‘বোমা হামলাকারিরা অক্ষত নিরাপদ থাকার রহস্য কি?’ -জামায়াত

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে গাইবান্ধা, বরিশাল  ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল বোমা হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানিয়েছে জামায়াত। দলের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান আজ এক বিবৃতিতে এই আহবান জানান। তিনি বলেন,  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রহরায় যানবাহনে পেট্রোল বোমা হামলা চালিয়ে দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে সরে পড়ায় প্রতীয়মান হচ্ছে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দলীয় ক্যাডাররাই এ হামলা চালাচ্ছে। আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যেকটি হামলা ও হত্যাকা-ের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ সব ঘটনার সুষ্ঠু এবং বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছি। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করারও আহবান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার যেহেতু নিজেই এ হামলা ও হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত তাই তারা কোন ধরনের তদন্ত ব্যতিরেকেই শুধুমাত্র রাজনৈতিক হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে এ সব ঘটনাকে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি প্রহরায় মানুষের ওপর হামলা কি করে সংঘটিত হচ্ছে? যেখানে বিরোধীদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল সমাবেশ করতে পারছে না, একত্রে সমবেত হতে পারছে না, দেখামত্রাই তাদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে। সেখানে পুলিশ প্রহরায় বোমা হামলাকারীরা অক্ষত নিরাপদ দূরত্বে চলে যাওয়ার রহস্য কোথায়? ডাঃ শফিক বলেন, বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল বোমা বানাতে গিয়ে ও বোমা মারতে গিয়ে ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের ক্যাডার আহত হওয়ার খবর প্রচারিত হয়েছে। অনেক জায়গায় দলীয় ক্যাডারদের ধরা পড়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। হাতেনাতে ধরা পড়া সত্ত্বেও আওয়ামী দলীয় বোমাবাজদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আমরা পেট্রোল বোমা মেরে নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।