বাগেরহাটে ট্রলারডুবি: আরো একজনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ১৭

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পানগুছি নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় মুন্নী আক্তার নামে আরো একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় মোড়েলগঞ্জ উপজেলার শ্রেণীখালীর নদীর চর থেকে মুন্নীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সে উপজেলার চিংড়িখালী এলাকার তোতা শিকদারের স্ত্রী। মোড়েলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা হায়দার আলী আকন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধার কর্মীরা। হায়দার আলী আকন জানান, আজ সকাল ৬টা থেকে নিখোঁজ বাজি ১৭ জনের সন্ধানে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে ফায়ারসার্ভিস, নৌবাহিনী ও পুলিশ।  ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন এলাকায় চলছে লাশের সন্ধান। সকাল ১১টায় মোড়েলগঞ্জ উপজেলার শ্রেণীখালীর নদীর চর থেকে মুন্নী আক্তারের লাশ উদ্ধার করে উদ্ধার কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে প্রমত্তা পানগুছি নদীতে খেয়া পারাপারের ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছে, মোড়েলগঞ্জের কাছিঘাটা গ্রামের হেলেনা বেগমের ৬ বছরের শিশু নাজমুল,
ছোট জামুয়া গ্রামের মনোয়ারা বেগম (৩৮), উত্তর ফুলহাতা গ্রামের হাসিব (৮), ছোটপড়ি গ্রামের নাসিমা আকতার (১৮), রায়েন্দা বাজারের আবির (১৭), বদনিভাঙ্গা গ্রামের বশির (২২), কাছিকাটা গ্রামের আব্দুল মজিদ শেখ, বরুজবাড়িয়া গ্রামের সুলতান আহমেদ (৬০), ভাইজোড়া গ্রামের খাদিজা (৪০), রাহাত (১০), আনছার হাওলাদার (৩৮), মোশার্রফ হাওলাদার (৫০), সালমা বেগম (৩০)  শিশু সাজ্জাত (২) ও লাবনী আক্তারহ (৭) ১৭ জন। সকাল সাড়ে ১১ টায় মোড়েলগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান যুগান্তরকে জানান, মোড়েলগঞ্জের শ্রেণীখালী এলাকা থেকে মুন্নি আক্তারের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।  সকাল ৬ টার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল ও নৌবাহিনী সদস্যরা লাশের সন্ধানে অভিযান শুরু করেছে। তারা সম্ভাব্য যে সকল স্থানে লাশ ভেসে যেতে পারে সেই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।