ভারতের দিকে ভিভের সাহায্যের হাত

যাঁর একটি মাত্র টিপস খুলে দিতে পারে একজন ক্রিকেটারের সাফল্যের দরজা, সেই ভিভ রিচার্ডস কি না নিজে থেকেই হতে চাইছেন ভারতের ব্যাটিং পরামর্শক। আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূর্ণ করে ধোনিরা ভালোই করেছেন তাহলে!
২০০৯ ইংল্যান্ডের মতো এবারও সুপার এইটের ৩টি ম্যাচেই হেরে ভারত ক্যারিবিয়ানে জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছে শিরোপা-স্বপ্ন। ধোনিদের হতাশাজনক এই পারফরম্যান্সের জের ধরে ভারতজুড়ে যখন আলোচনা-সমালোচনার ঝড়, তখনই নিজেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চাইছেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস।
ভিভ রিচার্ডসকে মানুষ বেশি মনে রেখেছে, তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণে। হেলমেট, প্যাড, গার্ড—শরীর রক্ষার এসব সরঞ্জাম ছাড়াই দুরন্তগতির বল উড়িয়ে মারতেন। ক্যারিয়ানে ভারতের ব্যর্থতার মূলে ছিল ফাস্ট বোলিং। বিশেষ করে শর্ট বলে দুর্বলতাটা ছিল স্পষ্ট। ধোনি-যুবরাজ-রায়নাদের নিয়ে এই জায়গাটাতেই কাজ করতে চান সর্বকালের সেরাদের একজন ভিভ রিচার্ডস, ‘বিষয়টি যখন ব্যাটিংয়ের এবং বিশেষ করে এমন আক্রমণাত্মক ফাস্ট বোলিংয়ের, আমি ভালো একজন ব্যাটিং পরামর্শক হতে পারি। দলের কিছু জায়গায় অল্প হলেও সাহায্য আমি করতেই পারি।’ ভারতীয় নিউজ চ্যানেল ‘টাইমস নাউ’কে ভিভ রিচার্ডস স্পষ্টই বলেছেন, ‘আমি প্রস্তুত। হতে পারে, এমন আক্রমণাত্মক বোলিং সামলানোর জন্য তারা (ভারত) আমাকে মাঝেমধ্যে ডাকবে।’
সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৮৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলীয় বোলারদের তোপের মুখে ৫০ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এই ম্যাচের স্মৃতি মনে করে ভিভ বলেছেন, ‘ওই দিন অস্ট্রেলিয়ানরা ভারতীয়দের ধসিয়ে দিয়েছিল। তবে ভারতকে এটি কাটিয়ে উঠতে হবে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতকে এখন সত্যিকারের ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে একটু প্র্যাকটিস করতে হবে।