Thursday, January 1, 2015
সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা হলেও লক্ষ্যগুলো অর্জিত হয়নি : ড. আকবর আলি খান by মোকাম্মেল হোসেন
সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা হলেও লক্ষ্যগুলো অর্জিত হয়নি : ড. আকবর আলি খান by মোকাম্মেল হোসেন
যুগান্তর : ৫ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে ৫
জানুয়ারি ২০১৫। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এ দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হয়েছিল। সেই নির্বাচন যাদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে, তারা তাদের ক্ষমতার
মেয়াদ এক বছর পূর্ণ করতে চলেছে। ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি সামনে রেখে আপনার
মূল্যায়ন কী?
ড. আকবর আলি খান : ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য করা হয়েছে। যদি ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হতো, কিংবা সুপ্রিমকোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যেত, তাহলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা দেখা দিত। সেদিক থেকে এ নির্বাচন জরুরি ছিল। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা দেশ শাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সংবিধানের আরও অন্যান্য লক্ষ্য রয়েছে। সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। সংবিধানে বলা হয়েছে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশ শাসন করা হবে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এ লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। এ অবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে সেটা স্বাভাবিক হতো। তা করা হলে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা ছাড়াও অন্য যেসব লক্ষ্য আছে, সেগুলো অর্জন করা যেত। সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তারা বলছে, এ ধরনের কোনো আলোচনায় তারা আগ্রহী নয়। আমরা মনে করি, সরকার বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা ও সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে যদি দ্রুত আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করে, তাহলে সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ অর্জিত হবে। অন্যথায় সংবিধানের আইন প্রতিপালিত হলেও সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ প্রতিপালিত হবে না।
যুগান্তর : আপনি নতুন আরেকটি নির্বাচনের কথা বললেন। সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য হয় এ রকম একটি নির্বাচন পরিচালনায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন কি সক্ষম?
আ. আ. খান : না। সেজন্যই আমার বক্তব্য হল, সবার সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে আলাপ-আলোচনা করে করা উচিত। সবাই অনড় অবস্থানে থাকলে সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে না। সমাধান খুঁজে বের করতে হলে সব দলের মধ্যে আলাপ-আলোচনা হতে হবে। সরকার এটা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে করতে পারে। দুঃখজনক হল, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
যুগান্তর : সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ অর্জিত হোক বা না হোক, শাসক দল এক বছর ধরে দেশ চালাচ্ছে- এটাই বাস্তবতা। এক বছরের শাসনকাল সামনে রেখে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের সাফল্য দাবি করছে বা করবে। যুগান্তরের পাঠক যদি আপনার চোখে সরকারের সাফল্যগুলো দেখতে চায়?
আ. আ. খান : বাংলাদেশে প্রতিটি সরকারের অনেক সাফল্য রয়েছে। অনেক ব্যর্থতাও রয়েছে। সরকারে থাকলে সব সময় সাফল্য দাবি করা হবে- এটাই স্বাভাবিক। ব্যর্থতার যে প্রশ্ন, সেটা তারা মানবে না। বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হয়েছে। এটা পৃথিবীর অনেক অনুন্নয়নশীল দেশের তুলনায় খুব ভালো। অন্যদিক থেকে দেখলে সরকারের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, সে লক্ষ্যমাত্রা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আমাদের রাজনীতি ও অর্থনীতির মধ্যে খুব একটা সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক যতটুকু ছিল- ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। এর প্রমাণ হল- দেশে হরতাল, ধর্মঘট যাই হোক, প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা আমাদের অর্থনীতির ভয়ংকর রকম ক্ষতি করলে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতো না। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে, একদিকে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এর কারণ বাংলাদেশে যে উন্নয়ন চলছে, তাতে সরকারের ভূমিকা আছে ঠিকই, তবে তার চেয়েও অনেক বেশি ভূমিকা হল সাধারণ মানুষের। বাংলাদেশে কারা প্রবৃদ্ধি করছে? বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির বড় নায়ক হল প্রবাসে যে বাংলাদেশীরা রয়েছেন, তারা। প্রবাসী বাংলাদেশীরা বছরে প্রায় ১৬-১৭ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠাচ্ছেন।
যুগান্তর : রেমিটেন্সের এ অংক তো আনুষ্ঠানিক। অনানুষ্ঠানিক খাত যোগ করলে নিশ্চয়ই আরও বেশি হবে?
আ. আ. খান : হ্যাঁ। বিদেশ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে আসা অর্থ যোগ করলে এ অংক আরও বেশি হবে। বৈদেশিক সাহায্যের সঙ্গে তুলনা করলে এর ব্যাপকতা বোঝা যাবে। আমরা বৈদেশিক সাহায্য পাই বড়জোর দুই বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ আগের ঋণ শোধ করতেই চলে যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সাকুল্যে প্রতিবছর আমরা যে ৭শ’ থেকে ৮শ’ মিলিয়ন ডলারের সাহায্য পাই- সে তুলনায় প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ অন্তত ২০ গুণ বেশি। আমাদের পোশাক খাত বিশ্বে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। পোশাক খাতে মূলত অবদান হল দেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত নারীদের। এর সঙ্গে গার্মেন্ট উদ্যোক্তারাও কিছুটা কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জিত হচ্ছে এবং এটা শুধু এ সরকারের আমলেই অর্জিত হয়েছে, তা নয়। ধারাবাহিকভাবে তিন বছরের বেশি সময় ধরে অর্জিত হচ্ছে। এ সাফল্যের নায়কও বাংলাদেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত কৃষক। এছাড়া ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে সরকারের চেয়ে নারী সমাজের উদ্যোগ ও অবদান বেশি। তার মানে এ দেশের মানুষ অতি সৃজনশীল। বাংলাদেশের মানুষ যে কোনো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এজন্যই মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব তেমন একটা পড়েনি। এটা যে চিরদিনই বজায় থাকবে তা কিন্তু নয়। আমরা যখন অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একটা পর্যায়ে উপনীত হব, তখন সুশাসনের অভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যাহত হবে।
যুগান্তর : বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা পরিমাপ করতে বললে আপনি কোন কোন ক্ষেত্র চিহ্নিত করবেন?
আ. আ. খান : সরকারের অর্থনৈতিক যে ব্যর্থতা, সেগুলোর ওপর আমি খুব বেশি গুরুত্ব আরোপ করি না। কারণ কোনো সরকারই অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন করতে পারে না। সরকার মোটা দাগে বিদ্যুৎ খাতে কিছুটা সফল হলেও জ্বালানি খাতে ব্যর্থ হয়েছে। জ্বালানি খাতে নিদারুণ অপ্রতুলতার কারণে বিদ্যুৎ খাতেও তার প্রভাব পড়ছে। অন্যান্য অবকাঠামো খাতেও যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়নি। অবকাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক পেছনে পড়ে রয়েছে। তবে সরকার কাজ করছে। সরকারকে আমি একেবারেই কৃতিত্ব দেব না- সেটা না, কিন্তু যা করছে তা যথেষ্ট নয়।
যুগান্তর : আপনি অনুন্নত অবকাঠামোর কথা বললেন। প্রশ্ন হচ্ছে, সড়ক-বন্দর-বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো অবকাঠামোগুলোর উন্নয়ন করতে না পারলে বিনিয়োগে কাক্সিক্ষত সাফল্য পাওয়া যাবে কি? বিশেষ করে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে?
আ. আ. খান : বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনি যেসব অবকাঠামোর কথা বললেন, সেগুলো অত্যাবশ্যক। এখন পর্যন্ত দেশী বিনিয়োগ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। কিন্তু একটু আগে যেটা বললাম- আমরা যখন অর্থনৈতিক উন্নতির একটা পর্যায়ে উপনীত হব, তখন এ অভাবগুলো আরও বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেবে। ফলে আমাদের যে অগ্রগতি, সেটা ১০ বছর পর থেমে যাবে। কাজেই অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমাদের হাতে আছে ১০ বছর সময়। আমাদের সামনে একটি সুযোগের জানালা খোলা আছে। এ সুযোগের জানালা হল- আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমাদের অবকাঠামোগত ঘাটতিগুলো পূরণ করা। সরকার যদি এ ঘাটতি পূরণ করতে পারে, তবে অবশ্যই দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ এখানে আকৃষ্ট হবে।
যুগান্তর : অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন এবং আর্থিক খাতে শৃংখলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। এসব শর্ত পূরণ করতে হলে করণীয় কী?
আ. আ. খান : আর্থিক খাতে শৃংখলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাও সুশাসনের অঙ্গ। সামগ্রিকভাবে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সুশাসন না থাকলেও অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে। যখন কোনো দেশ খুব নিু পর্যায়ে থাকে, তখন সুশাসনের অনুপস্থিতিতেও সেখানে অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব। যেমনটা বাংলাদেশের বেলায় ঘটছে। এর কারণ আমাদের এত সম্ভাবনা রয়েছে যে, তার কিছুটা বাস্তবায়িত হলেও দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়। যখন আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটা পর্যায়ে চলে যাব, তখন সুশাসন আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে পড়বে। তখন দেখা যাবে, আমাদের বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে এবং অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। এটা ঠিক, এটা কতদিন পরে ঘটবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। আমার মনে হয়, আগামী ১০-১৫ বছর সুশাসনের অনুপস্থিতিতেও আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের কাজটি চালিয়ে যেতে পারব। এরপর দেখা যাবে, সুশাসনের অভাবে আর এগোনো যাচ্ছে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সামনে ১০-১৫ বছরের সুযোগের একটা জানালা খোলা আছে। যদি দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এ সময়ের মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তাহলে আমাদের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। অন্যথায় এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া আমাদের অর্থনীতির ওপর পড়বে।
যুগান্তর : তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কি যৌক্তিক হারে ঘটছে?
আ. আ. খান : অতীতে সরকার এ সম্পর্কিত রেগুলেটরি কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি সরকারি যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে, সেটার সঙ্গে আমি একমত নই। বিশ্ববাজারে তেলের দাম এত কমে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশে দাম বেশি রেখে যদি পেট্রোবাংলা লাভ করে, আবার সরকারও কর আদায় করে- তাহলে এর প্রভাব রফতানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। বিদেশে জ্বালানির দামের তুলনায় আমাদের এখানে দাম অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য দাম কমানো উচিত। এ ব্যাপারে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।
যুগান্তর : আমাদের এডিপি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দাতাগোষ্ঠীর অসন্তোষ রয়েছে। বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী নিজেও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তারপরও বিভিন্ন প্রকল্প, বিশেষ করে বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। গতি আনতে হলে কী কী পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
আ. আ. খান : গতি আনতে হলে সরকারের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে। আমাদের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। ধরুন, আমরা যখন টেন্ডার আহ্বান করি, টেন্ডারে লেখা থাকে- ৬ সপ্তাহের মধ্যে কার্যাদেশ দেয়া হবে। দু’তিন বছর আগে বিশ্বব্যাংক একটা সমীক্ষা করেছিল- সেখানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ টেন্ডারের কার্যাদেশ দেয়া সম্ভব হয়। বাকি ৮৮ শতাংশ টেন্ডার ফাইনাল করা যায় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সব তৃতীয় শ্রেণীর ঠিকাদার ভিড় করে। তারা অধিক লাভের জন্য বিভিন্ন ধরনের অজুহাত তোলে। অহেতুক বিলম্ব করতে থাকে। কাজেই সরকারকে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে হবে। যারা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টেন্ডারের কার্যাদেশ চূড়ান্ত করতে হবে। ৬ মাস বা ৬ বছর লাগালে হবে না।
যুগান্তর : প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি কি একটি বড় বাধা নয়?
আ. আ. খান : শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, বাংলাদেশের প্রায় সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি একটি বড় বাধা। আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি এত ব্যাপক মাত্রায় প্রসার লাভ করেছে যে, এ সমস্যার আশু সমাধানের উদ্যোগ নেয়া না হলে দেশের অগ্রগতি অবশ্যই ব্যাহত হবে। আশু সমাধানের একমাত্র উপায়- দুর্নীতিবাজদের ধরতে হবে। বিচার করতে হবে।
যুগান্তর : কে ধরবে? কে বিচার করবে? দেখা যাচ্ছে- দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দায়মুক্তির সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছে!
আ. আ. খান : দেখুন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই সরকারি দলের অনেকের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শুরু করেছিল। এর ফলে তার ভাবমূর্তি কিছুটা উজ্জ্বল হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত শুরুর পর দেখা যাচ্ছে, সবাইকে দায়মুক্তির প্রত্যয়নপত্র দেয়া হচ্ছে। যদি দায়মুক্তিই তদন্তের উদ্দেশ্য হয়, তাহলে দুদকের ভাবমূর্তি যতখানি উজ্জ্বল হয়েছিল, এটা তো ম্লান হবেই, সাংঘাতিকভাবে অনেক নিচে নেমে যাবে।
যুগান্তর : তাহলে দুদকের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? দুদক কীভাবে কাজ করবে?
আ. আ. খান : দুদকের ভূমিকা হবে দুর্নীতিবাজদের ধরা। তাদের বিচারের সম্মুখীন করা। এটাই দুদকের কাজ।
যুগান্তর : পক্ষপাতবিহীনভাবে?
আ. আ. খান : দুদকের পক্ষে তো পক্ষপাত করার প্রশ্নই ওঠে না। যদি পক্ষপাতের ঘটনা ঘটে, তাহলে তার ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ হবে।
যুগান্তর : এখন যা চলছে, তাতে কি পক্ষপাত মনে হচ্ছে না?
আ. আ. খান : গত বছর বিভিন্ন মামলায় যাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তারা সরকারি দলের লোকজন। এদের ধরাটাই ছিল অবাক কাণ্ড। ধরার পর দেখা গেল, সবাইকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে দুদক আন্তরিকভাবে এসব করেছে, নাকি লোক দেখানোর জন্য করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
যুগান্তর : দুদকের প্রত্যয়নপত্র কি দুর্নীতিবাজদের সমাজে বিশিষ্ট সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পুনর্বাসিত করছে না?
আ. আ. খান : হ্যাঁ। এতে জনমনে অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে। আরও হবে।
যুগান্তর : এ মুহূর্তে সরকারের করণীয় সম্পর্কে আপনাকে পরামর্শ দিতে বলা হলে আপনার প্রথম তিনটি পরামর্শ কী হবে?
আ. আ. খান : প্রথম পরামর্শ- দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। দ্বিতীয়ত- অবকাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। তৃতীয়ত- দেশের প্রশাসন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে।
যুগান্তর : সরকারের অতিরিক্ত ভারতঘেঁষা পররাষ্ট্রনীতি দেশের জন্য কোনো ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেবে কি?
আ. আ. খান : এ প্রশ্নটা কিন্তু মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আপনি ভারতঘেঁষা ইত্যাদি বলছেন। এটা সঠিক মূল্যায়ন নাও হতে পারে। ভারত একটি বৃহৎ দেশ। সে তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ছোট। সাধারণত বড় দেশ সম্পর্কে ছোট দেশের অনেক সন্দেহ, অবিশ্বাস থাকে। যদি অতি দ্রুত এ ধারণার অবসান ঘটানো না যায়, যদি এর স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টি না হয়, আপনি যে ধরনের মন্তব্য করলেন- সে ধরনের মন্তব্য পাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। কাজেই দেশের মানুষ যেন বুঝতে পারে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার ফলে আমাদের কী লাভ হচ্ছে। কেবল এভাবেই দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক টেকসই হবে। নচেৎ নয়।
যুগান্তর : আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন মহল থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে গণভোটের দাবি তোলা হচ্ছে। এ দাবির যৌক্তিকতা সম্পর্কে বলুন।
আ. আ. খান : গণভোট যে কোনো বিষয়ের ওপর করা যায়। মাত্র ক’দিন আগে স্কটল্যান্ড ইংল্যান্ডের সঙ্গে থাকবে, নাকি স্বাধীন হয়ে যাবে, তার ওপর গণভোট হয়েছে। এজন্য সংবিধানের কোনো প্রয়োজন পড়েনি। বিলেতে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারা গণভোট করেছে। আমাদের এখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে প্রশ্ন- এ প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলো কোনোদিনও ঐকমত্যে পৌঁছতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রয়োজনীয়, নাকি প্রয়োজনীয় নয়- এটা যদি জনগণের ওপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং জনগণ যদি বলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই না, তাহলে সেটা বিএনপির মানতে হবে। আর জনগণ যদি বলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই, তাহলে সেটা সরকারকে মানতে হবে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়তো হবে না। সুপ্রিমকোর্টের রায়ের সঙ্গে কী ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সঙ্গতিপূর্ণ সেটা বের করতে হবে। সুপ্রিমকোর্ট বলেছে, অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক হতে পারবে না। নির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও করা সম্ভব। এটা বিভিন্নভাবে করা সম্ভব। এটা নিয়ে যদি গণভোট করতে হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোকে বসে কী প্রশ্নে গণভোট হবে সেটা নির্ধারণ করতে হবে।
যুগান্তর : শাসক দলের অসহনশীল চরিত্র কি দিন দিন উগ্র হচ্ছে? সম্প্রতি গাজীপুরে বিরোধী দলকে জনসভা করতে না দেয়া কি তারই প্রমাণ?
আ. আ. খান : বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অবক্ষয় দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে। এজন্য দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো দায়ী। সম্প্রতি গাজীপুরে যা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক। যদি সরকার বিরোধী দলকে সভা করতে না দেয়, আর বিরোধী দল সরকারকে সভা করতে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিপন্ন হবে। যদি ফ্রিডম অব অ্যাসোসিয়েশন ও ফ্রিডম অব স্পিচ সংরক্ষণ করা না যায়, তাহলে আমাদের গণতন্ত্র থেকে আমরা কোনো সুফল পাব না।
যুগান্তর : মূল্যস্ফীতির সঙ্গে জীবনযাত্রার মান সমন্বয় করতে স্থায়ী বেতন ও চাকরি কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশন। এ সম্পর্কে বলুন।
আ. আ. খান : আসল সমস্যার সমাধান না করে শুধু বেতন কমিশন গঠন করলে সুফল পাওয়া যাবে না। আমাদের আসল সমস্যা কী? প্রথম কথা হল- সরকারি কর্মচারীদের এমন বেতন দিতে হবে যা জাতীয় আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনি যদি নির্ধারণ করতে পারেন কতজন লোকের মাথাপিছু আয়ের সমান সর্বনিু বেতন হবে, তাহলে তার ভিত্তিতে কমিশন ছাড়াই প্রত্যেক বছর বা দুই বছর অন্তর সেটা বাড়ানো সম্ভব। এখানে সমস্যা হচ্ছে তিনটি। প্রথম সমস্যা- সম্পূর্ণ প্রয়োজন মেটে এমন বেতন দেয়ার সামর্থ্য সরকারের নেই। কাজেই সরকারের আর্থিক যে সমস্যা, সেটার সমাধান করতে হবে। আবার শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো আর্থিক সুবিধা দিলেই হবে না। উন্নয়ন প্রকল্প করতে হবে। অবকাঠামো করতে হবে। সরকারের অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। সুতরাং ওখানে কতটুকু পর্যন্ত বেতন বাড়ানো যাবে, এ সম্পর্কে সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দ্বিতীয় সমস্যা হল- সরকারি কর্মচারীদের শুধু মাসের বেতন দিলেই হবে না; তাদের থাকার জায়গারও বন্দোবস্ত করতে হবে এবং অবসর গ্রহণের পর যাতে বাসস্থান সুবিধা বহাল থাকে, সে রকম ব্যবস্থা থাকতে হবে। বর্তমানে আমাদের যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, ঢাকা শহরের আশপাশে এটা করা সম্ভব নয়। সেজন্য আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে সরকারের কর্মকাণ্ড পরিকল্পিত উপায়ে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। যদি এটা করা না যায়, তাহলে বাড়িভাড়া নিয়ে যে সমস্যা হবে, বেতন বৃদ্ধি করেও সেটার সমাধান করা যাবে না। তৃতীয় হল- পেনশনের যে ব্যয়, সেটাও কিন্তু অনেক বেড়ে যাবে। সুতরাং পেনশন নিয়ে কী করা হবে সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এসবের কোনো চটজলদি সমাধান নেই। এগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে, গবেষণা করতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
যুগান্তর : রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব না হলে পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কি?
আ. আ. খান : এটা নির্ভর করে সরকার অন্য জায়গায় খরচ কমাবে, নাকি রাজস্ব বাড়াবে- এর ওপর। অর্থমন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, বেতন কাঠামো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থাৎ এক বছরে করা হবে না। কতদিনে করা হবে- এর ওপর নির্ভর করবে এটার প্রভাব কতটুকু পড়বে।
যুগান্তর : ২০১৪ সাল রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই স্থিতিশীল থাকার পরও বিনিয়োগের বন্ধ দরজা খোলা সম্ভব হয়নি। ২০১৫ সাল রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় হয়ে ওঠার আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এক্ষেত্রে অর্থনীতিকে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে?
আ. আ. খান : গত বছর যেসব চ্যালেঞ্জ ছিল, এ বছরও মোটামুটিভাবে সেসব চ্যালেঞ্জই আছে। তবে অর্থনীতির ওপর একটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। সরকার অনেক বড় বড় প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে। সরকার বলছে সাবমেরিন কিনবে, যুদ্ধজাহাজ কিনবে, উড়োজাহাজ কিনছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে, পদ্মা সেতু করছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে ইত্যাদি। এত বড় বড় প্রকল্প করতে গেলে, সেখানে অর্থায়ন করতে গেলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতির ওপর চাপ পড়বে। সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ পড়বে। এখন সেই চাপ কীভাবে সমন্বয় করা হয়- বর্তমান বছরে সেটা আমরা আগ্রহের সঙ্গে লক্ষ্য করছি। পরিকল্পনা যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যুগান্তর : সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করছেন পরিবেশবাদীরা। এ প্রকল্পের বাস্তবতা কি এটা সমর্থন করে?
আ. আ. খান : এটা অবশ্যই যৌক্তিক। সুন্দরবনের সংরক্ষণ আমরা সবাই চাই। এ বিষয়ে সরকার যত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে আলাপ-আলোচনা ও গবেষণা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সমীচীন।
যুগান্তর : মানবাধিকার কমিশনের কাজকর্ম দেখে একে একটা ফ্রেমবন্দি প্রতিষ্ঠান মনে হয়। এটাকে কার্যকর করতে হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
আ. আ. খান : আইনে যা আছে, সেটা বাস্তবায়ন করলেই কার্যকর হবে।
যুগান্তর : কে বাস্তবায়ন করবে? যারা দায়িত্বে আছে, তারা তো কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না!
আ. আ. খান : তারা না পারলে তাদের সরিয়ে দেয়া হোক। যারা পারবে, তাদের বসানো হোক।
যুগান্তর : নতুনরা কি পারবে, যদি সেখানে সরকারি নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন থাকে?
আ. আ. খান : নিয়ন্ত্রণ থাকলে সম্ভব নয়। ভারতের মানবাধিকার কমিশন যেভাবে কাজ করছে, আমাদের এখানে সেভাবে করতে পারছে না।
যুগান্তর : কেন পারছে না? সমস্যাটা কোথায়?
আ. আ. খান : বললাম তো, উপযুক্ত লোক দেয়া হচ্ছে না, উপযুক্ত লোক দিলে তিনি কাজ করতে পারবেন।
যুগান্তর : উপযুক্ত লোক বাছাই করবে কে?
আ. আ. খান : সরকারই করবে। সরকারই করে।
যুগান্তর : বাছাইটা যদি সরকার করে, তাহলে তো আগের ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে। লাভ হবে কিছু?
আ. আ. খান : এর উত্তর আমার কাছে নেই। দেশের কারও কাছেই এর উত্তর নেই।
যুগান্তর : একজন সাবেক আমলা হিসেবে কতিপয় আমলার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহের বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
আ. আ. খান : সাধারণ নাগরিক সবার সঙ্গে আমি একমত- এটা অত্যন্ত জঘন্য কাজ হয়েছে। সরকারি কর্মচারী তো বটেই, কারোরই এ ধরনের কাজ করার অধিকার নেই। যারা করেছে, তাদের আইনানুগ শাস্তি হওয়া উচিত।
যুগান্তর : দেশের আমলাতন্ত্রে গুণগত পরিবর্তন আনতে হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত?
আ. আ. খান : এ সম্বন্ধে আমার একটা বই ফেব্র“য়ারি মাসে প্রকাশিত হবে। সাড়ে তিনশ’ পৃষ্ঠার বই। যে বিষয়ের ওপর আমাকে সাড়ে তিনশ’ পৃষ্ঠা লিখতে হয়েছে, সে সম্পর্কে ১০ মিনিট, আধঘণ্টায় আমি কী বলব!
যুগান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ।
আ. আ. খান : ধন্যবাদ।
ড. আকবর আলি খান : ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য করা হয়েছে। যদি ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হতো, কিংবা সুপ্রিমকোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যেত, তাহলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা দেখা দিত। সেদিক থেকে এ নির্বাচন জরুরি ছিল। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা দেশ শাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সংবিধানের আরও অন্যান্য লক্ষ্য রয়েছে। সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। সংবিধানে বলা হয়েছে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশ শাসন করা হবে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এ লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। এ অবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে সেটা স্বাভাবিক হতো। তা করা হলে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা ছাড়াও অন্য যেসব লক্ষ্য আছে, সেগুলো অর্জন করা যেত। সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তারা বলছে, এ ধরনের কোনো আলোচনায় তারা আগ্রহী নয়। আমরা মনে করি, সরকার বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা ও সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে যদি দ্রুত আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করে, তাহলে সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ অর্জিত হবে। অন্যথায় সংবিধানের আইন প্রতিপালিত হলেও সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ প্রতিপালিত হবে না।
যুগান্তর : আপনি নতুন আরেকটি নির্বাচনের কথা বললেন। সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য হয় এ রকম একটি নির্বাচন পরিচালনায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন কি সক্ষম?
আ. আ. খান : না। সেজন্যই আমার বক্তব্য হল, সবার সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে আলাপ-আলোচনা করে করা উচিত। সবাই অনড় অবস্থানে থাকলে সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে না। সমাধান খুঁজে বের করতে হলে সব দলের মধ্যে আলাপ-আলোচনা হতে হবে। সরকার এটা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে করতে পারে। দুঃখজনক হল, এ ধরনের কোনো উদ্যোগ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
যুগান্তর : সংবিধানের লক্ষ্যসমূহ অর্জিত হোক বা না হোক, শাসক দল এক বছর ধরে দেশ চালাচ্ছে- এটাই বাস্তবতা। এক বছরের শাসনকাল সামনে রেখে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের সাফল্য দাবি করছে বা করবে। যুগান্তরের পাঠক যদি আপনার চোখে সরকারের সাফল্যগুলো দেখতে চায়?
আ. আ. খান : বাংলাদেশে প্রতিটি সরকারের অনেক সাফল্য রয়েছে। অনেক ব্যর্থতাও রয়েছে। সরকারে থাকলে সব সময় সাফল্য দাবি করা হবে- এটাই স্বাভাবিক। ব্যর্থতার যে প্রশ্ন, সেটা তারা মানবে না। বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হয়েছে। এটা পৃথিবীর অনেক অনুন্নয়নশীল দেশের তুলনায় খুব ভালো। অন্যদিক থেকে দেখলে সরকারের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, সে লক্ষ্যমাত্রা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আমাদের রাজনীতি ও অর্থনীতির মধ্যে খুব একটা সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক যতটুকু ছিল- ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। এর প্রমাণ হল- দেশে হরতাল, ধর্মঘট যাই হোক, প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা আমাদের অর্থনীতির ভয়ংকর রকম ক্ষতি করলে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতো না। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে, একদিকে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এর কারণ বাংলাদেশে যে উন্নয়ন চলছে, তাতে সরকারের ভূমিকা আছে ঠিকই, তবে তার চেয়েও অনেক বেশি ভূমিকা হল সাধারণ মানুষের। বাংলাদেশে কারা প্রবৃদ্ধি করছে? বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির বড় নায়ক হল প্রবাসে যে বাংলাদেশীরা রয়েছেন, তারা। প্রবাসী বাংলাদেশীরা বছরে প্রায় ১৬-১৭ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠাচ্ছেন।
যুগান্তর : রেমিটেন্সের এ অংক তো আনুষ্ঠানিক। অনানুষ্ঠানিক খাত যোগ করলে নিশ্চয়ই আরও বেশি হবে?
আ. আ. খান : হ্যাঁ। বিদেশ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে আসা অর্থ যোগ করলে এ অংক আরও বেশি হবে। বৈদেশিক সাহায্যের সঙ্গে তুলনা করলে এর ব্যাপকতা বোঝা যাবে। আমরা বৈদেশিক সাহায্য পাই বড়জোর দুই বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ আগের ঋণ শোধ করতেই চলে যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সাকুল্যে প্রতিবছর আমরা যে ৭শ’ থেকে ৮শ’ মিলিয়ন ডলারের সাহায্য পাই- সে তুলনায় প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ অন্তত ২০ গুণ বেশি। আমাদের পোশাক খাত বিশ্বে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। পোশাক খাতে মূলত অবদান হল দেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত নারীদের। এর সঙ্গে গার্মেন্ট উদ্যোক্তারাও কিছুটা কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জিত হচ্ছে এবং এটা শুধু এ সরকারের আমলেই অর্জিত হয়েছে, তা নয়। ধারাবাহিকভাবে তিন বছরের বেশি সময় ধরে অর্জিত হচ্ছে। এ সাফল্যের নায়কও বাংলাদেশের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত কৃষক। এছাড়া ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে সরকারের চেয়ে নারী সমাজের উদ্যোগ ও অবদান বেশি। তার মানে এ দেশের মানুষ অতি সৃজনশীল। বাংলাদেশের মানুষ যে কোনো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এজন্যই মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব তেমন একটা পড়েনি। এটা যে চিরদিনই বজায় থাকবে তা কিন্তু নয়। আমরা যখন অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একটা পর্যায়ে উপনীত হব, তখন সুশাসনের অভাবে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যাহত হবে।
যুগান্তর : বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা পরিমাপ করতে বললে আপনি কোন কোন ক্ষেত্র চিহ্নিত করবেন?
আ. আ. খান : সরকারের অর্থনৈতিক যে ব্যর্থতা, সেগুলোর ওপর আমি খুব বেশি গুরুত্ব আরোপ করি না। কারণ কোনো সরকারই অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন করতে পারে না। সরকার মোটা দাগে বিদ্যুৎ খাতে কিছুটা সফল হলেও জ্বালানি খাতে ব্যর্থ হয়েছে। জ্বালানি খাতে নিদারুণ অপ্রতুলতার কারণে বিদ্যুৎ খাতেও তার প্রভাব পড়ছে। অন্যান্য অবকাঠামো খাতেও যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়নি। অবকাঠামোর দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক পেছনে পড়ে রয়েছে। তবে সরকার কাজ করছে। সরকারকে আমি একেবারেই কৃতিত্ব দেব না- সেটা না, কিন্তু যা করছে তা যথেষ্ট নয়।
যুগান্তর : আপনি অনুন্নত অবকাঠামোর কথা বললেন। প্রশ্ন হচ্ছে, সড়ক-বন্দর-বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো অবকাঠামোগুলোর উন্নয়ন করতে না পারলে বিনিয়োগে কাক্সিক্ষত সাফল্য পাওয়া যাবে কি? বিশেষ করে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে?
আ. আ. খান : বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনি যেসব অবকাঠামোর কথা বললেন, সেগুলো অত্যাবশ্যক। এখন পর্যন্ত দেশী বিনিয়োগ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। কিন্তু একটু আগে যেটা বললাম- আমরা যখন অর্থনৈতিক উন্নতির একটা পর্যায়ে উপনীত হব, তখন এ অভাবগুলো আরও বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেবে। ফলে আমাদের যে অগ্রগতি, সেটা ১০ বছর পর থেমে যাবে। কাজেই অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমাদের হাতে আছে ১০ বছর সময়। আমাদের সামনে একটি সুযোগের জানালা খোলা আছে। এ সুযোগের জানালা হল- আগামী ১০ বছরের মধ্যে আমাদের অবকাঠামোগত ঘাটতিগুলো পূরণ করা। সরকার যদি এ ঘাটতি পূরণ করতে পারে, তবে অবশ্যই দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ এখানে আকৃষ্ট হবে।
যুগান্তর : অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন এবং আর্থিক খাতে শৃংখলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। এসব শর্ত পূরণ করতে হলে করণীয় কী?
আ. আ. খান : আর্থিক খাতে শৃংখলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাও সুশাসনের অঙ্গ। সামগ্রিকভাবে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সুশাসন না থাকলেও অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে। যখন কোনো দেশ খুব নিু পর্যায়ে থাকে, তখন সুশাসনের অনুপস্থিতিতেও সেখানে অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব। যেমনটা বাংলাদেশের বেলায় ঘটছে। এর কারণ আমাদের এত সম্ভাবনা রয়েছে যে, তার কিছুটা বাস্তবায়িত হলেও দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়। যখন আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটা পর্যায়ে চলে যাব, তখন সুশাসন আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে পড়বে। তখন দেখা যাবে, আমাদের বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে এবং অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। এটা ঠিক, এটা কতদিন পরে ঘটবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। আমার মনে হয়, আগামী ১০-১৫ বছর সুশাসনের অনুপস্থিতিতেও আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের কাজটি চালিয়ে যেতে পারব। এরপর দেখা যাবে, সুশাসনের অভাবে আর এগোনো যাচ্ছে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সামনে ১০-১৫ বছরের সুযোগের একটা জানালা খোলা আছে। যদি দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এ সময়ের মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তাহলে আমাদের অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। অন্যথায় এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া আমাদের অর্থনীতির ওপর পড়বে।
যুগান্তর : তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কি যৌক্তিক হারে ঘটছে?
আ. আ. খান : অতীতে সরকার এ সম্পর্কিত রেগুলেটরি কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি সরকারি যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে, সেটার সঙ্গে আমি একমত নই। বিশ্ববাজারে তেলের দাম এত কমে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশে দাম বেশি রেখে যদি পেট্রোবাংলা লাভ করে, আবার সরকারও কর আদায় করে- তাহলে এর প্রভাব রফতানি প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। বিদেশে জ্বালানির দামের তুলনায় আমাদের এখানে দাম অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য দাম কমানো উচিত। এ ব্যাপারে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।
যুগান্তর : আমাদের এডিপি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দাতাগোষ্ঠীর অসন্তোষ রয়েছে। বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী নিজেও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তারপরও বিভিন্ন প্রকল্প, বিশেষ করে বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। গতি আনতে হলে কী কী পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
আ. আ. খান : গতি আনতে হলে সরকারের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে হবে। আমাদের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। ধরুন, আমরা যখন টেন্ডার আহ্বান করি, টেন্ডারে লেখা থাকে- ৬ সপ্তাহের মধ্যে কার্যাদেশ দেয়া হবে। দু’তিন বছর আগে বিশ্বব্যাংক একটা সমীক্ষা করেছিল- সেখানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ টেন্ডারের কার্যাদেশ দেয়া সম্ভব হয়। বাকি ৮৮ শতাংশ টেন্ডার ফাইনাল করা যায় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সব তৃতীয় শ্রেণীর ঠিকাদার ভিড় করে। তারা অধিক লাভের জন্য বিভিন্ন ধরনের অজুহাত তোলে। অহেতুক বিলম্ব করতে থাকে। কাজেই সরকারকে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে হবে। যারা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টেন্ডারের কার্যাদেশ চূড়ান্ত করতে হবে। ৬ মাস বা ৬ বছর লাগালে হবে না।
যুগান্তর : প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি কি একটি বড় বাধা নয়?
আ. আ. খান : শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, বাংলাদেশের প্রায় সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি একটি বড় বাধা। আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি এত ব্যাপক মাত্রায় প্রসার লাভ করেছে যে, এ সমস্যার আশু সমাধানের উদ্যোগ নেয়া না হলে দেশের অগ্রগতি অবশ্যই ব্যাহত হবে। আশু সমাধানের একমাত্র উপায়- দুর্নীতিবাজদের ধরতে হবে। বিচার করতে হবে।
যুগান্তর : কে ধরবে? কে বিচার করবে? দেখা যাচ্ছে- দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দায়মুক্তির সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছে!
আ. আ. খান : দেখুন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই সরকারি দলের অনেকের বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শুরু করেছিল। এর ফলে তার ভাবমূর্তি কিছুটা উজ্জ্বল হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত শুরুর পর দেখা যাচ্ছে, সবাইকে দায়মুক্তির প্রত্যয়নপত্র দেয়া হচ্ছে। যদি দায়মুক্তিই তদন্তের উদ্দেশ্য হয়, তাহলে দুদকের ভাবমূর্তি যতখানি উজ্জ্বল হয়েছিল, এটা তো ম্লান হবেই, সাংঘাতিকভাবে অনেক নিচে নেমে যাবে।
যুগান্তর : তাহলে দুদকের ভূমিকা কী হওয়া উচিত? দুদক কীভাবে কাজ করবে?
আ. আ. খান : দুদকের ভূমিকা হবে দুর্নীতিবাজদের ধরা। তাদের বিচারের সম্মুখীন করা। এটাই দুদকের কাজ।
যুগান্তর : পক্ষপাতবিহীনভাবে?
আ. আ. খান : দুদকের পক্ষে তো পক্ষপাত করার প্রশ্নই ওঠে না। যদি পক্ষপাতের ঘটনা ঘটে, তাহলে তার ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ হবে।
যুগান্তর : এখন যা চলছে, তাতে কি পক্ষপাত মনে হচ্ছে না?
আ. আ. খান : গত বছর বিভিন্ন মামলায় যাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে, তারা সরকারি দলের লোকজন। এদের ধরাটাই ছিল অবাক কাণ্ড। ধরার পর দেখা গেল, সবাইকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে দুদক আন্তরিকভাবে এসব করেছে, নাকি লোক দেখানোর জন্য করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
যুগান্তর : দুদকের প্রত্যয়নপত্র কি দুর্নীতিবাজদের সমাজে বিশিষ্ট সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পুনর্বাসিত করছে না?
আ. আ. খান : হ্যাঁ। এতে জনমনে অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে। আরও হবে।
যুগান্তর : এ মুহূর্তে সরকারের করণীয় সম্পর্কে আপনাকে পরামর্শ দিতে বলা হলে আপনার প্রথম তিনটি পরামর্শ কী হবে?
আ. আ. খান : প্রথম পরামর্শ- দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। দ্বিতীয়ত- অবকাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। তৃতীয়ত- দেশের প্রশাসন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে।
যুগান্তর : সরকারের অতিরিক্ত ভারতঘেঁষা পররাষ্ট্রনীতি দেশের জন্য কোনো ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেবে কি?
আ. আ. খান : এ প্রশ্নটা কিন্তু মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। আপনি ভারতঘেঁষা ইত্যাদি বলছেন। এটা সঠিক মূল্যায়ন নাও হতে পারে। ভারত একটি বৃহৎ দেশ। সে তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ছোট। সাধারণত বড় দেশ সম্পর্কে ছোট দেশের অনেক সন্দেহ, অবিশ্বাস থাকে। যদি অতি দ্রুত এ ধারণার অবসান ঘটানো না যায়, যদি এর স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টি না হয়, আপনি যে ধরনের মন্তব্য করলেন- সে ধরনের মন্তব্য পাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। কাজেই দেশের মানুষ যেন বুঝতে পারে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার ফলে আমাদের কী লাভ হচ্ছে। কেবল এভাবেই দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক টেকসই হবে। নচেৎ নয়।
যুগান্তর : আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন মহল থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে গণভোটের দাবি তোলা হচ্ছে। এ দাবির যৌক্তিকতা সম্পর্কে বলুন।
আ. আ. খান : গণভোট যে কোনো বিষয়ের ওপর করা যায়। মাত্র ক’দিন আগে স্কটল্যান্ড ইংল্যান্ডের সঙ্গে থাকবে, নাকি স্বাধীন হয়ে যাবে, তার ওপর গণভোট হয়েছে। এজন্য সংবিধানের কোনো প্রয়োজন পড়েনি। বিলেতে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারা গণভোট করেছে। আমাদের এখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে প্রশ্ন- এ প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলো কোনোদিনও ঐকমত্যে পৌঁছতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রয়োজনীয়, নাকি প্রয়োজনীয় নয়- এটা যদি জনগণের ওপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং জনগণ যদি বলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই না, তাহলে সেটা বিএনপির মানতে হবে। আর জনগণ যদি বলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই, তাহলে সেটা সরকারকে মানতে হবে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার, আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়তো হবে না। সুপ্রিমকোর্টের রায়ের সঙ্গে কী ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সঙ্গতিপূর্ণ সেটা বের করতে হবে। সুপ্রিমকোর্ট বলেছে, অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক হতে পারবে না। নির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও করা সম্ভব। এটা বিভিন্নভাবে করা সম্ভব। এটা নিয়ে যদি গণভোট করতে হয়, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোকে বসে কী প্রশ্নে গণভোট হবে সেটা নির্ধারণ করতে হবে।
যুগান্তর : শাসক দলের অসহনশীল চরিত্র কি দিন দিন উগ্র হচ্ছে? সম্প্রতি গাজীপুরে বিরোধী দলকে জনসভা করতে না দেয়া কি তারই প্রমাণ?
আ. আ. খান : বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অবক্ষয় দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে। এজন্য দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো দায়ী। সম্প্রতি গাজীপুরে যা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক। যদি সরকার বিরোধী দলকে সভা করতে না দেয়, আর বিরোধী দল সরকারকে সভা করতে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিপন্ন হবে। যদি ফ্রিডম অব অ্যাসোসিয়েশন ও ফ্রিডম অব স্পিচ সংরক্ষণ করা না যায়, তাহলে আমাদের গণতন্ত্র থেকে আমরা কোনো সুফল পাব না।
যুগান্তর : মূল্যস্ফীতির সঙ্গে জীবনযাত্রার মান সমন্বয় করতে স্থায়ী বেতন ও চাকরি কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশন। এ সম্পর্কে বলুন।
আ. আ. খান : আসল সমস্যার সমাধান না করে শুধু বেতন কমিশন গঠন করলে সুফল পাওয়া যাবে না। আমাদের আসল সমস্যা কী? প্রথম কথা হল- সরকারি কর্মচারীদের এমন বেতন দিতে হবে যা জাতীয় আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনি যদি নির্ধারণ করতে পারেন কতজন লোকের মাথাপিছু আয়ের সমান সর্বনিু বেতন হবে, তাহলে তার ভিত্তিতে কমিশন ছাড়াই প্রত্যেক বছর বা দুই বছর অন্তর সেটা বাড়ানো সম্ভব। এখানে সমস্যা হচ্ছে তিনটি। প্রথম সমস্যা- সম্পূর্ণ প্রয়োজন মেটে এমন বেতন দেয়ার সামর্থ্য সরকারের নেই। কাজেই সরকারের আর্থিক যে সমস্যা, সেটার সমাধান করতে হবে। আবার শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো আর্থিক সুবিধা দিলেই হবে না। উন্নয়ন প্রকল্প করতে হবে। অবকাঠামো করতে হবে। সরকারের অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। সুতরাং ওখানে কতটুকু পর্যন্ত বেতন বাড়ানো যাবে, এ সম্পর্কে সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দ্বিতীয় সমস্যা হল- সরকারি কর্মচারীদের শুধু মাসের বেতন দিলেই হবে না; তাদের থাকার জায়গারও বন্দোবস্ত করতে হবে এবং অবসর গ্রহণের পর যাতে বাসস্থান সুবিধা বহাল থাকে, সে রকম ব্যবস্থা থাকতে হবে। বর্তমানে আমাদের যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, ঢাকা শহরের আশপাশে এটা করা সম্ভব নয়। সেজন্য আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে সরকারের কর্মকাণ্ড পরিকল্পিত উপায়ে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। যদি এটা করা না যায়, তাহলে বাড়িভাড়া নিয়ে যে সমস্যা হবে, বেতন বৃদ্ধি করেও সেটার সমাধান করা যাবে না। তৃতীয় হল- পেনশনের যে ব্যয়, সেটাও কিন্তু অনেক বেড়ে যাবে। সুতরাং পেনশন নিয়ে কী করা হবে সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এসবের কোনো চটজলদি সমাধান নেই। এগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে, গবেষণা করতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
যুগান্তর : রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব না হলে পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কি?
আ. আ. খান : এটা নির্ভর করে সরকার অন্য জায়গায় খরচ কমাবে, নাকি রাজস্ব বাড়াবে- এর ওপর। অর্থমন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, বেতন কাঠামো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থাৎ এক বছরে করা হবে না। কতদিনে করা হবে- এর ওপর নির্ভর করবে এটার প্রভাব কতটুকু পড়বে।
যুগান্তর : ২০১৪ সাল রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই স্থিতিশীল থাকার পরও বিনিয়োগের বন্ধ দরজা খোলা সম্ভব হয়নি। ২০১৫ সাল রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় হয়ে ওঠার আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এক্ষেত্রে অর্থনীতিকে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে?
আ. আ. খান : গত বছর যেসব চ্যালেঞ্জ ছিল, এ বছরও মোটামুটিভাবে সেসব চ্যালেঞ্জই আছে। তবে অর্থনীতির ওপর একটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। সরকার অনেক বড় বড় প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে। সরকার বলছে সাবমেরিন কিনবে, যুদ্ধজাহাজ কিনবে, উড়োজাহাজ কিনছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে, পদ্মা সেতু করছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে ইত্যাদি। এত বড় বড় প্রকল্প করতে গেলে, সেখানে অর্থায়ন করতে গেলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতির ওপর চাপ পড়বে। সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ পড়বে। এখন সেই চাপ কীভাবে সমন্বয় করা হয়- বর্তমান বছরে সেটা আমরা আগ্রহের সঙ্গে লক্ষ্য করছি। পরিকল্পনা যদি সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যুগান্তর : সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করছেন পরিবেশবাদীরা। এ প্রকল্পের বাস্তবতা কি এটা সমর্থন করে?
আ. আ. খান : এটা অবশ্যই যৌক্তিক। সুন্দরবনের সংরক্ষণ আমরা সবাই চাই। এ বিষয়ে সরকার যত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে আলাপ-আলোচনা ও গবেষণা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সমীচীন।
যুগান্তর : মানবাধিকার কমিশনের কাজকর্ম দেখে একে একটা ফ্রেমবন্দি প্রতিষ্ঠান মনে হয়। এটাকে কার্যকর করতে হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
আ. আ. খান : আইনে যা আছে, সেটা বাস্তবায়ন করলেই কার্যকর হবে।
যুগান্তর : কে বাস্তবায়ন করবে? যারা দায়িত্বে আছে, তারা তো কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না!
আ. আ. খান : তারা না পারলে তাদের সরিয়ে দেয়া হোক। যারা পারবে, তাদের বসানো হোক।
যুগান্তর : নতুনরা কি পারবে, যদি সেখানে সরকারি নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন থাকে?
আ. আ. খান : নিয়ন্ত্রণ থাকলে সম্ভব নয়। ভারতের মানবাধিকার কমিশন যেভাবে কাজ করছে, আমাদের এখানে সেভাবে করতে পারছে না।
যুগান্তর : কেন পারছে না? সমস্যাটা কোথায়?
আ. আ. খান : বললাম তো, উপযুক্ত লোক দেয়া হচ্ছে না, উপযুক্ত লোক দিলে তিনি কাজ করতে পারবেন।
যুগান্তর : উপযুক্ত লোক বাছাই করবে কে?
আ. আ. খান : সরকারই করবে। সরকারই করে।
যুগান্তর : বাছাইটা যদি সরকার করে, তাহলে তো আগের ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে। লাভ হবে কিছু?
আ. আ. খান : এর উত্তর আমার কাছে নেই। দেশের কারও কাছেই এর উত্তর নেই।
যুগান্তর : একজন সাবেক আমলা হিসেবে কতিপয় আমলার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহের বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
আ. আ. খান : সাধারণ নাগরিক সবার সঙ্গে আমি একমত- এটা অত্যন্ত জঘন্য কাজ হয়েছে। সরকারি কর্মচারী তো বটেই, কারোরই এ ধরনের কাজ করার অধিকার নেই। যারা করেছে, তাদের আইনানুগ শাস্তি হওয়া উচিত।
যুগান্তর : দেশের আমলাতন্ত্রে গুণগত পরিবর্তন আনতে হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত?
আ. আ. খান : এ সম্বন্ধে আমার একটা বই ফেব্র“য়ারি মাসে প্রকাশিত হবে। সাড়ে তিনশ’ পৃষ্ঠার বই। যে বিষয়ের ওপর আমাকে সাড়ে তিনশ’ পৃষ্ঠা লিখতে হয়েছে, সে সম্পর্কে ১০ মিনিট, আধঘণ্টায় আমি কী বলব!
যুগান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ।
আ. আ. খান : ধন্যবাদ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 01
(64)
- আজকের লাইগা বিরোধী দল, এমনিতে সরকার by একরামুল হুদ...
- ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আসুন সবাই বসি’
- ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কাজ জুনে...
- সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা হলেও লক্ষ্যগুলো অর্জিত...
- সুন্দরবনের ভেতরে নৌ চলাচল স্থায়ী বন্ধের সুপারিশ
- ‘৫ই জানুয়ারি অনুমতি না পেলেও সমাবেশ করবে বিএনপি’
- খালেদা ইতিহাসের ফল ভোগ করছেন : এরশাদ, দলে বিভক্তি ...
- দুর্নীতি যেখানে নীতি by পলাশ কুমার রায়
- বরফ আদৌ গলবে কি? by তারেক শামসুর রেহমান
- সমাপনী পরীক্ষায় শিক্ষার মান বাড়ছে কি? by মাছুম বিল...
- হঠাৎ আনন্দ মাটি, পুড়ে গেল মুখ by কমল জোহা খান
- খেরোখাতায় আমাদের শিক্ষাঙ্গন
- অর্থনীতিতে স্থবিরতা দূর হোক
- নতুন বছর মঙ্গল বয়ে আনুক
- সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অর্থবহ হয়ে উঠুক নতুন বছর by সৈ...
- বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট’ রকেট: নিহত ২৬, আহত ৪৫
- ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ৭,০০০ ভূসম্পত্তি তলিয়ে যাবে সমু...
- মিশরে আল-জাজিরার ৩ সাংবাদিকের পুনর্বিচারের রায়
- ‘এখন শ্রম বাজার বন্ধ’
- ফলের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নির্দেশনা স্থগিত
- রাজনীতির অধঃপতনে ভারসাম্যহীন উন্নয়ন
- ভারতে বিচারপতি নিয়োগ বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি
- উদ্ধার তৎপরতায় বাগড়া দিচ্ছে খারাপ আবহাওয়া
- বাদশাহ হাসপাতালে
- কাশ্মীর জট কাটছে না
- শিক্ষা, শিশু ও জাতি ধবংসের প্রতিবাদে মানববন্ধন
- শিশুদের হাতে নতুন বই
- আরেকজন আফ্রিদি কি আসবে?
- সাংহাইয়ে বর্ষবরণে লাশ হলো ৩৫ জন
- ভয়ংকর ঢিল! by মো. ইমরান আহম্মেদ
- সুন্দরবন লড়ছে by ইফতেখার মাহমুদ
- নতুন বছরের শুরুতেই মৃত্যুর ছড়াছড়ি
- প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী বেড়েছে এক কোটি ৬৯...
- আতশবাজি আর উন্মাদনায় বর্ষবরণ
- সামরিক আদালত গঠন অসাংবিধানিক হবে
- সাগরেই বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি
- অবশেষে কাশ্মীরে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার?
- সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌপথ বন্ধ করার সুপারিশ- জাতি...
- দেশের মানবাধিকার চিত্র উদ্বেগজনক -আইন ও সালিশ কেন্...
- গাছতলায় পাঠদান by কল্যাণ ব্যানার্জি
- গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৬ হাজার ৫৮২ জনের -...
- দীর্ঘ মেয়াদের প্রভাব নিয়েই দুশ্চিন্তা -সাক্ষাৎকা...
- মাইনাস করার ক্ষমতা জনগণের অন্য কারও নয়- সঙ্কট নিরস...
- বিদায় ২০১৪ স্বাগত ২০১৫ by ড. মাহফুজ পারভেজ
- সালতামামি: রাজনীতির অধঃপতনে ভারসাম্যহীন উন্নয়ন
- বিধ্বস্ত এয়ারএশিয়া উড়োজাহাজ- উদ্ধার তৎপরতায় বাগড়া...
- যেভাবে বদলে গেল গ্রামটি by সাঈদা ইসলাম
- ২০১৪-তে কেডিএ’র ১৮ প্রকল্প
- সিলেটে সংঘর্ষ, গুলি গাড়ি ভাঙচুর, আটক ৭
- প্রেম করে বিয়ে করলে কেউ সুখী হয় না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
- গৃহবন্দিত্বে শুরু সাজার ঝুঁকিতে শেষ by কাফি কামাল
- কূটনীতি পূর্বমুখী পশ্চিমে টানাপড়েন by মিজানুর রহমান
- কৌশল আর চ্যালেঞ্জেই বছর শুরু ও শেষ by লুৎফর রহমান
- জ্যোতিষের চোখে রাজনীতিতে সঙ্কট অব্যাহত থাকবে
- সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুহার বেড়েছে ২৭ ভাগ
- নয়া আইজিপি’র ৩ চ্যালেঞ্জ
- বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে...
- অবশেষে ফেল করলো সাকিব
- গোপন বিয়ে ইমরান খানের
- হ্যাপির মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি
- মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক
- বাংলাদেশ-জাতিসংঘ যৌথ পর্যবেক্ষণ- নৌ-চলাচল বন্ধের স...
- সংঘাতের আওয়াজ পাওয়া যায় by সাজেদুল হক
- আলোচনার সুযোগ নেই : আওয়ামী লীগ
-
▼
Jan 01
(64)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment