Sunday, August 19, 2012
কথোপকথন- গানের বাপ-বেটা- সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: সুমনা শারমীন
কথোপকথন- গানের বাপ-বেটা- সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: সুমনা শারমীন
সুমনা শারমীন: বাংলাদেশের দুই প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় শিল্পী, এবং কাকতালীয়ভাবে এঁরা দুজন একই পরিবারের সদস্য। একজন বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ, আরেকজন ছেলে হাবিব ওয়াহিদ। আমরা আনন্দিত যে দুজনকে একসঙ্গে পেয়ে গেলাম। প্রথমেই ফেরদৌস ওয়াহিদকে দিয়ে শুরু করব।
ফেরদৌস ওয়াহিদ যখন ‘এমন একটা মা দে না’ দিয়ে শুরু করলেন, তখন মোটামুটি ওনার সঙ্গে বাংলাদেশের সব তরুণ-তরুণী তো বটেই, আমার যত দূর মনে আছে, তাদের মা-বাবারাও ফেরদৌস ওয়াহিদের ভক্ত হয়ে গেলেন। সেই ফেরদৌস ওয়াহিদ, এখন এসে হাবিবের আমলেও যখন, ‘মামুনিয়া’ গান, তখন মনে হয়, এখনো ওই গানের বয়স বাড়েনি। ফেরদৌস ওয়াহিদ, আপনি কীভাবে দেখেন বিষয়টা?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: প্রথমত, আমি যেটা বিশ্বাস করতে চাই, সেটা বাংলা গানের একটা পরম পরশকাঠি। এরপর এটা ভাগ্যেরও একটি বিষয়। আছে অনুশীলন এবং সাধনার একটি ব্যাপার। যোগাযোগের বিষয়টাও আছে। এবং যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলারও ব্যাপারটা তো রয়েছেই। আমার মনে হয় যে এই তিনটির সমন্বয়ে আমি নিজেকে তৈরি করতে পেরেছি।
সুমনা শারমীন: তার মানে, আপনি যে তিনটি কথা বলেছেন, এর একটা হচ্ছে ভাগ্য, একটা হচ্ছে সাধনা আর শেষটা হচ্ছে যুগের সঙ্গে তাল মেলানো।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: হ্যাঁ, এ তিনটাকে আমি মনে করি আমার তরুণ থাকার মূল চাবিকাঠি।
সুমনা শারমীন: এখন আমরা যদি বলি—হাবিব ওয়াহিদ যদি সংগীতশিল্পী না হয়ে অন্য কিছু হতো, তা হলে কি আপনার মনে কোনো কষ্ট হতো?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: কষ্টের কারণ তো ছিল না। কারণ, আমি কখনো আশা করিনি ও সংগীতশিল্পী হবে। ও যখন সিক্সে পড়ত তখন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে ও সংগীতশিল্পী হবে। ও তো এসেই পড়েছে, তবে সংগীত অঙ্গনে এসে যদি ও কিছু না হতে পারত তা হলে কষ্ট হতো।
সুমনা শারমীন: যখন শুরু করলেন, তখন আপনার সময়ের আপনি, ফিরোজ সাঁই...আর কার কার কথা বলবেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খান, পিলু মমতাজ। সেই সময়ে পিলু মমতাজ আমার দেখা সবচেয়ে সাহসী নারী। একজন মেয়ে সেজেগুজে স্টেজে গান করবে, এমনটা বেশ কষ্টকর ছিল। পিলু মমতাজ সেটা করে দেখিয়েছেন। এর পরপরই এল ফকির আলমগীর... জিঙ্গাগোষ্ঠী। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তান থাকতে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। নাজমা জামান, শায়লা জামান তাঁরা দুই বোন ছিলেন, তাঁদের ভাই শাফায়েত। কাদেরি কিবরিয়াও ছিলেন।...স্বাধীনতাযুদ্ধের পর ‘উচ্চারণ’-এর যাত্রা শুরু।
সুমনা শারমীন: সেটা কি আজম খান দিয়ে শুরু?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খান হলেন প্রথম জনপ্রিয় শিল্পী। সাংগঠনিকভাবে ফিরোজ সাঁই অসাধারণ। সুতরাং দুজনকে দুই রকমভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। আজম খান অবশ্যই এ দেশের এযাবৎ কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। জনপ্রিয়তার মুকুটটা যদি কেউ প্রথম মাথায় পরে, সেটা আজম খান।
কিন্তু শুরুটা, সাংগঠনিক তৎপরতা যদি না চলত, ফিরোজ সাঁই যদি না হতেন, তা হলে আমাদের গানের ইতিহাসটা এমন হতোই না। কেননা ,আমার সঙ্গে আজম খানের পরিচয় ঘটিয়ে দেন ফিরোজ সাঁই। ওই সময় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ছিল...
সুমনা শারমীন: যেটা এখন রূপসী বাংলা...
ফেরদৌস ওয়াহিদ: সেখানে যাঁরা বাজাতেন, ওদের ধরে নিয়ে এসে সমন্বয় করে প্রথম গান রেকর্ড করা হলো। যে রেকর্ডে সহযোগিতা করলেন এনায়েতুল্লাহ খান। বর্তমানে ঢাকা কুরিয়ারের সম্পাদক। ক্যাটস আইয়ের মালিক সাঈদ সিদ্দিকী রুমী, শামীম, এখন মারা গেছে। এই তিনজনই সহযোগিতা করেছেন। আজম খানের বড় ভাই আলম খান ছিলেন। যেখান থেকে আজমের উত্থান।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আলম খানের তত্ত্বাবধানে সেখানে বেশির ভাগ গান করল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যারা বাজাত, তারাই। ইশতিয়াক ছিল, মোস্তাফিজুর রহমান সাহেবও ছিলেন। এহতেশাম সাহেবের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান কৃতী পরিচালক ছিলেন। পাকিস্তানের একজন জনপ্রিয় নায়ক নাদিমকে আবিষ্কার করেন এই মোস্তাফিজুর রহমান সাহেব। ওনার দুই ছেলে। ইদু ও ইশতিয়াক। তারা সেখানে বাজাত। তখন রোববার ছুটি ছিল। শনিবার বাজাত। এনায়েতুল্লাহ খানের কথা বলি। ও হলো আমার ক্লাসমেট। ওর বাবা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। ওর মাধ্যমেই আমি এই ইদু, ইশতিয়াকের সঙ্গে পরিচিত হই। ইদু, ইশতিয়াক যদি আমাদের ফিরোজ সাঁইয়ের প্রতিষ্ঠানে না আসত, তা হলে আজকের ইতিহাসটা হতো আরেক রকম। তখন লিলু গিটার বাজাত। ইশতিয়াক লিড গিটার আর ইদু আসল ড্রামসে। বেইজ গিটারে ছিল ল্যারি।
সুমনা শারমীন: এই প্ল্যাটফর্মটার নাম কী?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: তখন ছিল স্পন্দন। কিন্তু এই প্ল্যাটফর্ম থেকে যখন সিডি বের হয়, তখন যার যার নামে বের হয়। আমারটা বের হয় আমার নামে, আজম খানেরটা আজম খানের নামে। এবং সে সময় যখন এটা রিলিজ হয়, তখন ছিল রংবাজ ছবি। তখন তো সিডি ছিল না, ছিল লংপ্লে। তখন রংবাজ ছবির গান ‘সে যে কেন এল না’ বিক্রি হয়েছিল সাড়ে সাত হাজার কপি, সাড়ে সাত হাজার কপি বিক্রি মানে সুপার-ডুপার হিট। তখন একটা গ্রামোফোন রেকর্ড ছিল থার্টি থ্রি আরপিএম। দাম ছিল সাড়ে সাত টাকা। তখন আজমেরটা সাড়ে সাত হাজার কপিও পার হয়েছে। ‘সে যে কেন এল না’র শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আজম খানের ‘সালেকা মালেকা’ ‘হাইকোর্টের মাজারে’ গানের পর তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এখানে আরেকটি বিষয় বলতে চাই—আজম খান আমাদের দেশের সংগীতাঙ্গনের তারকা শিল্পী বটে, কিন্তু তাঁকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। বলা হয় আজম খান পপস্টার। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তিনি হলেন রকস্টার।
সুমনা শারমীন: আপনাদের সংগীত ঘরানা, পুরো ধরনটাকেই কি আপনি রক বলতে চান?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: না। আজমেরটা রক। কিন্তু আমারটা আবার পপ। পপ ও রক সংগীতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রকের ধরন অনেকটা ভাবলেশহীন। এই শিল্পীদের পোশাক ও আচরণ সবকিছুর মধ্যেই এ ব্যাপারটি আছে। এমনকি তাদের গায়নশৈলীটাও চড়া মাত্রায় বাঁধা। পপসংগীতের গায়নভঙ্গি একটু ভিন্নতর। পপ হলো ডিজাইনেবল একটি ধারা। এর মধ্যে ঢং আছে। ড্রেসের একটা ব্যাপার থাকে। গায়কির একটা ব্যাপার থাকে। ছন্দের একটা ব্যাপার থাকে। এদিক থেকে আমি বলব আমি রকস্টার নই। কিন্তু আজমকে আমি রকস্টারই বলব।
সুমনা শারমীন: শিল্পীজীবনের এ পর্যায়ে পৌঁছে আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়—আপনার টার্নিং পয়েন্ট কোনটি? সেটা কি ‘এমন একটা মা দে না’?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: অবশ্যই। ‘এমন একটা মা দে না’র প্রসঙ্গে এখানে একটি ছোট্ট কাহিনি উল্লেখ করতে চাই। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তখন টেলিভিশনে সপ্তবর্ণা নামে একটি অনুষ্ঠান করতেন। তিনি ঢাকা কলেজে আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন। একদিন তিনি আমাকে ডেকে বললেন, ‘ফেরদৌস, আমি টিভিতে একটি অনুষ্ঠান করছি।’ তখন আমি স্যারকে বললাম, স্যার, আমার একটি অনুরোধ রাখতে হবে। আমাকে আপনার অনুষ্ঠানের শেষ দিকে একটি গান করতে দিতে হবে। এবং গানটিতে আমি লিপসিং করতে চাই। বলে রাখা ভালো, তখনো টিভিতে লিপসিংয়ের চল ছিল না। সরাসরি গান রেকর্ড করা হতো। ‘এমন একটা মা দে না’র মাধ্যমে আমি প্রথম লিপসিং শুরু করি। প্রথমেই স্যারকে আমি গানটি গেয়ে শোনাই। স্যার উচ্ছ্বসিত হয়ে আমাকে বললেন, ‘গানটি তো আমি অনুষ্ঠানে রাখবই, তোমাকে বলে রাখি, গানটি শুধু এখন নয়, আজ থেকে বিশ বছর পরও সমান জনপ্রিয় থাকবে।’ স্যারের সে অনুমান মিথ্যা হয়নি। গানটি ১৯৭৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিটিভিতে প্রচারিত হয়েছিল। প্রচারের পর থেকে গানটি হিট। তখন বুঝলাম, দর্শক আমার গান গ্রহণ করেছে।
সুমনা শারমীন: গানের সঙ্গে আপনি পারফরম্যান্সও করেন। মানে বলতে চাইছি, একধরনের নৃত্যভঙ্গিমা থাকে আপনার মধ্যে। নাচটি কোথা থেকে শিখলেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আমার শৈশব কেটেছে কানাডায়। পাশ্চাত্যের বিভিন্ন শিল্পী—যেমন এলভিস প্রিসলির শোগুলো আমি দেখেছি। টিভিতেও দেখেছি। দেখেছি অ্যাঙ্গেল বার্ড, হ্যাম্পারটিং, জনি ক্যাশ, টম জোনসের গান। ভাবতাম, বাংলাদেশে কখনো যদি আমি গান গাইতে পারি, এমনভাবেই গাইব।
সুমনা শারমীন: আপনার বন্ধুদের মধ্যে কার গানের রেকর্ড আগে বের হয়েছিল? আপনার, না আজম খানের?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খানের। তখন মজিদ খান সাহেব ঢাকা রেকর্ড কোম্পানিতে ছিলেন। তিনি আমাকে খুব আদর করতেন। একদিন তিনি বললেন, কার রেকর্ড আগে বের করব? তোমার না আজমের? আমি বললাম, আজমের। মজার ব্যাপার হলো, আজম নিজেও জানত না, তার রেকর্ড বের হয়েছে। মজিদ খান আমার হাতে আজমের রেকর্ডটি দিলেন এবং আমি সেটা লুকিয়ে নিয়ে তার বাসায় গেলাম। আমরা মোট নয়জন ছিলাম। তাকে বললাম, আগে ভরপেট খাওয়া। আমার স্পষ্ট মনে আছে, আজম মোট ৪৬ টাকা খরচ করে শিঙাড়াসহ অনেক কিছু খাওয়াল। এরপর আজমকে আমি রেকর্ডটি দিলাম। সে এত খুশি হলো...তার সেই উচ্ছল মুখ আমার এখনো মনে পড়ে। আসলে মানুষের স্বীকৃতিই তো তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আমার টার্নিং পয়েন্ট যেমন ‘এমন একটা মা দে না’, তেমনি আজমের টার্নিং পয়েন্ট ওর এই রেকর্ডটি।
সুমনা শারমীন: আপনার এবং আজম খানের কথা তো শুনলাম। এবার ফিরোজ সাঁই সম্পর্কে বলুন। তাঁর টার্নিং পয়েন্ট কী?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: এটা একটা মজার ঘটনা। ও আমাদের জন্য অনেক কিছু করত। একদিন আমি তাকে বললাম, তুই যে আমাদের জন্য এত কিছু করছিস, তোর জন্য আমরা কী করতে পারি বল। তখন সে আমাকে বলল, আমার জন্য আর কে কী করবে? আমি যদি দুটো গান করতে পারতাম। এরপর আমি আর ওকে কিছু বলিনি। আমি সোজা ইপ্সা রেকর্ডিং স্টুডিওতে চলে গেলাম। ওটা ছিল বিজয়নগরে। ওই স্টুডিওর মালিক আমার পূর্বপরিচিত। তাকে গিয়ে বললাম, আমি ফিরোজ সাঁইয়ের দুটো গান রেকর্ড করতে চাই। তখন পর্যন্ত কিন্তু ফিরোজ এসবের বিন্দুবিসর্গও জানে না। পরে গান রেকর্ডের কথা শুনে ও তো অবাক। এরপর ওর দুটো গান রেকর্ড হলো—‘মন তুই চিনলি না রে’, আর একটা ‘সাধের লাউ’। গান রেকর্ডের পর ফিরোজ সাঁই সুপারহিট। ‘মন তুই চিনলি না রে’ ওর টার্নিং পয়েন্ট।
সুমনা শারমীন: ‘স্কুল খুইলাছে রে মাওলা’ কি আরও পরে এল?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: হ্যাঁ, পরে।
সুমনা শারমীন: কখনো কি এ রকম অভিযোগ আপনাদের শুনতে হয়েছে—তোমরা তো বিজাতীয় সংস্কৃতি আমদানি করে আমাদের ডুবিয়ে দিচ্ছ। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, দেশ স্বাধীন করেছি, কিন্তু তোমরা বাঙালি সংস্কৃতির পরিপন্থী বিষয়গুলো আমদানি করছ?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: প্রচুর, প্রচুর। এ রকম অভিযোগ এসেছিল কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর কাছ থেকে। আমি এখন আর তাঁদের নাম বলতে চাইছি না। তাঁরা সরাসরি নাক সিঁটকিয়েছিলেন। আবার বেশ কয়েকটি পত্রপত্রিকাও আমাদের বিরুদ্ধে লিখেছিল। কিন্তু যৌবনস্রোতের কাছে তাঁরা হেরে গেছেন।
সুমনা শারমীন: আমরা এতক্ষণ ফেরদৌস ওয়াহিদের কথা শুনেছি। এবার তাঁর ছেলে হাবিব ওয়াহিদের কাছে আসব। আপনি যখন প্রথম গান শুনেছেন, তখন কাদের গান আকৃষ্ট করেছে?
হাবিব ওয়াহিদ: ছেলেবেলা থেকেই বাবার ইনস্ট্রুমেন্ট এবং বিভিন্ন সংগীতশিল্পীকে দেখতে দেখতে বড় হয়েছি। আমার যত দূর মনে পড়ে, ভারতীয় কোনো একটি সংগীত আমাকে প্রথম আকৃষ্ট করেছিল। তবে সেটি বাবার নয়, ছিল আমার মায়ের সংগ্রহ।
সুমনা শারমীন: আমাদের দেশের কোন শিল্পীর গান প্রথম আপনার ভালো লেগেছিল?
হাবিব ওয়াহিদ: সত্যি বলতে কি, আমার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেনি। আসলে ঘরেই দেখতাম, বাবা গান করছেন, মা গান শুনছেন, ফলে তখন সেই ছেলেবেলায় এ রকম কোনো ভালো লাগাকে বুঝতে পারিনি।
সুমনা শারমীন: কোন সময় থেকে বাংলাদেশের গানের প্রতি আপনার আকর্ষণ তৈরি হলো?
হাবিব ওয়াহিদ: সেটা আমার টিনএজ বয়সে, ওই সময়টা থেকে শুরু। মানে নিজের উৎসাহে গান শোনা শুরু হলো। তবে বাংলা গানের চেয়ে ইংরেজি গান আমি বেশি শুনতাম। বাংলা গানের মধ্যে প্রথম যাঁদের গান পছন্দ হলো, যাঁদের গান অনুভব করতে শুরু করলাম, তাঁরা হলেন, ফিডব্যাক। সে সময়ে ফিডব্যাকে মাকসুদ ভাই ছিলেন। ফিডব্যাক তখন পাশ্চাত্য ধারায় বাংলা গান করত। ফিডব্যাকের পর মাইলস এবং এলআরবি—এদের গানেও ভীষণ রকম মজা পেয়েছি। এ ছাড়া আমাকে আরও একটি ব্যান্ড আকৃষ্ট করেছে, সেটা হলো আর্ক।
সুমনা শারমীন: আমরা চারটি ব্যান্ডদলকে পেলাম—ফিডব্যাক, মাইলস, এলআরবি, আর্ক। আর্কের সদস্যরা কি জানতেন যে তাঁদের গান আপনার এত ভালো লাগে?
হাবিব ওয়াহিদ: এখানে একটা মজা আছে। আমি তো আর্কের ভয়াবহ ফ্যান, বিশেষত টুলু ভাইয়ের। এর মধ্যে আবার মাইলসের মানাম আহমেদ এবং কি-বোর্ডিস্ট হিসেবে শওকত আলী ইমনেরও খুব ভক্ত ছিলাম আমি। তিনি প্রায়ই আমাদের বাসায় আসতেন। কি-বোর্ড বাজাতেন। ওখানেই আমি তাঁর প্লেয়িং দেখি এবং ভক্ত হয়ে যাই। আমার বয়স যখন সতেরো, তখন আমাদের নিজেদের একটা ব্যান্ড ছিল—বন্ধুরা মিলে করেছিলাম। ওখানে বালাম ছিল। আমাদের বাসার পাশে ছিল ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়ার বাড়ি। ওনার ছেলে রিপন, ও ছিল আমাদের ‘ফিরোজ সাঁই’। মানে সাংগঠনিক কাজকর্মে খুবই দক্ষ। সে বেইজ গিটার বাজাত। গানের খুব ভক্ত ছিল। তখন ব্যান্ডের জোয়ার। তো রিপন ভাই, খুব ছোট্ট পরিসরে হলেও আমাদের জড়ো করে একটা ব্যান্ডদল গঠন করেছিলেন। এটা তিরানব্বই সালের কথা। এ সময় একটা মজার ঘটনা ঘটল। আর্কে বাজানোর ডাক পেলাম আমি। এটা ছিল আমার কাছে অভিভূত হওয়ার মতো একটি ঘটনা। আমি যাদের ফ্যান, তাদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছি, কথা বলছি, সে বয়সে এটা বিরাট ব্যাপার ছিল আমার কাছে। আর্কে দু-এক বছর বাজানোর পরই আমি লন্ডন চলে গেলাম।
সুমনা শারমীন: আপনার লন্ডন যাওয়ার গল্প শুনতে চাই...
হাবিব ওয়াহিদ: এটা আমার জীবনের খুব আকস্মিক ঘটনা। এ ঘটনাই হয়তো আমার জীবন বদলে দিয়েছে। ইন্টারমিডিয়েটের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে পরীক্ষা দিলাম, চান্স পেলাম না। অন্য কোথাও চান্স পেলাম না। আমার মায়ের তো খুব মন খারাপ। আমি ভাবছি কী আর করা, এবার প্রাইভেটে ভর্তি হতে হবে। এ সময় চিশতি ভাইয়ের (ব্যারিস্টার) সঙ্গে দেখা। তিনি রিপন ভাইয়ের বন্ধু, আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় অনেক আগ থেকে। তিনি লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তেন। আমার সঙ্গে দেখা হতেই জানতে চাইলেন, কী করছি আমি। তাঁকে বললাম, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইনি। তখন তিনি আমাকে বললেন, লন্ডনে চলো। আমি বললাম, মানে, ওখানে গিয়ে আমি কী করব? আমার মা শুনলে তো হার্টফেল করবে। এক ছেলে বলে তিনি কখনো আমাকে কাছ ছাড়া হতে দেন না। এরপর চিশতি ভাই আমাকে তাঁর কলেজে ডিপ্লোমা ইন ল-এর কোর্সে ভর্তি হতে পরামর্শ দিলেন। বললেন, তুই এখানে আগে ভর্তি হ, পরে দেখে-শুনে মিউজিকের ওপর পড়ালেখা করিস। যাহোক বেশ ভয়ে ভয়ে বাড়িতে এসে মাকে কথাটি বললাম। মা যথারীতি যেতে না দেওয়ার পক্ষে। তবে বাবা ছিলেন পজিটিভ। বাবাকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে চিশতি ভাইয়েরও ভূমিকা ছিল। চিশতি ভাইয়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। নিজের অজান্তেই তিনি আমার জীবন বদলে দিয়েছেন।
সুমনা শারমীন: লন্ডন এবং হাবিবের প্রকাশ নিয়ে বলুন।
হাবিব ওয়াহিদ: লন্ডন যাওয়ার পর আমি প্রথম বাংলাদেশের ফোক মিউজিক শুনি। বাংলাদেশে থাকাবস্থায় লোকসংগীতের প্রতি আমার তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। কারণ, আমি সব সময় প্রচলিত লোকসংগীত শুনেছি। যেমন ‘সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী’ ইত্যাদি। লন্ডন গিয়ে আমি সিলেটি লোকসংগীত শুনলাম। ওগুলো আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করল। সিলেটের ফোকগানগুলো নতুন মনে হলো আমার কাছে। শুনলাম হাছন রাজা, শাহ আবদুল করিম—এঁদের অসাধারণ গানগুলো। এ সময় আমার মনে হলো, আমি নতুন একটি ভান্ডারের সামনে দাঁড়িয়ে। আমি মিউজিক করব সেটা আগেই ঠিক করে ফেলেছিলাম। সেটা রিমিক্স বা মৌলিক গান যা-ই হোক না কেন। লন্ডনে থাকতেই পরিকল্পনা করলাম, কোর্স শেষ হলে দেশে ফিরে আমি নিজে একটা স্টুডিও দেব। এখানে মানুষজন আসবে, মিউজিক হবে। কিন্তু কৃষ্ণ অ্যালবামটা যে করলাম, এটা অনেকটা খেয়ালের বশেই। সত্যি বলতে কি, এই অ্যালবামটি অনেকটা ফান করতে করতে তৈরি হয়েছে। এই অ্যালবামের গানগুলোয় আমি আধুনিক মিউজিকের সঙ্গে ফোক মিউজিকের ফিউশন ঘটিয়ে দেখতে চেয়েছি কেমন লাগে শুনতে। দেখলাম, ভালোই লাগছে। ফলে অ্যালবামটি বের করলাম। কায়ার গাওয়া।
সুমনা শারমীন: কৃষ্ণ তো বাংলাদেশ থেকে বের হয়েছে?
হাবিব ওয়াহিদ: হ্যাঁ, বাংলাদেশ থেকে বের হয়েছে। তবে পুরো অ্যালবামের কাজ করেছি লন্ডনে। লন্ডন থেকে ফিরে আসার সময় আমি কৃষ্ণর গানের সিডি সঙ্গে নিয়ে আসি এবং বাংলাদেশে এসে রিলিজ করি।
সুমনা শারমীন: তা হলে হাবিব ওয়াহিদের টার্নিং পয়েন্ট হলো কৃষ্ণ?
হাবিব ওয়াহিদ: হ্যাঁ, কৃষ্ণ। কৃষ্ণ আমাকে ভিন্নধর্মী এক ভ্রমণের মুখোমুখি করেছে। কৃষ্ণ না বের হলে হয়তো আমি আমার নিজের গানই করতাম।
সুমনা শারমীন: কৃষ্ণ কেন মানুষ পছন্দ করল?
হাবিব ওয়াহিদ: কৃষ্ণর মধ্যে একটা ফ্রেশ সাউন্ড আছে। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর এ রকম ফ্রেশ সাউন্ড পেল। নতুন একটা সাউন্ড। এ জন্যই মানুষ অ্যালবামটি গ্রহণ করেছে।
সুমনা শারমীন: হাবিব এখন খুব বড় একজন মিউজিশিয়ান। সে যদি আপনার ছেলে না হতো এবং সে যদি আপনার ‘এমন একটা মা দে না’ গানটি নতুন করে গাইত, বিষয়টাকে আপনি কীভাবে দেখতেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: খুব ভালো লাগত। আমি ৪০ বছর ধরে গাইছি। এখন নতুন কারও গাওয়া উচিত।
সুমনা শারমীন: আমরা সাক্ষাৎকারের প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। এখন পিতা ফেরদৌস ওয়াহিদের কাছে জানতে চাই—পুত্র হাবিব ওয়াহিদের সবচেয়ে ভালো গুণ কোনটা?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: ওর সবচেয়ে ভালো গুণ হলো নিজের প্রতি নিজের সততা। ও যদি কোনো খারাপ কাজ করে, সেটাও ও অকপটে স্বীকার করতে পারে। আর ভালো কাজ করলে তো কথাই নেই। এ তো বললাম, মানুষ হিসেবে আমার ছেলে হাবিবের কথা। এবার যদি সংগীত পরিচালক হাবিব সম্পর্কে বলতে চাই, তবে একবাক্যে বলব, ওর শতকরা ৯০ ভাগই ভালো। কাজের ব্যাপারে ওর পেশাদারি মনোভাব প্রচণ্ড। ও সংগীতের প্রতি সৎ।
সুমনা শারমীন: বাবা হিসেবে হাবিবের কোন জিনিসটি বদলে গেলে আপনি খুশি হবেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: রাগ, ওর রাগটা বদলে গেলে আমার ভালো লাগবে।
সুমনা শারমীন: এবার হাবিবের কাছে তাঁর বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ সম্পর্কে জানতে চাই।
হাবিব ওয়াহিদ: বাবা যেমন আমার সম্পর্কে পুরোপুরি বলতে পারলেন, আমি তাঁর সম্পর্কে তেমনভাবে বলতে পারব না। কেননা বাবা আমাকে জন্ম থেকে দেখে আসছেন। কিন্তু আমি যখন বাবাকে দেখি, যখন থেকে বাবাকে বুঝতে শিখলাম, তখন তিনি জীবনের অনেকটা পথ পার করে ফেলেছেন। এর পরও বলব, বাবাকে যত দূর দেখেছি, উনি খুব সাধারণ। এটা যেমন তাঁর ভালো গুণ, তেমনি আবার খারাপ গুণও এটি। এ ছাড়া কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ সম্পর্কে বলব যে তাঁর কণ্ঠটি ভিন্ন রকম। কিন্তু তাঁর সঠিক ব্যবহার হয়নি।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: ভাগ্যেরও ব্যাপার এটা।
হাবিব ওয়াহিদ: বাবার সঙ্গে আমার একটা মতপার্থক্য আছে। বাবা বলেন ভাগ্যের কথা। আমি মনে করি, সবটাই ভাগ্য নয়। এ আর রহমানের জীবনী থেকে জেনেছি, কতটা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন তিনি। সেই এ আর রহমান আজকে কোথায়? ম্যাডোনা তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চান। বিনয়ী কিন্তু ভারতীয় গৌরব ধারণ করা এ আর রহমান তাঁকে উত্তর দেন ‘ম্যাডোনাজি’ সম্বোধন করে। এ আর রহমানের জীবনযাপন নিয়মতান্ত্রিক। খ্যাতির চূড়ান্তে থেকেও তিনি পা পিছলে যাননি। নারীঘটিত স্ক্যান্ডাল নেই তাঁর। ধূমপান পর্যন্ত করেন না। তিনি আছেন তাঁর সংগীত সাধনা নিয়েই। একটা পেতে হলে আর একটা ছাড়তে হয়।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: প্রথমত, আমি যেটা বিশ্বাস করতে চাই, সেটা বাংলা গানের একটা পরম পরশকাঠি। এরপর এটা ভাগ্যেরও একটি বিষয়। আছে অনুশীলন এবং সাধনার একটি ব্যাপার। যোগাযোগের বিষয়টাও আছে। এবং যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলারও ব্যাপারটা তো রয়েছেই। আমার মনে হয় যে এই তিনটির সমন্বয়ে আমি নিজেকে তৈরি করতে পেরেছি।
সুমনা শারমীন: তার মানে, আপনি যে তিনটি কথা বলেছেন, এর একটা হচ্ছে ভাগ্য, একটা হচ্ছে সাধনা আর শেষটা হচ্ছে যুগের সঙ্গে তাল মেলানো।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: হ্যাঁ, এ তিনটাকে আমি মনে করি আমার তরুণ থাকার মূল চাবিকাঠি।
সুমনা শারমীন: এখন আমরা যদি বলি—হাবিব ওয়াহিদ যদি সংগীতশিল্পী না হয়ে অন্য কিছু হতো, তা হলে কি আপনার মনে কোনো কষ্ট হতো?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: কষ্টের কারণ তো ছিল না। কারণ, আমি কখনো আশা করিনি ও সংগীতশিল্পী হবে। ও যখন সিক্সে পড়ত তখন আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে ও সংগীতশিল্পী হবে। ও তো এসেই পড়েছে, তবে সংগীত অঙ্গনে এসে যদি ও কিছু না হতে পারত তা হলে কষ্ট হতো।
সুমনা শারমীন: যখন শুরু করলেন, তখন আপনার সময়ের আপনি, ফিরোজ সাঁই...আর কার কার কথা বলবেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খান, পিলু মমতাজ। সেই সময়ে পিলু মমতাজ আমার দেখা সবচেয়ে সাহসী নারী। একজন মেয়ে সেজেগুজে স্টেজে গান করবে, এমনটা বেশ কষ্টকর ছিল। পিলু মমতাজ সেটা করে দেখিয়েছেন। এর পরপরই এল ফকির আলমগীর... জিঙ্গাগোষ্ঠী। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তান থাকতে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। নাজমা জামান, শায়লা জামান তাঁরা দুই বোন ছিলেন, তাঁদের ভাই শাফায়েত। কাদেরি কিবরিয়াও ছিলেন।...স্বাধীনতাযুদ্ধের পর ‘উচ্চারণ’-এর যাত্রা শুরু।
সুমনা শারমীন: সেটা কি আজম খান দিয়ে শুরু?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খান হলেন প্রথম জনপ্রিয় শিল্পী। সাংগঠনিকভাবে ফিরোজ সাঁই অসাধারণ। সুতরাং দুজনকে দুই রকমভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। আজম খান অবশ্যই এ দেশের এযাবৎ কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। জনপ্রিয়তার মুকুটটা যদি কেউ প্রথম মাথায় পরে, সেটা আজম খান।
কিন্তু শুরুটা, সাংগঠনিক তৎপরতা যদি না চলত, ফিরোজ সাঁই যদি না হতেন, তা হলে আমাদের গানের ইতিহাসটা এমন হতোই না। কেননা ,আমার সঙ্গে আজম খানের পরিচয় ঘটিয়ে দেন ফিরোজ সাঁই। ওই সময় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ছিল...
সুমনা শারমীন: যেটা এখন রূপসী বাংলা...
ফেরদৌস ওয়াহিদ: সেখানে যাঁরা বাজাতেন, ওদের ধরে নিয়ে এসে সমন্বয় করে প্রথম গান রেকর্ড করা হলো। যে রেকর্ডে সহযোগিতা করলেন এনায়েতুল্লাহ খান। বর্তমানে ঢাকা কুরিয়ারের সম্পাদক। ক্যাটস আইয়ের মালিক সাঈদ সিদ্দিকী রুমী, শামীম, এখন মারা গেছে। এই তিনজনই সহযোগিতা করেছেন। আজম খানের বড় ভাই আলম খান ছিলেন। যেখান থেকে আজমের উত্থান।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আলম খানের তত্ত্বাবধানে সেখানে বেশির ভাগ গান করল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যারা বাজাত, তারাই। ইশতিয়াক ছিল, মোস্তাফিজুর রহমান সাহেবও ছিলেন। এহতেশাম সাহেবের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান কৃতী পরিচালক ছিলেন। পাকিস্তানের একজন জনপ্রিয় নায়ক নাদিমকে আবিষ্কার করেন এই মোস্তাফিজুর রহমান সাহেব। ওনার দুই ছেলে। ইদু ও ইশতিয়াক। তারা সেখানে বাজাত। তখন রোববার ছুটি ছিল। শনিবার বাজাত। এনায়েতুল্লাহ খানের কথা বলি। ও হলো আমার ক্লাসমেট। ওর বাবা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। ওর মাধ্যমেই আমি এই ইদু, ইশতিয়াকের সঙ্গে পরিচিত হই। ইদু, ইশতিয়াক যদি আমাদের ফিরোজ সাঁইয়ের প্রতিষ্ঠানে না আসত, তা হলে আজকের ইতিহাসটা হতো আরেক রকম। তখন লিলু গিটার বাজাত। ইশতিয়াক লিড গিটার আর ইদু আসল ড্রামসে। বেইজ গিটারে ছিল ল্যারি।
সুমনা শারমীন: এই প্ল্যাটফর্মটার নাম কী?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: তখন ছিল স্পন্দন। কিন্তু এই প্ল্যাটফর্ম থেকে যখন সিডি বের হয়, তখন যার যার নামে বের হয়। আমারটা বের হয় আমার নামে, আজম খানেরটা আজম খানের নামে। এবং সে সময় যখন এটা রিলিজ হয়, তখন ছিল রংবাজ ছবি। তখন তো সিডি ছিল না, ছিল লংপ্লে। তখন রংবাজ ছবির গান ‘সে যে কেন এল না’ বিক্রি হয়েছিল সাড়ে সাত হাজার কপি, সাড়ে সাত হাজার কপি বিক্রি মানে সুপার-ডুপার হিট। তখন একটা গ্রামোফোন রেকর্ড ছিল থার্টি থ্রি আরপিএম। দাম ছিল সাড়ে সাত টাকা। তখন আজমেরটা সাড়ে সাত হাজার কপিও পার হয়েছে। ‘সে যে কেন এল না’র শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। এরপর আজম খানের ‘সালেকা মালেকা’ ‘হাইকোর্টের মাজারে’ গানের পর তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এখানে আরেকটি বিষয় বলতে চাই—আজম খান আমাদের দেশের সংগীতাঙ্গনের তারকা শিল্পী বটে, কিন্তু তাঁকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। বলা হয় আজম খান পপস্টার। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তিনি হলেন রকস্টার।
সুমনা শারমীন: আপনাদের সংগীত ঘরানা, পুরো ধরনটাকেই কি আপনি রক বলতে চান?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: না। আজমেরটা রক। কিন্তু আমারটা আবার পপ। পপ ও রক সংগীতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রকের ধরন অনেকটা ভাবলেশহীন। এই শিল্পীদের পোশাক ও আচরণ সবকিছুর মধ্যেই এ ব্যাপারটি আছে। এমনকি তাদের গায়নশৈলীটাও চড়া মাত্রায় বাঁধা। পপসংগীতের গায়নভঙ্গি একটু ভিন্নতর। পপ হলো ডিজাইনেবল একটি ধারা। এর মধ্যে ঢং আছে। ড্রেসের একটা ব্যাপার থাকে। গায়কির একটা ব্যাপার থাকে। ছন্দের একটা ব্যাপার থাকে। এদিক থেকে আমি বলব আমি রকস্টার নই। কিন্তু আজমকে আমি রকস্টারই বলব।
সুমনা শারমীন: শিল্পীজীবনের এ পর্যায়ে পৌঁছে আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়—আপনার টার্নিং পয়েন্ট কোনটি? সেটা কি ‘এমন একটা মা দে না’?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: অবশ্যই। ‘এমন একটা মা দে না’র প্রসঙ্গে এখানে একটি ছোট্ট কাহিনি উল্লেখ করতে চাই। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তখন টেলিভিশনে সপ্তবর্ণা নামে একটি অনুষ্ঠান করতেন। তিনি ঢাকা কলেজে আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন। একদিন তিনি আমাকে ডেকে বললেন, ‘ফেরদৌস, আমি টিভিতে একটি অনুষ্ঠান করছি।’ তখন আমি স্যারকে বললাম, স্যার, আমার একটি অনুরোধ রাখতে হবে। আমাকে আপনার অনুষ্ঠানের শেষ দিকে একটি গান করতে দিতে হবে। এবং গানটিতে আমি লিপসিং করতে চাই। বলে রাখা ভালো, তখনো টিভিতে লিপসিংয়ের চল ছিল না। সরাসরি গান রেকর্ড করা হতো। ‘এমন একটা মা দে না’র মাধ্যমে আমি প্রথম লিপসিং শুরু করি। প্রথমেই স্যারকে আমি গানটি গেয়ে শোনাই। স্যার উচ্ছ্বসিত হয়ে আমাকে বললেন, ‘গানটি তো আমি অনুষ্ঠানে রাখবই, তোমাকে বলে রাখি, গানটি শুধু এখন নয়, আজ থেকে বিশ বছর পরও সমান জনপ্রিয় থাকবে।’ স্যারের সে অনুমান মিথ্যা হয়নি। গানটি ১৯৭৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিটিভিতে প্রচারিত হয়েছিল। প্রচারের পর থেকে গানটি হিট। তখন বুঝলাম, দর্শক আমার গান গ্রহণ করেছে।
সুমনা শারমীন: গানের সঙ্গে আপনি পারফরম্যান্সও করেন। মানে বলতে চাইছি, একধরনের নৃত্যভঙ্গিমা থাকে আপনার মধ্যে। নাচটি কোথা থেকে শিখলেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আমার শৈশব কেটেছে কানাডায়। পাশ্চাত্যের বিভিন্ন শিল্পী—যেমন এলভিস প্রিসলির শোগুলো আমি দেখেছি। টিভিতেও দেখেছি। দেখেছি অ্যাঙ্গেল বার্ড, হ্যাম্পারটিং, জনি ক্যাশ, টম জোনসের গান। ভাবতাম, বাংলাদেশে কখনো যদি আমি গান গাইতে পারি, এমনভাবেই গাইব।
সুমনা শারমীন: আপনার বন্ধুদের মধ্যে কার গানের রেকর্ড আগে বের হয়েছিল? আপনার, না আজম খানের?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: আজম খানের। তখন মজিদ খান সাহেব ঢাকা রেকর্ড কোম্পানিতে ছিলেন। তিনি আমাকে খুব আদর করতেন। একদিন তিনি বললেন, কার রেকর্ড আগে বের করব? তোমার না আজমের? আমি বললাম, আজমের। মজার ব্যাপার হলো, আজম নিজেও জানত না, তার রেকর্ড বের হয়েছে। মজিদ খান আমার হাতে আজমের রেকর্ডটি দিলেন এবং আমি সেটা লুকিয়ে নিয়ে তার বাসায় গেলাম। আমরা মোট নয়জন ছিলাম। তাকে বললাম, আগে ভরপেট খাওয়া। আমার স্পষ্ট মনে আছে, আজম মোট ৪৬ টাকা খরচ করে শিঙাড়াসহ অনেক কিছু খাওয়াল। এরপর আজমকে আমি রেকর্ডটি দিলাম। সে এত খুশি হলো...তার সেই উচ্ছল মুখ আমার এখনো মনে পড়ে। আসলে মানুষের স্বীকৃতিই তো তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আমার টার্নিং পয়েন্ট যেমন ‘এমন একটা মা দে না’, তেমনি আজমের টার্নিং পয়েন্ট ওর এই রেকর্ডটি।
সুমনা শারমীন: আপনার এবং আজম খানের কথা তো শুনলাম। এবার ফিরোজ সাঁই সম্পর্কে বলুন। তাঁর টার্নিং পয়েন্ট কী?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: এটা একটা মজার ঘটনা। ও আমাদের জন্য অনেক কিছু করত। একদিন আমি তাকে বললাম, তুই যে আমাদের জন্য এত কিছু করছিস, তোর জন্য আমরা কী করতে পারি বল। তখন সে আমাকে বলল, আমার জন্য আর কে কী করবে? আমি যদি দুটো গান করতে পারতাম। এরপর আমি আর ওকে কিছু বলিনি। আমি সোজা ইপ্সা রেকর্ডিং স্টুডিওতে চলে গেলাম। ওটা ছিল বিজয়নগরে। ওই স্টুডিওর মালিক আমার পূর্বপরিচিত। তাকে গিয়ে বললাম, আমি ফিরোজ সাঁইয়ের দুটো গান রেকর্ড করতে চাই। তখন পর্যন্ত কিন্তু ফিরোজ এসবের বিন্দুবিসর্গও জানে না। পরে গান রেকর্ডের কথা শুনে ও তো অবাক। এরপর ওর দুটো গান রেকর্ড হলো—‘মন তুই চিনলি না রে’, আর একটা ‘সাধের লাউ’। গান রেকর্ডের পর ফিরোজ সাঁই সুপারহিট। ‘মন তুই চিনলি না রে’ ওর টার্নিং পয়েন্ট।
সুমনা শারমীন: ‘স্কুল খুইলাছে রে মাওলা’ কি আরও পরে এল?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: হ্যাঁ, পরে।
সুমনা শারমীন: কখনো কি এ রকম অভিযোগ আপনাদের শুনতে হয়েছে—তোমরা তো বিজাতীয় সংস্কৃতি আমদানি করে আমাদের ডুবিয়ে দিচ্ছ। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, দেশ স্বাধীন করেছি, কিন্তু তোমরা বাঙালি সংস্কৃতির পরিপন্থী বিষয়গুলো আমদানি করছ?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: প্রচুর, প্রচুর। এ রকম অভিযোগ এসেছিল কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর কাছ থেকে। আমি এখন আর তাঁদের নাম বলতে চাইছি না। তাঁরা সরাসরি নাক সিঁটকিয়েছিলেন। আবার বেশ কয়েকটি পত্রপত্রিকাও আমাদের বিরুদ্ধে লিখেছিল। কিন্তু যৌবনস্রোতের কাছে তাঁরা হেরে গেছেন।
সুমনা শারমীন: আমরা এতক্ষণ ফেরদৌস ওয়াহিদের কথা শুনেছি। এবার তাঁর ছেলে হাবিব ওয়াহিদের কাছে আসব। আপনি যখন প্রথম গান শুনেছেন, তখন কাদের গান আকৃষ্ট করেছে?
হাবিব ওয়াহিদ: ছেলেবেলা থেকেই বাবার ইনস্ট্রুমেন্ট এবং বিভিন্ন সংগীতশিল্পীকে দেখতে দেখতে বড় হয়েছি। আমার যত দূর মনে পড়ে, ভারতীয় কোনো একটি সংগীত আমাকে প্রথম আকৃষ্ট করেছিল। তবে সেটি বাবার নয়, ছিল আমার মায়ের সংগ্রহ।
সুমনা শারমীন: আমাদের দেশের কোন শিল্পীর গান প্রথম আপনার ভালো লেগেছিল?
হাবিব ওয়াহিদ: সত্যি বলতে কি, আমার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেনি। আসলে ঘরেই দেখতাম, বাবা গান করছেন, মা গান শুনছেন, ফলে তখন সেই ছেলেবেলায় এ রকম কোনো ভালো লাগাকে বুঝতে পারিনি।
সুমনা শারমীন: কোন সময় থেকে বাংলাদেশের গানের প্রতি আপনার আকর্ষণ তৈরি হলো?
হাবিব ওয়াহিদ: সেটা আমার টিনএজ বয়সে, ওই সময়টা থেকে শুরু। মানে নিজের উৎসাহে গান শোনা শুরু হলো। তবে বাংলা গানের চেয়ে ইংরেজি গান আমি বেশি শুনতাম। বাংলা গানের মধ্যে প্রথম যাঁদের গান পছন্দ হলো, যাঁদের গান অনুভব করতে শুরু করলাম, তাঁরা হলেন, ফিডব্যাক। সে সময়ে ফিডব্যাকে মাকসুদ ভাই ছিলেন। ফিডব্যাক তখন পাশ্চাত্য ধারায় বাংলা গান করত। ফিডব্যাকের পর মাইলস এবং এলআরবি—এদের গানেও ভীষণ রকম মজা পেয়েছি। এ ছাড়া আমাকে আরও একটি ব্যান্ড আকৃষ্ট করেছে, সেটা হলো আর্ক।
সুমনা শারমীন: আমরা চারটি ব্যান্ডদলকে পেলাম—ফিডব্যাক, মাইলস, এলআরবি, আর্ক। আর্কের সদস্যরা কি জানতেন যে তাঁদের গান আপনার এত ভালো লাগে?
হাবিব ওয়াহিদ: এখানে একটা মজা আছে। আমি তো আর্কের ভয়াবহ ফ্যান, বিশেষত টুলু ভাইয়ের। এর মধ্যে আবার মাইলসের মানাম আহমেদ এবং কি-বোর্ডিস্ট হিসেবে শওকত আলী ইমনেরও খুব ভক্ত ছিলাম আমি। তিনি প্রায়ই আমাদের বাসায় আসতেন। কি-বোর্ড বাজাতেন। ওখানেই আমি তাঁর প্লেয়িং দেখি এবং ভক্ত হয়ে যাই। আমার বয়স যখন সতেরো, তখন আমাদের নিজেদের একটা ব্যান্ড ছিল—বন্ধুরা মিলে করেছিলাম। ওখানে বালাম ছিল। আমাদের বাসার পাশে ছিল ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়ার বাড়ি। ওনার ছেলে রিপন, ও ছিল আমাদের ‘ফিরোজ সাঁই’। মানে সাংগঠনিক কাজকর্মে খুবই দক্ষ। সে বেইজ গিটার বাজাত। গানের খুব ভক্ত ছিল। তখন ব্যান্ডের জোয়ার। তো রিপন ভাই, খুব ছোট্ট পরিসরে হলেও আমাদের জড়ো করে একটা ব্যান্ডদল গঠন করেছিলেন। এটা তিরানব্বই সালের কথা। এ সময় একটা মজার ঘটনা ঘটল। আর্কে বাজানোর ডাক পেলাম আমি। এটা ছিল আমার কাছে অভিভূত হওয়ার মতো একটি ঘটনা। আমি যাদের ফ্যান, তাদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছি, কথা বলছি, সে বয়সে এটা বিরাট ব্যাপার ছিল আমার কাছে। আর্কে দু-এক বছর বাজানোর পরই আমি লন্ডন চলে গেলাম।
সুমনা শারমীন: আপনার লন্ডন যাওয়ার গল্প শুনতে চাই...
হাবিব ওয়াহিদ: এটা আমার জীবনের খুব আকস্মিক ঘটনা। এ ঘটনাই হয়তো আমার জীবন বদলে দিয়েছে। ইন্টারমিডিয়েটের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে পরীক্ষা দিলাম, চান্স পেলাম না। অন্য কোথাও চান্স পেলাম না। আমার মায়ের তো খুব মন খারাপ। আমি ভাবছি কী আর করা, এবার প্রাইভেটে ভর্তি হতে হবে। এ সময় চিশতি ভাইয়ের (ব্যারিস্টার) সঙ্গে দেখা। তিনি রিপন ভাইয়ের বন্ধু, আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় অনেক আগ থেকে। তিনি লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তেন। আমার সঙ্গে দেখা হতেই জানতে চাইলেন, কী করছি আমি। তাঁকে বললাম, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইনি। তখন তিনি আমাকে বললেন, লন্ডনে চলো। আমি বললাম, মানে, ওখানে গিয়ে আমি কী করব? আমার মা শুনলে তো হার্টফেল করবে। এক ছেলে বলে তিনি কখনো আমাকে কাছ ছাড়া হতে দেন না। এরপর চিশতি ভাই আমাকে তাঁর কলেজে ডিপ্লোমা ইন ল-এর কোর্সে ভর্তি হতে পরামর্শ দিলেন। বললেন, তুই এখানে আগে ভর্তি হ, পরে দেখে-শুনে মিউজিকের ওপর পড়ালেখা করিস। যাহোক বেশ ভয়ে ভয়ে বাড়িতে এসে মাকে কথাটি বললাম। মা যথারীতি যেতে না দেওয়ার পক্ষে। তবে বাবা ছিলেন পজিটিভ। বাবাকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে চিশতি ভাইয়েরও ভূমিকা ছিল। চিশতি ভাইয়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। নিজের অজান্তেই তিনি আমার জীবন বদলে দিয়েছেন।
সুমনা শারমীন: লন্ডন এবং হাবিবের প্রকাশ নিয়ে বলুন।
হাবিব ওয়াহিদ: লন্ডন যাওয়ার পর আমি প্রথম বাংলাদেশের ফোক মিউজিক শুনি। বাংলাদেশে থাকাবস্থায় লোকসংগীতের প্রতি আমার তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। কারণ, আমি সব সময় প্রচলিত লোকসংগীত শুনেছি। যেমন ‘সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী’ ইত্যাদি। লন্ডন গিয়ে আমি সিলেটি লোকসংগীত শুনলাম। ওগুলো আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করল। সিলেটের ফোকগানগুলো নতুন মনে হলো আমার কাছে। শুনলাম হাছন রাজা, শাহ আবদুল করিম—এঁদের অসাধারণ গানগুলো। এ সময় আমার মনে হলো, আমি নতুন একটি ভান্ডারের সামনে দাঁড়িয়ে। আমি মিউজিক করব সেটা আগেই ঠিক করে ফেলেছিলাম। সেটা রিমিক্স বা মৌলিক গান যা-ই হোক না কেন। লন্ডনে থাকতেই পরিকল্পনা করলাম, কোর্স শেষ হলে দেশে ফিরে আমি নিজে একটা স্টুডিও দেব। এখানে মানুষজন আসবে, মিউজিক হবে। কিন্তু কৃষ্ণ অ্যালবামটা যে করলাম, এটা অনেকটা খেয়ালের বশেই। সত্যি বলতে কি, এই অ্যালবামটি অনেকটা ফান করতে করতে তৈরি হয়েছে। এই অ্যালবামের গানগুলোয় আমি আধুনিক মিউজিকের সঙ্গে ফোক মিউজিকের ফিউশন ঘটিয়ে দেখতে চেয়েছি কেমন লাগে শুনতে। দেখলাম, ভালোই লাগছে। ফলে অ্যালবামটি বের করলাম। কায়ার গাওয়া।
সুমনা শারমীন: কৃষ্ণ তো বাংলাদেশ থেকে বের হয়েছে?
হাবিব ওয়াহিদ: হ্যাঁ, বাংলাদেশ থেকে বের হয়েছে। তবে পুরো অ্যালবামের কাজ করেছি লন্ডনে। লন্ডন থেকে ফিরে আসার সময় আমি কৃষ্ণর গানের সিডি সঙ্গে নিয়ে আসি এবং বাংলাদেশে এসে রিলিজ করি।
সুমনা শারমীন: তা হলে হাবিব ওয়াহিদের টার্নিং পয়েন্ট হলো কৃষ্ণ?
হাবিব ওয়াহিদ: হ্যাঁ, কৃষ্ণ। কৃষ্ণ আমাকে ভিন্নধর্মী এক ভ্রমণের মুখোমুখি করেছে। কৃষ্ণ না বের হলে হয়তো আমি আমার নিজের গানই করতাম।
সুমনা শারমীন: কৃষ্ণ কেন মানুষ পছন্দ করল?
হাবিব ওয়াহিদ: কৃষ্ণর মধ্যে একটা ফ্রেশ সাউন্ড আছে। বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর এ রকম ফ্রেশ সাউন্ড পেল। নতুন একটা সাউন্ড। এ জন্যই মানুষ অ্যালবামটি গ্রহণ করেছে।
সুমনা শারমীন: হাবিব এখন খুব বড় একজন মিউজিশিয়ান। সে যদি আপনার ছেলে না হতো এবং সে যদি আপনার ‘এমন একটা মা দে না’ গানটি নতুন করে গাইত, বিষয়টাকে আপনি কীভাবে দেখতেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: খুব ভালো লাগত। আমি ৪০ বছর ধরে গাইছি। এখন নতুন কারও গাওয়া উচিত।
সুমনা শারমীন: আমরা সাক্ষাৎকারের প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। এখন পিতা ফেরদৌস ওয়াহিদের কাছে জানতে চাই—পুত্র হাবিব ওয়াহিদের সবচেয়ে ভালো গুণ কোনটা?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: ওর সবচেয়ে ভালো গুণ হলো নিজের প্রতি নিজের সততা। ও যদি কোনো খারাপ কাজ করে, সেটাও ও অকপটে স্বীকার করতে পারে। আর ভালো কাজ করলে তো কথাই নেই। এ তো বললাম, মানুষ হিসেবে আমার ছেলে হাবিবের কথা। এবার যদি সংগীত পরিচালক হাবিব সম্পর্কে বলতে চাই, তবে একবাক্যে বলব, ওর শতকরা ৯০ ভাগই ভালো। কাজের ব্যাপারে ওর পেশাদারি মনোভাব প্রচণ্ড। ও সংগীতের প্রতি সৎ।
সুমনা শারমীন: বাবা হিসেবে হাবিবের কোন জিনিসটি বদলে গেলে আপনি খুশি হবেন?
ফেরদৌস ওয়াহিদ: রাগ, ওর রাগটা বদলে গেলে আমার ভালো লাগবে।
সুমনা শারমীন: এবার হাবিবের কাছে তাঁর বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ সম্পর্কে জানতে চাই।
হাবিব ওয়াহিদ: বাবা যেমন আমার সম্পর্কে পুরোপুরি বলতে পারলেন, আমি তাঁর সম্পর্কে তেমনভাবে বলতে পারব না। কেননা বাবা আমাকে জন্ম থেকে দেখে আসছেন। কিন্তু আমি যখন বাবাকে দেখি, যখন থেকে বাবাকে বুঝতে শিখলাম, তখন তিনি জীবনের অনেকটা পথ পার করে ফেলেছেন। এর পরও বলব, বাবাকে যত দূর দেখেছি, উনি খুব সাধারণ। এটা যেমন তাঁর ভালো গুণ, তেমনি আবার খারাপ গুণও এটি। এ ছাড়া কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ সম্পর্কে বলব যে তাঁর কণ্ঠটি ভিন্ন রকম। কিন্তু তাঁর সঠিক ব্যবহার হয়নি।
ফেরদৌস ওয়াহিদ: ভাগ্যেরও ব্যাপার এটা।
হাবিব ওয়াহিদ: বাবার সঙ্গে আমার একটা মতপার্থক্য আছে। বাবা বলেন ভাগ্যের কথা। আমি মনে করি, সবটাই ভাগ্য নয়। এ আর রহমানের জীবনী থেকে জেনেছি, কতটা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন তিনি। সেই এ আর রহমান আজকে কোথায়? ম্যাডোনা তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চান। বিনয়ী কিন্তু ভারতীয় গৌরব ধারণ করা এ আর রহমান তাঁকে উত্তর দেন ‘ম্যাডোনাজি’ সম্বোধন করে। এ আর রহমানের জীবনযাপন নিয়মতান্ত্রিক। খ্যাতির চূড়ান্তে থেকেও তিনি পা পিছলে যাননি। নারীঘটিত স্ক্যান্ডাল নেই তাঁর। ধূমপান পর্যন্ত করেন না। তিনি আছেন তাঁর সংগীত সাধনা নিয়েই। একটা পেতে হলে আর একটা ছাড়তে হয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1337)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 19
(77)
- নাম না ল্যাহেন তয় সব কমু by সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
- জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ভারতে অভিনেত্রী গ্রেফতার
- পথশিশুদের ঈদ by মাহফুজ সাদি
- মাদকাসক্তিতে শৈশব ছিনতাই by মাজেদুল নয়ন
- ... এলো খুশির ঈদ by মাহমুদ মেনন
- নিউজিল্যান্ডে নিখোঁজের সংখ্যা ৩০০
- নেতৃত্ব সংকটে পড়বে না লিবিয়া
- পানশালায় হামলার ঘটনায় ৬২ জন আটক
- শনির চাঁদে ব্যাপক ভূমিধস
- আতঙ্কের নগর আলেপ্পো
- আসাদের কফিনের শেষ পেরেক আলেপ্পো: প্যানেট্টা আলেপ্প...
- অসবর্ণ বিয়ে করে পুলিশ হেফাজতে
- অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ-লুলার বিরুদ্ধে মামলা
- অস্ত্র বিক্রি লজ্জার কিছু নয় : ক্যামেরন
- ঘরে-বাইরে চরম চাপে গাদ্দাফি-* লিবিয়াকে বহিষ্কারের ...
- গদি বাঁচাতে জনকল্যাণে অতিরিক্ত ব্যয়ের ঘোষণা সৌদি ...
- শকুন রক্ষায় নতুন কর্মসূচি নেপালে
- তেলেঙ্গানা রাজ্যের দাবিতে লোকসভা অচল, অন্ধ্রে ধর্মঘট
- আসছে অমরত্বের দিন
- রাম এমানুয়েল শিকাগোর মেয়র নির্বাচিত
- আইভরি কোস্টে হামলায় ১০ সেনা নিহত
- ব্রিটেনের কাছে মোশাররফকে ফেরত চাইবে পাকিস্তান
- ১৯ বছর পর জরুরি অবস্থা তুলে নিচ্ছে আলজেরিয়া
- ইয়টের চার আমেরিকানকেই হত্যা করেছে জলদস্যুরা
- রিবন রেটিং পদ্ধতির প্রতি পাটচাষিদের অনাগ্রহ by ব...
- রংপুর নগরে জলাবদ্ধতা
- ১৮ কোটি টাকার কাজে ‘প্যাকেজের মারপ্যাঁচ’
- নিউইয়র্কে স্মরণসভায় বক্তারা- সময়ের সীমা অতিক্রম কর...
- দলীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় শেষ হচ্ছে আজ
- গুলশানে ব্যবসায়ী হত্যা- পুলিশের ধারণা, খুনি বাসার ...
- নুরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে সভা- হত্যার বিচার নিশ...
- মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে দিল্লিতে লাখো মানুষের বিক্ষোভ
- ভারতে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি কমানোর ভাবনা
- গ্রামপুলিশরাও সরকারি কর্মচারী
- বাস-অযোগ্য ঢাকা
- পবিত্র কোরআনের আলো-খ্রিস্টানদের সঙ্গে মুসলমানদের স...
- চালচিত্র-বিশ্ব প্রেক্ষাপটে রক্তাক্ত অমর একুশ ও তার...
- চরাচর-হাওরবাসীর দুঃখ by আখলাক হুসেইন খান খেলু
- ধর্ম- মাহে রমজানে নারীদের ইবাদত by আবদুস সবুর খান
- মধ্যপ্রাচ্য- ধ্বংসের কিনারে সিরিয়া by প্যাট্রিক সিল
- বিপর্যয় সৃষ্টির আগেই দূষিত পানির প্রকোপ থামান- অক্...
- হিসাব নিরীক্ষণ ও জনসমক্ষে প্রকাশ করুন- রাজনৈতিক দল...
- স্মরণ- যে স্মৃতি আঁখিপল্লবে by সাহেদ ইমরান
- দূরের দূরবীনে-রিকি পন্টিং ও রিকশার বিশ্বজয় by অজয় ...
- ছাত্র রাজনীতির সুবাতাস কবে বইবে? by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- বহে কাল নিরবধি-কার মনস্তুষ্টির জন্য রাষ্ট্র : অন্ন...
- একটা ভূতের গল্প by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- দেশের বাইরে ঈদ by কামরুজ্জামান
- বন্ধু সাকিব by তারেক মাহমুদ
- স্মরণ- আমাদের মামানি by শারমিন লাকি
- গল্প- মজনু by শাহ্নাজ মুন্নী
- স্মৃতির মহল্লা- মেড ইন নাখালপাড়া by মোস্তফা সরয়া...
- বিজ্ঞান- সত্যেন বসুর নামে by মুহাম্মদ ইব্রাহীম
- ঘড়ির কাঁটার মতো by রফিক আজাদ
- কবিতা- রক্ত বরন পাপড়ি by আল মাহমুদ
- কথোপকথন- গানের বাপ-বেটা- সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: সুমন...
- রম্যগল্প- পাত্রী চাই by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- ঈদস্মৃতি- মায়ের সঙ্গে ঈদ by সুলতানা কামাল
- প্রেমের গল্প- আকাশে শুধু একটি ঘুড়ি by বিশ্বজিৎ চ...
- আবারও অনশনে আন্না হাজারে
- বহির্বিশ্বের কাছে অস্ত্র চাইল সিরিয়ার বিদ্রোহীরা
- ‘মাউন্টেন চিকেন’ বিলুপ্তি থেকে রক্ষায় সাফল্য
- ইকুয়েডরে আশ্রয় চান অ্যাসাঞ্জ- ছেলের জীবন বাঁচাতে ম...
- ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলা সমর্থন করেন রমনি
- কাদা-পানিতে কার্পেটিং!
- কেটে ফেলা হলো দুই হাজার আগরগাছ
- জালে ইলিশ, মুখে হাসি
- কলকাতায় বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ আটক, গ্রেপ্তার ১৮
- ‘ইফতারের সময় হয়েছে সবাই আসেন’
- মহানবী (স:)-এর ১২টি প্রিয় খাবার
- ঈদের সাজ by শারমীনা ইসলাম
- পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার by গোলা...
- বিশেষ ব্যাগে পালাতে পারেন অ্যাসাঞ্জ, জল্পনা
- মহামায়া ও মুহুরীর জলে প্রকৃতির আলো ছায়ার খেলা
- (অপ্রকাশিত রচনা) বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য by স...
- কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদার সাক্ষাৎকার
- এখনো গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিততে চান সানিয়া
-
▼
Aug 19
(77)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment