মিলে আদিবাসীদের মাতৃভাষা সংরক্ষণ, গবেষণা ও চর্চার জন্য আদিবাসীদের মাতৃভাষার অধিকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে পারে। এটা হতে পারে পৃথিবীর সব জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি মডেল। সে লক্ষ্যে প্রথমে আদিবাসী ভাষাগুলোর ওপর ভাষাতাত্ত্বিক মাঠ গবেষণা ও জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষীর সংখ্যা, স্থান ও অঞ্চল সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে। যেসব আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব লিপি বা বর্ণমালা আছে সেগুলো সংরক্ষণ ও প্রাক্-প্রাথমিক পর্যায়ে তার ব্যবহার ও অনুশীলনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যেসব আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব লিপি নেই তাদের মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য বাংলায় ও অন্যত্র রোমান হরফে লিখন প্রক্রিয়া চালু করা যেতে পারে। আদিবাসীদের মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য ভিন্ন দেশের যেকোনো প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ধর্মান্তরকরণ আদিবাসী জাতিসত্তার ভাষা ও সংস্কৃতি বিলুপ্তির জন্য প্রধান দায়ী। আদিবাসীদের জীবনমান উন্নত করতে হবে।
মং এ খেন মংমং, সভাপতি
বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র ফোরাম।
উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা
সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলো ইংরেজিতে দেওয়া হয়। ব্যতিক্রম ছিলেন বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। তিনি গত কয়েক বছর বাংলায় রায় দিয়েছেন। পঞ্চম সংশোধনী বাতিলে রায় তিনি বাংলায় দিয়েছেন। ঢাকার আশপাশের নদীগুলো রক্ষায় একাধিক রায় ও নির্দেশনা তিনি বাংলায় দিয়েছেন। বাংলায় উচ্চ আদালতের রায় দেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেন যাঁরা, তাঁদের চোখে আঙুল দিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো মামলার রায়ই বাংলায় দেওয়া সম্ভব। তার আগে বিচারপতি কাজী এবাদুল হকও বাংলায় রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু এ দুজনের কেউই এখন আর হাইকোর্টে নেই, বিচারপতি কাজী এবাদুল হক অনেক আগেই অবসরে গেছেন। আর বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক এখন আপিল বিভাগের বিচারপতি। আপিল বিভাগের রায়গুলো সাধারণত বেঞ্চের রায় হিসেবেই ঘোষণা করা হয়ে থাকে। বিচারপতির সংখ্যা যে কজনই হোক, তাঁরা একটি রায়ই দেন। বিচারপতিদের মধ্যে যদি কোনো বিষয়ে ভিন্নমত বা নির্দেশনা থাকে তা তাঁরা আলাদাভাবে দিয়ে থাকেন। কিন্তু তা একই রায়ে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
বিচারপতি খায়রুল হক আপিল বিভাগে চলে যাওয়ায় হাইকোর্টে বাংলায় আর কেউ রায় লিখছেন না, আর আপিল বিভাগের রায়গুলো যেহেতু ইংরেজিতেই হচ্ছে, ধরেই নেওয়া যায় যে সুপ্রিম কোর্টে এখন আর কেউ বাংলায় রায় দিচ্ছেন না।
নানা সীমাবদ্ধতা এবং চর্চা না থাকার ফলে হুট করেই সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বাংলায় পরিচালনার দাবি তোলা ঠিক হবে না। কিন্তু বাংলা ব্যবহারে কারও কারও মধ্যে যে নাক সিটকানো ভাব দেখি তার প্রতিবাদ হওয়া উচিত। একশ্রেণীর আইনজীবীর মধ্যে এই প্রবণতাও রয়েছে, প্রয়োজনে তারা ভুল উচ্চারণে ইংরেজি বলবেন, কিন্তু বাংলা নয়, বাংলাই যদি বললাম তাহলে আর হাইকোর্টের উকিল হলাম কেন!
আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিদের বাংলা ভাষায় রায় দেওয়ার দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা যা-ই বলি, তা নেই। তারা এখন বাংলায় রায় দিতে শুরু করবেন এমনটা প্রত্যাশা না করাই উত্তম। তবে যাঁরা চাইলেই বাংলায় রায় লেখার অভ্যাসটা রপ্ত করতে পারেন, তাঁদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা করার অধিকার রয়েছে।
বাংলায় রায় লেখা কঠিন হতে পারে, কিন্তু তা অসম্ভব নয়, এটা প্রমাণিত। বাংলা কঠিন বা বাংলায় অসম্ভব বলে যাঁরা বাংলার প্রয়োগ ও চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করছেন, তাঁদের পথ কেন অনুসরণ করতে হবে সবাইকে? কিছুটা দৈন্য যদি থেকেও থাকে আমাদের ভাষায়, তা দূর করার কোনো চেষ্টাই কি আমরা করতে পারি না? ভাষা তো সীমিত সময়ের তৈরি কিছু নয়। বাংলায় রায় দিয়ে, বাংলায় প্রতিশব্দ তৈরি করে এমনকি নতুন শব্দ তৈরি করে বাংলার গাঁথুনিকে আরও মজবুত করতে পারেন বিচারকেরা। নাক সিটকানো যাঁদের অভ্যাস আর কঠিন বলে সত্যকে ভালোবাসতে ও গ্রহণ করতে যাঁদের ভয়, সেই শ্রেণীর উকিলরা বাদে অন্যরাও পারেন এ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে। বিচারপতি খায়রুল হক না দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে বাংলা রায়ের অধ্যায় শেষ হয়েছে এমনটা ভাবতে চাই না আমরা।
আবদুর রহমান
সায়েদাবাদ, ঢাকা।
দুনিয়া কাঁপানো সেই ৩০ মিনিট!
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য গৌরবময় এক দিন। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে উচ্চকিত সেই দিনে বিকেল তিনটা ২০ থেকে ৫০ মিনিট বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর ২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার সেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের গেটের সামনে আমগাছের নিচে হাজার হাজার মানুষ একত্র হয়ে সেই ভাষাশহীদদের স্মরণ করলেন, শ্রদ্ধা জানালেন ভাষাসৈনিকদের। আমারও সৌভাগ্য হয়েছিল এই ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’-এ সেখানে অংশ নিয়ে জানান দেওয়ার যে আমি বাঙালি, বাংলা আমার মায়ের ভাষা, বাংলা আমার দেশ। আমার ৪৭ বছরের ব্যর্থ, নগণ্য এই জীবনে এ যেন এক শ্রেষ্ঠ পাওয়া, অনেক বড় এক সার্থকতা।
সেদিন অনেক ভাষাসৈনিককে কাছে পেয়ে আমি অভিভূত হয়ে পড়ি। মনে মনে বলি, ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ আন্দোলনের ভাষাসৈনিকেরা আজ আমার কতই না কাছে। যাঁদের কথা পড়েছি বইয়ের পাতায়, যাঁদের ছবি দেখেছি তথ্যচিত্রে, তাঁদের স্বচক্ষে দেখছি, তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি, ছবি তুলছি। কী যে সেই অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে মূর্ত করে তোলার আয়োজনের উদ্যোক্তা দৈনিক প্রথম আলো ও গ্রামীণফোনকে আমরা দল-মতনির্বিশেষে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে আজ অনুভব করি, ভাষা আন্দোলনের ৫৮ বছর এবং স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও আমরা সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে পারিনি, বাংলা ভাষাকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে। কেন পারিনি, কোথায় বাধা তা নিয়ে আজ গভীরভাবে ভেবে দেখার সময় এসেছে। বাধাগুলো দূর করে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ আজ নিতে হবে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে। এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে।
আলী নিয়ামত, ঢাকা।
বৈরিতা-প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়ুন
প্রায় দুই দশক ধরে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চলছে। কিন্তু এর তেমন কোনো সুফল জনগণ পায়নি, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলোর বিকাশ ঘটেনি। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে অসহিষ্ণুতা ও বৈরিতার ধারাই বিস্তৃত হয়েছে। সংসদে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে উভয় পক্ষের প্রাণবন্ত আলোচনা হয় না। সরকারি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একচেটিয়াভাবে আইন পাস করে; বিরোধী দল সংসদ বর্জন করে। সংসদে যোগ দিলেও ঠিকমতো কথা বলতে পারে না; বা অপ্রাসঙ্গিক তুচ্ছ বিষয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করা হয় এবং এর ফলে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে। দুই বছর একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির পর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আবার শুরু হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের কিছু বক্তব্যে তাঁদের চিন্তাভাবনা ও মানসিকতায় যে দৈন্য ও সংকীর্ণতা প্রকাশ পাচ্ছে, তা জাতির জন্য হতাশাব্যঞ্জক।
মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে তাঁর লাশ আছে কি না, তা উদ্ঘাটন করার প্রস্তাবটি কি অপ্রয়োজনীয় ও অস্বাভাবিক নয়? এ নিয়ে অর্থহীন কথা চালাচালির জন্যই কি জাতীয় সংসদ? ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম থেকে জিয়াউর রহমানের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টিও কি দেশের জন্য এ মুহূর্তে খুব গুরুত্বপূর্ণ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার কয়েক শ সরকারি স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেছিল। তাদের শিক্ষা দিতেই বর্তমান সরকারের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী অসত্য বলেননি: বিএনপিও নাম পরিবর্তনের রাজনীতিই করেছিল। কিন্তু তাদের কৃতকর্মের খেসারত তাদের দিতে হয়েছে। তাদের প্রতিহিংসার রাজনীতিকে জনগণ ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে বিগত নির্বাচনে।
জনগণ নাম পরিবর্তনের রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছে। চারদলীয় জোট কয়েক শ স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেও জনগণের মনে স্থায়ী আসন পায়নি। এর পরও আমাদের নেতানেত্রীরা কেন ভুলে যাচ্ছেন, নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে এই সব কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোতে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ফলে সহপাঠীদের মৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বছরের স্কুলশিশুর দেহ পিষ্ট হয়ে যাওয়া, অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে জাপান গার্ডেন সিটিতে অগ্নিকাণ্ডে জীবন্ত ঝলসে যাওয়া সাতটি তাজা প্রাণ; পুলিশ বাহিনীর সামনে ঘটে যাওয়া খুন, ছিনতাই, রাহাজানিসহ নানা অপরাধ—এগুলো হচ্ছে দেশ ও জাতির জন্য গুরুতর সমস্যা।
যানজটের কারণে ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষেরা হারাচ্ছে মূল্যবান সময় ও কর্মস্পৃহা। বিদ্যুিবভ্রাটের বিড়ম্বনা জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। অপ্রতুল গ্যাস সরবরাহের কারণে পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্পকারখানায় উত্পাদন বাধাগ্রস্ত, গৃহস্থালিতে গ্যাস, পানির সংকটে জীবন অতিষ্ঠ। দেশের এহেন পরিস্থিতিতে জনগণের করের টাকায় চলে যে সংসদ, সেখানে জিয়ার কবরে তাঁর লাশ আছে কি না আর স্থাপনার নাম পরিবর্তন নিয়ে বাগিবতণ্ডা জনগণের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমরা আশা করব, সরকার ও বিরোধী দল পারস্পরিক বৈরিতা ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত হয়ে দেশ ও জাতির স্বার্থ ও কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করবে।
সারওয়াত জাহান
ধানমন্ডি, ঢাকা।
ব্লগের শক্তি: আমরা অপেক্ষা করছি
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ইন্টারনেট ব্লগের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ব্লগ দ্রুতই হয়ে উঠছে তথ্যপ্রাপ্তির ও চিন্তাভাবনা বিনিময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম। মানুষের কণ্ঠরোধ আর সম্ভব হবে না; কণ্ঠরোধকারীরা অচিরেই হয়ে উঠবে হাস্যকর। সাধারণ মানুষ ব্লগে আসতে পারছে। তথ্যপ্রযুক্তির আরও প্রসার, ইন্টারনেটের গতি ও সংযোগ বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের ব্লগ ব্যবহার আরও অনেক বেড়ে যাবে। যে একটি স্বাধীন কণ্ঠস্বর চায়, বাকস্বাধীনতা চায়, তথ্যের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক একচেটিয়ার অবসান চায়, তার কাছে ব্লগ হয়ে উঠবে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। ব্লগ তৈরি করবে দ্রুত গতির মানবিক যোগাযোগের ব্যবস্থা। লৌহ যবনিকার অন্তরালে গণমানুষকে আটকে রাখার দিন ইতিহাস হয়ে যাবে। স্বৈরশাসকেরা আর আসবে না, যদি আসে, বুঝেশুনে আসবে। এসে টিকতে পারবে না বেশি দিন।
কারও কারও জন্য ব্লগের কিছু খারাপ দিকও আছে। যারা তথ্যের ওপর একচেটিয়া অধিকার ভোগ করতে চায়, যারা জনমতকে এক দিকে ধাবিত করতে চায়, যারা নিজেদের সুবিধামতো তথ্য প্রকাশ করে এবং চেপে রেখে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, ব্লগ তাদের জন্য বিরাট অসুবিধার ব্যাপার। কারসাজিপূর্ণ ব্যবসা-বাণিজ্য, জনগণকে বোকা বানানো ব্র্যান্ডিং বরবাদ করে দিতে পারে ব্লগ। ব্লগের মাধ্যমে মানুষের চিন্তার দিগন্ত উন্মুক্ত হবে। মনোজগতে উপনিবেশের অবসান ঘটাবে ব্লগ। সংবাদপত্র ও টেলিভিশন সাংবাদিকতা কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে যাবে; তাদেরকে আরও স্বচ্ছ, আরও নিরপেক্ষ, আরও খোলামেলা হতে হবে। সামগ্রিকভাবে শিক্ষা-দীক্ষা, রাজনীতি, বাণিজ্যিক লেনদেন—সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। আমরা অপেক্ষা করছি।
প্রযুক্তির বদৌলতে সূচিত এই বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। গণতন্ত্রকে আরও বিকশিত করার কাজে ইন্টারনেট ব্লগিংয়ের সুবিধা বিশেষত তরুণসমাজকে নিতে হবে। শুধু আনন্দ-বিনোদন নয়, জাতির গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের ব্যাপারে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রবল জনমত গড়ে তোলা, সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে নেতিবাচক রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ধিক্কার জানানোসহ আরও নানাভাবে ইন্টারনেট ব্লগিংকে ব্যবহার করা যায়। সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দাবি করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে ইন্টারনেট ব্লগ।
ফজলুল হক, চট্টগ্রাম।
শিশু অধিকার: কথা নয়, কাজ চাই
শিশুদের অধিকার নিয়ে নানা গবেষণাকর্ম, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা, সচেতনতামূলক সপ্তাহ বা দিবস পালিত হয়। প্রায় চার দশক ধরে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্বের সব দেশ জাতিসংঘের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালন করে থাকে। আমাদের দেশেও এ বছর ‘শিশু সুরক্ষার অধিকার, দিনবদলের অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালন করেছে। এত প্রচারণা সত্ত্বেও কাজের কাজ কতটুকু হচ্ছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।
যে বয়সে শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা, উপযুক্ত বাসস্থান আর বস্ত্র পাওয়ার কথা, সেই বয়সে তাকে ভিক্ষার ঝুলি নিতে হয়। কেউ বা হাঁপর টানে, মোট বয় কিংবা ইটপাথরের খোয়া ভাঙে। অনেকে ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে ঘুমায়, কারও কারও আশ্রয় জোটে রেলস্টেশন বা এতিমখানায়। জন্মনিবন্ধনের তালিকায় তাদের নাম ওঠে না। কারণ তাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই। নিরাপত্তাহীনতা, জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা এবং সমাজের প্রতি ক্ষোভে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় অপরাধপ্রবণতা। তারা জড়িয়ে পড়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে। আশ্রয় মেলে কারাগারে। তারা হয়ে যায় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন। জেল থেকে বেরিয়ে আর কোনো ভালো কাজ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তারা আবারও ফিরে যায় অন্ধকার রাজ্যে। দোষ তাদের নয়। যে সমাজ তাদের মৌলিক অধিকার মেটাতে অপারগ, সেই সমাজের ব্যর্থতার দায়ভার বহন করতে হয় এই হতভাগ্য শিশুদের।
বাংলাদেশে প্রায় ৭৪ লাখ শিশু শ্রমের সঙ্গে জড়িত। বেশির ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। গ্রামবাংলায় কৃষিকাজে, ইটভাটায়, পাথর বা খোয়া ভাঙায় মা-বাবাকে সাহায্য করে। আর শহরের শিশুরা কাজ করে গার্মেন্টসশিল্পে, বিড়ি কারখানায়, বিভিন্ন ওয়ার্কশপে। অনেক শিশু কুলি-হকার বা রিকশা-শ্রমিক, ফুল বিক্রেতা, মাদকবাহক, অস্ত্রবাহক, আবর্জনা সংগ্রাহক বা টোকাই। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন অনেক বেশি বেড়ে গেছে।
আমাদের দেশে বাল্যবিবাহের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ দেশের কন্যাশিশুদের শতকরা ৬৪ ভাগের ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে হয়। বাল্যবিবাহ রোধের জন্য কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, একই সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে যে কাজি বিবাহ দেন তাঁর এবং মেয়ে ও ছেলের অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এসব কাজির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে যেন ভোটার আইডি কার্ড দেখে মেয়ের সাবালক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কাজিরা বিয়ে পড়ান সে ব্যাপারে। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ইমাম ও পুরোহিতেরা। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রাখাও অপরিহার্য।
কয়েক দিন আগে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন বলেছেন, বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে ঝরে পড়া রোধে শিশুদের বিদ্যালয়ে খাবার দিতে হবে। এ ব্যাপারে বিত্তশালীদের রাখতে হবে যথাযোগ্য ভূমিকা। বিখ্যাত ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী নিজে একটি স্কুল খুলেছেন দরিদ্র শিশুদের জন্য। যেখানে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি ক্লাসে দুটি করে সিট থাকবে সংরক্ষিত। আমাদের দেশেও রয়েছেন এমন ক্রিকেটার, খেলোয়ার, চিত্রতারকা, সাহিত্যিক, শিল্পী, বৃদ্ধিজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, শিল্পপতি। তাঁরাও তো করতে পারেন এ দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য অবৈতনিক স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শিশুপার্ক। তাতে সরকারের ভার কিছুটা লাঘব হয়। পথশিশুমুক্ত দেশ দেখতে আমাদেরও ভালো লাগবে, বহির্বিশ্বে আমাদের সুনামও বাড়বে। আমরা পাব ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক।
হাবিবুর রহমান, রাজশাহী।
প্রধানমন্ত্রী যেদিন এসব কথা বলেন, ঠিক তার আগের দিন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের সমালোচনা করে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তারা কখনো অতীত থেকে শিক্ষা নেয়নি।’
আমরা নিরীহ জনগণ, কী আর বলব! এই দুই দলের পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ আর আক্রমণ দেখে মনে হয়, দেশের জনগণের কোনো সমস্যা নেই, কখনো ছিল না। স্থাপনার নাম পাল্টানো, পরস্পরকে ‘শিক্ষা দেওয়া’ই ক্ষমতাসীন সরকার ও প্রধান বিরোধী দলের প্রধান কাজ। গত ১৯ বছরের সংসদীয় গণতন্ত্র এভাবেই চলছে। তারা কেউ জনগণের কথা ভাবছে না। পাল্টাপাল্টি উদ্যোগ হিসেবে স্থাপনার নাম বদলানোয় জনমনে কেমন প্রতিক্রিয়া হয় তা যদি তারা একটু ভাবত, তাহলে এই অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর পদক্ষেপগুলো নিতে পারত না।
জনজীবনের নানামুখী সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন। লাখ লাখ শিক্ষিত ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থান নেই। জিনিসপত্রের দাম যতটা সহনীয় মাত্রায় কমে আসবে বলে এই সরকারের কাছে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ততটা কমেনি। বরং কিছু দ্রব্যের দাম আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। তার মধ্যে কোনো কোনো পণ্যের দাম হঠাত্ করে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে গেছে। অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের কারসাজিতে এমনটি ঘটে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলেও এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। কৃষক অনেক অর্থ ব্যয় করে, কঠোর পরিশ্রম করে যে কৃষিপণ্য ফলায়, তার ভালো দাম পায় না। অথচ সেই কৃষিপণ্য কয়েক ধাপ পেরিয়ে শহর-বন্দরের বাজারে পৌঁছে এমন চড়া দামে বিক্রি হয় যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে। বাজারব্যবস্থার এই অসংগতি বা কারসাজির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই করা হয় না। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের জীবনে নিরাপত্তা কম, অন্যায়-অবিচারের শিকার হলে তারা বিচার পায় না। সরকারি দল ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর ছত্রচ্ছায়ায় সন্ত্রাসী, মাস্তানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাজির উপদ্রবও চলছে সারা দেশে।
নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের দৃষ্টি থাকবে জনগণের ভালোমন্দ, সুবিধা-অসুবিধার দিকে। সাধারণ মানুষের আয়-উন্নতির পথগুলো সুগম করার মধ্য দিয়ে সরকার জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবে, দেশের সর্বত্র শান্তিরক্ষার চেষ্টা করবে। কিন্তু আমরা দেখে আসছি, ক্ষমতাসীন সরকারগুলো সব সময় ব্যস্ত থাকে নিজেদের আখের গোছানো আর বিরোধী দল বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সামলাতে। প্রতিপক্ষ দলকে মোকাবিলা করাই যেন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। সেই মোকাবিলার রূপ হয় কখনো ‘শিক্ষা দেওয়া’র মতো নানা পদক্ষেপ, কখনো অপ্রীতিকর ভাষায় সমালোচনা, কখনো পুলিশি দমন-পীড়ন, কখনো বা দলীয় লোকজনদের দিয়ে প্রতিপক্ষদের ওপর হামলা চালানো। এগুলো জনগণ পছন্দ করে না। সরকারের এসব আচরণে জনমনে এমন ধারণা হয় যে জনগণের সমস্যা ও দুঃখ-দুর্দশাগুলো সরকারের বিবেচনার মধ্যেই নেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সম্পর্কে বললেন, ‘তারা কখনো ভাবেনি যে তাদের সরকারই শেষ সরকার নয়।’ আসলে এই কথাটা সব সরকারের জন্যই প্রযোজ্য, বর্তমান সরকারের জন্যও বটে। কোনো সরকারই শেষ সরকার নয়।
ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলে বিএনপি আবার ক্ষমতায় যাবে। তখন তারা সব স্থাপনার নাম আবার বদলে দেবে। কিন্তু এভাবে আর কত দিন চলবে? একসময় তো থামা দরকার। উভয় পক্ষকেই।
আহমেদ মহিউদ্দিন
চট্টগ্রাম।
আদিবাসীদের ভাষার কী হবে
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালিরা রক্ত দিয়েছিল অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার মর্যাদার দাবিতে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এ বিষয়টি পৃথিবীর সব জাতির মাতৃভাষার জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও অর্জন ঠিক তখনই মূল্যায়িত হবে, যদি বাংলাদেশেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি আদিবাসীদের ভাষা সংরক্ষণ ও চর্চার জন্য সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়।
বাংলাদেশ সরকার ও ইউনেসকো মিলে আদিবাসীদের মাতৃভাষা সংরক্ষণ, গবেষণা ও চর্চার জন্য আদিবাসীদের মাতৃভাষার অধিকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে পারে। এটা হতে পারে পৃথিবীর সব জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি মডেল। সে লক্ষ্যে প্রথমে আদিবাসী ভাষাগুলোর ওপর ভাষাতাত্ত্বিক মাঠ গবেষণা ও জরিপের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষীর সংখ্যা, স্থান ও অঞ্চল সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে। যেসব আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব লিপি বা বর্ণমালা আছে সেগুলো সংরক্ষণ ও প্রাক্-প্রাথমিক পর্যায়ে তার ব্যবহার ও অনুশীলনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যেসব আদিবাসী গোষ্ঠীর নিজস্ব লিপি নেই তাদের মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য বাংলায় ও অন্যত্র রোমান হরফে লিখন প্রক্রিয়া চালু করা যেতে পারে। আদিবাসীদের মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য ভিন্ন দেশের যেকোনো প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ধর্মান্তরকরণ আদিবাসী জাতিসত্তার ভাষা ও সংস্কৃতি বিলুপ্তির জন্য প্রধান দায়ী। আদিবাসীদের জীবনমান উন্নত করতে হবে।
মং এ খেন মংমং, সভাপতি
বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্র ফোরাম।
উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা
সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলো ইংরেজিতে দেওয়া হয়। ব্যতিক্রম ছিলেন বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। তিনি গত কয়েক বছর বাংলায় রায় দিয়েছেন। পঞ্চম সংশোধনী বাতিলে রায় তিনি বাংলায় দিয়েছেন। ঢাকার আশপাশের নদীগুলো রক্ষায় একাধিক রায় ও নির্দেশনা তিনি বাংলায় দিয়েছেন। বাংলায় উচ্চ আদালতের রায় দেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেন যাঁরা, তাঁদের চোখে আঙুল দিয়ে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো মামলার রায়ই বাংলায় দেওয়া সম্ভব। তার আগে বিচারপতি কাজী এবাদুল হকও বাংলায় রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু এ দুজনের কেউই এখন আর হাইকোর্টে নেই, বিচারপতি কাজী এবাদুল হক অনেক আগেই অবসরে গেছেন। আর বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক এখন আপিল বিভাগের বিচারপতি। আপিল বিভাগের রায়গুলো সাধারণত বেঞ্চের রায় হিসেবেই ঘোষণা করা হয়ে থাকে। বিচারপতির সংখ্যা যে কজনই হোক, তাঁরা একটি রায়ই দেন। বিচারপতিদের মধ্যে যদি কোনো বিষয়ে ভিন্নমত বা নির্দেশনা থাকে তা তাঁরা আলাদাভাবে দিয়ে থাকেন। কিন্তু তা একই রায়ে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
বিচারপতি খায়রুল হক আপিল বিভাগে চলে যাওয়ায় হাইকোর্টে বাংলায় আর কেউ রায় লিখছেন না, আর আপিল বিভাগের রায়গুলো যেহেতু ইংরেজিতেই হচ্ছে, ধরেই নেওয়া যায় যে সুপ্রিম কোর্টে এখন আর কেউ বাংলায় রায় দিচ্ছেন না।
নানা সীমাবদ্ধতা এবং চর্চা না থাকার ফলে হুট করেই সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বাংলায় পরিচালনার দাবি তোলা ঠিক হবে না। কিন্তু বাংলা ব্যবহারে কারও কারও মধ্যে যে নাক সিটকানো ভাব দেখি তার প্রতিবাদ হওয়া উচিত। একশ্রেণীর আইনজীবীর মধ্যে এই প্রবণতাও রয়েছে, প্রয়োজনে তারা ভুল উচ্চারণে ইংরেজি বলবেন, কিন্তু বাংলা নয়, বাংলাই যদি বললাম তাহলে আর হাইকোর্টের উকিল হলাম কেন!
আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিদের বাংলা ভাষায় রায় দেওয়ার দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা যা-ই বলি, তা নেই। তারা এখন বাংলায় রায় দিতে শুরু করবেন এমনটা প্রত্যাশা না করাই উত্তম। তবে যাঁরা চাইলেই বাংলায় রায় লেখার অভ্যাসটা রপ্ত করতে পারেন, তাঁদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা করার অধিকার রয়েছে।
বাংলায় রায় লেখা কঠিন হতে পারে, কিন্তু তা অসম্ভব নয়, এটা প্রমাণিত। বাংলা কঠিন বা বাংলায় অসম্ভব বলে যাঁরা বাংলার প্রয়োগ ও চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করছেন, তাঁদের পথ কেন অনুসরণ করতে হবে সবাইকে? কিছুটা দৈন্য যদি থেকেও থাকে আমাদের ভাষায়, তা দূর করার কোনো চেষ্টাই কি আমরা করতে পারি না? ভাষা তো সীমিত সময়ের তৈরি কিছু নয়। বাংলায় রায় দিয়ে, বাংলায় প্রতিশব্দ তৈরি করে এমনকি নতুন শব্দ তৈরি করে বাংলার গাঁথুনিকে আরও মজবুত করতে পারেন বিচারকেরা। নাক সিটকানো যাঁদের অভ্যাস আর কঠিন বলে সত্যকে ভালোবাসতে ও গ্রহণ করতে যাঁদের ভয়, সেই শ্রেণীর উকিলরা বাদে অন্যরাও পারেন এ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে। বিচারপতি খায়রুল হক না দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে বাংলা রায়ের অধ্যায় শেষ হয়েছে এমনটা ভাবতে চাই না আমরা।
আবদুর রহমান
সায়েদাবাদ, ঢাকা।
দুনিয়া কাঁপানো সেই ৩০ মিনিট!
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য গৌরবময় এক দিন। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে উচ্চকিত সেই দিনে বিকেল তিনটা ২০ থেকে ৫০ মিনিট বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর ২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার সেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের গেটের সামনে আমগাছের নিচে হাজার হাজার মানুষ একত্র হয়ে সেই ভাষাশহীদদের স্মরণ করলেন, শ্রদ্ধা জানালেন ভাষাসৈনিকদের। আমারও সৌভাগ্য হয়েছিল এই ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’-এ সেখানে অংশ নিয়ে জানান দেওয়ার যে আমি বাঙালি, বাংলা আমার মায়ের ভাষা, বাংলা আমার দেশ। আমার ৪৭ বছরের ব্যর্থ, নগণ্য এই জীবনে এ যেন এক শ্রেষ্ঠ পাওয়া, অনেক বড় এক সার্থকতা।
সেদিন অনেক ভাষাসৈনিককে কাছে পেয়ে আমি অভিভূত হয়ে পড়ি। মনে মনে বলি, ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ আন্দোলনের ভাষাসৈনিকেরা আজ আমার কতই না কাছে। যাঁদের কথা পড়েছি বইয়ের পাতায়, যাঁদের ছবি দেখেছি তথ্যচিত্রে, তাঁদের স্বচক্ষে দেখছি, তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি, ছবি তুলছি। কী যে সেই অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে মূর্ত করে তোলার আয়োজনের উদ্যোক্তা দৈনিক প্রথম আলো ও গ্রামীণফোনকে আমরা দল-মতনির্বিশেষে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে আজ অনুভব করি, ভাষা আন্দোলনের ৫৮ বছর এবং স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও আমরা সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে পারিনি, বাংলা ভাষাকে যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে। কেন পারিনি, কোথায় বাধা তা নিয়ে আজ গভীরভাবে ভেবে দেখার সময় এসেছে। বাধাগুলো দূর করে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ আজ নিতে হবে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে। এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে।
আলী নিয়ামত, ঢাকা।
বৈরিতা-প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়ুন
প্রায় দুই দশক ধরে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চলছে। কিন্তু এর তেমন কোনো সুফল জনগণ পায়নি, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলোর বিকাশ ঘটেনি। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে অসহিষ্ণুতা ও বৈরিতার ধারাই বিস্তৃত হয়েছে। সংসদে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে উভয় পক্ষের প্রাণবন্ত আলোচনা হয় না। সরকারি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একচেটিয়াভাবে আইন পাস করে; বিরোধী দল সংসদ বর্জন করে। সংসদে যোগ দিলেও ঠিকমতো কথা বলতে পারে না; বা অপ্রাসঙ্গিক তুচ্ছ বিষয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করা হয় এবং এর ফলে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে। দুই বছর একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির পর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আবার শুরু হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের কিছু বক্তব্যে তাঁদের চিন্তাভাবনা ও মানসিকতায় যে দৈন্য ও সংকীর্ণতা প্রকাশ পাচ্ছে, তা জাতির জন্য হতাশাব্যঞ্জক।
মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে তাঁর লাশ আছে কি না, তা উদ্ঘাটন করার প্রস্তাবটি কি অপ্রয়োজনীয় ও অস্বাভাবিক নয়? এ নিয়ে অর্থহীন কথা চালাচালির জন্যই কি জাতীয় সংসদ? ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম থেকে জিয়াউর রহমানের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টিও কি দেশের জন্য এ মুহূর্তে খুব গুরুত্বপূর্ণ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার কয়েক শ সরকারি স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেছিল। তাদের শিক্ষা দিতেই বর্তমান সরকারের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী অসত্য বলেননি: বিএনপিও নাম পরিবর্তনের রাজনীতিই করেছিল। কিন্তু তাদের কৃতকর্মের খেসারত তাদের দিতে হয়েছে। তাদের প্রতিহিংসার রাজনীতিকে জনগণ ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে বিগত নির্বাচনে।
জনগণ নাম পরিবর্তনের রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছে। চারদলীয় জোট কয়েক শ স্থাপনার নাম পরিবর্তন করেও জনগণের মনে স্থায়ী আসন পায়নি। এর পরও আমাদের নেতানেত্রীরা কেন ভুলে যাচ্ছেন, নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে এই সব কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলোতে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ফলে সহপাঠীদের মৃত্যু, সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বছরের স্কুলশিশুর দেহ পিষ্ট হয়ে যাওয়া, অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে জাপান গার্ডেন সিটিতে অগ্নিকাণ্ডে জীবন্ত ঝলসে যাওয়া সাতটি তাজা প্রাণ; পুলিশ বাহিনীর সামনে ঘটে যাওয়া খুন, ছিনতাই, রাহাজানিসহ নানা অপরাধ—এগুলো হচ্ছে দেশ ও জাতির জন্য গুরুতর সমস্যা।
যানজটের কারণে ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষেরা হারাচ্ছে মূল্যবান সময় ও কর্মস্পৃহা। বিদ্যুিবভ্রাটের বিড়ম্বনা জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। অপ্রতুল গ্যাস সরবরাহের কারণে পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্পকারখানায় উত্পাদন বাধাগ্রস্ত, গৃহস্থালিতে গ্যাস, পানির সংকটে জীবন অতিষ্ঠ। দেশের এহেন পরিস্থিতিতে জনগণের করের টাকায় চলে যে সংসদ, সেখানে জিয়ার কবরে তাঁর লাশ আছে কি না আর স্থাপনার নাম পরিবর্তন নিয়ে বাগিবতণ্ডা জনগণের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমরা আশা করব, সরকার ও বিরোধী দল পারস্পরিক বৈরিতা ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত হয়ে দেশ ও জাতির স্বার্থ ও কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করবে।
সারওয়াত জাহান
ধানমন্ডি, ঢাকা।
ব্লগের শক্তি: আমরা অপেক্ষা করছি
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ইন্টারনেট ব্লগের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ব্লগ দ্রুতই হয়ে উঠছে তথ্যপ্রাপ্তির ও চিন্তাভাবনা বিনিময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম। মানুষের কণ্ঠরোধ আর সম্ভব হবে না; কণ্ঠরোধকারীরা অচিরেই হয়ে উঠবে হাস্যকর। সাধারণ মানুষ ব্লগে আসতে পারছে। তথ্যপ্রযুক্তির আরও প্রসার, ইন্টারনেটের গতি ও সংযোগ বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের ব্লগ ব্যবহার আরও অনেক বেড়ে যাবে। যে একটি স্বাধীন কণ্ঠস্বর চায়, বাকস্বাধীনতা চায়, তথ্যের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক একচেটিয়ার অবসান চায়, তার কাছে ব্লগ হয়ে উঠবে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। ব্লগ তৈরি করবে দ্রুত গতির মানবিক যোগাযোগের ব্যবস্থা। লৌহ যবনিকার অন্তরালে গণমানুষকে আটকে রাখার দিন ইতিহাস হয়ে যাবে। স্বৈরশাসকেরা আর আসবে না, যদি আসে, বুঝেশুনে আসবে। এসে টিকতে পারবে না বেশি দিন।
কারও কারও জন্য ব্লগের কিছু খারাপ দিকও আছে। যারা তথ্যের ওপর একচেটিয়া অধিকার ভোগ করতে চায়, যারা জনমতকে এক দিকে ধাবিত করতে চায়, যারা নিজেদের সুবিধামতো তথ্য প্রকাশ করে এবং চেপে রেখে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, ব্লগ তাদের জন্য বিরাট অসুবিধার ব্যাপার। কারসাজিপূর্ণ ব্যবসা-বাণিজ্য, জনগণকে বোকা বানানো ব্র্যান্ডিং বরবাদ করে দিতে পারে ব্লগ। ব্লগের মাধ্যমে মানুষের চিন্তার দিগন্ত উন্মুক্ত হবে। মনোজগতে উপনিবেশের অবসান ঘটাবে ব্লগ। সংবাদপত্র ও টেলিভিশন সাংবাদিকতা কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে যাবে; তাদেরকে আরও স্বচ্ছ, আরও নিরপেক্ষ, আরও খোলামেলা হতে হবে। সামগ্রিকভাবে শিক্ষা-দীক্ষা, রাজনীতি, বাণিজ্যিক লেনদেন—সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। আমরা অপেক্ষা করছি।
প্রযুক্তির বদৌলতে সূচিত এই বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। গণতন্ত্রকে আরও বিকশিত করার কাজে ইন্টারনেট ব্লগিংয়ের সুবিধা বিশেষত তরুণসমাজকে নিতে হবে। শুধু আনন্দ-বিনোদন নয়, জাতির গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের ব্যাপারে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রবল জনমত গড়ে তোলা, সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থে নেতিবাচক রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ধিক্কার জানানোসহ আরও নানাভাবে ইন্টারনেট ব্লগিংকে ব্যবহার করা যায়। সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দাবি করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে ইন্টারনেট ব্লগ।
ফজলুল হক, চট্টগ্রাম।
শিশু অধিকার: কথা নয়, কাজ চাই
শিশুদের অধিকার নিয়ে নানা গবেষণাকর্ম, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা, সচেতনতামূলক সপ্তাহ বা দিবস পালিত হয়। প্রায় চার দশক ধরে প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্বের সব দেশ জাতিসংঘের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালন করে থাকে। আমাদের দেশেও এ বছর ‘শিশু সুরক্ষার অধিকার, দিনবদলের অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালন করেছে। এত প্রচারণা সত্ত্বেও কাজের কাজ কতটুকু হচ্ছে, সেটাই বড় প্রশ্ন।
যে বয়সে শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা, উপযুক্ত বাসস্থান আর বস্ত্র পাওয়ার কথা, সেই বয়সে তাকে ভিক্ষার ঝুলি নিতে হয়। কেউ বা হাঁপর টানে, মোট বয় কিংবা ইটপাথরের খোয়া ভাঙে। অনেকে ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে ঘুমায়, কারও কারও আশ্রয় জোটে রেলস্টেশন বা এতিমখানায়। জন্মনিবন্ধনের তালিকায় তাদের নাম ওঠে না। কারণ তাদের স্থায়ী ঠিকানা নেই। নিরাপত্তাহীনতা, জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা এবং সমাজের প্রতি ক্ষোভে তাদের মধ্যে জন্ম নেয় অপরাধপ্রবণতা। তারা জড়িয়ে পড়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে। আশ্রয় মেলে কারাগারে। তারা হয়ে যায় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন। জেল থেকে বেরিয়ে আর কোনো ভালো কাজ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তারা আবারও ফিরে যায় অন্ধকার রাজ্যে। দোষ তাদের নয়। যে সমাজ তাদের মৌলিক অধিকার মেটাতে অপারগ, সেই সমাজের ব্যর্থতার দায়ভার বহন করতে হয় এই হতভাগ্য শিশুদের।
বাংলাদেশে প্রায় ৭৪ লাখ শিশু শ্রমের সঙ্গে জড়িত। বেশির ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। গ্রামবাংলায় কৃষিকাজে, ইটভাটায়, পাথর বা খোয়া ভাঙায় মা-বাবাকে সাহায্য করে। আর শহরের শিশুরা কাজ করে গার্মেন্টসশিল্পে, বিড়ি কারখানায়, বিভিন্ন ওয়ার্কশপে। অনেক শিশু কুলি-হকার বা রিকশা-শ্রমিক, ফুল বিক্রেতা, মাদকবাহক, অস্ত্রবাহক, আবর্জনা সংগ্রাহক বা টোকাই। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ায় শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন অনেক বেশি বেড়ে গেছে।
আমাদের দেশে বাল্যবিবাহের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ দেশের কন্যাশিশুদের শতকরা ৬৪ ভাগের ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে হয়। বাল্যবিবাহ রোধের জন্য কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, একই সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে যে কাজি বিবাহ দেন তাঁর এবং মেয়ে ও ছেলের অভিভাবকের বিরুদ্ধে। এসব কাজির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে যেন ভোটার আইডি কার্ড দেখে মেয়ের সাবালক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কাজিরা বিয়ে পড়ান সে ব্যাপারে। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজপতি, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ইমাম ও পুরোহিতেরা। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রাখাও অপরিহার্য।
কয়েক দিন আগে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন বলেছেন, বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে ঝরে পড়া রোধে শিশুদের বিদ্যালয়ে খাবার দিতে হবে। এ ব্যাপারে বিত্তশালীদের রাখতে হবে যথাযোগ্য ভূমিকা। বিখ্যাত ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী নিজে একটি স্কুল খুলেছেন দরিদ্র শিশুদের জন্য। যেখানে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি ক্লাসে দুটি করে সিট থাকবে সংরক্ষিত। আমাদের দেশেও রয়েছেন এমন ক্রিকেটার, খেলোয়ার, চিত্রতারকা, সাহিত্যিক, শিল্পী, বৃদ্ধিজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, শিল্পপতি। তাঁরাও তো করতে পারেন এ দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য অবৈতনিক স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শিশুপার্ক। তাতে সরকারের ভার কিছুটা লাঘব হয়। পথশিশুমুক্ত দেশ দেখতে আমাদেরও ভালো লাগবে, বহির্বিশ্বে আমাদের সুনামও বাড়বে। আমরা পাব ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক।
হাবিবুর রহমান, রাজশাহী।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 09
(113)
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-যাত্রার প্রথম গবেষক নিশিকান্ত by এম এ...
- বিডিআর বিদ্রোহের বিচার-আমরা যেন ন্যায়বিচারের ব্যত্...
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড-শত্রু শত্রু খেলা by সোহরাব হাসান
- সময়ের প্রতিবিম্ব-বিডিআর বিদ্রোহের সেই দিন ও আজকের ...
- সব পক্ষের সংযত আচরণ কাম্য-পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-শ...
- হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত শুরু করতে হবে-পিলখানা হত...
- চারদিক-আমার ভাষার চলচ্চিত্র ১৪১৬ by পার্থ সরকার
- সপ্তাহের হালচাল-হরতালের পথে যাবেন না by আব্দুল কাইয়ুম
- অভিমত ভিন্নমত
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-সাজেকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই ন...
- আমরা কোন যুগে বাস করছি!-অপরাধ কন্যাসন্তান জন্মদান
- অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান শুরু করুন-আইনশৃঙ্খলা পর...
- চারদিক-রঙে রঙে রাঙিয়ে ফাগুয়া by মুজিবুর রহমান
- কাঠামো-বিভাগ নয়, প্রয়োজন শক্তিশালী স্থানীয় সরকার b...
- জিএম খাদ্য- বেগুন নিয়ে হইচই by মুশফিকুর রহমান
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-ভূমির লড়াইয়ে আর কত প্রাণ যাবে!
- বাঘা তেঁতুল-এখন কোনো কিছুই চোখে লাগে না by সৈয়দ আব...
- অরণ্যে রোদন-সরকারি খবরদারি নয়, চাই গণমাধ্যমের দায়ব...
- শোক প্রকাশেও দলবাজি!-লাঞ্ছিত শহীদ মিনার
- ইউরোপীয় সংসদীয় দলের বক্তব্য আমলে নিন-গণতন্ত্র বিকা...
- অহেতুক কৌতুক
- বইমেলাতে দীর্ঘশ্বাস by সারওয়ার-উল-ইসলাম
- আ-মরি বাংলা ভাষা
- এইদিনে-প্রত্যাহার করা হলো আগরতলা মামলা by কেয়া চৌধুরী
- রাজনীতি-ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধকরণ হবে আত্মঘাতী by জা...
- ভাষা আন্দোলন-তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি থেকে-গ্রন্থনা...
- খুনি রোবট-এখন আর কল্পকাহিনির বিষয় নয় by জোহান হারি
- কালের পুরাণ-শিক্ষা দেওয়ার বনাম শিক্ষা নেওয়ার রাজনী...
- শুধু প্রত্যাহার নয়, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে...
- ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করুন...
- এইদিনে-এ দিন গর্বের, অহংকারের by জাহীদ রেজা নূর
- অমর একুশ-মাতৃভাষা ও পরভাষা by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
- আমার ভাষা আমার একুশ-বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ: ভবিষ্যতের...
- ভাষা আন্দোলন-তাজউদ্দীন আহমদের ডায়েরি থেকে-গ্রন্থনা...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-সবাই শিক্ষা না পেলে ভাষার অধিকার...
- সবার সংগঠন করার বাস্তবসম্মত পথ খোলা রাখুন-বিধি ভেঙ...
- ভাষার গৌরব প্রতিষ্ঠিত হোক সমাজে ও জীবনে-আমি কি ভুল...
- চারদিক-গন্তব্য ছাতিয়ানতলী by মোকারম হোসেন
- ভাষা ও ক্ষমতা-প্রান্তিক ভাষা বাংলা ও মাতৃভাষার অধি...
- ভারত-শাহরুখের কাছে পরাজিত শিবসেনা by শান্তনু মজুমদার
- আমার ভাষা আমার একুশ-ভাষার রাজনীতি, রাজনীতির ভাষা b...
- কবিতা-একুশে ফেব্রুয়ারি সকল মানুষের জন্য by মুহাম্ম...
- সরল গরল-প্রধান বিচারপতির প্রশ্নবিদ্ধ সংবর্ধনা by ম...
- প্রকৃতির আইলা চলে গেলেও মানুষের দুর্দশা লাঘব হয়নি-...
- সংগঠনটি লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত করুন-ছাত্রদল নিয়ে খ...
- বালাগঞ্জের বন্ধুরা by সাইদুজ্জামান
- সতর্ক থাকার পরামর্শ-চরম গরমে পুড়ছে দেশ
- ডিসিসির এক প্রকৌশলীর অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ-শা...
- চলবে চাকা রক্তদানে by মনিরা রহমান
- বেকারত্বকে ‘না’ বলুন by সাইফুল ইসলাম
- মা, প্রিয় তোমার মুখ by অপূর্ব সোহাগ
- ভালোবাসায় বোনা ধান by আবদুল মতিন
- অপরাধ রোধে উদ্যোগ-গাড়িতে কালো কাচ ব্যবহার নিষিদ্ধ ...
- হাসিনা-এরশাদ বৈঠক : সংলাপ হতে পারে তবে সংসদে
- গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হিলারি ক্লিনটনের বক্তব্য অপ্রয়...
- * পাচারে ট্রাকচালকদের ট্যাংকি কৌশল * দৈনিক যায় দে...
- খুন্তির ছেঁকা দেওয়া শিক্ষিকা গ্রেপ্তার
- অস্ত্রোপচারের আগে দেশে আসছেন হুমায়ূন আহমেদ
- এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়-কাশ্মীরের হিমঠান্ডায়...
- ভলিবলে সেরা বাংলা বিভাগের মেয়েরা by শারমিন নাহার
- পাট থেকে ঢেউটিন by মোবারক আহমদ খান
- গ্লোবাল সোশ্যাল ভেনচার প্রতিযোগিতা ২০১২-পাটে পুরস্...
- সফলদের স্বপ্নগাথা-সফলতার জন্য তিন প্রশ্ন: সাইমন সিনেক
- জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজের শতাধিক পদ খালি-দেশজুড়ে...
- গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হিলারি ক্লিনটনের বক্তব্য অপ্রয়...
- * পাচারে ট্রাকচালকদের ট্যাংকি কৌশল * দৈনিক যায় দে...
- সিপিডির বাজেট পরামর্শ-প্রয়োজন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ
- এসএসসিতে আকাশছোঁয়া সাফল্য-অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে...
- সরকারের ৪০ মাস by আসিফ কবীর
- পবিত্র কোরআনের আলো-অবাধ্যরা তাদের প্রবৃত্তি ও অহমি...
- আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করতে হবে by ড. এ ...
- স্বাস্থ্য টিপস-ডাব গরমের উৎকৃষ্ট পানীয়
- স্মৃতির রহস্য সন্ধানে by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে হলে... by মো. শহীদুল্লাহ
- শৈশব কৈশোরে ব্রণ সমস্যা by প্রণব কুমার চৌধুরী
- হিট স্ট্রোক
- সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই by ড. নাজমুল আ...
- চরাচর-ঐতিহ্যবাহী ক্যাসেল পার্ক by আলম শাইন
- আমরাই বাস্তবায়ন করতে পারি পদ্মা সেতু by ড. শামসুল আলম
- উদ্বিগ্ন জাপান পরমাণু বিদ্যুৎবিহীন জীবনের দিকে ঝুঁ...
- হিলারির সফর : বাংলাদেশ ও পাকিস্তান by শহিদুল ইসলাম
- জীবনযাত্রার বর্ধিত ব্যয়
- আমি কী ভাবছি-বাদুড়ঝোলা by লুৎফে তাহেরা
- ধন্যবাদ পাঠকদের-অনুপ পাস করেছে by ইমাম হাসান
- চারদিক-বাহাদুরশাহ পার্কে by সুচিত্রা সরকার
- শিক্ষা-নেতৃত্ব বিকাশে প্রশিক্ষণ by কামরুননেসা হাসান
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-সকলই গরল ভেল? by ফারুক ওয়াসিফ
- অস্ত্রবাজদের হাত থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষা করুন-...
- পাসের হার বৃদ্ধির সঙ্গে শিক্ষার মান বৃদ্ধিও গুরুত্...
- প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন
- কোরআনের আলো-নবুয়ত প্রদান আল্লাহর হাতে, এতে মানুষের...
- লিবিয়ায় পরিবর্তনের যন্ত্রণা by অতুল আনেয়া
- রম্যকথন-মানুষের চারটিই আসলে পা by রণজিৎ বিশ্বাস
- মার্চ : শুরু হলো স্বাধীনতার মাস by মমতাজউদ্দীন পাট...
- স্মরণ-গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক কমরেড তাজ...
- লুৎফর রহমান রনো-মানুষের ভিড়ে মানুষের অভাব
- সাক্ষাৎকার-বাংলাদেশকে সোলার নেশন হতে হবে by দীপাল ...
- রবে নীর্বে by এম আফজাল হোসেন
- পতাকা তুই সরে যা পতাকা তুই লজ্জা পা by রণজিৎ বিশ্বাস
- আন্তর্জাতিক-ইউরোপজুড়ে পরিবর্তনের জোয়ার by ডেভিড গথ...
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-পরিচালন পদ্ধতিতে স্বায়ত্তশাসন...
- তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন-অতি দ্রুত কার্যকর করুন
- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল-সুন্দর ভবিষ্যতের হাতছানি
- কল্পকথার গল্প-ক্ষমতাধর তৃতীয় হাতের সন্ধানে... by আ...
- সাদাকালো-একুশের মাস-তামামি by আহমদ রফিক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলা-ওয়েবসাইটের তথ্যের সত্যতা যাচ...
- এক মাসে প্রতি কেজিতে লবণের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ শতা...
- ইলিয়াস আলীকে খোঁজার তৎপরতা থেমে গেছে
- বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের পর লতিফুর রহমান-ব...
- প্রণবের সফর-ঋণচুক্তিতে বড় ছাড়, উপেক্ষিত মূল দাবি b...
- গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে হিলারির বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত: ...
- হিলারির সফরের পর সংলাপ নিয়ে আশাবাদী বিএনপি-তত্ত্বা...
-
▼
May 09
(113)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment