Friday, October 26, 2012
অর্থনীতি-বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের গতিপ্রবণতা ও কতিপয় অমীমাংসিত প্রশ্ন by এমএম আকাশ
অর্থনীতি-বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের গতিপ্রবণতা ও কতিপয় অমীমাংসিত প্রশ্ন by এমএম আকাশ
কার্ল মার্কস পুঁজিকে 'সঞ্চিত শ্রম' বা 'মৃত শ্রম' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার ভাষায়, মৃত শ্রমের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে (অর্থাৎ কল-কারখানা, সম্পদ ইত্যাদি) জীবন্ত শ্রমেরও (অর্থাৎ শ্রমিক জনগণ) বিকাশ ঘটে। সমাজতন্ত্রের পরীক্ষা-
নিরীক্ষার সাফল্য-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করে সাম্যবাদীদের মধ্যে যারা 'সংশোধনবাদী' হিসেবে আখ্যায়িত, তারা অবশ্য জীবন্ত শ্রমের দ্বৈত প্রকৃতির সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, শুধু কায়িক শ্রম নয়, 'সংগঠক'-এর মানসিক শ্রমও এক বিশেষ ধরনের জীবন্ত শ্রম। বুদ্ধিনির্ভর ব্যবস্থাপনা শ্রমও সামাজিক উৎপাদনের জন্য একটি অপরিহার্য উৎপাদন এবং সেই ব্যবস্থাপনা শ্রমে 'মানসিক সঞ্চিত জ্ঞান' এক ধরনের পুঁজিরূপে ব্যক্তির মস্তিষ্কে সঞ্চিত থাকে। তদুপরি এই ব্যবস্থাপনা জ্ঞান বা পুঁজির মালিকানাকে ব্যবস্থাপকের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয় এবং এটি এমন একটি সম্পদ, যা ব্যবহার করলে তা হ্রাস না পেয়ে অভিজ্ঞতা ও অনুশীলনীর মাধ্যমে দিন দিন আরও বৃদ্ধি পায়। আরও উৎকর্ষ লাভ করে। এই বোধ থেকে উদ্দীপ্ত হয়ে রাশিয়ার বর্তমান নতুন কমিউনিস্ট পার্টি তাদের চিরায়ত 'কাস্তে-হাতুড়ি' প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত করেছেন 'পুস্তক'-এর প্রতীক। এখন তাদের মতে, সমাজে সম্মিলিত 'জীবন্ত শ্রম'-এর প্রতীক হচ্ছে কৃষক-শ্রমিক এবং বুদ্ধিজীবীর সম্মিলিত ঐক্য। সমাজের এই অংশটি শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে যাচ্ছেন :বুর্জোয়ার, না শ্রমিকের; নাকি নিজেই নিজের সেবার মাধ্যমে শ্রমজীবীর প্রতিনিধি পদের অপব্যবহার করে কর্তায় পরিণত হচ্ছেন_ এই বিষয়টির ওপরই নির্ভর করে সমাজতান্ত্রিক সমাজের শক্তি ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ গতিপ্রবণতা
মনে রাখতে হবে, উন্নয়নশীল দেশের বুর্জোয়ারা হচ্ছে খধঃব ঝঃধৎঃবৎ. অর্থাৎ দেরিতে যাত্রাকারী বুর্জোয়া। পশ্চিমা দেশের বুর্জোয়ারা দীর্ঘকাল ধরে একটি প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদের পর্ব অতিক্রম করার সুযোগ পেয়েছিল। পশ্চিমা দেশগুলোতে ঐতিহাসিকভাবে আগেই দেশের বাইরে অবস্থিত উপনিবেশ থেকে প্রাথমিক পুঁজির সঞ্চিত একটি ভাণ্ডার ছিল বলে তাদের দেশের ভেতরে তুলনামূলকভাবে কম নিষ্ঠুর কৌশল গ্রহণ করতে হয়েছে। দেশের ভেতরে নিয়ম-কানুন মেনেই তাদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অংশগ্রহণ করতে হয়েছিল। জাতীয় বুর্জোয়ারা আমদানি প্রতিস্থাপক শিল্প গড়তে চায়। তাদের অবশ্যই বিশাল পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে। সেটা ব্যক্তিগত সীমিত সঞ্চয়ের দ্বারা না কুলালে, প্রাক্-পুঁজিবাদী খাত থেকে থাবা দিয়ে, ছোঁ মেরে বা লুণ্ঠন করেই দ্রুততম পন্থায় তাদের তা সংগ্রহ করতে হবে। লুণ্ঠনের পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থা বা শেয়ারবাজারের মাধ্যমে অন্যের সঞ্চয় কাজে লাগিয়ে বা সুকৌশলে আত্মসাৎ করে তারা অগ্রসর হতে পারে। কিন্তু ব্যাংক ঋণও সভ্য দেশে একটি পরিশোধযোগ্য পুঁজি। তাছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পুঁজিবাদী শিল্পায়ন ব্যর্থ হলে এটা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না এবং তখন সৃষ্টি হবে 'ঋণখেলাপি'র নতুন সমস্যা। সুতরাং এসব দেশে যারা বড় শিল্প গড়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের অতীতটা দেখা যাবে বেশ কদর্য। পুঁজির এই প্রাগৈতিহাসিক পর্বটি শাস্তিহীনভাবে অতিক্রম করতে তাদের প্রয়োজন হয় রাষ্ট্র ও মিডিয়ার সমর্থন।
বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে বৃহৎ ব্যক্তি পুঁজির যে লেনদেন, তাতে রাষ্ট্রের ভেতরেও পুনরায় দুর্নীতি প্রসারিত হচ্ছে এবং সেখানেও সৃষ্টি হচ্ছে 'আমলা পুঁজি' : সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট পুঁজি। এসব লেনদেনের সময় রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষও কেউ কেউ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে পুঁজির মালিকে পরিণত হচ্ছেন। এসব ঘটনা সচরাচর প্রকাশিত হয় না। কিন্তু প্রকাশিত হলে দেশবাসী এমনকি দেশপ্রেমিক উৎপাদনশীল শিল্পপতিদের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বুর্জোয়ারা কেউ কেউ নিজেদের তখন অন্য লুটেরাদের থেকে আলাদা করে নিজেকে ভাবেন; আবার কখনওবা হতাশ হয়ে অন্যদের পদাঙ্কই অনুসরণে প্রবৃত্ত হন।
বাংলাদেশের বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের আদি ইতিহাস :১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির প্রাক্কালে এ দেশে হিন্দু ও মাড়োয়ারিরাই মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের মূল অবস্থানগুলো দখল করে রেখেছিল। চট্টগ্রামে মাত্র কয়েকজন বাঙালি মুসলমান সওদাগর ছিলেন।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর হিন্দু ও মাড়োয়ারি পুঁজির ধীরে ধীরে বহির্গমন সূচিত হয়। কিন্তু সেই শূন্যস্থান বাঙালি মুসলমানরা পূরণ করেনি। করেছে বহিরাগত অবাঙালি গোষ্ঠী।
তবে লিবারেল প্রোফেশন (liberal profession), জমি, স্থাবর সম্পত্তি (Real Estate) ইত্যাদি ক্ষেত্রে শূন্যস্থান পূরণের জন্য বাঙালি মুসলমানদের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে থাকে। পাটের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে বাঙালি চাষি বা অপেক্ষাকৃত নিম্নতর স্তর থেকেও কিছু লোক উচ্চশিক্ষাকে পুঁজি করে ওপরে উঠে আসে। ১৯৬০ সাল নাগাদ তৈরি হয় শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্ত স্তর।
১৯৫৮তে সামরিক আইন জারির পর আইয়ুব খান এ দেশে একটি মুৎসুদ্দি বাঙালি গোষ্ঠী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। গ্রামে বুনিয়াদি গণতন্ত্র এবং শহরে E.P.I.D.C-এর মারফত State Sponsored Capitalism-এর ধারা চালু হয়।
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর মাড়োয়ারি ও হিন্দু পুঁজি এ দেশ থেকে সম্পূূর্ণ উৎখাত হয়ে যায়। তখন শত্রু সম্পত্তি আইনের মাধ্যমে সৃষ্ট শূন্যতা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাকে আশ্রয় করে এ দেশে দ্রুত একটি বাঙালি ধনিকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দ্বারা লব্ধ বাঙালিদের যেসব শিল্পোদ্যোগ ছিল, তার মধ্যে ৭০-৮০টি পাটকল, বস্ত্রকল ও চিনিকলই হচ্ছে প্রধান। স্বাধীনতার পর এর সবই জাতীয়করণ করা হয়। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে তারা শুধু অবাধ বিকাশের অধিকারই হারায়নি; একটি তীব্র অপ্রত্যাশিত আঘাতেরও সম্মুখীন হয়েছিলেন।
১৯৭২-৭৫ কালপর্বে এ দেশে একটি নব্য ধনিক গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। তাদের হাতে অবৈধ পন্থায় অর্জিত প্রচুর কালো টাকা জমা হয়। রাষ্ট্রক্ষমতার ভেতরে রাজনৈতিক আনুকূল্য এবং প্রশ্রয়েই এই গোষ্ঠীর জন্ম ও বিকাশ। কিন্তু তদানীন্তন অনুসৃত রাষ্ট্রীয় আইন ও নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে তারা তাদের অর্জিত অর্থের সামাজিক বৈধতা ও নিরাপত্তা সংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হচ্ছিল না। এ ছাড়া পেটিবুর্জোয়া, উগ্র বাম শক্তি, রক্ষণশীল সাম্প্র্রদায়িক শক্তি, ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়া_ সর্বোপরি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রকাশ্যে বা গোপনে কামনা করছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এর পরিণতিতে এই শক্তিগুলোই কমবেশি ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত ও পুনর্বাসিত হয়।
বস্তুত জিয়া, সাত্তার ও এরশাদের আমলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধাভোগীদের নামের তালিকা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের ভূমিকার ইতিহাস প্রণয়ন করলে এ কথা খুবই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে।
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর জেনারেল জিয়ার আমলে অপেক্ষাকৃত শ্লথগতিতে এবং জেনারেল এরশাদের আমলে প্রবল বেগে উলি্লখিত সমগ্র বুর্জোয়া গোষ্ঠীই তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতাকে সংহত করেছে। এদেরকে আপাতত আমরা পাঁচটি ভাগে (section) বিভক্ত করতে পারি :
ক. আমলা বুর্জোয়া, খ. ট্র্যাডিশনাল বৃহৎ বাঙালি বুর্জোয়া, গ. বৃহৎ নব্য ধনী, ঘ. মাঝারি মালিক, ঙ. ছোট মালিক।
'ঘ' এবং 'ঙ' ব্যতিক্রমকে বাদ দিলে বাকি সবার বিকাশের ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী সাহায্যের অবদান এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ভূমিকাই হচ্ছে নিয়ামক। রাষ্ট্রের অর্থ ও লুণ্ঠনের আপেক্ষিক অবদান আমলা বুর্জোয়া, ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়া ও বৃহৎ নব্য ধনীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ।
রেহমান সোবহান, বারানভ ও ড. ফারুক প্রদত্ত তথ্যাবলি থেকে বোঝা যায় যে, প্রাক-স্বাধীনতাকালীন ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়াদের অধিকাংশের পিতাই ছিলেন ক্ষুদে ব্যবসায়ী অথবা কৃষক। অর্থাৎ এরা কেউই উত্তরাধিকারসূত্রে ধনী ছিলেন না। এরা ছিলেন প্রথম পুরুষ উদ্যোক্তা। এসব উদ্যোক্তার নিজেদের কর্মজীবনও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শুরু হয়েছে ক্ষুদে ব্যবসায়ী বা ক্ষুদে কর্মচারী হিসেবে। অর্থাৎ এরা সম্পদ সঞ্চয় করেছেন ধীরে ধীরে। দ্রুত ধনিক এরা নন। তবে শিল্প বা কলকারখানা বা কোনো উৎপাদনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তারা পুঁজি সঞ্চয় করেননি। মূলত, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ঠিকাদারি বা সরবরাহ ব্যবসা, খুচরা ব্যবসা, স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় এবং ঠিকাদারির মাধ্যমে তারা তাদের প্রাথমিক পুঁজি সঞ্চয় করেন। তবে এভাবে অর্থ সংগ্রহের পর অনেকেই মাঝারি আকারের শিল্প-প্রতিষ্ঠান, পরিবহন ব্যবসা, আমদানি-রফতানি ব্যবসা এবং গৃহ ও জমির ক্রয়-বিক্রয় উদ্যোগে টাকা খাটাতে থাকেন। এই পর্যায়ে ১৯৬০-এর দশকে তাদের সবাই নানাভাবে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করতে শুরু করেন। এই রাষ্ট্রীয় সহায়তাকে আশ্রয় করেই এরা বৃহৎ শিল্পোদ্যোগ এবং কেউ কেউ এমনকি ব্যাংক পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এদের কেউ কেউ মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কেউবা মন্ত্রী হন। এইভাবে এরা পাকিস্তানি বৃহৎ বুর্জোয়াদের কনিষ্ঠ অংশীদারে পরিণত হন।
স্বাধীনতা-উত্তর বৃহৎ নব্য ধনীদের বিকাশের সঙ্গে ট্র্যাডিশনাল বুর্জোয়াদের বিকাশের সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে :
ক. এই ধনীদের অধিকাংশই পৈতৃকসূত্রে সচ্ছল এবং শিক্ষিত। এদের অনেকেরই পিতা ছিলেন শিক্ষিত পেশাজীবী এবং শহরবাসী।
খ. এরা অত্যন্ত দ্রুত ধনীতে পরিণত হয়েছেন। অনেকটা এক লাফে 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দুতে' পেঁৗছে যাওয়ার মতো।
গ. এই ধনী হওয়ার প্রক্রিয়ায় আমলাতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক আনুকূল্যই মুখ্য এবং নিরঙ্কুুশ ভূমিকা পালন করেছে।
ঘ. এরা রাষ্ট্রের প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। রাষ্ট্রের টাকায় রাষ্ট্রের সম্পদ দখল করেছেন। তবে স্বাধীনতার পর এরশাদ সরকারের আমলে যখন পাটকল, বস্ত্রকল ও চিনিকল তাদের প্রাক্তন ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়াদের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তখন দেখা গেছে এরা বা এদের বৈধ উত্তরাধিকারীরাও একইভাবে নব্য ধনীদের মতোই সমান হারে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট ও অপচয় করেছে।
