Thursday, November 11, 2010
গল্প- 'নদীর নাম চিলমারী' by নীলু দাস (অগ্রন্থিত গল্প)
গল্প- 'নদীর নাম চিলমারী' by নীলু দাস (অগ্রন্থিত গল্প)
[ষাটের দশকের কথাশিল্পী নীলু দাস। আজকের প্রজন্মের কাছে অপরিচিত নাম। তিনি একটি দশক লেখালেখি করে হঠাৎ লেখালেখি থেকে দূরে সরে গিয়ে ছিলেন। কিন্তু এক দশক কাল পরিধিতে বিভিন্ন পত্রিকায় ষাটের অধিক প্রকাশিত গল্পে রেখেছেন তার মেধা ও মননের পরিচয়।
তিনি ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নীচতুলন্দর গ্রামে। মৃতু্যবরণ করেন ১০ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে। কবি আমিনুর রহমান সুলতান নীলু দাসের ১২টি গল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করে প্রকাশ। সম্প্রতি নীলু দাসের আরও একটি গল্প সংগ্রহ করেছেন তিনি সওগাত পত্রিকা থেকে। গল্পটির প্রকাশ কাল ভাদ্র ১৩৭০, ৪৬শ বর্ষ, ১০ সংখ্যায়। গল্পটি অগ্রন্থিত বলে এখানে ছাপা হল। ]
নীল জলের বুক থেকে অবিকল ডানা মেলা পাখীর মতো ভোরের সূর্যটা পূর্ব আকাশে উঁকি দেয়। রক্তলাল আলোর একটা ঝলক নীলাভ ঢেউ-এর চূড়ায় চূড়ায় মায়ামায় রঙের বাহার ছড়াতে ছড়াতে তীক্ষ্ন সে াতের টানে টানে প্রবল বেগে ছুটে যেতে থাকে ভাঁটার দিকে। রঙে রঙে তখন একাকার হয়ে ওঠে চিলমারীর বুকটা। প্রতি মুহূর্তে আবর্ত আর ঘূর্ণির মাঝে পড়ে বিচূর্ণ ঢেউ-এর কণাগুলো গাঙ্গচিলের মতো ছিটকে ওপরে ওঠে ঝিলমিল মতির মালার মতো কুয়াশার ফাঁকে ফাঁকে ঝর ঝর করে ঝরে পড়তে থাকে। ময়ূরের পাখা মেলা রূপের পেখম মেলে অবাক চিলমারীর ফুলে ওঠা বুকটা ওখন খিল খিল হাসির গমকে অকারণ কৌতুকে থর থর করে কাঁপতে থাকে।
ঢেউ-এর দোলায় কাঁপতে থাকা ডিঙ্গি নৌকার ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিটি মাঝি তখন স্থির নিষ্পলক দৃষ্টি দিয়ে 'বেড়ের' মাঝে অদ্ভুত কৌশলে পাতা গোলাকার জালের দিকে চেয়ে থাকে। রাত্রির অন্ধকারে একরে পর এক মাছের ঝাঁক সে াতের টানে টানে 'বেড়ের' মাঝে এসে আশ্রয় নেয়। বৃত্তের আকারে পাতা জালের মাঝে ছড়িয়ে রাখা পচা কাঠের টুকরো আর ঝাউ পাতার ফাঁকে ফাঁকে নরম নির্লিপ্ত মন নিয়ে সারারাত ঘুরে বেড়ায় প্রতিটি মাছ। কিন্তু ভোরের রং করা অথৈ পানির বুকে সমুদ্র নীল ঢেউ-এর ঝাপটায় এক লহমায় ওদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। চোখের পলকে প্রতিটি মাছ তখন মুক্তির উদগ্র বাসনায় একদিক থেকে আরেক দিকে ছুটে যেতে থাকে। সাথে কৌশলী মানুষের নির্মম জালের বন্ধনগুলো কঠিন থেকে কঠিন হয়ে ওদের সারা দেহে লতার মতো জড়িয়ে যেতে থাকে। অবিরাম ছটছট শব্দে জালসুদ্ধ 'বেড়ের' কাঠিগুলো তখন থর থর করে কাঁপতে থাকে। ঠিক তখনই প্রাণপণ শক্তিতে থাবা জালটাকে টেনে তুলতে হয় নৌকার পাটাতনের ওপর। নদীর তোড়ের একটানা কল কল ছল ছল সুরের সাথে জাল টানার ছক ছক শব্দটা মিশে মিশে চিলমারী চরের ভোরের বাতাস তখন গমগম করে হাসতে থাকে। ঝিকমিকে স্বর্ণ গলা ঢেউ-এ অাঁকা চিলমারীর বুকের দিকে দৃষ্টি ফেরালে তখন দেখা যায় প্রতিটি 'বেড়ের' মাঝে এক ছন্দে জাল টানতে টানতে গলা ছেড়ে চিৎকার করছে উলস্নসিত প্রতিটি মাঝি।
সাবাস বাই,
হেই ও।
জুরসে টান্,
হেইও।
ভাদ্রমাস,
হেইও।
রূপার বাটার,
হেইও।
দিব পান,
হেইও।
খাইব বন্ধু,
হেইও।
মুখ লাল,
হেইও।
আরে সাবাস সাবাস সাবাস বাই।
নদীর জলে কলস ডুবিয়ে এক ঝটকায় কাঁখে তুলতে গিয়ে হঠাৎ থেমে যায় ঘাটপাড়ের মেয়েরা। প্রাণের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় ভরা বিচিত্র এক সুরের নেশায় কেমন যেন বিভোর হয়ে যায় ওরা। ভরা কলসগুলো মাটিতে সাজিয়ে রেখে স্বপ্নমাখা দৃষ্টি দিয়ে চিলমারীর বুকের ওপর মনের মানুষের দিকে ওরা ছুঁড়ে দেয় দিনের প্রথম হাসির উপঢৌকন। সকলের সামনে এগিয়ে গিয়ে ফেটে পড়া যৌবনময় দেহটাকে অপূর্ব কায়দায়
দুলিয়ে দুলিয়ে মুখে রাসু গলা ছেড়ে বলে ওঠে, সাবাস বাই।
সাথে সাথে নৌকা থেকে মাথা দুলিয়ে মাঝিরা সায় দেয়, আরে হেইও।
নাচের ভঙ্গিতে হাত তুলে আবার তাহাইদের রাসু, সাবাস বাই ভাদ্র মাস।
মিলিত কণ্ঠে জেলে মাঝিরা হাত উচিয়ে জবাব দিয়ে বসে, আইব বন্ধু চিন্তা নাই। সাবাস সাবাস বাই।
ইংগিত-মুখর জবাবের অর্থটা বুঝতে পেরে ঘাট-পাড়ের প্রতিটি মেয়েই মুখ টিপে হাসতে থাকে। খিল খিল হাসির গমকে সবাঙ্গ কাঁপিয়ে একেবারে ঢলে পড়ে যেতে চায় রাসু। পেছন থেকে রাসুর গায়ে একটা চিমটি কেটে ধমক দিয়ে ওঠে চামেলী, সর মুখপুড়ি, অত আসিডা কিয়ের? হেই দিগে চাইয়া দেখছছ, তর মানুষটা যে একলা একলা জাল টানতে টানতে গাইম্মা উঠতাছে।
হাসতে হাসতেই জবাব দেয় রাসু, গাইম্মা উটতাছেত আমি কি করবাম। আমিত একদিন কইছিলামই, মানুষ যহন রাখতা পার না আমাকেই রাহ, তুমার লগে জাল টাইন্যা দিয়াম। কই খুশী অইব আমার কথা হুইনা তানা রাইগা এক্কেবারে টং অইয়া গেল।
হাসতে হাসতে চামেলী বলে, তর মতন বুদ্ধি নাই যে হের লাইগ্যাই রাইগ্যা টং অইছিল। অইছে নে, তুই আর ঢং করিছ না। একটানে কলসাটাকে কাঁখে তুলে নিয়ে আবার বলে রাসু, ল' তাড়াতাড়ি যাইগা, রাইনদা বাইড়্যা ফির্যায় গাড আড়ন লাগবো।
হেত আহন লাগবই, বেহেই যহন মাছ বেচত যাইব গা হেই সম তুই গাড না আইলে নিতাইদার লগে ফস্টি নস্টি করব কেডা।
কলসটা কাঁখে নিয়েই ঘুরে দাঁড়ায় রাসু। চিক চিকে হাসিমুখে চমৎকার কৌতুকে চামেলীর চিবুকটা ধরে একটা নাড়া দিয়ে বলে ওঠে, ফষ্টি নষ্টি আমি করি, আর তুই বুজি করছ না, হুদাই তর শইলডা রাঙা অইয়া উটতাছে।
আমিত আমার জামাইর লগে ফষ্টি নষ্টি করি, তুথ করছ কার লগে?
আমি করি তর হতীনের লগে, তর অত জ্বলে কেরে? কথাটা বলে নিজের রঙে নিজেই হেসে ওঠে রাসু। আশ্চার্যের ধাক্কার চামেলীর দৃষ্টিটা তখন হতবাক হয়ে যায়। হাসির গমকে নদীর ঢেউ-এর মতো কাঁপতে থাকা রাসুর দেহটা। মনের ভেতরে কোথায় যেন জ্বালা ধরিয়ে দেয়। ভরা কলস থেকে এক অাঁজলা জল নিয়ে রাসুর মুখের ওপর ছিটিয়ে দিয়ে চামেলী বলে বসে, দুর পুড়ামুখী এমুন সর্বনাশা আসি আসিস না।
হুঁ, কি আসি। হঠাৎ থেমে গিয়ে পর মুহূর্তে কথাটার অর্থ বুঝতে পেরে একেবারে বন্যার জলের মতো উছল হাসির তালে দুলতে দুলতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে রাসু। পেছনে স্বর্ণ সূর্যের আরো তখন ওদের লুটিয়ে পড়া অাঁচলে ঝিকমিক রঙের বাহারে সূক্ষ্ম কণার মতো ঝরে পড়তে থাকে।
রক্তলাল সূর্যটা আগুনের রং নিতে নিতে যখন এক থাক আকাশের ওপর এসে দাঁড়ায় জালটানায় গতিবেগটা তখন দ্বিগুণ বেড়ে যায়। রোদের তাপ বাড়ার সাথে সাথে জালে আটকানো মাছগুলো প্রাণপণ শক্তিতে ছুটাছুটি করতে থাকে। অনেক সময় জাল ছিঁড়ে বড় বড় মাছগুলো গভীর জলে ছিটকে পড়ে পালিয়ে যায়। খুব দ্রুত গতিতে জালটানা শেষ করে নৌকার পাটাতনের নীচে মাছগুলোকে বাছাই করে পারি জমাতে হয় গঞ্জের হাটে দিকে। ভোর না হতেই দালালের কলরবে গঞ্জের হাটটা মুখর হয়ে ওঠে। কাজ শেষ করে যত আগে যাওয়া যায় ততই ভালো দামে মাছ বিক্রি করা যায়।
সবার আগে নিতাইর জালটানা শেষ হয়ে যায়। মৎস্যবিহীন শূন্য একটা জাল এক তাল হাতের টানে টানে পাটাতনের ওপর ওঠে আসে। আড়কাঠির ফাঁকে ফাঁকে সমস্ত জালটা তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখে নিতাই একটা মাছের চিহ্ন পর্যন্ত নেই সারাটা জালে। নিষ্পলক করুণ দৃষ্টি মেলে স্থির নিতাই মাঝি চেয়ে থাকে ঢেউ জাগা চিলমারীর বুকের দিকে। ভাঙ্গা ভাঙ্গা ঢেউ-এর ওপর দিয়ে তখনও একটানা ভেসে আসছে বলিষ্ঠ ছেলে-মাঝিদের প্রাণখোলা জালটানার সুর। কুয়াশার স্তরে স্তরে কেমন যেন আচ্ছন্ন হয়ে যায় নিতাইর দৃষ্টি। আশ্চর্য। মাত্র পাঁচ বছর আগেও দুপুর পর্যন্ত জাল টানায় মগ্ন থাকতে হতো নিতাইকে। কঠিন পরিশ্রম আর আনন্দের ধাক্কায় ধাক্কায় অবশ হয়ে যেত তখন নিতাই মাঝির সারা দেহমন। গর্বের হাসি হেসে নিতাইর বাবা তখন বলে ওঠতো, সাবাস বেডা, এই রহম না অইলে মাঝি কি। মাছত মাছ, গাঙের বুহের মইধ্যে কি আছে হেইডা বিছরাইয়া বাইর করতে না পারলে মাঝির নামই মিছা।
অবাক নিষ্পলক দৃষ্টি মেলে নিতাই চেয়ে থাকে চিলমারীর দক্ষিণ বাঁকের শ্মশানটার দিকে। উঁচু থেকে ঢালু সবুজ দুর্বা। ছড়ানো বড় একটা চত্বর। চত্বরটায় চারদিকে সারি সারি দীর্ঘ সবুজ ঝাউগাছ। ঝাউগাছের পাতার আড়ালে হঠাৎ যেন প্রশান্ত হাসিতে ভরা একটা মুখ ভেসে ওঠে। নরসিংহ সর্দার। সত্যি তার বাবা নরসিংহ ছিলো। কালো আবলুস কাঠের মতো চিকচিকে বলিষ্ট পেশীবহুল দেহ। ভয়শূন্য উদার অতলান্ত দুই চোখের দৃষ্টি। অক্ষত অনমনীয় আশ্চর্য তার ব্যক্তিত্বের কাছে মাথা নত করে নিতো আশেপাশের চার চারটা গ্রামের সকল জেলে মাঝি। জলের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় নিতাইর দৃষ্টিটা ক্রমে ক্রমে ফোঁটায় ফোঁটায় গলে পড়তে থাকে। বুকের ভেতর গভীর একটা দীর্ঘনিশ্বাস খসে পড়ে মিলে যায় চিলমারীর বাতাসের সাথে।
নিজের অজ্ঞাতেই নিতাইর মনটা চলে যায় পাঁচ বছর আগের আশ্চর্য একটা দিনের মাঝে। হঠাৎ একদিন পঞ্চায়েত ডেকে আশ্চর্য ধৃষ্টতায় অগি্নপরীক্ষায় সাফল্য লাভের আশায় মরিয়া হয়ে ওঠেছিলো গঙ্গা মাঝি। অর্থের বলে বলীয়ান গঙ্গা মাঝি সেদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে চেয়েছিল নরসিংহ সর্দারের সামনে। ইজ্জতকে সে কিনে নিতে চেয়েছিলো অর্থের দম্ভ দিয়ে।
নির্ভয় চিত্তে দৃপ্ত কণ্ঠে নরসিংহ সেদিন পঞ্চায়েতের সামনে দাঁড়িয়ে বলে ওঠেছিলো: কিরে, 'হুনলাম তরা নাহি আমারে সর্দার মানতে চাছ না।' বালা কথা, তরা না মানলে আমিও সর্দারী চাই না। ক' কেডা কেডা আমারে মানতে চাছ না। গমগমে সেই কণ্ঠের আওয়াজ শুনে সবাই সেদিন পুতুলের মতো নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলো।
ক' মুখ খুইল্যা, কেডা আমারে মানছ না। একজন বলেছিলো, তুমারে মানি না এইডা কি কইছি আমরা?
তরা কছনাই ঠিক, কিন্তুক বাইরে থাইক্যা কেডা যে কওয়াইত চায় হেইডা আমি জানি।
অপমানে গঙ্গার চোখ-মুখ সেদিন লাল হয়ে গিয়েছিলো। বিজয়ীর বেশে হাসিমুখে সেদিন ফিরে এসেছিলো নরসিংহ সর্দার।
ভাবতে ভাবতে নিতাইর দুই চোখের ঢল ঢলে দৃষ্টি চিলমারীর ফুলে ওঠা জলের মাঝে একাকার হয়ে লেপটে যায়। মনে পড়ে একটা নির্মম অভিশাপের টানে টানে সেদিন যেন ঝিরঝিরে বৃষ্টির মাঝে নদীর বুকে ডিঙ্গি ভাসিয়েছিলো নরসিংহ সর্দার। কোঁচ নিয়ে মাছ ধরতে ধরতে পড়ন্ত বেলায় শ্মশানের পাশে ওই বাঁকটার মুখে আসতেই দেখা হয় গিয়েছিলো গঙ্গার সাথে। পাশাপাশি দুটি নৌকায় পাঁচ-সাতজন মিলে ধীরে ধীরে উজান বাঁকে এগিয়ে যাচ্ছিলো ওরা। বৈঠার লম্বা একটা টান দিয়ে গঙ্গার নৌকাটাকে পাশ কাটিয়ে যেতে গিয়ে হঠাৎ থেমে গিয়েছিলো নরসিংহ। কে একজন বলে ওঠেছিলো, সর্দার যায়রে।
বিকৃত মুখে নিদারুণ অবজ্ঞায় গঙ্গা বলে ওঠেছিলো, সর্দারত, এই রহম সর্দার আমি চাইর পাঁচটা কিইন্যা রাখতাম পারি।
নৌকাটা থামিয়ে হাসিমুখে জবাব দিয়েছিলো নরসিংহ, টেহা থাকলেই কি বেক কাম করণ যায়রে গঙ্গা, সর্দারী করতে গেলে মানইজ্জতের কাম লাগে। জলের নীচে বৈঠাকে শক্ত করে চেপে ধরে কঠিন কণ্ঠে বলে ওঠেছিলো গঙ্গা। মান ইজ্জতের বড়াই আর যেই করক, তার মুহে হেইডা সাজে না। ভূতের মুহে রাম নাম বালা হুনায় না।
আগুনের আভায় নরসিংহ সর্দারের চোখে দুটি জ্বলে ওঠেছিলো। আড় করে বৈঠাকে চেপে ধরে কর্কশ কণ্ঠে বলে ওঠেছিলো, মুখ সামলাইয়া কথা কইছ গঙ্গা, পশু দিন চাইর পইসার পুডিমাছ বেচ্ছছ, ইজ্জতের তুই কি বুজবে। টেহার গরমে কারে কি কছ দিশা পাছ না বুজি।
নৌকার ওপর দাঁড়িয়ে বুক উঁচিয়ে চিৎকার করে ওঠেছিলো গঙ্গা, আমি পুডিমাছ বেচতাম হের লাইগ্যা তর জ্বলে কেরে। পুডিমাছ বেচলে ইজ্জত যায়, আর যার বৌ আরেক বেডার কাছে যাইত হের ইজ্জত বুজি বাড়ছে।
বজে র মতো হুংকার দিয়ে ওঠেছিলো নরসিংহ, সাবধান গঙ্গা কথাবার্তা টিক কইরা কইছ। আরে কইছি কইছি, আর চিলস্নাইছ না। যে বেডা বৌ-এর মন বরাইতে পারে না, হে একটা পুরুষ, তার ফিরার ইজ্জত। থু থু, ছেব ফালাই এমুন ইজ্জতের মুহ।
লোহার মতো শক্ত হাত দিয়ে কোঁচটাকে চেপে ধরে কাঁপতে কাঁপতে নরসিংহ বলেছিলো, সাবধান গঙ্গা, অহন কইতাছি, আর কথা কইছ না।
কেরে কইতাম না, তর ডরে নাহি। তর বৌত মইর্যা গেছে কিন্তুক গাঁওর মানুষত আছে, হেরার কাছে তুই মুখ দেখাছ কুন লাজে। তর বৌঃ
আর বলবার সুযোগ পায়নি গঙ্গা। অর্ধসমাপ্ত কথাতেই থেমে গিয়েছিলো তা কণ্ঠস্বর। লম্বা কোঁচটা উঁচিয়ে ধরে এক লাফে নৌকার ওপর ওঠে এসে গঙ্গার বুকের মাঝে দীর্ঘ কোঁচের ফলাগুলো আমুল বসিয়ে দিয়েছিলো নরসিংহ সর্দার। চিলমারীর ফটিকের মতো জল সেদিন খুনের রঙে রাঙা হয়ে ওঠেছিলো।
সে আজ কতদিনের পুরানো ইতিহাস। জলের ধারায় ধারায় সবার মন থেকেই মুছে গিয়েছে সেদিনের কাহিনী। শুধু অতন্দ্র প্রহরীর মতো একটা দুঃস্বপ্নকে অাঁকড়ে ধরে রেখেছে গঙ্গার ছেলে পচু। সমস্ত কিছু পেয়েও প্রচুর প্রতিরোধ স্পৃহা এতটুকু কমেনি। দিনের পরদিন আশ্চর্য কৌশলে নিষ্ঠুরের মতো নিতাইর বুকে আঘাত হেনেছে পচু। অথচ আশ্চার্য। উদভ্রান্ত দিশেহারা নিতাই ব্যথার যাতনায় যতবার লুটিয়ে পড়েছে ঠিক ততবার শুকতারার সি্নগ্ধ রূপ নিয়ে তার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে রাসু। পাচুর বোন রাসু। উজ্জ্বল হাসি দিয়ে সমস্ত ব্যর্থতাকে আড়াল করে অনুপম লাবণ্যের মায়ায় নিজেকে করুণ করে সামনে এসে দাঁড়াত রাসু।
ব্যাকুল আগ্রহে জিজ্ঞেস করত নিতাই, তুমার দাদার লগে আমার শত্রুতা কিন্তুক তুমি রুজ রুজ আমার কাছে আইও কেরে?
আমি আই দেইখ্যাই বুঝি তুমার রাগ?
না, না রাসু। গভীর আবেগে রাসুর একটা হাত চেপে ধরত নিতাই, তুমি আছ দেইখ্যাই আমি আইজও এই গাঁও আছি, না অইলে কুনদিন আমায় যাওন লাগত গা।
আশ্চার্য ক্ষোভে ফুঁসতে ফুঁসতে রাসু বলে ওঠতো, আমার দাদা যা করে তাই তুমি মাইন্যা নেও কেরে?
তুমি বেডার মতন হের সামনে খাড়াইতা পার না। অত বড় যোয়ান, তেও দাদারে ডরাও?
করুণ হাসি হেসে নিতাই রাসুর মুখের দিকে অপলক চেয়ে থাকতো। দীর্ঘ নিঃশ্বাসের সাথে সাথে বলে ওঠতো, যুয়ান অইলেই মাইনষের লগে লড়ন যায় না রাসু। তুমার দাদা অহন গাঁওর সরদার, বেহেই হেয় কতায় উডে আর বয়, কয়জনের লগে আমি লড়বার রাসু।
বেদনার ভারে কম্পিত দুটি চোখের স্থির দৃষ্টি নিয়ে বোবার মতো অসহায় নিতাইর দিকে চেয়ে থাকত রাসু।
কিন্তু পচুর শেষ আঘাতটায় নিতাইর চেয়ে বেশী ভেঙ্গে গিয়েছিলো রাসু। শংখিনীর মতো ফুলে ওঠে বলেছিলো, তুমি ডরাও কেরে, দাদার টেহা আছে দেইখ্যাই এমুন কাম করবোঃ তুমি লাডি ধরতা পর না।
লাডি! কার লগে, তুমার দাদার লগে। ব্যথার ভারে থেমে গিয়েছিলো নিতাইর কণ্ঠ। নিজের মাঝে ডুব দিয়ে একটা বীভৎস প্রতিচ্ছবির দিকে চেয়ে অন্তর থেকে কেঁপে ওঠেছিলো নিতাই। এত বড় বেঈমানী কোনোদিন কল্পনাও করেনি নিতাই। নির্দয় ওই পচু অমানুষিক কৌশলে স্মিত হাসিমুখে নিতাই চরম সর্বনাশটাকেই অবলীলায় নিজের হাতে তুলে দিয়ে ছিলো।
পচুর আস্ফালন, সারা গাঁশুদ্ধ মানুষের হূদয়হীন অবজ্ঞা সবকিছু সয়েও নিজের 'বেড়ে'র মাঝে প্রতিদিন জাল টেনে অন্ধকার রাতের নিঃসঙ্গ ছিপ নৌকার মতো সে াতের টানে টানে কূলে ভিড়বার চেষ্টা করছিলো নিতাই। কিন্তু একটা দিনের মাঝে প্রচুর আঘাতে সবকিছু বানের জলের মতো ভেসে গেল। নিতাইর 'বেড়ের' ঠিক আগে এবং পেছনে রাতারাতি দুটি 'বেড়' তৈরি করে নিয়েছিলো পচু। অর্থটা একেবারে জলের মতো পরিষ্কার। দু'দিকের 'বেড়' ডিঙ্গিয়ে মাঝখানে নিতাইর 'বেড়ে' একটি মাছও পড়বে না। দিনের পর দিন শূন্য জাল টেনে টেনে অর্থের অভাবে পচুর চোখের সামনে ঘুরে বেড়াবে এককালের সর্দারের ছেলে কাঙ্গাল নিতাই।
রাসু বলেছিলো, এইডাত নিয়ম না, এক 'বেড়ের' পঁচিশ গজের মইধ্যে আরেক 'বেড়' কেউ বানাইতে পারে না, তুমি মামলা কর।
মামলা! হেসে ওঠেছিলো নিতাই। মামলা করার তেজ তার অনেক আগেই ফুরিয়ে গেছে। শুধু নিয়ম নিয়ে চলে না। আইনকে যাচাই করতে গেলে চাই অনেক টাকা। সে সুযোগ নিতাই কোনোদিন পাবে না এটা সকলের আগে জানতে পেরেছিলো পচু।
হঠাৎ একটা গাঙচিলের কর্কশ চিঁ চিঁ শব্দ শুনে চমক ভেঙ্গে যায় নিতাইর। সামনে পেছনে 'বেড়'গুলো জনহীন নীরবতায় ঢেউএর দোলায় দোলায় কাঁপছে। সকাল বেলার সূর্য রং বদল করে একেবারে মাথার ওপর এসে দাঁড়িয়েছে। মাছ নিয়ে সকল জেলে-মাঝি কোন্ সময় যে ডিঙ্গি নৌকা বেয়ে গঞ্জের হাটে চলে গেছে একটুও টের পায়নি নিতাই। ছল ছল চিলমারীর বুকের দিকে এতক্ষণ চেয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত ঘাটের দিকে বৈঠা টানতে যাবে নিতাই। চিলমারীর সকল জেলেই মাছ নিয়ে গঞ্জের হাটে যাবে। শুধু সর্বহারা নিতাই চিরদিনের জন্য বঞ্চিত হয়েছে স্ফটিক স্বচ্ছ মাছের কান্তা ধরে দালালের সাথে দর কষাকষি করার ভাগ্য থেকে।
সামনের বাঁকটা পেরিয়ে নদীর বুকে হেলে পড়া বড় হিজল গাছটার কাছাকাছি যেতেই একটা চিকন কণ্ঠস্বর ফুটে যাওয়া ঢেউ-এর ফাঁকে ডুব দিয়ে ছল ছল করে ওঠে, হেই নিতাইদা।
গাছটার নীচে গিয়ে এক হাতে একটা ডাল ধরে নিতাই প্রশ্ন করে, এমুন কইর্যা চিলস্নাও কেরে?
মুক্তোর মতো এক পাটি দাঁত বের কের হাসতে হাসতে রাসু বলে, চিলস্নাই কি আর সাদে, কুমইড়ে দরছে যে!
কুমইড়ে নেয় না কেরে, নিলেইত আর দরনের চিন্তা করন লাগে না। বড় বড় চোখ দুটি পাকিয়ে রাসু বলে ওঠে, নিব কেম্নে, সইল যে অল্দি মাহা।
তুমার অলদি লইয়া তুমি থাহ, আমি যাই।
আরে যাই কি, আমারে লইয়া যাইবা না?
আশ্চর্য হয়ে নিতাই প্রশ্ন করে, তুমারে কই লইয়া যাইয়াম?
চিকন হাসিতে ভরে ওঠে রাসুর মুখ, ডর নাই, বেশি দূর নয় এই গাড থাইক্যা, নিসুন্দির গাড লইয়া যাইবা।
কেরে, নিসুন্দির গাড তুমি আইট্যা যাইতা পার না?
আইট্যা যাইতাম পারলে আর তুমার বাঙ্গা নাও ওঠতাম চাই। আন, এই দিগে আন একটু নাওডা।
না রাসু, কেউ দেখরে কত ছিু কইব।
কইব ঘোড়ার ডিম, তুমি নাও আন।
না রাসু, আর একদিন। বৈঠার একটা টান দিয়ে নৌকাটাকে দূরে সরিয়ে নেয় নিতাই। সাথে সাথে জলের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাসু। অবলীলায় সাঁতার কেটে নৌকাটার কাছে গিয়ে গলুইর মাঝে দু'হাত দিয়ে চেপে ধরে সে াতের টানে ভাসমান ভেলার মতো ভাসতে থাকে রাসু। শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো উপায় না পেয়ে দু'হাত দিয়ে জলের বুক থেকে রাসুর ভিজে কাপড়ে লেপটে যাওয়া দেহটাকে নৌকার ওপর টেনে তুলে নিতাই। পাটাতনের ওপর বসে অকারণে খিল খিল করে হাসতে হাসতে একেবারে লুটিয়ে পড়ে রাসু। নিতাইর অচঞ্চল স্থির দৃষ্টির সামনে একটা জীবন্ত রূপের বন্যা যেন অবিকল চিলমারীর ঢেউ-এর মতো কাঁপতে কাঁপতে গড়িয়ে যেতে থাকে। বিমুগ্ধ নিতাই সে াতের টানে নৌকাটিকে ছেড়ে দিয়ে বিস্ময়ের ধাক্কায় নিস্পলক পাথরের মূর্তির মতো রাসুর মুখের দিয়ে চেয়ে থাকে।
হাসি থামিয়ে হঠাৎ রাসু বলে ওঠে, অইছে আর চাই থাহন লাগত না, নজর লাগব।
বৈঠাটায় একটা টান দিয়ে কথাটার জবাব দিতে গিয়ে রাসুর দিকে চেয়ে একেবারে নির্বাক হয়ে যায় নিতাই। অপূর্ব রঙ নিয়ে বসে থাকা রাসু আচমকা নৌকার পাটাতনের ওপর শুয়ে পড়ে কালো জালটা পিঠের ওপর বিছিয়ে দেয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাঁ করে একটা নৌকা নিতাইর নৌকাটাকে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। এইবার সব কিছু জলের মতো সহজ হয়ে ওঠে নিতাইর কাছে। তীর বেগে এগিয়ে যাওয়া নৌকার গলুইর ওপর বসে দুহাতে বৈঠা টানছে পচু। বাঁকের মুখে নৌকাটা মিলিয়ে যেতেই নিতাই বলে বসে, আগেইত কইছিলাম হগল সম' এইতা বালা না। তুমার দাদা যদি দেখত, তা অইলে কেমুন অইত?
একটুক্ষণ চুপ করে থেকে রাসু বলে, যা অউনের তা অইয়া গেছে। আমি পলাইলে কি অইব, দাদা আমারে ঠিকই দেখছে।
দেখছে! কেমন যেন মস্নান হয়ে যায় নিতাই। ক্ষোভের স্বরে বলে, বেশ অইছে, অহন বুইজ্যা নাও উডনের মজাডা!
নিতাইর গম্ভীর মুখের দিকে চেয়ে ফিক করে হেসে ফেলে রাসু, বলে মজা যে রহমেই অউক, কাইলও আমি আইয়াম নাও উডনের লাইগ্যা।
নিতাইর গম্ভীর মুখটা মেঘের মতো আরো ঘন হয়ে ওঠে। চিলমারীর জলের রেখায় রেখায় অাঁকা-বাঁকা এই রাসুর জীবন। স্ফীতা চিলমারীর উদ্দাম বুকের মতো সুন্দর আর বক্র ঢেউয়ের মতো ছলছল নির্ভয়। অনেক আনন্দ আর বেদনার মাঝ দিয়ে নিতাই চিনেছে রাসুকে। রূপবতী এই রাসু নির্লিপ্ত অবহেলায় অনেক অসাধ্য সাধন করতে পারে।
নিসুন্দির ঘাটে রাসুকে নামিয়ে দিয়ে বাড়ির ঘাটে যেতে যেতে আবার সব কিছু ভুলে যায় নিতাই। আশ্চর্য এই রাসু। তারও চেয়ে আশ্চর্য পচু। নির্মম প্রতিশোধের নেশায় নিষ্ঠুর থেকে নিষ্ঠুর হয়ে তার সামনে এসে দাঁড়ায় পচু। বেদনায় ভারাক্রান্ত তীব্র দহনে বিপর্যয় জ্বলে-পোড়া নিতাইর মস্নান দেহটার দিকে চেয়ে ওই নিষ্ঠুর মানুষটার একটুও মায়া হয় না। উছন বান ডাকা রাসু বেদনা ছাড়া কিছুই পাবে না। ব্যর্থ মাথা খুঁড়ে কেঁদে কেঁদে লুটিয়ে পড়বে রাসুর প্রাণভরা ভালবাসা। প্রচুর নির্দয় ওই বুকটাকে রাসুর চোখের জল একটুও টলাতে পারবে না।
নিতাই।
ঘাটের মাঝে নৌকাটা লাগাতে গিয়ে হঠাৎ চমক খেয়ে থেমে যায় নিতাই। সামনের দিকে চেয়ে বিস্ময়ের ভারে ভারে ওর চোখ দুটি গোল হয়ে যায়। ঘাট থেকে একটু দূরে বালুর চরার ওপর বৈঠাটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পচু। সমস্ত ব্যাপারটাই এক লহমায় আন্দাজ করে নেয় নিতাই। খুঁটির সাথে নৌকাটা বেঁধে সামনে এসে দাঁড়াতেই বিনা ভূমিকায় সোজা প্রশ্ন করে বসে পচু, দেখছিলাম গাঙ নাও বাইতাছিলি।
হেসে ওঠে নিতাই, এই কতাডা জিগানির লাইগ্যা কি গাড আইয়া খাড়ইয়া রইছ!
চাপা কণ্ঠে পচু বলে, দেখলাম খুব আরাম কইরা নাও বাইতাছিলি।
কি করবাম ক', গরীব মানুষ গাঙ জাজ চালানির খমতা নাই, তাই নাওই বাই।
স্থির চোখে নিতাইর মুখের দিকে চেয়ে থেকে উপহাস তরল কণ্ঠে পচু বলে ওঠে, কিন্তুক আদার বেপারী অইয়া অনেকেই জাজের খবর রাখত চায়। কঠিন হতে গিয়েও অবাকভাবে হেসে ওঠে নিতাই, কি করবে ক', জাজের খবর রাখা যার স্বভাব হে আদার বেপারী অইলেও রাহে চাউলের বেপারী অইলেও রাহে।
এবার আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না পচু। উত্তেজিত কণ্ঠে প্রায় চিৎকার করে ওঠে, আমি কি কইতাম চাই হেইডা অহনও বুজতে পারছ নাই? খুব পারছি।
আমি তবে সাবধান কইর্যা দিয়া যাই।
দীর্ঘ বাহু দিয়ে লম্বা বৈঠাটা খুব জোরে চেপে ধরে নিষ্পলক চোখে নিতাই চেয়ে থাকে পচুর মুখের দিকে, যে সাবধান অইয়া আছে তারে আর সাবধান করণ লাগে যে পচু। একটা কতা মনে রাহিছ, আতী মইর্যা গেলেও লাখ টেহা দাম আছে।
তীব্র একটা অন্তর্জ্বালায় পচুর ভেতরটা আগুনের দাহ নিয়ে জ্বলে ওঠতে থাকে। থাব থাব ওর বুকের মাংসপেশীগুলো নিশ্বাসের সাথে সাথে স্পষ্ট হয়ে ওপর দিকে ভেসে ওঠতে থাকে। স্থির অটল দেহ নিয়ে নিতাই চেয়ে থাকে পচুর রুক্ষ কঠিন মুখটার দিকে। লোমশ বিস্তৃত নিতাইর বুকটা পাষাণের মতো যে কোনো আঘাতের জন্যে তৈরি হয়ে থাকে। শেষ পর্যন্ত নিজেকে সংযত করে নেয় পচু। অনেক চেষ্টা করে কণ্ঠ স্বরটাকে সহজ করে বলে, আইচ্ছা, বাইচ্যা থাকলে দেখবাম মরা আততী কয় টেহা বিহায়।
নির্ভয় নিতাইর দৃষ্টির সামনে বৈঠাটা কাঁধের ওপর তুলে নিয়ে বালুর চরার মাঝ দিয়ে হন হন করে ছুটে যায় পচু।
পরদিন বেড়ের মাঝে জালটানা শেষ করার সাথে সাথে সেই পুরোনো ব্যথা হাহাকারটা শূন্যতার ভারে চারে নিতাইর চার পাশের বাতাসকে আবার ভারী করে দেয়। প্রতিটি বেড়ের মাঝি উলস্নাস ফেটে পড়ে জালে আবদ্ধ মাছের একেকটা ঝাঁককে নৌকার ওপর টেনে তুলছে। নিষ্পলক শূন্য জালটার দিকে চেয়ে নিতাইর দুচোখের দৃষ্টি ব্যর্থ আক্রোশে আগুনের রঙ নিয়ে দপ দপ করে জ্বলতে থাকে। পাশের 'বেড়' থেকে বড় একটা মাছের কান্তায় হাত দিয়ে ওপর দিকে তুলে ধরে গলা ছেড়ে বলে ওঠে পচু, মাছ কি, মনে অয় গাঙে র পরী। নিজের রসিকতায় টেনে টেনে হাসতে থাকে পচু। হঠাৎ হাসি থামিয়ে নিতাইর দিকে আড়চোখে একটু চেয়ে অদ্ভুত ভঙ্গি করে ওঠে পচু, থুথু। মুখের থুথু মাছটার চিকচিকে গায়ে ছিটিয়ে দিয়ে বলে বসে, সাবধান পাহিছরে, নজর লাগব, মাইনষের চোখ বালা না!
পচুর দেয়া আঘাতটা সহ্য করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ ঢেউএর মতো নিতাইর ভেতরটা ক্ষোভে-দুঃখে অসহ্য জ্বালায় থর থর করে কাঁপতে থাকে। একটানে জালটা কাঁধে নিয়ে একটা দুর্জয় প্রতিজ্ঞার মতো নৌকা থেকে লাফিয়ে পড়ে ঝাউবনে ঘেরা উঁচু পাড়টার দিকে ছুটে যেতে থাকে নিতাই। পেছনে পচুর কণ্ঠস্বর ঠিক তেমনি উচ্ছ্বাসময় হাসির রোলে রোলে সি্নগ্ধ বাতাসের বুকটাকে আঘাতে আঘাতে ছিন্নভিন্ন করতে থাকে।
নিসুন্দির বাঁক ছাড়িয়ে বেতঝোপের আড়ালে শ্মশানটার সামনে গিয়ে স্থির পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে পড়ে নিতাই। আস্তে আস্তে একটা স্নেহমাখা হাত নিতাইর কোমরটাকে বেষ্টন করে পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়। একটু চমকে ওঠে নিতাই। জোর নিয়ে বলে ওঠে, আইজেই আমি এইহান থাইক্যা যাইয়ামগা রাসু।
কেরে, আমার লগে রাগ কইর্যা!
তুমার লগে রাগ! ফিরে দাঁড়ায় নিতাই। ওর উচ্ছল দৃষ্টি রাসুর মস্নান মুখের ওপর ঝরে পড়ে। যাওন আমার লাগবই রাসু, আমার বেড় মাছ উডে না, এইহান থাকলে আমার না খাইয়া মরণ লাগব। প্রবল একটা ধাক্কা খেয়ে একেবারে সাদা হয়ে যায় রাসুর মুখটা। কি একটা কথা বলতে গিয়ে ওর ঠোঁট দুটো কাঁপতে কাঁপতে আবার নিশ্চল হয়ে যায়।
রাসু!
নিজেকে সামলে নিয়ে এইবার হেসে ওঠে রাসু, কেডা কইছে তুমার বেড় মাছ উডত না, কাইলেই মাছ উডব।
হেসে ফেলে নিতাই। হাসির ধাক্কায় ওর চোখ দুটি চিকচিক করে ওঠে, মাছের পাখ নাই রাসু, হেরা উড়ত জানে না!
উইড়্যাই আইব। আমার কতা রাইখ্যা আর একটা দিন দেহ। চিকণ হাসিতে মুখ ভরিয়ে রাসু বলে ওঠে, ডরাইও না, আমার কতা ঠিক অইব, আমি যাদু জানি।
সত্য যাদু জানে রাসু। পরদিন জাল টানতে গিয়ে আশ্চর্যের ধাক্কায় একেবারে বিবর্ণ হয়ে যায় নিতাই। নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে জালটা টান দেয়ার সাথে সাথে ঝাঁক ঝাঁক মাছের ছুটো-ছুটিতে গম গম করে ওঠে বেড়টা। আশ্চর্য মনে হয় যেন অঝোর বৃষ্টিধারার মতো মাছের একেকটা ঝাঁক আকাশ থেকে ঝরে পড়েছে নিতাইর ছোট্ট বেড়াটির মাঝে। কিন্তু ওদিকে স্থির গম্ভীর হয়ে ওঠেছে পচুর থমথমে মুখ। সারা রাত্রির সে াতের টানে টানে একটি মাছও পচুর বেড়ে আটকা পড়েনি। একদিন দুদিন, তিন দিনের দিন ছুটে আসে পচু, কিরে নিতাই বেপারডা কি, দুইদিগে আমার বেড়, মাছ তর বেড়ে যায় কেমনে।
সহজ কণ্ঠে নিতাই বলে, কেরে জানছ না, আইজ কাইল মাছের পাহা অইছে, উইড়্যা উইড়্যা আইয়া পড়ে।
নিশ্চুপ পচু জ্বলন্ত দুটি চোখ নিয়ে অদ্ভুতভাবে চেয়ে থাকে নিতাইর ভাব লেশহীন মুখের দিকে। দাঁত দিয়ে নীচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে বৈঠাটায় জোরে একটা টান দেয় পচু, আইচ্ছ্যা, কার পাহা অইছে এইডা ধরতে বেশীদিন লাগত না, তহন বুজা যাইব।
প্রতিদিন জাল পাহারা দেবার জন্যে বেড়ের মাঝে নৌকার ওপর রাত কাটাতে হয় জেলে মাঝিদের। নদীর বুকে ছেলেদের কারো প্রতি বিশ্বাস নেই। গভীর রাতে এক বেড়ের মাঝি নিস্তব্দ গতিতে অন্য বেড়ের কাছে গিয়ে হাত দিয়ে টিপে টিপে বাঁশের কাঠগুলোকে একটুখানি ফাঁক করে দেবে। গোল করে পেতে রাখা জালটাকে একটু ওপরে তুলে দিয়ে আবার নিঃশব্দে চলে আসবে নিজের বেড়ে। ছড়িয়ে রাখা জালের বেষ্টনীর মাঝে ওই এতটুকু ফাঁক পেয়ে মুক্তির আনন্দে চোখের পলকে বেড়ের বাইরে ছুটে যাবে সকল মাছ।
রাত্রির অন্ধকারে তেল চটচটে বালিশের ওপর অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে থাকে পচু। অন্ধকার নক্ষত্র খচিত আকাশ। ছল ছল ঢেউ ওঠা চিলমারীর বুকের সাথে আকাশ আর মাটি নিঃসীম অন্ধকারে একাকার হয়ে মিশে গেছে। ঢেউ-এর দোলায় দোলায় আস্তে আস্তে দুলতে থাকে পচুর নৌকাটা। কিন্তু আজ আর যম নয়। ব্যাকুল প্রতীক্ষার হাত ধরে স্থির চোখে পচু চেয়ে থাকে সামনের দিকে। প্রায় এক প্রহর রাত্রির পর ভাঁজ করা জলের বকে ঢেউ ভাঙ্গার অসপষ্ট একটা শব্দ শুনে মাথা তুলে নৌকার ওপর ওঠে দাঁড়ায় পচু। স্পষ্ট বোঝা যায় ডুব সাঁতার দিয়ে ধীরে ধীরে একটা মানুষ বেড়ের কাছে এগিয়ে আসছে। অন্ধকারের বুকে তারার মতো উজ্জ্বল হয়ে পচুর চোখ দুটি জ্বলতে থাকে। বৈঠাটা হাতের মুঠোয় তুলে নিয়ে নিষ্পলক পচু ভেতর থেকে দারুণ উত্তেজনায় ফুলে ফুলে ওঠতে থাকে। আস্তে আস্তে বাঁশের কাঠিগুলো নড়ে ওঠতে থাকে। গোলাকার জালটা নড়ে ওঠার সাথে সাথে স্থির লক্ষ্যে লম্বা বৈঠাটা দিয়ে প্রবল বেগে আঘাত করে বসে পচু। এক মুহূর্তে আর্ত একটা চিৎকারে কেঁপে ওঠে চিলমারীর বাতাস।
তন্দ্রার মাঝে ডোবে থাকা নিতাই হঠাৎ চমক খেয়ে নৌকার ওপর ওঠে দাঁড়ায়। নির্ভুলভাবে নিতাই বুঝতে পারে কার কণ্ঠস্বর এমন চিৎকারের রূপ নিয়ে এক লহমায় হাউই বাতির মতো আকাশে মিলিয়ে গেল। চোখের পলকে নৌকার ওপর থেকে জলের বুকে লাফিয়ে পড়ে নিতাই। অন্ধকার কালো জলের মাঝে জমাট বাঁধা গাঢ় অাঁধারে রূপ নিয়ে সে াতের টানে টানে ভেসে যাচ্ছে একটা দেহ। দুর্বল হাতে ঢেউ কাটার চেষ্টা করে বার বার ঝাপটার নীচে তলিয়ে গিয়ে আবার ওপর দিকে ভেসে ওঠছে। প্রাণপণে ঢেউ কেটে তীরের মতো ডুব সাঁতার দিয়ে গড়িয়ে যাওয়া দেহটাকে বুক দিয়ে জড়িয়ে ধরে নিতাই। তারপর নিসুন্দি ঘাটের কাছাকাছি গিয়ে কোনো রকমে এলিয়ে পড়া দেহটাকে চিলমারীর বুক থেকে চরার ওপর টেনে তুলে। উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে ওঠে নিতাই, রাসু।
নিতাইদা। অস্পষ্ট কণ্ঠে একটি মাত্র শব্দ করে নিতাইর বুকের ওপর ঢলে পড়ে রাসু। গভীর আলিঙ্গনে রাসুর ভিজে লেপটে যাওয়া দেহটাকে বুকের মাঝে চেপে ধরে নিতাই বলে ওঠে, রাসু, তুমি এইডা কি করলা, আমার লাইগ্যা তুমি জীবন দিতা গেলা।
উজান বাঁক থেকে চার পাঁচটা মশাল নিয়ে সাত আটজন জেলে মাঝির সাথে কাছে এগিয়ে আসতে থাকে। পচু। দূর থেকেই পচু বলতে থাকে, মাছের বুলে আইজকাইল পাহা অইছে। দেইখ্যা আই পাহা ভাঙছে কি না?
কিন্তু কাছে এসে মশালটা উঁচিয়ে ধরেই পাথরের মতো স্থির হয়ে যায় পচু। নিতাইর প্রশান্ত বুকের মাঝে অবিকল লতার মতো এলিয়ে পড়ে আছে রাসু। মাথার মাঝ থেকে ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে আসছে ঝলক ঝলক রক্ত। রক্তের ধারায় ধারায় ভেসে যাচ্ছে রাসুর অপূর্ব সুন্দর মুখ চোখ।
রাসু বলিষ্ঠ পচুর কণ্ঠস্বরটা হঠাৎ যেন থেকে থেকে ভেঙে যায়। রাসু তুই এইডা করলে কি?
নিতাইয়ের বুক থেকে একটানে রাসুর দেহটাকে কাঁধের ওপর তুলে পচু বলে ওঠে, তরা কেউ একজন কৈলাশ কাহার কাছে যা, খুব তাড়াতাড়ি লইয়া আইবে। বালুর চরার উপর দিয়ে নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের মাঝে রক্তাক্ত রাসুকে নিয়ে ছুটে যেতে থাকে পচু। পেছনে কল্পিত মাটির বুকে দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা করতে করতে চিকচিকে শীতল বালুর বুকের ওপর ঢলে পড়ে নিতাই।
শিশুর মতো রাসুকে বুকের মাঝে টেনে নিয়ে চিৎকার করে ওঠে পুতুল বৌ, আমার রাসুরে এমুন করছে কেডা?
ভেঙে পড়া কণ্ঠে উত্তর দেয় পচু, আমি।
তুমি!
নিতাইয়ের জালে মাছ উডে না। হের লাইগা রাসু আমার বড় মাছ চুরি করতে গেছিল, আমি না জাইনা এই বৈডা দিয়া-
চেষ্টা করেও কথাটাকে শেষ করতে পারে না পচু। শুধু আগুনের মতো লাল ওর দুটি চোখ জলের রেখায় চিকচিক করতে থাকে।
কুন চিন্তা নাই বৌ, কবিরাজ অহনই আইতাছে। আমি একটু গাঙের পাড় থাইক্যা আই। বজ মুষ্টিতে বেড়ার সাথে ঠেস দেওয়া বৈঠাটা চেপে ধরে বাইরে ছুটে যেতে চায় পচু। পেছন থেকে বাধা দেয় পতুল বৌ, গাঙের পাড় কিয়ের লাইগ্যা যাইবা?
অদ্ভুত উজ্জ্বল দৃষ্টি দিয়ে পুতুল বৌর মুখের দিকে চেয়ে থেকে নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে পচু, দেহি, একবার নিতাইরে দেইখ্যা আই। একটা বজ পাতের মতো ঘরটা যেন স্তব্ধ হয়ে যায়। বিস্ময়ের ধাক্কায় বোবা হয়ে যায় পুতুল বৌ।
দাদা! পচুর সামনে এসে টলতে টলতে ওই নির্মম বুকটার ওপর ঢলে পড়ে যায় রাসু। দাদা হেরে মাপ কইরা দেও, হের কোন দুষ নাই। আর দুইদিন পড়ে হে এমনেই গাঁও ছাইড়্যা যাইব গা। কান্নার আবেগে রাসুর দেহটা ফুলে ফুলে কাঁপতে থাকে।
রাসু অনেক চেষ্টা করেও চোখ দুটিকে শুষ্ক রাখতে পারে না পচু। দু'হাত দিয়ে রাসুকে জড়িয়ে ধরে বিক্ষত কণ্ঠে পচু বলতে থাকে, তুই আমার মা মরা বইন, তর লাইগ্যা আমি কিনা করছি, আর আইজ তুই আমার শত্রুর লাইগ্যা নিজের জীবন দিতে গেছলে!
দাদা!
হে আমার অত বড় শত্রু এইডা জাইন্যাও কি তারে যাওনের দেওন যায় রাসু! তুই আমার ছাইড়্যা দে রাসু, হেরে আমি ধইর্যা না আইন্যা ছাড়তাম না।
দাদা গো!
এইবার চোখের জলে হেসে ওঠে পচু, তর লইগ্যাই আমি আইরা গেলাম, ডর নাই রাসু, নিতাই যাতে গাঁও ছাইড়্যা না যাইত পারে হের লাইগ্যাই তারে ধইর্যা আইন্যা তর কাছে দিয়াম। হের লাইগ্যাইত তর মাতা বাঙ্গছে। অহন সারাজীবন হে আইয়া তর মাতা পাহারা দেউক।
দাদা! বন্যার মতো চোখের জল নিয়ে ছোটবেলার মতো অসীম আবদারে পচুর বুকটাকে জড়িয়ে ধরে রাসু।
যা, তর বৌদির কাছে যা, আমি অহনেই আইতাছি।
দুইজোড়া চোখের স্বপ্নমাখা দৃষ্টির ওপর দিয়ে বালুর চরার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে পচু। চিলমারীর পূর্বের আকাশটা তখন রাত্রিশেষ রঙমাখা সূর্যের আলোর কুয়াশার ফাঁকে ফাঁকে চিকচিক করতে থাকে। নদীর বুকে ধীরে জেগে উঠতে থাকে উলস্নসিত জেলেমাঝিদের চিরদিনের চেনা সেই প্রাণখোলা কণ্ঠস্বর।
================================
গল্প- 'লাউয়ের ডগা' by নূর কামরুন নাহার গল্প- 'অপূর্ব সৃষ্টি' by পারভীন সুলতানা গল্প- 'ঊনচলিস্নশ বছর আগে' by জামাল উদ্দীন গল্প- 'সুচ' by জাফর তালুকদার গল্প- 'বাসস্ট্যান্ডে যে দাঁড়িয়েছিল' by ঝর্না রহমান গল্প- 'গন্না' by তিলোত্তমা মজুমদার গল্প- 'ঘুড়িয়াল' by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় গল্প- 'প্রক্ষেপণ' by মোহিত কামাল গল্প- 'গন্তব্য বদল' by রফিকুর রশীদ গল্প- 'ঝড়ের রাতে' by প্রচেত গুপ্ত গল্প- 'শুধু একটি রাত' by সাইপ্রিয়েন এক্ওয়েন্সি। অনুবাদ বিপ্রদাশ বড়ুয়া গল্প- 'পিতা ও কুকুর ছানা' by হরিপদ দত্ত স্মরণ- 'শওকত ভাই : কিছু স্মৃতি' by কবীর চৌধুরী সাহিত্যালোচনা- 'রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে পালাকারের নাটক স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ : কবি ও প্রাবন্ধিক' by রাজু আলাউদ্দিন স্মরণ- 'সিদ্ধার্থ শংকর রায়: মহৎ মানুষের মহাপ্রস্থানে by ফারুক চৌধুরী গল্প- 'ফাইভ স্টার' by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গল্প- 'নূরে হাফসা কোথায় যাচ্ছে?' by আন্দালিব রাশদী গল্প- 'হার্মাদ ও চাঁদ' by কিন্নর রায় গল্প- 'মাটির গন্ধ' by স্বপ্নময় চক্রবর্তী সাহিত্যালোচনা- 'কবি ওলগা ফিওদোরোভনা বার্গলজ' গল্পিতিহাস- 'বালিয়াটি জমিদারবাড়ির রূপগল্প' by আসাদুজ্জামান ফিচার- ‘কাপ্তাই লেক:ক্রমেই পতিত হচ্ছে মৃত্যুমুখে' by আজিজুর রহমান
দৈনিক ইত্তেফাক এর সৌজন্য
লেখকঃ নীলু দাস
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
গল্প- 'লাউয়ের ডগা' by নূর কামরুন নাহার গল্প- 'অপূর্ব সৃষ্টি' by পারভীন সুলতানা গল্প- 'ঊনচলিস্নশ বছর আগে' by জামাল উদ্দীন গল্প- 'সুচ' by জাফর তালুকদার গল্প- 'বাসস্ট্যান্ডে যে দাঁড়িয়েছিল' by ঝর্না রহমান গল্প- 'গন্না' by তিলোত্তমা মজুমদার গল্প- 'ঘুড়িয়াল' by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় গল্প- 'প্রক্ষেপণ' by মোহিত কামাল গল্প- 'গন্তব্য বদল' by রফিকুর রশীদ গল্প- 'ঝড়ের রাতে' by প্রচেত গুপ্ত গল্প- 'শুধু একটি রাত' by সাইপ্রিয়েন এক্ওয়েন্সি। অনুবাদ বিপ্রদাশ বড়ুয়া গল্প- 'পিতা ও কুকুর ছানা' by হরিপদ দত্ত স্মরণ- 'শওকত ভাই : কিছু স্মৃতি' by কবীর চৌধুরী সাহিত্যালোচনা- 'রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে পালাকারের নাটক স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ : কবি ও প্রাবন্ধিক' by রাজু আলাউদ্দিন স্মরণ- 'সিদ্ধার্থ শংকর রায়: মহৎ মানুষের মহাপ্রস্থানে by ফারুক চৌধুরী গল্প- 'ফাইভ স্টার' by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গল্প- 'নূরে হাফসা কোথায় যাচ্ছে?' by আন্দালিব রাশদী গল্প- 'হার্মাদ ও চাঁদ' by কিন্নর রায় গল্প- 'মাটির গন্ধ' by স্বপ্নময় চক্রবর্তী সাহিত্যালোচনা- 'কবি ওলগা ফিওদোরোভনা বার্গলজ' গল্পিতিহাস- 'বালিয়াটি জমিদারবাড়ির রূপগল্প' by আসাদুজ্জামান ফিচার- ‘কাপ্তাই লেক:ক্রমেই পতিত হচ্ছে মৃত্যুমুখে' by আজিজুর রহমান
দৈনিক ইত্তেফাক এর সৌজন্য
লেখকঃ নীলু দাস
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1342)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
November
(820)
-
▼
Nov 11
(47)
- গল্প- 'মাদকাসক্ত' by আলী ইদ্রিস
- গল্প- 'বেঁটে খাটো ভালোবাসা' by রেজানুর রহমান
- কবর by জসীম উদ্দীন (পল্লীকবি)
- দখলবাজদের সংঘাত
- মানবাধিকার কমিশনের নিজস্ব তদন্ত
- ওড়িশার নাম হলো ওডিশা
- ভারতে মাওবাদীদের সহিংসতায় এ বছর নিহত প্রায় ১০০০
- ইয়েমেন ও সোমালিয়ার পণ্যবাহী বিমানের ওপর যুক্তরাষ্ট...
- মৃতের সংখ্যা ১৫৩
- পাকিস্তানের প্রস্তাবে সাড়া দিতে ভারত ব্যর্থ হয়েছে:...
- আগামী এপ্রিলে কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির সম্মেলন
- আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে মিয়ান...
- জেলে বসে চরবৃত্তি সিআইএ কর্মকর্তার
- কেনিয়ায় এইডসবিরোধী কার্যক্রমে খুদে বার্তা কর্মকাণ্...
- ফাউন্ডেশনকে কোনো অর্থ না দিতে ইসলামী ব্যাংককে নির্দেশ
- এসইসি মডার্ন পলির আইপিও অনুমোদন বাতিল করেছে
- পূর্ব জেরুজালেমে আরও ১৩০০ বাড়ি নির্মাণে অনুমোদন
- বাণিজ্য সম্প্রসারণে চীন সফরে ক্যামেরন
- ডিএসইর সূচক আট হাজার পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়াল
- সরকারি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমাতে বাজারে কারসাজি ...
- ডিএসইর পুনর্নির্মিত অফিস উদ্বোধন
- জুলকারনাইনের অন্তর্ধান-রহস্য
- লড়াই চালিয়ে যাবেন পন্টিং
- ম্যাচ-সিরিজ দুটোই জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা
- পাকিস্তান দলে মেজো আকমল
- ‘টেন্ডুলকারই সর্বকালের সেরা’
- গল্প- 'নদীর নাম চিলমারী' by নীলু দাস (অগ্রন্থিত গল্প)
- আরেকটি ‘সহনীয়’ হার বাংলাদেশের
- এশিয়ান গেমস ফুটবল: আরব আমিরাতের কাছেও ৩-০ গোলে হার...
- ‘গোলমাল’ বাধাবে ‘গোলমেলে’ সিটি
- এবার হারলেন রোনালদো
- স্টামফোর্ড ব্রিজ ছাড়ছে চেলসি
- ‘ভাজ্জি’র ব্যাটে ভারতের হাসি
- খেলাই ছেড়ে দিলেন জুলকারনাইন
- জুলকারনাইনের অন্তর্ধান নিয়ে বিস্ময়
- চার ইনিংসে চার সেঞ্চুরি
- বিশ্বকাপ! বিশ্বকাপ
- গল্প- 'লাউয়ের ডগা' by নূর কামরুন নাহার
- গল্প- 'অপূর্ব সৃষ্টি' by পারভীন সুলতানা
- গল্প- 'ঊনচলিস্নশ বছর আগে' by জামাল উদ্দীন
- গল্প- 'সুচ' by জাফর তালুকদার
- গল্প- 'বাসস্ট্যান্ডে যে দাঁড়িয়েছিল' by ঝর্না রহমান
- গল্প- 'গন্না' by তিলোত্তমা মজুমদার
- গল্প- 'ঘুড়িয়াল' by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- গল্প- 'প্রক্ষেপণ' by মোহিত কামাল
- গল্প- 'গন্তব্য বদল' by রফিকুর রশীদ
- গল্প- 'ঝড়ের রাতে' by প্রচেত গুপ্ত
-
▼
Nov 11
(47)
-
▼
November
(820)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A7%81_%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
ReplyDelete