১৯৯০-পরবর্তী বুর্জোয়া বিকাশের গতি-প্রকৃতি :জেনারেল এরশাদের পতনের পর কেউ কেউ আশা করেছিলেন যে, গণতান্ত্রিক আমলে ধীরে ধীরে জাতীয়তাবাদী ধনিকশ্রেণীর বিকাশ ঘটবে। সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির আগ্রাসনও কমে আসবে। যেহেতু এখন আর সমাজতন্ত্র বা সোভিয়েত ইউনিয়নের পুঁজিবাদবিরোধী শক্তি অনুপস্থিত, সেহেতু আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ জাতীয় বুর্জোয়াদের একটু বর্ধিত জায়গা করে দেবে। তাছাড়া ৯০ দশকে উন্নত দেশগুলোতে শ্রমশক্তির দাম তুলনামূলক অনেক বেড়ে যাওয়ায় সেখানকার শ্রমঘন শিল্পগুলো উন্নয়নশীল দেশে পুনঃস্থাপন করে সেই উৎপাদন পুনরায় রফতানির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোর চাহিদা মেটানোর নতুন সুযোগ বা স্পেসও এই সময় উন্নত দেশগুলো কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এই ধারাতেই পরে একগুচ্ছ 'নয়া শিল্পায়িত দেশের' (Newly Industrialized Countries) উদ্ভব হয়; যাদের বিকাশ প্রক্রিয়াকে উন্নয়ন অর্থনীতিবিদরা 'উড়ন্ত পরিযায়ী হংসের মডেলের' (Flying Geese Model) সঙ্গে তুলনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস পেয়েছেন। এ জন্য অনেকেই আশা করেছিলেন, উৎপাদনশীল ধনবাদী ধারায় বাংলাদেশও এবার নতুনভাবে পরিচালিত হবে।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, দেশের অর্থনীতিতে শিল্পের বিকাশ থেমে থাকেনি। জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হারেই তার প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চোখ ধাঁধানো অগ্রগতি ঘটেছে পোশাক শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, ওষুধ শিল্প এবং চামড়া শিল্পে। কিছু ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পও পাওয়া যাবে, যা উপজেলা পর্যায়ে নতুন Growth Center-কে কেন্দ্র করে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এটাও সুস্পষ্ট যে, আমাদের শিল্প খাতের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে রফতানিমুখী শিল্প অর্থাৎ বাইরের অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল শিল্প। বস্তুত, বাংলাদেশে পোশাক শিল্পকে কেন্দ্র করেই সর্বপ্রথম একগুচ্ছ নতুন প্রজন্মের উৎপাদনশীল উদ্যোক্তার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু একই সঙ্গে এ কথাও সত্য যে, এই শিল্পে শোষণের হারও তীব্র। সুতরাং এই শিল্পের অগ্রগতি মূলত নির্ভর করছে এই শিল্পের মালিক মাঝারি ও বৃহৎ সংগঠক বুর্জোয়ারা দীর্ঘ মেয়াদি স্বার্থে শ্রমিকদের কল্যাণে তাদের অর্জিত মুনাফার একটি ক্ষুদ্র অংশ (আইনানুসারে তা হচ্ছে মুনাফার মাত্র ৫ শতাংশ) শ্রমিকদের বাসস্থান ও রেশনের জন্য প্রদানে সম্মত হবেন, নাকি রাষ্ট্রের সহায়তায় শিল্প পুলিশ দ্বারা এই শিল্পের ক্রমবর্ধমান শ্রমিক অসন্তোষের মোকাবেলা করবেন? তারা যদি প্রথম ইতিবাচক পথটি বেছে নেন এবং শিল্পে শান্তি ও প্রাথমিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন, তাহলে এ ক্ষেত্রে আরও বিকাশের জন্য পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের উচ্চতর দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং এই শিল্পে নতুন প্রযুক্তি এনে ও পশ্চাদবর্তী শিল্পে বিনিয়োগ করে বহুমুখী উৎপাদনে অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। এসব পরবর্তী ধাপের কাজ সরকার ও মালিকরা যৌথভাবে না করলে এই শিল্পের আরও উচ্চতর মাত্রায় উল্লল্ফম্ফন ঘটবে না। শ্রমঘন, স্বল্প মূল্য সংযোজক, নিচুমানের উৎপাদনের মধ্যেই তাদেরকে আটকে থাকতে হবে। 'পরিযায়ী পাখি'র মডেল তখন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
বিদেশের ওপর একপেশে নির্ভরতা কমাতে এবং পাশাপাশি সমগ্র বুর্জোয়া শ্রেণীকে উৎপাদনমুখী করতে অভ্যন্তরীণ বাজারের প্রসার ঘটানো, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখে চালের দাম ও অন্যান্য খাদ্যপণের দাম কম রাখা, বাসস্থানের ভাড়া কম রাখা, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস ইত্যাদির দাম কম রাখা, রাস্তাঘাট ও বন্দর সেবা উন্নত করা ইত্যাদি বিষয় জরুরিভাবে বিবেচনা করতে হবে। এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারকে অগ্রণী হতে হবে এবং বুর্জোয়াদের সে ক্ষেত্রে যথাযথ মাত্রায় কর প্রদান করে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ এসব খাতে বিনিয়োগ এবং সাময়িক ভর্তুকি প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিদেশি সাহায্য প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এইভাবে এক গুচ্ছ ইতিবাচক নীতি ও পদক্ষেপের মাধ্যমে এই উত্তরণকালীন অর্থনীতিতে মুদ্রাস্টম্ফীতি যদি কম রাখা যায়, শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ কমিয়ে আনা যায়, সুশিক্ষিত শ্রমিক বাহিনী সৃষ্টি করা যায়, জীবনযাত্রার ব্যয় কম থাকার দরুন ডলারে মজুরি তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম থাকে, ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসে, আমলা পুঁজির ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি ও দৌরাত্ম্য হ্রাস পায় এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মতো যদি কৃষি খাতে আংশিক হলেও কিছুটা ভূমি সংস্কার ও পরিবর্তিত ভূমি ব্যবহার নীতি কার্যকর করা যায়, তাহলে এই দেশের জাতীয় বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
আবার উল্টো দিক থেকে বলা যায় যে, যদি সাম্প্র্র্রতিক প্রবণতা অব্যাহত থাকে, পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, রেলে নিয়োগ বাণিজ্য, কুইক রেন্টাল ও জ্বালানি খাতের অন্যান্য টানাপড়েন অব্যাহত থাকে বা ভবিষ্যতে বহুগুণিত হারে আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে পরিস্থিতি জাতীয় বুর্জোয়ার বিকাশের জন্য অনুকূল থাকবে না। এর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি উপাদান হচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো এবং এশিয়ার দ্রুত বর্ধিষ্ণু দেশগুলোর (চীন ও ভারত) সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক সম্পর্ক কী আকার নেয় সেটি। এর ওপরেও নির্ভর করবে আমাদের এই দুর্নীতিবহুল বুর্জোয়া বিকাশের চরিত্র কতখানি জাতীয় স্বার্থের অনুকূল হবে সেটি। তবে আমাদের সাম্প্র্রতিক অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার সবচেয়ে বড় 'চুঁুষব' হচ্ছে এত দুর্নীতির মধ্যেও অর্থনীতি ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। দারিদ্র্যও প্রতি বছর ১.৫-২ শতাংশ হারে হ্রাস পাচ্ছে!
অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো :
প্রশ্ন-১. ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এবং প্রধান বিরোধী দলের মূল নীতিনির্ধারক কারা? বৃহৎ লুটেরা বুর্জোয়ারা, নাকি তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাজনীতিবিদরা, নাকি স্বাধীন রাজনীতিবিদরা, নাকি এসবের বহির্ভূত শক্তির একটি মিশ্র কোয়ালিশন, নাকি কোনো একক ব্যক্তি?
প্রশ্ন-২. আওয়ামী লীগ বা বিএনপি. যে দলই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকুক না কেন, তাদের ওপর বাইরের শক্তির প্রভাব বিশেষত, আমেরিকার প্রভাব এখন পর্যন্ত খুবই উচ্চ বলে প্রতীয়মান। এই দুই দলের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকরা জাতীয় স্বার্থে এই উচ্চ প্রভাব থেকে কতটুকু বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবেন? নাকি আদৌ মুক্ত হবেন না, নাকি আংশিকভাবে মুক্ত হবেন?
প্রশ্ন-৩. বর্তমানে বাংলাদেশে যে বা যারাই জাতীয় বুর্জোয়া রয়েছেন, তারা কি এই দুই দলের মধ্যেই নিজেদের প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট থাকবেন, নাকি তৃতীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা বা রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলবেন?
প্রশ্ন-৪. যদি তারা এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেন, তাহলে এ ধরনের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি কি কোনো 'দক্ষ স্বৈরতন্ত্র' বা কঠোর রাষ্ট্র (Hard State)) হবে, নাকি তা লুটেরা বুর্জোয়াবহির্ভূর্ত উৎপাদনশীল শ্রেণীগুলোর সংযুক্ত বৃহৎ গণতান্ত্রিক একটি মোর্চা হবে? সেই মোর্চায় কি দুই দল থেকেই অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল কোনো কোনো উপাদান যোগ দেবেন? বামপন্থিরা কোন দিকে থাকবেন?
প্রশ্ন-৫. নাকি সবই আমার জল্পনা-কল্পনা? এসব কিছুই হবে না। এখন যেমন চলছে, তেমনই চলতে থাকবে! দুর্নীতিও হবে, লুটপাটও চলবে; তারপরও কিছুটা প্রবৃদ্ধি হবে, চরম দারিদ্র্যও কিছুটা কমবে; শুধু বাড়তে থাকবে আপেক্ষিক বৈষম্য। এভাবেই দেশ চলছে এবং আরও দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলবে।
এসব প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর আমি জানি না। তাই প্রশ্নগুলো ও অনুমানগুলো উত্থাপন করেই আমার আলোচনা শেষ করছি।
ড. এমএম আকাশ :অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মনে রাখতে হবে, উন্নয়নশীল দেশের বুর্জোয়ারা হচ্ছে খধঃব ঝঃধৎঃবৎ. অর্থাৎ দেরিতে যাত্রাকারী বুর্জোয়া। পশ্চিমা দেশের বুর্জোয়ারা দীর্ঘকাল ধরে একটি প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদের পর্ব অতিক্রম করার সুযোগ পেয়েছিল। পশ্চিমা দেশগুলোতে ঐতিহাসিকভাবে আগেই দেশের বাইরে অবস্থিত উপনিবেশ থেকে প্রাথমিক পুঁজির সঞ্চিত একটি ভাণ্ডার ছিল বলে তাদের দেশের ভেতরে তুলনামূলকভাবে কম নিষ্ঠুর কৌশল গ্রহণ করতে হয়েছে। দেশের ভেতরে নিয়ম-কানুন মেনেই তাদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অংশগ্রহণ করতে হয়েছিল। জাতীয় বুর্জোয়ারা আমদানি প্রতিস্থাপক শিল্প গড়তে চায়। তাদের অবশ্যই বিশাল পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে। সেটা ব্যক্তিগত সীমিত সঞ্চয়ের দ্বারা না কুলালে, প্রাক্-পুঁজিবাদী খাত থেকে থাবা দিয়ে, ছোঁ মেরে বা লুণ্ঠন করেই দ্রুততম পন্থায় তাদের তা সংগ্রহ করতে হবে। লুণ্ঠনের পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থা বা শেয়ারবাজারের মাধ্যমে অন্যের সঞ্চয় কাজে লাগিয়ে বা সুকৌশলে আত্মসাৎ করে তারা অগ্রসর হতে পারে। কিন্তু ব্যাংক ঋণও সভ্য দেশে একটি পরিশোধযোগ্য পুঁজি। তাছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পুঁজিবাদী শিল্পায়ন ব্যর্থ হলে এটা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না এবং তখন সৃষ্টি হবে 'ঋণখেলাপি'র নতুন সমস্যা। সুতরাং এসব দেশে যারা বড় শিল্প গড়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের অতীতটা দেখা যাবে বেশ কদর্য। পুঁজির এই প্রাগৈতিহাসিক পর্বটি শাস্তিহীনভাবে অতিক্রম করতে তাদের প্রয়োজন হয় রাষ্ট্র ও মিডিয়ার সমর্থন।
বর্তমানে রাষ্ট্রের সঙ্গে বৃহৎ ব্যক্তি পুঁজির যে লেনদেন, তাতে রাষ্ট্রের ভেতরেও পুনরায় দুর্নীতি প্রসারিত হচ্ছে এবং সেখানেও সৃষ্টি হচ্ছে 'আমলা পুঁজি' : সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট পুঁজি। এসব লেনদেনের সময় রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষও কেউ কেউ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে পুঁজির মালিকে পরিণত হচ্ছেন। এসব ঘটনা সচরাচর প্রকাশিত হয় না। কিন্তু প্রকাশিত হলে দেশবাসী এমনকি দেশপ্রেমিক উৎপাদনশীল শিল্পপতিদের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বুর্জোয়ারা কেউ কেউ নিজেদের তখন অন্য লুটেরাদের থেকে আলাদা করে নিজেকে ভাবেন; আবার কখনওবা হতাশ হয়ে অন্যদের পদাঙ্কই অনুসরণে প্রবৃত্ত হন।
বাংলাদেশের বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের আদি ইতিহাস :১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির প্রাক্কালে এ দেশে হিন্দু ও মাড়োয়ারিরাই মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের মূল অবস্থানগুলো দখল করে রেখেছিল। চট্টগ্রামে মাত্র কয়েকজন বাঙালি মুসলমান সওদাগর ছিলেন।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর হিন্দু ও মাড়োয়ারি পুঁজির ধীরে ধীরে বহির্গমন সূচিত হয়। কিন্তু সেই শূন্যস্থান বাঙালি মুসলমানরা পূরণ করেনি। করেছে বহিরাগত অবাঙালি গোষ্ঠী।
তবে লিবারেল প্রোফেশন (liberal profession), জমি, স্থাবর সম্পত্তি (Real Estate) ইত্যাদি ক্ষেত্রে শূন্যস্থান পূরণের জন্য বাঙালি মুসলমানদের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে থাকে। পাটের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে বাঙালি চাষি বা অপেক্ষাকৃত নিম্নতর স্তর থেকেও কিছু লোক উচ্চশিক্ষাকে পুঁজি করে ওপরে উঠে আসে। ১৯৬০ সাল নাগাদ তৈরি হয় শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্ত স্তর।
১৯৫৮তে সামরিক আইন জারির পর আইয়ুব খান এ দেশে একটি মুৎসুদ্দি বাঙালি গোষ্ঠী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। গ্রামে বুনিয়াদি গণতন্ত্র এবং শহরে E.P.I.D.C-এর মারফত State Sponsored Capitalism-এর ধারা চালু হয়।
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর মাড়োয়ারি ও হিন্দু পুঁজি এ দেশ থেকে সম্পূূর্ণ উৎখাত হয়ে যায়। তখন শত্রু সম্পত্তি আইনের মাধ্যমে সৃষ্ট শূন্যতা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাকে আশ্রয় করে এ দেশে দ্রুত একটি বাঙালি ধনিকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দ্বারা লব্ধ বাঙালিদের যেসব শিল্পোদ্যোগ ছিল, তার মধ্যে ৭০-৮০টি পাটকল, বস্ত্রকল ও চিনিকলই হচ্ছে প্রধান। স্বাধীনতার পর এর সবই জাতীয়করণ করা হয়। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে তারা শুধু অবাধ বিকাশের অধিকারই হারায়নি; একটি তীব্র অপ্রত্যাশিত আঘাতেরও সম্মুখীন হয়েছিলেন।
১৯৭২-৭৫ কালপর্বে এ দেশে একটি নব্য ধনিক গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। তাদের হাতে অবৈধ পন্থায় অর্জিত প্রচুর কালো টাকা জমা হয়। রাষ্ট্রক্ষমতার ভেতরে রাজনৈতিক আনুকূল্য এবং প্রশ্রয়েই এই গোষ্ঠীর জন্ম ও বিকাশ। কিন্তু তদানীন্তন অনুসৃত রাষ্ট্রীয় আইন ও নীতিমালার কাঠামোর মধ্যে তারা তাদের অর্জিত অর্থের সামাজিক বৈধতা ও নিরাপত্তা সংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হচ্ছিল না। এ ছাড়া পেটিবুর্জোয়া, উগ্র বাম শক্তি, রক্ষণশীল সাম্প্র্রদায়িক শক্তি, ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়া_ সর্বোপরি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রকাশ্যে বা গোপনে কামনা করছিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এর পরিণতিতে এই শক্তিগুলোই কমবেশি ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত ও পুনর্বাসিত হয়।
বস্তুত জিয়া, সাত্তার ও এরশাদের আমলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধাভোগীদের নামের তালিকা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের ভূমিকার ইতিহাস প্রণয়ন করলে এ কথা খুবই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে।
১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর জেনারেল জিয়ার আমলে অপেক্ষাকৃত শ্লথগতিতে এবং জেনারেল এরশাদের আমলে প্রবল বেগে উলি্লখিত সমগ্র বুর্জোয়া গোষ্ঠীই তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতাকে সংহত করেছে। এদেরকে আপাতত আমরা পাঁচটি ভাগে (section) বিভক্ত করতে পারি :
ক. আমলা বুর্জোয়া, খ. ট্র্যাডিশনাল বৃহৎ বাঙালি বুর্জোয়া, গ. বৃহৎ নব্য ধনী, ঘ. মাঝারি মালিক, ঙ. ছোট মালিক।
'ঘ' এবং 'ঙ' ব্যতিক্রমকে বাদ দিলে বাকি সবার বিকাশের ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী সাহায্যের অবদান এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ভূমিকাই হচ্ছে নিয়ামক। রাষ্ট্রের অর্থ ও লুণ্ঠনের আপেক্ষিক অবদান আমলা বুর্জোয়া, ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়া ও বৃহৎ নব্য ধনীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ।
রেহমান সোবহান, বারানভ ও ড. ফারুক প্রদত্ত তথ্যাবলি থেকে বোঝা যায় যে, প্রাক-স্বাধীনতাকালীন ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়াদের অধিকাংশের পিতাই ছিলেন ক্ষুদে ব্যবসায়ী অথবা কৃষক। অর্থাৎ এরা কেউই উত্তরাধিকারসূত্রে ধনী ছিলেন না। এরা ছিলেন প্রথম পুরুষ উদ্যোক্তা। এসব উদ্যোক্তার নিজেদের কর্মজীবনও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শুরু হয়েছে ক্ষুদে ব্যবসায়ী বা ক্ষুদে কর্মচারী হিসেবে। অর্থাৎ এরা সম্পদ সঞ্চয় করেছেন ধীরে ধীরে। দ্রুত ধনিক এরা নন। তবে শিল্প বা কলকারখানা বা কোনো উৎপাদনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তারা পুঁজি সঞ্চয় করেননি। মূলত, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ঠিকাদারি বা সরবরাহ ব্যবসা, খুচরা ব্যবসা, স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় এবং ঠিকাদারির মাধ্যমে তারা তাদের প্রাথমিক পুঁজি সঞ্চয় করেন। তবে এভাবে অর্থ সংগ্রহের পর অনেকেই মাঝারি আকারের শিল্প-প্রতিষ্ঠান, পরিবহন ব্যবসা, আমদানি-রফতানি ব্যবসা এবং গৃহ ও জমির ক্রয়-বিক্রয় উদ্যোগে টাকা খাটাতে থাকেন। এই পর্যায়ে ১৯৬০-এর দশকে তাদের সবাই নানাভাবে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করতে শুরু করেন। এই রাষ্ট্রীয় সহায়তাকে আশ্রয় করেই এরা বৃহৎ শিল্পোদ্যোগ এবং কেউ কেউ এমনকি ব্যাংক পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এদের কেউ কেউ মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কেউবা মন্ত্রী হন। এইভাবে এরা পাকিস্তানি বৃহৎ বুর্জোয়াদের কনিষ্ঠ অংশীদারে পরিণত হন।
স্বাধীনতা-উত্তর বৃহৎ নব্য ধনীদের বিকাশের সঙ্গে ট্র্যাডিশনাল বুর্জোয়াদের বিকাশের সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে :
ক. এই ধনীদের অধিকাংশই পৈতৃকসূত্রে সচ্ছল এবং শিক্ষিত। এদের অনেকেরই পিতা ছিলেন শিক্ষিত পেশাজীবী এবং শহরবাসী।
খ. এরা অত্যন্ত দ্রুত ধনীতে পরিণত হয়েছেন। অনেকটা এক লাফে 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দুতে' পেঁৗছে যাওয়ার মতো।
গ. এই ধনী হওয়ার প্রক্রিয়ায় আমলাতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক আনুকূল্যই মুখ্য এবং নিরঙ্কুুশ ভূমিকা পালন করেছে।
ঘ. এরা রাষ্ট্রের প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। রাষ্ট্রের টাকায় রাষ্ট্রের সম্পদ দখল করেছেন। তবে স্বাধীনতার পর এরশাদ সরকারের আমলে যখন পাটকল, বস্ত্রকল ও চিনিকল তাদের প্রাক্তন ট্র্যাডিশনাল বাঙালি বুর্জোয়াদের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তখন দেখা গেছে এরা বা এদের বৈধ উত্তরাধিকারীরাও একইভাবে নব্য ধনীদের মতোই সমান হারে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট ও অপচয় করেছে।
১৯৯০-পরবর্তী বুর্জোয়া বিকাশের গতি-প্রকৃতি :জেনারেল এরশাদের পতনের পর কেউ কেউ আশা করেছিলেন যে, গণতান্ত্রিক আমলে ধীরে ধীরে জাতীয়তাবাদী ধনিকশ্রেণীর বিকাশ ঘটবে। সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির আগ্রাসনও কমে আসবে। যেহেতু এখন আর সমাজতন্ত্র বা সোভিয়েত ইউনিয়নের পুঁজিবাদবিরোধী শক্তি অনুপস্থিত, সেহেতু আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ জাতীয় বুর্জোয়াদের একটু বর্ধিত জায়গা করে দেবে। তাছাড়া ৯০ দশকে উন্নত দেশগুলোতে শ্রমশক্তির দাম তুলনামূলক অনেক বেড়ে যাওয়ায় সেখানকার শ্রমঘন শিল্পগুলো উন্নয়নশীল দেশে পুনঃস্থাপন করে সেই উৎপাদন পুনরায় রফতানির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোর চাহিদা মেটানোর নতুন সুযোগ বা স্পেসও এই সময় উন্নত দেশগুলো কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এই ধারাতেই পরে একগুচ্ছ 'নয়া শিল্পায়িত দেশের' (Newly Industrialized Countries) উদ্ভব হয়; যাদের বিকাশ প্রক্রিয়াকে উন্নয়ন অর্থনীতিবিদরা 'উড়ন্ত পরিযায়ী হংসের মডেলের' (Flying Geese Model) সঙ্গে তুলনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস পেয়েছেন। এ জন্য অনেকেই আশা করেছিলেন, উৎপাদনশীল ধনবাদী ধারায় বাংলাদেশও এবার নতুনভাবে পরিচালিত হবে।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, দেশের অর্থনীতিতে শিল্পের বিকাশ থেমে থাকেনি। জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হারেই তার প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চোখ ধাঁধানো অগ্রগতি ঘটেছে পোশাক শিল্প, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, ওষুধ শিল্প এবং চামড়া শিল্পে। কিছু ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পও পাওয়া যাবে, যা উপজেলা পর্যায়ে নতুন Growth Center-কে কেন্দ্র করে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এটাও সুস্পষ্ট যে, আমাদের শিল্প খাতের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে রফতানিমুখী শিল্প অর্থাৎ বাইরের অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল শিল্প। বস্তুত, বাংলাদেশে পোশাক শিল্পকে কেন্দ্র করেই সর্বপ্রথম একগুচ্ছ নতুন প্রজন্মের উৎপাদনশীল উদ্যোক্তার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু একই সঙ্গে এ কথাও সত্য যে, এই শিল্পে শোষণের হারও তীব্র। সুতরাং এই শিল্পের অগ্রগতি মূলত নির্ভর করছে এই শিল্পের মালিক মাঝারি ও বৃহৎ সংগঠক বুর্জোয়ারা দীর্ঘ মেয়াদি স্বার্থে শ্রমিকদের কল্যাণে তাদের অর্জিত মুনাফার একটি ক্ষুদ্র অংশ (আইনানুসারে তা হচ্ছে মুনাফার মাত্র ৫ শতাংশ) শ্রমিকদের বাসস্থান ও রেশনের জন্য প্রদানে সম্মত হবেন, নাকি রাষ্ট্রের সহায়তায় শিল্প পুলিশ দ্বারা এই শিল্পের ক্রমবর্ধমান শ্রমিক অসন্তোষের মোকাবেলা করবেন? তারা যদি প্রথম ইতিবাচক পথটি বেছে নেন এবং শিল্পে শান্তি ও প্রাথমিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন, তাহলে এ ক্ষেত্রে আরও বিকাশের জন্য পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের উচ্চতর দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং এই শিল্পে নতুন প্রযুক্তি এনে ও পশ্চাদবর্তী শিল্পে বিনিয়োগ করে বহুমুখী উৎপাদনে অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। এসব পরবর্তী ধাপের কাজ সরকার ও মালিকরা যৌথভাবে না করলে এই শিল্পের আরও উচ্চতর মাত্রায় উল্লল্ফম্ফন ঘটবে না। শ্রমঘন, স্বল্প মূল্য সংযোজক, নিচুমানের উৎপাদনের মধ্যেই তাদেরকে আটকে থাকতে হবে। 'পরিযায়ী পাখি'র মডেল তখন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
বিদেশের ওপর একপেশে নির্ভরতা কমাতে এবং পাশাপাশি সমগ্র বুর্জোয়া শ্রেণীকে উৎপাদনমুখী করতে অভ্যন্তরীণ বাজারের প্রসার ঘটানো, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখে চালের দাম ও অন্যান্য খাদ্যপণের দাম কম রাখা, বাসস্থানের ভাড়া কম রাখা, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস ইত্যাদির দাম কম রাখা, রাস্তাঘাট ও বন্দর সেবা উন্নত করা ইত্যাদি বিষয় জরুরিভাবে বিবেচনা করতে হবে। এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারকে অগ্রণী হতে হবে এবং বুর্জোয়াদের সে ক্ষেত্রে যথাযথ মাত্রায় কর প্রদান করে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ এসব খাতে বিনিয়োগ এবং সাময়িক ভর্তুকি প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিদেশি সাহায্য প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এইভাবে এক গুচ্ছ ইতিবাচক নীতি ও পদক্ষেপের মাধ্যমে এই উত্তরণকালীন অর্থনীতিতে মুদ্রাস্টম্ফীতি যদি কম রাখা যায়, শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ কমিয়ে আনা যায়, সুশিক্ষিত শ্রমিক বাহিনী সৃষ্টি করা যায়, জীবনযাত্রার ব্যয় কম থাকার দরুন ডলারে মজুরি তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম থাকে, ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসে, আমলা পুঁজির ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি ও দৌরাত্ম্য হ্রাস পায় এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মতো যদি কৃষি খাতে আংশিক হলেও কিছুটা ভূমি সংস্কার ও পরিবর্তিত ভূমি ব্যবহার নীতি কার্যকর করা যায়, তাহলে এই দেশের জাতীয় বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
আবার উল্টো দিক থেকে বলা যায় যে, যদি সাম্প্র্র্রতিক প্রবণতা অব্যাহত থাকে, পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, রেলে নিয়োগ বাণিজ্য, কুইক রেন্টাল ও জ্বালানি খাতের অন্যান্য টানাপড়েন অব্যাহত থাকে বা ভবিষ্যতে বহুগুণিত হারে আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে পরিস্থিতি জাতীয় বুর্জোয়ার বিকাশের জন্য অনুকূল থাকবে না। এর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি উপাদান হচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো এবং এশিয়ার দ্রুত বর্ধিষ্ণু দেশগুলোর (চীন ও ভারত) সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক সম্পর্ক কী আকার নেয় সেটি। এর ওপরেও নির্ভর করবে আমাদের এই দুর্নীতিবহুল বুর্জোয়া বিকাশের চরিত্র কতখানি জাতীয় স্বার্থের অনুকূল হবে সেটি। তবে আমাদের সাম্প্র্রতিক অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার সবচেয়ে বড় 'চুঁুষব' হচ্ছে এত দুর্নীতির মধ্যেও অর্থনীতি ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। দারিদ্র্যও প্রতি বছর ১.৫-২ শতাংশ হারে হ্রাস পাচ্ছে!
অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো :
প্রশ্ন-১. ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এবং প্রধান বিরোধী দলের মূল নীতিনির্ধারক কারা? বৃহৎ লুটেরা বুর্জোয়ারা, নাকি তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাজনীতিবিদরা, নাকি স্বাধীন রাজনীতিবিদরা, নাকি এসবের বহির্ভূত শক্তির একটি মিশ্র কোয়ালিশন, নাকি কোনো একক ব্যক্তি?
প্রশ্ন-২. আওয়ামী লীগ বা বিএনপি. যে দলই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকুক না কেন, তাদের ওপর বাইরের শক্তির প্রভাব বিশেষত, আমেরিকার প্রভাব এখন পর্যন্ত খুবই উচ্চ বলে প্রতীয়মান। এই দুই দলের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকরা জাতীয় স্বার্থে এই উচ্চ প্রভাব থেকে কতটুকু বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবেন? নাকি আদৌ মুক্ত হবেন না, নাকি আংশিকভাবে মুক্ত হবেন?
প্রশ্ন-৩. বর্তমানে বাংলাদেশে যে বা যারাই জাতীয় বুর্জোয়া রয়েছেন, তারা কি এই দুই দলের মধ্যেই নিজেদের প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট থাকবেন, নাকি তৃতীয় কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা বা রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলবেন?
প্রশ্ন-৪. যদি তারা এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেন, তাহলে এ ধরনের তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি কি কোনো 'দক্ষ স্বৈরতন্ত্র' বা কঠোর রাষ্ট্র (Hard State)) হবে, নাকি তা লুটেরা বুর্জোয়াবহির্ভূর্ত উৎপাদনশীল শ্রেণীগুলোর সংযুক্ত বৃহৎ গণতান্ত্রিক একটি মোর্চা হবে? সেই মোর্চায় কি দুই দল থেকেই অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল কোনো কোনো উপাদান যোগ দেবেন? বামপন্থিরা কোন দিকে থাকবেন?
প্রশ্ন-৫. নাকি সবই আমার জল্পনা-কল্পনা? এসব কিছুই হবে না। এখন যেমন চলছে, তেমনই চলতে থাকবে! দুর্নীতিও হবে, লুটপাটও চলবে; তারপরও কিছুটা প্রবৃদ্ধি হবে, চরম দারিদ্র্যও কিছুটা কমবে; শুধু বাড়তে থাকবে আপেক্ষিক বৈষম্য। এভাবেই দেশ চলছে এবং আরও দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলবে।
এসব প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর আমি জানি না। তাই প্রশ্নগুলো ও অনুমানগুলো উত্থাপন করেই আমার আলোচনা শেষ করছি।
ড. এমএম আকাশ :অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
October
(1721)
-
▼
Oct 26
(79)
- সম্পত্তি দখলে নিতে ভারসাম্যহীন গৃহবধূকে নির্মম নির...
- কয়েক গুণ বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছাড়ছে by মনোয়ারুল ই...
- ট্রিপল মার্ডারঃ পুলিশের দাবি মোবাইল সেটের জন্য এই খুন
- শুক্রবার দেশের ৯ জেলায় পালিত হচ্ছে ঈদ-উল-আযহা
- পার্কের জন্য ১০ কোটি ডলার অনুদান!
- রাখাইনে শিক্ষার্থীদের রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ
- লেবাননে নতুন সরকার গঠনে সর্বদলীয় বৈঠকের উদ্যোগ
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন- চূড়ান্ত প্রচারণায় ওব...
- সবুজ চা বয়স্ক নারীদের ক্যানসার-ঝুঁকি কমায়
- দাম কম, গরুর হাটে খামারিদের হা-হুতাশ
- পরোয়ানা লাইলী বেগমের নামে হাজতবাস আঞ্জুয়ারা বেগমের
- বেতন-বোনাসের দাবিতে সময় বেঁধে দিলেন পোশাকশ্রমিকেরা
- কালিয়াকৈর-নবীনগর ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গরুর ট্রাকে ...
- সৈয়দ আশরাফ বললেন-আলোচনা ছাড়া কম্পানি আইন সংশোধন নয়
- নাফিস ইস্যু-৬ দিনেও কনস্যুলার অ্যাকসেস পায়নি বাংলাদেশ
- লাব্বাইক লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান
- 'এর চেয়ে বাসের ছাদে যাওয়াই ভালো'
- অপরাধ স্বীকার করলেন ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডি by আশ...
- ভর্তি পরীক্ষায় দুজনের ফল হুবহু হওয়ায় সন্দেহ- বড় ভা...
- প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ফরিদপুর আওয়ামী লীগের নিন্দা-ক্ষোভ
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পথে দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্...
- ইকবাল হত্যা- ঢাকা থেকে একজন আটক, ওসিকে প্রত্যাহারে...
- কাল কোরবানির ঈদ
- সংকট কাটাতে ছুটছেন খালেদা জিয়া by মোশাররফ বাবলু
- হজ- হজ বিশ্ব মুসলিম ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক by ...
- লিবিয়া-৩- গাদ্দাফির অন্তিম প্রশ্নের উত্তর দেবে কে?...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার- সাংসদদের নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন ...
- সরকারের কথা ও কাজে মিল থাকা বাঞ্ছনীয়- সাত ধাপ পিছি...
- প্রশাসক নিয়োগের বিধান অযৌক্তিক- কোম্পানি আইন সংশোধন
- যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির পরও হামলা চালু রেখেছে আসাদ বা...
- জাতিসংঘের দারস্থ সুদান
- ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া শুরু
- স্মরণ- নাটোরের সেলিমকে মনে আছে? by গোলাম কামরান
- ইউরোপের জানালা- ইউরোপীয় ইউনিয়নের নোবেলপ্রাপ্তির পক...
- বিরোধী দল- বর্জনে কোনো অর্জন নেই by আলী ইমাম মজু...
- ভোট কারচুপি পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ায়...
- ব্রিটিশ এমপিদের আশঙ্কা- টেকসই আফগান রাষ্ট্র সম্ভব ...
- মারডকের মন্তব্যে চিন্তিত নেভাদার নারী ভোটাররা
- বিশ্লেষণ- মন্ত্রিসভায় রাহুলসহ তরুণেরা আসছেন
- পনির বেশি খেলে পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমে?
- গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত, ১০ ব্যবসায়ীর গরু নিয়ে ...
- দুই পক্ষের সংঘর্ষ, একজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫
- অবশেষে গরুর হাটটির নিয়ন্ত্রণ পেল সিটি করপোরেশন
- গাজীপুরে তিন পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক...
- নারায়ণস্বামী বললেন- বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্...
- অভিযোগ মির্জা ফখরুলের- অবৈধ পশুর হাট বসিয়ে চাঁদাবা...
- ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্মকর্তার জবানবন্দি- অর্থ পাচা...
- লঞ্চের ডেক ও ছাদে গিজগিজ করছে মানুষ
- ঈদুল আজহা- মনের পশুপ্রবৃত্তি ত্যাগ করতে হবে by ম...
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য হুমকি- ঠিকানার জন্য রি...
- উৎসবের আনন্দ অমলিন হোক- পবিত্র ঈদুল আজহা
- চারদিক- ৫০ বছরে আমাদের স্কুল! by সুব্রত ঘোষ
- গণরায়- উপনির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচনের শিক্ষা by ...
- বেতন, বোনাস না পেয়ে হল-মার্কের কারখানায় ভাঙচুর
- অনুপ্রবেশের চেষ্টা- বঙ্গোপসাগরে ৪২ ট্রলারে ভাসছে ত...
- বেশি দর নেওয়ায় মসলা বিক্রেতাদের আড়াই লাখ টাকা জরিম...
- মিয়ানমারে অস্থিরতায় জাতিসংঘের উদ্বেগ-নতুন সহিংসতায়...
- দেশে ২৫৫টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী? by পার্থ শঙ্কর সাহা
- ২৬ দিন পর রামু থেকে বুদ্ধমূর্তি উদ্ধার
- রাত পোহালেই ঈদ
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন- ডেস...
- এক-এগারোর চেষ্টা হলে ড. কামাল ও বি চৌধুরীকে প্রতিহ...
- ওবামার আগাম ভোট
- খুনের পর খুন-এখনো সময় আছে লাগাম টানার
- পবিত্র ঈদুল আজহা-সহমর্মিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত...
- চরাচর-সোনার সন্ধানে আমজাদ by এম হোসেইন
- কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-নিত্যদিন শিখি আমি শিখি নিত্যদিন...
- অবিশ্রান্ত লেখনী ফেলে চলে গেলেন সুনীল by আবু এন. এ...
- কোরবানির গোশত by কাজী কোহিনূর বেগম তিথি
- ঈদুল আজহার শিক্ষা by সরদার ইমরান হুসাইন
- আকিকা প্রসঙ্গে ইসলাম by মু. রফিউজ্জামান আকন্দ
- কোরবানি কী ও কেন? by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- এসো মা লক্ষ্মী by সৌম্য দেব
- কোরবানি ঈদের সংস্কৃতি by হাসান আবদুল কাইয়ূম
- অর্থনীতি-বুর্জোয়া শ্রেণীর বিকাশের গতিপ্রবণতা ও কতি...
- যৌতুকের অভিশাপ-পলি আর রেণুর ভাগ্য একই
- পবিত্র ঈদুল আজহা-উৎসর্গের মহিমায় চিরভাস্বর
- গণ্ডারের চামড়ার মানুষ by মোফাজ্জল করিম
- টক শোতে শাজাহান খান ও মিডিয়া by কাজী মুস্তাফিজ
-
▼
Oct 26
(79)
-
▼
October
(1721)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment